কোরিয়া ১৯৫০: এক কিশোর সৈনিকের স্মৃতিগাঁথা (পর্ব-৫)

পর্ব-১, পর্ব-২, পর্ব-৩, আগের পর্ব

ভাষান্তরিত পর্ব-৫

১৯৪৮ থেকে ১৯৫০ এর কোরিয়া যুদ্ধের পূর্ব পর্যন্ত দক্ষিন কোরীয় সমাজতন্ত্রীদের দুর্দ্ধষ্য গেরিলা কার্যক্রম ক্রমশঃ অপ্রকাশ্যে চলে যায় বিশেষ করে রীহ সাইংম্যান রাষ্ট্রপতি হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর পর। এই সময়ের অত্যন্ত ষ্পর্শকাতর একটি ঘটনা হলো দক্ষিন কোরীয় সেনা বাহিনীর একটি অংশ প্রকাশ্যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাকে উপেক্ষা করে তৎকালীন কিয়াংনাম (Kyungnam) এবং ছন্নাম (Chonnam) এই দুই দক্ষিনের উপকুলীয় প্রদেশের মাঝে বিদ্রোহ করে বসে। স্থানীয় জনগনের স্বক্রিয় সমর্থনে, বিশেষ করে মাধ্যমিক স্কুলের উঠতি বয়েসের ছোট ছোট ছেলেদের সরাসরি অংশগ্রহনে তারা স্থানীয় পুলিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে অতর্কীতে ভয়ংকর আক্রমন চালায়। নিয়মিত সেনাবাহিনীর সম্মিলিত প্রয়াসে, হাজার খানেক প্রাণের বিনিময়ে, প্রায় পক্ষকাল ব্যাপী বিপুল বিক্রমে বিশাল শক্তি, এই হঠাৎ ফুঁসে উঠা বিদ্রোহ দমন করে। বিদ্রোহীদের মধ্যে যারা তখন প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলো তাদের অনেকেই তখন আত্মগোপনে চলে যায়, এই অঞ্চলে পরবর্তীতে এরাই আত্মগোপনে থাকা সমাজতান্ত্রীক গেরিলা কার্যক্রমের বাড়তি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। কোচাং (Kochang) খুব বিখ্যাত এলাকা, আমার বাড়ি এবং স্কুল শহড় ছিনজু (Chinju) এই এলাকারই অন্তর্ভূক্ত। এই শহর দুটি ছাড়াও আশেপাশের অনেক গুলো শহড় এই সময়ে কমিউনিষ্ট গেরিলাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলো। এই সমস্ত কার্যকলাপের কারণে অত্র এলাকার অধিবাসীদের এতো বেশী ভোগান্তি পোহাতে হয়েছিলো যে তারা উভয় পক্ষকেই সমান ভাবে দুষেছিলেন। রাতে গেরিলারা আশেপাশের গ্রাম গুলোতে আক্রমন চালাতো, এমনকি কখনো কখনো বড় শহড় গুলোতে পর্যন্ত। উদাহরণ হিসেবে ছিনজুর মতো বড় শহড়ও এদের আক্রমনের হাত থেকে রেহাই পায়নি। সধারনতঃ এদের আক্রমনের লক্ষ্য হতো স্থানীয় থানা (Police Station), হত্যা করতো স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তাদের, ভুস্বামী বা ক্ষুদ্র জমির মালিকদের এবং রীহ সাইংম্যান এর রাজনৈতিক দলীয় স্থানীয় গুরুত্ত্বপূর্ণ নেতাদের। তারা খাদ্য এবং স্থানীয়দের জন্যে সরবরাহকৃত দব্যসামগ্রী নিয়ে যেতো এবং পালিয়ে যাবার আগে সরকারী অফিস-আদালত এমনকি গুরুত্ত্বপুর্ণ স্থাপনা গুলো আগুনে জ্বালিয়ে দিতো। আর এদিকে গেরিলাদের চলে যাবার পর দুর্যোগের রাতের শেষে যখন দিন আসতো, তখন সামরিক এবং যৌথ পুলিশ বাহিনীর শক্তি প্রদশর্নের মদমত্ততায় যে তান্ডব সৃষ্টি হতো তাতে পুরো এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হতো। প্রায়ই তারা শহরের বাসিন্দাদের কোন স্থানীয় বিদ্যালয়ের মাঠে কিংবা স্থানীয় কোন উৎসবের মাঠে এক সাথে এনে জড়ো করতো। তারপরে অতীতের স্মৃতি থেকে কে কতোটুকু বাম সহানুভূতিশীল ছিলো তা খুঁটিয়ে বের করতো। অথবা সেই সব শহরবাসীদের সামনে টেনে এনে দাঁড় করাতো, যাদের অতীতের ১৯৪৫ সমসাময়িক কালে কিছুমাত্র বাম ধারার তৎপরতা ছিলো বলে কোন রকম কোন তথ্য পাওয়া যেতো। আমার মনে আছে আমি ডানপন্থী সংগঠনের সাথে যুক্ত কিছু যুবককে দেখেছি যারা পুলিশের সাথে যোগ-সাজোসে পরের দিন ভোরে বাম সহানুভুতিশীল শহরবাসীদের চিহ্নিত করে ধরিয়ে দিয়েছিলো যখন আগের রাতে আমাদের কোচাঙ (Kochang) শহরটি বামপন্থী গেরিলাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলো। এই সব হতভাগ্য সহানুভূতিশীলদের একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো, এবং পরবর্তীতে আর কোনদিনও এদের সম্পর্কে কোন তথ্য আমরা জানতে পারিনি। আমরা সবসময়ই খুবই সন্ত্রস্ত থাকতাম সেইসব টহল পুলিশ আর সৈন্যদের কারণে যারা প্রায়ই খোলা আকাশে ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে বেড়াতো। এই ধরনের নৃসংস ঘটনা আর দৃশ্যগুলো বার বার ফিরে ফিরে আসতো আশে পাশের গ্রাম এবং গোটা এলাকা জুড়ে, শান্তি ছিলো সুদূর পরাহত। এ সময় অনেক নিরীহ এবং নির্দোষ মানুষকে হত্যাকরা হয়েছিলো আর এগুলো করেছিলো হয় কমিউনিষ্ট গেরিলারা নতুবা পুলিশ কিংবা সেনা সদস্যেরা। আর জনগনের উপরে এই নৃসংসতা আরোপ করেছিলো উভয় পক্ষই; যদিও তারা একে অপরকে দেখিয়ে দিতো। যেমন পুলিশ এবং সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হতো, ‘আমাদের দ্বারা জনগনের কখনো কোন ক্ষতি হয়নি যেটুকু হয়েছে, তা করেছে হয় কমিউনিষ্ট গেরিলারা নতুবা বাম সহানুভূতিশীলরা। তারা আরোও বলতো যে তারা যদি না থাকতো তবে গেরিলারা আমাদের সবাইকেই হত্যা করতো। আমাদের নিজেদের পুলিশ বাহিনী, সেনা সদস্য অথবা এই কমিউনিষ্ট গেরিলা যোদ্ধাদের চাক্রিক এই ধরনের অমানবিক নৃসংস নির্যাতনে আমরা সত্যিই বিষ্মিত এবং হতবাক হয়েছিলাম যা ছিলো সত্যই জঘন্য। আমরা নিজেরাই নিজেদের দোষী সাব্যস্ত করতাম, হয় আমরা ঠিক করছি নতুবা আমরা আমাদের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করছি!

রাষ্ট্রপতি রীহ সাইংম্যান (Rhee Syngman) এর শাসন আমলে আমাদের জীবনযাত্রার মান জাপানী দখলদারদের সময়ের চাইতে কোন অবস্থাতেই সুখকর ছিলো না। চতুর্দিকে পুলিশী তৎপরতা, অতিরিক্ত সরকারী সংস্থার সদস্যদের তৎপরতা যেমন উপসামরিক যুবসংগঠন (Paramilitary Youth Organizations) এবং সশস্ত্র ‘দেশপ্রেমিক’ সংঘের (Armed ‘Patriotic’ Societies) তৎপরতায় নাগরিক জীবন ছিলো বিপন্ন প্রায়। বেশীরভাগ গ্রামবাসীই অজানা আতঙ্কে অত্যন্ত সন্ত্রস্ত ছিলো যেনো এরা সেই ভয়ঙ্কর জাপানী পুলিশ বাহিনীরই প্রতাত্মা! যেখানে প্রত্যাশিত যে পুলিশ নাগরিক জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে এবং শহর-উপশহরবাসীদের বিভিন্ন উৎকন্ঠা থেকে পরিত্রান দেবে, সহায়ক শক্তি হিসেবে পাশে থাকবে এমনকি কমিউনিষ্ট গেরিলাদের প্রতিহত করে শহরবাসীকে আস্বস্ত করবে। কিন্তু সবাই অনুভব করতে শুরু করলো, সহযোগীতার স্থলে পুলিশই বরং নানা ভাবে আমাদের অপদস্থ এবং হয়রানি করছে! কেন্দ্রীয় সরকার থেকে স্থানীয় সরকারের সমস্ত পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে পরলো অসহনীয় অবিচার, নির্যাতন এবং সীমাহীন দুর্নীতি। স্থানীয় পুলিশ বিভাগ গুলো ছিলো এক একটা দুর্নীতির আখড়া আর মূর্তিয়মান আতঙ্ক এবং কোন পুলিশ সদস্যেরই কার্যকর ব্যবস্থা নেবার কোনই যোগ্যতা ছিলো না। অথচ প্রত্যেকটা থানার ফটকের উপড়ে বিশাল একটি বাঁকা ফলকে লিখা থাকতো, “আমরা সদাই জনগনের সেবায় নিয়োজিত”! আমরা শুধু দেখতাম আর একবার সেটা পড়তাম! অথচ পুলিশের কোন ধরনের নাগরিক সেবা দানের বিন্দুমাত্র উদ্যোগ ছিলো না। আমরা মাঝে মাঝে খুব আশ্চর্য হয়ে ভাবতাম কোনটি আসলে বেশী ভয়ংকর, পুলিশের মুখোমুখী হওয়া না গেরিলাদের মোকাবিলা করা? ঊভয় পক্ষই ছিলো তখনকার স্থানীয়দের কাছে সমান ভাবে তাদের নিত্যনৈমিত্তিক নাগরিক স্বার্থের প্রতিকুল। জাপানী পুলিশ কর্তৃপক্ষের হাতে প্রায়ই আমরা অত্যন্ত অসম্মানের সাথে নির্যাতিত হতাম। এখন আবার আমরা অত্যন্ত বিশ্রীভাবে নিজেদের পুলিশ বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হচ্ছি এবং সম্ভবতঃ এ অসম্মান আরোও বেশী কদর্য্য ও বেদনার বিভিন্ন কারনে। এ ছিলো এক ধরনের অবিচার আর নৃসংস অত্যাচার। সুতরাং ১৯৫০ এর সময়টি ছিলো এমন একটি সময় যখন আমাদের জীবনের নিরাপত্তা বলতে কোন কিছুই ছিলো না। জাপানী শাসনামল কালের চাইতে কিংবা অবশ্যই ১৯৪৫ এর ঘটনা প্রবাহের অব্যবহিত পরের দিন গুলো, যখন আমরা কেবল মাত্র জাপান থেকে মুক্ত হয়ে একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়ে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার পর্যায় গুলো অতিক্রম করছিলাম, তখনকার চাইতে কোন দিক দিয়েই আমাদের জীবনমানের কোনই উন্নতি তো ঘটেইনি বরং তা আরোও সংকটাপন্ন হয়ে পরে। তার পরেও আমরা অনেক আশা আর প্রভূত উচ্চাকাঙ্খী হয়েছিলাম কিন্তু বাস্তবতা খুউব শীঘ্রই আমাদের সেই সব আশা-আকাঙ্খাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে এক হতবিহ্বল জাতিতে রূপান্তরিত করে।

মার্কিন সরকার ভালো করেই জানতো যে গোটা দেশে কি ঘটে চলেছে এবং স্থানীয় সহ সারা দেশ ব্যাপী কি ধরনের ভয়ংকর জটীল পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে পুলিশী নির্যাতন। দেশের এই রকম এক বিপদ শঙ্কুল পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি রীহ-র (President Rhee) শুধুমাত্র সেনাবাহিনীর জন্যে মিনতি সত্ত্বেও মার্কিন সরকার তৎকালীন দক্ষিন কোরিয়াতে তাদের প্রদত্ত সাহায্যের সিংহভাগ-ই বন্ধ করে দেয়, নিন্দিত সরকারের বিতর্কিত আইন ও সিদ্ধান্তের কারনে। সদ্য জন্ম নেওয়া একেবারেই শিশু সেনাবাহিনীর ৯৫০০০ সদস্যের জন্যে সেসময় আত্মরক্ষামূলক কোন ব্যবস্থা এবং ভারী কোন যুদ্ধাস্ত্র পর্যন্ত ছিলো না। অত্যন্ত বিনয়ী আবেদনের পরেও এসবের ব্যবস্থা করতে মার্কিন কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করে। এদিকে ঈয়েসু-সুনছন (Yosu-Sunchon) সেনা বিদ্রোহের পরে অত্যন্ত নগন্য এবং খুবই হালকা অস্ত্র-শস্ত্রে কমিউনিষ্ট গেরিলাদের নিরন্তর মোকাবেলায় ব্যাপৃত থাকে কোরীয় সেনাবাহিনী (ROK Army)। গেরিলা মোকাবেলায় এ ছিলো একেবারেই নগন্য প্রতিরোধ। এদিকে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তখনকার উত্তর কোরিয়াকে ট্যাঙ্ক প্রস্তুতের যাবতীয় সরঞ্জামাদি, আর্টিলারী (Artillery) এবং মিলিটারী এয়ার ক্রাফট (Military Aitcraft) সহ যাবতীয় যুদ্ধ-সরঞ্জামাদি সরবরাহ করতে থাকে। এইরকম এক অসম পরিস্থিতিতে উত্তর কোরীয় কমিউনিষ্ট সেনাবাহিনীর ১৩৫,০০০ সদস্যের চৌকষ দল ভারী যুদ্ধাস্ত্রে অত্যন্ত সুসজ্জিত অবস্থায় সেতু বিদ্ধংসী যন্ত্রপাতি, সাথে রাশিয়ান টি-৩৪ ট্যাঙ্ক সমেত অজস্ত্র বহনযোগ্য ভারী অস্ত্র-শস্ত্রের একাধিক সহযোগী প্লাটুন সহ ১৯৫০ এর ২৫শে জুন উত্তরের চতুর্দিক ঘিড়ে দক্ষিনে আগ্রাসন চালায়। এসময় উত্তর কোরীয় সেনাবাহিনীর এই আকষ্মিক আক্রমনে আমাদের হাতে গোনা কয়েকটি টি-৬ প্রশিক্ষন বিমান সম্পূর্নরূপে ধ্বংস হয়, যা ছিলো তখনকার দক্ষিন কোরীয় বিমান বাহিনীর সবেধন নীলমনি! এমনকি এই সময় উত্তরের বাহিনীর হাতে দু’শো-র ও বেশী ঈয়াক-৯ (Yak-9) যুদ্ধ বিমান এবং ১১-১০ সয়ংক্রিয় বোম্বার পর্যন্ত ছিলো!

মুক্তমনা সদস্য। পেশায় শিক্ষক।

মন্তব্যসমূহ

  1. বিপ্লব রহমান ডিসেম্বর 28, 2012 at 5:49 অপরাহ্ন - Reply

    আর এদিকে গেরিলাদের চলে যাবার পর দুর্যোগের রাতের শেষে যখন দিন আসতো, তখন সামরিক এবং যৌথ পুলিশ বাহিনীর শক্তি প্রদশর্নের মদমত্ততায় যে তান্ডব সৃষ্টি হতো তাতে পুরো এলাকায় এক ভীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হতো। প্রায়ই তারা শহরের বাসিন্দাদের কোন স্থানীয় বিদ্যালয়ের মাঠে কিংবা স্থানীয় কোন উৎসবের মাঠে এক সাথে এনে জড়ো করতো। তারপরে অতীতের স্মৃতি থেকে কে কতোটুকু বাম সহানুভূতিশীল ছিলো তা খুঁটিয়ে বের করতো। অথবা সেই সব শহরবাসীদের সামনে টেনে এনে দাঁড় করাতো, যাদের অতীতের ১৯৪৫ সমসাময়িক কালে কিছুমাত্র বাম ধারার তৎপরতা ছিলো বলে কোন রকম কোন তথ্য পাওয়া যেতো। আমার মনে আছে আমি ডানপন্থী সংগঠনের সাথে যুক্ত কিছু যুবককে দেখেছি যারা পুলিশের সাথে যোগ-সাজোসে পরের দিন ভোরে বাম সহানুভুতিশীল শহরবাসীদের চিহ্নিত করে ধরিয়ে দিয়েছিলো যখন আগের রাতে আমাদের কোচাঙ (Kochang) শহরটি বামপন্থী গেরিলাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলো। এই সব হতভাগ্য সহানুভূতিশীলদের একটা নির্দিষ্ট সময়ের পরে কোথাও নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো, এবং পরবর্তীতে আর কোনদিনও এদের সম্পর্কে কোন তথ্য আমরা জানতে পারিনি।

    সবকালে সব দেশে যুদ্ধের বিভীষিকা যেন একই। শুধু স্থানকাল বদলে দিলে এই নিপীড়নটুকু ১৯৭১ এর পাকিস্তানি জান্তার সঙ্গে মিলে যায়; এমনকি পাহাড়ে পাকিপনার সঙ্গেও।

    ইতিহাসের জরুরি পাঠটি মন দিয়ে পড়ছি। নোটের ভেতর দু-একটি ছবি যোগ করলে লেখাটিতে হয়তো আরো প্রাণ পেতো। চলুক। (Y)

    • কেশব অধিকারী ডিসেম্বর 29, 2012 at 6:29 অপরাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব রহমান,

      আমি যখন বইটি পড়ি, কেনো যেনো মনে হচ্ছিলো যে আমাদের বর্তমান বাংলাদেশটি প্রায় ৬৫ বছর আগের কোরিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি! আর সেই কারনেই এটি আপনাদের সামনে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেই। হ্যাঁ এটি ঠিক বলেছেন যে সাথে সংশ্লিষ্ট ঘটনার ছবি থাকলে ভালো হতো, কিছু ছবি আমাকে ইনহা ইউনিভার্সিটি প্রেস যদিও দিয়েছে কিন্তু এ পর্বের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় বলে দিতে পারিনি। অবশ্যই যে ছবি গুলো আছে সেগুলো ঘটনা পরম্পরায় সংযুক্ত করবো। আপনার চমৎকার মন্তব্য আমাকে উৎসাহিত করবে। ধন্যবাদ।

  2. শাহেদ ডিসেম্বর 28, 2012 at 1:41 পূর্বাহ্ন - Reply

    অসাধারন ।সুন্দর উপস্থাপন । আশা করি চালিয়ে যাবেন ।ধন্যবাদ আপনাকে ।

    • কেশব অধিকারী ডিসেম্বর 28, 2012 at 12:05 অপরাহ্ন - Reply

      @শাহেদ,
      আপনার ভালো লাগছে জেনে উৎসাহ বোধ করছি। পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন