মুক্তমনার ই-সংকলন(ইবই) গুলো

পাঠকদের কাছ থেকে আসা বহু অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মুক্তমনায় রাখা ই-সঙ্কলন (ই-বই) গুলো একসাথে ব্লগে রাখার ব্যবস্থা করা হল। যে ই-বইগুলো মুক্তমনার লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যের সাথে সম্পর্কিত, শুধু সে ই-বইগুলোকেই এই পোস্টে একত্রে রাখা হয়েছে।

:line:




অবিশ্বাসের দর্শন
(২০১১, শুদ্ধস্বর)
: ২০১১ সালে শুদ্ধস্বরের সবচেয়ে পাঠকপ্রিয় এবং বিক্রিত বই এটি। অভিজিৎ রায় এবং রায়হান আবীরের সুলিখিত-জনবোধ্য ভাষায় লেখা 'অবিশ্বাসের দর্শন' বইটি বাংলাভাষী ঈশ্বরবিশ্বাসী থেকে শুরু করে সংশয়বাদী, অজ্ঞেয়বাদী, নিরিশ্বরবাদী কিংবা মানবতাবাদী এবং সর্বোপরি বিজ্ঞানমনস্ক প্রতিটি পাঠকের অবশ্যপাঠ্য। আধুনিক বিজ্ঞানের একদম সর্বশেষ তত্ত্ব-তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি করে লেখা এ বই ধর্মান্ধতা এবং কুসংস্কার মুক্তির আন্দোলনের মাধ্যমে আগামীদিনের জাত-প্রথা-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণীবৈষম্যমুক্ত সমাজ তৈরির স্বপ্ন দেখা বাংলাভাষী শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের গণজোয়ারকে প্রেরণা যোগাবে। এই বইয়ের বেশ কিছু অধ্যায় ইতোমধ্যেই বিচ্ছিন্নভাবে মুক্তমনা ব্লগে প্রকাশিত হয়েছে। বইয়ের কিছু অধ্যায় পিডিএফ আকারে পড়া যাবে এখান থেকে



আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী
(২০০৫, পরিবর্ধিত সংস্করণ ২০০৬)
: বাংলাভাষায় বিজ্ঞানের অন্যতম ক্লাসিক বই হিসবে বিবেচিত এবং পাঠকনন্দিত। অঙ্কুর প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত এই বইয়ে ধারাবাহিকভাবে বিধৃত হয়েছে মহাবিশ্বের উৎপত্তির পর্যায়ক্রমিক বিবরণ। আজ থেকে প্রায় চোদ্দশ কোটি বছর আগে এক বিশাল বিস্ফোরণের মাধ্যমে কি ভাবে আমাদের এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছিলো, তার পর কিভাবে তা প্রসারিত হতে হতে আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছেছে, সেই আকর্ষনীয় গল্পের অনুপম সাক্ষর এ বইটি। শুধু তাই নয়, এই বইয়ে উঠে এসেছে মহাবিশ্বের উৎপত্তির তত্ত্ব নিয়ে আধুনিক বিজ্ঞানীদের সর্বশেষ ধ্যান-ধারণাগুলো, যা বাংলাভাষায় দুর্লভ। ই-বুক আকারে বইটার উল্লেখযোগ্য অংশ পড়া যাবে
এখান থেকে
:pdf:
), যদিও মুল বইয়ে সন্নিবেশিত হয়েছে অনেক বিস্তৃত তথ্য।

বিভিন্ন পত্রিকায় বইটির রিভিউ করেছেন অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক হিরন্ময় সেনগুপ্ত, . শাব্বির আহমেদ সহ অনেকেই। বইটি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে দেখুন : মুক্তমনার আলো হাতে আর্কাইভ



মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে
(২০০৭, ২য় সংস্করণ ২০০৮): এই বইটি প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা একটি বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ। সাড়ে চারশ কোটি বছর আগেকার উত্তপ্ত পৃথিবী একসময় ঠান্ডা হয়ে কিভাবে প্রাণের স্ফুরণ ঘটার মত পরিবেশ তৈরি করেছিলো তার ধারাবাহিক উপাখ্যান পাওয়া যাবে এই গ্রন্থে। শুধু তাই নয় এই পৃথিবীর বাইরেও অন্য কোন গ্রহে কিংবা গ্রহানুপুঞ্জে প্রাণের বিকাশ ঘটেছে কিনা কিংবা এর সম্ভাব্যতাই বা কতটুকু সম্বন্ধেও একটি ধারনা পাবেন পাঠকেরা অবসর প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থ থেকে। ই-বুক আকারে মুক্তমনায় রাখা বইটার উল্লেখযোগ্য অংশ পড়া যাবে এখান থেকে


বইটির বিভিন্ন সময়ে রিভিউ করেছেন . বিপ্লব পাল :pdf: সহ অনেকেই।



বিবর্তনের পথ ধরে
(২০০৭, ২য় সংস্করণ ২০০৮)
: ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বের উপরে বাংলাভাষায় এই মুহূর্তে সম্ভবতঃ সর্বাধিক পঠিত এবং আলোচিত গ্রন্থ টি। প্রকৃতিবিদ অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা এই বইটিকে ২০০৭ সালে বাংলা একাডেমী বইমেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পুস্তক বলে অভিহিত করেছিলেন। অবসর প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত এই বইয়ে জৈব বিবর্তনের বিভিন্ন তত্ত্ব অত্যন্ত আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে শুধু উপস্থাপিতই হয়নি, সেই সাথে যারা বিভিন্ন প্রাচীন ধর্মীয় রূপকথার সড়ি ভেঙ্গে অধুনা 'ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন' নামক অপবিশ্বাসের আড়ালে আশ্রয় খুঁজছেন, এই বইটি তাদের জন্য এই বইটি এক শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ই-বুক আকারে মুক্তমনায় রাখা বইটার উল্লেখযোগ্য অংশ পড়া যাবে এখান থেকে


বিভিন্ন পত্রিকায় বইটির রিভিউ করেছেন দ্বিজেন শর্মা, বিপাশা চক্রবর্তী সহ অনেকেই।



সমকামিতা: একটি বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান (২০১০): আধুনিক জীববিজ্ঞান এবং মনোবিজ্ঞানের সর্বাধুনিক তথ্যের ভিত্তিতে স্পর্শকাতর এ বিষয়টির উদ্ভব এবং অস্তিত্বকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এ বইয়ে। বৈজ্ঞানিক আলোচনার পাশাপাশি উঠে এসেছে আর্থ-সামাজিক, সমাজ-সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক এবং মনোস্তাত্ত্বিক বিভিন্ন দিক। বইটির বেশ কিছু অধ্যায় পড়া যাবে এখান থেকে

রিপোর্টারের ডায়েরি : পাহাড়ের পথে পথে (২০০): পাহাড়ি মানুষদের জীবন, ব্যথা-বেদনা নিয়ে চাক্ষুষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লেখা বই দীর্ঘদিন পাহাড়ে তথ্য-সাংবাদিকতা করতে গিয়ে শান্তিবাহিনী-সেনা বাহিনীর যুদ্ধ, সন্তু লারমার হাইড-আউট, ত্রিপুরার শরনার্থী শিবির, কল্পনা চাকমা অপহরণসহ নানা নাটকীয় ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়েছ লেখককে; এ বইটি তারই প্রতিফলন। ই-বই আকারে বইটি পড়া যাবে এখান থেকে

আইনস্টাইনের কাল (২০০৬): প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের জীবন, দর্শন আর কাজ নিয়ে পাঠকদের আগ্রহের কমতি ছিলো না কখনোই। এই বইয়ে পাঠকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে আইনস্টাইনের সেই ঘটনাবহুল সময়টিকে মলাটবন্দি করার প্রয়াস রাখা হয়েছে। মীরা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই বই থেকে পাঠকেরা খুঁজে পাবেন বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের জীবনে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ। ই-বই আকারে বইটি পড়া যাবে এখান থেকে



স্বতন্ত্র ভাবনা (২০০৮): ফ্রান্সিস বেকনের স্মরনীয় উক্তি -'কিছু বই আছে কেবল চেখে দেখার জন্য, কিছু বই আছে গলাধঃকরনের জন্য আর কিছু বই আছে একেবারে চিবিয়ে খেয়ে ফেলবার জন্য' – আমাদের জন্য দিনের আলোর মত স্বচ্ছ হয়ে উঠে যখন বাংলাদেশের স্বনামখ্যাত প্রগতিশীল মুক্তমনা বুদ্ধিজীবি, লেখক, সাহিত্যিক, বিজ্ঞানী, দার্শনিকেরা পাঠকদের জন্য উজার করে দেন নিজ নিজ ভাবনার জগৎ। ২০০৮ সালে বই মেলায় প্রকাশিত 'স্বতন্ত্র ভাবনা' বইটি মুক্তমনা-লেখকদের নির্বাচিত প্রবন্ধের একটি ঐতিহাসিক সংকলন।
চারদিক থেকে প্রকাশিত এই বইটি সম্বন্ধে জানা যাবে এখান থেকে

বিজ্ঞান ও ধর্ম: সংঘাত নাকি সমন্বয়? (২০০৮): ধর্ম এবং বিজ্ঞানের আদপেই কি কোন সমন্বয় হওয়া সম্ভব, নাকি এদের মধ্যে সতত বিরাজ করছে এক নিরন্তর সংঘাত? এ প্রশ্ন অনেক পুরোন। বিগত কয়েক বছরে বিজ্ঞান এবং ধর্মকে সমন্বয় করার বিভিন্ন প্রচেষ্টা এবং কৌশল লক্ষ্য করা গেছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা সহ বাংলাদেশের অনেক মিডিয়ায়। শুধু সমন্বয়ের প্রচেষ্টাই নয় – সেই সাথে খুব কৌশলে বিজ্ঞানের নামে অপবিজ্ঞানও ছড়ানো হয়েছে, এমন কি বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের প্রাচীন আয়াত আর শ্লোকের সাথে সমন্বিত করার চেষ্টা করা হয়েছে আধুনিক বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিস্কারকে- মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব, ডি.এন.এ, আপেক্ষিকতা, কৃষ্ণগহ্বর কিংবা কাল-প্রসারণ ইত্যাদি। কিন্তু, সত্যই কি প্রাচীণ ধর্মগ্রন্থগুলোতে আধুনিক বিজ্ঞানের এমনতর নিদর্শন রয়েছে? জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই পড়তে হবে মুক্তমনার অন্যতম আলোচিত ই-সংকলনটিখুব তাড়াতাড়িই সংকলনটি বাংলাদেশ থেকে বই আকারে বেরুচ্ছে।

ডারউইন দিবস সংকলন (২০০৯): ডারউইন দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এই ই-সংকলনটি বিজ্ঞানমনস্কতা প্রসারে মুক্তমনার সাম্প্রতিক কার্যাবলীর এক উল্লেখযোগ্য প্রমাণ। দারুণভাবে পাঠক নন্দিত এবং দর্শকপ্রিয় এই সংকলনটি থেকে পাঠকেরা জানতে পারবেন বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন-এর সামগ্রিক বৈজ্ঞানিক অবদান এবং সমাজে তার বিবর্তন তত্ত্বের প্রভাবের কথা। বিবর্তন যে একটি বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গি সেটা বাঙালী পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার কৃতিত্ব মুক্তমনা আজ দাবী করতেই পারে, ডারউইন দিবসের সফল আয়োজন তারই অভিব্যক্তি। সঙ্কলনের সবগুলো লেখা পড়া যাবে এখান থেকে
এ সংকলনের বেশ কিছু প্রবন্ধ এবং বাংলাদেশের খ্যাতিমান লেখকদের কিছু লেখা নিয়ে ২০১১ সালে প্রকাশিত হয়েছে  একটি সঙ্কলনগ্রন্থ 'ডারউইন: একুশ শতকে প্রাসঙ্গিকতা এবং ভাবন
'(সম্পাদনা: অনন্ত বিজয় দাশ, প্রকাশ: অবসর প্রকাশনা সংস্থা)  শিরোনামে।

বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান (২০০৯): ডারউইনের তত্ত্ব শুধু জীববিজ্ঞানকেই প্রভাবিত করেনি, করেছে দর্শনকে এবং সেই সাথে আমাদের চারপাশের সমাজকে। সামাজিক বিভিন্ন প্যাটার্ন ব্যাখ্যা করার অভিপ্রায়ে ডারউইনের তত্ত্বের সুস্থিত প্রয়োগে গড়ে উঠেছে মনোবিজ্ঞানের এক নতুন শাখা, বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান। কেন পুরুষেরা সাধারণতঃ মেয়েদের থেকে বেশি আগ্রাসী? কেন পয়সাওয়ালা টাকমাথা লোকদের ঘরে সুন্দরী বউ দেখা যায়? কেন চর্বিজাতীয় খাবার আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর জেনেও লোভ সম্বরণ করতে পারি না? আমাদের অনেকেই কেন ভয় পাই নিরীহ তেলাপোকা বা মাকড়শাকে? এই প্রশ্নগুলো কি কখনো আপনাকে ভাবিয়েছে? তাহলে এই বইটি আপনার জন্য। এই ইবুকটিতে বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের বিভিন্ন দিকগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করা হয়েছে। বাংলাভাষায় এই ধরনের ই-বুক এই প্রথম। ই-বইটি পড়া যাবে এখান থেকে
বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের উপর একটি বই শুদ্ধস্বর থেকে ২০১২ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হবে। 

যে সত্য বলা হয়নি (২০০৯) মুক্তমনায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ এ বইটিতে বিধৃত হয়েছে ধর্ম -বিশেষতঃ ইসলামের উৎপত্তি এবং বিকাশের এক প্রাঞ্জল উপাখ্যান। ধর্মের সামাজিক এবং রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে শুরু করে ইসলামের জন্ম, কোরানের সঙ্কলন, মহানবীর জীবন যাপন, বিয়ে এবং ধর্ম প্রচার থেকে শুরু করে ইসলামের চার খলিফার শাসন পর্যন্ত এক ধারাবাহিক চিত্র এই বইয়ে অলঙ্কৃত হয়েছে। সংশয়ী দৃষ্টিকোন থেকে লেখা এই বই থেকে পাঠকেরা যাচাই করে নিতে পারবেন সত্যই ইসলাম পৌত্তলিকতামুক্ত কিনা, ইসলাম কি আসলেই 'শান্তির ধর্ম'কিনা, মুহম্মদ (দঃ) সত্যই নিরক্ষর ছিলেন কিনা, কোরান কি আসলেই কোন ঐশী গ্রন্থ কিনা কিংবা খলিফারা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন কিনা – এ ধরণের অসংখ্য আলোচিত এবং বিতর্কিত বিষয়। মুক্তমনায় এই মুহূর্তে সর্বাধিক পঠিত ই-বইটি পড়া যাবে এখান থেকে। এই বইটিও বাজারে বেরুবে খুব তাড়াতাড়িই।

ইসলাম ও শারিয়া (২০০৯) ইসলাম এবং শারিয়া নিয়ে একনিষ্ঠ গবেষণার বিধ্বংসী দলিল লিপিবদ্ধ করা হয়েছে ‘ইসলাম ও শরিয়া’ গ্রন্থটিতে। ধর্মগ্রন্থ থেকেই দলিল-দস্তাবেজ, সূত্র প্রমাণ হাজির করে দেখানো হয়েছে জামায়াত নিজেই এক চরম ইসলামবিরোধী দল। ই-বইটি পড়া যাবে এখান থেকে

যুক্তি ( | | ) সিলেট থেকে প্রকাশিত অত্যন্ত সাহসী একটি ম্যাগাজিন। এই পত্রিকার মাধ্যমে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সমাজের বুকে গেথে বসা হাজারো হাজারো বিশ্বাস, কুসংস্কার, অপবিশ্বাসকে যুক্তির মাপকাঠিতে বিশ্লেষণ করে সমাজকে প্রগতির পথে উন্নয়নের। যুক্তির প্রথম দুটো পর্ব ই-বই আকারে পড়া যাবে এখান থেকে (প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব )।

বিভিন্ন সময়ে ম্যাগাজিনটির রিভিউ করেছেন . প্রদীপ দেব সহ অনেকেই।

মুক্তান্বেষা ঢাকার সেগুনবাগিচা থেকে নিয়মিতভাবে প্রকাশিত দ্বিবার্ষিক পত্রিকাটির লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে যুক্তিবাদ, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং মানবকল্যানবোধ প্রতিষ্ঠা। পত্রিকাটির ব্যাপক প্রচার কালক্রমে বাংলাদেশের ক্ষয়িষ্ণু মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে ত্বরান্বিত, প্রসারিত এবং পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে বলে অনেকেই মনে করেন। বিদগ্ধ পাঠক এবং সমালোচকদের অনেকেই বলেছেন এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী প্রকাশনা যা আমাদের নতুন প্রজন্মকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেবে এবং তাদের মধ্যে মানবতাবোধ এবং বিজ্ঞানমনস্কতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। এখন পর্যন্ত মুক্তান্বেষার চারটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলো পড়া যাবে এখান থেকে (১ম পর্ব | ২য় পর্ব | ৩য় পর্ব | ৪র্থ পর্ব | ৫ম পর্ব)

আমরা যুক্তিবাদী কলকাতা থেকে নিয়মিতভাবে প্রকাশিত ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির মুখপত্র। মুক্তমনায় রাখা আর্কাইভ থেকে আমরা যুক্তিবাদী পত্রিকার সংখ্যাগুলো পড়া যাবে এখান থেকে

অস্পৃশ্য ও ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং একজন বাবাসাহেব পৃথিবীতে যতগুলো কথিত ধর্মগ্রন্থ রয়েছে তার মধ্যে মনে হয় অন্যতম বর্বর, নীতিহীন, শঠতা আর অমানবিক প্রতারণায় পরিপূর্ণ গ্রন্থটির নাম হচ্ছে হিন্দুদের ‘মনুস্মৃতি’ বা ‘মনুসংহিতা’। আপনার যদি সন্দেহ থেকে থাকে তবে আপনাকে পড়তে হবে রণদীপম বসুর এই ই-বইটি

:line:


প্রাসঙ্গিক পোস্ট :