মুক্তমনা ই-বই গ্রন্থাগার

মুক্তমনা প্রকাশিত উন্মুক্ত ই-বই (নতুন সংস্করণ)

[mbm_book_grid id=’50826′]


অন্যান্য উন্মুক্ত ই-বই

[mbm_book_grid id=’50477′]

অভিজিৎ রায় (১৯৭২-২০১৫) যে আলো হাতে আঁধারের পথ চলতে চলতে আঁধারজীবীদের হাতে নিহত হয়েছেন সেই আলো হাতে আমরা আজো পথ চলিতেছি পৃথিবীর পথে, হাজার বছর ধরে চলবে এ পথচলা।

মন্তব্যসমূহ

  1. নাঈম জুলাই 6, 2018 at 2:13 অপরাহ্ন - Reply

    বই ডাউনলোড করব কোন লিংক থেকে?

  2. Rajib ফেব্রুয়ারী 2, 2018 at 2:16 অপরাহ্ন - Reply

    মুক্তমনার বই, বইমেলার কোথায় পাবো??
    কোন স্টলে

  3. স্বর্ণাভ ভট্টাচার্য অক্টোবর 28, 2017 at 6:44 অপরাহ্ন - Reply

    প্রবীর ঘোষ-এর “অলৌকিক নয় লৌকিক” বইটির সবগুলি খণ্ডের পি.ডি.এফ. লিঙ্ক পাওয়া গেলে জানাবেন। আর পূর্বোক্ত বই গুলির জন্য অত্যন্ত ধন্যবাদ।

  4. নিকসন কান্তি অক্টোবর 27, 2017 at 8:29 অপরাহ্ন - Reply

    রায়হান আবীর- এর লেখা ‘মানুষিকতা’ বইটা কি পাওয়া যাবে?

  5. জয়ন্ত অক্টোবর 14, 2017 at 12:39 পূর্বাহ্ন - Reply

    এখানে সবই বই পিডিএফ আকারে আছে। ইপাব বা মবি ফরম্যাটে কি পাওয়া যাবে ? আমি প্রতিটি করে দিতে পারি বিনা পারিশ্রমিকে।

  6. Ebooks Pagol জুন 22, 2017 at 3:55 অপরাহ্ন - Reply

    বইগুলো পেয়ে দারুন ভালো লাগল। উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ।

  7. নাস্তিক ছাত্র এপ্রিল 10, 2017 at 12:50 পূর্বাহ্ন - Reply

    মূল্যবান বইগুলি পেয়ে উপকৃত হলাম। ধন্যবাদ।

  8. আবেদীন এপ্রিল 1, 2017 at 2:53 অপরাহ্ন - Reply

    খুব খুশি হলাম বইগুলি পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।

  9. বিপ্লব রহমান ডিসেম্বর 26, 2016 at 3:47 অপরাহ্ন - Reply

    মান্যবর মুক্তমনা সম্পাদক,

    মুক্তমনায় ই-বুক হিসেবে আমার দ্বিতীয় বই “প্রেস জোকস” সংযোজনের জন্য [email protected] ঠিকানায় দু-দুবার ইমেইল করেছি। সে-ও বেশকিছুদিন হলো। বইটির সব লেখা পিডিএফ আকারে পাঠিয়েছি। কিন্তু বিস্ময়কার, এখনো ই-বুকটি সংযোজন হলো না। ইমেইলের প্রাপ্তি স্বীকারটুকুও পেলাম না।

    এভাবে এখানে বিষয়টি জানাতেও খারাপ লাগছে। কিন্তু উপায়ও তো নেই।

    অনুগ্রহ করে বিষয়টি দেখবেন? অনেক ধন্যবাদ।

  10. জনি জুলাই 29, 2016 at 12:40 অপরাহ্ন - Reply

    জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায় এর – সমাজ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভগবদগীতা এবং
    মহাকাব্য ও মৌলবাদ বই ২টার পিডিএফ চাই।অনেক দিন ধরে খুঁজছি।

  11. rasa মার্চ 17, 2016 at 10:54 অপরাহ্ন - Reply

    :good:

  12. ম আমিনুর রহমান ডিসেম্বর 18, 2015 at 5:41 অপরাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ ই-বইগুলো পড়ার সুযোগ করে দেবার জন্য। মনে হচ্ছে ভাসমান অবস্থা থেকে ‘মুক্তমনা’-য় সত্যিই উত্তরণ হচ্ছে আমার।

    অভিজিৎ রায়, মানতে কষ্ট হচ্ছে আপনি নেই…

  13. নামহীনা ডিসেম্বর 7, 2015 at 6:58 অপরাহ্ন - Reply

    অভিজিৎদার “ভালবাসা কারে কয়” বই টার ই-সংকলন টা এখানে যুক্ত করলে ভাল হয়।

  14. আবু আহমেদ হামিদুল্লাহ ডিসেম্বর 6, 2015 at 4:21 পূর্বাহ্ন - Reply

    সঠিক তথ্য ও উপাত্ত সম্বলিত লেখা মানব কল্যাণে সহায়ক হবে।

  15. মুক্ত বিবেক সেপ্টেম্বর 22, 2015 at 1:39 পূর্বাহ্ন - Reply

    মন্তব্য… :yahoo: :yahoo: :yahoo:
    যে গুলোর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হয়েছে সবাই ডাউনলোড করে ফেললাম।
    :rose: :rose:

  16. সাগর সেপ্টেম্বর 8, 2013 at 2:24 অপরাহ্ন - Reply

    আমার ইসলাম সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন আছে দয়া করে উত্তর দিবেন আসা করি
    ১। ফেরাউন এর লাশ নাকি কিছু দিন আগে পাওয়া গেছে যদি তাই সত্যি হয় তবে ইসলাম সত্যি নয় কি ?
    ২। বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্ধে মোহাম্মদ (সঃ) সম্পর্কে উল্লেখ আছে তাহলে এটা কি করে সম্ভব ? এবং তার মা বাবা এর নাম ও উল্লেখ আছে হিন্দু ধর্ম গ্রন্ধ বেদ এ এটা কি সত্যি ?
    আমি সত্যি জানতে চাই দয়া করে সত্যি জানাবেন ।

    • মুক্ত বিবেক সেপ্টেম্বর 22, 2015 at 1:41 পূর্বাহ্ন - Reply

      ফেরাউনের লাশে পচন না ধরার ব্যাপারে সংক্ষেপে বলা যায়, ” পচনরোধ তাপমাত্রা বলে একটা বিষয় আছে। তাই সেটা হতে পারে পানির নিচে, ফ্রিজের মধ্যে এমনকি মাটির নিচে। এই পচনরোধ তাপমাত্রায় মানুষের মরদেহ থাকলে তা পচে না। এক্ষেত্রে বায়ুর তাপমাত্রা -১২ ডিগ্রি হলে লাশ পচবে না। ২য়ত জীবের দেহে থেকে ব্যাণ বায়ু নষ্ট হয়ে গেলে তা আর পচে না। যেমন- সুতিকা রোগীর ব্যাণ বায়ু জীবত থাকতেই নষ্ট হয়ে যায়, তাই তার লাশ যেখানেই রাখা হোক আর পচবে না।

      এসব কারণের আওতায় পড়লে লাশ পচবে না। তাই উক্ত ব্যাক্তি যত উৎকৃষ্ট বা নিকৃষ্ট যাই হোক না কেন।
      ভাল মানুষের লাশকে মানুষ যখন অক্ষত দেখে তখন একথা বলে যে —
      “নবিজি বলেছিলেন …… আল্লাহ পাকের পছন্দনীয় ব্যক্তিদের দেহ কখনো পচবে না, গলবে না, প্রাকৃতিক পচন প্রণালী কাজ করবে না।”
      কিন্তু আমরা তো দেখতেই পাচ্ছি নিকৃষ্ট মানুষের লাশও নষ্ট হয় নি। তাহলে এটা আচার্য কোন বিষয়ই নয় বা মোজেজা জাতীয় কিছুও নয়।

    • মুক্ত বিবেক সেপ্টেম্বর 22, 2015 at 1:59 পূর্বাহ্ন - Reply

      ২য় প্রশ্ন ছিল,

      বিভিন্ন ধর্ম গ্রন্ধে মোহাম্মদ (সঃ) সম্পর্কে উল্লেখ আছে তাহলে এটা কি করে সম্ভব ? এবং তার মা বাবা এর নাম ও উল্লেখ আছে হিন্দু ধর্ম গ্রন্ধ বেদ এ এটা কি সত্যি ?

      এ সম্পর্কে অনেক মুক্তমনা লিখেছে। আপাতত
      এই পোষ্টটি দেখতে পারেন।

  17. কায়সার ফেব্রুয়ারী 19, 2013 at 1:49 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভাই আমি ত এতকিসু বুঝি না ।। আমি কি বলব ভাই ?? শুধু একটা কথাই বুঝি যে , আমরা বাঙালি আমরা সবাই একসাথে আনন্দে থাকতে চাই 😀

    • মুক্ত বিবেক সেপ্টেম্বর 22, 2015 at 1:48 পূর্বাহ্ন - Reply

      একসাথে থাকার পরিবেশ সৃষ্টি তো করা চাই। যদি সবাইকে ভাগ ভাগ করে ফেলেন তাহলে সেটা কি করে সম্ভব? তাই আগে সাপ্রদায়িকতা, কুসংস্কার দূর করতে হবে। আপ টু ডেট হতে হবে।

  18. Niloy জানুয়ারী 16, 2013 at 1:36 অপরাহ্ন - Reply

    ”আমাদের বিশ্বাস জন্মানই যদি কথা হয়ে থাকে তবেও তাকে নিজে দেখা দিয়ে চাক্ষুস প্রমাণ দেয়ার দরকার নেই। কারণ তিনি সর্বশক্তিমান স্রষ্টা হয়ে থাকলে তিনি ইচ্ছা করলেই তো পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এই মুহুর্তে তাকে না দেখেই বিশ্বাস করবে।”

    ভাই যদি তাই হয় তাহলে যুগে যুগে নবী রাসুল পাঠানোর কি প্রয়োজন ছিল?

    ” স্রষ্টা যদি মানুষ সৃষ্টি করে তাকে পৃথিবীতে ছেড়ে দিয়েই ক্ষান্ত হতেন, প্রেরিতদের দিয়ে নিজের সম্বন্ধে কিছু না জানাতেন তবে নি:সন্দেহে বলা যায় যে, মানুষ আজও তার সম্বন্ধে কিছুই জানত না কিংবা জানলেও তার গুণাবলী ও সিফাতের ব্যাপারে পুরোপুরি অজ্ঞই থেকে যেত।”

    নিজেকে জানানোর জন্যে প্রেরিত পুরুষ এর কি প্রয়োজন ছিল? স্রষ্টা চাইলে মানুষ কে সৃষ্টি করার সময় ই তার মস্তিষ্কে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে দিতে পারতেন , সেই ক্ষেত্রে প্রেরিত দের সত্যতা নিয়ে যে বিতর্ক তাও হত না।
    ”পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এ জনগোষ্ঠিগুলো যে শুধু স্রষ্টার ব্যাপারে সচেতন ছিল তাই নয়, তারা ঐ স্রষ্টার গুণাবলী বা সিফাতের ব্যাপারেও ঐকমত্য ছিল।”

    আপনার লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছে পৃথিবীর সকল ধর্ম ই এক ঈশ্বর প্রদত্ত।সেই জন্যেই সেগুলির মধ্যে এত মিল । যদি তাই হয় তাহলে এক ধর্ম আরেক ধর্ম কে মিথ্যা বলে কেন?ধর্ম গ্রন্থ গুলিই বা কেন একে অপরের বিরোধিতা করে?আর পৃথিবীর এত এত ধর্মের মধ্যে কোনটা সঠিক ঈশ্বর প্রদত্ত ধর্ম তাই বা কি করে বুঝব?

    ”এখন প্রশ্ন হল আমরা তার অস্তিত্বের প্রমাণ পেলাম, কিন্তু আমরা কি তাকে ধারণা করতে পারি ? এর উত্তরে তিনি নিজে বলেছেন- না, তোমরা তা পার না। (সূরা আল-আনাম:১০৩)। কারন আমরা সৃষ্ট, আমাদের শক্তি সীমিত। ধারণার শক্তিও সীমিত। স্রষ্টা অসীম। স্রষ্টাকে কেন, এই মহা সৃষ্টির একটা সামান্য অংশকেও আমরা ধারণা করতে পারি না। যেখানে সৃষ্টির অসীম Space এবং অসীম Time এর বিন্দুমাত্র আমরা ধারণায় আনতে অক্ষম সেখানে অসীম স্রষ্টার ধারণা করতে আমরা কি করে সক্ষম হব ?”

    যে স্রষ্টাকে আমরা আমাদের সীমিত জ্ঞান দ্বারা ধারণা ই করতে পারব না তাকে কিভাবে বিশ্বাস করব?

  19. Najibullah ডিসেম্বর 9, 2012 at 1:14 পূর্বাহ্ন - Reply

    স্রষ্টার অনস্তিত্বের সম্ভাবনা কতটুকু ?

    এ মহা বিশ্বের স্রষ্টা আছেন কি নেই- এই প্রশ্নের বিচার করার আগে প্রথমেই বলে নেই যে, প্রমাণ বলতে চাক্ষুস প্রমান বোঝালে তা নেই এবং তা থাকতেও পারে না। তিনি যদি থেকে থাকেন তবে কোনদিন তিনি এসে আমাদের সামনে দাড়িয়ে বলেন নি যে-এই যে আমি তোমাদের স্রষ্টা এবং নি:সন্দেহে বলা যায় যে, কোনদিন তা দাঁড়াবেন না।

    কারণ, তাহলে মানুষ নামের এই বিশেষ সৃষ্টিটি অর্থহীন হয়ে যেত, আমরা গাছ-পাথর, হাতি-ঘোড়ার মত শুধু আরেকটি সৃষ্টি হয়ে যেতাম। দ্বিতীয়ত : আমাদের বিশ্বাস জন্মানই যদি কথা হয়ে থাকে তবেও তাকে নিজে দেখা দিয়ে চাক্ষুস প্রমাণ দেয়ার দরকার নেই। কারণ তিনি সর্বশক্তিমান স্রষ্টা হয়ে থাকলে তিনি ইচ্ছা করলেই তো পৃথিবীর সমস্ত মানুষ এই মুহুর্তে তাকে না দেখেই বিশ্বাস করবে। (সূরা আল-আনআম:৩৫, সূরা ইউনুস:৯৯, সূরা নাহল: ০৯)। তাকে সামনে এসে দাড়াবার প্রয়োজনই হবে না। এতে প্রমাণ হচ্ছে যে, স্রষ্টা যদি থেকে থাকেন তবে তিনি নিজে দেখা দিয়ে বা ইচ্ছে করে আমাদের মনে তার অস্তিত্বের বিশ্বাস এনে দিতেু চান না। তিনি দেখতে চান তিনি যে একটি মাত্র সৃষ্টিকে বুদ্ধি, যুক্তির শক্তি, উপলব্ধির শক্তি দিয়ে সৃষ্টি করলেন সেটা অর্থাৎ মানুষ তার ঐ শক্তিগুলো দিয়ে চাক্ষুস নয়, তাকে উপলব্ধি করে কিনা। এ জন্য তিনি লক্ষ কোটি নিদর্শন দিয়েছেন। মানুষকে এ যুক্তি বোঝার শক্তি দিয়েছেন যে, ধোঁয়া থাকলে আগুন থাকবেই। এখন আমাদের দেখতে হবে ধোয়া অর্থাৎ স্রষ্টার অস্তিত্বের এ ধরনের প্রমাণ আছে কিনা।

    মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ব বিষয়ে বিজ্ঞান এখনো কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌছতে পারে নি। Big bang (প্রচন্ড বিষ্ফোরণ), Steady State (স্থিতাবস্থা), এবং Oscillating (স্পন্দনশীল) নিয়ে মতবিরোধ যাই থাকুক একথা অনস্বীকার্য যে, সম্ভাবনা মাত্র দুটির মধ্যেই সিমাবদ্ধ। হয় মহাবিশ্ব নিজে নিজে আচম্বিত হয়ে গেছে (Accidental) নয়ত এটা পরিকল্পিত সৃষ্টি (Planned)। তৃতীয় কোন সম্ভাবনা নেই।

    এখন দেখা যাক আচম্বিতের ধারণা। এই থিওরী মতে মহাশুন্য শুধু গ্যাস আর ধুলিকণা (Dust) দিয়ে পূর্ণ ছিল। এই গ্যাস আর ধুলিকণা কোথা থেকে এল তা কিন্তু তারা বলাতে পারে না। শুধু বলে আগে থেকেই ছিল- যদিও স্রষ্টা ছাড়া এগুলোর সৃষ্টি কেমন করে হল তার কিন্তু কোন উত্তর নেই। যাই হোক এই গ্যাস আর ধুলিকনার উৎপাদন দিয়েই মহাবিশ্বের সৃষ্টি আরম্ভ হল। ক্রমে ক্রমে কোটি কোটি অর্বুদ, অর্বুদ বছর ধরে নানা রকম আচম্বিত ঘটনার মধ্য দিয়ে আজকের এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। কিভাবে কি কি ঘটনার ভিতর দিয়ে আজকের অবস্থানে পৌছল তা নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে নানা মতবিরোধ, নানা থিওরী বিদ্যমান। তো এই আচম্বিতের থিউরী মতে অর্বুদ অর্বুদ বছর আগে থেকে আজ পর্যন্ত সৃষ্টিতে যা কিছু হয়ে আসছে তাতে কোন পরিকল্পনা (Plan) নেই। কারন স্রষ্টাইতো নেই-সব হয়েছে এবং হচ্ছে আচম্বিত। পরিকল্পনার কথা আসলেইতো স্রষ্টা এসে যান। আরেকটা কথা হচ্ছে-এই যে আচম্বিত ঘটনাগুলো ঘটেছে এবং ঘটছে এগুলো যেখানে খুশি, যখন খুশি ভাবে ঘটেনি। এগুলোকে ঘটতে হয়েছে ধারাবাহিক ভাবে (In sequence)। একটা আচম্বিত ঘটনা যখন ঘটেছে বলে মানুষ ও প্রাণীজগৎ বেচে আছে, ঐ ঘটনাটা তখন না ঘটে যদি তার আগে বা পরে ঘটতো তবে কোন প্রাণী পৃথিবীতে থাকত না, কোন প্রানীর অস্তিত্বে আসাই সম্ভব হত না। কাজেই অচম্বিত ঘটনা ঘটেছে এবং ধারাবাহিক ভাবেই ঘটেছে। এরূপ ঘটনাগুলোর (Accident) সংখ্যা কোটি, কোটি-অগনিত। এবার দেখা যাক এটা কতটুকু সম্ভব।

    আমরা ঠিক একই আকারের দশটি গোল চাকতি নেই এবং এগুলোর উপর এক থেকে দশ পর্যন্ত সংখ্যা লিখি। এ চাকতিগুলো হল সেই কোটি কোটি আচম্বিত ঘটনাগুলোর মাত্র দশটি প্রতীক এবং সংখ্যাগুলো হল ওগুলোর ধারাবাহিকতা (Sequence)- যার কথা বলে এলাম। এই দশটি নাম্বারের দশটি চাকতি উলটপালট করে পকেটে ঢুকালাম। এবার পকেট থেকে একটি চাকতি বের করলাম। এ চাকতিটি এক থেকে দশ নাম্বারের যে কোনটি হতে পারে। এবং প্রথম বারেই ১ নাম্বার ওয়ালা চাকতি বের হবার সম্ভাবনা দশের মধ্যে এক। (১ : ১০)। এবার এটাকে পকেটে ঢুকিয়ে আবার একটা চাকতি বের করলাম। এবার ২ নাম্বার ওয়ালা চাকতিটি বের হবার সম্ভাবনা একশর মধ্যে এক। অর্থাৎ আমরা যদি একশ বার পকেট থেকে একটা একটা করে চাকতি বের করি তাহলে এক নাম্বার উঠবার ঠিক পরের বারে দুই নাম্বার ওয়ালা চাকতিটি উঠে আসার সম্ভাবনা থাকবে একশ বারের মধ্যে একবার। অর্থাৎ (১ : ১০ x ১০ = ১০০)। ঠিক তেমনি ভাবে পরের বারে তিন নাম্বারটা উটে আসার সম্ভাবনা থাকবে এক হাজার বারের মেধ্যে একবার। অর্থাৎ (১ : ১০০ x ১০ = ১০০০)। অর্থাৎ আমরা যদি দশবার পকেট থেকে চাকতি বের করি তাহলে এক থেকে ধারাবাহিক ভাবে দশ পর্যন্ত সিরিয়াল ভাবে বের হবার সম্ভাবনা হল এক হাজার কোটি বারের মধ্যে একবার (১ : ১০০০০০০০০০০)।

    আমরা কোটি কোটি নয়, অসংখ্য অগনিত আচম্বিত ঘটনার মধ্যে মাত্র দশটির প্রতীক নিয়েছিলাম। তাতেই এই সংখ্যার সম্ভাবনা পাচ্ছি। তাহলে কোটি কোটি নিলে দেখা যাবে সৃষ্টিজগৎ আচম্বিত ধারাবাহিক ভাবে সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা অসীম সংখ্যার মধ্যে একবার অর্থাৎ অসম্ভব। এখন দুটো সম্ভাবনার মধ্যে একটি অসম্ভব হলে দ্বিতীয় থিওরী অর্থাৎ “সৃষ্টি জগৎ পরিকল্পিত ভাবে সৃষ্টি হয়েছে” মেনে নেয়া ছায়া তৃতীয় কোন পন্থা নেই।

    আর এ হিসেব ঠিক উল্টো দিক থেকেও করা যায়। অর্থৎ যে কোটি কোটি আচম্বিত ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটে আসার দরুন আমরা আজ বর্তমান যে অবস্থানে এসে পৌছেছি; ঠিক তেমনি কোটি কোটি অন্য রকম আচম্বিত ঘটনা এই মহাকালের মধ্যে ঘটতে পারত। যার একটি মাত্র ঘটনাও সমস্ত সৃষ্টি জগৎ লন্ড ভন্ড করে দিত। কিন্তু তেমন একটি মাত্র ঘটনাও ঘটেনি। যেমন ধরুন, উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর জমানো বরফ যদি গলে যেত তবে বিজ্ঞানীদের মতে পাহাড়-পর্বত ছাড়া সমগ্র পৃথিবী পানির নীচে ডুবে যাবে। যা ঘটতে পারত কিন্তু ঘটেনি।

    তাহলে দেখা যাচ্ছে, অংকের হিসেবে (Mathematics Figure of chance) স্রষ্টার প্রমান পাওয়া যাচ্ছে। এবার আসি নাস্তিকভাই দের এ প্রসঙ্গে যে, মানুষকে ভাল পথে পরিচালনার জন্য মানুষ নিজেই স্রষ্টার ধারনাকে সৃষ্টি করেছে।

    এ কথা অস্বীকার করার উপায় নাই যে, স্রষ্টার ধারণা আজকের নয়। ইতিহাসের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়েই যখন থেকে মানুষ সম্বন্ধে জানা যায় তখন থেকেই মানুষ একজন স্রষ্টার ব্যাপারে সচেতন ছিল। প্রত্নতাত্বিকরা মাটি খুড়ে হাজার হাজার বছর আগের যে সব জনবসতির সন্ধান পেয়েছেন, তাতে দেখা যায় সর্বত্রই ধর্মের অর্থাৎ স্রষ্টার কোন না কোন রকমের ধারণা ছিল। বিভিন্ন মহাদেশে, পৃথিবীর যেখানেই কোন প্রাক-ঐতিহাসিক জনপদের সন্ধান পাওয়া গেছে সেখানেই পাওয়া গেছে ধর্মের চিহৃ। অর্থৎ স্রষ্টা সম্বন্ধে একটা চেতনা পৃথিবীময় ছড়িয়ে ছিল এটা সন্দেহাতীত। পৃথিবীর প্রধান ভূ-ভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন আমেরিকা ও অষ্ট্রেলিয়াতেও যেসব প্রাক-ঐতিহাসিক মানুষের সন্ধান পাওয়া গেছে সেসবগুলোর চিত্র ও এক। যখন এ সব বিভিন্ন জনগোষ্ঠির মধ্যে কোন সংযোগ বা পরিচিতি ছিলনা, ভাষা-সংস্কৃতি সব কিছুই ছিল ভিন্ন, একে অন্নের অস্তিত্ব পর্যন্ত জানত না, তখন ঐ একটি ব্যাপারে সবাই সচেতন ছিল এটাও কি বিজ্ঞানীদের সেই আচম্বিত ঘটনা ? পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এ জনগোষ্ঠিগুলো যে শুধু স্রষ্টার ব্যাপারে সচেতন ছিল তাই নয়, তারা ঐ স্রষ্টার গুণাবলী বা সিফাতের ব্যাপারেও ঐকমত্য ছিল। অর্থৎ স্রষ্টা মহা শক্তিশালী, সর্বব্যাপী, দয়ালু, যা ইচ্ছা তা করতে পারেন ইত্যাদি ইত্যাদি। তাহলে দেখা যাচ্ছে, মানুষ যদি স্রষ্টার ধারণাকে সৃষ্টি করে থাকে তাহলে প্রাক-ঐতিহাসিক যুগে সমগ্র পৃথিবীব্যাপী বিচ্ছিন্ন ও অকল্পনীয় বিভিন্ন স্থানে মানুষ একটা জুজুর ভয় সৃষ্টি করল, যে জুজুটার গুণাবলীও অকষ্মাৎ ভাবে সকলের কাছে একি রকম ছিল। অর্থাৎ ঐ জুজুটা সর্বশক্তিমান, সবত্র বিরাজমান, সর্বজ্ঞানী, অতীব ক্ষমাশীল, দয়াময় ইত্যাদি। এবার দেখা যাক এ আচম্বিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কতটুকু।

    পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তির অস্তিত্ব এখন একটা প্রতিষ্ঠিত সত্য এবং এ মধ্যাকর্ষণ শক্তি যে পৃথিবী সৃষ্টির শুরু থেকেই আছে তাও প্রতিষ্ঠিত সত্য। পৃথিবীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এটা এক মুহুর্তে জন্যেও থামেনি তাহলে পৃথিবী অচল হয়ে যেত। কিন্তু মানুষ এই সর্বব্যাপি শক্তির কথা জানতে পারল এই কিছু দিন আগে। কেন ? এতদিন কি মানুষ তার মগজ ব্যাবহার করেনি ? নিশ্চয়ই করেছে। নিউটনের মধ্যাকর্ষণ শক্তি আবিষ্কারের আগেই মানুষ বহু কিছু আবিষ্কার করেছে। পিরামিডের মত কালজয়ী সৌধ তৈরী করেছে, কিন্তু যে শক্তির অধীনে থেকে তার জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত অতিবাহিত হচ্ছে, যে শক্তি এক মুহুর্ত বিরতি দিলে সে পৃথিবীর বহির্মুখ, অপকেন্দ্রিক শক্তির ফলে ছিটকে মহাশুন্যে নিক্ষিপ্ত হবে সে শক্তি সম্বন্ধে সে ছিল সম্পূর্ণ অজ্ঞ-মাত্র কয়েক বছর আগ পর্যন্ত।

    যেটা নেই (স্রষ্টা) তাকে মানুষ সেই প্রাক-ঐতিহাসিক কাল থেকে কল্পনা করে নিল, শুধু কল্পনাই নয় বরং সেটা কিরকম তার বিস্তৃত বিবরণ পৃথিবীর এধার থেকে ওধার পর্যন্ত বিশ্বাস করে নিল-কিন্তু যেটা আছে (মধ্যাকর্ষণ) সেটাকে মানুষ হাজার হাজার বছরেও আবিষ্কার করতে পারলো না ? আসল কথা হচ্ছে স্রষ্টা তার প্রেরিতদের দিয়ে সেই প্রথম মানুষটি থেকেই তার অস্তিত্ব ও গুণাবলী অর্থাৎ তিনি কেমন তা মানুষকে জানিয়ে দিয়েছেন বলেই মানুষ তার সম্পর্কে জানে, আর মধ্যাকর্ষণ সম্বন্ধে নিউটনর আগে কাউকে জানাননি বলেই মানুষ তা জানতে পারেনি। স্রষ্টা যদি মানুষ সৃষ্টি করে তাকে পৃথিবীতে ছেড়ে দিয়েই ক্ষান্ত হতেন, প্রেরিতদের দিয়ে নিজের সম্বন্ধে কিছু না জানাতেন তবে নি:সন্দেহে বলা যায় যে, মানুষ আজও তার সম্বন্ধে কিছুই জানত না কিংবা জানলেও তার গুণাবলী ও সিফাতের ব্যাপারে পুরোপুরি অজ্ঞই থেকে যেত।

    এখন প্রশ্ন হল আমরা তার অস্তিত্বের প্রমাণ পেলাম, কিন্তু আমরা কি তাকে ধারণা করতে পারি ? এর উত্তরে তিনি নিজে বলেছেন- না, তোমরা তা পার না। (সূরা আল-আনাম:১০৩)। কারন আমরা সৃষ্ট, আমাদের শক্তি সীমিত। ধারণার শক্তিও সীমিত। স্রষ্টা অসীম। স্রষ্টাকে কেন, এই মহা সৃষ্টির একটা সামান্য অংশকেও আমরা ধারণা করতে পারি না। যেখানে সৃষ্টির অসীম Space এবং অসীম Time এর বিন্দুমাত্র আমরা ধারণায় আনতে অক্ষম সেখানে অসীম স্রষ্টার ধারণা করতে আমরা কি করে সক্ষম হব ?

  20. Ratul অক্টোবর 13, 2012 at 10:27 অপরাহ্ন - Reply

    মু্ক্তমনার এর ই বইয়ের প্রকাশকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

  21. সবুজ পাহাড়ের রাজা অক্টোবর 4, 2012 at 2:26 অপরাহ্ন - Reply

    অসাধারণ!

  22. samir সেপ্টেম্বর 13, 2012 at 2:50 পূর্বাহ্ন - Reply

    মুক্তমনার বইগুলো সংগ্রহ করতে চাই ।
    মাঝে মাঝে নিউ মার্কেট এর পাশে বইয়ের দোকান গুলতে খোঁজ করি বইগুলর জন্য ।
    কিন্তু পাইনা । কেউ কি ঠিকানা দিতে পারেন যেহানে বইগুলো পাওয়া যাবে ।

    • মুক্ত বিবেক সেপ্টেম্বর 22, 2015 at 1:51 পূর্বাহ্ন - Reply

      কেন ওই যে কয়েক জায়গায় বলা হয়েছে “আজিজ মার্কেটে পাওয়া যায়”। ওখানে খুজে দেখেছেন কি। আমি এখনো আমার সংগ্রহের গুলো পড়ে শেষ করতে পারি নি।

  23. বিপ্লব রহমান সেপ্টেম্বর 7, 2012 at 7:14 অপরাহ্ন - Reply

    গুরুচন্ডালি ডটকম-এ বাংলা ই-বুক নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সেখানে লিংকসহ মুক্তমনার ই-বুকগুলোর তালিকা যোগ করেছি। চলুক। (Y)

  24. তৌহিদ আগস্ট 26, 2012 at 1:43 পূর্বাহ্ন - Reply

    “আরজ আলী মাতুব্বার রচনাসমগ্র” এর কোন pdf format বই পাওয়া যাবে?

  25. রায়হান আগস্ট 22, 2012 at 11:33 পূর্বাহ্ন - Reply

    মু্ক্তমনার এর ই বইয়ের প্রকাশকে সাধুবাদ জানাচ্ছি।

  26. হাহাকার আগস্ট 13, 2012 at 8:07 অপরাহ্ন - Reply

    আমার জানামতে বাংলা সম্পদ বই গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  27. রেজাউল করিম জুন 28, 2012 at 7:58 অপরাহ্ন - Reply

    নিসসন্ধেহে এতি এক্তি একতি খুব ভাল সিদ্ধান্থ, আমি খুব খুশি|

  28. অন্ধকারের পথিক জানুয়ারী 31, 2012 at 12:52 পূর্বাহ্ন - Reply

    বই পড়া বা ডাউনলোড কোনটাই হয় না কেন? problem dekhay: server closed…কিভাবে পড়া যাবে plz কেউ সাহায্য করুন।।

  29. রেওয়ান সেপ্টেম্বর 2, 2011 at 11:16 অপরাহ্ন - Reply

    এক কথায় বই গুলো অসাধারণ, আমার ভাবনার অনেক খোরাক জোগাবে বই গুলি।
    অসংখ্য ধন্যবাদ।
    :guru:

  30. রানা ফারুক আগস্ট 11, 2011 at 1:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    মুক্তমনায় আগে বেশির ভাগ বই pdf format থাকত। ইচ্ছা মত সংরক্ষণ করেত পারতাম. সুবিধা মত পড়তাম, এখন তো আর pdf format থাকে না। অনেক অসুবিধা হয়। অভিজিত দা কে অনুরোধ সব পোষ্ট কি আগের মতো pdf format রাখা যায় ?

  31. অপটিমিস্ট এপ্রিল 24, 2011 at 2:08 পূর্বাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ ইবুকগুলোর জন্য । হুমায়ুন আজাদের “আমার অবিশ্বাস” এবং অবশ্যই আরজ আলী মাতুব্বরের “সত্যের সন্ধানে” বইগুলোর লিংক পেলে ভালো হতো…ধন্যবাদ…

  32. subrato এপ্রিল 7, 2011 at 6:18 অপরাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ মুক্তমনা (Y)

  33. masud ডিসেম্বর 9, 2010 at 5:27 অপরাহ্ন - Reply

    বাংলা বিজ্ঞান বইয়ের কিছু পিডিএফ পাওয়া যাবে @ http://banglainternet.com/science.html

  34. অমিত বান্ধব অক্টোবর 15, 2010 at 5:11 অপরাহ্ন - Reply

    “বিবর্তনের পথ ধরে”
    একটি অসম্ভব ভালো বই।
    সবগুলো বই ই ভালো।
    মুক্তমনাকে অনুরোধ করব বিবর্তনের উপর আরো কিছু ইবুক যদি দেওয়া হয় খুব ভালো হবে। 🙂 🙂 🙂

  35. মুক্তমনা এডমিন আগস্ট 9, 2010 at 10:40 পূর্বাহ্ন - Reply

    রণদীপম বসুর অস্পৃশ্য ও ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং একজন বাবাসাহেব লেখাটি ইবুক হিসেবে সংযুক্ত করা হল।

    • মাহফুজ আগস্ট 9, 2010 at 12:16 অপরাহ্ন - Reply

      @মুক্তমনা এডমিন,
      রণদীপম বসুর লেখা বইটি কিছুতেই ডাউনলোড করতে পারছি না। কোথায় সমস্যা তাও বুঝতে পারছি না। ৮২ কিলোবাট হয়ে শেষ হয়ে যাচ্ছে।

      আর একটি প্রশ্ন- বিজ্ঞান ও ধর্ম: সমন্বয় নাকি সংঘাত? বইটি সামনের বইমেলায় (২০১১) তে প্রকাশ পাবে কি?

  36. russell মে 13, 2010 at 12:59 অপরাহ্ন - Reply

    বেশ অনেক আগে একটা সাইটে দেখতে পাই একজন লিখেছিলেন – নজরুল ইসলামের রচিত কোরানের তফসির।
    নজরুলের কি কোন কোরানের তফসির কারও জানা মতে আছে কি? শুনেছিলাম ইহা কলকাতায় পাওয়া যেতে পারে। আপনাদের কেউ কি এই বিষয় সাহায্য করেতে পারবেন? তাহলে ভাল হত।
    ইহাউতি মুল্যবান এক খানা কিতাব। ঐ সাইটে সে লিখেছিলেন নজরুল ইসলামের সুরা নাস এর একটি তফসির। খুবই চমতকার।
    ধন্যবাদ।

  37. n nabi এপ্রিল 4, 2010 at 10:59 অপরাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ আপনাদের এই আয়োজনের জন্য
    আপনাদের রচিত সব বই ক,টি বই কি ছাপা হয়েছে ? যদি ছাপা হয়ে থাকে তা হলে কোথায় পাব দয়া করে জানাবেন ।
    ধ ন্য বা দ
    মুহাম্মাদ নুরুন্নাবী
    ছাত্রঃ আইন বিভাগ
    the university of al-azhar
    Cairo – Egypt

  38. বিজয় মার্চ 14, 2010 at 5:48 অপরাহ্ন - Reply

    সমসাময়িক IT বা তথ্যপ্রযুক্তির ওপর লেখা তেমন একটা চোখে পরেনা আমাদের এই মুক্তমনায় । এব্যপারে কিছু কি করা যায় ?

  39. রণদীপম বসু মার্চ 6, 2010 at 12:27 অপরাহ্ন - Reply

    গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট। খুব ভালো কাজ হয়েছে। বইগুলো একসাথে হাতের নাগালে থাকলো যে কারো।

    আচ্ছা, বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বাংলায় ডারউইনের ‘প্রজাতির উৎপত্তি’ বইটা কি কোনভাবে মুক্তমনার আর্কাইভে ই-বুক আকারে জমা করা যায় না ?

    • বন্যা আহমেদ মার্চ 6, 2010 at 10:17 অপরাহ্ন - Reply

      @রণদীপম বসু, আপনি কি ডঃ আখতারুজ্জামানের লেখা বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত বাংলায় ডারউইনের ‘প্রজাতির উৎপত্তি’ বইটার কথা বলছেন? বইটা কি বাজারে আর নেই? প্রিন্ট শেষ হয়ে গেছে?

      আমি যতদুর জানি এই বইটা ঢাকা ইউনিভার্সিটির পাঠ্য হিসেবে পড়ানো হতো। এখানে তো কপিরাইটের ব্যাপার আছে, লেখক এবং প্রকাশক অনুমতি না দিলে যে কোন বইকে তো ইচ্ছা করলেই ই-বুক হিসেবে কপি করে ফেলা যাবে না। বাংলা একাডেমী এবং ডঃ আখতারুজ্জামান অনুমতি দিলেই শুধু সেটা করা সম্ভব।

      • রণদীপম বসু মার্চ 8, 2010 at 3:44 পূর্বাহ্ন - Reply

        @বন্যা আহমেদ,
        হাঁ, আমি এটার কথাই বলেছি। গত বছর ফেব্রুয়ারি ২০০৯ বইমেলায় বাংলা একাডেমি থেকে বইটা কিনেছিলাম। ২০০০ সালের প্রথম এডিশন। সম্ভবত বইটা এখন বাজারে আর নাই।

        ই-বুক করতে এখন লেখক কি আপত্তি করবেন ? ঠিক জানি না।

    • মুক্তমনা এডমিন মার্চ 4, 2010 at 1:29 অপরাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব রহমান,

      বইটি উপরের তালিকায় সংযুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

      ধন্যবাদ।

      • লাইজু নাহার এপ্রিল 17, 2010 at 8:58 অপরাহ্ন - Reply

        @মুক্তমনা এডমিন,

        মুক্তমনার ই-সংকলনে আমার বইটা কই?
        বেশ কিছুদিন আগে প্রচ্ছদটা ই-মেইলে পাঠিয়েছিলাম।
        দিলে খুশী হব।
        ধন্যবাদ!

  40. Badal Chowdhury ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 11:37 অপরাহ্ন - Reply

    নী্তি শােস্ত্রর উপর আেরা অনেক বেশি লেখা বের করা উচিত । কারন হিসাবে আমি বলতে চাই, যাদের বিবেক জাগ্রত না তাদের বেলাই ধরম ভীরুতা না থাকলে ৈনতিকতা বিলুপ্তির সম্ভা্বনা আছে । “ভাল কাজ করব শুধু ভাল কাজ বলে, েকান বিনিমই এর আশাই নই” এই অনুভুতি জাগ্রত করার জনঅ যথেসত প্রেশনার দরকার ।

  41. Badal Chowdhury ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 6:08 অপরাহ্ন - Reply

    Congrats for this post.

  42. আগন্তুক অক্টোবর 29, 2009 at 12:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    যেহেতু মুক্তমনার কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য নেই কাজেই বইগুলোর পুরো অংশই ই-বুক আকারে সংরক্ষণ করা জরুরী।ম আখতারুজ্জামান স্যারের অনূদিত ডারউইনের ‘প্রজাতির উৎপত্তি‘বইটা স্যারের অনুমতি সাপেক্ষে আপলোড করার দাবী জানাচ্ছি।

    • আদিল মাহমুদ অক্টোবর 29, 2009 at 1:00 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আগন্তুক,

      হ্যা, খুব ভাল কথা বলেছেন। উনি যেহেতু এখানে লেখালেখি করেন সেহেতু তার কাছে এই দাবী আমরা জানাতেই পারি।

  43. পৃথিবী অক্টোবর 28, 2009 at 11:43 পূর্বাহ্ন - Reply

    অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের “বিবর্তনবাদ” বইটি কি মুক্তমনাতে ইবুক হিসেবে অনলাইনে হোস্ট করা যেতে পারে(যদিও বইটি খুব সম্ভবত মুক্তমনার জন্য লেখা হয়নি)? এই কাজটি করতে পারলে আশা করি অনেকেরই সুবিধা হবে।

    • অভিজিৎ অক্টোবর 28, 2009 at 8:43 অপরাহ্ন - Reply

      @পৃথিবী,

      অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের “বিবর্তনবাদ” বইটি সম্বন্ধে একটু বিস্তারিত জানতে চাই। কোন প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে, কত সালে, অন লাইনে কোন আর্কাইভ আছে কিনা, ইত্যাদি। যদি বইটি ভাল হয়, এবং লেখকের অনুমতি সাপেক্ষে অবশ্যই মুক্তমনায় রাখা যেতে পারে। এ ব্যাপারে আপনার সহযোগিতা কামনা করছি।

      • আকাশ মালিক অক্টোবর 28, 2009 at 10:08 অপরাহ্ন - Reply

        @অভিজিৎ,
        বইটি গতকাল পর্যন্ত আমার কাছে ছিল। এক ধর্মবাদী এসে গতরাতে নিয়ে গেল পড়বে বলে বহু দূরে। ইতিমধ্যে কেউ যদি এগিয়ে না আসেন আগামী সপ্তাহে না হয় বইটি ফেরত নিয়ে আসবো। বলে রাখা ভাল, বইটিতে (ছাপাখানার ভুতের আছর) প্রচুর বানান ভুল আছে। সম্ভবত অনন্তের কাছেও বইটি আছে।

      • পৃথিবী অক্টোবর 29, 2009 at 10:38 পূর্বাহ্ন - Reply

        @অভিজিৎ, আমি নিজেও ঠিক জানি না। তবে “বিবর্তনের পথ ধরে” বইটিতে এই বইয়ের অনেক রেফারেন্স দেখলাম।

        • অভিজিৎ অক্টোবর 30, 2009 at 2:03 পূর্বাহ্ন - Reply

          @পৃথিবী,

          আপনি অধ্যাপক ম আখতারুজ্জামানের সাথে গুলিয়ে ফেলছেন না তো? আখতারুজ্জামানের ‘বিবর্তনবিদ্যা’ বইটার কথা জানি, সেটার রেফারেন্স যে বন্যার বইয়ে আছে সেটাও জানি। কিন্তু মনিরুজ্জামানের নাম আমি শুনিনি, এবং তার বইয়ের রেফারেন্সও বোধ হয় ‘বিবর্তনের পথ ধরে’ তে নেই।

          কিন্তু আপনার আর আকাশ মালিকের মন্তব্য শুনে সত্যই কনফিউজড হয়ে গেলাম।

    • অনন্ত বিজয় দাশ নভেম্বর 17, 2009 at 12:37 অপরাহ্ন - Reply

      @পৃথিবী,

      অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের “বিবর্তনবাদ” নামে কোনো বই নেই। ম. আখতারুজ্জামান-এর ‘বিবর্তনবিদ্যা’ নামের বই বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশি্ত। বর্তমানে বাংলা একাডেমি-র এডিসন বাজারে পাওয়া যায় না। বেশ কিছু দিন আগে হাসান বুক হাউজ থেকে নতুন করে প্রকাশি্ত হয়েছে বইটি। ঢাকার নিউ-মার্কেট, নীলখেতে পাওয়া যেতে পারে।

  44. Keshab K. Adhikary অক্টোবর 27, 2009 at 7:03 পূর্বাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ মুক্ত-মনা এডমিন,

    কাজটি নিঃসন্দেহে গুরুত্ত্বপূর্ণ। মাঝে মাঝে বই গুলো খুঁজতে সময় যেতো। অন্ততঃ রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহারের জন্যেতো হামেশাই লাগে। আমার মনে হয় উপড়ে ই-বই হিসেবে একটি কর্ণার করে ওখানে বিষয়ওয়ারী (লাইব্রেরী ক্যাটালগ আকারে) সাজিয়ে দিলে আরোও ভালো হতো, সাথে শুধু ঐ আংশের জন্যে প্রযোজ্য একটা সার্স-ইঞ্জিন থাকলে তো সোনায় সোহাগা! অবশ্য বইয়ের ভীড় জখন বাড়বে, তখন এমন ব্যবস্থায় হয়তো আসতে হবে। মুক্ত-মনা এডমিন হয়তো বিষয়টি মাথায় রেখেছেন, তবুও উল্লেখ করলাম এই জন্যে যে শুরুতেই একটা সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার অবয়ব থাকলে পড়ে সাজাতে আরো সহজ হবে।

    আর আমার মতো কম্পিউটারে অপরিপক্কের জন্যেতো বলাই বাহুল্য। খুঁজে পেতে যে কি আরাম! তবে অসংখ্য ধন্যবাদ আপাতঃ পরিশিলিত সন্নিবেশের জন্যে।

    কেশব অধিকারী

    • শাহ ইমরান জানুয়ারী 24, 2013 at 4:13 অপরাহ্ন - Reply

      মাঝে মধ্যে এমন কতগুলো বই প্রয়োজন, যা নাগালের বাইরে থাকে, কিন্তু ইন্টারনেটে বিশেষ করে বিষয়বস্তুর বর্ণনা সহ বল্গে পাই বলে আমি বল্গকি পছন্দ করি।

মন্তব্য করুন