ইসলামি জঙ্গিবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকি

ইসলামি জঙ্গিবাদের ক্রমবর্ধমান হুমকি
ইসফাক ইলাহী চৌধুরী

আমাদের স্নৃতিতে গেঁথে যাওয়া ২১ আগস্ট আবার ফিরে এসেছে। ২০০৪ সালের এই দিনে ইসলামি জঙ্গিরা আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা করে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্বকে হত্যার নিশানায় ফেলেছিল। আক্রমণটি ছিল খুবই পরিকল্পিত এবং বাস্তবায়ন ছিল সাবধানী। আওয়ামী লীগের সামনের সারির নেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জনকে মৃত্যুমুখে পতিত করে, শত শত কর্মীকে আহত করে ঘাতকেরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেঁচে যাওয়া ছিল প্রায় অলৌকিক, যদিও তিনি গুরুতর আহত হন। এটা ছিল এমন এক সময়, যখন আমাদের বুনিয়াদি মূল্যবোধগুলো ধর্মীয় চরমপন্থীদের ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে পড়ায় প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অস্তিত্ব নাজুক হয়ে পড়ে। বাংলাদেশকে ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠায় তথাকথিত ‘জিহাদের’ জোশে এই সব চরমপন্থী প্রগতিশীল রাজনৈতিক গোষ্ঠীসহ অজস্র নিরীহ মানুষের ওপর চালায় হত্যার তান্ডব। তাদের এই বোমাবর্ষণের জোয়ার কয়েক বছর ধরে চললেও সে সময়ের ক্ষমতাসীন সরকার বলে যায় যে বাংলাদেশে কোনো ইসলামি চরমপন্থী দলের অস্তিত্ব নেই। বিগত জোট সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী তো বলেই ফেললেন যে, এসবই কিছু মিডিয়ার তৈরি করা মিথ। এমনকি এও বলা হয় যে আওয়ামী লীগ নিজেই সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এবং জনগণের সহানুভুতি কাড়তে ঘটনাটি ঘটিয়েছে।

এখন আমরা জানি, এই দেশে ইসলামি জঙ্গিবাদের শিকড় অনেক গভীরে প্রোথিত হয়ে গেছে। বিচ্ছিন্নভাবে এটা বাংলাদেশের ভেতর থেকে তৈরি হয়নি; বরং এটা বৈশ্বিক ইসলামি জিহাদের অংশ। একসময় প্রগতিশীল বিরোধীদের মোকাবিলার জন্য ক্ষমতাবানেরা এর পৃষ্ঠপোষকতা করলেও এখন তা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। চরমপন্থী সংগঠনগুলো নিষিদ্ধ হয়েছে এবং তাদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিতও করা হয়েছে। তা হলেও মোটামুটি অর্ধদশক ধরে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চললেও এর শেষ এখনো দেখা যাচ্ছে না। যখনই আমরা ভাবি যে ইসলামি জঙ্গিবাদের দগদগে ক্ষত থেকে আমরা মুক্তি পেয়েছি, তখনই তারা তাদের অস্তিত্বের জানান দেয়। কয়েক মাস আগেও খালেদা জিয়া বলেছিলেন, এখন দেশে কোনো ইসলামি জঙ্গি নেই; কারণ তাঁদের আমলে তাঁরা একে নির্মূল করেছেন। কিন্তু এর কয়েক দিন পরই বিপুল বোমাবারুদসহ কয়েকজন জঙ্গিকে আটক করা হয়। কার্যত জঙ্গিবাদের কৌশলই এমন, যখনই ভাবলেন তাদের মোকাবিলা করা হয়ে গেছে, তখনই তারা নতুন কোনো চেহারায় আবির্ভুত হবে। সে কারণেই প্রয়োজন একটি বিশদ ও সমন্বিত কর্মকৌশল প্রণয়ন করা। এবং এটা হতে হবে এমন এক যুদ্ধের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম ও অভিযোজনশীল, যে যুদ্ধের নির্দিষ্ট কোনো রণাঙ্গন বা মেয়াদ নেই।

বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গিবাদের মুখ ও মুখোশ
এ পর্যন্ত যেসব জঙ্গি ধরা হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই দরিদ্র পরিবারের সন্তান এবং গ্রামীণ পটভুমি থেকে আসা। তাদের বেশির ভাগই কওমি মাদ্রাসায় যায় অথবা একেবারেই অশিক্ষিত। এখন অবশ্য নতুন একটি প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। প্রথমত, মূলধারায় বা ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল-কলেজে শিক্ষিত শহুরে তরুণদের মধ্যে হিযবুত তাহ্রীরের উপস্িথতি ক্রমশ বাড়ছে। জেএমবি ও হরকাতুল জিহাদের (হুজি) তুলনায় এই প্রবণতা অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ, তাহ্রীরের টার্গেট হলো দেশের সবচেয়ে অগ্রণী অংশের তরুণেরা−যারাই হবে ভবিষ্যতের নেতৃত্ব। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ থেকে যাওয়া অথবা ব্রিটেনে জন্ন নেওয়া একদল ব্রিটিশ বাংলাদেশি তরুণ দৃশ্যত দাতব্য কাজে দেশে আসে, কিন্তু জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত হয়ে যায়। আগে কেবল পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ তরুণেরাই এসবে জড়িত হতো, কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশিরাও এতে জড়িত হয়ে যাচ্ছে। রসায়নে পিএইচডি করা ফয়সাল মোস্তফা এদের হাতে পড়েন এবং পরিণতিতে ইসলামি জঙ্গি হয়ে যান। তৃতীয়ত, পালিয়ে আসা ভারতীয় জঙ্গিদের গ্রেপ্তার হওয়া। এদের সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং তারা এখন বাংলাদেশে ছদ্মপরিচয়ে লুকিয়ে কাজ করছে। ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর তাড়া খেয়ে তারা বাংলাদেশকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করছে। বছরের পর বছর তারা বিনা বাধায় তাদের জঙ্গিবাদী মতাদর্শ প্রচার করে গেছে। ইসলামি জঙ্গিবাদ যে এখন আন্তসীমান্ত তৎপরতা, তা মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত।

জঙ্গিবাদ দমনে আমাদের শক্তি ও সীমাবদ্ধতা
জঙ্গিবাদ প্রতিহত করায় সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত আমাদের জনগণের উদার ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যই হলো বিরাট এক শক্তি। সংগীত, কবিতা, নৃত্য ও নাটক এবং চিত্রকলা ও ভাস্কর্য আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের নিবিড় অংশ। ধর্মীয় বিধিনিষেধ কখনো এসবের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের উৎসবে বোমা বিস্কোরণের পর থেকে নববর্ষ উৎসবে লোকসমাগম না কমে বরং আগের চেয়ে বেড়েছে। জঙ্গিরা যেমন ইসলামি রাষ্ট্র চায়, তাতে বাদ্য, গান, নাটক ও সিনেমা থাকবে না, প্রতিটি পুরুষকে দাড়ি রাখতে হবে এবং মেয়েরা পড়বে বোরকা, মেয়েদের সব বিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং ছেলেদের বিদ্যালয়কে মাদ্রাসায় পরিণত করা হবে। বেশির ভাগ বাঙালি মুসলমানের কাছে এমন জীবনের কোনো আকর্ষণ নেই। অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই জঙ্গিবাদ মাথা চাড়া দেয়। তাই আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই যে বেশির ভাগ ইসলামি জঙ্গিরা সৌদি আরব, ইয়েমেন, সোমালিয়া ও পাকিস্তানের গুণগান গায়। এদের মোকাবিলায় আমাদের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যই আমাদের শক্তি। তা হলেও আমাদের কিছু দুর্বলতাও রয়েছে। দারিদ্র্য, অশিক্ষা ও বেকারত্ব জঙ্গিবাদের উর্বর ভুমি হিসেবে কাজ করে। সমাজের মধ্যে বাড়তে থাকা ধনী-গরিব বিভাজনের বিরুদ্ধের অসন্তোষকেও তারা তাদের পক্ষে ব্যবহারের সুযোগ নেয়। বাইরের নানা শক্তিও জঙ্গিবাদী মতাদর্শের বিস্তারে তহবিল জুগিয়ে থাকে। জঙ্গিরা কোনো সীমান্ত মানে না। বাইরের জঙ্গিরা আমাদের ভুমি ব্যবহার করে যদি তৃতীয় কোনো দেশে আক্রমণ চালায়। এতে আমাদের নিজেদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

সন্ত্রাস দমনে সমন্বিত কর্মকৌশল প্রয়োজন
১. আদর্শকে আদর্শিক স্তরেই মোকাবিলা করা প্রয়োজন−বিশেষত তথাকথিত বৈশ্বিক জিহাদের প্রসঙ্গে এটা জরুরি। আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে মুসলিম সমাজ তার ভেতর থেকেই সংকটের মুখে পড়েছে। সমাজের একটা অংশ চায় বাকি দুনিয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে, অন্যরা চায় ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে মধ্যযুগীয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মুসলিম সমাজগুলোয় সামাজিক সংস্কার সম্পন্ন করা এখন জরুরি প্রয়োজন। আমাদের উচিত চরমপন্থী মতাদর্শের বিপরীতে ইসলামের উদারনৈতিক ব্যাখ্যাকে উৎসাহিত করা।
২. জরুরিভাবে দারিদ্র্য, বঞ্চনা ও পশ্চাৎপদতার সমস্যা দুর করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক নীতির মধ্যে সমৃদ্ধির শর্তের পাশাপাশি সামাজিক ন্যায়বিচার ও ন্যায়পরায়ণতার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। চরমপন্থী মতাদর্শের বিরুদ্ধে সমাজের গণতন্ত্রায়ণই সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ। অবশ্য একই সঙ্গে এটাও সত্য যে, গণতান্ত্রিক সমাজের উদারতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা তাদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাওয়ার মওকা নিতে পারে।
৩. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং দরিদ্র ও নিচুতলার মানুষের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। গ্রামাঞ্চলে নারীদের ফতোয়ার শিকার করায় মোল্লা-মাতবর ঐক্য সমাজের মধ্যে আইনি সমস্যার বিকাশকেও নির্দেশ করে।
৪. আমাদের তরুণদের আধুনিক শিক্ষার মধ্যে এমনভাবে টেনে আনতে হবে, যাতে তারা আজকের পরিবর্তনশীল দুনিয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে। দীর্ঘদিন হলো মাদ্রাসা শিক্ষার সার্বিক সংস্কারের বিষয়টি অনিষ্কপন্ন হয়ে আছে। আমাদের এমন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যার মাধ্যমে উচ্চ নৈতিকতাসম্পন্ন এবং মুক্তচিন্তার জনগোষ্ঠী তৈরি হবে। সমাজের বহু-সংস্কৃতি, ধর্মবৈচিত্র্য এবং অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের সহায়ক আইন তৈরি করতে হবে সরকারকে। রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।
৫. সামাজিক-অর্থনৈতিক সংস্কারের পাশাপাশি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে নতুন উদ্যমে নিরাপত্তা অভিযান চালাতে হবে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আধুনিকায়নও প্রয়োজন। তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে নির্ভয় ও নির্লোভভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা সৃষ্টি করতে হবে।
৬. নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক সহযোগিতা ছাড়া জঙ্গিবাদী তৎপরতা দমন সম্ভব নয়। সার্ক কাঠামোর মধ্যেও এ ব্যাপারে বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে। সীমান্ত তদারকি, পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ ব্যবস্থা, সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের চলাচল সম্পর্কে তথ্য বিনিময় এবং পলাতক সন্ত্রাসীদের আটক ও হস্তান্তরের বিষয়ে সার্ক দেশগুলো একযোগে কাজ করতে পারে। নাজুক সীমান্তাঞ্চল দিয়ে অস্ত্র চোরাচালান দমনের জন্যও আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
৭. দক্ষিণ এশিয়া সমৃদ্ধিশালী অঞ্চল হিসেবে বিশ্বে আবির্ভুত হতে যাচ্ছে। এর জন্যও অতি সত্বর জঙ্গিবাদ নির্মূল করা দরকার। সন্ত্রাস দমনে আঞ্চলিক সহযোগিতা টাস্কফোর্স গঠনের যে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন, সেটাই আসল পথ। যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমেই আমরা জঙ্গিবাদের ক্ষত থেকে রেহাই পাব।

———————-
লেখক বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক। লেখাটি প্রথম আলো পত্রিকায় ২১শে আগস্ট, ২০০৯ তারিখে প্রকাশিত।

এয়ার কমোডর (অব.) ইসফাক ইলাহী চৌধুরী: সাবেক বিমান বাহিনীর সদস্য। বাংলাদেশ নিবাসী মুক্তমনা সদস্য।

মন্তব্যসমূহ

  1. মুক্তমনা এডমিন আগস্ট 30, 2009 at 3:28 পূর্বাহ্ন - Reply

    Tistarbahe এবং Truthseeker কে অনুরোধ করা হচ্ছে বাংলা ব্লগে মন্তব্য করার সময় বাংলায় লিখতে। এখানে সবাই যখন বাংলায় লিখতে পারছেন, আপনাদেরও সমস্যা হবার কথা নয়। বাংলায় মন্তব্য করার জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায় হচ্ছে অভ্র ডাউনলোড করে নেয়া। অনুগ্রহ করে এখান থেকে অভ্র ডাউনলোড করে নিন এবং বাংলায় লিখুন।

  2. আতিক রাঢ়ী আগস্ট 29, 2009 at 3:48 অপরাহ্ন - Reply

    জংগীবাদ দমনের জন্য আমাদেরকে আন্তরিক হতে হবে। ভন্ডামি ছাড়তে হবে। গত আওয়ামিলীগ সরকারের সময়েও আনেক নতুন মাদ্রাসার আনুমোদন দেয়া হয়েছিলো। এটা বন্ধ করতে হবে। মেয়র হানিফ আওয়ামিলীগের ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগতেন। এই টার্মটা বাদ দেবার ব্যাপারে তার ইচ্ছা তিনি গোপন করেননি। ফতোয়া চুক্তির মাধ্যে যে আপোষকামিতা ও ভণ্ডামির আশ্রয় আওয়ামিলীগ নিয়েছিলো তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আশাকরি ২১শে আগস্ট থেকে আওয়ামিলীগ শিখবে।

    দেশে আইনের শ্বাসন নেই। আদালত গুলো বিচার প্রর্থীদের কাছে হয়্ররানির প্রতীক।
    যে জন্য এখানে বোমা মারাতে লোক যোগাড় করা কঠিন হয় না। বৃটিশরা তাদের কলোনি গুলো শাসন করতে যে আইন করেছিলো আজও আমরা সেই আইন দিয়ে চলছি। এসব সুবিধাবাদ ছাড়তে হবে। পুরো গুষ্টি, জ্ঞাতী উন্নত বিশ্বে রেখে কেবল মাত্র পয়সা কামাতে রাজনিতী করলে জংগীবাদ মোকাবেলা করা যাবেনা।

  3. Tistarbahe আগস্ট 29, 2009 at 10:25 পূর্বাহ্ন - Reply

    Dear Adil,

    When I mentioned indian philosophy, I did not mean to favor any religion over the other. I meant the intrinsic humanism and freedom of thinking that propagated for centuries in our land, being hybrided by hinduism, islam, christianity, and all other religions. I was talking about the love and compassion that make diversity a powerful resource to go “forward”:

    deb-e ar neb-e, milab-e muilib-e jab-e na phir-e
    ei bharater mohamanober shagor tir-e.

    Pan-islamism has made muslims lose their “touch” to their own land, making them a lost tribe. It is now time to go back home. There are, simply, no other places to go to.

    Best wishes,
    Tistarbahe

    • আদিল মাহমুদ আগস্ট 29, 2009 at 10:42 পূর্বাহ্ন - Reply

      @Tistarbahe,

      I did’t mean that Indian philosopy necessarily means Hindusim either.

      What I meant to say that; all major religions can be manipulated and utilitized for terrorism. Roots of terrorism are in all religion. It is more political reasons that the muslims around the world are feeling threatened (may be wrong that issue is different), some leaders are taking this chance to manipulate them by brain washing. As most of the muslim world is undemocratic and mostly uneducated this is spreading rapidly. BUT the same situati may happen for other religions too in the future.

      I never believe that any relgion of theroretical philosophy is needed to build a peaceful soceity.

      Traditional Indian philosopy definitely has many shin sides, but lets not forget that is also has many dark sides too. Sorry to say, by looking back just few hundred years back into the traditional Indian society (hindu) it is hard to say that “unconstrained freedom” was the heart & soul of the Indian philosophy.

      • ফুয়াদ আগস্ট 30, 2009 at 8:20 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আদিল মাহমুদ,
        ভাই, লেখার জন্য দুঃখিত । আপনার একটি কথা মানতে পারলাম না তাই আবার লেখা। আমি দুঃখিত।

        Roots of terrorism are in all religion

        ১ তাইলে, কমিউনিষ্ঠদের মধ্যে কোন টেররিষ্ঠ নাই ? যেমনঃ পর্ব বাংলা কমিউনিষ্ঠ পার্ট ।
        ২ উগ্র দেশপ্রমী (Nationalist) দের মধ্যে কোন টেরেরিসম নাই ? যেমনঃ নাজি পার্টি ।
        ৩ ডেমেক্রটিক দের মধ্যে টেরোরিসম নাই । যেমন ঃ বর্তমান পৃথিবী ।

        তবুও, দোষ শুধু ধর্মের । আমিতো দেখতেছি, আপনাদের ব্রেইন ই ওয়াশ হয়ে গেছে ।

        যাইহোক, আমার ধারনা মতে, সত্য হইলো,
        টেরোরিসমের কোন মা-বাপ নাই । যেকোন জায়গায় হতে পারে। Roots of terrorism are in injustice or in evil intention .
        কোন কোণ টেরোরিসম injustice জন্য হয় । আর কোন কোন টেরোরিসম কারো evil intention জন্য হয় ।

        • আদিল মাহমুদ আগস্ট 30, 2009 at 10:48 পূর্বাহ্ন - Reply

          @ফুয়াদ,

          আপনি ভাই কাইন্ডলি একটু যুক্তিবিদ্যার অতি সহজ পাঠযা কমন সেন্স থেকে হয় তা একটু ভাবতে চেষ্টা করেন। অন্যের ব্রেইন নিয়ে চিন্তিত না হয়ে নিজেরটা নিয়েই প্রথমে ভাবেন।

          সন্ত্রাসের বীজ যে সব ধর্ম গ্রন্থে আছে তা কি অস্বীকার করতে পারবেন?

          আমি কি অমন দাবী কখনো করেছি যে ধর্মের দোহাই ছাড়া আর কোনরকম সন্ত্রাস জগতে হয় না?

          “Roots of terrorism are in all religion” – এটা বলার আমার সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য ছিল আজকাল যে একটা ধারনা মানুষের মাঝে গেড়ে বসছে যে ইসলামই কেবল সন্ত্রাস শেখায় তা নাকচ করা। সেভাবে দেখলে সব ধর্মেই সন্ত্রাসের বীজ আছে। শুধু কাজে লাগাবার অপেক্ষা।

          কম্যুনিজম হোক, ধর্ম হোক…যেই ইজমই হোক, ইজমের দোহায় পেড়ে নিরীহ মানুষ মারা কোনভাবেই সমর্থনীয় না।

    • Truthseeker আগস্ট 29, 2009 at 6:57 অপরাহ্ন - Reply

      @Tistarbahe,

      You are right; philosophy and humanism based on our land/subcontinent is good enough. I understood by indian philosophy you meant the positive aspects of philosophy of the whole subcontinent. In reality, constitutional secular democracy is the first step. Then, Science based education. And, then establishing secular society etc etc. Without any intellectual subversion/defeat (I am looking for the right word) to western countries etc. Thanks.

  4. আদিল মাহমুদ আগস্ট 28, 2009 at 5:45 অপরাহ্ন - Reply

    দারিদ্র দূর করা অবশ্যই বেশ দরকার, দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে অবশ্যই খুব সহজে সন্ত্রাসী কাজে লাগানো যায় যেকোন ধর্মের দোহাই দিয়ে। তবে এ কাজ বলা যেমন সহজ করা মোটেও তত সহজ নয়।

    “The root cause is in islam itself” – হতে পারে। অন্তত এটা প্রমানিত সত্য যে ইসলাম ব্যাবহার করে বোমাবাজি সন্ত্রাস করা হচ্ছে। কিন্তু বিনীতভাবে স্মরন করাতে চাই যে সে হিসেবে সব ধর্মের মধ্যেই খোজ় করলে তা পাওয়া যাবে। ইসলামে বরং অন্য ধর্মের থেকে মানবিক দিকগুলি আরো ভালভাবে আছে।

    মুশকিল হল, যারা স্বঘোষিত ইসলামী নেতা তারা উগ্রবাদকে লালন করতে বেশী পছন্দ করেন এবং তা প্রচার করে সাধারণ মানুষের ব্রেইন ওয়াশ করেন। যেহেতু ইসলামী বিশ্বে একটা বড় জনসংখ্যা অশিক্ষিত তাই একাজ সহজেই করা যায়। পাশ্চাত্য বিশ্বে কোন পাদ্রী দাড়িয়ে যদি বলে যে হিন্দু বা মোসলমান্দের বিরুদ্ধে আমাদের জেহাদ তবে কেউই তাকে বাহবা দিবে না বা শপথ নিবে না। এ কাজে চমতকার অনুঘতক হিদেবে কাজ করেছে বুশ ব্লেয়ার গোছের চরিত্ররা।

    ইসলাম আগে যা ছিল তাই আছে, ১৪শ বছর ধরেই প্রায় এক। কিন্তু বোমাবাজী সন্ত্রাসের ইতিহাস বেশীদিনের নয়। মাত্র ৩০ বছর আগেও এর প্রকোপ ছিল না। এটাও চিন্তা করতে হবে। ইসলাম সাইডলাইনের রাখার প্রচেষ্টা উগ্রবাদকে আরো চাগিয়ে তুলবে।

    ইসলামী নেতাদের হাতেই আসল সমাধান আছে। তাদের উগ্রবাদ লালন পালনের অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তাদের বোঝাতে হবে যে বুশের আগ্রাসী নীতির প্রতিবাদ আমেরিকায় বোমা মেরে ৫০ জন নীরিহ মানুষ মেরে ফেলা নয়, এ জাতীয় হটকারী কাজে সমস্যা আরো বাড়ে।

    “embrace the goodness and beauty of unconstrained freedom that is the heart and soul of Indian philosophy. “- If that is so then why do we see bloodshedss in modern India by the name of religion ? How many muslims had been slaughtered in Gujrat? All blame went to the muslims by default ? Ok, how many Shikhs had been massacred after Indira’s killing? Why do we see the news of burning the christian preachers alive in India by the hindu extremist? There are numerous examples like this can be taken.

    • Truthseeker আগস্ট 29, 2009 at 2:11 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আদিল মাহমুদ,

      Adil, you are right. To uphold the “Common Humanity” for peace, progress and prosperity of human civilization.

  5. Tistarbahe আগস্ট 28, 2009 at 11:02 পূর্বাহ্ন - Reply

    The writer wished some convenient solution to the problem of Islamic extremism, such as elimination of poverty, propagating the progressive face of islam, etc. It sounds nice and civil, but such soft selling of islam by most bengali muslim intellectuals perpetuates the problem.

    The root cause is in islam itself. So the religion should be totally sidelined and bengali intellectuals should take bold steps to propagate and embrace the goodness and beauty of unconstrained freedom that is the heart and soul of Indian philosophy.

    One can not, for example, condem Taslima Nasrin on behalf of the “good muslims” and expect that islamic extremism will go away!

    Tistarbahe

  6. Truthseeker আগস্ট 28, 2009 at 4:48 পূর্বাহ্ন - Reply

    Very good analysis. We all need to realize that organized religions and political islam are threat to human civilization, peace and progress.

মন্তব্য করুন