বেঁধেছে এমনও ঘর শূন্যের ওপর পোস্তা করে। ( উৎসর্গ – ড. অভিজিৎ রায় )

লেখক : প্রীতম চৌধুরী উৎসর্গ পত্র : প্রয়াত ড. অভিজিৎ রায়। বাংলাদেশে হাতে গোনা মুষ্টিমেয় যে সমস্ত লেখকেরা আধুনিক বিজ্ঞানের প্রান্তিক জ্ঞান এবং তথ্যের নিরিখে সুসংবদ্ধ বিশ্লেষণ সাধারণ পাঠকদের দুয়ারে নিত্য পৌঁছে দিচ্ছেন , অভিজিৎ রায় নিঃসন্দেহে ছিলেন তাদের শীর্ষস্থানীয় কাণ্ডারি। বিজ্ঞান এবং দর্শনের জগতে তার অবাধ বিচলন দেখে ইন্টারনেটের বাংলা ব্লগ সাইটগুলোতে তার গুণমুগ্ধ [...]

লিখেছেন |জুলাই ৩, ২০১৫|বিষয়: বিশ্বতত্ত্ব|ট্যাগ: |৯ টি মন্তব্য|

২০১৫ সালের একুশে বইমেলায় মুক্তমনা লেখকদের বই

আবারো চলে এলো সেই অমর একুশে বইমেলা। প্রতিবারের মত এবারেও মুক্তমনা সদস্যরা প্রগতিশীল যুক্তিবাদী এবং বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তাভাবনার সাথে সংগতিপূর্ণ বইপত্র প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি আছে প্রবন্ধ-সংকলন,গল্প, কবিতা এবং উপন্যাসের নানা গ্রন্থও। এর বাইরে লিটল ম্যাগাজিন কিংবা সাময়িকীও প্রকাশিত হচ্ছে অনেক। ইতোমধ্যেই মুক্তমনা লেখকদের বইগুলো চলে এসেছে পাঠকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আমরা চাইবো মুক্তমনা ব্লগ-সদস্য, লেখক এবং পাঠকেরা [...]

মহাবিশ্বের অন্তিম পরিণতি

মহাবিশ্বের অন্তিম পরিণতি (শূন্য থেকে মহাবিশ্ব বইয়ের একটি সম্ভাব্য অধ্যায়)   ‘এই মহাবিশ্বটা পরমাণু দিয়ে তৈরি নয়, গল্প দিয়ে তৈরি’।  উক্তিটি প্রয়াত কবি এবং রাজনৈতিক কর্মী মুরিয়েল রুকেসারের।  রুকেসার উক্তিটি কী ভেবে করেছিলেন, তা এখন আর আমার মনে নেই,  কিন্তু আজ এই অধ্যায়টা লিখতে গিয়ে মনে হচ্ছে তিনি হয়তো ভুল বলেননি। আমরা ছোটবেলায় পদার্থবিজ্ঞানের বই [...]

কোয়ান্টাম শূন্যতা এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি

বিগত দুটি পর্বে  (প্রথম পর্ব, ২য় পর্ব) আমরা মহাবিস্ফোরণ এবং স্ফীতিতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছিলাম।  গত পর্বটি শেষ করতে গিয়ে বলেছিলাম, স্ফীতি তত্ত্বের জনক অ্যালেন গুথ আমাদের মহাবিশ্বকে অভিহিত করেছেন, ‘দ্য আল্টিমেট ফ্রি লাঞ্চ’ হিসেবে; তিনি স্ফীতি তত্ত্বের গণিত সমাধান করে উদ্বেলিত হয়ে  বলেছিলেন  – ‘গ্রীক দার্শনিক লুক্রেটিয়াস খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতকে একটি বই লিখেছিলেন De Rerum [...]

বিগ ব্যাং এর আগে কি ছিল? (শেষ পর্ব)

বিগ ব্যাং এর আগে কি ছিল  এই সিরিজটার প্রথম পর্ব মুক্তমনায় দেয়া হয়েছিল জুন মাসের ২৮ তারিখে।   ভেবেছিলাম ২য় পর্বটি তাড়াতাড়িই লিখে ফেলব। নানা কারণেই হয়ে উঠেনি। আজ প্রকাশ করছি সিরিজটির ২য় পর্ব। যথারীতি শেষ করতে গিয়ে দেখলাম হাতী সাইজের হয়ে উঠেছে একেবারে। ‘শূন্য থেকে মহাবিশ্ব’ বইটার একটা পূর্ণাঙ্গ অধ্যায়ের কথা মাথায় রেখে লেখা বলেই [...]

বিগ ব্যাং-এর আগে কি ছিল? (১ম পর্ব)

মীজান ভাই (অধ্যাপক মীজান রহমান)কে  মুক্তমনা ব্লগে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার কিছু নেই। তিনিই সম্ভবতঃ বাংলা ব্লগস্ফিয়ারের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্লগার। বাংলাদেশের যে কয়জন একাডেমিয়ার সাথে যুক্ত শিক্ষাবিদ আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেয়েছেন, বাংলাদেশকে পরিচিত করতে পেরেছেন দর্পভরে বিশ্বের অঙ্গনে, তার মধ্যে মীজান রহমান অন্যতম। সেই ১৯৬৫ সালে কানাডার অটোয়াস্থ কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় যোগ দিয়েছিলেন, সেখানে একটানা [...]

একজন অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম এবং মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ (২য় পর্ব)

অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম মারা যাবার পর আমি একটা প্রবন্ধ লিখেছিলাম ১৭ই মার্চ, ‘একজন অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম এবং মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ’  শিরোনামে।  এই সিরিজটির প্রথম পর্ব ছিল সেটি। ভেবেছিলাম অত্যন্ত দ্রুতই সিরিজের বাকি পর্বগুলো লিখে ফেলব।  কিন্তু এর মধ্যে ব্লগারদের ধরপাকড় সহ দেশের রাজনীতির টালমাটাল অবস্থায় এ নিয়ে আর কাজই করা হয়ে উঠেনি। আজ বহুদিন [...]

একজন অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম এবং মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ (১ম পর্ব)

অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলামের নাম আমি শুনি ২০০৫ সালে, আমার ‘আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’ বইটি লেখার সময়।  বইটির পঞ্চম অধ্যায়টির উপর কাজ করছিলাম।  অধ্যায়টির শিরোনাম ছিল ‘রহস্যময় জড় পদার্থ, অদৃশ্য শক্তি এবং মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ’।   মহাবিশ্বের অন্তিম পরিণতি নিয়ে বিজ্ঞানীদের কাজকর্মগুলো পড়ার সময়ই আমার নজরে আসে বাংলাদেশের একজন পদার্থবিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম এর উপর উল্লেখযোগ্য [...]

কি ঘর বানাইমু আমি শূন্যের মাঝার!  – (পাঠ-প্রতিক্রিয়া : ‘শূন্য’)

মীজান রহমান পেশায় গণিতবিদ। শুধু গণিতবিদ বললে ভুল হবে, বাংলাদেশের যে কয়জন একাডেমিয়ার সাথে যুক্ত শিক্ষাবিদ আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেয়েছেন, বাংলাদেশকে পরিচিত করতে পেরেছেন দর্পভরে বিশ্বের অঙ্গনে, তার মধ্যে মীজান রহমান অন্যতম। সেই ১৯৬৫ সালে কানাডার অটোয়াস্থ কার্লটন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় যোগ দিয়েছিলেন, সেখানে একটানা তেত্রিশ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের গণিতের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সেরা [...]

অস্তিত্বের অন্তিম প্রশ্নের মুখোমুখি: কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে কিছু আছে?

The more the Universe seems comprehensible, the more it also seems pointless – Nobel Laureate Physicist Steven Weinberg বিখ্যাত জ্যোতির্পদার্থবিদ লরেন্স ক্রাউস একটি চমৎকার বই লিখেছেন সম্প্রতি – ‘A Universe from Nothing: Why There Is Something Rather than Nothing’ শিরোনামে[1]। বাংলা করলে বলতে পারি – ‘শূন্য থেকে মহাবিশ্ব – কেন কোনো কিছু না থাকার বদলে [...]