” রাণুর ভানুদাদা ” তৃতীয় পর্ব

লিখেছেন: সাত্যকি দত্ত কলকাতায় ফণিভূষণের চিকিৎসা সম্পূর্ণ হলে , তার বিশ্রাম নেওয়ার প্রয়োজন হয়েছিল । রবীন্দ্রনাথ তখন ফণিভূষণকে শান্তিনিকেতনে এসে থাকবার জন্য আহ্বান করেন । বলা বাহুল্য , রাণুর সান্নিধ্য পাওয়ার স্বার্থবুদ্ধিও রবীন্দ্রনাথের আমন্ত্রণের পিছনে কাজ করেছিল । ফণীভূষণ কলকাতা থেকে সপরিবারে শান্তিনিকেতনে আসলেন ৪- ঠা জুন তারিখে , তাঁদের থাকার ব্যবস্থা হল মহর্ষি ভবনে [...]

দুই যৌবনে কৃষ্ণ শোণিত অথবা রবীন্দ্র ভাবনায় মৃত্যু-দর্শন

একটি দীর্ণ সত্তার সাথে রঙিন প্রজাপতির মিহিন কথোপকথন- কখনো মৃদু, কখনো উচ্চস্বরে আবার কখনো বা কোনো এক প্রান্ত ছোঁয়া নদীর মতো একেবারে শান্ত কিন্তু চলিষ্ণু হয়ে চলছে সে। কিন্তু কোথায়? কোনখানে? প্রশ্নগুলো একবারের নয়, বহুবারের- বহুধারার। এই অনন্যবোধের বাতি জ্বালিয়েই জীবন পাড়ি দেয় অনন্তলোকে, কোনো ঠিকানার পানে নয়, নয় কোনো ঐশ্বরিক শক্তি বা অন্য কোনো [...]

রবি ঠাকুর, রাহাজানি এবং রবীন্দ্র পূজারীবৃন্দ

ফরিদ আহমেদ এবং অভিজিৎ রায় এটি একটি যৌথ রচনা, আমার (ফরিদ আহমেদ)  এবং অভিজিৎ এর। সেই পাঁচ বছর আগে মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে বইটা এক সাথে লিখেছিলাম আমরা। তারপর আর একসাথে কোনো কিছু লেখা হয় নি দুজনে। অনেকদিন পরে আবার আরেকটা প্রচেষ্টা নিলাম। কেমন হয়েছে জানি না। পাঠকদের কাছ থেকে আগ্রহ  এবং সাড়া মিললে [...]

রবীন্দ্রনাথের বিবাহ-ভাবনা ও তিন কন্যা সম্প্রদান

চন্দ্রনাথ বসু একজন ভাবুক জ্ঞানবান পণ্ডিত মানুষ। তাঁর ‘শকুন্তলা’ সমালোচনায় রবীন্দ্রনাথ ‘আশ্চর্য প্রতিভার পরিচয়’ পেয়েছিলেন। এই পণ্ডিত চন্দ্রনাথ বসু 'হিন্দুপত্নী' এবং 'হিন্দুবিবাহের বয়স ও উদ্দেশ্য' নামে দু'টি আলোচিত প্রবন্ধ লেখেন। উক্ত প্রবন্ধে হিন্দুবিবাহের 'আধ্যাত্মিকতা', 'হিন্দুদম্পতির একীকরণতা' এবং 'বাল্যবিবাহ' সম্বন্ধে তিনি প্রথা শাস্ত্র ও ধর্মমতের সঙ্গে একমত হয়েও নিজের মত বিস্তৃতভাব লেখেন। তখন কয়েকটি 'কাগজেও অবিশ্রান্ত [...]