The question and answers on the topic of evolution ( বিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন ও উত্তর)

কাঠগড়ায় বিবর্তন

১৮৫৯ সালে বৃটিশ প্রকৃতিবিদ চার্লস ডারউইনের প্রায় বিশ বছরের গবেষণালব্ধ ফলাফলের উপর ভিত্তি করে লিখিত বই, ‘অন দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ’ এর মাধ্যমেই মূলত বিবর্তনের ধারণাটি মানুষের সংগৃহীত প্রাকৃতিক জ্ঞান ভাণ্ডারে প্রথমবারের মতো প্রবেশ করে। বিবর্তনের ধারণাটি আমাদের মাথায় পরিষ্কার হতে কেনো এতো দীর্ঘ সময় লাগলো? অরিজিন অফ স্পিসিজ প্রকাশেরও প্রায় দুইশ বছর আগে নিউটনের [...]

লামার্কবাদ বনাম ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন

ফরাসি এই জীববিজ্ঞানীর পুরো নাম জ্যাঁ ব্যাপতিস্ত দ্য মনেত লামার্ক। জন্ম ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলের বাপায়ুঁ শহরে, ১৭৪৪ সালে। লামার্কের পূর্বপুরুষেরা একসময় জমিদার থাকলেও লামার্কের জন্মের সময় তাঁর পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা মোটেই ভালো ছিল না। লামার্ক তাঁর এগার ভাইবোনদের মধ্যে সর্বকণিষ্ঠ। কলেজের লেখাপড়া চলাকালীন সময়ে মাত্র সতের বছর বয়েসে সেনাবাহিনীতে অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। তারপর তিনি আর [...]

বৈজ্ঞানিক সমাজে বিবর্তনের গ্রহণযোগ্যতা এবং বিবর্তনের সাথে নাস্তিকতার সম্পর্ক

সত্যের ব্যাপারে কোন প্রকার গণতন্ত্র সম্ভব না। বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব তার নিজ গুণেই প্রতিষ্ঠিত হয়, গোটা মহাবিশ্ব তাকে অস্বীকার করলেও কিছু যায় আসে না। এরপরও যদি আমরা সংখ্যার খাতিরে বিবর্তন তত্ত্বকে বিচার করি, তাহলেও এই তত্ত্ব আইডি থেকে কয়েক আলোকবর্ষ এগিয়ে থাকবে। এরপরও যদি কারও এই ব্যাপারে সংশয় থাকে, তবে সে আসলে নিজেই নিজের সাথে প্রতারণা করছে। বিবর্তনের সাথে নাস্তিকতার কোন মেলবন্ধন নেই। ঈশ্বরের ধারণা প্রত্যাখ্যান করার জন্য বিজ্ঞানের সাহায্য লাগে না, এই ধারণা এতই ছিদ্রযুক্ত যে সে নিজেই নিজেকে পতিত করে। তাছাড়া ঈশ্বরের ধারণাটা এতই নমনীয় যে ভারচুয়ালি যেকোন কিছুর মধ্যেই ঈশ্বরকে খুজে পাওয়া যেতে পারে। আপনি যদি বিবর্তনের সাথে ঈশ্বরকে সংঘাতময় মনে করেন, তবে সেটি ঈশ্বর সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত বিশ্বাসেরই পরিচায়ক, যা পৃথিবীর ৭ বিলিওন মানুষের সাথে নাও মিলতে পারে। বিবর্তন একটা বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্ট, বিশ্বাস করুন আর নাই করুন। আপনি যখন বৈজ্ঞানিক ফ্যাক্টের সাথে নাস্তিকতার মিত্রতা দাবি করেন, তখন ধার্মিক হিসেবে আপনি আসলে ধর্মের উপর নিজেই কুড়ালটা মারছেন।

চোখের বিবর্তন যেভাবে হল:কার্ল ঝিমার

কার্ল ঝিমার(Carl Zimmer) আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক। একইসাথে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং স্কলার। প্রাণবন্ত ও জনবোধগম্য ভাষায় বিজ্ঞান আলোচনার জন্য কার্ল ঝিমার বিভিন্ন সময় The Best American Science Writing Series এবং The Best American Science and Nature Writing series-এ পুরস্কৃত হয়েছেন। ২০০৭ সালে তিনি ন্যাশনাল একাডেমিস্ সায়েন্স কমিউনিকেশন্স অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। জীববৈচিত্র্য, [...]

সংস্কৃতির ‘ভুত’

নৃপেনদা (নৃপেন্দ্র সরকার) একটি চমৎকার লেখা লিখেছেন বিবর্তনের চোখে চোখের জল শিরোনামে। তিনি লেখাটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছেন। আমি কিছু উত্তর দিয়েছি এখানে। উত্তর দিয়েছি মূলত মানবীয় আবেগের সাথে বিবর্তনের সম্পর্ক নিয়ে। বিবর্তনের চোখে আবেগের উৎস সন্ধান বিষয়ে আবছা অবতারণা করা হয়েছে, কিন্তু সাংস্কৃতিক ভিন্নতা নিয়ে নৃপেনদার প্রশ্নগুলোর উত্তর উহ্যই থেকে গিয়েছিল। একটু আগে উত্তর [...]

বিবর্তনের চোখে চোখের জল

[সতর্কীকরণঃ ব্লগটির নাম বিভ্রান্তিকর। এর মধ্যে বিবর্তনের কিছু নেই। শুধু আছে বিবর্তনের উপর একটি প্রশ্ন। প্রশ্নটা পরিষ্কার করে উপস্থাপনের জন্যই এই অবতারণা] এই যে আমাদের বুকভরা এত আবেগ এর সাথে ডারউনের Survival of the Fittest এর যোগসুত্রটা কী? আমাদের হাসি-কান্না-মাথাগরমের সাথে বিবর্তনের সম্পর্কটা কিভাবে? বিপরীত লিঙ্গের মানুষ দর্শনে যৌনাভূতির উদ্রেক হয় জিনের বংশগতি রক্ষার জন্য। [...]

জৈববিবর্তন শুধুই কি একটি তত্ত্ব (Theory)?

অনেক সময় বলতে শোনা যায় ‘জৈববিবর্তন জীববিজ্ঞানের নিছক (mere) একটি ‘তত্ত্ব’ মাত্র, এর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।’ (1) বিজ্ঞানে কোনো তত্ত্বের ‘বাস্তব ভিত্তি’ বা ফ্যাক্ট আছে কি নেই, বুঝতে হলে প্রথমে বিজ্ঞানে তত্ত্ব কিভাবে গঠিত হয়, বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের কাজ কি-সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। প্রায়শ আমরা যেভাবে সাদামাটা অর্থে ‘তত্ত্ব’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকি [...]

মিউটেশন নিয়ে নয় টেনশন

সৌজন্য : দৈনিক সমকাল/ কালস্রোত।   বিভিন্ন কারণেই মিউটেশন ঘটতে পারে উলেল্গখযোগ্য হচ্ছে : কোষ বিভাজনের সময় ডিএনএ যদি তার প্রতিলিপি হুবহু নকল তৈরি করতে না পারে। প্রাকৃতিকভাবেই এই ঘটনা ঘটে থাকে। এছাড়া বাহ্যিক কিছু প্রভাবকের দ্বারা মিউটেশন হতে পারে। নির্দিষ্ট কিছু রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বা উচ্চমাত্রার বিকিরণের ফলে অনেক সময় জীবের ডিএনএ'র সিকোয়েন্সে পরিবর্তন [...]

দেখা যাচ্ছে নিছকই বানর বৈ আমরা কিছু নই

[আপলোড কিছুটা ধীর হতে পারে, দুঃখ প্রকাশ করছি। কয়েক সেকেন্ড সময় দিন।] বানর" নামে ডাকা হলে আমরা অপমানিত হই, মন খারাপ করে এর প্রতিবাদ জানাই। অথচ, আমাদের যদি ডাকা হয় ইউথেরিয় স্তন্যপায়ী (mammal) কিংবা মেরুদণ্ডী (vertebrate) কর্ডেট, তাহলে কিন্তু আমরা অপমানিত বোধ করিনা। এমনকি আমরা যে ন্যাথান মাছ কিংবা অ্যামনিওট চতুষ্পদ (tetrapod) এই সত্য মেনে [...]

বিবর্তন নিয়ে চারটি ভ্রান্ত ধারণা

বিবর্তন নিয়ে চারটি ভ্রান্ত ধারণা মূল : চার্লস সুলিভান ও ক্যামেরন ম্যাকফারসন স্মিথ অনুবাদ : অভীক দাস আমেরিকার Committee for the Scientific Investigation of Claims of the Paranormal প্রতিষ্ঠানটি সংক্ষেপে CSICOP নামেই বেশি পরিচিত। অতিপ্রাকৃত-অলৌকিক দাবিকৃত বিভিন্ন ঘটনা-বিষয়ের উপর বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান পরিচালনা করার জন্য CSICOP -এর রয়েছে জগতজোড়া খ্যাতি। প্রতিষ্ঠানটির মুখপত্র Skeptical Inquirer -এরও দীর্ঘদিন [...]