হিজাব নেকাব এই বাংলায় প্রতিষ্ঠিত পরায় শ্যাষ।
গুম্ফবিহীন দাঁড়ি বাহার সেইটা কিন্তু আছেই বেশ।
সাপ চামড়ার চাবুক না’কি গরুর ছালে রইবে রেশ,
শাস্তি তাদের কোনটা হবে, না ঢাকলে সেক্সী কেশ?

মোল্লা চিন্তা সেরেই রাখো, এলো তোমার স্বাধীন দেশ,
পাক কোরানের লাইন হবে’ই জীবন চলার অধ্যাদেশ।

এখন না’বালিকা ইয়ে করো, গোল বাধলে বিয়ে করো,
সুখে থাকো, চাইলে আবার ইয়ে করো, জোরসে চালাও।
পুরুষ হলে তুমিই প্রভু, দুটোই পেলে এই জীবনে। ধরো।
রাষ্ট্র আছে, কিতাব আছে, ভয়টা কিসের; জ্যান্ত জ্বালাও।

একটা ধরো চারটা করো, ফেঁসে গেলে বিয়ে করো, আ’হা।
বাপ্ অথবা মা যদি না থাকে, এতিম তো সে, চিন্তা’ই নাই,
এরাম করে চারটা রাখো, হাহা, পাঁচটা হলে একটা ছাড়ো,
দেনমোহরের মুর্গি দিয়ে বিদায় করো, এ’টাই আইন ছাই।

তাইরে নাইরে নাই, ওহ মদিনা সনদ, ওক্কে ওক্কে তাই,
রাষ্ট্র কিতাব সঙ্গে আছে, ওরে মুমিন, ভয়ের কিছুই নাই।

মেয়েগুলোও ভয় খেয়েছে, কত্ত রং-এর হি-জাব ধরেছে,
বললে বলে, ফ্যশান ওটা, লিপিষ্টিকে ঠোঁট করেছে লাল,
সেজে কেমন নেকি কামায়? মোল্লাসবে ওতেই তা-কায়,
বলবে রাষ্ট্র, কিতাব বলে, ঘরেতে থাক, বুঝলো নারে হায়।

মা বোনেরা সব মেয়েরা শোনো, বাঙালি হও। ঐযে কিতাব,
ঘরেই রাখো। ফ্যাশনবহুল ধার্মিকতায় ছাড় নেইকো কোন।
শাসক দেছে রাস্তা, ওখানেতে শোষকদের খাতির কিন্তু খাস্তা,
কিতাব পড়ে ঘরেই রাখো, দেখবে, সেটা ওয়ান ওয়ে রাস্তা।

[462 বার পঠিত]

এই লেখাটি শেয়ার করুন:
0