দাঁড়াবার পথ কোথা?

By |2016-04-15T11:03:29+00:00এপ্রিল 15, 2016|Categories: ব্লগাড্ডা|9 Comments

রবি ঠাকুর বলতেন, ভয়ের তাড়া খেলেই ধর্মের মুঢ়তার পিছনে মানুষ লুকতে চেষ্টা করে।

বঙ্গভূমিতে আজ এই ধর্ম মুঢ়তা নতুন মোড়কে ধর্মানুভুতি হিসেবে গোয়েবলসীয় এক প্রচারণা পাচ্ছে।

মুক্তচিন্তার নামে কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া বিকৃত রুচি ও নোংরা রুচির পরিচয় বলে মন্তব্য করে সম্প্রতি সে প্রচারনায় অংশগ্রহণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জ্ঞাতার্থে বলতে চাই, অনুভূতি বিষয়টি সম্পূর্ণ সামাজিক একটি মনোবৃত্তি, যা ব্যক্তির সাংস্কৃতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলের উপর নির্ভরশীল। আবেগ সম্বরণ করবার দক্ষতা যাদের নেই, তারাই অনুভুতিতে আঘাত পাওয়ার নাটক সাজায়; মূলত যুক্তি দুর্বল বলেই তারা অযাচিত ভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করবার চেষ্টা করে।

পক্ষান্তরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মুক্তচিন্তা একটি দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গী।

“ক্লিফোর্ডস্ ক্রেডো” এর একটি বাক্যকে বলা যায় মুক্তচিন্তার মুল ভিত্তি, যা অনেকটা এ রকম “যে কোন ব্যক্তির যে কোন জায়গায় উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে কোন কিছু বিশ্বাস করা উচিত নয়”।
অথবা তা হতে পারে কার্ল সেগানের ভাষায়, “পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়া পর্যন্ত আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ স্থগিত রাখব”।

সচেতনভাবে মুক্তচিন্তার প্রয়োগ হচ্ছে মুক্তচিন্তন এবং এর সচেতন অনুশীলনকারীরাই মুক্তমনা। বিজ্ঞানের পরীক্ষিত ও প্রামান্য তথ্য এবং যুক্তিবিদ্যার ভিত্তিতে গ্রহন যোগ্য উপাত্ত আর প্রমানযোগ্য যুক্তির আলোকে সিদ্ধান্ত নেয়া ও সেই সিদ্ধান্তের নিস্পত্তি করতে পারার দক্ষতা হল মুক্তচিন্তা।

নিজ মতামত গঠণের ক্ষেত্রে মুক্তচিন্তার অনুশীলনকারীরা কোন প্রথা, বিশ্বাস, আচার, স্বার্থ বা কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে শুধুমাত্র নির্মোহতা ও নৈর্ব্যাক্তিকতাকে প্রাধান্য দেয় বলেই তারা মুক্তমনা বলে অভিহিত; পক্ষান্তরে ধর্মানুসারীদের পক্ষে ধর্মমোহ থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব হয়না বলেই তারা মুক্তমনা নয়।

বাংলাদেশের মত একটি ধর্মাশ্রয়ী পশ্চাৎপদ সমাজ, সাম্প্রদায়িকতা যেখানে গভীরে প্রবিষ্ট এক ব্যাধি, যেখানে ধর্মের বিধি-বিধান, প্রথা ও সংস্কারগুলো আমাদের বেঁধে রেখেছে আষ্টেপৃষ্ঠে, সে সমাজে ধর্মের অসঙ্গতিগুলোই প্রাথমিকভাবে মুক্তচিন্তকদের ধারালো প্রশ্নের আক্রমনে জর্জরিত হবে সেটা অনুমেয়।

কূটকৌশল ও চতুরতার সাথে এই সব প্রশ্নকে লঘুচিত্তের বলে অনেকে এড়িয়ে চলবার চেষ্টা করলেও একবিংশ শতকের এই জ্ঞানভিত্তিক সমাজে সে চেষ্টা বালখিল্যতারই শামিল। রাষ্ট্র ও সরকার তাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে প্রগতির প্রতিবন্ধক এই ধ্যানধারণাগুলোকে যতই টিকিয়ে রাখবার চেষ্টা করুক না কেন, ইতিহাস স্বাক্ষী যে সে চেষ্টা চিরকাল বিফলেই গেছে; এমনকি হয়েছে রক্তে রঞ্জিত।

তা রক্ত তো ঝরছেই; একে একে মুছে গেছে অমিত সম্ভাবনাময় সব তরুনেরা; অদম্য, অসাধারন মস্তিষ্কগুলোকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলেছে নিদারুন বর্বরতায়। স্বাধীনতার পর হতেই রাষ্ট্রীয় মদতে ধর্মান্ধদের নানামুখী আক্রমনের সরাসরি শিকার হন দাউদ হায়দার, হুমায়ূন আজাদ, শামসুর রাহমান, তসলিমা নাসরিন; এবং সাম্প্রতিক কালে ধর্মীয় মৌলবাদের বিরুদ্ধে সক্রিয় অবস্থানের কারনেই সরাসরি খুন হন লেখক রাজিব হায়দার, অভিজিৎ রায়, অনন্ত বিজয়, ওয়াশিকুর বাবু, নিলয় নীল, প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন, নাজিমুদ্দিন সামাদরা; গুরুতরভাবে আক্রান্ত হন প্রকাশক আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুল সহ লেখক রণদীপম বসু ও তারেক রহিম।
এবং সরকার আজও, যথারীতি তার মৌলবাদ তোষণের প্রক্রিয়ায়, নানান ছলে সে দায় অস্বীকার করে চলেছে।

ভয়ঙ্কর এই খুনের ঘটনাগুলোর পরও, এটা অত্যন্ত আগ্রহব্যাঞ্জক যে তরুন বাংলাদেশীরা তাঁদের শৈশবে শেখা দূষিত মতদিক্ষার বিপরীতে যৌক্তিক চিন্তা, তথা মুক্তচিন্তার প্রতি প্রতিনিয়ত আকর্ষিত হচ্ছেন; জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে শিখছেন। আর তাঁরা প্রশ্ন করতে শিখছেন বলেই মুক্তচিন্তায় যাদের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয় সেইসব শেয়ালদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ক্রমশই বাড়ছে; এবং তা এমন এক পর্যায়ে গেছে যে, সরকার প্রধানকেও তা নগ্ন করে তুলেছে; তাকে বাধ্য করেছে মুখোশ খুলে ধর্মান্ধদের পক্ষে নিজ অবস্থান ঘোষণা করতে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বাংলাদেশের অন্যান্য সকল ক্ষেত্রের মতই মুক্তচিন্তার ক্ষেত্রটিও প্রশস্ত নয়, এবং তা স্বতঃস্ফূর্ত। একইসাথে তা পরিবার, পরিবেশ, ও প্রতিষ্ঠান, সকল ধরনের বিরোধিতা মোকাবেলা করেই বিকশিত। সে কারনেই এই চর্চা আজও খুব পরিশীলিত নয়; অনেক ক্ষেত্রেই তা কিছুটা অপরিণত ও আবেগী। তরুন ‘মুক্তমনা’দের অনেকের আচরণে দৃষ্টিকটুভাবে বিচক্ষণতার অভাব দেখা যায়, যা সুবিবেচিত দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। গা জোয়ারি ভাব যে যুক্তি নয়, সেটাও অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা বুঝতে অসমর্থ! যুক্তির পথ ছেড়ে অস্বীকার, অগ্রাহ্যতা, বর্জন, বিদ্বেষ আর অননুমোদনকেও অনেক সময় এঁরা তর্কের ভিত্তি বলে মেনে চলেন এবং কখনো কখনো ভুলে যান যে, অশিক্ষা থেকে উদ্ভুত সিদ্ধান্ত, কেবল মাত্র কুশিক্ষাকেই লালন করে।

কিন্তু তা বলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে মুক্তচিন্তার গোটা চেষ্টাটাকেই নিরুৎসাহিত করবার প্রবণতাটি আরও ক্ষতিকর, আরও ভয়ঙ্কর। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের অস্বীকার করবার মধ্য দিয়ে সম্প্রতি আরও অরক্ষিত করে তুলবার একটি প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে, যাতে সরকারসহ সকল উচ্ছিষ্টভোগী বুদ্ধিজীবীরা শামিল হয়েছেন। দুর্বিনীত অহংবোধের প্রভাব শিক্ষাচ্যুত এই দলটি অশিক্ষিত না হলেও নিঃসন্দেহে কুশিক্ষিত। মুক্তচিন্তার পথকে উৎসাহিত না করে তাঁরা অবস্থান নিচ্ছেন প্রতিক্রিয়ার পক্ষে।

এঁদের অনেকেই ক্ষুদ্র স্বার্থের কারনে রাজনৈতিক ইসলামের সাথে নৈমিত্তিক ইসলামের ধারনাকে গুলিয়ে ফেলে মৌলবাদীদের মত একই ভাষায় মুক্তচিন্তকদের প্রদর্শিত করছেন ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে। রাষ্ট্রও সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করছে ধর্মানুভুতি নামের অলীক এক ধারণাকে প্রশ্রয় দিয়ে, নিত্য নতুন কালো আইন তৈরি করে।

বুদ্ধিজীবীদের এই প্রবণতাটি শঙ্কার, প্রবল শঙ্কার; কারন সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদ বিরোধিতা ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন অসম্ভব। প্রচলিত রাজনীতি সে পথে হাঁটছে না কারন কর্পোরেট ও আমলাতন্ত্র তা চায়না।

প্রথাকে প্রশ্ন করবার পাশাপাশি আজ মুক্তচিন্তকদের তাই প্রশ্ন তুলতে হচ্ছে বিদ্যমান রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ ব্যবস্থাটিকে নিয়েও, কারন খোলনোলচে পাল্টে ফেলে সম্পূর্ণ নতুন রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করা ছাড়া দাঁড়াবার আর কোন পথই আজ খোলা নেই।

মন্তব্যসমূহ

  1. M Chisty এপ্রিল 20, 2016 at 8:03 পূর্বাহ্ন - Reply

    বাংলিশ কমেন্ট গুলি পড়তে আসলে খুবই সমস্যা হয়। অনেকটা বিরক্তিরও উদ্রেক করে। একটা সময় ছিল যখন বাংলা ফন্ট সহজলভ্য ছিলনা, তখন বাধ্য হয়েই আমরা ইংরেজি বর্ণমালা ব্যবহার করে বাংলায় ভাব প্রকাশ করতাম (বিশেষত মেসেজ/চ্যাট এর ক্ষেত্রে) । এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে আসলো ‘মুরাদ টাকলা’। এখন তো বাংলা ফন্ট সহজেই পাওা যায় (যেমন অভ্র অথবা বর্ণ এর কথাই ধরা যাক)। কাজেই বাংলিশ ব্যাবহার না করাটাই ভাল।

  2. আকাশদীপ এপ্রিল 18, 2016 at 12:20 অপরাহ্ন - Reply

    প্রধান মন্ত্রীর কথায় দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। উনি যে, সবার রাজা। রাজার সুখে সুখি আমরা, রাজার দুঃখে দুঃখি।

  3. মুতাজিলা এপ্রিল 17, 2016 at 3:28 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভয়ঙ্কর এই খুনের ঘটনাগুলোর পরও, এটা অত্যন্ত আগ্রহব্যাঞ্জক যে তরুন বাংলাদেশীরা তাঁদের শৈশবে শেখা দূষিত মতদিক্ষার বিপরীতে যৌক্তিক চিন্তা, তথা মুক্তচিন্তার প্রতি প্রতিনিয়ত আকর্ষিত হচ্ছেন; জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রশ্ন করতে শিখছেন। আর তাঁরা প্রশ্ন করতে শিখছেন বলেই মুক্তচিন্তায় যাদের অবস্থান প্রশ্নবিদ্ধ হয় সেইসব শেয়ালদের মধ্যে অসহিষ্ণুতা ক্রমশই বাড়ছে; এবং তা এমন এক পর্যায়ে গেছে যে, সরকার প্রধানকেও তা নগ্ন করে তুলেছে; তাকে বাধ্য করেছে মুখোশ খুলে ধর্মান্ধদের পক্ষে নিজ অবস্থান ঘোষণা করতে।

    আসলেই তাই………
    আপনার লেখনী চলুক অনবরত…… :rose:

  4. পামাআলে এপ্রিল 16, 2016 at 6:06 পূর্বাহ্ন - Reply

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উক্তিটি করে আমার ন্যায্যতানুভূতিতে আঘাত দিয়েছেন। যারা মুক্তচিন্তার উপর ভর করে লেখালেখি করেন, তিনি তাদের নিন্দা জানালেন কিন্তু যারা ধর্মানুভূতির দোহাই দিয়ে মানুষ হত্যা করে তাদের বিষয়ে টু শব্দটি পর্যন্ত করলেন না। আমার কাছে বিষয়টি মোটেই ন্যায্য মনে হয়নি। উনি কি তাহলে ধর্মানুভূতির দোহাই দিয়ে করা খুনখারাপিকে ন্যায্য মনে করেন না?

    ধর্মানুভূতিতে আঘাত আসলে একটি মিথ্যাচার, একটি অজুহাত। যারা প্রকৃত ধার্মিক তাদের ধর্মানুভূতিতে আসলে কখনই কোন আঘাত লাগে না। কেউ ধর্মের সমালোচনা করলে তারা সেটিকে নিজেদের ব্যর্থতা বলে মনে করেন। ভাবেন, আমরা ঐসব মানুষগুলোর কাছে ধর্মের সঠিক বার্তা পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছি তাই তারা না বুঝে সমালোচনা করছেন। তারা সৃষ্টিকর্তার নিকট সমালোচনাকারীদেরকে ক্ষমা করার জন্য মোনাজাত করেন। আর যারা ধার্মিক নয়। ধর্মপালন নয় বরং ধর্মপালনের বিষয়টি অন্যের নিকট জাহির করা যাদের লক্ষ্য; যারা ধর্ম, ধর্মানুভূতিকে ব্যবহার করে আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সুবিধা লাভের জন্য লোভাতুর তারাই ধর্মানুভূতির রথে চড়ে ফায়দা লোটার জন্যে এ বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলক ভাবে সামনে নিয়ে আসেন।
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দোহাই খুনীদের এভাবে প্রশ্রয় দিবেন না, তাদের মূল টার্গেট কিন্তু আপনি। তারা কখনও আপনাকে ভোট দেয়নি, দিবেও না। তারা আপনার ভোটে ধস নামানোর জন্য মরিয়া।

    – পামাআলে

  5. Abedin এপ্রিল 16, 2016 at 2:46 পূর্বাহ্ন - Reply

    Dada, khub valo laglo.Apnake dhonnobab.

    Abedin

  6. ঋষভ এপ্রিল 16, 2016 at 1:41 পূর্বাহ্ন - Reply

    বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বহুদিন ক্ষমতার বাইরে ছিল। বিরোধী দলীয় শক্তি হিসেবে তাদের অনেকদিন যাবতই দেশের সচেতন প্রগতিশীর বিভিন্ন গোষ্ঠীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েই সংগ্রাম করতে হয়েছে, সে সংগ্রামে টিকে থাকতে হয়েছে। এ সূত্রেই এতকাল তারা প্রগতিশীলদের বক্তব্যের সাথে সুর মিলিয়ে চলেছে, তার মানে কিন্তু এই নয় যে তারা সত্যিই প্রগতিবাদী, তাদের ক্ষমতালোভী, সুবিধাবাদীতাই তাদের দিয়ে এটা করিয়েছে। বর্তমানে দুইবার সংসদীয় নির্বাচনে ক্ষমতা লাভ করায় মিাত্রাতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও আরো কিছু কারনে পুরনো প্রগতিশীল গোষ্ঠীর সাথে সুর মিলিয়ে চলবার আর কোন প্রয়োজন তারা অনুভব করছেননা। পাশের প্রগতিশীলদের দুরে ছুড়ে ফেলার সময় এসেছে আর বগলের তলার প্রগতিশীলদের আলহাজ্জ বানিয়ে নিজেদের সুবিধাবাদী সংগঠনে অন্র্তভুক্ত করাতেই তারা ব্যস্ত। প্রগতিশীল শক্তির সাথে তাদের সুর আর মিলবেনা।

  7. nirob এপ্রিল 15, 2016 at 7:52 অপরাহ্ন - Reply

    মন্তব্য… সত্যিকার অর্থেই দাড়ানোর কোন পথ নেই! মুক্তচিন্তকদের অবহেলা করে সাময়িক ভাবে দলভারী করার প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এর ফল ভোগ করতেই হবে। সে দিন খুব বেশী দূরে নয়।

  8. Chnadrika এপ্রিল 15, 2016 at 2:46 অপরাহ্ন - Reply

    Very depressing comment from Hasina. She has probably stuck the last nail on the coffin of free thinking in Bangladesh

  9. Mahmud Bhuiyan এপ্রিল 15, 2016 at 1:41 অপরাহ্ন - Reply

    আপনি সত্য বলেছেন দাদা। বঙ্গবন্ধুর কন্যার কাছে আমরা কখনো এই ধরনের মন্তব্য আশা করি নি। আমাদের বেশিরভাগ বুদ্ধিজীবীরাও আসলে মুক্তমনা ও মুক্তচিন্তক নয় কারন নৈতিকতা কখনো নিজ স্বার্থ সিদ্ধির জন্য বিক্রি হতে শেখায় না।

মন্তব্য করুন