Halloween” আইরিশ ও স্কটিশ অভিবাসীরা ১৯শ শতকে এই ঐতিহ্য উত্তর আমেরিকাতে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলিও হ্যালোউইন উদযাপন করা শুরু করে। বর্তমানে পশ্চিমা বিশ্বের অনেকগুলি দেশে হ্যালোউইন পালিত হয়, যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, আয়ারল্যান্ড, পুয়ের্তো রিকো, এবং যুক্তরাজ্য। এছাড়া এশিয়ার জাপানে এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও কখনো কখনো হ্যালোউইন পালিত হয়। আইরিশ, যুক্তরাজ্য, ওয়েলশ সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করতো যে প্রত্যেক নতুন বছরের আগের রাতে (৩১শে অক্টোবর) সাহেইন, মৃত্যুর দেবতা, আঁধারের রাজ পুত্র, সব মৃত আত্মা ডাক দেয়। এই দিন মহাশূন্য এবং সময়ের সমস্ত আইনকানুন মনে হয় স্থগিত করা হয় এবং জীবিতদের বিশ্ব যোগদান করতে মৃত আত্মাদের অনুমোদন করে। তারা আরও বিশ্বাস করতো যে মৃত্যুর কারণে তারা অমর যুবক হয়ে একটি জমিতে বসবাস করতো এবং আনন্দে ডাকা হতো “Tir nan Oge”। মাঝে মাঝে বিশ্বাস করতো যে স্কটল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড অঞ্চলের ছোট পাহাড়ে কখনো কখনো মৃতরা পরীদের সাথে থাকে।

একটি লোককাহিনী থেকে বর্ণিত আছে যে সমস্ত মৃত ব্যক্তিরা ৩১শে অক্টোবর রাত্রিতে জীবিতদের বিশ্বে আসে আগামী বছরের নতুন দেহ নেওয়ার জন্য। এজন্য গ্রামবাসীরা এই খারাপ আত্মাদের থেকে বাচার জন্য ব্যবস্থা নেয়। এই প্রথাটি ছিল পবিত্র বেদি আগুন বন্ধ করা এবং নতুন আগুন জ্বালানো হতো (যেটি নতুন বছরের আগমন প্রতীক হিসাবে ছিল) পরবর্তী প্রভাতে।
আইরিশ, যুক্তরাজ্য-বাসী কেল্টদিগের পরিহিতরা তারা মিলিত হতো একটি অন্ধকার ওক (পবিত্র গাছ হিসেবে বিবেচনা করা হতো) বনের ছোট পাহাড়ে নতুন আগুন জ্বালানোর জন্য এবং বীজ ও প্রাণী উৎসর্গ করতো। আগুনের চারিদিকে নাচতো এবং গাইতো প্রভাত পর্যন্ত, পথ অনুমোদন করেত সৌর বছর এবং আঁধার ঋতুর মধ্যে। যখন প্রভাত হয়, আইরিশ, যুক্তরাজ্য-বাসী কেল্টদিগের পরিহিতরা প্রতি পরিবার থেকে জ্বলানো অগ্নির কয়লা পরিধান করতো।।। (লেখাটি মূল লিংক-এখানে)

ছবি-Arts by Rats

বাংলাদেশেও বড় আকারে হেলোউন উৎসব হয়েছিল ২০১৫ সালে। তবে এই উৎসবে শুরুটা অনেক আগ থেকে শুরু হয়। তবে শারীরিকভাবে প্রথমে ধাক্কাটা এসেছিল হুমায়ুজ আজাদের উপর। তারপর শুরুটা ২০১৩ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারিতে রাজিব হায়দার হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এর পর ২০১৫ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারিতে অভিজিৎ রায়কে হত্যার মধ্য দিয়ে গতি লাভ করে। বাংলাদেশে হেলোউন উৎসবের প্রেক্ষাপট ও ঘটনা পুরোটাই আলাদা।

ধর্মীয় হত্যার ইতিহাস প্রাচীনকাল থেকে শুরু। বেহেস্তে-গামী প্রজন্ম-যোদ্ধারা এটিকে আধুনিক যুগেও নিয়ে আসে। বর্তমানে ইসলামিক দেশগুলো সহ ভারতেও ছোট-বড় পরিসরে হ্যালোউইন উৎসব পালিত হয়। তবে বর্তমানে এটি ইসলামিক মোল্লাদের বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়। অনেকগুলি দেশে হ্যালোউইন পালিত হয়, যেমন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভারত, সৌদি আরব, ইরানসহ বিভিন্ন ইসলামিক দেশে এই উৎসব বেশ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পালিত হচ্ছে।। মৌলবাদী সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করে আধুনিক মুক্তচিন্তার লেখকরা মানুষকে মুক্তির ডাক দেয়। ফলে তাদের টাকা ধর্মীয় ব্যবসা, ফটকাবাজি হুমকির মুখে পড়ে! পশ্চিমা হ্যালোউইন একটি বিশেষ দিনে পালিত হলেও এশিয়া কিংবা ধর্মান্ধ সমাজের হ্যালোউইন হয় সুযোগ বুঝে। একই দিনে দুই তিন জন লেখককে হত্যা করে যেমন হ্যালোউইন করে তেমনি অনেক মাসে সুযোগের অভাবে হ্যালোউইন উৎসব হয় না।

ধর্মান্ধরা যেদিন হ্যালোউইন উৎসব করে তারা সেদিন মনে করে আসমান থেকে তাদের উপর রহমত বর্ষিত হয়। স্বর্গে তাদের জন্য ৭২টি হুর ও কিছু গেলমান অটোমেটিক বুকিং হয়ে যায়। পশ্চিমারা মনে করে হ্যালোউইন দিনে মৃত আত্মরা জীবিতদের পৃথিবীতে আসে নতুন দেহ নেওয়ার জন্য আর ধর্মান্ধরা বিশ্বাস করে ঐ দিন থেকে বেহেস্তে কিংবা স্বর্গে ৭২টি হুর তাদের জন্য অপেক্ষা করে কাইত হয়ে শুয়ে থাকা শুরু করে।

পশ্চিমা হ্যালোউইনে একটি লোককাহিনী থেকে বর্ণিত আছে যে সমস্ত মৃত ব্যক্তিরা ৩১শে অক্টোবর রাত্রিতে জীবিতদের বিশ্বে আসে আগামী বছরের নতুন দেহ নেওয়ার জন্য। এজন্য গ্রামবাসীরা এই খারাপ আত্মাদের থেকে বাচার জন্য ব্যবস্থা নেয়। এই প্রথাটি ছিল পবিত্র বেদি আগুন বন্ধ করা এবং নতুন আগুন জ্বালানো হতো (যেটি নতুন বছরের আগমন প্রতীক হিসাবে ছিল) পরবর্তী প্রভাতে। তেমনি ধর্মান্ধরা বিশ্বাস করে সুযোগ পেলেই জীবিত লেখক-প্রকাশকদের দোজখে পাঠিয়ে দিতে পারলে তাদের বেহেস্তের বুকিং নিশ্চিত হয়ে যাবে। ইসলামিক রাষ্ট্র (ছবি আঁকা হারাম, গান শোনা হারাম, মেয়েদের ঘরের বাহিরে যাওয়া হারাম, শুধু ঘরের ভেতর ঝিম মাইরা বসে থাকা আরাম) বানানোর লক্ষ্য তারা ভয়ানক-ভাবে এই উৎসব পালন করে।

টিভি সিরিয়ালে দেখতাম, পশ্চিমারা বিভিন্ন ভৌতিক সাজ সেজে মানুষকে ভয় দেখাতে চায়। বাংলাদেশে ভৌতিক সাজ কাউকে সাজতে হয় না কারণ মাথায় টুপি আর গালে দাড়ি থাকা কেউ যদি কাউকে জিজ্ঞেস করে-তুমি নামাজ পড় না? তাহলেই ভয়ে অর্ধেক মারা যায়।

ইসলামিকদের হ্যালোউইন উৎসবের ছবিগুলো ভয়ানক তাই দুর্বল হৃদয়ের কাউকে না দেখার জন্য অনুরোধ করছি। ভবিষ্যতে কোন লেখক আহত হলে ব্লগটি নিয়মিত আপডেট করা হবে।

কুষ্টিয়ার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাইফুজ্জামান ও কুষ্টিয়ার হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার সানোয়ার রহমানের উপর হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার সানোয়ার রহমান ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন এবং ড. সাইফুজ্জামানকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনার ব্যাবস্থা চলছে।-২০ মে ২০১৬

ঢাকায় সমকামী বিষয়ক পত্রিকা রূপবানের সম্পাদকসহ ২ খুন। রূপবান পত্রিকার সম্পাদক জুলহাস মান্নান ইউএসএইডে কর্মরত ছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তাও ছিলেন তিনি। মাহবুব তম্ময় নাট্য ও সমকামীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের কর্মী ছিলেন। খুনিরা আল্লাহ আকবর স্লোগান দিয়ে চলে যায়।-২৫ এপ্রিল ২০১৬: ২৫ এপ্রিল, ২০১৬। হত্যা করে আনসার-আল-ইসলাম।

ঢাকায় সমকামী বিষয়ক পত্রিকা রূপবানের সম্পাদকসহ ২ খুন। রূপবান পত্রিকার সম্পাদক জুলহাস মান্নান ইউএসএইডে কর্মরত ছিলেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাবেক প্রটোকল কর্মকর্তাও ছিলেন তিনি। মাহবুব তম্ময় নাট্য ও সমকামীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের কর্মী ছিলেন। খুনিরা আল্লাহ আকবর স্লোগান দিয়ে চলে যায়।-২৫ এপ্রিল ২০১৬: ২৫ এপ্রিল, ২০১৬। হত্যা করে আনসার-আল-ইসলাম।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী'কে নিজ বাসার পাশে সকাল বেলায় জবাই করে হত্যা করে ইসলামিক জঙ্গিরা।  তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।-আইএসএস এই হত্যায় দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। প্রগতিশীল শিক্ষক হওয়ায় তিনি খুন হোন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী’কে নিজ বাসার পাশে সকাল বেলায় জবাই করে হত্যা করে ইসলামিক জঙ্গিরা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।-আইএসএস এই হত্যায় দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়। প্রগতিশীল শিক্ষক হওয়ায় তিনি খুন হোন। স্থান রাজশাহী।-২৩ এপ্রিল ২০১৬

নাজিমুদ্দীন সামাদ খুন হোন- ৬ এপ্রিল ২০১৬। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের বৈকালিক শাখায় মাস্টার্সের (এলএলএম) ছাত্র ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সমকালকে জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাজিম উদ্দিন ইকরামপুর মোড় দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ওই সময় কয়েক যুবক তার গতিরোধ করে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি রাস্তায় পড়ে গেলে তাকে গুলি করে চলে যায় দুর্বৃত্তরা। ওই সময় তারা ‘আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দেয়। আনসার-আল-ইসলামের দায় স্বীকার

অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশ করায় ৩১ অক্টোবর ২০১৫ সালে জাগৃতি প্রকাশনীর দীপন-কে কুপিয়ে হত্যা করে আনসার-আলইসলাম জঙ্গিরা। স্থান-শাহবাগ, ঢাকা

৩১ অক্টোবর ২০১৫ সালে ঢাকায় শুদ্ধস্বর কার্যালয়ে প্রকাশ টুটুলের সাথে আহত হোন কবি তারেক রহিম।

৩১ অক্টোবর ২০১৫ সালে শুদ্ধস্বর কার্যালয়ে আহত প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল। স্থান-ঢাকা

৩১ অক্টোবর ২০১৫ সালে ঢাকায় শুদ্ধস্বর কার্যালয়ে প্রকাশ টুটুলের সাথে আহত হোন লেখক ও ব্লগার রণদীপম বসু।

৭ অগাস্ট ২০১৫ সালে ঢাকার নিজ বাাসায় খুন হোন নিলান্দ্রী চট্টোপাধ্যায় ওরফে নীলয় নীল। আনসার-আল-ইসলামের দায় স্বীকার। স্থান-ঢাকা

১২ই মে ২০১৫ সালে অফিস যাওয়ার পথে সকাল ৯ টায় খুন হোন অনন্ত বিজয় দাস। স্থান- সিলেট

৩০ মার্চ ২০১৫ সালে অফিস যাওয়ার পথে সকাল ৯ টায় খুন হোন ওয়াশিকুর বাবু। স্থান-ঢাকা

ঢাকা মেডিক্যালে নিজের শরীর দান করে যান লেখক অভিজিৎ রায়

২৬শে ফেব্রুয়ারি ২০১৫ সালে বই মেলা থেকে ফেরার পথে রাত ৯ টার পর খুন হোন অভিজিৎ রায়, সাথে গুরুতর আহত হোন স্ত্রী লেখিকা বন্যা আহমদ। স্থান- ঢাকা

২০১৫ সালের বই মেলায় হেফাজতের দাবী’র মুখে ‘নবী মুহম্মদের ২৩ বছর (অনুবাদ)’ বইটির নিষিদ্ধ করে বাংলা একাডেমি। বইটি প্রকাশের দায়ে “রোদেলা’ প্রকাশনী বন্ধ ও আগামী বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। বই প্রকাশের দায়ে রোদেলা প্রকাশনীর মালিক জঙ্গিদের থেকে মেরে ফেলার হুমকি পেয়েছেন।

হিজাবের জের ধরে ১১ জানুয়ারি ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের নার্সিং ইনিস্টিটিউটের লেকচারার অঞ্জলি দেবী চৌধুরী’কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

১৬ নভেম্বর ২০১৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. এ কে এম শফিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অপরাধ- ক্লাশে হিজাবের বিরুদ্ধে কথা বলতেন। স্থান-রাজশাহী

৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে সাভারের আশুলিয়ায় ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটির ছাত্র আশরাফুল আলমকে কুপিয়ে হত্যা করেছে জঙ্গিরা। অপরাধ-ইসলামের দুশমন। স্থান-সাভার

২৪ জুন ২০১৪ সালে রাকিব মামুন নামে এক ফেসবুকার’কে নাস্তিক হওয়ার অভিযোগে জঙ্গিরা তার উপর হামলা চালায়। স্থান-ঢাকা

৩০শে মার্চ ২০১৪ সালে চট্টগ্রামে রায়হান রাহী আর উল্লাস দাসের ওপর শিবিরের লোকজন আক্রমণ করে (ফারাবির প্ররোচনাতে) স্থান-চট্টগ্রাম

২৮ ডিসেম্বর, ২০১৩ ‘ভাঙ্গামট’ বই আমদানি নিষিদ্ধ করে সরকার


ধর্মানুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ভারতের কলকাতার বিজয় প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আব্দুস সালাম (সালাম আজাদ) রচিত ‘ভাঙ্গামঠ’ বইটি বাংলাদেশে আমদানি নিষিদ্ধ করেছে সরকার। আমদানি ও রফতানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দফতরের সিদ্ধান্তের পর গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ বইটি আমদানি না করতে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে।

বগুড়ায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী জিয়াউদ্দিন জাকারিয়া বাবু’কে খুন করে জামাত শিবিরের কর্মীরা।-১১ ডিসেম্বর ২০১৩

১১ অগাস্ট ২০১৩ সালে বুয়েটের ছাত্র ব্লগার তন্ময় আহমেদ মুন জঙ্গি হামলার শিকার হোন। স্থান-গাইবান্ধা

৯ এপ্রিল ২০১৩ সালে বুয়েটের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আরিফ রায়হান দ্বীপ কুপিয়ে হত্যা করা বুয়েট ক্যাম্পাসে। স্থান-ঢাকা

১ এপ্রিল ২০১৩ সালে সুব্রত শুভ, রাসেল পারভেজ, মশিউর রহমান বিপ্লবকে অনুভূতিতে আঘাতের দায়ে গ্রেফতার করা হয়। এর পর ৩ এপ্রিল গ্রেফতার করা হয় আসিফ মহিউদ্দিনকে।

৭ মার্চ ২০১৩ সালে মিরপুর পল্লবীতে প্রকৌশলী সানিউর রহমান জঙ্গি হামলার শিকার হোন। স্থান-ঢাকা

২ মার্চ ২০১৩ সালে সিলেটে গণজাগরণ কর্মী ও ব্লগার জগৎজ্যোতি তালুকদার খুন হোন। স্থান-সিলেট

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ সালে রাত ৯:৩০ মিনিটে মিরপুর বাসার সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রাজিব হয়দার কে। স্থান-ঢাকা

১৫ জানুয়ারি ২০১৩ সালে উত্তরায় অফিসে যাওয়ার সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে হামলার শিকার হোন আসিফ মহিউদ্দিন। স্থান-ঢাকা

২০০৭ সালে ‘প্রথম আলো’র আলপিন ম্যাগাজিনে কার্টুন একে অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার। এবং কারাগারে জঙ্গিদের আক্রমণের শিকার হোন আরিফুর রহমান। বর্তমানে তিনি নরওয়ে’তে অবস্থান করছেন

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে বই মেলা থেকে ফেরার পথে রাত আনুমানিক ৮:৩০ মিনিটে আহত হোন হুমায়ুন আজাদ। স্থান-ঢাকা

২০০২ সালে ধর্মানুভূতিতে আঘাতের দায়ে তারেক মাসুদের মাটির ময়না সিনেমাটি নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।


“নারী তুমি মানুষ ছিলে কবে?” বইটি লেখার অপরাধে লেখক মনির হোসেইন সাগরকে খুন করে জেএমবি। ২০০৬ সালে গোয়ান্দা জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে তারা শুধু হুমায়ুন আজাদকে নয় ২০০০ সালে সাগরকেও খুন করে।

৯৯ সালের ১৮ জানুয়ারি কবি শামসুর রাহমান এর নিজ বাড়িতে তাঁর ওপর আক্রমণ হন। স্থান-ঢাকা

অধ্যাপক ও বুদ্ধিজীবী আহমদ শরীফ এর ফাঁসি চেয়ে আন্দোলন।

তসলিমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মৌলবাদীদের আন্দোলন

কবিতা লিখে অনুভূতিতে আঘাতের অপরাধে কবি দাউদ হায়দারকে দেশ থেকে চলে যেতে হয় ১৯৭৪ সালে

শুধু যে অবিশ্বাসী কিংবা নাস্তিকরা নিহত হচ্ছেন তা না। শিকার হচ্ছে নিজ ধর্মের ভিন্নমতের মানুষগুলোও। যেমন-গোপীবাগের সিক্স মার্ডার, মাওলানা ফারুকী, পীর খিজির খান থেকে শুরু করে অনেকেই।

৮ মে, ২০১৭: আহমদিয়া ইমাম মোস্তাফিজুর কে ইসলামপুর দারুস সুন্নাত জাফরিয়া মাদ্রাসার তিন ছাত্র দা গিয়ে কুপিয়ে আহত করে। আসামীদের ভাষায়-ইমাম মোস্তাফিজুরকে হত্যা করা ঈমানি দায়িত্ব।

৩০ এপ্রিল, ২০১৬: মুহাম্মদের নামে কটুক্তি করায় দর্জিকে কুপিয়ে-গলা কেটে হত্যা। নিখিল চন্দ্র জোয়ার্দার তিন বছর আগে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদকে (সা) নিয়ে কটূক্তি করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠৈ। ওই ঘটনায় এলাকার লোকজন বিক্ষুদ্ধ হয়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন।

২২ মার্চ, ২০১৬: কুড়িগ্রামে ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা। তিবি বছর দশের আগে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। পরিবার থেকে অভিযোগ ধর্ম পরিবতর্ন করায় তাঁকে হত্যা করে ইসলামিক জঙ্গিরা।

২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬: পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জে যজ্ঞেশ্বর রায় নামে ওই হিন্দু পুরোহিতকে গলা কেটে হত্যা করে ইসলামিক জঙ্গিরা।

২৫ ডিসেম্বর ২০১৫: রাজশাহীর বাগমারায় আহমদিয়া সম্প্রদায়ের একটি মসজিদে জুমার নামাজের সময় আত্মঘাতী বোমা হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং ১০ জন আহত হয়েছে।

১৯ ডিসেম্বর ২০১৫: চট্টগ্রামে নৌ বাহিনীর মসজিদে বোমা হামলা।বন্দর শহর চট্টগ্রামে বরাবরই মৌলবাদীদের বাড়তি দাপট রয়েছে। বুধবার শহরের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বিজয় দিবস পালনের সময়ে বোমা ফাটিয়ে, হামলা চালিয়ে অনুষ্ঠান ভেস্তে দেয় জামাতে ইসলামির ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবির। তার ৪৮ ঘণ্টা পরে পতেঙ্গা তটভূমির কাছে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটিতে শুক্রবার এই হামলা চালানো হল। এ দিন দুপুরে নামাজের সময়ে পর পর কয়েকটি বিস্ফোরণ হয় মসজিদটিতে। একই সময়ে পাশের হাসপাতালেও একটি বোমা ফাটে। তবে নৌবাহিনীর কর্তারা বিষয়টি নিয়ে বিশেষ মুখ খুলেননি।

৫ ডিসেম্বর ২০১৫: দিনাজপুরে রাসমেলার যাত্রা প্যান্ডেলে বোমা বিস্ফোরণ। আহত ১০ জন।

২৬ নভেম্বর ২০১৫: বগুড়ায় শিয়া মসজিদে ঢুকে গুলি, মুয়াজ্জিন নিহত।

৫ অক্টোবর ২০১৫: জেএমবি’র ঘাতকরা ঈশ্বরদীতে খৃীষ্টান ধর্মীয় যাজক লুক সরকার (৫০) কে গলা কেটে হত্যা প্রচেষ্টা চালায়। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জেএমবি’র ৫ সদস্যকে আটক করেছে।

২৪ অক্টোবর ২০১৫: পুরান ঢাকায় শিয়াদের সমাবেশে বোমা হামলায় নিহত ১, আহত অর্ধশতাধিক।

৫ সপ্টেম্বর ২০১৫: সালে চট্টগ্রামে মাজারে ঢুকে দুজনকে গলা কেটে হত্যাচট্টগ্রাম অফিস চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার শেরশাহ বাংলাবাজার এলাকার কথিত একটি মাজারে ঢুকে দুজনকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

৬ অক্টোবর ২০১৫: সালে রাজধানীতে খিজির খান নামে এক পীরকে জবাই করে হত্যা করেছে জঙ্গিরা।

২৭শে অগাস্ট ২০১৪: সালে নিজ বাসায় খুন হোন চ্যানেল আই টিলিভিশনে ‘কাফেলার পথে পথে’ অনুষ্ঠানের উপন্থাপক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী। তার মতের অনুসারীরা এই খুনের জন্য জামাতকে দায়ী করেছে। স্থান-নিজ বাসা, ঢাকা

২১ ডিসেম্বর,২০১৩: (শনিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর গোপীবাগের আর কে মিশন রোডের ৬৪/৬ নাম্বার বাসার দোতলায় লুৎফর রহমান ফারুক (৬০), তার ছেলে মনির হোসেন (৩০), অনুসারী সাইদুর রহমান (৩০), মজিবর রহমান (৩২), রাসেল (৩০) ও বাসার তত্ত্বাবধায়ক মঞ্জুর আলম ওরফে মঞ্জুকে গলা কেটে হত্যা করে জঙ্গিরা।
আলোচিত সিক্স মার্ডার। স্থান-ঢাক

এরকম অসংখ্য রক্তে ভিজে যাচ্ছে বাংলার মাটি। ধর্মীয় লেবাসে ৭১-এর ইয়াহিয়ার মতন এখন ইসলামপন্থীরা রক্তের হলি খেলা শুরু করেছে। কয়েক হাজার বছর আগ থেকে ধর্মীয় মৌলবাদীদের হাতে যারা নিহত হয়েছেন তাদের নিয়ে আহমদ রনি চমৎকার একটি ভিডিও। ভিডিওটি দেখতে পারেন। লেখাটি ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছে। তার লিংক-Halloween In Bangladesh এছাড়াও বাংলাদেশে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ নিয়ে রির্পোট-Islamist Terrorism Fatalities in Bangladesh (2005 – 2015) ২০০৫ সাল থেকে ০১ নভেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত ইসলামিস্টদের হাতে বাংলাদেশে মোট ৫৩৫ জন খুন হয়েছে।

মুক্তমনায় লেখারটির ইংরেজী লিংক-A different kind of Halloween In Bangladesh: Brutal killings of free-thinkers

Luminary wayfarers of darkness

[9381 বার পঠিত]