ছয় দফা, স্বাধীনতা, পাহাড়ের কান্না ও চাকমা সম্প্রদায়

স্বাধীনতা যুদ্ধে চাকমাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ৪৫টি নৃ-গোষ্ঠী ছিল। এর মধ্যে জনসংখ্যার বিচারে বৃহৎ গোষ্ঠীটি হল চাকমা গোষ্ঠী। ১৯৭০ সালের ৯ ডিসেম্বর সামরিক প্রহরায় অনুষ্ঠিত হয়েছিলো সত্তরের সাধারণ নির্বাচন। পূর্ব বাংলার ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে ১৬৭টি আসন। অন্যদিকে পিডিবি থেকে প্রার্থী হয়ে নুরুল আমিন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় পায় চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়। অন্য রাজনৈতিক দলগুলো পূর্ব পাকিস্তান থেকে কোন আসল লাভ করতে পারে নি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ত্রিদিব রায়কে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচন করার প্রস্তাব করেন। কিন্তু তিনি তাতে রাজি না হয়ে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করেন।

১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের প্রধান শর্ত ছিল- মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে পাকিস্তান এবং অমুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল নিয়ে ভারত গঠন হবে। স্বভাবতই আদিবাসী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা ছিল ভারতের সাথে। দেশ বিভাগের তিন দিন পরেও পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতীয় পতাকা উড়ে। পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের সাথে যোগ করার জন্য চাকমা নেতারা দিল্লি গিয়ে কংগ্রেসকে বিশেষভাবে অনুরোধ করে আসেন। কিন্তু রাজনৈতিক সমীকরণে পার্বত্য চট্টগ্রাম শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হয়। ২১ আগস্ট পাকিস্তানের বেলুচ রেজিমেন্ট রাঙামাটিতে ভারতের পতাকা নামিয়ে পাকিস্তানের পতাকা উত্তোলন করে। একইভাবে বান্দরবানেও বার্মার পতাকা উড়েছিল যা পরবর্তীতে নামিয়ে ফেলা হয়। ভারত ও বার্মার পতাকা উত্তোলনের ঘটনা পাকিস্তানি শাসকদের ক্ষুব্ধ করে। পাকিস্তান জন্মের শুরু থেকে তাদের ধারণা জন্মায় যে পাহাড়িরা পাকিস্তান বিরোধী।

পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানের বৃহৎ শোষিতদের বড় অংশ ছিল বাঙালি। শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিবাদ করে ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। ‘রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই’ এটাই ছিল আমাদের স্লোগান। একাত্তরে বাঙালি, অবাঙালি সমানভাবে যুদ্ধ করলেও মূল লড়াইটা শুরু হয় বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন থেকে। বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন শুরু হয় ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। এবং ছয় দফাকে স্পষ্ট করে বলাই হয়; ছয় দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। অর্থাৎ বাঙালি জাতির আর্থ-সামাজিক সকল মুক্তি বা দাবী দাওয়া ছয় দফার মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়। ফলে স্বাভাবিকভাবে সংখ্যালঘু অবাঙালীদের স্বার্থ সেখানে গৌণ হিসেবে ছিল। এখানে ত্রিদিব রায়ের ছেলে দেবাশীষ রায়ের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। তিনি বলছেন- “My father was forced to collaborate with Pakistan. His view was-we are a small nation. We can’t take on Pakistan, but Bengalis can. And yet, we were not part of the Bangladesh plan. The Six-point Plan was all about Bengalis, and there was nothing about Chakmas in it. In March 71, who knew the future?

পাকিস্তান সেনা বাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে অপারেশন চালাবে না! এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে ত্রিদিব রায় পাকিস্তানকে সাপোর্ট দিতে শুরু করে। ত্রিদিব রায় পাকিস্তান সাপোর্ট করলেও পাকিস্তান তাদের ধ্বংস-যজ্ঞ ও হত্যা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামকে রেহাই দেয়নি। অদ্ভুত বিষয় হল ত্রিদিব রায় পাকিস্তান সাপোর্ট দিতে থাকে এবং বাকি জীবন পাকিস্তানে থেকে মৃত্যু বরণ করে। চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় পাকিস্তানিদের পক্ষ নিলেও চাকমা রাজপরিবারের অন্যতম সদস্য কে. কে রায়ের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছিলেন। এছাড়াও শেখ মুজিবের ৭ই মার্চ ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেওয়ার সংকল্পবদ্ধ হন রসময় চাকমা। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে গেলে তাকে বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও তিনি দমে যাননি। দেশে ফিরে এসে খাগড়াছড়ির এক পাঞ্জাবির বাড়িতে তিনি আগুন জ্বালিয়ে দেন। এছাড়াও অনেক চাকমা জিয়াউর রহমানের জেড ফোর্সকে নিরাপদে ফেনী নদী পার হতে সাহায্য করে। চাকমাদের থেকে অভিযোগ করা হয়; মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক তরুণ, যুবক ও সাধারণ মানুষ যোগ দিতে চাইলেও তৎকালীন সময়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা চাকমাদের অবিশ্বাস করে মুক্তিযুদ্ধে অংশ থেকে দূরে রাখে। সম্ভবত অবিশ্বাস চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের কারণেই জন্ম নেয়। আদিবাসীদের পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার একটাই কারণ ছিল; তারা ভেবেছে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে তারাও স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারবে। যদিও সে স্বপ্ন ভাঙতে বেশি দিন লাগে নি।

পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে কাপ্তাই বাঁধের ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা প্রধান অঞ্চল পানিতে ডুবে যায়। এর ফলে এক লাখ আদিবাসী নিজের ভিটা-মাটি ছেড়ে দেশান্তরিত হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, বাঁধ দেওয়ার পূর্বে পাকিস্তান সরকার কোন প্রকার সর্তকতা বা ঘোষণা জারি করে নি। ৭০-এর নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ত্রিদিব রায় শেখ মুজিবের সাথে দেখা করেন। শেখ মুজিব যেহেতু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তাই তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামকে স্পেশাল এলাকা হিসেবে ঘোষণা করার দাবী জানান। শেখ মুজিব কামাল হোসেনের সাথে এই বিষয়ে আলোচনা করার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে কামাল হোসেন আশ্বাস দিয়ে বলেন; শেখ মুজিব আপনার প্রস্তাব মেনে নেবেন। পরবর্তীতে ২৫শে মার্চের মধ্য দিয়ে দেশে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ফলে সব হিসাব পাল্টে যায়। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা স্বায়ত্তশাসনের দাবী জানিয়ে স্মারকলিপি দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান কাছে। তিনি স্মারকলিপি ছুড়ে ফেলে দেন এবং লারমাকে উপদেশ দিয়ে বলেন-তোমরা তোমাদের জাতিগত পরিচয় ভুলে যাও এবং বাঙালি হয়ে যাও। তিনি আরও বলেন লারমা তুমি পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। প্রয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামে এক..দুই…দশ লাখ বাঙালি ঢুকিয়ে দিয়ে তোমাদের জাতিগত পরিচয় মুছে দেওয়া হবে। শেখ মুজিব থেকে থেকে এমন কথা শুনে আদিবাসী নেতারা হতাশ হন। ১৯৭৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির এক জনসভায় পাহাড়িদের উদ্দেশ্যে শেখ মুজিব বলেন; আমরা এখন সবাই বাঙালি। এমন বক্তব্যে পাহাড়িরা ক্ষুদ্ধ হয় এবং ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট না দিয়ে তার জবাব দেয়। ১৯৯১ সালের আগ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে কোন আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয় লাভ করতে পারে নি। মানুষের জাতিগত একটি পরিচয় থাকে। যেমনটি আমাদের ছিল পাকিস্তান আমলে। কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধানের ৬নং ধারায় লেখা হয়; বাংলাদেশের নাগরিকবৃন্দ বাঙালি বলিয়া পরিচিত হইবে! সংবিধানের মাধ্যমে আদিবাসীদের উপর রাষ্ট্রকর্তৃক জোর পূর্বক বাঙালিত্ব চাপিয়ে দিয়ে তাদের পরিচয় মুছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।

পাহাড়ে বাঙালিদের স্থায়ী বসতির উদ্দেশ্যে পাঠানো শুরু হয় জিয়াউর রহমানের আমল থেকে। জিয়াউর রহমান এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সহায়তায় ১৯৭৬ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করে সেখানে যোগাযোগসহ বিভিন্ন সেক্টরে বিপুল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড- পরিচালনা করেন। এগুলো করার একটাই উদ্দেশ্য ছিল তা হল; পাহাড়ে বাঙালিদের স্থায়ী বসতি স্থাপন। জিয়াউর রহমানের আমলেই মূলত পাহাড়ে বাঙালি স্থায়ী বসতি শুরু হয়। এর মাধ্যমে শুরু হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে ভূমি দখলের উৎসব যা এখনো সমান তালে চলছে। রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের নামে এক দিকে পাহাড় কেড়ে নেওয়া হচ্ছে অন্য দিকে সশস্ত্র বাহিনীর সহায়তার শেল্টারদের মাধ্যমে পাহাড়িতে উচ্ছেদ করা হয়, যা এখনো চলছে। ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। এরশাদের আমলেও পাহাড় শোষণে ব্যতিক্রম হয়নি। এরপর খালেদা জিয়ার আমলে খাগড়াছড়ির লোগাং গুচ্ছ-গ্রামে ১০ এপ্রিল, ১৯৯২ অন্যায়ভাবে বসতি-স্থাপনকারী কিছু বাঙালী, কিছু আনসার ও ভি.ডি.পি. এবং রাষ্ট্রীয় সেনাবাহিনীর যৌথ অপারেশনে এক ব্যাপক গণহত্যা সংঘটিত হলো পাহাড়ি জনতার উপর। শত শত লাশ ট্রাকে করে আর্মীরা সরিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপেন চাকমা (১৭)-এর ৯ সদস্যের পরিবারে ৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসায় এলাকায় যাওয়া বাঙালী ডাঃ জামাল উদ্দিনের ভাষ্যমতে, তিনি ৩০০ শত লাশ গুণতে পেরেছিলেন, তারপর তাকে আর গুণতে দেয়া হয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে শান্তি চুক্তি করে। ফলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়। তবে এতো বছরেও সরকারের ইচ্ছার অভাবে শান্তি চুক্তির কোন কিছুই বাস্তবায়ন হয়নি বলে আদিবাসী নেতারা অভিযোগ করেন। একদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতারণা অন্যদিকে প্রশাসনের সহায়তায় বাঙালি কর্তৃক ভূমি দখল ও আগ্রাসনে পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসীদের বসবাস কঠিন হয়ে উঠছে।

দেশের একমাত্র আদিবাসী বীরবিক্রম ইউকেচিং। তাঁর আসর নাম ইউ কে চিং মারমা। বাংলাদেশ স্বাধীন করার জন্য সমগ্র আদিবাসী সম্প্রদায় রক্ত দিয়েছেন, আদিবাসী মা-বোন পাকিস্তানীর হাতে ধর্ষিত হয়েছেন কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে তা আমরা স্মরণ ও স্বীকৃতি দিতে কৃপণতা করি। একমাত্র আদিবাসী নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি। অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে; আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকের নাম তালিকায় আসে নি। সংখ্যাগুরু সবসময় চাপিয়ে দেওয়া পছন্দ করে। গত সপ্তাহে প্রাণ গ্রুপের মালিক আমজাদ চৌধুরী যারা যায়। তিনি অসংখ্য বাঙালি অফিসারের মতন পাকিস্তানীদের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে যুদ্ধ করে। আমাদের স্যোশাল মিডিয়াগুলোতে আমজাদ চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তিনি আহমাদিয়া, এই পরিচয়টি হাই লাইট আকারে প্রকাশ করে। এই একই বিষয়টি চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের বেলায় চাকমা পরিচয়টি হাই লাইট করা হয়েছিল। অথচ আমরা কী কখনো শুনেছি; রাজাকারের শিরোমণি গোলাম আযম একজন সুন্নি রাজাকার কিংবা যুদ্ধাপরাধী সাঈদী মুসলিম রাজাকার? শুনি নি কারণ এখানে আমরা সংখ্যাগুরু তাই এমনভাবে তারা পরিচিত হয় নি। ত্রিদিব রায় যখন মারা যায় তার লাশ যেন দেশ না আসতে পারে তার জন্য অনেক প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে অথচ সংখ্যাগুরুদের রাজাকারের মধ্যমণি গোলাম আজম মারা যাওয়ার পর তার জানাজা হয় জাতীয় মসজিদে! ত্রিদিব রায়ের লাশ পবিত্র মাটিতে দাফন হবে না, তার বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ আর গোলাম আজমের জানাজায় সংখ্যাগুরুর নীরবতা! এটা কী আমাদের জাতি প্রীতি নাকি ধর্মীয় আইডেন্টিটিতে রাজাকারের হেন্ডমাস্টারকে আমারা বাংলার মাটিতে ঠাঁই দিলাম? এমন প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবে সামনে এসে দাঁড়ায়।

সহায়ক গ্রন্থ-
মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসী- আইযুব হোসেন ও চারু হক
The colonel who would not repent- Salil Tripathi

{পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে তানভীর মোকাম্মেলের একটি ভিডিও ডক্যুমেন্টারি রয়েছে, নাম ‘কর্ণফুলীর কান্না’। এ পোস্টের সম্পূরক তথ্য হিসেবে ডকুমেন্টারিটির লিঙ্ক এখানে শেয়ার করা হলো। ভিডিওটি এখানে}

About the Author:

মুক্তমনা ব্লগার

মন্তব্যসমূহ

  1. আমিনুল জুলাই 30, 2015 at 9:38 অপরাহ্ন - Reply

    লেথক,
    আপনার লেখাটি পড়ে আমার কয়েকটি প্রসঙ্গ জানার আগ্রহ হয়েছে। ১. আপনারা নিজেদের আদিবাসী বলে দাবী করে আসছেন। আমাকে বলবেন কি হিসেবে আপনারা আদিবাসী ? আমি এবং আমার পিতৃ পুরুষ বাংলাদেশে জন্ম গ্রহণ করলে আমি কি হিসেবে পরিচয় ‍দিব ? ২. আপনাদের ভুমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে এই অভিযোগ আপনাদের। কতগুলো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন যে, আপনাদের ‍নিজের ভূমি থেকে জোড় করে উচ্ছেদ করা হয়েছে। ৩. পার্বত্য চট্টগ্রাম স্বাধীন বাংলাদেশের অংশ। তাহলে কি সেখোনে আপনারা ছাড়া অন্য কেউ বসবাস করতে পারবে না ?
    আপনারা বলতে পারেন বাংলোদেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আমরা সুবিধা বঞ্চিত। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের মত আমাদেরও সুবিধা প্রদান করা হোক। কিন্তু স্বতন্ত্র এলাকা হিসেবে দাবী করাটা কতোটা যৌক্তিক ? অামার জানা মতে এই অঞ্চলে আপনাদের সশস্ত্র বাহিনী আছে। এটা কি শান্তির বার্তা নিয়ে আসবে ?

    ধন্যবাদ………

    • সুব্রত শুভ আগস্ট 1, 2015 at 11:22 অপরাহ্ন - Reply

      কাউকে আদিবাসীদের পক্ষে দাঁড়াতে গেলে কাউকে আদিবাসী হতে হয় না।

      আদিবাসীদের উপর অন্যায় অত্যাচারের খবর যেহেতু পান নাহ সেহেতু বলা যায় বাংলাদেশের কোন পত্রিকা আপনি পড়েন নাহ। আর আদিবাসীরা সতন্ত্র যদি দাবী করে তার জন্য তো বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সংবিধান দায়ী। স্বাধীনতার পর তাদেরকে জোর করে বাঙালি করার চেষ্টা চলছে।………. সশস্ত্র বাহিনী কেন আপনার শহরে নেই তা কী ভেবে দেখেছেন? ভারতের সীমান্তে হাজার হাজার আদিবাসী কেন নিজের ভিটামাটি ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছে তা কী ভেবে দেখেছেন/.

  2. মোঃ হাসান ইকবাল জুলাই 27, 2015 at 3:54 অপরাহ্ন - Reply

    গোলাম আজমের জানাজার সাথেদ ত্রিদিবের জানাজা এক করা যায়না! ত্রিদিব তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত উদ্ধত আচরণ করে গেছে! শেখ মুজিবুর রহমান যখন ত্রিদিবের মাকে পাকিস্তান পাঠান যেন সে দেশে ফিরে আসে, তার বিচার করা হবেনা! ত্রিদিব উদ্ধত হয়ে তা ফিরিয়ে দেয়! জাতীসংঘে বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণার সম্মুখ ভিলেন ছিলো এই ত্রিদিব! শুধু “আশ্চর্য” হয়ে এইসব বাস্তবতাকে অস্বীকার করা যাবেনা। উপরন্তু রাজার ভুলে তার সংগে সহমরণের যে বাজে মানসিকতা চাকমাদের মাঝে লক্ষণিয় তা-ই বারেবার প্রমাণ হবে!

    আবারও বলা যায়- মুক্তিযুদ্ধে অপরাধীদের অপরাধকে শর্তহীন স্বীকৃতি দিতে হবে।

    গোলাম আযম বড় রাজাকার ছিলো, আমরা সবাই জানি। সেই সাথে সে ক্ষমা পাওয়ার জন্য এই বাংলা রাজের পেছন পেছন ঘুরেছে অনবরত! নিজেকে বিপদে ফেলেও রিস্ক নিয়ে দাবা খেলে গেছে! জাতীয় মসজিদে কেন জানাজা হল আর কেন সে রাজনীতিতে ফ্যাক্ট হল তা হয়তো আমাদের সবার জন্য লজ্জার বলে কেউ তা মুখে শব্দ করে কইফিয়ত দেবেনা! তবে কাটা ঘায়ে রাজাকারী ইস্যুতে নুনের ছিটা দেয়ায় তা গ্রহণযোগ্যও হবেনা।

    প্লিজ! ত্রিদিব ইস্যুতে ত্রিদিবের সাপোর্ট করবেন না! মুক্তিযুদ্ধে বাধ্য হওয়া আর আজীবন পাকিস্তানের মন্ত্রীত্ব ভোগ করে মাটি ভিক্ষা করা এক মানসিকতায় খাটে না!

    মুক্তিযুদ্ধ ইস্যুতে আমরা বড় বড় রাজাকারের বিচার করে যাচ্ছি! গোলাম আযম, নিয়াজী আমাদের কাছে এক! ত্রিদিব বিষেশ কেউ নয়! একাত্ম মানবতায় আপনিও সকলের কাধে কাধ রাখবেন এটাই স্বাভাবিক! শর্তহীন মানবাধিকার!

    ত্রিদিব ইস্যুতে মতভেদ করলাম। আপনার অন্যান্য সকল লেখার জন্য ধন্যবাদ!

  3. Utpal Khisa জুলাই 27, 2015 at 2:45 অপরাহ্ন - Reply

    শান্তি চুক্তি নয়… সেটা বলা দরকার পার্বত্য চুক্তি। পার্বত্য চুক্তিকে পার্বত্য চুক্তি বলার মানসিকতা ধারণ করা উচিত। সেটা আমাদের রপ্ত করতে হবে। নতুবা এমন দুর্বল, একপেশে অশান্তির বীজ বপনের মতন একটা কালো চুক্তিকে শান্তি চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করাই হবে প্রগতিশীলদের নিজেদের উপরই এক মস্ত বড় আঘাত…

  4. বিপ্লব রহমান জুলাই 19, 2015 at 7:11 পূর্বাহ্ন - Reply

    এক নজরে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ভালই লিখেছেন।

    তবে আপনার লেখায় আমার কয়েকটি নোক্তা আছে।

    ০১. “ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠি” কথাটি সর্বত ভুল, অর্থহীন, অপমান জনক, ০২. মুক্তিযুদ্ধে চাকমারা ছাড়াও মারমাসহ অন্য পাহাড়ি জাতীগোষ্ঠিও অংশ নিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন, গণহত্যা- গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ০৩. চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের বিপরীতে মং রাজা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেছেন, ০৪. চাকমারা কোনও সম্প্রদায় নয়, ভাষাগত সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠি। ০৪. ১৯৭৩ এর আগে ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান লেখার সময় থেকেই শেখ মুজিব একাধিকবার “তোরা সবাই বাঙালি হইয়া যা” বলেই ক্ষান্ত হননি, এমএন লারমাসহ পাহাড়ি নেতাদের মুখের ওপর ফাইলও ছ্ঁড়ে মেরেছিলেন। ০৫. পুরো লেখাতেই অনলাইন রেফারেন্স প্রায় নেই।

    এতোকিছুর পরেও এ ধরনের লেখা ইতিহাসটিকে এগিয়ে নিতে দরকারি বলে মনে করি। “পাহাড়ের মুক্তিযুদ্ধ: অন্য আলোয় দেখা” নামে আমার একটি নোট মুক্তমনা সহ একাধিক সাইটে আছে, গুগল করলেই সেটি পাওয়া যাবে, সেটিও হয়তো আপনার কাজে লাগতে পারে।

    আপনাকে ধন্যবাদ।

    • আকাশ মালিক জুলাই 26, 2015 at 5:46 পূর্বাহ্ন - Reply

      @ লেখক,

      ‘লারমা তুমি পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে বাড়াবাড়ি করো না। প্রয়োজনে পার্বত্য চট্টগ্রামে এক..দুই…দশ লাখ বাঙালি ঢুকিয়ে দিয়ে তোমাদের জাতিগত পরিচয় মুছে দেওয়া হবে’।

      উপরোল্লেখিত এই বাক্যটির আর কোন তথ্য-রেফারেন্স আছে?

      • সুব্রত শুভ জুলাই 26, 2015 at 8:47 অপরাহ্ন - Reply

        @ আকাশ মালিক

        তথ্যটা আছে এমএন লারমার স্মারক গ্রন্থে। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

    • সুব্রত শুভ জুলাই 26, 2015 at 8:52 অপরাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব রহমান

      আপনার মূল্যবাদ মতামতের জন্য ধন্যবাদ। ক্ষুদ্র কথাটি জনসংখ্যার দিক থেকে বলা। কিছু শব্দ ব্যবহার করতে না চাইলেও সংখ্যাগুরুর মস্তানি দেখানোর জন্য অনেক সময় ব্যবহার করতে হয়। অন্য আদিবাসী গোষ্ঠীর অবদান “মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের ভূমিকা” লিংকে আছে। তবে এখানে চাকমাদের বিষয়টা হাই লাইট করছি বিধায় অন্যদেরটা বলার প্রয়োজন বোধ করি নি। তবে আমি উল্লেখ না করলেও তাদের অবস্থান মুছে যায় না। অনলাইন রেফারেন্স ব্যবহার করি নি তাই নেই।

      • বিপ্লব রহমান জুলাই 27, 2015 at 12:54 অপরাহ্ন - Reply

        @ সুব্রত শুভ

        “ক্ষুদ্র কথাটি জনসংখ্যার দিক থেকে বলা। ”

        সেক্ষেত্রে “ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠি” — এমন অভিধা ব্যবহার করতে পারেন। আমার আপত্তি “ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠি” নামক সরকারি অভিধা নিয়ে। আগেও বলেছি, গ্যারিসনজাত এই অভিধাটি শুধু সব দিক থেকে ভুলই নয়, এটি চরম অর্থহীন ও অপমান জনক কথা। আর চাকমা’রা কোনো সম্প্রদায় তো নয়ই।

        “এখানে চাকমাদের বিষয়টা হাই লাইট করছি বিধায় অন্যদেরটা বলার প্রয়োজন বোধ করি নি।”

        ক্ষুদ্রজাতি গোষ্ঠির ভেতরেও আবার বৃহৎ বা বিশেষ জাতিগোষ্ঠি! এটি খুব কি প্রয়োজনীয়?

        তন্ময় কর্মকার যেমন বলেন, “সংখ্যালঘুর পক্ষে দাড়াবার সময় আমরা যেন অবচেতনেও নতুন করে ‘সংখ্যাগুরুর’ হেজিমনির স্বীকার না হই!”

        এই নিয়ে মুক্তমনায় বেশ কয়েকবার গীতি দাস দিদির সঙ্গেও বিতর্ক হয়েছে। উনি পাহাড়ে ঘুরে দেখে মন্তব্য করেছেন, অন্য জাতিগোষ্ঠির ওপর চাকমাদের প্রভাব নিয়ে। যদি সেটি থেকেও থাকে, সেটি কি বাঙালি জাতিগোষ্ঠির মতো আগ্রাসী, বিদ্বংসী, প্রাণঘাতি? বিনয় করে সর্বত্র এর প্রতিবাদ জানাই।

        আসলে পাহাড় দেখার এই আপ্ত দর্শনটিও সেনা-সেটেলার দৃষ্টিভঙ্গী। বিভাজনের আর বিভেদের রাজনীতিও যুদ্ধনীতির কৌশল। তাই “চাকমারা তো এলিট”, “চাকমরা সব দিক দিয়ে সুবিধাবাদী”, “চাকমরা অন্যদের চেয়ে অগ্রগামী” — এমন ঢালাও প্রচার করে চাকমাদের নিপীড়নটিকেও আড়াল করার চেষ্টার পাশাপাশি তাদের শোষকের কাতারে নিয়ে যাওয়ার সুক্ষ চেষ্টা করা হয়।

        আর এরই অংশ হিসেবে খুব জোরে শোরে প্রচার করা হয় চাকমা রাজা ত্রিদিব রাজার রাজাকারিত্ব। আড়াল করা হর অন্য রাজা, রাজনৈতিক নেতাদের পাশাপাশি সাধারণ পাহাড়িদের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জাল ভূমিকা।

        “। ত্রিবিদ রায় যখন মারা যায় তার লাশ যেন দেশ না আসতে পারে তার জন্য অনেক প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে অথচ সংখ্যাগুরুদের রাজাকারের মধ্যমনি গোলাম আজম মারা যাওয়ার পর তার জানাজা হয় জাতীয় মসজিদে!”

        আওয়ামী লীগকে মুক্তিযুদ্ধের একক জিম্মাদার হিসেবে প্রমান করতে গিয়ে দলকানা পিয়াল এই পক্ষপাতিত্ব মুক্তিযুদ্ধের অনলাইন প্রচারণা বহুবছর ধরে করছে। আর এখন বিডিনিউজ তাকের পোষাকি আশ্রয় দিয়ে বৃষবিক্ষটিকে মহিরুহে পরিনত হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

        সাবেক চাকমা রাজার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার কথা উঠলে তাই পাহাড়ে আওয়ালী লীগ, বিএনপি, জামাত, সেনা-সেটেলার একাট্ট্রা হয়, বাঙালি-বাঙালি ভাই ভাই জাতীয়তাবোধ জাগ্রত হয়। আর পিয়াল দেশপ্রেমের উস্কানিতে বিডিনিউজে একপেশে গবেষণাপত্র ফাঁদেন।

        আসলে পার্বত্য রাজনীতির সঙ্গে সেখানের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের উপস্থাপনাটিও সম্পৃক্ত। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানাই।

        আবারো আপনাকে ধন্যবাদ।

  5. তন্ময় কর্মকার জুলাই 18, 2015 at 12:35 অপরাহ্ন - Reply

    মুজিব উত্তর যুগে সেনাশাসকেদের আমলে যে বাঙ্গালীদেরকে পার্বত্য চট্টগ্রামে পূনর্বাসনের জন্য নেয়া হয়েছিল তারা সবাই ছিল উদবাস্তু; নদী ভাঙ্গা চর ভাঙ্গা অঞ্চলের বাসিন্দা। এক গরীবকে দিয়ে আর এক গরীবকে দমন করার ‘কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার রাজনীতি’ ছাড়া এ কিছুই নয়। ঐ সময়ের সরকারী এক পরিপত্র আমার কাছু ছিল, যেখানে সংস্লিষ্ট এলাকার ডিসিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছিল উদবাস্তু মানুষজনের তালিকা তৈরী করতে এবং তাদের হাতে কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে পুনর্বাসনের নামে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাদীদের ভূমি দখলের যুদ্ধে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল।

    পার্বত্য শান্তি চুক্তিও আদিবাসীদের সাথে প্রতারণা ও সংখ্যাগুরু বাঙ্গালীদের সরকারের আদিবাদীদের উপর হেজিমনিক রাজনীতির নির্দশন ছাড়া আর কিছু না। আজ ১৮ বছর পর এই নিয়ে আর ধোয়াশার কিছু নেই।

    লেখাটির শিরোনামে শুধু ‘চাকমা সম্প্রদায়’ কেন? পাহাড়ের আদিবাসীদের মধ্যে তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ, কিন্তু চাকমারা ছাড়াও আরো জাতিগোষ্ঠী আছে মুক্তিযুদ্ধে যাদের আছে ঐতিহাসিক অবদান। আপনার লেখাতেও তাদের কথা বলেছেন। তাহলে শিরোনামে বাকি জাতিগোষ্ঠির রিপ্রেজেন্টেশন থাকলে ভাল হত না। সংখ্যালঘুর পক্ষে দাড়াবার সময় আমরা যেন অবচেতনেও নতুন করে ‘সংখ্যাগুরুর’ হেজিমনির স্বীকার না হই!

    লেখাটা ভাল হয়েছে। পাহাড়ের আদিবাদীদের নিয়ে অধ্যাপক আমেনা মহসীন অনেক দিন ধরেই গবেষনা করে যাচ্ছেন- তাঁর লেখাগুলোও দেখতে পারেন। 🙂

    • সুব্রত শুভ জুলাই 26, 2015 at 8:54 অপরাহ্ন - Reply

      @তন্ময় কর্মকার

      আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ। চাকমাদের কথা এই জন্য বললাম পাকিস্তান ইস্যুতে তাদেরকে সবার আগে আক্রমন করা হয়। তাই তাদের চিত্রটা সামনে আনার ক্ষুদ্র চেষ্টা করলাম মাত্র।

  6. অতিথি লেখক জুলাই 13, 2015 at 9:15 অপরাহ্ন - Reply

    চাকমাদের তরফ থেকে ভুল বার্তা গিয়েছিল. চাকমা রাজাদের একটা অংশ মুক্তিযোদ্ধাদের ( কে কে রায়) আর একটা অংশ পাকিস্তানকে (ত্রিদিব রায় ) সাহায্য করেছিল. চাকমাদের এই দুমুখো আচরণ বাঙালিরা মেনে নেই নি. তারা চাকমাদের বিশ্বাস করতে পারেনি. ভারত ও পাকিস্তানও চাকমাদের এই দুমুখো চেহারার জন্য ভালো চোখে দেখে নি.

    তবে চাকমাদের বাঙালি করার আমি বিরোধী. তাদের চাকমা হিসেবেই সম্মানের সঙ্গে বাচার ব্যবস্থাটা করা উচিত. প্রত্যেক জাতির নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নিয়ে বাচার অধিকার আছে. মানবতার স্বার্থে এটা বাঙালিদের করা উচিত.

মন্তব্য করুন