(১)
প্রাচীন ভারতে বেদ পরবর্তী যতগুলো দর্শন এসেছে যেমন উপনিষদ, গীতা, বৌদ্ধ কিংবা জৈন সব ক্ষেত্রেই ক্রমে ক্রমে দেবতা গৌণ হয়েছে, মানুষ হয়েছে মুখ্য। বেদের যাগযজ্ঞে ব্রাহ্মনদের অধিকার ছিল একচেটিয়া। উপনিষদে এসে সেটা খানিকটা হলেও খর্ব হয়েছে। এমনকি দেবতাবিশ্বাসে সংশয় ও প্রশ্ন করার দুঃসাহসও দেখা যায়, যেমন গার্গী কিংবা মৈত্রেয়ী চরিত্রের কথা বলা যায়। গীতায় কৃষ্ণ ও অর্জুন কিন্তু মানব, দেবতা নয়। এমনকি প্রশ্ন করে করে উত্তর খুঁজতেও দেখি গীতায়। গীতায় দেখা যায় বেদের যাগযজ্ঞের স্থান দখল করে নিয়েছে জ্ঞান ও ভক্তিতে ( যদিও ভক্তি কথাটা একটু গোলমেলে)। বেদ পরবর্তী রামায়ণ ও মহাভারতে দেখা যায় একেশ্বর বাদ থেকে বহু ঈশ্বরবাদের উদ্ভব; যেটা ঈশ্বর বিশ্বাসের ক্ষেত্রে গনতান্ত্রিক ধারণার সূত্রপাত, যা আবার ঈশ্বর অবিশ্বাসেরও সূচনা বটে। এভাবেই বৌদ্ধ কিংবা জৈন দর্শনের বিভিন্ন শিল্প-সাহিত্যের ক্ষেত্রেও দেখা যায় দেবতারাই মহামানবদেরকে সমীহ করে চলেন।

প্রথম বেদ থেকে বৌদ্ধ কিংবা জৈন দর্শণের সময় ব্যবধান মেরেকেটে হিসেব করলেও প্রায় হাজার বারো শত বছর তো হবেই। এই হাজার বছরে দেবতা বিশ্বাসে অনেক পরিবর্তন এসেছিল। কিন্তু পরের দুই আড়াই হাজার বছরে তবে কি দেবতারা আবার মানুষের চেয়ে মুখ্য হয়ে দেখা দিয়েছে? অনেকেই একেশ্বরবাদকে বড় করে দেখিয়ে জ্ঞানী সাজার চেষ্টা করেন, অনেকে আবার বিভিন্ন ধর্মের বহু ঈশ্বরবাদের সমালোচনা করেন; সেটা একদিকে যেমন বিশ্বাসের চরমপন্থা, অন্যদিকে তেমনি আধুনিক ধ্যানধারণারও পরিপন্থী। অলৌকিক ঈশ্বর বিশ্বাসের চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে একেশ্বরবাদ থেকে বহু ঈশ্বরবাদ এবং বহু ঈশ্বরবাদ থেকে অ-ঈশ্বরবাদ বা ঈশ্বরহীন সংশয়বাদ এ পর্যায়ের মধ্যে দিয়েই হয়ত যেতে হবে।

আধুনিক সময়েও দেখা যায়, প্রচলিত যে সমস্ত ধর্মে বিশ্বাসের বহুবিধ ধারা প্রবাহমান, সে সমস্ত ধর্ম একেশ্বরে বিশ্বাসী ধর্মগুলো থেকে বেশী সহনশীল।
খৃষ্টপূর্ব অষ্টম শতকে এসে বেদকে চুড়ান্তভাবে প্রশ্ন বা সংশয়ের মুখোমুখী করে দিল কিছু লোকায়ত মতাদর্শ বা ধারা। এ সম্বন্ধে জানা যায় ক্ষিতিমোহন সেন রচিত “হিন্দু ধর্ম” গ্রন্থ থেকে। অধ্যাপক ক্ষিতিমোহন সেন জার্মান পণ্ডিত “ R Garbe ‘Lokayata’, Encyclopedia of Religion and Ethics” থেকে উদ্ধৃত করে বলেছেন, “ লোকায়তবাদ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্যকেই জ্ঞানলাভের একমাত্র উপায় বলে মনে করে এবং অনুমানকে বর্জন করে। বেদকে এরা বলেছে নির্লজ্জ নিস্কর্মার আবোলতাবোল বকুনি, যার তিনটে মারাত্মক দোষ- অসত্যতা, স্ববিরোধ আর অনর্থক পূনরাবৃত্তি”।

এ বেদবিরোধী ধারার অন্যতম একটি দর্শণ হলো চার্বাক, যা বৈদিক শিক্ষা ও অধিবিদ্যার মুখোমুখী দাঁড়ানো একটি মতবাদ, যার মূল কথাই হলো “ইন্দ্রিয়লব্ধ তথ্যই জ্ঞানের একমাত্র উৎস”। এ প্রসংগে বহুপ্রচলিত ও প্রচারিত একটি চার্বাক প্রবচনের কথা বলা যায়, “ যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ ঋণং কৃত্বা ঘৃতং পিবেৎ। ভস্মীভূতস্য দেহস্য পুনরাগমনং কুতাঃ। অর্থ্যাৎ যতো দিন বাঁচো সুখে বাঁচো। ঋণ করেও ঘি খাও। আগুনে ছাই-হওয়া দেহের পুনরাগমন কোথায়?” বেদ ও এর নীতিশাস্ত্রগুলোতে জীবন ও মরণের পরবর্তী যে বিশ্বাস ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল, চার্বাকের এ দর্শন ঠিক তার উল্টো।

খৃষ্টপূর্ব অষ্টম ও সপ্তম শতকে ভারতীয় সমাজের এ সংশয়বাদ বা নাস্তিকতাবাদের প্রভাব পরবর্তীতেও দেখা মেলে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ কিংবা ধর্মীয় মতবাদের ক্ষেত্রেও। এ প্রসংগে রামায়ণের কিছু চরিত্র কিংবা বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের উদ্ভবের কথা বলা যায়। সে সময়ের প্রেক্ষিতে অসীম প্রতাপশালী ব্রাহ্মন্যবাদকে ভ্রুকুটি দেখিয়ে এ ধরণের মতবাদ প্রচার দুঃসাহসী তো অবশ্যই, ভয়ঙ্করও বটে। কিন্তু কয়েকশ’ বছরের ব্রাহ্মন্যবাদের এ প্রভাবের ফলে সমাজের ভিতর থেকেই একধরণের সহজাত বিপরীত মতাদর্শের অবতারণা হয়েছিল। যার প্রতিফলনে দেখা যায়, রামায়্ণ ও মহাভারতেও কিছু ব্রাহ্মন চরিত্র,যারা স্বয়ং স্রষ্টার অস্তিত্বকেও অস্বীকার করেছেন। উদাহরণ হিসেবে রামায়ণে জাবালি নামের এক ব্রাহ্মন চরিত্রের দেখা মেলে; তিনি স্বয়ং রামচন্দ্রকে উপদেশ দিয়েছেনঃ

“ হে রামচন্দ্র। এই শাস্ত্রীয় বিধিগুলো তৈরী করে সেই সব পন্ডিত যারা অন্যকে দান করতে বাধ্য করার কাজে বেশ দক্ষ। তারা সরলমতি মানুষকে ঠকিয়ে বিকল্প একটি পথ তৈরী করতে বেশ পটু। তাদের উপদেশ হল- ত্যাগ করো, দান করো, নিজেকে উৎসর্গ করো, কৃচ্ছ্বসাধন করো, তপস্বী হও। হে রাম। বিবেচক হও। এ পৃথিবী ছাড়া আর কোন জগত নেই, এ কথা নিশ্চিত। যা বর্তমান তাকে সম্ভোগ করো, অপ্রিয় যা তাকে ছুঁড়ে ফেলে দাও পেছনে। সকলের গ্রহনযোগ্য নীতি অনুসরণ করে ভরত যে-রাজ্য তোমাকে নিবেদন করতে চাইছে তা গ্রহ্অন করো” (রামায়ণ, অযোধ্যা কান্ড)।

বেদবিরোধী এ দর্শন ও ধর্ম তখনকার ভারতীয় সমাজকে এক নতুন দিক-নির্দেশনা এনে দেয়। সহস্র বছরে ধর্মীয় ছকে বাঁধা চিন্তাধারাতেও এনে দেয় এক বৈপ্লবিক নতুনত্ব- যা সময়ের বিচারে শুধু প্রগতিশীলই নয়, বরং আধুনিকও বটে। উদাহরণ হিসেবে বলায় যায়, বৈদিক ভারতে জ্ঞান ও শিক্ষা ছিল তপোবন কিংবা ব্রাহ্মনদের আবাসস্থল রাজপ্রাসাদ কেন্দ্রিক। বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের প্রতিষ্ঠা্র পরেই দেখা গেল, একটি সুসংগঠিত শিক্ষালয় স্থাপনার নিদর্শণ, দেখা গেল ধর্মীয় বা শাস্ত্রীয় শিক্ষা ছাড়াও সমাজ ও জীবনজীবিকার প্রয়োজনের উপযোগী শিক্ষার। তাই পূর্ব বিহারের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় শিক্ষা ছাড়াও চিকিংসা, কৃষি, স্থাপত্য, ন্যায়শাস্ত্র, ব্যাকারণ, তর্কশাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়েও শিক্ষাদান করা হতো। আজকের বাস্তবতায় এগুলো নেহাত চোখ এড়ানো বিষয় হলেও, সে সময়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এর অবদান যুগান্তকারী । পরবর্তীতে শিক্ষা ও জ্ঞানের এ প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হিন্দুধর্মেও প্রবর্তন করেন শঙ্কারাচার্য।

জ্ঞান ও শিক্ষা ছাড়িয়ে বেদ পরবর্তী ভারতীয় সমাজে বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের যে বেদবিরোধী অবস্থান তার প্রধানতম হলো বেদপ্রবর্তিত জাতিভেদ প্রথাকে অস্বীকার করা। একটু গভীরভাবে অনুধাবন করলেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, হিন্দু সমাজে জাতিভেদ প্রথা খৃষ্টের জন্মের দু’হাজার বছর পরেও যেভাবে কলঙ্করেখার মতো দাগ কেটেছিল, খৃষ্টের জন্মের সাত-আট শত বছর আগে সেই লক্ষণ রেখাকে অস্বীকার করা তখনকার সমাজে কতটা প্রগতিশীল ও দুঃসাহসী কাজ? জৈন ধর্মের মহাবীর ও বৌদ্ধ ধর্মের গৌতম বুদ্ধ তখনকার সময়ে সেই অতিমানবীয় কাজটিই করেছিলেন। আশ্চর্য হয়ে দেখা যায়, পরবর্তীতে ভারতীয় সভ্যতা-কৃষ্টি্-এমনকি হিন্দুধর্মেও তাঁদের মতাদর্শ মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে- সমাজে এমন ছিল এর প্রভাব।
(২)
যে সময়ে প্রাচীন ভারতে বেদবিরোধী ধারা বেশ প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেছে সে সময়েই বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের বাইরেও আরো কিছু লোকায়িত ধারার সন্ধান মেলে। এদের মধ্যে অধিক প্রচলিত যে লোকায়িত ধারা অনেকদিন যাবত চলেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম ছিল “নাথ”, “যোগ” এবং “সিদ্ধাচার”।

এ লোকায়ত অবৈদিক ধারাগুলো বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের চেয়ে আরও কট্টর আরও বেদবিরোধী এ প্রসংগে অধ্যাপক ক্ষিতিমোহন সেন বলেছেন,
“বৌদ্ধ ও জৈনরা তাদের ব্যবহারিক নীতিশাস্ত্র অনুযায়ী মানুষকে বসিয়েছিল বৈদিক দেবদেবীর জায়গায়। নাথ, যোগ এবং সিদ্ধাচার্যরা আরও একধাপ এগিয়ে দাবী করে বসল যে ধর্মের যত রহস্য সব নিহিত আছে মানব শরীরের মধ্যেই”।

এ সকল মতবাদে বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক যুক্তি খোঁজা নিরর্থক। কেননা, কালের বিবেচনায় তখন বিজ্ঞান ও সৌ্রজগতের এ সকল রহস্যভেদ শুধু দুরূহই কেবল নয়, কল্পনাতীতও বটে। কিন্তু সমাজ পরিবর্তনে এ সকল লোকায়িত ধারার মূল্য অপরিসীম। চিন্তার নতুন দিক-উন্মোচন, ধর্মীয় মতবাদের বাইরে যেয়ে প্রথাবিরোধী মতাদর্শ প্রচার এবং সর্বোপরি নারীদেরকে রক্ষণশীল ধর্ম যেভাবে নিচে ফেলে রেখে দিয়েছিল সেখান থেকে এই লোকায়িত ধারাগুলো উদ্ধার করে। এ ধারার ধারাবাহিকতা চলে এসেছে দুইআড়াই হাজার বছর ধরে। তাই মরমিয়া, সহজিয়া, ভক্তি, বাউল, ফকির এ সব লৌকিক ধর্মেও বেদ-পুরানের সমান্তরাল এবং কখনো কখনো বিপরীত নীতিশাস্ত্রের দেখা মেলে।

এ প্রসংগে বিশিষ্ট লোকসাহিত্য গবেষক ও সংগীতসমালোচক অধ্যাপক সুধীর চক্রবর্তী বলেছেন,
“ বেদ কোরান পুরান ব্রাহ্মন মৌলবী মন্দির মসজিদ বৈধী সাধনা সবকিছু খারিজ করতে করতে আঠারো শতকের শেষদিকে আমাদের এই বাংলায় যত উপধর্ম জেগে উঠেছিল তার তালিকা বিচিত্র ও রোমাঞ্চকর। তালিকা এ রকমঃ বাউল, ন্যাড়া, দরবেশ, সাঁই, আউল, সাধ্বিনী পন্থী, সহজিয়া, খুশিবিশ্বাসী, রাধাশ্যামী, রামসাধনীয়া, জগবন্ধু-ভজনীয়া, দাদুপন্থী, রুইদাসী, সেনপন্থী, রামসনেহী,মীরাবাঈ, বিল্বলভক্ত, কর্তাভজা, স্পষ্টদায়িক বা রূপ কবিরাজী, রামবল্লভী, সাহেবধনী, বলরামী, হজরতী, গোবরাই, পাগলনাথী, তিলকদাসী, দর্পণারায়ণী, বড়ী, অতি বড়ী, রাধাবল্লভী, সখিভাবুকী, চরণদাসী, হরিশ্চন্দ্রী, সাধনপন্থী, চুহড়পন্থী, কুড়াপন্থী, বৈরাগী, নাগা,আখড়া, দুয়ারা, কামধেন্বী, মটুকধারী, সংযোগী, বার সম্প্রদায়, মহাপুরুষীয় ধর্মসম্প্রদায়ী, জগমোহনী, হরিবোলা, রাতভিখারী, বিন্দুধারী, অনন্তকুলী,সৎকুলী, যোগী, গুরুদাসী, বৈষ্ণব, খন্ডিত বৈষ্ণব, করণ বৈষ্ণব, গোপ বৈষ্ণব,, নিহংগ বৈষ্ণব, কালিন্দী বৈষ্ণব, চামার বৈষ্ণব, হরিব্যাসী, রামপ্রসাদী, বড়গল, নস্করী, চতুর্ভজী, ফারাবী, বাণশয়ী, পঞ্চধুনী, বৈষ্ণব তপস্বী, আগরী,মার্গী, পল্টুদাসী, আপাপন্থী, সৎনামী, দরিয়াদাসী, বুনিয়াদাসী, আহমদপন্থী, বীজমার্গী, অবধূতী, ভিংগল,মানভাবী, কিশোরীভজনী,কুলিগায়েল, টহলিয়া বা নেমো বৈষ্ণব, জোন্নী, শার্ভল্মী, নরেশপন্থী, দশমার্গী, পাংগুল, বেউড়দাসী, ফকিরদাসী, কুম্ভপাতিয়া, খোজা, গৌরবাদী, বামে কৌপীনে, কপীন্দ্র পরিবার, কৌপীনছাড়া,চূড়াধারী, কবীরপন্থী, খাকী ও মুকুলদাসী”।

এই শতাধিক উপধর্মের অনেকগুলোর নাম দেখেই বোঝা যায় প্রচলিত ধর্মশাস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবেই এদের প্রবর্তণ হয়েছিল। গ্রামীন এ লোকায়িত ধারাগুলো কিভাবে ক্রমে ক্রমে ধ্বংস হয়ে গেল? সে সম্বন্ধেও অধ্যাপক সুধীর চক্রবর্তী বলেছেন,

“ সম্ভবত উনিশ শতকের হিন্দু ও মুসলিম সংস্কার আন্দোলন, মিশনারীদের প্রচার, ব্রাহ্মধর্মের উত্থান এবং শ্রী রামকৃষ্ণ-বিজয়কৃষ্ণদের জীবন সাধনা এমন প্রবলভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে যে এই সব উপসম্প্রদায়ী পিছোতে পিছোতে গ্রামের প্রত্যন্তে লুকিয়ে পড়ে। একদিকে উচ্চ ধর্মাদর্শ আরেকদিকে কট্টর মুসলমানদের সক্রিয় দমননীতি বাউল ফকিরদের ধ্বংস করে দিল অনেকটা”।

আজকের ধর্মীয় মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্পের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সাথে সাথে এ সমস্ত উপধর্ম বিলুপ্তির কারণ খোঁজারও সময় হয়েছে। কারণ, প্রচলিত রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিবাদ হিসেবেই এ উপধর্মগুলোর জন্ম হয়েছিল, যাদের অধিকাংশই ছিল সহজ-সরল জীবনযাপন ও মানবতার বার্তাবাহী।

গ্রন্থসূত্রঃ ১। অধ্যাপক ক্ষিতিমোহন সেনঃ “হিন্দু ধর্ম”।
২। অধ্যাপক সুধীর চক্রবর্তীঃ “ গভীর নির্জন পথে”।

[662 বার পঠিত]