রাষ্ট্র ও সমাজ পরিবর্তনে তথ্য অধিকার আইন।

আইনের উতপত্তি: তথ্য অধিকার আইন প্রথম চালু হয় সুইডেনে ১৭৬৬ সালে। আমরা তখন বৃটিশদের কাছে পরাধীন।বৃটিশ ভারতে এই আইনের ঠিক উল্টো একটা আইন অফিসিয়াল সিক্রেচি এক্ট চালু হয়। তাই একটি দেশ স্বাধীন হলেও জনগণের অংশীদারিত্ব ও নজরদারি সরকারের উপর কতখানি আছে তার মাপকাঠি হল এই আইন চালু থাকা না থাকা। সরকারে জনগনের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে চালু হওয়া এই আইন বর্তমানে পৃথিবীর ৭২ টি দেশে প্রচলিত আছে। এর মাঝে দক্ষিন আফ্রিকা, নেপাল ও চিনে তথ্যের অধিকার সংবিধানে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তথ্য অধিকার আইনঃ যে ৭২ টি দেশে তথ্য অধিকার আইন চালু আছে সেগুলো হল-
Albania, Armenia, Australia, Azerbaijan, Bangladesh, Belgium, Belize, Bosnia and Herzegovina, Brazil, Bulgaria, Canada, Cayman, Chile, China, Colombia, Cook Islands, Croatia, Czech, Denmark, Dominican, Ecuador, Estonia, Europe Council_of_Europe, European_Union, Finland, France, Georgia, Germany, Greece, Hong_Kong, Hungary, Iceland, India, Ireland, Israel, Italy, Jamaica, Japan, Latvia, Malta, Liberia, Macedonia, Malaysia, Maldives, Mexico, Montenegro, Netherlands, New Zealand, Nigeria, Norway, Pakistan, Paraguay, Poland, Republic of Moldova, Romania, Rwanda, Serbia, Slovakia, Slovenia, South Africa, South Korea, Sweden, Switzerland, Thailand, Trinidad and Tobago, Turkey, Uganda, Ukraine, United Kingdom ,United States, Uruguay, Zimbabwe. (১)

এই তালিকার দিকে তাকালে দেখা যাবে যে, কয়েকটি দেশ শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসছে বা দুর্নীতির সুচকে তারা ভাল করছে। দুর্নীতির শীর্ষে থাকা দেশগুলোতে এই আইন ব্যাপকভাবে প্রচলিত নয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য অধিকার আইনঃজার্মানী্র শিক্ষাবিদরা মনে করেন যে, একটি ছেলে পরীক্ষায় যদি ভুল উত্তর দেয় তাহলে স্বভাবতই শিক্ষক সেই উত্তরে নম্বর দেন না। কিন্তু ভুল উত্তর দেয়া ছাত্রটির কোনদিনও সঠিক উত্তর আর জানা হয় না। এজন্য সে দেশে শিক্ষকরা ছাত্র চাইলে ছাত্রের সামনেই তার লেখা উত্তরপত্র মেলে ধরেন, ভুলগুলো ধরিয়ে দেন। ফলে একজন ছাত্র সারাজীবনের জন্য সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারেন। বহুদিন আগে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চক্ষু বিশেষজ্ঞ পত্রিকায় কলাম লিখে জানিয়েছিলেন, সেখানকার গ্র্যাজুয়েটরা ফেল করে না, তাদের ফেল করানো হয়। সেখানে ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু হয় অনিয়ম। বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালের প্রতিষ্টাতা ও শিল্পপতিদের জামাইদের ভর্তি পরীক্ষায় পাশ এবং এফসিপিএস ডিগ্রি নেয়ার জন্য শুরু হয় লবিং, সেই সাথে অগ্রহনযোগ্য লেনদেন। ঠিক এই কারনেই গ্রহনযোগ্যতায় শুন্যে নেমে যাওয়া তাদের বিভিন্ন পরীক্ষা নেয় বুয়েট। ভারতে শিক্ষাক্ষেত্রে নজিরবিহীন স্বচ্ছতার উদাহরনের একটি মামলা আছে- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বনাম প্রীতম রাজ । এ মামলার রায়ে প্রীতম রাজের উত্তরপত্র সঠিকভাবে মুল্যায়ন হয়েছে কিনা তা প্রীতম রাজকে দেখতে দিতে বলা হয়।

বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইনঃসেনাবাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার অনেক খারাপ কাজের মধ্যে কিছু ভালো কাজও করেছে- যা আমাদের বুঝতে কিছুটা সময় লাগবে। তাদের অন্যতম ভালো একটা কাজ হল- তথ্য কমিশন গঠন করা। পরবর্তী গনতান্ত্রিক সরকার সংসদে আইন পাশ করে এই কমিশনকে স্থায়ী রুপ দেয় ২০০৯ সালে।
insert_redline_1
প্রতিষ্ঠার প্রথমদিকে জনগনের মাঝে এই কমিশন বেশ সাড়া জাগিয়েছিল। কিন্তু আজ যে কোন কারনেই হোক অর্ধযুগ পার করা এই প্রতিষ্টান তার পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যথারীতি অন্য আর দশটা অনিয়মে ভরপুর প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। অবশ্য সেটাতথ্য অধিকার আইন বা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়,এর পেছনের মানুষের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা এর মুল কারন ।(২) (৩)

রাস্ট্র ও সমাজ পরিবর্তনে এই আইনঃ আমাদের রাস্ট্রপ্রধানরা বিদেশি কোম্পানীর সাথে তেলগ্যাস উত্তোলন চুক্তি করে, সেই চুক্তিতে কী লেখা থাকে আমরা জানি না। শুধু কয়েক বছর পর দেখতে পাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর বাসায় ওই বিদেশি কোম্পানীর উপহার দেয়া পাজেরো গাড়ি, আর গ্যাসক্ষেত্রে আগুন। জনরোষ থেকে রক্ষা পেতে সেই আগুনের ক্ষতি পুরন আদায়ে লোকদেখানো মামলা, আবার একই মামলায় সংশ্লিষ্ট দায়ী কোম্পানী যাতে রক্ষা পায় তার জন্য দুর্বল প্রমানাদি। কিন্তু চুক্তির প্রথমেই দেশের মালিক জনগনকে জানালে সমস্যা কী? প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে বহু কোটি টাকা জমা হয় এবং খরচও হয়। তার হিসাব কি জনগন জানতে পারে? পৃথিবীর কোন দেশে সেনাবাহিনী ব্যবসা-বানিজ্যে জড়িত নয়, কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ব্যবসা-বানিজ্যসহ বহু কাজে জড়িয়ে গেছে “জনগনের সেবা” করার নামে। বেসামরিক প্রশাসন বিশেষ করে সরকারী মেডিকেল কলেজগুলোর পরিচালক পদসহ বিভিন্ন জায়গায় নিয়মবহির্ভুতভাবে অবস্থান করছে। পুলিশ র্যােব বিভিন্ন সময়ে ক্রসফায়ারে বিনাবিচারে মানুষ হত্যা করছে। পুলিশ বিভিন্ন মহাসড়কে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে যে কারনে শাকসব্জির দাম ঢাকায় দ্বিগুন। কোন কোন আদালতে মানুষ ন্যায় বিচার পায় না। উচ্চ আদালতে কিছু কিছু মামলা অস্বাভাবিক দ্রুতগতিতে চলে, কিছু মামলার আদৌ কোনদিন রায় হবে কি না তা কেউ বলতে পারে না। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী আত্মস্বীকৃত যে দুর্নীতিবাজদের তালিকা প্রকাশ করেছে তার বেশির ভাগই হল সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তা। তারা এখনো বহাল তবিয়তে আছে শুধু পত্রিকায় খবর আসে ঈদের সময় রাস্তার অবস্থা খারাপ বলে যান চলাচল বন্ধ, মানুষ ঈদে বাড়ি যেতে পারবে না। সড়ক মেরামতের জন্য কত টাকা বরাদ্ধ করা হয়, কত সময়ের মধ্যে কি কোয়ালিটি বজায় রেখে কাজ শেষ করতে হবে তা জনগনের জানা উচিত।

বাংলাদেশের তথ্য কমিশনঃ বেশ কিছু দুর্নীতিবাজ সরকারী কর্মকর্তাকে সাজা দেয়ায় এবং দুর্নীতিসংক্রান্ত তথ্য উন্মুক্ত করতে পারায় প্রতিষ্টার প্রথম দিকে এই কমিশন বেশ সাড়া জাগিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দুর্নীতিবাজ অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের তথ্য কমিশনার নিয়োগ প্রদান করায় এই কমিশনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে, যা এখনো বহাল। এর কারন জনগনের সচেতনতার অভাব। একটি গনতান্ত্রিক দেশের সরকারের ব্যর্থতা মানে আপামর জনগনের ব্যর্থতা। তাই রাস্ট্র ও সমাজ পরিবর্তনে জনগনকেই এগিয়ে আসতে হবে। তবে তথ্য আধিকার আইন এই দেশে পাশ হওয়া যেমন একটা মাইলফলক তেমনি যেদিন অবসরপ্রাপ্ত দুর্নীতিবাজ সরকারী আমলদের বাইরে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বা জেলাজজ নিয়োগ পাবে সেদিনও হবে এদেশের জন্য একটা মাইলফলক।

উপসংহার: ইউরোপে একের পর এক দেশ যখন তথ্য অধিকার আইন পাশ করছে আমাদের দেশে বৃটিশরা তখন অফিসিয়াল সিক্রেচি এক্ট চালু করে। তাদের উদ্দ্যেশ্য ছিল ভারতীয় জনগণের সম্পদ লুট করে বিলাতে পাচার। এখনও সরকারী কর্মকর্তাদের মানসিকতা হল জনগণের সম্পদ লুট করে সুইস ব্যাংকে পাচার। বৃটেনে দুর্নীতিবিরোধী আইনের নীতি কথা হল- কেউ যদি ১০ পাউন্ড মুল্যমানের সরকারী সম্পদ আত্মসাত করে সরকার ২০ পাউন্ড খরচ করে হলেও উদ্ধার করবে। ভারতীয় উপমহাদেশের প্রশাসনের জন্য নীতি ছিল, সরকারী সম্পদ ভাগেবাটোয়ারা করে খাও। ভাগে না মিললে বড়জোর ট্রান্সফার। সেই নীতিই আমরা পেয়ে এসেছি এবং এখনো ধারন করছি। যে কারনে দুদকের জালে এখন কেউ আটকায় না। কিন্তু এ ব্যবস্থা আর কতদিন?
আরো বিস্তারিত জানবেন-
১। http://en.wikipedia.org/wiki/Freedom_of_information_laws_by_country
২।https://blog.mukto-mona.com/bipulasar/43983
৩।https://blog.mukto-mona.com/bipulasar/42399
৪।তথ্য অধিকার ও তথ্য কমিশন ঃ বাস্তবতা, সমস্যা ও সম্ভাবনা লেখকঃ ব্যরিস্টার আব্দুল হালিম।
৫। তথ্য অধিকার আইনে অভিযোগ দায়ের ও পুর্নাংগ আইন বিষয়ে বিস্তারিত
www.infocom.gov.bd

মুক্তমনা ব্লগার

মন্তব্যসমূহ

  1. তানবীরা জুন 12, 2015 at 3:35 পূর্বাহ্ন - Reply

    দারুন একটা লেখা। বাস্তবতা আমাদের

  2. Manzurul Islam Noshad জুন 11, 2015 at 8:07 অপরাহ্ন - Reply

    মানুষ অসেচতন হলে আইনের প্রয়োজন হয় কিন্তু মানুষের অধিকারগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োজনীয়তা কেমন জানি মনে হয়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তথ্য অধিকার জনগণের মৌলিক অধিকার হতে হবে এবং এটি অবশ্যই দিতে হবে। কিন্তু আমাকে আমার অধিকার দেওয়ার জন্য হাস্যকরভাবে আইন তৈরী করে লাভটা কী? এখানেইতো দূর্নীতির আভাষ পাওয়া যায়। একটি দেশের আইনের সংখ্যা ঐ দেশের মানুষের অসচেতনতার বহি:প্রকাশ।

    • বিপ্লব কর্মকার জুন 13, 2015 at 11:20 অপরাহ্ন - Reply

      কিন্তু আমাকে আমার অধিকার দেওয়ার জন্য হাস্যকরভাবে আইন তৈরী করে লাভটা কী? এখানেইতো দূর্নীতির আভাষ পাওয়া যায়। একটি দেশের আইনের সংখ্যা ঐ দেশের মানুষের অসচেতনতার বহি:প্রকাশ।

      আপনার বক্তব্যের সাথে একমত।
      উপরের লাইনের জবাবে একটি গল্প শোনেন।
      একবার এক লোকের বাগানের গাছে আম চুরি করছিল একটি ছেলে। বাগান মালিক পথ দিয়ে হেটে যাওয়ার সময় দেখে ফেলে। ছেলেটিকে জোর গলায় ধমক দিয়ে বলে, আমার আম গাছে আম চুরি করছিস, রাখ তোর বাবার কাছে নালিশ করব। তোর পিঠের চামড়া থাকবে না।
      এমন সময় পেছন থেকে এক লোক এসে বাগান মালিকের পিঠে হাত দিয়ে বলে, ভাই তার বাবাকে কি বলবেন। পাশের একটা আম গাছের দিকে আংগুল দেখিয়ে বলে, তার বাবাতো ঐ যে পাশের গাছের আম চুরি করছে।
      বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে আইনের রক্ষকই হল ভক্ষক। যাকে আইন রক্ষা করতে দেয়া হয়, সে নিজেই সে আইনকে বিশ্বাস করে না, আইনে যা বলা আছে ঠিক তার উল্টোটা করে ।
      এদেশের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম-দুর্নীতি ঐ প্রতিষ্ঠানের বিবদমান আইনেই বিচার করা সম্ভব। কিন্তু বড়কর্তা-ছোটকর্তা সবাই মিলেমিশে দুর্নীতি করে বলে প্রতিষ্টানের বিবদমান দুর্নীতিবিরোধী আইনগুলো অচল হয়ে যায় ।
      সময়ের প্রয়োজনে আইন করে গঠন করতে হয় দুদক, তথ্য কমিশন, মানবাধিকার কমিশনের মতো প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার পরই দেখা যায় সবগুলো প্রতিষ্ঠান রসুনের মত।

      • রোবট28 জুলাই 25, 2015 at 12:05 পূর্বাহ্ন - Reply

        গল্পটার সাথে পরিচিত হলেও মনে হলো আজ প্রথম শুনলাম। ভাল লিখেছেন।

  3. প্রদীপ দেব জুন 8, 2015 at 7:59 পূর্বাহ্ন - Reply

    বহুদিন আগে শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চক্ষু বিশেষজ্ঞ পত্রিকায় কলাম লিখে জানিয়েছিলেন, সেখানকার গ্র্যাজুয়েটরা ফেল করে না, তাদের ফেল করানো হয়। সেখানে ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু হয় অনিয়ম। বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালের প্রতিষ্টাতা ও শিল্পপতিদের জামাইদের ভর্তি পরীক্ষায় পাশ এবং এফসিপিএস ডিগ্রি নেয়ার জন্য শুরু হয় লবিং, সেই সাথে অগ্রহনযোগ্য লেনদেন।

    বর্তমানেও এই অপব্যবস্থার কোন উন্নতি হয়নি।
    কলম চলুক। আমাদের অধিকার সচেতনতা বাড়ুক।

    • বিপ্লব কর্মকার জুন 8, 2015 at 8:52 পূর্বাহ্ন - Reply

      ড্যাব, স্বাচিপ ইত্যাদি নামে চলে আরো অনিয়ম। রাস্ট্রপতি- প্রধানমন্ত্রী সবাই এসব জানে, এসব অনিয়মকে পশ্রয় দেয়। যে কারনে তারা নিজেদের চিকিতসা এমনকি চেক-আপের জন্য হলেও চলে যায় লন্ডন, সিংগাপুর।
      এদের বিদ্যার দৌড় কতটুকু তা তারা জানেন এজন্য জান বাচাতে নিজেরা দেশের বাইরে দৌড়ান আর জনগণকে এদের কাচির নিচে জিম্মা রাখেন।
      আপনার মনে আছে কিনা, ভারতের অটল বিহারি বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একবার হাঁটুর অপারেসন করাতে হয়। তিনি ভারতের চিকিতসকদের কাছে আস্থাবান ছিলেন এবং মুম্বাইতে সেই অপারেশন করান। তখন দিল্লির চিকিতসকরা ব্যাপারটায় অপমান বোধ করে। তাদের কথা হল প্রধানমন্ত্রীকে অপারেশনের জন্য দিল্লি ছেড়ে মুম্বাই যেতে হবে কেন, তাদের কি সেই সক্ষমতা নেই?
      বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী চিকিতসার জন্য দেশের বাইরে গেলে কতজন চিকিতসক অপমান বোধ করে? বা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী দেশে যোগ্য চিকিতসক থাকার পরও দেশের বাইরে কেন রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করতে যাবেন? এই চক্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
      ব্যক্তিগতভাবে আমি কোন চিকিতসকের চিকিতসা নিই না। অসুখ হলে ভুগি, প্রাকৃতিকভাবে সেরে উঠার অপেক্ষায় থাকি। বিভিন্নজনের পরামর্শে গরমপানি, ঠান্ডাপানি, তুলসীপাতা, নিমপাতা ইত্যাদি যে যেভাবে বলে সেভাবে খেয়ে উপসম হবার চেষ্টা করি।

  4. তানভীর জুন 7, 2015 at 8:44 অপরাহ্ন - Reply

    গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে তথ্যবহুল লেখা। জনগণের সচেতনতা ছাড়া শুধু আইন এবং প্রতিষ্ঠান গড়েই ন্যায়পরায়নতা প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। তার জন্য সবার আগে জনগণকে এসব ব্যাপারে অবহিত এবং চিন্তা করতে ইচ্ছুক করে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্যই এই লেখাটা গুরুত্বপূর্ণ।

    • বিপ্লব কর্মকার জুন 7, 2015 at 9:49 অপরাহ্ন - Reply

      ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির সফরে যেসব চুক্তি হয়েছিল তার সবগুলোই আগে কোন না কোনভাবে আলোচিত হয়েছিল। কিন্তু বিদ্যুৎ নিয়ে দুইটি চুক্তি হয়েছিল আচমকা, হঠাত করে- যা বাংলাদেশের মানুষকে ভোগাবে বহুদিন। পত্রিকা বলে……।
      যেকোন সচেতন নাগরিক তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করে আদালতে গেলে যদি প্রমান করতে পারে যে এটা দেশের স্বার্থবিরোধী তাহলে বাতিল হয়ে যাবে। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন