অভিজিৎ দা, তোমাকে নিয়ে আমি একদিন না একদিন মহাকাব্য লিখব। কিন্তু আমাকে ক্ষমা কোরো, এই মুহূর্তে আমার হাতে একটুও শক্তি নেই। লিখতে গিয়ে আমার শরীর কাঁপছে। কাঁপতে কাঁপতেই অনেক কিছু লিখেছিলাম গত তিন দিনে। কিন্তু সেই লেখায় নিজের হাতের দুর্বলতার চিহ্ন দেখতে পেয়ে ডিলিট করে দিয়েছি। দুর্বলের চিৎকার দিয়ে তোমার দেবতুল্য শক্তির অবমাননা করতে চাই না। তুমি আর বন্যা আপা আমাকে অনুবাদ করতে শিখিয়েছিলে। তোমাদের শিক্ষা পেয়েই আমি এপিকুরোসের (Epicurus) শিষ্য লুক্রেতিউসের (Lucretius) দে রেরুম নাতুরা (De rerum naturaবিশ্বপ্রকৃতি) বাংলায় অনুবাদ করতে শুরু করেছিলাম। এতদিন সেই আনাড়ি অনুবাদ কাউকে দেখানোর সাহস পাইনি।

কিন্তু…
২৬শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মহানগরটিতে, মহাকাশের মহাশূন্য থেকে উঁকি দিলে তার যে শহরটাকে সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায় সেই শহরে, মুসলমানদের অন্তরের সবচেয়ে মূল্যবান ধন—ইসলাম—দিয়ে কেনা চাপাতি দিয়ে কয়েকজন ‘মানুষ’ আমার আলোকোজ্জ্বল মস্তিষ্কটাকে কুপিয়ে শতচ্ছিন্ন করেছে, আমার হৃদপিণ্ডটি করতলের প্রবল থাবায় চিরকালের জন্য থমকে দিয়েছে, আমার কলম ধরার আঙুল কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেছে, আমার দেহমন্দিরের ভূষণ রক্তে রঞ্জিত করেছে। ছিন্নমস্তক, স্তব্ধ হৃদয়, কাটা আঙুল, রক্তোজ্জ্বল পোশাক নিয়ে আমি মুক্তবাতাসের সন্ধানে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েছিলাম। মর্গে পড়ে থাকা তোমার নিথর দেহের মতো হিমশীতল বাতাস উত্তর সাগর থেকে ভয়ংকর বেগে ধেয়ে এসে আমাকে সমূলে উপড়ে ফেলে মুসলমানদের মধ্যকার সবচেয়ে গোঁড়া অংশটির পদতলে নিক্ষেপ করার চেষ্টা করছিল। তোমার মাথা কোলে উপবিষ্ট বন্যা আপা’র দিকে কয়েকজন ‘মানুষের’ দৃষ্টিরেখা যেভাবে পড়ছিল, ঠাণ্ডা তীরের মতো বৃষ্টির রেখা আমাকে সেভাবেই বিদ্ধ করতে চাচ্ছিল।

কিন্তু…
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের চাদর সরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তার কোনো বিকার নেই। ভাসমান নক্ষত্ররাজির পটভূমিতে বসে ভেনাস আদেশ করলেন: উত্তর সাগর আর সদা-মেঘাচ্ছন্ন আকাশের এই দেশ ভুলে গিয়ে ঢাকা’র আকাশে তাকাও; আজ রাত ১ টায় ঈশান কোণে অভিজিৎ নক্ষত্রটি উদিত হবে, মহানগরের বিজলিবাতির দূষণও তাকে নিবিয়ে রাখতে পারবে না। বলল, তুমি যে আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী পড়ে লেখক হতে চেয়েছিলে ইনিই সেই যাত্রী, এবং তিনি বছরের অধিকাংশ সময়ই উত্তরাকাশের ধ্রুবতারা’র আশপাশটাতে ঘোরাঘুরি করবেন, অনন্তকাল ধরে। আমাদের পূর্বপুরুষেরা নক্ষত্রপূজারী ছিল। আমাদের জিন বহনকারী মানুষেরাই একসময় বীণামণ্ডলী’র উজ্জ্বলতম এই নক্ষত্রের দেমাকে চমকে গিয়ে এর নাম দিয়েছিল ‘অভিজিৎ’। আমাদের পূর্বপুরুষেরা শক্তির পূজারী ছিল। কোনো নক্ষত্রের উজ্জ্বল আলো তাদেরকে ঈর্ষান্বিত করত না, কোনো জ্ঞানসাধকের মাথায় শুভ্রতুষারকিরীট দেখলে তারা বিগলিত হতেন, দ্বেষে ফেটে পড়তেন না।

সেই পূর্বপুরুষের কথা স্মরণ করে আর ভেনাসের আদেশে অভিজিৎ দা, তোমার পবিত্র পদতলে এই দুর্বল অনুবাদচেষ্টাটি উৎসর্গ করলাম।

দে রেরুম নাতুরা [পংক্তি ১–১৩৫]
— লুক্রেতিউস (খ্রিস্টপূর্ব ৯৯–৫৫)

রোমানদের জননী, মানব ও দেব কুলের পরমানন্দ, {১}
লালনকর্ত্রী ভেনাস, যে তুমি ভাসমান নক্ষত্ররাজির পটভূমিতে বসে
ভ্রমণমুখর উত্তাল সমুদ্রে আর ফলবতী সব ভূমিতে
প্রাণ সঞ্চারিছ; যেহেতু তোমার মাধ্যমেই সর্বপ্রকার জীব
অঙ্কুরিত হয়, সূর্যকিরণে উদ্ভাসিত হতে ভূমিষ্ঠ হয়।
ঝড়োবায়ু আর আকাশের মেঘ পালায় তোমার, দেবী,
তোমারই আগমনহেতু; তোমার জন্যই বিচিত্রিতা পৃথিবী সুগন্ধী
ফুলের পসরা সাজায়, গভীর সমুদ্রের জল হেসে উঠে,
আর প্রশান্ত আকাশ অত্যুজ্জ্বল আলোয় ঝলমলিয়ে উঠে।
কেননা যখনই দিনের মুখে বসন্তের বার্তা শোনা যায়
এবং পশ্চিম থেকে উর্বরা বায়ু মুক্তির আনন্দে ধেয়ে আসে
তখন, প্রথমে, আকাশের পাখিরা তোমার, দেবী, তোমারই
মহাভিষেকের গান গায়, হৃদয়ে তোমারই আঘাত পেয়ে।
অতঃপর বুনো পশুর দল আনন্দময় চারণভূমিতে চরে
ও খরস্রোতা নদীতে সাঁতরে বেড়ায়: তোমার মায়ায় বিমোহিত হয়ে
তোমারই পিছে সাগ্রহে ধায়, যেদিকেই তুমি নিয়ে যাও না কেন।
আর তারপর শত সাগর, পাহাড় ও চঞ্চল স্রোতধারায়,
কত পত্রশোভিত পাখির নীড় ও সুশ্যামল প্রান্তরে,
সকলের অন্তরে সুখমেদুর প্রেম জাগিয়ে
সকলকে নিজ বংশ বিস্তারে তুমিই পারঙ্গম করো।

যেহেতু তুমি একাই বিশ্বের প্রকৃতি নির্ধারণ করো, {২১}
যেহেতু তুমি বিনে কেউ এ প্রভাকীর্ণ আলোকরাজ্যে প্রস্ফুটিতে পারে না,
হর্ষোৎফুল্ল ও মনোরম হয়ে জন্মাতে পারে না,
সেহেতু এ কাব্যের সহযোগী হিসেবে তোমাকেই কামনা করি,
বিশ্বপ্রকৃতি নিয়ে যে কাব্য আমি রচনা করছি
আমার বন্ধু মেম্মিউসের জন্য যাকে, হে দেবী, তুমি
সর্বগুণে গুণান্বিত করে সর্বদা সফল করেছ।
তাই আরো বেশি করে আমার বাণীতে, দেবী, চিরঞ্জীব সুধা ঢালো।

সাথে ঘুমপাড়ানির গান শুনিয়ে নৃশংস সব যুদ্ধায়োজনের {২৯}
অবসান ঘটাও—জলে আর স্থলে সবখানে।
কেবল তুমিই তো সৌম্য শান্তি দিয়ে প্রীত করতে পারো
মর্ত্যবাসীদের, যেহেতু পরাক্রমশালী মঙ্গল—যে যুদ্ধের নৃশংসতায়
নেতৃত্ব দেয়—প্রায়ই তোমার কোলে ঢলে পড়ে,
তোমার চির-সজীব প্রেমদাহে পরাভূত হয়ে,
এবং অতঃপর সুঠাম ঘাড় এলিয়ে দিয়ে ঊর্ধ্বমুখে তবপানে চেয়ে
কামাতুর চোখজোড়াকে প্রেমভোজে মত্ত করে, দেবী,
আর সেই অর্ধশায়িত থাকাবস্থায় তার নিঃশ্বাস তোমার ঠোঁট ছুঁয়ে যায়।
এমনে যখন সে তোমার পবিত্র দেহে শায়িত তখন
উপর হতে তারে আলিঙ্গন করে, ঠোঁট থেকে মিষ্টি, আদুরে বাণী ঝরিয়ে
তোমার রোমানদের জন্য সৌম্য শান্তি প্রার্থনা করো।
কারণ দেশের এই অরাজকতার মধ্যে আমিও শান্ত মনে কাজটি
সুষ্ঠুভাবে করতে পারব না, আর মেম্মিই বংশের এ মহান পুরুষও
এমন সময়ে জনকল্যাণের কাজে গাফিলতি করতে পারবে না।

এখন বাকিক্ষণ টুকু, [মেম্মিউস] তোমার একাগ্র কর্ণ, উৎসুক মন {৫০}
সব পিছুটান ভুলে সত্যানুসন্ধানে ব্রতী করো,
পাছে যে উপহার বিশ্বস্ত ব্যাকুলতায় তোমার জন্য সাজিয়েছি
তা বুঝে উঠার আগেই হেয়জ্ঞান করে ফেলে দাও।
কারণ, এখন তবসম্মুখে স্বর্গ ও দেবদেবীর সর্বোর্ধ্ব জগতের
কথা বলব, উন্মোচন করব বস্তুসমূহের আদিমতম অঙ্কুর
যা থেকে প্রকৃতি সবকিছু বানায় এবং বর্ধন ও লালন করে, এবং
যা তে তাদেরকে, ধ্বংসের পর, আবার সে প্রকৃতিই বিলীন করে দেয়,
যা কে আমরা বলি পদার্থ বা সবকিছুর উৎপাদক কণা,
দর্শনালোচনা করতে গিয়ে; বা বলি সবকিছুর বীজ
কিংবা যে একই জিনিসকে অনেক সময় ডাকতে পছন্দ করি
পরম কণা, যেহেতু তারাই সবকিছুর মৌলিকতম গাঠনিক উপাদান।

মানবতা যখন সবার চোখের সামনে, ভূলুণ্ঠিত {৬২}
হয়ে, পিষ্ট হচ্ছিল ‘ধর্মের’ নিচে চাপা পড়ে,
যে স্বর্গধাম হতে প্রদর্শন করে তার
ভীষণদর্শন মুখ, নশ্বরদের উপর চেপে বসে ছিল,
প্রথম এপিকুরোসই তখন নশ্বর নরচক্ষু তুলে তার দিকে
তাকিয়েছিল, প্রথম তার মুখোমুখি হওয়ার সাহস দেখিয়েছিল;
কারণ দেবদেবীর গল্পগাঁথা বা বজ্রপাত বা ভয়ংকর
হুংকার তোলা স্বর্গ কিছুই তাকে দমাতে পারেনি, উল্টো আরো বেশি
তার প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে দিয়েছে, যার ফলে সে-ই
প্রথম ভাঙতে পেরেছে প্রকৃতির রুদ্ধদ্বারের লৌহগরাদ।
সুতরাং তার আত্মার সঞ্জীবনী শক্তিরই জয় হয়েছে এবং ধেয়েছে
সে সম্মুখপানে, ছাড়িয়ে মহাবিশ্বের অগ্নিপ্রাচীর
চিন্তা ও কল্পনায় বিচরণ করেছে অমেয় ব্রহ্মাণ্ডের সর্বত্র, জয় শেষে
ফিরে এসে আমাদের জানিয়েছে—কিসের অস্তিত্ব থাকা সম্ভব,
কিসের অসম্ভব, কিভাবে নির্ধারিত হয় কোনোকিছুর পরিসর,
চিহ্নিত হয় কোনোকিছুর দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত সীমারেখা।
ফলশ্রুতিতে এখন উল্টো ‘ধর্মই’ লুণ্ঠিত আমাদের পদতলে
আর আমরা তার বিজয়মাল্য পরে উঠে গেছি স্বর্গের সমতলে।

কথা বলতে গিয়ে আমার ভয় হচ্ছে যে, তুমি হয়ত ভাববে আমরা {৮০}
অধার্মিকতার পথ ধরে চলে যাচ্ছি কোনো
পঙ্কিল জগতে। কিন্তু, মনে রেখো অধিকাংশ ক্ষেত্রে
‘ধর্মই’ অধর্মপথে মানুষকে পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত করেছে।
স্মরণ করো, আউলিসে কিভাবে কুমারী ডায়ানা’র বেদী
ইফিগেনিয়া’র রক্ত দিয়ে কদর্যভাবে কলঙ্কিত করেছিল
গ্রিকদের নির্বাচিত নেতারা, যারা কি না নরশ্রেষ্ঠ।
কিশোরীটি অনুভব করছিল তার নিষ্কলুষ অলকের বন্ধনী
আর দু’গাল বেয়ে নেমে আসা সমান ফিতা দুটির দোল-খেলা;
দেখছিল বেদী সম্মুখে দাঁড়ানো পিতা’র করুণ মূর্তি,
নিকটে ছুরি আড়াল করে রাখা পুরোহিত দল
আর তাকে দেখে অশ্রুবিগলিত শত জনতা;
মূঢ় আতঙ্কে সে হাঁটু গেড়ে মাটিতে ঢলে পড়েছিল।
তখন এটা বেচারীর কোনো উপকারে আসেনি যে,
মহারাজ আগামেমনকে প্রথম সে-ই বাবা ডাকটি উপহার দিয়েছিল।
থরথর-কম্পিত মেয়েটিকে লোকে তুলে ধরে, নিয়ে চলে
বেদীমুখে, ভাবগম্ভীর ও পবিত্র অনুষ্ঠান সহযোগে
বাদ্য বাজিয়ে বিয়ের বেদীতে বসানোর জন্য নয়,
বরং এক পবিত্র বিবাহযোগ্যা অপবিত্রদের হাতে পড়ল,
দুঃখজনকভাবে নিজ পিতা’র নির্মমতার শিকার হলো:
কেবল যাতে নৌবহরের জন্য লাভজনক, অনুকূল বাতাস আসে।
‘ধর্ম’ এমনই অশুভ সাধনে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখে।

একদিন এমন সময় আসবে যখন তুমিও ধর্মজীবীদের {১০২}
আতঙ্কগাঁথায় পরাভূত হয়ে আমাদের ছেড়ে যাবে।
নিঃসন্দেহে, কেননা ওরা এক্ষুনি এতগুলো স্বপ্ন বানিয়ে
দিতে পারে যা তোমার জীবনের স্রোত থমকে দেয়ার ও
ভীতিবলে তোমার সব ঐশ্বর্য দমিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট!
কারণও আছে; কেননা মানুষ যদি শুধু জানত তাদের
দুর্দশার একটা সীমা আছে, তবে কোনো না কোনো শক্তিবলে
‘ধর্মের’ আর ধর্মজীবীদের সামনে রুখে দাঁড়াতে পারত।
কিন্তু ঘটনা হলো, তাদের নেই প্রতিরোধের সুযোগ, নেই ক্ষমতা,
যেহেতু মৃত্যুর পর আছে চিরন্তন শাস্তির শঙ্কা।
কারণ তারা জানে না আত্মার প্রকৃতি কেমন,
এ কি আমাদের সাথেই জন্মে, না কি জন্মের সময় প্রবেশে,
আবার মৃত্যুর করাল থাবায় আমাদের সাথেই মরে,
না কি ঘুরে ফিরে এঁধো ছায়ায় আর অর্কুসের প্রকাণ্ড গুহায়,
না কি কোনো দৈব প্রেরণায় প্রবেশে ভিন্ন জন্তুর কায়ায়,
যেমন পাই আমাদের এন্নিয়ুসের কথায়, যিনি প্রথম মধুর
হেলিকন পর্বত থেকে বহুবর্ষজীবী পাতার শিরোমাল্য বয়ে এনে
সব ইতালীয় জাতির কাছে গৌরবান্বিত হয়েছিলেন;
পাতালপুরীর আকেরন মন্দিরের অস্তিত্বের কথা সেই
এন্নিয়ুসই তার চিরসবুজ পংক্তিতে বলে গেলেন,
যেখানে আমাদের দেহ বা আত্মা, নেই কারো প্রবেশাধিকার
আছে কেবল অদ্ভুত পাণ্ডুর প্রেতাত্মার;
এবং বলেন কিভাবে সেখান থেকেই একদা বুড়ো হোমারের ভূত
জেগে, নোনা অশ্রু ঝরাতে ঝরাতে তার সামনে
কাব্যকথায় বিশ্বের প্রকৃতি তুলে ধরতে শুরু করে।

সুতরাং আমাদের উচিত প্রকৃত নীতিগুলো প্রকাশ করা— {১২৭}
ঊর্ধ্বলোকের নীতি যা দিয়ে চন্দ্র-সূর্যের গতিপথ
নিয়ন্ত্রিত হয়, এবং মর্ত্যলোকের নীতি যা ঘটায়
ভূলোকের সবকিছু; কিন্তু একইসাথে তীক্ষ্ণ যুক্তি দিয়ে
বিচার করতে হবে: আত্মার গঠন আর মনের প্রকৃতি, এবং
কী এসে আমাদের মধ্যে এমন ভয়ংকর ভ্রম তৈরি করে
নিদ্রাহীন রোগশয্যায় বা গভীর ঘুমশয্যায়,
যে আমরা সাক্ষাৎ মৃত মানুষদেরও দেখি ও শুনি,
যাদের হাড় কি না ভূগর্ভের গহীন নিগড়ে আবদ্ধ।

* * * * *

হ্যাঁ, অভিজিৎ দা, এপিকুরোসের বিজয়মাল্য পরে লুক্রেতিউস যেভাবে স্বর্গের সমতলে পৌঁছে গিয়েছিল, তেমনি তোমার বিজয়মাল্য পরে আমিও স্বর্গারোহণ করেছিলাম। সেই মালা এখনো আছে আমার কাছে, আজীবন সযতনে রাখব সেটি…

[32 বার পঠিত]