হুমায়ূন আজাদ ‘কেউ নারী হয়ে জন্মায়না, ক্রমশ নারী হয়ে উঠে’ বলতে সম্ভবত নারীর ক্রমে পিছিয়ে পড়া অর্থাৎ আত্মসমর্পণ করাকেই ইঙ্গিত করেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে কেন সে ক্রমশ নারী হয়ে উঠে, কেন সে আত্মসমর্পণ করে আত্মউন্মোচনের বদলে? এই কেন’র উত্তর নিয়ে সুদীর্ঘ গবেষণা করেছেন লুইস হেনরি মর্গান। তবে উনি নারী ইস্যুতে গবেষণা করেননি, করেছেন সমাজ বিবর্তনের ধারা নিয়ে। যেটির উপর ভিত্তি করে অনবদ্য এবং দ্বান্দ্বিক ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়েছেন ফ্রেডরিক এঙ্গেলস তাঁর পরিবার, ব্যাক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি গ্রন্থে। বন্য অবস্থা, বর্বর অবস্থা এবং সভ্যতা এই তিন স্তরের ক্রম বিকাশ কিংবা বিবর্তনের ফাঁকে কিভাবে নারী আটকে পড়ছে বা আটকে গিয়েছে কিংবা আটকে ফেলা হয়েছে তা বুঝতে না পারলে যেকারোই মনে হতে পারে নারীর পিছিয়ে পড়াটা “সৃষ্টিকর্তার” ইচ্ছেতেই হয়েছে কিংবা প্রাকৃতিকভাবেই ঘটেছে।
সমাজ বিবর্তনের পথে মানুষ যখন উৎপাদন করতে শিখলো এবং পুনরুৎপাদনের গুরুত্ব অনুধাবন করলো তখনই ক্রমে শ্রম বিভাজন ঘটে যায় নর এবং নারীতে। নর ব্যস্ত হয় উৎপাদনে, নারী পুনরুৎপাদনে। নর বাইরে, নারী ঘরে। সমাজ বিকাশের সেই স্তরে শিশু বড় হতো সামাজিক ভাবে, গোত্র পরিচয়ে, মাতৃপরিচয়ে। প্রতিটি শিশু ছিলো সমাজের শিশু। শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেটিকে বর্তমানে ব্যভিচার মনে হয়, অনৈতিক মনে হয়, সেটি তখন ছিলো প্রয়োজনীয়।

ধীরে মানুষ উৎপাদিত পণ্য সংরক্ষণ করতে শিখলো, সৃষ্টি হল উদ্বৃত্তের। প্রতিষ্ঠা পেতে শুরু করলো উদ্বৃত্তের উপর ব্যক্তিমালিকানা। বাইরে যখন উদ্বৃত্তের মালিকানা প্রতিষ্ঠা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ঘরে তখন ক্রমে আটকে পড়ছে নারী। নর- নারীর সম্পর্কগুলোও ছকে আসা শুরু হল ক্রমে। বহুনারী-বহুপুরুষ, একনারী-বহুপুরুষ, বহুনারী-এক পুরুষ এরকম স্তরগুলো ধীরে বিবর্তিত হতে থাকলো। উদ্বৃত্তের ব্যাক্তিমালিকানা স্থাপনের পথে উত্তরাধিকারের প্রশ্ন সামনে আসে উদ্ধৃত্বের ভবিষৎ মালিকানা প্রশ্নে। যে উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করছে সে ধাবিত হয় উত্তরাধিকার সৃষ্টিতে। যেহেতু উদ্বৃত্ত নরের নিয়ন্ত্রণে স্বাভাবিক ভাবেই উত্তরাধিকারের প্রশ্নে সে-ই বেশি উৎসাহী। সমাজ মাতৃতান্ত্রিক অবস্থা থেকে ধীরে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ঢুকতে থাকে। সভ্যতার সেই স্তরে উৎপাদন এবং পুনরুৎপাদন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। ছিলো শ্রমবিভাজনেরও প্রাসঙ্গিকতা। কিন্তু সেটির পথ ধরে এবং উদ্বৃত্তের উপর ভর করে সমাজ যেভাবে শ্রেণী বিভক্ত হয়ে পড়ে, তাতেই আটকে পড়ে নারী। নারী ক্রমে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে, নিয়ন্ত্রিত হতে শুরু করে উৎপাদন নিয়ন্ত্রকের দ্বারা, জীবন ক্রমে আটকে যেতে থাকে একঘেঁয়ে একই দিনের আমৃত্যু পুনরাবৃত্তিতে। নারীর পুনরুৎপাদন তাঁকে হয়তো পূজিত করেছে, একটা সময় পর্যন্ত কতৃর্ত্বও দিয়েছে সন্তানের উপর, সমাজের উপর, কিন্তু উদ্বৃত্তের ব্যক্তিমালিকানা স্থাপনের পর সমাজ কেবলই শৃঙ্খলিত করেছে নারীকে, বেঁধেছে আষ্টেপৃষ্ঠে। দ্য বোভেয়ারের মতে নারী ক্রমে হয়ে উঠে জরায়ু, ডিম্বকোষ কিংবা স্ত্রীলোকে কিংবা সন্তান সৃষ্টির যন্ত্রে।

প্রাগৈতিহাসিক সমাজ থেকে বর্তমান সভ্য সমাজে পৌঁছাবার দীর্ঘ সময়ে দেশে দেশে নারীর ভাগ্য একই রকম থেকেছে। ভুমির মালিক হবার সাথে সাথে পুরুষ নারী এবং সন্তানকেও ব্যক্তিমালিকানায় এনেছে। এই দীর্ঘ পথ পরিক্রমায়, সমাজ বিবর্তনের ধারায় মানবিক সম্পর্কগুলো মানবিক থাকেনি। সভ্যতার বিকাশের বাঁকে সমাজে নির্মমভাবে ঢুকে পড়েছে ধর্মীয় কুসংস্কার। যেটি অনুশাসনের নামে প্রচণ্ডভাবে জেঁকে বসেছে নারীর উপর। অক্টোপাসের মতো ঘিরে ফেলেছে নারীর স্বাধীন স্বত্তাকে। মনুসংহিতায় বলা আছে কুমারীকালে পিতা, যৌবনে স্বামী, বার্ধক্যে পুত্ররা রক্ষা করবে নারীকে [ মনুসংহিতা ৯:৩]। নারীর কোনো স্বকীয় স্বত্তা এখানে নেই, সে কেবলই পরাশ্রয়ী, পরজীবী হিসেবেই চিহ্নিত। কোরানও বাদ দেয়নি, বলা আছে পুরুষ নারীর কর্তা [সুরা ৪:৩৪]। এতো গেলো কতৃর্ত্বের দিক। এবার দেখুন মুল্যায়ন- “নারী হচ্ছে ক্ষেত্র সরূপ এবং পুরুষ বীজ [মনুসংহিতা ৯:৩৩]। একই সুর কোরানেরও- “নারী হচ্ছে শস্যক্ষেত্র, তোমরা তাতে ইচ্ছেমতো বপন করো” [সুরা ২:২২৩]। ধর্মরক্ষার নামে নারীকে বাল্যবিবাহেও প্ররোচিত করেছে মনুসংহিতা। পড়ুন স্লোক ৯:৪, বলা আছে- তিরিশ বছরের পুরুষ বিয়ে করবে বারো বছরের কন্যাকে, চব্বিশ বছরের পুরুষ করবে আট বছরের কন্যাকে, নইলে ধর্ম নষ্ট হবে। শুধু বিয়েতেই শেষ নয়, স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁকে চিতায় তোলার বিধান ধর্মই দিয়েছিলো। সতীত্ব রক্ষার নামে।

ধর্মীয় অনুশাসনের এরূপ অনেক প্রথাই এখন উঠে গেছে সমাজ থেকে, ধর্ম উচ্ছন্নে যায়নি (থাকলে তো যাবে!), বাকীগুলো উঠে গেলেও সূর্য উঠবে, সাগরের ঢেউ থাকবে; বরং ফতোয়া নামক বর্বরতার হাত থেকে রক্ষা পাবে নারী। হিন্দু ধর্মের মতে সাতপাকে বাঁধা পড়া মানে জন্ম জন্মান্তরের জন্য নারী তাঁর স্বামীর দখলে যাচ্ছেন; অন্তত সাত জনম। অর্থাৎ স্ত্রী স্বামীর মাঝে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, স্বামী কিন্তু যাচ্ছেনা। ইসলাম ধর্মের বিধানও ব্যতিক্রম নয়, শরীয়া মতো চললে, সতী থাকলে মৃত্যুর পর সে স্বামীকে পাবে। যদিও সত্তুরটা উদ্ভিগ্ন যৌবনা হুর পরীর ভিড়ে পার্থিব স্ত্রী’তে স্বামীজী কতোটা নজর দিবে সন্দেহ! ধর্ম শুধু নারীকে নয়, পুরো মানব জাতিকে শৃঙ্খলিত করেছে, অনুশাসনের নামে সবাইকে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী করার প্রয়াস রেখেছে প্রতি পদক্ষেপে।

অনেকেই হয়তো বলবেন নারী এখন অনেক স্বাধীন, প্রাগৈতিহাসিক সেইসব সংস্কার এখন আর সেভাবে নেই। স্বাধীনভাবে নারী সিদ্ধান্ত নিতে পারে অনেকক্ষেত্রেই। বাস্তবতা কী বলে? বিয়ের কথাই ধরা যাক, যেটি নারীকে সবচে’ বেশী বিব্রতকর পরিস্থিতিতে এবং শৃঙ্খলিত পরিস্থিতিতে নিয়ে যায় রাতারাতি। ইসলাম ধর্ম অনুসারে বিয়ে একটা চুক্তি (হিন্দু ধর্মে এসবের বালাই নেই) এবং আইনগত ব্যাপার। এতে সম্মতি দেয়ার স্বধীনতা পাত্র- পাত্রী দুপক্ষেরই আছে। হ্যাঁ, কাগজে কলমে এই চুক্তি স্বেচ্ছামূলকই। কিন্তু ভাবতে হবে কতোটা স্বাধীনভাবে চুক্তিবদ্ধ হতে যাওয়া দু’জন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সেটি, কিংবা আদৌ স্বেচ্ছামূলকভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কিনা, যদি নেয় তবে কোন বিষয়গুলো তাঁকে প্রভাবিত করছে। নারীর ক্ষেত্রে সাধারণত পরিবার বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে মূল সিদ্ধান্ত নেয়, পরিবার বলতে বাবা কিংবা বড়ভাই। এবং যেদিক গুলো বিবেচনা করা হয় সেগুলো হচ্ছে পাত্রের আয়, সামাজিক অবস্থান, শিক্ষা, পারিবারিক ঐতিহ্য ইত্যাদি। হয়তো এটাই স্বাভাবিক সাধারণ দৃষ্টিতে। একজন নারীও খুব কম ক্ষেত্রেই এইসব দিক এড়িয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বা নিতে পারে কিংবা নেয়ার সাহস দেখায়। অর্থাৎ অনেকগুলো অনুঘটক এই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে। পরিবার, ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি গ্রন্থে এঙ্গেলস চমৎকার বিশ্লেষণ করেছেন বিষয়গুলো। তাঁর মতে বিয়ের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা সাধারণভাবে তখনই কার্যকরী হতে পারে যখন পুজিবাদী উৎপাদন এবং তারই সৃষ্টিকরা মালিকানা সম্পর্ক বিলুপ্ত হয়ে সেই সব গৌণ অর্থনৈতিক হিসাবকে হটিয়ে দেয়, যেগুলো বিয়ের সঙ্গী নির্বাচনের উপর এতো প্রভাব বিস্তার করে। তখন পরস্পরের আকর্ষণ ছাড়া আর কোনো উদেশ্য থাকবেনা।
প্রচলিত সমাজ কাঠামোতে বিয়ে নারীকে অতি প্রায়শই জীবনভর নির্ভরতা, পরজীবিতা, ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে পুরোপুরি অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠার শাস্তি প্রদান করে। পুরুষকেও ভুগতে হয়, কিন্তু তার জগতটা বিস্তৃততর, বিয়ে নারীর মতো পুরুষকে সীমাবদ্ধ করে তোলেনা। নারী ক্রমে গুটিয়ে পড়ে তার ইতিহাস অর্পিত দ্বায়িত্ব পালনে। ঘর, সংসার, সন্তান এসবেই সে আটকে যায় পুরোপুরি, তৈরি হয় বাইরের জগতের সাথে দূরত্ব, ছিটকে পড়ে উৎপাদন সম্পর্ক থেকে। এটি বাইরের জগতের প্রতি নারীর বিমুখিতা নয় বরং ব্যবস্থার যাঁতাকলে নিরুপায় আত্মসমর্পণ ।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে নারী মুক্তি কোন পথে? প্রগৈতিহাসিক কালে ভেঙে পড়া আদিম সাম্যবাদী সমাজ ব্যবস্থার পর হাজার বছর ধরে জেঁকে বসা বন্ধনের ছেদ ঘটবে কিভাবে? অনেকেরই মতে শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক মুক্তিই দিবে নারীকে পুরুষের সমকাতারে সমঅধিকার নিয়ে দাঁড়াবার সামর্থ্য। অনেকাংশেই বিষয়গত ভাবে (subjectively) সত্যি। নারী পুরুষের সমতা আনতে গেলে মনোজাগতিক মানের নৈকট্য খুবই জরুরী। নেহাত জৈবিক মোহ নারী পুরুষের সাময়িক বন্ধুত্বের সৃষ্টি করলেও আবার সেই একঘেয়ে জীবনের আমৃত্যু পুনরাবৃত্তির ছকে আটকে পড়বে সম্পর্ক যদি তাঁদের মনোজাগতিক এবং বুদ্ধিভিত্তিক নৈকট্য সৃষ্টি না হয়। এই নৈকট্য সৃষ্টি করবে শিক্ষা। অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার ক্ষেত্রেও শিক্ষা ভুমিকা রাখবে। সাথে সাংস্কৃতিক মানের উন্নয়নও অপরিহার্য্য। শিক্ষা, অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক মানের উন্নয়ন নারী পুরুষের সমঅধিকার নিশ্চিত করবে অনেকখানি। কিন্তু আমরা আলোচনা করছি ঠিক সমতা নিয়ে নয়, মুক্তি নিয়ে। সমাজ ব্যবস্থা, অর্থনীতি, রাজনীতি যদি প্রতিকুল হয় তাহলে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা যে বিষয়গত (subjective) আপাত মুক্তি নারীকে দিচ্ছে সেটি বিষয়ীগত (objective) মুক্তিতে পৌছুবেনা। পূর্বের আলোচনাতেই উল্লেখ করা হয়েছে উৎপাদনের ব্যক্তিগত মালিকানা কিভাবে উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে এবং নারী কিভাবে নিয়ন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। ফলে উদ্বৃত্তের ব্যক্তি মালিকানা ভেঙে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠা করা জরুরী। প্রচলিত ব্যবস্থায় শিক্ষিত এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি নারীও গার্হস্থ্য কাজে আটকে পড়ছে লম্বা সময় ধরে। সন্তান জন্মদান ও লালন পালন করাকে কেন্দ্র করে সে পিছিয়ে পড়ছে। বিষয়ীগত পরিবর্তনের জন্য সন্তানকে সমাজের শিশু হিসেবে সামাজিক ভাবে গড়ে তোলার সংস্কৃতি দাঁড় করাতে হবে। বর্তমানে অমুকের সন্তান, তমুকের সন্তান বলে যে আহ্লাদী ব্যবস্থা চালু আছে সেটির মূলে হচ্ছে সেই অমুক তমুক উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে। উৎপাদন ব্যবস্থা সামাজিক হলে অমুক তমুকের ব্যক্তিমূল্য কমে যাবে। শিশুর নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, মানসিক বিকাশ, শিক্ষা এই বিষয়গুলোর সামাজিক নিশ্চয়তা বিধান করা গেলে সন্তানের প্রতি মায়ের আলাদা উদ্বেগের বিষয় থাকবেনা। ফলে আলাদা করে মায়ের দ্বায়িত্ব কমে যাবে। সেও সমভাবে অংশ নিতে পারবে উৎপাদন প্রক্রিয়ায়। অনেকে হয়তো ভাববেন পরিপূর্ণ মাতৃস্নেহ ছাড়া সন্তান প্রকৃত মানুষ হবেনা। জেনে নিন রবীন্দ্রনাথ পুরো শৈশবটা গৃহভৃত্যদ্বারা মানুষ হয়েছে, এতে তাঁর প্রকৃত মানুষ হওয়া আটকায়নি।
ভাবনাটা স্রোতের বিপরীতে হলেও ভাবতে হবে। ভাবতে হবে মুক্ত মনে। বিষয়গত এবং বিষয়ীগতভাবে নারী মুক্তি তখনই সম্ভব যখন সমাজ কাঠামোতে পরিবর্তন আসবে। ব্যক্তিমালিকানার বদলে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হবে, মৌলিক চাহিদা গুলোর দ্বায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। তবেই কেবল নারী পরিপূর্ণ স্বকীয়তায় ফিরতে পারে, রাখতে পারে স্বতঃস্ফুর্ত অবদান উৎপাদনে, উন্নয়নে।

কৃতজ্ঞতাঃ
পরিবার, ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি – ফ্রেডরিক এঙ্গেলস, প্যাপিরাস সংস্করণ
আদিম সমাজ – লুইস হেনরি মর্গান, অনুবাদ বুলবন ওসমান
ক্লারা জেটকিনঃ লেনিনের সাথে কথোপকথন
নারী – হুমায়ূন আজাদ

[237 বার পঠিত]