আরজ আলী মাতুব্বরের চেতনায় নারী (১)

শিরোনাম পড়ে অনেকে নিশ্চয়ই ভাবছেন, আরজ আলীর রচনায় নারীর অবস্থান খোঁজা কেন? তিনি তো বিজ্ঞান, বিশ্বাস,আধ্যাত্মিকতা,লৌকিক জীবন ইত্যাদি নিয়ে ভেবেছেন,লিখেছেন। তাঁর লেখায় আস্তিক্যবাদ আর নাস্তিক্যবাদ নিয়ে আলোচনা না করে নারী বিষয় কেন? কিন্তু এসব বিষয়ের সাথে তো মানব জীবনকে টেনেছেন আর মানবের একটা অংশ তো নারী। নারী অবস্থান তার চেতনার কোথায় নাড়া দিয়েছিল সে কৌতূহল মেটাতেই আরজ আলী মাতুব্বর পুনঃপাঠ। আর পুনঃপাঠের প্রকাশই এ লেখা।
প্রথমে নারীপ্রেম থেকেই আরজ আলী মাতুব্বরের গতানুগতিক পথের বাইরে বিকল্প পথের সন্ধান। সে নারী তার মা। তার মায়ের মৃত্যুর পর মায়ের ছবি তোলার অপরাধে (?) মৃতদেহ দাফন সহ জানাযায় নিজ বাড়ির লোকজন ছাড়া অন্য কেউ আসতে রাজি হয়নি।
জন্মদাত্রী মা নামক নারীর মুখচ্ছবি ধরে রাখতে গিয়ে সামাজিকভাবে তাকে বিপর্যয়ের সন্মুখীন হতে হলেও মানসিকভাবে তার বিপর্যয় কাটিয়ে উঠা শুরু। শুরু আলোর পথে যাত্রা। তার চেতনায় লাগে নতুন মাত্রা।

কথায় আছে জন্ম মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে। এ তিনটি বিষয় বিধাতা নির্ভর বলে বিধাতা একই ধর্মের নারী পুরুষে বিয়ে হওয়া ভালবাসেন। এমন বিধানও দিয়েছেন। আরজ আলী মা্তুব্বর নির্দ্বিধায় স্বামী স্ত্রীর ভিন্ন ধর্মের বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। তিনি ‘সত্যের সন্ধান” নামক বইয়ে বলেছেন,“ এই কল্পিত ধর্মের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গেই দেখা দিল উহাতে মতভেদ। ফলে পিতা-পুত্রে, ভাইয়ে-ভাইয়ে, এমনকি স্বামী-স্ত্রীতেও এই কল্পিত ধর্ম নিয়া মতভেদের কথা শোনা যায়। শেষ পর্যন্ত যে কত রক্তপাত হইয়া গিয়াছে, ইতিহাসই তাহার সাক্ষী।”(মূল কথা/ প্রশ্নের কারণ)
তিনি ইঙ্গিতে ঘোষণা করেছেন যে, স্বামী ও স্ত্রী মাত্র একই ধর্মের হয় না, বা হওয়া লাগবেই এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এজন্য রক্তপাতের মত ঘটনাও ঐতিহাসিক সত্য। স্বামী স্ত্রীর যে ধর্ম নিয়ে মতভেদ থাকতে পারে তা ধর্মপ্রাণ মানুষমাত্রই অস্বীকার করবেন। স্বামীর ধর্মই স্ত্রীর ধর্ম। ইসলাম ধর্মমতে,কোন মুসলিম নারীর স্বামী হতে হলে কোন পুরুষকে স্বামী হওয়ার আগে ইসলামধর্ম গ্রহণ করতে হবে। আর মুসলিম পুরুষ আহলে কিতাব ( অর্থাৎ যাহারা বাইবেল, তোউরাত, এবং যবুর গ্রন্থে বিঃশ্বাসী) অনুসারী মহিলাকে বিয়ে করতে পারে। কিন্তু এতে ধর্মপ্রাণ সমাজে বসবাস কঠিন হয়ে যায়। তা ছাড়া সন্তানদের ধর্ম নিয়ে তখন টানা হেঁচড়া করা লাগে বলে বিধর্মী প্রেমিক প্রমিকারা ধর্মান্তরিত হয়ে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে থাকে। এক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীরও যে আলাদা ধর্ম হতে পারে তা বলার মত সততা ও সাহস আরজ আলী মাতুব্বরের ছিল।

স্বামী ও স্ত্রীর যে আলাদা ধর্ম থাকতে পারে এ তথ্যটি বলাও অনেক মৌলবাদীর কাছে গর্হিত অপরাধ। আরজ আলী মাতুব্বর এ সত্য প্রকাশে দ্বিধান্বিত নন। নারীর ধর্মীয় স্বাধীনতা চর্চা করতে গিয়ে রক্তপাতের ঘটনাও যে স্বাভাবিক তা তিনি অবলীলায় বলতে পারেন। এখানেই তার নারী প্রতি আধুনিকতম দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ।

১৯২৯ সালের বাল্য বিবাহ আইন অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে কোন মেয়ের বিয়েকে বলে বাল্য বিবাহ। আর ইদানিংকালে আধুনিক চেতনার উন্নয়নবিদরা, উন্নয়নকর্মীরা বলে শিশু বিয়ে। বাল্য বিয়ে আর শিশু বিয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে কি? আছে। বাল্য বিয়ে ইংরেজি early marriage আর শিশু বিয়ে ইংরেজি child marriage. সমাজের চেতনাকে নাড়া দিতে শিশু বিয়ে শব্দটি বেশি লাগসই। বাল্য বিয়ে আইনগত ভিত্তি আর শিশু বিয়ে সামাজিক প্রেক্ষাপট ও মানবিক আবেদন।

তাছাড়া, আইনে ১৮ বছরের নিচে কোন মেয়ের বিয়েকে বাল্য বিয়ে বললেও আধুনিক চেতনায় বিশ্বাসী অনেকেই লেখাপড়া শেষ না করে বা প্রতিষ্ঠিত না হয়ে বিয়ে করাকে বলে বাল্য বিয়ে। আর সমাজের আবেগকে নাড়া দিতে ১৮ বছরের নীচের বয়সী মেয়ের বিয়েকে বলে শিশু বিয়ে। এ নিয়ে ইউনিসেফ এর সাথে বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পও রয়েছে। যে প্রকল্প 3C নিয়ে কাজ করছে। C তিনটি হল child marriage, child labour ও corporal punishment.

আরজ আলী মাতুব্বর কিন্তু বহু বছর আগে বাল্য নয়, শিশু বিয়ে শব্দটিই ব্যবহার করেছিলেন। তিনি ‘সত্যের সন্ধান” নামক বইয়ে ‘মূলকথা’ পরিচ্ছেদে বলেছেন, “আমাদের দেশে জন্মহার অত্যধিক। জনসংখ্যা অস্বাভাবিকরূপে বৃদ্ধি পাইতেছে —-শিশু, বিধবা ও বহুবিবাহে।” ”(মূলকথা/প্রশ্নের কারণ)
অনায়াসে বাল্য বিবাহ শব্দটি ব্যবহার করতে পারতেন। সচেতনভাবেই অনুপ্রাস সৃষ্টির সুযোগ এড়িয়ে গেছেন। কারণ শিশু বিবাহের সাথে নারী অধিকার সম্পর্কিত, শিশু অধিকার তো বটেই। তিনি অনেক আগেই শিশু বিয়ে ও বহু বিয়ের কুফল নিয়ে লিখেছেন যা নিয়ে বাংলাদেশের নারীবাদীরা এখনও আন্দোলন করছে ।

যদিও তিনি সবশেষে বলেছেন, “ সুখের বিষয় এই যে, সরকারী নির্দেশে শিশু-বিবাহ বর্তমানে কমিয়াছে।’ ”(মূলকথা/প্রশ্নের কারণ)তবে কমে যাওয়ার গতি খুবই ধীর। নারীর যাপিত জীবনের জাগতিক যন্ত্রণায় শিশু বিয়ে ও বহু বিয়ের মত দুটো প্রথারই নেতিবাচক প্রভাব যে অসহণীয় তা তিনি অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন।

যুক্তি দেখাতে বাস্তব জীবন থেকে উদাহরণ লাগে। চাক্ষুষ ঘটনার উপস্থাপন যুক্তিকে শাণিত করে। বিজ্ঞান আর বিশ্বাসের দ্বন্দ্বে নির্ভরশীলতা, আস্থা ও জীবনরক্ষাকারী পথ হিসেবে মানুষ বিজ্ঞানকেই বেছে নেয়। তবে বিশ্বাসের বলি তো সমাজে যুগ যুগ ধরে নারীরাই হয়ে আসছে। আর আরজ আলী মাতুব্বর তা জানেন ও মানেন বলেই উদাহরণ এনেছেন গর্ভবতী নারীর সন্তান জন্মদানের মত ঘটনাকে। “গর্ভিনীর সন্তান প্রসব যখন অস্বাভাবিক হইয়া পড়ে, তখন পানি পড়ার চেয়ে লোকে বেবী ক্লিনিকের (baby clinic) উপর ভরসা রাখে বেশী।”(মূলকথা/প্রশ্নের কারণ। এ তার চারপাশের নারীর জীবন চক্র পর্যবেক্ষণের ফল।

নারী পুরুষ বিভাজন নিয়ে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর, বৈষম্যমূলক, বিসদৃশ্য এবং জেন্ডার অসংবেদনশীল বক্তব্য আছে। তাই ধর্মীয় প্রভাবে প্রভাবিত সমাজে ও পরিবারে নারীমুক্তি বিষয়টি গুরুত্ব পায় না।ধর্মের মূলসুর ইহজগতকে গৌণ করে পরকালের জীবনকে মূখ্য করে তোলা; নারী পুরুষের লিঙ্গজ, জৈবিক, প্রাকৃতিকভাবে দৈহিক পার্থক্যকে বড় করে দেখিয়ে নারীকে সামাজিকভাবে অধঃস্তন করে রাখায় ধর্মের ভূমিকা ও অবদান প্রত্যক্ষভাবেই দায়ী। বিষয়টি নিয়ে নারীবাদীরা সংগ্রাম করছেন। নারীর দৈহিক কাঠমোকে ভিত্তি করে সমাজ ও রাষ্ট্র তার প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করে। আর নারীর এ অধঃস্তন অবস্থা থেকে মুক্তির জন্যই নারী আন্দোলন। আর নারী পুরুষের মধ্যে প্রাকৃতিক ও সামাজিক পার্থক্য নিয়ে উন্নয়ন জগতে gender নামে বহুল আলোচিত একটি ক্ষেত্র রয়েছে।

পরকালে নারীর অবস্থান অধঃস্তন ও কোথাও কোথাও অস্পষ্ট বলে ইহজাগতিক জীবনে নারী বৈষম্যের শিকার হয়। কিন্তু পরকালে নারী পুরুষের লিঙ্গভিত্তিক অস্তিত্ব নিয়েই আরজ আলী মাতুব্বরের প্রশ্ন যা নারী পুরুষের বৈষম্যের ভিত্তিকে কাঁপিয়ে দেয়। তিনি প্রাণের অস্তিত্ব ব্যাখ্যা করে একটি মৌলিক প্রশ্ন উপস্থাপন করেছেন,“কেঁচো ও শামুকাদি ভিন্ন যাবতীয় উন্নত জীবেরই নারী-পুরুষ ভেদ আছে, কৃচিৎ নপুংসকও দেখা যায়। কিন্তু জীবজগতে নারী ও পুরুষ, এই দুই জাতিই প্রাধান্য লাভ করিয়াছে। প্রতিটি জীব বা মানুষ জন্মিবার পূর্বেই যদি তাহার স্বতন্ত্র সত্ত্বাবিশিষ্ট প্রাণ সৃষ্টি হইয়া থাকে, তাহা সেই প্রাণেও লিঙ্গভেদ আছে কি? যদি থাকেই, তাহা হইলে অশরীরী নিরাকার প্রাণের নারী, পুরুষ এবং ক্লীবের চিহ্ন কি? আর যদি প্রাণের কোন লিঙ্গভেদ না থাকে, তাহা হইলে এক জাতীয় প্রাণ হইতে ত্রিজাতীয় প্রাণী জন্মে কিরূপে? লিঙ্গভেদ কি শুধু জীবের দৈহিক রূপায়ণ মাত্র? তাহাই যদি হয়, তবে পরলোকে মাতা-পিতা, ভাই-ভগিনী ইত্যাদি নারী-পুরুষভেদ থাকিবে কিরূপে?পরলাকেও কি লিঙ্গজ দেহ থাকিবে?”(প্রথম প্রস্তাব/ আত্মা বিষয়ক)।

কাজেই ধর্মীয় ব্যাখ্যাকে ভিত্তি করে নারীর প্রতি যে বৈষম্য তা এ প্রশ্নের কাছে খড়কুটোর মতই উড়ে যায়। আর এখানেই তিনি নারী মুক্তি আন্দোলনের একজন সহযোগী হিসেবে স্বীকৃত হন।
( চলবে)

About the Author:

'তখন ও এখন' নামে সামাজিক রূপান্তরের রেখাচিত্র বিষয়ে একটি বই ২০১১ এর বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ

  1. আরিফ ফেব্রুয়ারী 6, 2014 at 12:33 পূর্বাহ্ন - Reply

    :guli: দিদি মনি গীতা
    এতো কিছু থাকতে সমাজ আর ধর্মীয় ব্যবস্থা নিয়ে মাথা ব্যাথার করন কেন আমি বুঝিনা।
    তাহলে কি মহান বিঞ্গান গ্রহন্থ সত্যি প্রমানিত হচ্ছে?
    মানুষ (নারীরাও) কি নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে?
    তাহলে কি কেয়ামত ওতি নিকট বর্তি?

  2. বলন কাঁইজি জানুয়ারী 10, 2014 at 12:29 পূর্বাহ্ন - Reply

    বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
    অর্ধেক তার রচিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর!

    নারী ও নরের ভেদাভেদ দূর হয়ে যাক, শুভ কামনা

  3. কেশব কুমার অধিকারী জানুয়ারী 6, 2014 at 6:42 অপরাহ্ন - Reply

    দিদির বিশ্লেষন বরাবরই অসাধারন। যদিও পড়েছি অরজ অলীকে। তবুও এই লেখাটি নতুন চিন্তায় ডুবাবে সন্দেহ নেই। যখন পড়েছি তখন ভাবিনি আরজ আলীর চোখে নারীর অবস্থান কোথায়, এখন গীতাদির মননে তা দেখবো। রীতিমতো গা ঝাড়াদিয়ে বসার মতোই মনে হচ্ছে! চমৎকার উপলব্ধী। পরের অংশের জন্যে রইলাম পড়ে।

  4. মোজাফফর হোসেন জানুয়ারী 6, 2014 at 11:37 পূর্বাহ্ন - Reply

    মারাত্মক সব প্রশ্ন। যখন পড়েছিলাম, তখন এত ভাবিয়ে তোলেনি। আজ দিদির লেখাটি পড়ে মনে হচ্ছে আবারও আরজ আলী মাতুব্বর পড়া শুরু করতে হবে। চলুক দিদি।

  5. বাবলু ভট্টাচার্য জানুয়ারী 6, 2014 at 10:08 পূর্বাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ দিদি। নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে আরজ আলী মাতুব্বরের। সম্পূর্ণ পড়া না হলে সেই ভাবে কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। কোথায় তরি ভেড়ে সেটার জন্যে অপেক্ষা। শুভ কামনা রইল-

  6. প্রদীপ্ত জানুয়ারী 6, 2014 at 6:47 পূর্বাহ্ন - Reply

    আরজ আলী মাতব্বরের লেখা ভাবনা পড়ে বরাবরই মুগ্ধ হয়েছি । তবে এ লেখার মত করে খেয়াল করে দেখি নিই আগে। কিছু মানুষ আছে যারা যুগের সীমানা অতিক্রম করে যান। আরজ আলী মাতব্বর নিঃসন্দেহে এরকম একজন মানুশ।তার ভাবনার যে বিষয়টি মুগ্ধ হবার মত তা হল খুব সরল তার যুক্তি। বোঝার বা ভাবার জন্য রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই। শুধু মাত্র ভাববার স্বদিচ্ছাই ইচ্ছাই যথেষ্ট ! পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

    • গীতা দাস জানুয়ারী 6, 2014 at 9:55 পূর্বাহ্ন - Reply

      @প্রদীপ্ত,

      তবে এ লেখার মত করে খেয়াল করে দেখি নিই আগে।

      আমার লেখাটির উদ্দেশ্য সার্থক।

  7. কেউ জানুয়ারী 5, 2014 at 8:30 অপরাহ্ন - Reply

    Tspecial marriage act এর আওতায় যেকোন ধর্মের সাথে যে কোন ধর্মের নারী পুরুষ বিয়ে করতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে এ টা বাস্তবায়ন করা কঠিন।

    মোটেও কঠিন না. আমি নিজে করেছি এবং সুখে দিন কাটাচ্ছি 🙂

    • গীতা দাস জানুয়ারী 6, 2014 at 9:54 পূর্বাহ্ন - Reply

      @কেউ,
      নিজেরা সুখেই দিন কাটায়, সমস্যা তো অন্যরা করে। বিশেষ করে বাংলাদেশে পরিচিত মহলে বসবাস করতে গেলে। ঢাকা শহরে কোথাও বাসা ভাড়া নিয়ে চুপটি করে ‘কেউ’ হয়ে থাকতে হয়।
      যাক, আত্মীয় পরিজন নিয়ে সুখে থাকলে খুশির খবর। আশীর্বাদ রইল সুখে থাকেন।

      • কেউ জানুয়ারী 7, 2014 at 6:58 অপরাহ্ন - Reply

        @গীতা দাস, সেটাই, সব কিছু সত্বেও ভালো থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ. অন্যেরা ভুল কারণে সমস্যা তৈরী করলে করুক না! একজন পোর খাওয়া, হতাশার কথা শোনান “গীতা দাস” হওয়ার চাইতে যে “কেউ” একজন নিজের মত যদি থাকতে পারে, সেটাইত শ্রেয়. কারণ যত বেশি এরকম সামাজিক অলিখিত নিয়মের বিরুদ্ধে মানুষ যেতে পারবে, ততোই ত সমাজ পাল্টাবে, তাইনা? ঠিক সে কারণেই আমি প্রথম মন্তব্যটা লিখেছিলাম, যাতে আগ্রহী কেউ আপনার কথা শুনে দমে না যায়. তার ওপর কথা হচ্ছে, এই বিশেষ বিবাহ আইন নিয়েই বা কেন মাথা ঘামাতে হবে? বিয়ে না করলেই বা কি হয়? ভালবাসাইত যথেষ্ট হওয়ার কথা. কাগজ দিয়ে কি এসে যায়?
        আপনাকে ধন্যবাদ আর আপনার জন্য ও আশির্বাদ রইলো.
        (আমিও কিন্তু আপনার মত “চুপটি” করে নেই. শুধু এই ছদ্দ নামে লেখার বেপারটা আমার খুব পছন্দ. অন্তত ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে. তাতে অনেক রকম প্রেজুডিস এড়ানো যায়.)

        • গীতা দাস জানুয়ারী 8, 2014 at 6:34 পূর্বাহ্ন - Reply

          @কেউ,

          স্বামী ও স্ত্রীর যে আলাদা ধর্ম থাকতে পারে এ তথ্যটি বলাও অনেক মৌলবাদীর কাছে গর্হিত অপরাধ। আরজ আলী মাতুব্বর এ সত্য প্রকাশে দ্বিধান্বিত নন। নারীর ধর্মীয় স্বাধীনতা চর্চা করতে গিয়ে রক্তপাতের ঘটনাও যে স্বাভাবিক তা তিনি অবলীলায় বলতে পারেন। এখানেই তার নারী প্রতি আধুনিকতম দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ।

          এটি আমার উপরের লেখা থেকেই কপি করে এনেছি।এর পরও কি আমাকে মনে হয় আমি মানুষকে দমানোর জন্য ব্যস্ত? আমি শুধু বর্তমান সময় ও সমাজের সাথে আরজ আলী মাতুব্বরের চেতনাকে তুলে ধরছি। যাহোক, খুশি হলাম যে আপনি আমার মত ‘ চুপটি’ করে নেই।

  8. শফি আমীন জানুয়ারী 5, 2014 at 4:09 অপরাহ্ন - Reply

    মুসলিম স্বামীর স্ত্রী হতে হলে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তবেই স্ত্রী হওয়া সম্ভব। অর্থাৎ মুসলিম কোন নারী বা পুরুষ একমাত্র মুসলিম কোন নারী বা পুরুষকেই বিয়ে করতে পারে।

    একটু ভুল হয়েছে এখানে। মুসলিম পুরুষ আহলে কিতাব ( অর্থাৎ যাহারা বাইবেল, তোউরাত, এবং যবুর গ্রন্থে বিঃশ্বাসী) অনুসারী মহিলাকে বিয়ে করতে পারে। মহিলারা পারেন কিনা উল্লেখ নাই। বোধগম্য কারনেই পুরুষরা বলেছেন, না পারে না।

    • গীতা দাস জানুয়ারী 5, 2014 at 6:30 অপরাহ্ন - Reply

      @শফি আমীন, @কাজি মামুন@অর্ফিউস,
      special marriage act এর আওতায় যেকোন ধর্মের সাথে যে কোন ধর্মের নারী পুরুষ বিয়ে করতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে এ টা বাস্তবায়ন করা কঠিন। আমার কয়েকজন কাছের লোকজনের ( বন্ধবান্ধবসহ ) জীবনের কথা জানি, তবে নামোল্লেখ করে বিব্রতকর অবস্স্থায় পড়তে চাই না। কোন ধর্মই চর্চা করে না বলে সরাসরি ইসলাম ধর্ম মতে বিয়ে কর ফেলেছে।আর দুয়েকজন বিদেশে গিয়ে বিয়ে করেছে।
      যাহোক, আমার লেখায় তা ঠিক করে দিচ্ছি।
      আর ধন্যবাদ লেখাটির মানোন্নয়নে সহযোগিতার জন্য।

      • কাজী রহমান জানুয়ারী 6, 2014 at 2:14 পূর্বাহ্ন - Reply

        @গীতা দাস,

        এই প্রসঙ্গে কোরানের ৫ নম্বর সূরা আল মায়েদা’র ৫ নম্বর আয়াত নিচে দেখুন:

        আজ তোমাদের জন্য পবিত্র বস্তুসমূহ হালাল করা হল। আহলে কিতাবদের খাদ্য তোমাদের জন্যে হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল। তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়। যে ব্যক্তি বিশ্বাসের বিষয় অবিশ্বাস করে, তার শ্রম বিফলে যাবে এবং পরকালে সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

        This day [all] good foods have been made lawful, and the food of those who were given the Scripture is lawful for you and your food is lawful for them. And [lawful in marriage are] chaste women from among the believers and chaste women from among those who were given the Scripture before you, when you have given them their due compensation, desiring chastity, not unlawful sexual intercourse or taking [secret] lovers. And whoever denies the faith – his work has become worthless, and he, in the Hereafter, will be among the losers.

        লিঙ্ক দেখুন এখানে ক্লিক করে

        • নিষ্কর্মা অক্টোবর 11, 2014 at 12:08 অপরাহ্ন - Reply

          @কাজী রহমান,

          আপনার আয়াতে স্পষ্ট দেখাই যাচ্ছে ইহুদী এবং খ্রীষ্টান নারীদের বিবাহের সুযোগ শুধু মুসলমান পুরুষদেরই আছে। নারীদের ক্ষেত্রে বিধান কি, তা কিন্তু কুর’আনে বলা আছে কি? থাকলে সেই আয়াতটি উল্লেখ করবেন।

          ধন্যবাদ।

          • কাজী রহমান অক্টোবর 12, 2014 at 9:29 পূর্বাহ্ন - Reply

            @নিষ্কর্মা,

            নারীদের ক্ষেত্রে বিধান কি, তা কিন্তু কুর’আনে বলা আছে কি?

            আছে আছে; এই যে দিলাম একটা; কোরানের ২য় সূরা আল বাকারার ২২১ আয়াত:

            আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।

            এই অনুবাদ আমার পছন্দ হয়নি। অনুবাদ বিভ্রাটে একটা ইংরেজী অনুবাদও দিয়ে দিলাম: And do not marry polytheistic women until they believe. And a believing slave woman is better than a polytheist, even though she might please you. And do not marry polytheistic men [to your women] until they believe. And a believing slave is better than a polytheist, even though he might please you. Those invite [you] to the Fire, but Allah invites to Paradise and to forgiveness, by His permission. And He makes clear His verses to the people that perhaps they may remember.

            তবে একটা কথা, কাউকে ভালোবাসলে, বিয়ে করতে চাইলে এই সব গ্রন্থফ্রন্হ পাশে সরিয়ে রেখে দুজনা এক হয়ে যান। এত কথার দরকার কি? নানা গ্রন্থে নানা ভ্যাজাল। কোরানের কথাই ধরেন; কোরানের এক সূরায় বলে পৃথিবীর মানুষের ১,০০০ বছরের সমান আল্লাহের ১ দিনের সমান(সূরা আল-হজ্ব ২২:৪৭); আবার কোরানেরই অন্য সূরায় বলে পৃথিবীর মানুষের ৫০,০০০ বছরের সমান আল্লাহের ১ দিনের সমান(সূরা আল-মা-আরিজ ৭০:৪)। এখন বলেন ৫০ হাজার বছর আর ১ হাজার বছর কি এক কথা হোল? একই কোরানে দুই রকম কথা। কোনটা মানবেন? ভালো মানুষ হতে ওই সব গ্রন্হ লাগেনা, ভালো মনই যথেষ্ট।

      • কেউ জানুয়ারী 8, 2014 at 1:49 পূর্বাহ্ন - Reply

        @গীতা দাস,
        special marriage act এর আওতায় যেকোন ধর্মের সাথে যে কোন ধর্মের নারী পুরুষ বিয়ে করতে পারে

        বাংলাদেশে কিন্তু বিশেষ বিবাহ আইনেও একজন হিন্দু ধর্মপালনকারীর সাথে একজন ইসলাম ধর্মের অনুসারীর বিয়ে হতে পারেনা! অর্থাত যদি তারা এসব ধর্মের অনুসারী হয় তাহলে আগে ধর্ম হয়পাল্টাতে হবে নয়তো একেবারেই ছেড়ে দিতে হবে. তাও ভালো, অন্তত একটা জায়গায় নাস্তিকতাকে উত্সাহিত করা হচ্ছে…
        Law analysis

        Special Marriage Act: Rationality and relevance

        Khandaker Mujahidul Hoque

        Prior to understanding the concept of special marriage, it is essential to comprehend what is marriage. Marriage is a legal recognition of the union of two people, more specifically a male and a female of legal age, which is most often celebrated by a ceremony. Some marriages even unite differing religions, colours, races and communities. Provisions for special marriage may help the people to unite who belong to different religions.

        Special marriage is performed in Bangladesh by the Special Marriage Act 1872. The Act clarifies extent of applicability of the Act, how such a marriage should be solemnised, which religion will be followed in the marriage, what will be the effect of succession etc. The law speaks for a special form of marriage for those who do not profess Christianity, Judaism, Hinduism, Islam, Buddhism, Sikh or Jaina religion and those who profess Hindu, Buddhism, Sikh or Jaina religion. It also aims to legalise certain other marriages, the validity of which is doubtful.

        It has been settled in case law that if the parties with differing religious beliefs do not abandon their religion the marriage will be void. So in circumstances of such a special marriage, the religion must be forsaken (18 DLR 509).

        According to Muslim family law of Bangladesh, a Muslim male can marry a female who professes other religion. If the other party professes to revert to Islam then the marriage would be entirely legal and face no problems. However, if the other party does not revert to Islam, then although the marriage will be solemnised, it will be ‘irregular’. On the other hand, a Muslim female cannot marry a man who professes other religion. If the other party, in this case the male, agrees to revert to Islam only then would the Muslim female be able to marry the newly reverted Muslim male.

        According to Christian family law there are no bindings. Since the 1872 Act treats the Muslims, Christians, Jews and Parsi alike, it may be understood that Jewish and Parsi family law would be the same.

        At the time of marriage, neither party must have a living husband or wife. According to the Gregorian calendar, the man must be eighteen years of age, and the woman must be fourteen years old. Each party must, if s/he has not completed the age of twenty-one, must have obtained the consent of his/her father/guardian to the marriage. The parties must not be related to each other in any degree of consanguinity or affinity which would, according to any law to which either of them is subject, render a marriage between them illegal.

        The Government may appoint one or more Registrars under this Act for any portion of the territory. The officer appointed shall be called the ‘Registrar’. One of the parties must give notice in writing on a prescribed form, within which at least one of the parties has resided for fourteen days before such a notice is given. The Registrar shall enter a valid copy of every such notice in a book, namely ‘Marriage Notice Book’, which shall be open at all reasonable time, without fee, to all persons desirous of inspection.

        Any person may object to such a marriage on the ground that it would contravene someone or more of the condition described in clauses 1, 2, 3, or 4 of Section 2 of Special Marriage Act 1872. The objector may file a suit in any civil court having jurisdiction (except a Court of Small Causes) for a declaratory decree, declaring above contrivance. The marriage shall not be solemnised till the decision of such Court has been given or if there is an appeal from such decision, till the decision of the Appellate Court has been given. If it appears that the objection was not reasonable and bona fide, the Court may inflict a fine upto one thousand taka on the person objecting.

        In the presence of the Registrar and of three witnesses, who signed the declaration, the marriage will be solemnised. In any form it may be solemnised with the condition that, each party states to the other, in the presence and hearing of the Registrar and witnesses that, “A takes B, to be his/her lawful wife/husband”.

        At the office of the Registrar the marriage may be solemnised, certified extracts therefrom shall on application be given by the Registrar on the payment to him by the applicant of a fee to be fixed by the Government for each such extract.

        Every person who, being at the time married, procures a marriage of himself to be solemnized under this Act, shall be deemed to have committed an offence under section 494 or section 495 of the Penal Code, as the case may be; and the marriage so solemnized is void (Section 15).

        Every married person who contract any other marriage during the life time of his/ her wife/ husband, shall be subject to the penalties provided in Section 494 or 495 of the Penal Code for the offence for marrying again during the life time of a husband/ wife, whatever may be the religion which he/she professed at the time of such second marriage (Section 16).

        The Divorce Act shall apply to all marriages contracted under this Act, and any such marriage may be declared null or dissolved in the manner therein provided, and for the causes therein mentioned, or on the ground that it contravenes some one or more of the conditions prescribed in clauses (1), (2), (3) or (4) of section 2 of the Special Marriage Act.

        The issue to which their father were subject to the prohibition of marriages by reason of consanguinity and affinity, marriages solemnised this Act shall be deemed to be subject to the law. The provisions to Section 2 of the Act also shall apply (Section 18). Nothing in the Act contained affects the validity of any marriage, nor does the Act deem directly or indirectly affect the validity of any mode of contracting marriage (Section 19).

        Every person who either knows or believes to be false or doesn’t believe to be true, which signing or attesting any declaration or certification, containing a declaration, which is false, he will be guilty of the offence described in Section 199 of the Penal Code (Section 21).

        Any member of an undivided family who profess the Hindu, Buddhist, Sikh or Jaina religion, if marriage under the Act, he shall be deemed to effect his severance from such family (Section 22).

        A person who profess the Hindu, Buddhist, Sikh or Jaina religion but married under the Act, he shall have the same rights and same disabilities in regard to any right of succession to any property as a person to whom the Castle Disabilities Removal Act 1850 applies (Section 23).

        Succession to the property of any person who professes the Hindu, Buddhist, Sikh or Jaina religion, married under this Act, and property of issue of such marriage shall be regulated by the provisions of the Succession Act 1925 (Section 24).

        A person who professing the Hindu, Buddhist, Sikh or Jaina religion marring under this Act, he shall have no right of adoption (Section 25). But his father shall have the right of adoption another person as a son under the law to which he is subject, provided that if he has no other son living.

        If different party professes different religion, solemnisation of marriage becomes very difficult. The Special Marriage Act removes such difficulty. The objective of the concept of special marriage is to allow those professing diverse religions in a marriage to continue following their own religion even after the marriage.

        The writer is a human rights activist.

        • কেউ জানুয়ারী 8, 2014 at 1:56 পূর্বাহ্ন - Reply

          This week your advocate is Barrister Omar Khan Joy of the Supreme Court of Bangladesh and Head of ‘The Legal Counsel’. His professional interests include commercial law, corporate law, family law, land law, constitutional law, banking law, arbitration and intellectual property laws. Our civil and criminal law experts from reputed law chambers will provide the legal summary advice.

          Reader’s query
          I am Hindu and my wife is Muslim. We got married under the Special Marriage Act and we practice our own religion at home. What I would like to know is whether I will get my inheritance once my parents pass and also whether my wife can claim my inheritance if I die? I will be looking forward to your response.
          A.K.M
          Lalmatia

          Response
          I would like to thank you very much for asking me to provide legal opinion regarding matters relating to inheritance of property and marriage under the Special Marriage Act.

          Upon receipt of your query, we have understood that you are a Hindu whereas your wife is a Muslim. You got married under the Special Marriage Act 1872 and now practice your respective religions at home.

          In the light of the aforesaid facts and circumstances, I would like to elaborate the following legal provisions for your understanding. Though I recognise that you have no query so far as the marriage is concerned, it is expedient to clarify your concept with regard to the same so that you are not in the dark. It is particularly important when the number of cross religious marriage is increasing in recent days.

          Marriage is a social and legal union of a man and a woman in order to live together and often to have child. So far as marriage is concerned different laws are applicable for the followers of different religions in Bangladesh. The provisions of Muslim law regarding marriage are applied to the Muslims and the provisions of marriage under Hindu Law are applicable to the Hindus. The Special Marriage Act is enacted to legalize cross religion marriages. But the 1872 Act is applicable only for certain special types of marriages. It is clearly mentioned in section 2 of the said Act of 1872 that this Act will be applicable only in two circumstances: (1) where neither of the bride or the bridegroom belongs to the Christian, Jewish, Hindu, Muslim, Parsi, Buddhist, Sikh or Jaina religion, OR (2) where each of the parties professes Hindu, Buddhist, Sikh or Jaina Religion. This is very important to note that under the first situation if none of the boy or girl belongs to any of the aforesaid religions, then they are practically becoming ‘Nastik’/ atheist. And under the second situation, both the boy and the girl must belong to any of the four stated religions, where Islam is not mentioned. Consequently, the Special Marriage Act does not at all permit marriages between Hindu and Muslim keeping their religion intact! So, the marriage cannot be treated as a legal one in its current form. Further, it is strictly and very clearly prohibited for a Muslim woman to marry a non-Muslim under the Muslim Law. Your wife is a Muslim and being a Muslim woman she cannot marry, unless she changes her religion to Hindu or become an atheist. In Bangladesh, it is not possible to convert to Hinduism. So, the only way is to become atheist.

          Now the obvious question is, if the Act does not permit such marriage how could you get married under the Act! At the time of marriage under the Special Marriage Act, 1872 both the parties have to sign two separate ‘Declaration Forms’. In both the Forms it is mentioned that neither of the parties professes the Christian, Jewish, Hindu, Muslim, Parsi, Buddhist, Sikh or Jaina Religion OR each of the parties professes Hindu, Buddhist, Sikh or Jaina religion. By signing the Declaration Form they are ratifying the points mentioned in the Form and also the fact that the mentioned information is true. So when you have signed the declaration, both of you have declared yourself as non-believer. I think you have not properly read or understood the declaration forms. Or you might have been misguided! Though you have said that both of you are performing your own religions even after getting married under the Special Marriage Act, as per record of your declaration none of you are the followers of any religion.

          I understand that it is not a very pleasant matter for you to appreciate. But, it is sad to state that this is the real position. The Special Marriage Act was enacted in 1872 and is in real need of amendment to allow Hindu-Muslim marriages. For example, the Act has been amended in India and it is lawful in India to register a Hindu-Muslim marriage. The need for amendment is long overdue. By way of this writing, I also press for the amendment of the Act. But, however backdated the law is, this still represents the Bangladeshi legal position regarding Hindu-Muslim marriage and honestly speaking we cannot but accept it until and unless the law is amended accordingly.

          Only for the sake of argument, if we assume that you are still a Hindu and your wife is a Muslim then the inheritance matter will be as follows: It is clearly mentioned in section 23 of the Special Marriage Act, 1872 that a person professing Hindu religion shall have the same rights with regard to any right of succession to any property as a person to whom the Caste Disabilities Removal Act, 1850 applies. The rule was different before the year of 1850. That time the persons were excluded from inheriting his parent’s property because of conversion of religion and caste. But after 1850 when the Caste Disabilities Act was enacted, the provision of exclusion from inheriting property due to conversion of religion and caste was removed. Now, under Hindu Law no one is deprived from inheriting property due to conversion of religion and caste. So, being a Hindu male you are entitled to inherit your father’s property after his death.

          If your wife is still considered to be a Muslim, then her marriage will be termed as an ‘irregular marriage’ under the Muslim law. Irregular marriages can be regularized only if the irregularity is made good, i.e. if you convert to Islam. Then your wife will have inheritance right over your property under the Muslim Law. Otherwise, she will not be so entitled. If, one the other hand, we accept the real position that you have sacrificed your religions and both have become non-believer then both of you will have inheritance rights under the Succession Act.

          I agree that I might have made you extremely dissatisfied and unhappy with my response, but alas this is the real legal picture. I urge all the prospective bride and bridegroom who are professing Hindu and Muslim religion to be aware of the actual legal situation before they get married. I also further press for the need to amend the law without any delay to meet the demand of time and changing society.

  9. কাজি মামুন জানুয়ারী 5, 2014 at 2:15 অপরাহ্ন - Reply

    অর্থাৎ মুসলিম কোন নারী বা পুরুষ একমাত্র মুসলিম কোন নারী বা পুরুষকেই বিয়ে করতে পারে।

    সামান্য ভুল আছে এখানে। একজন মুসলিম পুরুষ একজন খ্রীস্টান মহিলাকে বিয়ে করতে পারে। মুসলিম পুরুষের আহলে হাদিস নারীদের বিয়ে করা শরীয়তসম্মত।

    corporal punishment.

    এই C বুঝি নাই।

    “গর্ভিনীর সন্তান প্রসব যখন অস্বাভাবিক হইয়া পড়ে, তখন পানি পড়ার চেয়ে লোকে বেবী ক্লিনিকের (baby clinic) উপর ভরসা রাখে বেশী।”

    সত্যি।

    কেঁচো ও শামুকাদি ভিন্ন যাবতীয় উন্নত জীবেরই নারী-পুরুষ ভেদ আছে,

    কেঁচো ও শামুকাদির বংশ বিস্তার হয় কি করে তাহলে? যদি নারী-পুরুষ ভেদ নাই বা থাকে?

    • গীতা দাস জানুয়ারী 5, 2014 at 2:59 অপরাহ্ন - Reply

      @কাজি মামুন,
      চমৎকার ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে জানা ছিল না যে,

      একজন মুসলিম পুরুষ একজন খ্রীস্টান মহিলাকে বিয়ে করতে পারে। মুসলিম পুরুষের আহলে হাদিস নারীদের বিয়ে করা শরীয়তসম্মত।

      এখনও সংশয়ে আছি। শরীয়ত জানি না, কিন্তু আমার জানা উদাহরণে ধর্মান্তরিত হতেই দেখেছি মন্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, নিশ্চিত হয়ে সংশোধন করে দেব।
      corporal punishment হল শারীরিক শাস্তি ।শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পটি বিদ্যালয়ে ও বাড়িতে শিশুর শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করা নিয়ে কাজ করছে।

      কেঁচো ও শামুকাদির বংশ বিস্তার হয় কি করে তাহলে?

      জীব বিজ্ঞানের কেউ উত্তরটি ভালভাবে দিতে পারবেন।

    • অর্ফিউস জানুয়ারী 5, 2014 at 5:52 অপরাহ্ন - Reply

      @কাজি মামুন,

      মুসলিম পুরুষের আহলে হাদিস নারীদের বিয়ে করা শরীয়তসম্মত।

      এখানে আহলে কিতাব হবে, আহলে হাদিস নয়। খ্রিষ্টান ও ইহুদীদের আহলে কিতাব বলা হয়। আহলে হাদিসরা মুসলিমদেরই একটি শাখা যাদের অনেক সময় ফরাজীও ডাকা হয়।

    • আদিল মাহমুদ জানুয়ারী 6, 2014 at 10:40 পূর্বাহ্ন - Reply

      @কাজি মামুন,

      সামান্য ভুল আছে এখানে। একজন মুসলিম পুরুষ একজন খ্রীস্টান মহিলাকে বিয়ে করতে পারে। মুসলিম পুরুষের আহলে হাদিস নারীদের বিয়ে করা শরীয়তসম্মত।

      – আহলে হাদিস নয়, শব্দটি মনে হয় আহলে কিতাব হবে। এর আওতায় খ্রীষ্টান এবং ইহুদীরা পড়ে। পুরুষ মুসলমানরা কনভার্ষন ছাড়াই খ্রিষ্টান/ইহুদী মেয়ে বিয়ে করতে পারে, যদিও মুসলমান মহিলাদের সেই অধিকার নেই।

  10. কাজী রহমান জানুয়ারী 5, 2014 at 11:59 পূর্বাহ্ন - Reply

    স্বশিক্ষিত দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বরের চেতনায় নারী নিয়ে লেখা খুব আগ্রহের সাথে পড়ব। ৩৯ বছর বয়সে তিনি মা হারিয়ে গভীর জ্ঞানসাগরে ডুব দিয়েছিলেন সত্য জানার আগ্রহে যাতে ঘোর অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারেন। মৃত মায়ের ছবি তোলার অপরাধে(?) তার শাস্তি না হয়ে হয়েছিলো মায়ের; তাই তিনি সঙ্গত ক্রোধ আর অভিমানকে জ্ঞান দিয়ে যুক্তি দিয়ে প্রতিবাদের ভাষায় আমাদের উপহার দিয়েছেন। অনেক ত্যাগ করতে হয়েছে তাকে। তার বিদ্যার্জনের কাহিনী পড়ে বাকরুদ্ধ হয়েছি; শিহরিত হয়েছি। নারী নিয়ে এমন মানুষের ভাবনা আমি খুব আগ্রহভরে পড়ব , আপনার আরো বিশ্লেষণের অপেক্ষায়।

    শুভেচ্ছা (C)

  11. তারিক জানুয়ারী 5, 2014 at 3:51 পূর্বাহ্ন - Reply

    আরজ আলীকে নিয়ে ভিন্ন ধরনের একটা লেখা পড়লাম। আগামী পৰ্বের অপেক্ষায় আছি …

  12. মাহফুজ জানুয়ারী 4, 2014 at 6:22 অপরাহ্ন - Reply

    আরজ আলীকে নিয়ে নতুন ধরনের ভাবনার স্বাদ পাচ্ছি; চলুক সিরিজটি।

  13. অর্ফিউস জানুয়ারী 4, 2014 at 6:19 অপরাহ্ন - Reply

    অসাধারন লিখেছেন দিদি। পরের পর্বগুলি তাড়াতাড়ি পাব এই আশায় রইলাম।

  14. মুরশেদ জানুয়ারী 4, 2014 at 4:43 অপরাহ্ন - Reply

    প্রতিটি জীব বা মানুষ জন্মিবার পূর্বেই যদি তাহার স্বতন্ত্র সত্ত্বাবিশিষ্ট প্রাণ সৃষ্টি হইয়া থাকে, তাহা সেই প্রাণেও লিঙ্গভেদ আছে কি? যদি থাকেই, তাহা হইলে অশরীরী নিরাকার প্রাণের নারী, পুরুষ এবং ক্লীবের চিহ্ন কি? আর যদি প্রাণের কোন লিঙ্গভেদ না থাকে, তাহা হইলে এক জাতীয় প্রাণ হইতে ত্রিজাতীয় প্রাণী জন্মে কিরূপে? লিঙ্গভেদ কি শুধু জীবের দৈহিক রূপায়ণ মাত্র? তাহাই যদি হয়, তবে পরলোকে মাতা-পিতা, ভাই-ভগিনী ইত্যাদি নারী-পুরুষভেদ থাকিবে কিরূপে?পরলাকেও কি লিঙ্গজ দেহ থাকিবে?

    কী অসাধারন ক্ষমতা ছিল আরজ আলীর। খুব সহজ ভাষায় খুলে দিতেন জটিলতম প্যারাডক্স।

    একটু ভিন্ন আঙ্গিকে আরজ আলীকে নিয়ে এই গবেষনা খুবই কৌতূহলোদ্দীপক।

    • গীতা দাস জানুয়ারী 5, 2014 at 2:48 অপরাহ্ন - Reply

      @মুরশেদ,@অর্ফিউস, @মাহফুজ,@তারিক,@কাজী রহমা্‌ন
      পড়ে ও মন্তব্য করে অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। সাথে থাকবেন।

মন্তব্য করুন