ব্লাসফেমি আইন বনাম মতপ্রকাশের স্বাধীনতা

মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার খুব সম্ভব মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, এ মুহূর্তে বাংলাদেশে এ নাগরিক অধিকার হুমকির মুখোমুখী। হেফাজতে ইসলাম কঠোর ব্লাসফেমি আইন প্রণয়নের দাবি জানাচ্ছে, সরকার মুক্তমত প্রকাশের পক্ষে না থেকে একটি হীন আপোষের নীতি গ্রহণ করেছে, ফলে মিডিয়া সাধারণের তথ্যঅধিকার প্রদানে বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে, গ্রেপ্তার হয়েছেন বা হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন এমন তরুণ ব্লগারদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে; ধ্বংসের আশঙ্কার মুখে পড়েছে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যতও।

বাকস্বাধীনতা কেন গুরুত্বপূর্ণ? উনিশ শতকের ব্রিটেনের বিখ্যাত ও প্রভাবশালী ‘ফিলোসফার অব ফ্রিডম’ জন স্টুয়ার্ট মিলের কাছে বিশ্বের প্রায় সব জাতিকেই কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ থাকতে হবে, তাঁর ভাষায়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ সত্যান্বেষণের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে।

প্রথমত, কোনো মানুষই ত্রুটিমুক্ত নয়। হেফাজতে ইসলামও নয়, সরকারও নয়, আমিও নই। কেউ পরম সত্যের সন্ধান পাওয়ার দাবি করতে পারে না। বিভিন্ন ইসলামী গোষ্ঠী প্রায়ই এমনতর দাবি করে থাকে, অবশ্যই এটি একটি সমস্যা, এ দাবিটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রথম যুগের ইসলামী চিন্তাবিদ ও শিক্ষকদের লেখার মনগড়া ও চরম অবাস্তব ব্যাখ্যার ভিত্তিতে। কিন্তু আমরা জানি যে কথাগুলো আমরা এখন প্রকাশ হতে দিচ্ছি না- হয়তো সেগুলোর মধ্যেই সত্য লুকানো রয়েছে!

দ্বিতীয়ত, মিলের মতে, যদিও-বা অপ্রকাশিত বক্তব্য ভুল হয়ে থাকে- ‘বক্তব্যগুলো সাধারণত সত্যের কোনো না কোনো অংশ ধারণ করে এবং প্রচলিত ও জনপ্রিয় ধারণাগুলো প্রায়ই আংশিক সত্য, তাই প্রচলিত ধারণার বিরোধী বিভিন্ন মতামতের প্রকাশের মধ্য দিয়েই সত্যের কাছাকাছি যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।’

তাছাড়া, সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণাগুলোরও সংরক্ষণ ও প্রকাশ প্রয়োজন- কারণ সত্য শুধুমাত্র সন্দেহ, প্রশ্ন ও বিরোধী মতবাদের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকে। এ লড়াই থেমে গেলে সত্য পরিণত হয় রক্ষণশীল সামাজিক শৃংখলে।

মানুষের জীবনে সত্যের সন্ধান ও বাকস্বাধীনতার গুরুত্ব অপরিসীম। মানবজন্মের সার্থকতা নিজের পছন্দমতো জীবনযাপনের মধ্যে; অন্যের নির্ধারণ করে দেওয়া গণ্ডির মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ করে নয়। জীবনের সার্থকতা পেতে হলে মানুষকে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার সুযোগ পেতে হবে, যার জন্য প্রয়োজন মতামত এবং দর্শনের মুক্তপ্রকাশের নিশ্চয়তা। এ কারণেই মানুষ সবসময় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা চায়। এ স্বাধীনতায় যে কোনো হস্তক্ষেপ এ প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে এবং মানবজীবনে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্র ও মানবীয় গুণাবলীর বিকাশের জন্যও খুবই জরুরি। বাংলাদেশকে এমন একটি দেশ হতে হবে যে দেশে সব ধরনের মতবাদ প্রকাশিত হতে পারবে, হতে পারবে প্রশ্নবিদ্ধ। মতামত যারই হোক না কেন, সেটিকে আমলে নিতে হবে এবং প্রচলিত ধ্যানধারণাগুলোকে বিরোধী মতবাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হবে। তবেই কেবলমাত্র রাজনৈতিক এবং সামাজিক উন্নতি সম্ভব।

মানবজাতি গত হাজার বছরে অনেকটুকু পথ হেঁটেছে। প্রতি মুহূর্তে প্রতিটি পরিবর্তন, প্রতিটি যুগান্তকারী দর্শন এবং মতবাদ হয়েছে প্রশ্নবিদ্ধ ও সমালোচিত। এসব মতবাদের জনক যারা তারা হয়েছেন নির্যাতিত। গ্যালিলিওর সঙ্গে রোমান ক্যাথলিক চার্চ কীরকম আচরণ করেছিল সেটা সবারই জানা আছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ স্বৈরাচারের লক্ষণ; এর স্থান সৌদি আরব কিংবা উত্তর কোরিয়ায়, স্বাধীন বাংলাদেশে নয়। গণতন্ত্রে প্রতিটি মতামতকে প্রকাশিত হতে দিতে হবে; প্রতিটি মতামত নিয়ে মুক্তমনে বিতর্ক হতে হবে। কাউকে কথা বলতে দিলে এবং কাউকে না দিলে সেটা এক ধরনের নাগরিক বৈষম্য।

বাকস্বাধীনতা একটি মৌলিক অধিকার। Universal Declaration of Human Rights এর আর্টিকেল ১৯ অনুযায়ী, “[e]veryone has the right to freedom of opinion and expression; this right includes freedom to hold opinions without interference and to seek, receive and impart information and ideas through any media and regardless of frontiers.” অর্থাৎ, প্রত্যেক মানুষের মতামত ও অনুভূতি প্রকাশের অধিকার রয়েছে; এ অধিকারের মধ্যে রয়েছে বিনাবাধায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং কোনো তথ্য ও মতবাদ মাধ্যম এবং রাষ্ট্রনির্বিশেষে আদানপ্রদানের অধিকার।

তাই কেউ যদি বাকস্বাধীনতা রহিত করতে চান, কোনো বিশেষ ধরনের বক্তব্যের গলা চেপে ধরতে চান তাহলে তাদের এর পক্ষে খুব জোরালো যুক্তি প্রদান করতে হবে। কিন্তু তারা তা করেন না।

দেখা যাক ব্লাসফেমি কী। ব্লাসফেমি হল কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী পবিত্র মনে করে এমন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নিয়ে ব্যঙ্গ, অপমান বা সে সম্পর্কে বাজে কথা বলা। উদাহরণস্বরূপ, ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গীতে আল্লাহকে অপমান করা আল্লাহর অধিকারের বরখেলাপ। তাই একজন মুসলমানের কর্তব্য আল্লাহকে অপমান না করা। কিন্তু সেটা অবিশ্বাসী বা নাস্তিকদের (নাস্তিক কিন্তু কোনো গালি নয়!) জন্য প্রযোজ্য নয়। আর তাই একটি সেকুলার রাষ্ট্রে ধর্মীয় চেতনা বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে আইন প্রণয়নের কোনো সুযোগ নেই।

নাগরিকদের ধর্মপালনে বাধ্য করা কিংবা নাগরিকদের উপর কোনো বিশেষ একটা ধর্ম চাপিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের কাজ নয়। এখানে কেউ বলতে পারেন যে, ব্লাসফেমি নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন ধার্মিক ব্যক্তিদের স্বার্থে। কারণ ব্লাসফেমি তাদের অনুভূতিকে আহত করে। এটা গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি বটে। কাউকে মানসিকভাবে আহত করা অবশ্যই অনুচিত। একটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব যদি হয় কারও শারীরিক নিরাপত্তা দেওয়া, তাহলে রাষ্ট্র কেন তার নাগরিকদের ‘মানসিক’ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে না? তাহলে রাষ্ট্র কেন আক্রমণাত্মক ও অপমানজনক বক্তব্যপ্রদান নিষিদ্ধ করতে পারবে না?

কারণ প্রথমত সব ধরনের বক্তব্যই কারও না কারও অনুভূতিকে আহত করে। উদাহরণস্বরূপ, হেফাজতে ইসলামের একটি দাবি হল নারীদের সমঅধিকারের আইন বাতিল করতে হবে। এ দাবি অবশ্যই নারীর সমঅধিকারে বিশ্বাসী জনগোষ্ঠীকে আহত করবে। ঠিক একইভাবে, তারা দাবি করে যে, আহমদিয়া গোষ্ঠীকে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে যেটি আহমদিয়া তরিকার অনুসারীদের জন্য অপমানজনক। গীর্জায় খ্রিষ্টান ধর্মযাজকের সারমন মুসলমানের অনুভূতি আহত করতে পারে, কমিউনিস্টের বক্তব্য পুঁজিবাদীদের আহত করতে পারে, কেউ কেউ সমকামীদের নিয়ে লেখা পড়ে আহত হতে পারেন, কেউ কেউ আবার আমার অবাঙালি হয়ে একজন বাঙালি নারীকে বিয়ে করায় তাদের অনুভূতিতে আঘাত বলে মনে করতে পারেন। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, যদিও এসব কারও না কারও জন্য অস্বস্তিকর, এগুলোর নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের কর্তব্য।

এছাড়াও কোনো এক শ্রেণির বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করাটা যুক্তিযুক্ত নয়। কারণ মানুষ খুব সহজেই নিজেদের এসব বক্তব্য শোনা বা পড়া থেকে দূরে রাখতে পারে। বাকস্বাধীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটা রক্ষা করা জরুরি। এর পরিবর্তে আপনার অপছন্দনীয় বক্তব্যগুলো শোনা বা পড়া থেকে বিরত থাকা অনেক সহজ। কারও কথা শুনতে ভালো না লাগলে দূরে সরে যান। কারও ব্লগ পড়তে ভালো না লাগলে সেটা ক্লিক করে বন্ধ করে দিন।

কোরান শরীফও একই কথা বলে: “যখন তারা [মুসলমানরা] খারাপ কথা শোনে, তারা সেখান থেকে সরে যায় এবং বলে, ‘আমার জন্য আমার কর্ম এবং তোমার জন্য তোমার কর্ম। তোমার উপর শান্তি বর্ষিত হোক; আমরা সত্যবিমুখদের সংসর্গে আসতে চাই না’।”২৮:৫৫

হেফাজতে ইসলাম ও অন্যান্য কিছু ইসলামিক দলের ধর্মীয় অনুভূতি যদি এতই ঠুনকো হয়ে থাকে তাহলে তারা ওসব ব্লগ পড়ে কেন? যদি তারা চায় যে, কারও ধর্মীয় অনুভূতি আহত না হোক তাহলে তারা সেসব ব্লগের লেখা অন্যদের ডেকে এনে দেখায় কেন? সেসব লেখা কপি করে পত্রিকায় বা লিফলেটে ছাপায় কেন? এ যেন দৌড়ে এসে কারও সঙ্গে ইচ্ছে করে ধাক্কা খাওয়া এবং তারপর তাকে আক্রমণকারী আখ্যা দিয়ে তার শাস্তি চাওয়া! তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে ব্লাসফেমি সর্বপ্রকারে বন্ধ করা একেবারেই অসম্ভব। এর চেষ্টা করতে যাওয়াও খুবই সময়সাপেক্ষ ও জটিল। তার চেয়ে এসব বক্তব্য শোনা থেকে বিরত থাকা খুব সহজ। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে যেখানে অধিকাংশ লোক মুসলমান, এখানে কেউ প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য এমনিতেই দিতে পারে না।

অনেকে বলেন, ব্লাসফেমির মূল সমস্যা হল এর ফলে গোলযোগ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। আসলেই কি তাই? ‘ইনোসেন্স অফ মুসলিমস’-এর কথা মনে আছে নিশ্চয়ই? নিম্নমানের ১৪ মিনিটের ভিডিওক্লিপটি জুলাই মাসে ইউটিউবে আপলোড করা হয়। কিন্তু এর পরবর্তী দু’মাস কিছুই ঘটেনি। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ব্লাসফেমি সরাসরি কোনো নৃশংসতা ছড়ায় না। এটা ছড়ায় সেসব মানুষের মাধ্যমে যারা নৃশংসতা ছড়াতে চায়। এটা ছড়ায় সেসব মানুষের মাধ্যমে যারা ব্লাসফেমাস বিষয়গুলো অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। লক্ষ্য করুন, একটি মিশরীয় টেলিভিশনে খালিদ আবদাল্লাহ নামক একজন ব্যক্তি এ প্রসঙ্গে কথা বলার পরই মূলত বিভিন্ন দেশে নৃশংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রমন য়। বহুবছর ধরে মানুষ ব্লগের অস্তিত্ব সম্পর্কেও অবগত ছিল না। এতদিন পর্যন্ত এসব ব্লগ কাউকে আঘাত করেনি কিংবা অস্থিতিশীল পরিস্থিতিও সৃষ্টি করেনি। তাই ধর্ম-অবমাননা সমস্যা নয়, সমস্যা হল সেসব রাজনৈতিক সংগঠন যারা অসহিষ্ণু এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নৃশংসতা ছড়ানোর জন্য এসব ব্লগ ব্যবহার করছে। তারা জোরপূর্বক বাংলাদেশকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাচ্ছে।

তাছাড়া এর কী নিশ্চয়তা আছে যে, আইন করলেই নৃশংসতা কমে যাবে? পাকিস্তানে তো ব্লাসফেমি আইন রয়েছে। এতে কি ওরা আমাদের চেয়ে ভালো আছে? এর চেয়ে আসুন-সবাইকে আমরা এটা বোঝানোর চেষ্টা করি সংঘর্ষ, নৃশংসতা কোনো সমস্যার সমাধান নয়। কাউকে কথা বলতে না দেওয়া পরমতসহিষ্ণুতার বহিঃপ্রকাশ নয় এবং এর ফলে সমাজে অসহিষ্ণুতা ও অসন্তুষ্টি বৃদ্ধি পায়। এর ফলে আসলে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।

ব্লাসফেমি আইন সত্যের সন্ধান ব্যাহত করে, এটা মানুষের জন্য খারাপ, মানবসভ্যতার বিকাশের জন্য ক্ষতিকর। এটা অগণতান্ত্রিক, বাকস্বাধীনতা খর্ব করে। ইতিহাস বলে, এধরনের আইন সবসময়ই সংখ্যালঘুদের নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েলের জন্য ব্যবহার করা হয়। আবারও আমরা এর উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তানের দিকে তাকাতে পারি।

এর ফলে কখনও সমাজে সহিষ্ণুতা ও শান্তিরক্ষা হয় না। এর দ্বারা ধার্মিকদের ধর্মানুভূতি রক্ষাও অসম্ভব।

অনুবাদ : অনীক ইকবাল

রেইনার এবার্ট : যুক্তরাষ্ট্রের রাইস ইউনিভার্সিটির দর্শনের ছাত্র, বাংলাদেশ লিবারাল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং অক্সফোর্ড সেন্টার ফর অ্যানিমেল ইথিক্স-এর এসোসিয়েট ফেলো।

রেইনার এবার্ট যুক্তরাষ্ট্রের রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনশাস্ত্রে পিএইচডি রত এবং বাংলাদেশ লিবারেল ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

মন্তব্যসমূহ

  1. khurshid মে 9, 2013 at 7:51 অপরাহ্ন - Reply

    লেখাটি সুন্দর, সুচিন্তিত ।

    কিন্তু বেশ দু:খের সাথে বলছি, একটি বিশেষ ধর্মের অনুসারীদের মিথ্যাচার ও ডিনায়াল খোদ মুক্তমনাতেই এতো বেড়ে গেছে যে শুধু দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ব্লগারদের গ্রেপ্তার, বিভিন্ন ব্লগ, সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল -এর প্রচারণা বন্ধ, সবদিক বিবেচনায় চিহ্নিত ব্লগারদের স্বার্থে চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি । ন্যাজিদের হলোকস্ট ডিনায়ালের মতো এরা অত্যন্ত মোটাদাগের মিথ্যা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে, অথচ এক ফুত্কারে তাঁদের দাবী উড়িয়ে দিতে সক্ষম হলেও তা থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে । তাঁদের ধর্মগ্রন্থের যে গ্রন্থ আমি নিজে পারিবারিক ও অ্যাকাডেমিকভাবে ছোটবেলা থেকে শিখেছি, যার জ্বাজ্বল্যমান জানা বাণীগুলো আমার চোখের সামনে ভাসা সত্ত্বেও কারও অনুরোধে তা আলোচনা থেকে বিরত থাকছি, এরা এখন শত বছরের অত্যাচারিত অন্য ধর্মীয় সম্প্রদায় আর নারীদের কান্না জহরব্রত বনু কুরায়জা, ‘স্ত্রীগণ` নামক অধ্যায়ের ২৪-২৫ সূত্রের যুদ্ধবন্দী নারীদের কিভাবে ধর্ষণ করতে হবে তার বাণী, ২৫নং অধ্যায়ের ৫২ নং সূত্র বিধর্মী নেতৃত্বকে স্বীকার না করে তাঁদের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণের বাণী, সংখ্যালঘু হয়ে থাকা রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্যসূচক ফতোয়া যে যখন দিয়েছেন এর কোন কিছুই উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকছি । বিরত থাকছি, পিডোফিলিয়া, বিধর্মী স্বামীর সামনে স্ত্রীধর্ষণ, সংগ্রহে থাকা প্রতাপান্বিত সম্রাটদের ঐতিহাসিক ফরমান যা নির্দিষ্ট পরধর্মের উপাসনালয় ভাঙা ও বিধর্মীদের বাধ্যতামূলক ধর্মান্তরকরণের ঐতিহাসিক ফর্মান, বলতে পারছি না এক লম্পট ব্যক্তির কথা যাঁর দাবি শিশুস্ত্রীর সাথে সঙ্গমের সময়ে দেবদূত কর্তৃক দৈববাণী প্রাপ্তি । বলতে পারছি না ঐ লম্পট কর্তৃক ২০% লুণ্ঠনের সম্পদ ও ক্রীতদাস দখলের অধিকারের কথা । বলতে পারছি না তাঁদের ধর্মগ্রন্থে সমতল পৃথিবীর ধারণার কথা, পুকুরে সূর্য ডোবার কাহিনী, সম্পদ বণ্টনের ভুল গাণিতিক হিসাবের কেচ্ছা । ১৯৭১-এ দক্ষিণ এশিয়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি যা সুস্পষ্টরূপে ঐ ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে পরিচালিত (এবং তা ঐ ধর্মের জ্ঞানীরা স্বীকার পর্যন্ত করেন)। এই সুযোগে এই বিকৃতমস্তিষ্ক শিশুধর্ষক লম্পটগুলো মুক্তমনায় মিথ্যাচার ও ডিনায়ালিজমের হামলা চালাচ্ছে ।

    • মরুঝড় মে 14, 2013 at 7:38 পূর্বাহ্ন - Reply

      @khurshid,
      একা একা খেলে কি লাভ। মাঠে আসেন।

      অথচ এক ফুত্কারে তাঁদের দাবী উড়িয়ে দিতে সক্ষম হলেও তা থেকে বিরত থাকতে হচ্ছে

      দিন ফুতকার।

  2. তারিক মে 8, 2013 at 4:07 পূর্বাহ্ন - Reply

    ব্লাসফেমি হল কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী পবিত্র মনে করে এমন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নিয়ে ব্যঙ্গ, অপমান বা সে সম্পর্কে বাজে কথা বলা। উদাহরণস্বরূপ, ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গীতে আল্লাহকে অপমান করা আল্লাহর অধিকারের বরখেলাপ। তাই একজন মুসলমানের কর্তব্য আল্লাহকে অপমান না করা। কিন্তু সেটা অবিশ্বাসী বা নাস্তিকদের (নাস্তিক কিন্তু কোনো গালি নয়!) জন্য প্রযোজ্য নয়। আর তাই একটি সেকুলার রাষ্ট্রে ধর্মীয় চেতনা বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে আইন প্রণয়নের কোনো সুযোগ নেই।

    সহমত ।।। (Y)

  3. সুষুপ্ত পাঠক মে 7, 2013 at 1:30 অপরাহ্ন - Reply

    মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আসলে কতটুকু? কিছুদিন আগে মাহমুদুর রহমানের আমার দেশ যা চালাল বা জামায়াতের বাঁশের কেল্লা যা চালায় সেসব মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে কিনা? বা যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলে তাও কতটা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যে আমরা ধরবো? নিশ্চয় আমরা তা ধরবো না। আমরা এর প্রতিবাদ করবো। নিষিদ্ধের দাবী জানাবো। অনুরূপভাবে যারা ইসলামিস্ট তারা তাদের রসূলকে নিয়ে বা আল্লাকে নিয়ে কিছু বললে নিষিদ্ধ বা ফাঁসির দাবী করতে পারে কি? আমরা তখন বলবো এসব মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিরোধী?

    পৃথিবীতে কতখানি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত?

    আমার নিজের মত হচ্ছে, একশভাগ। যার যা ভালো লাগবে না সে কানে আঙ্গুল দিয়ে বসে থাকবে। একদিন রাষ্ট্র বা ধর্ম বলতে হয়ত মানুষের সমাজে কিছু থাকবে না। থাকবে শুধু মানুষের সমাজ। সে সমাজের পথে সব রকম মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকাই সে পথকে ত্বরািনত্ব করবে।

    • বকধার্মিক মে 7, 2013 at 7:26 অপরাহ্ন - Reply

      @সুষুপ্ত পাঠক,

      পৃথিবীতে কতখানি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকা উচিত?

      আমার নিজের মত হচ্ছে, একশভাগ।

      একশবার – শুধু বুঝতে হবে – এটি একটি সামাজিক ন্যায় / অধিকার। অন্যের কথায় বা লেখায় রেগে গিয়ে তার প্রতিবাদ – করা যাবে – তবে তা শুধু অনুরূপ ভাবে কথায় ও লেখায় করতে হবে। ‘হস্ত থাকিতে মুখে কেন কও কথা’? বলা চলবে না।

      অন্যের প্রকাশিত মতের বিরোধীতা করার ছুতায় (যা প্রায়শঃ মতপ্রকাশের অধিকারের বিরোধীতায় পর্যবসিত হয়) – সমাজবিরোধী কাজকারবার করে – তার দায় – প্রাথমিক মতপ্রকাশকারীর ওপরে চাপিয়ে দিয়ে – তার কন্ঠরুদ্ধ করার ছাগু-সুলভ অপচেষ্টার প্রতিবাদ করা দরকার।

      একটি সৎ মত আর অন্তর্ঘাতী অভিসন্ধির পার্থক্য করে নিয়ে প্রথম টাকে রাখতে হবে। দ্বিতীয়টাকে উপড়ে ফেলা দরকার, কিন্তু সব সময়ে তা বোঝা যায় না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদেরকে প্রেক্ষাগৃহের ভিতরে – বিনা কারণে – আগুন আগুন বলে চেঁচানোর – ক্ষমতা দেয় না – কারণ এটি একটি অন্তর্ঘাতী অভিসন্ধি।

      কিন্তু অনেক সময় এই দুটোর পার্থক্য করা যায় না – যেমন

      ১] ধরা যাক আমি বললাম – “বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ পরমত অসহিষ্ণু ” এক্ষেত্রে আমার কাছে কোন তথ্য নেই – আর তার দরকার ও নেই কারণ সহিষ্ণুতা – একটি মানসিক অনুভূতি – এটিকে তথ্য দিয়ে নাকচ (বা প্রমাণ) করা – বেশ মুশকিল। তবে দূর থেকে বাংলাদেশ কে দেখে যেটুকু আন্দাজ পেয়েছি – সেটি এইরকম ঢাকা আর তার আশেপাশের অঞ্চলের লোকজনের মনোভাব এর সঙ্গে – সম্পূর্ণ বাংলাদেশের মনোভাব এর তফাত আছে। এটি সম্পূর্নরূপে আমার ব্যক্তিগত ধারণা – ভুল হতেই পারে – কিন্তু – তার জন্য কারোর আমার কল্লা ফেলে দেওয়া উচিত নয় – তবে প্রতিবাদ করা যেতেই পারে। আমার কাছে এটি সৎ ভাবে মত প্রকাশ – অনেকের কাছে এটি ‘জাতিগত কলঙ্কারোপণ’ মনে হতেই পারে। এবং এর জন্য আমি আগাম মাফ চেয়ে নিচ্ছি।

      ২] দৈনিক বাঁশঝাড় (কাল্পনিক নাম – নামটি দৈনিক কচুপাতাও হতে পারত) পত্রিকার সম্পাদক বললেন – শাহবাগ আন্দোলন এর সঙ্গে যুক্ত অধিকাংশ মানুষ নাস্তিক। হতে পারে এটাও ওনার ব্যক্তিগত (সৎ!!) মত – এর জন্যও কেউ ওনার কল্লা ফেলে দিক তা কিন্তু বলা যাবে না। প্রতিবাদ হতেই পারে। আস্তিক নাস্তিক তফাৎ তুলনায় অনেক বেশি স্বছ – দৈবচয়ন করে নমুনা পরীক্ষা করলেই আঁচ পাওয়া যেত – যদিও আমার সন্দেহ – আমার মতই সম্পাদকীয় অভিযোগটি – মনগড়া – অর্থাৎ তথ্য বিহীন অভিযোগ। শুধু সেটাই নয় – গন্ডগোল বাধাবার অন্তর্ঘাতী অভিসন্ধিমূলক ও বটে !! কিন্তু এই অন্তর্ঘাতী অভিসন্ধি – প্রমাণ করা সম্ভব নয় – তাই শুধু তথ্যবিহীনতা কে তুলে ধরে প্রতিবাদ করতে হবে – সেটাই একমাত্র পন্থা – মতপ্রকাশের অধিকারের সুষ্ঠু ব্যবহার ও বটে।

      আশা রাখি আপনার প্রশ্নের যথাযথ উত্তর দিতে পেরেছি। :-s

  4. সংবাদিকা মে 7, 2013 at 5:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    ১. বাংলাদেশে ব্লাসফেমি আইন হবার সম্ভাবনা প্রায় নেই । আর হেফাজতি দাবী পূরণ বড় দল গুলোর পক্ষে করা সম্ভব নয় ইচ্ছে করলেও পারবেনা।

    ২. “মত প্রকাশের স্বাধীনতা” এটার লিমিট কতটুকু???

    এমন অনেক প্রকার “speech” আছে যেসব দিলে পৃথিবীর সবচাইতে উদার দেশেও জেলে যেতে হতে পারে! এখানে বিস্তারিত লেখার কিছু নাই। নেটে সামান্য ঘাঁটলেই জানা যাবে।

    শুধু এতুটুকুই বলতে পারি – absolute freedom of speech instigates absolute lawlessness in the society.

    • বকধার্মিক মে 7, 2013 at 2:49 অপরাহ্ন - Reply

      @সংবাদিকা,

      absolute freedom of speech instigates absolute lawlessness in the society

      লেখাটির মধ্যে ‘পরম’ শব্দটি ব্যবহার হয়নি (freedom of speech প্রসঙ্গে ) – কিন্তু লেখকের মনোভাব এর মধ্যে সেটি খুঁজে পেয়ে, বাকস্বাধীনতার সীমানা সন্ধান করেছেন। বাকস্বাধীনতার উদগাতা(রা)ই কিন্তু একে সীমাবদ্ধ করে দিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে আর অনেকে এই নীতির সংযোজন ও বিয়োজন করেছেন। সংক্ষেপে বলতে গেলে – ‘হেফাজতে ইসলাম’ নামক “অরাজনৈতিক” সংগঠন (পায়জামার বুকপকেট) – ধর্র্মীয় আইন লাগু করার যে ‘ছাগু’ (বাকস্বাধীনতার প্রয়োগ) দাবী করেছেন – সেটিকেও ওই একই বাকস্বাধীনতার দোহাই দিয়ে ছাড় দিতে আমরা বাধ্য। তবে তারা যে দাবী তুলেছে তা পূরণ হলে বাকস্বাধীনতার হরণ হবে অনেক ক্ষেত্রেই। :-O

      আর দাবী পূরণের রাস্তা হিসেবে যে চরম / পরম পথ ওনারা বেছে নিয়েছেন – তার তুলনায় বাকস্বাধীনতা অনেক বেশী নিরীহ। যদিও অন্যের বাকস্বাধীনতায় ক্ষিপ্ত হয়ে করা – অগ্নিসংযোগ, লুঠতরাজ, খুন, ধর্ষণ, জবাই, ধর্মস্থান কলুষিতকরণ ইত্যাদি কে বাঁচাতে মানুষে(?) যুগে যুগে স্বরচিত উদ্ধৃতির ত্যানা পেঁচিয়ে এসেছে – তবুও আজ মনে হয় উত্তর টা আমরা জানি – যারা শিং উঁচিয়ে কথা বলে (এবং গুঁতোয়) তাদের বাকস্বাধীনতা থাকতে পারে না – এটাই একমাত্র লিমিট – ব্লগ এ লিখে বা লাউড্স্পীকার এ চেঁচিয়ে – কোনো ব্যক্তি বা বর্গের আদ্যশ্রাদ্ধ করলে – সেটি সীমিতকরণের কোন কারণ দেখি না। (I)

      পরিশেষে বলি – I disapprove of what you say, & I will hack (you) to the death for your saying it – নামক যে নিন্দনীয় লিমিট বাকস্বাধীনতার উপরে বসানোর প্রয়াস চলছে – তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার। (Y)

      • সংবাদিকা মে 8, 2013 at 2:02 পূর্বাহ্ন - Reply

        @বকধার্মিক,

        মন্তব্যর কোথাও দাবী করা হয়নি যে লেখক তেমন দাবী করেছেন কিংবা করতে চেয়েছেন। ছবির অর্ধেক দেখলে অথবা ভিডিওর খণ্ডিত অংশ কিংবা ঘটমান কোন ঘটনার সামান্য অংশ হঠাৎ দেখলে যেমন হতে পারে আপনার মন্তব্য তেমনি কিছু ফুটে উঠেছে।

        • বকধার্মিক মে 8, 2013 at 9:58 পূর্বাহ্ন - Reply

          @সংবাদিকা,

          ছবির অর্ধেক দেখলে অথবা ভিডিওর খণ্ডিত অংশ কিংবা ঘটমান কোন ঘটনার সামান্য অংশ হঠাৎ দেখলে যেমন হতে পারে আপনার মন্তব্য তেমনি কিছু ফুটে উঠেছে।

          মারফতী কমিয়ে এট্টু বিশদে ব্যাখ্যা দিলে – যারপরনাই আহ্লাদিত হব।

          আর হ্যা, I disapprove of what you say – in English.

          absolute freedom of speech instigates absolute lawlessness in the society

          আইন কানুন হীনতা র জন্য দায়ী কিছু শক্তিশালী ‘বোবা ও কালা’ – যাদের জীবনের মূলমন্ত্র – হস্ত থাকিতে মুখে কেন কও কথা – কথায় রয়েছে চোরা না শুনে ধর্মের (ন্যায় অর্থে ধর্ম – বিশ্বাস অর্থে নয়) কাহিনী। তাদের শুধু ছুতো লাগে – instigated – হবার।

          তাই, বাংলাদেশে (প্রায় সব দেশ-ই এক) – আইন কানুন এর তোয়াক্কা না করে – হস্ত ও পদ প্রভৃতি নিক্ষেপ করার যে ‘Absolute Freedom’ রয়েছে তাই হিংসা-র একমেবাদ্বিতীয়ম কারণ। ঘুরপথে অন্যকিছু কে দায়ী করা একরকম মানসিক দৈন্য বই আর কিছু নয়। যারা সবকিছুতেই ‘প্রভোকিত’ হতে চায় – তারা হউক – কোনো আপত্তি নেই – কিন্তু তারা যদি নিজেদের হাত পা ছোঁড়া র সময় অন্যের নাক বাঁচানোর বিন্দুমাত্র প্রচেষ্টা না করে – তাইলে তাদের কে যে কোন উপায়ে আটকানো আশু প্রয়োজন – তারা কি কারণে হাত পা নিক্ষেপ করে – তা অনুসন্ধান ব্যতিরেকে।

          শেষে স্বরচিত উদ্ধৃতি – Absolute freedom over the usage of hand & leg – is the sole cause of violence – এইটি সর্বাগ্রে লিমিট করা হোক – পরে অন্য দিকে ‘অঙ্গুলি’ নির্দেশ করবেন।

          • সংবাদিকা মে 8, 2013 at 11:46 অপরাহ্ন - Reply

            @বকধার্মিক,

            বাংলাদেশে (প্রায় সব দেশ-ই এক) – আইন কানুন এর তোয়াক্কা না করে – হস্ত ও পদ প্রভৃতি নিক্ষেপ করার যে ‘Absolute Freedom’ রয়েছে তাই হিংসা-র একমেবাদ্বিতীয়ম কারণ। ঘুরপথে অন্যকিছু কে দায়ী করা একরকম মানসিক দৈন্য বই আর কিছু নয়। যারা সবকিছুতেই ‘প্রভোকিত’ হতে চায় – তারা হউক – কোনো আপত্তি নেই – কিন্তু তারা যদি নিজেদের হাত পা ছোঁড়া র সময় অন্যের নাক বাঁচানোর বিন্দুমাত্র প্রচেষ্টা না করে – তাইলে তাদের কে যে কোন উপায়ে আটকানো আশু প্রয়োজন – তারা কি কারণে হাত পা নিক্ষেপ করে – তা অনুসন্ধান ব্যতিরেকে।

            নিপাট ক্রাইম এর সাথে সামাজিক ডিলেমা মেশালে ওটা খিচুড়ি হয়ে যায়!

            • বকধার্মিক মে 9, 2013 at 10:03 পূর্বাহ্ন - Reply

              @সংবাদিকা,

              প্রথম প্রশ্নটির কোন উত্তর পাই-নি, এখনও। প্রত্যেকবার এসে এক একটি তুমুল ‘one-liner’ দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যান। 😕

              নিপাট ক্রাইম এর সাথে সামাজিক ডিলেমা মেশালে ওটা খিচুড়ি হয়ে যায়!

              তবে এতে আমার উত্তর কিন্তু পাল্টায় না

              মারফতী কমিয়ে এট্টু বিশদে ব্যাখ্যা দিলে – যারপরনাই আহ্লাদিত হব।

              :rotfl:

মন্তব্য করুন