বাংলাদেশে টর্নেডোর ইতিহাস


ছবি সূত্র

কিছুদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভয়াবহ টর্নেডো হয়ে গেল। ৩১ জনেরও বেশি মানুষ এই পর্যন্ত মৃত্যুবরন করেছেন, আহত হয়েছেন ৫০০ জনেরও বেশি এবং কোটি কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।

খুব স্বাভাবিক ভাবেই এর কোন পূর্বাভাস কেউ দিতে পারেননি। ভূমিকম্পের মত টর্নেডো তেও এখনো কোন পূর্বাভাস দেওয়া খুবই কষ্টকর এবং বিজ্ঞানীরা এটা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন ।

পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকা টর্নেডো হলেও সবচাইতে পরিচিত (টিভি এবং সিনেমার বদৌলতে) যুক্তরাষ্ট্রের গ্রেট প্লেইনের টর্নেডো। সেখানে সাধারণত একটি সিজনে টর্নেডো বেশি হয়। তাছাড়া ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকার দক্ষিণ অংশে এবং দক্ষিণ এশিয়ার দক্ষিন-পূর্ব অংশে টর্নেডো বেশি দেখা যায় । তাছাড়া অন্যান্য এলাকাতেও হতে পারে।

বিশ্বের টর্নেডো প্রবন এলাকা –

ছবি সূত্র

যাই হোক, অনেকের কাছে অজানা হলেও বাংলাদেশে টর্নেডো মোটেও নতুন দুর্যোগ নয়। ব্রাক্ষনবাড়িয়ায় টর্নেডো হলে অনেক বিশেষজ্ঞ বলেছেন এটা বাংলাদেশের জন্য বিরল কিংবা জলবায়ুর পরিবর্তনের লক্ষণ ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু সত্য হল বাংলাদেশে টর্নেডোর ইতিহাস বেশ পুড়নো। বাংলাদেশে বন্যা কিংবা ঘূর্ণিঝড়ের মত টর্নেডো একটি সিজনে প্রতিবছর হয়না বলে সাধারণ মানুষের কল্পনায় এটা থাকেনা। বাংলাদেশে ভূমিকম্পও তেমন; যদিও সমসাময়িক কালে এটা নিয়ে বিপুল প্রচার হচ্ছে।

দুঃখজনক কিছু আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ এসব নিয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারেননা। আসলে বাহিরের দেশ তথা আমেরিকা এবং জাপানের আবহাওয়া, বায়ুমণ্ডলীয় কিংবা ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা থেকে ফ্রি তথ্য পেতে পেতে তারা কোন মাথা খাটানোর প্রয়োজন মনে করেননা। তাছাড়া এই আবহাওয়া-ভূতাত্ত্বিক জরিপ এবং তদ সংলগ্ন বিষয়গুলো যেকোনো দেশের সামরিক বাহিনীর অন্যতম জরুরী কাজ হলেও তাদের পুলিশি দায়িত্ব কিংবা অজাতিত রাজনৈতিক ব্যাপার চিন্তা করতেই দিন শেষ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের “আবহাওয়া অধিদপ্তর”, “প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়” এবং “ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর” “বিদ্যুৎ, জ্বালানী এবং খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়” এর অধীনে কাজ করে।

আরেকটা ব্যাপার, বাংলা উইকিপিডিয়াতেও এই বিষয়ে তথ্য ঠিকমত পরিবেশন করা নাই!!! আসলে নিজে না ভুগলে বাঙ্গালীর যে হুশ হয়না কথাটা সম্পুর্ন ভুল নয়া! বেশিরভাগ তথ্যই আমেরিকা কেন্দ্রিক। এটা যেহেতু বাংলায় লেখা, খুব স্বাভাবিক ভাবেই এই অঞ্চলের তথ্যর প্রাধান্য না থাকলেও অন্তত কিছু থাকা উচিত। বাংলা উইকিপিডিয়ার এই “টর্নেডো” ভুক্তির লেখকবৃন্দ বাংলাদেশের তথ্য দূরে থাক; বাংলাদেশের জন্য কোন সূত্রও উল্লেখ করেননি । আশা করি তাড়াতাড়ি এটা সম্পাদনা করা হবে।

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন (হারিক্যান/টাইফুন) এবং টর্নেডোর মধ্য সাধারণ পার্থক্য –

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন তথা হারিকেন কিংবা টাইফুন হল ক্রান্তীয় অঞ্চলের সমুদ্রে সৃষ্ট বৃষ্টি, বজ্র ও প্রচন্ড ঘূর্ণি বাতাস সম্বলিত আবহাওয়ার একটি নিম্ন-চাপ প্রক্রিয়া যা নিরক্ষীয় অঞ্চলে উৎপন্ন তাপকে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত করে। এই ধরনের ঝড়ে বাতাস প্রবল বেগে ঘুরতে ঘুরতে ছুটে চলে বলে এর নামকরণ হয়েছে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন। ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের ঘূর্ণন উত্তর গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ঘড়ির কাঁটার দিকে।

টর্নেডো হল বায়ু-স্তম্ভের আকারে সৃষ্ট প্রচণ্ড বেগে ঘূর্ণায়মান ঝড় যা মেঘ এবং পৃথিবীপৃষ্ঠের সাথে সংযুক্ত থাকে। টর্নেডোর আকৃতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি দৃশ্যমান ঘনীভূত ফানেল আকৃতির হয়, যার চিকন অংশটি ভূপৃষ্ঠকে স্পর্শ করে এবং এটি প্রায়শই বর্জ্যের মেঘ দ্বারা ঘিরে থাকে।

ট্যাকনিক্যালি, টর্নেডো, হারিকেন, টাইফুন, ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সবই সাইক্লোন। আবার হারিকেন, টাইফুন এবং ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সবই এক কিন্তু একেক জায়গায় একেক নামে ডাকা হয়। আবার পপুলার ভাবে সাইক্লোন বলতে এখন শুধু ট্রপিক্যাল সাইক্লোন, হারিকেন, টাইফুনকে বোঝানো হয়; যেমন, বাংলাদেশ সহ দক্ষিণ এশিয়ায় ট্রপিক্যাল সাইক্লোন শুধু সাইক্লোন নামেই বেশি পরিচিত তেমনি আমেরিকায় হারিকেন এবং পূর্ব এশিয়ায় টাইফুন নামে পরিচিত।

সহজ ভাবে,
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোন কয়েকশ মাইল বিস্তৃত, টর্নেডোর বিস্তৃতি সাধারণত এক মাইলের কম।
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সমুদ্রের উষ্ণ জলরাশির উপর গঠিত হয়, টর্নেডো স্থলভাগে গঠিত।
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোন কয়েকদিন হতে কয়েক সপ্তাহ ব্যাপী স্থায়ী, টর্নেডো স্বল্প সময় ব্যাপী সাধারণত ২-৩০ মিনিট হতে সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা (খুবই বিরল)।
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বায়ু মণ্ডলের স্বাধীন সিস্টেম, টর্নেডো স্বাধীন সিস্টেম নয়।
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৭০ থেকে ১৬০ মাইল হতে পারে, টর্নেডোতে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৩০০ মাইল হতে পারে।
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোনে ধ্বংসের মাধ্যম বাতাস, বৃষ্টি, বন্যা, বাতাসের সাথে উড়ে আসা বস্তু, টর্নেডোতে ধ্বংসের মাধ্যম বাতাস, বাতাসের সাথে উড়ে আসা বস্তু।
* ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সাধারণত খুব ভালো ভাবেই পূর্বাভাস দেওয়া যায়, টর্নেডোর পূর্বাভাস দেওয়ার কার্যকরী পদ্ধতি এখনো সেরকম উপযোগী হয়নি ।

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন এবং টর্নেডোর মধ্য আরও অনেক কারিগরি পার্থক্য আছে, তবে তা এই পোস্টের স্কোপের বাহিরে।

পৃথিবীর তালিকাভুক্ত সবচাইতে ধ্বংসাত্মক ১০ টির মধ্য ৫ টিই এদেশে হয় এবং ৪০ টির ১৮ টিই এই অঞ্চলে হয়!!! তাছাড়া ১৮০০ শতাব্দীর আগেও অনেক টর্নেডো হয়েছিল যার লিখিত তালিকা ইউরোপ ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নেই।

সবচাইতে মারাত্মক ১৫ টি টর্নেডো (উল্লেখ্য, টর্নেডোর তীব্রতার দিক থেকে নয়, ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রানহানির দিক থেকে) –

মৃত্যু এবং আহতের তালিকা আনুমানিক (সর্বনিম্ন) এবং স্থান হিসেবে জেলা কিংবা অংগরাস্ট্র উল্লেখ করা হয়েছে।

০১. মানিকগঞ্জ – বাংলাদেশ – ১৯৮৯/০৪/২৬ – মৃত্য ১৩০০ – আহত ১২০০০।

০২. ঢাকা – বাংলাদেশ – ১৯৬৯ /০৪/১৪- মৃত্যু ৯২৩ – আহত সঠিক তথ্য নেই

০৩. মিসৌরি, ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা – মার্কিন যুক্তরাস্ট্র – ১৯২৫/০৩/১৮ – মৃত্য ৬৯৫ – আহত ২০২৭

০৪. মানিকগঞ্জ এবং নবাবগঞ্জ – বাংলাদেশ – ১৯৭৩/০৪/১৭ – মৃত্যু ৬৮১

০৫. ভেলেটা – মাল্টা – ১৫৫১-০৯/২৩ – মৃত্য ৬০০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

০৬. মাগুরা এবং নড়াইল – বাংলাদেশ – ১৯৬৪/০৪/১১- মৃত্য ৫০০থেকে ১৪০০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

০৭. সিসিলি – ইটালি – ১৮৫১ /– / ১২ – মৃত্য ৫০০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

০৮. মাদারীপুর – বাংলাদেশ -১৯৭৭/০৪/০১ – মৃত্য ৫০০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

০৯. ইভানভো এবং ইয়োরোস্লাভ – রাশিয়া – ১৯৮৪/০৬/০৯ – মৃত্য ৪০০- আহত ২১৩

১০. মিসিসিপি – যুক্তরাষ্ট্র – ১৮৪০/০৫/০৬ – মৃত্য ৩১৭-আহত ১০৯

১১. পশ্চিম বঙ্গ – ভারত – ১৯৬৩/০৪/০৯ – মৃত্য ৩০০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

১২. বরিশাল – বাংলাদেশ – ১৯৭২/০৪/২৯ – মৃত্য ৩০০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

১৩. কুমিল্লা – বাংলাদেশ – ১৯৬৯/০৪/১৪ – মৃত্যু ২৬৩ – আহত সঠিক তথ্য নেই

১৪. মিসৌরী – যুক্তরাষ্ট্র – ১৮৯৬/০৫/০৭ – মৃত্য ২৫৫ – আহত ১০০০

১৫.উড়িষ্যা এবং পশ্চিম বঙ্গ – ভারত – ১৯৯৮/০৩/২৪ – মৃত্য ২৫০ – আহত সঠিক তথ্য নেই

বাংলাদেশে পূর্বে সংঘটিত টর্নেডোর তালিকাঃ

১৮৫৩ সাল হতে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এবং আশেপাশের এলাকায় সংঘটিত টর্নেডোর তালিকা

বাংলাদেশে সংঘটিত টর্নেডো বিষয়ক কার্যকরী এবং তথ্যবহুল ওয়েবসাইট –

১. Bangladesh and East India Tornado Prediction Site by : Jonathan D. Finch

২. Tornados in Bangladesh and East India – Jonathan D. Finch and Ashraf M. Dewan

অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইটঃ

১. TORNADO PROJECT ONLINE
২. NATIONAL SEVERE STORMS LABORATORY

বেসামরিক সরকারী সংস্থাঃ

১.বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
২.বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর
৩.National Oceanic and Atmospheric Administration, USA
৪.U.S. Geological Survey, USA

উইকিপিডিয়াঃ

১.Tornado- English
২.টর্নেডো – বাংলা
৩.List of tornadoes and tornado outbreaks
৪.Deadliest tornadoes on record
৫. Cyclone
6. Tropical Cyclone

About the Author:

http://songbadika.blogspot.com/

মন্তব্যসমূহ

  1. কাজি মামুন মার্চ 28, 2013 at 9:07 অপরাহ্ন - Reply

    অনেক আগে, খুব সম্ভবত সিএনএনে, বাংলাদেশের টর্ণেডোকে নিয়ে রিপোর্ট দেখেছিলাম। বা্ংলাদেশকে অন্যতম টর্নেডো প্রবণ এলাকা বলা হয়েছিল।

    ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৭০ থেকে ১৬০ মাইল হতে পারে, টর্নেডোতে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৩০০ মাইল হতে পারে।

    তার মানে, টর্নেডোর শক্তি সাইক্লোনকে ছাড়িয়ে যেতে পারে, তবে ক্ষনস্থায়ি হওয়াতেই ধ্বংসক্ষমতা তুলনামূলক কম!

    টর্নেডোর পূর্বাভাস দেওয়ার কার্যকরী পদ্ধতি এখনো সেরকম উপযোগী হয়নি ।

    কিন্তু কেন?

    • সংবাদিকা মার্চ 29, 2013 at 4:05 অপরাহ্ন - Reply

      @কাজি মামুন,

      কিন্তু কেন?

      টর্নেডো নতুন ভাবে সৃষ্ট স্বাধীন সিস্টেম নয়, বরঞ্চ বিদ্যমান কোন বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থার সামান্য তারতম্যর কারণে সৃষ্ট ফলাফল। টর্নেডোর সমস্ত উপাদান ( শীতল শুষ্ক বায়ু, উষ্ণ-আর্দ্র বায়ু, বায়ু গতি, চাপ, বজ্র-ঝড় ইত্যাদি) থাকার পরও টর্নেডো হয়না কিংবা হওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যই শেষ হয়ে যায়। আবার সৃষ্টি হতে ধ্বংসযজ্ঞের স্থান খুবই কাছাকাছি থাকে বিধায় সৃষ্টি হবার পর ঘোষণা দিলে খুব বেশি লাভও হয়না অন্যদিকে ঘটনা-পূর্ব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পূর্বাভাসের পর যদি উক্ত ঘটনা সঙ্ঘটিত না হলে এটার দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রভাবও ঋণাত্মক তাই সেটাও খেয়াল রাখা হয়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ, সৃষ্টির মাত্রা এবং পূর্বাভাস দেবার খরচের অনুপাতও একটি বিষয়।

      সব মিলিয়ে বলা যায় এই দক্ষিণ এশিয়ায় যদি টর্নেডো পূর্বাভাস নিয়ে কোন কিছু করা হয় তাহলে এটা সাহসী সিদ্ধান্তই হবে। এখন পর্যন্ত টর্নেডো পূর্বাভাসের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্ভবত ডপলার রাডার যা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে, যদিও এটা ব্যবহার করেও পুঙ্খানুপুঙ্খ পূর্বাভাস দেওয়া যায়না।

      বিস্তারিত – Can Tornado Prediction Be Improved? – Scientific American

      • কাজি মামুন মার্চ 29, 2013 at 4:12 অপরাহ্ন - Reply

        @সংবাদিকা,

        আচ্ছা, আমার একটি প্রশ্ন আছেঃ সাগর থেকে সৃষ্ট বলে উপকুলের জেলাগুলোতেই সাইক্লোন হবে, তাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভূমিকম্প যেমন কিছু কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় হয়,তেমনি টর্ণেডোও মানিকগঞ্চ বা ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মত জেলাগুলোতে হয় শুধু। ভূমিকম্পের কারণ হিসেবে আমরা টেকটোনিক প্লেটের কথা জানি। কিন্তু টর্ণেডোর এই অঞ্চলপ্রবণতার কারণ কি?

        আর হ্যা, আগের মন্তব্যে আপনার এই দারূন সময়োপযোগী ও তথ্যভরপুর লেখাটার জন্য ধন্যবাদ জানাতে ভুলে গিয়েছিলাম। সেজন্য স্যরি!
        অনেক ধন্যবাদ, সাংবা্দিকা! (F)

  2. রামগড়ুড়ের ছানা মার্চ 28, 2013 at 6:09 অপরাহ্ন - Reply

    লেখাটি চমৎকার তথ্যসমৃদ্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে একটা কথা না বলে পারছিনা:

    এটা যেহেতু বাংলায় লেখা, খুব স্বাভাবিক ভাবেই এই অঞ্চলের তথ্যর প্রাধান্য না থাকলেও অন্তত কিছু থাকা উচিত। বাংলা উইকিপিডিয়ার এই “টর্নেডো” ভুক্তির লেখকবৃন্দ বাংলাদেশের তথ্য দূরে থাক; বাংলাদেশের জন্য কোন সূত্রও উল্লেখ করেননি । আশা করি তাড়াতাড়ি এটা সম্পাদনা করা হবে।

    অবশ্যই এই অঞ্চলের তথ্য থাকা উচিত তবে তথ্য যোগ করার দায়িত্ব আসলে কার? “টর্নেডো” ভুক্তির লেখকবৃন্দ আসলে কারা? উইকিতেতো তথ্য দিতে হবে আমাদেরই। আপনার কাছে টর্নেডো নিয়ে অনেক তথ্য আছে, রেফারেন্সও আছে, আপনি নিজেই কিন্তু পারেন সেটা উইকিতে যোগ করে সমৃদ্ধ করতে, আরেকজন সম্পাদনা করবে এ আশায় বসে থাকলে কিছু হবেনা, আপনি যে বিষয়ে ভালো জানেন সে বিষয়ে আপনাকেই সম্পাদনা করতে হবে।

    লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

    • সংবাদিকা মার্চ 28, 2013 at 8:31 অপরাহ্ন - Reply

      @রামগড়ুড়ের ছানা,

      “টর্নেডো” ভুক্তির লেখকবৃন্দ আসলে কারা? উইকিতেতো তথ্য দিতে হবে আমাদেরই। আপনার কাছে টর্নেডো নিয়ে অনেক তথ্য আছে, রেফারেন্সও আছে, আপনি নিজেই কিন্তু পারেন সেটা উইকিতে যোগ করে সমৃদ্ধ করতে, আরেকজন সম্পাদনা করবে এ আশায় বসে থাকলে কিছু হবেনা, আপনি যে বিষয়ে ভালো জানেন সে বিষয়ে আপনাকেই সম্পাদনা করতে হবে।

      এই পোষ্টের মূল উদ্দেশ্য একটি “শীতনিদ্রায়” থাকা বিষয় জানান দেওয়া / সামনে নিয়ে আসা। এজন্য আমি এখানে বিস্তারিত না লেখে কার্যকরী রেফারেন্স গুলো বেশি দিয়েছি।

      লেখক তথা অনুবাদক কিংবা সম্পাদকতো নিশ্চয়ই একজন আছেন। উইকিপিডিয়াতে অনেক আর্টিকেলের সম্পাদনা অপশন ক্লোজড করা থাকে। আমি একজন বাংলা উইকি-প্রশাসকের ব্যবহারকারী আলাপে এই বিষয়টি (টর্নেডো ভুক্তি) সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষন করেছি। আপনার মতের সাথে পূর্ন সহমত সবারই উচিত উইকি সমৃদ্ধ করার জন্য কাজ করা, যতটুকু পারা যায় ততটুকু পারলেও।

      আপনার মন্ত্যব্যর জন্য ধন্যবাদ 🙂

      • রামগড়ুড়ের ছানা মার্চ 28, 2013 at 8:39 অপরাহ্ন - Reply

        @সংবাদিকা,

        লেখক তথা অনুবাদক কিংবা সম্পাদকতো নিশ্চয়ই একজন আছেন।

        একজন না, উইকির সম্পাদক আপনার আমার মতোই সাধারণ মানুষরা, নিয়োগপ্রাপ্ত কোন অনুবাদক বা লেখক সেখানে নেই। আমি মাঝেমধ্যে আমার পছন্দের বা জানার বিষয় এডিট করে থাকি, আপনিও সেভাবেই করতে পারেন। আর প্রশাসকের কাজ মূলত কেও উল্টা-পাল্টা কিছু লিখছে কিনা বা রেফারেন্স ঠিক আছে কিনা এসব দিকে খেয়াল রাখা।

        উইকিপিডিয়াতে অনেক আর্টিকেলের সম্পাদনা অপশন ক্লোজড করা থাকে।

        সে সব আর্টিকেলের সংখ্যা খুবই কম। বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কারণে অনেক সময় সম্পাদনা অপশন বন্ধ করা হয়, এছাড়া না। আপনি চাইলেই টর্নেডো নিয়ে লেখাটা এডিট করতে পারবেন। আপনার কাছে যেহেতু তথ্য আছে এবং ব্লগ লেখায় পারদর্শী তাই খুবই ভালো হবে কারো অপেক্ষায় না থেকে আপনি নিজেই যদি কাজটি করেন।

        • সংবাদিকা মার্চ 28, 2013 at 8:57 অপরাহ্ন - Reply

          @রামগড়ুড়ের ছানা,

          একজন না, উইকির সম্পাদক আপনার আমার মতোই সাধারণ মানুষরা, নিয়োগপ্রাপ্ত কোন অনুবাদক বা লেখক সেখানে নেই।

          আপনার কাছে যেহেতু তথ্য আছে এবং ব্লগ লেখায় পারদর্শী তাই খুবই ভালো হবে কারো অপেক্ষায় না থেকে আপনি নিজেই যদি কাজটি করেন।

          আমি ঐ একটি ভুক্তি নিয়ে বলেছি। আসলে আমি এই পর্যন্ত উইকিপিডিয়াতে কিছু আর্টিকেলে লিখেছি এবং সামান্য কতগুলোতে তথ্যযোগও করেছি। আর্টিকেলে কিছু যোগ করতে হলে আগে এবং পরে সামান্য যোজন-বিয়োজন কিংবা ঈষৎ পরিবর্তন করতে হয়। সময় পেলে এটাতেও তথ্যযোগ করার চেষ্টা করব।

          ধন্যবাদ 🙂

          • রামগড়ুড়ের ছানা মার্চ 28, 2013 at 9:31 অপরাহ্ন - Reply

            @সংবাদিকা,

            আসলে আমি এই পর্যন্ত উইকিপিডিয়াতে কিছু আর্টিকেলে লিখেছি এবং সামান্য কতগুলোতে তথ্যযোগও করেছি।

            দারুণ, চালিয়ে যান (Y) ।

মন্তব্য করুন