রিচার্ড ডকিন্স’এর প্রতি ভালোবাসা

By |2013-03-22T08:04:31+00:00মার্চ 22, 2013|Categories: ব্লগাড্ডা|15 Comments

রিচার্ড ডকিন্স কে তা আমরা সবাই কম-বেশি জানি তারপরও পোস্টের কারণে রিচার্ড ডকিন্স সর্ম্পকে কিছু বলতে হচ্ছে।

ক্লিন্টন রিচার্ড ডকিন্স (জন্ম মার্চ ২৬ ১৯৪১) একজন ইংরেজ বিবর্তনবাদ বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী, এবং বিজ্ঞান লেখক। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এর চার্লস সিম্নোয়ি চেয়ার ইন দি পাবলিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং অফ সায়েন্স-এর অধিষ্ঠিত ছিলেন, সম্প্রতি ২০০৮ সালে তিনি এই পদ থেকে অবসর নিয়েছেন । অধ্যাপক ডকিন্স ‘সেলফিশ জিন‘ গ্রন্থটির জন্য বিদ্বৎ সমাজে পরিচিত। তার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের মধ্যে আছে, এক্সটেডেড ফেনোটাইপ, ব্লাইন্ড ওয়াচমেকার, রিভার আউট অব ইডেন, ক্লাইম্বিং মাউন্ট ইম্প্রবেবল, আনউইভিং দ্য রেইনবো, ডেভিলস চ্যাপ্লিন, অ্যান্সেস্টর টেল, দ্য গড ডিলুশন এবং দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। তিনি আধুনিক বিশ্বে সাধারণ মানুষদের মধ্যে বিবর্তনকে জনপ্রিয়করণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।- তথ্যসূত্র-উইকিপিডিয়া।

রিচার্ড ডকিন্স এর দি গড ডিল্যুশনের অনুবাদ যদি পড়তে চান তাহলে ক্লিক করুন এখানে এবং রিচার্ড ডকিন্স এর দি গ্রেটেষ্ট শো অন আর্থের অনুবাদ এখানে
অনুবাদ দুইটি করেছেন কাজী মাহবুব হাসান

আমার মা, শিল্পী আসমা সুলতানা মিতা রিচার্ড ডকিন্স এর প্রতি ভালোবাসা ও যুক্তিবাদী বন্ধুদের জন্য রিচার্ড ডকিন্স এই ছবিটি এঁকেছেন।

শিল্পী : আসমা সুলতানা
শিরোনাম : রিচার্ড ডকিন্স
সময়: ২০১৩
মাধ্যম : ডিজিটাল
আকার : ৬.৫ ইঞ্চি ৩.৫ ইঞ্চি

About the Author:

মুক্তমনা ব্লগার। ব্যক্তিগত ব্লগের ঠিকানা: https://songsoptok.net (সংশপ্তক.নেট)

মন্তব্যসমূহ

  1. আ, হা, মহিউদ্দীন মার্চ 25, 2013 at 12:00 পূর্বাহ্ন - Reply

    @সুব্রত শুভ

    আপনার দেয়া উত্তর এবং ডকিন্স এর প্রতি ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ । আমার বিদ্যা বুদ্ধি কম তাই কিছুই
    বুঝতে পারি না ।

  2. আ, হা, মহিউদ্দীন মার্চ 23, 2013 at 7:33 অপরাহ্ন - Reply

    @সুব্রত শুভ

    এখানে কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে জানালে খুশী হবো । অনাধিকার চর্চার জন্য দুখিত ।

    • সুব্রত শুভ মার্চ 24, 2013 at 10:33 অপরাহ্ন - Reply

      @আ, হা, মহিউদ্দীন,

      কোন আলোচনা তো হচ্ছে না। পোস্ট টি আবার ভাল মতন দেখুন তাহলেই বুঝবেন কী হচ্ছে।

  3. আ, হা, মহিউদ্দীন মার্চ 23, 2013 at 7:34 পূর্বাহ্ন - Reply

    @সৈকত চৌধুরী

    মন্তব্য করা হয়েছে সুব্রত শুভের লেখার উপর । ডকিন্সের লেখা আছে, কিন্তু তত্ত্ব নাই । মার্ক্স তত্ত্ব স্বীকৃত ।
    সর্বজন স্বীকৃত তত্ত্বের উপর আপনার ঘৃণা । আপনার বক্তব্যের উপর আমার কোন মন্তব্য নাই

    • সুব্রত শুভ মার্চ 23, 2013 at 2:42 অপরাহ্ন - Reply

      @আ, হা, মহিউদ্দীন,

      এখানে তো ডকিন্সের লেখা বা তার তত্ত্ব নিয়ে কোন আলোচনা হচ্ছে না। বামদের সর্ম্পকে একটা কথা বলা হয়; রাশিয়ায় বৃষ্টি হলে তারা ঢাকার রাস্তায় ছাতা ধরে।

      আপনার কমেন্ট পড়ে কথাটা আবারো মনে পড়ল। ডকিন্সের পোস্ট দেখেই মার্ক্সিজম নিয়ে আসলেন। আমি তো এখানে ডকিন্সের লেখা নিয়েও আলোচনা করি নি। তাহলে মার্ক্স আসল কেমনে?

      এতো যদি তত্ত্ব নিয়ে কথা বললেন (প্রসঙ্গ ছাড়া) সেহেতু একটি লেখা দিন যেখানে ডকিন্স কী করছে না করছে একটু দেখতে পারি।

  4. আ, হা, মহিউদ্দীন মার্চ 23, 2013 at 12:51 পূর্বাহ্ন - Reply

    রিচার্ড ডকিন্সের বহু পূর্বেই মার্ক্স আস্তিক-নাস্তিক তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন ।মার্কস তত্ত্বের খন্ডিত অংশ ডকিন্স প্রচার করছেন ।
    খন্ড পূর্ণ বিষয়কে প্রতিনিধিত্ব করে না । ফলে বিষয়টি যথাযথভাবে প্রচারে ডকিন্স ব্যর্থ ।
    লিপিবদ্ধ ইতিহাসের প্রারম্ভ থেকে মানুষ প্রকৃতি ও মানব সমাজ সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে । আদিকালে
    প্রকৃতির সব ঘটনাকে সৃষ্টিকর্তার শক্তির উতসরূপে গণ্য করা হতো । বিষয়টি লাভজনক বিধায় সমাজপতিদের যাজকরা
    ধনী-গরিব সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি বলে প্রচার করতে লাগলো । কিন্তু বাস্তবতা হলো পরিবর্তনের একমাত্র বিষয়বস্তু এবং সকল পরিবর্তনের কারন হলো বস্তুর অন্তঃস্থায়ী অসংগতি । বস্তুর অন্তরনিহিত এই দ্বন্দ্ব, মানব চিন্তার পরিবর্তন ঘটায় । ফলে বিভন্ন ধর্মের সৃষ্টি হয় ।
    নাস্তিকতা হলো আস্তিক চিন্তার অন্তরনিহিত দ্বন্দ্বের ফসল । মার্ক্সের এই তত্ত্ব সর্বজন স্বীকৃত ।

    • সৈকত চৌধুরী মার্চ 23, 2013 at 2:33 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আ, হা, মহিউদ্দীন,

      রিচার্ড ডকিন্সের কোনো বই কি আপনি পড়েছেন?

      যেখানে সেখানে মার্ক্সবাদ বমি না করলে কি চলে না?

  5. কেশব অধিকারী মার্চ 22, 2013 at 11:23 অপরাহ্ন - Reply

    আপনার মায়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রইলো। দারুন সুন্দর একটি কাজ! সাথে কাজী মাহবুব হাসানের অনুবাদ দুটির জন্যেও আপনাকে ধন্যবাদ। যদিও এ দুটির ইংরেজী ভার্সন পড়েছি তবুও অনুবাদ দুটি পড়বো আবারো সময় করে। অনেক অনেক ধন্যবাদ যদিও ফ্লাস লাইটের মতো মুহূর্তের উপস্থিতি মনে হচ্ছে!

  6. ফোবিয়ান যাত্রী মার্চ 22, 2013 at 9:18 অপরাহ্ন - Reply

    বিবর্তনবাদ নিয়ে কত বিজ্ঞানী কত কষ্ট করে গবেষণা করেছে,কত কিছু প্রমাণ করেছে তবুও এখনো অনেক মানুষ বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করে না কেন?

    • সৌর কলঙ্কে পর্যবসিত মার্চ 23, 2013 at 11:24 অপরাহ্ন - Reply

      @ফোবিয়ান যাত্রী, কারন বিশ্বাসযোগ্য না,

      • মরুঝড় মার্চ 24, 2013 at 6:41 অপরাহ্ন - Reply

        @সৌর কলঙ্কে পর্যবসিত, আর বলবেন না। কোন বিজ্ঞানী ই বলতে পারেন না প্রথম প্রাণ কিভাবে উদ্ভব হল অথচ বাবা ডার উইনের বিবর্তনবাদ দিব্যি বেচে বর্তে আছে। অবাক, আর ভাবি কিভাবে লোকে এই মতবাদে নাচে।?

  7. অভিজিৎ মার্চ 22, 2013 at 8:21 পূর্বাহ্ন - Reply

    বাহ! আপনার মার প্রতি শ্রদ্ধা রইলো। ছবিটি সত্যই খুব চমৎকার হয়েছে। এটা কি কোন বইয়ের কভারের জন্য করা। অনেকটা সেরকম মনে হচ্ছে কেন যেন।

    রিচার্ড ডকিন্সকে নিয়ে মুক্তমনাতেও লেখা আছে কিন্তু। আমি নিজে একটা পরিচিতি লিখেছিলাম তার, ডারউইন দিবসে –

    ডারউইন দিবসে রিচার্ড ডকিন্স পরিচিতি

    আরো কিছু লেখা এখানে, এখানে, এখানে, এখানে

    সেলফিশ জিন বইটির বেশ কিছু অধ্যায় অনুবাদে সচেষ্ট হয়েছিলেন অনীক আন্দালিব এবং ব্লাডি সিভিলিয়ান। তাদের করা কাজগুলো এখানে-
    , , , , , , ,

    ধন্যবাদ আপনাকে, আবারো। পোস্টটি আরেকটু বড় হলে ভাল লাগতো।

    • সুব্রত শুভ মার্চ 22, 2013 at 11:15 পূর্বাহ্ন - Reply

      @অভিজিৎ,

      ধন্যবাদ দাদা লিংক গুলোর জন্য। একটু ভয়েই ছিলাম ছোট পোষ্ট এই জন্য। না এটি কোন কিছুর জন্য করা না। এটি তিনি ডকিন্সের প্রতি ভালোবাসা থেকেই করেছেন।

      আপনার লেখাগুলোর লিংকের জন্য আবারো ধন্যবাদ দাদা। 🙂

  8. রাব্বানী মার্চ 22, 2013 at 5:34 পূর্বাহ্ন - Reply

    কোন লিংকই কাজ করছে না, কোলন (:) ছাড়া পড়ছে সবগুলা থেকে।

মন্তব্য করুন