এক যুদ্ধ-সন্তানের আত্মকথা

By |2013-03-22T01:42:37+00:00মার্চ 21, 2013|Categories: বাংলাদেশ|13 Comments

প্রতিটি মানুষের একটি পরিচয় থাকে। কে তার বাবা, কে তার মা। জন্মের সেই জন্মগত পরিচয় কি আমার আছে? জানি না। নিজের জন্ম-ইতিহাসের কারণে ও পিতৃ-পরিচয়ের অভাবে সকলের লাঞ্ছনা গঞ্জনা সয়ে সয়ে ৪২বছর ধরে পৃথিবীর পথে প্রান্তরে ঘুরছি আমি। শুনেছি দু’জন নরনারীর গভীর ভালবাসা ও একান্ত ইচ্ছায় একটি শিশুর জন্ম হয়। আমার জন্মে কারুর ভালবাসা বা ইচ্ছা কোনোটাই ছিল না। আমি জন্মে গেছি আগাছা যেমন করে জন্মায়। লোকমুখে কিছু কিছু শুনেছি আমার অবাঞ্ছিত জন্মের ইতিহাস।

১৯৭১সন। পাক হানাদারদের নাগপাশ ছিন্ন করার জন্য বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। আমার মায়ের ভাই ছিল একজন গেরিলা। স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় রাজাকাররা জানতে পারে তার কথা। একদিন রাজাকারেরা হানা দেয় সে বাড়িতে। আমার মা’র ভাই এবং বাবাকে হত্যা করে ওরা। মা ছিল তখন ১৪বছরের কিশোরী। ভাইটি ছিল তার ৫বছরের বড়। মেডিকেল কলেজে পড়ত। ভাই ও বাবার জীবন নিলেও ওরা সেদিন মা’র জীবন নেয়নি। নিয়েছিল জীবনের চেয়েও মূল্যবান কিছু। আর সে সাথে উপহার দিয়ে গিয়েছিল আমাকে। শুনেছি আমার মায়েরা দুটি ভাইবোন ছিল সদা উচ্ছল দুরন্ত কিশোর-কিশোরী। পড়ালেখায় দুর্দান্ত। আমার মা গান গাইত কোকিলকণ্ঠে। তার ভাই আবৃত্তি করত, ছবি আঁকত, গিটার বাজাত। আরো কত কত সুকীর্তি তাদের দু’ভাইবোনের! আমার নানা-নানী নাকি অনেক সংস্কৃতিমনা মানুষ ছিল। তাদের পারিবারিক আবহাওয়া ছিল শিল্প সংস্কৃতি কাব্য সাহিত্যে ভরপুর। দুটি ছেলেমেয়েকে নিয়ে তাদের স্বপ্ন-সাধের অন্ত ছিল না। সবার কাছে আদর্শ পরিবার ছিল সেই পরিবার। একদিন এক নিমেষের নির্মমতায় সবকিছু নিঃশেষে ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল। ওরা আমার নানীর সামনে হত্যা করেছে আমার মামা ও নানাকে। মাকে করেছিল হত্যার চেয়েও জঘন্য কিছু। আমার নানী ওদের পা জড়িয়ে ধরে বলেছিল, বাবারা তোমাদের পায়ে পড়ি আমার মেয়েটিকে মেরে ফ্যালো, আমাকেও মেরে ফ্যালো। আমাদের বাঁচিয়ে রেখো না, এইটুকু দয়া করো। ওরা তখন ভীষণ উল্লাসে অট্টহাসি হেসেছিল।

সেদিন থেকে সেই পরিবারের আবহাওয়া এবং চেহারা সম্পূর্ণ পালটে গেল। ভাল চাকরি ছিল আমার নানার। অভাব অনটন ছিল না কখনও। নানা নেই। আয় রোজগার একেবারেই বন্ধ। নানীর গহনা বেচে, জমি বেচে, ঘরের আসবাবপত্র বেচে দুটি প্রাণীর ভরন-পোষণ চলছিল অতিকষ্টে। তাদের পরনে ময়লা ছেঁড়া কাপড়, চুল উসকোখুসকো, চোখে অশ্রু, চেহারায় মৃত্যু। পরিবারের দু’জন সদস্যকে ওরা হত্যা করেছে। বাকি দু’জনকে দয়া করে জীবন্মৃত করে রেখে গেছে। আমার নানীর ছিল সুখী সমৃদ্ধ জীবন। ছেলেমেয়ে, স্বামী, সংসার, হাসি আনন্দ! সকলের প্রগতিশীল উন্নত মানসিকতা, সে এক অন্য রকম পরিবেশ! জীবনটা নানীর কাছে ছিল একটি রঙিন প্রজাপতির মত ডানা মেলে ফুলবাগানে উড়ে বেড়ানর মত আনন্দময়। তার ডানা ভেঙে দেয়া হয়েছিল। সেই উড়ন্ত প্রজাপতি ডানাহীন হয়ে থুবড়ে পড়েছিল অজানা অচেনা কোনো সীমাহীন অন্ধকার গহ্বরে। মা ছিল ফুটন্ত গোলাপের মত সুন্দর। ওরা মা’র সবগুলি পাপড়ি ছিঁড়ে নিয়ে গিয়েছিল। তার শুধু নিশ্বাসটুকু ছিল, কোনো নির্যাস ছিল না। প্রথম প্রথম মায়ের মাঝে আমার অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়নি। ওরা মা-মেয়েতে জড়াজড়ি করে কাঁদত অনেকক্ষণ। আমার নানী সবকিছু হারিয়ে বুকের সবটুকু ভালবাসা তার মেয়েকে উজাড় করে দিচ্ছিল।মাকে জড়িয়ে ধরে নানী বলত, বাছা আমার জীবনের বিনিময়েও যদি তোকে একটু সুখ দিতে পারতাম! তখন আমার মায়ের শরীরে আমি লুকিয়ে ছিলাম। আস্তে আস্তে আমার অস্তিত্ব স্পষ্ট হতে লাগল। আমার নানীর চেহারা আরেকবার পালটে গেল। তার সকল কষ্ট, গ্লানি, যাতনা, অপমান, কান্না, ঘৃণা, লজ্জা সুনামি হয়ে বিস্ফোরিত হতে লাগল মায়ের উপর। মমতাময়ী মা হয়ে উঠল নিষ্ঠুরতার জ্বলন্ত প্রতীক।এক সময় মা ছিল মায়ের বুকের ধন, নয়নের তারা। তার সেই মেয়েই হয়ে গেল তার বুকের ব্যথা, চক্ষুশূল। নানী দিনরাত ভর্ৎসনা করতে লেগে গেল মাকে। হতভাগী, কুলটা, পাপিষ্ঠা, ডাইনী, ভাইকে খেয়েছিস, বাপকে খেয়েছিস। আর কাকে কাকে খেতে বাকি আছে তোর? এই নে দড়ি, এই নে বিষ, এই নে ছুরি। মর মর। কেন বেঁচে আছিস এখনও? লজ্জা কেন নেই তোর? মা নাকি পাথর হয়ে গিয়েছিল। পাথর হয়ে পড়ে থাকত। কারুর কথার উত্তর দিত না। ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকত। মাঝে মাঝে চোখ দিয়ে পানি গড়াত। মাঝে মাঝে নিজমনে বিড়বিড় করত। তারপরে নাকি পাগল হয়ে গিয়েছিল। তাদের সবগুলি দুধের মাছি অদূরে গিয়ে তাদের কুৎসা বিবৃতিতে অবিরত ভনভন করতে লাগল। সমাজ আমার মা ও নানীকে একঘরে করল। তাদের সাথে সব রকম যোগাযোগ বন্ধ করল। বন্ধ করল না শুধু তাদের উপর থু তু ছিটান।

দুটি মানুষের গভীর ভালবাসা বা আন্তরিক চাওয়ায় আমার জন্ম হয়নি। আমার জন্ম হয়েছিল জঘন্যতার ঘৃণ্যতম উৎসবের ফলে, কয়েকটি অমানুষের অমানুষিকতার ফলে। কয়েকটি বিকৃত অমানুষের বিকৃত যৌনাচারের ফল আমি। কয়েকটি অমানুষের একটি অমানুষ তার একটি বিষাক্ত বীজ বপন করে গিয়েছিল আমার নির্দোষ, নিষ্পাপ গর্ভধারিণীর ততোধিক নিষ্পাপ জঠরে। আমি অপ্রতিরোধ্য বেড়ে উঠছিলাম মায়ের ভেতরে। আমার পৃথিবীতে আসার সময় ঘনিয়ে আসছিল। মা তখন বদ্ধ উন্মাদ। নানী তার চেয়েও বেশি উন্মাদ। সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে আমি সার্থকভাবে চলে এলাম পৃথিবীতে। এসেই আমি অন্য সব নবজাতকের মত হাত-পা ছুঁড়ে কেঁদেছিলাম। একটি নবজাতকের কান্নায় তার চারপাশের মানুষ মহাখুশিতে হাসে। কারুর কারুর তো অতি আনন্দে চোখ থেকে আনন্দাশ্রু বয়ে যায়। আমার জন্ম সংবাদে ঘৃণার থু তু ছিটিয়েছিল পাড়া-প্রতিবেশীরা। মা বলেছিল, এটাকে দূর কর, দূর কর। আহারে হতভাগী মা! কী আর বলবে? আমার জন্যই তো তার এই দুরবস্থা। নানী বলেছিল, কুলটা এই শত্রুর বাচ্চাকে নিয়ে তুই মর। জন্মের পরে সব মানুষের একটি নাম রাখা হয়। উৎসব হয় আনন্দের। আমার জন্মের পরে আমার কোনও নাম রাখা হয়েছিল কি? আমার জানা নেই। ছোটবেলা থেকে শুনে এসেছি একেকজনের মুখে আমার একেক নাম। জারজ, শত্রুর বীজ, শত্রুর রক্ত, পাপের ফসল, ইত্যাদি। আমার নানা কাব্য-প্রেমিক মানুষ ছিল। রবীন্দ্রনাথের অসম্ভব অনুরাগী ছিল। রবীন্দ্রনাথের অনেক কবিতা তার মুখস্থ ছিল। রবীন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠকন্যার নামে নানা তার অতি আদরের কন্যার নাম রেখেছিল মাধুরীলতা। মায়ের সেই সুন্দর নাম একেবারেই ঘুচে গিয়েছিল। লোকে তাকে ডাকত, নষ্টা, পতিতা, কুলটা।

মা আমার বদ্ধ পাগল। আমার পাগলিনী মায়ের স্বাস্থ্য ভেঙে যেতে লাগল দিন দিন। তার নাওয়া খাওয়া নেই। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। মানুষ তাকে ঢিল ছোঁড়ে। মা একেবারে জীবন্ত কঙ্কাল হয়ে গেল। হাঁটতে গিয়ে দুর্বলতায় পড়ে অজ্ঞান হয়ে থাকে। আমি অনাদরে লাঞ্ছনায় বেড়ে উঠতে লাগলাম। মা’র কঙ্কালের মাঝে কেবল নিশ্বাসটুকু অবশিষ্ট ছিল। নিশ্বাস টানার শক্তিও একদিন মায়ের রইল না। মা মারা গেল। নানীর সহায় সম্বল আর কিছুই রইল না বেচার জন্য। মেয়ে মারা যাবার পর বেচারি খুব কেঁদেছিল। বলেছিল, তোরা সবাই একে একে আমাকে ফেলে পালিয়ে যাচ্ছিস কেন? নানীও মারা গেল করুণভাবে। একটি পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল। তাদের স্থাবর-অস্থাবর সবকিছু বিলীন হয়ে গেল। অবশিষ্ট রইল শুধু একটা জীবিত কলঙ্ক। সেই কলঙ্ক আমি। আমি পথের কুকুরের মত পথে পথে ঘুরে ঘুরে মানুষের লাথিঝাঁটা খেতে লাগলাম।

কে আমি? কে আমার জন্মদাতা? সেই কয়েকজন অমানুষের মধ্যে কার ঔরষে আমার জন্ম? কী দোষ ছিল সেই উচ্ছল কিশোরীর, যার গর্ভে আমার অবাঞ্ছিত জন্মের ভ্রূণ বপন করা হয়েছিল চরম পাশবিকতায়? কেন সেই নিরপরাধ মেয়েকে এত লাঞ্ছনা, এত ঘৃণা দিয়েছিল এই সমাজ? কি দোষ ছিল আমার? আমি কি আমার জন্মের জন্য দায়ী? আমার এই সকল প্রশ্নের উত্তর আমি জানি না। মনে তবুও ঘুরে ফিরে এই প্রশ্নগুলি বারম্বার আসে। আমি কেবল জানি, আমি এক যুদ্ধের সন্তান, আমি এক বীরাঙ্গনা মায়ের সন্তান। আমার ঔরষদাতা ঘৃণ্য অমানুষকে আমি চিনি না।আমি আমার মাকে চিনি।

About the Author:

মুক্তমনা ব্লগার

মন্তব্যসমূহ

  1. সোহেল মার্চ 23, 2013 at 9:11 অপরাহ্ন - Reply

    শুনেছি ৭১এর যুদ্ধে অনেক মা, বোন্‌,মেয়ে সম্ব্রম্ব হারিয়েও বেচে ছিল অথবা পাকিরা নিজেদের প্রয়োজনে মেয়েলোকদের বাচিয়ে রেখেছিল ।অনেক সাহসী মা বোন পাকিদের এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বাঙ্গালি মুক্তিবাহিনীদের সাহায্য করেছিলেন। অনেকে ধরা পরে নির্মম অত্যাচারের শিকার হয়েছিলেন।সেই মহান মায়েদের বাংলায় বীরাঙ্গনা নাম দেয়া ছাড়া আর কি সম্মান- সুযোগ দেয়া হয়েছে আমার জানা নেই। আমাদের সমাজের মানুষ গুলি এতো নিচু মনের ভাবতেই অবাক লাগে। যে পাপের জন্য পাপীকে থুথু না দিয়ে কেন আমাদের নিষ্পাপ মায়েদের থুথু দেয় আমাদেরই সমাজের লোক? এই অবহেলিত মায়েদের অথবা উনাদের ঔরসজাতদের আমাদের সম্মান দিতে হবে, আমাদের সমাজের আর দশজনের মত স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে দিতে হবে। ৭১এর নির্যাতিত মায়েদের আমার অন্তরের সবটুকু ভালবাসা জানাই।

  2. কেশব অধিকারী মার্চ 22, 2013 at 11:08 অপরাহ্ন - Reply

    অসম্ভব সুন্দর একটি গল্প! আমার মাতৃভূমি এই গল্পের ‘মা’ এর পরিনতি যেনো না পায়! এবার ঘুড়ে দাঁড়াবার পালা।

    • তামান্না ঝুমু মার্চ 23, 2013 at 1:18 পূর্বাহ্ন - Reply

      @কেশব অধিকারী, ঘুরে আমরা দাঁড়িয়েছি। দেশদ্রোহীদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবে।

  3. ফোবিয়ান যাত্রী মার্চ 22, 2013 at 9:13 অপরাহ্ন - Reply

    আমি কাঁদতে পারি না। তবে বলছি আপনার লেখাতে কোন এক জাদু আছে। যে জাদু আমার মণটাকে কাঁদেতে বলছে। কান্নাছন্ন একটি মনের অনুভূতি অন্য একটি মণ বুঝতে পারে কিনা আমি তা জানি না।তবে আমি এই কান্নাছন্ন মণের অনুভূতি প্রকাশের চেষ্টা করলাম।

    • তামান্না ঝুমু মার্চ 23, 2013 at 1:15 পূর্বাহ্ন - Reply

      @ফোবিয়ান যাত্রী, পাঠ-অনুভূতি জানানর জন্য ধন্যবাদ।

  4. বকধার্মিক মার্চ 22, 2013 at 12:38 অপরাহ্ন - Reply

    :thanks:

  5. আ, হা, মহিউদ্দীন মার্চ 22, 2013 at 9:57 পূর্বাহ্ন - Reply

    এই সুন্দর লেখাটি গল্প বা কি বাস্তব তা আমার জানা নেই । যদি সত্যি হয় তবে বর্তমান কালের রক্ষণশীল
    সমাজের জন্য লেখক বর্ণিত অবহেলা তার প্রাপ্য ।
    ইতিহাসের কোন এক কালে পিতা বলতে কোন পুরুষ ছিল না । সন্তান মায়ের নামে পরিচিত হোত । তখন যৌন
    কাজ সম্পন্ন করা ছিল অবাধ । ভাই-বোন, এমন কি পিতা-কন্যার মধ্যে যৌন কাজ সম্পন্নে কোন বাধা ছিল না ।
    ইরাকের সুমেরীয় সভ্যতায় কোন এক গোত্র প্রধানের ঔরসে, তারই কন্যা ঈভের গর্ভে কাবিলের জন্ম । ভারতের
    আর্য্য সভ্যতায় পঞ্চ পান্ডবের একই স্ত্রী । তাই সুমেরীয় সভ্যতায় ঈভকে বিশ্বমাতা হিসাবে আখ্যায়িত করা এবং
    আর্য্য সভ্যতায় মাতাকে দেবীর স্থান দেয়া হয় ।

    • তামান্না ঝুমু মার্চ 23, 2013 at 1:11 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আ, হা, মহিউদ্দীন, মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরে আমার বাবা-মা’র বিয়ে হয়। আমার জন্ম তারও পরে। পিতৃপরিচয়হীন একটি শিশু ও তার মা আমাদের সমাজে কতটুকু ঘৃণ্য তা কল্পনারও অতীত। আর যুদ্ধশিশু এবং বীরাঙ্গনাদের তো কথাই নেই। সে ব্যাপারটা গল্পের মত করে লিখার চেষ্টা করেছি মাত্র। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

  6. আঃ হাকিম চাকলাদার মার্চ 22, 2013 at 4:02 পূর্বাহ্ন - Reply

    আপনার গল্পটা তো বেশ সুন্দর হয়েছে।

    • তামান্না ঝুমু মার্চ 22, 2013 at 9:00 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার, ধন্যবাদ।

      • আকাশ মালিক মার্চ 22, 2013 at 6:21 অপরাহ্ন - Reply

        @তামান্না ঝুমু,

        বাহ তামান্না, কাঁদিয়ে ছাড়লেন যে। কি বানান, কি শব্দ চয়ন সবকিছু নিখুঁত পরিচ্ছন্ন। আমার বিবেচনায় মুক্তমনায় এটা আপনার সর্বশ্রেষ্ট লেখা। (Y) (F)

        • তামান্না ঝুমু মার্চ 23, 2013 at 1:05 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আকাশ মালিক, আপনি যে লেখাটি পড়েছেন ও মতামত জানিয়েছেন সে জন্য অনেক ধন্যবাদ দাদা। আপনার জন্যেও (F) (F)

মন্তব্য করুন