কোরিয়া ১৯৫০: এক কিশোর সৈনিকের স্মৃতিগাঁথা (পর্ব-৬)

পব-১, পর্ব-২, পর্ব-৩, পর্ব-৪, আগের পর্ব

পর্ব-৬

কঠিন এক ক্রান্তিকালে সদ্যস্বাধীন দক্ষিন কোরিয়ার বিপর্যস্ত নাগরিক জীবন উত্তর কোরীয় কমিউনিষ্ট সেনাবাহিনীর আকষ্মিক সামরিক আগ্রাসনে হঠাৎই যেনো কঠিনতর এক দুঃস্বপ্নের রাতে পর্যবসিত হয়। সে বছরের ডিসেম্বরের মাঝা মাঝি আমি নিজেকে দক্ষিন কোরিয়ার এক জন সেনা সদস্য হিসেবে সেনাবাহিনীতে দেখতে পাই! তখন অনুপ্রবেশকারী চীনা কমিউনিষ্ট বাহিনীর হাতে পর্যুদস্ত যৌথ বাহিনীর পলায়নপর শক্তি সমুহের সমর্থনে আমরা পিয়ংইয়ং (Pyongyang) থেকে দক্ষিনের প্রধান সরবরাহ সড়ক সমূহের সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিলাম। পিয়ংইয়ং থেকে সম্পূর্নরূপে গোত্রোত্থানের সাথে সাথে আবহাওয়াও হয়ে উঠে ভীষন অসহনীয় সেই সাথে তখন পাহাড়ী সেনা অবস্থান গুলোও হয়ে পরে আমাদের জন্যে অতি সংবেদনশীল। আমাদের এই অবস্থান পরিবর্তন কিছুমাত্র নিয়মতান্ত্রিক ছিলো না। সম্ভবতঃ আমাদের দলীয়ভাবে নিজেদের সংহত করতে যাওয়াটা আরোও বেশী বিসৃংখলার জন্ম দিচ্ছিলো। তার উপড়ে শত্রুর মর্টার শেল আর ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্রের উপর্যুপরি গুলিবর্ষন আমাদের অনবরত ব্যতিব্যাস্ত রাখছিলো। নতুন নতুন অজানা সেনা অবস্থান গুলোতে প্রায়ই সহযোগী বাহিনীর নেতৃত্ত্বের পতন এবং বিদ্ধস্ত অবস্থাগুলো আমাদের আরোও বেশী বিপন্ন ও অসহায় করে তুলছিলো। বারবার আমরা বাধ্য হচ্ছিলাম পরষ্পরের উপরে আস্থা রেখে নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অগ্রসর হতে। আমি ভাবছিলাম, কোন ভাবেই যেনো আমাদের এই আস্থার জায়গাটি নষ্ট না হয় আমাদের আগ্রযাত্রায়। কিন্তু একই সাথে আমি আমাদের পর্যাযক্রমিক অবস্থান পরিবর্তনের চেকপয়েন্ট গুলোতে নিয়মতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলাম। সাহায্য প্রত্যাশী সহযোগী বাহিনীর অগনিত যোদ্ধাদের যে কেউ তখন যদি কোন ভাবেই বহর থেকে বিচ্ছিন্ন হবার সুযোগ পায় তাহলেই পরাজয় আমাদের একেবারেই নিশ্চিন্ত, যা পরিষ্কার ভাবেই দেখা যাচ্ছিলো। কারণ এমনিতেই নেতৃত্ত্বের অভাবে সবাই হতবিহব্বল, ফলে মনোবল প্রায় হারিয়ে ফেলেছিলো সবাই। আমি আরোও নিশ্চিন্ত ছিলাম যে এতো কিছুর পরেও আমাদের আত্মবিশ্বাস একেবারে ভেঙ্গে পরেনি। পারতঃপক্ষে আমি নির্দ্দিষ্ট কয়েকজনকে নির্দ্দেশ দিয়ে রেখেছিলাম যে, যদি কোনও কারণে পশ্চাদপসরণ করতেও হয়, তবুও যেনো স্বেচ্ছায় মৃত্যু আসন্ন যেনেও প্রতিরোধ গড়ে তুলে লড়াই চালিয়ে যায়, কারণ অন্যদের দুর্বল মানসিক অবস্থান যেনো কোন ক্রমেই গোটা বাহিনীর আত্মবিশ্বাসকে সমূলে ধ্বংস না করে। এই রকম এক বিদ্ধস্ত পরিস্থিতিতে যখন আমাদের বিশ্রাম আর রসদের দরকার ছিলো, আমি মনে করলাম যে আমাদের অবস্থান আরোও সুসংহত করা এবং মানসিক শক্তি অপরিবর্তিত রাখা দরকার। শীঘ্রই আমরা আরোও কঠিন শিক্ষা আর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হলাম। ১৯৫০ এর মধ্য ডিসেম্বরের সাইবেরীয় শৈত্য প্রবাহের নিদারুন এই অসম ভয়াবহ যুদ্ধের ময়দানে আমরা বুঝেছিলাম মাতৃভুমির সম্ভ্রম রক্ষায় লড়াইয়ের ময়দানে একজন সৈনিকের জীবন কতোটা কঠিন যা গ্রীষ্মকালীন কোন যুদ্ধের সাথেই তুলনীয় নয়।

 পিয়ংইয়ং থেকে বিতারিত হয়ে যে পথে আমরা ফিরছিলাম সেটি ছিলো নিতান্তই এক যুদ্ধবিদ্ধস্ত দুই লেনের রাস্তা। পুরু বরফের আস্তরনে আচ্ছাদিত, মাটি দলা পাকিয়ে জায়গায় জায়গায় শক্ত হয়ে আছে, বিভিন্ন সামরিক অকেজো যান-বাহনে প্রতিনিয়ত হচ্ছি বাধার সমুখীন। আমাদের কোন বাহনই ঘন্টায় ১০ মাইলের বেশী কোন ভাবেই এগুতে পারছিলো না। কিছু কিছু যান আরোও উত্তরে সরে যাচ্ছিলো দলবদ্ধ হবার আশায় কিংবা আরো ভারী সামরিক অস্ত্রায়নের আশায়। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিলো, শত্রুর অগ্রযাত্রা রোধ করা, কেননা বিতারিত প্রধান শক্তিটির ফিরতি পথের গুরুত্ত্বপূর্ন সামরিক অবস্থান গুলোতে নতুন প্রতিরোধ বলয় রচনা করে অবস্থান নিশ্চিত করতে হচ্ছিলো। চীনা সৈনিকেরা খুব একটা প্রশিক্ষিত ছিলোনা অথবা ছিলোনা উপযুক্ত অস্ত্র সজ্জিত। কিন্তু অনেকটা আত্মহননের মতো নিজ শক্তিকে ধ্বংস করে দিতে সহযোগী শক্তিকে হঠাৎ উঠিয়ে নেবার কারন কি ছিলো আজো জানা হয়নি। এইসময়ে আমাদের যেখানে শক্তি বাড়ানো দরকার ছিলো নিয়মিত প্রতিরোধ বাহিনীর সেখানে আমরা প্রায় নিঃশেষ হয়েছিলাম এই চীনা শক্তির কাছে।

মধ্য ডিসেম্বরের এক তীব্র শীতের সকালে আমি কেসং (Kaesong) শহরের সীমান্তে শহর রক্ষার দায়িত্ত্বে নিয়োজিত ছিলাম। এর ঠিক আগের দিন আমাদের কোম্পানীটি সেখানে পৌঁছেছিলো। অথচ যুদ্ধ তখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে শহরের কাছেই। এর মানে হলো, অতি শীঘ্র নিজেদের এখান থেকে গুটিয়ে না নিলে সহসাই আমরা প্রায় শত্রু কবলিত হয়ে পরেছি। কনকনে ঠান্ডা বাতাস বন্ধ হবার কোন লক্ষ্মন নেই। মাঝে মাঝেই বিক্ষুব্ধ ঠান্ডা বাতাসের সাথে ঘন তুষারপাত আমাদের মনকে বিক্ষিপ্ত করে তুলছিলো। এই নৃশংস শীতের আগমন আমাদের আগেই একটা সংকেত দিয়েছিলো যে সম্মুখ লড়াইয়ে অগ্রবর্তী বাহিনীকে ভয়ানক ভাবে পর্যুদস্ত করে তুলবে ভয়াবহ ঠান্ডার এই কঠিন ছোবল। আমার বাইরের দায়িত্ত্ব পালনের পরবর্তী নির্দ্দেশের আগ পর্যন্ত আমার নিজের জন্যে সামান্য কয়েক ঘন্টা মাত্র বরাদ্দ ছিলো। যা আমাকে বিগত বেশ কয়েক মাস অতি সামান্য সুযোগ দিয়ে ছিলো অন্যান্য কিছু বেসামরিক বিষয়ের উপরে আমার পারদর্শিতা প্রদর্শনের। পিয়ংইয়ং থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেবার পরে বিগত দুই সপ্তাহেরও বেশী ছিলো আমার জন্যে অত্যন্ত গুরুত্ত্বপূর্ণ। আমি আমার ফুটলকারটা সরবরাহ ঘরের অস্ত্রের বাক্স গুলোর পেছনে আড়াল করে রেখেছিলাম। সেই লকারে আমার ডাইরিটা ছিলো, ছিলো মূল প্রশিক্ষনের যাবতীয় লিখিত কাগজ পত্রও। অবশ্য সেখানে কতগুলো দিনের কোন তথ্য সন্নিবেসিত নেই, তখন আমরা হয় এক সীমান্ত অবস্থান থেকে অন্য সীমান্তে স্থানান্তরিত হচ্ছিলাম অথবা চব্বিশ ঘন্টা ব্যাপী কোথাও নিয়োজিত ছিলাম নিকটবর্তী শত্রুর আকস্মিক অপ্রত্যাশিত আক্রমনের প্রতি জবাবের জন্যে। সেনা বাহিনীতে ডাইরী নিষিদ্ধ ছিলো, কিন্ত আমি আমার ডাইরীতে যখনই সম্ভব হয়েছে লিখেছি আর লুকিয়ে রেখেছি আমার ফুট-লকারে। নিকটবর্তী মিলিটারী অস্থায়ী ঘাঁটির পিছু হটা বহরের ট্যাঙ্ক গুলোর একটানা তীব্র অথচ মুর্হূমুহ শব্দে কিংবা সামরিক সেল বিস্ফোরণের তীব্র শব্দে আমার চিন্তা বাধাগ্রস্থ হতো। আমি ডাইরীটা পড়তাম আর মনে করতাম আমার সেই সব ভাইদের যাদের আমি হারিয়েছি যুদ্ধের ময়দানে দুঃখে-বিষাদে, দুঃখ আর তিক্ততার স্মৃতিতে ভাষ্মর হয়ে উঠতো সেই সব জায়গা গুলো যেখানে পর্যুদস্ত হয়েছি সামগ্রীক ভাবে আর পিছু হটতে বাধ্য হয়েছি স্বজনদের হাড়িয়ে। প্রায় দু’শো পাতারও বেশী এই ডাইরীতে সামান্যতম উচ্ছ্বাস প্রকাশের মতো তেমন কিছুই ছিলো না। কিন্তু পড়তে গিয়ে ফিরে পেতাম সেই সব অবিস্মৃত অমলিন ঘটনা গুলো, কিছু আবেগ আর গ্রাহ্য করার মতো ঘটনা যা অগ্রাহ্য করেছিলাম সামরিক কারনে। যদি কোনদিন জীবন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারি  ‘মা’-কে বলবো সব, তাঁকে একা ছেড়ে গিয়ে আমার জীবনে কি ঘটেছে আর কি আমি দেখেছি দু’চোখ দিয়ে। আমি আরোও মনে করতাম যে হয়তো কোন একদিন আমি একটা বই লিখবো আর সেখানে বলবো সেই সব কথা গুলো যেগুলো আজ এখানে এড়িয়ে গিয়েছি স্বযত্নে। তখন হয়তো কেউ কেউ বিস্ফোরিত চোখে দেখবে আর ঔৎসুক্য নিয়ে জানবে কি করে সেদিনের এক কিশোর সৈনিক উত্তর কোরিয়ার অবধারিত মৃত্যুর ময়দান থেকে ফিরে এলো, কিকরে আজও সেই দুঃসহ দিনের স্বাক্ষী হয়েও মানবতার শিখন্ডীকে চারদিক কাঁপিয়ে উঁচিয়ে ধরার স্পর্ধা পেলো। সত্যিই, যদি আমি কোনদিন ফিরতে পারি আমার উৎসর্গীকৃত জীবন নিয়ে, তোমাদের আমি বলবই সেই সব কথা যা আমার একান্ত অর্জন, আমার পঞ্চ ইন্দ্রীয়ের প্রত্যক্ষ্য অভিজ্ঞতা আর হৃদয়ের অনুভব।

 এ বই-এ বর্ণিত সব ঘটনা গুলোই আমার যুদ্ধকালীন সময়ে লিখিত ডাইরীর তথ্যের উপরে ভিত্তিকরে এবং সেই সব দগ্ দগে স্মৃতি আর স্বচক্ষে দেখা নির্ঘন্ট যা এখনো অমলিন, সেই রক্ত, মেদ, মাংস, আর বারুদের গন্ধ, অবিস্মৃত দৃশ্যাবলীর মানসপটের চলচ্চিত্র। এই বই-এ আমি স্মরণ করতে চাই সেই সব সাহসী দক্ষিন কোরীয় সৈনিক এবং সহযোগী বাহিনীর সেই সব বীরদের যারা নিজেদের উৎসর্গ করেছিলো, মুখোমুখী করেছিলো অনেক অনেক অপ্রীতিকর বেদনাবিদূর ঘটনায় অবলীলায় নিঃসংকোচে। আমি আশা করি, এই বইটি অনেক অনেক ঘটনাকে পুনর্মূল্যায়ন করবে, ফিরিয়ে আনবে অনেক বিস্মৃত স্মৃতিকে, হোক সে তিক্তায় ভরা, তবুও অমলিন। আমি কৃতজ্ঞতার সাথে নিশ্চিন্ত করতে চাই সেই সব কর্মী, সহযোদ্ধা কিংবা অধিবাসীদের যারা তাঁদের দ্বারে অনাগত যোদ্ধাকে সেদিন টেনে নিয়েছিলো প্রাণের টানে, প্রত্যন্ত প্রদেশের বাঁকে বাঁকে, সামরিক স্থাপনায়, প্রতিকুল আবহাওয়ায়, যে ভিন্ন প্রথা, রুচি কিংবা সংস্কৃতির মধ্যেও হাজারো যোদ্ধাকে তাঁরা দিয়েছিলো আশ্রয় সাহস আর দৃপ্ততা, দিনের পর দিন উজার করে, তা অমলিন থাকবে চিরকাল। আমি আশা করি যে, বইটি আজ এবং অনাগত দিনের দক্ষিন কোরীয় জনগনের মনে তাঁদের সেই সব বীর সৈনিকদের এবং  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সহযোগী বাহিনীর বীরদের প্রতি, বিশেষ করে মার্কিন বাহিনীর অকৃপণ অবদানের প্রতি যে কৃতজ্ঞতা এবং অকৃপণ শ্রদ্ধা, তা অটুট রাখবে। কেননা তারা নিজেদের উৎসর্গ করেছিলো আমাদের মাতৃভূমির মর্যাদা আর অখন্ড স্বাধীনতার গৌড়ব প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে যখন দেশ মাতৃকার নিশ্চিত পতন ঘটতে যাচ্ছিল সমাজতান্ত্রিক উত্তর কোরীয় এবং চৈনিক আগ্রসনের কাছে। আজ যখন নতুন করে জীবন সংগ্রামে ব্যপৃত হয়েছি তখন বিগত কয়েক বছরের অর্জিত অভিজ্ঞতার নির্বাচিত অংশ বিশেষ তুলে ধরবো আগামীদিনের কোরীয় জনগনের সামনে। আমি স্থির করেছি, সকল বয়েসের পাঠকদের জানাবো যুদ্ধের দিনে জীবন সংগ্রাম কি, কিইবা আমরা বুঝি সেই সব দিনের কাতরতা সম্পর্কে? কিন্তু এই সব কিছু ছাপিয়েও একজন যোদ্ধার আত্মশক্তির উৎসের সাথে মানবতাকে উর্দ্ধে ধরে রাখার অসহযাত লড়াইয়ের যে দ্বন্দ্ব, আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগের এক প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী হিসেবে আমি তোমাদের সামনে দাঁড়াবো।

মুক্তমনা সদস্য। পেশায় শিক্ষক।

মন্তব্যসমূহ

  1. সংশপ্তক জানুয়ারী 16, 2013 at 12:55 পূর্বাহ্ন - Reply

    কোরিয়ানদের সাথে বাঙালী মানসের অনেক মিল খুঁজে পাওয়া যায় , আস্তরণ ভেদ করে গভীরে অনুসন্ধান করলে। মঙ্গোল জীনের প্রভাব হলেও হতে পারে !

    • কেশব অধিকারী জানুয়ারী 19, 2013 at 10:45 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সংশপ্তক,

      হয়তোবা, তবে সে ধরনের কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য এই মুহূর্তে আমার হাতের কাছে নাই। পেলে নিশ্চয়ই তা কোথাও না কোথাও উল্লেখ করবো এই পর্ব গুলোর। তবে এশিয়ান হিসেবে যে কোথাও আমাদের একটা যোগসূত্র আছে সে আমারো মনে হয়। আর তাই যখন পড়ছিলাম এদের অতীত, তখন মনে হচ্ছিলো যে আমাদেরকেই যেনো দেখছি আমি! ধন্যবাদ।

  2. অভিজিৎ জানুয়ারী 13, 2013 at 5:58 পূর্বাহ্ন - Reply

    সিরিজটা ক্রমশঃ প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।

    ধন্যবাদ লেখার আগ্রহটুকু ধরে রাখার জন্য।

    • কেশব অধিকারী জানুয়ারী 13, 2013 at 7:41 অপরাহ্ন - Reply

      @অভিজিৎ,

      আপনার ছোট্ট অথচ সুন্দর ইতিবাচক সারা আমার প্রেরণা হবে। ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।

মন্তব্য করুন