এক ঘাতকের মৃত্যু

By |2012-09-30T20:46:18+00:00সেপ্টেম্বর 29, 2012|Categories: ইতিহাস|19 Comments

প্রথম পোপ
পশ্চিম ইউরোপের ইতিহাসের একটা বড় অংশ হল খৃষ্টধর্মের দুইটি প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্যাকশনের মধ্যে লড়াই আর রক্তপাতের ইতিহাস–ক্যাথলিক বা রোমান ক্যাথলিক আর প্রোটেস্ট্যান্ট। চতুর্দশ শতকে জার্মানিতে মার্টিন লুথারের আবির্ভাবের আগাবধি পুরো পশ্চিম ইউরোপে ছিল রোমের বিশপ বা পোপের ক্যাথলিক চার্চের আধিপত্য। যীশুর মাছধরা জেলে শীষ্য সন্ত পিতরকে তিনি স্বর্গের চাবি দিয়ে দিয়েছিলেন আর এই সন্ত পিতরের উত্তরসূরী হল রোমের বিশপ বা পোপ। ১১ শতকে বাইজান্টাইন ইস্তাম্বুল আর রোমের বিভক্তি সূচনা করল অর্থোডক্স আর রোমান ক্যাথলিক চার্চের। রাশিয়া, গ্রীস,পূর্ব ইউরোপ আর মধ্যপ্রাচ্যে মোটামুটি গোলযোগ ছাড়াই অর্থোডক্স চার্চের রাজত্ব চলতে থাকল। ঘাপলা লাগল রোমকেণ্দ্রিক পশ্চিমাদের নিয়ে। এইখানে উল্লেখ্য যে এই পোপের আহ্বানেই পূর্ববর্তী শতকগুলোতে জেরুজালেমকেন্দ্রিক পবিত্রভূমির দখল নিয়ে একতাবদ্ধ পশ্চিম ইউরোপ মধ্যপ্রাচ্যীয় বিধর্মী মুসলিমদের সাথে ২০০ বছর ধর্মযুদ্ধ বা ক্রসেডে লিপ্ত ছিল। একসময় যুদ্ধের ইচ্ছা আর প্রয়োজন মিইয়ে গেল আর জেরুজালেমসহ পবিত্রভূমির সবটুকুই আবার হাতছাড়া হয়ে গেল।
মার্টিন লুথার
৯৫ থেসিস

১৫১৭ খ্রীষ্টাব্দ। হাজার বছর ধরে পশ্চিম ইউরোপীয় ভূখন্ডে বিরাজমান ধর্মীয় এবং আধ্যাত্মিক নিশ্চয়তার জানালার কাঁচ ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ল। মার্টিন লুথার নামক বিদ্রোহী এক জার্মান যাজক তাঁর ৯৫ থেসিস বা প্রস্তাবনা স্যাক্সোনির এক ছোট্ট শহর উইটেনবার্গের গির্জার দেয়ালে পেরেক দিয়ে গেঁথে দিলেন। এই থেসিস বা প্রস্তাবনাসমমুহ ছিল তৎকালীন রোমান ক্যাথলিক চার্চের বহুবিধ অসঙ্গতি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা। এই আপাত: সামান্য প্রতিরোধ এবং বিরুদ্ধাচরণের মাধ্যমে লুথার পুরো পশ্চিমা খ্রীষ্টীয় জগতকে এর ধর্মীয় কক্ষচ্যুত করেছিলেন। প্রোটেস্ট্যান্ট রিফর্মেশন বা সংস্কারের প্রবল জোয়াড়ের তরঙ্গোচ্ছাস সমগ্র উত্তর ইউরোপকে ভাসিয়ে দিল। লুথারের প্রোটেস্ট্যান্ট মতবাদ বাতাসের চেয়েও তীব্রবেগে জার্মানী, নেদারল্যান্ডস, ইংল্যান্ড ইত্যাদি দেশে ছড়িয়ে পড়ল আর পোপের নিরংকুশ ক্ষমতার প্রতি হুমকি আর দুই সেক্টের লোকজনের ভেতর চরম শত্রুতার করল সূচনা।
উইলিয়াম দ্য সাইলেন্ট
স্পেনরাজ দ্বিতীয় ফিলিপ

নেদারল্যান্ডস বা হল্যান্ড বহুবছর ছিল ক্যাথলিক স্পেনের করদরাজ্য আর প্রোটেস্ট্যান্ট ডাচদের উপর স্পেনীয়দের অবিচার-অত্যাচারের কোন সীমা ছিলনা। এটি একসময় স্পেনরাজ দ্বিতীয় ফিলিপের বিরূদ্ধে বিদ্রোহ আর সফল যুদ্ধের সূচনা করল। এই ৮০ বছরব্যাপি যুদ্ধের মূল নেতা ছিলেন এক অভিজাত ধনী ব্যাক্তি উইলিয়াম প্রিন্স অফ অরেঞ্জ। উইলিয়াম হল্যান্ডের খুব ছোট একটা অংশ উটরেখট এর স্টাডহোল্ডার বা হেরেডিটারী নেতা ছিলেন (ঠিক রাজা নয়)। এই হেরেটিক বিদ্রোহী প্রোটেস্ট্যান্ট প্রিন্স উইলিয়ামকে রাজা ফিলিপ আউট ল ঘোষনা করে তাকে হত্যার জন্য ২৫,০০০ স্বর্ণমুদ্রার ঘোষনা দিলেন।
বালথাজার জেরার্ড

ফ্রান্সের এক গোড়া রোমান ক্যাথলিক পরিবারে বালথাজার জিরার্ড এর জন্ম। সে নিজেও ভয়াবহ উগ্রপন্থী ক্যাথলিক আর স্পেনরাজ ফিলিপের পরমভক্ত। উইলিয়ামকে হত্যার জন্য ফিলিপের ঘোষনার অনেক আগেই সে ডোল বিশ্ববিদ্যালয়ে তার আইনশাস্ত্রের সহপাঠীদের কাছে ঘোষনা করেছিল যে সে একদিন উইলিয়ামের বুক বরাবর একটা ধারালো ছুরি বসিয়ে দিবে। ফিলিপের ঘোষনার পর তার সংকল্প আরও কঠিন হল। এবং সুযোগও একদিন এসে গেল। উইলিয়ামকে তার ডেল্ফট এর বাসভবনে গুলি চালিয়ে হত্যা করল সে। পৃথিবীর ইতিহাসে বন্দুকের সাহায্যে কোন রাজনৈতিক নেতাকে হত্যা এইটিই প্রথম। যাইহোক, গুলি চালানোর পরপরই বালথাজারের উপর উইলিয়ামের সৈনিক আর দেহরক্ষীদের লাথ্থি, ঘুষি ,তরবারী আর বণ্দুকের বাঁটের আঘাতের বর্ষণ হতে লাগল। হেচড়ে-পেঁচড়ে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় বালথাজার দেখল প্রিন্স অফ অরেঞ্জ তখনও জীবীত। ভয়াবহ আর্তনাদ করে উঠল সে: “ঠিক মতন বন্দুক সই করতে ব্যর্থ আমার হাতের উপর অভিশাপ, মহান ভগবান যীশুর শত্রুকে জাহান্নামে পাঠাতে যে হাত ব্যর্থ পঁচে যাক সেটা”।
প্রিন্স উইলিয়ামের মৃত্যু

বালথাজারকে শহরের ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে প্রথমে একটি প্রাথমিক জেরার মধ্য দিয়ে যেতে হল। তাকে একটুও ভীত, বিহ্বল বা উত্তেজিত মনে হল না। সে বরং খুব স্বাভাবিক ও উৎফুল্ল কন্ঠে দাউদ নবীর ফিলিস্তিন দৈত্য জালুতকে হত্যা করার উদ্ধৃতি দিল। এরপর ম্যাজিস্ট্রেটরা বিচারের রায়ে তার মৃত্যুদন্ডের ঘোষনা দিলেন। ম্যাজিস্ট্রেটদের আদেশ অনু্যায়ী জেরার্ডের ডান হাত তপ্ত লোহার সাহায্যে পোড়ানোর পর সাড়াশীর সাহায্যে তার শরীরের ছয় জায়গা থেকে হাড় থেকে মাংস খুবলে তোলা হবে এবং সর্বশেষে তার পেট চিড়ে নাড়ি-ভুড়ি বের করে কুঁপিয়ে চার-টুকরো করা হবে; এই পর্যায়ে তার হৃৎপিন্ড কেঁটে বের করে তার মুখের সামনে দোলানো হবে এবং সবশেষে তার মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

ডেলফ্ট নগরী

বন্দীশালার প্রথম রাতে বালথাজারকে একটা খুঁটিতে বেধে আপাদমস্তক চাবকানো হল টানা পুরো ১ ঘন্টা । এরপর তার কাটা-ছেঁড়া ঘাগুলোতে মধু মেখে একটা ছাগল নিয়ে আসা হল এইটির ধারালো জিহ্বা দিয়ে চাটানোর জন্য। ছাগলটিকে দিয়ে অবশ্য কাজটি করানো গেলনা। এর পর আরও ২ ঘন্টা টর্চারের পর তার হাত-পা শক্ত করে বেধে তাকে গুটলির মতন ফেলে রাখা হল যাতে সে ঘুমাতে অক্ষম হয়। এর পরের টানা তিন রাত তাকে খুটির সাথে বেধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হল। পুরো সময়টাতে তার হাতগুলোকে খুটির উল্টোপাশে শক্ত করে বেধে রাখা হয়। এরপর তার দুইপায়ের পায়ের বুড়ো-আঙ্গুলের সাথে পৃথকভাবে ১৩৬ কেজি ওজন ঝুলিয়ে রাখা হল আধ-ঘন্টার জন্য। এই আধ-ঘন্টা অতিক্রান্তের পর তার দুই পায়ে ভালোভাবে তেল মাখানো কুকুরের কাঁচা চামড়ার জুতা পড়িয়ে দেওয়া হল। এই জুতা আবার তার পায়ের সাইজের দুই ইঞ্চি ছোট করে বানানো। এই অবস্থাতে তার পায়ের কাছে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল। জুতা গরম হয়ে সংকুচিত হতে হতে তার পায়ের হাড্ডিগুড্ডি ভিতর থেকে চুড়চুড় করে দিল। এরপর চামড়ার এই জুতো তার পা থেকে টেনে-ছিড়ে খুলে ফেলা হল তার পায়ের চামড়া, মাংসও এর সাথে উঠে চলে আসল। একটা বড় ডান্ডা দিয়ে এরপর ভয়ংকর জোড়ে তার হাত-পায়ের গাঁটে-গাঁটে বাড়ি মেরে হাড্ডিগুড্ডি ভাঙ্গা হল বেশ ধিরে ধিরে। এরপর এ্যালকোহলে একটি শার্ট ভিজিয়ে তার গায়ে পড়িয়ে দিয়ে গলিত শুকরের চর্বি তার গায়ের বিভিন্ন অংশে ঢেলে দেওয়া হল। এরপর সাড়াশি দিয়ে মাড়িসহ তার দাঁতগুলো তুলে ধারালো চিমটা দিয়ে তার পুংস্তনের বোঁটাগুলো তুলে ফেলে রক্তারক্তি অবস্থা করা হল। তার দেহের মাংসের পরতে-পরতে লোহার নেইল ঢুকিয়ে হাত-পায়ের নখগুলো একে একে তুলে ফেলা হল। এই পুরোটা সময় বালথাজার অবিশ্বাস্যভাবে শান্ত ছিল–যেন সে তার প্রতিশ্রুত স্বর্গ-রাজ্যের দ্বার-প্রান্তে উপস্থিত হয়েছে। চারটি রাত কাটল এভাবে।

সর্বশেষে উপস্থিত সমস্ত যন্ত্রনা থেকে মুক্তির দিনটি-১৫৮৪ সালের ১৪ জুলাই। রাজকীয় ঘাতক বা ধর্মদ্রোহী-রাজদ্রোহী-দেশদ্রোহীর সাজার তৎকালীন ট্র্যাডিশনাল ইউরোপীয় পদ্ধতি অনুসরণ করা হল ধাপে ধাপে।প্রথমে তার উপর প্রয়োগ করা হলো আগুনের তপ্ত শিখায়ে লাল করা লোহার একটি খাপ।সেটির ভেতর তার ডান হাত চেপে ঢুকিয়ে দেওয়া হল। মাংস পোড়া তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল আশপাশে। এরপর তার শরীরের ছয়টি স্থানে একটি সাড়াশী দিয়ে হাড় থেকে মাংস এবং অপর ৩৫ টি স্থানের মাংস ওই চিমটা দিয়ে খুবলে খুবলে তুলে ফেলা হলো।গলিত সালফার,মোম এবং সীসার মিশ্রণ দিয়ে আধা-আধিভাবে পুড়িয়ে এরপর তার জখমের উপর ফুটন্ত তেল ঢেলে দেওয়া হলো ।এর পর একটা ধারালো ছুরি দিয়ে তার জননেন্দ্রীয় কেটে খালি হাত দিয়ে টান মেরে তার অন্ডকোষগুলো ছিড়ে ফেলা হলো। এরপর জল্লাদের সহকারী বেদীর একপাশে আগুন জ্বালালো। জল্লাদ এরপর ছুড়ি দিয়ে পেট চিড়ে তার নাড়ি-ভুড়ি বের করে তখনও জীবিত জেরার্ডকে দেখালো।ভয়ংকর দুর্গন্ধে ভরপুর হয়ে উঠল বেদীর আশপাশ।জল্লাদ দুর্গন্ধ এড়ানোর জন্য নাড়ি-ভূড়িগুলো জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ডে নিক্ষেপ করল । পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে বিস্ময়করভাবে শান্ত ছিল এই ধর্মোন্মাদ ঘাতক–ঠিক যেমনটি ছিল টর্চারের সময়। এরপর তাঁর বুক চিরে হৃৎপিন্ড বের করে আনল জল্লাদ এবং রায় অনুসারে জেরার্ডের মুখ বরাবর দোলালো। ততক্ষণে অবশ্য সে মারা গেছে। সর্বশেষে শুওর কাটার ধারালো ছুরি দিয়ে জল্লাদ তার হাত-পায়ের গাটে গাটে পোচ দিয়ে কেটে বিছিন্ন করে দিল এবং একটি কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে ধড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে দিল। মাথাবাদে মোট চারটুকরো হল ঘাতকের দেহ। একটি হাড়িতে জল্লাদের সহকারী জিড়া এবং লবনসহ পানি ফুটিয়ে এতে মাথাসহ দেহের চারখন্ড সেদ্ধ করল। এর কারণ হল তখনকার প্রথা মোতাবেক এগুলো ডেলফ্ট শহরে ঢোকার ব্রীজসহ চারটি স্থানে প্রদর্শনের জন্য খুঁটিতে ঝুলিয়ে রাখা হবে। পঁচনের দুর্গন্ধ এবং কাক বা চিলের উপদ্রব এড়াতে এই বাড়তি ব্যবস্থা।এইভাবেই হলো এক ঘাতকের মৃত্যু ।

রাজা ফিলিপ তার প্রতিশ্রুত ২৫০০০ স্বর্ণমুদ্রার বদলে বালথাজারের পিতা-মাতাকে তাদের ছেলের আত্মত্যাগের উপহারস্বরূপ তিনটি এস্টেটের আজীবন বংশপারম্পরিক জমিদারী দিয়ে দিলেন ।

তথ্যসূত্র:
(i)Seeing Europe with Famous Authors, Vol. IV: France and the Netherlands, Part II (Dodo Press)–Edited by F.W.Hasley
(ii)The Awful End of William the Silent: The First Assassination of A Head of State With A Handgun: London: HarperCollins: 2005, L.Jardine
(iii)Here I Stand: A Life of Martin Luther, 1991, R.H.Bainton
(iV)Europe: A History, 1998, N.Davies
(v)The Cambridge Modern History. Vol 2: The Reformation, 1903
(vi)The Rise of the Dutch Republic, 1856, J.L.Motley

মুক্তমনা ব্লগার

মন্তব্যসমূহ

  1. মুক্তমনা এডমিন সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 11:27 পূর্বাহ্ন

    লেখকের এ লেখাটি নিয়ে পাঠকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ায় লেখককে অনুরোধ করা হচ্ছে সেগুলো নিরসনের। বিশেষতঃ যে অংশটুকু উইকি থেকে অনুবাদের অভিযোগ এসেছে সে অংশে উইকির তথ্যসূত্র যোগ করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

    মুক্তমনায় লেখক পাঠকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকাটা জরুরি। এখানকার ব্লগারদের অনেকেই একাডেমিয়ার সাথে, গবেষণার সাথে যুক্ত, কিংবা অতীতে যুক্ত ছিলেন। কাজেই কোন লেখা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হলে সেটা ব্যক্তিগত ভাবে না নিয়ে বরং সেটা নিরসনে উদ্যোগী হওয়াটাই বাঞ্ছনীয়।

  2. আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 8:58 পূর্বাহ্ন

    এইবার তো দেখি ভাল গ্যাঁড়াকলে পড়ছেন।

    মধ্যযুগে ভারতবর্ষে শাস্তির ব্যাবস্থা ইউরোপের তূলনায় এত সরল ছিল কেন বলে মনে করেন? অন্ধ করে দেওয়া, হাতির পায়ে চাপা দেওয়া নয়ত বড়জোর গায়ের চামড়া খুলে ফেলা ছাড়া তো আর বিশেষ কিছুর সন্ধান পাই না। আমাদের অঞ্চলে ইনোভেটিভ ক্ষমতা কম হওয়ার প্রমান?

  3. স্বপন মাঝি সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 3:34 পূর্বাহ্ন

    এটা অত্যন্ত দূঃখের বিষয় যে , মুক্তমনায় প্লেজারিজমকে অনমোদন দেয়া হচ্ছে। এই প্রবন্ধটি উইকি থেকে কপি পেস্ট করা হয়েছে বল্লেও অত্যুক্তি হবে না। অথচ সেটার কোন উল্লেখই নেই। আর উল্লেখ করা হলেও , মুক্তমনায় মৌলিক রচনার বদলে ‘উইকি পান্ডিত্য’ কতটুকু শোভা পায় সেটাও বিতর্কের অপেক্ষা রাখে। এ ব্যাপারে মডারেটরদের দৃষ্টি আকার্ষণ করছি।

    আমার মত কম জানা পাঠকদের এক সমস্যা, ব্যাপক পড়াশুনা না-থাকার কারণে কোনটা নকল কোনটা আসল বুঝে উঠতে পারিনা।
    মূল লেখা নকল নাকি সংশপ্তকের মন্তব্য, আশা করি মডারেটরা পাঠকদের ধোয়াশা থেকে মুক্তি দেবেন।
    ‘উইকি পান্ডিত্য’ শব্দবন্ধটি চমৎকার লেগেছে। কেমন জানি একটা মেকি মেকি গন্ধ নাকে এসে লাগে।
    ভয়ংকর অথচ সৎ, এক তার্কিক ফরিদ আহমদের অনুপস্থিতি অনুভূত হচ্ছে। ‘চাষা-ছোলা’ ভাষায় দর্শী-র দর্শন আবার কখন আমাদের ভাবনার জানা-লায় এসে হাতুড়ি চালাবে, অপেক্ষায়।

    • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 3:52 পূর্বাহ্ন

      @স্বপন মাঝি,
      উইকির আর্টিকেলটা বেশী বড় না। ওটা পড়ুন। এরপর আমার লেখা পড়ুন এবং তারপর সংশপ্তককে বলুন বালথাজার জিরার্ড কর্তৃক উইলিয়াম দ্য সাইলেন্টকে খুন, তার বিচার এবং সাজার ওপর একটি মৌলিক রচনা লিখে আনতে। দেখা যাবে উনি যে হিসাবে আমি প্ল্যাগরিয়ারিজম করেছি সেই হিসাবে উনাকেও প্ল্যাগরিয়ারিজম দোষে দুষ্ট বলা যায় কিনা। দেখা যাক উনার চাপায় ক্ষমতাবান বেশী নাকি কাজে?

      • সফিক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 4:14 পূর্বাহ্ন

        @তানভীর হানিফ,ইতিহাস নিয়ে মৌলিক লেখা সম্ভব নয়, বিভিন্ন সূত্রের উপরে নির্ভর করতেই হবে। ইতিহাসের এই ছোট লোমহর্ষক পর্বটি নিয়ে লেখাটি অবশ্যই মুক্তমনার পাঠকদের কাছে আকর্ষনীয় হবার কথা। এমনকি শুধু উইকিনির্ভর লেখা হলেও অসুবিধার ছিলো না। তবে আপনাকে লেখার রেফারেন্স দেয়া অবশ্যই দরকার ছিলো। যদি উচ্চশিক্ষা-গবেষনায় জড়িত থাকেন তবে এই বিচ্যুতি আরো অমার্জনীয়।

        উইকিতে পড়লাম যে বালথাজার জেরা’র জন্মের শহরে তার নামে একটি রাস্তার নাম করা হয়েছিলো এবং আজ ৪৪০ বছর পরেও সেই নাম আছে। প্রকৃতপক্ষে যে একজন টেরোরিস্ট-অ্যাসাসিন ছাড়া আর কিছু নয়, তাকে সম্মান জানানো তে ফরাসীদের তেমন কুন্ঠা দেখা যাচ্ছে না।

        • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 4:28 পূর্বাহ্ন

          @সফিক,
          ধন্যবাদ। আমি ইতিহাস গবেষক নই–তবে এর ওপর আমার পড়াশোনা আছে । কোন বই একেবারে না ঘেটেও ঐতিহাসিক ঘটনানির্ভর আর্টিকেল (গবেষনা প্রবন্ধ নয়) লেখা সম্ভব। আমি যদি এই মুহুর্তে আইনস্টাইনের ১০ পাতার একটা জীবনী লিখতে চাই তাহলে আমার কোন বই না ঘাটলেও চলবে। সেক্ষেত্রে তথ্যসূত্রের বাধ্যবাধকতা থাকে কিনা জানিনা। তাঁর জন্ম, মৃত্যু বা নোবেলপ্রাপ্তির সন-তারিখ আমার মুখস্ত–কোথা থেকে কবে পড়েছি মনে নেই–ঠিক আছে? তবে আমার লেখাটিকে প্ল্যাগরিয়ারিজম বলা হয়েছে। তা কিনা সেটি বিচারের ভার রইল। আমার মনে হয় অনেকে এর সংজ্ঞা কি তা জানেন না।

          • সফিক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 4:47 পূর্বাহ্ন

            @তানভীর হানিফ,নিজের স্মৃতির তথ্যগুলো থেকে এরকম লেখা অবশ্যই সম্ভব। কিন্তু আপানর স্মৃতির তথ্যগুলোও কোনো না কোনো সোর্স থেকে এসেছে। যদি আপনি লেখা পাবলিকেশন করেন তবে আপনাকে এমনকি স্মৃতির তথ্যসূত্রও খুজে নিয়ে তার উল্লেখ করা দরকার আছে। জন্মতারিখ, নোবেল প্রাপ্তি এসব তথ্য অবশ্যই পাব্লিক ডোমেইন। কিন্তু আপনার লেখায় তো শুধু সন তারিখ থাকবে না, ছোট খাটো ঘটনা, এনেকডোট এসব ও থাকবে। এগুলো আপনার স্মৃতিতে থাকলেও, লেখার সময়ে সেটাকে ভেরিফাই করে সূত্র উল্লেখ করা উচিৎ। আসলে আমরা প্রতিদিন এতো লেখা পড়ি এবং বিভিন্ন স্থানের ছোটখাট তথ্য বিভিন্ন ভাবে আমাদের মাথায় গেথে যায়। অনেক সময়ে লেখা দ্রুত লিখতে গেলে সেই সূত্র ব্যাকট্র‍্যাক করা কঠিন দিন আগে আমেরিকার বিখ্যাত মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব ফরিদ জাকারিয়া এরকমই একটি ভুল করেছিলেন। এজন্যে তাকে বেশ হেনস্থা হতে হয়েছে।

            মুক্তমনা হয়তো বাইরের প্রিন্ট পাবলিকেশনের মতো এতটা একজ্যাক্টিং নয় তবে যেহেতু উইকির শরনাপন্ন আমরা সবাই হই প্রথমে খতিয়ে দেয়ার জন্যে সেকারনে উইকি উল্লেখ করলে ভালো হতো। ইতিহাস বিষয়ে যেকোনো ছোটখাট ঘটনার বর্ননা অটোম্যাটিক্যালি উইকির সাথে অনেকাংশে মিলে যাবার সম্ভাবনা বেশী।

            • সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:12 পূর্বাহ্ন

              @সফিক,

              ইতিহাস বিষয়ে যেকোনো ছোটখাট ঘটনার বর্ননা অটোম্যাটিক্যালি উইকির সাথে অনেকাংশে মিলে যাবার সম্ভাবনা বেশী।

              যখন এক্সপ্লিসিট বর্ণনার মিল পাওয়া যায় (যার ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে আবার বিতর্কও হতে পারে) তখন তাকে কি বলে ?

              উইকি থেকে
              At the house he immediately underwent a preliminary examination before the city magistrates. Upon being interrogated by the magistrates, he reportedly showed neither despair nor contrition, but rather a quiet exultation, stating: “Like David, he had slain Goliath of Gath”.
              The magistrates decreed that the right hand of Gérard should be burned off with a red-hot iron, that his flesh should be torn from his bones with pincers in six different places, that he should be quartered and disemboweled alive, his heart torn from his bosom and flung in his face, and that, finally, his head should be taken off.[1]
              On the first night of his imprisonment Gérard was hung on a pole and lashed with a whip. After that his wounds were smeared with honey and a goat was brought to lick the honey off his skin with his sharp tongue. The goat however refused to touch the body of the sentenced. After this and other tortures he was left to pass the night with his hands and feet bound together, like a ball, so sleep would be difficult. During the following three days, he was repeatedly mocked and hung on a pole with his hands tied behind his back. Then a weight of 300 metric pounds (150 kg) was attached to each of his big toes for half an hour. After this half hour Gérard was fitted with shoes made of well-oiled, uncured dog skin; the shoes were two fingers shorter than his feet. In this state he was put before a fire. When the shoes warmed up, they contracted, crushing the feet inside them to stumps. When the shoes were removed, his half-broiled skin was torn off. After his feet were damaged, his armpits were branded. After that he was dressed in a shirt soaked in alcohol. Then burning bacon fat was poured over him and sharp nails were stuck between the flesh and the nails of his hands and feet. Gérard is said to have remained calm during his torture.

              এই প্রবন্ধে-
              বালথাজারকে শহরের ম্যাজিস্ট্রেটদের কাছে প্রথমে একটি প্রাথমিক জেরার মধ্য দিয়ে যেতে হল। তাকে একটুও ভীত, বিহ্বল বা উত্তেজিত মনে হল না। সে বরং খুব স্বাভাবিক ও উৎফুল্ল কন্ঠে দাউদ নবীর ফিলিস্তিন দৈত্য জালুতকে হত্যা করার উদ্ধৃতি দিল। এরপর ম্যাজিস্ট্রেটরা বিচারের রায়ে তার মৃত্যুদন্ডের ঘোষনা দিলেন। ম্যাজিস্ট্রেটদের আদেশ অনু্যায়ী জেরার্ডের ডান হাত তপ্ত লোহার সাহায্যে পোড়ানোর পর সাড়াশীর সাহায্যে তার শরীরের ছয় জায়গা থেকে হাড় থেকে মাংস খুবলে তোলা হবে এবং সর্বশেষে তার পেট চিড়ে নাড়ি-ভুড়ি বের করে কুঁপিয়ে চার-টুকরো করা হবে; এই পর্যায়ে তার হৃৎপিন্ড কেঁটে বের করে তার মুখের সামনে দোলানো হবে এবং সবশেষে তার মাথা দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে।

              বন্দীশালার প্রথম রাতে বালথাজারকে একটা খুঁটিতে বেধে আপাদমস্তক চাবকানো হল টানা পুরো ১ ঘন্টা । এরপর তার কাটা-ছেঁড়া ঘাগুলোতে মধু মেখে একটা ছাগল নিয়ে আসা হল এইটির ধারালো জিহ্বা দিয়ে চাটানোর জন্য। ছাগলটিকে দিয়ে অবশ্য কাজটি করানো গেলনা। এর পর আরও ২ ঘন্টা টর্চারের পর তার হাত-পা শক্ত করে বেধে তাকে গুটলির মতন ফেলে রাখা হল যাতে সে ঘুমাতে অক্ষম হয়। এর পরের টানা তিন রাত তাকে খুটির সাথে বেধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হল। পুরো সময়টাতে তার হাতগুলোকে খুটির উল্টোপাশে শক্ত করে বেধে রাখা হয়। এরপর তার দুইপায়ের পায়ের বুড়ো-আঙ্গুলের সাথে পৃথকভাবে ১৩৬ কেজি ওজন ঝুলিয়ে রাখা হল আধ-ঘন্টার জন্য। এই আধ-ঘন্টা অতিক্রান্তের পর তার দুই পায়ে ভালোভাবে তেল মাখানো কুকুরের কাঁচা চামড়ার জুতা পড়িয়ে দেওয়া হল। এই জুতা আবার তার পায়ের সাইজের দুই ইঞ্চি ছোট করে বানানো। এই অবস্থাতে তার পায়ের কাছে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হল। জুতা গরম হয়ে সংকুচিত হতে হতে তার পায়ের হাড্ডিগুড্ডি ভিতর থেকে চুড়চুড় করে দিল। এরপর চামড়ার এই জুতো তার পা থেকে টেনে-ছিড়ে খুলে ফেলা হল তার পায়ের চামড়া, মাংসও এর সাথে উঠে চলে আসল। একটা বড় ডান্ডা দিয়ে এরপর ভয়ংকর জোড়ে তার হাত-পায়ের গাঁটে-গাঁটে বাড়ি মেরে হাড্ডিগুড্ডি ভাঙ্গা হল বেশ ধিরে ধিরে। এরপর এ্যালকোহলে একটি শার্ট ভিজিয়ে তার গায়ে পড়িয়ে দিয়ে গলিত শুকরের চর্বি তার গায়ের বিভিন্ন অংশে ঢেলে দেওয়া হল। এরপর সাড়াশি দিয়ে মাড়িসহ তার দাঁতগুলো তুলে ধারালো চিমটা দিয়ে তার পুংস্তনের বোঁটাগুলো তুলে ফেলে রক্তারক্তি অবস্থা করা হল। তার দেহের মাংসের পরতে-পরতে লোহার নেইল ঢুকিয়ে হাত-পায়ের নখগুলো একে একে তুলে ফেলা হল। এই পুরোটা সময় বালথাজার অবিশ্বাস্যভাবে শান্ত ছিল–

              • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:22 পূর্বাহ্ন

                @সংশপ্তক,
                আপনি বিতর্ক হতে পারেনা এমনভাবে ঘটনাটা লিখে নিয়ে আসেন।

            • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:16 পূর্বাহ্ন

              @সফিক,
              আপনি যা বললেন তা অনেক কিছুর ক্ষেত্রেই করা সম্ভব না–বিশেষ করে ঐতিহাসিক ঘটনা বা বহুল প্রচলিত বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে। কেউ যদি আগে পিছে নিজস্ব বিশ্লেষণ ছাড়া কোন তথ্যসূত্র থেকে সেটির উল্লেখ ব্যতিত হুবুহু কপি-পেস্ট করেন তাহলে সেটি প্ল্যাগরিয়ারিজমের আওতায় পড়তে পারে। তবে এরও মাত্রা আছে। আমি গবেষনা প্রবন্ধ লিখেছি/লিখছি আমার ফিল্ডে বহু বছর যাবৎ–কাজেই এ বিষয়ে আমি কিছুটা হলেও জানি। আমার পক্ষে যেসব লেখায় তথ্যসূত্র দেওয়া সম্ভব হবে সেসব লেখায় অবশ্যই দিয়েছি/দোব। যেসবের ক্ষেত্রে ভ্যারিফাই করাটা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হবে সেসব ক্ষেত্রে নির্দ্বিধায় দোব না।

      • সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:14 পূর্বাহ্ন

        @তানভীর হানিফ,

        দেখা যাক উনার চাপায় ক্ষমতাবান বেশী নাকি কাজে?

        এই মন্তব্য আপনাকে ব্যাখ্যা করতে হবে।

        • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:21 পূর্বাহ্ন

          @সংশপ্তক,
          তাই নাকি? ঐ লাইনটাই পড়লেন? তার আগেরটা পড়েন।

          • সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:24 পূর্বাহ্ন

            @তানভীর হানিফ,

            আগেরটা সহই ব্যাখ্যা করুন ।

            • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:28 পূর্বাহ্ন

              @সংশপ্তক,
              আগেরটা পড়লে আর ব্যাখ্যার দরকার নাই। স্পষ্ট বাংলা ভাষায় লেখা–প্রাচীন মিশরের ভাষায় নয়।

              • সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:46 পূর্বাহ্ন

                @তানভীর হানিফ,

                আচ্ছা বলুনতো , মুক্তমনার অংশবিশেষ অন্য একটা ব্লগে এবং অন্য নামে কৃতজ্ঞতা স্বীকার ছাড়াই প্রকাশ করাটা কি ঠিক ?

                http://www.amarblog.com/thanif/posts/151826

                http://blog.mukto-mona.com/?p=28802#comment-95805

                • তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 5:59 পূর্বাহ্ন

                  @সংশপ্তক,
                  মুক্তমনায় আমার লেখা বা মন্তব্যের স্বত্ত্ব আমার–আমি স্বনামেই এখানে লিখি। আমারব্লগের ঐ
                  এ্যাকাউন্টটিও আমার। আমার নিজস্ব মন্তব্যে অন্য কারও অবদান আছে নাকি?

                  • কাজী রহমান সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 9:07 পূর্বাহ্ন

                    @তানভীর হানিফ,

                    সংশপ্তক কিন্তু আপনার আগের লেখায় কমপ্লিমেন্ট করেছিলো। ব্যাপারটা আমার কাছে স্বাভাবিক ঠেকেছে। ভালোও লেগেছে। এবার সংশপ্তকের প্রশ্নের উত্তরে আপনার কাছ থেকে পরিণত মন্তব্য আশা করেছিলাম। সংশপ্তক উইকির বেশ বড়সড় একটা অংশ ইংরেজী আর আপনার লেখা থেকে তুলে পাশাপাশি দেখিয়ে দেবার পর আশা করেছিলাম আপনি উইকিকে অন্তত তথ্যসূত্রের সম্মানটুকু দেবেন। দেননি। অবাক হলাম। এই ব্লগে সঙ্কীর্ণতা দেখলে বড্ড ব্যাথিত হই। পরিবেশটা অচেনা ঠেকছে।

                    সফিকের মন্তব্যগুলোকেও সম্মান দিতে পারতেন। দেননি। অদ্ভুত ঠেকছে।

                    স্বপন মাঝিকেও দেখছি বেশ কড়া করে উত্তর দিয়েছেন।

                    আপনি ভিন্ন ব্লগে ভিন্ন নিকে লিখছেন এটা নিয়ে গর্ব করার কি আছে বুঝলাম না? এত কিছু করে আপনার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়লো নাকি?

                    যাই হোক মনে হচ্ছে আপনি কারো তেমন একটা তোয়াক্কা করেন না; কিন্তু এই ব্লগটার পরিবেশের তোয়াক্কা করলে সূখী হতাম।

  4. তানভীর হানিফ সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 3:09 পূর্বাহ্ন

    @সংশপ্তক,
    ইতিহাসতো আমি বানিয়ে লিখতে পারব না। কাজেই উইকির তথ্যের সাথে মিল থাকাটা কি অস্বাভাবিক?
    উইকি থেকে তথ্য আমি অবশ্যই নিয়েছি কিন্ত নিজস্ব বিশ্লেষণ ছাড়া উইকি অনুবাদ করেছি অথবা উইকিতে
    প্রাপ্ত তথ্য অন্য কোন বইয়ে নেই এবং আমি সেসব বই কনসাল্ট না করেই উইকি অনুবাদ করে দিয়েছি সেরকম ধারণা আপনার কেন হল? লেখার কত অংশ উইকি থেকে নেওয়া হয়েছে?

  5. সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 30, 2012 at 2:39 পূর্বাহ্ন

    এটা অত্যন্ত দূঃখের বিষয় যে , মুক্তমনায় প্লেজারিজমকে অনমোদন দেয়া হচ্ছে। এই প্রবন্ধটি উইকি থেকে কপি পেস্ট করা হয়েছে বল্লেও অত্যুক্তি হবে না। অথচ সেটার কোন উল্লেখই নেই। আর উল্লেখ করা হলেও , মুক্তমনায় মৌলিক রচনার বদলে ‘উইকি পান্ডিত্য’ কতটুকু শোভা পায় সেটাও বিতর্কের অপেক্ষা রাখে। এ ব্যাপারে মডারেটরদের দৃষ্টি আকার্ষণ করছি।

এই আলোচনাটি শেষ হয়েছে.