ফারনিস অ্যাটলাসের রোমাঞ্চকর রহস্য

পুরাকালে মানুষের কল্পনার আকাশে শুধুই দেব-দেবীর উপাখ্যান ছিল। যেখানে দেবতাদের ধুন্ধুমার যুদ্ধও হতো। গ্রিক উপাখ্যানে যেমন আছে, টাইটানদের সাথে দেবরাজ জিউস ও তার পরিবারের সংঘর্ষ হয়। তাতে টাইটানরা পরাজিত হয়। যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে একেক টাইটানের একেক রকম শাস্তি হয়। ‘অ্যাটলাস’ নামের এক টাইটানের শাস্তি হয় যে এই জগতের দুঃসহ ভার তাকেই বহন করতে হবে। ফলে পুরো আকাশ-গোলকের ভার তার কাঁধে ন্যস্ত হয়। হাঁটুমুড়ে বসে বুড়ো টাইটান জগতের এই ভার আজো বহন করছে। এই উপাখ্যানের এক সুন্দর শিল্পকর্ম পাওয়া যায় ষোল শতকের প্রথম দিকে রোমের ফারনিস প্রাসাদে। এই ভাস্কর্যটি বর্তমানে ন্যাপল্‌সের যাদুঘরে রাখা আছে। পাঠকেরা চাইলে ইন্টারনেটে এর ছবিও দেখতে পাবেন। ভাস্কর্যটি সাদা মর্মরে নির্মিত – একখানি হাঁটু মুড়ে বুড়ো অ্যাটলাস বসে আছে, কাঁধের উপর চাদর, আর দুই হাতে সে একটি গোলক ধরে আছে। গোলকটির ব্যাস ৬৫ সেন্টিমিটার। লক্ষ করলে দেখা যাবে, এই গোলকটির গায়ে নানান তারামণ্ডলীর চিত্র খোদিত। এমনকি সুমেরু বৃত্ত, কুমেরু বৃত্ত, ক্রান্তিবৃত্ত, বিষুবরেখাও অঙ্কিত আছে। প্রাচীন খ-গোলকের একমাত্র মডেল প্রতিরূপ এই গোলকটি। প্রাচীন আকাশ-চিত্রের নানা বর্ণনা আমরা পেয়েছি বিভিন্ন বিবরণে, কিন্তু বাস্তব মডেল এই ভাস্কর্যেই প্রথম। তাই এই ‘ফারনিস অ্যাটলাস’ নিয়ে জ্যোতির্বিদদের নানা জল্পনা। এক গবেষক গুণে দেখেছেন, গোলকটিতে ৪১টি মণ্ডলী খোদিত হয়েছে। শিল্পের ঐতিহাসিকরা রায় দিয়েছেন, এই মূর্তিটি দ্বিতীয় শতকে রোমে নির্মিত এবং এটি আরো প্রাচীন কোনো গ্রিকমূর্তির নকল বলেই মনে হয়। মূর্তির নির্মাণ-তারিখ জানা গেল বটে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, গোলকটিতে যেসব মণ্ডলী খোদিত হয়েছে সেটা কোন সময়ের আকাশ নির্দেশ করে? সেটা কি শিল্পীর নিজের সময়ের (খ্রিস্টাব্দ ১৫০), নাকি টলেমির (খ্রিস্টাব্দ ১২৮), নাকি আরাতুসের কবিতায় বর্ণিত আকাশ (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৫), নাকি আরাতুসের প্রেরণা ইউডক্সাসের সেই কথিত স্ফিয়ার (খ্রিস্টপূর্ব ৩৬৬)?

ফারনিস গোলকে শুধু মণ্ডলীর ছবি থাকলেও তারকার কোনো ছবি নেই। অর্থাৎ মণ্ডলীর কোথায় কোন তারাটি আছে তার কোনো কিছু উৎকীর্ণ করা হয়নি, উৎকীর্ণ হয়েছে কেবল মণ্ডলীগুলির সুপরিচিত ছবি। এদের পরষ্পরের সাপেক্ষে অবস্থান দেখে এবং সুমেরু ও কুমেরু বৃত্তের অবস্থান থেকে ঐ গোলকে খোদিত আকাশের মূল দর্শকের তারিখ ও অক্ষাংশ নির্ণয় করা যেতে পারে বলে লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটির পদার্থবিদ ব্র্যাডলি শেফার মনে করেন। তিনি দেখিয়েছেন, এই গোলকটিতে প্রাচীন গ্রিকদের জ্ঞাত মণ্ডলীগুলির মধ্যে লঘুসপ্তর্ষি, ত্রিকোণ ও বাণমণ্ডলীর ছবি নেই, গ্রিকযুগের পরের দিককার মণ্ডলী (যেমন ইকুয়ালিয়াস, কোমা বেরেনিসিস) নেই, হার্কিউলিসের যে ছবিটি আছে যার হাতে গ্রিসিয় বর্ণনায় শোনা সিংহচর্মটি বা বল্লমটি নেই, তুলারাশিতে তুলাদন্ড পরিস্কার দেখা যায়, এবং কর্কটসংক্রান্তির আরম্ভকাল কর্কটরাশিতে দেখানো হয়েছে যেখানে আরাতুসের (এবং ইউডক্সাসের) বর্ণনামতে এই কাল শুরু হয় সিংহরাশিতে। এভাবে শেফার দেখিয়েছেন যে এই গোলকটি আরাতুস-পরবর্তী সময়ের আকাশ নির্দেশ করে।

অনেক ঐতিহাসিকই মনে করেন যে ফারনিস অ্যাটলাসের কাঁধে যে গোলকটি আছে তা আসলে সেই বহুযুগের হারিয়ে যাওয়া পৌরাণিক ‘ইউডক্সাসের স্কিয়ার’। কিন্তু শেফারের বিশ্লেষণে দেখা যায়, এটি আসলে হিপার্কাসের তারাতালিকা দেখে বানানো। এর সপক্ষে শেফার প্রতিটি মণ্ডলীর আপেক্ষিক অবস্থান, তাদের আকৃতি বিশ্লেষণ, ক্রান্তিবৃত্তের আনতি (হিপার্কাসের ২৩.৮৫ডিগ্রি, ফারনিস গোলকে ২৩.৯৫ডিগ্রি), হিপার্কাসের অবস্থান (রোডস, ৩৬.৪ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ), মেরুবৃত্তসমূহের অবস্থান, ইত্যাদির বিশ্লেষণে এবং কিছু সাংখ্যিক বিচারের সাহায্যে বলতে চেয়েছেন, যে দর্শকের আকাশ ঐ গোলকটি নির্দেশ করে সেই দর্শকের —
• অবস্থান ৩৮.৩±০.৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ।
• কাল খ্রিস্টপূর্ব ১২৫±৫৫।
• সামনে হিপার্কাসের হারিয়ে যাওয়া তারাতালিকাটি ছিল।

 

কথিত আছে, হিপার্কাস নিজে একটি নিখুঁত তারাতালিকা বানিয়েছিলেন। এটি এখন কালের গহনতলে হারিয়ে গেছে। সেই তারাতালিকা দেখেই টলেমি তাঁর ‘আলমাজেস্ট’ লিখেছিলেন বলে কথিত আছে। টলেমি এই কথা কখনো কবুল করেননি, কিন্তু হিপার্কাসের তারা-অবস্থানের সাথে হিপার্কাস-কথিত অয়নচলনের হার যোগ করলে টলেমির আবস্থান সুন্দর মিলে যায়। তাই অনেকেই প্রশ্ন করেন, টলেমি আদৌ তারাগুলো দেখেছিলেন কি না।

ইউডক্সাসের গোলকের কী যে এক মোহনীয় টান! প্রথমত, এই মিথিক গোলকটির উপর ভিত্তি করে আরাতুসের কাব্যগ্রন্থ রচিত। সেই কাব্যগ্রন্থ পড়ে হিপার্কাস চিন্তায় পড়ে গেলেন যে তিনি আসলে কোন আকাশ, কার আকাশ দেখছেন। নিজেই এক নিখুঁত ক্যাটালগ বানালেন। সেই ক্যাটালগ দেখে টলেমি লিখলেন ‘আলমাজেস্ট’; হিপার্কাসের লিখিত তারার অবস্থানের সাথে অয়নচলনের জন্য যেটুকু পরিবর্তন দরকার, সেটুকু ঠিক করে টলেমি তাঁর তারাতালিকা প্রস্তুত করলেন, কিন্তু বেমালুম চেপে গেলেন হিপার্কাসের ঋণের কথা। কিন্তু আজ হিপার্কাসের সেই ক্যাটালগই বা কোথায়, আর ইউডক্সাসের গোলকই বা কই? কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে তারা, কিন্তু রেখে গেছে এক ঐতিহাসিক হাতছানি, সলোমনের গুপ্তধনের মতো।

বিজ্ঞানীরা অবশ্য জানিয়েছেন ইউডক্সাস তার গোলকের মূল মডেলটি পেয়েছিল মিশরীয় পুরোহিতদের কাছে। ধারণা করা হয়, মিশরের সাথে বাণিজ্যের সম্পর্কে কিংবা কোনো জাহাজডুবির ফলে মিনোয়ানদের তৈরি একটি আদি মডেল মিশরীয়দের হস্তগত হয়। মিনোয়ানরা এই গোলকের অধিকাংশ তারামণ্ডলীর সাথে পরিচিত হয় ব্যাবিলনীয়দের সংস্পর্শে আসার কারণে। কাজেই কেউ যদি এসে বলেন, ‘এই দেখ, এইটে ইউডক্সাসের স্ফিয়ার, বা তার নিকটতম প্রতিরূপ’, তাহলে তা স্বভাবতই সাংঘাতিক রোমাঞ্চের ব্যাপার! হাজার বছরের প্রাচীন জ্ঞানের প্রস্তরীভূত মূর্তি চোখের সামনে দেখছি! ফারনিস প্যালেসের অ্যাটলাসের হাতে ধরা দু-ফুটের সামান্য বড় এই গোলকটি দেখে, এবং শেফারের বিশ্লেষণ পড়ে, সেই রোমাঞ্চেরই কিয়দংশ জাগ্রত হয় বৈকি!

কিন্তু হা হতোস্মি, সে গুড়ে পুরোটাই বালি ঢেলে দিলেন ফ্লোরিডা স্টেট ইউনিভার্সিটির আরেক পদার্থবিদ। শেফার মোটামুটি দশটি অমিল খুঁজে পেয়েছিলেন অ্যাটলাসের গ্লোব এবং ইউডক্সাস-আরাতুস-হিপার্কাস-টলেমির মিলিত বর্ণনার মাঝে আর বারোটি মিল খুঁজে পাওয়ার দাবি করেছিলেন এর মধ্যে। কিন্তু ডেনিস ডিউক তাঁর গবেষণা-প্রবন্ধে বিভিন্ন মাত্রার (মণ্ডলীর আকৃতিগত অমিল, গ্লোবের বিভিন্ন রেফারেন্স রেখার সাপেক্ষে কোনো কোনো মণ্ডলীর মিস-অ্যালাইনমেন্ট, হিপার্কাস প্রদত্ত নক্ষত্র ও মণ্ডলীর উদয় ও অস্তের তথ্যের সাহায্যে নির্ণীত মণ্ডলীর আকার ও অবস্থানের সাথে অমিল) মোট ৩৫টি অমিল তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য, ঐ গোলকটির উৎস হিপার্কাস না হয়ে অন্য যে কেউ হতে পারে, বিশেষ করে জেমিনিকাস সিজারের লেখা আরাতুসের বর্ণনার (খ্রিস্টাব্দ ৪-১৪ এর ভেতর লিখিত) সাথে অমিলের চেয়ে এর মিল বেশী। তাঁর ভাষায়:

“ফারনিস গ্লোব নিয়ে নতুন করে ভাবনা-চিন্তার জন্য শেফার অবশ্যই ধন্যবাদার্হ, তবে তাঁর দাবি অনুযায়ী, তাঁর গবেষণা হিপার্কাসকে ফারনিস গ্লোবের মণ্ডলীর তথ্যের উৎস হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রথমত, গ্লোবের মহাকাশ সংক্রান্ত ডেটার তারিখ নির্ণয়ে প্রকৃত অনিশ্চয়তার মান অন্ততপক্ষে ±২০০ বছর। দ্বিতীয়ত, দ্ব্যর্থহীন প্রমাণের জন্য যে ধরনের শক্ত মিল থাকা প্রয়োজন, হিপার্কাসের ডেটা এবং গ্লোবের উৎকীর্ণ ছবির সাথে, সেরকম প্রমাণ [শেফারের] প্রবন্ধে নেই। সত্যি বলতে কি [হিপার্কাস রচিত] ‘কমেন্টারি’ এবং গ্লোবের মধ্যে প্রচুর অমিল যেমন দেখা যায়, মিলও তেমনি দেখা যায়। এমনকি, হিপার্কাস না হয়েও, যদি অন্য কোনো দর্শকের আকাশের প্রকৃত পর্যবেক্ষণের উপর ভিত্তি করে [গ্লোবের মণ্ডলীগুলি উৎকীর্ণ হয়], এবং সেই উৎস যদি যথেষ্ট দক্ষ হয় (২০-এর মাত্রায়), তাহলে অবশ্য আমরা অনেক মিলই দেখব, এবং সেক্ষেত্রে বিশেষ কোনো উৎসেরই প্রয়োজন থাকে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে হিপার্কাসের ডেটা এবং ঐ গ্লোবের মধ্যে বিদ্যমান অমিলগুলো এতোই জাজ্বল্যমান যে, হিপার্কাসকে সম্ভাব্য উৎস হিসেবে প্রমাণ করাটা আদৌ সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।”

কাজেই রোমান্টিক পাঠক ফারনিস গ্লোবটিকে দেখিয়ে বলতেই পারেন, ‘ঐ দেখ, প্রাগিতিহাসের সেই ইউডক্সাসের স্ফিয়ার, কেমন জ্বলজ্বল করে তাকিয়ে আছে।’ কিন্তু ‘সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণটা’ সেক্ষেত্রে, উল্লেখ করতে ভুলবেন না যেন!
আফটার অল, কল্পনা আর বাস্তব, যোজন যোজন ‘দূর আস্ত’!

তথ্যপঞ্জি:
১/ ডেনিস ডিউক, “অ্যানালাইসিস অব দ্য ফারনিস গ্লোব”, জার্নাল ফর দ্য হিস্ট্রি অব অ্যাস্ট্রোনমি, খণ্ড ৩৭, পৃষ্ঠা ৮৭-১০০, ২০০৬;  ।

২/ ব্র্যাডলি শেফার, “দ্য ইপক অব দ্য কনস্টেলেশন্‌স অন দ্য ফারনিস অ্যাটলাস অ্যান্ড দেয়ার অরিজিন ইন হিপার্কাস’ লস্ট ক্যাটালগ”, জার্নাল ফর দ্য হিস্ট্রি অব অ্যাস্ট্রোনমি, খণ্ড ৩৬, পৃষ্ঠা ১৬৭-১৯৬, ২০০৫।

ডক্টর ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী বিজ্ঞান লেখক। উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা: 'সবার জন্য জ্যোতির্বিদ্যা' (যৌথ, তাম্রলিপি, ২০১২), 'দূর আকাশের হাতছানি' (যৌথ, শোভা, ২০১২), ‘অপূর্ব এই মহাবিশ্ব’ (যৌথ, প্রথমা,২০১১), ‘মহাকাশের কথা' (অনুপম,২০১১), ‘ন্যানো' (পড়ুয়া,২০১০), ‘অংকের হেঁয়ালি ও আমার মেজোকাকুর গল্প (সময়, ২০০৭), ‘জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান পরিচিতি' (বাংলা একাডেমী, ২০০০) এবং ‘জ্যোতির্বিজ্ঞান শব্দকোষ' (বাংলা একাডেমী,১৯৯৮)।

মন্তব্যসমূহ

  1. বিলম্বিতা (স্নিগ্ধা) জুলাই 30, 2012 at 2:47 অপরাহ্ন - Reply

    আরো একটা নতুন বিষয় জানলাম মুক্তমনার সৌজন্যে। ধন্যবাদ মুক্তমনা, সেসাথে ধন্যবাদ আপনাকেও, এত সুন্দর গুছিয়ে লেখার জন্যে।
    আপনার লেখা এতদিন পড়েছি বিডিনিউজ২৪ এ। খুব আগ্রহ নিয়ে পড়েছি। খুব ভালো লাগছে আপনাকে এখানে দেখে। স্বাগতম। আরো বেশি বেশি করে লিখুন।

  2. কৌস্তুভ জুলাই 29, 2012 at 9:48 পূর্বাহ্ন - Reply

    [img]http://www.e-cigserbia.com/images/smilies/dobrodosao.gif[/img]

    কী কাণ্ড, আমি প্রথমে পড়েছিলুম “ফারসিম অ্যাটলাসের রোমাঞ্চকর রহস্য” 😛

  3. শারমিন শবনম জুলাই 28, 2012 at 8:26 অপরাহ্ন - Reply

    চমৎকার লেখা! ভাস্কর্যের ছবিটা আগে দেখেছি কিন্তু এই গ্লোবে যে সত্যিকার অর্থেই তারামণ্ডল গুলো খোদাই করা আছে তা জানা ছিল না! এখানে থেকেও দেখতে পাচ্ছি সেন্টর, হাইড্রা এবং তার সাথের কাক আর কাপকে ! আকাশের তারা এমনিতেই রহস্যময় আর সেই সাথে গ্রীক মিথোলজি যুক্ত হলে তো কথাই নেই! ধন্যবাদ এরকম লেখার জন্য! সামনে আরোও পাব আশা করি!

  4. আকাশ মালিক জুলাই 27, 2012 at 9:29 অপরাহ্ন - Reply

    ভাস্কর্যটা এর আগেও কোথায় যেন দেখেছি কিন্তু এর পেছনের ঘটনা মোটেই জানা ছিলনা। মুক্তমনায় স্বাগতম, এবং এরকম আরো প্রচুর লেখা চাই।

  5. রণদীপম বসু জুলাই 27, 2012 at 9:12 অপরাহ্ন - Reply

    অবশেষে এলেন ! কে এই কুপরামর্শটা দিয়েছে আপনাকে বলেন তো ফারসীম ভাই !! আপনার শান্তি গেলো !!

    আর এসেই যখন গেলেন, স্বাগতম মুক্তমনায় ! হা হা হা !!

    ফারনিস এটলাসের বিষয়টা তেমন জানতাম না আসলে। ধন্যবাদ।

  6. প্রতিফলন জুলাই 27, 2012 at 9:54 পূর্বাহ্ন - Reply

    এখানে ভাল লেখার জন্য সাধুবাদ যেমন মিলবে, তেমনি মিলবে ‘বাবাগিরি’-র জন্য ভর্ৎসনা! অতএব, সাধু সাবধান!

    স্বাগতম! 🙂

  7. রামগড়ুড়ের ছানা জুলাই 26, 2012 at 7:24 পূর্বাহ্ন - Reply

    খুবই ভালো লাগলো আপনাকে মুক্তমনায় দেখে (F) (F) ।

  8. রূপম (ধ্রুব) জুলাই 26, 2012 at 3:53 পূর্বাহ্ন - Reply

    মুক্তমনায় স্বাগতম! (F)

    আফটার অল, কল্পনা আর বাস্তব, যোজন যোজন ‘দূর আস্ত’!

    ডেটাঅপ্রতুল বিষয়গুলোতে (যেমন ইতিহাস) এই দূরত্ব প্রায়শই রয়ে যায়। একই ডেটা সাধারণত একাধিক তত্ত্ব দ্বারা সিদ্ধ হয়। ম্যাচিং তত্ত্ব কমাতে ডেটা বাড়াতে হয়। ইতিহাসে সেটা প্রায়শই অপ্রতুল। তাই নিশ্চিত করে বলা যায় না কোনটা বাস্তবে ঘটেছিলো। অন্যদিকে রোমান্টিক কল্পনা আবার একাধিক কম্পিটিং তত্ত্ব ধারণে অপারগ, সে তার মনমতোটাতে স্থিত হয়, যতোই সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ দেখান। 🙂

  9. আকাশ চৌধুরী জুলাই 25, 2012 at 10:34 অপরাহ্ন - Reply

    মুক্তমনায় স্যারকে স্বাগতম ! আপনার ক্লাসের মতই লেখাটিও জ্ঞানগর্ভ হয়েছে। আশা করি, স্যার মুক্তমনায় নিয়মিত লিখবেন।

  10. কাজি মামুন জুলাই 25, 2012 at 10:00 অপরাহ্ন - Reply

    ফারসীম ভাইয়ের ফারনিস অ্যাটলাস সম্পর্কিত চমকপ্রদ লেখাটা মন কাড়ল! সবচেয়ে আনন্দের ব্যাপার হল, মুক্তমনা একজন যথার্থ মানুষকে আজ তার সহযাত্রী হিসাবে পেয়েছে! ফারসীম ভাই নিয়মিত লিখবেন মুক্তমনার পাঠকদের জন্য, এমনটাই আশা করছি! (F)

  11. স্বজন জুলাই 25, 2012 at 8:12 অপরাহ্ন - Reply

    ফারসীম এর মতো প্রখ্যাত বিজ্ঞান লেখককে মুক্তমনায় দেখে খুবই উৎসাহিত হলাম। তাকে মুক্ত জ্ঞানচর্চার এই নেটবাড়িতে স্বাগতম। তিনি নিয়মিত লিখুন। অন্য সাইটের চাইতে এখানে বেশি সাড়া পাবেন। আপনার আগমনে একটু ছোট্ট উপহার (স্মাইলি আসছেনা)

  12. আহামেদ সানি জুলাই 25, 2012 at 7:48 অপরাহ্ন - Reply

    🙂 :)) 🙂

  13. মিঠুন সাহা জুলাই 25, 2012 at 7:42 অপরাহ্ন - Reply

    খুব ভাল লাগল দাদা ।

  14. রায়হান আবীর জুলাই 25, 2012 at 7:20 অপরাহ্ন - Reply

    ভালো লাগলো লেখাটা। মুক্তমনায় স্বাগতম 🙂

  15. তানভীরুল ইসলাম জুলাই 25, 2012 at 6:30 অপরাহ্ন - Reply

    ছোটোবেলায় কোনো একটা বইতে হারকিউলিস আর অ্যাটলাসের গল্প পড়েছিলাম। কিভাবে অ্যাটলাস হারকিউলিসের কাধে ভারটা চাপিয়ে দেয়। এরপর হারকিউলিস কিভাবে ওকে ধোকা দিয়ে ফিরিয়ে দেয় সে ভার, এসব।
    অনেক কিছু জানা গেল লেখাটা থেকে। এরকম যে একটা ভাস্কর্য আছে, সেটাই তো জানতাম না!

    মুক্তমনায় স্বাগতম! 🙂

  16. বন্যা আহমেদ জুলাই 25, 2012 at 6:02 অপরাহ্ন - Reply

    ফারসীম, আপনেরে মুক্তমনায় স্বাগতম জানাইতে আসছিলাম। কিন্তু আপনি আর অভিজিৎ যে ‘বাবাগিরি’ শুরু করলেন তাতে তো মনে হচ্ছে স্বাগতম টাগতম না বলে ষষ্টাঙ্গে পেন্নাম করে প্রস্থান করাই মঙ্গলজনক হবে :-Y ।

  17. তুহিন মেহেদী জুলাই 25, 2012 at 5:57 অপরাহ্ন - Reply

    ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, আপনাকে ‘মুক্তমনা’ য় লেখক হিসেবে স্বাগতম।

  18. ফারসীম জুলাই 25, 2012 at 5:20 অপরাহ্ন - Reply
    • সৈকত চৌধুরী জুলাই 25, 2012 at 9:32 অপরাহ্ন - Reply

      @ফারসীম,

      হাঃ হা। এত লম্বা লিংকু দিয়েও কিসটা ধরতে পারলেন না।

      (K)

      স্বাগতম। (F)

  19. ফারসীম জুলাই 25, 2012 at 5:20 অপরাহ্ন - Reply

    জয় বাবা অভিজিৎ,

    • অভিজিৎ জুলাই 25, 2012 at 5:45 অপরাহ্ন - Reply

      @ফারসীম,

      বাবা ফারসীম, লগ ইন কইরা মন্তব্য কর। তাইলে মন্তব্য পেন্ডিং এ পইড়া থাকব না।

  20. সাইফুল ইসলাম জুলাই 25, 2012 at 5:17 অপরাহ্ন - Reply

    ‘অ্যাটলাস’ নামের এক টাইটানের শাস্তি হয় যে এই জগতের দুঃসহ ভার তাকেই বহন করতে হবে। ফলে পুরো আকাশ-গোলকের ভার তার কাঁধে ন্যস্ত হয়। হাঁটুমুড়ে বসে বুড়ো টাইটান জগতের এই ভার আজো বহন করছে। এই উপাখ্যানের এক সুন্দর শিল্পকর্ম পাওয়া যায় ষোল শতকের প্রথম দিকে রোমের ফারনিস প্রাসাদে। এই ভাস্কর্যটি বর্তমানে ন্যাপল্‌সের যাদুঘরে রাখা আছে। পাঠকেরা চাইলে ইন্টারনেটে এর ছবিও দেখতে পাবেন।

    পাঠকদের সুবিধার জন্য ছবিটা দিয়ে দিলাম এখানেঃ

    [img]http://blog.classicist.org/wp-content/uploads/2011/04/Fig.-3.-Farnese-Atlas-National-Archaeological-Museum-Naples-Italy.jpg[/img]

    খুবই মজার একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। পৌরাণিক কাহিনী আমার বেশ পছন্দের একটা বিষয়। অত বেশি পড়াশোনা করা হয় নি এই ব্যাপারে তবে খুবই ভালো লাগে।

    এই বিষয়ে আরো লেখা চাই। 🙂

  21. অভিজিৎ জুলাই 25, 2012 at 5:15 অপরাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ ফারসীম। মুক্তমনায় লেখক হিসবে যাত্রা শুরু করার জন্য অগ্রীম অভিনন্দন।

    আর পাঠকদের জানিয়ে রাখি – ফারসীম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞান লেখকদের অন্যতম। ‘অপূর্ব এই মহাবিশ্ব’, ‘মহাকাশের কথা’, ‘ন্যানো’ সহ অনেকগুলো চমৎকার বই লিখেছেন তিনি।

মন্তব্য করুন