নীলের গর্জন যখন দুর্বোধ্য গম্ভীর হয়ে যায়,
উপলব্ধিতে সূর্যটা অপার্থিব আলতো মত আলো ছড়ায়,
কালচেবেগুনি রঙ সিঁধুর মিশেলে পোঁচ কাটে ইচ্ছেমত,
একসাথে বালুবেলা ছাড়ে বেজায় শব্দে সব গাঙচিলগুলো,
নোনাশ্যাওলা গন্ধের ঝিরঝিরে আবেশে চোখ বুজে আসে,
জলকণারা বাতাসকে ভারী ক’রে ফের আমাকে জড়ায়,
একা হতে পারি তখন; সৈকতটাও আমার হয়।

একটা সময় ছিলো; একা হবার আনুষ্ঠানিকতা করতাম,
আসলে একা হতামনা; কিসব ঘিরে রাখতো আশপাশ,
ভাবতাম ওটাই আমার তৈরী সেই আপনবিলাসী জগৎ,
শঙ্কর মোজার্ট কিংবা আরো কোনো উচ্চমার্গীয় সঙ্গীত,
আবছা নরম ঘরোয়া আলো, ঘুরন্ত বিজলী বাতাস;
ঘিরে থাকতো আরো কত কত আয়েশী আয়োজন,
যদিও; তুলনার এই সৈকতটার দেখা পাইনি তখনো।

সময় একটু বাড়লেই, সৈকতটা আমায় অধিকার করবে;
আমিও, অন্য অনেক রাতের মত, ওতে মিশবো,
অনন্তের অচেনা গন্ধ ভাসবে, শব্দগুলো সঙ্গীত হবে,
আলো আধারীর খেলাটাও বেশ জমে উঠবে ওখানটায়;
আমি একা হবো, বারেবার হারাবো; শূন্য হবো,
নবায়নের সেই খেলাটা নতুন করে আবার খেলবো,
অনন্তবিন্দুর সৈকতখানা বিদায়ে বলবে, ভুলো না আমায়।

[197 বার পঠিত]