শাপলা রানীর দেশে

By |2012-02-05T22:35:39+00:00ফেব্রুয়ারী 5, 2012|Categories: কবিতা|2 Comments

সন্ধ্যার সবটুকু অন্তর্মুখী সুখ শেষ হয়নি তখনও-
উদাসীন অলসতায়।
বাতাসের সুঘ্রানটা স্থবির থমকে দাড়ায়নি তখনও-
ত্রাসে অথবা অভিমানে।
অনন্ত নীলিমা বিষয়ক শেষ প্রশ্নটি তখনও-
নিরুত্তরের মুখোমুখি অন্তরে-অন্তরে,
প্রচন্ড অভিজ্ঞানে।
এমনকি গর্বিত সোনাব্যাঙ সম্রাট তখনও
পরিত্যাক্ত জলাটার বাকী অংশটুকু
শেষ করতে পারেনি আপ্রান সাতারে,
অবাধ প্রজ্ঞাহীনতায়।
এমন এক মহেন্দ্রক্ষনে,
এবং সুন্দর-অসুন্দরের ভাব সন্ধিক্ষনে
মনের অন্দরমহলে উঠলো অনাহুত সাধ:
মহার্ঘ অথচ অযত্নলালিত।
সপ্ন-সাধনায় শাপলা রানীর গভীর শুভ্রতায়,
কেন গড়ে তুলিনা মনে-
এক সোহাগ-উপনিবেশ।
যেখানে প্রনয়-খ্যাপা শাপলা রাজার তরে
মনে সাধ জাগানিয়া দুর্বোধ্য এক অপার ভাবে
রাজায়-রানীতে মিলবে দোহে-
সোহাগে আবেগে শোভায় সেথায়-
অসম্ভবের দেশে।

About the Author:

যে দেশে লেখক মেরে ফেলানো হয়, আর রাষ্ট্র অপরাধীর পিছু ধাওয়া না করে ধাওয়া করে লেখকের লাশের পিছে, লেখকের গলিত নাড়ী-ভুড়ী-মল ঘেটে, খতিয়ে বের করে আনে লেখকের লেখার দোষ, সেই দেশে যেন আর কোন লেখকের জন্ম না হয়। স্বাপদ সেই জনপদের আনাচ-কানাচ-অলিন্দ যেন ভরে যায় জঙ্গী জানোয়ার আর জংলী পিশাচে।

মন্তব্যসমূহ

  1. শাখা নির্ভানা ফেব্রুয়ারী 6, 2012 at 8:30 অপরাহ্ন - Reply

    আশা পূরন হোক মনে মনে। অনেক ধন্যবাদ।

  2. অরণ্য ফেব্রুয়ারী 6, 2012 at 12:30 পূর্বাহ্ন - Reply

    এমনকি গর্বিত সোনাব্যাঙ সম্রাট তখনও
    পরিত্যাক্ত জলাটার বাকী অংশটুকু
    শেষ করতে পারেনি আপ্রান সাতারে,
    অবাধ প্রজ্ঞাহীনতায়।

    চমৎকার।
    আমার খুব সোনাব্যাঙ সম্রাট হয়ে বৃষ্টিতে জমাট বাঁধা পানিতে ডাকাডাকি করতে ইচ্ছে করে

মন্তব্য করুন