একটা বিষয় কিছুতেই মাথাতে আসে না, সেটা হলো- মোহাম্মদের নাম উচ্চারণের সাথে সাথে সাল্লাল্লাহি আলাইহে ওয়াসসালাম বা তার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক এটা কেন বলতে হবে? আমরা সাধারনত: যেটা করে থাকি তা হলো- কোন লোক যদি অশান্তি বা খুব খারাপ অবস্থায় থাকে তাহলে আমরা তার জন্য আল্লাহ বা ঈশ্বরের কাছে শান্তি কামনা করি বা তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে দেয়ার জন্য দোয়া করি। যেমন- করিম মোল্লার এখন খুব খারাপ দিন যাচ্ছে, এমতাবস্থায় যারা তার খুব নিকটজন তারা তার জন্য যে দোয়া করবে তা হতে পারে এরূপ- হে আল্লাহ করিমের ওপর শান্তি বর্ষন কর, বা করিমকে বিপদ থেকে উদ্ধার কর। এখন প্রতিটি মুমিন বিশ্বাসী বান্দা মাত্রই মোহাম্মদের নাম উচ্চারণের সাথে সাথে উচ্চারণ করে যে- হে আল্লাহ, মোহাম্মদের ওপর শান্তি বর্ষণ কর। তাহলে কি বুঝতে হবে যে মোহাম্মদ বর্তমানে যেখানে আছেন তিনি খুব অশান্তি বা খুব খারাপ অবস্থায় আছেন? তিনি তো প্রায় ১৪০০ বছর আগেই পটল তুলেছেন, ইসলামের বিধাণ অনুযায়ী বর্তমানে তার কবরেই থাকার কথা কেয়ামতের আগ পর্যন্ত। কবরে আবার আযাব বা শাস্তির ব্যবস্থাও নাকি আছে যারা গুনাহগার তাদের জন্য।যারা গুণাহগার তাদের জন্য কবরে শাস্তি আর যারা পূণ্যবান তাদের জন্য আছে পুরস্কার। যারা গুনাগার তারা যখন কবরে শাস্তি পাবে বলাবাহুল্য সেটা তাদের জন্য মোটেও কোন শান্তিময় পরিবেশ হবে না। এমতাবস্থায় গুনাহগার বান্দার আত্মীয় স্বজন তাদের জন্য কবরে গিয়ে আল্লাহর কাছে মুনাজাত করে যেন তাদের উপর আল্লাহ শান্তি বর্ষণ করে। পৃথিবীর মানুষ যেহেতু জানে না যে সে সত্যিকারভাবে পূণ্যবান কি না , তাই রেওয়াজ হলো প্রতিটি মৃত মুমিন বান্দার আত্মীয় স্বজনই কবরে গিয়ে মাঝে মাঝে তাদের মৃত আত্মীয়ের জন্য শান্তির দোয়া করে, যেন আল্লাহ তাদেরকে শান্তিতে রাখে। সকল মুমিন বান্দারা মোহাম্মদের নাম উচ্চারণের সাথে সাথে তাঁর জন্য শান্তির দোয়া করে। এর অর্থ কবরে নিশ্চিতভাবেই মোহাম্মদ খুব অশান্তিতে আছেন অর্থাৎ তিনি কবরের আজাব ভোগ করছেন। কেন নিশ্চিতভাবে বলা হচ্ছে? ইসলামের তত্ত্ব অনুযায়ী, মোহাম্মদের জন্ম না হলে আসমান জমীন সৃষ্টি হতো না, মোহাম্মদ হলো আল্লাহর প্রিয় দোস্ত, সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ট নবী।তাঁর আগের অনেক নবী পর্যন্ত নবুয়ত্ব কামনা না করে শুধুমাত্র তাঁর উম্মত হওয়ার জন্য বাসনা করেছে। এমন তরো নবীকে আল্লাহ কবরে আজাব দেবেন তা কল্পনার বাইরে। কারন তাকেই যদি আল্লাহ কবরে আজাব বা শাস্তি দেয় তাহলে আর বাকী থাকল কে? অথচ তার জন্য তার তাবৎ উম্মতরা প্রতি নিয়ত শান্তি কামনা করছে। বলা বাহুল্য, যে সব সময় অপার শান্তিতে থাকে তার জন্য শান্তি কামনা অর্থহীন।যেমন ভাবে যে লোক হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক তার জন্য আল্লার কাছে আরও টাকার প্রার্থণা করা অর্থহীন।ঠিক তেমনি ভাবে মোহাম্মদ যদি সত্যি সত্যি কবরে মহা শান্তিতে থাকেন তাহলে তার জন্য শান্তি কামনা অর্থহীন হয়ে যায়। তারপরেও দেখা যাচ্ছে তাঁর জন্য মুমিন বান্দারা প্রতি নিয়ত শান্তির কামনা করছে, এর সোজা অর্থ মোহাম্মদ কবরে অত্যন্ত খারাপ ও অশান্তিময় পরিবেশে আছেন। অন্য দিকে আবার দেখা যাচ্ছে-মোহাম্মদ যখন তার তথাকথিত মেরাজ ভ্রমনের নামে সাত আসমান ভ্রমণ সহ আল্লাহর সাথে খোস গল্প করতে গেছিলেন, তখন বিভিন্ন আসমানে তিনি তার আগেকার সকল নবীকে দেখেছিলেন। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে-পূর্ববর্তী নবীগন কোন একটা কায়দা করে কবরের আজাব কে ফাকি সহ কেয়ামতের বিচারকেও ফাকি দিতে সক্ষম হয়েছে। তা না হলে বেহেস্তে বসে হুরদের সাথে ফুর্তি করা অবস্থায় মোহাম্মদ তাদেরকে দেখতে পেতেন না। এমন বিধাণ থেকে ধরে নেয়া যেতে পারে যে – মোহাম্মদও কোনমতে কায়দা করে কবরের আজাব ও কিয়ামত উভয়কে ফাকি দিয়ে বেহেস্তে গমন করেছেন। এখন প্রশ্ন হলো- বেহেস্তে তো কোন দু:খ বেদনা বা অশান্তি নেই।অথচ প্রতি নিয়ত মোহাম্মদের জন্য মুমিন বান্দারা শান্তির কামনা করছে, অর্থাৎ মোহাম্মদ চরম অশান্তিতে আছেন। বেহেস্তে যেহেতু অশান্তি নেই, এ ধরণের কল্পন থেকে আবার বোঝা যেতে পারে যে মোহাম্মদ অন্যান্য নবীদের মত সুড়ুৎ করে বেহেস্তে ঢুকে পড়তে পারেন নি। তিনি এ দুনিয়াতেই এখনো কবরের মধ্যেই আছেন ও নিদারুন কষ্ট দু:খ ও অশান্তি ভোগ করছেন।আর সেকারনেই তাঁর জন্য তাঁর উম্মতদেরকে নিরবধি তাঁর ওপর শান্তি বর্ষণের জন্য দোয়া খায়ের করতে হয়।

এবার তাহলে প্রশ্ন জাগে কেন কবরে তিনি খুব কষ্টে আছেন? তার চেয়ে বরং প্রশ্ন করা উচিত কেন তিনি কষ্টে থাকবেন না? হেন কোন মানবতাবিরোধী কুকর্ম করেন নি যে যার জন্য তাকে কষ্টে থাকতে হবে না। যে সব কুকর্ম তিনি করেছেন তার একটা তালিকা দেয়া যাক-

১। ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করে তিনি জঘণ্যতম অপরাধ করেছেন। এ ধরণের নাবালিকা বিবাহ এর শাস্তি কম পক্ষে ৭ বছরের কারাবাস।
২। ৫৪ বছর বয়েসে ৯ বছরের সেই আয়শার সাথে জোর করে সঙ্গম করতে গিয়ে তাকে প্রকারান্তরে ধর্ষণ করেছেন। এ ধরণের নাবালিকাকে ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাবাস অথবা মৃতূদন্ড।
৩। তিনি তার দাসীদের সাথে বিবাহ বহির্ভূত সঙ্গম করেছেন তাদের অনিচ্ছায়, যার শাস্তি তার বিধাণ অনুযায়ী পাথর ছুড়ে হত্যা।
৪।তিনি অন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে ব্যপকভাবে আঘাত করেছেন।যেমন কুরাইশদের ধর্মকে তিনি শুধু অপমানই নয় তাদের উপাসনালয় কাবাঘর দখল করে নিজের মসজিদ বানিয়েছেন। যার শাস্তি বিভিন্ন মেয়াদে কারাবাস।ইসলামী দেশে এর শাস্তি পাথর ছুড়ে হত্যা।
৫। তিনি বহু খৃষ্টান ও ইহুদীদেরকে তাদের পৈত্রিক ভিটে মাটি থেকে উচ্ছেদ করেছেন। তা করতে গিয়ে তিনি গণহত্যা সংঘটিত করেছেন, যেমন- বানু কুরাইজা ও খায়বারের গণহত্যা। এর শাস্তি হাজার হাজার বছরের কারাবাস, মৃত্যুদন্ড ইত্যাদি।
৬। তিনি অনেক মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করে, এর পর পরই তাদের বিধবা স্ত্রীদেরকে তাদের অনিচ্ছায় দাসী বানিয়েছেন অথবা বিয়ে করেছেন। যার শাস্তি মৃত্যুদন্ড বা বহু বছরের কারাবাস। যেমন- খায়বারের গণহত্যার পর ইহুদি সর্দার কিনানের স্ত্রী সাফিয়াকে বিয়ে করা।
৭।তিনি নিজে অন্যদেরকে ৪ টা বিয়ে করার উপদেশ দিয়ে নিজে করেছেন ১৩ টা বিয়ে যা একজন ঠগ বা প্রতারকের মত কাজ।
৮।তিনি নিজে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মেয়েদেরকে বিয়ে করে সামাজিক ভাবে সকল রকম শিষ্টতা ও শালীণতাকে বিনষ্ট করে গেছেন। যেমন- তার আবু বকরের মেয়ে আয়শা ও ওমরের মেয়ে হাফসাকে বিয়ে।
৯। তিনি তার নিজের অতি ঘনিষ্ট রক্ত সম্পর্কিত চাচাত ভাইয়ের সাথে নিজের মেয়েকে বিয়ে দিয়ে সামাজিক শিষ্টতা ও শালীনতাকে বিনষ্ট করে গেছেন।যেমন আলীর সাথে তার মেয়ে ফাতিমার বিয়ে। আলী ছিল তার আপন চাচা আবু তালিবের ছেলে। এ ঘটনা ঘটিয়ে তিনি কোন পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের পবিত্রতাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন।
১০। তিনি এতিম সন্তানদের দত্তক নেয়ার মত মহান একটা কাজকে জঘণ্যভাবে বন্দ করে দিয়ে সমাজে মানুষের প্রতি মানুষের যে সহানুভূতি, দয়া, মায়া এসবকে দুর করার জন্য তার উম্মতদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন। এটা করতে যেয়ে তিনি নিজে স্বয়ং তার পালিত পূত্র জায়েদের স্ত্রীকে নানা কায়দায় তালাক দিয়ে তাকে বিয়ে করে এক জঘণ্য পাশবিক নজির স্থাপন করেছেন। কোন সুস্থ ও বিবেকবান মানুষের পক্ষে এটা একান্তই অসম্ভব কাজ।
১১। কোন ধর্মের একমাত্র উদ্দেশ্য যে যৌন উপভোগ হতে পারে মোহাম্মদ সেটা শুধু প্রচারই করেন নি, নিজেও ব্যাক্তিগত জীবনে তা দারুনভাবে দেখিয়ে গেছেন। কোরানের বহু আয়াতে পুরুষদেরকে শুধুমাত্র একারনে ইসলাম পালন ও জেহাদ করতে বলা হয়েছে কারন তা করলে তারা বেহেস্তে অসংখ্য সুন্দরী যৌনাবেদনময়ী হুরদের সাথে নিরলস যৌনানন্দ উপভোগ করতে পারবে। কোন পরিবারের পিতা মাতা ভাই বোন সন্তান সন্ততি সবাই বিষয়টি জানার পর একসাথে ইসলাম পালন করার কথা নয়, কিন্তু তার পরেও পালন করে থাকে, কারন তারা কেউ বিষয়টি সম্যক জানে না। এভাবে মোহাম্মদ মানুষকে উন্নত নৈতিকতাসম্পন্ন জীবের কাতার থেকে জান্তব যৌন লালসাময় পশুতে পরিনত হতে উৎসাহিত করেছেন যা মানুষেরে নৈতিক উন্নতির পথে বিরাট অন্তরায়।
১২। মোহাম্মদ তার উম্মতদেরকে নিরন্তর জেহাদের মাধ্যমে অমুসলমানদেরকে হত্যা, তাদের বাড়ীঘর, সম্পদ দখল এবং তাদের নারীদের দখল করে যৌন উপভোগের আদেশ দিয়ে সর্বকালের জন্য মানবতাবিরোধী আদর্শের বীজ বপন করে গেছেন, যে কারনে তিনি সকল দেশের সকল সময়ের সকল বিচারালয়ের কাঠগড়ায় হিটলারের মতই একজন নৃশংস অপরাধি যার শাস্তি তাকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে তার আয়ূ বর্ধন করে কেয়ামত পর্যন্ত অন্ধকার কক্ষে কারাবাস হলেই সবচাইতে উপযুক্ত হয়।
১৩। তিনি মদিনার পাশ দিয়ে চলে যাওয়া নিরীহ বানিজ্য কাফেলার ওপর আক্রমন করে তাদের ধণ সম্পদ লুন্ঠন করেছেন নিয়মিত। এর শাস্তি যাবজ্জীবন কারাবাস।
১৪। উক্ত সকল আদর্শ যে শতভাগ পালন করবে সেই হলো আদর্শ মুসলমান আর তার পুরস্কার হলো- বেহেস্তে গিয়ে হুরদের সাথে অনন্তকাল ফুর্তি– একথা বলে গোটা মুসলমান জাতিকে তিনি ধোকা দিয়ে তাদেরকে রোবটে পরিণত করে তাদের আত্মীক,মানসিক, নৈতিক উন্নতি সহ জ্ঞান বিজ্ঞানে উন্নতির সকল পথ রুদ্ধ করে দিয়ে তাদেরকে গুহাবাসী আদিম মানুষে পরিণত হতে বলে গেছেন। এটা করে তিনি সকল মুসলমানের উন্নতির সকল রকম রাস্তা বন্দ করে দিয়ে একটা বিশাল জনগোষ্ঠির চিরস্থায়ী চরম সর্বনাশ করে গেছেন যা প্রকারান্তরে মানব সভ্যতার এক অপূরণীয় ক্ষতির কারন ঘটেছে। একারনে দুনিয়ার কমপক্ষে এক বিলিয়নের বেশী মুসলমানর চরম দারিদ্র সীমার নীচে অবস্থান করে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছে।

উক্ত সকল মানবতা ও নৈতিকতা বিরোধী অপরাধের কারনে মোহাম্মদ যে সব চেয়ে বেশী কষ্টে থাকবেন এতে কি কারো সন্দেহ থাকতে পারে ? যদি কোন স্রষ্টা থেকেও থাকে তাহলে সে যে মোহাম্মদকে তার এতসব মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের জন্য বর্তমানে কঠিন শাস্তি দিচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। যেহেতু আমরা দেখেছি মোহাম্মদ বর্তমানে অন্য নবীদের মত বেহেস্তে থাকতে পারেন না কারন সেখানে দু:খ কষ্ট নেই, তাহলে হয় তিনি কবরে শুয়ে কবরের কঠিন আজাব ভোগ করছেন নতুবা তিনি দোজখের সবচাইতে কঠিন জায়গা জাহান্নামের আগুনে নিরন্তর জ্বলে পুড়ে খাক হচ্ছেন , আর স্রষ্টা তাকে নতুন করে সৃষ্টি করে প্রতি নিয়ত কষ্ট দিচ্ছে। তবে মনে হয় শেষেরটি ঘটার সম্ভাবনা বেশী কারন অন্য নবীরা যখন এখন কবরে শুয়ে নেই, মোহাম্মদও তাহলে কবরে শুয়ে নেই, তার অর্থ মোহাম্মদ এখন নিশ্চিতভাবে জাহান্নামের আগুনেই জ্বলে পুড়ে মরছেন। আর সেটা তিনি মৃত্যুর আগে ভাল মতো বুঝতে পেরেছিলেন, তিনি বুঝেছিলেন তিনি যে পরিমান অন্যায় ও অপরাধ করেছেন জীবনে তার কোন ক্ষমা স্রষ্টার দরবারে নেই, আর একারনে তার জন্য মরার পর সবচাইতে কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। শুধু তাই নয় তার মৃত্যুটাও ঘটেছিল খুব কঠিন যন্ত্রনাময়। খায়বারে ইহুদী নিধন যজ্ঞের পর এক ইহুদি রমনীর ঘরে তিনি বিষ মিশানো মাংশ খেয়েছিলেন। এর ফলে তার সাথে সাথে মৃত্যু ঘটেনি, কিন্তু এর ফলে তিনি দীর্ঘ বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন যাকে আমরা প্রচলিত ভাষায় বলি স্লো পয়জনিং। হাদিসের বর্ণনা থেকে জানা যায়- শেষ দিকে উক্ত বিষ ক্রিয়ায় তিনি প্রচন্ড কষ্ট ও যন্ত্রনা ভোগ করতেন।এমন কি, মৃত্যুর কিছুদিন আগে আরাফাতের শেষ ভাষণের সময় তিনি প্রচন্ড যন্ত্রনার কারনে তাঁর ভাষণ ঠিকমতো দিতেও পারেন নি, যেকারনে তাঁর ভাষণ ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত। এভাবে প্রচন্ড যন্ত্রনা ভোগ করতে করতে তিনি মাত্র ৬৩ বছর বয়েসেই ভবলীলা সাঙ্গ করেন। সেই তৎকালে ৬৩ বছর খুব বেশী বয়স নয়। কিন্তু তার সেই স্বল্প বয়েসেই দেখা যায় তিনি অতি দুর্বল ও চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন।তার তখনকার জীবন যে দারুন রকম যন্ত্রনাময় ছিল তার বর্ণনা আছে হাদিস ও সিরাত গ্রন্থে। একই সাথে আল্লাহ প্রেরিত একজন নবীর জন্য যা ছিল ভীষণভাবে বেমানান। অথচ তারই সমবয়সী আবু বকর ও ওমর তার মৃত্যূর পর ইসলামী সাম্রাজ্যের খিলাফত চালনা করেন। একজন পেশাদার অপরাধী কিন্তু ঠিকই বুঝতে পারে সে অপরাধ করছে আর এ জন্য সে যখন একা থাকে তখন তার কৃত অপরাধ তাকে মানসিকভাবে যন্ত্রনা দেয়। কিন্তু তার কৃত অপরাধ যদি তাকে একটা বিরাট সম্মানের আসনে বসিয়ে দেয় তখন সে তার অপরাধ কর্ম দ্বারা মানসিকভাবে জর্জরিত হলেও তা থেকে নিজেকে নিবৃত্ত করতে পারে না। আবার অনেক সময় এমনও ঘটে যে অপরাধ করতে করতে একজন অপরাধীর যাবতীয় বিবেকবোধ রহিত হয়ে যায়, তখন অপরাধটা তার কাছে আর অপরাধ মনে হয় না। এর এক জাজ্বল্য প্রমান হলো- বাংলাদেশের বহুল কথিত এরশাদ সিকদার। সারা দুনিয়ায় এরকম আরও বহু পেশাদার অপরাধীর নাম করা যায়। মোহাম্মদ কোন্ দলে পড়েন? তিনি কি তার কৃত অপরাধের কারনে মানসিকভাবে জর্জরিত হতেন? সে জন্যেই কি তিনি তার উম্মতদেরকে বলে গেছেন যেন তার নাম উচ্চারণের সাথে সাথে সাল্লাল্লাহি আলাইহে সাল্লাম বলা হয়? দুনিয়ায় তার মূর্খ উম্মতরা এভাবে নিরন্তর তার জন্য শান্তি প্রার্থণা করলে স্রষ্টা হয়তবা একসময় তাকে মাফ করলে করতেও পারে ?

[348 বার পঠিত]