মোহাম্মদ ও ইসলাম, পর্ব-৩

ইসলামকে বুঝতে হলে মোহাম্মদকে বোঝা দরকার সর্ব প্রথমে। একই সাথে বোঝা দরকার তৎকালীন আরবদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা। ইসলামিক সব রকম কিতাবে মোহাম্মদকে বর্ণনা করা হয় একজন মহামানব হিসাবে যার চরিত্রে কোন রকম দোষ ত্রুটি নেই, নেই কোন কলুষতা। তিনি সচ্চরিত্রবান, ন্যায়পরায়ন, দয়ালু, সৎ মোট কথা সব রকম সদ্ গুণাবলীর সমাহার মোহাম্মদের চরিত্রে সমাবেশ করেছে আল্লা।প্রতিটি মুসলিম শিশুই বড় হয়ে ওঠে মোহাম্মদ সম্পর্কে এরকম ধ্যান ধারণা মাথায় ও স্মরণে রেখে।একই সাথে মোহাম্মদ সম্পর্কিত কোন নিরপেক্ষ সূত্র পাওয়াও যায় না যা থেকে জানা যেতে পারে যে তিনি কেমন লোক ছিলেন। যারা মোহাম্মদের জীবনী রচনা করেছেন যেমন- ইবনে ইসহাক, আল তাবারী, হিসাম এরা প্রত্যেকেই ছিলেন নিবেদিত প্রাণ মুসলমান, যারা নানা রকম উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য দ্বারা মোহাম্মদের জীবনী রচণা করেছেন। বলা বাহুল্য, তারা কখনই মোহাম্মদ সম্পর্কে এমন কোন তথ্য তাদের রচণাতে লিপিবদ্ধ করবেন না যাতে মোহাম্মদের চরিত্র সম্পর্কে সামান্যতম দ্বন্দ্ব বা সন্দেহ সৃষ্টি হয় আর এখানে এ বিষয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন। কোন শিষ্য কখনো তার গুরুর চরিত্রে কোন দোষ খুজে পায় না। সুতরাং আমাদেরকে মূলত: তাদের রচনার ওপর নির্ভর করেই মোহাম্মদকে চিনতে হবে। অন্য কোন উপায় আমাদের সামনে খোলা নেই। কিন্তু তার পরেও সে সব সূত্র থেকে কিছু না কিছু তথ্য পাওয়া যাবে যা থেকে মোহাম্মদের সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে।কিন্তু কেন সে ধরনের তথ্য মোহাম্মদের নিবেদিত প্রান শিষ্যরা লিখে রেখে গেছেন?সেগুলো কি উদ্দেশ্যমূলকভাবে লেখা যাতে একসময় মোহাম্মদের চরিত্রকে কলুষিত করা যায় ও ইসলাম ধ্বংস হয়ে যায়? ইদানিং বিভিন্ন হাদিস ও মোহাম্মদের জীবনী পড়ে অনেক ইসলামী পন্ডিতরা এরকম একটা ধারণা দেয়া চেষ্টা করে থাকে কিন্তু বিষয়টি মোটেই তা নয়।আসলে সেটা একারনে ঘটেছে যে – কোন কাজ বা ঐতিহ্য সেই ১৪০০ বছর আগের সমাজে খারাপ বা নীতিগর্হিত বলে বিবেচিত হতো না, বরং তা বিবেচিত হতো সমাজ সিদ্ধ রূপে, আর সে কারনেই এসব নিবেদিত প্রান ব্যাক্তিবর্গ সম্পূর্ন দ্বিধাহীন চিত্তে তা লিপিবদ্ধ করে গেছেন। একটা উদাহরন দেয়া যেতে পারে- যেমন- মোহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেছিলেন আর আয়শার ৯ বছর বয়েসে মোহাম্মদ তার সাথে স্বামী স্ত্রীর মত সংসার করা শুরু করেছিলেন। সেই তখনকার আরব সমাজে শিশুকন্যা বিয়ে করা কোন গর্হিত কাজ ছিল না, বরং তা ছিল নিতান্ত স্বাভাবিক ঘটনা। এছাড়াও বহুবিবাহও ছিল খুব স্বাভাবিক ঘটনা। যে কারনে মোহাম্মদ এধরনের কাজ করে যাওয়ার পরেও তার জীবনী রচনাকারীগণ বা তৎকালীন আরব সমাজের সাধারণ মানুষজন মোহাম্মদের এ বিষয়টিকে কোন রকম খারাপ দৃষ্টি দিয়ে দেখে নি। যে কারনে আমরা দেখি মোহাম্মদের শিশু বিবাহ বা বহু বিবাহ নিয়ে মক্কার আরবরা কোনরকম শোরগোল তোলেনি।আর তাই এসব তথ্য তার জীবনীতে লিখতে তাদের কোনরকম সমস্যা হয় নি। শুধু তাই নয় এসম্পর্কিত ঘটনা বা কাজ খোদ কোরান বা হাদিসের মধ্যেও লিপিবদ্ধ করতেও তাদের কোনরকম সমস্যা হয় নি। তার মধ্যে আরও যে সমস্যা সেটা হলো- মোহাম্মদের নবুয়ত্ব পাওয়ার আগের জীবনের পূর্ণাঙ্গ কোন তথ্য নেই, আছে কিছু ভাসা ভাসা তথ্য। তারপরেও হাদিসএর মাধ্যমে যেটুকু জানা যায় তাতে দেখা যায় মদিনাবাসীরা কিছুটা শোরগোল তুলেছিল মোহাম্মদের পালিত পূত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবকে বিয়ে করার ব্যপারে কারন সেটা সেই আরব সমাজেও বিরাট গর্হিত বা অনৈতিক কাজ ছিল। তবে অত্যন্ত বুদ্ধিমান মোহাম্মদ একাজটি মক্কাতে করেন নি, বা করার সুযোগ পান নি।এটা তিনি করেছিলেন মদিনাতে যেখানে এ বিষয়ে সামান্য টু শব্দ করার মত কেউ ছিল না। কিন্তু তারপরেও দেখা যায় এ ধরণের একটা অনৈতিক কাজের জন্য সেই মদিণার লোকজনও কিছুটা সমালোচনামূখর হয়েছিল, যা মোহাম্মদকে অতি সত্ত্বর আল্লাহর কাছ থেকে আয়াত নাজিলের মাধ্যমে সমালোচকদের মূখ স্তব্ধ করতে হয়।

মোহাম্মদের সময়কালে মক্কায় ও তার আশপাশে বাস করত আরব পৌত্তলিকরা, ইহুদি ও খৃষ্টানরা, তবে পৌত্তলিকরা সংখ্যায় বেশী ছিল। আরব পৌত্তলিকরা বেশ কতকগুলি গোত্রে বিভক্ত ছিল। তার মধ্যে কুরাইশ গোত্র ছিল সবচাইতে সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাবান। আগের অধ্যায়ে যেমন বলা হয়েছে- মোহাম্মদেরও আগে মক্কার কাবা ঘর ছিল মূলত: পৌত্তলিককের একটা পবিত্র উপসণালয়। আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সেখানে পৌত্তলিকরা আসত সে উপাসণালয়ে তাদের দেব দেবীদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে।এদের আগমনের কারনে মক্কা একটা ছোটখাট ব্যবসা কেন্দ্রে পরিণত হয়। আর এই ব্যবসার মূল নিয়ন্ত্রন ছিল কুরাইশদের হাতে। আরব দেশ বিশেষ করে মক্কা ছিল একটা প্রচন্ড রুক্ষ শুস্ক মরুভূমি, যেখানে দিনে প্রচন্ড গরম আর রাতে তীব্র শীত পড়ত। মানুষগুলোও ছিল মরুভূমির মত রুক্ষ শুস্ক, কঠিন প্রকৃতির আর তারা নানরকম গোষ্ঠিতে বিভক্ত ছিল।শুধুমাত্র কুরাইশরা কাবা ঘর কেন্দ্রিক ব্যবসার কারনে একটু ধণাড্য ছিল আর বাকী সবার পেশা ছিল মুলত: পশুপালন।এখানে কোন বিশেষ সভ্যতা গড়ে ওঠেনি, তাই সঞ্চিত হয়নি কোন সম্পদের ভান্ডার। সেই ৬ষ্ট ৭ম শতাব্দীতে রোম কেন্দ্রিক রোমান সাম্রাজ্য ও সভ্যতার যখন অন্তিম লগ্ন প্রায়, তখন কনসটান্টিনোপল কেন্দ্রিক বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য তার প্রভাব ও প্রতিপত্তি ক্রমশ বাড়িয়ে চলছিল যার মূল ধর্মীয় ভিত্তি ছিল খৃষ্টান ধর্ম। আসলে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যকে পৌত্তলিক রোমান সাম্রাজ্রের খৃষ্টীয় সংস্করন বললেও তেমন ভূল বলা হবে না। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য তখন ক্রমশ: ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রসারিত হচ্ছিল, কিন্তু কখনই মক্কা মদিনা বা এর আশপাশের কোন যায়গা এ সাম্রাজ্যকে আকৃষ্ট করেনি। কারন কিছু ছাগল আর ভেড়ার জন্য কখনই কোন সৈন্যদল এত কষ্ট করে কঠিন মরুভূমি পাড়ি দেয়ার তাগিদ দেখায় নি। যে কারনে আরব উপসাগরীয় দেশগুলো অনেকটাই নিরুপদ্রব জীবন কাটিয়েছে। অন্য সভ্যতার সাথে সংশ্রব না ঘটায় এখানে পৌত্তলিক ধর্ম শক্ত আসন গেড়ে বসে। কাল পাথরকে পূজা করা, কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে প্রদক্ষিন করা, শয়তানকে পাথর মারা, পৌত্তলিকদের প্রধান দেবতা আল্লাহকে মোহাম্মদ আল্লাহ হিসাবে মানা ছাড়াও আরও একটি কাজ করেছেন যা থেকে পরিস্কার বোঝা যায় যে তার ইসলাম পৌত্তলিকতা দোষে দুষ্ট অথবা পৌত্তলিকদের ধ্যাণ ধারনা ইসলামে ঢুকানো হয়েছে। তার উদাহরণ হলো- কোরানে বার বার জড় বস্তুর নামে কসম কাটা হয়েছে।আর এসব জড়বস্তু সমূহ বলা বাহুল্যই আরব কোরাইশদের নানা দেব দেবীর প্রতিনিধিও।যেমন নীচের আয়াত-

কসম ঐ ঝঞ্ঝা বায়ূর।অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের। অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের।অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের। সূরা- আস যারিয়াত-৫১: ০১-০৪, মক্কায় অবতীর্ণ।

আমি শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়।চলমান হয় ও অদৃশ্য হয়, শপথ নিশাবসান ও প্রভাত আগমন কালের, নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী, সূরা-আত-তাকভীর-৮১:১৫-১৯ মক্কায় অবতীর্ণ।

শপথ সূর্যের ও তার কিরণের, শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে, শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে, শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে, শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর। শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর, সূরা-আস-সামস্-৯১:০১-০৬, মক্কায় অবতীর্ণ।

চন্দ্রের শপথ, শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়, শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়, সূরা-আল মুদ্দাসসির-৭৪:৩২-৩৩, মক্কায় অবতীর্ণ।

এখানে আল্লাহ বায়ূ, মেঘ, জলযান, নক্ষত্র, সূর্য, চাঁদ এ সমস্ত জড়বস্তু ও ফেরেস্তাদের নামে কসম কাটছে।কি আজব কারবার! আল্লাহ তার কথা যে সত্য তা প্রমান করার জন্য ওসব জড় বস্তুর কসম দিচ্ছে, তার সৃষ্ট ফেরেস্তাদের কসম দিচ্ছে। আর সে কসম দিচ্ছে তার কথা মানুষকে বিশ্বাস করানোর জন্য।তাহলে আল্লাহকেও কসম কাটতে হয় ঠগ বা প্রতারক বা মিথ্যাবাদী মানুষের মত যারা কথায় কথায় আল্লা খোদার কসম কাটে, যেন তাদের কথা মানুষ বিশ্বাস করে, যদিও খুব কম মানুষই এ ধরণের কসমকাটা মানুষদেরকে বিশ্বাস করে।আমরা যদি ইসলামকে এর পূর্ববর্তী ধর্ম তথা ইহুদি, খৃষ্টান এর ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ধর্ম বলে ধরে নেই , তাহলে দেখব ইহুদী বা খৃষ্টানদের ঈশ্বর কখনই কোন কসম কাটে নি। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কখনো কসম কাটার দরকার পড়ে না।কারন তার উর্ধ্বতন কেউ নেই যার নামে কসম কাটা যায়।অধ:স্তনরাই তার উর্ধ্বতনের নামে কসম কাটে। যেমন সন্তানরা তার মা বাবার নামে কসম কাটে, মা বাবা কসম কাটে আল্লাহর নামে। আল্লাহর কোন উর্ধ্বতন নেই, তাই তার কসম কাটারও কেউ নেই।সুতরাং উপরোক্ত আয়াত সমূহের কসমকাটার ঘটনাগুলো যৌক্তিকভাবেই সর্বশক্তিমান আল্লাহর হতে পারে না। আরবের পৌত্তলিকরা তাদের দেব দেবীদের নামে কসম কাটত। কারণ তাদের কাছে তাদের দেবদেবী গুলো ছিল উর্ধ্বতন বা উচ্চ মর্যাদার ও স্বর্গীয়। যেমন- হিন্দুরা কসম কাটে তাদের দেব দেবীর নামে, বলে- মা কালীর দিব্বি, মা দূর্গার দিব্বি, ভগবানের কিরে এরকম। দিব্বি বা কিরে মানে হলো কসম। সুতরাং এ ধরনের কসম কাটার ঘটনা দৃষ্টে এটাই প্রতীয়মান হয় যে মোহাম্মদই মূলত: আল্লাহর বানীর নামে আরব পৌত্তলিক দেব দেবীর নামে কসম কাটছেন। চন্দ্র, সূর্য, বায়ূ এসবই ছিল পৌত্তলিকদের দেব দেবীর নাম বা এদের এক একজন দেবতা বা দেবী ছিল।এটা অনেকটাই হিন্দুদের দেব দেবীর অনুরূপ। হিন্দুদের কাছেও সূর্য, চন্দ্র, বায়ূ এসবের একজন করে দেবতা বা দেবী আছে। যেমন- সূর্য দেবতা হলো বিষ্ণু, চন্দ্র দেবতা হলো সোম, বায়ূর দেবতা হলো পবন ইত্যাদি। এটা পৌত্তলিক কুরাইশদেরকে তার দলে টানার একটা প্রচেষ্টা ছিল মোহাম্মদের। তার ধারণা ছিল এভাবে পৌত্তলিকদের দেব দেবীর নামে কসম কাটলে হয়তবা কুরাইশরা তার কথা বা নবূয়ত্বের দাবী মেনে নেবে। কিন্তু এতেও কুরাইশদেরেকে দলে টানা যায়নি। এখানেই কিন্তু বেশ আশ্চর্য হতে হয় যে এর পরেও কুরাইশরা কেন মোহাম্মদের দলে ভেড়েনি। আর উপোরক্ত আয়াতসমূহ যে কুরাইশদেরকেই লক্ষ্য করে বলা হচ্ছে তার প্রমান হলো সূরাগুলো মক্কাতে অবতীর্ণ।কোরান ভালমতো পড়লে দেখা যাবে, মদিনায় অবতীর্ণ কোন আয়াতে এভাবে এসব জড় বস্তুতে কসম করে আল্লাহ তথা মোহাম্মদ কোন আয়াতের কথা বলেননি। কেন বলেন নি? কারন অতি স্পষ্ট।নানা কায়দায় ও কৌশলে মদিনার লোকদের আনুগত্য মোহাম্মদ মদিনাতে যাওয়ার আগেই অর্জন করেছিলেন। তিনি যখন মক্কা ছেড়ে মদিনাতে ঘাটি গাড়েন প্রায় সাথে সাথেই মদিনার অধিকাংশ লোক মোহাম্মদের আনুগত্য প্রকাশ করে।ফলে সেখানকার মানুষদের মন যুগিয়ে কোন আয়াত নাজিলের কোন দরকার ছিল না, যে কারনে কোন জড় বস্তু বা দেব দেবীর নামে কসম কাটারও দরকার পড়েনি।তিনি আল্লাহর ওহীর নামে যাই বলতেন সবাই তা বিশ্বাস করত, এ ব্যপারে কারো কোন প্রশ্ন থাকত না। প্রশ্ন করার দরকারও মনে করত না। কারণ তারা ইতোমধ্যেই মোহাম্মদের কথায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে মদিনার পাশ দিয়ে চলে যাওয়া বানিজ্য পথের নিরীহ বানিজ্য কাফেলার ওপর আতর্কিতে আক্রমনের মাধ্যমে পাওয়া গণিমতের মালের ভাগ পেতে শুরু করেছে যার ফলে তাদের দারিদ্র কিছুটা হলেও ঘুচেছে, তাহলে খামোখা মোহাম্মদের সাথে তর্ক বিতর্ক করা কেন? এ ছাড়া মোহাম্মদ বলেছেন- কাফিরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হলে সে গাজী তো হবেই পরন্তু যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে প্রাপ্ত দ্রব্য সামগ্রী গণিমতের ভাগ হিসাবে পাওয়া যাবে, পাওয়া যাবে তাদের তরুণী স্ত্রী ও মা-বোনদেরকে যাদের সাথে অবাধে যৌন ফুর্তি করা যাবে, আর যদি মারা যায় তাহলেও ক্ষতি নেই- সোজা বেহেস্ত যেখানে অপেক্ষায় আছে ৭২ টা আয়তলোচণা চিরযৌবনা হুর যাদের সাথে বেহেস্তে প্রবেশ করা মাত্রই অবাধে যৌনানন্দ করা যাবে যার কোন শেষ নেই। তৎকালীন আধা সভ্য আরবদের কাছে এর চাইতে বড় প্রাপ্তি আর কি থাকতে পারে। সুতরাং মোহাম্মদের কথায় চললে বা মোহাম্মদকে বিশ্বাস করলে ইহজগত ও পরজগত উভয় জগতেই লাভ। সুতরাং তার বিরুদ্ধে যাওয়ার কি দরকার ?

কুরাইশরা কেন মোহাম্মদের দলে ভেড়েনি তার বিশ্লেষণ করা কঠিন নয়। তৎকালীন মক্কার কোরাইশদের সমাজব্যবস্থা, ঐতিহ্য, আচার আচরন, স্বভাব চরিত্র এসব বিশ্লেষণ করলেই সহজে তা বোঝা যায়।কোরাইশ বংশের মানুষ হলেও মোহাম্মদ ছিলেন এতিম ও হতদরিদ্র একজন মানুষ যিনি পরবর্তী জীবনে ধণী বিধবা বিবি খাদিজাকে বিয়ে করে স্বচ্ছল হন। স্বচ্ছল অর্থাৎ মোহাম্মদ তার স্ত্রীর সম্পদের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকেন। স্ত্রীর ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা মানুষকে সেই সময়কার আরব সমাজে মোটেও সম্মান ও মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখা হতো না।বর্তমান সমাজেও এ ধরণের মানুষকে কেউ সম্মান ও মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখে না।সে সময়ে আরব সমাজে পৌরুষত্ব ও বীরত্বকে মর্যাদার প্রধান বৈশিষ্ট্য বলে মনে করা হতো। যারা যুদ্ধক্ষেত্রে পৌরুষত্ব ও বীরত্ব প্রদর্শন করতে পারত তাদের নামে তখনকার সময়ের কবিরা কবিতা রচনা করত যা মানুষের মুখে মুখে ফিরত। চাচা আবু তালিবের পোষ্য হিসাবে কিশোর ও যুবক মোহাম্মদ দুম্বা, উট ও মেষ চরাতেন। কুরাইশদের কখনো কোন যুদ্ধে অথবা কোন ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় মোহাম্মদ তার রণকৌশল বা শৌর্য বীর্যের পরিচয় দিতে পারেন নি। এমনকি তিনি যখন রাজশক্তির অধিকারী হন, বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন ও নেতৃত্ব দেন, তখনও দেখা যায় মোহাম্মদ তেমন কোন শৌর্য বীর্যের পরিচয় দিতে পারেন নি। এমন কোন নজির হাদিস বা তাঁর জীবনীতে নেই যে তিনি যুদ্ধ ক্ষেত্রে কোন শত্রুকে কখনো পরাজিত করে হত্যা করতে পেরেছেন। সেই তখনকার সময়ে সৈন্যবাহিনীর নেতাও সামনে থেকে শত্রুদের সাথে যুদ্ধ করত ও শত্রু সৈন্যকে পরাজিত করে তাদেরকে হত্যা করত। মোহাম্মদ অনেকগুলো যুদ্ধেই সরাসরি অংশগ্রহন করেছেন ও নেতৃত্ব দিয়েছেন কিন্তু দেখা যায় তিনি কখনই সামনের কাতারে দাড়িয়ে যুদ্ধ করেন নি, বরং শক্ত লৌহবর্ম পরে পিছনের কাতারে থাকতেন। তা সত্ত্বেও বিভিন্ন কায়দায় বিভিন্ন হাদিসে মোহাম্মদের শৌর্য বীর্যের পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করা হলেও একটু ভাল করে সেগুলো পড়লে বোঝা যাবে যে তা আদৌ শৌর্য বীর্যের পরিচায়ক কোন ঘটনা ছিল না। তারপরেও হাদিস লেখকেরা তার শৌর্যের বর্ণনা দেয়ার চেষ্টা করেছেন কারন তারা তাদের ওস্তাদের এ ধরণের গুণ যে নেই তা মেনে নিতে পারেন নি। যাহোক, এ ধরণের একজন হত দরিদ্র, শৌর্য-বীর্যবিহীন, স্ত্রীর ওপর নির্ভরশীল মানুষকে অহংকারী, দাম্ভিক ও শৌর্যবীর্যের পুজারী কুরাইশরা তাদের ধর্মিয় বা রাজনৈতিক নেতা- কোনভাবেই মেনে নিতে রাজী ছিল না। একারনেই মোহাম্মদ এতবার কুরাইশদের দেব দেবীর নামে কসম কাটার পরেও তারা মোহাম্মদকে তাদের ধর্মগুরু বা রাজনৈতিক নেতা -কোনভাবেই মেনে নেয় নি।

এ গেল আল্লাহর জড় বস্তকে কসম কাটার কথা। অথচ মোহাম্মদ অন্যকে জড় বস্তু তো বটেই, এমনকি তাদের পিতার নামেও কসম কাটতে নিষেধ করছেন। যেমন নিচের হাদিস-

ইবনে উমর বর্নিত, ওমর ইবনে খাত্তাব যখন একদল উট আরোহীদের সাথে কোথাও যাচ্ছিলেন তার সাথে আল্লার রসুলের সাথে দেখা হলো। ওমর তার পিতার নামে কসম কাটলেন কোন একটা ব্যপারে। তখন নবী তাকে বললেন- ওহে, আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের পিতার নামে কসম কাটতে নিষেধ করেছেন, তাই যে কেউ কখনো কোন কসম কাটতে চায় সে যেন আল্লাহর নামে কসম কাটে অথবা চুপ থাকে। সহী বুখারী, বই-৭৮, হাদিস-৬৪১

তার মানে কেউ কসম কাটলেও সে যেন আল্লাহর নামে কসম কাটে। যেমন মোহাম্মদ বার বার আল্লাহর নামে কসম কাটতেন, তার কিছু নমুনা-

আনাস বিন মালিক বর্ণিত, একজন আনসার মহিলা তার কতকগুলো বাচ্চাসহ নবীর নিকট আসল এবং নবী তাকে বললেন, আল্লাহর কসম যার হাতে আমার প্রাণ, তুমি হলে আমার সবচাইতে পছন্দের মানুষদের একজন, এবং তিনি এ কথাগুলো তিনবার উচ্চারণ করলেন। সহী বুখারী, বই-৭৮, হাদিস-৬৪০

আনাস বিন মালিক বর্ণিত, আমি আল্লাহর নবীকে বলতে শুনেছি, আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে সিজদা কর ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন কর, কারন, আল্লাহর কসম যার হাতে আমার প্রাণ, যখন তোমরা তা কর আমি আমার পিছনের সবকিছু দেখতে পাই। সহী বুখারী, বই-৭৮, হাদিস-৬৩৯
আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন- আব্দুর রহমান ইবনে সামুরাহ বলেন, রাসুলুল্লাহ এরশাদ করেছেন, তোমরা দেব দেবীর নামে ও তোমাদের বাপ-দাদাদের নামে শপথ করিও না। সহী মুসলিম, বই-১৫, হাদিস-৪০৪৩

সবগুলো হাদিস কিতাব থেকে দেখা যাবে মোহাম্মদ বহুবার, বার বার এভাবে আল্লাহর নামে কসম কাটছেন।তার এভাবে কসম কাটার অভ্যাসটা দেখা যাচ্ছে আল্লাহর চরিত্রেও আছে। যেখানে মোহাম্মদ তাঁর উম্মতদেরকে তাদের বাপের নামে কসম কাটতে নিষেধ, দেব দেবী বা বাপ-দাদাদের নামে কসম কাটতে নিষেধ করে তার পরিবর্তে আল্লাহর নামে কসম কাটতে উপদেশ দিচ্ছেন এবং নিজে বার বার আল্লাহর নামে কসম কাটছেন সেখানে আল্লাহ নিজে স্বয়ং কসম কাটছেন কতিপয় জড়বস্তুর নামে। যেন চন্দ্র, সূর্য, তারকা, বায়ূ, ফেরেস্তা আল্লাহর প্রভু, কি তাজ্জব কারবার! এটা আসলে আল্লাহর দোষ না। প্রাক ইসলামিক যুগে আরব প্যগানরা তাদের দেব দেবীদের নামে কসম কাটত। তাদের দেব দেবীগুলোও ছিল চন্দ্র, সূর্য, তারকা ইত্যাদির নামে। মোহাম্মদ সেই পৌত্তলিকদের ঐতিহ্য মোতাবেকই বার বার কসম কাটতেন যার প্রভাব তার কল্পিত আল্লাহর ওপর পড়েছে। কোরানের আল্লাহ যেহেতু মোহাম্মদের মতই বার বার কসম কাটছে, তাও আবার জড় বস্তুর নামে, সেক্ষেত্রে কোরানে বর্ণিত মোহাম্মদের আল্লাহ প্রকৃতই সর্বশক্তিমান স্রষ্টা কি না সে ব্যপারে ঘোরতর সন্দেহ থেকেই যায়।কারণ আল্লাহর এ ধরনের জড় বস্তুর নামে করা কসমের সোজা অর্থ দাড়ায় যে আল্লাহর কাছে চাঁদ, সূর্য, বায়ূ, ফেরেস্তা এরা সবাই তার চেয়ে বেশী স্বর্গীয় ও ক্ষমতাশালী।

শুধু এখানেই শেষ নয়। মোহাম্মদ কোন প্রতিজ্ঞা করলেও তা যে কোন সময় ভংগ করতে পারতেন, মোহাম্মদের আল্লাহ এতটাই মোহাম্মদকে পক্ষপাতীত্ব করেছেন যে, মোহাম্মদ কোন ব্যাপারে কারো কাছে প্রতিজ্ঞা করলেও তা রক্ষা বা পালন করার দায় তার ছিল না। আর তিনি তার উম্মতদেরকেও প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করার জন্য উৎসাহিত করেছেন। যেমন-

আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত- তিনি রাসুলুল্লাহর কাছ থেকে বলতে শুনেছেন, যে কোন শপথ গ্রহণ করে অথচ পরে অন্য বস্তুকে উত্তম মনে করে, তবে সে যেন সেই উত্তম বস্তকেই গ্রহণ করে।সহী মুসলিম, বই-১৫, হাদিস-৪০৫৩

উবায়দুল্লাহ ইবনে মুয়ায বর্ণনা করেছেন- আদী ইবনে হাতেম বলেন, রাসুলুল্লাহ বলেছেন যে ব্যক্তি কসম করার পর তার বিপরীত বস্তুকে উত্তম মনে করে তখন যেন সে সেই উত্তম বস্তকেই গ্রহণ করে ও কসম বর্জন করে।সহী মুসলিম, বই-১৫,হাদিস-৪০৫৭

সমাজে কোন ব্যক্তি যদি বার বার প্রতিজ্ঞা করে তা ভঙ্গ করে তাকে লোকজন আর বিশ্বাস করে না বা তাকে লোকজন ঠক বা প্রতারক বলেই গণ্য করে। আমাদের মহানবী সেটা নিজে যেমন করেছেন তেমনি তিনি তাঁর সাহাবীদেরকেও করতে নির্দেশ করেছেন। এখানে বলা হচ্ছে- যে ব্যাক্তি কসম করার পর তার বিপরীত বস্তুকে উত্তম মনে করে তখন সে যেন সেই উত্তম বস্তকেই গ্রহণ করে।তার মানে কেউ কোন কিছুর কসম কাটার পরে তার মনের পরিবর্তন ঘটলে সে সাথে সাথেই সেটা পরিবর্তন করতে পারবে। কসম কাটার বিষয়টি আসলে কি? কসম কাটা হলো কোন বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করা। যেমন- এক ব্যক্তি প্রতিজ্ঞা করল সে কিছু মানুষকে দান খয়রাত করবে। পরে চিন্তা করে দেখল এভাবে দান খয়রাত করলে তার সম্পদ কমে যাবে এবং এটাকেই সে উত্তম মনে করল। তখন মোহাম্মদের বিধাণ অনুযায়ী সে এ প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে বাধ্য নয়, আর এটা না করাটা তার জন্য কোন অনৈতিক ব্যপারও নয়। আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতারা নানা বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিজ্ঞা করে থাকে।পরে দেখা যায় ক্ষমতায় যাওয়ার পর সে সব প্রতিজ্ঞা তারা ভুলে যায়। মহানবীর বিধাণ মোতাবেক এটা কেন অনৈতিক কাজ নয়। কারন প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতেই হবে তেমন কোন বাধ্যবাধকতা আল্লাহর বিধাণে নেই। আর যেটা আল্লাহর বিধাণে নেই বলে মানুষ জানে তা রক্ষা পালন করার কোন আবশ্যকতাও থাকতে পারে না। বিষয়টা ধর্মভীরু নেতারা বোধ হয় ভালমতোই জানে সে কারনে দেখা যায় প্রতিজ্ঞা পূরন না করার পরেও তাদের মধ্যে কোন অন্যায়বোধ কাজ করে না। আমাদের মহানবীর প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের একটা বড় উদাহরণ হলো মক্কা বিজয়ের পর মক্কা বাসীদের দেয়া নিরাপত্তার আশ্বাস। কথিত আছে মক্কা বিজয়ের পর তিনি একটি জমায়েতে এই বলে সবাইকে নির্দেশ দেন যে – কাউকে বিনা কারনে খুন করা যাবে না, কারও সম্পদ লুঠ করা যাবে না , কারও বাড়ীঘর বাগান ধ্বংস করা যাবে না। মোহাম্মদের এ ধরণের ঘোষণাকে ইসলামী পন্ডিতরা খুব উচ্চকন্ঠে এই বলে প্রশংসা করে থাকে যে হাতে পাওয়ার পরেও তিনি কারও ওপর প্রতিশোধ গ্রহণ করেন নি বরং তিনি সবাইকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন।কারও প্রতি জুলুম অত্যাচার করেন নি। অথচ এটা যে মোহাম্মদের একটা স্রেফ রাজনৈতিক কূট চাল ছিল তা তারা উল্লেখ করতে ভুলে যান। মাত্র ছয়মাসও যায়নি – এর পরেই মোহাম্মদ তার আসল চেহারায় আবির্ভূত হন। আল্লাহর ওহীর নামে মোহাম্মদ কি বলছেন তা দেখা যাক-
সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলে। সূরা- আত তাওবাহ, ০৯:০১

অর্থাৎ মোহাম্মদ এখন শক্তিশালী, অমুসলিমদের সাথে পূর্বে সম্পাদিত শান্তিচুক্তি তার আর দরকার নেই অতএব তা এখন এক তরফা ভাবে বাতিল। যে কোন ধরণের চুক্তির অর্থ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া, আর এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে (অবশ্যই নিজের অনুকুলে) এ ধরণের প্রতিজ্ঞা পালনের কোন দায়ও তাই নেই মোহাম্মদের।এটা যে অনৈতিক কোন কাজ নয় তা প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এটাকে আল্লাহর ওহীর নামে বিধিবদ্ধ করা হচ্ছে। কোরানের আল্লাহ তাই কোন নৈতিকতার ধার ধারে না। এ আল্লাহ কোন রকম নৈতিকতার ধার তো ধারেই না, পরন্তু প্রচন্ড ক্রুদ্ধ, নিষ্ঠূর ও রক্তলোলুপ এক আল্লাহ যার হুংকার শোনা যাচ্ছে এর পরের আয়াতগুলোতেই-

তবে যে মুশরিকদের সাথে তোমরা চুক্তি বদ্ধ, অতপরঃ যারা তোমাদের ব্যাপারে কোন ত্রুটি করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্যও করেনি, তাদের সাথে কৃত চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ কর। অবশ্যই আল্লাহ সাবধানীদের পছন্দ করেন। সূরা- আত তাওবাহ, ০৯:০৪

উপরোক্ত আয়াত পড়লে মনে হবে আল্লাহ খুব ন্যায় পরায়ণ, প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করতে তিনি অনিচ্ছুক। চুক্তির মেয়াদ পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু আসলে বিষয়টি মোটেই তা নয় তা কিন্তু পূর্বোক্ত ০৯:০১ আয়াতেই পরিষ্কার। সেখানে পরিষ্কার বলা হচ্ছে- সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলে। আল্লাহ চুক্তি বাতিল করে দিলেন কিন্তু পরের আয়াতেই বললেন- তাদের সাথে কৃত চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ কর। কিন্তু আসলে এটা যে একটা ভাওতাবাজি তা বোঝা যাচ্ছে নীচের আয়াতে-

অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। সূরা- আত তাওবাহ, ০৯:০৫

অর্থাৎ আর কোন চুক্তির ধার ধারতে আল্লাহ তথা মোহাম্মদ অনিচ্ছুক। উপরোক্ত আয়াতগুলো পড়লে বোঝা যাচ্ছে মোহাম্মদ খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সিদ্ধান্ত নিতে তাড়াহুড়া করেছেন যে কারনে আয়াতগুলোর বক্তব্য দারুনরকম গোলমেলে ও স্ববিরোধী। প্রথমে আল্লাহ বলছে- সম্পর্কচ্ছেদ করা হল, এর পরেই বলছে- চুক্তিকে তাদের দেয়া মেয়াদ পর্যন্ত পূরণ কর। আবার এর পর পরই বলছে- অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। সম্পর্কচ্ছেদ করার পর চুক্তির মেয়াদ পূরণ করতে বলা অর্থহীন। আবার তার পরেই যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই মুশরিকদের হত্যা করতে আদেশ করার অর্থই হলো পূর্বোক্ত সম্পর্কচ্ছেদ করাকে সমর্থন করা। সুতরাং পুরো বিষয়টিই স্ববিরোধী , গোলমেলে। এর কারনও আছে- তখন দৃশ্যপট এতদ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল যে তখন মোহাম্মদ আসলে কোন্ টা করবেন এ ব্যপারে দোটানার মধ্যে ছিলেন। মাত্র আড়াই বছর আগে মোহাম্মদ মক্কাবাসীদের সাথে শান্তি চুক্তি করেছেন যাকে হুদায়বিয়ার সন্ধি বলা হয়, এর পরেই তিনি এতটাই শক্তিশালী হয়ে গেছেন যে মক্কা বিজয়ের মত ক্ষমতা তার হাতে।ওদিকে তার বয়স বেড়ে যাচ্ছে, তখন বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে, আরব রাজ্য প্রতিষ্ঠার তা যে স্বপ্ন তা অপূরণ রয়ে গেছে। তাই তার দরকার অতি সত্ত্বর মক্কা দখল করা।আর তাই সামান্য একটা অজুহাতকে কেন্দ্র করে তিনি দশ বছর মেয়াদের করা চুক্তির মাত্র আড়াই বছর পর তার বাহিনী সহ মক্কায় অভিযান পরিচালনা করেন। আর এ অভিযানের প্রেক্ষাপটেই এসব আল্লাহর বানী ও তার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করার কাহিনী।
শুধু তাই নয়, যে মোহাম্মদ মক্কা বিজয়ের পর শান্তির কথা বলেছিলেন তার কন্ঠ থেকে ঝরে পড়ে হুংকার-

আমি আরব ভূমি থেকে ইহুদি ও খৃষ্টানদেরকে উচ্ছেদ করব, মুসলিম ছাড়া এখানে আর কেউ থাকবে না। সহী মুসলিম, হাদিস-৪৩৬৬

এ প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ থেকে যে বিষয়টি প্রনিধাণযোগ্য তা হলো- ইসলামে সভ্য সমাজে প্রচলিত রীতি নীতির কোন মূল্য নেই, একই সাথে মুসলমানদের সাথে কোন রকম চুক্তি করা বিপজ্জনক ও তারা বিশ্বাসঘাতক, কারন তারা যে কোন সময়েই সে চুক্তি ভঙ্গ করার অজুহাত খুজে নিয়ে তা ভঙ্গ করতে পারে ও বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে এবং এর জন্য তারা কোন অনুতাপ তো করবেই না বরং এ ভেবে উল্লসিত হবে যে এটা তো আল্লাহ ও তার রসুলই তাদেরকে শিখিয়ে গেছেন। বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশে আমেরিকা নাকি অত্যাচার, নির্যাতন, দখলদারিত্ব কায়েম করেছে। এতে মুমিন বান্দারা কেন যে এত শোরগোল করে তা বোঝা মুশকিল। তাদের তো বরং উল্লসিত হওয়া উচিত এ ভেবে যে এসব নাসারা ইহুদীরা আল্লাহ ও তার রসুলের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে এসব করছে। ইসলাম শিক্ষা দিয়েছে-বিশ্বাসঘাতকতা করতে , আমেরিকানরা সেটারই চর্চা করছে, এতে তো প্রকারান্তরে ইসলামের শিক্ষাকেই সম্প্রসারিত করা হচ্ছে, এতে কি মুসলমানদের উল্লাস প্রকাশ করা উচিত নয়? মুসলমানদের মনের মধ্যে যে গোপণ দুরভিসন্ধি আছে, কোরান হাদিস পড়ে অমুসলিমরা সেসব জেনে যদি এখন সবাই একজোট হয়ে, গোটা দুনিয়া থেকে মোহাম্মদের দেখানো পথে মুসলমানদেরকে উচ্ছেদ করার জন্য উঠে পড়ে লাগে তাহলে তাদেরকে কি দোষ দেয়া যায়?

মক্কার কুরাইশদের পালন করা আরও একটি প্রথা মোহাম্মদ প্রাক ইসলামী যুগে পালন করতেন। তা হলো- আশুরার দিন অর্থাৎ মহররম মাসের দশ তারিখে তিনি রোজা রাখতেন। যেমন –

আয়শা বর্নিত-আশুরার দিন (মহররম মাসের দশ তারিখে) ইসলাম পূর্ব অন্ধকার যুগের কুরাইশরা রোজা রাখত। মোহাম্মদ নিজেও এদিন রোজা রাখতেন। যখন তিনি মদিনায় হিযরত করলেন, তিনি তখনও এ দিনে রোজা রাখতেন ও সকল মুসলমানকে তা রাখতে নির্দেশ দিলেন। যখন রমজান মাসের রোজা চালু হলো তখন তিনি এ দিনের রোজাকে ঐচ্ছিক করে দিলেন-তারা ইচ্ছে করলে রোজা থাকতে পারত, না হলে দরকার নাই। সহী বুখারী, বই-৫৮, হাদিস-১৭২

এখানে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে-কুরাইশরা কাকে সন্তুষ্ট করতে রোজা রাখত? নিশ্চয়ই তাদের নিজেদের আল্লাহ যাকে তারা প্রধান দেবতা মনে করত, ইসলামের আল্লাহ কে। মোহাম্মদ ইসলাম পূর্ব যুগে ঠিক একই রকম ভাবে এ রোজা রাখতেন ও বলা বাহুল্য তিনি সেটা করতেন কুরাইশদের আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য।কারন এ রোজা উপলক্ষ্যে তিনি কুরইশদের দেব দেবীর মূর্তি ভর্তি কাবা ঘরে গিয়েই তার মুনাজাত করতেন। তিনি তার নিজস্ব ইসলামের আল্লাহকে আবিষ্কার করেন যখন ৪০ বছর বয়েসে নবুয়ত্ব পান তখন। আর এ আল্লাহকে আবিষ্কার করার পরও তিনি কুরাইশদের প্রথা দশ বছরেরও বেশী কাল ধরে বাধ্যতামূলক রাখেন, কারন নবুয়ত্ব পাওয়ার দশ বছর পরেই তিনি মদিণাতে হিজরত করেন। নবুয়ত্ব পাওয়ার পরও দশ বছরের অধিক কাল ধরে তিনি মূর্তি বা পুতুল ভর্তি কাবা ঘরে গিয়েই উপাসণা করতেন। এতে করে কি তিনি কুরাইশদের আল্লাহকেই উপাসণা করতেন না ?

About the Author:

মুক্তমনা ব্লগ সদস্য।

মন্তব্যসমূহ

  1. Anik Samiur Rahman আগস্ট 17, 2012 at 2:51 পূর্বাহ্ন - Reply

    মুহাম্মাদের চরিত্রের উপর ফোকাস রাখতে পারেননি একেবারেই। শুধু চরিত্রটাই এ পর্বে লিখতেন, বিভিন্ন সোর্স থেকে বিভিন্ন সময়ে মুহাম্মদকে যেমন জানা যায়। বাঁকিগুলি অন্যত্র আলোচনা করা উচিৎ ছিলো।

  2. মন্দ নভেম্বর 24, 2011 at 11:05 অপরাহ্ন - Reply

    ভালই ত লিখেন।।।।।।।।

  3. সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 18, 2011 at 3:35 পূর্বাহ্ন - Reply

    নবীজির মৃত্যুরহস্যঃ যে ভিডিও দেখে অবাক হলাম

    httpv://www.youtube.com/watch?v=6st_tFj6ouM&feature=player_embedded

    • আমি আমার নভেম্বর 18, 2011 at 2:18 অপরাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,
      গতকাল আমি ও দেখলাম ধর্মকারীতে। দেখে খুব প্রীত হলাম এই ভেবে যে মুহম্মদ কেমন ধরনের আহাম্মক ছিল। (দুঃখিত, সম্মান দেখাতে অপারগ)।আমি ও এখানে নতূন, আহা!!! আপনাদের মত যদি লিখতে পারতাম… নাস্ত্যিকবাদ চির উন্নত….

      • ভবঘুরে নভেম্বর 19, 2011 at 9:50 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আমি আমার,

        দেখে খুব প্রীত হলাম এই ভেবে যে মুহম্মদ কেমন ধরনের আহাম্মক ছিল।

        মোহাম্মদ আহাম্মক নাকি আমরা আহাম্মক সেটা ভাবাটাই বেশী জরুরী। সেই কবে ১৪৫০ বছর আগে মোহাম্মদ নামের এক লোক আরব দেশের কিছু আধা সভ্য মানুষদেরকে নানা রকম উদ্ভট আর আজগুবি কথা বলে তাদেরকে দলে ভিড়িয়ে ইসলাম নামক এক জগাখিচুড়ী ধর্মের পত্তন করে গেল, আর আমরা এই বাংলাদেশ তো বটেই আরও অনেক দেশের সাধারন অজ্ঞ মূর্খ মানুষ সহ জ্ঞানী গুনি পন্ডিত সবাই সেই মোহাম্মদের কথায় নাচা নাচি করছি, কথায় কথায় জিহাদের ডাক দিয়ে চলেছি। তাহলে আহাম্মক আসলে কারা?

        • আমি আমার নভেম্বর 28, 2011 at 2:39 অপরাহ্ন - Reply

          @ভবঘুরে,
          সময়াভাবে মুক্তমনায় ঢুঁ মারতে পারিনি তাই প্রতিউত্তরের দেরীতে দুঃখিত। আপনার কমেন্টে দম আছে তবে আমি মুহম্মদ ব্যাটাকে আহাম্মক হিসেবেই দেখি আর নিজেদেরকে মনে হয় ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত যারা বুঝে না বুঝে সবকিছুতেই লাফালাফি করি। তাই মনে হয় আমরা আহাম্মক এর চেয়ে ও খারাপ। ভাল বাংলা শব্দ জানিনা তাই সত্যি লজ্জিত। আপনাদের জ্ঞ্যানগর্ভ লেখাগুলি জানার ও শেখার জন্য খুবই উপযোগী এবং শিখছি ও । আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানায় আপনাদের মুক্তমনা লেখকদের। :guru: :guru: (Y) (Y)
          যাই হোক, আপনাদের অনেক নতূন পোষ্ট জমে গেছে পড়ার জন্য। যায়, আগে পড়ে নিই পরে কমেন্ট করা যাবে।

      • অচেনা নভেম্বর 28, 2011 at 1:25 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আমি আমার, সমস্যা টা আমারও। আমিও লিখতে পারি না। কিন্তু মুক্ত মনার লেখকদের লেখা খুবই উপভোগ করি। যদিও স্লো নেট বলে ভিডিও টি দেখতে পারলাম না। 🙁

    • Rafique নভেম্বর 30, 2011 at 4:11 অপরাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      এখানে কি বলা হল ? মুহাম্মদ নকল কিন্তু তার উদ্ভাবন আল্লাহ আসল ?

  4. আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 17, 2011 at 7:47 অপরাহ্ন - Reply

    মুক্ত মনায় যথেষ্ট হাদিছ বিশেষজ্ঞ রহিয়াছেন। যে কোন সময় যে কোন হাদিছের উদ্ধৃতি পাইতে অসুবিধা হয়না। এখানে আমি একটি হাদিছের উপর আমার কিছু পশ্ন আছে তা জানতে চাচ্ছি। হাদিছটি মাওলানা আজিজুল হক কর্তৃক বাংলায় অনুদিত বোখারীর ৭ম খন্ডের ২৪০ পৃষ্ঠায়।

    হাদিছটিতে বলা হয়েছে, কেয়ামতের লক্ষন হিসাবে কোন এক দিন সূর্য পূর্ব দিক হইতে উদয় না হইয়া হঠাৎ করে আগের রাত্রিটা তিন রাত্রের সমান হইয়া পশ্চিম দিক হইতে উদয় হইবে।

    আমি হিসাবে মিলাতে পারছিনা তাহলে ঐ ঘটনার দিনে আমাদের এখানে ( নিউ ইয়র্কে) তো উল্টোটা হওয়ার কথা অর্থাৎ দিনটা তিন দিনের সমান হইয়া হঠাৎ করে সূর্য টা পূর্ব দিকে অস্ত যাইবে। তাই নয়কি ?

    নবী কোথাও বোধ হয় নিউ ইয়র্কে এমন উল্টো ঘটনাটি ঘটিবে তা উল্লেখ করেন নাই।

    আমার প্রশ্ন হল এত বড় বিশ্ব নবী হয়ে পক্ষপাতিত্ব করার মতন পৃথিবীর শুধু যে পার্শে আরব দেশ অবস্থিত আছে শুধু সেই দেশের ঘটনাই উল্লেখ করিলেন ?

    তাহলে আল্লাহ তাকে কি নিউ ইয়র্ক বাসীর নবী করেন নাই ? শুধু কি আরব জাতির জন্যই নবী করেছেন ?
    কিন্তু তাতো নয়। বহু যায়গায় বলা হয়েছে, তিনিই একমাত্র সর্ব কালের সর্ব দেশের একমাত্র সর্ব শেষ নবী।
    ধন্যবাদ।

    • সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 17, 2011 at 10:03 অপরাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,

      আপনার সুন্দর বিশ্লেষণ মুগ্ধ হওয়ার মত। এই যুক্তিবোধটুকু থাকলে মানুষ হাস্যকর ধর্মগুলোতে আর বিশ্বাস করতো না। আসলে কোরান-হাদিস এগুলো বিনোদনের ভান্ডার ছাড়া আর কিছু নয়। একটু মনযোগ দিয়ে কোরান পড়ে দেখবেন, কোথাও কোথাও আল্লা নাফরমানদের উপর রেগে গিয়ে গজগজ করছেন অথচ এই মানুষগুলোকে তিনিই নাকি তৈরী করেছিলেন। সুরা লাহাব পড়েন। আরো অসংখ্য বিনোদন পাবেন যা বলে শেষ করার নয়। এক জায়গায় গিয়ে আল্লা বলছেন, তিনি নাকি সর্বোত্তম ষড়যন্ত্রকারী :lotpot:

    • নিটোল নভেম্বর 17, 2011 at 10:32 অপরাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,

      চমৎকার বলেছেন তো! (Y) (Y)

    • ভবঘুরে নভেম্বর 18, 2011 at 2:47 অপরাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,
      এখন তো আপনি বুঝে গেলেন মোহাম্মদ , তার ইসলাম ও আল্লাহ ছিল শুধু মাত্র আরব দেশ ও আরব বাসীর জন্য।আপনি বাস করেন আমেরিকায়। আপনার জন্য ইসলাম নয়। এতকিছু জানার পরেও কি আপনি এখনও মসজিদে যান ? নামাজ পড়েন ? জানার খুব কৌতুহল হচ্ছে।

      • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 18, 2011 at 7:54 অপরাহ্ন - Reply

        এখন তো আপনি বুঝে গেলেন মোহাম্মদ , তার ইসলাম ও আল্লাহ ছিল শুধু মাত্র আরব দেশ ও আরব বাসীর জন্য।আপনি বাস করেন আমেরিকায়। আপনার জন্য ইসলাম নয়। এতকিছু জানার পরেও কি আপনি এখনও মসজিদে যান ? নামাজ পড়েন ? জানার খুব কৌতুহল হচ্ছে।

        @ভবঘুরে,
        হ্যাঁ, আমি এখনো মসজিদে যাই ও নামাজ পড়ি। এ অভ্যাসটা আমার পিতার বদৌলতে আমার অতি বাল্যকাল থেকেই গড়ে উঠেছে। আমাদের গ্রামের বাড়ীতে ই একটি মসজিদ আছে। আমার পিতা অত্যন্ত ধার্মিক ও নামাজি ছিলেন। তিনি পাচ অক্ত এই মছজিদে আজান দিয়ে নামাজ পড়তেন। তার দেখাদেখি স্বাভাবিক ভাবেই আমিও নামাজ পড়তে অভ্যস্ত হয়ে যাই।

        আমার পার্শবর্তি গ্রামে একজন তৎকালীন নামকরা মৌলানা সাহেব ছিলেন। তার সংগে আমার পিতার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বও ছিল। তিনি প্রায়ই আমার পিতার কাছে ও মসজিদে আসা যাওয়া করতেন। মসজিদে ওয়াজ নছিহত ও করতেন।
        পার্শবর্তি দুইটি গ্রামে তিনি দুইটি মাদ্রাসা ও স্থাপন করিয়াছেন। একটি আলিয়া মাদ্রাসা ও একটি কওমি মাদ্রাসা। এই মাদ্রাসায় ছোট বেলায় কিছু কাল পড়াশুনাও করতে হয়েছে। সেখান থেকেই ধর্মিয় বিশ্বাস ও ধর্মিয় রীতি নীতি অনুষ্ঠানাদি পালনের অভ্যাসটা মসজিদে যাতায়াত করা মসজিদের ইমাম বা মাওলানা সাহেবদের সংগে আলাপ আলোচোনা করা,সময় পেলে আন্তর্জালে বংগানুবাদ কোরান ও হাদিছ হতে পড়া শুনা করে ধর্ম কি বলতে চায় তা জানতে ও বুঝতে চেষ্টা করা, ইত্যাদি অভ্যাস টা আমার মধ্যে বিরাজ করছে।

        আমি নাস্তিক নই। আমি মহান শ্রস্টার প্রতি বিশ্বাশী ও পূর্ন আস্থাশীল। তাই তিনি যে কোন নামেই (আল্লাহ,খোদা,ইশ্বর,গড,রহীম,করিম) হোক না কেন। মসজিদে যেয়ে নামাজ পড়ার অর্থ হল এই মহান স্রস্টাকে যে কোন ভাবে হক একটু স্মরন ও গুনগান করা। তার সংগে স্মম্পর্ক রাখার একটু দরকার আছে বৈ কি ? তা নাহলে বিপদ আপদে কার কাছে সাহায্য চাইবেন ? আর তিনি সাহায্যের আবেদনে সাথে সাথে সাড়াও দিয়ে থাকেন।

        আগে এক সময় বিশ্বাষী ছিলাম সৃষ্টি কর্তা মানেই মুহাম্মদ ও ইসলাম। মুহাম্মদ ও ইসলামের এর বাইরে কোথাও বুঝি আল্লাহ বা সৃষ্টি কর্তা নাই। আল্লাহ বুঝি সব দায়িত্বটা মুহাম্মদের একার হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন। মুহাম্মদ নিজেও প্রচন্ড ভাবে ও কোন এক জায়গায় দাবী করে বসেছেন, তাকে আল্লাহ সৃষ্টি না করলে নাকি আল্লাহ এই বিশ্বভ্রমান্ডকেই সৃষ্টি করতেননা। কত বড় দাবী! এটাও দাবী করেছেন তার সুপারিস ছাড়া কেহই বেহেশত যাইতে পারিবেনা। তার মানে আল্লাহর সমস্ত দায়িত্ব টুকুই নিজেই নিয়ে নিয়েছেন। সাধারন মানুষের হাতে আর কিছুই নাই। কত বড় অযৌক্তিক কথাবার্তা!

        ইদানিং মুহাম্মদের থিওরী অনুসরন করিয়া ইসলামবিদ রা যে কার্য কলাপ আরম্ভ করিয়া দিয়াছেন তাতে তারাই প্রমান করিয়ে ছেড়েছেন এটা কখনো সৃষ্টি কর্তার দেওয়া সত্য ও শান্তির বিধান হতে পারেনা।

        এখন তো আমার কাছে এটাই মনে হচ্ছে কেয়ামতের দিন আল্লাহ পাক আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করিয়া বসতে পারেন তোমাদের কে আমি কবে গিয়ে বলে এসেছিলাম যে মোহাম্মাদকে আমার একমাত্র শেষ নবী বানিয়ে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দিলাম আর ইনি যা কিছুই বলবেন সেইটাই আমার বানী বলে তোমরা চোখ বুজে সমস্ত অন্যায় কাজ গুলী করে চলে যাবে ? আজ তোমাদেরকে আমি ছাড়বনা। তোমাদের আজ আমি দোজখের অগ্নিতে নিক্ষেপ করিব। তখন আর কি উপায় থাকিবে ?

        আপনার ছোট্ট একটি প্রশ্নের উত্তরে অনেক বেশী কথা লিখে ফেল্লাম এজন্য আমি দুখিত।

        আপনার যুক্তিযুক্ত অখন্ডনীয় প্রবন্ধ গুলী আমার পড়তে খুব ভাল লাগে। জানি এতে আপনার কোনই আর্থিক লাভ নাই। তবে সমাজের জন্য প্রয়োজন আছে। এর একটা লিখতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আমি তো এক লাইন ও লিখতে পারবনা।
        কষ্ট করে হলেও চালিয়ে যান। আপনার লেখা সঠিক আছে। এ থেকে অনেকে অনেক কিছু অজানা বিষয় জানতে পারে।

        ধন্যবাদ

        • রাজেশ তালুকদার নভেম্বর 19, 2011 at 6:00 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আঃ হাকিম চাকলাদার,

          এখন তো আমার কাছে এটাই মনে হচ্ছে কেয়ামতের দিন আল্লাহ পাক আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করিয়া বসতে পারেন তোমাদের কে আমি কবে গিয়ে বলে এসেছিলাম যে মোহাম্মাদকে আমার একমাত্র শেষ নবী বানিয়ে তোমাদের কাছে পাঠিয়ে দিলাম আর ইনি যা কিছুই বলবেন সেইটাই আমার বানী বলে তোমরা চোখ বুজে সমস্ত অন্যায় কাজ গুলী করে চলে যাবে ? আজ তোমাদেরকে আমি ছাড়বনা। তোমাদের আজ আমি দোজখের অগ্নিতে নিক্ষেপ করিব। তখন আর কি উপায় থাকিবে ?

          আপনি মসজিদে যান নামাজ পড়ুন ধর্ম মানুন এতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু আপনি মুহাম্মদকে নবী হিসাবে মানতে চান না অথচ তাঁর প্রবর্তিত নিয়মেই মসজিদে যান নামাজ পড়েন বিষয়টা পুরোপুরি স্ববিরোধী নয় কি?

          সৃষ্টি কর্তার প্রতি আপনার পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস থাকলে আপনি নিশ্চই এও বিশ্বাস করেন ঘরে বসে ডাকলেও তিনি শুনতে পাবেন। এর জন্য নিয়মিত মন্দির মসজিদে গিয়ে পালা করে ডাকার কোন প্রয়োজন নাই।

          • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 19, 2011 at 7:41 পূর্বাহ্ন - Reply

            @রাজেশ তালুকদার,

            সৃষ্টি কর্তার প্রতি আপনার পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস থাকলে আপনি নিশ্চই এও বিশ্বাস করেন ঘরে বসে ডাকলেও তিনি শুনতে পাবেন। এর জন্য নিয়মিত মন্দির মসজিদে গিয়ে পালা করে ডাকার কোন প্রয়োজন নাই।

            আপনি সঠিক কথাই বলেছেন। আপনার সংগে আমি সম্পূর্ন একমত। এযাবৎ আমি তাই করেছিলাম। মছজিদে গিয়ে প্রার্থনা করাটা ও বাধ্যতামূলক নয়।

            আমি এটায় বিশ্বাষী যে যে কোন ব্যক্তি যে কোন জায়গা হতে যে কোন সময়ে সৃষ্টি কর্তাকে ডাকার পূর্ন অধিকার রাখে,এবং ডাকলেও সৃষ্টি কর্তা সমান ভাবেই সাড়া দিয়ে থাকেন। এর জন্য মসজিদ,মন্দির বা কাবা ঘরের দরকার হয়না,বা কোন মাধ্যম ব্যক্তি দরকার হয়না।

            মাত্র কয়েক মাস যাবৎ হল সিলেট হতে একজন কওমি মাদ্রাসা পাস মাওলানা সাহেব ফ্যামিলি ইমিগ্রেসন ভিসায় এখানে এসে কিছু বাংগালী, ভারতীয়,পাকিস্তানী,এ্যারাবিয়ান মুসলমান দের কে পটিয়ে আমার বাড়ীর কাছেই একজন ভারতীয় গুজরাটি শিখের একটি এ্যাপার্টমেন্ট মাসে ২৪০০ ডলার ভাড়া লয়ে একটি মসজিদ খাড়া করে দিয়েছেন।কেহই মসজিদের জন্য ঘর ভাড়া দিতে চেয়েছিলনা। ভেবেছিলাম ভালই হল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি করে এই গুজরাটি ভদ্রলোককে যেন পটিয়ে ফেল্ল।

            একজন কুমিল্লার ব্যবসায়ী প্রধান আর্থিক সহযোগিতা কারী। আমার মোটেই ইচ্ছা ছিলনা আমার এত কাছাকাছি একটি মছজিদ খাড়া হোক। মসজিদ টি টিকবে কিনা এখনো নিশ্চিত নয়। কারন নামাজীর সংখ্যা অতি নগণ্য। মাওলানা সাহেবের একান্ত বার বার অনুরোধে আমাকে মসজিদটায় কতকটা অনিচ্ছা সত্বেও উপস্থিত হতে হয়।

            আমি এ সমস্ত সিলেটি মওলানা সাহেবদের একেবারেই দেখতে পারিনা। এদের একমাত্র লক্ষ থাকে কি করে ধর্মের দোহাই দিয়া,ধর্মের ভয় দেখাইয়া, ধর্মের সব আজগুবি কাল্পনিক গলপ শুনাইয়া , বেহেশতের লোভ দেখাইয়া টাকা আদায় করিবে। আহা! আপনার বাড়ী আবার সিলেটে না তো ? আর অদ্ভুৎ ব্যাপার হল শিক্ষিত লোকেরাও এই চাতুরতা ধরতে পারেনা।
            আপনার প্রবন্ধ আর কবে বের হচ্ছে? অপেক্ষায় আছি। বাংলাদেশের মিথ্যা মাজার বাণিজ্যটাকে আর একটা আঘাত দেন না ?
            এখানকার মসজিদ গুলীও ঠিক বাংলাদেশের মাজার বাণিজ্যের মত।

            ধন্যবাদ

            • ভবঘুরে নভেম্বর 19, 2011 at 9:44 পূর্বাহ্ন - Reply

              @আঃ হাকিম চাকলাদার,

              আমি এ সমস্ত সিলেটি মওলানা সাহেবদের একেবারেই দেখতে পারিনা। এদের একমাত্র লক্ষ থাকে কি করে ধর্মের দোহাই দিয়া,ধর্মের ভয় দেখাইয়া, ধর্মের সব আজগুবি কাল্পনিক গলপ শুনাইয়া , বেহেশতের লোভ দেখাইয়া টাকা আদায় করিবে। আহা! আপনার বাড়ী আবার সিলেটে না তো ? আর অদ্ভুৎ ব্যাপার হল শিক্ষিত লোকেরাও এই চাতুরতা ধরতে পারেনা।

              তবে আপনি এক কাজ করতে পারেন।তা হলো মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে ইমাম সাহেবকে নানা রকম প্রশ্ন করতে পারেন সবার সামনে জানার জন্য। আগে তো অনেক কিছুই জানা ছিল না ভিতরের খবর , এখন তো জানেন। টু দি পয়েণ্টে অনেক কিছুই এখন প্রশ্ন করতে পারেন। তাহলেও তো শুনে কিছু মানুষ সচেতন হতে পারত। না হলে কিন্তু এসব জানা শোনার কোনই লাভ নেই। ইদানিং আমি একটা জনহিতৈষী কাজ করি। তা হলো – যার সাথে একটু বন্ধুত্ব হয় তাকেই একটা করে বাংলা কোরান ও একটা বাংলা হাদিস বই( বুখারী বা মুসলিম) কিনে উপহার দেই। আর অনুরোধ করি বার বার পড়তে।

              • তামান্না ঝুমু নভেম্বর 19, 2011 at 10:19 পূর্বাহ্ন - Reply

                @ভবঘুরে,
                আমি একবার এক মাউলানাকে কোরানের কয়েকটি আয়াত বলেছিলাম। সে উত্তরে বলেছিল, এগুলো আমার বানানো কথা এসব বাজে কথা কোরানে নেই। আমাকে অভিশাপ দিয়েছিল দোযখে যাবার।

              • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 19, 2011 at 7:49 অপরাহ্ন - Reply

                @ভবঘুরে,

                তবে আপনি এক কাজ করতে পারেন।তা হলো মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে ইমাম সাহেবকে নানা রকম প্রশ্ন করতে পারেন সবার সামনে জানার জন্য। আগে তো অনেক কিছুই জানা ছিল না ভিতরের খবর , এখন তো জানেন। টু দি পয়েণ্টে অনেক কিছুই এখন প্রশ্ন করতে পারেন। তাহলেও তো শুনে কিছু মানুষ সচেতন হতে পারত।

                মওলানা সাহেব কোরানের ১৯ এর মিরাকলে বিশ্বাষী। অর্থাৎ কোরানের প্রায় সব কিছুর সংখ্যা ১৯ সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য যেমন বিছমিললাহর মধ্যে ১৯ টি অক্ষর এবং আরো অনেক কিছু। এটা আল্লাহর বানী না হলে এটা কোন রকমে মানুষের সৃষ্ট পুস্তকে সম্ভব নয়, এটা মানুষকে বুঝিয়ে আল্লাহর পথে লয়ে আসেন। সৈকত চৌধুরীর ১৯ এর মিরাকল টি পড়িলে বুঝিতে পারিবেন। এই প্রবন্ধটি আমাকেও প্রচন্ড সাহায্য করেছে ও করতেছে।

                একদিন আর একজন মাত্র উপস্থিত নামাজি সহ, আমি মাগরিবের নামাজের পর কোরান শরীফটি খুলিয়া মওলানা সাহেব কে বিছমিল্লাহ দেখাইয়া আঙ্গুলী দিয়া গুনিয়া দেখাইতে বলিলাম, এখানে কয়টি অক্ষর আছে একটু আমাকে দেখান তো ? তিনি আমাকে ১৯ অক্ষর আছে দেখাইতে পারিলন না। গোজা মিল দিয়া দেখানোর চেষ্টা করিয়া ব্যর্থ হইয়া শেষে বলিলেন, এটা বোখারী শরীফের হাদিছে আছে, পরবর্র্তিতে ব্যাখ্যা করিব।

                এরপর আমি এবং উক্ত নামাজী মছজিদ হইতে বেরিয়ে আসিলাম। রাস্তায় আমাকে উক্ত নামাজী বল্লেন এটা বোখারী শরীফে থাকতে যাবে কেন ? মওলানা সাহেব বড় বিপদে পড়ে গিয়েছিলেন। থাক,বুঝতে পেরছি, উনাকে আর জিজ্ঞাসা করার দরকার নাই।

                আর একদিন জুমার নামাজে ভাষনে বলিলেন বর্তমানে বিজ্ঞানীরা যা কিছু আবিষ্কার করিতেছে সবই কোরান হইতে আবিষ্কার করিতেছে।এর পক্ষে কোরানের এক একটি আয়াত ও পাঠ করিতে থাকিলেন। শ্রোতারা সব ইমানের জোশে ছোবহানাল্লাহ-ছোবহানাল্লাহ পাঠ করিতে থাকিলেন। ৩০-৪০ জন শ্রোতার মধ্যে এক মাত্র আমিই সম্ভবতঃ ব্যতিক্রম ছিলাম এবং তার চাতুরীটা বুঝে ফেলেছিলাম। আমি যদি তার ছল চাতুরীটার তৎক্ষনাৎ প্রতিবাদ জানাইতাম, তা হলে এই মোমেন বান্দাগন মনে হল আমাকেই আক্রমন করে বসতো, বলতো এ কাফের একে ধর। তখন আমার জীবনটা লয়েই টানাটানি পড়ে যেত, এই আর কি।
                পবিত্র কোরান ৫৬নং সুরা আল ওয়াকেয়ার ৭৫ ও৭৬ নং আয়াত গত পবিত্র রমজান মাস পবিত্র দিন শুক্রবারে পবিত্র মসজিদে দাড়াইয়াই প্রচন্ড দাপটের সংগে এই পবিত্র মিথ্যা অনুবাদ টুকু করিয়া শ্রোতাদের বুঝাইতে এত টুকুও দ্বিধা বোধ করিলেন না।

                আমি এব্যাপারে পৃথক আলোচনা করতে বসতে চাইলে উনি বলিলেন এসব ব্যাপারে উনি কারো সংগে আলোচনায় বসেননা।
                তাহলে এবার বাপারটা একটু বুঝিয়া দেখুন।
                মওলানা সাহেবরা মানুষদেরকে হেদায়েত করিয়া সৎপথে আনতে চান। আর আমি নিয়মিত মসজিদে যতায়াত করি এই মাওলানা সাহেবদরই সৎপথে আনার চেষ্টা চালাতে। তাতে অসুবিধা কোথায় ? এনাদেরকে ঠিক করতে পারলেই সব ঠিক । যতদিন এনারা ঠিক না হবেন ততদিন যতই মুক্ত মনত্ব চর্চা করা হোক না কেন কিছুই ঠিক হবেনা

                আমি নীচে BJACK HOLE পাওয়ার সূত্রটি দিলাম। একটু ভাল করিয়া দেখুনতো এর মধ্যে কোথাও BLACK HOLE এর নাম গন্ধ টুকুও পান নকি। আমিতো পাইলামনা।
                এ ছাড়াও আরো অনেক ঘটনা আছে।
                ধন্যবাদ

                পবিত্র কোরান ৫৬নং সুরা আল ওয়াকেয়ার ৭৫ ও৭৬ নং আয়াত”
                <strong>And I swear by the stars’ positions-and that is a mighty oath if you only knew. (Qur’an, 56:75-76)</strong>

    • ব্রাইট স্মাইল্ নভেম্বর 18, 2011 at 6:49 অপরাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,

      তাহলে আল্লাহ তাকে কি নিউ ইয়র্ক বাসীর নবী করেন নাই ? শুধু কি আরব জাতির জন্যই নবী করেছেন ?

      আল্লাহ এতো মুর্খ নন যে নিউইয়র্কে তাকে নবী বানাতে যাবেন। গোটা দুনিয়াটাতো আর আরব দেশের মতো মগের মুল্লুক নয়! আরব জাতিতে জন্মগ্রহনকারী নবী আরব দেশ ছাড়া অন্য দেশের নবী হতে যাবে কোন হিসেবে? মামার বাড়ীর আবদার আর কি!

      • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 18, 2011 at 7:58 অপরাহ্ন - Reply

        @ব্রাইট স্মাইল্,

        আল্লাহ এতো মুর্খ নন যে নিউইয়র্কে তাকে নবী বানাতে যাবেন। গোটা দুনিয়াটাতো আর আরব দেশের মতো মগের মুল্লুক নয়! আরব জাতিতে জন্মগ্রহনকারী নবী আরব দেশ ছাড়া অন্য দেশের নবী হতে যাবে কোন হিসেবে? মামার বাড়ীর আবদার আর কি

        খুব মজার উত্তর দিয়েছেন ভাই।
        ধন্যবাদ।

  5. মাহবুব সাঈদ মামুন নভেম্বর 17, 2011 at 6:28 অপরাহ্ন - Reply

    আপনারা যারা ইসলাম ধর্মের ঘৃন্য অসারতা প্রমান করছেন তখন দেখেন ওয়াজের নামে জামাতে ইসলামী আপনাদেরসহ দেশের সার্বভ্বৌমত্যের বিরুদ্ধে দেশের সাধারন ধর্মপ্রান মানুষের ক্ষেপিয়ে তুলছে দেখেন এখানে।

    httpv://www.youtube.com/watch?v=YMiXRjiBjzc&feature=results_video&playnext=1&list=PL4A64DDC751ABA5D0

    • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 17, 2011 at 8:09 অপরাহ্ন - Reply

      @মাহবুব সাঈদ মামুন,
      ভিডিও উপভোগ করলাম। এর শেষের দিকে শন্দ আসতেছেনা।
      সম্ভব হলে ঠক করে দিন।
      ধন্যবাদ ভিডিওটি ঊপহার উপহার দেওয়ার জন্য।

    • নিটোল নভেম্বর 17, 2011 at 10:30 অপরাহ্ন - Reply

      @মাহবুব সাঈদ মামুন, দুর্ধর্ষ!!

    • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 17, 2011 at 10:51 অপরাহ্ন - Reply

      @মাহবুব সাঈদ মামুন,
      মাওলানা সাহেবের সুন্দর বাচন ভঙ্গী দ্বারা জন সমর্থন যোগানের কৌশল আমাকে মুগ্ধ করিয়া ফেলিয়াছে। একই সংগে অন্তরাত্বা টা প্রচন্ড বেগে দুরু দুরু গতিতে কেঁপে ও উঠল। না জানি হযরত বিন লাদেন সাহেব যাইতে না যাইতেই আর একজন হযরত বিন লাদেন বুঝি আমাদের খুব শীঘ্রই পাওয়ার সৌভাগ্য হয়ে গেল।

      একি সর্বনাস!!!
      ধন্যবাদ

    • সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 18, 2011 at 1:29 পূর্বাহ্ন - Reply

      @মাহবুব সাঈদ মামুন,

      শোনে মূর্ছা গেলাম :lotpot:

      এই তারিক মুনাওয়ার আমাদের দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ওয়াজ করে বেড়ান।

      নোবেল পুরষ্কার যারা পায় এরা হল ইসলামের দুষমন।

      কোনো নাস্তিকের জন্য বাংলার জমিন আমরা ছেড়ে দেব না।

      এটা নজরুলের জমিন, রবীন্দ্রনাথের নয়।

      আমরা কোনো কাফেরের সাথে সম্পর্ক রাখব না।

      • মাহবুব সাঈদ মামুন নভেম্বর 18, 2011 at 1:52 পূর্বাহ্ন - Reply

        @সৈকত চৌধুরী,

        হুইন্না মূর্ছা যাইছেন আর হেত্তারা কিন্তু কোমর বাইন্দা আপনাদের ধরনের সব আয়োজন করতাছে।

        নীচের এই ৪ কিছিমের মোষ্ট ওয়ানটেড লোকজনর, আপনারা ইয়া নাফছি ইয়া নাফছি করতে থাকেন……………………

        নোবেল পুরষ্কার যারা পায় এরা হল ইসলামের দুষমন।

        কোনো নাস্তিকের জন্য বাংলার জমিন আমরা ছেড়ে দেব না।

        এটা নজরুলের জমিন, রবীন্দ্রনাথের নয়।

        আমরা কোনো কাফেরের সাথে সম্পর্ক রাখব না।

        তাই সাধু সাবধান।:-[ :-[ :-[ :-[ :-[

      • মাহবুব সাঈদ মামুন নভেম্বর 18, 2011 at 2:35 পূর্বাহ্ন - Reply

        @সৈকত চৌধুরী,

        এই তারিক মুনাওয়ার আমাদের দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে ওয়াজ করে বেড়ান।

        মনকে বুঝ দেওয়া যায় যে গরীব ও অশিক্ষিত লোক নাহয় ওয়াজধারী আরেক অশিক্ষিত লোকের কথা শুনে কিন্তু দেশটার এতো সুশীল সমাজ,গুণী,বিদ্যানওয়ালারা কিভাবে এমন অশিক্ষিত,বর্বরিত লোকের কথা কানে শুনে? তদুপরি বাংলাদেশ তো একটি স্বাধীন গনতান্ত্রিক দেশ ( দেশের সংবিধান অনুযায়ী) এটাতো কোন ইসলামী প্রজাতন্ত্রী দেশ নয়, এমন ডাহা মিথ্যা কথা বা উচকানিমূলক কথা বলার জন্য দেশের জজ-ব্যারিষ্টাররা কি ওই অশিক্ষিত লোকটির বিরুদ্ধে কোন আইনগত বিধি-ব্যবস্থা, মামলা-মোকাদ্দমা নিয়েছে বা করছে ? কারন মিডিয়ার প্রভাবের সাথে তাদের প্রভাব বাড়তে বাড়তে তো একদিন নিজেদেরকেই ওই প্রেত্ত্বারা খেয়ে ফেলবে,এটা কি সব বড় মাথা মোটা মানুষজন কানে ও মুখে কাপড়ের ডিবা দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে ? পাশাপাশি সরকারের ধর্ম-মন্ত্রনালয় যে কি ঘোড়ার ডিমের কাজ করছে কে জানে ? আইন আছে অথচ আইনের প্রয়োগ নেই।

        বড়ই আজব এক বিচিত্র দেশের মানুষ আমরা।কবে যে আমাদের সচেতনা হবে একমাত্র ভবিতব্য জানে।

        • সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 18, 2011 at 3:31 পূর্বাহ্ন - Reply

          @মাহবুব সাঈদ মামুন,

          মনকে বুঝ দেওয়া যায় যে গরীব ও অশিক্ষিত লোক নাহয় ওয়াজধারী আরেক অশিক্ষিত লোকের

          কেউ কোনো ব্যবস্থা নিবে না। কারণ সবারই ইমানুনুভূতি রয়েছে। লোকটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে এই কথাগুলো বলার সাহস পেলো কোথা থেকে? আর কী মিথ্যাচার! ওর কথা শুনলে মনে হবে নজরুল শুধু ইসলামি গজল রচনা করেছেন। অথচ “মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী, দেব খোঁপায় তারার ফুল” কে রচনা করেছে? নজরুল অনেকবার রবীন্দ্রনাথকে পূজো করার কথাও বলেছেন, রচনা করেছেন নাফরমানী শ্যামা সংগীত, হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করে দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক। আর জনৈক রাজনীতিবিদের সাথে দেখা হওয়ার যে কাহিনী হুজুর বললেন ওটা মিথ্যা হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯% ।

          আমার এক পুরনো বন্ধু ইমানে হিট খেয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে যা আমি থোড়াই কেয়ার করি। কিন্তু দুঃখ লাগে কারণ সে কিন্তু ‘অশিক্ষিত’ না।

          • মাহবুব সাঈদ মামুন নভেম্বর 18, 2011 at 3:51 পূর্বাহ্ন - Reply

            @সৈকত চৌধুরী,

            লোকটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে এই কথাগুলো বলার সাহস পেলো কোথা থেকে?

            কিন্তু কথা হচ্ছে দেশে এতো লক্ষ লক্ষ,কোটি কোটি রবি ঠাকুরের ভক্ত ওয়ালারা কই গেল ?? তারা কি এটা নিয়ে প্রতিবাদ ,মিছিল টিছিলসহ রাস্থায় নেমেছে? অথবা এমন কুটুক্তি করার কারনে কোন মামলা মোকদ্দমা করেছে? অথবা তথাকথিত সুশীল সমাজ রবি ঠাকুর ও নজরুল নিয়ে যে এরা কাফের আর নবী উপাধি দিতেছে এ নিয়ে কি টিভি,পত্র-পত্রিকায় গোলটেবিলে,সভা-সমিতিতে আলাপ- আলোচনার আয়োজন করছে? :-X :-X :-Y :-Y

      • মাহবুব সাঈদ মামুন নভেম্বর 18, 2011 at 5:10 পূর্বাহ্ন - Reply

        @সৈকত চৌধুরী,

        নোবেল পুরষ্কার যারা পায় এরা হল ইসলামের দুষমন।

        কোনো নাস্তিকের জন্য বাংলার জমিন আমরা ছেড়ে দেব না।

        এটা নজরুলের জমিন, রবীন্দ্রনাথের নয়।

        আমরা কোনো কাফেরের সাথে সম্পর্ক রাখব না।

        তবে ওই শকুনের দল জানে যে কোনো হায়েনার দলই এই সবুজ-লাল পতাকার রং কষ্মিনকালেও কেড়ে নিতে পারবে না,যা বাঙালীরা বার বার বুকের তাজা রক্ত দিয়ে প্রমান করেছে।তাই ভয় নাই আমাদের।
        এইবার একটি গান শোনা যাক।httpv://www.youtube.com/watch?v=TSkE1AzYmu0&feature=related

        • ভবঘুরে নভেম্বর 18, 2011 at 2:50 অপরাহ্ন - Reply

          @মাহবুব সাঈদ মামুন,

          তবে ওই শকুনের দল জানে যে কোনো হায়েনার দলই এই সবুজ-লাল পতাকার রং কষ্মিনকালেও কেড়ে নিতে পারবে না,যা বাঙালীরা বার বার বুকের তাজা রক্ত দিয়ে প্রমান করেছে।

          এত নিশ্চিত হবেন না। এই বাঙালীরাই কিন্তু এখন রাজাকার ও জামাতীদের নিয়ে নাচানাচি করে। এই বাঙালীরাই কিন্তু এদেশে এসব জামাতী ও রাজাকারদেরকে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য এসব বানিয়েছে। সুতরাং বাঙালদেরকে নিয়ে এত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

          • মাহবুব সাঈদ মামুন নভেম্বর 18, 2011 at 5:18 অপরাহ্ন - Reply

            @ভবঘুরে,

            এত নিশ্চিত হবেন না। এই বাঙালীরাই কিন্তু এখন রাজাকার ও জামাতীদের নিয়ে নাচানাচি করে। এই বাঙালীরাই কিন্তু এদেশে এসব জামাতী ও রাজাকারদেরকে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্য এসব বানিয়েছে। সুতরাং বাঙালদেরকে নিয়ে এত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

            নিশ্চিত নই , তবে আশাবাদী।সাধারন মানুষের আমি দোষ কম দেই,কারন তারা তো হলো রাজনীতিবিদদের দাবার গুটি,রাজনীতিবিদরা দাবার গুটি যেভাবে চালেন সেইভাবেই তারা চলে ।বাংলাদেশের শতকরাহারে বেশীর ভাগ মানুষই গরীব।পেটে যখন ভাত থাকে না তখন যে-ই যেটা দেয় তা গিলে খায়,কোন কিছুর বাছ=বিছার করার ক্ষমতা থাকে না।আর গত ৪০ বছরে আমরা তো প্রায় পুরাটা সময়ই সামরিক শাসনের যাতাকলে পিষ্ট ছিলাম,যাদের কাজইতো হলো দেশের মানুষ কে ডান্ডা মারা আর জোর করে ধর্মের বড়ি খাওয়ানো।

            আরও সত্যি হলো আসলে আমরা যাদের বিরুদ্ধে ৭১ সালে যুদ্ধ করেছিলাম প্রকৃতপক্ষে তারাই কন্ট্রা বিদ্রোহ করে ক্ষমতা নিয়ে প্রায় ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিল।সেই ক্ষমতার কাজই তো ছিল বাংলাদেশকে পাকি,আফগান বা সৌদির আদলে দেশ বানানো অর্থাৎ মানুষকে সে-ই মন-মানসিকতায় আছন্ন করে ফেলা।যেটা তারা করতে সক্ষম হয়েছে।সেখান থেকে বের হয়ে আসা কি এত সোজা? না,সোজা নয়। যারজন্য আমাদের কে আমার মনে হয় আবারো ৭১ এর মতো অন্য আংগিকে আরেকটি যুদ্ধ করতেই হবে,কারন জনগনতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতিপক্ষ শক্তি যে আজ অসুরের মতো এক দানব শক্তিতে পরিনত হয়ে আছে।

            সবশেষে বাংলাদেশ আজ এক ক্রান্তিলগ্নে বাস করছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ আর বিপক্ষ শক্তি।আমার উপরের ভিডিও টিতে জামাতে ইসলামীর সদস্যরা কিভাবে রাষ্ট্রের সর্বত্র জালের মত বিরাজ করে আছে তা আমাদের চোখে আঙল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।যারা একটি মিশন নিয়ে গত ৪০ বছর ২ সামরিক শক্তির পা ছেটে , কোলে বসে আজ এক ফ্রাঙ্কেনসাইন শক্তি হয়ে ১৬ কোটি জনগনের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে আছে,একথা আমাদের ভূলে গেলে চলবে না।

            সবশেষে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ দিতেই হয় আপনারা যারা ইসলাম ধর্মের এমন বিভৎস অসরতাগুলি আন্তর্জালিক পাবলিক ফোরামে উম্মোচন করে দিতেছেন তা বাংলাদেশের জন্য এক মেইলফলক কাজই মনে হয়।আমার তো মনে হয় আপনাদের এমন লেখা থেকে অনেক শিক্ষিত জামাত ইসলামী করা ছেলে-মেয়েরা তাদের ভূল চিন্তা বুঝে তারা সেখান থেকে বের হয়ে এসেছে।যেমন, আমি এমন একজনকে চিনি-জানি যে এক্সট্রিম শিবিরের নেতা ছিল,এখন সে তার ভূল বুঝে মানবিকতার জন্য প্রচুর কাজ করছে।

            জয় হউক মানবতার ও মানুষের সাংস্কৃতিক মুক্তির।

  6. ভবঘুরে নভেম্বর 17, 2011 at 4:21 অপরাহ্ন - Reply

    মুক্তমনা এডমিনদের দৃষ্টি আকর্ষণ,

    যখন কোন নিবন্ধ পোষ্ট করতে যাই তখন একটা সমস্যায় প্রায়ই পড়তে হয়। তা হলো কপি পেষ্ট করার পর তা অটো সেভ হয়। অটো সেভ হয়ে কতটা সেভ হলো তা বোঝা যায় না। এর পর প্রকাশ বাটন চাপার পর দেখা যায় সম্পূর্ন লেখা পোষ্ট হয়নি। শুধু তাই নয়, পূনরায় সেভ করে যে পোষ্ট করব তখন দেখা যায় যেটুকু প্রকাশিত হয়নি তা বডি থেকে মুছে গেছে। ফলে সব কিছু নতুন করে করতে হয় এবং তখনও মাঝে মাঝে একই সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় মূল পান্ডুলিপিতে না লিখে কিছু গুরুত্বপূর্ন কথা সাথে সাথে বডিতে লেখা হয় নিবন্ধটিকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য, দেখা যায় সেটাও মুছে যায়। যেমন এ নিবন্ধের ক্ষেত্রে সেরকম ঘটেছিল।এর আগেও বহুবার এ সমস্যায় পড়েছি। এরপরও যে অতিরিক্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ যা লিখেছিলাম তা প্রকাশিত হয় নি কারন তা মুছে গেছিল। বার বার চেষ্টা করার পরেও পুরো বিষয়টিকে প্রকাশ করতে পারিনি। পরে কোন মতে আগের যা লেখা ছিল সেটাই পোষ্ট করে দিয়েছি, বহুবার চেষ্টার ফলে, যাতে বেশ কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি আছে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    এখন এমন কোন কায়দা কি করা যায় যে , কপি পেষ্ট করার পর প্রকাশ বাটন চাপলে এর পর সেভ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে পুরো সেভ হয়ে পরে প্রকাশিত হবে, অনেকটা জিমেইলে এটাচমেন্টের ক্ষেত্রে যেমন হয় ? তাহলে হয়ত যে সমস্যায় বার বার পড়ছি তা থেকে নিষ্কৃতি পেতে পারি, একই সাথে প্রকাশিত নিবন্ধ হয়ে উঠবে আরও বেশী আকর্ষণীয়।

    • ফরিদ আহমেদ নভেম্বর 17, 2011 at 7:23 অপরাহ্ন - Reply

      কপি পেস্ট করার পরে সেভ ড্রাফট এ ক্লিক করে নিয়েন। এতে করে পুরোটাই সেভ হয়ে থাকবে। তারপর প্রকাশ বোতামে চাপ দিন।

  7. নিটোল নভেম্বর 17, 2011 at 2:32 অপরাহ্ন - Reply

    আপনার লেখা দিন দিন নিখুঁত হয়ে উঠছে। শুভকামনা রইল। (Y)

    • ভবঘুরে নভেম্বর 17, 2011 at 4:07 অপরাহ্ন - Reply

      @নিটোল,

      আপনার লেখা দিন দিন নিখুঁত হয়ে উঠছে।

      কি জানি! তবে আগের চাইতে লেখাতে মনযোগ বেশী দেই কারণ এটা এমনই এক ধরণের লেখা যেখানে সামান্যতম ভূল বা বিচ্যুতি গোটা লেখাটার গ্রহণযোগ্যতা শূণ্যে নামিয়ে দেয়। তাছাড়া আগের আগ্রাসী ভাবটা বাদ দিয়ে প্রকৃত তথ্য দিয়ে লেখা সাজাতে চেষ্টা করি যাতে তা বিদগ্ধ জনের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়। সমাজ, জাতি আর দেশের প্রতি দরদের কারণে লেখালেখি করি, অর্থ বা খ্যাতির মোহে নয়।

      ধণ্যবাদ আপনাকে।

      • আকাশ মালিক নভেম্বর 17, 2011 at 7:36 অপরাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,

        আগের আগ্রাসী ভাবটা বাদ দিয়ে প্রকৃত তথ্য দিয়ে লেখা সাজাতে চেষ্টা করি যাতে তা বিদগ্ধ জনের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য হয়।

        কথাটা বেশ ভাল লাগলো।

        আগের চাইতে লেখাতে মনযোগ বেশী দেই কারণ এটা এমনই এক ধরণের লেখা যেখানে সামান্যতম ভূল বা বিচ্যুতি গোটা লেখাটার গ্রহণযোগ্যতা শূণ্যে নামিয়ে দেয়।

        ত ঠিক, কিন্তু বানান এর প্রতি এখনও তেমন মনযোগ দিচ্ছেন না কেন? বানানও কিন্তু লেখার গ্রহণযোগ্যতায় ভাল প্রভাব ফেলে। আগে ধণ্যবাদ (ধন্যবাদ) বানানটা ঠিক করেন তো।

        একটা কথা এনেক আগেই বলার ইচ্ছে ছিল, পাছে আপনি মাইন্ড করেন ভেবে আর বলিনি। ভুলেও কোনদিন সদালাপে যাবেন না, তাদের কোন মন্তব্য বা উক্তি নিয়ে, এখানে আলোচনা না করা আপনার ও আমাদের মুক্তমনার পাঠকদের জন্যে উত্তম।

        লেখা পোষ্টের ব্যাপারে সঠিক পন্থা এডমিন হয়তো ভাল বলতে পারেন, আমি বলি অটো সেইভের উপরে নির্ভর না করে, যখনই কিছু পরিবর্তন বা সংযোজন করবেন, সাথে সাথে তা নিজেই সেইভ করে নিন। প্রিভিউ দেখার আগে একবার অবশ্যই আবার সেইভ করবেন। অনেক সময় নেট-স্পিড বা টেকনিকেল কারণে সেইভ হতে সময় লাগে। প্রকাশ করার আগে সেইভ এবং প্রিভিউ এই নিয়মটা মানলে কোন সমস্যা হবার কথা না।

  8. আসিফ নভেম্বর 17, 2011 at 4:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভাই, বিশেষ প্রয়োজন। আপনার কোন এক লেখায় একটা হাদিস দিয়েছিলেন আর বলেছিলেন তখন আপনার কাছে reference number টা ছিলোনা কিন্তু প্রয়োজনে দেওয়া যাবে। আমার এখন ভিষন প্রয়োজন। ঐটা অত্যান্ত শক্তিশালী হাদিস ছিলো। হাদসটি এরকম:-

    একবার কোন এক যুদ্ধে সাহাবীরা বিজিত নারীদের সাথে সঙ্গম করে। এবং এই সাহাবীদের কেউ কেউ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়- এর ফলে যদি ধর্ষিতাদের গর্ভে মুসলমানের সন্তান এসে যায় তাহলে কি হবে? তাই তারা রজম করে (চূড়ান্ত মূহুর্তে বাইরে বীর্যপাত করা)। এ নিয়ে তারা মোহাম্মদের সাথে আলাপও করে।মোহাম্মদ কিন্তু একবারের জন্যও বলেনি, তোমরা বিবাহ-বহির্ভূত যৌনসঙ্গম করে ব্যভিচারের পাপ করেছ। মোহাম্মদ কি বলল জানেন? সে বলল তোমরা কেন রজম করতে গেলে? কারো যদি জন্ম হওয়ার থাকে তাহলে তা হবেই হবে। রজম করলেও, না করলেও।

    আমরা ততখানিই মানবিক, ততখানিই সভ্য যতখানি আমরা ইসলাম পালন করি না। ধন্যবাদ।

    Plz, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বলেন এটা কোন বইয়ে কত নং এ আছ।

    ধন্যবাদ।

    • কাজী রহমান নভেম্বর 17, 2011 at 9:00 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আসিফ,

      আপনার প্রশ্নের উত্তর ( সতর্কীকরন- অযূ ছাড়া পড়লে সওয়াব না হওয়ার সম্ভাবনা আছে)

      সহি বুখারিঃ ভলিউম 9, বুক নং-93, হাদিস নং-506:
      আবু সাইদ আল খুদরি থেকে বর্ণিতঃ
      বানু মুস্তালিক গোত্রের সাথে যুদ্ধকালে কিছু বন্দিনী তাদের (মুসলমানদের) দখলে আসে। তারা বন্দিনীদের সাথে এমনভাবে যৌনসম্পর্ক করতে চাইল যেন মেয়েগুলি গর্ভবতী না হয়ে পড়ে। সুতরাং বাইরে বীর্য্যপাতের বিষয়ে নবীর নিকট জানতে চাইল তারা। নবী বলেন- “এটা না করাই বরং তোমাদের জন্যে উত্তম। কারণ আল্লাহ যাকে সৃষ্টি করবেন তা লেখা হয়ে আছে, পুনরুত্থানের দিন পর্য্যন্ত “। ক্কাজা বলেন- “আমি আবু সাইদকে বলতে শুনেছি যে নবী বলেছেন -‘আল্লাহর আদেশে আত্মার সৃষ্টি, আল্লাহর আদেশ ছাড়া কোন আত্মার সৃষ্টি হয় না”।

      Volume 9, Book 93, Number 506:

      Narrated Abu Said Al-Khudri:

      That during the battle with Bani Al-Mustaliq they (Muslims) captured some females and intended to have sexual relation with them without impregnating them. So they asked the Prophet about coitus interrupt us. The Prophet said, “It is better that you should not do it, for Allah has written whom He is going to create till the Day of Resurrection.” Qaza’a said, “I heard Abu Sa’id saying that the Prophet said, ‘No soul is ordained to be created but Allah will create it.”

      • আসিফ নভেম্বর 17, 2011 at 9:51 অপরাহ্ন - Reply

        @কাজী রহমান,

        অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই। আমি প্রতিদিন ফেসবুকে শিক্ষনীয় হাদিস কোরআন :)) পোষ্ট করা শুরু হরেছি কয়েকদিন আগে থেকে। এইজন্যই মুলত রেফারেন্ছ দরকার ছিলো। আজকের পোষ্ট করা হয়ে গেছে (আমার প্রতি আক্রমনও শুরু হয়ে গেছে 🙂 ) এই মহান মিক্ষামুলক হাদিসটা আগামিকাল প্রকাশ করবো।

        ভাই, কি যে বলবো। এক্কেরে খবর হয়ে গেছে :lotpot: বন্ধুবান্ধব কিছু কইতেও পারেনা সইতেও পারেনা। কয়েকজন কয় খালি, বাদ দে বাদ দে এইসব, এই আরকি।

        আপনার সবগুলো লেখাই পড়ছি এক এক করে, কেননা আমি নতুন। আর বেশিরভাগগুলোই PDF eBook বানায়া রাখতেছি।

        ধন্যবাদ

        • আসিফ নভেম্বর 18, 2011 at 4:31 পূর্বাহ্ন - Reply

          এখন আমি এখানে আসিয়াছি সাহায্য চাইতে। আমি জানি আপনি সাহায্য করবেন। 🙂

          1. মোহাম্মাদ বিবাহ বহির্ভুত যৌন সঙ্গম করতেন (মারিয়া নামক দাসী)। সেই বিষয়ে কোরআন হাদিসের আয়াতগুলো লাগবে।

          2. যুদ্ধে বাপ স্বামি সবাই

          • আসিফ নভেম্বর 18, 2011 at 6:23 পূর্বাহ্ন - Reply

            একটা হাদিস পেলাম, শায়খুল হাদীস মওলানা মোঃ আজিযজুল হক অনুদিত সহীহ বোখারী শরীফঃ সপ্তম খন্ড, প্রথম অধ্যায়ের ১৮৪২, ১৮৪৪, ২৪২১।

        • ব্রাইট স্মাইল্ নভেম্বর 18, 2011 at 9:29 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আসিফ,

          আমি প্রতিদিন ফেসবুকে শিক্ষনীয় হাদিস কোরআন পোষ্ট করা শুরু হরেছি কয়েকদিন আগে থেকে।

          ফেসবুকে আপনার এই মহান প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাচ্ছি এবং সর্বান্তকরনে এর সাফল্য কামনা করছি। আশা করছি শত বাধা বিপত্তিতেও আপনি আপনার এই প্রচেষ্টাকে ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখবেন। (Y)

          • আসিফ নভেম্বর 18, 2011 at 11:20 পূর্বাহ্ন - Reply

            @ব্রাইট স্মাইল্, ধন্যবদি ভাই। কিন্তু তাতে আপনাদের সাহায্যও লাগবে প্রচুর। কেননা আমিতো আর কোরআন হাদিসের সব পড়ে পড়ে বের করতে পারবোনা এই ঐশী মহান বানীগুলি :-s

            • ব্রাইট স্মাইল্ নভেম্বর 18, 2011 at 6:27 অপরাহ্ন - Reply

              @আসিফ,

              কিন্তু তাতে আপনাদের সাহায্যও লাগবে প্রচুর।

              আমার দৃঢ় বিশ্বাস এই মুক্তমনায় সবাই আপনাকে এই ব্যাপারে তাঁদের সাধ্যমত সাহায্য করে যাবেন। 🙂

              • Triple A নভেম্বর 18, 2011 at 8:34 অপরাহ্ন - Reply

                @ব্রাইট স্মাইল্, অবশ্যই, আমারো সেই বিশ্বাষ। 🙂

        • ভবঘুরে নভেম্বর 18, 2011 at 2:53 অপরাহ্ন - Reply

          @আসিফ,

          আমি প্রতিদিন ফেসবুকে শিক্ষনীয় হাদিস কোরআন :)) পোষ্ট করা শুরু হরেছি কয়েকদিন আগে থেকে

          মহান দায়িত্ব হাতে নিয়েছেন ভাই। আপনার সাফল্য কামনা করি। তবে সাবধান থাকবেন, এখন যারা বন্ধু , এদেরই কেউ কেউ কয়দিন পর ছুরি চাকু নিয়ে আপনার ওপর ঝাপিয়ে পড়তে পারে। কারন নবী বলেছেন- সেই সাচ্চা মুসলমান যে নাকি তার পিতা-মাতা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তান এসবের চাইতেও মোহাম্মদকে বেশী ভালবাসে ও মান্য করে।

          • Triple A নভেম্বর 18, 2011 at 8:32 অপরাহ্ন - Reply

            @ভবঘুরে, কি কন ভাই ? ভয় খাওয়াইয়া দিলেনতো 🙁 । আপনারা কে কোথায় আছেন, তাড়াতাড়ি আমারে ফেবুতে এড মারেন। [email protected] আর হ্যা, এড করার সময় একটু মেসেজ দিয়েন যে আপনারা আমার মুক্তমনার বন্ধু, কেননা অনেক add request আসেতো, অপরিচিত কাউরে এড করিনা, বেশ কয়েকটা pending আছে।

            [ বিঃ দ্রঃ আমার নাম “আসিফ আল আজাদ”, আমি “Triple A” use করতে বেশি পছন্দ করি 🙂 , তাই এখন থেকে এখানেও এই নামে শুরু করলাম ]

            • Triple A নভেম্বর 18, 2011 at 8:38 অপরাহ্ন - Reply

              আমি কিন্তু ফেবুতে মেশিনগান নিয়ে নামছি :guli:
              [ এই লাইনে নতুনতো, তাই উৎসাহটা একটু বেশিই :)) ]

  9. আহমেদ সায়েম নভেম্বর 16, 2011 at 4:22 অপরাহ্ন - Reply

    @ভবঘুরে
    পেগানদের হাবল আর ইসলামের আল্লাহ একৃই(শুধু নতুন মোড়কে পুনঃ উপস্থাপন)ক্রিসেন্ট মুন ছিল হাবলের প্রতীক-যা অমরা বিশ্বব্যপী আজ প্রার্থনালয়গুলোতে গম্ভুজ মিনারে ব্যবহার হতে দেখি। মধ্য প্রাচ্যের পতাকাগুলোতে(চাঁদ তারা) এর ব্যবহার যদিও চোখে পরার মতো অব্যশ তার প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
    মুহাম্মহ ছিল মূলত একজন রির্ফমার(অবশ্যই জগাখিচুরী) খচ্চর টাইপের,যা অর্ধেক ঘোড়া অর্ধেক গাধার মতো।ঈশ্বর প্রদও কোনো পরুষ নয়। পেগানদের সব কিছুই সে কিছুটা নতুন মোড়কে প্রকাশ করেছেন।আপনার লেখাটা ভালো হয়েছে।
    ভালো থাকুন।

  10. কাজী রহমান নভেম্বর 16, 2011 at 12:24 অপরাহ্ন - Reply

    ওহ আর একটা কথা, কোরানের দূর্বলতাগুলি হাদিস দিয়ে সবল করতে গিয়েই মনে হয় আরো একটা মহা গ্যাঞ্জাম লেগে যায়। মহাম্মদের মৃত্যুর প্রায় ১৯ বছর পর কোরান, আর ২০০ বছর পর হাদিস ( আজকে যা সহি বুখারী) লেখা ঘাপলাবাজীর চুড়ান্ত নমুনা।

  11. গোলাপ নভেম্বর 16, 2011 at 11:33 পূর্বাহ্ন - Reply

    ইসলামিক সব রকম কিতাবে মোহাম্মদকে বর্ণনা করা হয় একজন মহামানব হিসাবে যার চরিত্রে কোন রকম দোষ ত্রুটি নেই, নেই কোন কলুষতা।

    কেন করেন? কারন, আল্লাহ এবং মুহাম্মাদকে বিশ্বাস করলে এ ছাড়া যে আর কোন গত্যন্তর নেই। মুহাম্মাদের “আল্লাহ” কুরানে ঘোষনা দিয়েছেন,

    21:107 –আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।
    33:46- এবং আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর দিকে আহবায়করূপে এবং উজ্জ্বল প্রদীপরূপে
    33:56- আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর প্রতি রহমত প্রেরণ করেন।
    34:28 –আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি
    68:4 – আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী

    সমাজে কোন ব্যক্তি যদি বার বার প্রতিজ্ঞা করে তা ভঙ্গ করে তাকে লোকজন আর বিশ্বাস করে না বা তাকে লোকজন ঠক বা প্রতারক বলেই গণ্য করে।

    মুসল্মানরা মুহাম্মাদকে আলামীন সহ যাবতীয় মহৎগুনের অধিকারী বলে বিশ্বাস করতেই হবে। মুসল্মানের সংগ্যা অনুযায়ী তা বাধ্যতামুলক, আল্লাহ নিজেও তা করেন। কিন্তু মক্কাবাসীরা মুহাম্মাদকে কিরুপে মূল্যায়ন করতো? দেখা যাক কুরান কি বলে,

    22 :42- -তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে কওমে নূহ, আদ, সামুদ,
    23:70 –না তারা বলে যে, তিনি পাগল ? বরং তিনি তাদের কাছে সত্য নিয়ে আগমন করেছেন এবং তাদের অধিকাংশ সত্যকে অপছন্দ করে।
    25:4 -কাফেররা বলে, এটা মিথ্যা বৈ নয়, যা তিনি উদ্ভাবন করেছেন এবং অন্য লোকেরা তাঁকে সাহায্য করেছে।
    25:8 –জালেমরা বলে, তোমরা তো একজন জাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।
    29:18 -তোমরা যদি মিথ্যাবাদী বল, তবে তোমাদের পূর্ববর্তীরাও তো মিথ্যাবাদী বলেছে। স্পষ্টভাবে পয়গাম পৌছে দেয়াই তো রসূলের দায়িত্ব।
    34:8 – সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে, না হয় সে উম্মাদ
    35:4- তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে আপনার পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণকেও তো মিথ্যাবাদী বলা
    37:36 – বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।
    38: 4- আর কাফেররা বলে এ-তো এক মিথ্যাচারী যাদুকর।

    10:2 – the disbelievers say: ”This is indeed an evident sorcerer
    10:38- Or do they say: ”He (Muhammad SAW) has forged it ?
    11:13- Or they say, ”He (Prophet Muhammad SAW) forged it (the Qur’an)
    11: 35 – Or they (the pagans of Makkah) say: ”He (Muhammad SAW) has fabricated it (the Qur’ân
    15:6 – And they say: ”O you to whom the Dhikr (the Qur’ân) has been sent down! Verily, you are a mad man
    16:101- And when We change a Verse [of the Qur’ân, i.e. cancel (abrogate) its order] in place of another —-they say: ”You are but a Muftari! (forger, liar).

    ** 16:103 – they say”It is only a human being who teaches him (Muhammad SAW).”
    44:14- Mad man, taught by another man
    52:29- Sooth sayer, madman
    52:30- poet
    52:33 – forged Quran
    68:2, 68:51, 81:22 – Madman

    সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কখনো কসম কাটার দরকার পড়ে না।কারন তার উর্ধ্বতন কেউ নেই যার নামে কসম কাটা যায়।অধ:স্তনরাই তার উর্ধ্বতনের নামে কসম কাটে।
    ——
    সুতরাং এ ধরনের কসম কাটার ঘটনা দৃষ্টে এটাই প্রতীয়মান হয় যে মোহাম্মদই মূলত: আল্লাহর বানীর নামে আরব পৌত্তলিক দেব দেবীর নামে কসম কাটছেন।

    কুরান পড়ার আগে ‘কসম’ কতভাবে খাওয়া যায় সে ব্যাপারে বিশেষ ধারনা ছিল না। মানুষদের দলে ভিড়ানোর জন্য মুহাম্মাদের “আল্লাহর” চেয়ে বেশী আর কেউ এত কসম কেটেছে /কাটতে পারবে বলে মনে হয় নাঃ

    50:1-সম্মানিত কোরআনের শপথ;
    51:1- 4: 1) কসম ঝঞ্ঝাবায়ুর। (2 অতঃপর বোঝা বহনকারী মেঘের। (3 অতঃপর মৃদু চলমান জলযানের, (4 অতঃপর কর্ম বন্টনকারী ফেরেশতাগণের,
    51:7- পথবিশিষ্ট আকাশের কসম,
    51:23 -নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের পালনকর্তার কসম, তোমাদের কথাবার্তার মতই এটা সত্য।

    52: 1-6-
    1) কসম তূরপর্বতের,
    (2 এবং লিখিত কিতাবের,
    (3 প্রশস্ত পত্রে,
    (4 কসম বায়তুল-মামুর তথা আবাদ গৃহের,
    (5 এবং সমুন্নত ছাদের,
    (6 এবং উত্তাল সমুদ্রের,

    53:1-নক্ষত্রের কসম, যখন অস্তমিত হয়।
    56:75 -আমি তারকারাজির অস্তাচলের শপথ করছি,
    68:1– শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,
    70:40-আমি শপথ করছি উদয়াচল ও অস্তাচলসমূহের পালনকর্তার,
    ***(আল্লাহ নিজের নামেই কসম খাচ্ছে।)

    74:33- 34-শপথ রাত্রির যখন তার অবসান হয়, শপথ প্রভাতকালের যখন তা আলোকোদ্ভাসিত হয়,
    84:16-18 -আমি শপথ করি সন্ধ্যাকালীন লাল আভার
    (17 এবং রাত্রির, এবং তাতে যার সমাবেশ ঘটে
    (18 এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে,
    85:1-3
    শপথ গ্রহ-নক্ষত্র শোভিত আকাশের,
    (2 এবং প্রতিশ্রুত দিবসের,
    (3 এবং সেই দিবসের, যে উপস্থিত হয় ও যাতে উপস্থিত হয়

    86:1 -শপথ আকাশের এবং রাত্রিতে আগমনকারীর।
    86:11-12- শপথ চক্রশীল আকাশের,এবং বিদারনশীল পৃথিবীর
    89:1-4 –শপথ ফজরের, (2 শপথ দশ রাত্রির, শপথ তার, (3 যা জোড় ও যা বিজোড়
    (4 এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে
    90:1-আমি এই নগরীর শপথ করি
    90:3 – শপথ জনকের ও যা জন্ম দেয়।
    92:1-3-শপথ রাত্রির, যখন সে আচ্ছন্ন করে, (2 শপথ দিনের, যখন সে আলোকিত হয়
    (3 এবং তাঁর, যিনি নর ও নারী সৃষ্টি করেছেন,
    93:1-2 -শপথ পূর্বাহ্নের, (2 শপথ রাত্রির যখন তা গভীর হয়,
    95:1-3 -শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের, (2 এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের, (3 এবং এই নিরাপদ নগরীর।

    100:1-5 -শপথ উর্ধ্বশ্বাসে চলমান অশ্বসমূহের, (2 অতঃপর ক্ষুরাঘাতে অগ্নিবিচ্ছুরক অশ্বসমূহের, (3 অতঃপর প্রভাতকালে আক্রমণকারী অশ্বসমূহের (4 ও যারা সে সময়ে ধুলি উৎক্ষিপ্ত করে (5 অতঃপর যারা শক্রদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে-
    103:1-কসম যুগের (সময়ের),

    তারা কখনই মোহাম্মদ সম্পর্কে এমন কোন তথ্য তাদের রচণাতে লিপিবদ্ধ করবেন না যাতে মোহাম্মদের চরিত্র সম্পর্কে সামান্যতম দ্বন্দ্ব বা সন্দেহ সৃষ্টি হয় আর এখানে এ বিষয়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন। কোন শিষ্য কখনো তার গুরুর চরিত্রে কোন দোষ খুজে পায় না।

    শুধু বিশিষ্ট মুসলমানই নয়, কোন সাধারন মুসলমান ও মোহাম্মদের চরিত্র সম্পর্কে সামান্যতম “কটুক্তি” করতে পারবে না, কল্পনাতেও নয়। ঈমান আনার পর “শুধুই তাদের প্রশংসা” করতে পারবে।আল্লাহ (মুহাম্মাদ) তাদের সমালোচনার কোন পথই খোলা রাখে নাইঃ

    24:54 –আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রসূলের আনুগত্য কর। অতঃপর যদি তোমরা মুখ ফিরিয়ে নাও, তবে তার উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে সে দায়ী এবং তোমাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্বের জন্যে তোমরা দায়ী।
    24:56 — রসূলের আনুগত্য কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
    24:63 — যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা এ বিষয়ে সতর্ক হোক যে, বিপর্যয় তাদেরকে স্পর্শ করবে অথবা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করবে।
    33:36 -আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোন কাজের আদেশ করলে কোন ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারীর সে বিষয়ে ভিন্ন ক্ষমতা নেই যে, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট তায় পতিত হয়।
    33:57- যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি ইহকালে ও পরকালে অভিসম্পাত করেন
    33:71 – যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহা সাফল্য অর্জন করবে।

    এরকম অরো অনেক আয়াত আছে।

    এ ধরণের একজন হত দরিদ্র, শৌর্য-বীর্যবিহীন, স্ত্রীর ওপর নির্ভরশীল মানুষকে অহংকারী, দাম্ভিক ও শৌর্যবীর্যের পুজারী কুরাইশরা তাদের ধর্মিয় বা রাজনৈতিক নেতা- কোনভাবেই মেনে নিতে রাজী ছিল না।

    উক্ত কারন ছাড়াও মুহাম্মাদকে কুরাইশরা পছন্দ না করার আরেক প্রধান কারন এই যে মুহাম্মাদ ‘কুরাইশদের দেব-দেবী এবং পুর্ব পুরুষদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতো।সীরাতের মত কুরানেও এর উল্লেখ আছেঃ

    34:43 -যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন তারা বলে, তোমাদের বাপ-দাদারা যার এবাদত করত এ লোকটি যে তা থেকে তোমাদেরকে বাধা দিতে চায়। তারা আরও বলে, এটা মনগড়া মিথ্যা বৈ নয়।

    লেখক যতার্থই লিখেছেন, “নিশ্চয়ই তাদের নিজেদের আল্লাহ যাকে তারা প্রধান দেবতা মনে করত, ইসলামের আল্লাহ কে নয়।”

    34:7- 8
    কাফেররা বলে, আমরা কি তোমাদেরকে এমন ব্যক্তির সন্ধান দেব, যে তোমাদেরকে খবর দেয় যে; তোমরা সম্পুর্ণ ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও তোমরা নতুন সৃজিত হবে। (8 সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে, না হয় সে উম্মাদ —

    ভবঘুরে,
    আপনার এ লিখাটিও অসাধারন। (F) (W)

    • কাজী রহমান নভেম্বর 16, 2011 at 12:16 অপরাহ্ন - Reply

      @গোলাপ,
      একসাথে খুব ভালো রেফারেন্স দিয়েছেন। থ্যাঙ্ক ইউ।

      চালু তফসিরকারীরা কিন্তু সময় সুযোগ বুঝে বলতে পারে যে ঐ সব কসম তো জিব্রাইল ফেরেশতা খেয়েছে, কসম অংশটা জিব্রাইলের/ফেরেশতার আর বাকি অংশটা আল্লার, ইত্যাদি ইত্যাদি। তারপরও কিন্তু হিসাব মেলে না। অন্যদিকে এক সূরা এক বারে নাযিল হয়েছে এমনটাও মোহাম্মদ কিংবা সাহাবীরা বলেনি। এক একটা আয়াত এক এক সময়ে এসেছে। নানান প্যাদানি, নানান আয়াত। সবগুলো একসাথে করে একটা সূরা। সূরাকারে কোরানে তা লেখাও হয়েছে মহাম্মদের মৃত্যুর প্রায় ১৯ বছর পর। এখানটাতেই মনে হয় মজার শুরু। পংখানুপঙ্খু এডিট না করেই ঐ মাল কোরান হিসাবে অপরিবর্তনীয় বলে বাজারে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পরে অনুবাদ অবশ্য ইচ্ছামত করা হয়েছে। কিন্তু তাতে কি আর আসল ভ্যাজাল মেটে?

      ভবঘুরেঃ শাব্বাশ। চালায়া যান। টু থাম্বস আপ

      • গোলাপ নভেম্বর 18, 2011 at 10:29 পূর্বাহ্ন - Reply

        @কাজী রহমান,
        আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। আমি আপনার কবিতার ভক্ত। আপনার সব লিখাই পড়েছি, খুব ভাল লেগেছে।

        চালু তফসিরকারীরা কিন্তু সময় সুযোগ বুঝে বলতে পারে যে ঐ সব কসম তো জিব্রাইল ফেরেশতা খেয়েছে, কসম অংশটা জিব্রাইলের/ফেরেশতার আর বাকি অংশটা আল্লার, ইত্যাদি ইত্যাদি।

        আপনি একদম ঠিক বলেছেন। ‘আল্লাহ-মুহাম্মাদ’ অভ্রান্ত এটা প্রমান করতে তফসিরকারীদের যুক্তির কোন অভাব হয় না। এবং এটাও সত্য যে সে যুক্তিগুলো যতই “উদ্ভট” হোক না কেন বিশ্বাসীরা তাকেই অকাট্য জ্ঞান করবে। এর কারন কি?

        ইসলাম হলো মূলতঃ “ক্রীতদাসের” ধর্ম, যেখানে ‘আল্লাহ (আসলে মুহাম্মাদ)’ হলো মালিক আর বিশ্বাসীরা হলো দাস। পৃথিবীর সমস্ত ইসলাম বিশ্বাসীই ‘আবদু-আল্লাহ (মুহাম্মাদে দাস)’। দাসের একান্ত কর্তব্য হলো (mandatory) সে মালিককে তার কল্প-কর্ম-মন জগতের ‘সর্বোচ্চ আসনে” স্থান দেবে।এর অন্যথা দন্ডনীয় অপরাধ। ইসলাম ১০০% সমগ্রতাবাদী (Totalitarian) মতবাদ। ইসলামী পরিভাষায় যার নাম আল-ওয়ালা-আল বারা’ (Al wala wal bara–Love and hate for the sake of Allah/Muhammad)। ইসলামী ‘একনায়কত্ববাদের (dictatorial) এই পক্ষাঘাতে তার দাসরা (ইসলাম অনুসারীরা) সম্পূর্ন পংগু (paralyzed)। আল্লাহ/মুহাম্মদের বিষয়ে বিরুপ ‘চিন্তা বা ধারনা’ করার ক্ষমতা বিশ্বাসী মগজে অসম্ভব। তাই ইসলাম বিশ্বাসী তফসিরকারীরা সম্পুর্ন অসহায়।

        ৭ম শতাব্দীর এক আরাব বেদুইন নিরক্ষর মুহাম্মাদ উদ্দেশ্যমুলক বা মতিবিভ্রমের (Delusion) বশবর্তী হয়ে বলতেই পারে, “আল্লাহ (বিশ্ব-ব্রন্মান্ডের সৃষ্টি-কর্তা) ও তাঁর ফেরেশতাগণ তার প্রতি রহমত প্রেরণ করেন।বা আল্লাহ ‘কসম কাটেন, মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন, আরশ থেকে ফেরেস্তা পাঠায়ে তাকে ও তার নবীকে ‘আস্বীকার কারীকে’ খুন করেন।” সে যুগে তার প্রত্যক্ষ অনুসারীরা তা মনে-প্রানে বিশ্বাস ও করতে পারে। এতে আশ্চর্য্য হবার তেমন কোন কারন নাই। একই ভাবে আজকের দিনেও কোন অশিক্ষিত বা অল্পশিক্ষিত সাধারন মানুষ, যার ‘বিশ্ব-ব্রন্মান্ডের’ বিশলতার বিষয়ে কোন জ্ঞান রাখেন না তারাও ত বিশ্বাস করলে তা দুঃখজনক হলেও অবাক হওয়ার কোন কারন থাকে না। কিন্তু যে সমস্ত তথা-কথিত ইসলামী “পণ্ডিত /তফসিরকার /মুসলিম রা’ ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘এর সপক্ষে’ কু-যুক্তি খাড়া করে তখন অবাক না হয়ে উপায় থাকে না। প্রমান হয়, বিশ্বাস মানুষের স্বাভাবিক বিচার বিশ্লেষন শক্তিতে ধ্বংশ করে। দুটি ভিডিও দেখা যাকঃ

        How Large is the Universe? -20 minutes

        httpv://www.youtube.com/watch?v=CEQouX5U0fc&feature=sh_e_se&list=SL
        http://www.youtube.com/watch?v=CEQouX5U0fc&feature=sh_e_se&list=SL

        Consider again the Pale Blue dot (Earth): -10 minutes

        httpv://www.youtube.com/watch?v=p_naQhynOg0&feature=related
        http://www.youtube.com/watch?v=p_naQhynOg0&feature=related

        • কাজী রহমান নভেম্বর 19, 2011 at 1:15 অপরাহ্ন - Reply

          @গোলাপ,
          দারুণ ভিডিও দুটো আর সবাইকে দেখবার আমন্ত্রন জানাচ্ছি।

    • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 1:03 অপরাহ্ন - Reply

      @গোলাপ,

      মানুষদের দলে ভিড়ানোর জন্য মুহাম্মাদের “আল্লাহর” চেয়ে বেশী আর কেউ এত কসম কেটেছে /কাটতে পারবে বলে মনে হয় নাঃ

      কসম কাটার ব্যপারে মোহাম্মদ ও তার আল্লাহ দুজনই আমাদের জানা সব টাউট বাটপাড় ধান্ধাবাজ ও মিথ্যাবাদীকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। আপনার কোরান থেকে অসংখ্য উদ্ধৃতি সেটাই প্রমান করে। আমার ধারণা কোন মুমিন বান্দা সম্ভবত এটা এখনও জানে না। জানলে তাদের ব্যাখ্যা কি হবে সেটা জানতে দারুন কৌতুহল হচ্ছে।

  12. হেলাল নভেম্বর 16, 2011 at 3:22 পূর্বাহ্ন - Reply

    @ আকাশ মালিক এবং মুরশেদ,

    “মুহাম্মদ আমাদের মত একজন নাস্তিক ছিল”
    বলতে আমি বুঝাতে চেয়েছিলাম সেও আমাদের মত প্রচলিত ধর্মের প্রতি অবিশ্বাস ছিল। তবে নাস্তিক হলেও কেউ ভাল মানুষ হতে পারে আবার কুখ্যাতও হতে পারে। সে কুখ্যাত ছিল।
    কিন্তু তারপরও আমার কথাটা যে ভুল ছিল তা আগে চিন্তুা করিনি। আপনাদের গুতা খেয়ে মনে হল- আমাকে কেউ মুহাম্মদের সাথে তুলনা দিলে নদীতে কলসি নিয়া ঝাপ দেয়ার জন্য দৌড় দিতাম।
    আপনাদেরকে :thanks:

  13. লুব্ধক নভেম্বর 15, 2011 at 11:48 অপরাহ্ন - Reply

    অসাধারণ বিশ্লেষণ। তবে আমার আরও কিছু জানার আছে:

    “অধ:স্তনরাই তার উর্ধ্বতনের নামে কসম কাটে। যেমন সন্তানরা তার মা বাবার নামে কসম কাটে, মা বাবা কসম কাটে আল্লাহর নামে।”

    মা বাবাও কি সন্তানের নামে কসম/ দিব্বি কাটে না?

    “এখানে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে-কুরাইশরা কাকে সন্তুষ্ট করতে রোজা রাখত? নিশ্চয়ই তাদের নিজেদের আল্লাহ যাকে তারা প্রধান দেবতা মনে করত, ইসলামের আল্লাহ কে। মোহাম্মদ ইসলাম পূর্ব যুগে ঠিক একই রকম ভাবে এ রোজা রাখতেন ও বলা বাহুল্য তিনি সেটা করতেন কুরাইশদের আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য।কারন এ রোজা উপলক্ষ্যে তিনি কুরইশদের দেব দেবীর মূর্তি ভর্তি কাবা ঘরে গিয়েই তার মুনাজাত করতেন।”

    কুরাইশদের প্রধান দেবতাকেই যে মুহাম্মদ আল্লাহ মনে করত, দয়া করে এটার আরও একটু স্পস্ট ব্যাখ্যা বা লিংক দিন।

    • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 16, 2011 at 4:43 পূর্বাহ্ন - Reply

      @লুব্ধক,

      মা বাবাও কি সন্তানের নামে কসম/ দিব্বি কাটে না?

      খুব সুন্দর প্রশ্ন। লেখক কি উত্তর দিবেন তা আমি জানিনা।
      তবে আমার ব্যক্তিগত মতে, কোন রাজা,বাদশাহ,শাসক,বিচারক কখনই তার ভৃত্য ,অধিনস্ত, বা কর্মচারির কাছে উর্দস্তন বা অধস্তন কারো নামেই কছম দিয়ে কোন বিষয়ের গুরুত্ব বাড়াইতে যাইবেননা। তার থাকবে চরম নির্দেশ। না মানলে থাকবে নিশ্চিত শাশ্তির ব্যবস্থা।
      কছম দিবে বরং ভৃত্য বা কর্মচারী তার কথায় যদি তার মালিকের বা উর্ধতনের কোন সন্দেহ হওয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকে।

      আল্লাহ পাক তো সমগ্র বিশ্বের প্রভু। সবই তারই সৃষ্ট বান্দা বা ভৃত্য। বিশ্বপ্রভুর তার সৃষ্টবান্দার কাছে কোন নির্দেশ পাঠাইতে বা কোন বিষয়ের বর্নণা দিতে এত একের পর এক কছম খাওয়ার কি প্রয়োজন আছে ?

      যদি কেহ মহান স্রষটাকেই মূল্যায়ন না করে তাহলে কি মহানস্রষ্টা আল্লাহ পাক কি এই জড় পদার্থের দোহাই (কছম) দিয়া তার সৃষ্ট ভৃত্য কে বাধ্য করাইতে চান ?
      এটা কি কখনো যুক্তিতে আসে ?
      ধন্যবাদ

      • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:56 অপরাহ্ন - Reply

        @আঃ হাকিম চাকলাদার,

        এরকম একটা প্রশ্নের সৃষ্টি কারও কারও মনে যে হতেই পারে তা আমি ধারণা করেছিলাম।

        কসম কাটলে দু ধরনের সম্ভাবনাকে চিন্তা করে তা মানুষ কাটে।

        যদি আপনি আল্লাহর নামে কসম কাটেন আর যদি তা মিথ্যা কথা হয় তখন আপনার এ বিশ্বাস থাকবে যে – আল্লাহ তাহলে আপনার অমঙ্গল করবে।
        যদি আপনি আপনার সন্তান বা পিতা মাতার নামে কসম কাটেন আর তা যদি মিথ্যা হয়, তাহলে এর ফলে আপনার সন্তান বা পিতা মাতার অমঙ্গল সাধিত হবে।

        যে কারনেই সৎ ব্যক্তিরা কসম কাটা থেকে বিরত থাকে। আমি জীবনে কোন সচ্চরিত্রবান মানুষকে দেখিনি যে আল্লাহ বা পিতা-মাতা, সন্তানের নামে কসম কাটে। একমাত্র মিথ্যাবাদী ও টাউট বাটপাড় প্রকৃতির লোকজনই কথায় কথায় কসম কাটে। কোরানের আল্লাহ ও হাদিসের মোহাম্মদ যেহেতু কথায় কথায় কসম কাটে, তাহলে আপনাদের বুঝতে হবে উভয়ে কি প্রকৃতির ব্যক্তিত্ব।

  14. আস্তরিন নভেম্বর 15, 2011 at 7:31 অপরাহ্ন - Reply

    অসাধারন,ক্ষুদ্র জ্ঞানে ধন্যবাদ দিতে কেমন যেন সংকোচবোধ হয়,(F) (F) (F)
    তবে মক্কাবাসির বিরুদ্ধে মোহাম্মদের এত হিংসা কিসের ?শুধুই কি ইস্লাম গ্রহন না করা না কি অন্য কো্ন কারণ আছে পরিস্কার করলে ভালো হত

  15. রাজেশ তালুকদার নভেম্বর 15, 2011 at 7:04 অপরাহ্ন - Reply

    আমার মনে হয় বাংলার ইতিহাসে মুহাম্মদের কর্মময় জীবণ নিয়ে কোরান হাদিসের সূত্র উল্লেখ করে এত বিশ্লেষণ ধর্মী লেখা আর কেউ লেখেনি। আপনি সম্ভবত এক্ষেত্রে এখনো এক ও অদ্বিতীয়।

  16. বরুন জামান নভেম্বর 15, 2011 at 3:33 অপরাহ্ন - Reply

    (Y) (F)
    এক লেখায় এত বড় ধাক্কা খুব কম পেয়েছি।

  17. আমি আমার নভেম্বর 15, 2011 at 2:21 অপরাহ্ন - Reply

    @ ভবঘুরে,
    অসাধারণ বিশ্লেষণ। লেখা তো নয় যেন আগুনের গোলা। (Y)

    এখানে আল্লাহ বায়ূ, মেঘ, জলযান, নক্ষত্র, সূর্য, চাঁদ এ সমস্ত জড়বস্তু ও ফেরেস্তাদের নামে কসম কাটছে।কি আজব কারবার!

    – আল্লাফ্যাক পুরাই ধরা খাইছে মুহম্মদের হাতে। :lotpot: ব্যাটারে এখন পাইলে, “টম এন্ড জেরী” এর জেরী কে দিয়ে ধোলাইতাম।

    আনাস বিন মালিক বর্ণিত, আমি আল্লাহর নবীকে বলতে শুনেছি, আল্লাহর প্রতি যথাযথভাবে সিজদা কর ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন কর, কারন, আল্লাহর কসম যার হাতে আমার প্রাণ, যখন তোমরা তা কর আমি আমার পিছনের সবকিছু দেখতে পাই। সহী বুখারী, বই-৭৮, হাদিস-৬৩৯

    সে পিছনে কি দেখতে পায়, বোধগম্য নয়। পশ্চাৎদেশের… :-O

    • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:46 অপরাহ্ন - Reply

      @আমি আমার,

      সে পিছনে কি দেখতে পায়, বোধগম্য নয়।

      এটা দিয়ে বোঝানো হচ্ছে মোহাম্মদ সামনে দাড়িয়ে ইমামতি করার সময় সামনের দিকে তাকিয়ে থাকলেও তিনি পিছনে কি হচ্ছে না হচ্ছে তা দেখতে পেতেন যা প্রকারান্তরে তার অলৌকিকত্ব প্রকাশের একটা উছিলা।

  18. হেলাল নভেম্বর 15, 2011 at 3:47 পূর্বাহ্ন - Reply

    @ ভবঘুরে,

    এটা পরিষ্কার যে মুহাম্মদ প্রকৃতপক্ষে মক্কাবাসীর দেব-দেবীদের প্রতি বিশ্বাস ছিলনা, শুধু তাদের খুশি করে নিজের দলে টানার জন্য তাদের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করতেননা। তাছাড়া সে ইহুদি-খৃস্টান তথা অন্য কোন ধর্মের প্রতি বিশ্বাস করত বলে মনে হয়না। তাহলে তার ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসটি বিশ্লেষণ করলে কি বলা যায় না-

    মুহাম্মদ আমাদের মত একজন নাস্তিক ছিল।

    • আকাশ মালিক নভেম্বর 15, 2011 at 9:47 পূর্বাহ্ন - Reply

      @হেলাল,

      তাহলে তার ব্যক্তিগত ধর্মীয় বিশ্বাসটি বিশ্লেষণ করলে কি বলা যায় না- মুহাম্মদ আমাদের মত একজন নাস্তিক ছিল।

      নাস্তিক ছিলেন তবে আমাদের মতো নয়। আমরা পারবো ছয় বছরের শিশুর সাথে সেক্স করতে, পুত্রবধুকে বিয়ে করতে, আপন চাচাতো ভাইদের কাছে নিজের মেয়েদের বিয়ে দিতে, বুকের উপর দুধ পানরত শিশুর মাকে ঘুমন্ত অবস্থায় খুন করার আদেশ দিতে?

      আগেও অনেকবার বলেছি, মুহাম্মদের যতই বুদ্ধি আর সাহস থাকুক না কেন, আজকের যুগে তার জন্ম হলে তিনি একজন বিন লাদেন, হিটলার বা বড়জোর একজন চেঙ্গিস খান হতে পারতেন, নবী হতে পারতেন না। মুহাম্মদের আগেও দুনিয়ায় কোন নবী ছিলেন না, আগামীতেও কেউ নবী হয়ে আসবেনা। জগতের সকল ধর্মগ্রন্থ মানুষের মস্তিষ্কপ্রসুত চিন্তা দ্বারা, মানুষের হাতের লেখা বই, একটাও ঈশ্বর বা আল্লহর বাণী নয়। পৃথিবীতে কোরানই একমাত্র বই যেখানে লেখক তার নিজের নাম বইয়ে লিখেন নাই।

      • আতাউল হক কাঞ্চন ফেব্রুয়ারী 14, 2012 at 8:17 অপরাহ্ন - Reply

        @আকাশ মালিক,
        //পৃথিবীতে কোরানই একমাত্র বই যেখানে লেখক তার নিজের নাম বইয়ে লিখেন নাই।//-
        তথ্যের বিকৃতি না ঘটানোই ভালো। বেদ, বাইবেল কোনটাতেই লেখকের নাম নেই।

    • মুরশেদ নভেম্বর 15, 2011 at 11:30 পূর্বাহ্ন - Reply

      @হেলাল,

      মুহাম্মদ আমাদের মত একজন নাস্তিক ছিল।

      মহাম্মদকে নাস্তিক বলিয়ে আপনি জগতের সকল নাস্তিক কে আপমান করিয়াছেন।

    • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:44 অপরাহ্ন - Reply

      @হেলাল,

      মুহাম্মদ আমাদের মত একজন নাস্তিক ছিল।

      দারুন মন্তব্য করেছেন ভাই। আমারও ধারণা মোহাম্মদ নাস্তিক ছিল। তবে তার নাস্তিকতার একটা আলাদা ফরম্যাট ছিল। মোহাম্মদ নাস্তিক ছিল সেটা কেন বললাম ? যদি কোরান হাদিস ভাল মতো পড়েন দেখবেন কোরানের আল্লাহ আসলে তৌরাত ও বাইবেলের আল্লাহ না , না শতভাগ পৌত্তলিকদের আল্লাহ, বরং এ আল্লাহ কে বার বার মোহাম্মদেরই নিজস্ব প্রতিচ্ছবি বলে মনে হয়। অর্থাৎ মোহাম্মদ ও আল্লাহ অভিন্ন। ইসলাম যদি সত্যি হয় তাহলে আল্লাহই মোহাম্মদের রূপ ধরে আরবে এসেছিল অনেকটা হিন্দুদের অবতারের মত। আর ইসলাম যদি ভুয়া হয়, আল্লাহ হয়ে যাবে সম্পূর্ন মানুষ মোহাম্মদ এবং এর অর্থ মোহাম্মদ একজন প্রতারক বই আর কিছু নয়। তার উপসংহার হলো- মোহাম্মদ আদৌ আল্লাহর কাছ থেকে কোন বার্তা পান নি, ও তার কোন অস্তিত্বই নেই যা নির্দেশ করে যে মোহাম্মদ আসলে নাস্তিক কিন্তু তৎকালীন আধা সভ্য আরবদেরকে দিয়ে একটা আরব সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠায় এ ধরণের একটা ঐশী আল্লাহ আমদানীর দরকার পড়েছিল তার খুব জরুরী ভিত্তিতে।

  19. সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 15, 2011 at 3:19 পূর্বাহ্ন - Reply

    পড়ে মুগ্ধ হলাম, অসাধারণ। আপনার লেখার মান যেভাবে বাড়ছে তা সত্যিই ঈর্ষণীয়। :guli:

    (আপনার নাম ধরে সারিবদ্ধভাবে কাঁদতে দেখেছি কিছু প্রলাপী মাতালকে, সে কী করুণ কান্না!! এদের এত দুঃখ কী করে দেন বুঝি না :hahahee: )

    আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করব হিন্দু ধর্ম নিয়েও একটা সিরিজ পরবর্তীতে লেখার জন্য।

    অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। সূরা- আত তাওবাহ, ০৯:০৫

    অন্যান্য ধর্মবিশ্বাসীদের মত করে মুসলমানরাও বিশ্বাস করে ঈশ্বর থাকলে তা অবশ্যই একটি ধর্মের হবে ও সেটা তাদের ধর্ম, তারা ধর্মের বাইরে ঈশ্বর কল্পনায়ও আনতে পারে না, ঈশ্বরের অস্তিত্বহীনতা তো অনেক দূর।
    আমি এটা বুঝি না, যিনি নাকি সমগ্র মহাবিশ্বের মালিক, যিনি সকল মানুষের প্রতিপালক, যিনি পরম করুণাময় তিনি এরকম একটি কথা বলবেন বলে বিশ্বাস করে কিভাবে মুসলমানরা??? অত্যন্ত দুঃখিত মুসলিম বন্ধুরা, যেকোনো ভাবে হিসাব করলে মুহাম্মদকে বর্বর আর ভন্ড না বলে পারা যায় না।

    • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 15, 2011 at 5:23 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করব হিন্দু ধর্ম নিয়েও একটা সিরিজ পরবর্তীতে লেখার জন্য

      । সৈকত চৌধুরী,
      আমার মনে হয় হিন্দু ধর্ম লয়ে লেখালেখি করার তেমন একটা প্রয়োজন হয়না।

      হিন্দুদের এপর্যন্ত আমার জানা নাই গীতার বানী অনুসরন করিয়া বুকে বোম্ব বাধিয়া আত্মঘাতী হইয়া নিরপরাধ জনসাধারনকে জাহান্নামে পাঠিয়েছে।

      বিদেশে হিন্দুদের যতটুকু মর্যাদা ও সম্মান আছে সেখানে মুসলমান নাম শুনলে আঁৎকে উঠে এবং বলে তোমরা মুসলমানরা তো মসজিদে গিয়ে স্রষটার উপাসনাও কর আবার মসজিদ থেকে বের হয়ে স্রষ্টার নিরপরাধ মনুষ ও মারতে বেরিয়ে পড়। তোমরা তো এরুপ জাতি।
      এসব কথা আমাদেরকে এখানে (নিউ ইয়র্কে)শুনতে হয়।

      হিন্দু ধর্মীয় বানী ইহুদী নাছারাদের প্রতি বিদ্যেশ ও প্রতি হিংসার বানী বা তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেনা, আর মুসলমান ধর্ম ইহুদী নাছারাদের সংগে প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে তাদের সংগে বন্দুত্ব সুলব ভাবে বসবাস করতে দেয়না।
      হিন্দুরা গীতা ভিত্তিক রাষট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়না আর মুসলমানরা কোরান ভিত্তিক শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য জিহাদ ঘোষনা করে।

      হিন্দু দের তুলনায় মুসলমানদের মধ্যে অনেক গুন বেশী সমস্যা।
      ধন্যবাদ

      • সৈকত চৌধুরী নভেম্বর 15, 2011 at 8:28 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আঃ হাকিম চাকলাদার,

        হিন্দু ধর্মীয় বানী ইহুদী নাছারাদের প্রতি বিদ্যেশ ও প্রতি হিংসার বানী বা তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষনা করেনা, আর মুসলমান ধর্ম ইহুদী নাছারাদের সংগে প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে তাদের সংগে বন্দুত্ব সুলব ভাবে বসবাস করতে দেয়না।

        আসলে কি তাই? বর্ণপ্রথা নামক কুৎসিত প্রথার মাধ্যমে অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি শুধু নয়, নিজ ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেও বিভেদ তৈরী করে রেখেছে হিন্দু ধর্ম। এটা কিন্তু শাস্ত্র থেকেই আগত। নারীর প্রতি অন্যান্য ধর্মের তুলনায় কম অবিচার করা হয়নি হিন্দু ধর্মে- যৌতুক, স্ত্রীকে স্বামীর দাসীতে রুপান্তর, একদম সম্পদের কোনো ভাগ না দেয়া, বহুবিবাহ ইত্যাদি। এরপর সতীদাহ, নরবলী, পশুবলী থেকে আরম্ভ করে হেন কোনো আদিম অমানবিক ধর্মীয় প্রথা বাদ নেই যেটা হিন্দু ধর্মে নেই। এর মধ্যে আবার ইসকনের মত কিছু ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্টীর আবির্ভাব দুশ্চিন্তার ব্যাপার। তবে বাংলাদেশে যেখানে শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষই মুমিন-মুছলমান সেখানে অন্য ধর্মে খুব একটা প্রভাব তৈরী করতে পারবে বলে মোটেও আমার মনে হয় না এবং এখানে ধর্মবিরোধিতা মানেই শেষ বিচারে ইসলাম বিরোধিতা কিন্তু ঐ সংখ্যা লঘুদের মধ্যে যদি মৌলবাদ গজিয়ে উঠে তবে অন্তত তারা তো এর জন্য দুর্ভোগ পোহাবে।

        এখন মুসলমানরা কেন অন্যদের সাথে প্রতিহিংসা পরায়ন আচরণ করে সেটার ব্যাখ্যা বড়ই জটিল। মুসলমানরা সকলেই একেকজন মুহাম্মদ হতে চায় সচেতনভাবে বা অসচেতনভাবে। আর ইসলাম ধর্ম জন্মগতভাবে রাজনৈতিক ধর্ম, সে সকল কিছুকে দখল করে ফেলতে চায়। মুহাম্মদ কিন্তু নিজেকে নবি দাবি করে আধ্যাত্মিক নেতা হন নি বরং যুদ্ধবাজ একনায়কে পরিণত হয়েছিলেন। আরো বেশ কিছু ব্যাপার আছে সেগুলো নিয়ে একটা লেখা দেব কিছু দিনের মাঝে।

        প্রতিটি ধর্মই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নমনীয় হয়েছে, ইসলামও হবে তার জন্য এ দশক আমাদেরকে লেগে থাকতে হবে ইসলামকে সে শিক্ষা দেয়ার জন্য, কিন্তু তার মানে অন্য ধর্মকে বাদ দিয়ে দেব তা না।

        • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 15, 2011 at 9:41 অপরাহ্ন - Reply

          @সৈকত চৌধুরী,

          এখন মুসলমানরা কেন অন্যদের সাথে প্রতিহিংসা পরায়ন আচরণ করে সেটার ব্যাখ্যা বড়ই জটিল।

          ব্যাখা টা তো আমার মনে হয় মোটেই জটিল নয়। ছোট বেলা হতেই শিশুদের মস্তিস্কে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়ঃ-
          ১। মুহাম্মদ একজন আমাদের মত সাধারন মানুষ নন। তিনি অত্যন্ত সত্যবাদী ও সচ্চরিত্রের লোক ছিলেন। জীবনে কখনো মিথ্যা কথা বলেন নাই। তিনি একজন আল্লাহ প্রেরিত সমস্ত বিশ্ব মানবের জন্য একমাত্র সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহানবী।তাকে মনে প্রান সম্মান ও ভক্তি করতে হবে। এমনকি তার নামটা মুখে উচ্চারন করতে গেলেও নামের পূর্বে সম্মান সূচক শব্দ “হযরত” এবং নামের পরে “ছল্লাল্ল্হু আলাইহে অছাল্লাম” অর্থাত আল্লাহ তার উপর শান্তি বর্ষিত করুক, এই দরুদ শরীফটি অবশ্যই পড়তে হবে। এমনকি যে তার নামটি শুনবে তাকেও অবশ্যই পড়তে হবে। অন্যথায় সে মারাত্মক পাপি হইয়া যাইবে।
          কেয়ামতের দিনে সে সুপারিশ পাইবেনা।
          ২। কোরান শরীফ নামক এই আরবী ভাসায় লিখিত লাল মলাটের পুস্তক খানি অন্যান্য পুস্তকের ন্যায় মানুষের রচিত সাধারন পুস্তক বা ভাসা নয়। এটা একমাত্র স্য়ং মহান সৃষ্ষ্টিকর্তা আল্লাহ পাকের ভাষা। এটা এতই পবিত্র যে এটা স্পর্ষ করার পূর্বে অজু করিয়া পবিত্র না হইয়া ষ্পর্ষ করিলেও মহা পাপ । এই পুস্তক খানির মধ্যের সম্পূর্ন বক্তব্য ও ভাসা স্বয়ং আল্লাহ পাকের নিজস্ব ভাসা বা বক্তব্য,ঠিক যেমনটা আমরা আমাদের মনোভাব ও বক্তব্য অন্যদের কাছে প্রকাশ করে থাকি। আর এটা তিনি ফেরেশ্তা জিব্রাইলের মাধ্যমে নবীর নিকট পাঠিয়েছেন।

          ৩। আর এই পুস্তক খানির মধ্যে সমগ্র মানুষের ইহজগত ও পরজগতের শান্তিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা রয়েছে।
          ৪।যারা এটা অনুসরন করিবে তারা আল্লাহর প্রীয় মুসলমান বান্দা হইয়া বেহেশতে প্রবেশ করিবে।
          ৫। আর যারা এটা মানিলনা তারা কাফের। কাফেরদের জন্য অনন্ত কাল নরকের অগ্নি রহিল।
          ৬। আর এই কাফেরদেরকে মুসলমান বানাও আর নাহলে তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ(ধর্ম যুদ্ধ) ঘোষনা করিয়া দাও। আর এই জিহাদে তোমরা মারা গেলে তো সংগে সংগেই বেহেশত বাসী হইবে।

          এ ভাবেইতো মুসলমানদের সংগে অন্য জাতির সংঘর্ষ চিরস্থায়ী হচ্ছে।

          আমার অনেক হিন্দু সহপাঠি বন্ধু বান্ধব ছিল। তাদের অনেক সময় হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা বলতো, হিন্দু ধর্মের কাহিনী গুলী সম্পৃণই কালপনিক। এগুলী কখনই বাস্তবে ঘটেনাই। এলয়ে আলোচনা করার অর্থ হইল বৃথা সময় নষ্ট করা।
          হিন্দু ধর্ম বিশ্বের অগ্রগতির ধারার সংগে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হওয়াতে প্রতিবন্ধক হচ্ছেনা। এবং তারা অনেক পুরাতন প্রথা বাদ ও দিয়ে ফেলেছে। সেখানে মুসলমান ধর্ম কোন কিছুই পরিবর্তন আনতে নারাজ। তাহলে ইসলাম থাকবেনা। দোজখে চলে যেতে হবে। এজন্য অগ্রগতির প্রচন্ড প্রতিবন্ধক হিসাবে কাজ করছে
          হিন্দু ধর্ম অন্য জাতিকে জোর করে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বানাতে চাচ্ছেনা। আর সেখানে মুসলমানরা রীতিমত ইতিমধ্যেই জিহাদ ঘোষনা করে দিয়ে বিশ্বময় অশান্তির আগুন জালিয়ে দিয়েছে।
          হিন্দুদের অভ্যন্তরে বর্ন বৈশম্যের মাধ্যমে অনেক অবিচার চালাচ্ছে বটে,মুসলমানরা তার জায়গায় কি করতেছে তা দেখার জন্য খুব বেশী দুরে যেতে হবেনা আপনারই দেওয়া ভিডিওটাই ইনদোনেশিয়াতে ছুন্নি মসলিমরা আহমদিয়াদের কি নৃসংস হত্যা চালাচ্ছে তা দেখার মত মানসিক সাহসিকতা টুকুও আমার নাই।
          আর শিয়া-সন্নির হত্যাযজ্ঞের সংবাদ তো প্রায় প্রতি দিন ই থাকে।
          ধন্যবাদা

          • যাযাবর নভেম্বর 15, 2011 at 11:30 অপরাহ্ন - Reply

            @আঃ হাকিম চাকলাদার,

            সম্পূর্ণ একমত। তার সাথে এটাও যোগ করতে চাই যে ইসলামের মত মহাপ্রতারণা তো নেই হিন্দু ধর্মে। কুরানে ও ইসমিস্টদের কথায় যে পরিমাণ ভন্ডামী ও স্ববিরোধিতা আছে সেটা তো অন্য ধর্মে অতটা নেই। মুসলিমদের এক বিরাট অংশে (>৯০%) র মধ্যে কুরাণের নিখুঁততা, নবীর চরিত্রের নিখঁততা আল্লাহর নিখুঁততা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু ভবঘুরের লেখায় আমরা দেখছি সেটা কত বড় ভুল। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলের মুসিলিম পড়ুয়াদের মধ্যেও এই নিখুঁততায় বিশ্বাস। হিন্দুদের মধ্যে বেশির ভাগই জানে যে হিন্দু শাস্ত্রের কথা মানুষ সৃষ্ট বা কাল্পনিক। আর এখানে কোন স্ববিরোধিতা বা ভন্ডামী নেই। এটা মান না মান নিয়ে বিরাট কোন মাথা ব্যাথা নেই হিন্দুদের মধ্যে।

            • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:50 অপরাহ্ন - Reply

              @যাযাবর,

              হিন্দুদের মধ্যে বেশির ভাগই জানে যে হিন্দু শাস্ত্রের কথা মানুষ সৃষ্ট বা কাল্পনিক। আর এখানে কোন স্ববিরোধিতা বা ভন্ডামী নেই। এটা মান না মান নিয়ে বিরাট কোন মাথা ব্যাথা নেই হিন্দুদের মধ্যে।

              অধিকাংশ শিক্ষিত হিন্দুর ক্ষেত্রে আপনার উপরোক্ত কথা গুলো ঠিক বলেই মনে হয়। যে কারনেই এমনকি কোন ধার্মিক হিন্দুকে যদি একটা বোমা দিয়ে বলা হয় এটা গায়ে বেধে মসজিদে গিয়ে ফোটাও তাহলে সোজা স্বর্গে যেতে পারবে , আমার ধারণা বর্তমান বিশ্বে সেরকম একটা হিন্দুকেও খুজে পাওয়া যাবে না।

            • আতাউল হক কাঞ্চন ফেব্রুয়ারী 14, 2012 at 8:02 অপরাহ্ন - Reply

              @যাযাবর,
              হিন্দুদের সম্পর্কে আপনার মত সমর্থন করতে পারছিনা। //ইসলামের মত মহাপ্রতারণা তো নেই হিন্দু ধর্মে। কুরানে ও ইসমিস্টদের কথায় যে পরিমাণ ভন্ডামী ও স্ববিরোধিতা আছে সেটা তো অন্য ধর্মে অতটা নেই।//- ধর্মে ভণ্ডামি সবধর্মেই গুণগতভাবে একই।
              // হিন্দুদের মধ্যে বেশির ভাগই জানে যে হিন্দু শাস্ত্রের কথা মানুষ সৃষ্ট বা কাল্পনিক। আর এখানে কোন স্ববিরোধিতা বা ভন্ডামী নেই। এটা মান না মান নিয়ে বিরাট কোন মাথা ব্যাথা নেই হিন্দুদের মধ্যে।//- এটি কোনভাবেই মানা যায়না। ভারতে বেশীরভাগ মানুষ হিন্দু এবং তারা মুসলিমদের মতোই স্বধর্মে অযৌক্তিকভাবে বিশ্বাসী। এখানে বহু ডাক্তার, বিজ্ঞানী এবং শিক্ষিত মানুষ ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে কোন পরস্পর-বিরোধীতা দেখেনা।

      • মো. আবুল হোসেন মিঞা নভেম্বর 15, 2011 at 9:39 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আঃ হাকিম চাকলাদার,
        সহমত। (F)

        • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 15, 2011 at 7:26 অপরাহ্ন - Reply

          @মো. আবুল হোসেন মিঞা,
          ধন্যবাদ আপনাকে ও,কারন আমার সমস্যাটা কোথায় তা আপনি বুঝতে পেরে আমার সংগে একমত হয়েছেন।

    • যাযাবর নভেম্বর 15, 2011 at 11:01 অপরাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করব হিন্দু ধর্ম নিয়েও একটা সিরিজ পরবর্তীতে লেখার জন্য।

      সৈকত ভাল মনেই এই অনুরোধ করেছেন সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ নেই। লিন্তু ভবঘুরেকে আমার অনুরোধ এই ফাঁদে পা না দিতে। এই অনুরোধের আগেই যদি তিনি নিজেই এটা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তাহলে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু সেটা না হলে আমার মত এই যে এটা করলে ইসলামিস্টদের বিরাট ফেভার করবেন উনি। আপনার যে শ্রম ও বিশ্লেষণ ইসমালের সমালোচনায় লগ্নি করছেন সেটা মারাত্মতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে অন্যদিকে দৃষ্টি ফেরালে। ইসলামিস্টরা তাই চায়। কারণ তাঁর ক্ষুরধার লেখনীতে তাদের যারপর নাই ক্ষতি আর গাত্রদাহ হচ্ছে। এখন তারা তাদের ঘা চাটতেই ব্যস্ত। আব্দুল হাকিম চাকলাদারের সঙ্গে পূর্ণ সহমত জানিয়ে বলছি হিন্দু ধর্মের ত্রুটি প্রাধান্যের সিড়িতে তলার দিকে। জাতিভেদ একটা ভারতীয় সমস্যা (তাও সব জায়গায় নয়)। এটা বিশ্বের সমস্যা নয়। তাই ভবঘুরেকে অনুরোধ ইগলের মত টার্গেটে ফোকাসস করে লিখে যান। ্কাজ শেষ হয় নি। এখনো অনেক বাকী। হিন্দু ধর্মের ব্যাপারে কারও কিছু জানতে চাইলে যারা হিন্দু ধর্মে বিশেষজ্ঞ আর লিখতে উৎসাহী তাঁরাই বরং এগিয়ে যাক। এমন নয় যে এমনটি হয় নি। অভিজিৎ এরকম লিখেছেন আগে যতদূর মনে হয়।

      • ব্রাইট স্মাইল্ নভেম্বর 15, 2011 at 11:29 অপরাহ্ন - Reply

        @যাযাবর, ভাল বলেছেন, আমারও তাই মনে হচ্ছে।

      • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 16, 2011 at 3:07 পূর্বাহ্ন - Reply

        @যাযাবর,

        সৈকত ভাল মনেই এই অনুরোধ করেছেন সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ নেই। লিন্তু ভবঘুরেকে আমার অনুরোধ এই ফাঁদে পা না দিতে।

        সম্পূর্ন একমত।

    • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:34 অপরাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      আপনার তারিফের জন্য ধণ্যবাদ। আপনারার তারিফ করেন বলেই তো লিখতে উৎসাহ বোধ করি। খোদ আল্লাহই যেখানে সব সময় মানুষের কাছ থেকে তারিফ বা তোষামোদ কামনা করে , আমি তো সামান্য মানুষ !

      আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করব হিন্দু ধর্ম নিয়েও একটা সিরিজ পরবর্তীতে লেখার জন্য।

      শুধু হিন্দু নয়, খৃষ্টান, ইহুদি ও বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে লেখার ইচ্ছা আছে ভবিষ্যতে। তবে আগে যেমন বার বার বলেছি- ইসলাম ছাড়া বর্তমান দুনিয়াতে আর কোন ধর্ম সমস্যা সৃষ্টি করছে না , তাই ওগুলো নিয়ে লেখার তেমন তাগিদও নেই। তবে ভবিষ্যতে অবশ্যই লিখব যদি ততদিন বেঁচে থাকি।

      • আতাউল হক কাঞ্চন ফেব্রুয়ারী 14, 2012 at 8:13 অপরাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,
        //ইসলাম ছাড়া বর্তমান দুনিয়াতে আর কোন ধর্ম সমস্যা সৃষ্টি করছে না , তাই ওগুলো নিয়ে লেখার তেমন তাগিদও নেই।//-
        ভারতে হিন্দুরা ১৯৯২তে বাবরি মসজিদ ভেঙেছে। গুজরাট দাঙ্গা হিন্দুরাই ঘটিয়েছিল।(যদিও গোধরা-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া হিসেবে অনেকেই একে দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু একটা গণতান্ত্রিক দেশে বিচার-ব্যবস্থা, প্রশাসনকে এড়িয়ে দাঙ্গা করা কি কোন সমস্যা নয়? )
        ইজরায়েলের গা-জোয়ারী কি ইহুদিদের ধর্মোন্মত্ততা নয়?
        আমার মনে হয়, প্রত্যেকটা ধর্মই কিন্তু সামাজিক ও চেতনাগত অগ্রসরতার বিপক্ষে। চিরকালের মতো আজও এটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শক্তিগুলির হাতে রঙের তাস।

    • Triple A নভেম্বর 28, 2011 at 1:16 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      ঠিক ঠিক, হিন্দু ধর্ম নিয়ে লিখতে হবে ;-( লিখতে হবে ;-( । এবং শুধু হিন্দু ধর্মই নয়, সব ধর্ম নিয়েই লিখেতে হবে ;-( লিখতে হবে ;-( । কারা কারা আমার দাবিতে একমত হাত তোলেন :rotfl:

      • Triple A নভেম্বর 28, 2011 at 1:30 পূর্বাহ্ন - Reply

        উপরের সবগুলো মন্তব্য না পড়েই মন্তব্য করেছিলাম। তো সব পড়ে এখন মনে হচ্ছে অন্যান্য ধর্ম নিয়ে এই মুহুর্তে লেখার জন্য লেখককে চাপ না দেওয়াই উত্তম। কিন্তু অন্যান্য ধর্ম সম্বন্ধে ব্যাপকভাবে জানতে ইচ্ছা করে। লেখক সময় পেলে অবশ্যই লিখবেন ভবিষ্যতে।

        ধন্যবাদ

  20. আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 15, 2011 at 3:14 পূর্বাহ্ন - Reply

    আমি শপথ করি যেসব নক্ষত্রগুলো পশ্চাতে সরে যায়।চলমান হয় ও অদৃশ্য হয়, শপথ নিশাবসান ও প্রভাত আগমন কালের, নিশ্চয় কোরআন সম্মানিত রসূলের আনীত বাণী, সূরা-আত-তাকভীর-৮১:১৫-১৯ মক্কায় অবতীর্ণ।

    শপথ সূর্যের ও তার কিরণের, শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে, শপথ দিবসের যখন সে সূর্যকে প্রখরভাবে প্রকাশ করে, শপথ রাত্রির যখন সে সূর্যকে আচ্ছাদিত করে, শপথ আকাশের এবং যিনি তা নির্মাণ করেছেন, তাঁর। শপথ পৃথিবীর এবং যিনি তা বিস্তৃত করেছেন, তাঁর, সূরা-আস-সামস্-৯১:০১-০৬, মক্কায় অবতীর্ণ।

    প্রচন্ড বিস্ফোরক লিখনি। এর বিষ্ফোরনের আঘাতে মুহম্মের নবীত্য ও কোরান আল্লাহর বানী হওয়ার দাবী উড়ে গিয়েছে। কারন বিশ্ব স্রষ্টা আল্লাহ পাক কে তার সৃষ্ট জড় বস্তুর প্রতি
    কছম খাওয়াইয়া শুধু একটা অযৌক্তিক কথাই বলেন নাই,মহান বিশ্ব স্রষ্টাকে একটা জড় পদার্থ
    হইতেও হীনতর করিয়া ছাড়িয়াছেন। আরবী ভাসায় ও কোরানের অর্থ বুঝতে অক্ষম সরল সহজে বিশ্বাষী মুমিন বান্দা গন এটা জানতে পারলে ষ্বয়ং নবীর বিরুদ্ধেই স্লোগানে নেমে যেত পারেন। কারন স্বয়ং আল্লাহ কে কারো পক্ষে এ ভাবে হীনতর করার অধিকার নাই। তারপর আবার তিনি নিজেই মহান স্রষ্টার একমাত্র সর্বশেষ ও সর্বশেষ স্বঘোষিত বিশ্বনবী।

    ধন্যবাদ

    • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:30 অপরাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,

      কছম খাওয়াইয়া শুধু একটা অযৌক্তিক কথাই বলেন নাই,মহান বিশ্ব স্রষ্টাকে একটা জড় পদার্থ
      হইতেও হীনতর করিয়া ছাড়িয়াছেন।

      যথার্থ মন্তব্য করেছেন। বিষয়টি কিন্তু প্রথমে আমারও বিশ্বাস হচ্ছিল না। কিন্তু পরে দেখি সব ঠিকই আছে।
      এ বিষয়ে আমি দু একজন ইসলামি পন্ডিতকে জিজ্ঞেস করেছি- আল্লাহ কিভাবে জড় বস্তুর কসম কাটতে পারে যেখানে আমরা মানুষরা আল্লাহর নামে কসম কাটি ? তারা বস্তুত এধরণের প্রশ্নের জন্য প্রস্তুত ছিল না। তারা কল্পনাও করেনি যে এ নিয়ে কেউ প্রশ্ন করতে পারে। ফলে তাদের সোজা সাপ্টা উত্তর ছিল- আল্লাহ যদি কোন কিছুর কসম কাটে তো তাতে সমস্যা কোথায়? আল্লাহর সব কাজকারবার মানুষ বুঝতে সক্ষম নয়। এখন বুঝুন ঠেলা।

      • আঃ হাকিম চাকলাদার নভেম্বর 17, 2011 at 5:29 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,

        ফলে তাদের সোজা সাপ্টা উত্তর ছিল- আল্লাহ যদি কোন কিছুর কসম কাটে তো তাতে সমস্যা কোথায়? আল্লাহর সব কাজকারবার মানুষ বুঝতে সক্ষম নয়।

        খুব সুন্দর উত্তর তো । আল্লাহ মানুষকে সত্যপথে আনবার জন্য এই কিতাব মানুষকে দিয়াছেন,আর মানুষ সেই কিতাব ভাল ভাবে নাকি বুঝতে পারেনা। তার অর্থ দাড়ায় মওলানা সাহেব আল্লাহ কে নিতান্ত কম বুদ্ধিমান হিসাবে প্রমান করিলেন, যে আল্লাহ এটা জানেননা কি ভাবে ভাষাটা পাঠালে মানুষেরা সহজে বুঝতে পারত।
        ধন্যবাদ

  21. অচেনা নভেম্বর 15, 2011 at 1:21 পূর্বাহ্ন - Reply

    অসাধারণ লাগলো লেখাটা। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    আর উপোরক্ত আয়াতসমূহ যে কুরাইশদেরকেই লক্ষ্য করে বলা হচ্ছে তার প্রমান হলো সূরাগুলো মক্কাতে অবতীর্ণ।কোরান ভালমতো পড়লে দেখা যাবে, মদিনায় অবতীর্ণ কোন আয়াতে এভাবে এসব জড় বস্তুতে কসম করে আল্লাহ তথা মোহাম্মদ কোন আয়াতের কথা বলেননি।

    খুব ভাল জিনিস তুলে ধরেছেন ত ভাই। এটা কিন্তু আমি আগে চিন্তা করিনি। আমার নজর এড়িয়ে গেছে বিষয়টা প্রত্যেকবার, যে জড় বস্তুর নামে কসম কাটা শুধু মক্কায় অবতীর্ণ সুরাতেই আছে। ধন্যবাদ আপনাকে বিষয়টি তুলে ধরবার জন্য। আর সে জন্য আপনাকে শুভেচ্ছা। (F)

    • ভবঘুরে নভেম্বর 16, 2011 at 12:24 অপরাহ্ন - Reply

      @অচেনা,
      ধণ্যবাদ। আপনার বা আপনাদের নজর এড়িয়ে যায় বলেই কোরান অভ্রান্ত কিতাব হিসাবে রক্ষা পেয়ে যায়। একটু ভাল করে মনযোগ দিয়ে পড়ুন , দেখবেন আরও বহু জিনিস আছে নজরে পড়ার।

মন্তব্য করুন