মদীনার Wadi al Jinn-এ ইঞ্জিন বন্ধ রেখে গাড়ি চালানোর প্রকৃত কারন

By |2011-09-04T10:28:22+00:00সেপ্টেম্বর 4, 2011|Categories: বিজ্ঞান|71 Comments


চিত্র: ভারতের Ladakh-এ ম্যাগনেটিক হিলের কাছে একটি সাইনবোর্ড

কিছুদিন আগে কোন একটা বাংলাদেশী টিভি চ্যানেলে দেখছিলাম সৌদীআরব এর বিভিন্ন স্থান দেখানো হচ্ছে। সেখানে মদীনার এক আজব জায়গা দেখানো হল, যেখানে ইঞ্জিন বন্ধ রেখে গাড়ি চালিয়ে নেওয়া যায়। উপস্থাপক মূল রহস্যের কথা না বলে বিষয়টাকে শুধু “আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন” বলে বকবক করে গেলেন। গতকাল ব্লগার “বোকা মানুষ” তার “ফুয়েল ছাড়া চলছে গাড়ি !! কিভাবে সম্ভব ??” লেখায় একই কথা জানতে চেয়ে পোস্ট দিলেন। তিনি নাকি এটা “আর টিভির” খবরে দেখেছেন। সেখানে বিষয়টা আলোচনা করে কমেন্ট দিয়েছিলাম। এখানেও কিছুটা সম্পাদনা করে কমেন্টটি পোস্ট আকারে দিলাম।

এইটা হল “ম্যাগনেটিক হিল” বা “গ্রাভিটি হিল” এর কারবার। এটা এক ধরনের দৃষ্টি ভ্রান্তি (optical illusion)। চোখে দেখার ভুলের কারনে এমন হয়। আসলে গাড়ি ঢালু রাস্তা বরাবর নেমে যায়। কিন্তু চোখে দেখার ভুলের কারনে মনে হয় গাড়ি সোজা রাস্তা দিয়ে একা একাই চলছে (ইঞ্জিন বন্ধ থাকা অবস্থায়)। অথবা মনে হয় উঁচু থেকে নিচুতে গাড়ি নামানোর সময় ইঞ্জিন চালাতে হচ্ছে (অথচ এক্ষেত্রে কিন্তু ইঞ্জিন বন্ধ রাখালেও গাড়ি চলার কথা ছিল) তানা হলে গাড়ি গড়িয়ে উঁচুদিকে চলে যাচ্ছে। এসব দেখে মনে হয় অভিকর্ষজ বল উল্টা দিকে কাজ করছে।
“ম্যাগনেটিক হিল” বা “গ্রাভিটি হিল” মূলত তৈরি হয় কোন জায়গার দৃশ্য যদি এমন হয় যে সেখানে দিগন্ত (Horizon) সরাসরি সরাসরি দেখা না গেলে। সেক্ষেত্রে উঁচু নিচু নির্ধারনের জন্য কোন রেফারেন্স থাকে না। ফলে উঁচু দিক কে নিচু আর নিচু দিক কে উঁচু বলে মনে হয়।
নিচের ছবিটা দেখুন–

এখানে মনে হচ্ছে একটা রাস্তা ক্যামেরাম্যানের কাছে থেকে নিচের দিকে নেমে গিয়েছে।

এবার এই ছবিটা দেখুন–

এটা তোলা হয়েছে ক্যামেরাম্যান আগে যে দিকে মুখ করে ছিলেন, তার ঠিক উল্টা দিক হয়। কি দেখা যাচ্ছে? গাড়ির পেছনে নিচু মনে হচ্ছে, তাই না? গাড়ির ড্রাইভারের কাছে কিন্তু মনে হচ্ছে সে উঁচু থেকে নিচু দিকে যাচ্ছে, কিন্তু আসলে সেটা তার চোখের ভুল, সে প্রকৃতপক্ষে নিচু থেকে উপরের দিকে যাচ্ছে। সুতরাং তাকে ইঞ্জিন চালাতে হবে। আর উল্টা দিকে গেলে তার ইঞ্জিন চালানোর দরকার নেই।

এখানে অলৌকিক বা রহস্যের কিছু নেই। এটা শুধু আরবের মদিনাতে(Wadi al Jinn (Valley of Jinns) in Madinah) নয়, বিশ্বের আরও অনেক জায়গাতেই আছে।

দুনিয়ার কোথায় কোথায় এমন “ম্যাগনেটিক হিল” বা “গ্রাভিটি হিল” আছে, তার তালিকা পাবেন এখানে

আরও জানতে দেখুন —
“ম্যাগনেটিক হিল”
“গ্রাভিটি হিল”

আমরা আর মান্ধাত্তা আমলের মানুষ নই। তথ্য প্রযুক্তির অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার ইন্টারনেট আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে। কোন কিছু বুঝতে না পারলেই তা অলৌকিক বলে ছেড়ে দেওয়া কি ঠিক? বিশেষ করে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর ক্ষেত্রে বিষয়টা একদমই ঠিক নয়। তাদের উচিৎ রহস্যের পাশাপাশি বিষয়টি প্রকৃত বৈজ্ঞানিক ব্যাক্ষা দর্শকদের জানানো। এটা তাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
ধন্যবাদ।

ছবিগুলো উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া।

লেখাটা সামহোয়ার ইন ব্লগে ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ তারিখে প্রকাশ করেছিলাম। লিংক হল- http://www.somewhereinblog.net/blog/sadachokhblog/29239687 । এজন্য প্রথম পাতায় প্রকাশ করলাম না।

About the Author:

ছুঁড়ে ফেলতে চাই চোখের রঙিন ঠুলি। সব কিছু দেখতে চাই সাদা চোখে।

মন্তব্যসমূহ

  1. NETWORK আগস্ট 30, 2012 at 12:13 অপরাহ্ন - Reply

    ভাই, আমি এগুলা পড়ে tension এ পরছি……।।
    মন্তব্য গুলা পইড়া আমি হতভাগ………।

  2. আতিকুর রহমান সুমন সেপ্টেম্বর 8, 2011 at 12:01 অপরাহ্ন - Reply

    সাধু সাধু। বিষয়টা জানা ছিল না।

    • সাদাচোখ ডিসেম্বর 21, 2011 at 7:17 অপরাহ্ন - Reply

      @আতিকুর রহমান সুমন,

      ধন্যবাদ। 🙂

  3. শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 8, 2011 at 6:54 পূর্বাহ্ন - Reply

    একটা রহস্যের উন্মোচন হলো। অনেক ধন্যবাদ।

    • সাদাচোখ ডিসেম্বর 21, 2011 at 7:19 অপরাহ্ন - Reply

      @শাখা নির্ভানা,

      ধন্যবাদ 🙂

  4. গোলাপ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 10:25 অপরাহ্ন - Reply

    @ সাদা চোখ,
    অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
    এ ধরনের প্রবন্ধ বিশ্বাসের মূল-উৎপাটনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
    ভাল থাকুন। (F)

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:34 অপরাহ্ন - Reply

      @গোলাপ,

      আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

  5. আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 1:21 অপরাহ্ন - Reply

    পাঠকের অনুরোধে আরও কিছু ইসলামি মোজেজা–খাসায়েসুল কুবরা থেকে। এই অতি মূল্যবান বইটির লেখ্ক হচ্ছেন ইমামা সিয়ুতি, যাঁকে ইসলামের অন্যতম পণ্ডিত ধরা হয়, যাঁর বই বাংলাদেশ সহ সমস্ত ইসলামি বিশ্বে মাদ্রাসা মক্তবে পাঠ্য বই। এই বইটিও তাই।

    পৃঃ ২.৫১
    খতীবের রেওয়ায়েতে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ বর্ণনা করেন: আমি রসূলুল্লাহর (সাঃ) এমন তিনটি মোজেযা দেখেছি যে, তাঁর প্রতি কোরআন অবতীর্ণ না হলেও আমি তাঁর প্রতি ঈমান আনতাম। আমরা এক মরুভূমিতে গেলাম। মরুভূমির সম্মুখে রাস্তা বন্ধ ছিল হুযুর (সাঃ) সেখানে মলত্যাগ করলেন। সেখানে আলাদা আলাদা জায়গায় দু’টি খেজুর বৃক্ষ ছিল। হুযুর (সাঃ) বললেন: জাবের এই বৃক্ষ দু’টিকে এক জায়গায় চলে আসতে বল। আমি তাই করলাম। উভয় বৃক্ষ এক জায়গায় এসে এমনভাবে মিলিত হয়ে গেল, যেন তারা একই শিকড় থেকে উদ্গত। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাঃ) উযু করলেন। আমি মনে মনে বললাম: তাঁর পবিত্র উদর থেকে যা কিছু নির্গত হইয়েছে, তা আমি খেয়ে নিব। কিন্তু আমি দেখলাম, মাটি পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন ছিল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি মলত্যাগ করেননি? তিনি বললেন: হাঁ, কিন্তু মাটির প্রতি আদেশ আছে নবীগণের উদর থেকে নির্গত বস্তু যেন সে গোপন করে ফেলে। এরপর উভয় বৃক্ষ পৃথক হয়ে স্বস্থানে চলে গেল। এরপর আমাদের চলার পথে একটি কাল সাপ দেখা গেল। সে তার ফণা রসূলুল্লাহর (সাঃ) কানের কাছে রেখে কিছু কানাকানি করল। এরপর এমন অদৃশ্য হয়ে গেল যেন মৃত্তিকা তাকে গিলে ফেলেছে। আমি আরয করলাম, হুযুর, আপনি এই সাপ দেখে ভয় পাননি? তিনি বললেন: এটি সাপ নয়, জিনদের দূত। জিনরা একটি সূরা ভূলে যাওয়ার পর ওকে আমার কাছে পাঠিয়েছে। আমি তার সামনে কোরআন শরীফ তুলে ধরেছি।
    এরপর আমরা একটি গ্রামে পৌঁছলাম। একদল লোক চাঁদের মত সুন্দর একটি উন্মাদ বালিকাকে নিয়ে আমাদের সামনে এল। তারা বলল: ইয়া রসূলুল্লাহ! এই বালিকার জন্যে দোয়া করুন। রসূলুল্লাহ (সাঃ) দোয়া করলেন এবং বালিকাটির উপর যে জিনের আছর ছিল সেটিকে লক্ষ্য করে বললেন: তোর সর্বনাশ হোক। আমি আল্লাহর রসূল মোহাম্মদ। তুই এই বালিকার কাছ থেকে চলে যা। একথা বলতেই বালিকা তার মুখের উপর নেকাব টেনে নিল। তার লজ্জাশরম ফিরে এল এবং সে সুস্থ হয়ে গেল।

    পৃঃ২.৫০
    আবুশ শায়খ ও আবূ নঈমের রেওয়ায়তে বেলাল ইবনে হারেছ বলেন: আমরা একবার নবী করীম (সাঃ)-এর সাথে আরাজ নামক স্থানে অবতরণ করলাম। আমি তাঁর নিকটে পৌঁছে কর্কশ কণ্ঠের আওয়াজ শুনতে পেলাম। মনে হচ্ছিল যেন অনেক মানুষ ঝগড়া বিবাদ করছে। রসূলুল্লাহ (সাঃ) হেসে হেসে বললেন: আমার সামনে মুসলমান জিন ও কাফের জিনরা তাদের বিবাদ পেশ করেছে। তারা আমার কাছে থাকার জায়গা চেয়েছে। আমি মুসলমান জিনদের হবসে এবং মুশরিক জিনদেরকে গওরে থাকার জায়গা দিয়েছি। রাবী বর্ণনা করেন, গ্রাম ও পাহাড়ের নাম হবস এবং পাহাড় ও সমুদ্রের মধ্যবর্তী স্থানকে বলা হয় গওর। হবসে বিপদে পড়লে রক্ষা পাওয়া যায়, কিন্তু গওরে রক্ষা নাই।

    পৃঃ ২.৫০
    আবূ নঈম ইবনে ওমর (রাঃ) থেকে রেওয়ায়েত করেন; রসূলুল্লাহর (সাঃ) কাছে জিনদের দূত দ্বীপ থেকে আগমন করে। কিছুদিন অবস্থান করে ফেরার সময় পাথেয় তলব করে। তিনি বললেন: আমার কাছে তো এই মুহুর্তে তোমাদেরকে দেবার মত কিছু নেই। তবে তোমরা যা হাড্ডি পাবে, তাতে গোশত এসে যাবে এবং যে গোবর পাবে, তা খোরমা হয়ে যাবে। একারণেই রসূলুল্লাহ (সাঃ) হাড্ডি ও গোবর দিয়ে এন্তেজা করতে নিষেধ করেছেন।

    পৃঃ ১.৪৮০
    আবূ নয়ীম হযরত ইবনে মসউদ (বাঃ) থেকে রেওয়ায়েত করেন যে, তিনি বলেন: আমরা খয়বর যুদ্ধে রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার ইচ্ছা করে আমাকে বললেন: আবদুল্লাহ! দেখ তো আড়াল করার কোন বস্তু দৃষ্টিগোচর হয় কি না? আমি একটি বৃক্ষ দেখতে পেয়ে তাঁকে জানালে তিনি বললেন: দেখ, আরও কিছু দেখা যায় কিনা? আমি এ বৃক্ষ থেকে যথেষ্ট দূরে আরও একটি বৃক্ষ দেখলাম। রসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: উভয় বৃক্ষকে বলে দাও যে, আল্লাহর রসূলের নির্দেশে তোমরা পরস্পরে মিলে যাও। আমি ঊভয় বৃক্ষকে তাই বলে দিলাম। তারা পরস্পরে একত্রিত হয়ে গেল। প্রয়োজন শেষে রসূলুল্লাহ (সাঃ) প্রস্থান করলে প্রত্যেক বৃক্ষ পুনরায় আপন আপন স্থানে চলে গেল।

    পৃঃ ১.১২৬ ১২৭
    আবূ ইয়ালা, তিবরানী ও ইবনে আসাকির হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)—থেকে রেওয়ায়েত করেন যে, এক ব্যক্তি নবী করীম (সাঃ)—এর কাছে এসে বলল: ইয়া রসূলুল্লাহ! আমি আমার কন্যার বিবাহ ঠিক করেছি। আপনি আমাকে সাহায্য করুন। তিনি বললেন: আমার কাছে তো কিছু নাই। এক কাজ কর। একটি চওড়া মুখের শিশি ও একটি কাঠি নিয়ে আমার কাছে এস। লোকটি এগুলো নিয়ে এল। রসূলুল্লাহ (সাঃ) আপন উভয় বাহু থেকে ঘাম মুছে শিশিতে ভরতে লাগলেন। শিশি ভরে গেলে তিনি তা লোকটিকে দিয়ে বললেন: তোমার কন্যাকে বলবে—সে যেন এ কাঠীটি শিশিতে ভিজিয়ে নেয় এবং সুগন্ধিরূপে ব্যাবহার করে। কথিত আছে—সে এ খোশবু ব্যাবহার করলে মদীনাবাসীরা তা অনুভব করে। তাই তারা এ গৃহকে খোশবূর গৃহ বলে অভিহিত করে।

    পৃঃ ১.১২৫ ১২৬
    ঘর্ম
    মুসলিমের রেওয়ায়েতে হযরত্ আনাস বর্ণনা করেন—নবী করীম (সাঃ) আমাদের গৃহে আগমন করলেন এবং “কায়লুলা” (দ্বিপ্রহরের নিদ্রা) করলেন। তাঁর পবিত্র শরীর থেকে ঘর্ম প্রবাহিত হতে লাগল। আমার জননী শিশি নিয়ে এলেন এবং ঘর্ম মুছে তাতে ভরতে লাগলেন। রসূলুল্লাহ (সাঃ) এর চোখ খুলে গেল। তিনি জজ্ঞাসা করলেন: উম্মে সুলায়ম, কি করছ” তিনি বললেন এ ঘর্ম সুগন্ধি রূপে আমরা ব্যবহার করি। কেননা, এটা অত্যান্ত উৎকৃষ্ট সুগন্ধি।

    এই রূপ আরও ভূরি ভূরি উদাহরণ আছে—কোনটি ছেড়ে কোনটি উদ্ধ্ৃতি করব বুঝতে পারছি না। বেশীর ভাগই রেখে দিলাম ভবিষয়তের জন্য।

    • গোলাপ সেপ্টেম্বর 7, 2011 at 12:23 পূর্বাহ্ন - Reply

      @ আবুল কাশেম /অবিশ্বাসী মুক্তমনাবৃন্দ,

      “কোরান অনলি” এবং সুবিধাজনক হাদিসে বিশ্বাসী আমরা এসব আজে বাজে হাস্যপদ হাদিসে আস্থা রাখি না। এসব হাদীস ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ফসল, ইহুদী-নাসারাদের চক্রান্ত।সঠিক ইসলাম জানতে পড়ুন বিজ্ঞানময় কুরান, এমন কোন আয়াত আপনি দেখাতে পারবেন না যা কিনা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে সামঞ্জস্যহীন। উদাহরন, সুরা নমল-আয়াত ১৬-৪৪ (২৭:১৬-৪৪)। পড়ে আরব্য উপন্যাসের কথা মনে আসলে জানবেন তা শয়তানের কারসাজী; আল্লাহ রুপকথা লিখেন না। এই সুস্পষ্ঠ আলোকময় কিতাবের অবিশ্বাসীদের জন্য অপেক্ষা করছে অনন্ত অগ্নিবাস ও রক্ত-পুঁজ মিশ্রিত খাবার। নিশ্চয় তারা পথভ্রষ্ট, মহামূর্খ। আল্লাহ তাদের অজ্ঞানতা আরো বৃদ্ধি করবেন শুধু এ কারনে যে তারা আল্লাহ এবং তার রসুলকে অবিশ্বাস করে। নিস্চয়ই তিনি পবিত্র, মহা-জ্ঞানী, প্রবল পরাক্রমশালী। সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর, আমরা তারই ইবাদত করি।

      • আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 7, 2011 at 10:43 পূর্বাহ্ন - Reply

        @গোলাপ,

        এসব হাদীস ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ফসল

        ঠিকই লিখেছেন—ইমাম জালালুদ্দিন সিয়ুতি নিশ্চয়ই ইহুদীদের কাছ হতে মোটা টাকা পেয়েছিলেন–আর নাসরারা হয়ত ইমাম সিয়ুতিকে দিয়েছিল অঢেল নারী মাংস।

        আশ্চর্য্যের ব্যাপার! আমাদের দেশের সব মক্তব মাদ্রাসার মুরিদরা কিন্তু ইমাম সিয়ুতির বই মুখস্ত করে।

        • ব্রাইট স্মাইল্ সেপ্টেম্বর 7, 2011 at 6:03 অপরাহ্ন - Reply

          @আবুল কাশেম,

          আশ্চর্য্যের ব্যাপার! আমাদের দেশের সব মক্তব মাদ্রাসার মুরিদরা কিন্তু ইমাম সিয়ুতির বই মুখস্ত করে।

          আমাদের দেশেতো বাচ্চা ছেলে মেয়েদেরকে নামাজ ও কোরান শেখার জন্য মক্তব মাদ্রাসায় পাঠানো হয়। মক্তব মাদ্রাসার ইমামগন যদি এইসব সুরার অনুবাদ বাচ্চাদেরকে বলেন তাহলেতো এইসব অদ্ভুত আজগুবি আর লোক ঠকানো ব্যাপারগুলো বাচ্চাদেরকে প্রতিনিয়ত শেখানো হচ্ছে। সাধে কি আর বড় হয়ে লোকজন এই সবে বিশ্বাস করতে আরম্ভ করে আর বিজ্ঞান বিমূখ হয়ে পড়ে, ধর্ম দিয়ে ব্রেইন ওয়াশের কাজটাতো ছোট বেলায় করা হয়ে গেছে। কোরান হাদিস থেকে এগুলো শিখে মানুষতো আরও ধান্দাবাজ ও ফটকাবাজ হওয়ার সুযোগ পায়। ;-(

    • স্বাধীন সেপ্টেম্বর 7, 2011 at 4:43 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,

      পড়েই তো বমি আসছে ;-(

    • সফ্টডক সেপ্টেম্বর 8, 2011 at 10:55 অপরাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,
      ‘বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী ব্যক্তিত্ব আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী’ এর আর একটি অবশ্য-পাঠ্য পুস্তক হচ্ছেঃ “লাক্বতুল মারজ্বানি ফী আহকামিল জ্বান্ন” মানে জ্বিন জাতির বিস্ময়কর ইতিহাস। জিনের বিশ্বকোষ হিসেবে বিবেচিত বইটার সরল বাঙলা অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ হাদীউজ্জামান এবং মদিনা পাবলিকেশন্স থেকে এটা প্রকাশিত হয়েছে।
      মানুষের বোধ-বুদ্ধি কেমন হলে এসব গল্প-কাহিনী বিশ্বাস করতে পারে তা ভাবতেও অবাক হতে হয়। আগ্রহী পাঠকদের জন্য কোরানের সংশ্লিষ্ট সুরা জ্বীন এবং বইটির লিঙ্ক দি‍‍চ্ছি।
      জ্বিন জাতির বিস্ময়কর ইতিহাস
      সূরা আল জ্বীন।
      যাঁরা মনে করেন, আধুনিক মানুষ আর এসবে বিশ্বাস করে না, তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে বিস্ময়!
      সম্প্রতি জ্বীন ডাক্তার এর করা অপারেশন এর পত্রকিায় প্রকাশিত সরেজমিন খবরটি দেখতে হলে এখানে খোঁচা দিন।

      • আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 9, 2011 at 2:04 পূর্বাহ্ন - Reply

        @সফ্টডক,

        এই সংবাদের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

        আমি বইটি পড়ব।

      • সাদাচোখ ডিসেম্বর 21, 2011 at 7:23 অপরাহ্ন - Reply

        @সফ্টডক,

        বইটা পড়ার মত ধৈর্য্য নেই। জ্বীন চিকিৎসার খবরটা দেখলাম নয়া দিগন্তের। এই জামাতি বাস্টার্ডদের কাছে আর কি আশা করা যায়?

  6. সীমান্ত ঈগল সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 12:33 অপরাহ্ন - Reply

    যে কোন পাহাড়ী রাস্তায় নামার সময় ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলেও কোন সমস্যা নেই গড়ী ঠিকই নিচেনেমে আসবে রাস্তা দিয়ে যদি ড্রাইভার সাহেব স্টিয়িরং ধরে থাকেন এখানে অলৌকিতা খোঁজা খুবই আমোদের বিষয় :)) :lotpot:

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:33 অপরাহ্ন - Reply

      @সীমান্ত ঈগল,

      ঠিক বলেছেন।

  7. কৌস্তুভ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:34 পূর্বাহ্ন - Reply

    ইন্টারেস্টিং লেখা। এইটার কথা একটুখানি শুনেছিলাম, আপনার থেকে বিশদে শুনলাম।

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:33 অপরাহ্ন - Reply

      @কৌস্তুভ,

      পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। 🙂

  8. THIKANA সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 12:50 পূর্বাহ্ন - Reply

    আমি একজন বোকা মানুষ বলেছেন ,
    আর টিভির খবরে দেখলাম মদিনার কোন এক জায়গায় কোন প্রকার ফুয়েল ছাড়া গাড়ি চলছে ! পানির নিম্নমুখী প্রবাহ না হয়ে উপরের দিকে হচ্ছে ! কিভাবে সম্ভব ? কেউ কি বিস্তারিত জানাতে পারবেন?
    এখানে অলৌকিক বা রহস্যের কিছু আছে, কে বলেছে ?

  9. কাজি মামুন সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 11:36 অপরাহ্ন - Reply

    লেখাটি একই সঙ্গে মজার এবং জ্ঞানবর্ধক। চ্যানেল আইয়ের নুরুল ইসলাম ফারুকি ‘কাফেলা’ নামক অনুষ্ঠানে এমন অনেক আজগুবি জিনিস দেখান! আশা করি, লেখক ‘কাফেলা’র আজগুবি গল্পগুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেবেন!

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:32 অপরাহ্ন - Reply

      @কাজি মামুন,

      টিভি দেখার সুযোগ তেমন হয়ে ওঠে না। এই কাজটি আমার পক্ষে মনে হয় করা সম্ভব হবে না। দুঃখিত।

  10. আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 9:02 পূর্বাহ্ন - Reply

    খাসায়েসুল কুবরা থেকে কিছু ইসলামি মোজেজা দেখুন

    পৃঃ ১.১০১

    দোলনায় চাঁদের সাথে কথাবার্তা
    বায়হাকী, ছাবুনী, খতীব ও ইবনে আসাকির হযরত আব্বাস ইবনে আবদুল মোত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বললেন: ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি আপনার নবুয়তের এ আলামত দেখে ঈমান এনেছি যে, আপনি চাঁদের সাথে বাক্যালাপ করেছিলেন এবং তার দিকে আঙ্গুলে ইশারা করেছিলেন। আপনি যে দিকে ইশারা করতেন, চাঁদ সেদিকেই হেলে যেত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: আমি চাঁদের সাথে কথা বলেছিলেম এবং চাঁদ আমার সাথে কথা বলছিল। সে আমাকে ক্রন্দনে সান্ত্বনা দিচ্ছিল। চন্দ্র যখন আল্লাহর আরশের নীচে সেজদা করে, তখন আমি তার তস্‌বীহ শুনতে পাই।

    বায়হাকী বলেনঃ এ হাদিসটি কেবল আহ্‌মদ ইবনে ইবরাহীম জেলী রেওয়ায়েত করেছেন, যিনি একজন মজহুল (অজ্ঞাত) রাবী। ছাবুনী বলেনঃ এ হাদিসের সনদ দুর্বল হলেও হাদীসের বাণী মোজেযা অধ্যায়ে হাসান (গ্রহণযোগ্য)।

    পৃঃ ১.১৮৭
    আবূ নয়ীম আরতাত ইবনে মুনযীর থেকে রেওয়ায়েত করেছেন যে, তিনি যমরাহ্‌ থেকে শুনেছেন—মদীনার এক নারীর সাথে এক জিনের দৈহিক সপর্ক ছিল। জিন একবার উধাও হয়ে গেল এবং অনেক দিন পর্যন্ত তার কাছে এলোনা। এরপর সেই জিন এক ছিদ্রের মধ্য থেকে আত্মপ্রকাশ করল। মহিলা তাকে বললঃ ছিদ্রের মধ্য থেকে আসার অভ্যাস তোমার ছিলনা। এখন এলে কেন? জিন বললঃ মক্কায় এক নবী আত্মপ্রকাশ করেছেন। তাই আজ তোমাকে শেষ ছালাম জানাতে এসেছি।

    পৃঃ ১.২৬৩
    হাকেম, তিবরানী ও ইবনে মরদুওয়াইহি সফওয়ান ইবনে মুয়াত্তাল থেকে বর্ণনা করেন যে, আমরা হজ্বের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যখন আরাজ নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন একটি সাপকে ছটফট করতে দেখলাম। কিছুক্ষণ পরেই সেটি মারা গেল। এক ব্যক্তি সেটিকে কাপড়ে জড়িয়ে দাফন করে দিল। এরপর আমরা মক্কায় পৌঁছলাম। আমরা যখন মসজিদে হারামে ছিলাম, তখন অকস্মাৎ এক ব্যক্তি এসে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে গেল। এবং বলল, তোমাদের মধ্যে আমর ইবনে জাবেরের সঙ্গী কে? আমরা বললাম, আমরা আমর ইবনে জাবেরকে চিনি না। সে বলল, তোমাদের মধ্যে কে একটি সাপ দাফন করেছে? লোকেরা একজনকে দেখিয়ে বলল, সে। লোকটি বলল: হুযুর ( সাঃ) এর খেদমতে যে নয়জন জিন কোরআন শুনতে এসেছিল, এই সাপটি ছিল তাদের সর্বশেষ জীন।

    পাঠকেরা চাইলে আরও অনেক ইসলামি মোজেজা দেখান যেতে পারে।

    • স্বপন মাঝি সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 11:15 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,

    • স্বপন মাঝি সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 11:23 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,
      ছোট বেলায় রূপকথার গল্প শোনার জন্য মুখিয়ে থাকতাম। মেঘে মেঘে বেলা তো আর কম হল না, তবুও কারো কারো গল্প শুনে সেই ছোট বেলা আবার ফিরে আসে। গল্প শোনার জন্য মন আনচান করতে থাকে। আর কিছু না, এই যে সহজ করে রুপকথার সেই দানব আর জ্বীন-পরী নিয়ে কথা বলছেন, আরো শুনতে ইচ্ছে করছে।

    • সফ্টডক সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 2:52 অপরাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,
      দারুণ সব মো‍জেজা। আরো শুনতে চাই!

    • আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 3:25 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,

      পৃঃ ১.১৮৭
      আবূ নয়ীম আরতাত ইবনে মুনযীর থেকে রেওয়ায়েত করেছেন যে, তিনি যমরাহ্‌ থেকে শুনেছেন—মদীনার এক নারীর সাথে এক জিনের দৈহিক সপর্ক ছিল। জিন একবার উধাও হয়ে গেল এবং অনেক দিন পর্যন্ত তার কাছে এলোনা। এরপর সেই জিন এক ছিদ্রের মধ্য থেকে আত্মপ্রকাশ করল। মহিলা তাকে বললঃ ছিদ্রের মধ্য থেকে আসার অভ্যাস তোমার ছিলনা। এখন এলে কেন? জিন বললঃ মক্কায় এক নবী আত্মপ্রকাশ করেছেন। তাই আজ তোমাকে শেষ ছালাম জানাতে এসেছি।

      পৃঃ ১.২৬৩
      হাকেম, তিবরানী ও ইবনে মরদুওয়াইহি সফওয়ান ইবনে মুয়াত্তাল থেকে বর্ণনা করেন যে, আমরা হজ্বের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে যখন আরাজ নামক স্থানে পৌঁছলাম, তখন একটি সাপকে ছটফট করতে দেখলাম। কিছুক্ষণ পরেই সেটি মারা গেল। এক ব্যক্তি সেটিকে কাপড়ে জড়িয়ে দাফন করে দিল। এরপর আমরা মক্কায় পৌঁছলাম। আমরা যখন মসজিদে হারামে ছিলাম, তখন অকস্মাৎ এক ব্যক্তি এসে আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে গেল। এবং বলল, তোমাদের মধ্যে আমর ইবনে জাবেরের সঙ্গী কে? আমরা বললাম, আমরা আমর ইবনে জাবেরকে চিনি না। সে বলল, তোমাদের মধ্যে কে একটি সাপ দাফন করেছে? লোকেরা একজনকে দেখিয়ে বলল, সে। লোকটি বলল: হুযুর ( সাঃ) এর খেদমতে যে নয়জন জিন কোরআন শুনতে এসেছিল, এই সাপটি ছিল তাদের সর্বশেষ জীন।

      জীন পরীতে আক্রান্ত ব্যক্তি ছোট বেলায় কিছু দেখেছি। কি ভাবে জীন চালক গন এসে তদবির করে তাও দেখেছি। এখন মনে হয় এগুলি প্রায়ই “HISERIA” রোগীর লক্ষন।
      আর আজকাল তেমন একটা জীন পরীতে আক্রান্ত ব্যক্তি দেখা যায়না।

      আরো কিছু মোজেজা বর্ননা করুন।

      ধন্যবাদান্তে,
      আঃ হাকিম চাকলাদার
      নিউ ইয়র্ক

    • আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 6:36 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম

      ভুল সংশোধন,দুখিত.

      আমার পুর্ববর্তি মন্তব্যে HISERIA স্থলে HYSTERIA হইবে।

      ধন্যবাদান্তে,
      আঃ হাকিম চাকলাদার
      নিউ ইয়র্ক

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:31 অপরাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,

      :hahahee: :hahahee: :lotpot: :lotpot: :lotpot:

      ধূর, ছোটবেলা টম এন্ড জেরী দেখার জন্য শুধু শুধু বাবা মায়ের হাতে ঝাড়ি খেয়েছি। এরচেয়ে হাদিস পড়লেই তো বেশি মজা পেতাম। :))

    • Fahim আগস্ট 30, 2012 at 2:07 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম, ভাইয়া এই গুলা কোন হাদিস গ্রন্থে আসে জানাইলে সুবিধা হয়, হাদিস গ্রন্থ আছে প্রধানত ৬ টা, এই টা সবাই জানে, তাই দয়া করে যদি জানাইতেন এই ৬ তার কোন হাদিস গ্রন্থ থেকা দিলেন, সুবিধায় হয়, কারন আপনি অথবা আমিও হাদিস গ্রন্থ বানাইয়া ফালাইতে পারি, কিন্তু সেই টা তো আর রাসুল(সাঃ) এর হাদিস গ্রন্থ হবে না, তাই আপনি যদি একটু Reference টা দিয়া দিতেন ভাল হইত,

      • আবুল কাশেম আগস্ট 30, 2012 at 8:40 পূর্বাহ্ন - Reply

        @Fahim,

        খাসায়েসুল কুবুরার লেখক হচ্ছেন ইমাম জালালদ্দিন সিয়ুতি।
        সিয়ুতি হচ্ছেন ইসলামি বিশ্বের অন্যতম বিশিষ্ট পণ্ডিত। এই ইমামের লেখা অনেক বই বাঙলাদেশ সহ প্রায় সব মদ্রাসায় পাঠ্যপুস্তক। খাসায়েসুল কুবুরা উনার এক অন্যতম বিশ্ববিখ্যাত বই। যেই সব গল্প কাহিনী এই বইতে লেখা হয়েছে–তা হয়ত আপনার আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে।

        কিন্তু ইসলামি বিশ্বে এইসব কাহিনী খুবই বিশ্বাসের সাথে গ্রহণ করা হয়।

        বিশ্বাস ন হলে কোন মসজিদ অথবা মদ্রাসার ইমামকে এই বই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন।

        আমি আজকাল মুক্তমনায় তেমন বচরণ করি না। প্রয়োজনে আপনি আমার সাথে ব্যক্তিগত ই-মেইলে যোগাযোগ করতে পারেন।

  11. সফ্টডক সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 5:18 পূর্বাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ সাদাচোখ, চমৎকার পোষ্টটির জন্য। (Y)

    ‘বায়দা উপত্যকা’ বা ‘জীন উপত্যকা’টি মদিনা থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে। এখানকার ব্যাপারটি আসলেই একটি দৃষ্টি বিভ্রম। Google Earth থেকে যে কেউ ব্যাপারটা যাঁচাই করে নিতে পারেন। শুরুতে প্রায় ৩১০০ ফুট উচ্চতা থেকে কমতে কমতে প্রায় ১৮৪৮ ফুট উচ্চতা নিয়ে রাস্তাটি বিস্তৃত হয়েছে স্বল্প দূরত্বের ব্যবধানে, ফলে একটা ‍গাড়ী ইন্জিনের সাহায্য ছাড়াই ঘন্টায় ১৪০ কিমি গতি অর্জন ক‍রবে এতটা ঢালু বলে। এখানে অলৌকিকত্বর কোন স্থানই নেই। একজন প্রত্যক্ষদর্শী ‘মমিন মুসলমান’ এর চাক্ষুষ প্রমাণ দেখুন এখানে।

    যথারীতি আমাদের পয়গম্বরটির প্রতারণা এ ব্যাপারেও বিস্তৃত, দুটো হাদিস রয়েছে এ নিছক প্রাকৃতিক ঘটনাটাকে পুঁজি করেঃ
    ১. আয়েশা বর্ণিতঃ একটা হানাদার সৈন্যদল মক্কা থেকে মদিনা দখল করতে এগিয়ে আসবে। পথিমধ্যে বায়দা উপত্যকায় পৌঁছুলে সমগ্র বাহিনীকে জমিন গ্রাস করবে।
    ২. আল্লাহ্’র নবী একদির যায়েদ বিন হারেস এর সাথে উপত্যকার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় একজন ইহুদি তাঁকে চ্যালেন্জ দিলেন, ‘এখানে কোন স্বাক্ষী যদি তাঁর নবুয়তের পক্ষে পাওয়া যায় তবে তি‍নি ইসলাম গ্রহণ করবেন।’ সাথে সাথে উপত্যকার সমস্ত বৃক্ষরাজি সমূলে আলোর গতিতে ছুটে এলো এবং নবুয়তের পক্ষে সাক্ষ্য দিল। ইহুদি ইসলাম গ্রহণ করলেন, আর নবীর নির্দেশে সকল বৃক্ষরাজি স্ব স্ব স্থানে ফিরে গেলো।

    আমাদের দূর্ভাগ্য, টিভি চ্যানেলগুলো এসব এখনও প্রচার করছে আর শিক্ষিত (?) লোকজন এসব প্রবল নির্ভরতার সাথে বিশ্বাস করে চলেছেন! :-Y

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:25 অপরাহ্ন - Reply

      @সফ্টডক,

      হাসিদ দুটি বিষয়ে জানাবার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভিডিওটি আপাতত দেখতে পারছি না স্লো নেটের কারনে, পরে দেখে নেব।
      টিভি চ্যানেলগুলোর কোন সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকলে ধর্মের নামে এসব ছাগলামী বন্ধ করতো।

      আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

  12. স্বপন মাঝি সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 3:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    ধর্ম-ব্যবসায়ীরা এতে একটু নড়েচড়ে বসবে। এ ধরণের লেখা কিছুটা হলেও তাদের (ধর্ম-ব্যবসায়ীদের) পথে কাঁটা হয়ে থাকবে।
    লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:14 অপরাহ্ন - Reply

      @স্বপন মাঝি,

      যারা ধর্মব্যবসায়ীদের খপ্পরে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে আছে, তার আর যাই হোক নাস্তিক নরাধমদের জায়গা মুক্তমনাতে আসবে না। :))

  13. ব্রাইট স্মাইল্ সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 1:28 পূর্বাহ্ন - Reply

    কোন ঘটনাকে “আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন” বলে চালিয়ে মানুষকে ধোঁকা দেয়ার কাজগুলোকে বন্ধ করা দরকার। তাই এই ধরনের লেখা সর্বসাধারন্যে প্রকাশ করা খুবই জরুরী। (Y)

    • নৃপেন্দ্র সরকার সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 2:43 পূর্বাহ্ন - Reply

      @ব্রাইট স্মাইল্,

      কোন ঘটনাকে “আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন” বলে চালিয়ে মানুষকে ধোঁকা দেয়ার কাজগুলোকে বন্ধ করা দরকার। তাই এই ধরনের লেখা সর্বসাধারন্যে প্রকাশ করা খুবই জরুরী।

      জেরুজালেমে একটা কাঁচের বাক্সে একখন্ড পাথর মেঝে থেকে ২০ ইঞ্চি উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। মাধ্যাকর্ষন বল এই পাথরের উপর কাজ করে না। কারণ পাথর খন্ডটি হযরত মুহম্মদ স্বহস্তে বেহেস্ত থেকে এনেছিলেন প্রমান স্বরূপ। আমার সহকর্মী (প্যালেস্টেনিয়ান) নিজে দেখেছেন। (তিনি ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনীয়ারিং এ পিএইডি।)

      আমি তাঁকে প্রশ্ন করে বিব্রত করতে চাইনি।

      • ব্রাইট স্মাইল্ সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 5:42 পূর্বাহ্ন - Reply

        @নৃপেন্দ্র সরকার,

        জেরুজালেমে একটা কাঁচের বাক্সে একখন্ড পাথর মেঝে থেকে ২০ ইঞ্চি উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে।

        আপনার সহকর্মীটিকে বলবেন তিনি যেন খুব বড় কোন মেজিসিয়ানের শো-তে যেয়ে এর থেকেও বড় কোন অলৌকিক পারফরমেন্স দেখে আসেন। তা হলে নিশ্চয়ই তিনি সেই মেজিসিয়ানকেই মুহম্মদের চেয়ে বড় কোন নবী হিসাবে মানা আরম্ভ করে দিবেন।

      • আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 5:06 অপরাহ্ন - Reply

        @নৃপেন্দ্র সরকার,

        জেরুজালেমে একটা কাঁচের বাক্সে একখন্ড পাথর মেঝে থেকে ২০ ইঞ্চি উপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। মাধ্যাকর্ষন বল এই পাথরের উপর কাজ করে না। কারণ পাথর খন্ডটি হযরত মুহম্মদ স্বহস্তে বেহেস্ত থেকে এনেছিলেন প্রমান স্বরূপ। আমার সহকর্মী (প্যালেস্টেনিয়ান) নিজে দেখেছেন। (তিনি ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনীয়ারিং এ পিএইডি।

        আজ্ঞে,আমি ও ছোট বেলায় শুনতাম কাবা ঘরে যে কৃষ্ণ পাথর আছে তা মাটির কিছু উপরে শুন্যের উপরে ভাসন্ত অবস্থায় আছে,যেটা হাজীরা চুম্বন করে থাকে। তখন অতি কম লোকে হজে যাইতো।খুববেশী খবরাখবর পাওয়া যেতনা।

        এখন তো সব জায়গা থেকে প্রতি বৎসর অজস্র লোক হজে যাইতেছে।

        এখন কিনতু কেহ আর বলেনা পাথরটাকে শুন্যের উপর ভাসন্ত অবস্থায় চাক্ষুস দেখে এলাম।

        মুলতঃ আমরা আজব অদ্ভুত ঘটনা শুনতে ও বিশ্বাষ করতে বেশী উৎসাহী তাই তার পিছনে সত্যতা আর যৌক্তিকতা থাকুক আর নাই থাকুক।

        ধন্যবাদান্তে,
        আঃ হাকিম চাকলাদার
        নিউ ইয়র্ক

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:11 অপরাহ্ন - Reply

      @ব্রাইট স্মাইল্,

      ধন্যবাদ। (F)

  14. বাঙাল সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 12:50 পূর্বাহ্ন - Reply

    বিষয়টি উপভোগ্য ও কৌতুহলোদ্দীপকও বটে।জানা ছিল না।লেখককে ধন্যবাদ।প্রকৃতিকে বিজ্ঞান ও বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষকে অলৌকিকতার (কু)বিশ্বাস থেকে বিজ্ঞান সচেতন করার জন্য।সত্যের জয় অবশ্যাম্ভাবী

  15. বাঙাল সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 12:49 পূর্বাহ্ন - Reply

    বিষয়টি উপভোগ্য ও কৌতুহলোদ্দীপকও বটে।জানা ছিল না।লেখককে ধন্যবাদ।প্রকৃতিকে বিজ্ঞান ও বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষ অলৌকিকতার (কু)বিশ্বাস থেকে বিজ্ঞান সচেতন করার জন্য।সত্যের জয় অবশ্যাম্ভাবী।

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:11 অপরাহ্ন - Reply

      @বাঙাল,

      পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

  16. রাহনুমা রাখী সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 12:28 পূর্বাহ্ন - Reply

    দারুন তো!
    ইন্টারেস্টিং!

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:08 অপরাহ্ন - Reply

      @রাহনুমা রাখী,
      ধন্যবাদ। 🙂

  17. আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 6:45 অপরাহ্ন - Reply

    ধন্যবাদ ফরিদ আহমেদ কে লেখাটি মুল পাতায় এনে ,এই নূতন বিষয়টি আমাদের জানার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য,যা পূর্বে আমি কখনো ও শুনি নাই।

    ধন্যবাদান্তে,
    আঃ হাকিম চাকলাদার
    নিউ ইয়র্ক

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:06 অপরাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,

      ফরিদ আহমেদ কে অনেক অনেক ধন্যবাদ। সাথে সাথে লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

  18. সাইফুল ইসলাম সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 4:21 অপরাহ্ন - Reply

    আমি এই ব্যাপারে প্রথম শুনলাম। অনেক ধন্যবাদ ব্যাপার দৃষ্টিগোচর করার জন্য।

    • গোলাপ সেপ্টেম্বর 11, 2011 at 8:54 অপরাহ্ন - Reply

      এক জাপানী বৈজ্ঞানিক, কুকিচি সুগিহারা, বাস্তবে এই ‘দৃষ্টি-ভ্রম (optical Illusion)’ ব্যাপারটি প্রমান করে দেখিয়েছেন। ২০১০ সালের আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান প্রতিযোগীতায় শ্রেষ্ঠ পুরুষ্কারটি তিনি জিতে নেন। নিচের দুটি ভিডিও দেখুনঃ

      httpv://www.youtube.com/watch?v=hAXm0dIuyug&feature=player_embedded

      httpv://www.youtube.com/watch?v=vmkaVoLoFEU&feature=fvwrel

      http://www.cbc.ca/news/technology/story/2010/05/14/nb-magnetic-hill-mystery-solved-1019.html

  19. রাজেশ তালুকদার সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 2:06 অপরাহ্ন - Reply

    আরে এই বিষয়টা নিয়ে মোটেই কোন ধারনা ছিল না আমার। চমৎকার বিষয় নিয়ে লিখেছেন।

    ধন্যবাদ।

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:04 অপরাহ্ন - Reply

      @রাজেশ তালুকদার,

      আপনাকেও ধন্যবাদ। 🙂

  20. কাজী রহমান সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 1:18 অপরাহ্ন - Reply

    হুমম্ আবার সেই ধর্মীয় ভোগ্লামী। এই সব ইলুইশনকে ভিত্তি করে ধান্দাবাজী ফটকাবাজী এখনো হয় তাহলে। ভক্ত চোখে যা ধরা পড়েনা, সাদা চোখে তা ধরা পড়েছে অবলিলায়। ধন্যবাদ সাদা চোখ।

    • THIKANA সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 1:03 পূর্বাহ্ন - Reply

      @কাজী রহমান,
      এখানে অলৌকিক বা রহস্যের কিছু আছে, কে বলেছে ?

      • কাজী রহমান সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 3:02 পূর্বাহ্ন - Reply

        @THIKANA,

        কিছুদিন আগে কোন একটা বাংলাদেশী টিভি চ্যানেলে দেখছিলাম সৌদীআরব এর বিভিন্ন স্থান দেখানো হচ্ছে। সেখানে মদীনার এক আজব জায়গা দেখানো হল, যেখানে ইঞ্জিন বন্ধ রেখে গাড়ি চালিয়ে নেওয়া যায়। উপস্থাপক মূল রহস্যের কথা না বলে বিষয়টাকে শুধু “আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন” বলে বকবক করে গেলেন।

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:04 অপরাহ্ন - Reply

      @কাজী রহমান,

      আপনাকেও ধন্যবাদ। 🙂

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:07 অপরাহ্ন - Reply

      @কাজী রহমান,

      এই সব ইলুইশনকে ভিত্তি করে ধান্দাবাজী ফটকাবাজী এখনো হয় তাহলে।

      ধর্মই তো এর উৎকৃষ্ট উদাহরন।

  21. ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 10:34 পূর্বাহ্ন - Reply

    আপনি যদিও এই লেখাটিকে ব্যক্তিগত ব্লগে প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু, এটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়, গুরুত্বপূর্ণ এবং মুক্তমনার চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবার কারণে আপনার অনুমতি ছাড়াই মূল পাতায় নিয়ে এলাম। মুক্তমনার পাঠকরা এত চমৎকার একটা লেখা থেকে বঞ্চিত হোক, সেটা কাম্য নয় আমার।। তবে, এ বিষয়ে আপনার আপত্তি থাকলে জানাতে পারেন। সেক্ষেত্রে এটিকে আবার আপনার ব্লগে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

    • গীতা দাস সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 2:15 অপরাহ্ন - Reply

      @ফরিদ আহমেদ,
      আপত্তি থাকা উচিত নয়।

      • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 10:53 অপরাহ্ন - Reply

        @গীতা দাস,

        অবশ্যই উচিৎ না। 🙂

    • জাহিদ রাসেল সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 9:55 অপরাহ্ন - Reply

      @ফরিদ ভাই, আমার মনে হওয়া মুক্তমনার চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিন্তু অন্য ব্লগে প্রকাশিত লেখা গুলো মুক্ত-মনায় প্রকাশের ব্যাপারে আরো শিথিলতা দেখানো হোক। ভালো লেখা অন্য ব্লগে প্রকাশ হলে মুক্ত-মনায় প্রকাশ হলে দোষ কি তা আমার বোধগম্য নয়! যেমন কাল দেখলাম আমার ব্লগে হুরাস আদমের উচ্চতা নিয়ে খুব সুন্দর একটা পোষ্ট দিয়েছেন, কিন্তু সম্ভবত অন্যব্লগে প্রকাশের বাধার জন্যে তিনি তা মুক্ত-মনায় প্রকাশ করেন নাই। তাই আমার আবেদন মুক্তমনার চেতনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ লেখাগুলো মুক্ত-মনায় প্রকাশ করা হোক।

      হোরাসের পোষ্টের লিংকঃ

      মানুষের উচ্চতা কতটুকু হতে পারে? …

      • সফ্টডক সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 9:32 অপরাহ্ন - Reply

        @জাহিদ রাসেল,
        ধন্যবাদ আপনাকে, লিঙ্কটি দেয়ার জন্য। আসলেই চমৎকার একটি পোষ্ট।
        সাথের মন্তব্য-প্রতিমন্তব্যগুলো বিনোদন বোনাস।
        হোরাসকে অভিনন্দন! (Y)

      • ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 10:05 অপরাহ্ন - Reply

        @জাহিদ রাসেল,

        শিথিলতা দেখাতে পারলে আমরাই খুশি হতাম। আমরাও চাই এই সমস্ত অলৌকিকতার যে মিথগুলো চালু আছে, সেগুলোকে বৈজ্ঞানিকভাবে ভুল প্রমাণ করা বিষয়ে লেখালেখি হোক মুক্তমনায়। কোরান হাদিস বা নবী রাসুলকে নিয়ে টানা-হেঁচড়ার চেয়ে, আমার মতে এগুলো নিয়ে বেশি বেশি করে লিখলে তা ধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই এ অনেক বেশি কার্যকর হবার কথা। কিন্তু, শিথিলতা দেখানোর বিষয়ে আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখপ্রদ নয়। আমাদের শৈথিল্যের সুযোগে অনেকেই বিভিন্ন ব্লগে তাঁদের প্রকাশিত পুরোনো লেখাগুলোকে মুক্তমনায় ডাম্প করেছেন। এ বিষয়ে আমরা কঠোর হবার পরে কেউ কেউ অভিমান করে মুক্তমনা ত্যাগ করে চলেও গিয়েছেন।

        নিয়মের শৈথিল্য না ঘটিয়েও দুটো উপায়ে আমরা এ ধরনের লেখাগুলোকে মুক্তমনায় নিয়ে আসতে পারি।

        একঃ লেখাটা মুক্তমনায় আগে প্রকাশ করা। তারপর অন্য ব্লগে দেওয়া। সামহোয়ারইন এর নিয়মকানুন জানি না আমি। তবে, আমারব্লগের নিয়মনীতি যথেষ্ট শিথিল বলেই জানি। কাজেই মুক্তমনার পরে সেখানে প্রকাশ করার ব্যাপারে কোনো বাধা না থাকাটাই স্বাভাবিক।

        দুইঃ অন্য কোথাও প্রকাশ হয়ে গিয়েছে কোনোভাবে। কিন্তু লেখক চাচ্ছেন যে লেখাটির গুরুত্বপূর্ণ বিধায় তা মুক্তমনাতেও প্রকাশ করতে। এক্ষেত্রে তিনি মডারেটরের কাছে লেখাটি পাঠিয়ে গুরুত্বটাকে ব্যাখ্যা করে অনুমতি চেয়ে নিয়ে পারেন।

        • জাহিদ রাসেল সেপ্টেম্বর 5, 2011 at 10:19 অপরাহ্ন - Reply

          @ফরিদ ভাই, দুটো প্রস্তাবই ভালো। মডারেটরদের কাছ থেকে এ বিষয়ে একটা পোষ্ট আসলেও খারাপ হয় না।

        • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:01 অপরাহ্ন - Reply

          @ফরিদ আহমেদ,

          আমার জানামতে সামহোয়ারইনে এমন কোন নিয়ম নেই যে সেখানে পূর্বে অন্য কোথাও প্রকাশিত লেখা প্রকাশ করা যাবে না।

          আশা করি সব বিষয় বিবেচনা করে মুক্তমনা মডারেটগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।

      • আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 6:20 পূর্বাহ্ন - Reply

        @জাহিদ রাসেল,
        ধন্যবাদ আপনাকে মুল্যবান “হোরাসের পোস্টের লিংক” টা দেওয়ার জন্য।বুঝতে পারলাম কোন মানুষের পক্ষ্যে ৯০ ফুট উচু হয়ে বেচে থাকা এক রকম অসম্ভব।
        আমি তো এই হাদিছ গুলিই জানতাম না।

        আর একটি প্রশ্নের ব্যাখ্যা দিবেন কি ?

        আমি এই মুহুর্তে রেফারেন্স টা দিতে পারবনা। কোরানের কোন এক জায়গায় আছে,”হজরত মুছা নবী ফেরাউন জাতিকে ৯০০ শত এবং ১০০ এর অর্ধেক ( ৯৫০)বছর পর্যন্ত আল্লাহর পথে আনবার জন্য আহ্বান করেছিলেন।”

        ৯৫০ বছর আয়ু পাওয়া কি কখনো মানব জাতির জন্য সম্ভব হয়েছিল?

        ধন্যবাদান্তে,
        আঃ হাকিম চাকলাদার
        নিউ ইয়র্ক

        • জাহিদ রাসেল সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 8:48 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আঃ হাকিম চাকলাদার, @আঃ হাকিম চাকলাদার, বৈজ্ঞানিক বা যৌতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে তো অবশ্যই ৯৫০বছর পর্যন্ত বাঁচা সম্ভব না। তবে ধর্ম এসব ব্যাপারে গোজামিল দিতে উস্তাদ। তারা হয়তো বলবে তখন ৩০ দিনে বছর হতো 😛

          • ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 10:56 পূর্বাহ্ন - Reply

            @জাহিদ রাসেল,

            বৈজ্ঞানিক বা যৌতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে তো অবশ্যই ৯৫০বছর পর্যন্ত বাঁচা সম্ভব না।

            সেই দৃষ্টিকোণ থাকলেতো ধর্ম আর ধর্ম থাকতো না, হয়ে যেতো বিজ্ঞান।

            ৯৫০ বছর বেঁচে বাস্তবে মানুষ পেয়েছিল কি না জানা নেই, তবে ঈশ্বর যে সৃষ্টির শুরুর দিকে উদার হাতে মানুষকে আয়ু বিলিয়েছেন, এটা জানি। বাবা আদম বেঁচে ছিলেন ৯৩০ বছর, নুহ নবী দুনিয়াতে দিনযাপন করেছেন ৯৫০ বছর। আমাদের যেখানে ষাট-সত্তুর বছর বেঁচে থাকতেই ঘাম ঝরে যায়, সেখানে এদের কেউ কেউ বাবা হতেই সময় লাগিয়ে দিতেন একশ বছর। নুহ নবীতো সবাইকে টেক্কা দিয়ে ছেড়েছিলেন। বাবা ডাক প্রথম শুনেছিলেন তিনি পাঁচশো বছর বয়সে।

            বাইবেল অনুযায়ী আদিপুরুষদের আয়ুর একটা তালিকা এখানে তুলে দিলাম। এটা দেখার পরে নিশ্চিতভাবেই সকলের মনে আফসোস জাগ্রত হবে এদের তুলনায় আমাদের আয়ু এত কম দেখে। ক্ষুব্ধ হয়ে কেউ কেউ ঈশ্বর যে পক্ষপাতী লোক ছিলেন, সেরকম অভিযোগ তুললেও আমি অবাক হবো না একটুকুও।

            [img]http://blog.mukto-mona.com/wp-content/uploads/2011/09/257312_f260.jpg [/img]

            • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 11:04 অপরাহ্ন - Reply

              @ফরিদ আহমেদ,

              রূপকথা শুনতে ভালোই লাগে। :lotpot: কিন্তু বিশ্বাস করতে বললেই তো সমস্যা। :-X

      • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 10:54 অপরাহ্ন - Reply

        @জাহিদ রাসেল,

        আপনার মন্তব্যের সাথে সহমত। হোরাসের লেখাটির লিংকের জন্য ধন্যবাদ।

    • সাদাচোখ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 10:52 অপরাহ্ন - Reply

      @ফরিদ আহমেদ,

      প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি দেরীতে উত্তর দেবার জন্য। গত কয়েক দিন মেইল এবং মুক্তমনার কোনটাই চেক করা হয়নি। সেজন্য এই লেখা প্রকাশের জানতে পারিনি। আর আমি কল্পনাও করিনি লেখাটা প্রথম পাতায় আসবে।

      অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখাটি প্রথম পাতায় দেবার জন্য। আপত্তির তো প্রশ্নই ওঠে না। 🙂

      ভালো থাকবেন।

মন্তব্য করুন