খোয়াব

By |2011-09-04T10:57:28+00:00সেপ্টেম্বর 2, 2011|Categories: গল্প|14 Comments
লিখেছেনঃ শাখা নির্ভানা
ঢাকা শহরের এই এক অসুবিধা-জায়গা ছোট, লোক বেশী। মহল¬ার ছোট ঈদগাটার বেলায়ও তাই ঘটেছে আজ। মাঠটা ভরে ফেলতে তিন-চারশ লোকই যথেষ্ট। মুসালি¬তে গিজ গিজ করছে মাঠটা- সাদা টুপি মাথায় মুসালি¬। এই এলাকারই একজনের শেষ কৃত্য হবে এখানে। সাদা আলখাল¬া পরে অনেক মানুষ এসেছে একজন লোকের জানাজা পড়তে। তারা কেউ এই মহল্লার, আবার কেউবা বাইরের। সাজিয়ে গুছিয়ে সাদা খাটিয়ায় করে মুর্দাকে রাখা হয়েছে মিম্বরের ঠিক সামনে। ইমাম সাহেব গলা খাখারি দিলেন। হাজেরানে মজলিসের উদ্দেশ্যে তিনি কিছু বলতে চান।
-মুসাল্লি ভাইয়েরা আফনেরা সবাই গায়ে গা লাগায়া একলগে খারান। দুই খামছা মাইনষের ভেতরে একখাল পরিমান ফারাক কইরা দারাইবেন না।
হুজুরের কথায় কাজ হলো। সবাই কাছাকাছি সরে এলো- কাতার বন্দী হলো। বাছ্ ঐ পর্যন্তই।
চোখের নিমেষে আবার যা তাই। আবার সেই এক খালের ফারাক।
নামাজীদের মুখোমুখী হলেন আবার ইমাম সাহেব। সবার দিকে তাকিয়ে একটা হালকা হাসি দিলেন- ইষৎ রাগ আর বিদ্রুপ মিশানো এক হাসি। যা বলার তিনি বলে দিয়েছেন। বদী নেকী সব মানুষের হাতে। গোনাহ হলে তাদের। তার কোন দায় নইে এতে।
-ভাইয়েরা, বুজছি আমনেরা এক হইবেন না। রাজনীতির একটা ব্যাপার আছে এইহানে। আমদল আর জামদলের হ¹লে আইছেন জানাজায়, বালা কতা। তয় আমার কতা হইলো- নামাজের কাতারে হ¹লে সমান।
ইমাম সাহেব কিছু সময় থামলেন। এদিক ওদিক তাকালেন। কি জানি খুজছেন তিনি। সামান্য দূরে ঈদগার সীমানায় ছাতিম গাছটার তলায় দেখতে পেলেন মজিদ মিঞার বিধবা বিবি চার পাঁচ বছরের দুটো বাচ্চা দুই হাতে ধরে বসে আছে। মহিলার চোখে শূণ্য দৃষ্টি, সেখানে শোকের চেয়ে অনিশ্চয়তার আতংক কাজ করছে বেশী- অনিমেষ তাকিয়ে আছে স্বামীর মৃতদেহের দিকে। হুজুর কি দেখলেন আর কি বুঝলেন তিনিই জানেন-শুধু মাঝারী সাইজের একটা দীর্ঘশ্বাস সাবধানে গোপন করলেন।
আবার ভাল করে ঝেড়ে কেসে গলা পরিষ্কার করলেন ইমাম সাহেব। আরও কিছু বলার আছে তার। হুজুর সুকন্ঠী নন। সত্য কথা বলতে পারেন তিনি সেই কন্ঠে। তাতে অনেকে নাখোশ হয় তার উপর। কিচ্ছু করার নেই। তিনি চিনির সুরুয়া মিশিয়ে কথা বলতে পারেন না, উচিত কথাটা মুখের উপরেই বলতে পছন্দ করেন। এজন্য অনেকে তাকে ‘কাষ্টে’ হুজুর বলে। তা বলে বলুক। তাতে তার কিচ্ছু যায় আসে না। নেকীর পথ অত সোজা না। সেই বসেুর কন্ঠে খাকারী দিলেন হুজুর। দুয়েকটা কথা বলা দরকার মুসাল্লিদের।
-ভায়েরা, আফনেরা জানেন আমি কারও জানাজা পড়ার আগে মোর্দার দু-একটা নেকী কাজ, তার কোন ভাল আকিদা থাকলে সেসব মুসালি¬দের বইলা থাকি। আমাগো হুজুর সাল¬াল¬াহ এইডা করতেন।
আরেকবার সশব্দে গলা পরিষ্কার করলেন হুজুর। পানভরা গালে তর্জনীতে লাগানো কিছুটা চুন মুখে দিয়ে বাকীটা টোক্কা দিয়ে ছুড়ে দিলেন শূন্যে। পান চিবানো চলছে দ্রুত। জানাজার নামাজের আগে মুখ খালি করতে হবে। আল¬াহর রসুলের সুন্নতের ব্যাপারে কোন গাফিলতি নেই তার। আবার ওয়াজ শুরু করলেন হুজুর।
-শুনেন ভাইসব। আইজ যে মজিদ মিঞার দাফনের জন্য আপনেরা এই ঈদগায় জমায়েত হইছেন, তিনি এক অতি সাধারণ বান্দা আছিলেন। এজিবি অপিসের অতি সামান্য এক কেরানী আছিলেন তিনি। দিন আনি দিন খাই অবস্থা আছিল তার। বড় নেকী বান্দা তিনি- কোন দিন এক পয়সা ঘুষ খান নাই, খাইলে তার অবস্থা অন্যরকম হইতো। এই মাইনষের কোন শত্র“ থাহনের কতা না। তারপরেও উনি মারা গেলেন অপঘাতে-রাজনীতির জনসভায় গুলি খাইয়া। এই অফিস করা আর পরিবারের দেহাশুনা করা ছারা ওনার আর কোন স্বপ্ন আছিল না। তয় ওনার চোখে একখান খোয়াব আছিল। প্রায়ই আমার লগে কতা হইতো তার এইসব নিয়া। উনি খোয়াব দেখতেন মানুষের স্বভাব চরিত পরিবর্তনের, নিয়মকানুণ, সংসার, সমাজ বদলের। তার এই স্বপ্পন তৈরী হইছিল নেতা নেত্রীদের মেঠো বত্তৃতা শুইনা শুইনা। কোন রাজনীতির সভায় উনি গরহাজীর হইতেন না। নেতাদের কতা উনি গিল¬া খাইতেন, সত্য ভাবতেন সব কতা। আফনেরাই কন, নিতারা কি সব কতা সত্য বলেন? সব কতা কি রাখতে পারেন? এইহানে তো এই মহল¬ার সবাই আছেন- আমদল, জামদল দুই দলেরই নেতারা আছেন- আফনেরাই কন?
কেউ কোন উত্তর দেয়না। দিতে পারেনা। শুধু মাটির দিকে চোখ রেখে মাথা নীচু করে থাকে। মাথা নীচু করে থাকাটা কি কোন লজ্জা শরমের প্রকাশ নাকি উদাসীনতা কিছুই বোঝা যায় না। ওয়াজ আবার শুরু করলেন ইমাম সাহবে।
– ভইসব, মজিদ সাব কোন বিখ্যাত লোক আছিলেন না, ছিলেন ছাপোষা কেরানী। তার জানাজায় এত লোক হইবো এইডা আমি ভাবতেই পারি নাই। লোক বেশী হইছে বালা কতা, তয় কেমনে কি হইলো? রাতারাতি কেমনে তিনি বিখ্যাত হইলেন, এইডা আমার কাছে রহস্য লাগতাছে। বরো কতা হইলো- উনি বালা মানুষ আছিলেন। আল¬ায় উনার বেহেস্ত নসিব করুক আমরা সবাই এইটা চাই।
জানাজার নামাজ শুরু করলেন ইমাম সাহেব। তরিকা বাতলে দিলেন মুসালি¬দের-কিভাবে পড়তে হয় নামাজ।
ওদিকে মজিদ মিঞার বিধবা বউ, সালেহা বেগম ‘পোলাপান’ নিয়ে ছাতিম গাছের নীচে বসে অপেক্ষা করছে, কখন একনজর দেখতে পাবে সে তার মৃত স্বামীর মুখটা। মুসালি¬রা তাকে দেখতে দেয়নি স্বামীর মুখ। মরার পরে স্বামী নাকি পরপুরুষ হয়ে যায়। মুখ দেখা তখন বেজায় গোনাহ- গোনায় কবীরা। সালেহা বেগম স্মরণ করে অতীত। এই এতটা বছর এই অদ্ভুত লোকটার সাথে ঘর করেছে সে, অথচ ভাল কোন ব্যাবহার তার সাথে সে করেছে বলে মনে পড়েনা তার। সেই দুঃখটা গুমরে গুমরে বুকের ভেতরটায় হাপরের মত উঠা নামা করছে। নিজেরে বড্ড বেশী অপরাধী আর ছোট লাগছে তার। তারপরেও তার চোখে কোন জল নেই। সব চোখের পানি যেন শুকিয়ে গেছে। আগামীকাল এই দুটো বাচ্চাকে নিয়ে সে কোথায় দাড়াবে সেই চিন্তা পাথরের মত শক্ত হয়ে চোখের ভেতরে বসে গেছে সালেহা বেগমের। পাথরে পানি থাকে না। তাই তার কান্নাও নেই। মনে পড়ে তার- এই খেয়ালী মানুষটারে বিয়া করেছিল সে ঠিকই। কিন্তু তার সাথে সাথে অভাবকেও বিয়া করতে হইছিল তার। না করে কি করবে সে? ততোধিক অভাবী বাবাকে তো একটা স্বস্তি দিতে হবে তার। ভাবে সালেহা বেগম-“সারাজীবন রাজনীতি রাজনীতি কইরা জীবনটা কাটাইয়া দলি মানুষটা, আর শেষকালে সেই রাজনীতি তারে খাইলো? জমের দুরারে পাঠাইলো তারে ? কতদিন এই লোকটা অসুস্থ্য পোলাপান থুইয়া মাঠের বক্তৃতা শুইনা রাতে ঘরে ফিরছে। কতদিন বাজার না কইরা খালি হাতে ঘরে ফিরছে হুদা বক্তিমা মাথার ভেতরে ভইরা। পাগল আছিল লোকটা, এক্কারে পাগল।”
হঠাৎ করে লোকজনের কোলাহলে ঘোর কেটে গেল সালেহা বেগমের। ততক্ষনে জনাজা পড়া শেষ হয়ে গেছে। কি করছে ঐ মুসাল্লরিা? খাটিয়া ধরে অমন টানা হেচড়া করছে কেন ওরা? কিছু একটা ঘটেছ।ে দেখতে হবে কি ঘটছে তার স্বামীরে নিয়ে। মুহুর্তের ভেতরে সাহসী হয়ে যায় সালেহা বেগম, দুরন্ত সাহসী। ছেলে মেয়ে দুটোরে হাতে ধরে খীপ্র বাঘিনীর মত বিধবা লাফ দিয়ে এসে পড়ে মোর্দার সামনে-তার মৃত পরপুরুষের সামনে। মুখ দিয়ে আগুন ঝরে তার।
-বহুত অইছে। লাশ নিয়ে ছেলেখেলা খেলতে দিমুনা। মোর্দা কান্দে কইরা মিছিল দেওনের কাম নেই। ছারেন কইলাম, আমার স্বামীর খাটিয়া ছাইরা খারান।
খাটিয়া ধরে দড়াটানাটানিতে ব্যাস্ত আমদল আর জামদলের নেতারা খাটসহ মোর্দাকে মাটিতে নামিয়ে রাখে। জানবাজ বাঘিনী দেখে তারা মুহুর্তের জন্য ভড়কে যায়। পরবর্তী কর্মসূচী কি হতে পারে তা স্থির করতে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে, সময় কাটায় উভয় দলের লোকেরা, কর্মীরা।
এবার সশব্দ কান্নায় শব্দময় হয়ে উঠে বিধবা মহিলা। অশ্র“হীন সেই কান্নায় ভেঙ্গে না পড়ে আরও শক্ত মারমুখী হয়ে এগিয়ে আসে সে।
– এই মানুষটা সারাটা জীবন আমারে, আমার পোলাপানেরে কষ্ট দিছ।ে নিজেও এট্টু শান্তি পায় নাই। এই সবই করছে সে আফনেগো লাইগা। আফনাগো দলের লাইগা। রাতারাতি তারে আফনেরা মজিত মিঞা থেইকা মজিদ সাব বানাইছেন। এহন তারে বানাইতে চান নিজেগো দলের কর্মী? ভঙ্গ দ্যান, বহুত অইছে। নিজের শান্তি নষ্ট কইরা সারা জীবন সে বিনে পয়সায় আফনেগো লাইগা খাটছ।ে এহন আল¬ার অস্তে তারে এট্টু শান্তি দ্যান। মাটির ভেতরে শান্তিতে এট্টু গুমাইতে দ্যান।
খালি পা দিয়ে মাটির উপরে বারবার আঘাত করতে থাকে বিধবা নারী, সাথে উচ্চকিত কান্নার অশ্র“হীন লাভা জ্বালিয়ে দেয় যেন আশপাশের কুটিল স্বার্থপরতার গলিত ভাগাড়। লোকজনের ভেতরে একটুখানি দয়ার মত কিছু একটা ফিরে আসে। খাটিয়া ছেড়ে তারা একটু দুরে এসে দাড়ায়। সম্ভবত রনে ভঙ্গ দিতে চায় তারা। আমদল, জামদল ভঙ্গ দিতে চাইলেও, চায় না শফি পাগলা। এই মহল¬ার একমাত্র ভয়ংকর পাগল সে। কোথা থেকে উড়ে এসে দুই দলের মাঝখানে দাড়িয়ে যায় মালকোচা মারা উদোম শরীরের শফি পাগল। চোখ পাকিয়ে মুখ দিয়ে গরল ঢালতে থাকে সে বিরমহীন।
-যাহ, যাহ, দূর হ। মরা ভাইয়ের মাংশ খা। কুত্তার গোশতো খা। জাগন্নামের আগুন খা। পারবি না, পারবি না, মজিদ মিঞার গোশতো খাইতে পারবি না। সময় থাকতে পালা, নইলে কপালে কষ্ট আছে। যাহ, যাহ দূর হ।
শফি পাগলা তেড়ে আসে। মুসালি¬রা আস্তে আস্তে সরে পড়ে যার যার কাজে। আমদল, জামদল তাদের স্বপ্নভঙ্গের দুঃখ বুকে চেপে সুড় সুড় করে অন্তঃরালে চলে যায় তাদের মত করে, নতুন কোন দুঃস্বপ্নের জন্ম দেবে বলে। ঈদগার মাঠ প্রায় নির্জন পড়ে থাকে। পায়ে পায়ে মুর্দার খুব কাছে চলে আসে বিধবা। আজ সে বিদ্রোহী। স্বামীর মুখের সাদা নেকাব সরিয়ে ফেলে সে। শেষবারের মত মৃত স্বামীকে দেখার সাধ মিটলো তার। কিন্তু কি আশ্চর্য্য, এতটা নিশ্চিন্ত মুখ, এতটা আনন্দিত, আর সুখী মুখ সে তো আগে কখনও দেখেনি- সেভাবে দেখেনি। বুঝতে পারেনা বিধবা নারী, মজিদ মিঞার মুখে তার স্বপ্ন ছোয়ার আনন্দটা লেগে আছে- পরিবর্তনের স্বপ্ন।

About the Author:

মুক্তমনার অতিথি লেখকদের লেখা এই একাউন্ট থেকে পোস্ট করা হবে।

মন্তব্যসমূহ

  1. বাসার সেপ্টেম্বর 8, 2011 at 12:43 পূর্বাহ্ন - Reply

    সুন্দর!

    • শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 8, 2011 at 5:55 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বাসার,
      অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

  2. গীতা দাস সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 12:26 অপরাহ্ন - Reply

    @শাখা নির্ভানা,
    চমৎকার লেখা। লাশ নিয়ে রাজনীতির বিষয়টি গল্পের মূলসুর। মানবিক আবেদনের দিকটিও স্পষ্ট। যেমনঃ

    হুজুর কি দেখলেন আর কি বুঝলেন তিনিই জানেন-শুধু মাঝারী সাইজের একটা দীর্ঘশ্বাস সাবধানে গোপন করলেন।

    আরও আছে ধর্ম ও নারী। যেমনঃ

    মুসালি¬রা তাকে দেখতে দেয়নি স্বামীর মুখ। মরার পরে স্বামী নাকি পরপুরুষ হয়ে যায়। মুখ দেখা তখন বেজায় গোনাহ- গোনায় কবীরা। সালেহা বেগম স্মরণ করে অতীত।

    আরও গল্পের অপেক্ষায়।

    • শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 9:51 অপরাহ্ন - Reply

      @গীতা দাস,
      গল্পের মূল সুর ধরতে পেরেছেন- এজন্য ধন্যবাদ। সব গল্পের ভেতরে শিল্প কর্ম থাকে সেগুলো সবাই ধরতে পারে না। কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  3. ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 11:00 পূর্বাহ্ন - Reply

    অত্যন্ত শক্তিশালী একটা গল্প। গল্প লেখায় আপনার হাত অসাধারণ। অনুমান করছি যে, এটাই আপনার প্রথম গল্প নয়। মুক্তমনায় আপনার গল্প নিয়মিত দিতে পারেন। খুশি হবো।

    • শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 9:45 অপরাহ্ন - Reply

      @ফরিদ আহমেদ,
      গল্প বিশেষ করে ছোট গল্প লেখা আমার একটা শখ। সম্পুর্ন নিজের জন্য লিখি। আরো বেশ কিছু গল্প আছে লেখা। সমালোচনার ভয়ে প্রকাশের সাহস হয় না। সাহস দিলে এখন থেকে লিখবো। ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

      • ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 2:03 পূর্বাহ্ন - Reply

        @শাখা নির্ভানা,

        সমালোচনার ভয়ে প্রকাশের সাহস হয় না।

        প্রশংসার লোভেই না হয় প্রকাশ করুন। 🙂

        নির্জন ব্যালকনিতে গোলাপের চাষ একা একা করলেতো হবে না, লোকজনকে সেই ফুল দেখাতেও হবে।

        • শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 6, 2011 at 4:15 পূর্বাহ্ন - Reply

          @ফরিদ আহমেদ,
          লিখব। তবে গঠন মূলক সমালোচনা খুবই কাজ দেয়। অনেক ধন্যবাদ।

  4. আঃ হাকিম চাকলাদার সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 6:46 অপরাহ্ন - Reply

    লাস লয়ে আমাদের দেশের একটি বাস্তব কুৎসিত চিত্র আমাদের চোখের সামনে ফুটিয়ে তুললেন,এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
    এ ধরনের বাস্তব চিত্র আরো তুলে ধরলে আমরা জানতে আগ্রহি।
    আমাদের দেশের আমদল জামদল সমুহ রাজনৈতিক উদ্যেশ্য সাধনে যতটা বেশী কলাকৌশল ব্যবহার করতে জানেন,বিদেশের আমদল জামদল সমুহ মনে হয় এ ব্যাপারে নিতান্ত অজ্ঞ।

    ধন্যবাদান্তে,
    আঃ হাকিম চাকলাদার
    নিউ ইয়র্ক

    • শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 1:52 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আঃ হাকিম চাকলাদার,
      একদম সত্য কথা বলেছেন। দেশের দুষিত রাজনীতি আমাদের প্রচন্ড ভোগায়। ধন্যবাদ।

  5. সাইফুল ইসলাম সেপ্টেম্বর 3, 2011 at 9:40 পূর্বাহ্ন - Reply

    আপনার লেখনীর হাত ভালো লাগল। নিয়মিত লিখবেন আশা করছি। 🙂

    • শাখা নির্ভানা সেপ্টেম্বর 4, 2011 at 1:49 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সাইফুল ইসলাম,
      ধৈর্য্য ধরে পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। বেশ বানান ভুল আছে। পরের বার শুধরে নেব।

  6. স্বপন মাঝি সেপ্টেম্বর 2, 2011 at 11:06 পূর্বাহ্ন - Reply

    লাশ নিয়ে রাজনীতি, দেখে আমাদের বেড়ে ওঠা। মানুষ তো আর মানুষ নয়, মানব-সম্পদ। সম্পদ আহরণে এখন লাশও হয়ে উঠছে মূল্যবান এক হাতিয়ার।
    অনুগ্রহ করে লেখাটা সম্পাদনা করে নিন।

    ঢাকা শহরের এই এক অসুবিধা-জায়গা ছোট, লোক বেশী। ……………………. এই এলাকারই বুঝতে পারেনা বিধবা নারী, মজিদ মিঞার মুখে তার স্বপ্ন ছোয়ার আনন্দটা লেগে আছে- পরিবর্তনের স্বপ্ন।

    দু’বার হয়ে গেছে।

    • রামগড়ুড়ের ছানা সেপ্টেম্বর 2, 2011 at 4:55 অপরাহ্ন - Reply

      @স্বপন মাঝি,
      ধন্যবাদ,ঠিক করে দেয়া হয়েছে। আপনি মন্তব্যে পুরো পোস্টটি তুলে এনেছেন,ওটায় ছোট করে দিলাম।

মন্তব্য করুন