প্রাসঙ্গিক সংগায়ন:

Working definition of indigenous peoples by Jose R. Martinez Cobo… ” Indigenous communities, peoples and nations are those which, having a historical continuity with pre-invasion and pre-colonial societies that developed on their territories, consider themselves distinct from other sectors of the societies now prevailing on those territories, or parts of them. They form at present non-dominant sectors of society and are determined to preserve, develop and transmit to future generations their ancestral territories, and their ethnic identity, as the basis of their continued existence as peoples, in accordance with their own cultural patterns, social institutions and legal system. This historical continuity may consist of the continuation, for an extended period reaching into the present of one or more of the following factors:

a) Occupation of ancestral lands, or at least of part of them;

b) Common ancestry with the original occupants of these lands;

c) Culture in general, or in specific manifestations (such as religion, living under a tribal system, membership of an indigenous community, dress, means of livelihood, lifestyle, etc.);

d) Language (whether used as the only language, as mother-tongue, as the habitual means of communication at home or in the family, or as the main, preferred, habitual, general or normal language);

e) Residence on certain parts of the country, or in certain regions of the world;

f) Other relevant factors.

“On an individual basis, an indigenous person is one who belongs to these indigenous populations through self-identification as indigenous (group consciousness) and is recognized and accepted by these populations as one of its members (acceptance by the group).

“This preserves for these communities the sovereign right and power to decide who belongs to them, without external interference”

ILO Definition: Article 1 of ILO Convention No. 169 contains a statement of coverage rather than a definition, indicating that the Convention applies to:

“a) tribal peoples in independent countries whose social, cultural and economic conditions distinguish them from other sections of the national community and whose status is regulated wholly or partially by their own customs or traditions or by special laws or regulations;

“b) peoples in independent countries who are regarded as indigenous on account of their descent from the populations which inhabited the country, or a geographical region to which the country belongs, at the time of conquest or colonization or the establishment of present state boundaries and who irrespective of their legal status, retain some or all of their own social, economic, cultural and political institutions.”

5. Article 1 also indicates that self-identification as indigenous or tribal shall be regarded as a fundamental criterion for determining the groups to which the provisions of this Convention apply.

6. The two terms “indigenous peoples” and “tribal peoples” are used by the ILO because there are tribal peoples who are not “indigenous” in the literal sense in the countries in which they live, but who nevertheless live in a similar situation – an example would be Afro-descended tribal peoples in Central America; or tribal peoples in Africa such as the San or Maasai who may not have lived in the region they inhabit longer than other population groups. Nevertheless, many of these peoples refer to themselves as “indigenous” in order to fall under discussions taking place at the United Nations. For practical purposes the terms “indigenous” and “tribal” are used as synonyms in the UN system when the peoples concerned identify themselves under the indigenous agenda.

সংশ্লিষ্ট মূল আলোচনা :

আদিবাসী মানে আদিবাসিন্দা- এই সরলীকৃত ভুল ধারনা ও বিতর্ক অনেকের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে… আর জাতিসংঘ এবং আমেরিকার আমাদের সার্বোভৌমত্ব ক্ষুন্ন করার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের স্বতন্ত্র রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে রিস্ক/ চক্রান্তের কথা আলোচনা হয়, সেক্ষেত্রে আমার একটা প্রশ্ন আছে, ব্যাপারটা বোধ করি এত সহজ না, ভারতও তো জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদিবাসী বিষয়ক ঘোষণায় সই করেছে (আমার ভুল হয়ে না থাকলে), সেখানে indigenous এই লিখা ছিলো … আমরা এত বড় পলিটিক্স বুঝে গেলাম, ভারত বুঝলো না, এটা কেমন করে হয়? ব্যাপারটার গভীরতা সম্ভবত আরেকটু বেশি… একটু ভেবে দেখার প্রয়োজন…

দেখুন: http://www.un.org/News/Press/docs/2007/ga10612.doc.htm

একই সঙ্গে একটি বিষয়ে প্রাথমিক আলোকপাত করি, সময়ের অভাবে এই মুহুর্তে সম্ভব না এক লহমায় বিস্তারিত আলোচনা করা… একইসাথে অন্যান্যদের মতামত ও আলোচনাও এখানে প্রত্যাশিত এবং খুবই আগ্রহী তা শুনতে। ইংরেজি Indigenous শব্দটির যে ব্যপকতা ও অর্থবহতা, আমাদের প্র্যাক্টিস বলুন, সহজভাবে গ্রহন করতে পারার অক্ষমতা বলুন অথবা সাংস্কৃতিক মান ও বোঝাপড়ার সীমাবদ্ধতা বলুন, যে কারণেই হোক, বাংলা “আদিবাসী” শব্দটি দ্বারা তার সমার্থক অর্থ আমরা প্রকাশ করতে ব্যর্থ হয়েছি সামগ্রিকভাবে। আদিবাসী যখন আদি অধিবাসী, তখন এই প্রশ্ন আমি অনেক জায়গায় উঠতে শুনেছি যে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অপরাপর পাহাড়ি ভূখন্ডের ক্ষেত্রে পাহাড়িদের বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে আদিবাসী বললে, সমতল ভূমিতে অবস্থানের বিবেচনায় একই রাষ্ট্রে কেন বাঙ্গালিরাও আদি আধিবাসী হিসেবে আদিবাসী নামে স্বীকৃত হবে না? এর ব্যাখ্যায় একটি উল্লেখযোগ্য component হতে পারে Non-dominant nations in the state… কিন্তু, বাংলা “আদিবাসী” শব্দটি এক্ষেত্রে একটি শাব্দিক জটিলতার সৃষ্টি করে/ অথবা এর সুযোগটি রাষ্ট্রের শাসক শ্রেণি নিচ্ছে! সেক্ষেত্রে এর সমাধানের রাস্তা কী হতে পারে? আমরা কি শব্দটির ব্যপকতাকে বিশ্লেষণ করে নতুন শব্দ চয়ন করবো, নাকি প্রচলিত শব্দটির বহুমাত্রিকতাকে কিভাবে সাধারণ মানুষের কাছে সহজে বোধগম্য করে তোলা যায় তার জন্য সচেষ্ট হবো। সেটা কীভাবে?

সাম্প্রতিক অনেক ঘটনা দেখেই আমি একটু চিন্তিত আসলে আমেরিকা-জাতিসংঘের পলিসি কি?! সুদান-দক্ষিন সুদানের ঘটনাটাই দেখুন… ওখানে মানুষে মানুষে যে সংঘাত তৈরি হয়েছে, জাতিগত যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, তার কিন্তু বস্তুগত ভিত্তি ঐ দেশগুলোতেই ছিলো, তৈরি করা হয়েছিলো, একদিন না, অনেকদিনের প্রচেষ্টায়; কিন্তু এখন লাভটা হচ্ছে কার? ঐ দেশের জনগণের নাকি সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইঙ্গ-মার্কিনীদের?! আজকে বাংলাদেশে বাঙালি ও অপরাপর জাতিগুলোর মাঝে বিদ্বেষের বিষ ছড়িয়ে কার লাভ আসলে? একজন খেটে খাওয়া বাঙালি আর একজন খেটে খাওয়া কোনো সাঁওতাল, হাজং, মারমা… এদের মাঝে কোনো পার্থক্য আছে কি? এদের স্বার্থগত কোনো দ্বন্দ্ব থাকে কি? আমি দেখিনি। এই দ্বন্দ্ব শাসক শ্রেনিই তার প্রয়োজনে সৃষ্টি করে, লালন করে এবং তাতে ইন্ধন জোগায় কৌশলে। আমাদের সকলেরই এই বিষয়ে সচেতন থাকাটা জরুরী। আর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার যে ষড়যন্ত্রের যে ইঙ্গিত আমাদের কিছু নামকা ওয়াস্তে বুদ্ধিজীবিরা দেন, তা পুরাটাই গাঁজাখুরি গল্প মনে হয় আমার কাছে। ইন্ডিয়াতে তো আদিবাসী/ জনজাতির সংখ্যা আমাদের থেকেও বেশি! ওখানে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন-ও চলছে কিছু প্রদেশে অনেক বছর যাবত, এবং তা বেশ শক্তিশালীও বটে, তাহলে ওরা এই চার্টারে সই করে কিভাবে? আমরা যে রিস্ক ফিল করি, ওদের তো আরো বেশি সেই রিস্ক ফিল করার কথা ছিলো!!! কিন্তু যদি আমরা আমাদের দেশের আদিবাসীদের বিষয়টি, তাদের আবেগকে বুঝতে না শিখি, পরষ্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল না হই, তাহলে আমরা নিজেরাই নিজেদের পরষ্পরের থেকে বিচ্ছিন্ন করবো, অধিকারের দাবীতে বিচ্ছিন্নতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে তখন, যে কারণে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন হতে বাধ্য হয়েছিলো… চক্রান্ত হলে, এটাই হলো সেই চক্রান্ত যে আমরা পরষ্পর নিজেদের মধ্যে সংঘাত করে এই রাষ্ট্রিটিকে বিভক্ত করবো, একজন মানুষ আরেকজনকে রক্তাক্ত করবে। তাহলেই ইঙ্গ-মার্কিন দক্ষিন এশিয়ায় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার যে পরিকল্পনা সহজে সফল হয় তা, অন্য কিছুই লাগে না। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই যে শব্দগত বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এটাকে যতদ্রুত সম্ভব দূর করা প্রয়োজন কার্যকর সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে, তা না হলে আমরা পারষ্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতিতে অনাবশ্যকভাবে পরষ্পর পরষ্পরের মুখোমুখি অবস্থান করবো হয়তো, এবং অনর্থক রক্তপাতের হাত থেকে আমাদের আদিবাসী ও বাঙালি ভাই-বোনদের রক্ষা করতে সক্ষম হবো না, যা হবে সবচেয়ে বেদনাদায়ক পরিস্থিতি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের জন্যই।

সর্বোপরি, একটি স্বাধীন, সার্বোভৌম ভূখন্ডে অবস্থিত জাতিসমূহের মাঝে বিদ্বেষ জিইয়ে রাখা হয় কার স্বার্থে… !?! কী সাঁওতাল, কী বাঙালি, কী চাকমা, কী হাজং, মারমা, রাখাইন- প্রত্যকেরই তো মূল পরিচয় আসলে মানুষ… নষ্টদের উদ্দেশ্য আমরা নির্বোধেরা আরো কতদিন সময় নিবো বুঝতে?!

বি:দ্র: যে সকল লেখা ও সাইট হতে তথ্য সহযোগিতা পেয়েছি…

http://w4study.com/?p=2272

(আদিবাসীদের বাংলা ব্লগ – w4study.com)

http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=16798

http://www.facebook.com/groups/150002018385535/

(পাহাড়ের রূদ্ধকণ্ঠ CHT Voice)

[321 বার পঠিত]