ডঃ এলিস রবার্টসের ‘‘Are we still evolving?’’

By |2011-08-19T02:23:58+00:00আগস্ট 19, 2011|Categories: জীববিজ্ঞান, জৈব বিবর্তন|13 Comments

মানুষ যে কোটি কোটি বছরের বিবর্তনের ফল এ বিষয়ে এ বিষয়টি আজকের পৃথিবীতে প্রমাণিত প্রতিষ্ঠিত সত্য। কিন্তু ‘‘মানুষের কি এখনো বিবর্তন হচ্ছে?’’- এই প্রশ্নটি সকল মানুষের কাছে এক বড় প্রশ্ন। ডঃ এলিস রবার্টস তার ‘‘Are we still evolving?’’ ডকুমেন্টারিতে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর খুঁজার চেষ্ঠা করেছেন। ডঃ এলিস জানতে চেষ্ঠা করেছেন-বতর্মান সভ্যতার সংস্কৃতিগত, প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসার উৎকর্ষতার ফলে মানুষ যেভাবে প্রাকৃতির উপর নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠা করেছে তা কি মানুষকে ডারউইন বণির্ত প্রাকৃতিক নিবার্চন প্রক্রিয়া এড়াতে সাহায্য করার মাধ্যমে মানুষের বিবর্তন প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দিচ্ছে? সেই সাথে তিনি আমাদের এই প্রজাতির বিবর্তনের ভবিষ্যতই বা কি হতে পারে তাও জানতে চেষ্ঠা করেছেন।

ডঃ এলিসের ‘‘Are we still evolving?’’ ডকুমেন্টারিটি তৈরি হয়েছে অনেকগুলো ইন্টারভিউয়ের সমন্বয়ে। ডকুমেন্টারিটিতে প্রথম ভাগে তিনি প্রাকৃতিক নিবার্চন প্রক্রিয়ার ফলে কিভাবে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হতে পারে ও মানুষের বিবর্তন হয় তা তুলে ধরেন। পরিবতির্ত অবস্থায় কত দ্রুত নতুন প্রজাতির উদ্ভব হতে পারে তা দেখাতে তিনি উপস্থাপন করেন ডাবির্সায়ারের এক কপার ফিল্ডের এক নতুন প্রজাতি কেঁচো, যেগুলো মাত্র ১৭০ বছরে মধ্যে নতুন প্রজাতিতে রুপান্তর হয়ে আর্সেনিকযুক্ত পরিবেশে বেঁচে থাকার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

ডকুমেন্টারিটিতে পরবর্তি ভাগে তিনি বর্তমানে কিভাবে মানুষের বিবতির্ত হচ্ছে তা তুলে ধরার সাথে সাথে ভবিষ্যত বিবর্তনের গতি কি হতে পারে তাও তুলে ধরার চেষ্ঠা করেছেন। ডঃ এলিসের সাথে ইউনিভার্সিট কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ষ্টিভ জোনসের(Steve Jones) ইন্টারভিউতে জোনস এই মত প্রকাশ করেন যে ,”প্রযুক্তিগত ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উৎকর্ষতার ফলে মানুষের বিবর্তন পেছেনে প্রাকৃতিক নিবার্চনের প্রভাব একদম বন্ধ হয়ে না গেলেও এর প্রভাব কমে এসেছে।” এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে তিনি সেক্সপিয়ারের সময়কার ইংল্যান্ডের শিশু মৃত্যুর হারের সাথে বর্তমান সময়ের শিশু মৃত্যুর হারের তুলনা করে দেখিয়েছেন। সেক্সপিয়ারের সময় যেখানে ৩ জন শিশুর ২ জন ২১শে পৌছান আগেই মারা যেত। আর এর পিছনে কারণ হিসেবে ছিলো নেচারেল সিলেকশন ও তাদের বহণকৃ্ত জীণ।অন্যদিকে বতর্মানের ৯৯% শিশু ২১ শে পৌছাচ্ছে।

জীববিজ্ঞানী ষ্টিফেন ষ্টিয়ার্ন্সের (Stephen Stearns) ফার্মিংহামের (Framingham, Massachusetts) অধিবাসীদের উপর পরিচালিত তার দীর্ঘ মেয়াদী গবেষনার আলোকে দেখিয়েছেন-মানুষ এখনও বিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তার মতে মানুষ তার প্রকৃতিতে যে পরিবর্তন আনছে সে পরিবর্তনই তার বিবর্তন তরান্বিত করছে।এই বিবর্তন দ্রুত হচ্ছে যখন আমরা আমাদের প্রাকৃতির দ্রুত পরিবর্তন ঘটাচ্ছি। আর সংস্কৃতিই হচ্ছে প্রকৃতির সবচেয়ে বড় অংশ যার দ্রুত পরিবর্তন ঘটাচ্ছে মানুষ এবং সংস্কৃতিই আমাদের বিবির্তনের পেছনে অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। কিন্তু আমাদের চোখে এই বিবর্তন তেমনভাবে ধরা পড়ছে না কারণ আমরা এই মুহুর্তে এই বিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে আটকে আছি। ষ্টিফেন ষ্টিয়ার্নের ভাষায়-

The direction of our future evolution is likely to be driven as much by us as by nature. It may be less dependent on how the world changes us, but ever more so on our growing ability to change the world.

মানব সভ্যতার এই পর্যায়ে, বিবর্তনের প্রক্রিয়া এক নতুন মোড় নিচ্ছে। আক্ষরিক অর্থে মানুষ তার জেনেটিক ভবিষ্যত নিজেই লিখছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কতদূর এগিয়ে গেছে তার নিদর্শন পাওয়া যায় লস এঞ্জেলাসে ডঃ জেফ স্টাইনবার্গের সাথে ডঃ এলিসের কথোপকথোন থেকে। প্রসংগ ক্রমে বলে রাখা ভালো ১৯৭৮ সালে ডঃ জেফ স্টাইনবার্গের হাতে প্রথম টেষ্ট টিউব বেবির সৃষ্টি হয়। এখন তিনি সান্তান গ্রহণে ইচ্ছুক যুগলদের তাদের অনাগত সন্তানের ডিজাইন করতে সাহায্য করছে। ডকুমেন্টারির সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশে ডঃ স্টাইনবার্গের বায়োপ্সির মাধ্যমে কিভাবে একটি এম্ব্রিয় থেকে সেল অপসারনের মাধ্যমে ভবিষ্যত শিশুদের জেনেটিক পরিবর্তন সাধন করেন তা দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন। এভাবে এম্ব্রিয় বায়োপ্সির মাধ্যমে তিনি এম্ব্রিয় থেকে জেনেটিক রোগাক্রান্ত সেল অপসারন করতে পারেন, নির্ধারন করে দিতে পারেন তাদের সেক্সও সহ তাদের চোখ ও চুলের রঙ পর্যন্ত। ডঃ স্টাইনবার্গ আশা ব্যক্ত করেন- খুব শিঘ্রই বিজ্ঞানিরা জীনের কোন অংশটি মানুষের মেধার নির্ধারণ করে তা সনাক্ত করে তাকে পরিবর্তন করার মাধ্যমে ভবিষ্যত মানুষকে মেধাবি করতে ভূমিকা রাখতে পারবে। তিনি মনে করেন মানুষের ভবিষ্যত বিবর্তনে এই প্রক্রিয়া এক বড় ভূমিকা রাখবে।

ডকুমেন্টারির একদম শেষ ভাগে ডঃ এলিস রবার্ট ভবিষ্যত বিবর্তনের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে তার মতামত দেন। তার মতে- ”যদিও এই পর্যায়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর উন্নতির ক্ষেত্রে টেকনোলজিকাল ও নৈতিক অনেক বাধা রয়েছে, কিন্তু তার পরও বলা যায় আমাদের জিনম পরিবর্তনের এই সক্ষমতা আমাদের ভবিষ্যত বিবর্তণের পেছনে বড় ভূমিকা রাখবে এবং এটা আমাদের প্রজাতির বিবর্তনের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটা স্পষ্ট যে প্রাণের উদ্ভবের পর থেকে আমাদের বিবর্তন কখনো বন্ধ থাকে নি। কিন্তু এই বিবর্তন কি হবে তা নির্ভর করে কিভাবে আমাদের পৃথিবী পরিবর্তন হচ্ছে বা আমরা আমাদের পৃথিবীকে কিভাবে পরিবর্তন করছি তার উপর। আর এখন পৃথিবী যে ভাবে দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে সেভাবে কখনই পরিবর্তন হয় নি; আর এর মানে আমাদের বিবর্তনও সম্ভবত হচ্ছে অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক দ্রুত। কে জানে আমাদের এই বিবর্তন আমাদের কোথায় নিয়ে যাবে!! কিন্তু সুদূর ভবিষ্যতে একটা ব্যাপার এড়ানো যাবে আর তা হচ্ছে- আমাদের এই পৃথিবী নাটকিয়ভাবে পরিবর্তন হবে। আর এটা যখন হবে তখন দুটো জিনিস ঘটতে পারে-
১) হয় আমাদের এই প্রজাতির ব্যাপকভাবে পরিবর্তন হবে
২) না হয় আমাদের মৃত্যু ঘটবে, অর্থ্যাৎ প্রজাতি হিসেবে মানুষের বিলুপ্তি ঘটবে।

আমরা যেমন প্রাণের বিবর্তনের কোন সর্বোৎকৃষ্ট রুপ নই তেমনি নই এর শেষ বিন্দু, আমরা শুধুমাত্র পৃথিবীতে প্রাণের যাত্রার অংশ মাত্র। এবং প্রাণের বিবর্তন সেই পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ না এই গ্রহ প্রাণের বিকাশে সহায়তা করে যাবে। আমাদের প্রজাতি ট্রি অব নামক বিশাল বৃক্ষটির একটি ক্ষুদ্র পল্লব মাত্র। আর এই পল্লবটি এখনও বেড়ে চলছে- চলছে পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। আর আমি একথা মনে করি না এর পূর্ণাংগ বিকাশ হয়ে গেছে।

ইংলেন্ডের কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি থেকে মেডিসিন ও এনাটমিতে পড়াশুনা করা ডঃ এলিস রবার্টস NHS এর Severn Deanery School of Surgery তে ডাইরেক্টর অব এনাটমি হিসেবে নিযুক্ত আছেন। ডঃ এলিস রবার্টসের তৈরি উল্লেখ যোগ্য ডকুমেন্টারির মধ্যে আছে- Don’t Die Young, The Incredible Human Journey, Wild Swimming। ডঃ এলিস রবার্টস সম্পর্কে আরো জানতে ভিজিট করতে পারেন তার ওয়েব সাইট- http://www.alice-roberts.co.uk/index.html

‘‘Are we still evolving’’ ডকুমেন্টারিটির লিংক-(part 1,3 & 4)

http://www.youtube.com/watch?v=CkxuMX9iIq0

part-2

মুক্তমনা ব্লগার

মন্তব্যসমূহ

  1. সীমান্ত ঈগল আগস্ট 22, 2011 at 8:54 অপরাহ্ন - Reply

    লেখাটি আরো ব্যপক হলে ভাল হতো। 🙂

  2. কেশব অধিকারী আগস্ট 21, 2011 at 1:18 পূর্বাহ্ন - Reply

    জাহিদ রাসেল,

    প্রথমেই ধন্যবাদ লেখাটির জন্যে। এ ধরনের প্রশ্ন খুবই স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই যারা ব্যপারটা নিয়ে ভাবেন তাদের তাড়িত করে।
    অবশ্যই বিবর্তনের একটা ধারার মধ্যেই আমরা আছি। তবে আজকের এই বিবর্তন মানে শুধুমাত্র প্রকৃতিগত বা প্রাকৃতিক কারণ সমূহের উপরেই নির্ভরশীল ঠিক তেমনটি বোধহয় নয়। আজকের এই বিশ্বায়নের যুগে মানব বিবর্তনের নিয়ামক গুলোই প্রধান ভুমিকা পালন করবে। যেগুলো খ্যাত, তাহলো-
    ১. সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের প্রভাব
    ২. খাদ্য সংস্কৃতির প্রভাব
    ৩. প্রকৌশলগত উন্নয়নের মাত্রাতিরিক্ত তেজী প্রভাব।
    ৪. আধুনিক ডিজিটালাইজেশনের প্রভাব
    ৫. চিকিৎসা বিঞ্জানের অধুনিক প্রভাব।

    উপরে ডঃ বিপ্লব পাল বিস্তারিত লিখেছেন। ডঃ পালের সাথে একটা ছোট অংশও জুড়ে দেওয়া যেতে পারে। সেহলো বিশ্ব পুঁজির বৈভব, এ মূলতঃ বর্তমান মানব প্রজাতিকে নতুন একাধিক প্রজাতি সৃষ্টির নেপথ্যের চালিকা শক্তি হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  3. মার্ক শুভ আগস্ট 20, 2011 at 9:59 অপরাহ্ন - Reply

    আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ……. :-s

  4. বিপ্লব পাল আগস্ট 20, 2011 at 7:39 অপরাহ্ন - Reply

    এই ব্যাপারটা নিয়ে একটা ছোট টার্ম পেপার লেখার জন্যে আমার কাছে একজন এপ্রোচ করেছিল-মোটামুটি নেট ঘেঁটে আমি যা বুঝেছি-একটা ছোট সামারী করেছি-সেটা এখানে দিলামঃ

    **********************

    Statement of the problem: Origin of the species and basis of evolution is deeply rooted in the process of natural selection of the genetic pools which would fit better with the environment. So in the animal kingdom, multitudes of offsprings are born and only those survive who have been born with mutations which have rendered a phenotype which made them more fit for the environment. However with the advance of human civilization which have solved the problem of food collection and medical discoveries which led to the survival of the gene pools which otherwise would not have survived in an adverse environment, process of natural selection in the human beings is entirely stopped. On the top, some other developments such as low fertility rate combined with interracial and intercontinental marriage, converging of diverse languages and cultures as a result of globalization, are forcing homogenizing of human genome map. Process of homogenization and lack of natural selection are posing a few serious threat to mankind such as

    A1. Genetic defects or alleles that are cause of disease will not be eliminated nuturally and as a result we will have a population with increasing number of genetic defects since their carriers are not “un-selected” as everybody is surviving and reproducing using advanced medical science

    A2. Due homogenization of genetic map, any epidemic that otherwise would have eliminated only a part of population due to diverse genetic map, now will be capable of eliminating whole human civilization.

    A3. Assuming solution to A1 is Genetic Engineering, ethical question needs to be unswered as such to what extent we will allow to modify human beings genetically so that it does not become a threat to the civilization?

    Source of Information:

    [1]. Byars, S. G.; Ewbank, D.; Govindaraju, D. R.; Stearns, S. C. (2009). “Evolution in Health and Medicine Sackler Colloquium: Natural selection in a contemporary human population”. Proceedings of the National Academy of Sciences 107: 1787. Bibcode 2010PNAS..107.1787B.

    [2]

    Natural selection in a contemporary human population

    PNAS October 26, 200

    Sean G. Byarsa, Douglas Ewbankb, Diddahally R. Govindarajuc and Stephen C. Stearnsa,1
    http://www.yale.edu/eeb/stearns/pdf/PNAS-2009-ByarsEtAl.pdf

    [3]
    Lethbridge Undergraduate Research Journal
    ISSN 1718-8482

    Evidence of Contemporary Modern Human Evolution Contained Within the Human Genome

    Branden E. Platter

    *******************

    Learning:

    1. Based on works conducted by S. G Byars [1][2], human evolution didn’t stop and it is still eliminating diseased alleles.

    2. Bayer found:

    2.1
    The selection for women in the Framingham Heart Study, a project of the National Heart, Lung, and Blood Institute and Boston University that began in 1948, it has been found that natural selection is acting
    to cause slow, gradual evolutionary change. The descendants of
    these women are predicted to be on average slightly shorter and
    stouter, to have lower total cholesterol levels and systolic blood
    and to reach menopause pressure, to have their first child earlier,
    later than they would in the absence of evolution. Selection is
    tending to lengthen the reproductive period at both ends

    2.2
    Because fertility is the driving force behind evolution in
    modern populations, larger effects of
    evolution on the levels of sex hormones and related traits had
    been measured. The impact of fertility on selection could
    prove especially important now that many couples that would
    otherwise remain childless can produce offspring with medical
    assistance.

    3. Platter [3] found from Human Genome research:

    3.1
    The three prime examples of current evolution: certain populations’ resistance to malaria, lactase persistence and resistance to HIV, each of which are adaptations regulated by mutant alleles.

    3.2
    Each adaptation was broken down by the different mutations responsible for that adaptation. In order to determine if these mutations are, in fact, evidence of modern evolution, they were each subjected to a strict list of criteria necessary to be deemed adaptive and evolutionary.

    3.3
    In all cases except one, the mutations passed the criteria and are considered proof that modern humans are still evolving. It is concluded that even though modern humans have the ability to buffer environmental stressors that would typically cause evolutionary changes, not all of these can be buffered and as a result, the human genome is evolving to adapt to these stressors.

    3.4
    Many mutations provide a beneficial adaptation to a selective force so by identifying these selective forces we can determine mutations that confer an adaptation to them. Some of the most prominent contemporary selective forces are high altitude hypoxia, brain size, malaria, lactose intolerance, HIV, and western biomedicine. Mutations that are currently at a high enough frequency to be considered a polymorphism are subjected to the previous criteria to determine whether or not they are consistent with requirements for determining evolution.
    ***************************************

    What is interesting and further questions:

    1. Both Bayer and Platter;s research focus on human evolution in the scale of last 6-7 decades or more. Even in mid fifties sixties, American fertility rate was quite high which still could have yielded some genetic variation and limited selection. Can that be valid now?

    2. However, Human Genome studies show that evolution will continue indefinitely ” By exploring these topics and the ability of humans to adapt to these conditions, it will show that not only has human evolution continued to the present day, but will continue indefinitely.”-but again the phenomena of single child or two child per family is entirely new phenomenon of last 50 years or so-can that be affecting this conclusion?

    3.
    Scientists point out that in developed countries, culture, technology, and especially medical advances have changed the evolutionary rules, from survival of the fittest to the survival of nearly everyone. Yet millions of people in developing countries continue to live under the combined stresses of poverty and disease. Under these conditions, even skeptics of ongoing human evolution agree that natural selection may be favoring genes that confer resistance to disease or enhance reproductive fitness in other ways. But issue is-population growth of the underdeveloped country is much higher and their migration to advanced countries are basically filling the low fertility rate of the advanced countries-which means indeed alleles from underdeveloped countries would be eventually be more frequent! This seems to be a contradiction.

  5. আঃ হাকিম চাকলাদার আগস্ট 19, 2011 at 8:13 অপরাহ্ন - Reply

    লেখক জাহিদ রাসেল কে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
    আমি নিজে Evolution সম্পর্কে নুতন নুতন তথ্য জানার জন্য অত্যন্ত আগ্রহি।
    আমার নিজরই দীর্ঘ দিনের এই প্রশ্নটি ছিল আমরা কি তাহলে বিবর্তনের একটা মধ্যবর্তি অবস্থানে আছি নাকি, আমরাই বিবর্তেনর সর্বোৎকৃষ্ট ও চূড়ান্ত ফসল?

    জাহিদ রাসেলের এই প্রবন্ধে তার সুন্দর উত্তর পেয়েছি।

    নিম্নে wikipedia encyclopedia এর একটি অংস Pest করিলাম।

    DNA contains the genetic information that allows all modern living things to function, grow and reproduce. However, it is unclear how long in the 4-billion-year history of life DNA has performed this function, as it has been proposed that the earliest forms of life may have used RNA as their genetic material.[98][110] RNA may have acted as the central part of early cell metabolism as it can both transmit genetic information and carry out catalysis as part of ribozymes.[111] This ancient RNA world where nucleic acid would have been used for both catalysis and genetics may have influenced the evolution of the current genetic code based on four nucleotide bases. This would occur, since the number of different bases in such an organism is a trade-off between a small number of bases increasing replication accuracy and a large number of bases increasing the catalytic efficiency of ribozymes.[112]

    However, there is no direct evidence of ancient genetic systems, as recovery of DNA from most fossils is impossible. This is because DNA will survive in the environment for less than one million years and slowly degrades into short fragments in solution.[113] Claims for older DNA have been made, most notably a report of the isolation of a viable bacterium from a salt crystal 250 million years old,[114] but these claims are controversial.[115][116]

    On August 8, 2011, a report, based on NASA studies with meteorites found on Earth, was published suggesting building blocks of DNA (adenine, guanine and related organic molecules) may have been formed extraterrestrially in outer space.[117][118][119]

    Uses in technologyGenetic engineeringFurther information: Molecular biology, nucleic acid methods and genetic engineering
    Methods have been developed to purify DNA from organisms, such as phenol-chloroform extraction, and to manipulate it in the laboratory, such as restriction digests and the polymerase chain reaction. Modern biology and biochemistry make intensive use of these techniques in recombinant DNA technology. Recombinant DNA is a man-made DNA sequence that has been assembled from other DNA sequences. They can be transformed into organisms in the form of plasmids or in the appropriate format, by using a viral vector.[120] The genetically modified organisms produced can be used to produce products such as recombinant proteins, used in medical research,[121] or be grown in agriculture.[122][123]
    ধন্যবাদান্তে,
    আঃ হাকিম চাকলাদার
    নিউ ইয়র্ক

  6. আস্তরিন আগস্ট 19, 2011 at 7:03 অপরাহ্ন - Reply

    মানুষ কি এখনও বিবর্তন হচ্ছে,এই প্রশ্নটা সবসময়ই মনের মধ্যে ছিল,আপনার এই লেখাটা পড়ে উত্তরটা জনতে পারলাম।অনেক অনেক ধন্যবাদ

  7. জাহিদ রাসেল আগস্ট 19, 2011 at 5:12 অপরাহ্ন - Reply

    বিজ্ঞানিরা কি এখনও পর্যন্ত এই কাজগুলোতে অন্তঃত ল্যাবরেটরিতে হলেও সফল হয়েছেন নাকি অনেকটা সাইন্সফিকশন?

    ডকুমেন্টারির ৪র্থ পর্ব থেকে আপনি আপনার সব উত্তর গুলো জানতে পারবেন। জানতে পারবেন বাচ্চাদের সেক্স, চোখ ও চুলের রঙ নির্ধারনের মতো টেকনিক্যাল সক্ষমতা বিজ্ঞানীদের আছে।আর এগুলো অবশ্যই সাইন্সফিকশন নয় কারণ তারা সেক্স নির্ধারনের মতো ব্যাপারটা এখন পর্যন্ত ৯০০০ বারের বেশি করে ফেলেছে। আর চুলের ও চোখের রঙ নির্ধারণে সক্ষম হলেও বিজ্ঞানীরা তা করতে পারছেন না ক্যাথলিক চার্চের বাধার কারণে।

    • তপন গোমেজ আগস্ট 20, 2011 at 4:37 পূর্বাহ্ন - Reply

      @জাহিদ রাসেল,

      আর এগুলো অবশ্যই সাইন্সফিকশন নয় কারণ তারা সেক্স নির্ধারনের মতো ব্যাপারটা এখন পর্যন্ত ৯০০০ বারের বেশি করে ফেলেছে।

      ঐ ৯০০০ এর মধ্যে যে কোন একটা গবেষণাপত্রের লিংক দিতে পারবেন ?

      • জাহিদ রাসেল আগস্ট 20, 2011 at 9:17 পূর্বাহ্ন - Reply

        @তপন গোমেজ, এই ডকুমেন্টারির ৪র্থ পর্বে ডঃ জেফ স্টাইনবার্গের সাথে ডঃ এলিসের ইন্টারভিউটি দেখুন।

  8. হেলাল আগস্ট 19, 2011 at 3:12 অপরাহ্ন - Reply

    @জাহেদ রাসেল,
    ডঃ স্টাইনবার্গের বায়োপ্সির মাধ্যমে কিভাবে একটি এম্ব্রিয় থেকে সেল অপসারনের মাধ্যমে ভবিষ্যত শিশুদের জেনেটিক পরিবর্তন সাধন করেন তা দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন। এভাবে এম্ব্রিয় বায়োপ্সির মাধ্যমে তিনি এম্ব্রিয় থেকে জেনেটিক রোগাক্রান্ত সেল অপসারন করতে পারেন, নির্ধারন করে দিতে পারেন তাদের সেক্সও সহ তাদের চোখ ও চুলের রঙ পর্যন্ত
    ব্যাপারটা আমার কাছে পরিষ্কার হচ্ছেনা। বিজ্ঞানিরা কি এখনও পর্যন্ত এই কাজগুলোতে অন্তঃত ল্যাবরেটরিতে হলেও সফল হয়েছেন নাকি অনেকটা সাইন্সফিকশন? হলেও কাজটা কিভাবে এবং এম্ব্রাইও হতে সেল অপসারন হবে নাকি সেলের জিনোমের পরিবর্তন হবে?
    জেনেটিক্স মডিফায়েড হিউমেন- ভাবতে কোথায় যেন ভয় করে। তবু বিজ্ঞানের প্রতি আস্থা আছে ভাল কিছুর জন্য।
    লেখাটি ভাল লেগেছে। লেখককে ধন্যবাদ।

  9. জাহিদ রাসেল আগস্ট 19, 2011 at 10:19 পূর্বাহ্ন - Reply

    আচ্ছা, আমি বরং ইংরেজিতে আমার জানা মতে সহজ সজ্ঞাটা দিয়ে দিচ্ছি। আপনি কষ্ট করে এর বঙ্গানুবাদ করে দিন-

    Evolution is a process that results in heritable changes in a population spread over many generations.In small-scale evolution is changes in gene frequency in a population from one generation to the next and large-scale evolution is the descent of different species from a common ancestor over many generations.

  10. সংশপ্তক আগস্ট 19, 2011 at 3:37 পূর্বাহ্ন - Reply

    দুই তিন লাইনে বস্তুনিষ্ঠভাবে আমাদের বলবেন কি মানব তথা প্রানের বিবর্তন বলতে আসলে কি বোঝায় বা বিবর্তন জিনিসটা কি ? ধরুন আমাদের পাঠকেরা বিবর্তনকে একটা হ্যামবার্গার মনে করেন যা কেচাপ দিয়ে খাওয়া যায় এবং এখন আপনার কাজ সেই ভুলটা ভেঙে দেয়া।

মন্তব্য করুন