ক্ষমঃ ক্ষম অপরাধঃ

By |2011-07-22T17:20:53+00:00জুলাই 22, 2011|Categories: ব্লগাড্ডা, রাজনীতি|29 Comments

জাতীয় দৈনিকে একটি “বিজাতীয়” খবর ছেপেছে। প্রথম বার পড়ে বুঝতে পারিনি! পরে ল্যাবে বসে কাজের ফাঁকে আবার পড়লাম। এবারও বুঝতে সমস্যা হল। ক্রস ভেরিফাই এর জন্য নেট এ সার্চ দিলাম। আমার শেষ আশাটুকু ধূলায় লুটিয়ে, পত্রিকার খবরটিই সত্যি প্রমাণ হল। মাননীয় প্রেসিডেন্ট তাঁর নিজ ক্ষমতা বলে, শাস্তি প্রাপ্ত আরও এক খুনিকে ক্ষমা করে দিয়েছেন!

মানুষ সমাজ বদ্ধ জীব। মানুষ একা চলার চেয়ে চলার পথে সঙ্গী সাথি নিয়ে   চলতে পছন্দ করে। পছন্দ করে নেতৃত্ব দিতে, বা নেতৃত্ব অনুসরণ করতে। একক ভাবে করা যায় না এমন কোন কাজ করার সময় মানুষ তা সমষ্টি বদ্ধ ভাবে করে, এবং তা করার সময় স্বভাবগত কারণে মানুষ সাধারণত একজন ব্যক্তি বা সমষ্টিকে নেতা হিসেবে মেনে নেয়। তাই একজন কার্যকর দলনেতা নির্বাচনের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে, অধিকাংশ মানুষের কাছে দল নেতাকে সম্মান জনক হতে হবে। তাই দলনেতার ব্যক্তিত্ব ও বিচক্ষণতা দল মত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণ যোগ্য হওয়া বাঞ্ছনীয়।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক রানী। দেশের সকল সাধারণ জনগণ, দল মত নির্বিশেষে রানীর নেতৃত্বকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে। যদিও রানী যুক্ত রাজ্যে একজন প্রতীকী অর্থে নেতা। যুক্তরাজ্য গণতান্ত্রিক দেশ, জনগণই ক্ষমতার উৎস। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও মতে মানুষের কাছে প্রশ্নাতীত ভাবে রানী ঐক্যের প্রতীক। গণতন্ত্র ও আধুনিকায়নের যুগে, যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের মত কোন প্রতীক নেই যাকে সামনে রেখে দেশর তাবৎ জনগণ ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারে। এই শূন্যতা দূর করতে যুক্তরাষ্ট্রের বহু সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। নানা টিভি সিরিয়াল, সিনেমা ইত্যাদি তৈরি করে প্রেসিডেন্ট “ইন্সটিটিউট” কে জাতীয় হিরোতে পরিণত করছে। একই কারণে, জাতিকে ঐক্য বদ্ধ ও সুসংহত রাখা। তাই আজ সাধারণ মানুষ প্রেসিডেন্টের ডাকে সারা দিয়ে দেশের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত। নানা দেশে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে যুদ্ধ করতেও প্রস্তুত। আর এসবের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট “ইন্সটিটিউট” টি “হিরো” আকারে পরিচিত হয়েছে তাবৎ দুনিয়ায়, এক বাক্যে সবাই চেনে, “মিস্টার প্রেসিডেন্ট।”

সারা পৃথিবীর সকল শান্তিকামী মানুষ বিশ্বাস করবে, কোন অবিশ্বাস, অনাস্থা বা ঘৃণার উপর ভর করে কোন জাতি সামনে আগাতে পারে না। তাই শত ভেদাভেদ থাকলেও নির্ভরতার একটি জায়গা থাকাটা আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি তেমন একটা ইনস্টিটিউশন আমরা দাড় করাতে পারিনি। একটা ইনস্টিটিউশন আমরা আজও পাইনি, যাকে দল মত নির্বিশেষে সবাই আস্থা রাখতে পারে বা পারছে। বাংলাদেশে এমন একটি নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা ছিল, এবং আছে। শূন্য স্থানটি আজও পূরণ হয়নি। স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট থেকেই, দলীয় সংকীর্ণতা, নেতার অদূরদর্শিতা, তোষামোদকারীদের উপর নির্ভরশীলতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যমত্যের অভাবের সুযোগে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারী দেশের জনগণের এই ঐক্যের স্থানটিতে আঘাত হেনেছে। সাধারণের সেই ঐক্যের ও আস্থার স্থানটিতে বার বার আঘাত এসেছে, দোদুল্যমান হয়েছে যখন একাধিক বার এই ইনস্টিটিউশনের উপর স্বৈর শাসনের ঘৃণ্য খড়গ নেমে এসেছে। আমাদের ঐক্যের অভাব ও রাজনৈতিক দৈন্যতা ই এর নিয়ামক হিসাবে কাজে করেছে বেশী। ঐক্যের অভাবকে সহজে কাজে লাগিয়ে সুবিধাভোগীরা অল্প আয়াসেই পেয়ে গেছে একদল সুশিক্ষিত, আজ্ঞাবহ, উচ্ছিষ্ট ভোগী গোত্র। নানা নামে, বেনামে তাদের কার্যক্রম চলছে। এভাবেই দীর্ঘ চড়াই উৎরাই পাড় হয়ে তেমন কোন কার্যকর সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা ছাড়াই দেশ অনেকটা বুড়ো হয়েছে। গণতন্ত্রও হয়তো এসেছে। আমরা, তরুণরা আবারও আশার আলো জ্বালিয়ে, বুক বেঁধে ছিলাম। এবার আমাদের সামনে চলার দিন বোধহয় এসেছে। দেশের এই দীর্ঘ চড়াই উৎরাই এর পরেও, দেশে রয়ে গেছে আস্থা অনাস্থার দোলাচল। তাই সংসদীয় গণতন্ত্র থাকায় সকলের আস্থার শেষ স্থানটি রয়ে গেল প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আদলে “মিস্টার প্রেসিডেন্ট” না হলেও অনেকটা সে রকমই। অনেকটা আমাদের শেষ ভরসা। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ঘৃণ্য কামনা চরিতার্থ করার জন্য, কখনও কখনও প্রেসিডেন্ট ইন্সটিটিউটকেও কলঙ্কিত করতে পিছপা হয়নি। একজন সৎ ও যোগ্য প্রেসিডেন্ট যখন দলীয় হীনমন্যতা ও ক্ষুদ্রতার উপরে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছেন, তখন সরকারী দলই তাকে ছোট করার, ও জনগণের কাছে আস্থাহীন করার নানা অপকৌশল প্রয়োগ করেছে। বর্তমান সরকারও অতীতে তাদের অপকর্মের সাফাই না গাওয়ার দৃষ্টান্ত থেকে এক জন তল্পী বাহককে প্রেসিডেন্ট আকারে বেছে নেয়ার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। তাই শুরু থেকেই বিরোধীদলের অনেকে বর্তমান প্রেসিডেন্টের উপর আস্থা রাখতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে।

অতীতে, প্রেসিডেন্ট ড. ইয়াজউদ্দিনের সময়ে তার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ট্র্যাক রেকর্ডের কারণে প্রথম থেকে বিতর্কিত না থাকলেও, দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মূলত বিরোধীদলের লগী বৈঠার আন্দোলনের সুযোগে, দেশকে গৃহযুদ্ধের হাত হতে রক্ষা করার নামে, ইয়াজউদ্দিনের অকস্মাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার খায়েসকে জনগণ ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। কারণ জনগণের সামনে এভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ঐ আন্দোলন ও প্রেসিডেন্টের “তত্ত্বাবধায়ক সরকার” এর প্রধান হিসাবে ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি লোভ জনিত ছিলনা! হিসাব মোতাবেক, অবসর প্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের প্রধান উপদেষ্টা নিযুক্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মূলত আওয়ামীলীগের নেতৃত্বের নির্বাচনী ঐক্যের আঠারোটি দল প্রধান বিচারপতি কে এম হাসানের নিরপেক্ষতা নিয়ে স্বভাবসুলভ প্রশ্ন তুলে বিতর্কিত করার চেষ্টায় লিপ্ত হলে, প্রধান বিচারপতি কে এম হাসান স্বেচ্ছায়  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হতে অপারগতা জানান। এর ফলে দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টির অবকাশ তৈরি হলে ড. ইয়াজউদ্দিন ক্ষমতা নেন। আওয়ামীলীগ ও তার ঐক্যের আঠারো দল পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে তখনও পর্যন্ত ইয়াজউদ্দিনের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন ও নেতৃত্ব মেনে নেয়। কিন্তু তারা পূর্ববর্তী সরকারের নানা পদক্ষেপ নিয়ে, এবং নতুন কিছু ইস্যু সামনে এনে আওয়ামীলীগের নেয়া নানা কঠোর কার্যক্রমের কারণে সীমিত ক্ষমতা সম্পন্ন ইয়াজউদ্দিন সরকারকে তটস্থ হয়ে থাকে। এবং বিভেদ বাড়তেই থাকে। কিন্তু একজন সাধারণ বাংলাদেশী ঘুণাক্ষরেও জানতে পারলও না, এই হিংসা, বিভেদ ও অনাস্থার রাজনীতি তাদের জাতীয় ভাগ্যকে কোথায় ঠেলে দিল। জনগণ ও জনমত কে বিভক্ত করার খেলায় লিপ্ত রাজনৈতিক দলগুলোও কিছু বুঝে ওঠার আগেই বন্দুকের নলের মাথায় আবারও ধরাশায়ী হয়ে যাবে গণতন্ত্র। তারা বুঝতেও চায় নি, প্রেসিডেন্টকে একটি শক্তিশালী ইন্সটিটিউট হিসাবে না দাড় করিয়ে তটস্থ করে রাখার ফল ভালো নয়। এর ফল শুধু আওয়ামীলীগ তার সরিক দল সমূহ বা বিএনপি ও তার সরিক ‘স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তিই’ নয়, পুরো জাতি পরবর্তী দুই বছর ভোগ করেছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলে মানুষ আবার আশায় বুক বেঁধে ছিল। বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিষয়ে, তার সীমাহীন দলীয় আনুগত্যের কারণেই বিরোধী দল সহ, শিক্ষিত মহল আস্থা রাখতে পারেনি। একজন নিরপেক্ষ মানুষ খুঁজে পাওয়া আওয়ামীলীগ সরকারের জন্য দুরূহ হয়ে পরে। পক্ষান্তরে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও সরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের নাম উঠে আসে। কথিত আছে, আওয়ামীলীগ প্রেসিডেন্ট পদের বিনিময়ে জাতীয় পার্টিকে তার জোটে এনেছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দলীয় আজ্ঞাবহ ও ভীরু প্রকৃতির বলে বিরোধী জোট গুলো আগুন ছড়ালেও তাদের হাতে কোন মোক্ষম প্রমাণ ছিল না।

কিন্তু বর্তমান প্রেসিডেন্ট দলীয় পরিচয়ের চিন্হিত অপরাধীদের একের পর এক ক্ষমা করে দেয়ায়, সুধি মহলে প্রেসিডেন্ট হিসাবে তার প্রাপ্ত ক্ষমতার অপব্যবহার প্রশ্ন বিদ্ধ হয়েছে। শুধুমাত্র তার অপরাধ প্রশ্রয় প্রবণতা ঠেকানোর জন্য প্রয়োজনে সংবিধানে পরিবর্তন এনে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাসের কথাও আলোচনায় এসেছে! তিনি কলমের এক খোঁচায় ফাঁসির দণ্ড প্রাপ্ত কুড়ি জন আসামীকে মুক্ত করে দিলেন। যেখানে কিনা ইন্টারনেটে প্রাপ্ত ভিডিওতে স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে গামা নামক এক ব্যক্তিকে হত্যা করে লাশের বুকে পা তুলে দাঁড়িয়ে আছে আওয়ামীলীগের নেতা, তাকে হত্যার পর্যায় গুলো! বর্তমান প্রেসিডেন্ট আঠারো বছর সাজা প্রাপ্ত আসামীকে শুধু মাত্র দলীয় এক নেতার পুত্র হওয়ার সুবাদে মুক্ত করে দিলেন! তিনি এমন আরেক জনকে দলীয় বিবেচনায় ক্ষমা করেছেন যার বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা রয়েছে এবং তিনিও সাজা প্রাপ্ত ফাঁসির আসামী। এই বিষয় গুলো জনমনে এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে যে, প্রথম আলো পত্রিকাতে পাঠক পাঁচশত দশটি (এই লেখাটি লেখার সময়) মন্তব্য করেছে। অধিকাংশই ঘৃণা ভরা মন্তব্য, বলে দিতে হয় না। কিছু মন্তব্য এমন তীব্র যে পত্রিকার মন্তব্য হিসাবে প্রকাশ করা যায় নি। সেগুলো

৫১০ টি মন্তব্য!

প্রকাশ পেলে হয়ত আরও বেশী হত। এক্ষেত্র স্মর্তব্য যে, প্রথম আলো তথা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন খবরের বিপরীতে এত বেশী মন্তব্যের এটাই রেকর্ড। নিকটতম মন্তব্য সংখ্যা তিনশতের কাছাকাছি, একজন রিক্সা চালকের সমাজে অবদানের কাহিনী, যেখানে একশত ভাগ মন্তব্য এসেছে একজন রিক্সা চালকের প্রশংসা করে।

ক্ষমা মহৎ গুন। কিন্তু একটি ক্ষমার উপর এত শত মন্তব্য ও লেখা ‘আমার জানামতে’ বাংলাদেশের ইতিহাসে আর নেই। আমরা আশা করতে পারি, তিনি দয়ার সাগর। কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসের তিনি সেই সাক্ষী যিনি নিজের দলনেতাকে অশুভ চক্রের হাতে নিহত হওয়া প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি নিজের প্রিয়তমা স্ত্রীকে চোখের সামনে ঘৃণ্য আততায়ীর বোমার আঘাতে খুন হতে দেখেছেন। তিনি প্রিয় মানুষের হত্যার গভীরতম কষ্ট নিজে উপলব্ধি করেছেন। তার চেয়ে বাংলাদেশে প্রিয় মানুষ হত্যা হলে আর হত্যাকারীর বিচার না হলে যে যাতনা, আর কেউ বেশি জানে না। সেই তিনি কেন, কিসের ইশারায় এমন কাজটি করলেন, তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কেন তিনি দলীয় বা ব্যক্তিগত দুর্বলতাকে প্রশ্রয় দিয়ে দাগী খুনের আসামিকে মুক্ত করে দিলেন? স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, তিনি কেন এটা করলেন। তিনি একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান কৌশলী। এই আচরণের পরিণাম তার চেয়ে খুব কম মানুষই বেশী জানে। তিনি এটাও জানেন, কোন রূপ রাগ, ক্ষোভ, ব্যক্তিগত বিরাগ বা আবেগের বশবর্তী হয়ে তিনি কিচ্ছু করতে পারেন না। তিনি সেই শপথ নিয়েই পবিত্রতম সংবিধানের রক্ষক হয়েছেন। তিনি যদি আজ দলীয় বিবেচনায় অর্থাৎ আবেগের বশবর্তী হয়ে এই হীন কাজটি করে থাকেন, তা তার শপথ ভঙ্গের সামিল। সুতরাং তিনি তা করতে পারেন না! তবে কি কোন রূপ ভয় ভীতি দ্বারা তিনি প্রভাবিত হয়েছেন? তিনি সম্ভবত তাও করতে পারেন না। তবে কি এমন কিছু ঘটছে যা আমরা জানি না? যদি তেমন কিছু ঘটেই থাকে, একজন দেশ প্রেমিক পাঠক হিসাবে আপনার ভীত সন্ত্রস্ত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। আর তার কোনটিই যদি না ঘটে থাকে, তাহলে মিস্টার প্রেসিডেন্ট আপনার কিছু করার আছে। পত্রিকায় প্রকাশিত মত থেকে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন, আপনি কোন অবস্থাতেই প্রেসিডেন্ট ইন্সটিটিউটটিকে কলঙ্কিত করতে পারেন না। শুধু তাইই নয়, আপনি কি আপনার স্ত্রী হন্তাকে ক্ষমা করবেন, এমন প্রশ্নও বহু ব্লগ ও সংবাদ পত্রে এসেছে। আর আপনি যদি এমন কোন কারণে এই কাজ করে থাকেন যা প্রকাশ্যে বলতেও আপনি ভীত, তাহলে অন্তত ঈশারা দিন। দেশ রক্ষার যাদের তাগিদ আছে, সেই তরুন সমাজকে আপনি আপনার সাথে পাবেন।  আজ শুধু একবার ভাবুন, যখন অপরাধীদের ক্ষমা করছেন তখন বিচার প্রার্থী পরিবারগুলোর কেমন লেগেছে। বর্তমান তরুণ সমাজ হয়তো এখনও আপনার সাথে আছে, হয়ত থাকবেও। কিন্তু তার আগে এই কৃত কর্মের জন্য জনতার কাছে না হলেও মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাইতেই হবে, ক্ষমঃ ক্ষম অপরাধঃ

Nasim Mahmud is a PhD candidate in the Expertise Centre for Digital Media (EDM), a research institute at Hasselt University, Belgium. His research interest fits in the Human-Computer Interaction and Ubiquitous Computing. Prior to joining EDM, he studied masters in Interactive Systems Engineering (ISE), in the Department of Computer and Systems Sciences (DSV), a joint department between Royal Institute of Technology (KTH), Sweden and Stockholm University (SU), Sweden. I have also spent some time working as a researcher(ex-job) in SatPoint AB, Sweden. For his PhD, he is working on Context-aware Local Service Fabrics in Large Scale UbiComp Environments project. Where he is investigating the interaction techniques and use of social network to provide help to a user in a large scale ubiquitous computing environment.

মন্তব্যসমূহ

  1. অরণ্য জুলাই 29, 2011 at 12:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    মহামান্য রাষ্ট্রদোহী! ভুল বললাম?
    বাংলাদেশী নাগরীক হওয়াটা কি খুব লজ্জার? আমার কেন এতও লজ্জা লাগে??

    • নাসিম মাহ্‌মুদ জুলাই 29, 2011 at 5:53 পূর্বাহ্ন - Reply

      @অরণ্য,
      আপনাকে ধন্যবাদ।
      আমার ধারনা আপনি ভুল বলেছেন। কাউকে এত সহজেই রাষ্ট্রদ্রোহী বলা যায় বলে প্রতিয়মান হয় না।

      বাংলাদেশী নাগরিক হওয়াটা খুব লজ্জার হতে যাবে কেন? আপনি, আমি তো কোন লজ্জার কাজ করছি না। বাংলাদেশী হিসাবে আপনি হয়তো একটু ‘লাজুক’ প্রকৃতির! আসলে আমাদের জীবন থেকে প্রতিনিয়ত লাজ, লজ্জা, হায়া, পর্দা, শরম উঠেই যাচ্ছে। যার গলা যত বড় সেই বড়। সবচেয়ে বড় কথা আমরা একটা ব্যক্তিত্বহীন ও তল্পী বাহক জাতীয় আচরন গড়ে তুলেছি। আজ যদি আপনার লেখা বা মন্তব্য আমার ভাল লাগে, তো লাগতেই থাকবে। এর অন্যথা হওয়া যাবে না। আমরা “বিবেক বান্দা” দিয়ে সাপোর্ট দিয়েই যাব। আপনি পেয়ে যাবেন এক দঙ্গল পাঠক যারা আপনার লেখা ভাল মন্দ বিবেচনা না করেই হাত তালি দিয়ে যাবে। ভক্তের আবেগে কোন কমতি নেই। জাতীয় জীবনেতো তারই প্রতিচ্ছবি। এই ভক্তি তো শুধু দলের প্রতি নয়, দলের নেতাদের প্রতিও। এটাতেই স্বল্প বুদ্ধি বাঙালী আটকা পরে গেছে। তাই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কিছু বললে তারাও তা নিতে পারবে না। আর ব্যক্তিত্বহীনতার কারনে তল্পী বাহকরা তা বলবেও না। প্রেসিডেন্ট তো সাক্ষর করার আগে একবার পূনঃবিবেচনার জন্য ফাইল ফেরত পাঠাতে পারতেন!
      কারা দেশ চালায় তা বোঝার জন্য ও আপনার ভাল লাগার জন্য লিংক দিলাম। http://www.youtube.com/watch?v=ji0079JtYV0
      🙂

      • অরণ্য জুলাই 29, 2011 at 1:16 অপরাহ্ন - Reply

        @নাসিম মাহ্‌মুদ,
        ধন্যবাদ! 🙂 আসলে আমার নিজের ও তাই ধারণা! আমি ভুল বলেছি।

        তবে জানেন তো, মানুষ যখন বেহুশ হয়ে পরে তখন তার উপর পানি ঢেলে দিলেই হুশ ফেরার সম্ভাবনা, নয়ত না! আর বাংলাদেশীদের তো Parasomnia আছে। হুজুগে মাতাল! একে যে পানি ঢেলে ও জাগান যায় না। মহামান্য রাষ্ট্রদোহী কথা তা এখানে পানির কাজতাই করেছে খানিকটা।

        “মহামান্য রাষ্ট্রদোহী” কথা তা বলা অপরাধ হলেও অন্যায় না!
        বাংলাদেশের context-এ রাষ্ট্রপতি পদ তা কি আদও সন্মানের? বাংলাদেশের সংবিধান(!) ও সরকার(!) কত তুকু সন্মান তাকে দিয়েছে? রাষ্ট্রপতি পদ তা কি প্রহসনের নামান্তর বই আর কিছু? অপমানের চূড়ান্ত করার কি বাকি রেখেছি আমরা?
        বাংলাদেশী নাগরিক হওয়াটা খুব লজ্জার হতে যাবে কেন?
        আমি তো বলব কেন নয়? গণতান্ত্রিক নাগরিক হিসেবে আমরা কি সরকারের অপকর্মের দায়ভাড় এড়াতে পারি?
        কষ্টের হলেও সত্য যে বাংলাদেশে জোট-মহাজোটের ভক্ত বাদ দিলে নাগরিক ই বা কজন থাকে! আপনার কথার সাথে আমি ও একমত

        সবচেয়ে বড় কথা আমরা একটা ব্যক্তিত্বহীন ও তল্পী বাহক জাতীয় আচরন গড়ে তুলেছি।

        তবে আশার কথা হল গড়তে যখন পেরেছি, ভাঙ্গার ক্ষমতাও নিশ্চয়ই আমরা রাখি। (E)
        লিঙ্কের জন্যে ধন্যবাদ! 🙂

  2. লীনা রহমান জুলাই 24, 2011 at 9:02 অপরাহ্ন - Reply

    আচ্ছা উদ্ভট কিসের পিঠে আসলে চলেছে স্বদেশ??? :-Y

    • Adnan Lermontov জুলাই 24, 2011 at 11:15 অপরাহ্ন - Reply

      @লীনা রহমান,
      না, কোনো উটও বোধহয় এমন কিছু আর তার পিঠে তুলবেনা। আসলে দেশ শেষ। মুজিব থেকে তারেক। এই তো দেশ। তারেকের আমলের পরে আর কিছু থাকবেনা। তারেকের আমলও খুব বেশি বড়ো হবেনা। দাড়িওয়ালারা/রাজাকাররা তাকে খুন করেই দেশটাকে হাবিয়া পৌছে দেবে…

      • রৌরব জুলাই 25, 2011 at 11:11 অপরাহ্ন - Reply

        @Adnan Lermontov,

        না, কোনো উটও বোধহয় এমন কিছু আর তার পিঠে তুলবেনা।

        😀 🙁

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:40 অপরাহ্ন - Reply

      @লীনা রহমান,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!

      আপনি যে প্রাণীটিকে “বলির পাঠা” করতে চাচ্ছেন… বেচারাতো আগেই লজ্জায় মরে যাবে :lotpot:

  3. শ্রাবণ আকাশ জুলাই 23, 2011 at 1:22 পূর্বাহ্ন - Reply

    বুঝলাম কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে কেন?
    উনি যদি বলেন যে উনি সৃষ্টিকর্তার আদেশ মেনেই এই ক্ষমা করেছেন? 🙂

    দেশে তো এখন দুই দলের হাতে বন্দী। পালাক্রমে দেশটাকে তারা ধর্ষণ করে চলছে। একদল ক্ষমতার এসে খুন করবে। আরেকদল বিচার করবে। পরে আবার আগের দল ক্ষমতায় এসে ক্ষমা করবে।
    কী আনন্দ!

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:39 অপরাহ্ন - Reply

      @শ্রাবণ আকাশ,

      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      ভাল বলেছেন 🙂

  4. বাসার জুলাই 23, 2011 at 12:40 পূর্বাহ্ন - Reply

    কোরান হাদিসের সাথে প্রেসিডেন্ট পদটিকেও যোগ করে নিন। সাথে শেখ মুজিব তো থাকবেই।

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 26, 2011 at 1:01 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বাসার,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      ভাল বলেছেন। 🙂

    • শাখা নির্ভানা জুলাই 28, 2011 at 8:07 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বাসার,
      স্বাধীনতা অর্জনে সেখের অবদান অশেষ। কিন্তু চুলচেরা নিরপেক্ষ বিচারে সেখের রাষ্ট্র নায়ক হিসাবে অস্তিত্ব বিপন্ন হবে- এটা একটা ঐতিহাসিক সত্য।

  5. রৌরব জুলাই 22, 2011 at 11:49 অপরাহ্ন - Reply

    খবরের কাগজে পড়লাম…

    সুরঞ্জিত বলেন, রাষ্ট্রপতি একটি প্রতিষ্ঠান। তাই তাঁর কোনো সমালোচনা করা যায় না। তাঁকে সমালোচনার কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন না।

    উন্মাদ।

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:39 অপরাহ্ন - Reply

      @রৌরব,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      সুরঞ্জিতই কিন্তু হাটে হাঁড়ি ভেঙ্গ দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি আইন মেনে এটা করেন নি। এবং আইন মন্ত্রনালয় “কিছুই জানে না” এ বিষয়ে!

  6. হেলাল জুলাই 22, 2011 at 1:07 অপরাহ্ন - Reply

    @আদনান,
    ১৯৭২-এ পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা মুজিব ছিলো একজন জানোয়ার।
    যথেষ্ট্য যুক্তি ছাড়া কথাটা ভাল লাগল না। আপনার নানা কে তাও বললেন না। আপনার নানা মসজিদে গিয়ে শান্তি পাওয়ার সাথে মুজিব পুত্রের খুনের বিষয়টি কিভাবে জড়িত তাও বুঝলাম না।
    সর্বোপরি মূল লেখার সাথে আপনার মন্তব্যের মিল টুকুও পেলাম না। তৈলবাজ জিল্লুর সাথে সাথে আপনি পুরু আওয়ামি লীগকে কেন হেছকা টান দিলেন তাও বুঝলাম না।

    • Adnan Lermontov জুলাই 25, 2011 at 5:51 পূর্বাহ্ন - Reply

      @হেলাল,

      লালবাহিনী, রক্ষীবাহিনী, চতুর্থ সংশোধনী, আর বাকশাল একমাত্র একজন জানোয়ারের পক্ষেই সৃষ্টি করা সম্ভব।

      মুজিব-ই সব নষ্টের মূলে। অন্য কেউ এর জন্য দায়ি নয়।

    • আদনান জুলাই 25, 2011 at 6:39 পূর্বাহ্ন - Reply

      @হেলাল,

      লালবাহিনী, রক্ষীবাহিনী, চতুর্থ সংশোধনী, আর বাকশাল একমাত্র একজন জানোয়ারের পক্ষেই সৃষ্টি করা সম্ভব।

      মুজিব-ই সব নষ্টের মূলে। অন্য কেউ এর জন্য দায়ি নয়।

  7. আদনান জুলাই 22, 2011 at 3:54 পূর্বাহ্ন - Reply

    আসলে গোড়ায় গলদ। ১৯৭২-এ পাকিস্তান থেকে ফিরে আসা মুজিব ছিলো একজন জানোয়ার। তার ভিতরে যে একনায়কটি ছিলো, সে তাকে ক্ষেপা কুকুরের মতো করে, কচি বাঙলাদেশের উপর ছেড়ে দেয়। তার ভাগ্নে মণি দেশটাকে নরক কোরে তোলে।

    মুজিবের এক পুত্র আমার বড়ো খালাকে বিছানায় তোলার জন্য উন্মাদ হয়ে উঠেছিলো। আমার নানাকে বলা হয়েছিলো যে মুজিবপুত্র কোনো জোরাজোরি করবেনা। আমার নানার হাতে বেশি সময় ছিলোনা। এর মধ্যে মুজিবপুত্রটি খুন হয়। আর আমার নানা সারাদিন মসজিদে কাটিয়ে শান্তি পায়।

    আপনাদের যাদের বয়স কম, মানে ৫০/৫৫ এর নিচে, তারা বাঙলাদেশে ফিরে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ এর মুজিব সম্পর্কে, তখন যারা বয়স্ক ছিলো তাদের কাছে জানতে চান। তারা আপনাদেরকে এক নরকের ইতিহাস শোনাবে।

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:37 অপরাহ্ন - Reply

      @আদনান,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      আমি আপনার সাথে একেবারে একমত না। বিশেষ করে আমার মতে, মুজিবকে কটু নামে না ডাকলেই ভাল হত। কেউ তাকে অপছন্দ করতেই পারেন, কিন্তু কেউতো তাকে শ্রদ্ধাও করেন। নাকি?

      তার চেয়েও বড় কথা এই লেখাটিতে মুজিব পূ্ত্র বিষয়ে কিছু নেই। তাই আমি কোন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে চাই 🙂

      • শাখা নির্ভানা জুলাই 28, 2011 at 7:59 পূর্বাহ্ন - Reply

        @নাসিম মাহমুদ,
        আদনানের কথাগুলো অপ্রসাংগিক হলেও সত্য। সত্য সব সময় তেতো হয়।

        • নাসিম মাহ্‌মুদ জুলাই 29, 2011 at 5:32 পূর্বাহ্ন - Reply

          @শাখা নির্ভানা,
          জনাব/জনাবা আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আপনার সাথে একমত যে কথাগুলো সত্য। তেতো কি তেতো নয়, তা পরের বিষয়। কিন্তু আমরা প্রয়োজনে একটা অপ্রসাংগিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেও পারি, তাতেও দোষের কিছু নেই। কিন্তু আলোচনাটা প্রাসাংগিক হলে ভাল হতো, তদুপরি, কোন ব্যক্তিকে সরাসরি বাদ বা অপবাদ দিয়ে দেয়া হলে বিষয়টা মূক্তমনার সাথে ঠিক যায় কিনা আমার জানা নেই। সে কারনেই আমি আলোচনাটা চালাতে চাইনি। তবে এটা যে শুধু এখানে ঘটছে তাইই কিন্তু নয় অনেক লেখাতেও নানা ধর্ম বিধর্মের বেড়া জালে আটকে অনেকেই তাঁর ব্যক্তিগত ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। এটাতে আমার দ্বিমত আছে।

  8. লাইজু নাহার জুলাই 22, 2011 at 2:52 পূর্বাহ্ন - Reply

    স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, তিনি কেন এটা করলেন। তিনি একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান কৌশলী।

    হয়ত বা !
    তবে আওয়ামী লীগের কাছে মনে হয় আইনের শাসনের চেয়ে খুনী
    কর্মী বেশী আদরের!
    প্রথম আলোর সব মন্তব্যগুলো পড়লাম।
    দেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন।

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:36 অপরাহ্ন - Reply

      @লাইজু নাহার,

      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      আমি আপনার সাথে কিছুটা ভিন্নমত পোষন করছি। কারন, আমি ভাবতেও পারছি না যে কেউ হত্যাকারীকের বেশী আদর করতে পারে। তবে হ্যাঁ, এটা ঠিক যে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা কালে সংগবদ্ধ(organized) অপরাধ অনেক বেশী হয়েছে। তথ্য দিতে পারবো না, বরং গল্পের ছলে আলোচনা করি, দেশে লিকুইড ব্যাংকে পরে আছে, ব্যবসায়ীরা নির্ভয়ে ঋণ নিন, ব্যবসা করুন (আবুল)। এর ঠিক একমাস পরে, দেশে কোন টাকা নাই, ভারত থেকে ঋণ নিতে হল। দেশে টাকা নাই, সারা দেশের রাস্তা ঘাট ভাঙা (শুধু ঢাকাতে ৭০০ কিমি), আড়িয়ল বিলে “এত” কোটি টাকা ঢাল। আপনারা তা হতে দিলেন না। ওকে, নো প্রোব্লেম। এবার তাইলে সাটেলাইট কেন। দেশের ফাইবার অপ. এর ক্ষমতা অর্ধেকও ব্যবহার হয়না। এত হাজার কোটি টাকায় স্যাটেলাইট কিন। অথচ দেশে নাই কারেন্ট! ইত্যাদি… ( কেউ কি লিখবেন/আলোচনা করবেন? )

      কিন্তু তাতে আমি আওয়ামী লীগের দোষ দিতে পারি না। আওয়ামী লীগ জনগনের দল। তাহলে?! সমস্যাটা হচ্ছে অপরাধ হলে, সেটা স্বীকার না করলে প্রতিকারের পথ নিয়েতো আগানোই যাবে না।

      • লাইজু নাহার জুলাই 26, 2011 at 3:10 পূর্বাহ্ন - Reply

        @নাসিম মাহমুদ,

        দেশের মানুষতো বুঝছে ব্যাপার গুলো!
        তারপরও বিপুল জনমতকে সরকার অবজ্ঞা করছে!
        দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে সত্যিই বড় আশঙ্কা হয়!
        তবে মনে হয় আমাদের এখন প্রবলভাবে সরব হতে হবে
        তাছাড়া কোন পথ আমাদের সামনে বোধ হয় নেই!

        • নাসিম মাহ্‌মুদ আগস্ট 1, 2011 at 8:58 অপরাহ্ন - Reply

          @লাইজু নাহার,
          আমার মনে হয় না দেশের মানুষ ব্যাপার গুলো বুঝছে! আপনি বা আমি সেভাবে দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছি না। তাই আমরা যারা দেশ নিয়ে ভাবছি, তারা সংখ্যায় খুবই নগণ্য। সে কারণে সরকার যে বিপুল জনমতকে অবজ্ঞা করছে তা বলা মুশকিল। যারা আওয়ামী ভক্ত, তাঁরা মূলত একে ধর্মের মত করেই মানেন। এর কোন দোষ নেই। নেই মানে নেইই। আমরা ক’জন সরব হলে কিছু হবে কিনা জানি না। তবে হতে হবে, দেশের জন্য আমি আছি!

  9. মইনুল রাজু জুলাই 22, 2011 at 2:02 পূর্বাহ্ন - Reply

    তিনি একজন অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান কৌশলী।

    কৌশলী বুঝলাম, কিন্তু কেন আপনার মনে হলো তিনি প্রজ্ঞাবান?

    তিনি যদি মহানুভবতা থেকে মাফ করে দিয়ে থাকেন, একটা মানুষের ফাঁসি হবে এই ভেবে যদি উনার রাতে ঘুম না আসে, তাহলে বাংলাদেশের সব খুনীকে মাফ করার জন্য উনার হৃদয় উথাল-পাতাল করতে থাকা উচিৎ।

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:33 অপরাহ্ন - Reply

      @মইনুল রাজু,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      আমার জানামতে, তিনি আওয়ামী লীগের কঠিন সময় গুলোতে প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন এবং দলীয় ঐক্য নিশ্চিৎ করতে সচেষ্ট ছিলেন। আমার জানামতে, তিনি তাঁর দায়িত্ব সুষ্ঠভাবে সম্পাদন করেছেন। সে কারনেই এভাবে বলা। তবে একথাও আমি অস্বীকার করি যে তিনিও অনেক শিশু সুলভ কাজও বলেছেন। যেমন বলেছেন- মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, দেশ নেত্রী, বঙ্গবন্ধু তনয়ার … প্রতিদিন একটা করে ডক্টরেট ডিগ্রী গ্রহনের যোগ্যতা আছে, কিন্তু অত সময় কই..ইত্যাদি 🙂

  10. নিটোল জুলাই 22, 2011 at 1:53 পূর্বাহ্ন - Reply

    হতাশ। 🙁

    • নাসিম মাহমুদ জুলাই 25, 2011 at 10:32 অপরাহ্ন - Reply

      @নিটোল,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ!
      কিন্তু হতাশ কেন? এই নিয়েই তো বেঁচে আছি। এমনও তো হতেও পারে যে, তিনি ‘বিশেষ কোন পরিস্থিতির’ মুখে এসব করছেন? আপনার যদি প্রেসিডেন্ট বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের বিদায়ী ভাষণটি মনে থাকে, লক্ষ্য করে থাকবেন যে, প্রেসিডেন্টকে কত শত অন্যায় অনুরোধ ও হুমকির মধ্যে কাজ করতে হয়েছিল। সবাই তো প্রতিরোধের মাঝে দাঁড়াতে পারে না। এটা রাজনৈতিক দল গুলোর ‘নিরঙ্কুশ’ সৌভাগ্য যে, জাতি হিসাবেই আমরা বড়ই ‘ক্ষমাশীল’ ও ভুলমনা! 🙂

মন্তব্য করুন