ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ দ্যা রিয়েল ফ্যান্টাসি কিংডম্ (৮)

By |2011-02-10T01:42:18+00:00জানুয়ারী 28, 2011|Categories: ডায়রি/দিনপঞ্জি, স্মৃতিচারণ|37 Comments

পূর্ববর্তী পর্ব (পর্ব ৭)

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কোনো এক অজানা কারণে, স্টুডেন্টদের দেখলে চেহারা কঠিন করে ফেলেন। মনে হয় যুগ যুগ ধরে তাদের মধ্যে চলে আসছে অঘোষিত শত্রুতা। ক্লাসের যে ছেলেটি দ্বিতীয় বর্ষে এসেই আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করার গৌরব অর্জন করেছে, তাকে দেখেও তাদের পাষাণ হৃদয় গলে না। তবে পলিটিক্যল ক্যাডারদের দেখলে সেই একই শিক্ষকদের আকর্ণবিস্তৃত হাসি দেখলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়। সত্যি বলতে কি, দুষ্টু রাজনীতির নিয়ম-ই হচ্ছে অবজ্ঞা আর অসন্মান। অসন্মান করার জন্য যে পরিমাণ অসৎ-সাহস দরকার সেটা একমাত্র দুষ্টু রাজনীতি-ই দিতে পারে। সাধারণ স্টুডেন্টরা শিক্ষকদের উঠতে বসতে সালাম না দিলে মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায় অথচ পলিটিক্যাল ক্যাডাররা শিক্ষকদের দূর থেকে দেখলে সিগারেট ধরায় কাছে আসলে ধোঁয়া ছাড়বে বলে। আর শিক্ষকেরাও সন্মান হারানোর ভয়ে পলিটিক্যাল ক্যাডারদের দেখলে দূর থেকে ঠোঁটের কোণে ফুটিয়ে তোলেন মধুমাখা হাসি।

কোনোক্রমে যদি স্টুডেন্টদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়, বিসিএস কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় পরীক্ষার সুবিধার্থে কয়টা দিন পরীক্ষা পিছানোর বা আগানোর জন্য, তখন তাদের সুপ্ত বিবেক লাফ দিয়ে জেগে উঠে। এ-হতে পারে না, এ-হবার নয় বলে একযোগে চিৎকার করে ওঠেন তারা। স্টুডেন্টদের অনুরোধ আমলে নেয়াটাকে কিছু কিছু শিক্ষক চরম অপমানজনক আর অবক্ষয় বলে মনে করে থাকেন। এদিকে, অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত কারণে আমাদের ফাইনাল একটা সাবমিশানের তারিখ পেছানো দরকার। ডিপার্টমেন্টের পরীক্ষা কমিটির কাছে অনুনয় বিনয় করেও কোন লাভ হচ্ছে না। যত বেশি অনুরোধ করা হচ্ছে, তত বেশি তারা নীতির পাহাড় হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। ওদিকে, বিরোধীদলীয় ছাত্র সংগঠন ধর্মঘট ডেকে বসে আছে। তারাও কারণে অকারণে এত বেশি ধর্মঘট ডাকে যে কেউ আর সেটাকে হিসেবের মধ্যেই ধরছে না। সে যাই হোক, বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতির বটগাছেরা ধর্মঘটের মধ্যেও কিছুতেই আমাদের ফাইনাল সাবমিশানের তারিখ পরিবর্তন করবেন না। দরকাল হলে বাংলাদেশের রাজধানী ‘ঢাকা’র পরিবর্তে ‘চর কুক্‌ড়ি মুক্‌ড়ি’ হয়ে যাবে, তবুও ‘ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সায়েন্স’ এর পূর্বঘোষিত তারিখ পরিবর্তন হবে না। শিক্ষকদের অনমনীয় ভাব দেখে মনে হচ্ছে হাকিম নড়বে তবু হুকুম নড়বে না কোনক্রমেই।

ক্লাসের সব সহপাঠীরা যে কোন ধরণের ষড়যন্ত্র কিংবা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য হলে অবস্থানকারী ক্লাসমেটদের দিকে তাকিয়ে থাকে। সহপাঠীদের এমন দুর্দিনে হলের একজন প্রতিনিধি হয়েও কিছু করতে না পেরে নিজেকে খুব অপরাধী মনে হচ্ছে। কিন্তু দেশে এখন দূরত্ব যতই হোক কাছে থাকার জন্য গ্রামীণ ফোন আছে, আবার দিন বদলের জন্য বাংলালিংক আছে। অতএব, পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রধান ব্যক্তিকে ফোন দিয়ে বলা হলো, আমি অমুক সংগঠনের তমুক হল শাখার সহ-সভাপতি বলছি, আমরা একটা ধর্মঘট ডেকেছি আর আপনারা সেই সময় পরীক্ষা নেয়ার চেষ্টা করছেন, কাজটা কি ঠিক হচ্ছে? স্পিকার অন করা ফোনে সবাই অবাক হয়ে শুনলাম বটবৃক্ষ কিভাবে কলাবৃক্ষে পরিণত হয়ে গেল। তার কলাবতী কন্ঠের এমন মায়াময় মধুর হাসি কোনোদিনও আমরা শুনতে পাইনি। কি কোমল কি স্নেহসুলভ সেই হাসি। পরের দিনই জরুরী মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষার তারিখ পনের দিন পিছিয়ে দেয়া হল।

অবাক হয়ে দেখলাম, অবাক হয়ে শুনলাম। পলিটিক্যাল ক্যাডার কেউ নিজে নিজে হয় না, শুধু রাজনৈতিক কর্তাব্যক্তিদের ইচ্ছায়ও হয় না; হয় আমার ইচ্ছায়, আপনার ইচ্ছায়, আমাদের ইচ্ছায়। আমরাই তৈরী করি পলিটিক্যাল পান্ডা। যতদিন আমাদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিল করার জন্য আমারা তাদেরকে ব্যবহার করা বন্ধ না করব, যতদিন তাদের দেখলে হাকিমেরা হুকুম পরিবর্তন করে বাক-বাকুম করা বন্ধ না করবে, ততদিন পরিবর্তন হবে না এই দুষ্টু প্রক্রিয়ার। সমস্ত রাত্রি জেগে থেকে, বইয়ের পাতার পর পাতা অধ্যয়ণ করে, পরীক্ষার খাতায় নাম্বারের পর নাম্বার তুলে, উঠতে বসতে শিক্ষকদের সালাম দিয়ে যে শিক্ষার্থী তৈরী হল, যৌক্তিক হওয়া সত্ত্বেও তার কথায় পরীক্ষার তারিখ এক সেকেন্ডও পিছানো সম্ভব হয়নি। অথচ বইয়ের পাতা টিস্যু পেপার বানিয়ে, সমস্ত রাত্রি ফেন্সিডিল খেয়ে যে পলিটিক্যাল ক্যাডার তৈরী হল, তার একটা ফাঁপা বুলির ফোন কলের বদৌলতে পরীক্ষা পিছিয়ে গেলো নির্বিচারে। অবাক হয়ে ভাবলাম, কেউ নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টাও করলোনা, ফোন কলটা সত্যিকার অর্থে কে করেছে।

কিন্তু দিনের পর দিন কল্পনায় যে জিনিসটাকে হাস্যকর মনে করেছি, কেন শিক্ষকেরা এমনটা করে ভেবে ক্ষোভে ফেটে পড়েছি, সে জিনিসের প্রকৃত রূপ দেখে লজ্জায় অপমানে ভেঙ্গেও পড়েছি। আমার নিজ বিভাগের প্রতিটা ফাঁকা জায়গা ফুলের টবে আর সবুজ গাছ দিয়ে সাজিয়ে তুলেছেন ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান। একেকটা গাছ যেন তাঁর একেকটা সন্তান। কম্পিউটার বিজ্ঞানের মত যান্ত্রিক একটা ডিপার্টমেন্টে এই সবুজ সুন্দর গাছগুলো প্রকৃতির কথা মনে করিয়ে দয় আমাদের। কিন্তু হঠাৎ একদিন ধর্মঘটের মাঝে ক্লাস চালানোর কারণে পলিটিক্যাল ক্যাডাররা ডিপার্টমেন্টে এসে আক্রমণ চালালো। একটা একটা করে টব ভাঙলো, উপড়ে ফেললো গাছ। চুরমার করে ফেললো সৌন্দর্য। তাদের কুৎসিত মন সৌন্দর্য সইতে পারে নি। সে-দিন ছাত্র হয়েও আমি প্রতিবাদ করতে পারি নি। শুধু বুঝেছি, অসভ্য আর অসুন্দরদের কাছে কতটা অসহায়, কতটা নিরুপায় ছাত্র-শিক্ষক-বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজ আর রাষ্ট্র।

যেই বিসিএস পরীক্ষার জন্য এত পরীক্ষা পেছানো, এবার সেই প্রসঙ্গে আসা যাক। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে যত কাছ থেকে সত্যকে দেখা যায়, ঠিক তত কাজ থেকেই দেখা যায় কি করে মানুষের বিশ্বাসকে পুঁজি করে তৈরী হয় মিথ্যার পাহাড়। হলের সর্বস্তরের স্টুডেন্টদের অংশগ্রহণে বিসিএস-এর কোটা বিরোধী মিছিল হলো, প্রতিবাদ হলো। অথচ সকালে উঠে দেখতে পেলাম, দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিকে ছাপা হলো, মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী চক্র মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের জন্য কিছু অছাত্রকে ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিকের কল্যাণে প্রথম ভোরের আলোতে চোখ মেলেই মানুষ পড়ে ফেলল সেই মিথ্যাচার, জন্ম হল সর্বাধিক প্রচারিত মিথ্যার। আর হলের ফ্লোরে ফ্লোরে সেই পত্রিকা আগুনে পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানাল ছাত্ররা। কিন্তু সেই প্রতিবাদ মিডিয়ার কাছে কিছুই না। বাংলার সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের অপব্যবহার করে ফুলে ফেঁপে উঠা এইসব মিডিয়া রাতকে দিন আর দিনকে রাত বানাতে পারে। তবে আমি কখনোই বুঝতে পারি না, বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছে তাতে ছেলে কি করে ম্যাজিস্ট্রেট হবার যোগ্যতা অর্জন করলো, কি করে সে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে কাজ করার জন্য অর্থনীতি শিখে ফেলল। মূলতঃ মুক্তিযোদ্ধারা এদেশে এখনো ভিক্ষা করে কিন্তু তাঁদের ত্যাগ-তিতিক্ষাকে পুঁজি করে হয় নষ্ট রাজনীতি।

বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার রাতে হলগুলোতে সবার হাতে চলে আসলো একশোটি প্রশ্ন। মোবাইল ফোনের কল্যাণে সেই প্রশ্ন চলে গেলো ঘরে ঘরে। দিন বদলের জন্য যে মোবাইল কোম্পানীগুলো এসেছে তারা দিনরাত সব বদল করে দিচ্ছে। দিবসের পর দিবস আসছে, আগে এত দিবস ছিলো না। আরো আসবে। মা দিবস, বাবা দিবস, মামা দিবস, নানা দিবস, নাতি দিবস, ফুফু দিবস। প্রতিটা দিবস মানে লাখ লাখ টাকার ব্যবসা। এখন মোবাইল বন্ধ করে শুধু সকালে উঠে প্রশ্নগুলো মিলবে কি-না সেটার জন্য অপেক্ষা করা। যথারীতি সকালে গিয়ে দেখি একশ’টা প্রশ্নের মধ্যে ছিয়ানব্বইটা কমন। অন্যদিকে, যথারীতি পিএসসি চেয়ারম্যানের কঠিন বাংলায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট বল উড়িয়ে দেয়া। বিচিত্র এই দেশ, বিচিত্র এ-দেশের মানুষগুলো। এই সত্যটুকু বোঝার জন্য এখন আর সেলুকাসের প্রয়োজন হয় না।

শতশত স্টুডেন্ট ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিলো, কিন্তু যেহেতু প্রশাসনের কর্তাব্যাক্তিরা নিজেরা রাতের বেলা প্রশ্ন দেখতে পারেন নি, সেহেতু পরীক্ষা বাতিল হলো না। যথাসময়ে লিখিত পরীক্ষা হলো এবং অবশেষে ভাইভা। এক-এক দিন এক-এক জন করে হলের সবাই ভাইভা দিয়ে আসছে। আর ভাইভা বোর্ডে কি প্রশ্ন করা হলো সেই গল্প করছে। ভাইভা বোর্ডে দুর্ব্যবহার করা বাঙ্গালির জাতিগত সমস্যা ও স্বভাব। তার থেকে মুক্তির উপায় নেই। কিন্তু এবারের ভাইভা বোর্ডে সার্টিফিকেট ছুড়ে মারাটা একটু বেশিই হচ্ছে। অতএব, নিজের ভাইভা এর দিন শক্ত প্যাকেটে সার্টিফিকেট নিয়ে রওয়ানা হলাম, যাতে ছঁড়ে মারলেও ছিঁড়ে না যায়। উপস্থিত হয়ে জানতে পারি, আমার বোর্ডে আছেন স্বয়ং পিএসিসি’র চেয়ারম্যান এবং একজন যুগ্মসচিব। পিএসিসি’র চেয়ারম্যান জিজ্ঞেস করলেন, কোন ইউনিভার্সিটি এবং কোন ডিপার্টমেন্ট। জবাব দেয়ার পর আমার মার্কশীট চেয়ে নিয়ে দেখলেন। তারপর বললনে, আমি কোনো প্রশ্ন করবো না। সচিব সাহেবকে বললেন, আপনার কোনো প্রশ্ন আছে? সচিব সাহেব অত্যন্ত নার্ভাস। কিছু সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন করে সুবিধা করতে না পেরে অবশেষে আমার সাবজেক্ট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে শুরু করলেন। প্রশ্নের ধরণ দেখেই বুঝতে পারলাম, আর পাঁচ-দশটা সচিবের মত কম্পিউটার সায়েন্সের প্রাথমিক ধারণাও উনার নেই। সচিব সাহেব আমতা আমতা করে জিজ্ঞেস করলেন, বাংলাদেশে আবাসিক এলাকাগুলোতে ব্যবহারকারীরা গড়ে কি রকম ইন্টারনেট স্পিড পেয়ে থাকে? তার দূর্বলতা টের পেয়ে আমিও বললাম, ‘মিনিমাম পাঁচশ গিগাবাইট পার সেকেন্ড’। সচিব সাহেব অতৃপ্তির ছাপ মুখে এনে বললেন, এটা মনে হয় সঠিক ইনফরমেশান না’। নিজের উপর রাগ হলো। যেইনা ভাবলাম, শুধু শুধু এমন একটা উত্তর করা ঠিক হয়নি, অমনি সচিব সাহেব বলে উঠলেন, আমি যতদূর জানি এটা এখন পাঁচ হাজার গিগাবাইট পার সেকেন্ড

পরবর্তী পর্ব (পর্ব ৯)
(চলবে…)

[email protected]
January 28, 2011

About the Author:

"যেই-না আকাশ মাথার উপর তোমার রঙিন দেশে, সেই-সে আকাশ আমার দেশেও উড়ছে একই বেশে; এক আকাশের নীচে যখন এই আমাদের ঘর, কেমন করে আমরা বলো হতে পারি পর।"

মন্তব্যসমূহ

  1. মুক্তমনা এপ্রিল 14, 2011 at 6:10 পূর্বাহ্ন - Reply

    সচিব সাহেব আমতা আমতা করে জিজ্ঞেস করলেন, বাংলাদেশে আবাসিক এলাকাগুলোতে ব্যবহারকারীরা গড়ে কি রকম ইন্টারনেট স্পিড পেয়ে থাকে? তার দূর্বলতা টের পেয়ে আমিও বললাম, ‘মিনিমাম পাঁচশ গিগাবাইট পার সেকেন্ড’। সচিব সাহেব অতৃপ্তির ছাপ মুখে এনে বললেন, এটা মনে হয় সঠিক ইনফরমেশান না’। নিজের উপর রাগ হলো। যেইনা ভাবলাম, শুধু শুধু এমন একটা উত্তর করা ঠিক হয়নি, অমনি সচিব সাহেব বলে উঠলেন, আমি যতদূর জানি এটা এখন পাঁচ হাজার গিগাবাইট পার সেকেন্ড।

    :lotpot:

  2. মুক্তমনা এপ্রিল 14, 2011 at 6:07 পূর্বাহ্ন - Reply

    বিচিত্র এই দেশ, বিচিত্র এ-দেশের মানুষগুলো। এই সত্যটুকু বোঝার জন্য এখন আর সেলুকাসের প্রয়োজন হয় না।

    সেলুকাস মানে কি?

  3. রুপম জানুয়ারী 30, 2011 at 11:11 পূর্বাহ্ন - Reply

    রাজু ভাই,

    আপনার লেখা অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও চমৎকার । দশ পর্বেই শেষ করা কিন্তু চলবে না ।

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 31, 2011 at 12:03 পূর্বাহ্ন - Reply

      @রুপম,

      অনেক ধন্যবাদ।
      আমার দৌড় ঐ দশ পর্ব পর্যন্তই। 🙂

  4. বিপ্লব রহমান জানুয়ারী 29, 2011 at 7:57 অপরাহ্ন - Reply

    ক্লাসের যে ছেলেটি দ্বিতীয় বর্ষে এসেই আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশ করার গৌরব অর্জন করেছে, তাকে দেখেও তাদের পাষাণ হৃদয় গলে না। তবে পলিটিক্যল ক্যাডারদের দেখলে সেই একই শিক্ষকদের আকর্ণবিস্তৃত হাসি দেখলে প্রাণ জুড়িয়ে যায়।

    😀 😀 😀

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 29, 2011 at 9:35 অপরাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব রহমান,

      🙂

    • নৃপেন্দ্র সরকার জানুয়ারী 30, 2011 at 12:11 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব রহমান,
      জেনে ভাল লাগছে।
      আপনার পেশাগত সাফল্য দেখে আর জনমে সাংবাদিক হয়ে জন্মাতে ইচ্ছে করছে।
      প্রানঢালা অভিনন্দন।

      • মইনুল রাজু জানুয়ারী 30, 2011 at 12:57 পূর্বাহ্ন - Reply

        @নৃপেন্দ্র সরকার,

        কি জানতে পারলেন? আমরাও সাফল্যের কথা জানতে চাই।

        • নৃপেন্দ্র সরকার জানুয়ারী 30, 2011 at 1:05 পূর্বাহ্ন - Reply

          @মইনুল রাজু,

          আমরাও সাফল্যের কথা জানতে চাই।

          কিছু গোলমাল করলাম নাকি? আমি আবার সবই বিলম্বে বুঝি/জানি। যেদিনই জানব, সেদিনই অভিনন্দন জানাব।

  5. অগ্নি জানুয়ারী 29, 2011 at 3:36 অপরাহ্ন - Reply

    ভাইয়া যা বলেছেন । :lotpot: :hahahee: । আমিও csedu । কবে যে এইসব বন্ধ হবে কে জানে । 1st boy যে 1st class teacher না এই কথা এই দেশে কে বুঝ বে ???

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 29, 2011 at 9:35 অপরাহ্ন - Reply

      @অগ্নি,

      ফার্স্ট বয় -কে তো টিচার ই করা উচিৎ না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, লেখাপড়া ছাড়া এদের অন্যদিকগুলো বিকশিত-ই হতে পারে না। ফার্স্ট বয় হবে জেলখানার দারোয়ান।

      • সৈকত চৌধুরী জানুয়ারী 31, 2011 at 12:36 পূর্বাহ্ন - Reply

        @মইনুল রাজু,

        ফার্স্ট বয় -কে তো টিচার ই করা উচিৎ না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, লেখাপড়া ছাড়া এদের অন্যদিকগুলো বিকশিত-ই হতে পারে না। ফার্স্ট বয় হবে জেলখানার দারোয়ান।

        ঠিক বলেছেন। শিক্ষালয়ে আমাদের শিক্ষক প্রয়োজন, পন্ডিত নয়। একজন লোক যতই জ্ঞানী হোক না কেন ছাত্রদের শেখানোর বা বোঝানোর যোগ্যতা না থাকলে সে কেন শিক্ষক হবে? আর শিক্ষকদের বুঝা উচিত যে তারা ছাত্রদের জন্যই।

        • মইনুল রাজু জানুয়ারী 31, 2011 at 3:49 পূর্বাহ্ন - Reply

          @সৈকত চৌধুরী,
          আমাদের সমাজ যত দ্রুত সেটা অনুধাবন করতে পারবে ততই সকলের মঙ্গল। তবে খুশীর কথা হচ্ছে, আস্তে আস্তে পরিস্থিতির মনে হয় পরিবর্তন হচ্ছে।

  6. শ্রাবণ আকাশ জানুয়ারী 29, 2011 at 12:00 পূর্বাহ্ন - Reply

    অমনি সচিব সাহেব বলে উঠলেন, আমি যতদূর জানি এটা এখন পাঁচ হাজার গিগাবাইট পার সেকেন্ড।

    হাসবো না কাঁদবো- বুঝতে পারছি না! :-X

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 29, 2011 at 12:06 পূর্বাহ্ন - Reply

      @শ্রাবণ আকাশ,

      আমি অনেক কষ্টে হাসি চেপে বের হয়ে এসেছিলাম। :))

  7. লীনা রহমান জানুয়ারী 28, 2011 at 10:55 অপরাহ্ন - Reply

    আমি যতদূর জানি এটা এখন পাঁচ হাজার গিগাবাইট পার সেকেন্ড।

    আমার হাসি পাচ্ছেনা…গাধার বাচ্চারা…… :-Y আমার জীবনেও বি।সি।এস দেবার ইচ্ছে নেই, থাকলে হয়ত আপনার এই পোস্ট পরার পর বি।সি।এস দিয়ে ভাইভা বোর্ডে ওদের উপর একচোট নিয়ে আসার চেষ্টা করতাম…
    শিক্ষকদের কথা আর কি বলব? আমাদের বিজনেস ফ্যাকাল্টিতে রাজনীতি নেই কিন্তু শিক্ষকেরা এমন আচরণ করেন যেন আমাদেরকে নিজেদের প্রতিপক্ষ মনে করেন ।তাদের কথা শুনলে মনে হয় তারা অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত আর আমরা নিরস্ত্র মানুষ!সেদিন আমাদের এক ম্যাডাম বললেন ওনার কোর্সে ২ সেট প্রশ্ন থাকবে মিডটার্মে, এক সাথে না প্রথমে একটা প্রশ্ন দিয়ে ওটা ৪০ মিনিট পর নিয়ে আবার খাতা দিয়ে আবার প্রশ্ন দেয়া হবে, তার সময় ২০ মিনিট। আর যদিও আমাদের মিড এক ঘন্টা হবার কথা,হয় ৫৫ মিনিট তারমানে লাস্টে ২০ মিনিটও পাবোনা। সবচেয়ে অবাক লাগল ম্যাডাম যখন বললেন, এই কারনেই আমাদের আগের ব্যাচের সবার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে আর তাদের এক গ্রেড করে নেমে গেছে! তবুও তারা এভাবেই প্রশ্ন করবে! আরেক টিচার ৯ম শ্রেণীর অবজেক্টিভের মত প্রশ্ন করেছিলেন গাব্দা সাইজের মার্কেটিং বইয়ের চিপা থেকে। প্রশ্নটা ছিল এই টাইপ “the another important factor in marketing is___!” উত্তর হবে emotion! এই টাইপ প্রশ্ন করলে কি করা যায়?
    আমার ব্যাচের অনেক স্টুডেন্টেরই শেষ পর্যন্ত চাকরিতে এপ্লাই করার পয়েন্ট থাকবেনা হয়তো!! দুঃখের কথা হল এর কারণ আমরা নই!!আমরা এত হতাশ!! তাদের কে এই অধিকার দিল ২৫,৮০০ জন ছাত্র ছাত্রীর সাথে কমপিট করে আসা এই আমাদের জীবন নিয়ে খেলা করার!ওনারা বোঝেন অনেক ছেলের বাবা মা আশা করে বসে আছে তার ছেলে কবে চাকরি পেয়ে দুবেলার জায়গায় ৩ বেলা খাওয়াবে???…
    আমার কোন আগ্রহ নেই এখন……ভবিষ্যত কি হবে জানিনা, জানতে ইচ্ছাও করেনা, শুধু চাই এদের মত স্টুপিড আর অমানুষ যেন না হই।

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 11:11 অপরাহ্ন - Reply

      @লীনা রহমান,
      বিসিএস চাকুরী করার জন্য দিতে হয় না, অভিজ্ঞতার জন্য দিতে হয়।
      অনেক কিছু শিখতে পারবেন। আর জিনিসটা ঠিক অতটা খারাপও না। অনেক ভালো দিক আছে। তাছাড়া অপশান রাখা সবসময় বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাপার। 🙂

      • লীনা রহমান জানুয়ারী 29, 2011 at 5:39 অপরাহ্ন - Reply

        @মইনুল রাজু, আমার একটা রেজোলিউশন আছে, মরে গেলেও বি,সি,এস দিবনা :))

        • মইনুল রাজু জানুয়ারী 29, 2011 at 9:30 অপরাহ্ন - Reply

          @লীনা রহমান,

          তার মানে আপনি এখনো ফার্স্ট ইয়ার বা সেকেন্ড ইয়ার এর স্টুডেন্ট। কারণ ওই সময়গুলোতে সবাই এরকম মনোভাব নিয়ে থাকে। আমিও ছিলাম। রেজোলিউশন ভাঙ্গার জন্য ফাইনাল ইয়ারের স্টুডেন্ট হতে হয়। এখন আমার কথা বিশ্বাস না হলেও, পরে দেখতে পারবেন। :))

          • লীনা রহমান জানুয়ারী 30, 2011 at 2:40 অপরাহ্ন - Reply

            @মইনুল রাজু, এবার ৩য় বর্ষে। আমি বি।সি এস দিবনা দিবনা দিবনা দি-ই-ব-অ-না-আ…… আপনার সাথে তো যোগাযোগ থাকবে।দেইখেন… (H)
            আমার ২ বন্ধুর ছোটবেলা থকে স্বপ্ন বি সি এস দিবে আর পুলিস হবে………পাওয়ারে থাকবে…

            • মইনুল রাজু জানুয়ারী 31, 2011 at 12:02 পূর্বাহ্ন - Reply

              @লীনা রহমান,
              ঠিক আছে, দেখা যাবে।

  8. রৌরব জানুয়ারী 28, 2011 at 10:41 অপরাহ্ন - Reply

    যথারীতি চমৎকার। চলুক।

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 11:07 অপরাহ্ন - Reply

      @রৌরব,
      ধন্যবাদ।
      ভালো থাকবেন। 🙂

  9. গীতা দাস জানুয়ারী 28, 2011 at 3:49 অপরাহ্ন - Reply

    ভাল লেগেছে। কিন্তু পড়তে পড়তে তো অষ্টম পর্বও শেষ হয়ে গেল।

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 10:17 অপরাহ্ন - Reply

      @গীতা দাস,

      গীতা’দি,
      কষ্ট করে সামনের আর দুইটা পর্ব সহ্য করে যান। 🙂

      • গীতা দাস জানুয়ারী 28, 2011 at 10:45 অপরাহ্ন - Reply

        @মইনুল রাজু,
        কষ্টটা আরেকটু বাড়ানো যায় না? কষ্ট সহ্য করার আগ্রহ ও ক্ষমতা দুটোই পোষণ করছি।

        • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 11:07 অপরাহ্ন - Reply

          @গীতা দাস,
          🙂
          আবারো দশ পর্ব চালাবোতো।
          শুধু বিষয়টা একটু পরিবর্তন হবে।

  10. পৃথিবী জানুয়ারী 28, 2011 at 3:34 অপরাহ্ন - Reply

    ভাইভা বোর্ডে দুর্ব্যবহার করা বাঙ্গালির জাতিগত সমস্যা ও স্বভাব।

    ৮ম শ্রেণীতে যে গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তাম, তিনি শিখিয়ে দিয়েছিলেন যে ভাইভা বোর্ডে সবসময় ভেজা বিড়ালের মত আচরণ করতে হয়। যে যত বেশি তেলাবে, তার নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। বুয়েটের ছাত্র দেখলে বলে আরও বেশি দুর্ব্যবহার করে।

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 10:16 অপরাহ্ন - Reply

      @পৃথিবী,

      বুয়েটের ছাত্র দেখলে দুর্ব্যবহার আসলেও বেশি করে। বাড়িতে গিয়ে বউয়ের কাছে গল্প করার জন্য…”আজকে একটা বুয়েটের ছাত্র দেখলাম, কিচ্ছু পারে না, পরেতো মেজাজটাই খারাপ হয়ে গেলো, দেশটা যে কোন দিকে যাচ্ছে ” এই হচ্ছে বউয়ের কাছে গল্প বলার নমুনা।

  11. তানভী জানুয়ারী 28, 2011 at 2:59 অপরাহ্ন - Reply

    আমি যতদূর জানি এটা এখন পাঁচ হাজার গিগাবাইট পার সেকেন্ড।

    হা হা প গে! :hahahee:

    আপনার এই সিরিজ পড়ে আমারও বুয়েট ফ্যন্টাসি নিয়ে ব্লগ লিখতে ইচ্ছা হচ্ছে! এই প্রথম ৭-৮ মাসেই যা দেখলাম! তাতে আগামী ৬-৭ বছরে কি দেখতে হয় কে জানে!! আমাদের ফ্যন্টাসি কম, কিন্তু যা হয় তা পুরোই নির্মল বিনোদন!! বুয়েট পড়ুয়া আর যারা আছেন তারা এক বাক্যে স্বীকার করে নেবেন। সামনের ক্রিকেট বিশ্বকাপেও আবার বুয়েট বিনোদনের আশায় থাকলাম!

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 10:13 অপরাহ্ন - Reply

      @তানভী,

      লেখেন না একটা সিরিজ। আমরা অনেক কিছুই জানতে পারব। বেশ মজার হবে। লেখার জন্য কাহিনির যে অভাব হবে না সেটা নিশ্চিত করে বলতে পারি। 🙂

    • বিপ্লব রহমান জানুয়ারী 29, 2011 at 7:59 অপরাহ্ন - Reply

      @তানভী,

      আপনার এই সিরিজ পড়ে আমারও বুয়েট ফ্যন্টাসি নিয়ে ব্লগ লিখতে ইচ্ছা হচ্ছে!

      (Y)

  12. Atiqur Rahman Sumon জানুয়ারী 28, 2011 at 1:18 অপরাহ্ন - Reply

    সত্যি বলতে কি, দুষ্টু রাজনীতির নিয়ম-ই হচ্ছে অবজ্ঞা আর অসন্মান। অসন্মান করার জন্য যে পরিমাণ অসৎ-সাহস দরকার সেটা একমাত্র দুষ্টু রাজনীতি-ই দিতে পারে।

    আপনার পুরো লেখাটাই বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। তারপরও এই পর্বটাই বেশি ভালো লাগল। হয়ত এখানে করুন রসটা একটু বেশি বলেই।

    • মইনুল রাজু জানুয়ারী 28, 2011 at 10:11 অপরাহ্ন - Reply

      @Atiqur Rahman Sumon,

      ঠিকই ধরেছেন। এই পর্বটাতে একটু মেসেজ দেবার চেষ্টা আছে।
      ধন্যবাদ। 🙂

      • নৃপেন্দ্র সরকার জানুয়ারী 29, 2011 at 7:18 অপরাহ্ন - Reply

        @মইনুল রাজু,

        স্পিকার অন করা ফোনে সবাই অবাক হয়ে শুনলাম বটবৃক্ষ কিভাবে কলাবৃক্ষে পরিণত হয়ে গেল। তার কলাবতী কন্ঠের এমন মায়াময় মধুর হাসি কোনোদিনও আমরা শুনতে পাইনি।

        ১) শিক্ষকদের নৈতিক অবক্ষয়, ২) দেশের রাজনীতিতে ছাত্র রাজনীতির সম্পৃক্ততা এবং ফায়দা, সহ অনেক কারণ এই সব অবস্থার জন্য দায়ী।

        লেখাটি দারূণ ভাল লাগছে। নিজে শিক্ষক হিসেবে সহশিক্ষকদের যা করতে দেখেছি, মোকসেক আলীর মত ডাইরীতে লিখে রাখার মত বুদ্ধি থাকলে, হাজার খানেক কাহিনী লিখতে পারতাম। একখানি উদাহরণ দিই।

        অধ্যাপক ‘ক’ বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরের বাইরে বাড়ী বানিয়ে অধ্যাপক ‘খ’কে ভাড়া দিয়েছেন। নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকেন। ‘ক’ একসময় চাইলেন ‘খ’ বাসা ছেড়ে দিক। ‘খ’ ছাড়বেন না। অনড়। ‘ক’ কিছু ছাত্রদেরকে জানালেন ব্যাপারটা? ছাত্ররা মহা খুশী হয়ে বলল – কোন চিন্তা করবেন না, স্যার।

        সন্ধ্যাবেলা ছাত্ররা ‘খ’কে দুই দিনের মধ্যে বাসা ছাড়ার নোটিশ দিয়ে এল।

        পরদিন সন্ধ্যাবেলা অন্য পাঁচজন ছাত্র ‘ক’এর বাসায় দরজা নাড়ল। ‘ক’ বেরিয়ে এসে বললেন – তোমরা কী চাও?

        – স্যার একটা জিনিষ দেখাতে এসেছি।
        – কী জিনিষ?

        ছাত্ররা পেছন থেকে একটি দা বের করে দেখাল। ‘ক’ বললেন – এটা কেন? ছাত্ররা বলল – স্যার, আপনি গতকাল যে দা খানি ‘খ’ স্যারের বাসায় পাঠিয়েছিলেন ওটা কি এর চেয়েও বড় ছিল?

        ছাত্ররা অনেক ভাল তাই এখনও শিক্ষক দেখলে ছালাম দেয়, ক্লাশে ঢুকলে দাঁড়িয়ে সন্মান দেখায়, শিক্ষকের জন্য রাস্তা ছেড়ে দেয়।

        • মইনুল রাজু জানুয়ারী 29, 2011 at 9:26 অপরাহ্ন - Reply

          @নৃপেন্দ্র সরকার,
          ক, খ এর কাহিনী পড়ে হাসবো না দুঃখ পাব বুঝতে পারছি না। মিশ্র অনুভুতি হচ্ছে। শিক্ষকরা সালাম পাওয়াটা অধিকারের মত দাবী করে, কিন্তু সালাম পাওয়ার জন্য যে কাজগুলো করতে হয় সেটা তাদের মনে থাকে না।

মন্তব্য করুন