সাধারণ জ্ঞান

By |2010-12-12T05:23:37+00:00ডিসেম্বর 11, 2010|Categories: দর্শন, যুক্তিবাদ, রাজনীতি, সমাজ|11 Comments

উৎসর্গ: বন্যা আহমেদ
মার্কিন বিপ্লবের ইতিহাসে টমাস পেইনেরসাধারণ জ্ঞান” পুস্তিকাটির বড়সর ভূমিকা আছে। পুস্তিকার লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের অসারতা তুলে ধরে মার্কিন জনগণকে বিপ্লবে উৎসাহিত করা। এ লেখার মূল বিষয়বস্তু তাই রাজতন্ত্র, গণতন্ত্র নয়। কিন্তু লেখাটির প্রথম দিকে যেকোন ধরণের সরকারের প্রতি ধ্রুপদী উদারপন্থার গভীর সন্দেহ এবং এই সন্দেহজাত “সীমাবদ্ধ সরকার”-এর ধারণার একটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু স্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায়। এই অংশটুকু নিচে অনুবাদ করা হল।

সরকারের উদ্দেশ্য ও গঠন বিষয়ে
কিছু লেখক সমাজ ও সরকারকে এমনভাবে মিশিয়ে ফেলেন যে সন্দেহ জন্মাতে পারে যে এদুটোর মধ্যে পার্থক্য আদৌ নেই, বা থাকলেও খুব সামান্য। অথচ সমাজ আর সরকার আলাদা শুধু নয়, তাদের উৎস অব্দি আলাদা। সমাজের জন্ম প্রয়োজন থেকে, আর সরকারের জন্ম মানুষের চরিত্র-দৌর্বল্য থেকে। দুটিই মানুষের ক্রম-সমৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে, প্রথমটি ধনাত্মকভাবে — আমাদের সৎ প্রণোদনাকে একত্রিত করে; আর দ্বিতীয়টি ঋণাত্মকভাবে — মানুষের অনৈতিকতাকে নিয়ন্ত্রণে রেখে। প্রথমটি মিলিত করে, দ্বিতীয়টি বিভেদ-সূচক — সমাজ মায়ের মত, সরকার শাস্তিদাতা।

সমাজ, তার যেকোন রূপে, আশীর্বাদস্বরূপ; সরকার, এমনকি তার শ্রেষ্ঠতম প্রকাশেও, বিকট প্রয়োজন। শাসনযন্ত্র যখন কুৎসিৎ রূপ ধারণ করে, তখন তা হয়ে দাঁড়ায় অসহনীয় — কারণ সরকার যখন আমাদের ভোগায়, তখন সেই ভোগান্তিকে তীক্ষ্ণতর করে এই জ্ঞান যে এই ভোগান্তির অস্ত্র আমাদের নিজেদেরই তৈরি! আদম-হাওয়ার গায়ে জড়ানো পাতার পোষাক যেমন প্রমাণ দেয় তাদের হারানো নিষ্কলুষতার, সরকারও তেমনি কলুষতার প্রতীক; রাজার প্রাসাদের তলায় খুঁজলে পাওয়া যাবে স্বর্গের ধ্বংসাবশেষ। কারণ বিবেক যদি হত অপরাজিত, ঋজু, সর্বত্রমান্য — তাহলে আইনের দরকার হত না কোন; কিন্তু তা যখন নয়, তখন মানুষকে বাধ্য হয়ে তার সম্পদের একাংশ ছেড়ে দিতে হয় বাকিটা রক্ষার জন্য; এবং এটা সে করে দুটি সম্ভাব্য ক্ষতির মধ্যে ছোটটিকে বেছে নেয়ার সাধারণ আক্কেল থেকে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা করাই তাই সরকারের প্রথম ও শেষ উদ্দেশ্য, আর যে সরকার-ব্যবস্থা সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে পারবে সর্বনিম্ন ক্ষতির বিনিময়ে, সেই ব্যবস্থাই শ্রেষ্ঠ ,এই সিদ্ধান্ত অতএব স্বতঃসিদ্ধ।

সরকারের গঠন ও উদ্দেশ্য সম্বন্ধে পরিষ্কার ধারণা পাওয়ার জন্য ধরে নিই, অল্প কিছু লোক পৃথিবীর এক জনশূণ্য কোণে বাসা বাঁধল, অন্য কারো সাথে তাদের কোন যোগাযোগ নেই। এই প্রাকৃতিক স্বাধীনতার পরিবেশে তাদের প্রথম চিন্তা হবে সমাজ-গঠন। সমাজ কেন? অসংখ্য কারণে। একা মানুষের শক্তি তার প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য, অবিরাম একাকীত্ব মানব-প্রকৃতি-বিরোধী — তাই সে অচিরেই অন্যের সাহায্য ও সঙ্গ খুঁজে নেবে, বিনিময়ে নিজেও হবে অন্যের সঙ্গী ও সহকর্মী। চার-পাঁচজন মিললেই একটা চলনসই ঘর বানিয়ে ফেলতে পারবে তারা, কিন্তু একা লোক আপ্রাণ খেটেও হয়ত কিছুই গড়ে তুলতে পারবে না — গাছ কাটতে পারলে টেনে নিয়ে আসতে পারবে না, আনতে পারলে কেটে তক্তা বানাতে পারবেনা, তক্তা যদিবা জোটে বাড়ি খাড়া করতে পারবে না কিছুতেই — আর ইতিমধ্যে ক্ষুধাসহ শত প্রয়োজনের ধাক্কা তাকে বাধাগ্রস্ত করবে। অসুস্থতা, বা এমনকি সামান্য দুর্ভাগ্য পর্যন্ত মৃত্যুকে ডেকে অানতে পারে, কারণ এগুলি সরাসরি মৃত্যুর কারণ না হলেও কাজকর্ম অসম্ভব করে তুলবে, তারপর যা ঘটবে তা হবে জীবনের অবসান শুধু নয়, ধ্বংস।

অতএব প্রয়োজন, আবিষ্কারের সতত জননী, আমাদের নতুন অভিবাসীদের একত্রিত করবে একটি সামাজিক বন্ধনের মধ্যে, এবং যতক্ষণ অন্যায়ের স্পর্শমুক্ত থাকবে এই সমাজ ততদিন আইন ও সরকার হবে অপ্রয়োজনীয়। কিন্তু নিষ্কলুষ ন্যায় যেহেতু স্বর্গেও দুষ্প্রাপ্য, তাই প্রথম দিকের মরণপণ সমস্যাগুলো যতই কেটে যেতে থাকবে, ততই দায়িত্বজ্ঞান ও ভ্রাতৃবোধে ঘাটতির লক্ষণ বাড়তে থাকবে, এবং নৈতিকতার এই অভাব পূরণ করার জন্য অবধারিত ভাবে কোন না কোন রকমের সরকার গঠনের প্রয়োজন অনুভূত হবে।

বড় একটা বটগাছ বেছে নিয়ে তার তলাতেই হয়ত তাদের ছোট্ট সংসদটি বসাতে পারবে এরা। খুব সম্ভব, তাদের প্রথম আইনগুলি হবে উপদেশ ধরণের, যা অমান্য করার শাস্তি হবে হয়ত স্রেফ মানুষের নিন্দা। এই প্রথম সংসদে তার প্রাকৃতিক অধিকার অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের স্থান থাকবে।

কিন্তু কলোনিটি আস্তে আস্তে যত বাড়তে থাকবে, সমস্যাও ততই বাড়বে, মানুষ যতই দূরে দূরে থাকা শুরু করবে, ততই কঠিন হয়ে উঠবে সকলের পক্ষে সংসদের প্রতিটি অধিবেশনে যোগদান করা। আইন-প্রনয়নের কাজটা নির্বাচিত কিছু লোকের ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়ার ধারণাটা তখন স্বাভাবিক ভাবেই চলে আসবে। এই প্রতিনিধিদের দায়িত্ব হবে তাদের নির্বাচকদের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করা, পুরো জনগোষ্টি উপস্থিত থাকলে তাদের আচরণ ও সিদ্ধান্ত যেমন হত, সংসদে এই প্রতিনিধিদের কাজকর্ম ঠিক তেমনটি হওয়া চাই। কলোনি আরো বাড়লে এই প্রতিনিধিদের সংখ্যা আরো বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে, হয়ত এলাকাভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা করা হতে পারে, যাতে প্রতিটি এলাকা থেকে আনুপাতিক হারে সংসদ-সদস্য থাকে। প্রতিনিধিদের স্বার্থ আর জনগণের স্বার্থ যাতে এক থাকে, সেই লক্ষ্যে নির্বাচন হতে হবে ঘন ঘন, ফলে প্রতিনিধিরা নিজেদের চামড়া বাঁচানোর তাগিদেই জনগণের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে। নিয়মিত নির্বাচন জনগণের বিভিন্ন অংশের মধ্যে আদান-প্রদানের মাধ্যমে সাধারণ উদ্দেশ্যের বিনির্মানেও সাহায্য করবে, তৈরি করবে পারস্পরিক সহযোগিতার একটি ভিত্তি, আর এই ভিত্তির উপরেই নির্ভরশীল সরকারের শক্তি, আর জনগণের সুখ (রাজার অর্থহীন অধিকারের উপর নয়)।

সরকারের উৎপত্তি ও বিকাশের এই তাহলে ইতিহাস — এটা মানুষের নৈতিকতা ও বিবেকের সীমাবদ্ধতা-জাত একটি সংগঠন। সরকারের উদ্দেশ্যও তাই সীমাবদ্ধ, এর উদ্দেশ্য শুধু নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকে রক্ষা করা। যতই ছানি পড়ুক আমাদের চোখে, শত শত বছরের সংস্কার যতই আপত্তি তুলুক, বিভিন্ন ব্যক্তিগত স্বার্থ যতই বিভ্রান্ত করুক আমাদের, এই সিদ্ধান্তের সঠিকতা যুক্তি ও প্রকৃতির বিচারে তর্কাতীত।

About the Author:

ঘন বরষা

মন্তব্যসমূহ

  1. সেণ্টূ টিকাদার ডিসেম্বর 12, 2010 at 11:42 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভাইডি রৌরব
    (আমাদের গোপালগঞ্জে ছোট ভাইকে আমারা ভাডি বা ভাইডি বলতাম)।

    আপনার অনুবাদ খুব ভাল লাগলো।সহজ সরল।আরো অনুবাদ করে আমার মত লোকদের জ্ঞান বাড়াতে সহায়তা করেন।
    ধন্যবাদ।

    • রৌরব ডিসেম্বর 12, 2010 at 4:55 অপরাহ্ন - Reply

      @সেণ্টূ টিকাদার,
      পড়ার জন্য ধন্যবাদ 🙂

  2. বন্যা আহমেদ ডিসেম্বর 12, 2010 at 2:08 পূর্বাহ্ন - Reply

    @রৌরব,

    উৎসর্গ: বন্যা আহমেদ

    নিজেকে কেমন জানি মৃত মৃত বলে মনে হচ্ছে। ‘উৎসর্গ’ কথাটার পরে নিজের নাম দেখলে কেমন যেন ওই পারের বাসিন্দা বলে মনে হয় :-/ । তবে ধন্যবাদ আমাকে স্মরণ করার জন্য, সেটা মৃত বা জীবিত যে অবস্থায়ই হোক না কেন!

    তবে পেইনের সাথে আমার প্রায়শঃই দ্বিমত হয়, কিন্তু সেটা বলি কেমনে? একে তো এত্ত বিখ্যাত মানুষ তারপর আবার মৃত । যেমন ধরেন সমাজ মানেই ধণাত্মক এটা কি সবসময় ঠিক? বহু সমাজই নিপীড়কের ভূমিকা পালন করতে পারে এবং করেছেও। আমার কাছে মনে হয় সরকার অনেক সময় সমাজেরই বিবর্ধিত রূপ হিসেবে কাজ করে।

    আবার ধরেন ‘সরকারের সীমাবদ্ধ উদ্দেশ্য’ নিয়েও আমি বেশ সন্দিহান। আমি আসলে ‘স্মল এবং লিমিটেড গভর্নমেন্টে’ বিশ্বাসী নই। মজার কথা হচ্ছে আজকাল যে সব রক্ষণশীলরা ‘স্মল গভর্নমেন্ট’ চায় বলে চিল্লিয়ে মরে তারাই গর্ভপাত থেকে শুরু করে রক্ষণশীল সব সামাজিক আচারব্যবস্থা প্রণয়নের জন্য সরকারের বিরাট ভূমিকা থাকা উচিত বলে মনে করে।

    সরকারের জন্ম মানুষের চরিত্র-দৌর্বল্য

    আসলে কি এগুলো ‘চরিত্র-দৌর্বল্য’? নাকি আমাদের সাধারণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য? ব্যক্তি স্বার্থ বনাম সমষ্টিগত স্বার্থের দ্বন্দ্ব?

    অনেক ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।
    ( লেখায় ভোগান্তি বানানটা ভুল দেখেছিলাম বলে মনে হল, তারপর আর খুঁজে পেলাম না, মৃত মানুষের দৃষ্টিবিভ্রম বলে না কথা!)

    • বিপ্লব পাল ডিসেম্বর 12, 2010 at 5:07 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বন্যা আহমেদ,
      তুমি থমাস পাইনকে পসন্দ না করিলে কি হইবে, পাইন ব্যাতীত আধুনিক নেশন স্টেট ভাবা অসম্ভব। স্টেট মানেই নেসেসারী এভিল-অনেকটা বিবাহের মতন।

      @ রৌরব,
      স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র নিয়ে আমার আগে একটা লেখা ছিল।

      স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের গঠন

      • রৌরব ডিসেম্বর 12, 2010 at 4:55 অপরাহ্ন - Reply

        @বিপ্লব পাল,
        ধন্যবাদ লিংকের জন্য 🙂

      • বন্যা আহমেদ ডিসেম্বর 13, 2010 at 3:00 পূর্বাহ্ন - Reply

        @বিপ্লব পাল,

        তুমি থমাস পাইনকে পসন্দ না করিলে কি হইবে, পাইন ব্যাতীত আধুনিক নেশন স্টেট ভাবা অসম্ভব।

        কী মুশকিল, ‘পসন্দ’ ‘অপসন্দ’ আসলো কোথা থেকে :-Y । আমি বলতে চাচ্ছিলাম পেইন যেভাবে সমাজ এবং ধর্মকে ধণাত্মক এবং ঋণাত্মক বানিয়েছে সেটাকে আমার ঠিক বলে মনে হয় না, ‘চরিত্র দৌর্বল্য’ টাইপের ব্যাপারস্যাপারগুলোও বোধ হয় আউট ডেটেড হয়ে গেছে।

    • রৌরব ডিসেম্বর 12, 2010 at 5:05 অপরাহ্ন - Reply

      @বন্যা আহমেদ,

      লেখায় ভোগান্তি বানানটা ভুল দেখেছিলাম বলে মনে হল, তারপর আর খুঁজে পেলাম না, মৃত মানুষের দৃষ্টিবিভ্রম বলে না কথা!

      ঠিকই দেখেছিলেন, পরে ওটা গোপনে ঠিক করে দিয়েছি :p।

      নিজেকে কেমন জানি মৃত মৃত বলে মনে হচ্ছে।

      “উৎসর্গ”-এই আপনার এ অবস্থা? মাহফুজ একবার একটা পোস্ট লিখেছিলেন “রৌরব স্মরণে”!!!

      তবে পেইনের সাথে আমার প্রায়শঃই দ্বিমত হয়, কিন্তু সেটা বলি কেমনে?

      আপনি না বললে কেমনে কি? সবাই একমত হওয়ার জন্য লিখি নাই তো!

      যেমন ধরেন সমাজ মানেই ধণাত্মক এটা কি সবসময় ঠিক?

      এ পয়েন্টটা আমাকেও ভাবিয়েছে। আমি এভাবে বুঝেছি, সমাজ যদি coercive শক্তি ব্যবহার করে, তবে পেইনের মতে ওটা সরকার। সমাজ নয় আর।

      আমি আসলে ‘স্মল এবং লিমিটেড গভর্নমেন্টে’ বিশ্বাসী নই।

      আপনি তাহলে liberal নন, বরং Liberal? 😉

      যে সব রক্ষণশীলরা ‘স্মল গভর্নমেন্ট’ চায় বলে চিল্লিয়ে মরে তারাই গর্ভপাত থেকে শুরু করে রক্ষণশীল সব সামাজিক আচারব্যবস্থা প্রণয়নের জন্য সরকারের বিরাট ভূমিকা থাকা উচিত বলে মনে করে।

      তা সত্যি। নানান ধরণের প্রবণতা মিলে ঘোঁট পাকিয়েছে মার্কিন রাজনীতিতে।

      • বন্যা আহমেদ ডিসেম্বর 13, 2010 at 3:05 পূর্বাহ্ন - Reply

        @রৌরব,

        আপনি তাহলে liberal নন, বরং Liberal

        কেমন যেন সন্দেহ হচ্ছে ‘এল’ কে ক্যাপটালাইজড করে দিয়ে গালি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ‘Liberal’ শব্দটা যে একটা গালি এটা আমেরিকার রক্ষণশীলদের কথাবার্তা না শুনলে বুঝতাম না। আমারেরিকায় আজকাল কেউ একটু লিবারাল কথাবার্তা বললেই ‘সোস্যালিস্ট’ হয়ে যায়, ওবামা নাকি সোশ্যালিস্ট, কমিউনিস্ট! এরা না বুঝে ক্যাপিটালিজম না বুঝে সোশ্যালিজম, কই যে যাই ।

        • রৌরব ডিসেম্বর 13, 2010 at 5:13 পূর্বাহ্ন - Reply

          @বন্যা আহমেদ, 😛 😛
          সামান্য রগড় মাত্র 🙂 । আমি নিজেও পুরো libertarian নই, অল্প কিছু Liberal বাষ্পও আছে।

          আমারেরিকায় আজকাল কেউ একটু লিবারাল কথাবার্তা বললেই ‘সোস্যালিস্ট’ হয়ে যায়, ওবামা নাকি সোশ্যালিস্ট, কমিউনিস্ট! এরা না বুঝে ক্যাপিটালিজম না বুঝে সোশ্যালিজম, কই যে যাই ।

          মার্কিন রক্ষণশীলতা পরিণত হয়েছে মূর্খদের আখড়ায়।

  3. আসরাফ ডিসেম্বর 11, 2010 at 10:28 অপরাহ্ন - Reply

    সরকারের উৎপত্তি ও বিকাশের এই তাহলে ইতিহাস — এটা মানুষের নৈতিকতা ও বিবেকের সীমাবদ্ধতা-জাত একটি সংগঠন। সরকারের উদ্দেশ্যও তাই সীমাবদ্ধ, এর উদ্দেশ্য শুধু নিরাপত্তা ও স্বাধীনতাকে রক্ষা করা।

    শত ভাগ একমত।

    যতই ছানি পড়ুক আমাদের চোখে, শত শত বছরের সংস্কার যতই আপত্তি তুলুক, বিভিন্ন ব্যক্তিগত স্বার্থ যতই বিভ্রান্ত করুক আমাদের, এই সিদ্ধান্তের সঠিকতা যুক্তি ও প্রকৃতির বিচারে তর্কাতীত।

    ঠিক বুঝে উঠতে পারলামনা (আমার সিমাবদ্ধতা)।

    • রৌরব ডিসেম্বর 11, 2010 at 11:00 অপরাহ্ন - Reply

      @আসরাফ,

      ঠিক বুঝে উঠতে পারলামনা (আমার সিমাবদ্ধতা)।

      মানে বাক্যটা অস্পষ্ট? তাহলে আমার অনুবাদের সমস্যা…দেখি ভেবে আরো পরিষ্কার করা যায় কিনা।

মন্তব্য করুন