মহানবীর ১৪ পত্নী নিয়ে কিছু কথা

By |2010-09-15T11:46:50+00:00সেপ্টেম্বর 14, 2010|Categories: ধর্ম, নারীবাদ, ব্লগাড্ডা, মুক্তমনা, সমাজ|5 Comments

মহানবীর ১৪ পত্নী নিয়ে কিছু কথা

বোকামেয়ে

 

মুসলিম সম্প্রদায়ের শেষ নবী মহম্মদ ১৪ টি বিয়ে করেছেনএই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছেতবে সংখ্যা ১১ টি থেকে ১৪টির মধ্যেই রয়েছেবেশ কয়েকবছর আগে এ বিষয়ে দৈনিক ইত্তেফাকেও একটি নিবন্ধ ছেপেছিলনিম্নে তাদের নামের তালিকা দেয়া হল

 

০১.  খাদিজা: মহানবী ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছরের খাদিজাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন ধনাঢ্য, বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, বিশ্বাসী, সুন্দরীতাকে বলা হয়েছে সর্বোত্তম নারী

 

০২.  সাওদা: মহানবী ৫১ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন সুন্দরী, স্বাস্থ্যবতী, দীর্ঘাঙ্গী, অহিংসুক, বিধবা

 

০৩.  আয়শা: মহানবী ৫২ বছর বয়সে মাত্র ৬ বছরের শিশু আয়শাকে বিয়ে করেনমহানবী তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন বিয়ের তিন বছর পরেতিনি ছিলেন খলিফা আবু বকরের কন্যা, প্রজ্ঞা-জ্ঞানবতী, প্রত্যুৎপন্নমতি, স্মৃতিশক্তি ও তীক্ষè বুদ্ধি সম্পন্ন, সুন্দরী, উদার ও মহৎ

 

০৪.  হাফসা: মহানবী ৫৪ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন সুন্দরী, গুণবতী, খলিফা ওমরের কন্যা ও বিধবা

 

০৫.  জয়নব: মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন বিধাব, নিঃশ্বদের জননী, সুন্দরী

 

০৬.  উম্মে সালমা: মহানবী ৫৫ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন বুদ্ধিমতি, বিচক্ষণ, দূরদর্শী, রাধুনী, সুন্দরী

 

০৭.  জয়নব বিনতে জাহাশ: মহানবী ৫৬ বছর বয়সে ৩৫ বছরের জয়নবকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন মহানবীর পালক পুত্রবধু, ফুপাত বোন, দাতা, অতীব সুন্দরীনিজ পুত্রবধুকে বিয়ের জন্য আয়াত নাজিল হয়: আপনি মানুষকে ভয় করেন অথচ ভয়তো আল্লাহকে করা উচিত’[সুরা আহযাব]

 

০৮.  জওয়াইরিয়া: মহানবী ৫৬ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন অতি রূপসী, গুণবতী, বিধাব, যুদ্ধবন্দিনী-গণিমতের মাল

 

০৯.  সাফিয়া: মহানবী ৫৮ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি শিক্ষিত, তালাকপ্রাপ্তা, বিধবা, রাধুনী, হযরত হারুন এর বংশধর

 

১০.  উম্মে হাবিবা: মহানবী ৫৮ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন দৃঢ়চিত্তা, বুদ্ধিমতি, আবু সুফিয়ানের কন্যা, অতীব সুন্দরীতার স্বামী খ্রীস্টান  হয়ে যায় আবিসিনিয়ায় থাকার সময়মহানবী আবিসিনিয়ার বাদশাকে বিবাহের প্রস্তাব দিলে বাদশা নিজেই উকিল হন এবং ৪০০ দীনার মহরানায় বিয়ে হয়

 

১১.   মায়মুনা: মহানবী ৫৯ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন বৃদ্ধা, তালাকপ্রাপ্তা, বিধবা, ধর্মপারায়ন

 

১২.  রায়হানা: মহানবী ৫৭ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন ইহুদী, বিধবা, সুন্দরী

 

১৩.  মেরী: মহানবী ৫৭ বছর বয়সে তাকে বিয়ে করেনতিনি ছিলেন খ্রীস্টান, অপহৃতা, বিধবা, সুন্দরীএই ঘরে মহানবীর এক পুত্রসন্তানও হয়

 

১৪.  অজ্ঞাত:

 

তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে দুজন ছিলেন, খলিফাদের কন্যাতিনি অপর দুই খলিফার নিকট দুই কন্যাকে বিয়ে দেনএখানে বলা ভাল দুই জামাতা খলিফা হন  স্ত্রীদের অধিকাংশই ছিলেন সুন্দরী ও গুণবতীএকজন ভাল রাধুনীও ছিলেনকয়েকজন ছিলেন বুদ্ধিমতিএই তালিকায় কয়েকজনের নামের আগে সুন্দরী শব্দটি নেই তারা অসুন্দর ছিলেন কিনা জানতে পারি নিতবে হাদিসে সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করার কথা বলা হয়েছেকুমারী ছিলেন শুধুমাত্র খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের মেরিএকজন ছিলেন ইহুদী২৫ বছর বয়সে একজন ধনাঢ্য মহিলাকে বিয়ে করার পরে তিনি পরবর্তী ২৫ বছর আর কোন বিয়ে করেন নিদ্বিতীয় বিয়ে করেছেন ৫১ বছর বয়সেপরবর্তী ৬ বছরে আরো ১২জনকে, গড়ে বছরে ২ জন করেআমাকে একজন বললেন, এদের মধ্যে একজন ছিলেন গনিমতের মালসে ছিল অপরূপা সুন্দরী মহানবী কয়েকদিন নিজের কাছে রাখলে এ নিয়ে কথা উঠে তখন তাকে তিনি বিয়ে করেনতার পালক পুত্রের বধু ছিলেন জয়নবতাকে বিয়ে করার জন্য সমস্যা সৃষ্টি হলে একটি আয়াত নাজিল হয়; ’আপনি মানুষকে ভয় করেন অথচ ভয়তো আল্লাহকে করা উচিত’[সুরা আহযাব] আয়াতটির সঠিক অনুবাদ এখানে দিতে পারিনিসবচেয়ে নাটকীয় বিয়ে ছিল উম্মে হাবিকাকে বিয়ে করার সময়এখানে তিনি আরেক জনের সুন্দরী স্ত্রীকে বিয়ে করতে রাজনীতিকে ব্যবহার করেনতবে সমালোচিত বিয়ে বলা যায় আয়শাকে বিয়ে করাকেতিনি ছিলেন তার তিন নম্বর স্ত্রীতাকে বিয়ে করার পরে তার ৯ বছর বয়সে তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেনএতোগুলো বিয়ে কেন করা হয়, এ বিষয়ে আমি ধর্মবিশ্বাসী আমার কয়েকজন বান্ধবীর সাথে আলাপ করিতারা এর পক্ষে অনেক যুক্তি দেন: এদের অনেকেই ছিল অসহায়, তাদের স্বামীরা যুদ্ধে মারা গিয়েছিলএদের বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং সামাজিক অবস্থায় বিয়ে করেন

About the Author:

ঢাকা নিবাসী মুক্তমনা ব্লগার

মন্তব্যসমূহ

  1. অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 14, 2010 at 9:47 অপরাহ্ন - Reply

    ঈশ্বরহীনের সাথে একমত। আসলেই উদ্দেশ্যবিহীন লেখা বলে মনে হচ্ছে। একগাদা তথ্য ছুঁড়ে দেয়া হয়েছে কিন্তু কোন বিশ্লেষণ নেই। আর তথ্যগুলোও কারো অজানা নয় মুক্তমনায়।

    লেখককে অনুরোধ করছি লেখাটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে তার ব্যক্তগত ব্লগে নিয়ে যেতে।

    • মো. আবুল হোসেন মিঞা সেপ্টেম্বর 14, 2010 at 9:51 অপরাহ্ন - Reply

      @অভিজিৎ দা,
      সর্বশেষে আমার এ মন্তব্যটি অনুগ্রহ করে দেখবেন কি?
      http://blog.mukto-mona.com/?p=10443

  2. ঈশ্বরহীন সেপ্টেম্বর 14, 2010 at 9:18 অপরাহ্ন - Reply

    কিছু মনে করবেন না, এই বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই বহু তথ্য সমৃদ্ধ লেখা মুক্তমনায় আছে তাই কোন আলোচনায় গেলাম না। তাছাড়া আপনার এই লিখাটির মুল উদ্দেশ্যটা ঠিক কি ?

    • গীতা দাস সেপ্টেম্বর 14, 2010 at 10:06 অপরাহ্ন - Reply

      @ঈশ্বরহীন,
      একমত এবং আগ্রহ নিয়ে পড়তে গিয়ে নতুন কিছু পেলাম না । উপরন্তু ,

      এদের অনেকেই ছিল অসহায়, তাদের স্বামীরা যুদ্ধে মারা গিয়েছিল। এদের বিশেষ প্রেক্ষাপটে এবং সামাজিক অবস্থায় বিয়ে করেন।

      উপস্থাপনার এমন কৌশলের জন্য লেখাটি পড়ে অনেকে বহু বিবাহে উদ্ধুদ্ধ হবে ।

      তবে হাদিসে সুন্দরী মেয়েদের বিয়ে করার কথা বলা হয়েছে।

      নেতিবাচক কথার এমন ইতিবাচক প্রচার কম হওয়াই ভাল। কারণ এমনিতেই বর্ণ বৈষম্য করে বেশির ভাগ লোক বিয়ের জন্য তথাকথিত সুন্দরী মেয়ে খুঁজেন।
      মন্তব্যটি হয়ত একটু রূঢ় হয়ে গেল। দুঃখিত।

      • বোকা মেয়ে সেপ্টেম্বর 15, 2010 at 10:31 পূর্বাহ্ন - Reply

        @গীতা দাস, মুক্তমনায় এনিয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে তা আমার জানা ছিল না। আসলে আমিতো মুক্তমনায় নতুন। তাই ক্ষমাসুন্দর সৃষ্টিতে দেখবেন। বিষয়টি ইতিবাচক অ‍‍র্থ েপ্রকাশ করা হয় নাই। কাউকে বহুবিবাহে উদ্বুদ্ধ করার জন্য লিখি নি। বরঞ্চ যারা এই ব্যাভিচারকে প্রশ্রয় দেয় তাদের জন্য তথ্য প্রদান করাই উদ্দেশ্য। যদি একজনো নতুন করে তথ্যগুলো যানে তাহলে তারা উপকৃত হতে পারে। সুন্দরী মেয়েদেরকে বিয়ে করার কথা বলাটা কোন ভাবেই মানবিক নয়। ধর্ম প্রচারকগণো মানবিক ছিলেন না। এই বহুগামীতা, লাম্পট্য এটার বহুল প্রচারের উদ্দেশ্য নিয়েই লেখা। বহুবিবারের স্বীকৃত বর্বরতা – অসভ্যতা ছাড়া কিছুই নয়।

মন্তব্য করুন