হেনরি মিলার : শাশ্বতিকীর অনুবাদ সংখ্যা থেকে

By |2010-08-30T01:14:45+00:00আগস্ট 30, 2010|Categories: ই-বই, দর্শন|7 Comments

হেনরি মিলার
ভাবনাগুচ্ছ
অনুবাদ ও ভূমিকা : আলম খোরশেদ

(ট্রপিক অভ ক্যান্সার, ট্রপিক অভ ক্যাপ্রিকর্ণ, সেক্সাস, প্লেক্সাস, নেক্সাস ইত্যাদি বহুল আলোচিত ও একই সঙ্গে বহুবিতর্কিত গ্রন্থের রচয়িতা হেনরি মিলারের পরিচয় ওয়াকিবহাল পাঠকের কাছে অজ্ঞাত নয়। উপন্যাস, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনাসহ তার অসংখ্য গ্রন্থের মধ্যে রিফ্লেক্সন্স্ বলে একখানি বইও বাজারে চালু আছে তার নামে। যদিও এই বইটি ঠিক তার রচনা নয়। এটি প্রকাশিত হয় তার মৃত্যুর ঠিক এক বছর বাদে ১৯৮১ সালে, ক্যালিফোর্নিয়ার কাপ্রা প্রেস থেকে জনৈকা টুইঙ্কা থিবো কর্তৃক সম্পদিত হয়ে। থিবো লিখিত মুখবন্ধটি থেকে আমরা জানতে পারি যে তিনি মিলারের জীবনের একেবারে অন্তিম পর্বে তার সঙ্গে চার চারটি বছর কাটান একই ছাদের নিচে, তার ভাষায়, মিলারের পাচক ও দেখভালকারী হিসাবে। এই চার বছর মিলারকে খুব কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য হয় তার। তিনি আবিষ্কার করেন মিলার অসাধারণ বাকপটু, সুরসিক ও চৌকস একজন মানুষ, জীবন ও জগৎকে দেখার একেবারে নিজস্ব একটি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে যার। সেই সঙ্গে রয়েছে তার পর্যবেক্ষণসমূহ প্রকাশের জন্য একটি অনুকরণীয়, বুদ্ধিদীপ্ত ও চিত্তাকর্ষক ভাষাভঙ্গিও।
প্রতিদিন সন্ধ্যায় মিলারের কাছে আসতেন তার কোন না কোন বন্ধু কিংবা অনুরাগী। এর বাইরে বেশ কজন লেখক শিল্পীও আসতেন নিয়মিত। তাদের সঙ্গে বসে দীর্ঘসময় ধরে পানাহার আর গল্পগুজবে কাটানো সেই বাঙ্ময় সন্ধ্যাগুলোর ঘনিষ্ঠ সাক্ষী থিবো। মিলার তখন তাদের সঙ্গে যে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতেন সেগুলো তিনি গভীর মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং পরে তা যথাসম্ভব মিলারীয় ভাষা ও ভঙ্গিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতেন। এক পর্যায়ে বেশ কিছু লেখা জমে গেলে তিনি সেগুলো মিলারকে দেখিয়ে চমকে দেন। মিলার সেগুলো পড়ে খুবই খুশি হন এবং থিবোকে বলেন যে এটি তার জন্য অনেক বড় এক প্রাপ্তি। তিনি এমনকি থিবোকে ভাবীকালের কাছে তার শেষ উচ্চারণসমূহ তুলে ধরা ব্যক্তিগত লিপিকর বলেও আখ্যা দেন। লেখাগুলো তিনি কিছুটা ঘষামাজা করে দেন তার স্বভাবসুলভ লিখনশৈলীতে এবং বলেন এগুলো সংকলিত হলে একটি ভালো বই হতে পারে। তো সেই লেখাগুলোকে একত্রিত করেই থিবো তার মৃত্যুর পরের বছর রিফ্লেক্সন্স্ নামে প্রকাশ করেন যেখানে তিনি লেখকের নাম হিসাবে মিলারের নামই ব্যবহার করেন এবং নিজেকে এর সম্পাদক হিসাবে উপস্থাপিত করেন। বইটির সুলিখিত ভূমিকায় তিনি মিলারকে তার শিক্ষক, গুরু, পালকপিতা ও বন্ধু বলে সম্বোধন করেন। এই গ্রন্থে সন্নিবেশিত মোট রচনার সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশটির মত। এর মধ্যে একদিকে যেমন তার ব্যক্তিজীবনের অকপট উচ্চারণ রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিভিন্ন লেখক শিল্পী সম্পর্কে খোলামেলা মূল্যায়ন এবং ভালোবাসা, মৃত্যু, যৌনতা ইত্যাদি বহুবিচিত্র বিষয়ে তার জীবনব্যাপী উপলব্ধিসঞ্জাত সান্দ্র ও সাহসী কথামালা। এই গ্রন্থ থেকে দুটো ছোট্ট অথচ স্বাদু ও সুতীব্র রচনা এখানে অনূদিত হল।)

মনোবিশ্লেষণ
আমি নিজে মনোবিশ্লেষণে বিশ্বাস করি না, কিন্তু আজকাল লোকে একে সর্বরোগহর বলে মনে করে। আমরা এখন মনোবিশ্লেষণের যুগে বাস করি, তাই জীবন আর সহজ, সাদামাটা নেই। আমরা বেশি বেশি ভাবছি আজ, বেচারা মস্তিষ্ক আমাদের আজ অতিপরিশ্রমে ক্লান্ত। আমাদের মন নামে বস্ত্তটি আজ যা করছে তা তার কাজ নয়, তার কাজ আমাদের তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলোর সমাধান করা, আমাদের শরীরের সেবা করা। আজ যে আমাদের অনেকেই বিভ্রান্ত, বিপর্যস্ত এবং মানসিকভাবে অসুস্থ তার কারণ আমরা আমাদের মস্তিষ্কের অপব্যবহার করছি। আমি মনে করি না কিছু বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া মনোবিশ্লেষণের আদৌ কোন দরকার আছে।
মনোবিশ্লেষকদের ব্যপারে সাধারণভাবে আমার এক ধরনের গাত্রদাহ রয়েছে। প্রথমত, তারা মানুষকে ঠকায়, তাদের পকেট খালি করে এবং বিনা কারণে তাদের বছরের পর বছর চিকিৎসাধীন রাখে। মনোবিশ্লেষকদের মধ্যে আত্মহত্যা ও উন্মাদগ্রস্ততার হার অনেক বেশি আর আমরা কিনা তাদের আলোকিত ঈশ্বররূপে ভজনা করি! এটা কি স্রেফ পাগলামি নয় যখন আপনি আপনার জীবন এমন একজনের হাতে সঁপে দিচ্ছেন যিনি হয়তবা আপনার চেয়েও বেশি উন্মাদ।

ন্যুয়র্কে আমি একবার মনোবিশ্লেষক সেজেছিলাম। পারী থেকে আমি ও আনেই কয়েকমাসের জন্য সেবার ন্যুয়র্ক এসেছিলাম। আমার সঙ্গে তখন এক ইহুদি ডাক্তারের পরিচয় হয় যিনি আমাকে খুব পছন্দ করে ফেলেন। তিনি আমাকে বলেন যে আমার মনোবিশ্লেষক হিসাবে কাজ করা উচিৎ এবং তাহলে তিনি আমার কাছে রোগী পাঠাবেন। তার এক দল বিত্তবান রোগী ছিল। আমি তাই ভাবলাম কেন নয়? আমি সেইদিন থেকে ডাঃ মিলার নামে দুমাসের জন্য মনোবিশ্লেষক-জীবন শুরু করি। বিশেষ কোন পদ্ধতি অবলম্বন করি নি আমি, লোকেরা যখন হালকা হবার জন্য আমার সামনে নিজেদের মেলে ধরছিল আমি তখন তাদের কথা মন দিয়ে শুনছিলাম। মূল ব্যাপারটা হলো আপনার দুটো সুস্থ ও সক্রিয় কান রয়েছে কি না, এর চেয়ে বেশি কিছুর দরকার পড়ে না একজন সফল মনোবিশ্লেষক হবার জন্য।

অধিকাংশ সময়ই আমি ক্লান্ত হচ্ছিলাম। আমি ঘুমে ঢলে পড়তাম প্রায়শই, তাই রোগীদের বলতাম ‘‘ঠিক আছে আপনি এখন একটু জিরিয়ে নিন। ছোট্ট একটা ঘুম দিয়ে উঠুন।’’ এই বলে আমরা দুজনেই ঘুমিয়ে পড়তাম। ঘুমটা আসলে ছিল আমার নিজের জন্য, কিন্তু রোগীরাও দেখতাম সেটা খুব ভালোবাসতো।

মজার ব্যাপার মনস্তত্ত্ব বিষয়ে আমার কোন শিক্ষা কিংবা অভিজ্ঞতা না থাকলেও আমি এইসব রোগীদের কাছে ডাক্তার হিসাবে খুবই সফল বলে প্রতীয়মান হয়েছিলাম। যদিও এটা বিশাল কোন ব্যাপার ছিল না। আপনাকে এর জন্য শুধু খোলা মনের অধিকারী আর চটজলদি ভালোমন্দ রায় দিয়ে ফেলার প্রবণতা থেকে মুক্ত থাকতে হবে। আমি কাউকে কোন উপদেশ বিতরণ করি নি, আমি তাদের সামনে হাজির ছিলাম স্রেফ একজন শ্রোতা হিসাবে।

একদিন আমার এক রোগী, যার ছিল ভয়ঙ্কর তোতলামির ব্যারাম, দুটো শতী ডলারের নোট হাতে আমার দরজায় আবির্ভূত হন। আমার হাতে নোট দুটি গুঁজে দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এই নিন, আপনার জন্য।’’ আমি বললাম, ‘‘কিন্তু কীসের জন্য?’’ ‘‘কারণ আপনি আমার অসুখ সারিয়ে দিয়েছেন। আমি আর তোতলাই না।’’ এই বলে তিনি প্রস্থান করেন। এটা সত্যি তার তোতলামি কেটে গিয়েছিল, কিন্তু আমি কোনদিনই বুঝে উঠতে পারি নি ঠিক কীভাবে সেটা ভালো হয়েছিল।

লোকে যখন মনোবিশ্লেষণ বিষয়ে আমার অনুভূতি জানতে চায় তখন আমাকে বলতেই হয় যে আমি তাতে বিশ্বাস করি না। তবে আপনি যদি আমার পরামর্শ চান তাহলে বলি, শান্ত হোন। দুশ্চিন্তা করবেন না বেশি, সমস্যা নিয়ে খুব বেশি ভাববেন না। তরুণদের সমস্যা তৈরি করার একটা বিশেষ প্রতিভা রয়েছে যখন কার্যত কোন সমস্যার অস্তিত্বই নেই। ঘটনা যেভাবে ঘটছে ঘটুক, স্থির থাকুন, মনকে বিচলিত হতে দেবেন না। দেখবেন খুব দ্রুত সব সমস্যা ও দুর্ভাবনাগুলোকে আপনার কাছে গুরুত্বহীন মনে হবে। নিজের মন ও হৃদয়ের ব্যাপারে আপনিই আপনার সবচেয়ে বড় ডাক্তার। কিন্তু এটা যদি হয় ভাঙা হাড়ের ব্যাপার তবে সেটা আরেক গল্প।

অটো র্যা ঙ্ক, সিগমুন্ড ফ্রয়েড, কার্ল গুস্তাভ ইয়ুং

ড. অটো র্যা ঙ্ক-এর সঙ্গে আমার পরিচয় হয় আনেই নিনের মাধ্যমে যখন সে তাঁর সঙ্গে কাজ করছিল ন্যুয়র্কে। আনেই-এর ওপর তাঁর গভীর প্রভাব পড়েছিল, তাই সে আমাদের সাক্ষাতের ব্যাপারে খুব উৎসাহী ছিল যাতে করে আমার ওপরেও তাঁর একইরকম প্রভাব পড়ে।

আমি ধরাধামের যাবতীয় বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে প্রায় ঘন্টাখানেক কথা বলি। আমার কথা শেষ হলে তিনি আমাকে বলেন, ‘‘হেনরি, আপনার কোন মনোঃসমীক্ষণ এর দরকার নেই, আপনি সবদিক থেকেই পরিপূর্ণভাবে সুস্থ রয়েছেন। তবে আমি মাঝেমাঝে আপনার দেখা পেতে চাই কেননা আমি আপনার সঙ্গে কথা কলতে চাই। আমার কেউ নেই যে আমার কথাগুলো শুনবে। আমার কোন বন্ধু নেই।’’
তিনি একজন আকর্ষণীয় মানুষ ছিলেন, গভীর ধীশক্তির অধিকারী, কিন্তু ভয়ঙ্কর রকম নিঃসঙ্গ। তাঁর ছিল অবিশ্বাস্য প্রাণশক্তি। তিনি তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয় নিয়ে অনর্গল কথা বলে যেতে পারতেন, খুব সাধারণ কাজের মধ্যেও খুঁজে পেতেন গভীরতম অর্থ। আপনি যদি একটি ফুলদানির পাশে একখানা লবনদানি রাখেন তাহলে তিনি সেটাকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করবেন যেন তা ইতিহাসের গতিপথ পাল্টে দেবে। তিনি ছিলেন একজন দুর্দান্ত ভাবুক, কিন্তু সবকিছুর পরেও আমি বলি এতে কী লাভ? এইভাবে মনকে ব্যবহার করে কী উদ্দেশ্য হাসিল হবে?

আমার বয়স তখন আঠারো হবে যখন আমি প্রথমবারের মত সিগমুন্ড ফ্রয়েড এর নাম শুনি! ন্যুয়র্কের থিওসফিকাল সোসাইটিতে এক ব্যক্তি তাঁর সম্পর্কে বক্তৃতা দেন যেটা ছিল আমার কাছে ছায়াপথ আবিষ্কারের মত। তাঁর লেখা আমার মধ্যে তেমন আবেদন তৈরি করেনি, কেন না সেটা ছিল খুবই বিদ্যায়তনিক, তবে আমি অনেক বন্ধুর সঙ্গে তাঁর বিষয়ে আলোচনা করেছি। আমরা সবাই তাঁর বই স্বপ্নের ব্যাখ্যা দ্বারা গভীরভাবে আলোড়িত হয়েছি। পরে অবদমিত যৌনতা বিষয়ে তাঁর তত্ত্বসমূহ আমাদের কাছে কৌতুকের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যদিও শুরুতে তাঁর চিন্তাগুলো ছিল বিপ্লবাত্মক, প্রায় মহাপ্লাবনিক।

কার্ল গুস্তাভ ইয়ুং ছিলেন এদের মধ্যে সবচাইতে জবরদস্ত মনোঃসমীক্ষক। তিনি স্রেফ একজন মনোচিকিৎসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন কবি, রাহসিক, দ্রষ্টা। তিনিই ছিলেন এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আধ্যাত্মবোধসম্পন্ন এবং এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো লেখক। তাঁর লেখাগুলো তাত্ত্বিক নয় বরং অনেক বেশি অনুপ্রেরণাদায়ী।

তাঁর পাশে ফ্রয়েড ছিলেন একজন শ্লথপদ যুক্তিবিচারী, যিনি বহুমতের বিরোধী একজন কট্টরপন্থী ভাবুক। এমন একজন মানুষ যার কথাই হচ্ছে আইন। অন্যলোকের চিন্তা ও তত্ত্বের কাছে নিজেকে সমর্পণ করাটা তাঁর কাছে খুব কঠিন ছিল, যেখানে ইয়ুং সারাজীবন ধরে মানুষের মনোজগৎ বিষয়ে তাঁর তত্ত্ব ও ভাবনাসমূহকে প্রসারিত করে গেছেন।

মানুষের মনোজগতে এত বেশি চলক আর এত রহস্য রয়েছে যে একটিমাত্র চাবি দিয়ে তার সবকটার তালা খোলা অসম্ভব। সৃষ্টির আদি থেকেই মানবমনের রহস্য নিয়ে জগতের শ্রেষ্ঠ ভাবুকেরা চিন্তিত হয়েছেন এবং পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। এমন অযুত সম্ভাবনা বিশিষ্ট একটি বিষয়ে কোন বিশেষজ্ঞ থাকতে পারেন না, থাকতে পারেন কেবল পথিকৃৎ।

প্রকাশিত হয়েছে শাশ্বতিকীর অনুবাদ সংখ্যা

পাওয়া যাচ্ছে

লিটল ম্যাগ কর্নার, প্রথমা, তক্ষশিলা, জনান্তিক
আজিজ সুপার মার্কেট, শাহবাগ, ঢাকা।

বাতিঘর
মোমিন রোড, চেরাগীর মোড়
চট্টগ্রাম।

বিশদ বাঙলা
মেহেদিবাগ (বড় মসজিদ সংলগ্ন)
চট্টগ্রাম

বইপত্র
৯০ রাজা ম্যানশন (দোতলা)
জিন্দাবাজার, সিলেট।

রাইয়ান রাজী
মেলাঘর, প্রান্তিক গেট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

একুশে নিউজ কর্নার
খুলনা।

যশোর :
জেনারেল বুক ডিপো
সদর হাসপাতাল রোড, যশোর।

মিতালী লাইব্রেরী
কলেজ গেট, কোর্ট রোড
মৌলবীবাজার।
০১৭১৬-৭৬৭২৮৬

পড়ুয়া
থানা রোড, বগুড়া।

বুক পয়েন্ট
সোনাদিঘী মোড়, রাজশাহী

বই মেলা
এন এস রোড, কুষ্টিয়া

দোয়েল বুক হাউজ
মেহেরপুর।

টাউন লাইব্রেরি
ব্রিজের মোড়, নওগাঁ।

এছাড়াও পেতে পারেন কুরিয়ার/ডাক/ফ্লেক্সি যোগে ৫০/= টাকা পাঠিয়ে (আপনার ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।)

যোগাযোগ :
পাভেল ০১৭২৩ ২১০৩৭৩
রাতুল ০১৭১৭ ১২৫২৮৩
মোজাফফর হোসেন ০১৭১৭ ৫১৩০২৩
০১৭২৯ ০৯৩৭৭৮

[email protected]
shashwatiki.mywibes.com

সম্পাদক
মোল্লাভবন, রুম নং ৫২২/১৩২
সাহেব বাজার, রাজশাহী

for details :
http://www.facebook.com/profile.php?id=1420176279&ref=notif&notif_t=friend_confirmed#!/note.php?note_id=453808187494

জন্ম সন : ১৯৮৬ জন্মস্থান : মেহেরপুর, বাংলাদেশ। মাতা ও পিতা : মোছাঃ মনোয়ারা বেগম, মোঃ আওলাদ হোসেন। পড়াশুনা : প্রাথমিক, শালিকা সর মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং শালিকা মাদ্রাসা। মাধ্যমিক, শালিকা মাধ্য বিদ্যালয় এবং মেহেরপুর জেলা স্কুল। কলেজ, কুষ্টিয়া পুলিশ লাইন। স্নাতক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি অনার্স, ফাইনাল ইয়ার)। লেখালেখি : গল্প, কবিতা ও নাটক। বই : নৈঃশব্দ ও একটি রাতের গল্প (প্রকাশিতব্য)। সম্পাদক : শাশ্বতিকী। প্রিয় লেখক : শেক্সপিয়ার, হেমিংওয়ে, আলবেয়ার কামু, তলস্তয়, মানিক, তারাশঙ্কর প্রিয় কবি : রবীন্দ্রনাথ, জীবননান্দ দাশ, গ্যেটে, রবার্ট ফ্রস্ট, আয়াপ্পা পানিকর, মাহবুব দারবিশ, এলিয়ট... প্রিয় বই : ডেথ অব ইভান ঈলিচ, মেটামরফোসিস, আউটসাইডার, দি হার্ট অব ডার্কনেস, ম্যাকবেথ, ডলস হাউস, অউডিপাস, ফাউস্ট, লা মিজারেবল, গ্যালিভার ট্রাভেলস, ড. হাইড ও জেকিল, মাদার কারেজ, টেস, এ্যনিমাল ফার্ম, মাদার, মা, লাল সালু, পদ্মা নদীর মাঝি, কবি, পুতুল নাচের ইতিকথা, চিলে কোঠার সেপাই, ভলগা থেকে গঙ্গা, আরন্যক, শেষের কবিতা, আরো অনেক। অবসর : কবিতা পড়া ও সিনেমা দেখা। যোগাযোগ : 01717513023, [email protected]

মন্তব্যসমূহ

  1. বিপ্লব রহমান আগস্ট 31, 2010 at 7:14 অপরাহ্ন - Reply

    :yes:

  2. সংশপ্তক আগস্ট 31, 2010 at 2:09 অপরাহ্ন - Reply

    মিলার যাই বলুক ,মনো বিশ্লেষণের অবশ্যই প্রয়োজন রযেছে কারণ শুধু তখনই আমরা জানতে পারবো য়ে ,

    মানুষের মনোজগতে এত বেশি চলক আর এত রহস্য রয়েছে যে একটিমাত্র চাবি দিয়ে তার সবকটার তালা খোলা অসম্ভব। সৃষ্টির আদি থেকেই মানবমনের রহস্য নিয়ে জগতের শ্রেষ্ঠ ভাবুকেরা চিন্তিত হয়েছেন এবং পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। এমন অযুত সম্ভাবনা বিশিষ্ট একটি বিষয়ে কোন বিশেষজ্ঞ থাকতে পারেন না, থাকতে পারেন কেবল পথিকৃৎ।

  3. মাহফুজ আগস্ট 31, 2010 at 6:52 পূর্বাহ্ন - Reply

    @ মোজাফফর ভাই,
    অসংখ্য ধন্যবাদ অনুবাদ সংখ্যা পাঠানোর জন্য।

    আমার বন্ধু অনুবাদ সংখ্যার এক কপি ছো মেরে নিয়েছে। কিছুক্ষণ দেখে বলল- ‘অনুবাদ সাবলিল ও চমৎকার।’ তাকে রিভিউ করার অনুরোধ জানালাম। মাথাটা কাত করে বলল- দেখি।

    আমার মত মানুষের জন্য এমন সহজ সরল ভাষায় অনুবাদ দরকার।

    হেনরি মিলারের ভাবনাগুচ্ছ অনুবাদটি আলম খোরশেদ (নাকি, খোরশেদ আলম) করেছেন, তা ভলো লেগেছে। ফ্রয়েডের অনেক কিছুই আমার নিকট ভালো লাগে না। ওনার মন:বিশ্লেষণ পড়তে গেলে মন কেমন যেন আথাল-পাথাল করে। সবকিছু কেমন যেন এলোমেলো হয়ে যায়।

    • মোজাফফর হোসেন আগস্ট 31, 2010 at 7:15 পূর্বাহ্ন - Reply

      @মাহফুজ, অনেক অনেক ধন্যবাদ মাহফুজ ভাই। আপনাদের ভাল লাগলেই তো আমাদের শ্রম সার্থক।

      • আফরোজা আলম সেপ্টেম্বর 2, 2010 at 9:40 অপরাহ্ন - Reply

        @মোজাফফর হোসেন,
        বই পেলাম। দারুণ প্রচ্ছদ,আরো ভালো লাগছে লেখার অনূবাদগুলো। এমন একটা উদ্যোগ প্রশংসার দাবী রাখে। হাতে ঝক-ঝকে মলাটের বই।সত্যই বড্ড মধুর।

  4. সুমিত দেবনাথ আগস্ট 31, 2010 at 4:06 পূর্বাহ্ন - Reply

    মিলারের মতের সঙ্গে আমি একমত নই। কারন মনরোগ অনেক ক্ষেত্রে ধর্য্য দিয়ে শুনলে সারে না। কারণ তা নানা কারণে হতে পারে শুধু যে মানসিক আঘাত তা নয়। তা হতে পারে শারিরীক তথা জৈবিক মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন, হরমোনের সমস্যা। আর মনোঃবিশ্লেষণের নিশ্চয়ই দরকার আছে না হলে আমাদের মনকে আমরা কি করে চিনব? :-Y

  5. রৌরব আগস্ট 30, 2010 at 2:21 পূর্বাহ্ন - Reply

    বেশ সুখপাঠ্য অনুবাদ। :yes:

মন্তব্য করুন