মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা ও শক্তি

By |2010-08-16T05:39:19+00:00আগস্ট 4, 2010|Categories: ব্লগাড্ডা|51 Comments

মুসলিম বিশ্বের শিক্ষা ও শক্তি
উত্তর পুরুষ

কমিউনিজম ভেঙ্গে গেছে এখন ‘ইসলামকে ভেঙ্গে দেয়ার পায়তারা চলছে’। এমন উক্তির জবাবে দু’টি প্রশ্ন স্বভাবতই মনে জাগে। (এক) তাহলে কি ইসলামে এমন প্রযুক্তি ও বাহুবল লুকিয়ে আছে,যে বাহুবলের নিকট পৃথিবীর সকল ধনী রাষ্ট্রের মারণাস্ত্র, বোমা, অস্ত্রসম্ভার, ব্যবসা বাণিজ্য প্রভৃতি মার খাবে এক ম্যাজিকের মতো ? আর একারণে ইসলামকে ভেঙ্গে দেয়ার পায়তারা চলছে। কারণ পৃথিবীর সব শক্তির মূলমন্ত্র হচ্ছে ” জোর যার মুল্লুক তার”। একারণে নিষ্ঠুর ইহুদিরা দুর্বল প্যালেস্টাইনীদের অবিরত নির্যাতন করে যাচ্ছে। রক্তের বন্যায় ভাসিয়ে দিচ্ছে দেশ। কেউ তাদেরকে সামাল দিতে পারছেনা। এই যুদ্ধ ও রক্তপাতের মূল কারণ হচ্ছে ধর্ম এবং ধর্মীয় সামপ্রদায়িকতা। যা সেই অতীতকাল থেকে শুরু হয়েছিল।
(দুই) ইসলামের নীতিবল যদি বোমা ও বুলেটের চেয়ে শক্তিশালী হতে হয় তবে তাও প্রমাণ করতে হবে কাজে কর্মে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে নীতিবলকে কার্যকরী করতে হলে “শক্তি” ছাড়া কোন আদেশ কার্যকরী হয় না। তাহলে ‘ইসলামকে ভেঙ্গে দেয়ার পায়তারা চলছে’ এ বক্তব্যটি আমরা কিভাবে বিবেচনা করবো ? মুসলমান রাষ্ট্রে আমাদের চরিত্র অমুসলিমদের চেয়ে ও খারাপ, কিংবা কোরআনের ভাষা অনুযায়ী মুসলিম রাষ্ট্রের সরকার বা কর্ণধার প্রকৃত মুসলিম আদর্শের অনুসারী নয়, এই ঝগড়া তর্ক করে আমরা অমুসলিমদের কিছুতেই বুঝাতে পারবো না যে, ইসলামী আর্দেশর নীতি থেকে বিচ্যুতি হওয়ার কারণেই আজকের বিশ্ব-মুসলিমদের অবস্থা এই চরমে। বিশ্বের অমুসলিমরা বিশেষ করে ইউরোপ, আমেরিকা, ক্যানাডা, সাউথ আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ইত্যাদি দেশের সরকারগুলো যদি মুসলামানদের ঘৃণা বা অপছন্দ করে থাকে তাহলে তাদের দেশে স্থানে স্থানে মসজিদ, মাদ্রাসা ইত্যাদি নির্মাণ করার জন্য উদার ভাবে অনুমতি দেয় কেমনে ? বাংলাদেশে’তো নতুন গীর্জা কিংবা হিন্দু মন্দির ইত্যাদি প্রতিষ্ঠা করতে গেলে মোল্লা মামাগণ “বেদীনে দেশ দখল করে নিচ্ছে” বলে চিৎকার করতে করতে মহাপ্রলয় ঘটিয়ে ফেলবেন। “আহমদিয়া” কিংবা স্বাধীন চেতা উপজাতি মুসলিম গ্রুপদের তারা কিভাবে নাজেহাল করেছিলেন এবং এখনও করছেন তা’তো আমাদের প্রত্যেকের’ই জানা। আর পাকিস্তানের মওদুদী সাহেব তো যে ভাবে ধর্মের নামে অধর্ম আমদানীর ইতিহাস রচনা করেছেন তা থেকে কি প্রমাণ হয় না উদার মনের মানুষ কারা ?
(৩) বিশ্বে এমন কোন মুসলিম দেশ বিগত কয়েক শতাব্দিতে এমন ভাবে গড়ে উঠেনি, যেটা অমুসলিমদের চোখে একটা মডেল বা আদর্শ হয়ে আছে। আজকের মধ্যপ্রাচ্যে যে সমস্ত দেশগুলো গায়েবী খনিজ সম্পদে ধনী হয়েছে বলে গর্ব করে, তাদের মধ্যেও বহু আদর্শ নেই। তাদের ধনী হওয়ার পেছনে পাশ্চাত্যের বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ব্যতীত অন্য কোন প্রযুক্তির অবদান নেই। তাহলে ইসলামকি শুধু পরকালের বাণী নিয়েই ঠিকে থাকবে ? ইসলামী চিন্তাবিদ ও মনীষিরা কি এ ব্যাপারে কোন ভূমিকা পালন করবেন না ? যেহেতু অর্থনৈতিক মুক্তি মানুষের কাছে বড় ধর্ম হয়ে দাড়িয়েছে।
(৪) এই নিবন্ধে আজকে আমি মুসলিম, ইহুদী ও খৃষ্টান জাতির তুলনামূলক শিক্ষা ও শক্তির কথা তুলে ধরবো। সকল মুসলিম বিবেকবান ভাইদের কাছে অনুরোধ থাকলো বিষয়টি তারা যেন গভীর ভাবে খতিয়ে দেখেন। ভাবাবেগ ও কল্পনাকে দুরে সরিয়ে রেখে, বাস্তবতাকে সবাই যেন বুঝার চেষ্টা করেন। তথ্যগুলো আপনারা ইন্টারনেটে খোঁজ নিলে পাবেন। এতদ্ব্যতীত ইউরোপের যে কোন বৃহৎ লাইব্রেরী কিংবা জাতিসংঘের ওয়ার্লড এজুকেশন কমপ্রিহেনসিভ ওয়েভ পেইজ গুলোতে বিচরণ করলে দেখতে পাবেন।
● জনসংখ্যার বিস্তার ও তুলনা ●
বর্তমান বিশ্বে ইহুদী জাতির জনসংখ্যা হচ্ছে ১৪ মিলিয়নের উপরে। অর্থাৎ এক কোটি চার লক্ষ।
এর মধ্যে প্রায় ৭ (সাত) মিলিয়ন আমেরিকায়
প্রায় ৫ (পাঁচ) মিলিয়ন এশিয়ায়
২(দুই) মিলিয়ন ইউরোপে
প্রায় ১০০ হাজারের মত আফ্রিকায়।
বর্তমান বিশ্বে মুসলিম জাতির জনসংখ্যা হচ্ছে ১.৫ বা দেড় বিলিয়নের উপরে।
অর্থাৎ দেড় শত কোটির উপরে। (একশো কোটিতে এক বিলিয়ন)
এর মধ্যে এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য মিলে
জনসংখ্যার পরিমান প্রায় এক বিলিয়ন বা ১০০শত কোটি
আফ্রিকা মহাদেশে আছে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বা চল্লিশ কোটি।
ইউরোপ মহাদেশে আছে প্রায় ৪৪ মিলিয়ন বা চার কোটি, চার লক্ষ।
এবং উত্তর আমেরিকা আছে প্রায় ৬ মিলিয়ন বা ষাট লক্ষ।
উপরোক্ত জনসংখ্যার তুলনায়, বিশ্বের পাঁচজন মানুষের মধ্যে একজন হচ্ছেন মুসলমান।
একজন হিন্দু কিংবা একজন বৌদ্ধের বিপরীতে আছেন দু’জন মুসলমান।
একজন ইহুদীর বিপরীতে আছেন ১০৭ জন মুসলমান।

● বিশ্বের বর্তমান ইতিহাসে যাদের নাম সবচেয়ে বেশী উচ্চারিত হচ্ছে তারা হলেন ●
১। আলবার্ট আইনস্টাইন
২। সিগমন্ড ফ্রয়েড
৩। কার্ল মার্ক্স
৪। পাউল সামুয়েলসান।
তাঁরা সকলেই জাতিতে ইহুদী ছিলেন।

● বর্তমান চিকিৎসা জগতে যাদের অবদান সবচেয়ে অবিস্মরণীয় তারা হলেন ●
১। বেঞ্জামিন রুবেন। রোগ প্রতিরোধের জন্য ভেকসিন সুচ আবিস্কার কর্তা
২। জনাস সল্ক। পলিও ভেকসিনের আবিস্কার কর্তা।
৩। গের্টাড এলিওন। লিউকেমিয়ার ঔষাধ আবিস্কার কর্তা
৪। বারুচ ব্লুমর্বেগ। হেপাটাইটিস বি এর আবিস্কার কর্তা
৫। পাউল এরলিশ। সিফিলিস রোগের ঔষাধ আবিস্কার কর্তা
৬। এলি মেটচেনিকফ। নিউরো মাসকুলার এর উদ্ভাবক।
৭। আন্দ্রে শেলী । এন্ডেক্রিনোলজির উদ্ভাবক।
৮। এ্যরন ব্যাক । কগনিটিফ থেরাপী এর আবিস্কার কর্তা
৯। গ্রেগরী পিনকাস। কনট্রাসেপটিব পিল এর আবিস্কার কর্তা
১০। জর্জ ওয়াল্দ । চক্ষু চিকিৎসার সকল খুটিনাটির উদ্ভাবক।
১১। ষ্টেনলি কোহেন । এমব্রিওলজির উদ্ভাবক
১২। উইলেম ক্লফকাম। কিডনী ডাইলোসিস এর উদ্ভাবক।
উল্লেখ্য যে তাঁরা সকলেই জাতিতে ইহুদী। মনে রাখা দরকার তারা ইহুদী ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে যাওয়ার কারণে তা হয়নি। হয়েছে অধ্যবসায়, শ্রম এবং উচ্চতর শিক্ষার প্রতি মনোনিবেশ করার কারণে।

● নবেল প্রাইজ বিজয়ী ●
বিগত ১০৫ বৎসরের মধ্যে ইহুদী ১ কোটি চার লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে থেকে ১৮০ জন পেয়েছেন বিশ্বের সেরা নোবেল প্রাইজ। অথচ ১৫০ কোটি মুসলমানদের মধ্যে নোবেল পেয়েছেন মাত্র ৮ জন। তাও শান্তির জন্য ৫ জন এবং আবিস্কার বা নতুন উদ্ভাবনের জন্য পেয়েছেন মাত্র তিন জন।

যাদের অশেষ শ্রম এবং অধ্যবসায়ের কারণে আজকের পৃথিবী সৃষ্টি করেছে নতুন ইতিহাস তারা হলেন
১। স্টেনলী মেজর। (কম্পিউটারের) মাইক্রো প্রসেসিং চীপ এর উদ্ভাবক।
২। লিও সিলান্ট । নিউক্লিয়ার চেইন রিয়েক্টর এর উদ্ভাবক।
৩। পিটার সুটছ । অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল এর উদ্ভাবক।
৪। চার্লস এডলার। ট্রাফিক লাইট (যানজট নিয়ন্ত্রন) এর উদ্ভাবক।
৫। বেনো স্ট্রাউছ । স্টেইনলেস ষ্টিল এর আবিস্কার কর্তা
৬। ইসাডর কিসি। সাউন্ড মুভি (সবাক চলচ্চিত্র) এর উদ্ভাবক।
৭। এমিল বার্লিনার। টেলিফোন মাইক্রোফন এর আবিস্কার কর্তা
৮। চার্লস গিনসবার্গ। ভিডিও টেপ রেকর্ডার এর আবিস্কার কর্তা
উপরে উল্লিখিত সকলেই জাতিতে ইহুদী।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : অতীতকালের জ্ঞানী মুসলিম দার্শনিকদের তথ্যাদি চুরি করে ইহুদীরা এসব কামিয়েছে এরকম মন্তব্য থেকে দয়া করে দূরে থাকবেন। তা না হলে প্রশ্ন দাড়াবে ওরাই যদি তাই চুরি করে থাকে তাহলে মুসলমানরা কেন সাচ্চা থেকেও ওদের থেকে অধিক জ্ঞানী হতে পারলেন না ?

● বিশ্বের ব্যবসায়ে যে সমস্ত নাম বা কোম্পানীর প্রভাব ও সুনাম সবচেয়ে বেশী,সেগুলো হচ্ছে ●

১। পলো। (বস্ত্র ব্যবসা)। রাফ লরেন (Ralph Lauren)
৩। কোকা কোলা । (শীতল পানীয়)
৪। লেভিস জিন্স। নীল সুতার জীন বস্ত্র। লেভি ষ্ট্রাউছ
৫। ষ্টারবাক্স (কফি ও কফিজাত পানীয়ের ব্যবসা) হাওয়ার্ড সুল্টছ
৬ । গোগল, (ইন্টারনেট সারভার) সার্জে ব্রিন।
৭। ডেল কম্পিউটারস । ( কম্পিউটার/ কম্পিউটারের খুচরা যন্ত্রাংশ) মাইকেল ডেল
৮। অরাকোল। (কম্পিউটারের নানাবিধ সফ্টওয়ার উৎপাদক) লেরী এলিসন
৯। ডি কে এন ওয়াই ( ইলেকট্রনিঙ্ ও পারফিউম) ডনা কারান
১০। বাসকীন এন্ড রবিন্স। ডেয়ারী প্রডাক্ট। ইরভ রবিন্স
১১। ডানকিন্স ডনাট্স। (বিখ্যাত কফি ও প্রেষ্ট্রি উৎপাদক) বিল রজেনর্বেগ।
উপরে উলি্লখিত ব্যবসা কিংবা কোম্পানী সমুহ একমাত্র ইহুদী জাতির।

● বুদ্ধিমান ও খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব , রাজনীতিবিদ ●
১। হেনরী কিসিঞ্জার। এক সময়ের আমেরিকার সেক্রেটারী অফ স্টেট।
২। রির্চাড লেভিন। প্রেসিডেন্ট, এইল ইউনিভার্সিটি
৩। এলান গ্রীনস্পান। আমেরিকান ফেডারেল রিজার্ভ প্রধান ।
৪। জোসেফ লিভারম্যান।
৫। আলব্রাইট মেডেলিন । আমেরিকার সেক্রেটারী অফ স্টেট।
৬। কেসপার ওয়াইনবের্গ। আমেরিকার সেক্রেটারী অফ ডিফেন্স।
৭। ম্যাক্সিম লিথভিনব। এক সময়ের রাশিয়ান ফরেইন মিনিষ্টার।
৮। ডেভিড মার্শাল। সিঙাপুরের চীপ মিনিষ্টার।
৯। আইজ্যাক্স আইজ্যাক । গর্ভনর জেনারেল অফ অষ্ট্রেলিয়া।
১০। বেনজামিন ডিজরেলী । ব্রিটিশ স্টেটসম্যান।
১১। এভেঞ্জি প্রিমাকভ। এক সময়ের রাশিয়ান প্রাইম মিনিষ্টার।
১২। বেরী গোল্ডওয়াটার। আমেরিকান রাজনীতিবিদ।
১৪। জর্জ সামপিও। পর্তুগালের প্রেসিডেন্ড।
১৫। হার্ভ গ্রে। ক্যানাডিয়ান ডেপুটি প্রাইম মিনিষ্টার।
১৪। পিয়েরে মেনডেস। এক কালের, ফ্রান্সের প্রাইম মিনিষ্টার।
১৫। মাইকেল হাওয়ার্ড । এক সময়ের ব্রিটিশ হোম সেক্রেটারী।
১৬। ব্রুনো ক্রিসকী। এক সময়ের অষ্ট্রিয়ান চ্যানসেলোর
১৭। রর্বাট রুবিন। আমেরিকার সেক্রেটারী অফ ট্রেজারী

উপরে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ সকলেই ছিলেন জাতিতে ইহুদী

● বিশ্ব প্রভাবিত প্রচার মাধ্যম। যার মালিক,প্রকাশ কিংবা সম্পাদক হচ্ছেন ইহুদী ব্যক্তিত্ব ●

সি এন এন। ওলফ ব্লিটজার
এ বি সি নিউজ। বারবারা ওয়ালটার্স।
ওয়াশিংটন পোষ্ট। ইউগেন মায়ার।
টাইম ম্যাগাজিন। (সাপ্তাহিক) হেনরী গ্রুনওর্য়াল্ড
ওয়াসিংটন পোষ্ট ক্যাথারিন গ্রাহাম
নিউ ইর্য়ক টাইম্স। জোসেফ লেলইয়েল্ড। ১৯৯৪-২০০১
নিউ ইর্য়ক টাইম্স। ম্যাক্স ফ্রাঙ্কেল। (১৯৮৬ -১৯৯৪)

দু’জন খ্যাতিমান ইহুদী (ফিলএনথ্রোপিস্টস) যারা হাসপাতাল,
শিক্ষা, এতিমখানা, মিউজিয়াম ইত্যাদিতে বৃহৎ অঙ্কের অর্থ অনুদান করেন।
১। জর্জ সরোজ ২। ওয়ালটার আনেনবের্গ

● কয়েকজন ইহুদী অলিম্পিক গোল্ড মেডালিস্ট ●
মার্ক স্পিটস। তিনি পেয়েছেন সাতটি গোল্ড মেডাল।
ক্রেজেল বাগ। একটি করে ।
বরিস ব্যাকার একটি করে।

● বিশ্ব নেতৃত্বের ভূমিকায় বর্তমান শিক্ষা, প্রযুক্তি ও আনুষাঙ্গিক ●
১। বর্তমান মুসলিম বিশ্বের ৫৭ টি দেশে প্রকৃত বিশ্ব বিদ্যালয়ের পরিমান হচ্ছে ৫০০ (পাঁচশত) টি
২। কেবল মাত্র আমেরিকায় বিশ্ব-বিদ্যালয় আছে ৫৭৫৮ (পাঁচ হাজার সাত শত আটান্নোটি)
৩। ভারতে আছে ৮৪০৭ (আট হাজার চারিশত সাতটি) ইউনিভার্সিটি ও কলেজ।এর মধ্যে ইউনিভার্সিটির সংখ্যা ৪৬৯। সুত্র : (ইন্ডিয়াষ্টাডিচ্যানেল.কম। ইন্ডিয়াষ্টাডিসেন্টার ডট কম।
বিশ্বে যে খ্যাতিমান (টপ র‌্যাঙ্কের) পাঁচ শতটি ইউনিভার্সিটি আছে, সেই তালিকায় ইসলামিক বা মুসলিম বিশ্বের কোন ইউনিভার্সিটির নাম নেই।
৪। বিশ্বের ক্রিশ্চান সমাজে শিক্ষার হার ৯০% (নব্বুই ভাগ)
৫। বিশ্বের মুসলিম সমাজে শিক্ষার হার ৪০% (চল্লিশ ভাগ)
৬। বিশ্বের ১৫ টি ক্রিশ্চান সংখ্যাগুরু দেশে শিক্ষার হার ১০০% (একশত ভাগ)
৭। অধিকাংশ মুসলিম দেশে শিক্ষার হার ৫% (পাঁচ ভাগ)
৮। বিশ্বের ক্রিশ্চান দেশ সমুহে প্রাথমিক স্কুল শিক্ষা সমাপ্ত করে শতকরা (৯৮%) আটান্নব্বই ভাগ ছাত্র ছাত্রী।
৯। বিশ্বের ৫৭টি মুসলিম দেশের মধ্যে মাত্র ২৬ টি দেশের শিশুরা প্রাথমিক স্কুল শিক্ষা সমাপ্ত করে,
তাও অধিকাংশ ছাত্র। ছাত্রীরা থাকে অনুপস্তিত।
১০। শতকরা ৪০% (চল্লিশটি) ক্রিশ্চান দেশের ছাত্র ছাত্রীরা ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করে।
১১। আর মুসলিম দেশের শতকরা ৩% (তিন ভাগ) ছাত্র ছাত্রীরা ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়ন করে।
১২। অধিকাংশ মুসলিম দেশে, এক মিলিয়ন জনসংখার মধ্যে, বিজ্ঞানীর সংখ্যা ২৩০ জন।
১৩। আমেরিকায় এক মিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে, বিজ্ঞানীর সংখ্যা ৫০০০ (পাঁচ হাজার)
১৪। ক্রিশ্চান বিশ্বে এক মিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে, প্রযুক্তিবিদ বা টেকনিশিয়ানদের
সংখ্যা ১০০০ (এক হাজার) জন।
১৫। সমস্ত আরব বিশ্বের প্রতি এক মিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে, প্রযুক্তিবিদ বা টেকনিশিয়ানদের সংখ্যা
৫০ (পঞ্চাশ) জন।
১৬। গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য মুসলিম বিশ্ব খরচা করে, জিডিপি (গ্রস ডমেস্টিক প্রডাক্ট)এর ০.২%
১৭। গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য ক্রিশ্চান বিশ্ব খরচা করে, জিডিপি এর ৫% ( শতকরা পাঁচ ভাগ)
১৮। উচ্চ প্রযুক্তির উৎপাদিত পণ্য বা দ্রব্যের মাত্র ১% (এক ভাগ) পাকিস্তান বর্হিদেশে রফতানী করে।
১৯। উচ্চ প্রযুক্তির উৎপাদিত পণ্য বা দ্রব্যের মাত্র ০.৩% (জিরো পয়েন্ট তিন ভাগ) সৌদী আরব বর্হিদেশে রফতানী করে।
২০। তদ্রূপ কুয়েত, মরক্কো, আলজিরিয়া ০.৩% (জিরো পয়েন্ট তিন ভাগ) বর্হিদেশে রফতানী করে।
২১। উচ্চ প্রযুক্তির উৎপাদিত পণ্য বা দ্রব্যের ৫৮% (আটান্নো ভাগ) সিঙ্গাপুর বর্হিদেশে রফতানী করে।

উপরের খতিয়ানগুলো স্থির মাথায় যাচাই করে দেখুন। মুসলিম ভাইয়েরা আজ শিক্ষার দিক দিয়ে কত পশ্চাতে। আজকের মুসলমান জাতির শিক্ষা দীক্ষার দিকে তেমন খেয়াল নেই। তাদের অধিকাংশ মনে করেন রাছুল (সঃ) স্কুল কলেজে না গিয়েও যখন নবুয়তি পেয়েছেন এবং আল্লাহর সাথে বন্ধুত্ব করে শেষ বিচারের দিনে সাফায়াত বা সুপারিশকারী হিসেবে ভার নিয়েছেন সুতরাং চিন্তার কোন কারণ নেই। এখন শুধু হজ্জ্ব পালন করতে পারলেই জীবনটা স্বার্থক। এই আশ্বাসে প্রিয় নবীকে খুশ রাখার জন্য তিনির নামে সালাম ও দুরুদের প্রবাহ বয়ে চলেছে অবিরাম গতিতে। মুসলিম যুগের “বনু আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাওয়াক্কিল আলাল-লাহের আমলে ২৩২ হিজরীতে হাদীস সংগ্রহ ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়। এ সময়ে আবু বকর ইবনে শায়বা ‘জামে রাসাফায়’ হাদীস শিক্ষাদান শুরু করেন। ফলে তাঁহার নিকট হইতে হাদীস শিক্ষার জন্য মুসলিম জাহানের বিভিন্ন অঞ্চল হইতে প্রায় ত্রিশ হাজার শিক্ষাথীর্রা সমবেত হয়”। (হাদীস সংকলনের ইতিহাস, মওলানা মুহাম্মাদ আব্দুর রহীম, দশম সংস্করন জানুয়ারী ২০০৭, পৃষ্টা ৩৬৫ ) ঐ সময় থেকে অতীতের সাহাবী এবং তাবে তাবেঈনদের সুত্র ধরে রসুলের চলা ফেরা, কোরআনের সমর্থনে বিভিন্ন বাণী, সামাজিক নিয়ম কানুন, প্রার্থণা, পাক পবিত্রতা ইত্যাদি নিয়ে সহস্র সহস্র হাদিছ লিখে হাদিছবেত্তাগণ মুসলমানদের মাথা ভারী করেছেন। এসব লিখার জন্য কি কোরআনের কোথাও তাগিদ এসেছিল ? যদি তাগিদ আসতো তাহলে ইসলামের ৫টি স্তম্ভের বদলে ৬টি স্তম্ভ হতো ধর্মের মুল খুঁটি। অতি ভক্তিদ্বারা আরবদেশীয় একটি ধর্মকে কি ভাবে জটিল করা হয়েছে তার প্রমাণ আজকের মুসলমান পন্ডিতদের বাড়াবাড়ি। পবিত্র কোরআনে আয়াত আছে মাত্র ৬৬৬৬ টি। আর রছুলের জীবন কাহিনী ও হাদিছ কাহিনী গড়তে গিয়ে মুসলামানরা সৃষ্টি করেছেন ছয় কোটির ও বেশী আয়াত। এসব আয়াত পুঙ্খানুপুঙ্খু ভাবে কয়জনে মেনে চলেন ? তাহলে বিবেকবানরা চিন্তা করে দেখুন, বিশ্ব নেতৃত্বের জন্য যে বহুমুখী শিক্ষার প্রয়োজন সেই অনুপাতে মুসলিম বিশ্বের কি শিক্ষা এবং কি শক্তি আছে ? শিরক এবং কুফর এদুটি পাপ যদি আপনি না করেন আর হিংসা বিদ্বেষ ভুলে, সৎ উপার্জনে টিকে থাকতে পারেন তাহলে আপনি যেকোন ধর্মে বিশ্বাসী হোন না কেন, আপনি অবশ্যই মুক্তি পাবার আশা করতে পারেন। বিষয়টি আপনার নিজ বিবেক থেকেই যাচাই করুন।
.

About the Author:

ক্যানাডা-প্রবাসী মুক্তমনা ব্লগ লেখক "উত্তর পুরুষ" নিজেই বলছেন, আমাকে জানার আগে আমার মানসিকতা এবং আমার বিশ্বাস ও দর্শনকে বুঝুন। ********************************************************************* পৃথিবীর কোন মানুষ যখনই সৃষ্টির পেছনে কোন এক শক্তি কাজ করছে বলে মনে মনে স্বীকার করে কিন্তু জানে না সেই শক্তির মূর্ত কিংবা বিমূর্ত রুপ কি ? সে কখনো নাস্তিক নয়। তার দৃষ্টিতে সেই শক্তি মোহাম্মদের আল্লাহ না হয়ে ছাগলের কল্লা'ই যদি হয় তবুও সে নাস্তিক হতে পারে না। যতক্ষন এই বিশ্বাস তার হৃদয়ে তিল পরিমাণ থাকে ততক্ষণ পযন্ত সেই লোক একজন আস্তিক। এশিয়ার শিক্ষা বঞ্চিত অসংখ্য গোড়া মুসলমানগণ এসব বুঝতেই রাজী না। যখনই কেউ ইসলাম নিয়ে নিগেটিভ কিছু বলে সে তখন তাদের দৃষ্টিতে হয়ে যায় নাস্তিক। অতএব এদের দ্বারা, এদের ধর্ম দ্বারা শান্তি ও মানব কল্যাণ কতটুকু সম্ভব ? শুধুই তো আশ্বাস আর ফাঁকা বুলি। আমার কথাগুলো যাচাই করবেন ? তাহলে আমার সব প্রবন্ধগুলো পড়ুন । চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি এই বলে "যুগে যুগে ধর্ম সব সময়েই মানুষের ব্রেইন থেকে সৃষ্ট বা তৈরি" এর সাথে ঐশ্বরিক কোন সম্পর্ক নেই।

মন্তব্যসমূহ

  1. সংশপ্তক আগস্ট 7, 2010 at 11:25 পূর্বাহ্ন - Reply

    ইহুদি বনী ইসরাইলরা না হয় বুঝলাম অন্য গোত্রের বলে মুহাম্মদকে নবী হিসেবে মেনে নেয়নি । কিন্তু মুহাম্মদের আপন রক্তের আবু তালিব ও আবু লাহাবও তো মানেনি । কে না চায় ভাতিজা নবীর ছুতোয় বেহেশতের টিকিট নিশ্চিত করতে ? তারা তাদের ভাতিজার চালাকি ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন । সুরা লাহাব পড়লেই বোঝা যায় যে , মুহাম্মদ তার আপন রক্তের আবু লাহাবকে ইহুদিদের চাইতেও বেশি ঘৃণা করতেন ।

    • আকাশ মালিক আগস্ট 7, 2010 at 5:28 অপরাহ্ন - Reply

      @সংশপ্তক,

      তারা তাদের ভাতিজার চালাকি ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন । সুরা লাহাব পড়লেই বোঝা যায় যে , মুহাম্মদ তার আপন রক্তের আবু লাহাবকে ইহুদিদের চাইতেও বেশি ঘৃণা করতেন ।

      :yes: :yes:

      যারা জেগে জেগে ঘুমায়, যারা অন্ধকার ভালবাসে, যারা সত্যকে ভয় পায়, তাদের সাথে তর্ক করা সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছু নয়। জ্ঞানে বুদ্ধিতে অপরিপক্ষ একটি শিশু আর এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, যদিও তারা নিজেকে জ্ঞাণী বলে প্রচার করেন।

  2. Golam Kibria আগস্ট 7, 2010 at 8:41 পূর্বাহ্ন - Reply

    “তর্কের দুটো কারণ থাকে ১)সত্য জানার জন্য ২)তর্কের খাতিরে”….আপনাদের দ্বিতীয় দলেরই মনে হয়….
    আমি কোনো গোঁড়া মুসলিম নই…কিন্তু আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি সামনে কিছু একটা ভয়াবহ ঘটতে চলেছে…আর সেটাতে ধর্মের প্রভাব হবে সবচেয়ে বেশি…আমি জানিনা তত দিন বাঁচব কিনা….কিন্তু যারা বেঁচে থাকবেন তারা আমার কথাটা মিলিয়ে দেখবেন…অনেকে বলেন ইহুদিরা কি হুমকি দেখে মুসলিমদের মধ্যে, আমি ভাবি যারা এটা বলে তারা এতটা অন্ধ বধির হয় কিভাবে? চারপাশে কি কিছুই দেখা যাচ্ছে না?…কেন এত্ত অবিচার, এত অযৌক্তিকতা আর অনাচারের ছড়াছড়ি?….মধ্য প্রাচ্য থেকে মধ্য এশিয়া, আফ্রিকা থেকে লাতিন আমেরিকা পূর্ব থেকে পশ্চিম, পশ্চিম থেকে পূর্ব সবদিকে একই অবস্থা…এগুলোর জন্য মুসলিমরা দায়ী না….ভাবতে পারেন এখনো আফঘান তালিবানদের অস্ত্র রসদ সরবরাহ করছে করা? তারা তো একটা ছুরিও বানাতে জানেনা….
    আসলে ইহুদিদের সাথে মুসলিমদের একটা জাতশত্রুতা আছে…সেই ১৪০০ বসর আগে থেকেই…ওরা আসলেই বুঝতে পেরেছিল মুহাম্মদ সত্য নবী,কিন্তু তাদের গোত্রে না জন্মানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়….এই ক্ষুব্ধতা এখন আর যৌক্তিকভাবে তাদের মাঝে সেই ভাবে নাই তবে বংশানুক্রমে অদ্ভুতভাবে আজও রয়ে গেছে….ওরা আসলেই মুসলিমদের হুমকি মনে করে….কেন মনে করে তা গুরুত্বপূর্ণ না….তবে সত্য এটাই যে,’মনে করে’….পৃথিবীটা যুক্তি দিয়ে খুব কমই চলে, মানবতা নামে আসলেই কিছু নাই, ঈশ্বরভীতি ছাড়া মানবতা কোনদিনই সাফল্য অর্জন করতে পারেনি, মানবতার সংজ্ঞাটাই আসলে ধর্মেরই দেওয়া…মানুষ পৃথিবীর বুকে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে কি নরক বানিয়ে ফেলেছে….কেউই শান্তিতে নাই…সবার হৃদয়ে অতৃপ্তি আর অশান্তি….কেন?…কেননা শুধু পৃথিবীতে absolute peace অর্জন অসম্ভব….মানুষের দরকার অনন্ত সুখ, অনন্ত সময়….আর তা শুধুই স্বর্গে পাওয়া সম্ভব…ধরনীতে নয়…আর আসলে মানুষ এখনো চরম অসহায়….সে আমেরিকার প্রেসিডেন্টই হোক আর অনিরাপদ ইরাকের মাটিতে নবজাত শিশুই হোক….আসলেই মানুষ এখনো তেমন কিছুই অর্জন করতে পারেনি….পারবে কিনা তাও বলা যায়না নিশ্চিতভাবে….সব কলকাঠি আসলে নাড়াচ্ছেন মহা পরাক্রমশালী কেউ…..তাকে স্বেচ্ছাচারি বা নিষ্ঠুর যাইই বলেন না কেন নিজেকে নগন্য ভাবতে ভুল করবেন না…কেননা তার সামনে গন্য হবার মত কিছুই আমরা করতে পারিনি আর পারবোও না….

    • আদিল মাহমুদ আগস্ট 7, 2010 at 10:34 পূর্বাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      ইহুদীদের ভাবতাম চালাক চতুর, আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে এরা আসলে বিরাট বেকুবের জাত।

      “ওরা আসলেই বুঝতে পেরেছিল মুহাম্মদ সত্য নবী,কিন্তু তাদের গোত্রে না জন্মানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়”

      – তারা আসলেই বুঝতে পারল মুহম্মদ সত্য নবী, মানে আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ,কিন্তু শুধু তাদের গোত্রে জন্ম হয়নি দেখে আল্লাহর প্রেরিত পুরুষকে প্রত্যাখান করে তার শত্রু বনে গেল? ইহুদীরা তাহলে আল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করে দেখা যায়? কেউ আল্লাহয় বিশ্বাস করলে আর তার প্রতিনিধি সম্পর্কে কাউকে নিশ্চিত হতে পারলে তার বিরোধীতা করতে যাবে কোন আক্কেলে?

      আপনার লেখা পড়ে বেশ আমোদ পাচ্ছি, আপনার বেশ কিছু এতই ভ্রান্ত ধারনা আছে যে মনে হয় না ধরিয়ে দিয়ে কোন ফায়দা হবে বলে।

      আপাতত সামান্য একটু ছোঁয়া দিচ্ছিঃ

      ভাবতে পারেন এখনো আফঘান তালিবানদের অস্ত্র রসদ সরবরাহ করছে করা? তারা তো একটা ছুরিও বানাতে জানেনা

      – এটা অত্যন্ত ভুল ধারনা। অবশ্য এই ভুল ধারনা আপনার মত অনেকেরই আছে। তালেবানরা আন্তর্জাতিক চোরা বাজার থেকেই অস্ত্র্ কেনে। তারা হেরোইনের চাষ করে ব্যাবসা করে জানেন তো? সে যাক, মূল বিষয় সেটা নয়।

      তালেবানদের আপত দৃষ্টিতে অশিক্ষিত গ্রাম্য মনে হলেও এখানে একটি বিস্ময় আছে। তালেবানরা নিজেরাই অত্যাধুনিক অস্ত্র তৈরীতে সক্ষম। তালেবান অধ্যূষিত পাকিস্তানের উত্তর পশ্চীম সীমান্ত প্রদেশে বেশ কয়েকটি অস্ত্র নির্মানের কারখানা আছে যেখান থেকে তারা এমনকি আন্তর্জাতিক মানের এন্টি-এয়ারক্রাফট গান পর্যন্ত বানাতে পারে।
      এখানে একটি উদাহরন দেখতে পারেন।

    • ফরহাদ আগস্ট 7, 2010 at 10:54 পূর্বাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      আমি কোনো গোঁড়া মুসলিম নই…

      ভাই, গোঁড়া মুসলিম কারা? আপনি কোন মুসলিম?

      আসলে ইহুদিদের সাথে মুসলিমদের একটা জাতশত্রুতা আছে…সেই ১৪০০ বসর আগে থেকেই…ওরা আসলেই বুঝতে পেরেছিল মুহাম্মদ সত্য নবী,কিন্তু তাদের গোত্রে না জন্মানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়….

      :lotpot: :lotpot: :lotpot:

    • ভবঘুরে আগস্ট 7, 2010 at 2:36 অপরাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      কিন্তু আমি পরিষ্কার বুঝতে পারছি সামনে কিছু একটা ভয়াবহ ঘটতে চলেছে…আর সেটাতে ধর্মের প্রভাব হবে সবচেয়ে বেশি

      আপনি বিষয়টি ঠিক ধরেছেন আর ওটা আমরাও টের পাচ্ছি। কিছু একটা ঘটতে চলেছে সামনে। এতদিন পশ্চিমারা ভালমতো বুঝতো না ইসলাম কি জিনিস। কারন সেটা তাদের দেশে তেমন একটা ছিল না। বর্তমানে বেশ কিছু মুসলমান সেসব দেশে প্রবাসী হওয়াতে তারা ইসলামের প্রকৃত স্বরূপ বুঝতে পারছে। ইসলাম মানে হলো সভ্যতার চাকাকে পিছন দিকে উল্টে দিয়ে মধ্যযুগে ফিরে যাওয়া। পশ্চিমারা তার ভয়াবহতা রেনেসা বিপ্লবের আগ পর্যন্ত ভালই বুঝে ফেলেছে যখন গোটা ইউরোপ খৃষ্টিয় মৌলবাদীতা দ্বারা নিমজ্জিত ছিল। বর্তমানে তারা আবার বুঝতে পারছে ইসলাম সেটাই করতে চায়। মনে হয় না তারা তা হতে দেবে। আর তার ফলাফল হলো মুসলমানরা আরও উগ্র হবে , আরও অসহিষ্ণু হবে তাদের ধর্মের ব্যপারে, সন্ত্রাসী আত্মঘাতী আক্রমন আরও বেশী করে পশ্চিমা দেশ সমূহে শুরু করবে। প্রতিঘাত স্বরূপ পশ্চিমারা এক জোট হয়ে মুসলমানদেরকে পশ্চিমা দেশ সমুহ থেকে উচ্ছেদ করে দেবে, মুসলমান দেশ সমূহে পারমানবিক বোমা জাতীয় কিছু মেরে দুনিয়া থেকে মুসলমানদেরকে চিরতরে উচ্ছেদ করে দেবে। শুনতে খারাপ লাগলেও এধরনের ভয়াবহ কিছু ঘটার সম্ভাবনাই অধিক।

    • দারুচিনি দ্বীপ নভেম্বর 24, 2013 at 2:08 অপরাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      ওরা আসলেই বুঝতে পেরেছিল মুহাম্মদ সত্য নবী,কিন্তু তাদের গোত্রে না জন্মানোয় তারা ক্ষুব্ধ হয়

      সত্য নবী জানার পরেও কেন তারা হজরত মুহাম্মদ সাঃ কে গ্রহণ করেনি জানতে পারি কি? আচ্ছা আপনি যদি এখন স্বচক্ষে যিশুখ্রিষ্ট কে দেখেন, দেখেন যে তিনি আপনাকে দর্শন দিয়ে দাবী করলেন যে তিনিই ইশ্বর। আমার তো মনে হয় না যে আপনি তাঁকে মেনে নেবেন, কারন ওইটা যে যীশু তার কোন প্রমান নেই ( চোখে দেখেও বিশ্বাস হল না আপনার), এবং যদি তিনি আসলেই যীশু বা ঈসা হন, তবে যেহেতু কোরানে লেখা আছে যে তিনি কোনমতেই নিজেকে আল্লাহ দাবী করবেন না, কাজেই আপনি প্রকৃত যীশুকে ( তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া) ঈশ্বরের পরিবর্তে শয়তান বলেই মনে করবেন। আমি এটা বাজি ধরতে পারি।

      তাই ইহুদীদের কোন গ্রন্থে মুহাম্মাদ আসার ইঙ্গিত আছে জানালে খুশি হতাম, কারন ওল্ড টেস্টামেন্ট ছাড়া ইহুদের আর কোন বই আমার পড়া নেই, আর সেখানেও আমি মুহাম্মাদ নামের কাউকে পাইনি। সেক্ষেত্রে যদি সরাসরি উল্লেখ না করতে পারেন, তবে আমাকে বলবেন কি যে যদি যীশুই বলেন আর খোদ আল্লাহই বলেন, আপনাকে দেখা দিয়ে দাবী করেন যে তিনিই আসল স্রস্টা, সেটা আপনি যদি দেখার পরেও বিশ্বাস না করেন, তবে আপনার ইঙ্গিত শুনে ইহুদীরা কে মুহাম্মদ কে নবী মানবে না জেনে শুনেও? কার শখ হয়েছে দোজখে যাবার? আপনি নিশ্চয়ই সে শখ করেন না? আসলে আপনি যদি কোন জিনিস হাজির করেন তবে এটার সত্যতা প্রমানের দায়ভার আপনার, অন্যকে কেন বলতে যাওয়া যে, প্রমান করো এটি সত্য নয়? এটা কি কোন কথা হল?

  3. Golam Kibria আগস্ট 7, 2010 at 8:05 পূর্বাহ্ন - Reply

    পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্যের সমাহার কোথায় ? Internet এ….এখানকার সামান্য কত link দিয়ে যারা সত্য সেখাতে চায় তাদের মত অন্ধ আর কে আছে….এ কথা এখন সবাই জানে internet সবচেয়ে বেশি পিছনে লেগেছে মুসলিমদের….আসল তথ্য পেতে হলে আপনাদের সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে বা সরাসরি লিঙ্ক রাখতে হবে…Time Magazine এ Neda soltan ছবি দেখলেই মনে করে বসেন পশ্চিমারা কত মানবতাবাদী….এ দিকে নেদা কে যে করা মারলো তা কি জানেন?…তা জানতে হলে চলে যান ইরান এ….Time এ আসল তথ্য পাবেন না….ওগুলো আধুনিক মেডিকেল জার্নাল গুলোর মতই মিথ্যেভরা আর জায়নবাদের স্বার্থরক্ষাকারী …
    এরা কোরান থেকে তারা কিছু নিয়েছে কি না নিয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ না….তবে তারা এসব ঐশী গ্রন্থে ভালোভাবে বিশ্বাস করে তবে তা প্রকাশ করতে চায় না….তারা ভালো ভাবেই জানে এবং জানত….
    এখানে কোরআনের কথা আসলো কোত্থেকে? তাওরাত (Torah) gronthe উল্লিখিত Noah এর কথা বলা হয়েছে …কয়েকদিন আগে BBC তে ইহুদিরা বেশ কিছু প্রোগ্রাম উপস্থাপন করে…তারা বিভিন্ন ভাবে প্রমান করে মুসা নবীর আদেশে নাকি আসলেই ভুধ্যসাগরের পানি আসলেই দু’ভাগ হয়ে গেছিল, আসলেই নাকি dead sea পুরোপুরি ওল্টানো একটা ভুখন্ড….আসলে মুক্ত-মনার বন্ধুরা বোকার স্বর্গে বাস করছেন….তারা আসল বাস্তব সম্পর্কে কোনো জ্ঞান রাখেন বলে মনে হচ্ছে না….ধর্ম থাকবে না বলে যারা মনে করেন তাদের বলে রাখি ৩য় বিশ্বযুদ্ধ হবে ধর্মের সাথে ধর্মের (আসলে ইসলামের সাথে ইহুদিদের)…শুধু বিবর্তনবাদ আর এডিনিন , গুয়ানিন নিয়ে না পড়ে থেকে একটু Clash of the Civilizations পড়েন আর দেখেন তারা কিভাবে ভবিষ্যতের calculation করে….কারা দুনিয়াটাকে ৭০ কোটি মানুষের Global Village বানিয়ে তার মোড়ল হতে চায় (New World Order)…..অযৌক্তিক Iraq যুদ্ধের Main Architect কে ছিল? নাম জানেন? Paul Wolfowitz …বাংলা ভাই , শায়খ রহমানের চেয়েও অনেক বেশি গোড়া,তবে ইহুদি আর তা ভালোভাবে লুকিয়ে রাখতেও জানে…সব কিছুতেই ওরা আছে…লাদেন কে কেন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না জানেন?…কেননা সেটাই তো তাদের তুরুপের তাস….ওবামা এখন নিরুপায় আর নির্বিকার কেন জানেন? সে ভাবতেও পারেনি তার নিজের দেশ এত বড় মানবতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রী হতে পারে…সামনে ইসলাম এর একটা বিশাল ভূমিকা থাকবে সামনে সন্দেহ নাই, কিন্তু মুসলমানদের সাফল্য অলৌকিকত্ব ছাড়া সম্ভব হবে বলে আমি মনে করিনা…. এখন মুসলমানদের অধঃপতনের সময়….শুধুই নামতে থাকবে তারা…অত্যাচারিত হবে দেশে দেশে….এমনটাই ভবিষ্যতবানী করা আছে…কোনো মুসলিম অধুষ্যিত ভুখন্ডে এখন শান্তি আসতে পারে না….আসবেও না…কেন আসবে না তা important না, কিন্তু আসবে না সেটাই সত্য কথা আর তেমনটাই দেখা যাচ্ছে….কোনো কারণ ছাড়াই মুসলমানদের প্রাণ দিতে হবে এই সময়…অবশ্য সেটা কোনো ব্যাপার না….দুনিয়াটাই শেষ কথা না….

  4. অলৌকিক হাসান আগস্ট 7, 2010 at 6:15 পূর্বাহ্ন - Reply

    প্রথমেই অন্তরের অন্তস্থল থেকে লেখককে ধন্যবাদ জানাচ্ছি :laugh:

    তবে এইসব ইহুদি নাসারাদের আবিষ্কার কোরাণের বিভিন্ন আয়াতের মধ্যেই অন্তর্নিহিত আছে। মুসলমানেরা আজ দিকভ্রান্ত। তাই কোরানের মাজেজা বুঝছে না। ইহুদি নাসারারা এ ফাঁকে এসব চুরি করে আবিষ্কার করে ফেলছে।

    মোচলমানদের ফাঁসি নেয়া উচিত। :guli: :guli: :lotpot: :lotpot:

    • রামগড়ুড়ের ছানা আগস্ট 7, 2010 at 9:56 পূর্বাহ্ন - Reply

      @অলৌকিক হাসান,

      মোচলমানদের ফাঁসি নেয়া উচিত

      এটা কি ধরণের মন্তব্য???

  5. প্রদীপ দেব আগস্ট 6, 2010 at 3:45 অপরাহ্ন - Reply

    তুলনামূলক তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটা ভালো লাগলো। তবে যেসব প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির নাম এখানে উল্লেখ করা হয়েছে – কাজ করার সময় কি তাঁদের ধর্মীয় সত্ত্বাটা খুব প্রাধান্য পায়? তাঁরা কি কাজ করার সময় মনে রাখেন যে তাঁরা ইহুদি বলেই তাঁদের কাজ করে প্রতিষ্ঠা পেতে হবে?

    • Golam Kibria আগস্ট 6, 2010 at 7:11 অপরাহ্ন - Reply

      @প্রদীপ দেব
      ইহুদিদের জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা এবং তাতে সাফল্যের কথা বহু আগেই আলোচিত হয়েছে….তারা সব জাতির চাইতে এই ব্যাপারে এগিয়ে থাকবে….তাদের উন্নতি হবে “মৃতকে জীবিত করার ক্ষমতা” অর্জনের সীমা পর্যন্ত…..দজ্জাল হবে ইহুদি বংশদ্ভুত এবং তার এই ক্ষমতা থাকবে….কিন্তু আমি আজও এই তথ্যটার inner meaning উদ্ধার করতে পারিনি…..তবে কিছুদিন আগে এক ইসরাইলী biologist বলেছেন তিনি ১০০০ বছর বাঁচবেন…..এটা নাকি তার মাথায় এসেছে নুহনবীর ৯০০ বছর বাঁচার কাহিনী থেকে…..তারা আসলে তাদের তাওরাত এ ভালোভাবেই বিশ্বাস করে….ব্যাপারটা Karl Marx এর মত….Marx এর মগজটা ছিল নাস্তিকের কিন্তু অন্তরটা ছিল খাঁটি আস্তিকের….এই combination সবার থাকে না…তাই তো communism ফেল করলো…..তবে মুসলমানদের প্রতি তাদের একটা ঐতিহাসিক বিদ্বেষ রয়ে গেছে….সেটার কারণ হলো মুহাম্মদ তাদের ইসহাকের বংশে না জন্মে ইসমাইলের বংশে জন্মালো কেন?….ইহুদিরা আশ্চর্য জাতি….তারা নাস্তিকতা প্রচার করবে কিন্তু নিজেরা আসলে নাস্তিক হবে না…..ইসরেল এর ভেতর কি হচ্ছে তা জানা দুঃসাধ্য….তবে সেখানে নাকি বেশিরভাগ ইহুদি মহিলাই হিজাব নেকাব পরে!

    • Russell আগস্ট 7, 2010 at 6:39 পূর্বাহ্ন - Reply

      @প্রদীপ দেব,

      কাজ করার সময় কি তাঁদের ধর্মীয় সত্ত্বাটা খুব প্রাধান্য পায়? তাঁরা কি কাজ করার সময় মনে রাখেন যে তাঁরা ইহুদি বলেই তাঁদের কাজ করে প্রতিষ্ঠা পেতে হবে?

      খুব সুন্দর কথা। মানুষের কল্যানে মানুষের আগমন। ইহাই সত্য বলে মনে করি। ইনারাও দেবতাতুল্য, দেবতা, আশীর্বাদ স্বরুপ এই বিশ্বে – মানুষের তরে। জাতি ধর্ম ভেদাভেদ নির্বিশেষে ইনারা সবার উপরে। ইনারা হলেন মানুষ। সত্য মানুষ।

  6. Golam Kibria আগস্ট 6, 2010 at 3:13 অপরাহ্ন - Reply

    আসলে যুদ্ধ বিগ্রহ আর বিয়ে তালাকের ভীড়ে ইসলামের আসল চেতনাটাই মানুষ ভুলে গেছে….আরও বেশি ভোলানো হচ্ছে এখন….এসব ছাড়া যেন ইসলামে আর কিছুই নাই…এতে আসলে মানুষের কোনো লাভও নেই,ইসলামের কোনো ক্ষতি নাই….বরং এতে মুসলমানদের সমস্যা বাড়বে বই কমবে না…..ইসলামের গভীরে অনেক শ্বাশত সত্য লুকানো আছে যা অনেক বেশি চিরন্তন, যেকোনো বৈজ্ঞানিক তত্বের অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ….কিন্তু এটা বোঝার জন্য অনেক ধৈর্য আর সাধনা দরকার….অনেক মাথা খাটানো দরকার….ইন্দ্রিয়সুখের কাছে নিজেকে নত করা থেকে বিরত থাকা দরকার…..কেন নাস্তিক মানুষেরা শেষ জীবনে এতটা ভেঙ্গে পড়েন ? কেন এত অর্জন তাদের কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়ে ? কেন নিজের সব তত্বকেই মিত্থ্যা মনে হয় (ফ্রিদ্রিখ নিটশের জীবনী পড়ুন)?…আসলে মানুষ জন্মগতভাবেই আস্তিক, নাস্তিক না….বিজ্ঞান যতই এগোক না কেন, মানুষের মৃত্যু সবকিছুকেই নগ্ন নিঃস্ব করে ছাড়বে….আর মহাপ্রলয় একসময় আসবেই….তখন তা অস্বীকার করার আর কেউ থাকবে না….ইসলামের প্রকৃত অনুভুতি অনুভব করতে চাইলে পড়ুন :
    http://chekhov2.tripod.com/154.htm

    ভাবছেন এক অমুসলিমের গল্পে ইসলামের কি পাওয়া যাবে?…আপনাদের জ্ঞাতার্থে: Chekhov এবং Tolstoy দুজনেই গভীর ইসলাম আর মুহাম্মদ এর ভক্ত ছিলেন….রাশিয়াতে তাদের ঘরোয়া জাদুঘরে বইয়ের সংগ্রহ আর সেসবে তাদের লেখা notes দেখলেই বুঝতে পারবেন!

    • ভবঘুরে আগস্ট 6, 2010 at 11:57 অপরাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,
      ভাল জিনিস জানার জন্য মানুষের বিবেক বুদ্ধি, সামাজিক দায়িত্ববোধ, মানবতাবোধ যথেষ্ট। এর জন্য কোরান হাদিসের দরকার নেই। কোরান হাদিস পড়ে মুসলমানরা অমুসলিমদের চাইতে বেশী নীতিবান বা মানবিক হয়নি বরং অনেক বেশী অনৈতিক আর অমানবিক কাজ কর্ম মুসলমানরা করে বেড়ায়। তার মানে নীতিবান বা মানবিক গুন সম্পন্ন মানুষ হওয়ার জন্য কোরান বা হাদিসের কোন দরকার নেই । আর তার চাইতে বড় পয়েন্ট হলো- কোরান সত্যি আল্লাহর বানী কি না বা মোহাম্মদ আল্লাহর নবী কি না সেটা পরখ করা। এ জন্যেই কোরান হাদিসের মধ্য থেকে নেতি বাচক বিষয় বেশী টেনে বের করা হয় এটা প্রমান করতেই যে মোহাম্মদ কোন আল্লাহর নবী নয় বা তার কোরান কোন আল্লাহর কিতাব নয় , কারন – আল্লাহর নবী কেন লুট তরাজ করার ধান্ধায় থাকবে , কেন হত্যা যজ্ঞে আনন্দ উল্লাস করবে , কেন একের পর এর বিয়ে করে বেড়াবে , কেন ৬ বছরের দুধের শিশূ আয়শাকে বিয়ে করবে ৫১ বছর বয়সে- আল্লাহর নবীর চরিত্রে এ ধরনের নেতিবাচক দিক থাকতে পারে না। আর কোরানে যে ভাবে খুন খারাবি আর ঘৃনা ছড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যে রকম অবৈজ্ঞানিক কথা বার্তা বলা হয়েছে তা কোন দয়াবান সবজান্তা আল্লার বানী হতে পারে না। মোহাম্মদ আল্লাহর নবী হলে আর কোরান আল্লাহর কিতাব হলে মুসলমানদের এত দুর্দশা হওয়ার কথা নয় ।

    • ফারুক আগস্ট 7, 2010 at 6:09 অপরাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria, ধন্যবাদ চেখভের এই গল্পটির লিঙ্ক দেয়ার জন্য। বহু বহু বছর আগে গল্পটি পড়েছিলাম। আবারো পড়লাম ও আবারো বেশি করে মুগ্ধ হলাম।

  7. Golam Kibria আগস্ট 6, 2010 at 2:10 অপরাহ্ন - Reply

    আসলে এগারো বিয়ে মুহাম্মদ যে কারণে করেছিলেন তা বিলাসিতা বা ভোগ বিলাস ছিল না….ওটা বিভিন্ন tribe এর মাধ্যমে নারীজাতির কাছে পৌঁছানোর জন্য, কেননা নারীরা তো মানবজাতির অর্ধেক অংশ…হাজার পুরুষ তার সংস্পর্শে আসছে….কিন্তু নারীরা?….তাদের সুবিস্তৃত household শিক্ষা মাত্র ১/২ জন নারী দ্বারা সবার মাঝে ছড়ানো মুশকিল ছিল….শেষের জীবনে মুহাম্মদকে অনেক অনাহার অনটন সহ্য করতে হয়েছে, না খেয়ে মানুষ বিয়ে করতে চাইতে পারে না , নেহায়েত কোনো বিশেষায়িত লক্ষ্য না থাকলে…তার লক্ষ্য ছিল আলাদা…..ভোগ বিলাস যদি তার উদ্দেশ্য হত তবে তিনি আগেই তা করতেন….মক্কাবাসী তাকে নতুন ধর্মমত প্রচার থেকে বিরত রাখতে প্রচুর সম্পত্তি ও সুন্দরী নারী offer করেছিল…কিন্তু তিনি তা প্রতাখ্যান করেন!
    পার্থিব ভোগবিলাসের আকাংখা যে মুহাম্মদের ছিল না এটা প্রতিষ্ঠিত সত্য….এ নিয়ে বাহাসের সুযোগ নাই….ইসলামের জয় সুনিশ্চিত হবার পর তিনি তার কাজ সমাপ্ত বলে ঘোষণা করেন এবং দুনিয়া থেকে তার প্রস্থানের আকাংখা ব্যক্ত করেন….তিনি দুনিয়ার বুকে ভোগ বিলাসের কোনো ইচ্ছায় ব্যক্ত করেননি…চেষ্টাও করেননি….বরং যখন ভোগ বিলাসের সবচেয়ে বেশি সুযোগ তৈরী হয়েছে তখুনি তিনি আর দুনিয়াতে অবস্থান করতে চাননি….ইসলামী বিশ্বাসের সবচেয়ে বড় অংশটা কিন্তু অনিশ্চিত দুনিয়ার ওপর ভিত্তি করে নয় বরং পরকালের ওপর….astronomy নিয়ে একটু গভীর ভাবে ভাবলেই যে কেউ বুঝে যাবে গত মহাবিশ্ব কত uncertain….যেকোনো মুহুর্তে সব কিছুই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে….আসলে কাউকে নিয়েই এত মাতামাতির প্রয়োজন নাই….Einstein, Newton এদের কেউই আর বেঁচে নাই(ঈশ্বর নিয়ে তাদের বিশাল বক্তব্য ছিল…আসলে এদের কেউই নাস্তিক ছিল না….মহাবিশ্ব নিয়ে খুব ভালো ভাবে অন্তর দিয়ে ভাবলে নাস্তিক থাকা অসম্ভব)….আমাদের মাতামাতি তাদের আর কোনো উপকারেই আসছে না….এ কথাটাই ইসলামের বিশাল একটা শিক্ষা…..কেন আসলে উমর, ওসমান, আলী , আবু বকর এতটা নির্লিপ্ত ছিলেন দুনিয়ার ব্যাপারে? রাশি রাশি সম্পত্তি করায়ত্ত হওয়া সত্তেও কেন ভোগ বিলাসে মত্ত হননি? …কেন উমর বলতেন “আমি যদি কিছুই না হতাম”?….কেন শাসকবর্গের যাবতীয় বিলাসিতা নিষিদ্ধ করতেন তারা??…আসলে তারা তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে খুবই সচেতন আর ভুল ভ্রান্তির ব্যাপারে খুবই ভীত ছিলেন….কিন্তু তারা মারা যাবার পরপরই ইসলামের সুফি আধ্যাত্মিকতায় ছেদ পড়ে….আল্লাহর প্রেমে না ডুবে থেকে শুধুই পার্থিব অর্জনের দিকে নজর ফেরান তারা….পার্থিব লালসার বিষ আর ক্ষমতার গরল তাদের অন্তরকে খেয়ে ফেলে….আল্লাহর সৃষ্টির রহস্য ভেদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করে নিজেদের শরাব আর নারীর নেশায় বুঁদ করে রাখাকেই তারা জীবনের সত্যিকারের আনন্দ ভেবেছিলেন….এখান থেকেই শুরু তাদের পতন….ঈশ্বরবন্দনার যে ধারা মানুষকে যুগে যুগে মানবতার সংগা প্রতিষ্ঠা করতে শিখিয়েছে তা তারা ভুলে যান….মানবপ্রেমের মাধ্যমে যে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার কথা ছিল তা না করে তারা বিদ্বেষ আর অনাচারের বন্যায় ভেসে যান!…আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, পার্থিব ভোগ বিলাসে মত্ত থেকে গঠনমূলক কিছুই ভাবা যায় না….কিছুই করা যায় না…কুরআনে অনেক জায়গায় দেখি সূর্য , চন্দ্র, আকাশ , সাগর, বাতাস, উদ্ভিদ , প্রাণীকুলের রহস্যের ব্যাপারে চিন্তাশীল হবার আহবান….কিন্তু বিলাসী মুসলিম শাসকেরা এসব কিছুই করেননি, উত্সাহও দেননি বা তেমন উদ্যোগ দেখিনা….শুধুই ক্ষমতার লড়াইয়ে মত্ত থেকেছেন সারা জীবন….এটা ইসলামের মূল লক্ষ্য ছিল না কখনই….এটা মুহাম্মদের শিক্ষা ছিল না!

    • ভবঘুরে আগস্ট 7, 2010 at 12:13 পূর্বাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      মোহাম্মদের বিয়ে যে সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির জন্য হয়েছিল তার প্রমান দিতে পারবেন ? না পারলে আপনার এধরনের মনগড়া বক্তব্য দিয়ে পাঠকদের বিভ্রান্ত করা ঠিক না। অবশ্য আপনার মত অনেকেই এ ধরনের মন গড়া কথা বার্তা বলে মুসলমানদের মাথা আগেই বিগড়ে ফেলেছে। যেমন – সকল মুসলমান জানে যে আয়শা মোহাম্মদের স্ত্রী কিন্তু অধিকাংশই জানে না যে মোহাম্মদ ৫১ বছর বয়েসে ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেছিলেন, কারন ওটা সব সময় গোপন করা হয়, আবার অধিকাংশ মুসলমান জানে কোরান হাদিস রিসার্চ করে নাকি পশ্চিমারা যত সব আবিষ্কার করেছে। বুঝেছেন? মিথ্যা প্রপাগান্ডা আর তথ্য গোপন করেই আসলে মুসলমানদের সবচাইতে বেশী সর্বনাশ করা হয়েছে।

  8. Golam Kibria আগস্ট 6, 2010 at 8:47 পূর্বাহ্ন - Reply

    “তারা তোমাদের চেয়ে সংখ্যায় অনেক কম হবে, তাদের অবস্থা হবে বিশাল সমুদ্রে ভাসমান খড়কুটোর মত, কিন্তু তোমাদের চারিত্রিক অধপতন আর ধর্মবিমুখতার কারণে তাদের সাথে কিছুতেই পেরে উঠবে না”—-আহ্ মাদে মাস্ নাদ
    “মুর্খের সারা রাত জেগে ইবাদতের চেয়ে জ্ঞানীর নিদ্রা শ্রেয়”—আল হাদিস
    কোরআন হাদিসে মানুষকে বার বার চিন্তাশীল হতে বলা হয়েছে….জ্ঞানচর্চাকে স্থান দেওয়া হয়েছে ইবাদতের চেয়েও উর্ধে….কিন্তু মধ্যযুগীয় মুসলমান শাসকেরা ভোগবিলাসে world record কায়েম করেছিলেন (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)….সেখান থেকেই মুসলমানদের অধঃপতন শুরু….পার্থিব ভোগ বিলাসের চেয়ে জ্ঞান অর্জন যে অনেক বেশি enjoyable হতে পারে তা তারা সম্পূর্ণ ভুলে গেছে….আসলে কুরআন হাদিসের পথ থেকে সরে আসায় মুসলমানদের জন্য কাল হয়েছে…..
    “তোমরা যতই তোমাদের কিতাব থেকে দূরে সরবে ততই তোমরা অধঃপতিত হবে, কিন্তু তারা যতই তাদের কিতাব থেকে দূরে সরবে ততই উন্নতি করতে থাকবে”—-আহমাদ এ মাসনাদ

    • আদিল মাহমুদ আগস্ট 6, 2010 at 9:18 পূর্বাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      মুসলমানেরা না হয় বুঝলাম কোরান হাদিসের পথ চ্যূত হওয়ায় সমস্যা হয়েছে। তাহলে বর্তমানে বিধর্মীরা কিভাবে এত উন্নতি করেছে? তারা নিশ্চয়ই কোরান হাদীস বা বাইবেল তোরাহ ঘেটে উন্নতি করেনি, কি বলেন? কোরান হাদিসের গুরুত্ব তাহলে কিভাবে বুঝব?

      তবে

      “মুর্খের সারা রাত জেগে ইবাদতের চেয়ে জ্ঞানীর নিদ্রা শ্রেয়”

      কথাটি খুব ভাল লেগেছে। এর সূত্র যাই হোক। আমার তো মনে হয় মুসলমানদের জ্ঞান বিজ্ঞানে দূর্দশার মূল কারন মূলত এখানেই বলা আছে।

    • যাযাবর আগস্ট 6, 2010 at 10:23 পূর্বাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      কোরআন হাদিসে মানুষকে বার বার চিন্তাশীল হতে বলা হয়েছে….জ্ঞানচর্চাকে স্থান দেওয়া হয়েছে ইবাদতের চেয়েও উর্ধে

      ধর্মচর্চা ছাড়া আর কোন জ্ঞানচর্চার কথা কুরাণে আছে? কোন সুরায় আছে? বিজ্ঞান, ইতিহাস, শিল্প, সাহিত্য, কোনটার উল্লেখ আছে কুরাণে?

      কিন্তু মধ্যযুগীয় মুসলমান শাসকেরা ভোগবিলাসে world record কায়েম করেছিলেন (কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া)….সেখান থেকেই মুসলমানদের অধঃপতন শুরু….পার্থিব ভোগ বিলাসের চেয়ে জ্ঞান অর্জন যে অনেক বেশি enjoyable হতে পারে তা তারা সম্পূর্ণ ভুলে গেছে

      এগার স্ত্রী থাকাটা কি ভোগ বিলাস নয়? কাফেলা লূঠ করা আর যুদ্ধ বাধিয়ে গণিমাতের মাল কুক্ষিগত করা কি পার্থিব ভোগ নয়?

      .আসলে কুরআন হাদিসের পথ থেকে সরে আসায় মুসলমানদের জন্য কাল হয়েছে

      বরং উল্টোটা। যখন মাদীনায় পুরো ইসলামী শাসন কায়েম ছিল, তখন শুধু জিহাদের ডাক, সম্পদ লুন্ঠন। জ্ঞান বিজ্ঞানের কি উন্নতি হয়েছিল? জ্ঞান বিজ্ঞানের যে উন্নতি হয়েছিল সেটা বাগদাদে, উদারমনা কিছু অনারব বিজ্ঞানীদের দ্বারা, যাঁরা কুরাণ হাদিস নয় বরং গ্রীক ও ভারতীয় জ্ঞান আহরণ করে অণুপ্রাণিত হয়েছিলেন। তারপর যখন গাজ্জালী মুক্তচিন্তার দ্বার রুদ্ধ করে কুরাণ হাদিসের দিকে সবার নজর ফেরাতে বাধ্য করলেন, তখনই জ্ঞান বিজ্ঞানের পতন আরম্ভ হল।

      • আকাশ মালিক আগস্ট 6, 2010 at 4:18 অপরাহ্ন - Reply

        @যাযাবর,

        জ্ঞান বিজ্ঞানের যে উন্নতি হয়েছিল সেটা বাগদাদে, উদারমনা কিছু অনারব বিজ্ঞানীদের দ্বারা, যাঁরা কুরাণ হাদিস নয় বরং গ্রীক ও ভারতীয় জ্ঞান আহরণ করে অণুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

        চমৎকার উত্তর।

        একজন শিক্ষিত লোক বললেন- ‘ইসলামের প্রাথমিক যুগে মুসলিম বিশ্ব জ্ঞান বিজ্ঞানে প্রচুর উন্নত ছিল’। আমি বললাম- মুহাম্মদ থেকে মুয়াবিয়া, ৫৭০ খৃঃ থেকে ৬৮০ খৃঃ সময়ের মাঝে মক্কা মদিনায় যে সকল বৈজ্ঞানিক জ্ঞাণী্গুণী জনের আবির্ভাব হয়েছিল, তাদের যে কোন একজনের নাম বলুন।
        এখন আর কিছু বলেন না।

        একজন সর্বোচ্চ গোলাম মোস্তফার ‘বিশ্ব নবী’ আর মীর মোশাররফ হোসেনের ‘বিষাদ সিন্দু’ পড়ুয়া আলেম, নিজে দাবী করেন তিনি আরবী বুঝেন না কিন্তু লিখে চলেছেন ইসলামের ইতিহাস। আমি বললাম- আয়েশার জঙ্গে জামাল আর মুয়াবিয়ার সিফফিন কই?
        এখন আর কিছু বলেন না।

        একজন কোরানে বিজ্ঞান সন্ধানী, মডার্ণ হতে হতে এমন মডার্ণ হয়েছেন যে তিনি বলে ফেললেন, কোরান বিবর্তনবাদ সমর্থন করে।
        আমি বললাম- কোরানে বর্ণীত মানুষ থেকে বিবর্তিত শুওর ও বানর প্রজাতির ঠিকানাটা বলুন প্লীজ।
        এখন আর কিছু বলেন না।

        মুহাম্মদ যখনই কোন বিষয়ে নিজে কোন উত্তর বা সমাধান খোঁজে পেতেন না, অর্থাৎ যেখানে মুহাম্মদের জ্ঞানের সীমানা, সেখান থেকে তার ভেল্কিবাজীর শুরু, তখনই বলেছেন- এখানে জ্ঞাণীদের জন্যে আছে চিন্তার খোরাক, ইঙ্গিত, ইশারা।

      • Russell আগস্ট 7, 2010 at 6:23 পূর্বাহ্ন - Reply

        @যাযাবর,

        ধর্মচর্চা ছাড়া আর কোন জ্ঞানচর্চার কথা কুরাণে আছে? কোন সুরায় আছে?

        এত প্রশ্ন করতে পারেন, কিন্তু আপনারা চিন্তা বিমুখ।

        কালি দিয়ে কাগজে ছাপানো বই আপনারা যে কি মনে করেন বুঝিনা। আরে কোরান নিজেইত বলছে,তাকে অনুসরন করনা। আর আপনারা সেই কাগজের কোরান নিয়ে লাফালাফি করছে।
        কোরান বলছেঃ আলিফ,লাম মিম; জালিকাল কিতাবু লারাইবা ফি…(সুরা বাকারাঃ-১) জালিকা অর্থ সেই। মোল্লারা অর্থ করেছেঃ “ইহা সেই কিতাব…” আর বলে বেড়াচ্ছে কাগজের কোরানই আসল সেই কেতাব। কিন্তু আলোচ্য আরবিতে কোথাও “ইহা” বলে কোন শব্দই নাই। ইহা শব্দ ব্যবহার করতে হলে “হাজা” শব্দটি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু আরবীতে “হাজা” বলে কোন শব্দ নাই উক্ত বাক্যে। সুতরাং অর্থ করুন। আলিফ লাম মিম, সেই কিতাব…। তথা কাগজের কোরানকে কেতাব বলা হচ্ছেনা, বলা হচ্ছে আলিফ, লাম, মিম কে। কোরান হইল সেই কেতাবের একটা অংশ। আর এই কেতাব ধরলে জ্ঞানী, বিজ্ঞানী সব হওয়া যায়। যত নাম বলা হয়েছে উপরুক্ত বিজ্ঞানীদের কথা…সবই সেই কেতাব ধারী লোক। কাগজের কোরান সেই কেতাব না প্রথমেই নবী বলে দিচ্ছেন। আপনাদের মাথায় ঘিলু থাকা শর্তেও যদি ভাবতে না চান, শুকর বানরের প্রজাতির ঠিকানা জানতে চান তাহলে কি বলব? এত জ্ঞানী হয়েছেন আজও এই জিনিস ধরতে পারেন নি। আরে মোহাম্মদ (সা;) বলেই দিয়েছেন আলিফ, লাম,মিম সেই কেতাব…আপনারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন কাগজের কোরান।বাহ! কত আজব কোয়ালিটি বিদ্যান আপনারা। এখন সেই আলিফ, লাম মিম কি? মানুষ। সবার উপর মানুষ শ্রেষ্ট তাহার উপরে নাই। যারা জ্ঞান ও প্রেম জগতে সেই উপরে স্তরে প্রবেশ করে তাদেরকে আলিফ লাম মিম বলা হয়। খুব সংক্ষিপ্তে বললাম। আবার এইখানে থেকে খোটা মারা প্রশ্ন কইরেন না। মানুষ সব। সেই কথাই বলা হয়েছে।

        মোল্লারাও কাগজের কোরান নিয়ে লাফালাফি করছে, কাগজের কোরানে বিজ্ঞানের সূত্র খুজছে,আপনারাও তাদের পিছে পিছে দৌড়াচ্ছেন।

        কাগজের কোরান জ্ঞানের বিষয় বস্তু লেখা আছে, জ্ঞান থাকেনা।

        লালন বলছেঃ কথায়ত চিড়া ভেজেনা, জলে না দিলে…আকারে এসে পড়লি ধরা…।
        শুধু রম্য হাস্যকর, মোহাম্মদ (সাঃ) এর উপর গালা-গালিমুলক লেখা লেখে কোরান বুঝতে চাওয়া আর কথা দিয়ে চিড়া ভেজানো একই কথা।

        আপেক্ষিকভাবে কোরানে ধর্ম শিক্ষার কথাই বলছে। আর সেটা খুবই স্বভাবিক। ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান খোড়া বিজ্ঞান, আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ ধর্ম-আইনষ্টাইন। সুতরাং গভিরে গেলে দেখা যায় কোরানে আরও অনেক কিছুই বলছে। যা ধরার বয়স, সময়, জ্ঞান এখনও আপনাদের আসেনি। সুতরাং মন্তব্য করার আগে ভাববেন এখনও আসল করান বুঝিনি সেটা কি, কাগজের কোরান গালি দিয়ে লাভ নাই। সত্য জানা যাবেনা।

        যদিও এইসব বলেও আপনাদের লাভ নাই।

    • Russell আগস্ট 6, 2010 at 12:48 অপরাহ্ন - Reply

      @Golam Kibria,

      তোমরা যতই তোমাদের কিতাব থেকে দূরে সরবে ততই তোমরা অধঃপতিত হবে, কিন্তু তারা যতই তাদের কিতাব থেকে দূরে সরবে ততই উন্নতি করতে থাকবে

      কথাগুলো খুব সুন্দর কিন্তু এর প্রকৃত অর্থ আজও মুসলমান জাতি ধরতে পারল না।

      প্রথমেই যেই কেতাব থেকে দুরে সরার কথা বলা হয়েছে তা আসলে মানব কেতাব সেটা আজও মুসলিম হতভাগা জাতি ধরতে পারলনা, যেই কেতাব ধরলে আইনষ্টাইন, নিউটন হওয়া যায়, সেই দেহ কেতাব পাঠের কথা বলা হয়েছে, অথচ গর্ধব জাতি কাগজের কোরান নিয়েই লাফালাফি করে গেল, আজও তাই করছে। তাইত কোরানে যেখানে বলছে জ্ঞান অর্জন কর সেখানে আলেমরা শুধু সেটা মুখস্তই পড়ে যাচ্ছে তোতা পাখির মত “জ্ঞান অর্জন কর, জ্ঞান অর্জন কর” অথচ কি জ্ঞান সেটা আর মুসলিম জাতি কখনই অর্জন করতে শিখলনা। ধরিয়ে দেয়া হল কালিতে ছাপানো অক্ষরের কাগজের বই আর সেটাই মাথায় নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে আজও। নজরুল তাই বলেছিলেন, “জিঞ্জির পায়ে বসে টীয়া চানা খায় গায়শেখানো বোল, বন্য-বরাহ-পঙ্ক ছিটাক…; খুজিয়া দেখিনু মুসলিম নাই কেবল কাফের ভরা”। আর এরা অন্যদের কাফের বলে চিতকার করে বেড়ায়।

      যাইহোক আলোচ্য টপিকের বাইরে না যাই।

  9. Russell আগস্ট 5, 2010 at 10:48 অপরাহ্ন - Reply

    খুবই সুন্দর বিশ্লেষন। আশা রাখি কোন অতিব আস্তিক বিদ্যান ব্যক্তিগন এই লেখার সাথে তাদের অন্ধ, কুসংষ্কার অনুভুতিকে মিলিয়ে নিজেরা ঠিক হবার চিন্তা ও চেষ্টা করবেন।

    যদিও সম্ভব নয়। কেননা এই শিক্ষা সবসময় তারা পেয়েছে তারপরও আজও তারা সত্যকে গ্রহন করতে পারেনি। রংগিন চশমা আজও নাকের উপরে শোভা পাচ্ছে। এবং বেশ ভাল ভাবেই শোভা ্পাচ্ছে।

    যাইহোক ধন্যবাদ এত সুন্দর তথ্য মুলক লেখনির জন্য।

  10. বিপ্লব পাল আগস্ট 5, 2010 at 10:16 পূর্বাহ্ন - Reply

    লেখাটা ভাল হয়েছে। কম বেশী সব দেশেই, তাদের দেশ সেরা এমন একটা ধারনা স্কুল থেকে দেওয়া হয়। তবে মুসলমানদের ক্ষেত্রে আশ্চর্য হল-সেখানে দেশ না হয়ে, তাদের ধর্ম সেরা এই ধারনা সর্বত্র প্রচার করা হয় বাচ্চাদের মধ্যে।

    ইহুদিদের বিশ্বসেরা ( মেধা, শিক্ষা, শিল্প, চুরি-সব কিছুতেই ) হওয়ার কারন, ইহুদিরাই সেই জাতি-যারা হারে হারে টের পেত তাদের ঈশ্বর তাদের বাঁচাতে পারবে না-কারন তারা সংখ্যালঘু। ফলে প্রতিটা ইহুদিই জানে তাদেরকে বেঁচে থাকতে হবে জ্ঞান বুদ্ধি এবং কঠোর পরিশ্রম করে। এটাই ইহুদিদের ইতিহাস গত দুহাজার বছর ধরে-এই জন্যে আমি দেখেছি জ্ঞান বুদ্ধি এবং কঠিন পরিশ্রমের কালচারটা ইহুদিদের পরিবার গত। তুলনামূলক ভাবে একজন মুসলিমের হৃদয় হয়ত অনেক বড়-কিন্ত তাতে ত কাজের কাজ কিছু হয় না।

    অবশ্য এর উলটো দিক ও আছে। ধর্মে যেমন আছে ঢপবাজি-তেমন কিছু ক্ষেত্রে সামাজিক দ্বায়িত্ববোধের প্রেরণা-মানসিক শান্তির জন্যে কিছু সাধারন নিদান। মুশকিল হচ্ছে আধুনিক যুগে এগুলি খুবী নগণ্য -ফলে আমার ধর্ম সেরা এমন একটা ফানুস ছারা ধর্ম ব্যাবসা টিকবে না। আদতে প্রতিষ্ঠিত ধর্মের সবটাই প্রায় ব্যাবসা।

    অবশ্য এর উলটো দিক ও দেখেছি। আমার চেনা জানা অনেকেই বিবেকানন্দের জীবসেবা=শিব সেবাতে সত্যকারের উদবুদ্ধ হয়ে প্রচুর খাটেন এবং অর্থ ঢালেন নানান শিক্ষা সহ নানান সামাজিক প্রকল্পে। যাদের কাছে ধর্মটা সামাজিক কর্মযোগ-তাদের কাছে বা তাদের সম্মন্ধে ঈশ্বর আছেন কি নেই, ধর্ম আছে কি নেই সেই সব প্রশ্ন অর্থহীন।

    সমস্যা হচ্ছে মুসলিমদের পয়সা হলে তারা মসজিদ বানাবে নইলে মাদ্রাসা খুলবে। হিন্দুদের মধ্যেও মন্দির বানানো পাবলিক আছে-কিন্ত তার থেকে বেশী সংখ্যায় স্কুল বানানোর লোক ও আছে। টাকা এলে মসজিদ বানানো ছেরে যেদিন মুসলিমরা সেই টাকা শিক্ষা এবং গবেষনাতে ঢালতে শিখবে-সেদিনই একমাত্র মুসলিম বিশ্বের চাকা ঘুরবে। আমার পরিচিত এক হিন্দু ধনী ব্যাক্তি যেমন মন্দির খাতে মিলিয়ান ডলার দিয়েছেন-কিন্ত ভারতে গবেষনা এবং শিক্ষা খাতে ১০ গুন টাকা দিয়েছেন।

  11. আবুল কাশেম আগস্ট 5, 2010 at 9:28 পূর্বাহ্ন - Reply

    ৬৬৬৬ টি আয়াত হয় না।

    সত্যি কথা। আমি নিজে গণনা করে দেখেছি ৬২৩৯ আয়াত।

    ইসলামি পন্ডিতদের মতে ৬২৩৬।

    http://www.factbug.org/cgi-bin/a.cgi?a=36922
    বেশী মন্তব্য করার সময় নেই। লিখাটা খুব সুন্দর হয়েছে।

  12. মাহফুজ আগস্ট 5, 2010 at 6:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    দারুন সব তথ্য জোগাড় করেছেন তো। এর ভেতর থেকে দু একটি বিসি এস পরীক্ষায় আসতেও পারে।

    চমৎকার বিশ্লেষণী। তবে-

    পবিত্র কোরআনে আয়াত আছে মাত্র ৬৬৬৬ টি।

    মানতে পারছি না। আমি নিজে এবং ভাইবোন মিলে ক্যালকুলেটর নিয়ে ১১৪ টি সুরার আয়াত সংখ্যা যোগ করেছি। ৬৬৬৬ টি আয়াত হয় না।

    • Russell আগস্ট 6, 2010 at 6:00 পূর্বাহ্ন - Reply

      @মাহফুজ,

      আমরাও তাই জানতাম। আগের কোরান বইগুলোতে ৬৬৬৬ টি আয়াত লেখা হত, তখন সবাই সেইটাই জানত। বেশিদিন আগের না সম্ভবত ১৯৮০ সালের ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে বের করা কোরানেও এই সংখ্যা ছিল। হঠাত দেখা গেল বাকি ৪৩০ টি আয়াত সত্যই নাই।

      জানা যায় সম্ভবত হাফসার কোরানে ৬৬৬৬টি আয়াত ছিল, অতপর ওসমান এর সময় তা কমে যায়। এর পরে আরও কত যুগ পার হল কত কি পরিবর্তন হল কোরানের কে খবর রাখে বলুন? সবইত সেই রাজা বাদশাদের খেলা। যুগের সাথে পরিবর্তন।

      কেউ আবার অতিব আস্তিক নাইত? তাদের আল্লাহ নাকি এই কাগজের কোরান সংরক্ষন করবেন কিন্তু পরিবর্তন হয়ে গেছে শুনলে আবার আমার গলা কাটার কথা না বলে বসে।।।।সত্য কথা বলা নিষেধ।

      যাইহোক ।।।।

      • আনাস আগস্ট 7, 2010 at 10:04 পূর্বাহ্ন - Reply

        @Russell,

        আপনার কাছে প্রমাণ আছে যে ৪৩০ আয়াত গায়েব করে দেয়া হয়েছিল? কারণ আমার হুজুররা বেশীরভাগ ৮০ সালের আগের হাফেজ। যদিও আমরা কাগজের কুরান পড়েও হাফেজ হয়েছি। তবুও হুজুররা যতটুকু মুখস্ত করেছে। ততটাই আমরাও করেছি এ কথা বলতে পারি। আপনার কাছে প্রমাণ থাকলে ভিন্ন কথা। ৬৬৬৬ আয়াত আসলে বিভিন্ন আয়াতের শুরু ও শেষ নিয়ে মতভেদ থেকে তৈরী হয়েছে। তবে সংখ্যাটা অনেক বেশী-ই বলা চলা চলে।

        • আদিল মাহমুদ আগস্ট 7, 2010 at 10:43 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আনাস,

          কোরানিক অনেক চির বিভ্রান্তির (কারো কারো মতে মিরাকল) মাঝে এই আয়াত সংখ্যাও মনে হয় একটি। কোরানের আয়াত আসলেই কয়টি এ নিয়েও ইসলামী পন্ডিতদের মাঝে কনফিয়ুশন আছে বলে মনে হয়। রাসেল সাহেবের আয়াত গায়েব হবার অভিযোগ বাদই থাকল। এমনিতেই প্রচলিত যেসব আয়াত আছে সেগুলির আয়াত সংখ্যা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি আছে আয়াতের সংজ্ঞা থেকে। কিছু অংশকে আয়াত বলা যায় কিনা তা নিয়েই দ্বি-মত আছে। রাশাদ খলিফা মনে হয় তার ১৯ তত্ত্ব নিয়ে এই বিভ্রান্তিতে আগুন জ্বালিয়ে গেছেন।

          কেউ বলেন ৬৬৬৬,কেউ বলেন ৬২৩৬, কেউ আবার বের করেন ৬৩৪৬।

  13. আদিল মাহমুদ আগস্ট 5, 2010 at 2:43 পূর্বাহ্ন - Reply

    ইসলামী আর্দেশর নীতি থেকে বিচ্যুতি হওয়ার কারণেই আজকের বিশ্ব-মুসলিমদের অবস্থা এই চরমে।

    – এ কথাটা প্রায়ই শুনি বা শুনতে বাধ্য হই। এই ইসলামী আদর্শটা কি? কারাই বা পালন করছে?

    আর বাকিরা যারা উন্নতি করেছে তারা নিশ্চয়ই ইসলামী আদর্শ ছাড়াই উন্নতি করছে। তাহলে ইসলামী আদর্শের বিশেষত্বটা কেমন করে বোঝা যাবে?

    বর্তমান দিনে তোতা পাখীর মত পড়িয়ে দেওয়া ধর্মীয় মৌল বিশ্বাস হয়েছে মুসলমান জাতির ঘাড়ে সিন্দাবাদের ভূতের মত বোঝা। ছেলেবেলা থেকে পড়িয়ে দেওয়া হয় তারা শ্রেষ্ঠ জাতি, শ্রেষ্ঠ জীবন ধারার দাবীদার ইত্যাদী। ঐদিকে বাস্তব ক্ষেত্রে দেখা যায় তারাই সবচেয়ে পিছিয়ে আছে। মাত্র ১০০ বছর আগেও যখন আইনষ্টাইন সাহেব রিলেটিভিটির মত জিনিস নিয়ে গবেষনা করছেন, বোর সাহেবরা পরমানুর ভেতর দেখে তার অপার শক্তি নিংড়ে বের করার চেষ্টা করছেন তখন আমাদের দাদার বাবাদের কাছে শিক্ষা বলতে ছিল একমাত্র মাদ্রাসায় ধর্মীয় শিক্ষা। কারন কোরান হাদীসের মত জ্ঞানের আধার আর কি আছে? এই মানসিকতা যে আজও গেছে তা নয়। বরং সে আমলে মানুষ ভন্ডামী করত না, ভুল বিশ্বাস হলেও বিশ্বাস নিয়েই মাদ্রাসায় পড়ত। আর আজকের দিনে শিক্ষিত লোকে যিনি নিজের ছেলেমেয়েকে কিছুতেই মাদ্রাসায় পড়াবেন না তিনিও মাদ্রাসা বন্ধ করার কথা শুনলে গায়ের দিকে তেড়ে আসেন। হিন্দুরা টোল বন্ধ করেছে ১০০ বছর আগে, আর আমরা এখনো তালে আছি কিভাবে মাদ্রাসার ফান্ডিং আরো বাড়ানো যায়।

    এর সাথে বোনাস হিসেবে শিখিয়ে দেওয়া হয় বিধর্মীদের জাতিগত ভাবে অশ্রদ্ধা বা ঘৃনা করার মন্ত্র। এর মিলিত ফল হল সব কিছুতে কাফের নাসারা ইহুদীদের ষড়যন্ত্র আবিষ্কার করা। ইসরাইলী চন্ডাল নীতি, আমেরিকার আগ্রাসী দখলদারী এই ধারনাকে আরো চমতকারভাবে দানা বাঁধতে সাহায্য করেছে। ফলে এই কাফের নাসারার ষড়যন্ত্র ধীরে ধীরে মানসিক রোগের মত হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনলাইনে কেউ ধর্মের সামান্য সমালোচনা মূলক লেখা লিখলেও তাতে কাফের নাসারার চক্রান্ত আবিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। কাফের নাসারারা ইসলাম ধর্ম বা মুসলমান জাতির মধ্যে কি হুমকি দেখে আমি বুঝি না।

    যে জাতি এমনিতেই সব দিক দিয়ে পিছিয়ে আছে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পাকানো লাগবে কি জন্য? ষড়যন্ত্র পাকালে তো নিজেরাই নিজেদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছে।

  14. ভবঘুরে আগস্ট 5, 2010 at 1:06 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভাই,

    ইহুদি নাছারা গোষ্ঠি জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতি করেছে কোরান আর হাদিস রিসার্চ করে, তা জানেন ? আপনি না জানলেও অধিকাংশ মুসলমান কিন্তু তাই জানে ও বিশ্বাস করে। বিশ্বাস না হলে- আশে পাশের যারা মুসলমান তাদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। তাই ইহুদি নাছারের জ্ঞান বিজ্ঞানের উন্নতি প্রকারান্তরে মুসলমানদের উন্নতি। :laugh:

    • রাব্বানী আগস্ট 5, 2010 at 4:53 পূর্বাহ্ন - Reply

      @ভবঘুরে, ভাই নবীজি কুরানের (মুসলমানদের নামে) প্যাটেন্ট করে রাখলে ভাল হত। ইহুদি নাছারাদের কাছ থেকে প্যাটেন্টের মূল্য দাবি করা যেত -:)

  15. মিয়া সাহেব আগস্ট 5, 2010 at 12:33 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভালো লেখা। তবে ভারতে আট হাজার বিশ্ববিদ্যালয় নেই। ওয়াইকিপিডিয়া বলছে …….As of 2009, India has 20 central universities, 215 state universities, 100 deemed universities, 5 institutions established and functioning under the State Act, and 13 institutes which are of national importance.[42] Other institutions include 16000 colleges, including 1800 exclusive women’s colleges, functioning under these universities and institutions.

  16. ব্রাইট স্মাইল্ আগস্ট 4, 2010 at 7:21 অপরাহ্ন - Reply

    আপনার মুসলিম, ইহুদী ও খৃষ্টান জাতির শিক্ষা ও শক্তির ক্ষেত্রে তুলনামূলক বিশ্লেষনটি বেশ তথ্যবহুল এবং চমৎকার। পরিশ্রম সাপেক্ষও বটে।

    শিরক এবং কুফর এদুটি পাপ যদি আপনি না করেন আর হিংসা বিদ্বেষ ভুলে, সৎ উপার্জনে টিকে থাকতে পারেন তাহলে আপনি যেকোন ধর্মে বিশ্বাসী হোন না কেন, আপনি অবশ্যই মুক্তি পাবার আশা করতে পারেন।

    এখানে শিরক এবং কুফর এই দুটি শব্দের অর্থ ঠিক বুঝতে পারছি না।

    • uttor purush আগস্ট 4, 2010 at 9:48 অপরাহ্ন - Reply

      @ব্রাইট স্মাইল্,

      ইসলাম ধর্মে ‍”শিরক” হচ্ছে সেই পাপ যে কেউ আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তার সাথে অন্য কোন শক্তিকে শরীক করে বা অংশীদার হিসেবে বিশ্বাস করে। আর “কুফর” হচ্ছে সেই বিষয় যে কেউ সৃষ্টিকর্তা কিংবা আল্লাহর অস্তিত্বকে বিশ্বাস করে না। উল্লিখিত প্রবন্ধে বিষয়টি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি লক্ষ্য করে বলা হয়েছে। সকলকে বলা হয়নি।
      ভাল থাকুন
      উত্তর পুরুষ

  17. এক্স আগস্ট 4, 2010 at 1:46 অপরাহ্ন - Reply

    ইসলাম সলিড রেশনাল ভিশনের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একটা ফোকাসড অবজেকটিভ ওরিয়েন্টেড ফিলোসফি. ইসলাম সবার আগে এজেন্ডা ঠিক করে তারপর অবজেকটিভ অনুযায়ী রিসোর্স ও টুলস তৈরি করে. মুসলমানরা বর্তমানে ইসলামিক এজেন্ডা থেকে দূরে সরে গিয়ে কমবেশি অমুসলমানদের মতই আচরন করছে. মুসলমান বিদ্বেষীদের উচিত মুসলমানদের এই অবস্হাকে এপ্রিশিয়েট করা. কারন তারা যদি তাদের আসল এজেন্ডায় ফিরে যায় তবে তারা বিশ্বকে ঠিক সেভাবেই জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রকৌশল, খাদ্য নিরাপত্তা, যুগোপযোগী সামাজিক আইন দিত যেভাবে দিত কর্ডোবা, বুখারা, বাগদাদ. যে খ্রিস্টান ইহুদিদের কথা বলছেন তাদের অবদানের জন্য তাদের পূর্বপুরুষদের রেনেসা কিন্তু হয়েছিল ক্রুসেডের সময় মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার জন্যই.

    যখন মুসলমানরা তাদের ইসলামিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ছিল তখন তারা জ্ঞান-বিজ্ঞান-চিকিত্সা সব জায়গাতেই অবদান রেখেছে. মুসলমানরা যদি নেভিগেশনাল টুলস তৈরি না করত তবে মনে হয় ড্রাগন আর পৃথিবীর শেষপ্রান্ত দিয়ে পড়ে যাবার ভয়ে ভীত ইউরোপিয়ানরা নতুন দেশই আবিষ্কার করত না.

    এখন তো তাও কিছু শিক্ষিত লোক আছে মুসলমানদের মধ্যে, কিন্তু রাসূল সা এর সময় তো তাও ছিল না, কিন্তু ইসলামিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ঠিকই অশিক্ষিত মুসলমানরাই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিক্ষিতদের শীর্ষে অবস্হান করত.

    • রৌরব আগস্ট 5, 2010 at 4:58 পূর্বাহ্ন - Reply

      @এক্স,

      পূর্বপুরুষদের রেনেসা কিন্তু হয়েছিল ক্রুসেডের সময় মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার জন্যই

      সত্য অত একরৈখিক নয়। ভালভাবে দেখলে বোঝা যায় রেনেসাঁর কারণ বহুবিধ, তার মধ্যে আপনার উল্লিখিতটি একটি মাত্র, বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু অপরিহার্য নয়। আর সমগ্র সভ্যতাই “সংস্পর্শের” ইতিহাস, কোন সভ্যতার অবদানই আকাশ থেকে পড়েনি, এ কথা বাকি সবার মত ইসলামী স্বর্ণযুগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

      • এক্স আগস্ট 6, 2010 at 5:52 অপরাহ্ন - Reply

        @রৌরব,

        অবশ্যই একমত আপনার সাথে. মানুষ যখন নিজেকে নিম্নস্তরে আবিষ্কার করে তখনই সে উচ্চস্তরে উঠতে চায়. এবং তখনই পরিবর্তনের সূচনা হয় ও নতুন সভ্যতা বিকাশ লাভ করে.

        কিন্তু সভ্যতা গুলো সাসটেইন করে না কারন তারা মানুষের ইনহেরিট বৈশিষ্ঠ্যগুলিকে পরিপূর্ন ভাবে বুঝতে অক্ষম. তাই কখনো পরিবার ভেঙ্গে ইউটোপিয়া করতে চায় আবার ফ্রি সেক্স দিয়ে মুক্ত মানব তৈরি করতে চায়. ফলাফল, সামাজিক আদর ভালবাসা সহযোগিতা বন্চিত হয়ে ব্যাক্তিত্বহীন নামানুষ হওয়া, অথবা এন্টিডিপ্রেসান্ট ড্রাগের মাধ্যমে শান্তি খুঁজে ফেরা.

        যুক্তিযুক্ত ভাবে দেখলে, আসলে একটা আইফোন কখনও নিজের ম্যানুয়েল নিজে লিখতে পারে না, এপলের মত একটা কোম্পানিকে লাগে যে ওই আইফোন তৈরি করেছে. নিজে লিখলেই সফটওয়্যার হার্ডওয়ার কনফ্লিক্ট হয়ে বাতিল হয়ে যায়.

        • রৌরব আগস্ট 7, 2010 at 1:05 পূর্বাহ্ন - Reply

          @এক্স,
          সভ্যতা গুলো মানুষের বৈশিষ্ঠ্যগুলিকে পরিপূর্ন ভাবে বুঝতে অক্ষম বলে ভাইবেন না আপনি বা অন্য কেউ সেটা বুঝতে সক্ষম 😉 । অপরিপূর্ণতা নিয়ে অত ভয় পাওয়ার কিছু নাই। সভ্যতার ইতিহাস ক্রমপ্রগতিরই ইতিহাস, কারোরই বোধহয় নিজেকে মগডালের অধিবাসী ভাবার দরকার নাই।

        • আকাশ মালিক আগস্ট 7, 2010 at 3:48 পূর্বাহ্ন - Reply

          @এক্স,

          এক্স, নামটার সাথে পরিচয় নেই তবে মন্তব্যগুলো ও লেখা যেন চেনা চেনা লাগে।

          সভ্যতা গুলো সাসটেইন করে না কারন তারা মানুষের ইনহেরিট বৈশিষ্ঠ্যগুলিকে পরিপূর্ন ভাবে বুঝতে অক্ষম তাই কখনো পরিবার ভেঙ্গে ইউটোপিয়া করতে চায় আবার ফ্রি সেক্স দিয়ে মুক্ত মানব তৈরি করতে চায়

          একটু উদাহরণ দিয়ে দেখিয়ে দেন তো, কোন্ দেশ বা সমাজ ফ্রি সেক্স দিয়ে মুক্ত মানব তৈরি করতে চায়।

          যুক্তিযুক্ত ভাবে দেখলে, আসলে একটা আইফোন কখনও নিজের ম্যানুয়েল নিজে লিখতে পারে না, এপলের মত একটা কোম্পানিকে লাগে যে ওই আইফোন তৈরি করেছে. নিজে লিখলেই সফটওয়্যার হার্ডওয়ার কনফ্লিক্ট হয়ে বাতিল হয়ে যায়।

          মানব সভ্যতা বা মানুষের সৃস্টির সাথে আইফোন সৃস্টির তুলনা, বড়ই দূর্বল এবং অপ্রাসঙ্গিক যুক্তি।

          একটা আইফোন কখনও নিজের ম্যানুয়েল নিজে লিখতে পারে না

          এটা তো জগতের সকল মানুষ জানে, তা এখানে বলার ব্যাখ্যাটা কী?

    • আনাস আগস্ট 6, 2010 at 3:11 অপরাহ্ন - Reply

      @এক্স,

      মুসলমানদের অবজেক্টিভ কি? শুধু আল্লারে খুশি করা? যে ইতিহাসের কথা শুনিয়ে আত্মপ্রসাদ লাভ করলেন যুগের সেইসব বিজ্ঞানী ও দার্শনিকদের ফিলোসফিগুলা একটু পড়ুন। তাদের অর্জনের পেছনে ইসলামের অবজেক্টিভ ফিলোসফি কাজ করেছে নাকি জ্ঞানের তপস্যাই উন্নতির কারণ? বেশীরভাগ বিজ্ঞানীই-তো নাস্তিক উপাধি পেয়েছিলেন। এমনকি যে ইবনে সিনাকে নিয়ে আপনারা গর্ব করেন। ইমাম গাজ্জালি-ই তাকে নাস্তিক বলে ফতোয়া দিয়েছিলেন। জ্ঞানের ইতিহাস ঘাটলে এটিই দেখা যাবে বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল মাত্র। ঐসব ফিলোসফি-টিলোসফি তাদের অর্জনের পেছনে আর কোন অবদান নেই। যে ফিলোসফির একমাত্র অবদান আছে সেটি হল বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি। প্রশ্ন কর, সন্দেহ কর, নিজের যুক্তিকে নিজে খন্ডন কর। সত্য বেরিয়ে আসবে।

      • এক্স আগস্ট 6, 2010 at 5:45 অপরাহ্ন - Reply

        @আনাস,
        জ্ঞান অর্জন প্রতিটা মুসলমানের উপর ফরয. কারন জ্ঞান না থাকলে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে জানা বা বোঝার সুযোগ থাকে না. জ্ঞান যত থাকবে আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতা সম্বন্ধে ততটুকুই অনুধাবন করার ক্ষমতা বাড়বে. পোস্টের শেষ প্যারার কথা বললে, কুরআন ও হাদীস মুসলমানদের আইনের উত্স দেখে সে সময়ে কুরআন হাদীস শিক্ষার জন্য লোকদের মধ্যে আকর্ষন ছিল এখন যেমন আইন পড়ার জন্য থাকে. এটাকে ধর্মান্ধ রূপে দেখানো বুদ্ধিমানের মত কাজ নয়.

        এবার আসি আপনার কথায়, মুসলমানদের দুনিয়ায় সমৃদ্ধি করার জন্য আল্লাহর তরফ থেকে বাধা নেই, বরং মুসলমানদের তাগিদ দেয়া হয়েছে সমৃদ্ধি করার জন্য, যেন তারা অন্যান্য জাতিকে সাহায্য ও সহযোগিতা করতে পারে. যখনই মুসলমানরা আত্মকেন্দ্রিক হয়েছে ততবারই আল্লাহ অমুসলিমদের হাতকে শক্তিশালী করেছেন.

        সমৃদ্ধি মুসলমানদের ইসলামিক সুপ্রিমেসিকে প্রতিষ্ঠা করে এবং অন্যান্য জাতির মধ্যে ইসলামের ভাবমূর্তিকে তুলে ধরে. মুসলমান বিজ্ঞানীরা প্রথমে নিজেদের জনগনের (মুসলমান, অমুসলমান সবাই) জন্যই জ্ঞান সাধনা করত এবং খলিফা ও সুলতানরা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করত. এই যে মুসলমানদের চিকিত্সা বিজ্ঞানে অবদানের পেছনে ছিল শাসকদের উপর প্রতিটি মুসলমানের জানের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব. এখন যেমন সরকার রোগাক্রান্ত মানুষদের সহায়তা করাকে অবলিগেটরি মনে না করে মানবিক মনে করে ঠিক উল্টা ভাবে মুসলমান শাসকরা প্রতিটি নাগরিকের জীবন বাঁচানোকে ফরয বলে গন্য করত. ফলাফল রোগাক্রান্ত নাগরিকদের জন্য সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় হাসপাতাল বানানো ও এর সার্বিক উন্নয়ন.

        প্রশ্ন কর, সন্দেহ কর, নিজের যুক্তিকে নিজে খন্ডন কর। সত্য বেরিয়ে আসবে। অসাধারন ডায়লগ এবং চিন্তাধারা. আর আমার চিন্তাধারা হল, প্রশ্ন কর, কার্যের পিছনে কারন খোঁজ, সঠিক জায়গায় সঠিক যুক্তির তালাশ কর. বেসিক্যালি এই চিন্তাধারাই আমাকে আদর্শিক ইসলামের দিকে নিয়ে গিয়েছে. ভাই আমার রাসূল সা এর উপর প্রথম যে বাণী এসেছে তা ছিলই … পড়.. তার পরের অংশ ছিল সেই প্রভুর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন এক বিন্দু রক্ত থেকে. বলতে গেলে একলাইনেই স্রষ্টা প্রমান সহ নিজেকে উপস্হাপন করে বেশি বেশি পড়তে বলেছেন. সেই কাজই এখনও করছি…

        • আনাস আগস্ট 6, 2010 at 11:27 অপরাহ্ন - Reply

          @এক্স,

          আদর্শিক ইসলাম…পরিচিত সুর। সেমিনার করা সংগঠনগুল এসব অনেক বলে। আর বাস্তব কাজের ক্ষেত্রে এর কোন প্রয়োগ নেই। সেই সাথে রয়েছে অসংখ্য অসততার আশ্রয়।

          আপনি যে ইসলামের কথা বলছেন। ভেবে দেখুন তা রাসুলের ইসলাম কিনা। নাকি এ আদর্শিক আন্দোলন যারা করছে, তাদের চিন্তা চেতনার ফসল? প্রাচীন এ আদর্শকে মোডিফাই করে ব্যবহারের প্রচেষ্টা? যে আদর্শিক ইসলামের কথা বললেন, তার অনুসরণ করে নিচে আকাশ মালিক ভাই এর দেয়া সময় থেকে আরো কয়েকশ বছর বাড়িয়ে নিন। তারপর মক্কা মদীনায় একটা বিখ্যাত শিক্ষা কেন্দ্রের নাম বলুন। যা জ্ঞানের রাজ্যে বাগদাদ কর্ডোভার মত আলো জ্বেলেছে। কুরান হাদিস শিক্ষার কথা বলছেন? তুলনা করছেন এখনকার আইন শিক্ষার সাথে? একজন অমুসলিম ইসলামের বিষয়ে কোন রায় দিতে পারবে? একজন অমুসলিম কি বিচারক হতে পারবে? সে পারবে কোন ফতোয়া জারি করতে? একজন অমুসলিম কুরান হাদিসের জ্ঞান অর্জন করে ইসলামী খেলাফাতের খলিফ হতে পারবে? যা বলবেন ইসলামের ইতিহাস বিশেষ করে ৫৭০ থেকে ৬৮০ সময়কাল থেকে বলবেন। কারণ আপনার বেশীরভাগ বক্তব্য আজকের বোধের ফল।

          যারা কুরান হাদিসের চর্চা করত। তাদের আসলে এটা করা ছাড়া উপায় ছিল না। কারণ তখনো তারা গ্রীক বা ভারতীয় সভ্যতার সংস্পর্শে আসেনি। যখন থেকে আসা শুরু করল, তখন থেকেই কোরান পন্থী ও তাদের মাঝে বিরোধ বাড়তে লাগল।

          কল্যাণ মুলক সামাজিক ব্যাবস্থা প্রাচীন অনেক সভ্যতায়-ও ছিল। আজো পশ্চিমের অনেক দেশে এ ব্যবস্থা আছে। এখানে শুনেছিলাম ইউরোপের অনেক দেশে বেকারদের মিনিমাম বেতন দেয়া হয়। এভাবেই সমাজ আগায়। মানুষের প্রয়োজনেই নিয়মগুল তৈরী হয়। তার জন্যে পনেরশত বছর আগের ইসলাম, বা তার আগে রোমান সভ্যতার নৈতিকতা বজায় রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই। আবার ভালগুলো নেয়া যাবে না তাও নয়। এগিয়ে যাবার জন্যে আমরা তাদের মুখাপেক্ষি নই। তবে কৃতজ্ঞ।

          আগেই নির্ধারণ করে নিয়েছেন সঠিক জায়গাটা কোথায়। তারপর তো সব যুক্তিই ঠিক মনে হবে। এমনকি খেলাফাত প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধে গণিমতের মাল পাওয়াকে তখন আর ডাকাতি মনে হবে না। খুউব পবিত্র মনে হবে। মনে হবে এটাই ঠিক। তা না হলে এসকল মাল সমাজে গিয়ে পতিত মাল হিসেবে সমাজকে নষ্ট করবে। তার চাইতে আমার কম্বলের নিচেই ভাল তাই না?

          আরেকটি কথা, কেউ কারো ছেলেকে কোন পত্র পড়তে বললে সেটাকে জ্ঞানার্জনের তাগিদ কেন ভাবলেন বুঝা গেল না। আর সত্য নির্দিষ্ট কারো কাছে প্রকাশ করার দাবী কি হাস্যকর মনে হয়না?

        • রৌরব আগস্ট 7, 2010 at 12:52 পূর্বাহ্ন - Reply

          @এক্স,
          অমুসলিমদের “হাত” শক্তিশালী হলে সমস্যাটা কোথায়? সবসময় পাঞ্জা লড়ার কথা মাথায় নিয়ে ঘোরেন নাকি?

        • রামগড়ুড়ের ছানা আগস্ট 7, 2010 at 9:44 পূর্বাহ্ন - Reply

          ভাই আমার রাসূল সা এর উপর প্রথম যে বাণী এসেছে তা ছিলই … পড়..

          সাধারণত এসব ব্যাপার আমি কমেন্ট করিনা কিন্তু এখানে না করে পারছিনা। “পড়” শব্দটি পেয়েই মুসলিমরা বলে ইসলাম জ্ঞান অর্জন করতে বলেছে, কনটেক্সট চিন্তা করেনা। কিন্তু “হত্যা কর” একাধিক বার লেখা থাকলেও ইসলাম হত্যা করতে বলেছে স্বীকার না করে কথা প্যাচায়। একেই বলে সুবিধাবাদ।

        • ভবঘুরে আগস্ট 7, 2010 at 3:04 অপরাহ্ন - Reply

          @এক্স,

          জ্ঞান অর্জন প্রতিটা মুসলমানের উপর ফরয. কারন জ্ঞান না থাকলে প্রকৃতিতে ছড়িয়ে থাকা আল্লাহর নিদর্শন সমূহকে জানা বা বোঝার সুযোগ থাকে না. জ্ঞান যত থাকবে আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতা সম্বন্ধে ততটুকুই অনুধাবন করার ক্ষমতা বাড়বে.

          এইটা ভাই আপনার নিজের মনগড়া কথা বললেন। ইসলাম তথা কোরান জ্ঞান অর্জনকে কখনই অনুপ্রেরনা জোগায় না বরং ইসলাম প্রকারান্তরে মূর্খ থাকতেই মানুষকে অনুপ্রেরনা জোগায়। জ্ঞান অর্জনের পন্থাটা কি ? পন্থাটা হলো – প্রশ্ন করা , সংশয় প্রকাশ করা- এর পর উত্তর খুজে ফেরা আর তাতেই প্রকৃত সত্য বা জ্ঞান অর্জিত হয়। কিন্তু ইসলাম তথা কোরানের প্রথম শর্তই হলো- চোখ বুজে বিশ্বাস করতে হবে যে মোহাম্মদ হলো আল্লাহর রসুল আর কোরান হলো আল্লাহর কিতাব। কোন সংশয় প্রকাশ তো দুরের কথা , প্রশ্নই করা যাবে না। আপনারা সুরা আলাকেরে প্রথম শব্দ ইকরা দিয়ে অপপ্রচার চালান যে কোরান পড়তে বা জ্ঞান চর্চা করতে বলেছে। বস্তুত মোটেই তা নয়। তা যদি হতো- কোরানের ছত্রে ছত্রে মোহাম্মদ আর তার রচিত কোরান কে আল্লাহর কিতাব বলে চোখ বুজে বিশ্বাস করতে বলত না। কোরানকে আল্লাহর কিতাব বলে বিশ্বাস করলে-আকাশকে কঠিন পদার্থের তৈরী ছাদ মনে করতে হয়, মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রথমেই পৃথিবীকে সৃষ্টি করা হয়েছে মনে করতে হয়, পৃথিবীকে সমতল একটা বিরাট জায়গা মনে করতে হয়, সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীকে আলো দেয়ার জন্য তৈরী করা হয়েছে মনে করতে হয়, এরকম আরও অসংখ্য অবৈজ্ঞানিক বিষয়কে বিশ্বাস করতে হয়। কোন বিজ্ঞান মনস্ক আধুনিক মানুষের পক্ষে তা সম্ভব নয়। আর সেকারনেই আধুনিক জ্ঞান বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে কোরান একটা মধ্যযুগীয় আধি ভৌতিক কিচ্ছামূলক কিতাব ছাড়া আর কিছু নয়। ইসলাম বিশ্বাস বা ইমানকে তার পাচটি অঙ্গের প্রথম অঙ্গ করাতেই প্রমানিত হয় ইসলাম জ্ঞান চর্চা নয় বরং প্রকারান্তরে মূখতার চর্চা করতেই অনুপ্রেরনা জোগায়। মানুষকে মুর্খ রাখতেই বেশী অনুপ্রেরনা দেয়।

    • ভবঘুরে আগস্ট 7, 2010 at 3:25 অপরাহ্ন - Reply

      @এক্স,

      কর্ডোবা, বুখারা, বাগদাদ. যে খ্রিস্টান ইহুদিদের কথা বলছেন তাদের অবদানের জন্য তাদের পূর্বপুরুষদের রেনেসা কিন্তু হয়েছিল ক্রুসেডের সময় মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার জন্যই

      খৃষ্টানরা ক্রুসেডে মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার পর রেনেসা বিপ্লবের সূচনা ঘটে তথ্যটা সত্য। কিন্তু মুসলমানদের অর্জিত জ্ঞান দিয়ে তারা রেনেসা বিপ্লবের সূচনা করে নি। মুসলিম সমাজে এ ব্যপারে ভালমতো একটা ভুয়া প্রপাগান্ডা আছে আর আপনি সেটাই এখানে প্রচার করছেন। মূলত মুসলমানরা স্পেন বিজয়ের পর প্রাচীন গ্রীক সভ্যতার জ্ঞান বিজ্ঞানের সংস্পর্শে আসে। তারা তখন এরিষ্টোটল , প্লেটো ইত্যাদির রচনা আরবী ভাষায় অনুবাদ করে আর তার ওপরে ভিত্তি করে মুসলমানরা জ্ঞান চর্চা চালিয়ে যায়। তারা কিছু কিছু নতুন চিন্তা ধারা তার সাথে যোগ করে। কিন্তু বেশী কিছু যোগ করার আগেই মসলমান মোল্লারা তাদের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার অভিযোগ আনে, ফলাফল মুসলমান বাদশাহ বা সুলতানরা তাদের গ্রেফতার করার জন্য খোজাখুজি শুরু করে আর তারা জীবন বাচাতে পালিয়ে বেড়ান। ইবনে সীনা , আবু রুশদ এদের জীবন কাহিনী পড়ে দেখলেই তা বুঝতে পারবেন। যাহোক , রেনেসার সময় খৃষ্টানরা মুসলমানদের সংস্পর্শে এসে সেই প্রাচীন গ্রীকদের জ্ঞান বিজ্ঞান নতুন করে আবিষ্কার করে যা তারা ভুলে গেছিল পাদ্রীদের অত্যাচারে প্রায় এক হাজার বছর ধরে। নতুন করে আবিষ্কার করে তারা অত:পর তার চর্চা শুরু করে আর সেকারনেই এর নাম রেনেসা বা পুনর্জাগরন। নাম থেকেই আসল বিষয় বোঝা যায়। তার মানে যে জ্ঞান তারা মুসলমানদের কাছে আবিষ্কার করে তা মূলত তাদের পূর্ব পুরুষদেরই জ্ঞান, মুসলমানদের কোরান বা হাদিস রিসার্চ করা জ্ঞান নয়। তবে হ্যা , গ্রীক সভ্যতার জ্ঞান কে কয়েক শতাব্দি ধরে রাখার জন্য সেই সময়কার জ্ঞানপিপাসু মুসলমানদের কাছে মানব সমাজ ঋনী। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো- সে সব জ্ঞানপিপাসু মুসলমানরা কোরান হাদিস চর্চা করে কিছুই আবিষ্কার করেনি। বরং গ্রীক জ্ঞানের ওপর ভিত্তি করে তারা যা যে দর্শন বা বিজ্ঞান রচনা করেন তার জন্য তাদেরকে মোল্লাদের দ্বারা অপমানিত , নিগৃহীত ও কখনোবা দেশান্তরিত হতে হয়েছে। ভাই সত্য বলার চেষ্টা করুন, আধা সত্য বা ভূয়া কথা বলে মানুষকে ভুল পথে চালনা করার দিন শেষ। এটা কবে আপনারা বুঝবেন ?

মন্তব্য করুন