সূরা আলাক ও জিব্রাইল ফিরিস্তার ইতিকথা

By |2010-05-28T19:17:47+00:00মে 28, 2010|Categories: দর্শন, দৃষ্টান্ত, ধর্ম|35 Comments

পাঠ করুন , আপনার পালন কর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহান দয়ালূ। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। সূরা-৯৬: আলাক, আয়াত-১-৩

উপরোক্ত সূরাটি হলো মোহাম্মদের ওপর নাজিল করা প্রথম সূরা তথা কোরানের সর্বপ্রথম সূরা। হেরা গুহায় তার কথিত সাধনার সময় নাকি উক্ত সূরা নিয়ে আল্লাহর আদেশে জিব্রাইল ফেরেস্তা হাজির হয় আর তাকে অবহিত করে যে মোহাম্মদ নাকি আল্লাহর নবী আর সে আল্লাহর কাছ থেকে ওহী নিয়ে তার সামনে হাজির হয়েছে। তো সূরার প্রথম বাক্যটি কি ? পাঠ করুন আল্লাহর নামে। পাঠ করতে গেলে কি লাগে? একটা বই বা নিদেনপক্ষে পাথর বা পাতা বা চামড়ার ওপর লিখিত কোন কিছু। এছাড়া তো পাঠ করা যায় না, তাই না ? তো জিব্রাইল মোহাম্মদকে বলছে- পাঠ করুন , তার মানে জিব্রাইল লিখিত কোন বই বা কাগজ বা চামড়া বা খেজুরপাতা মোহাম্মদের সামনে রেখে তা পড়তে বলছে। আসলে তা একটা বই হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী কারন আমরা যেমন জানি গোটা কোরান শরীফ লিখিত আকারে জান্নাতুল ফেরদাউসের লাওহে মাহফুজে রক্ষিত আছে। তো জিব্রাইল গোটা বইটা নিয়ে এসে তার প্রথম পাতাটি মোহাম্মদের সামনে মেলে ধরে পড়তে বলছেন। অথবা এমন হতে পারে কোরানের একটা কার্বন কপি বা ফটোকপি ( বেহেস্তে সব কিছু থাকবে তাহলে কার্বন পেপার বা ফটোকপিয়ার মেশিনও থাকবে নিশ্চয়ই) নিয়ে এসে মোহাম্মদের সামনে ধরে পড়তে বলতে পারে। তাহলে বিষয়টি দাড়াচ্ছে- জিব্রাইল কিন্তু আল্লাহর কাছ থেকে কোন কিছু শুনে তা মুখস্ত করে তা আবার মোহাম্মদের কাছে বলছে না। বরং আল্লাহর নির্দেশে সে গোটা কোরান বা তার ফটোকপি একটা বয়ে নিয়ে মোহাম্মদের কাছে এসেছে আর তারপর তা পাঠ করতে বলছে। তো একটা বই পাঠ করতে গেলে আমরা সাধারনত: কি করি ? আমরা বইটির প্রথম পৃষ্ঠা থেকে পাঠ করা শুরু করি। তাই না ? নিশ্চয়ই আমরা বইটির মাঝখান বা শেষ দিক থেকে পড়া শুরু করব না।

এ বিষয়ে যে হাদিস আছে এবার তা দেখি-

আয়েশা থেকে বর্নিত,———- ফিরিস্তা তার কাছে আসল আর তাকে পড়তে বলল। তিনি(মোহাম্মদ) বললেন- আমি তো পড়তে জানি না।—- পর পর তিন বার ফেরেস্তা তাকে পড়তে বললেন, তিনি প্রত্যেকবারই বললেন- আমি তো পড়তে জানি না। এর পর ফেরেস্তা বলল- পড়, আল্লাহর নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন, সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। আপনার পালনকর্তা মহান দয়ালূ। সহী বুখারী, বই-১, হাদিস-৩ (লেখকের স্ব অনুবাদ)

যাহোক পাঠকের সুবিধার্থে পুরো ইংরেজী হাদিস নিচে তুলে দিলাম:

Narrated ‘Aisha: (the mother of the faithful believers) The commencement of the Divine Inspiration to Allah’s Apostle was in the form of good dreams which came true like bright day light, and then the love of seclusion was bestowed upon him. He used to go in seclusion in the cave of Hira where he used to worship (Allah alone) continuously for many days before his desire to see his family. He used to take with him the journey food for the stay and then come back to (his wife) Khadija to take his food like-wise again till suddenly the Truth descended upon him while he was in the cave of Hira. The angel came to him and asked him to read. The Prophet replied, “I do not know how to read. The Prophet added, “The angel caught me (forcefully) and pressed me so hard that I could not bear it any more. He then released me and again asked me to read and I replied, ‘I do not know how to read.’ Thereupon he caught me again and pressed me a second time till I could not bear it any more. He then released me and again asked me to read but again I replied, ‘I do not know how to read (or what shall I read)?’ Thereupon he caught me for the third time and pressed me, and then released me and said, ‘Read in the name of your Lord, who has created (all that exists) has created man from a clot. Read! And your Lord is the Most Generous.” (96.1, 96.2, 96.3) Then Allah’s Apostle returned with the Inspiration and with his heart beating severely. Then he went to Khadija bint Khuwailid and said, “Cover me! Cover me!” They covered him till his fear was over and after that he told her everything that had happened and said, “I fear that something may happen to me.” Khadija replied, “Never! By Allah, Allah will never disgrace you. You keep good relations with your Kith and kin, help the poor and the destitute, serve your guests generously and assist the deserving calamity-afflicted ones.” Khadija then accompanied him to her cousin Waraqa bin Naufal bin Asad bin ‘Abdul ‘Uzza, who, during the PreIslamic Period became a Christian and used to write the writing with Hebrew letters. He would write from the Gospel in Hebrew as much as Allah wished him to write. He was an old man and had lost his eyesight. Khadija said to Waraqa, “Listen to the story of your nephew, O my cousin!” Waraqa asked, “O my nephew! What have you seen?” Allah’s Apostle described whatever he had seen. Waraqa said, “This is the same one who keeps the secrets (angel Gabriel) whom Allah had sent to Moses. I wish I were young and could live up to the time when your people would turn you out.” Allah’s Apostle asked, “Will they drive me out?” Waraqa replied in the affirmative and said, “Anyone (man) who came with something similar to what you have brought was treated with hostility; and if I should remain alive till the day when you will be turned out then I would support you strongly.” But after a few days Waraqa died and the Divine Inspiration was also paused for a while. Narrated Jabir bin ‘Abdullah Al-Ansari while talking about the period of pause in revelation reporting the speech of the Prophet “While I was walking, all of a sudden I heard a voice from the sky. I looked up and saw the same angel who had visited me at the cave of Hira’ sitting on a chair between the sky and the earth. I got afraid of him and came back home and said, ‘Wrap me (in blankets).’ And then Allah revealed the following Holy Verses (of Quran): ‘O you (i.e. Muhammad)! wrapped up in garments!’ Arise and warn (the people against Allah’s Punishment),… up to ‘and desert the idols.’ (74.1-5) After this the revelation started coming strongly, frequently and regularly.”

Shahi Bukhari Book- 1, Hadith-3

যাহোক উক্ত ঘটনা থেকে কতকগুলো প্রশ্ন উত্থাপিত হয়, তা হলো-

১। জিব্রাইল মোহাম্মদের কাছে একটি বই বা কোরানের বানী লেখা কাগজের টুকরা বা উটের চামড়া বা খেজুরের পাতা এনে মেলে ধরেছিলেন কি না ?

২। যদি তা করে থাকে তাহলে সেটা কি লাওহে মাহফুজে রক্ষিত অরিজিনাল কোরান নাকি তার কার্বন বা ফটোকপি?

৩।সে সেটা মোহাম্মদের কাছে দিয়ে গেল না কেন? যেহেতু মোহাম্মদ পড়তে পারেন না, তাহলে ওটা একটা হার্ড কপি হতো যা পরবর্তীতে প্রমান হিসাবে দাখিল করা যেত কাফেরদের সামনে। তাছাড়া এটা হতো নির্ভূল কোরান যা নিয়ে কেউ কোন দিন পরে প্রশ্ন করতে পারত না।

৪। দেখা যায় মাত্র তিনটি আয়াত জিব্রাইল প্রথম দিন মোহাম্মদকে জানান দিয়েই চম্পট দেয়। কোরান যদি আগেই লাওহে মাহফুজে লেখা থাকে তো পুরা কোরানের একটা কপি মোহাম্মদকে জিব্রাইল দিয়ে গেল না কেন?

৫। আমরা দেখি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে কোরানের বানী নিয়ে জিব্রাইল হাজির হয়েছিল, তখন সে কি বই বা লেখা আকারে কোন কাগজ, চামড়া বা খেজুরের পাতা মোহাম্মদের কাছে উপস্থাপন করেছিল?

৬। ৫ নং প্রশ্ন থেকে আরও একটা প্রশ্ন জাগে- আমরা দেখি চলমান ঘটনার ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে কোরানের বিভিন্ন আয়াত নাজিল হচ্ছিল, অথচ গোটা কোরান লাওহে মাহফুজে আগেই সংরক্ষিত তার মানে কোরানে বর্নিত যাবতীয় ঘটনা চরিত্র আগেই আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ছিল অনেকটা আধুনিক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর আকারে ?

৭। ঘটনা দৃষ্টে মনে হয় কোরানের যাবতীয় ঘটনা, মক্কা মদিনা কুরাইশ, কাফের, মুরতাদ, ইহুদিদের যাবতীয় ঘটনাই আগে থেকে নির্ধারিত ছিল, তাহলে আর কাফের মুরতাদ ইহুদিদের দোষ কি ? অথবা আজকে যারা কোরান মোহাম্মদকে বিশ্বাস করে না তাদেরই বা দোষ কি? মুক্ত মনা সাইটের কাফের মুরতাদদেরও বা দোষ কি ?

৮।উপরোক্ত হাদিসে বলা নেই জিব্রাইল কোন কিতাব বা লেখা কিছু মোহাম্মদের সামনে হাজির করেছিল কি না। এত কথা বলা আছে অথচ সে কথাটি কিন্ত স্পষ্টভাবে বলা নেই। তার মানে সেরকম কিছুই জিব্রাইল সাথে নিয়ে আসে নি। তাহলে সে মোহাম্মদকে কেমনে বলে- পাঠ করুন? এক্ষেত্রে জিব্রাইল এর বলা উচিত ছিল- শুনুন বা বলুন বা স্মরন করুন ইত্যাদি। তাই না? তখন আয়াতগুলি হতো নিম্ন রূপ:

বলুন বা শুনুন বা স্মরন করুন , আপনার পালন কর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহান দয়ালূ। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।জিব্রাইল যে আদৌ কোন কিতাব বা লেখা কিছু নিয়ে আসত না তার প্রমানও আছে- দেখুন নিম্নেÑ

Narrated ‘Aisha: (the mother of the faithful believers) Al-Harith bin Hisham asked Allah’s Apostle “O Allah’s Apostle! How is the Divine Inspiration revealed to you?” Allah’s Apostle replied, “Sometimes it is (revealed) like the ringing of a bell, this form of Inspiration is the hardest of all and then this state passes ‘ off after I have grasped what is inspired. Sometimes the Angel comes in the form of a man and talks to me and I grasp whatever he says.” ‘Aisha added: Verily I saw the Prophet being inspired Divinely on a very cold day and noticed the Sweat dropping from his forehead (as the Inspiration was over).
সহি বুখারি, বই-১, হাদিস-২)

মোটামুটিভাবে ওখানে বলা হচ্ছে (বাংলায়)- আয়শা থেকে বর্নিত, আমি আল্লাহর নবীকে জিজ্ঞেস করলাম কিভাবে স্বর্গীয় বানী আপনার কাছে আসে? আল্লাহর নবী বলেন-জিব্রাইল কোন কোন সময় ঘন্টা বাজানোর মত শব্দ করে আসত যা একটা চরম স্বর্গীয় অনুভুতির সৃর্ষ্টি করত ও কিছু পরে তা নি:শেষ হয়ে যেত, তবে এর মধ্যেই আমি সব আত্মস্থ করতে পারতাম যা আমার কাছে স্বর্গীয় বানীর আকারে পাঠানো হতো। কখনো কখনো ফিরিস্তা মানুষের রূপ ধারন করে আসত , আমার সাথে কথা বলত আর সে যা বলত সব কিছুই আত্মস্থ করতে পারতাম। শুধু তাই নয়, আয়শা তাকে স্বর্গীয় ভাবের মধ্যে দেখত এবং এমনকি ঠান্ডার মধ্যেও তার কপাল থেকে ঘাম ঝরতে দেখত।

সুতরাং উপরোক্ত বর্ননা থেকে এটা নিশ্চিত কোন বই নিয়ে তো হাজির হতোই না জিব্রাইল বরং এখন যে বর্ননা পাওয়া যাচ্ছে তাতে মনে হয় মোহাম্মদের হিস্টিরিয়া জাতীয় কোন সমস্যা ছিল। কারন একমাত্র হিস্টিরিয়া রোগগ্রস্থ ব্যক্তিই হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রচন্ড ঠান্ডাতেও প্রচন্ড গরম বোধ করতে পারে ও তার কপাল থেকে ঘাম ঝরতে পারে। আর এ ধরনের হিস্টিরিয়া রোগীরা যখন রোগে আক্রান্ত হয় তখন তারা নানা রকম অলীক জিনিস দেখতে পায়, শুনতে পায় যা সবাই জানেন। তবে আমার চাইতে অবশ্য ডাক্তাররাই ভাল বলতে পারেন বিষয়টি। আর মজার ব্যপার দেখেন আয়শা হলো আল্লাহর নবীর স্ত্রী যাকে তিনি তার অন্য ডজনখানেক স্ত্রীর মধ্যে সব চাইতে বেশী ভালবাসেন, সেও কিন্ত কখনো জিব্রাইলকে দেখে নি যদিও জিব্রাইল নাকি মাঝে মাঝে মানুষের রূপ ধারন করে আসত। দেখে যে নি তার প্রমান তার কথাতেই পাওয়া যায় । আয়শা যদি জিব্রাইলকে দেখত তাহলে তো আর এ আজগুবি প্রশ্ন করত না। সে নিজেই দেখতে পেত কিভাবে জিব্রাইল মোহাম্মদ ওহী দিয়ে যায়।

৯। এবার একটা গুরুতর প্রশ্ন। যে আয়াত সর্বপ্রথম মোহাম্মদের কাছে নাজিল হলো তা কেন কোরানের শেষের দিকে ৯৬ নম্বর আয়াত হিসাবে কোরানে লিখিত হলো ? আগেই বলা হয়েছে কেউ যখন কোন কিতাব পাঠ করা শুরু করে- সে তো মাঝখান থেকে বা শেষের দিক থেকে শুরু করে না। হঠাৎ যদি কেউ রেফারেন্স খুজতে যায় কোন বই থেকে তখন হয়ত তা ঘটতে পারে , কিন্তু যেখানে কিতাবের শুরুই হচ্ছে সেখানে তো এটা ঘটতে পারে না।

১০।পরিশেষে, পাঠ করুন , আপনার পালন কর্তার নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে জমাট রক্ত থেকে। পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তা মহান দয়ালূ। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।– কথাগুলো আল্লাহর নাকি জিব্রাইলের ? পাঠ করুন অর্থ কোন কিছু পড়ার জন্য মোহাম্মদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে, তো তাহলে তা পড়ার জন্যে কে বলবে ? নিশ্চয়ই যে ব্যাক্তিটি বইটি মোহাম্মদের কাছে তুলে ধরেছে সে-ই। যেহেতু জিব্রাইল তা তুলে ধরেছে তাই , পাঠ করুন, আপনার পালনকর্তার নামে———– এসব কথা জিব্রাইলেরই, কোন ক্রমে আল্লাহর কথা না। আর কথাগুলো কি ? পাঠ করুন আপনার পালন কর্তার নামে—- তো আল্লাহ কি বলবেন কখনো কাউকে বলতে যে – পাঠ করুন আপনার পালন কর্তার নামে , যেখানে তিনি নিজেই পালন কর্তা? আর যদি কোন কিছু পাঠ করার জন্য নিয়ে না এসে থাকে তাহলে পাঠ করুন বাক্যটি বলে গোটা সূরাটিকে হাস্যকর করে ফেলেছে তথা এখানে ক্রিয়াপদ ব্যবহার ঠিক মতো হয়নি। তো আল্লাহর কোরানে একটা বাক্য ভুল তো দুরের কথা একটা দাড়ি কমাও ভুল থাকবে না , কিন্তু এখানে দেখি বাক্যটির ক্রিয়া পদই ভূল আর গোটা কোরানে একটা মাত্র ভূলই প্রমান করতে যথেষ্ট যে কোরান কোন বেহেশতী কিতাব না, বরং তা মোহাম্মদের নিজের। কোরানে হাজারটা ভূল আর স্ববিরোধীতা আছে , আমি শুধুমাত্র একটি ব্যখ্যা করলাম বিস্তারিত।

তাছাড়া এখানে বিজ্ঞানগত এক মারাত্মক ভূল আছে। বলা হচ্ছে- জমাট রক্ত থেকে নাকি মানুষকে সৃষ্টি করেছে। আমরা তো জানি কোন জীবের রক্ত জমাট বেধে গেলে সাথে সাথেই সে মারা যায়, তাহলে জমাট রক্ত থেকে মানুষ বানায় কেমনে ? যদিও অন্য সূরাতে বলা আছে- মাটি দিয়ে আল্লাহ আদমকে তৈরী করেছিলেন। যদি আমি মানব জন্মের পরবর্তী পরিঘটনাটাও বিবেচনায় আনি, তার পরেও জমাট রক্ত থেকে তো মানুষ জন্ম নিতে পারে না। রূপক অর্থেও যদি ধরি, নারীর পেটে প্রাথমিক যে ভ্রুন তৈরী হয় তাকে কি জমাট রক্ত বলা যায় নাকি ? মনে হয় সেটাকেই আল্লাহ তথা মোহাম্মদ জমাট রক্ত বলেছেন কারন, যদি কোন নারীর অকালে গর্ভপাত হয় তখন তার দেহ থেকে জমাট রক্তের মত কিছু পদার্থ বের হয়। মোহাম্মদ যে কোন কারনে সেটা দেখে থাকতে পারেন, ফলে তার ধারনা হয়েছে যে জমাট রক্ত থেকে মানুষ সৃষ্টি হয়। জন্ম বিষয়ে আল্লাহর এ সীমাহীন অজ্ঞতা বস্তুত মোহাম্মদেরই অজ্ঞতা।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে- এখানে জিব্রাইল কোন কিছু পড়ার জন্য নিয়ে আসলেও তা যুক্তিতে খাটে না , আর না আনলেও যুক্তিতে খাটে না। এসব কিছু বুঝতে পেরেই বোধ হয় কোরান সংকলনকারীরা খুব কৌশলে সূরাটিকে প্রথমে না সন্নিবদ্ধ করে একেবারে সবার শেষে সন্নিবদ্ধ করেছে। যাতে এ সূরাটির গাঠনিক ও অর্থগত ভুলটি সবার নজর এড়িয়ে যায়। এতদিন নজর এড়িয়ে গেছিলও , কিন্তু আর কত কাল?

About the Author:

মুক্তমনা ব্লগ সদস্য।

মন্তব্যসমূহ

  1. এমএসএস রেহমান সেপ্টেম্বর 17, 2014 at 2:34 পূর্বাহ্ন - Reply

    আজগুবি মানুষের আজগুবি কারবার। আল্লাহর ফেরেস্তা নাকি উনাকে এসে বলল, পড়। আল্লাহ কি জানতেন না যে মুহাম্মদ পড়তে জানে না। এটা আসলে ভীষণ রকম চালকি করা হয়েছে মানুষের কাছে। কোরআনের কোন বাণীআল্লাহর হতে পারেনা। আল্লাহর বা হবে কি করে হেয় তো নাই।

  2. মাহফুজ ফেব্রুয়ারী 1, 2013 at 11:11 অপরাহ্ন - Reply

    লেখাটায় আর মন্তব্যর মধ্যে আমার নাম নিয়া বহুত কথা হচ্ছে :-O । সত্যি বলতে কী, কুরানের সুরা ফাতিহা থেকে নাস পর্যন্ত ১১৪ টা সুরার নাম আমার মধ্যে রয়েছে 😉 । আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি জীবরাইল কখনও আমার কাছে আসেনি আর (T) করেনি। আমি এসব পেয়েছি মানুষের বানানো কাগজের তৈরি কোরান থেকে।

    • দ্যা রক্ ফেব্রুয়ারী 2, 2013 at 12:26 পূর্বাহ্ন - Reply

      @মাহফুজ, তাইলে আপনাকে সবাই এখন থেকে লোহা মাহফুজ বলবে?

  3. DigitalAslam জুন 6, 2010 at 3:16 অপরাহ্ন - Reply

    আমাদের ইসলাম ধর্মে জানা যায় আল্লাহ নাকি ফেরেস্তাদের মানুষ তোইরির সময় বোলেছিলেন আমি যা বুঝি তোমরা তা বুঝনা। কিন্তু আজ আমরা বুঝতে পারছি কেন আল্লাহ ফেরেস্তাদের সে কথা বলেনি। কারণ তখন যদি আল্লাহ পাক তাদের এ কথা বলতেন যে, আমি যে মানুষ গুলি তোইরি কোরব তাদের মন বলে যে বেপার টা থাকবে তা আমি নিয়োন্ত্রন করব না। এবং আমাকে এই সৃষ্টি শুরু করতে হবে এক ভুয়া মার্কা গপ্প দিয়ে এবং শেষ করতে হবে এক ফটকা মার্কা গপ্প দিয়ে। তাহলে ভাবুনত ফেরেস্তারাওকি আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখত?

    • দ্য রক্ জুন 29, 2010 at 11:59 পূর্বাহ্ন - Reply

      @DigitalAslam, এজন্যই আপনে আর কিছু বুঝার চেস্টাও করবেন্না। কারণ আপনি আপনার মনটাকে বুঝার মত করে তৈরী করতে পারছ্ন্নো।

  4. পৃথিবী মে 29, 2010 at 10:10 পূর্বাহ্ন - Reply

    ব্যাপারটা অদ্ভুতই বটে। আল্লাহ বা তাঁর লোকজন কোন এক অদ্ভুত কারণে শুধু নবী-রসূলদের চোখেই ধরা দেন। আমপাবলিকের সামনে দেখা দিতে সমস্যা কি? আল্লাহকেও কি পর্দা মেনে চলতে হয়? শুধু একটা মানুষের ঘাড়ে না চেপে আল্লাহ যদি সবগুলো মানুষের সাথে একই সময়ে যোগাযোগ করত, তাহলে এত জটিলতার জন্ম হত না।

    কি আর বলব। যেমন ঈশ্বর, তেমনই তাঁর বান্দা- সহজ ব্যাপারটাকে জটিল না করতে পারলে মনে যেন কোন শান্তি পায় না।

    • দ্যা রক্ মে 30, 2010 at 7:26 অপরাহ্ন - Reply

      @পৃথিবী, আপ্নি দেখতে চান নাকি?
      সহজ ভাবে বলে দেয়া আছে তাদের দেখার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের নেই। আপনাকে ত চয়েস দেয়া আছে, ভাল আর খারাপ। কিন্তু আপনি তা না করে যদি ক্যন ভাল খারাপ করেন তাহলে তা আপনার দোষ। কে ভাল খারাপ দিসে তা জানার জন্য একটু ভাল করে চিন্তা করুন। আর আরো চিন্তা করুন ভাল কাজ করে আপনি এই পৃথিবীতে কি পাচ্ছেন? পরকালের টা নাহয় পরেই চিন্তা করুন।

      • পৃথিবী জুন 1, 2010 at 12:10 অপরাহ্ন - Reply

        @দ্যা রক্,

        সহজ ভাবে বলে দেয়া আছে তাদের দেখার ক্ষমতা সাধারণ মানুষের নেই।

        কেন? আমরা কি একইভাবে বলতে পারি না যে পাগলরা আসলে অলৌকিক ধীশক্তিসম্পন্ন মানুষ, তাদের জ্ঞান বুঝিনা বলেই আমরা তাদের উপহাস করি?

        আপনাকে ত চয়েস দেয়া আছে, ভাল আর খারাপ। কিন্তু আপনি তা না করে যদি ক্যন ভাল খারাপ করেন তাহলে তা আপনার দোষ। কে ভাল খারাপ দিসে তা জানার জন্য একটু ভাল করে চিন্তা করুন। আর আরো চিন্তা করুন ভাল কাজ করে আপনি এই পৃথিবীতে কি পাচ্ছেন? পরকালের টা নাহয় পরেই চিন্তা করুন।

        পুরোটাই আমার মন্তব্যের সাথে অপ্রাসঙ্গিক, তবুও আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি।

        ১) আপনার প্রশ্ন লাভ-ক্ষতির উপর নির্ভরশীল- পরকাল থাকলে ভাল মানুষী করা লাভজনক, নইলে এটা পুরাই লস। একটা কথা বলে রাখি, লাভ-ক্ষতির বিষয়টা একদমই ব্যক্তিনিষ্ঠ(subjective)। সত্য অথবা বাস্তবতা কখনও ব্যক্তিনিষ্ঠতা বা সাবজেকটিভিটি দিয়ে প্রকাশ করা যায় না। পরকাল যদি থেকে থাকে, তবে তার অস্তিত্ব লাভ-ক্ষতি নিরপেক্ষ হবে, অর্থাৎ, এর অস্তিত্ব নৈর্ব্যক্তিক হবে। পরকালের বাস্তবতা হল প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মত একটা “সামাজিক বাস্তবতা”। আমরা সবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে প্রধানমন্ত্রী হবে সর্বশক্তিমান, তাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্তমানে শেখ হাসিনাই সর্বশক্তিমান। এখন যদি একটা রিকশাচালক ও হাসিনাকে আমাজনের জঙ্গলে সম্পূ্র্ণ নিরস্ত্র করে ফেলে আসেন, তবে হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্ব তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনাকে মোটেই প্রভাবিত করবে না। সামাজিক বাস্তবতা জিনিসটা এমনই, মানব সমাজে এটি যথেষ্ট শক্তিমান হলেও প্রাকৃতিক আইনের জগতে এর কোন অস্তিত্ব নেই। পরকাল জিনিসটাও কেবল মানুষের সমাজেই অস্তিমান(আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, মানুষের মনের ভেতরে অস্তিমান), বস্তুজগতে এর কোন অস্তিত্ব নেই।

        ২) অস্তিত্বের বিষয়টা তো পরিস্কার করলাম, এখন আসি নৈতিকতার প্রসঙ্গে। আপনাদের ধার্মিকদের এই বস্তুটি আছে কিনা জানি না, তবে প্রত্যেক মানুষেরই(আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে) বিবেক থাকে। নৈতিকতা ও বিবেক যে একটা জৈবিক অবভাস(phenomenon), সেটা আমি এখানে বিস্তারিত বর্ণনা করতে চাচ্ছি না, মুক্তমনার সদস্য “অভিজিত” ও “অপার্থিব” এর লেখক আরকাইভটা চেক করলে আশা করি নৈতিকতার অবজেকটিভিটি সম্পর্কে অনেক প্রবন্ধ পাবেন। আমার এখনও মনে করে ছোটবেলায় এক গ্রীষ্মের দুপুরে ধানমন্ডীর “ময়ূরী” দোকানটির সামনে দাঁড়িয়ে কোক খাচ্ছিলাম আর এক ভিক্ষুক মার কোলের শিশুটি নীরবে আমার কোকের ক্যানটির দিকে তাকিয়ে ছিল। আমার খুবই ইচ্ছা করছিল বাচ্চাটিকে কোকের ক্যানটি দিয়ে দিই, কিন্তু আম্মু বকা দিতে পারে বলে দেই নাই(তখন খুব ছোট ছিলাম)। তখন আমার জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে চিন্তা করার বয়স ছিল না, কিন্তু তবুও লাভ-ক্ষতির চিন্তা না করে আমি কোকটি দিয়ে দিতে চাচ্ছিলাম। বিবেকের এরুপ তাড়না যারা অনুভব করেছে, কেবলমাত্র তারাই উপলদ্ধি করতে পারবে নৈতিকতার উদ্দেশ্য কি। এটা উপলদ্ধি করার বিষয়, অংক কষে আবিস্কার করার বিষয় না।

        • মিঠুন জুন 1, 2010 at 12:34 অপরাহ্ন - Reply

          @পৃথিবী,

          আমার এখনও মনে করে ছোটবেলায় এক গ্রীষ্মের দুপুরে ধানমন্ডীর “ময়ূরী” দোকানটির সামনে দাঁড়িয়ে কোক খাচ্ছিলাম আর এক ভিক্ষুক মার কোলের শিশুটি নীরবে আমার কোকের ক্যানটির দিকে তাকিয়ে ছিল। আমার খুবই ইচ্ছা করছিল বাচ্চাটিকে কোকের ক্যানটি দিয়ে দিই, কিন্তু আম্মু বকা দিতে পারে বলে দেই নাই(তখন খুব ছোট ছিলাম)। তখন আমার জান্নাত-জাহান্নাম নিয়ে চিন্তা করার বয়স ছিল না, কিন্তু তবুও লাভ-ক্ষতির চিন্তা না করে আমি কোকটি দিয়ে দিতে চাচ্ছিলাম। বিবেকের এরুপ তাড়না যারা অনুভব করেছে, কেবলমাত্র তারাই উপলদ্ধি করতে পারবে নৈতিকতার উদ্দেশ্য কি। এটা উপলদ্ধি করার বিষয়, অংক কষে আবিস্কার করার বিষয় না।

          :yes:
          তোমার মত অবস্থায় আমিও পড়েছি অনেকবার। এবং আমার হাতে থাকা খাবারের প্যকেটটি দিয়ে দিতে একটুও দ্বিধা করিনি। এ যে কতবড় মানসিক প্রশান্তি!!- যারা বেহেস্তের লোভে ভাল কাজ করে, তাদের জন্য সত্যিই দু:খ হয়, তারা এই প্রশান্তির স্বাদ কখনও পায়না, কোথাও পাবেও না-বেহেস্ত তো কোন ছাড়!!!

          • দ্য রক্ জুন 29, 2010 at 12:02 অপরাহ্ন - Reply

            @পৃথিবী, হুম‍!! আপনি ঠিক বলেন্নাই। একবার বলুনত আসলে কেন এই প্রশান্তি? যেকেউ তার হাতের খাবার দিয়ে দিতে পারে। তবে সে মৌলভী না।

        • দ্যা রক্ ফেব্রুয়ারী 1, 2013 at 10:05 অপরাহ্ন - Reply

          @পৃথিবী, আপনি কতটুকু সিওর যে বস্তুজগতে এগুলো বিদ্যমান নয়? আপনি কতটুকু মাটির নিচে বা আকাশের বাইরে দেখতে পান? আপনার দেখার ক্ষমতা কি অসীম?
          “ধরুন আমরা প্রায় সবাই জানি পানি হলো H2O, আপনি একগ্লাস পানি নিন আর বলুন তো? ওই গ্লাসে কি শুধু H2O ই রয়েছে”?

          বিবেকের তাড়নার কথা বলছেন?
          কয়জন মানুষ পাবেন আত্নপ্ররোচনায় বিবেক জাগ্রত হয়? জ্ঞান অর্জনের জন্য রয়েছে বই পুস্তক। আপনার জীবন চালানোর জন্য কি আছে?

      • মিঠুন জুন 1, 2010 at 12:22 অপরাহ্ন - Reply

        @দ্যা রক্,

        আর আরো চিন্তা করুন ভাল কাজ করে আপনি এই পৃথিবীতে কি পাচ্ছেন? পরকালের টা নাহয় পরেই চিন্তা করুন।

        ভাই রক, কিছু পাওয়ার আশায় ভাল কাজ করার চিন্তা আপনি করতে পারেন, কারন আপনার ঈশ্বর আপনার সামনে একটি মূলা ঝুলিয়ে দিয়েছে যার আশায় আপনি ভাল কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু ওভাবে কোন কিছুর আশায় ভাল কাজ করা আমার কাছে চরম পাপ। ইহকালেই কোন কিছুর আশায় কোন ভাল কাজ করি না আমি, পরকাল তো বহুদ দূর কি বাত!!!

        আর আপনি মনে হচ্ছে, পরকালের পুরস্কারের ঘোষনা না দেয়া থাকলে কোন ভাল কাজই করতেন না।
        তাহলে বলুন, এই ভাবে ভাল কাজ করার জন্য আপনার শ্রদ্ধা প্রাপ্য না ঘৃনা প্রাপ্য?

        • আদিল মাহমুদ জুন 1, 2010 at 5:57 অপরাহ্ন - Reply

          @মিঠুন,

          নুতন শিক্ষানীতি কাল দেখলাম জোড়াতালি করে মন্ত্রীসভা পাশ করিয়েছেন। ধরি মাছ না ছুই পানি মনে হল, সব পক্ষকেই খুশী করার নগ্ন চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।

          ধর্মনিরপেক্ষতায় বিএনপি / ৪ দল আপত্তি করেছে বলে সেটাকে “অসাম্প্রদায়িক চেতনা” দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

          নৈতিকতা সম্পর্কে কি শিক্ষা দেওয়া হবে দেখুনঃ

          “ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা: খসড়া শিক্ষানীতিতে নৈতিক শিক্ষার প্রসঙ্গ উল্লেখ ছিল না। কিন্তু চূড়ান্ত শিক্ষানীতিতে নৈতিক শিক্ষা সম্পর্কে একটি অনুচ্ছেদ রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘নৈতিকতার মৌলিক উৎস ধর্ম। তবে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং দেশজ আবহও গুরুত্বপূর্ণ উৎস। নৈতিকতার শিক্ষার ক্ষেত্রে এসব বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করে নৈতিক শিক্ষাদান পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে।’

          তাহলে বোঝেন, ধর্মই হল নৈতিকতার মৌলিক ভিত্তী এই কথাটা কচি বয়স থেকেই মানুষকে শেখানো হবে। দয়া করে বা নেহায়েত চক্ষুলজ্জার খাতিরে মনে হয় “একমাত্র” ভিত্তী না বলে “মৌলিক” উৎস বলা হচ্ছে।

        • দ্য রক্ জুন 29, 2010 at 11:55 পূর্বাহ্ন - Reply

          @মিঠুন, আমি আপনি যদি আরেকজনের ভাল করেন। আপনি কি মনে একটু হলেও শান্তি পান্না?
          আমাদের মনে শান্তি নেই কারণ আম্রা নিজের শান্তির জন্য ভাবি। কিন্তু আরেকজনের শান্তি আম্রা কয়জন চাই? কিন্তু আম্রা তো এখনো এটাই বুঝতে পারিনি যে আমার চারপাশের সবাই শান্তিতে থাকলেই আমার শান্তি। যা কিনা ছিল ইসলামের মুল লক্ষ। ইসলাম অর্থ ই শান্তি।

          • অর্ফিউস ফেব্রুয়ারী 1, 2013 at 10:57 অপরাহ্ন - Reply

            @দ্য রক্,

            ইসলাম অর্থ ই শান্তি।

            এই কথা কোথায় পেলেন যে ইসলাম অর্থই শান্তি?ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পন।

            • দ্যা রক্ ফেব্রুয়ারী 2, 2013 at 12:24 পূর্বাহ্ন - Reply

              @অর্ফিউস, এই মন্তব্য টি তিন বছর আগের… ইসলাম অর্থ আত্ন সমর্পন।

              • অর্ফিউস ফেব্রুয়ারী 2, 2013 at 9:08 অপরাহ্ন - Reply

                @দ্যা রক্, ওহ খুব বিস্ময়কর।আমি যেদিন উত্তর দিলাম সাল টা ২০১৩ দেখাচ্ছিল।আজকে ২০১০ দেখাচ্ছে। খুবই বিস্মিত আমি।এবং দুঃখিত এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য।

      • Niloy জানুয়ারী 25, 2013 at 1:48 অপরাহ্ন - Reply

        @দ্যা রক্, জান্নাত লাভের আশায় যারা দুঃস্থদের দান করে তারা কি আসলে দান করে না কি বিনিয়োগ করে ?

        • দ্যা রক্ ফেব্রুয়ারী 1, 2013 at 9:58 অপরাহ্ন - Reply

          @Niloy, জান্নাত লাভের আশায় যারা দুস্থদের দান করেন… তারা যদি বিনিয়োগ করে থাকে.. তাতেও বা ক্ষতি কি? প্রশান্তি তো ঠিকই থাকে।
          কিন্ত বাস্তবিক ভাবে লাভবান কে তাহলে?

          যদি ধর্ম দান করার কথা না বলতো? কয়জন যেঁচে পড়ে দান করতে যেতো?

  5. আল্লাচালাইনা মে 28, 2010 at 11:49 অপরাহ্ন - Reply

    @ভবঘুরে, মুহম্মদকে ডায়াগনোস করার প্রক্রিয়াটা ভালো লগেছে। এক কাজ করেন না কেনো, এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে তার মডিকেল কমডীশন সম্পর্কে একটা বিস্তারিত লেখা লিখে ফেলুন। অবশ্যই আমি জানি দেড় হাজার বছর আগে মৃত একজন মানুষকে ডায়াগনোস করার জন্য পর্যাপ্ত তথ্য আমাদের কাছে নেই, তারপরও তার সমস্যাগুলো কি কি ছিলো সেটা নিয়ে কিছু অনুমান করার মতো তথ্য আমাদের রয়েছে। সহায্য প্রয়োজন হলে দেখতে পারেন বর্তমান সময়ে পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন নিউরোলজিস্ট ভি এস রামাচন্দ্রনের ফ্যান্টম ইন দ্যা ব্রেইন সিরিজটি যা কিনা বিবিসির জন্য বানিয়েছিলেন তিনি। সবগুলো এপিসোডই দেখুন। httpv://www.youtube.com/watch?v=sq6u4XVrr58
    রামাচন্দ্রন এমন কিছু মানসিক সমস্যা ডায়াগনস করতে সফল হন পূর্বে অস্বস্তির কারণে যা কিনা বিজ্ঞানীরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন। সবগুলো এপিসোড দেখে এটা আপনি অনুধাবন করবেন আমি নিশ্চিত কেনো মানুষ ঈশ্বর-ফিশ্বর ইত্যাদি করে এর প্যাথলজি। তবে দুঃখিত এটার প্যাথলজি আপনি জানবেন না কেনো অন্যান্য মানুষ এইসব পাগলামী-ছাগলামী কেনে। :laugh:

  6. আদিল মাহমুদ মে 28, 2010 at 7:04 অপরাহ্ন - Reply

    কোরানের শেষের দিকের কোন আয়াত কেন প্রথম নাজিল হল তার একটা ভাল ব্যাখ্যা আসলেই প্রয়োযন। ফারুক সাহেব দেখেছি বেশ কিছু ব্যাতিক্রমধর্মী যুক্তি/ তথ্য দিতে পারেন, দেখি উনি কিছু আলোকপাত করতে পারেন কিনা।

    লোহে মাহফুজে সম্পূর্ন কোরান রক্ষিত আছে, এমনকি পুরো নাজিল হবার আগে থেকেই ছিল এসব তথ্যের সূত্র কি? কোরান নাকি হাদীস?

    • যাযাবর মে 28, 2010 at 9:34 অপরাহ্ন - Reply

      @আদিল মাহমুদ,

      লোহে মাহফুজে সম্পূর্ন কোরান রক্ষিত আছে, এমনকি পুরো নাজিল হবার আগে থেকেই ছিল এসব তথ্যের সূত্র কি? কোরান নাকি হাদীস?

      কুরান। দেখুন আয়াতঃ ৮৫.২১-২২
      (না, এটাই হল মহিমাময় কুরান, যা লওহে মাহফুযে আছে।)

    • আনাস মে 28, 2010 at 9:36 অপরাহ্ন - Reply

      @আদিল মাহমুদ,

      بَلْ هُوَ قُرْآنٌ مَّجِيدٌ

      বরং এটা মহান কোরআন, ৮৫:২১

      فِي لَوْحٍ مَّحْفُوظٍ

      লওহে মাহফুযে লিপিবদ্ধ। ৮৫:২2

      লওহে মাহফুজের বর্ণনা।

      মহাগ্রন্থ আল কুরান সংরক্ষিত আছে লওহে মাহফুজে। যেটি সকল প্রকার শয়তানের সংস্পর্শ থেকে মুক্ত। যার দৈর্ঘ আসমান ও যমিনের মধ্যবর্তী দুরুত্ব এবং প্রস্থ পূর্ব পশ্চিম পর্যন্ত। যেটি সাদা মুক্ত দারা তৈরী। ইবনে আব্বাস এর বর্ণনা।

      সুত্রঃ তাফসিরে জালালাইন।

      • আদিল মাহমুদ মে 28, 2010 at 9:54 অপরাহ্ন - Reply

        @আনাস/যাযাবর,

        ধন্যবাদ।

        তবে সেই কোরানের মাষ্টার কপি মানুষের কাছে কোরান পুরো নাজিল হবার আগে থেকেই সেখানে রক্ষিত আছে কিভাবে জানা যায়? এমন কি হতে পারে না যে মানুষের কাছে পুরো নাজিল হবার পর সেখানে রাখা হয়েছে?

        • আতিক রাঢ়ী মে 29, 2010 at 1:46 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আদিল মাহমুদ,

          আপনার জন্য এত মায়া হয় মাঝে মাঝে। হারাধনের ছেলেদের মত রইলো বাকি এক, শুধু কোরান। একমাত্র মাথা গোঁজার ঠাই। তাতে আবার পুরো শরীর ঢাকে না।

          এমন কি হতে পারে না যে মানুষের কাছে পুরো নাজিল হবার পর সেখানে রাখা হয়েছে?

          আপনার কি মনে হয় না সেরকম হলে ঘোষনাটা কোরানের শেষ শুরায় আসা উচিৎ। :-/

          • আদিল মাহমুদ মে 29, 2010 at 2:14 পূর্বাহ্ন - Reply

            @আতিক রাঢ়ী,

            🙂

            ভাল বলেছেন, আসলে আমার নিজেরই নিজের জন্য মায়া লাগে, আপনাকে আর কি বলব। মানুষের কচি বয়সে যে বয়সে কোন যুক্তিপ্রমান ছাড়াই ময় মুরুব্বীদের কথা বিনা প্রশ্নে মেনে নেবার সময় সেই সময়টায় মনে যা গেড়ে দেওয়া হয় তা কাটিয়ে ওঠা সোজা ব্যাপার নয়। আমার বেহেশতের লোভ তেমন না লাগলেও দোযখের ভয় ষোল আনাই আছে। বিশ্বাস করি বলে যদি কোনভাবে দোযখের আঁচ থেকে বাঁচা যায় তো মন্দ কি বলেন। হাজার হোক ভেতো বাংগালী বলে কথা। আমি এখন নিশ্চিত জানি যে মানুষকে যদি ছোটবেলায় ধর্মবিষয়ক কোন কেচ্ছাকাহিনী শিক্ষা না দিয়ে প্রাপ্ত বয়স হবার পর সব ধর্মীয় বই পুস্তক পড়ে নিজের ইচ্ছেমত কোন ধর্ম পছন্দ করার বা কোন ধর্মই না গ্রহ্ন করার তাহলে মনে হয় জগতে ধার্মিকের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যেত।

            কোরান সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা হয়েছে, তবে তাও মনে হয় কোন ভুল হচ্ছে না তো? মতের তো শেষ নেই, জানতে দোষ কি? সব সম্ভাবনাই চিন্তা করে দেখি না?

            • আতিক রাঢ়ী মে 29, 2010 at 1:03 অপরাহ্ন - Reply

              @আদিল মাহমুদ,

              আপনাকে আমি বুঝি। এই অবস্থা আমাকেও পার হয়ে আসতে হয়েছে। কাজটা আমার জন্যও সহজ ছিলোনা। মাদ্রাসায় না গেলেও, বাবা মাদ্রাসাকে বাসায় আনার ব্যাবস্থা করেছিলেন।বাসায় হুজুর পড়াতে আসতেন। ছোটবেলায় দাদাজানের হাত ধরে মসজিদে যেতাম। সবেবরাতে নামাজ না পড়লেও সারা রাত জাগতাম, কোরবানীর গরু কিনতে যেতাম। নামাজ পড়তে দেখলে সবাই ভাল ছেলে বলতো। আসলে সহজ ছিলোনা আমার জন্যও।

              ক্লাস সিক্সে পড়ার সময় বাবার বদলির সুবাদে চলে যাই ঝিনাইদহ জেলায়। প্রথম কোন হিন্দু ছেলের দেখা পাই এবং সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু হয়ে যায় সে। নাম তার বিশ্বজিৎ। আমি ওদের পরিবারের বন্ধু হয়ে যাই। আমি আগে থেকেই জানতাম ওরা দোজখে যাবে। কিন্তু যখন দেখলাম ফুটবল খেলায় হেরে গিয়ে আমরা দুজনেই কাঁদছি, জিতে গেলে উল্লাসে ফেটে পড়ছি একইভাবে তখন মনে হলো এটা অন্যায়। কারন ধর্ম কেউ নীজে বেছে নেয় না।

              তারপরের কাজটা করেছে সাহিত্য। রবীন্দ্রনাথের গোড়া পড়ার পরে এই ধারনা আরো মজবুত হলো। এগুলো আমাকে অসাম্প্রদায়িক হইয়ে উঠতে সাহায্য করেছে।

              তারাশংকরের কবি পড়ে প্রথম সাহস হলো ঈশ্বরকে প্রশ্ন করার। আমার মনে গভীর দাগ কেটেছিলো এই উপন্যাসটি। পতিতাদের সৎকার করার নিয়ম নেই।
              কিন্তু কবির ভালবাসার সংগীটির অকাল মৃত্যু হলে গানের দলের কেউ যখন পাপের ভয়ে তাদের সবার প্রিয় মেয়েটির সৎকার করতে রাজী হচ্ছিলোনা তখন কবি একাই তার মৃত দেহটি সৎকার করে ফিরে আসলে, সবাই কবিকে প্রশ্ন করেছিলো – এটা তুমি কি করলা – ঈশ্বর যখন প্রশ্ন করবে তখন কি জবাব দিবা ? কবি বলছিলো কোন জবাব দিব না- মাথাটা নীচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকব।

              এই প্রথম মনে হলো, ঈশ্বরের কাজেরও প্রতিবাদ করা যায়। সেই থেকে প্রশ্ন করা শুরু। তারপর এক সময় নিশ্চিৎ হলাম ঈশ্বর হয়তো আছেন কিন্তু তার সথে কোন গ্রন্থের সম্পর্ক খুবই সীমিত। আমার মনে হয় সবচেয়ে জরুরী ব্যাপার হচ্ছে এই প্রশ্ন করতে পারার সাহসটা জোগান।

              • আদিল মাহমুদ মে 29, 2010 at 6:40 অপরাহ্ন - Reply

                @আতিক রাঢ়ী,

                আপনার পরিবর্তন নিয়ে তো ভাল একটা লেখা লিখে ফেলতে পারেন। আমারটা নিয়ে আমি লিখছি।

                ট্রানজিশন ষ্টেজ সবসময়ই কঠিন। দুপক্ষের যুক্তি তর্কই মনে খেলা করতে থাকে। তবে আমি ঘটা করে নিজেকে ধার্মিক আস্তিক নাস্তিক এসব লেবেল মারতে তেমন আগ্রহ বোধ করি না। নিজের বিবেচণায় যা ভাল মনে হয় তাকে ভাল বলব, যা মন্দ মনে হয় তাকে মন্দ বলব। কোন ধর্মগ্রন্থের বর্ণিত কোন ঈশ্বর বা দেবদেবীর পক্ষে বিপক্ষে গেল কিনা তা আমার বিবেচ্য নয়।

                ঈশ্বর আসলেই থেকে থাকলে তিনি নিশ্চয়ই অমানবিক উদ্ভট নিয়ম নীতি জারি করবেন না। এর চেয়ে বড় সার্টিফেকেট ঈশ্বরের হতে পারে না। এই নীতির আলোকেই আমি ঈশ্বরকে বিবেচণা করি। যেখানেই মনে হয় এই নিয়মতের বাত্যয় ঘটছে, ধরে নেই যে ঈশ্বরের দোহাই পাড়ার মাঝে কোন ফাঁক আছে।

                তারপর এক সময় নিশ্চিৎ হলাম ঈশ্বর হয়তো আছেন কিন্তু তার সথে কোন গ্রন্থের সম্পর্ক খুবই সীমিত। আমার মনে হয় সবচেয়ে জরুরী ব্যাপার হচ্ছে এই প্রশ্ন করতে পারার সাহসটা জোগান।

                আমারও মনে হয় দ্বিতীয় বাক্যটি অতিগুরুত্বপূর্ন। প্রতিটা প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মই উদারতার ভান করলেও আসলে কোনদিন চায় না মানুষ মুক্তমনে সংশয় প্রকাশ করুক। ঈশ্বরকে বিনা প্রমানে বিশ্বাস করতে হবে – এই ধারনাকে পুজি করে ধর্মের নামে যাবতীয় আবর্জনা হালাল করিয়ে নিতে চায়। এখানেই ধর্মের সাথে সভ্যতার গোল বাধে।

        • আনাস মে 29, 2010 at 10:56 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আদিল মাহমুদ,

          আপনি হয়ত এটা ভাবতে চাইছেন যে কুরান অবতীর্ণ হবার পূর্বে না হয়ে পরে হয়ত সেখানে সংরক্ষন করা হয়েছে। অথবা পুরোটা এক সাথে করা হয়নি। যখন যে অংশ নাযিল হয়েছে তখন তা সেখানে লিখা হয়েছে। ঘটনা যাই হোক। কুরান অবতীর্ণের আগেই সেটা কোথাও সংরক্ষিত ছিল। যেমনটা ফারুক ভাই বলেছেন, যে আল্লাহর পক্ষে সব কিছুই জানা সম্ভব। মূলত কুরান অবতীর্ণ করা হয়েছে, এ কথা বলতে গিয়ে মুহাম্মাদ যে শব্দ ব্যাবহার করেছেন সেটা হল “তানজীল” “ইনজাল” “নুজুল” “নাজ্জালা”। এ শব্দগুল তখনি ব্যাবহার করা হয় যখন পূর্বে অস্তিত্বশীল কোন বস্তু থেকে কোন কিছু পাঠানো হয়। যেমন সুরা কদরে ফেরেশ্তাদের অবতীর্ণের কথা বলা আছে।

          লওহে মাহফুয মুলত একটা বর গ্রন্থ। গ্রন্থের ধারনা আপনি মুসার টেবলেট বা সিমেন্টের একটা ফলকের সাথে তুলনা করতে পারেন, অথবা সাধারণ বই ও ভাবতে পারেন। এটাতে জগতের সমস্ত কিছু, যা ঘটেছে, এবং ঘটবে তা লিখা আছে। আরবীতে লওহে মাহফুযকে উম্মুল কিতাবও বলা হয়।

          প্রাসংগিক আয়াত সমুহঃ

          তুমি কি জান না যে, আল্লাহ জানেন যা কিছু আকাশে ও ভুমন্ডলে আছে এসব “কিতাবে লিখিত আছে”। এটা আল্লাহর কাছে সহজ। ২২:৭০

          শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের, আমি একে করেছি কোরআন, আরবী ভাষায়, যাতে তোমরা বুঝ। নিশ্চয় এ কোরআন আমার কাছে সমুন্নত অটল রয়েছে লওহে মাহফুযে। ৪৩:(২-৪)

          বস্তুতঃ যে কোন অবস্থাতেই তুমি থাক এবং কোরআনের যে কোন অংশ থেকেই পাঠ করা কিংবা যে কোন কাজই তোমরা কর অথচ আমি তোমাদের নিকটে উপস্থিত থাকি যখন তোমরা তাতে আত্ননিয়োগ কর। আর তোমার পরওয়ারদেগার থেকে গোপন থাকে না একটি কনাও, না যমীনের এবং না আসমানের। না এর চেয়ে ক্ষুদ্র কোন কিছু আছে, না বড় যা এই “প্রকৃষ্ট কিতাবে নেই”। ১০:৬১

          তাঁর কাছেই অদৃশ্য জগতের চাবি রয়েছে। এ গুলো তিনি ব্যতীত কেউ জানে না। স্থলে ও জলে যা আছে, তিনিই জানেন। কোন পাতা ঝরে না; কিন্তু তিনি তা জানেন। কোন শস্য কণা মৃত্তিকার অন্ধকার অংশে পতিত হয় না এবং কোন আর্দ্র ও শুস্ক দ্রব্য পতিত হয় না; কিন্তু তা সব “প্রকৃষ্ট গ্রন্থে রয়েছে”। ৬:৫৯

          আরো উল্লেখ করা যেত। তবে সেটা অপ্রয়োজনীয়।

          তবে যারা হাদিসের বিরধীতা করে, তারা একই যুক্তিতে কুরানের বিরধীতা কেন করেন না। তা বুঝে আসে না। কুরান যেভাবে সংরক্ষিত হয়ে এসেছে, ঠিক একই ভাবে হাদিস শাস্ত্র সংরক্ষিত হয়েছে। কেউ বড়জ়োর এটা বলতে পারে যে কিছু হাদিস দুর্বল। এবং তা নির্ণয়ের জন্য পদ্ধতিও রয়েছে। হাদিস অসীকার কারীদের এ যুক্তিটা অত্যন্ত দুর্বল যে হাদিস লিখতে আল্লাহর রাসুল বলেননি। আল্লাহর রাসুল কুরানও লিখতে বলেননি। তবে হাদিস বাদেই কুরানেও অনেক অমানবিক ব্যাপার রয়েছে, যেসব আজকের মানবিকতাবোধের সাথে সাংঘর্ষিক।

      • ব্রাইট স্মাইল্ মে 28, 2010 at 10:00 অপরাহ্ন - Reply

        @আনাস,

        মহাগ্রন্থ আল কুরান সংরক্ষিত আছে লওহে মাহফুজে।

        লওহে মাহফুজ ব্যাপারটাই আমার কাছে রহস্য। যাহা হউক, লওহে মাহফুজে সংরক্ষিত কোরান পাবার কি কোন উপায় আছে?

        • ভবঘুরে মে 28, 2010 at 10:46 অপরাহ্ন - Reply

          @ব্রাইট স্মাইল্,
          উপায় আছে। আপনি জে এম বি , তালেবান বা আল কায়েদা যে কোন একটি দলে যোগ দিন। জান্নাত আপনার জন্যে একেবারে নিশ্চিত। তখন আপনি লাওহে মাহফুজের কোরান মন ভরে দেখতে পাবেন, চাই কি হাতে নিয়ে পড়তেও পারবেন।

          • ব্রাইট স্মাইল্ মে 29, 2010 at 2:47 পূর্বাহ্ন - Reply

            @ভবঘুরে,

            জান্নাত আপনার জন্যে একেবারে নিশ্চিত।

            কিন্তু জান্নাতে যাওয়ার পর আমারতো আর কোরানের দরকার নাই। তখনতো আমার পরীক্ষা পাশ হয়ে গেছে। আমি চাই এই জগতে লাওহে মাহফুজের খাঁটি কোরান যা অনুসরন করলে আমার পরীক্ষা পাশ কেউ ঠেকাতে পারবেনা।

    • ফারুক মে 28, 2010 at 10:50 অপরাহ্ন - Reply

      @আদিল মাহমুদ,

      কোরানের শেষের দিকের কোন আয়াত কেন প্রথম নাজিল হল তার একটা ভাল ব্যাখ্যা আসলেই প্রয়োযন। ফারুক সাহেব দেখেছি বেশ কিছু ব্যাতিক্রমধর্মী যুক্তি/ তথ্য দিতে পারেন, দেখি উনি কিছু আলোকপাত করতে পারেন কিনা।

      এর উত্তর দিতে গেলে তো আজগুবি হাদীসগুলো যে সত্য তা মেনে নিতে হয়। আমি তো হাদীস মানিনা। আর যা মানিনা তার ব্যাখ্যা কেমনে দিব?

      আল্লাহ যেহেতু অতীত ও বর্তমানের মতো ভবিষ্যত জানেন , তাই আগে থেকেই পুরো কোরান লিখে সংরক্ষন করা আল্লাহর জন্য অসম্ভব কিছু নয়।
      লোহে মাহফুজ কোন জায়গার নাম নয়। লোহে মাহফুজ অর্থ –
      In a tablet, preserved
      The Monotheist Group 85:22 In a tablet, preserved.
      Muhammad Asad 85:22 upon an imperishable tablet [inscribed].11
      Rashad Khalifa 85:22 In a preserved master tablet.

      • ভবঘুরে মে 29, 2010 at 10:00 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ফারুক,
        কিন্তু ভাই ফারুক , আপনি তো আমাদের একটা প্রশ্নেরও জবাব দেননি। আপনি কি আসলে নিবন্ধটি পড়েছেন ভালভাবে , নাকি না পড়েই মন্তব্য করছেন? অবশ্য এটাও আপনাদের একটা অপকৌশল। কোন প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে বা দিতে না পারলে সুকৌশলে তা এড়িয়ে গিয়ে ভিন্ন প্রসঙ্গ অবতারনা করে গোটা বিষয়কেই জগাখিচুড়ী করে ফেলা। সে যাইহোক আমি আবারও প্রশ্নগুলো করেই ফেলি- ফিরিস্তা কি কোন ট্যাবলেট নিয়ে এসে মোহাম্মদের সামনে ধরেছিলেন নাকি যে তিনি পড়–ন বলে শুরু করেছিলেন? যদি তাই করে থাকেন তাহলে পরবর্তী সূরাগুলো শুনুন বা বলুন এভাবে শুরু হয় কিভাবে ? তার মানে ফিরিস্তা পরে আর ট্যাবলেট আনে নি। কেন আনেনি? প্রথমেই বা আনার দরকার কি ছিল? নাকি সব কিছুই গাজাখুরি ? নিশ্চয়ই আপনি পড়–ন ক্রিয়াপদকে শুনুন বা বলুন ক্রিয়াপদের সাথে একসাথে মিশাবেন না । নাকি আরবিতে ওসব ক্রিয়াপদের অর্থই এক? যদি তাই হয়, তাহলে তো আরবি ভাষা নিতান্তই একটা অনুন্নত ভাষা। আপনি প্লিজ টু দি পয়েন্টে উত্তর দিবেন যাতে আমাদের মানুষের একটু হেদায়েত হয়। নইলে আপনি খামোখাই মন্তব্য করেন বলে ধরে নেব।

        • ফারুক মে 29, 2010 at 7:04 অপরাহ্ন - Reply

          @ভবঘুরে,সত্যি কথা বলতে , আপনার এই পোস্টে কোন জবাব বা কমেন্ট করার ইচ্ছা আমার ছিল না। আদিল মাহমুদ আমার নাম উল্লেখ করে কমেন্ট করায় , শুধু উনার প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছি।

          আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তর আমি জানি না। দুঃখিত।

          ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

মন্তব্য করুন