বিজ্ঞানময় আসমানী কিতাব কোরান, পর্ব -৩

By |2010-04-04T18:40:43+00:00এপ্রিল 4, 2010|Categories: দর্শন, ধর্ম, বিজ্ঞান, বিতর্ক|100 Comments

প্রসঙ্গ: জাকির মিয়ার কোরানিক বিজ্ঞান

এ পর্বে আমি মূলত: জাকিরিয় কোরানিক বিজ্ঞানের ব্যপারে আলোকপাত করেছি কারন মনে হয়েছে অনেকেরই জানা দরকার তিনি কোরান থেকে কি কি বিজ্ঞানের তত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন তার আবিষ্কারের মধ্যে অসারতা কোথায়। কারন অনেক নিরীহ প্রকৃতির লোক এই লোকটির ফাদে পড়ে ভয়ংকর রকম উগ্রবাদী ধার্মিক বা সন্ত্রাসী হয়ে উঠছে বলে আমার যথেষ্ট বিশ্বাস জন্মেছে।

তত্ত্ব-১। মহাবিশ্ব একটা বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-
অবিশ্বাসীরা কি দেখে না আকাশ ও ভুমন্ডল একত্র ছিল, পরে আমরা উভয়কে পৃথক করলাম। ২১ঃ ৩০

জাকির নায়েকের দাবি উক্ত সূরা দ্বারা বিগ ব্যাং এর কথা বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ আগে সব কিছু একসাথে ছিল পরে তা বিস্ফোরিত হয়ে মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে এটাই এ সুরাতে বলা হয়েছে বলে তার দাবি। এবারে পুরো সূরাটি দেখা যাক-

অবিশ্বাসীরা কি দেখে না আকাশ ও ভুমন্ডল একত্র ছিল, পরে আমরা উভয়কে পৃথক করলাম এবং পানির দ্বারা জিন্দা বস্তু পয়দা করিয়াছি। ২১ঃ ৩০

বাক্যটি পড়ে যা বোঝা যাচ্ছে যে- এক সময় জমীনের সাথে আকাশ সমূহ আটকে ছিল। কেমনে সেটা ? কোরান বলছে আকাশ হলো সাত টি । তার মানে সমতল জমিনের ওপর সাতটি আকাশ একের ওপর একটি সজ্জিত ছিল অনেকটা আমরা যেমন অনেকগুলো ঢেউ টিন মাটির ওপর একটির ওপর একটি সাজিয়ে রাখি। আর এ থেকে কিন্তু খুব পরিষ্কার হয়ে যায় যে এসব আসমানসমূহ ছিল কঠিন পদার্থের তৈরী। কঠিন পদার্থের তৈরী না হলে জমিনের সাথে আসমান একসাথে ছিল একথাটা অর্থহীন হয়ে যায়।এটাই হলো কোরানের আসল বক্তব্য। সর্বনিম্ন আসমান যে কঠিন একটা ছাদ হিসাবে আমাদের জমিনে বসবাসরত আদম সন্তানদেরকে রক্ষা করছে তা কিন্তু আগে ১ম পর্বে ভালমতো বোঝানো হয়েছে(৭৯ঃ২৭-৩০,২ঃ২২,১৩ঃ২)।এখন আল্লাহ দয়া করে জমিন থেকে সাতটি আকাশকে ঠেলে উপরে তুলে দিয়েছেন। আবার একটি আসমান থেকে অন্য আসমান পৃথক করে নির্দিষ্ট দুরত্বে একটির ওপর একটিকে বসিয়ে দিয়েছেন। এতে সর্বনিম্ন আসমান থেকে জমীন পর্যন্ত যা আমাদের কাছে দৃষ্ট হয় তাই হলো আমাদের জানা মহাবিশ্ব।সর্বনিম্ন আসমানের ওপর আর যে ছয়টা আসমান নির্দিষ্ট উচ্চতায় আল্লাহ স্থাপন করেছেন, প্রত্যেকটা আসমান হলো এক একটা বেহেস্ত এবং বলাবাহুল্য সর্বনিম্ন আসমানের কারনে আমরা তাদেরকে দেখতে পারি না। জমীনের ওপর আমরা আদম সন্তানরাসহ অনেক জীবিত প্রানি ( যাদেরকে পানি থেকে পয়দা করা হয়েছে) হাজির নাজির আছি, আর আছে পাহাড় পর্বত, মরুভূমি, বন-জঙ্গল, সাগর নদী ইত্যাদি। আর সর্বনিম্ন আসমানের নিচে ঝুলে আছে প্রদীপ স্বরূপ অসংখ্য নক্ষত্র। তার নিচে সূর্য ও চাদের চলাচলের জন্য কক্ষপথ আছে যে পথে তারা ঘুরে মরছে। এরি মধ্যে আবার ছুটন্ত তারা আছে যাদেরকে আল্লাহ শয়তানদেরকে শায়েস্তা করার জন্য ক্ষেপনাস্ত্র স্বরূপ মোতায়েত রেখেছেন।এটাই হলো কোরানে বর্নিত আল্লাহ কর্তৃক সৃষ্ট আসমান জমিন তথা মহাবিশ্ব। আল্লাহ বলছেন- আমি জমিন থেকে পৃথক করে আসমান সমূহকে উপরে স্থাপন করেছি।এজন্য অবিশ্বাসীরা জমিনে বাস করতে পারছে। এসব দেখেও কেন তারা আমাকে অবিশ্বাস করে?

তো যাই হোক, উপরোক্ত সূরা থেকে জাকির নায়েক বিগ ব্যাং আবিষ্কার করেছেন আর বলা বাহুল্য বিগ ব্যাং এর পরবর্তী অনুসঙ্গ সম্প্রসারনশীল মহাবিশ্বের ধারনা তাও কোরানে বর্নিত আছে বলে জাকির সাহেব দাবী করেছেন। এখন সম্প্রসারিত মহাবিশ্বকে স্বীকার করে নিলে যে সমস্যা হয় তা হলো- সম্প্রসারনের সাথে সাথে সর্বনিম্ন আকাশ সহ বাকী ছয়টি আকাশ ভেঙ্গে টুকরা টুকরা হয়ে যাবে তথা ধ্বংস হয়ে যাবে যা আমি আগের পর্বে বলেছি।সেক্ষেত্রে কোন আসমান তথা বেহেস্তই অবশিষ্ট থাকবে না ফলে মুসলমানরা(তাও শুধুমাত্র পুরুষরা) মরার পর কোন্ বেহেস্তে গিয়ে হুর দের সাথে মজা ফুর্তি করবে সেটা একটা বিশাল সমস্যা হয়ে দাড়ায়। জাকির নায়েক এখানে সত্যি সত্যি তার কোরানের মহাবিশ্ব তত্ত্ব নিয়ে আমাদের সাথে বিরাট একটা জোক করেছেন বলেই মনে হচ্ছে।

জাকির সাহেব তার এ তত্ত্বকে সমর্থন করতে যেয়ে নিচের সূরা উল্লেখ করেছেন-

অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্র কুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। তারা বলল আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।৪১ঃ১১

তো জাকির নায়েক বলছেন- এ দ্বারা আল্লাহ আদি অবস্থার বিবরন দিচ্ছেন যা ছিল ধুম্রময় তথা গ্যাসীয়।কথাটা কিন্তু একশ ভাগ খাটি। কিন্তু যে খাটি বিষয়টি তিনি কৌশলে এড়িয়ে যেতে চেয়েছেন তা হলো- সৃষ্টির শুরুতেই যে পৃথিবী সৃষ্টি হয়নি বরং সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১০০০ কোটি বছর পর তা। মহাবিশ্বের বয়স আনুমানিক ১৫০০ কোটি বছর। এর পর প্রথম প্রজন্মের তারকারা সৃষ্টি হয়েছিল। সেসব তারকাদেরই একটি তার জীবনকাল শেষ করার পর তা থেকে নিসৃত ধুলি , গ্যাস বা পদার্থ থেকে সৃষ্টি হয়েছে দ্বিতীয় প্রজন্মের তারা। বিজ্ঞানীরা নিঃসন্দেহ হয়েছেন আমাদের সূর্য দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের তারা। তার অর্থ সৃষ্টির আদিতে পৃথিবী তো দুরের কথা , আমাদের সূর্যই তখনও সৃষ্টি হয় নি। সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ১০০০ কোটি বছর পরে। সুতরাং আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টির শুরুতে জমিন ও ধুম্রময় আকাশকে এক সাথে আসতে আদেশ দিলেন তা একমাত্র আল্লাহ আর তার নবী ছাড়া আর কেউই জানে না। কেন ডাক দিলেন তাও বোঝা যাচ্ছে না। ডাক দিয়ে যদি একত্র হতে বলেন তার অর্থ তাহলে তো সম্প্রসারন হয় না। তখন তো তাকে বলতে হবে সংকোচন। সুতরাং পুরো ব্যপারটিই মহা গোলমেলে হয়ে উঠল আরও।কিন্তু তাতে কিছু যায় আসে না, কারন মহাবিজ্ঞানী জাকির নায়েক তা থেকে যা জানার জেনে গেছেন। শুধু তাই নয়, তার এ ডাক দেয়ার আগেই কিন্তু পৃথিবীতে পাহাড় পর্বত , জীবিত সব প্রানীই সৃষ্টি করে ফেলেছেন। দেখুন উপরোক্ত সূরার ঠিক পূর্বের সূরা-

তিনিই উহার উপরে পর্বতসমূহ স্থাপন করেছেন এবং তিনি উহাতে আধিক্য প্রদান করেছেন ও তিনি চারি দিবসে উহাতে উৎপন্ন সমূহের নির্ধারন করে দিয়েছেন। সকল প্রার্থীর জন্য সমতুল্য করে দিয়েছেন। ৪১ঃ১০

অর্থাৎ জমিনের ওপর সব কিছু সৃষ্টি করার পরই আল্লাহ নজর দিয়েছেন আকাশের দিকে। উপরোক্ত সূরা কিন্তু তাই বলে। তার মানে সব কিছুর আগে আল্লাহ পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন যা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এক মহা ফাজলামো ছাড়া আর কিছু না। যাহোক, জাকির নায়েক কৌশলে সূরার ১০ নম্বর আয়াত এড়িয়ে গিয়ে খালি ১১ নম্বরকে এক দল নিরীহ মানুষের সামনে হঠাৎ করে উপস্থাপন করেছেন তার স্বভাব সুলভ অভিনেতার কায়দায়। উপস্থিৎ পাবলিক তো কোরানের সব আয়াত মুখস্ত করে তার আলোচনা সভায় যায় নি তাই কেউ আর তাকে পাল্টা প্রশ্ন করেনি। বরং বলা যায়, শ্রোতারা বরং তাদের কোরানের এহেন অলৌকিকত্বের কারনে তাদের ইমানকে আরও মজবুত করেছেন, হতে পারে তার মধ্য থেকে দুই একজন আত্মঘাতী বোমাবাজও হয়ে গেছে।

তত্ত্ব -২ ঃ গোলাকার পৃথিবী।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-

তুমি কি দেখ না আল্লাহ রাত্রিকে দিন আর দিনকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করান ? ৩১ঃ২৯
তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন আর দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন। ৩৯ঃ৫

পাঠক, বলুন তো এ সূরা দুটো দ্বারা কি বোঝায়? পারলেন না তো ? কিন্তু আপনি না পারলে কি হবে মহাবিজ্ঞানী জাকির কিন্তু এ বাক্য থেকে মহাজ্ঞান আবিষ্কার করেছেন আর তা হলো- এ সুরার অর্থ নাকি পৃথিবী গোলাকার। হাসব নাকি কাদব কিছুই বুঝতে পারছি না। আল্লাহ যদি পৃথিবীকে গোলাকারই বলবেন তাহলে এত ধানাই পানাই না করে সোজা এরকম একটা সূরা বলে দিলেই তো হতো , যেমন-

আমি পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছি কমলালেবুর মত করে, কিন্তু তোমরা তা দেখতে পাও না কারন তোমাদের দৃষ্টি অতদুর পৌছায় না।

তিনি পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন আপেলের মত করে অথচ তোমরা তাকে দেখ সমতল বিছানা, এতে জ্ঞানবানদের জন্য জ্ঞানের অনেক কিছু লুকানো আছে।

তিনি পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন গোলাকার করে, কিন্তু অবিশ্বাসীরা তা দেখতে পায় না।তাদের দৃষ্টি অতদুর পৌছতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ সব দেখেন ,জানেন আর শুনেন , তিনি মহাপরাক্রমশালী, মহাজ্ঞানী।

যেখানে কয়েক গন্ডা সূরাতে একের পর এক আল্লাহ বলে গেছেন- পৃথিবী হলো সমতল বিছানা, চাদোয়ার মত, বিস্তৃত(২ঃ২২,১৩ঃ৩,১৮ঃ৮৬-৯০, ৭৮ঃ৬-৭,৫১ঃ৪৮,১৮ঃ৪৭২০ঃ১০৫-১০৭)জাকির মিয়ার নজরে ওগুলো পড়ল না তাই তিনি -দিনের মধ্যে রাত আর রাতের মধ্যে দিন -এর মধ্যে পৃথিবী গোলাকার এ আবিষ্কার করে ফেললেন। কি আচানক কারবার! শুধু তাই নয়, জাকির মিয়া একটা সুরার অনুবাদ এভাবে করেছেন-

অতঃপর আমরা পৃথিবীকে ডিম্বাকৃতি করে সৃষ্টি করেছি।৭৯ঃ৩০

ওয়াও ডিম! কিসের ডিম ! উট পাখির ডিম। কারন জাকির নায়েক বলেছেন উক্ত সূরায় পৃথিবীকে বলা হয়েছে দাহাহা । দাহাহা আরবি শব্দ দুহিয়া থেকে নেয়া হয়েছে, দুহিয়া অর্থ উট পাখির ডিম। আমি আরবি জানি না , তাই বিষয়টি ঠিক কিনা জানি না। তবে অনেক অনুবাদকের কোরানের অনুবাদ দেখলাম যা তারা লিখেছে তা হলো-

পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন। (www.quraanshareef.org)

http://quranexplorer.com থেকে অনুবাদ

Dr. Mohsin : And after that He spread the earth;
Pickthal : And after that He spread the earth,
Yusuf Ali : And the earth, moreover; hath He extended (to a wide expanse)

পাঠক বর্গ কোথাও কি উট পাখির ডিম দেখেন নাকি ? পৃথিবী বিখ্যাত সব কোরান অনুবাদক কোরানে উট পাখির ডিম না দেখলেও জাকির মিয়া ঠিকই দেখতে পেয়েছেন। এ নিয়ে এই মুক্তমনাতেই একটা চমৎকার নিবন্ধ লিখেছিলেন একজন। তারপরও যুক্তির খাতিরে যদি ধরে নেই যে কোরানে পৃথিবীকে উট পাখির ডিম বলা হয়েছে তাহলে সরাসরি উট পাখির আরবী শব্দ ব্যবহার করা কেন হলো না কেন দুহিয়া থেকে দাহাহা শব্দ তৈরী করা হলো? এত ভয়ংকর রকম অস্পষ্টতা কোরানে? যেখানে বলা হচ্ছে কোরানে সব কিছু সহজ সরল ভাবে বলা হয়েছে আর সব নির্দেশ সুনির্দিষ্ট ভাবে দেয়া আছে সেখানে কোরানকে বুঝতে আমাদেরকে কেন জাকির নায়েক নামের এক মহাপন্ডিতের জন্য ১৪০০ বছর অপেক্ষা করতে হলো? সর্বোপরি, পৃথিবী তো উট পাখির ডিমের মত নয়, এটা দেখতে কমলালেবুর মত তা কি আল্লাহ জানতেন না ? বিশ্বাস না হয় গুগল সার্চ করে উট পাখির ডিমের আকৃতি দেখে নিতে পারেন।

তত্ত্ব-৩ঃ চাদের আলো নিজের নয়।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-

কল্যানময় তিনি যিনি আসমানে নক্ষত্রপুঞ্জ সৃষ্টি করেছেন, তাতে স্থাপন করেছেন প্রদীপ(সূর্য) আর আহরিত আলোয় উদ্ভাসিত চন্দ্র।২৫ঃ৬১
তিনিই মহান সত্তা যিনি সূর্যকে বানিয়েছেন উজ্জল আলোকময় আর চন্দ্রকে বানিয়েছেন স্নিগ্ধ আলো প্রতিফলনকারীরূপে। ১০ঃ৫

তো জাকির মিয়া চাদকে আহরিত আলোয় উদ্ভাসিত বলে অনুবাদ করেছেন। এখন দেখা যাক অন্যান্যরা কি ভাবে অনুবাদ করেছে-
কল্যানময় তিনিই যিনি নভোমন্ডলে রাশি চক্র সৃষ্টি করেছেন, এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র। (www.quraanshareef.org)

Blessed is He who has placed in the sky great stars and placed therein a (burning) lamp and luminous moon. Shahee Intl Noble Quran
Blessed is He Who made constellations in the skies , and placed therein a Lamp and a Moon giving light. -Yusuf Ali

Blessed be He Who hath placed in the heaven mansions of the stars, and hath placed therein a great lamp and a moon giving light! –Pickthal
Blessed is He Who made the constellations in the heavens and made therein a lamp and a shining moon.- Shakir
Blessed be He Who has placed in the heaven big stars, and has placed therein a great lamp (sun), and a moon giving light.- M Khan & Hilali

Luminous Moon or A shining moon or a moon giving light – এর অর্থ কি আহরিত আলোয় উদ্ভাসিত চাদ ??? কিন্তু ধুরন্ধর জাকির মিয়া সেটাই অর্থ করেছেন। আর তা করে কোরান বিষয়ে বর্তমান দুনিয়ায় একমাত্র নিজেকেই শ্রেষ্ট ও অন্যরা ফালতু এটাই প্রমান করার তালে আছেন। এখন পাঠকবর্গ বুঝতে পারছেন- আস্কারা পেয়ে জাকির মিয়া এখন নিজেই কোরান রচনা করতে উদ্যত হয়েছেন যাতে মুসলমানরা কোন অপরাধ দেখছে না। উল্টো তাকে বাহবা দিয়ে যাচ্ছে আর সবাই ব্যাঙের মত লাফাচ্ছে। যাহোক , চাদের এ বিষয়টি নিয়ে জাকির মিয়ার ব্যাখ্যা- কোরানে সূর্য বলতে সর্বদা শামস্ শব্দটি ব্যবহার হয়েছে যার কয়েকটি প্রতিশব্দ হলো- সিরাজ, ওয়াহাজ বা দীয়া যাদের অর্থ জ্বলন্ত প্রদীপ বা গৌরবোজ্জল আভা। আর চন্দ্র এর আরবী শব্দ কামারের যার প্রতিশব্দ হলো মুনির বা আহরিত আলো , নুর বা প্রতিফলিত আলো। তার আরও বক্তব্য চন্দ্র বলতে কোথাও সিরাজ বা ওয়াহাজ বা দীয়া ব্যবহৃত হয়নি। জাকির নায়েক কিন্তু চেষ্টার ত্রুটি যে করেননি তা কিন্তু বোঝা যাচ্ছে। কথা হলো- সূর্য ও চাদ যে এক বস্তু না, তাদের গুনগত তফাৎ যে বিরাট তাতো যে কোন অসভ্য বা কাফিরও জানত সেই নবীর আমলের আরব দেশে। সূর্য প্রচন্ড কিরনশালী আর উত্তপ্ত বিশেষ করে আরব দেশে তো সেটা আরও বেশী অনুভব করা যায়, অন্য দিকে চন্দ্র হলো মৃদু কিরনশালী , স্নিগ্ধ ও মোটেও উত্তপ্ত নয়। তো সূর্য আর চাদকে বোঝাতে কি একই রকম প্রতিশব্দ ব্যবহৃত হবে নাকি ? এটা তো একটা সাধারন জ্ঞানের ব্যাপার অথচ সেটাই হয়ে উঠেছে অসাধারন এক আসমানী জ্ঞান জাকির মিয়ার কাছে। ধন্য জাকির মিয়া।

তত্ত্ব-৪ঃ সূর্যের আহ্নিক গতি।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-
তিনিই সৃষ্টি করেছেন রাত্রি ও সূর্য এবং চন্দ্র ও সূর্য। সবাই আপন আপন কক্ষপথে বিচরন করে।২১ঃ৩৩

এ থেকে জাকির মিয়া সূর্যের আহ্নিক গতি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য বের করে ফেলেছেন। কোন পাঠক কি তা বের করতে পারবেন? পারবেন না , মনে হয় দুনিয়ার সবচাইতে বড় জ্যোতির্বিজ্ঞানীও তা পারবেন না। কিন্তু জাকির মিয়া পেরেছেন। সত্যি অসাধারন ব্যাক্তি উনি। সূর্যেরও আহ্নিক গতি আছে আমাদের পৃথিবী বা চন্দ্রের মত। পৃথিবী যে ২৪ ঘন্টায় একবার নিজের অক্ষের ওপর পাক খায় সেটাই তার আহ্নিক গতি। তেমনি সূর্য ২৫ দিনে একবার নিজ অক্ষের ওপর পাক খায় যা তার আহ্নিক গতি।কিন্তু সেই আহ্নিক গতির বহিঃপ্রকাশ কৈ উপরোক্ত সূরাতে? বরং এটা বলছে সূর্য ও চাদ পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘোরে সে কথা। ধরুন এক ব্যাক্তি জানে না যে, পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে, সে ব্যক্তি উক্ত সূরা পড়ে কি বুঝবে? সেই ১৪০০ বছর আগে কেউ তো জানত না যে পৃথিবী সূর্যের চারপাশ দিয়ে ঘুরছে, তাহলে তারা উক্ত সূরা দিয়ে কি বুঝবে? পাঠক আপনারাই বিচার করুন। যাহোক আগের পর্বে খুব ভাল ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছিল সূর্য ও চন্দ্র যে তার কক্ষপথে বিচরন করে বলে কোরানে বলা আছে এটা স্রেফ মোহাম্মদ সাদা চোখে যা দেখেছিলেন, তার আগেও মানুষ যা দেখত, এমনকি আমরাও এখন দৈনিক যা দেখি সে বর্ননাই করেছেন- তার চাইতে বেশী কিছু না। দ্বিরুক্তি হবে বিধায় এখানে তা আবার বিবৃত করলাম না।আগ্রহী ব্যাক্তিবর্গ এখানে দেখতে পারেন- https://blog.mukto-mona.com/?p=6037

তত্ত্ব-৫ঃ পরমানু মতবাদ।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-
নভোমন্ডলে ও ভূমন্ডলে তার অগোচরে নয় অনু (জাররা) পরিমান কিছূ, না তদপেক্ষা বৃহৎ বা ক্ষুদ্র, সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।৩৪ঃ৩

তো এটা নায়েকের মতে কোরান বর্নিত পরমানু মতবাদ। যদিও মোহাম্মদেরও অন্ততঃ ১০০০ বছর আগে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস তার পরমানু মতবাদ প্রকাশ করেন ও প্রায় একই সময়ে প্রাচীন হিন্দু গ্রন্থেও এ ধরনের পরমানু মতবাদ পাওয়া যায়। যাহোক তারপরেও একটা সাধারন প্রচলিত কথাকে জাকির মিয়া পরমানুবাদের পরাকাষ্ঠা বলে প্রমানের আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই প্রচলিত কথাটা কি? আমরা সাধারনত কথায় কথায় বলে ফেলি-পাত্রে বিন্দু পরিমান পানিও অবশিষ্ট নেই, এক বিন্দু তেলও নেই ট্যাঙ্কে ইত্যাদি। তো কোরানে মোহাম্মদের উল্লেখিত সাধারন প্রচলিত কথা যদি পরমানুবাদ হয় তাহলে আমাদের প্রচলিত এসব সাধারন কথাও কিন্তু পরমানুবাদ একথা বলতেই হবে। মোহাম্মদ বলছে- সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে, কিছুই কিন্তু স্পষ্ট বোঝা গেল না কিভাবে এ সূরা পরমানুবাদ তত্ত্ব প্রকাশ করছে। তবে জাকির মিয়ার কাছে যে সুস্পষ্ট তা নিশ্চিত।

তত্ত্ব-৬ঃ উদ্ভিদের লিঙ্গভেদ।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-
আল্লাহই আকাশ থেকে পানি বর্ষন করেন যা দ্বারা বৈচিত্রময় বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ জোড়ায় জোড়ায় উৎপন্ন করেন।২০ঃ৫৩

এটা নাকি বলছে যে আল্লাহ উদ্ভিদ স্ত্রী ও পুরুষ লিঙ্গ ভেদে সৃষ্টি করেন। জোড়ায় জোড়ায় বলতে তিনি স্ত্রী আর পুরুষ বোঝাচ্ছেন । এবার দেখা যাক প্রসিদ্ধ কোরান অনুবাদকরা কিরকম অনুবাদ করেছেন সূরাটির-

He Who has, made for you the earth like a carpet spread out; has enabled you to go about therein by roads (and channels); and has sent down water from the sky.” With it have We produced diverse pairs of plants each separate from the others.- Yusuf Ali

Who hath appointed the earth as a bed and hath threaded roads for you therein and hath sent down water from the sky and thereby We have brought forth divers kinds of vegetation,- Pickthal

Who made the earth for you an expanse and made for you therein paths and sent down water from the cloud; then thereby We have brought forth many species of various herbs.-Shakir

Who has made earth for you like a bed (spread out); and has opened roads (ways and paths etc.) for you therein; and has sent down water (rain) from the sky. And We have brought forth with it various kinds of vegetation.- M Khan & Alhilali

একমাত্র ইউসুফ আলী ছাড়া আর কেউ জোড়া শব্দ ব্যবহার করেননি। কিন্তু তাও আবার যে স্ত্রী পুরুষ বোঝাতে তা কিন্তু না। অন্যরা তো সেখানে শুধুমাত্র বহুরকম উদ্ভিদ এর কথা অনুবাদ করেছেন। কিন্তু জাকির মিয়া বলছেন জোড়া জোড়া মানে স্ত্রী ও পুরুষ গাছ , আর যেহেতু তার অনুবাদে শুধুমাত্র জোড়া জোড়া কথাগুলো আছে , তার মানে কোরান বলছে প্রত্যেক গাছেরই স্ত্রী ও পুরুষ গাছ আছে। এটা ঠিক উদ্ভিদ জগতে অনেকেরই স্ত্রী ও পুরুষ লিঙ্গ আছে, কিন্তু তা সব উদ্ভিদের বেলাতে সত্য না। উন্নত জাতের উদ্ভিদের বেলাতে এ লিঙ্গ ভেদ আছে কিন্তু নিম্ন প্রজাতির উদ্ভিদ যেমন- ফার্ন, মাসরুম ইত্যাদির কোন লিঙ্গভেদ নেই। তাই জাকির মিয়ার কথা ঠিক না। কোরান বলছে সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে সেখানে দেখা যাচ্ছে এখানে মোটেও সব কিছু সুস্পষ্ট না। তাছাড়া জোড়া জোড়া বলতে স্ত্রী ও পুং লিঙ্গ কেন বুঝব তাও সুস্পষ্ট নয়, আল্লাহ খুব সোজাভাবেই কোরানে বলতে পারত-

আমি আকাশ হতে বৃষ্টি বর্ষন করি, আর সৃষ্টি করেছি নানা প্রজাতির উদ্ভিদ পুং ও নারী জাতিতে।

তাহলে তা হতো সুস্পষ্ট। তাছাড়া কোরানের বানী যদি এতই সুস্পষ্ট, অনুবাদকেরা এত বেশী ভিন্ন ভিন্ন অনুবাদ করেন কেন? কোরান হলো একটা গাইড লাইন মূলক কিতাব, সেখানকার যাবতীয় বক্তব্য হবে সহজ, সরল, সুস্পষ্ট, প্রাঞ্জল, ও সহজবোধ্য। কিন্তু আমরা দেখি কোরানের সূরায় সুরায় অস্পষ্টতা, দুর্বোধ্যতা ও সামঞ্জস্যহীনতা। নীচে আমি নিজেই কিছু খুব সহজ সরল ও সুনির্দিষ্ট বাক্য রচনা করলাম পাঠক/পাঠিকাদের বোঝার স্বার্থে-

সদা সত্য কথা বলিবে, কখনও চুরি করিও না।

আমি দুনিয়ায় মানুষকে সৃষ্টি করিয়াছি স্ত্রী, পুরুষ ও নপুংসক রূপে, আমি পৃথিবীকে সৃষ্টি করিয়াছি কমলালেবুর আকৃতিতে।

পৃথিবী সূর্যের চারদিকে তার কক্ষপথে বিরতিহীনভাবে ঘুরে চলেছে, কিন্তু তোমরা তা দেখতে পাও না ।

চাদের নিজের কোন আলো নেই সে সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়ে রাতে স্নিগ্ধ আলো দেয়।

আমি মহাবিশ্বকে সৃষ্টি করেছি একটা বিন্দু থেকে মহাবিস্ফোরনের মাধ্যমে, অতঃপর তা প্রসারিত হয়ে চলেছে অবিরাম।-ইত্যাদি।

উপরোক্ত কথাগুলো হলো তথ্যমূলক যা সুস্পষ্ট যদিও আমি নিজেই তা তৈরী করেছি আল্লাহর কোন ওহি ছাড়াই। এখন উপরোক্ত বাক্যগুলো পৃথিবীর যে কোন ভাষাতেই যে কোন ভাল ভাষাবিদ অনুবাদ করলে অর্থের সামান্যতম হের ফের হবে না বলেই ধরা যেতে পারে। কেন হের ফের হবে না ? কারন বাক্যগুলো সরল , সহজ , প্রাঞ্জল, সুস্পষ্ট- তাই অনুবাদে অর্থের কোনই হের ফের হবে না। পক্ষান্তরে কোরানে আল্লাহ বার বার এর বক্তব্যকে সহজ , সরল, সুস্পষ্ট ঘোষনা দেয়ার পরেও তার অনুবাদে ব্যপক ভাবে অর্থের পার্থক্য ঘটে। এধরনের অর্থের পার্থক্য হতে পারে শুধুমাত্র কবিতা বা সাহিত্য পুস্তকের অনুবাদের সময়।কারন তা মোটেও সরল ও সুস্পষ্ট নয়। কোরান তো কোন কবিতা বা সাহিত্যের বই না। আর মোহাম্মদ কোন কবিতা বা ছড়া লেখেন নি , তাহলে? বক্তব্য সুস্পষ্ট হলে- জাকির নায়েককে আর উট বা ঘোড়ার ডিম বের করে অথবা দিনকে রাতের মধ্যে ও রাতকে দিনের মধ্যে প্রবেশ করানোর মত অর্থহীন বক্তব্য থেকে প্রমান করতে হতো না যে পৃথিবী গোলাকার। সোজাসুজি বলে দিলেই হতো যে- পৃথিবী গোলাকার বা পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে, বা মহাবিশ্ব একটা বিন্দুর বিস্ফোরন থেকেই সৃষ্টি হয়েছে।।আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, সবজান্তা তার এত ধানাই পানাই কথা বলার তো কোন মানে ছিল না।মোহাম্মদের কথা তো সাহাবীরা এক সময় প্রশ্নাতীতভাবেই বিশ্বাস করত। যেমন বিনা দ্বিধায় বিশ্বাস করেছিল তার নারীমুখো ঘোড়ার পিঠে চড়ে সাত আসমান পেরিয়ে আল্লাহর আরশে বেড়াতে যাওয়ার ও আল্লাহর সাথে খোশ গল্পের কথা।

তত্ত্ব-৭ঃ পরিযায়ী পাখিদের দুরপাল্লার নিখুত উড্ডয়ন।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-

তারা কি উড়ন্ত পাখীকে দেখে না? এ গুলো অন্তরীক্ষে আজ্ঞাধীন রয়েছে।আল্লাহ ছাড়া কেউ এগুলোকে আগলে রাখে না। নিশ্চয়ই এতে বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শন রয়েছে।১৬ঃ৭৯

এ সূরার মাধ্যমে নাকি- শীতকালে দুরপাল্লার পরিযায়ী পাখিরা যারা হাজার হাজার কিলোমিটার পথ আকাশে উড়ে ঠিক নির্দিষ্ট যায়গায় যায় আবার গরম কালে তাদের আগের আবাস স্থলে নিরাপদে নিখুত ভাবে ফিরে যায়- সে কথা বলা হয়েছে। বলা বাহুল্য, যে প্রযুক্তি (স্নায়তন্ত্রের মাইগ্রেটরী প্রোগ্রাম) ব্যবহার করে তারা এ আপাতঃ কঠিন কাজটি করে সেটাই নাকি নির্দেশ করছে সূরাটি। এ ধরনের আবিষ্কার কি আর কেউ করতে পারবে? এবার দেখা যাক অন্যান্য অনুবাদ-

Do they not look at the birds, held poised in the midst of (the air and) the sky? Nothing holds them up but (the power of) Allah. Verily in this are signs for those who believe. -Yusuf Ali

Have they not seen the birds obedient in mid-air? None holdeth them save Allah. Lo! herein, verily, are portents for a people who believe.- Pickthal

Do they not see the birds, constrained in the middle of the sky? None withholds them but Allah; most surely there are signs in this for a people who believe.- Shakir

Do they not see the birds held (flying) in the midst of the sky? None holds them but Allah (none gave them the ability to fly but Allah). Verily, in this are clear proofs and signs for people who believe (in the Oneness of Allah).- M Khan & Alhilali

দেখা যাচ্ছে সবাই প্রায় একই রকম অনুবাদ করেছে। কিন্তু তাতে পাখির সেই স্নায়ুতন্ত্রের মাইগ্রেটরী প্রোগ্রামের সংকেত কোথায়? বরং এটাই বলা হচ্ছে যে- পাখীরা যে আকাশে উড়তে পারে তা মূলতঃ আল্লাহর আজ্ঞাতে বা নির্দেশে। কারন পৃথিবীর মাধ্যকর্ষন শক্তির কারনে কোন জড় বস্তুই আকাশে বেশীক্ষন থাকতে পারে না। অথচ পাখীরা তা পারে। আর সেটা পারে কেবলমাত্র আল্লাহর আজ্ঞাতে ও শক্তিতে। সেই জিনিসটিই এখানে খুব সুস্পষ্ট ভাবে বলা হচ্ছে। এখানে বিশ্বাসীদের জন্য যে নিদর্শন রয়েছে বলা হচ্ছে তা হলো- আল্লাহর এ ক্ষমতা দৃষ্টে তাদের ইমান আরও পাকাপোক্ত হবে। যদি এ সূরাতে স্নায়ুতন্ত্রের মাইগ্রেটরী প্রোগ্রামের কথা বলা হতো তাহলে সূরাটি হতে হতো এরকম-

তারা কি দুর পাল্লার উড়ন্ত পাখীকে দেখে না? । তারা তাদের গন্তব্যে নিখুতভাবে যায় তাদের শরীরের মধ্যে আল্লার ঢুকিয়ে দেয়া একটা কৌশলের দ্বারা। নিশ্চয়ই এতে বিশ্বাসীদের জন্য জানার কিছু রয়েছে।

তাহলে বক্তব্য হতো পরিস্কার আর আমরাও বুঝতাম সুরাটিতে অধূনা আবিস্কৃত সেই মাইগ্রেটরী প্রোগ্রামের কথাই বলা হয়েছিল যা আমরা এতদিন বুঝি নি। আর এ বুঝা থেকে আমরা আমাদের মন থেকে আল্লাহ ও তার নবী মোহাম্মদের প্রতি অবিশ্বাস দুরে ঠেলে দিয়ে তার উম্মত হয়ে যেতাম সাথে সাথে।

তত্ত্ব-৮ঃ মধূর ভেষজ গুন।

তার (মধুমক্ষিকা) পেট থেকে নানা রকম পানীয় নির্গত হয়।তাতে মানুষের জন্য রয়েছে নানা রোগের প্রতিকার। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্য রয়েছে নিদর্শন।১৬ঃ৬৮-৬৯

এটা কি মোহাম্মদ নতুন আবিষ্কার করেছিল নাকি? জাকির নায়েক দেখি নিজেরে ছাড়া আর সবাইকে বোকা পাঠা মনে করে। আমরা জানি- মোহাম্মদের এ ধরাধামে আসার হাজার হাজার বছর আগেই মানুষ মধূকে নানা ব্যাধিতে ভেষজ উপাদান হিসাবে ব্যবহার করত। মিশরের পিরামিডের ভিতর যে মমি পাওয়া গেছে যার বয়স তিন হাজার বছরেরও বেশী তার সাথে পাথরের কৌটাতে মধূ পাওয়া গেছে, কারন তা ফারাও এর রোগ ব্যধিতে কাজে লাগবে মৃত্যুর পরেও। প্রাচীন ভারত বর্ষে সেই তিন/চার হাজার বছর আগ থেকেই মধুকে একটা অন্যতম প্রধান ভেষজ উপাদান হিসাবে গন্য করা হয়ে আসছে। তো মধূর যদি কোন ভেষজ গুন না থাকতো তাহলে কি তারা এটা করত নাকি ?

তত্ত্ব-৯ঃ মানুষের জন্ম বৃত্তান্ত।

জাকির নায়েকের অনুবাদ-
অতএব মানুষের দেখা উচিৎ কি বস্তু থেকে তারা সৃজিত হয়েছে। সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত পানি থেকে। এটা নির্গত হয় মেরুদন্ড ও বক্ষপাজরের মধ্য হতে।৮৬ঃ ৫-৭

প্রথম কথা- স্খলিত পানি আর শুক্রবীর্য বা ডিম্ব কি এক জিনিস ? পানির ঘনত্ব আর শুক্রবীর্যের ঘনত্বের মধ্যে যে বিপুল তফাৎ তা তো সবাই দেখতে পায়। সুতরাং এটা আবারও এক ভীষণ অস্পষ্ট বক্তব্য। আর তা ছাড়া এটা তো কোন নতুন তত্ত্বও নয়। সেই প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে মানুষ লক্ষ্য করেছে নারী পুরুষ যখন মিলিত হয় তখন পুরুষের জননাঙ্গ থেকে তরল ও থকথকে জাতিয় একটা পদার্থ সবেগে নির্গত হয়, নারীর জননাঙ্গের ভেতরেও তরল জাতিয় একটা পদার্থ নির্গত হয়। তারপর ই দেখা যায় নারীটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। তো এর পর এটা একটা সাধারন জ্ঞানের ব্যাপার যে, শিশু জন্ম নেয়ার জন্য সেই পদার্থগুলোর ভুমিকা আছে। এ তো মানুষ কোরান তৈরীরও হাজার বছর আগ থেকেই জানত। মানুষ তখন হয়ত জানত না পুরুষ ও নারী কর্তৃক নির্গত তরল জাতিয় পদার্থের মধ্যে কি আছে।কোরান ও কিন্তু সে সম্পর্কে কিছুই নির্দিষ্ট করে বলে নি।সেই সাধারন জানা জিনিসটাই মোহাম্মদ কোরানে বলে গেছেন। কিন্তু কোরান যদি বলত-সে সৃজিত হয়েছে সবেগে স্খলিত বীর্য ও ডিম্ব থেকে। একমাত্র তাহলেই তার একটা বিশেষত্ব থাকত ও তা বৈজ্ঞানিক ভাবে স্বীকার্য হতো। কিন্তু তাতে জাকির মিয়ার কিছুই যায় আসে না, তার দরকার কোরান থেকে বিজ্ঞান বের করার আর সেটাই তিনি করেছেন তা ঠিক হোক বা না হোক, কারন তার সামনে আছে কতকগুলো অন্ধবিশ্বাসী লোক, যা তাদের বলা হোক না কেন কোরানের নামে তা তারা গোগ্রাসে গিলবেই। এর পর আরও অদ্ভুত বক্তব্য দিয়েছে কোরান- বীর্য নাকি মেরুদন্ড ও বক্ষপাজর থেকে নির্গত হয়, হায় সেলুকাস, কি বিচিত্র জিনিস এই কোরান আর কি বিচিত্র চিজ এই জাকির নায়েক! প্রাপ্ত বয়স্ক পাঠক মাত্রেই জানেন যে বীর্য নির্গত হয় শুক্রাশয় থেকে আর তা মেরুদন্ড বা বক্ষপিঞ্জরের মধ্যে থাকে না।জাকির মিয়া বলছেন ভ্রুনীয় দশায় শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয় বক্ষপিঞ্জর ও মেরুদন্ডের মাঝখানে থাকে। কিন্তু সূরাতে কি ভ্রুনীয় দশার কথা বলছে নাকি ? যখন পুরুষের পুরুষাঙ্গ থেকে বীর্য সবেগে নির্গত হয় তখন সে ভ্রুনীয় দশায় থাকে নাকি? সূরাতে তো ভ্রুনীয় দশার কোন কথা বলে নি। তাহলে ? এর কারন একমাত্র ভ্রুনীয় দশার কথা বিবেচনায় নিলেই জাকির মিয়ার যৎসামান্য সুবিধা হয়।

পাঠ কর তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন জোকসদৃশ জমাট রক্ত থেকে।৯৬ঃ১-২

মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন জমাট রক্ত থেকে ? ওয়াও কি সাংঘাতিক কথা। আমরা জানি জীবের দেহের রক্ত যদি জমাট বেধে যায় তাহলে তা আর সারা দেহে চলাচল করতে পারে না, তাই কোষ অক্সিজেন গ্রহন করতে পারে না, তার ফলে সে মারা যায়। এখন কোরান বলছে সেই জমাট রক্ত থেকে নাকি মানুষ পয়দা হয়েছে। নারীর জরায়ুতে যখন শুক্রানু ও ডিম্বানু মিলিত হয়ে একটি ভ্রুন তৈরী করে প্রথম অবস্থায় তা একটি মাত্র কোষে সীমাবদ্ধ থাকে। সেই কোষ বিভাজনের মাধ্যমে খুব দ্রুত সংখ্যায় বৃদ্ধি পেতে থাকে ও ভ্রুনের আকার বাড়ে। তো কোরান বলছে তা নাকি জমাট রক্ত। জমাট রক্তবিন্দু কি সংখ্যায় বাড়ে নাকি? জাকির মিয়া কতটা মরিয়া বিষয়টাকে বিজ্ঞানে পরিনত করতে এটা তার একটা জ্বলন্ত নিদর্শন। লোকটা নিজে একটা ডিগ্রীধারী চিকিৎসক, আর কেউ না জানুক নিজে খুব ভাল করেই জানেন যে ভ্রুন কোন জমাট রক্ত কি না। কিন্তু ধর্মীয় অন্ধত্ব কোন পর্যায়ে পৌছলে মানুষ এভাবে প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের যাবতীয় তত্ত্ব ও তথ্যকে জলাঞ্জলী দিতে পারে অবলীলায়। এখন যদি এ নিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করা হয় তো বলবে- ভ্রুনের প্রাথমিক অবস্থা দেখতে তো জমাট রক্তের মত দেখায়। কিন্তু একটা জিনিসকে -জমাট রক্তের মত দেখায়- এ বক্তব্য কি -তা জমাট রক্ত- এর সমার্থক ? বিশেষ করে আপনি যখন এধরনের বর্ননাতে বিজ্ঞানকে টেনে আনবেন তখন তো এ ধরনের অস্পষ্ট বর্ননা দিতেই পারবেন না।

তত্ত্ব-১০ঃ কোরানে জেনেটিক্স।

তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী এক বিন্দু বীর্য থেকে যখন তা স্খলিত হয়।৫৩ঃ৪৫-৪৬

এটা নাকি কোরানে জেনেটিক্স বিদ্যার নমুনা জাকির মিয়ার মতে। ব্যাখ্যা হিসাবে তিনি বলছেন- শিশু সন্তান পুরুষ নাকি স্ত্রী হবে তা নির্ভর করে ২৩তম ক্রোমোজোমের জোড়ার ওপর। এখন পাঠক/পাঠিকা বৃন্দ আপনারা দেখেন তো উক্ত সূরার মধ্যে কোন জেনেটিক্স দেখতে পান কি না। সন্তান উৎপাদনের জন্য যে বীর্য লাগে এটা তো মানুষ সেই মোহাম্মদেরও হাজার হাজার বছর আগেই জানত, আর সে সন্তান হয় হবে পুরুষ নয় স্ত্রী সেটাও তারা জানত। তবে কোরান কোন নপুংসক মানুষের কথা বলেনি। তার মানে তারা কিভাবে সৃষ্টি হয় তা কোরান জানে না। তার চেয়ে বড় যে ত্র“টি সূরাতে দেখা যাচ্ছে- শুধুমাত্র বীর্য থেকে যে সন্তান জন্মে না, দরকার একটা ডিম্বানুরও সে বিষয়টা এখানে নেই। অর্থাৎ কোরানের ধারনা মতে- সন্তান জন্মের জন্য দরকার শুধুমাত্র পুরুষের একবিন্দু বীর্য, আর যেহেতু সন্তান জন্ম দেয়ার মত উপযুক্ত অঙ্গ পুরুষের নেই শুধুমাত্র সেকারনেই নারীটির দরকার, ভ্রুনটিকে নারীর গর্ভে ধারন, লালন পালন ও পরে জন্মদান করতে। কোরানের জনন সম্পর্কিত কোন সূরাতেই নারীর ডিম্বানুর কথা বলা নেই। তা নেই কারন মোহাম্মদ জানতেন না যে নারীর জনন যন্ত্রের অভ্যন্তরে ডিম্বানু তৈরী হয় যার সাথে পুরুষের বীর্যের শুক্রানু মিলিত হয়েই অবশেষে একটি সন্তানের জন্ম হয়। তা ছাড়া তখন তো কেউই জানত না সেই ডিম্বানুর কথা, কারন তা তো খালি চোখে দেখা যায় না। পুরুষের বীর্য যেমন সবেগে প্রকাশ্য, নারীর ডিম্বানু দারুনভাবে অপ্রকাশ্য কারন তা উৎপন্ন হয় তার জননেন্দ্রিয়ের গভীরে এমনকি নারিটিও তা দেখতে পারে না।তাই অন্য সবার মত মোহাম্মদেরও ধারনা ছিল শুধুমাত্র পুরুষের একবিন্দু বীর্য নারীর গর্ভে পতিত হওয়ার পর তা বৃদ্ধি পেয়ে শিশুর জন্ম হয়। সে কথাটাই তিনি সহজ সরল ভাষায় কোরানে বলে গেছেন। এখন সেই অতি সাধারন একটা বাক্যের সাথে ক্রোমোসোম, জেনেটিক্স ইত্যাদির মত গাল ভরা বৈজ্ঞানিক শব্দ গুলো জুড়ে দিয়ে জাকির মিয়া একটা ধোয়াশা সৃষ্টি করতে চাইছেন।

যাহোক, জাকির মিয়ার এত সব কোরানিক বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা করতে যেয়ে মাঝে মাঝে ধৈর্য্য রাখা বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছিল কারন এত সব ফালতু প্রলাপ আর গোজামিল জিনিসের অবতারনা তিনি করেছেন যে তার প্রতিউত্তর দেয়াটাকে আমি স্রেফ সময়ের অপচয় মনে করেছি ও মনে করেছি যে সব পাঠক সেসব পাঠ করবেন তারাই জাকিরিয় কোরানিক বিজ্ঞানের অসারত্ব ধরতে পারবেন।

জাকির মিয়ার এটা একটা অপকৌশল। তা হলো- অপ্রাসঙ্গিক ভাবে তিনি বিজ্ঞানের নানা জটিল বিষয়ের অবতারনা করে তার পর তা কোন একটা সূরার সাথে মিলাতে চেষ্টা করেন। যদি দেখেন যে তা সম্ভব হচ্ছে না তখন তিনি সূরাটিকে নিজের মত করে অনুবাদ করে নেন। তারপর তা তিনি উপস্থাপন করেন একদল মটিভেটেড শ্রোতার কাছে যারা আগেই জাকিরের ভক্ত। তখন তিনি একটি সূরার নানা রকম ব্যাখ্যা দেয়া শুরু করেন, সূরার আরবী শব্দকে নানারকম ভাবে নিজের মত করে ব্যাখ্যা দেয়া শুরু করেন। শ্রোতারা তখন তার এসব ব্যাখ্যা শুনে পুলকিত বোধ করে, কারন তারা তো অত শত আরবী শব্দের অর্থ জানে না । কিন্তু নিজের মত করে সুরার অর্থ তৈরী করে নেয়া, ইচ্ছেমত সুরার ব্যাখ্যা দেয়া, অপ্রাসঙ্গিক ভাবে বিজ্ঞানের নান তত্ত্বকে কোরানের অস্পষ্ট সব সূরার সাথে গোজামিল দিয়ে মিলানোর চেষ্টা করা, মনে হয় এতে করে জাকির মিয়া ইসলাম ও কোরানের অনেক ক্ষতি করছেন যা আপাতঃ মুসলমানরা বুঝতে পারছে না। মুসলমানরা বর্তমানে জাকিরের ব্যাখ্যা শুনে দারুন পুলকিত বোধ করতে পারে কিন্তু তারা বুঝতে পারছে না শুধুমাত্র এসব কারনেই এক শ্রেনীর জ্ঞানী গুনি পন্ডিত ব্যাক্তিবর্গ কোরান নিয়ে ব্যাপক গবেষণা শুরু করে দিয়েছেন ও তারা আসল জারি জুরি প্রকাশ করে দিচ্ছেন যা আগে তারা করতেন না, করার দরকারও ছিল না। সুতরাং আশা করি, তাদের এ প্রচেষ্টা মুসলমানদেরকে আলোকিত হওয়ার ক্ষেত্রে একটা বিরাট ভুমিকা রাখবে।

পরিশেষে আমি লালন ফকিরের একটা গানের কলি বিশ্লেষণ করে প্রবন্ধটির ইতি টানব। তা হলো-

বাড়ীর কাছে আরশী নগর , সেথায় পড়শী বসত করে, আমি একদিন ও না, চিনিলাম তারে।
আরশী নগর মানে কাচের নগর অর্থাৎ প্রতি নগর। সেখানে মানুষ জন বাস করে কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না। তার মানে সেটা একটা প্যারালাল ইউনিভার্স বা সমান্তরাল বিশ্ব বা প্রতি বিশ্ব। যা বিজ্ঞানীরা তাদের নানারকম তত্ত্বে বলার চেষ্টা করছেন। তা কিনা লালন ফকির অনেক আগেই জেনে গেছেন? কোরানে যদি এ ধরনের একটা বাক্য থাকত জাকির মিয়া নিশ্চয়ই তাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করতেন , কি মনে হয় পাঠক/পাঠিকা বৃন্দ?

About the Author:

মুক্তমনা ব্লগ সদস্য।

মন্তব্যসমূহ

  1. মুহম্মদ ফজলুল করিম সেপ্টেম্বর 9, 2013 at 10:57 পূর্বাহ্ন - Reply

    প্রথম কথা বলি – এগুলো জাকির নায়েক আবিষ্কার করেননি।এগুলো বহু আগে থেকেই প্রচলিত। জাকির নায়েকের তুঙ্গস্পর্শি জনপ্রিয়তা আপনাকে বাধ্য করেছে উনার লেখা পড়তে।
    আর , আপনি আমি , ঘরে বসে উজির নাজির মারতেই পারি।একটা কথা মনে রাখতে হবে – আপনি কিংবা আমি যেমন জাকির নায়েকের ধারে কাছে যেতে পারবো না , তেমনি ডকিন্স এর ধারে কাছেও যেতে পারবো না। তাই ,

    চা দোকানে বসে উজির নাজির মারা বন্ধ রাখাই শ্রেয়।

    তার মানে সমতল জমিনের ওপর সাতটি আকাশ একের ওপর একটি সজ্জিত ছিল অনেকটা আমরা যেমন অনেকগুলো ঢেউ টিন মাটির ওপর একটির ওপর একটি সাজিয়ে রাখি। আর এ থেকে কিন্তু খুব পরিষ্কার হয়ে যায় যে এসব আসমানসমূহ ছিল কঠিন পদার্থের তৈরী।

    নিজের মতো বনিয়ে নিলেন যে আকাশ কঠিন।আকাশ যে গ্যাসীয় একটা আস্তরণ ছাড়া আর কিছুই নয় – এটা আপনাকে বলে দিতে হবে আশা করি না।
    আগেই বলে নি –

    ৭ একটি রূপক।৭ এবং ৭০ সংখ্যাটি অসীম অর্থে কুরআন এ ব্যবহৃত হয়েছে।

    বলা হয় , ৭০ গুন সওয়াব।তার মানে , অসীম সওয়াব।এভাবেই , ৭ আসমান মানে অসীম মহাবিশ্ব।আর , ভূ মণ্ডল মানে – তার দৃষ্টিগ্রাহ্য সৃষ্টি।
    তিনি তার সৃষ্টিকে একটা সময়ে একসাথে রেখেছিলেন।যেটাকে অ্যাজ অ্যা ইউনিট অফ ক্রিয়েশন – এর সাথে মিলানো যায়।

    এতোগুলো রূপক ব্যবহারের অর্থ কি , বলতে পারেন।কারণ , কুরআন রচিত হয়েছে – ১৪০০ বছর আগে।১৪০০ বছর মানে , প্রায় প্রাচীন কাল।জেনারেশন গ্যাপ বলে একটা কথা আছে।সেসময়ে যদি – সব ডিরেক্টলি বলে দেওয়া হত – তাহলে এ নিয়ে অবিশ্বাসীরা প্রচুর বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারতো।তাই , সহজ জিনিসটাকেই একটু ঘুরিয়ে বলা হচ্ছে।বিগ ব্যাং সম্পর্কে যদি – ডিরেক্টলি বলে দেওয়া হত –

    তাহলে বিগত ১৯০০ সালের আগ পর্যন্ত বছর ধরে শ্রীমানরা একে অবৈজ্ঞানিক বলে এটা নিয়ে যে কি পচানো খেলা খেলতো – তা আপনাকে আর বলে দেওয়া লাগবে না হয়তো।

    অন্যান্য ভবিষ্যৎবানীর ক্ষেত্রেও এটি সমানভাবে সত্যি। 🙂

  2. রায়হান জুন 7, 2012 at 6:57 অপরাহ্ন - Reply

    আসলে আমি ও জাকির নায়েকের লেকচার গুলো শুনেছি। কোন মিরাকল লাগে নি।

  3. মুক্তমনা এডমিন এপ্রিল 7, 2010 at 3:12 পূর্বাহ্ন - Reply

    এই থ্রেডে বিতর্ককারীদের বিশেষণ প্রয়োগ ব্যতীত বিতর্ক করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রসঙ্গতঃ মুক্তমনা নীতিমালায় উল্লিখিত আছে

    মন্তব্যের মাধ্যমে বিতর্ক করার সময় একজন ব্লগার বিপক্ষ যুক্তি খন্ডনেই মনোযোগী হবেন, বিশেষণ প্রয়োগে (যেমন, ছাগু, ছাগল, পাগল, নির্বোধ, গাধা, শুয়োর, ইডিয়ট, রামছাগল প্রভৃতি) নয়। বিষয়বহির্ভুত বিশেষণ প্রয়োগ করা হলে মন্তব্য মুছে ফেলার অধিকারও মুক্তমনা সংরক্ষণ করে। মন্তব্যকারীকেও সতর্ক করা হতে পারে। (৩.৫দ্রঃ)।

    সবাইকে, তা তিনি যে বিশ্বাসের (কিংবা অবিশ্বাসের)ই মানুষই হোন না কেন – নীতিমালা মেনে চলতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

  4. সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 7, 2010 at 1:09 পূর্বাহ্ন - Reply

    হে মুসলিম ভাই সকল, আপনাদের নিকট আমার একটা প্রশ্ন – আপনারা কিভাবে বুঝিতে পারিলেন যে কোরান আল্ল্যাহ কর্তৃক প্রেরিত হইয়াছে? আপনাদের যুক্তিগুলো শুনিতে বড়ই ইচ্ছে হয়। চার-পাঁচটা মজাদার যুক্তি পাইয়াছি যার সবগুলো খণ্ডণ করিয়া বসিয়া রহিয়াছি, কেউ যদি নতুন যুক্তি সাপলাই দিতে পারিতেন। এখানে অপ্রাসংগিক মনে হইলে আমার নিজের ওখানেও আসিতে পারেন। নতুন একটা পর্ব লেখিতেছে, কোনো নতুন যুক্তি পাইলে বড়ই উপকার হইত। অন্যরাও একই উপকার করিতে পারেন।

    যে কোরান ১৪০০ বছর আগের মানুষরাও (যেমন- আবু তালিব, আবু-লাহাব ইত্যাদি) বিশ্বাস করেন নাই, সন্দেহ পোষণ করিতেন, কেউ কেউ আবার হাসি-টাট্টাও করিতেন সেই আজগুবি কোরানখানি লইয়া যখন মুচলমানদের এই আধুনিক যুগেও নাচানাচি করিতে দেখি তখন হতাশায় দুঃখ করিতেও ভুলিয়া যাই এবং তাদের দুর্ভোগের প্রধান কারণ চোখের সামনে দিবালোকের মতই ভাসিয়া উঠে।

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 7, 2010 at 2:56 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      সবই বিশ্বাস। বিশ্বাসের চেয়ে বড় যুক্তি আর কি হতে পারে?

      এত যে ডারউইন সাহেবের জয় জয়কার, ওনার নামে লেখা অরিজিন অফ স্পীসিজ যে আসলেই ওনার লেখা, কোন দবির সবিরের লেখা নয় প্রমান করতে পারবেন???

      শোনা যায় শেক্সপিয়ায়ের অনবদ্য সব লেখাও নাকি আসলে তার কোন বন্ধু না কার লেখা!

      • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 7, 2010 at 1:24 অপরাহ্ন - Reply

        @আদিল মাহমুদ,

        ভাই, অনেকেই হয়রান হয়ে এ ধরণের যুক্তি দেন। আমি পরবর্তী লেখায় এ নিয়ে আলোচনা করব যদি না ভুলে যাই।

        • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 7, 2010 at 5:35 অপরাহ্ন - Reply

          @সৈকত চৌধুরী,

          সে উদ্দেশ্যেই খোঁচাটা দেওয়া 🙂 ।

    • শরীফ এপ্রিল 7, 2010 at 11:43 অপরাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      ভাই জব্বর একটা ফালতু যুক্তি উপস্থাপন করলেন , আবু তালিব আর আবু লাহাব কে নিয়া । তারপর ও বিবেচনা করা যেত
      যদি তারা মূর্তি পূজারি না হয়ে এখানকার অনেকের মত নাস্তিক হত।আবু লাহাব নিজেই ছিল একটা অন্ধকারের যুগে আর মূর্তিকে নিয়ে,যা কিনা এখনকার ধর্ম শিক্ষীত লোকদের চিন্তার ও বাইরে ।আমার তো মনে হয় আবু লাহাবের মৃত্তু ঠিকি হইছে কিন্তু আধুনিক আবু লাহাবরা তার চেয়েও একধাপ এগিয়ে , সেতো তবুও মূর্তিকে সাথে রাখছিল আর এখনকার আবু লাহাবরা বলে এখানে কোন সৃস্টি কর্তাই নেই!!!!!আর তারা নাকি মানে এমন এক থিওরীকে যার কোন কূল কিনাড়াই নেই , যার ফলাফল তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে শুধু ডিম আর মুরগীর গল্পের মত গল্প শুনায় ,যার কোন উত্তর নেই তার সৃস্টি কর্তা ছাড়া ।আবু তালিব আর আবু লাহাবদের পরিবার ঐ সময়কার প্রভাবশালি ছিল আর তারা মূর্তি পূজা করার নেত্রিত্ত্ব দিত এটা আপনার না জানার কথা না , আর ঐ আবস্থায় তারা ঐটাই করেছিল যা তাদের পরিবারের অনেক দিনের অভ্যাসকে ( যদিও ভূল,(এটা শুধু আমার মত না বরং আপনাদের মত শিক্ষীত সমাজেরও অভিমত))বাচানোর জন্য করতে হত।

      আশাকরি জবাব দেয়ার সময় একটু হলেও ভেবে দিবেন।

      • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 8, 2010 at 1:42 পূর্বাহ্ন - Reply

        @শরীফ,
        ভাই, মুহাম্মদ যখন কোরান নাযিল করার নাটক করছেন তখন তার আশেপাশের লোকেরা আরবি ভাষা ভালো বুঝত। কোরানে যদি এমন কোনো উপকরণ থাকত যে তা পড়িবা মাত্রই বুঝা যায় যে উহা আসমানী(?) কিতাব তবে কেউ এতে অবিশ্বাস করার কথা নয় (এবং এমনকি বর্তমানেও আরবি ভাষাভাষি বা আরবি জানা কোনো অমুসলিম থাকার কথা না)। অন্তত আবু তালিব যিনি মুহাম্মদ সম্পর্কে ভালো জানতেন। মুহাম্মদের বিরোধীদের অনেকেই কোরাইশ বংশের ছিলো তাই মুহাম্মদকে সত্যি সত্যি নবি মনে হলে মেনে নিতে আপত্তি হওয়ার কথা নয়।

        মুহাম্মদের সময়কার যারা মূর্তিপূজা করত তারা অনেক উদার ছিলো। মতের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও সবাই এক কাবায় একত্রিত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূর্তির পূজা করত। কিন্তু মুহাম্মদ সব মূর্তি ধ্বংশ করে হিটলারীয় কায়দায় এক আল্ল্যার রাজত্ব কায়েম করলেন। শ্রদ্ধেয় আকাশ ভাইয়ের ‘যে সত্য বলা হয় নি’ বইটি পড়তে পারেন এখান থেকে।

        আপনি কোনো ঘটনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যদি আল্ল্যার শরণাপন্ন হোন তবে তাতে কোনো সমাধানই আসলে হয় না। যেমন, ‘পানি চক্র’ ব্যাখ্যার জন্য আপনি বললেন, আল্ল্যার হুকুমে বৃষ্টি হয়, তাতে আপনি কি বুঝলেন বা বুঝালেন? আর এই তথ্যের উপযোগিতাই বা কি? সবকিছুর পেছনে যদি কারণ থাকতে হয়, বা সব কিছুর যদি একজন স্রষ্টা থাকতে হয় তবে আল্ল্যারও একজন স্রষ্টা থাকতে হবে তাই না? সুতরাং কোনো ঘটনা যেমন মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যার জন্য আমাদেরকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, নিজেরা বিজ্ঞানী না হলে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণার মাধ্যমে যখন যে তথ্য দেন তা বিশ্লেষণপূর্বক গ্রহণ করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। একেত্রে ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খাওয়ার কোনো মানে নেই। মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যায় বিজ্ঞানীরা অনেক দূর এগিয়ে গেছেন, কেউ কোথাও আল্ল্যাকে খোঁজে পেয়েছেন বলে জানা যায় নি। আর বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে যতটুকু এগিয়ে গেছেন ততটা বুঝার জন্য প্রয়োজনীয় একাডেমিক জ্ঞান না থাকলে এটা নিয়ে হৈ চৈ না করাই ভালো। সাধারণ ‘সময়ের আপেক্ষিকতা’ বিষয়টিই অনেকে বুঝে না আবার মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে এমনভাবে কথা বলে যেন সে সব বুঝে।

        আল্ল্যার অস্তিত্বের ব্যাপারটি সম্পূর্ণ বিশ্বাস নির্ভর, অযৌক্তিক এবং প্রবীর ঘোষের মত করে বললে সর্বকালের সেরা গুজব। যাই হোক, বলতে গিয়ে অনেক কিছুই বলে ফেললাম, ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।

        • মুরাদ এপ্রিল 8, 2010 at 1:40 অপরাহ্ন - Reply

          @সৈকত চৌধুরী,

          ভাইজান আপনি কুরআনে বিজ্ঞান খোঁজা নিয়া খুব ব্যস্ত। কুরআন কর্তৃক কিছু অগ্রিম আবিষ্কারে কথা উল্লেখ করলাম। জানি না আপনার বয়স কত আবিষ্কারগুলা দেখে যেতে পারবেন কিনা। সেই আশায় বসে খাকুন যখন বিজ্ঞান আবিষ্কার করবে ঈশ্বরের অস্তিত্ব।
          এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে। ৫৫:১৫
          আবিষ্কার না: জিন আবিষ্কার হয় নাই।
          আমার গুগল কি বলে: httpv://www.youtube.com/watch?v=ouOXWgJS-gc
          জিন আবিষ্কার না হইলেও সমস্যা নাই। অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আবিষ্কার করব।

          ফেরেশতাগণ এবং রূহ আল্লাহর দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।৭০:০৪
          আবিষ্কার না: ফেরেশতা আবিষ্কার হয় নাই।
          আমার গুগল কি বলে: httpv://www.youtube.com/watch?v=ZnCgAJFSUeU
          ফেরেশ্তা আবিষ্কার না হইলেও সমস্যা নাই। অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আবিষ্কার করব।

          এবং চন্দ্রের, যখন তা পূর্ণরূপ লাভ করে,
          নিশ্চয় তোমরা এক সিঁড়ি থেকে আরেক সিঁড়িতে আরোহণ করবে।
          অতএব, তাদের কি হল যে, তারা ঈমান আনে না? ৮৪:১৮-২০
          আবিষ্কার না: চন্দ্রে মানুষের হাটাহাটি আবিষ্কার হয় নাই।
          আমার গুগল কি বলে: httpv://www.youtube.com/watch?v=RMINSD7MmT4
          চন্দ্রে মানুষের হাটাহাটি আবিষ্কার না হইলেও সমস্যা নাই। অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আবিষ্কার করব।

          আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি, তাঁর জ্যোতির উদাহরণ যেন একটি কুলঙ্গি, যাতে আছে একটি প্রদীপ, প্রদীপটি একটি কাঁচপাত্রে স্থাপিত, কাঁচপাত্রটি উজ্জ্বল নক্ষত্র সদৃশ্য। তাতে পুতঃপবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল প্রজ্বলিত হয়, যা পূর্বমুখী নয় এবং পশ্চিমমুখীও নয়। অগ্নি স্পর্শ না করলেও তার তৈল যেন আলোকিত হওয়ার নিকটবর্তী। জ্যোতির উপর জ্যোতি। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথ দেখান তাঁর জ্যোতির দিকে। আল্লাহ মানুষের জন্যে দৃষ্টান্তসমূহ বর্ণনা করেন এবং আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত। ২৪:৩৪

          আবিষ্কার না: আল্লাহ যে লাইট মানে জ্যোতি সংজ্ঞা দিছে তা আবিষ্কার হয় নাই।
          আমার গুগল কি বলে: httpv://www.youtube.com/watch?v=BylLOWRojyY
          এই লাইট মানে জ্যোতি আবিষ্কার না হইলেও সমস্যা নাই। অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আবিষ্কার করব।

          তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?
          তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ? ৫৬:৭১-৭২
          যিনি তোমাদের জন্যে সবুজ বৃক্ষ থেকে আগুন উৎপন্ন করেন। তখন তোমরা তা থেকে আগুন জ্বালাও। ৩৬:৮০
          আমার গুগল কি বলে: httpv://www.youtube.com/watch?v=BylLOWRojyY
          বৃক্ষ অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করতে সাহায্য করে এই তত্ত্ব আবিষ্কার না হইলেও সমস্যা নাই। অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আবিষ্কার করব।

          তোমরা যে অগ্নি প্রজ্জ্বলিত কর, সে সম্পর্কে ভেবে দেখেছ কি?
          তোমরা কি এর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছ, না আমি সৃষ্টি করেছি ? ৫৬:৭১-৭২
          যিনি তোমাদের জন্যে সবুজ বৃক্ষ থেকে আগুন উৎপন্ন করেন। তখন তোমরা তা থেকে আগুন জ্বালাও। ৮১:৮০
          আমার গুগল কি বলে: httpv://www.youtube.com/watch?v=-rsYk4eCKnA
          বৃক্ষ অগ্নি প্রজ্জ্বলিত করতে সাহায্য করে এই তত্ত্ব আবিষ্কার না হইলেও সমস্যা নাই। অদূর ভবিষ্যতে বিজ্ঞান আবিষ্কার করব।

          হে বিজ্ঞান এগুলো আবিষ্কার কর তোমার আবিষ্কারের আশায় কিছু মানুষ বসে আছে।

          • ভবঘুরে এপ্রিল 9, 2010 at 3:33 অপরাহ্ন - Reply

            @মুরাদ,

            ভাই ফুয়াদ. আয়েশার সাথে মোহাম্মদ শুয়ে থাকা অবস্থায় মাঝে মাঝে জিব্রাইল ফিরিস্তা আল্লাহর কাছ থেকে ওহি নিয়ে মোহাম্মদের ঘরে ঢুকত। কখনো আয়েশা ৬০০ ডানা যুক্ত জিব্রাইল ফিরিস্তাকে দেখতে পেলো না তার ওপর আল্লাহর অশেষ রহমত থাকা সত্ত্বেও। আপনার কি জানা আছে আয়শাকে মোহাম্মদ কি কারনে বিয়ে করেছিল ? মোহাম্মদ একদিন নাকি স্বপ্নে দেখল তার কোলে বাচ্চা আয়েশা। তাই সে বুঝতে পারল এটা হলো আল্লাহ কর্তৃক সংকেত যেন সে আয়েশাকে বিয়ে করে। তো এ মহাসৌভাগ্যবতী আয়েশা পর্যন্ত জিব্রাইলকে দেখতে পেল না। সে যে দেখতে পায়নি তার প্রমান তার বর্নিত প্রায় দুই হাজারের ওপর হাদিস। কোথাও সে ফিরিস্তা দেখেছেন বলে বলা নেই। তবে কথিত আছে মোহাম্মদ তাকে ফিরিস্তার আগমন সম্পর্কে বলেছে , কিন্তু তার পরেও আয়েশা তাকে দেখতে পায় নি। এখন কি বুঝলেন? শুধু আয়েশা নয়. মোহাম্মদের প্রথম বিবি খাদিজা, আবু বকর, ওমর কেউ দেখতে পায় নি। ৬০০ ডানার এক বিশাল দেহী জিব্রাইলকে মোহাম্মদ নিজে ছাড়া কেউ দেখল না। তো মোহাম্মদকে স্রেফ একটা মিথ্যেবাদী ছাড়া কি বলা যায় ? আর দেখেন ফিরিস্তাদের ডানা আছে বলে বর্ননা করা হচ্ছে। কেন বুঝতে পারেন ? মোহাম্মদ জানত একমাত্র পাখি ছাড়া আর কেউ আকাশে উড়তে পারে না। তাই ফিরিস্তাদেরও ডানা থাকতে হবে, নইলে সে উড়বে কেমনে ? মোহাম্মদ যদি জানত যে পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে শ তিনেক কিলোমিটারের ওপরে আর বাতাস নেই , তাহলে কি সে ফিরিস্তার বর্ননায় ডানা বসাতো ? আর নারী মুখো ঘোড়া যার আবার ডানা ছিল, তাতে চড়ে মোহাম্মদ সাত আসমানের ওপর আল্লাহর সাথে মিটিং করতে গেল, চিন্তুা করে দেখেছেন , যে ডানা দিয়ে উড়ে তার কাছে যাওয়া যায় না ? আর এ ধরনের গল্প রূপকথার কাহিনীকেও হার মানায়? অথচ আপনাদের মত অন্ধ ও বধির লোকরা তাই বিশ্বাস করে বসে আছেন। আসলে মানুষ হয়ে জন্মগ্রহন করেও আপনাদের মত লোক পূর্ন মানুষ হতে পারল না , আর এটাই খুব আফসোশের ব্যপার। 😥

          • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 9, 2010 at 7:56 অপরাহ্ন - Reply

            @মুরাদ,

            বেশ আনন্দ পেলাম। ধন্যবাদ

          • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 9, 2010 at 8:24 অপরাহ্ন - Reply

            @মুরাদ,

            অনেক ধন্যবাদ ভিডিওগুলির জন্য। দৈনদিন জীবনে এমন বিনোদন শান্তির শীতল পরষ বয়ে আনে।

            যদিও ব্যাংগ করে নাকি কে জানে সাথে কি কি যেন লিখেছেন তাতে মূল মাজেজা ধরতে পারিনি। পরিষ্কার করে লিখলে পারতেন কোনটার সাথে বিজ্ঞান ও কোরানের কি সম্পর্ক। ব্লগে লিখলে রাগ অভিমান এসব একটু চেপে রেখে ঠাণ্ডা মেজাজে লিখতে হয়।

            প্রথম ভিডিও তে কি জ্বীন দেখা যাচ্ছে? আশা পাশে আরো কার কার যেন জোব্বা পরা পা দেখা যাচ্ছে। তারাও কি জ্বীন নাকি মানুষ? জ্বীনের ভিডীও আরো দেখেছি, ফেসবুকে মনে হয় অনেক আছে।

  5. ভবঘুরে এপ্রিল 6, 2010 at 4:30 অপরাহ্ন - Reply

    ভাই শরীফ, অনেক আশা করেছিলাম আপনি উত্তর দিবেন। কিন্তু কিছুই বললেন না , রণে ভঙ্গ দিলেন নাকি ?

  6. শরীফ এপ্রিল 5, 2010 at 8:55 অপরাহ্ন - Reply

    প্রথমেই শুরু করতেছি আল্লাহর প্রশংসা করে যে ,আল্লাহ এক ও তার কোন শরিক নাই।আমি কোরান যতটুকু জানি এবং অজানা অনেক কিছু আলেমদের কাছে প্রশ্ন করে ও পরে কোরান পড়ে যা শিখেছি , তাতে মনে হল জনাব কাশেম , জনাব মুরাদের জবাবে যা লিখল তা শুধুমাত্র যুক্তির খন্ডন,সেখানে কোরানের মূল কথার সাথে কোন মিল খুজে পেলামনা। আল্লাহ কোরানে অনেক যায়গায় অতিত কালের ঘটনাকে বলতে গিয়ে সে সময়কার অবস্থাকে তুলে ধরেছেন , সে সময়কার অবিশ্বাসিদের (যেমন ফেরাউন)ও নবী ও রাসুলদের ঘটনাকে বর্ননা করেছেন , যেমন করে তিনি বলেছেন যে জুল্কারনাইন দেখেছেন সূর্যকে পংকিল জলাশয়ে ডুবতে(আর এই আয়াতটাকে নিয়ে কিছু অন্ধ শিক্ষীত আর কিছু অশিক্ষীত লোক বিনা অসুখে রুগীর ভান করতেছে) , সেখানে আল্লাহ বলেননি যে তিনি নিজে দেখেছেন বরং, বলেছেন জুল্কারনাইন দেখেছেন । এমন করে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও অন্নান্ন নবীদের (আঃ) এমনকি কাফেরদের ও কিছু কথাকে সরাসরি পবিত্র কোরানে উল্লেখ করেছেন যাতে করে মানুষ সহজে বুজতে পারে , তার মানে এই নয় যে মূসা বা নবীরা কোরান লিখেছেন বা কোরান মুসার বা নবীদের বা কাফেরদের বানী। আর সূর্য যে সমুদ্রে বা অন্য কোথাও অস্ত যায় এটা আমাদের মত মানুষের কথা যা এখন এত আধুনিক বিজ্ঞানের জুগের মানুষেরাও বলে।আর জুল্কারনাইন যদি সেটা বলে থাকে তাহলে সেটা মানুষের বোধগম্য। আর আল্লাহ কোরানে সুর্য সম্পর্কে যা বলেছেন তা আপনি পাবেন সুরা (আল-আম্বিয়া, আয়াত-৩৩)। পবিত্র কোরানে হয়তবা কিছু কিছু আয়াত পাবেন যা এখন আবিস্কার হইনি বা পুরুপুরি বুজা সম্ভব হয়নি , যেমন জ্বীন এর কথা (তাও একদিন মানুষ স্বীকার করতে হবে ইনশাআল্লাহ), কিন্ত যা চিরন্তন সত্য আর কোরান স্বাক্ষী দেয় তাকে নিয়ে আধুনিক যুগের নাস্তিকেরা যখন বারাবারি করে তখন মনে হয়, তারা শুধু না বলার জন্যই সৃষ্টি হইছে।কোরান কোন সাধারন মানুষের বানী নয়, যে একবার স্কিম্মিং করে গেলাম , আর বুজে ফেল্লাম।কোরান কে বুজতে হলে কোরানের আসল ভাষার দিকে লক্ষ রেখে ও একটা শব্দ দিয়ে আসলে কি বুজান হয়েছে তা বুজতে হবে ।একজন কোরান বর্ননাকারী ভুল করতে পারে তার মানে কোরান ভুল নয়, আমার মনে হয় আপনারা কোরানের ভুল খুজতে গিয়ে শুধু নিজেদের ভুল কে বারাইতেছেন ।আমার সন্দেহ হচ্ছে আপনারা কোরানের ভুল খুজার জন্য কার কাছ থেকে মূল্য নিচ্ছেন কিনা ,আর সেই মূল্যের বিনিময়ে পাপ করতেছেন কিনা।কোরানের যে ভুল গুলু খুজে পেলেন বলে মনে হয় তা নিয়ে একবার ও কি ভেবে দেখেছেন? !!!!!! সেই ভুল গুলা আপনার বুজার ভুল হতে পারে।আপনাদের লিখা পরে আমার একবার ও মনে হইনাই যে কোরানে ভুল আছে , বরং বারবার মনে হইছে যে আপনারা যারা লিখেন তারা কোরান কে বুজতে পারেনানাই, তাদের কোথাও কিছুর অভাব আছে।আল্লাহ ভাল যানেন সবকিছু।

    আমি জুল্কারনাইনের কথাটা উল্লেখ করলাম এই কারনে যে মুক্ত মন ওয়েবসাইট এর নিয়মিত লেখকের একজন কোরানের ঐ আয়াতকে একেবারে হাস্যকর বলে গন্য করেছেন। এমনি করে এই সাইটের সবগুলু কোরান সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব ইনশাল্লাহ । আর এতে করে আল্লাহ যাদের উপর রহমত নাজিল করবেন তারা ইসলামের পথ অনুসরন করবেন ,এই দুনিয়ার কোন কিছুই আল্লাহর অগোচরে নয়।আমরা মানুষরা এমন কিছু মানুষের কথা শুনি যারা শুধু কিছু থিউরী বের করে সত্ততা যাচাই না করেই মরে যায়, আর অন্নদিকে আল্লাহ তায়ালা সবকিছুকে কত সহজ করে আমাদের কাছে উপস্থাপন করেছেন ।যারা অবিশ্বাসি হবার তারা হবেই , যেমন করে হত অন্নান্য নবীদের উম্মতেরা, আর আল্লাহর নবীরা আগমনের পর তারা আবার সঠিক পথে ফিরে এসেছিল ।আর যাদের মনে আল্লাহর ভয় আছে তাদেরকে কেউ আল্লাহর পথ থেকে সরাতে পারবেনা।যারা আল্লাহ বিশ্বাসি ,তাদের কাছে আজকের নাস্তিক বা অবিশ্বাসি খুব আশ্চর্যের কিছুনা , কারন এমনি হবার ছিল , আমাদের নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এমনি বলে গেছেন ।দুক্ষ তাদের জন্য যারা সবকিছু বুজেও না বুজার ভান করে ।আল্লাহ আমাদের সবাইকে রহমত নাজিল করুন , আমিন ।

    আমি জানিনা, আপনাদের হাতে এত সময় হয় কি করে , সময় পেলে ইনশাল্লাহ লিখব।

    • ভবঘুরে এপ্রিল 6, 2010 at 2:13 পূর্বাহ্ন - Reply

      @শরীফ,

      ভাই শরিফ, আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনার লেখা পড়ে আপনাকে বেশ আস্থাবান মনে হলো। এটা খুব ভাল লন। আসলে এই মুক্তমনাতে একটা জিনিস বেশ ল্যনীয় তা হলো প্রত্যেকে কম বেশী একই মত ও আদর্শের পথিক , তাই তর্ক বিতর্ক ঠিকমতো জমে না। এক সময় অনেকটা এক ঘেয়েমি লাগে। আপনার সদয় উপস্থিতি আমাদেরকে বেশ উৎসাহিত ও অনুপ্রানিত করবে। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তমনা সাইটের লোকজন বেশ চমৎকার একটা বিতর্ক উপভোগ করতে পারবে। যাইহোক, আপনি অনেক কথা বললেও আসল কথা কিন্তু কিছু বলেন নি। অর্থাৎ আলোচ্য প্রবন্ধের একটা পয়েন্টও খন্ডনের চেষ্টা করেননি। আলোচ্য প্রবন্ধে যেটা বলার চেষ্টা করা হয়েছে তা হলো জাকির নায়েক নামের এক লোক কোরানের আয়াতে আয়াতে বিজ্ঞান খুজে পাচ্ছেন। যেটা আমাদের কাছে বেশ বিরক্তিকর ও হাস্যকর মনে হয়। সে কারনে দেখবেন প্রতিটি পয়েন্ট উল্লেখ করে জাকির মিয়ার দাবিকে খন্ডন করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং আমার ধারনা খুব ভাল করেই তা করা গেছে।আপনার যদি সত্যিকার বিতর্ক করার সৎ মনোবাসনা থাকে তাহলে জাকির মিয়ার বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার গুলি পুনঃ প্রতিষ্ঠা করতে পারেন তবে অবশ্যই যথাযথ যুক্তি প্রদর্শন সাপে।ে খামোখা আপনার ব্যাক্তিগত বিশ্বাস অবিশ্বাসের কথা এখানে বলে কোন লাভ নেই কারন তাতে মনে হয় সবাই বেশ বিরক্তি বোধ করতে পারে। আর হ্যা, কোরানে বেশ কয়েকবার বলা হয়েছে যে কোরান সহজ সরল ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে যাতে সবাই তা বুঝতে পারে। অথচ আপনার বক্তব্য অনুযায়ী কোরান সবাই বুঝতে পারে না, শুধু তাই নয় কোরান বুঝতে হলে মূল ভাষা আরবী জানতে হবে ভাল করে। এটা কিন্তু ভাই আপনি কোরানকেই অবমাননা করলেন কিন্তু বুঝতে পারেন নি। এর জন্য আপনার জন্য আল্লাহ কিন্তু জাহান্নাম বুক করে রাখতে পারেন। আর আরবী না জানলে যদি কোরান বোঝা না যায় তাহলে আল্লাহর উচিত ছিল পৃথিবীর প্রতিটি ভাষাতেই কোরান প্রকাশ করা তথা প্রতিটি ভাষার জাতি গোষ্ঠির মধ্যে নবীর যাওয়া উচিত ছিল তাই না ? নারী মুখো ঘোড়ায় করে মাত্র কয়েক মুহুর্তে যদি তিনি সাত আসমানের ওপর আল্লাহর আরশে গিয়ে আল্লাহর সাথে মিটিং করে দুনিয়ায় ফিরে আসতে পারেন , সেই তুলনায় পৃথিবীর প্রতিটি জাতি গোষ্ঠির কাছে গিয়ে কোরান প্রকাশ করা তো ছিল খুবই নগন্য ঘটনা। তাই না ? খালি অসভ্য আরবরা আল্লাহর সত্য বানী পাবে আর অন্যরা বসে আঙ্গুল চুষবে সেটা তো আল্লাহর ন্যায় বিচার হতে পারে না, কি বলেন ?

      • শরীফ এপ্রিল 7, 2010 at 5:52 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,

        @ভবঘুরে,
        ভাই আমার মনে হয় আপনি আমার কথা বুজতে পারেননি , যেমন করে কোরানকেও বুজতে পারেননি , আপনি ভাল করে দেখেন আমি বলেছি যে

        এমন করে আল্লাহ মুসা (আঃ) ও অন্নান্ন নবীদের (আঃ) এমনকি কাফেরদের ও কিছু কথাকে সরাসরি পবিত্র কোরানে উল্লেখ করেছেন যাতে করে মানুষ সহজে বুজতে পারে

        আমি বলিনি কোরানের সব কথা সবার জন্য সহজ , বরং কোরানের বেশীরভাগ কথাই খুভ সহজে বুজা যায় তা আপনি যে ভাষায় ই অনুবাদ করে পড়েন না কেন (তবে যে ব্যাক্তি অনুবাদ করবেন, তার বুজার কোন ভুল আছে কিনা সেটা না বুজেই যদি আমরা বিচার করি যে মূল গ্রন্থটাই ভূল, সেটা তো ঠিক না), আর কোরানের যে কথাগুলু জীবনে চলার পথে বেশী জরুরি সেগুলু যেকোন মানুষ পড়লেই বুজতে পারে,আর সহজ ভাষায় ই সে সব সহজ কথা গুলু বলা হয়েছে কোরানে (যেমন সম্পত্তি বন্টনের কথা, নারীদের অধিকারের কথা, এতিমের অধিকারের কথা ইত্যাদি ) ।আপনি ভাল করেই জানার কথা , কোরান কে আল্লাহ বিজ্ঞানের বই হিসাবে পাঠান নি বরং কোরানের কেবল মাত্র কিছু কথা যা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে মিলে যায় ।কোরান জোড় করে কোন বিজ্ঞানীকে বলেনি কোরানের কথার সাথে তাদের আবিস্কারকে মিলাতে ।আপনি ডঃ কীথ মূরের নাম তো অবশ্যই শুনে থাকবেন , একজন এম্ব্রিওলজিস্ট , সে কেন কোরানের সাথে তার এত কস্টের আবিস্কারকে মিল খুজে পেয়ে আশ্চর্যান্বিত হল !!!!!!!!!

        আপনার তত্ত্ব ৯ এর দ্বিতীয় অংশের জবাবে বলতেছিঃ

        আমি ভেবে পাচ্ছিনা আমি আপনার মত একজন এই বিষয়ে অপারদর্শী লোকের কথা বিশ্বাস করব, নাকি ডঃ কীথ মূরের মত এই বিষয়ে পারদর্শী এবং পৃথিবী বিখ্যাত একজন ডঃ এর কথা বিশ্বাস করব!!!!!!!!!!!
        আপনাদের এই ওয়েবসাইটে তো আবার সব শিক্ষীত মানুষদেরকে বিবেচনা করা হয় অশিক্ষীত , ডঃ কীথ মূরের মত একজন শিক্ষীত লোক যদি এখন অশিক্ষীত হয়ে যায় তাহলে আর আমার উলু বনে মুক্তা ছড়ানো ছাড়া আর কি! ডঃ কীথ মূর স্বীকার করে নিয়েছে যে মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর রাসূল এটা মেনে নিতে তার কোন সমস্যা নাই।আর এর কারন হল কোরান যা বলছে তা তার কাছে সঠিক মনে হইছে ।নিচের লিঙ্ক টা দয়াকরে একটু দেখুন,

        http://www.youtube.com/watch?v=Tx434UE3SYw

        ইনশাল্লাহ আপনার সবগুলু প্রশ্নের জবাব আমি দিব , তবে ডঃ জাকির নায়েকর সঠিক কথাকে আবার সঠিক প্রমান করতে না বরং ইসলামের বাণী আপনাদের কাছে সহজ করতে ।

        ভবঘুরে ভাই , আমি এখন আপনাকে প্রশ্ন করতেছি ,

        ১*আমাদের নবী, মুহাম্মদ (সাঃ) এর কথা অন্নান্য ধর্ম গ্রন্থে এলো কি করে?

        ২*সেইগুলাওকি আপনাদের মতে আমাদের নবী লিখে এসেছিল?

        আশাকরি উত্তর টা ভেবে দিবেন।

        • ভবঘুরে এপ্রিল 7, 2010 at 5:46 অপরাহ্ন - Reply

          @শরীফ,

          ভাই শরিফ, অন্য কোন গ্রন্থে মোহাম্মদের কথা লেখা আছে? ওটাও জাকির নায়েকদের মত ভন্ড আর ধান্ধাবাজ মানুষদের আবিষ্কার। তবে হিন্দুদের অল্লোপনিষদ নামের একটা গ্রন্থ দেখেছিলাম অনেক আগে যাতে মোহাম্মদের কথা লেখা ছিল। তবে মজার ব্যাপার হলো- ওই উপনিষদকে হিন্দুরা তাদের উপনিষদ হিসাবে স্বীকার করে না কারন মুসলমানদের ভারতবর্ষে দীর্ঘ রাজত্বকালে কিছু প্রচন্ড রকম মৌলবাদী মুসলমান সম্্রাট ইসলামের শ্রেষ্টত্ব প্রচার করতে ভাড়াটে লোক দিয়ে ও ধরনের উপনিষদ লিখিয়েছিল। বিষয়টা যে সত্য তার প্রমান হলো উপনিষদের নামকরন। অল্লোপনিষদ যাতে আল্লাহর নাম আছে আর মূল উপনিষদগুলো হলো সংস্কৃত ভাষায় রচিত যাতে আল্লাহ বলে কোন শব্দ নেই।

          ডঃ কিথ মুরের কথা বলছেন? শোনেন , উনিও মরিস বুকাইলির মত সৌদি আরব থেকে ভালই পেট্রো ডলার বাগিয়ে নিয়েছেন। সে কারনেই না উনিও বুকাই এর মত মুসলমান হন নি? বুঝছেন? মোহাম্মদ যদি এতই আল্লাহর নবী হয়ে থাকবেন আর কোরান যদি আল্লাহর বানী হয়ে থাকবে তা যদি তারা বিশ্বাস ও স্বীকার করেন তাহলে তারা ইসলাম কবুল করেন নি কেন ? কেউ কি সত্য রাস্তা ত্যাগ করে মিথ্যা রাস্তায় চলে নাকি ? তাছাড়া বুকাই বা কীথ বিজ্ঞান জগতের এমন কোন দিকপাল না, যদি সত্যি সত্যি বিজ্ঞান জগতের খোজ খবর নিয়ে থাকেন।আসলে বুকাই বা কীথ এক ঢিলে দুই পাখি মেরেছেন। তা হলো মুসলমানদের ধোকা দিয়ে ভালই মাল কামিয়ে নিয়েছেন , অন্য দিকে মোহাম্মদ ও কোরানের মত ফালতু বিষয়কে ঐশী বলে রায় দিয়ে মুসলমানদেরকে অর্থনীতি ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে উন্নতি করা থেকে দুরে সরিয়ে রেখে তাদের চরম সর্বনাশ করেছেন যা কিন্তু পাশ্চাত্য ষড়যন্ত্রের একটা অংশ। এর সহজ ও সরল উদ্দেশ্য হলো মুসলমানরা যেন মোহাম্মদ ও কোরান নিয়ে ব্যস্ত থাকে , আর ফাকতালে পাশ্চাত্য বিশ্ব তাদের সম্পদ লুটে পুটে খেতে পারে। বাস্তবতাও কিন্তু তাই । আপনি একটু চোখ মেলে তাকান প্লিজ , সব পরিস্কার দেখতে পাবেন।

          • শরীফ এপ্রিল 9, 2010 at 8:06 পূর্বাহ্ন - Reply

            @ভবঘুরে,
            ভাই দয়াকরে আপনার পোষ্ট এর জবাবটা সৈকত ভাইয়ের ঐ খান থেকে দেখে নিবেন ।
            আস-সালামু আলাইকুম

        • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 9, 2010 at 8:30 পূর্বাহ্ন - Reply

          @শরীফ,

          ভাই, ধর্ম বিশ্বাস করেন খুব ভাল কথা। তবে বিশ্বাসের ফলে যে যা বলে তাই চোখ কান বুজে ধরে নেবেন না।

          অন্য ধর্মে নবীজির আগমন বার্তা নিয়ে খুব বেশী উল্লসিত মনে হয় হওয়া উচিত নয়। তাহলে বলতে হয় যে যেসব ধর্মগ্রন্থে এতবড় সত্য কথা লেখা আছে সেসব ধর্মগ্রন্থ আসলে খাঁটি, কি বলেন? উপনিষদ কে আর মানুষের লেখা বলে কেন উড়িয়ে দেব?

          ভবিষ্যাপূরানা বলে হিন্দুদের অতি পবিত্র একটি গ্রন্থ আছে, যা অনেকটা তাদের কাছে মুসলমানদের হাদীসের মত। তাতে নবীজি সম্পর্কে কি লেখা আছে দেখেন।

          “According to Bhavishya purana

          Mahamada (Incarnation of Tripurasura the demon) = Dharmadushika (Polluter of righteousness)

          Religion founded by Mahamada = Paisachyadharama (demoniac religion)”

          পুরোটা নিজেই এখানে পড়ে নেন।

          • শরীফ এপ্রিল 9, 2010 at 2:58 অপরাহ্ন - Reply

            @আদিল মাহমুদ,

            ভাই শ্রদ্ধার সাথে জানাচ্ছি , আপনার এইসব যুক্তি সব গুলোই খন্ডন করা সম্ভব । তবে ফলাফল শেষ পর্যন্ত ,

            যে লাউ সেই কদু।

            ভাল থাকবেন ভাই ,ইজি কাজে কিছুটা বিজি আছি ,পরে সময় পেলে লিখব।

            আস-সালামু আলাইকুম।

            • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 9, 2010 at 8:02 অপরাহ্ন - Reply

              @শরীফ,

              আশা করি বেশী বিজি থেকে ডিজি না হয়ে যুক্তিগুলি লিখে ফেলবেন, তবে যুক্তি পরিষ্কার করে দেবেন, নয়ত আমার মতন হেজিপেজি লোকে বুঝবে না।

              আমি এসব বেদ গীতা পূরানের কিছুই বুঝি না। তবে দেখতে পাচ্ছি যে তাতে নবী মুহম্মদ ও ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধে মোটেও ভাল কিছু লেখা নেই। তিনি দেখা যাচ্ছে পিশাচ বংশীয় বলে হিন্দু পূরান দাবী করে, আর ইসলাম হল পৈশাচিক ধর্ম।

              আমার নিজের মনে হয় এসবই মানুষের আবিষ্কার। যার যা মতলব সে সেভাবে এসব ধর্ম পূরান লিখে নিজের বদ উদ্দেশ্য সাধন করে।

    • আকাশ মালিক এপ্রিল 6, 2010 at 6:34 পূর্বাহ্ন - Reply

      @শরীফ,

      ভুল বাংলা বানানে ভরপুর আপনার মন্তব্য দেখেও আশা করেছিলাম আপনি শুদ্ধ আরবী ভাষা জানেন এবং বুঝেন। কারণ আপনি বলেছেন-

      আপনাদের লিখা পরে আমার একবার ও মনে হইনাই যে কোরানে ভুল আছে।

      বুঝা গেল আপনি সম্পূর্ণ কোরান জেনে বুঝে পড়েছেন। কিন্তু নীচের বাক্যটি পড়ে বড় হতাশ হলাম।

      পবিত্র কোরানে হয়তবা কিছু কিছু আয়াত পাবেন যা এখন আবিস্কার হইনি বা পুরুপুরি বুজা সম্ভব হয়নি.

      হয়তবা কেন বললেন? এটা কি আপনার অনুমান নির্ভর কথা? যা এখনো আবিষ্কার হয়নি সে বিষয় বা বস্তু নিয়ে কোরানের একটা আয়াত শুনতে চাই। আপনি নিশ্চয়ই জানেন সে কোন্ আয়াত। আচ্ছা, যা এখনো আবিষ্কার হয়নি, তা কখন আবিষ্কার হবে যদি বলতে না পারেন, অন্তত বস্তুর নামটা তো বলুন প্লীজ।

      আপনি বললেন-

      আল্লাহ তায়ালা সবকিছুকে কত সহজ করে আমাদের কাছে উপস্থাপন করেছেন।

      আবার বললেন-

      কোরান কোন সাধারন মানুষের বানী নয়, যে একবার স্কিম্মিং করে গেলাম , আর বুজে ফেল্লাম। কোরান কে বুজতে হলে কোরানের আসল ভাষার দিকে লক্ষ রেখে ও একটা শব্দ দিয়ে আসলে কি বুজান হয়েছে তা বুজতে হবে।

      ঠিক আছে আপনি কোরানের আসল ভাষার দিকে লক্ষ্য রেখে ও একটা শব্দ দিয়ে আসলে কি বুঝানো হয়েছে তা বুঝে আমাকে বলে দিন, আগামী কতদিন পরে কোন্ নতুন বস্তুটি মানুষ আবিষ্কার করবে যা কোরানে লিখা আছে।।

      • শরীফ এপ্রিল 7, 2010 at 6:03 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আকাশ মালিক,

        আকাশ ভাই আপনি আমার লিখার এই অংশটাকে খেয়াল করে দেখুন ,আপনার প্রশ্নের জবাব আছে।

        পবিত্র কোরানে হয়তবা কিছু কিছু আয়াত পাবেন যা এখন আবিস্কার হইনি বা পুরুপুরি বুজা সম্ভব হয়নি , যেমন জ্বীন এর কথা (তাও একদিন মানুষ স্বীকার করতে হবে ইনশাআল্লাহ)

        আর আমি স্বীকার করতেছি আমার বাংলা বানানে হয়তবা ভূল আছে , সেই জন্য আমি দুঃখিত , অনেক বছর বাংলা লিখার অভ্যাস নাই।

        ধন্যবাদ

        • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 7, 2010 at 8:27 পূর্বাহ্ন - Reply

          @শরীফ,

          “যেমন জ্বীন”

          ঠিক বলেছেন। জ্বীন তো আধুনিক বিজ্ঞান সবে এইদিন আবিষ্কার করল। ডিএনএ, জীনতত্ত্ব এগুলি হল সাম্প্রতিক সময়ের আবিষ্কার।

        • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 7, 2010 at 12:27 অপরাহ্ন - Reply

          @শরীফ,

          ১*আমাদের নবী, মুহাম্মদ (সাঃ) এর কথা অন্নান্য ধর্ম গ্রন্থে এলো কি করে?

          ২*সেইগুলাওকি আপনাদের মতে আমাদের নবী লিখে এসেছিল?

          আপনারা অন্য ধর্মগুলোকে বিকৃত ও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন। তবে মুহাম্মদের নবুয়তী প্রমাণে অন্য ধর্মগ্রন্থের দ্বারস্থ হোন কেনো? আস্তিক হলে কি লজ্জা-শরম কিছুই থাকতে নেই?

          মুহাম্মদের জন্ম প্রায় সাড়ে ১৪০০ বছরের আগে হয়েছে। এর পর তার জন্মের কথা কোনো ধর্মগ্রন্থে যদি ঢুকে পড়ে তবে তা কি বর্তমানে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপিত হবে? আর কোরানে বিজ্ঞান খোঁজার মত অন্য ধর্মগ্রন্থে মুহাম্মদের নবুয়তীর ভবিষ্যতবাণী খোঁজার মহা-আয়োজন দেখলে এসব মুসলমানদের প্রতি শুধুই করুণা হয়।

          পবিত্র কোরানে হয়তবা কিছু কিছু আয়াত পাবেন যা এখন আবিস্কার হইনি বা পুরুপুরি বুজা সম্ভব হয়নি , যেমন জ্বীন এর কথা (তাও একদিন মানুষ স্বীকার করতে হবে ইনশাআল্লাহ)

          আপনার ইমানী জোশ দেখে বিস্মিত হলাম। বুঝার আগেই কোরানকে অলৌকিক গ্রন্থ বা আল্ল্যা প্রদত্ত বলে বিশ্বাস করে নিতে হবে? আর আগে বিশ্বাস করে ফেললে পরে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করবেন কিভাবে?

          • শরীফ এপ্রিল 9, 2010 at 7:43 পূর্বাহ্ন - Reply

            @সৈকত চৌধুরী,

            সৈকত ভাই ,

            আপনারা অন্য ধর্মগুলোকে বিকৃত ও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করেন। তবে মুহাম্মদের নবুয়তী প্রমাণে অন্য ধর্মগ্রন্থের দ্বারস্থ হোন কেনো? আস্তিক হলে কি লজ্জা-শরম কিছুই থাকতে নেই?

            নাস্তিকের লজ্জা খুব যে আছে সেটা আপনি ভালই প্রমান করলেন , পবিত্র কোরানকে আপনার নির্বুদ্ধিতার কারনে এত খারাপ লাগার পরও , তার পিছনে সময় নষ্ট করে ।পবিত্র কোরানের সমালোচনায় নামলেন শুধু মাত্র ঐ আয়াত গুলু পড়েই যেগুলুকে বুজার মত ইচ্ছা আপনার নাই, যা পড়ার আগে আপনার কোরান কি সেটা পড়া উচিত ছিল।আপনি কোরানের নিচের আয়াত লক্ষ্য করুন ,

            সূরাঃ৭ আয়াত ১৫৭,
            Those who follow the Messenger, the unlettered prophet, whom they find written in what they have of the Torah and the Gospel,,

            আপনি আরো দেখেন সুরাহ ৩৫ আয়াত ২৪,
            সুরাহ ১৩ আয়াত ৭,

            আমাদের নবীর পূর্বে যে সকল ধর্ম গ্রন্থ আসছে তার মধ্যে আমাদের নবীর কথা আছে ।আপনি বলেন ভাই আমি কি কিনারাহীন ও ফলাফলহীন নাস্তিকের কাছে যাব আমাদের নবীর কথা খুঁজতে , নাকি কোরান যেখানে বলছে সেখানে ?

            আর সবচেয়ে মজার বিষয় হল কোরান সঠিক কথা বলেছে , আর আপনি ভাল করে নিচের উল্লেখ্য বিভিন্ন ধর্মের উক্তিগুলো দেখলে বুজতে পারবেন ,

            ১।
            http://biblos.com/songs/5-16.htm
            (ভাই বাইবেলের হিব্রু অরিজিনাল ভাষায় পড়লে এইখানে আমাদের নবীর নামের কথা পাবেন । আপনি যতই অস্বীকার করেন ,কোন সাধারন মানুষ ও এটা বুজতে পারবেন ।)
            ২।
            http://biblos.com/deuteronomy/18-18.htm

            ভাইজানরা ভাবছিলাম আপনাদেরকে অন্যান্ন ধর্ম গ্রন্থে আমাদের নবীর নামের লিস্ট দিব , কিন্তু ভবঘুরে ভাইয়ের জবাব দেখে , ইচ্ছা টা নষ্ট হয়ে গেল , আর এখন মনে হচ্ছে আমার দেওয়ার আগেই হয়তবা আপনাদের এই বিষয়ে কিছু বানানো আছে ।শুধু শুধু আর কষ্ট করলাম না ।আর যদি সত্যি না থাকে তাহলে, চোখ কান খোলা রেখে , বিশ্লেষন মূলক মন নিয়ে , নিজে ভেদ পড়ে দেখেন । তাহলে আর জাকির নায়েকের দ্বারস্থ হতে হবেনা ।

            এটা কোন জাকির নায়েকের লেখা বাইবেল আর হিন্দু ধর্মগ্রন্থ না , এই গ্রন্থগুলোকে প্রতি ধর্মের নেতাদের কাছে অনেক আগে থেকেই পাওয়া যেত , আর ঐ গ্রন্থগুলো আমাদের নবীর ও অনেক আগের (এইটা আমার কথা না ,প্রতিটি ধর্মের ইতিহাস বলে তাই) , যেখানে আমাদের নবী জন্ম হবার আগে গিয়ে ,নিজের হাতে তার নাম ঐ গ্রন্থে লিখে আসার প্রশ্নই উঠেনা ।আর পরে ঢুকে পরার আজগুবি গল্পটা ভালই বানিয়েছেন ।আপনার কি মনে হয় কোন একজন শিক্ষীত তো দূরের কথা ,একজন অশিক্ষীত লোক কেও আপনার এই বানানো কথাকে বিশ্বাস করাতে পারবেন !!!!!! তার উপড় খ্রীষ্টান ধর্মের মত একটা প্রতিষ্ঠিত ধর্মের মূল ধর্ম গ্রন্থের ভিতর আমাদের নবীর নামকে ঢুকিয়ে দেউয়া!!!!ভাই উত্তর খোঁজে না পেলে বা না জানলে চুপ করে থাকাও ভাল , তাতে করে আপনার কাছ থেকে কেউ ভূল টা শিখবেনা বা অযথাই আপনার ভূল মন্তব্যের মধ্যে কেউ কিছু খোঁজতে গিয়ে সময় নষ্ট করবেনা ।

            ভবঘুরে ভাই এর জবাবে বলছি , আপনি খুব সূন্দর করে হিন্দু ধর্মের বিকৃ্তির বর্ননা করে গেলেন , ভাই ইতিহাস আমরাও একটু জানি , আপনি বললেন হিন্দু ধর্মের ভেদ এর কিছু অংশ ভাড়াটে না কি যেন একটা বললেন তাদের দিয়ে পরিবর্তন করানো হইছে , আপনারা যারা এমন সুন্দর করে ইতিহাস বানান তাতে হাসব না কাঁদব বুজে পাইনা । মানুষ নাকি শুনছিলাম ভবিষ্যৎ বানী দেয় , আপনিত রিতীমত অতীত বানী শুরু করে দিলেন !!!!!!!!!!!!!।আপনার মতে ভারতবর্ষে মুসলমান শাসকেরা হিন্দু ধর্ম পরিবর্তন করে ফেলল ,আর হিন্দুরা জানতেই পারলনা ।!!!!!!!!!!! আজব !!!!!
            আপনি ভেবে দেখেন আমাদের নবীর উপড় যে কোরান নাযিল হইছে আর তার মধ্যে যে ভবিষ্যতের ও অতীতের কথা বলা আছে , তার মধ্যে বিশ্বাসিদের কাছে পুরাটাই গ্রহনযোগ্য আর কিছু অবিশ্বাসিদের কাছে কিছুটা গ্রহনযোগ্য (যেমন কীথ মূর)। আর আপনার কথা ভেবে দেখেন, একটা ভবিষ্যত দুঃখিত!!!! অতীত!!!! বানী করলেন , যার মধ্যে যে ভূল আছে সেই ভূলের নদীতে মানুষ সাতার কাটতে পারবে আজীবন । ভাই আপনি কোরানের চ্যালেঞ্জ নিবেন কি করে সে কথা ভাবছি!! আপনি ১০ লাইন তো দুরের কথা এক লাইন লিখতে লিখতে জীবন পার করে দিবেন মনে হচ্ছে ,তারপরও কিছুই মাথায় আনতে পারবেন না । আপনার মূল লেখায় কোরান কে বৃথা সহজ করার চেষ্টার উদাহরন টা আমাকে খুব আনন্দ দিছে । আমি আপনাকে অনুপ্রেরনা দিচ্ছি , লিখা শুরু করে দিন , মনে হয় আপনি পারবেন , টেনেটুনে একটা ব্যাবস্থা করতে ,কোন কিছু মিলানোটা আপনাকে দিয়ে ভাল করেই হয়।কোরান কে যদি আমাদের ভাষার মত ভূলে তৈরি করা হত , তাহলে তখনকার আরব বাসিদের মত এত বর্বর জাতি কোরান কে মেনে নেয়ার প্রশ্নই আসেনা ।তারা আল্লাহর বাণীকে নিরীক্ষা করার জন্য কি না করেছে আমাদের নবীর সাথে, তাতো আপনি না জানার কথা না।আমার মতে না ভাই, ইতিহাসবিদ দের মতে ঐ সময়কার আরবরা ছিল প্রচন্ড বর্বর আর তাদের মধ্যে আল্লাহ ,তার বানীকে ঠিক ই প্রতিষ্ঠা করছেন ।মুহাম্মদ (সাঃ)তো অনেক পরের কথা , কোন একটা দেশের বিশাল দল মিলেও যদি চেষ্টা করে তাহলেও কোন দেশের যুগে যুগে গড়ে উঠা অভ্যাস এত তারাতারি পরিবর্তন হওয়ার নিশ্চয়তা নাই যা আল্লাহ অল্প সময়ে করছেন ।

            যারা কোরান বুজতে চায় তাদের জন্য একটা আয়াত ই যথেষ্ট অনেকগুলো লাগেনা , অনেক গুলার মধ্যে একটার কথা আবারো এইখানে বলি তাহল ,
            সুরাঃ ২১ আয়াতঃ ৩৩
            আয়াতটা আর কপি পেষ্ট করলাম না ,কারন আমি জানি ,আপনি আমার অনেক আগেই এই আয়াতের উপড় রিসার্চ করে বসে আছেন ।
            আল্লাহ তায়ালা আমাকে অনেক নাস্তিকের সাথে কথা বলার সুযোগ করে দিছে , তার মধ্যে একজন কে আমি যেমন চিনি তেমনি আপনারাও চিনবেন , সে হল বাংলাদেশ থেকে বিতারিত দাউদ হায়দার যে এখন বার্লিনে থাকে , যার সাথে কয়েকদিন কথা হইছিল , আমি তার সাথে ধর্ম নিয়ে তর্ক করতে যাইনাই কিন্তু আমাদের ই একজন যখন কথা বলতেছিল , তখন দাউদ হায়দার বলতেছিল যে আমাদের নবী নাকি অনেক চালাক ছিল , আরো হাবিজাবি কতকি । আমি তার সাথে এই ব্যাপারে কিছু বলিনাই কারন তাকে দেখে আমার মায়া লাগতেছিল । যাই হোক সে কথা , আমি আসলে বলতে চাচ্ছিলাম , আপনাদের মতে আমাদের নবী অনেক চালাক , আর উপড়ে উল্লেক্ষিত আয়াতটা সম্পর্কে যখন আপনারা বিবেচনা করেন আমাদের নবীকে এমন ভাবে ভাবতে থাকেন যে চন্দ্র আর সূর্যকে নাকি তিনি আকাশে সাতাঁর কাটতে দেখেন, আর সাতাঁর কাটার শব্দ টাকে নিয়া আকাশে পানি খোঁজেন , হাস্যকর আপনাদের বিচার।আপনি তো এত সহজ করে আয়াত রচনা করা শিখাইলেন ,কোরানের এই আয়াতের মত কোন আয়াত কি আপনি বা আমি রচনা করতে পারব??????????????????

            এ জন্যই রবী ঠাকুর আপনাদের জন্য বলেছিল ,

            সহজ কথা বলতে আমায় কহযে ,সহজ কথা যায়না বলা(বুজা!!!) সহজে ।

            আপনারা সবাই সহজ বিচার আগে করেন ভাই , তারপর কঠিনে যান ।

            কীথ মূরঃ
            ভাই ইসলামকে পাতানো ম্যাচ বানিয়ে ফেললেন !!!!!!!!!!!!!!!!!!
            ভাল… দয়াকরে আমাকে আপনার প্রমাণ সহ বুজিয়ে দিতে হবে যে কীথ মূর পেট্রো ডলার নিছিল।!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

            কীথ মুর যদি ভূল বলে সে কথা যে পৃ্থিবীর ডাক্তাররা মেনে নিবেনা সেই কথা বুজার মত ক্ষমতা কী তাহলে সৌদির নেই!!সেটাতো আমাদের দেশীভাষায় যাকে বলে মদন ,তার ও আছে ।

            আর মুসলমানদের ক্ষতির কথা ভাবতেছেন ভাই আপনি!!! , যে নিজেই আল্লহু আকবার শুনে জন্ম নিয়া, আল্লাহকে ভুইলা ,আল্লাহর বান্দাগুলারে বাঁশ খাওয়ানোর পথে নামছেন।আজব !!!!!!!ভাই আপনি।

            যদিও আপনি মানবেন কিনা আমার সন্দেহ , তাও কোরানের একটা সুন্দর দিকের কথা আমি আপনাকে বলি, কোরানের সার্বিক দিক বিবেচনায় এটা সহজ সবার জন্য ,আর তাদের জন্য এটা বেশী অর্থপূর্ন যারা আসলেই জ্ঞানি ,আর তাদের জন্য এটা কঠিন যারা আসলে কোন সহজ জিনিস সহজে বুজেনা।

            আমার মনে হয় এই ওয়েবসাইটে যারা লিখে তারা মোটামোটি শিক্ষীত ,মানে সব বিষয়ে ধারনা রাখতে চেষ্টা করে, সে যে নিতীতেই বিশ্বাস করুক না কেন।অতএব , যেমন খুশী তর্কের খাতিরে তর্ক করলে সারাজীবন করা যাবে।তাই বিদায় নেবার পালা,

            তবে তার আগে আসেন

            একটু হিন্দু ধর্মের কথায় ,আমাদের নবীর এমন কোন সাহাবী আছে বলে আমার জানা নাই যে সাংস্কৃত ভাষা জানত , আর সে ভাষা গিয়ে আমাদের নবীর কাছে বলত । আর তা দেখে দেখে আমাদের নবী তার নবীত্ব দাবি করছে।

            আর কোরানে বিজ্ঞান খোঁজার মত অন্য ধর্মগ্রন্থে মুহাম্মদের নবুয়তীর ভবিষ্যতবাণী খোঁজার মহা-আয়োজন দেখলে এসব মুসলমানদের প্রতি শুধুই করুণা হয়।

            ভাই, করুনা মুসলমানদের এখন আপনার উপর হওয়া উচিত কারন আপনার তো এমন বিশ্বাস যার কোন কিনাড়া নাই।শুধু বিজ্ঞানের আশায় বসে আছেন , আর আশার ফলাফল না জানেন আপনি , আর না পারতেছেন আমাদেরকে জানাতে ।অথচ কোরান আমাদেরকে অনেক আগেই বলে দিছেন সাত আসমানের কথা , যা বিজ্ঞান আবিষ্কার করবে হয়তবা অনেক বছর পরে আর ততদিনে আমি আর আপনি পঁচে গলে সব শেষ।

            ভাই আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি ,ভাল যুক্তি দিয়ে জবাব দিলে উত্তর দিব মাঝে মাঝে ।ক্লাস শুরু হয়ে যাবে তাই হয়তবা নিয়মিত হতে পারবনা।
            আস-সালামু আলাইকুম

            • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 9, 2010 at 7:42 অপরাহ্ন - Reply

              @শরীফ,

              পবিত্র কোরানকে আপনার নির্বুদ্ধিতার কারনে এত খারাপ লাগার পরও , তার পিছনে সময় নষ্ট করে ।

              আমার নির্বুদ্ধিতার কারণে কোরানের পিছনে সময় নষ্ট করছি!! আসলে আপনাদের মত সুবুদ্ধিমানরা না থাকলে আমার কাছে থাকা কোরানকে ডাস্টবিনেই স্থান দিতাম।

              আপনাকে একটা অনুরোধ করব। সমস্ত কোরান পাঠ করে আপনার জ্ঞান কি বেড়েছে বা নতুন কি শিখেছেন তার একটা তালিকা দেন তাহলে অনেক কিছুই পরিস্কার হয়ে যাবে।

              অন্য কোনো ধর্মগ্রন্থে যদি মুহাম্মদের কথা লেখা থাকে তবে তা কি মুহাম্মদের নবুয়তীর প্রমাণ হয়ে যাবে? দুঃখিত, আমরা নাস্তিকরা কোনো ধর্ম বা ধর্মগ্রন্থের অলৌকিকতায় বিশ্বাস করি না। আপনি দেখেন, যীশু নামক কেউ আদৌ ছিলো কিনা এ নিয়েই রয়েছে বিতর্ক। এরপর বাইবেলের কোন অংশ কে বা কারা কখন লেখেছে, কখন কিভাবে, কার দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে তা নির্ধারণ বড়ই মুশকিল। মুসলমানরা বিশ্বের একটা বড় অংশ দীর্ঘ দিন শাসন করেছে তাই মুসলমানদের কোনো উপাদান যে অন্য ধর্মগ্রন্থে ঢুকবে না তার গ্যারান্টি কোথায়? আবার গৌতুম বুদ্ধের কথা ধরুন। গৌতুম বুদ্ধের সাথে হিন্দু ধর্মের কোনো সম্পর্ক না থাকলেও তিনিই হিন্দুদের বুদ্ধ অবতার। আর মুহাম্মদের নাম-ঠিকানা সবই অন্য ধর্মগ্রন্থে থাকলে অন্য ধর্মাবলম্বীরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে না কেনো? এ ব্যাপারে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ব্যাখ্যা কি তা জানার চেষ্টা কি কখনো করেছেন?

              অন্য যেকোনো ধরণের প্রমাণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অন্য ধর্মগ্রন্থকে ভ্রান্ত, অগ্রহণযোগ্য ও বিকৃত বলে ঘোষণার পরও আপনাদের মহান আল্ল্যা যদি অন্য ধর্মগ্রন্থ থেকেই মুহাম্মদের নবুয়তীর প্রমাণ করার কথা বলেন তবে তা ই আপনাদের আল্ল্যার মূর্খতার প্রমাণ।

              কীথ মূর আর মরিস বুকাইলি কি বলল তাতে কি কিছু যায় আসে? এমনকি কোনো মহান বিজ্ঞানীও কিছু বললে তা তত সময় পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য হবে না যতক্ষণ না তিনি তার উপযুক্ত প্রমাণ ও ব্যাখ্যা দেন।

              কোরানের এই আয়াতের মত কোন আয়াত কি আপনি বা আমি রচনা করতে পারব??????????????????

              কিভাবে রচনা করলে তা কোরানের মত হবে একটু বিস্তারিত বলেন এবং এই লেখাটি পড়েন। ধন্যবাদ

            • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 9, 2010 at 8:34 অপরাহ্ন - Reply

              @শরীফ,
              সে হল বাংলাদেশ থেকে বিতারিত দাউদ হায়দার যে এখন বার্লিনে থাকে , যার সাথে কয়েকদিন কথা হইছিল , আমি তার সাথে ধর্ম নিয়ে তর্ক করতে যাইনাই কিন্তু আমাদের ই একজন যখন কথা বলতেছিল , তখন দাউদ হায়দার বলতেছিল যে আমাদের নবী নাকি অনেক চালাক ছিল , আরো হাবিজাবি কতকি । আমি তার সাথে এই ব্যাপারে কিছু বলিনাই কারন তাকে দেখে আমার মায়া লাগতেছিল ।

              তাকে দেখে আপনার মায়া লাগছিল কেন? আপনি বা আপনারা কি জানতেন যে দাউদ হায়দারকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে? আচ্ছা, আপনারা কি মনে করেন এই ব্যাপারে, কোন মতবিরুদ্ব লোককে এইভাবে দেশ থেকে বিতাড়িত করা কি ঠিক?

              • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 9, 2010 at 8:36 অপরাহ্ন - Reply

                @শরীফ, স্যরি, কোট করা হ্য় নাই।

                সে হল বাংলাদেশ থেকে বিতারিত দাউদ হায়দার যে এখন বার্লিনে থাকে , যার সাথে কয়েকদিন কথা হইছিল , আমি তার সাথে ধর্ম নিয়ে তর্ক করতে যাইনাই কিন্তু আমাদের ই একজন যখন কথা বলতেছিল , তখন দাউদ হায়দার বলতেছিল যে আমাদের নবী নাকি অনেক চালাক ছিল , আরো হাবিজাবি কতকি । আমি তার সাথে এই ব্যাপারে কিছু বলিনাই কারন তাকে দেখে আমার মায়া লাগতেছিল ।

                তাকে দেখে আপনার মায়া লাগছিল কেন? আপনি বা আপনারা কি জানতেন যে দাউদ হায়দারকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করা হবে? আচ্ছা, আপনারা কি মনে করেন এই ব্যাপারে, কোন মতবিরুদ্ব লোককে এইভাবে দেশ থেকে বিতাড়িত করা কি ঠিক?

                • শরীফ এপ্রিল 9, 2010 at 9:10 অপরাহ্ন - Reply

                  @ব্রাইট স্মাইল্,
                  ভাই মায়া লাগতেছিল কারন সে যখন আমার সাথে প্রথম কথা বলে তখন সে তার নামটা বলতে ইতস্তত বোধ করতেছিল ।সে আমাকে বলতেছিল তার নামটা অন্য কারো কাছ থেকে জেনে নিতে!!!!!!!!! , আর তাকে নামের পরিবর্তে ভাই বলে ডাকতে। আমরা মানুষ , কাউকে বিপদে দেখলে কষ্ট হয়, এটাই আমাদের ধর্ম ।সে আমাকে ছোট ভাই বলে ,তাই হয়তবা তার সাথে তর্ক করতে যাইনাই।আর এটা ভাল করে বুজতে পারছিলাম , আমি যতই বলি সে বুজবেনা কারন সে আন্ধা গিট্টুতে পরছে ।

                  যাই হোক ভাই , ভাল থাকবেন ।
                  আস-সালামু আলাইকুম

    • আবুল কাশেম এপ্রিল 6, 2010 at 12:39 অপরাহ্ন - Reply

      @শরীফ,

      মেনে নিলাম আমি কোরান বুঝি না অথবা বুঝলেও আপনার মত জ্ঞান নেয় কোরানের গভীর মর্ম উপলদ্ধি করার।

      এখন দয়া করে নিচের আয়াতগুলির মর্মাথ বুঝিয়ে দেন আমাকে। আমাকে বুঝিয়ে দিন কারা এখানে আয়াতগুলি বলছে। আপনার বাখ্যা আমি মেনে নেব যদি তা সামজস্য হয়।

      ৫১:৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।
      ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
      ৫১:৫১ তোমরা আল্লাহ্‌র সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।

      • মুরাদ এপ্রিল 6, 2010 at 2:24 অপরাহ্ন - Reply

        @আবুল কাশেম,

        ৫১:৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।
        —আল্লাহর বাণী নবী মুহাম্মাদ এর প্রতি
        —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
        — আল্লাহর নিজের বর্ণনা

        ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
        —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
        —নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা

        ৫১:৫১ তোমরা আল্লাহ্‌র সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।
        —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
        —নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা

        ——Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ——
        যদি আয়াত ৫১:২৪ পড়েন বুঝতে পারবেন
        هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ
        Has the story of Abraham´s honoured guests come to you?
        আপনার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি?
        ৫১:২৪

        ……নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথা…
        এমনিভাবে, তাদের পূর্ববর্তীদের কাছে যখনই কোন রসূল আগমন করেছে, তারা বলছেঃ যাদুকর, না হয় উম্মাদ। ৫১:৫২
        আর যদি আয়াত ৫১:৫২ পড়েন বুঝতে পারবেন ৫১:৫০-৫১ নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।আর সম্প্রদায়গুলো সম্পর্কে জানতে চাইলে ৫১:৪৩, ৫১:৪৬, ৫১:৫৩ পড়ুন। আর কিছু নবীর কথা উল্লেখ করা আছে ৫১:৩১,৫১:৩৮, ৫১:৪৬।

        • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 6, 2010 at 6:40 অপরাহ্ন - Reply

          @মুরাদ,

          ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
          —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ

          এখানে দুটি বাক্য।

          ১ । Speaker আল্লাহ বললেন, “অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও।” Listener নবী মুহাম্মাদ শুনলেন।

          মানে আল্লাহ বলছেন আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হতে।

          ২ । Speaker আল্লাহ বললেন, “আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।” Listener নবী মুহাম্মাদ শুনলেন।

          এখানে সুস্পষ্ট যে ‘আমি’ হচ্ছে আল্লাহ, কিনতু ‘তাঁর’ ব্যাক্তিটি কে সেটা বুঝা গেলনা। মানে আল্লাহ কাঁর তরফ থেকে নিজকে জনগনের (তোমাদের) জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী বলছেন? এই তিনি কি আল্লাহ না নবী মুহাম্মাদ? দয়া করে একটু পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিবেন কি?

          • মুরাদ এপ্রিল 6, 2010 at 9:20 অপরাহ্ন - Reply

            @ব্রাইট স্মাইল্,

            ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
            —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ

            ৫১:৫০ এখানে নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা হয়েছে

            প্রত্যেক নবী তাদের সম্প্রদায়ের কাছে বলেছে
            অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
            আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

            জানি না আপনি Narration কতটুকু বুঝেন

            Ibrahim said to his nation ” I am a Messenger”

            এটা Direct Speech যদি Indirect speeck করেন তাহলে হবে

            Ibrahim said to his nation that he was a Messenger.

            লক্ষ্য করুন এ সূরার কিভাবে Direct Speech ব্যবহৃত হয়েছে

            They ask: “When is the Day of Judgement?” —
            তারা জিজ্ঞাসা করে, কেয়ামত কবে হবে?৫১:১২

            And placing it before them said: “Won´t you eat?”
            সে গোবৎসটি তাদের সামনে রেখে বললঃ তোমরা আহার করছ না কেন?৫১:২৭

            His wife came out lamenting, striking her forehead, and said: “I, am old and barren woman?”
            অতঃপর তাঁর স্ত্রী চীৎকার করতে করতে সামনে এল এবং মুখ চাপড়িয়ে বললঃ আমি তো বৃদ্ধা, বন্ধ্যা।৫১:২৯

            They said: “Thus said your Lord. He is indeed all-wise and all-knowing.”
            তারা বললঃ তোমার পালনকর্তা এরূপই বলেছেন। নিশ্চয় তিনি প্রজ্ঞাময়, সর্বজ্ঞ।৫১:৩০

            He said: “What is then your business, O messengers?”
            ইব্রাহীম বললঃ হে প্রেরিত ফেরেশতাগণ, তোমাদের উদ্দেশ্য কি?
            ৫১:৩১

            They said: “We have been sent to a wicked people
            তারা বললঃ আমরা এক অপরাধী সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি,
            ৫১:৩১

            • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 7, 2010 at 2:16 পূর্বাহ্ন - Reply

              @মুরাদ,

              প্রত্যেক নবী তাদের সম্প্রদায়ের কাছে বলেছে
              অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
              আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

              আপনি বলতে চাচ্ছেন, ‘আমি’ মানে নবী মুহাম্মাদ? আমি রীতিমত confused 😕
              অন্যান্য বিষয়ের অবতারনা না করে শুধু বলুন যে,
              আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।” এই বাক্যে
              ‘আমি’ = ?
              ‘তাঁর’ = ?

              • মুরাদ এপ্রিল 7, 2010 at 2:10 অপরাহ্ন - Reply

                @ব্রাইট স্মাইল্,
                ভাল করে পড়ুন……………………………
                ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
                —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ

                ৫১:৫০ এখানে নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা হয়েছে

                প্রত্যেক নবী তাদের সম্প্রদায়ের কাছে বলেছে মানে নবী মুহাম্মদ এর পূর্বের নবীসকল। এখান বলবেন নবী মুহাম্মদ কই? আরে ভাই আগেই বলছি Listener নবী মুহাম্মাদ

                অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
                আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
                আমি =নবী মুহাম্মদ এর পূর্বের প্রত্যেক নবী
                A নবী AA সম্প্রদায়ের কাছে
                অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
                আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

                B নবী BB সম্প্রদায়ের কাছে
                অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
                আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

                C নবী CC সম্প্রদায়ের কাছে
                অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
                আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী
                ..
                ..

                তার =আল্লাহর

                আশা করি এরপরও বলবেন বুঝি নাই………….
                ছুমমুন বুকমুন উমউন

                • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 7, 2010 at 7:24 অপরাহ্ন - Reply

                  @মুরাদ, আপনি বলেছেন,

                  ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
                  —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ

                  আরে ভাই আগেই বলছি Listener নবী মুহাম্মাদ

                  আমি =নবী মুহাম্মদ এর পূর্বের প্রত্যেক নবী

                  তার =আল্লাহর

                  ঠিক আছে আপনার কথায়, “আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।” বাক্যটিকে এভাবে বলা যেতে পারে,

                  আমি (C নবী) তাঁর (আল্লাহ্‌র) তরফ থেকে তোমাদের (CC সম্প্রদায়ের) জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
                  —Speaker আল্লাহ & Listener C নবী

                  এখানে Speaker যদি আল্লাহ হন এবং Listener যদি C নবী হন, তা হলে ‘আমি’ কি করে C নবী হন? এই ‘আমি’ কি আল্লাহ হওয়া উচিত নয়? তবে কি Speaker ‘আল্লাহ’ এবং Listener ‘C নবী’ একই ব্যক্তি?

                  • ভবঘুরে এপ্রিল 7, 2010 at 11:55 অপরাহ্ন - Reply

                    @ব্রাইট স্মাইল্,
                    ক্ষ্রাইট স্মাইল,

                    আপনি খামোখাই মুরাদকে বুঝাচ্ছেন। আল্লাহ ওনার ব্রেনে সীল মেরে দিয়েছেন, তাই আপনি যতই বুঝান না কেন , উনি কিছুই বুঝবেন না।

                    যাহোক এবার আসল কথায় ফিরে আসি, বার্তা দুরকম ভাবে শ্রোতার কাছে পৌছানো যায় – প্রত্যক্ষ বাচ্যে(উরৎবপঃ ঝঢ়ববপয) ও পরোক্ষ পরোক্ষ বাচ্যে (ওহফরৎবপঃ ঝঢ়ববপয)। জিব্রাইল হলো বার্তা বাহক। জিব্রাইল আল্লাহর বানী সরাসরি প্রত্যক্ষ বাচ্য ব্যবহার করে মোহাম্মদকে বলতে পারে অথবা পরোক্ষ বাচ্য ব্যবহার করে বলতে পারে।

                    প্রত্যক্ষ বাচ্য ব্যবহার করার অর্থ হচ্ছে আল্লাহ তার বানী রেকর্ড করে জিব্রাইল ফেরেস্তার কাছে ক্যাসেট বা ডিস্কটা দিয়ে দিয়েছেন, জিব্রাইলের কাজ হলো সে রেকর্ডটাকে মোহাম্মদের কাছে স্রেফ বাজিয়ে শুনানো, আর কিছু না। সেক্ষেত্রে জিব্রাইলের নিজের কোন কথা নাই।

                    যদি প্রত্যক্ষ বাচ্য ব্যবহার করা হয় তাহলে সূরা ফাতিহা হবে নিম্মরূপঃ

                    শুরু কর আমার(আল্লাহর) নামে, আমি(আল্লাহ) পরম করুনাময় ও অতি দয়ালু। সকল প্রশংসা আমার , আমি সকল জগতের পালনকর্তা। আমি অতি মেহেরবান ও দয়ালু। আমি বিচার দিনের মালিক।———-

                    পরোক্ষ বাচ্য ব্যবহার করার অর্থ হলো- জিব্রাইল আল্লার কাছ থেকে বার্তা বহন করে মোহাম্মদের কাছে উপস্থাপন করেছে নিজের মত করে তবে অর্থ অপরিবর্তিত রেখে। এক্ষেত্রেও জিব্রাইলের নিজের কোন কথা থাকবে না।

                    যদি পরোক্ষ বাক্য ব্যবহার করা হয় তাহলে সূরা ফাতিহা হবে নিম্ন রূপঃ

                    শুরু কর আল্লাহর নামে, তিনি(আল্লাহ) পরম করুনাময় ও অতি দয়ালু। সকল প্রশংসা আল্লাহর যিনি সকল জগতের পালন কর্তা। তিনি অতি মেহেরবান ও দয়ালু। তিনি বিচার দিনের মালিক। ————

                    ঠিক সেরকমভাবে প্রত্যক্ষ বাচ্য ব্যবহার করলে ৫১ঃ৫০ আয়াতটা হবে নিম্নরূপঃ

                    অতএব আমার(আল্লাহর) দিকে ধাবিত হও। তুমি (মোহাম্মদ) আমার ( আল্লার) তরফ থেকে তাদের(আরবদের) জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

                    পরোক্ষ বাচ্য ব্যবহার করলে হবে-

                    অতএব আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। সে (মোহাম্মদ) তার (আল্লাহর) তরফ থেকে তাদের(আরবদের) জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

                    শুদ্ধ ব্যাকরন অনুসরন করলে উপরোক্ত যে কোন একটি রূপে আয়াতটি লিখিত বা বর্নিত হবে।

                    কিন্তু সেখানে আয়াতটি কিভাবে কোরানে বর্নিত আছে ? আছে নিম্নরূপেঃ

                    অতএব আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। আমি তার তরফ থেকে তাদের জন্য সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

                    তাহলে যে সমস্ত ত্র“টি আমরা পাই তা হলো-

                    ১। আয়াতটিতে শুদ্ধ ব্যাকরন অনুসরন করা হয় নি।
                    ২। আয়াতের বক্তব্য অস্পষ্ট। এখানে কে আমি, কে তার, কে তাদের বোঝা দুঃসাধ্য।

                    এ ধরনের ব্যাকরন গত ভুল গোটা কোরানে শত শত। কোরানের কোন সূরায় একবার প্রত্যক্ষ বাচ্য , অন্যবার পরোক্ষ বাচ্য ব্যবহৃত হয়েছে। অনেক সূরাতে, এমনটি একটি আয়াতেই একই সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বাচ্য ব্যবহৃত হয়েছে। যার নমূনা উক্ত ৫০ঃ৫১ আয়াত। অথচ মুসলমানরা দাবি করে কোরান হলো বিশুদ্ধ কিতাব (সর্ব শ্রেষ্ট) এর কোন ব্যাকরনগত ভুল নেই, বাক্য বিন্যাসে ভুল নেই, নেই কোন অস্পষ্টতা।

                    উপসংহারঃ মোহাম্মদ আসলে নিজের তৈরী কোরানের আয়াত বর্ননা করতে গিয়ে ব্যাকারনে ভূল করেছেন কারন তিনি অনেক চতুর ব্যাক্তি হলেও প্রথাগত শিক্ষা তার ছিল না ফলে ব্যাকরন জ্ঞান ছিল তার শুন্য।আর তার আশে পাশে যে সব আরবরা ছিল তার অধিকাংশই নিতান্ত নিরক্ষর ও মূর্খ হওয়ার কারনে তারা তা ধরতে পারেনি, বিনা প্রশ্নে তার কথাকে আল্লাহর কথা বলে বিশ্বাস করেছে। এটাই বাস্তব সম্মত কারন এখনকার যুগে যখন খুব উচুদরের শিক্ষিত মুসলমানরা পর্যন্ত যেখানে কোরানে এত শত ভুল থাকা সত্ত্বেও বিনা প্রশ্নে তাকে আল্লাহর কিতাব বলে বিশ্বাস করে , সেখানে অশিক্ষিত মূর্খ আরবদের আর কি কথা ?

                    • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 8, 2010 at 1:33 পূর্বাহ্ন

                      @ভবঘুরে,
                      জিব্রাইল যদি বার্তা বাহক হয় তাহলে আয়াতটি আরো জটিল হয়ে গেলো। জিব্রাইলতো আমার চিন্তার মধ্যেই ছিলনা!

                      ‘আমি, তাঁর’ এঁরা কে আল্লাহ, কে জিব্রাইল, কে নবী সেটাতো এখন একটা ধাঁধার মতো মনে হচ্ছে।

        • আকাশ মালিক এপ্রিল 6, 2010 at 7:25 অপরাহ্ন - Reply

          @মুরাদ,

          ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
          —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ।

          আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
          কয় ছিলিম গাঁজা সেবন করলে বুঝা যাবে, এই বাক্য আল্লাহর মুখের কথা, এখানে আমি অর্থ আল্লাহ?

          • আতিক রাঢ়ী এপ্রিল 7, 2010 at 2:32 অপরাহ্ন - Reply

            @আকাশ মালিক,

            আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
            কয় ছিলিম গাঁজা সেবন করলে বুঝা যাবে, এই বাক্য আল্লাহর মুখের কথা, এখানে আমি অর্থ আল্লাহ?

            একটা প্রমান সাইজের কলকি নিতে হবে। অনধিক পাঁচজনের চক্র হতে হবে। অষ্টম চক্রে গিয়ে কিছুটা বুঝতে শুরু করবেন এবং দ্বাদশ চক্রে গিয়ে দেখবেন সব কিছু পানির মত সহজ।
            একেবারে ফকফকা। 😀

        • আনাস এপ্রিল 6, 2010 at 8:54 অপরাহ্ন - Reply

          @মুরাদ,

          মুরাদ ভাই, আরবী ভাষা বড়ই পেজগী ভাষা। ক্লাশ ফাইভ থেইকা পড়া শুরু করছিলাম। ক্লাস নাইন এ আইসা দেখলাম যে আরবী ভাষায় দক্ষতার ঘাটতির কারনে ইমাম আবু হানিফার ফতোয়া নিয়া আরেক গ্রুপ সংশয় প্রকাশ করতেছেন। তখন বোধদয় হইল যে ইহাতে আজীবনেও দক্ষতা অর্জন সম্ভব নহে। (মুলত কুরানের ভাষায় দক্ষতা অর্জনতো অসম্ভব ব্যাপার) এরকম একটা ধাধার মতন ফাঁদে আমাদের মতন নাদান বান্দাদের ঘোল খাওয়াইয়া আবার পরকালে শাস্তির প্ল্যান করিলেন। উনার এ প্ল্যান-ই তো যথেষ্ঠ। ইবলিশরে খামাখা বলির পাঠা বানানোর দরকার আছিল?

          আপনি আমাদেরকে বুঝিয়ে বলেন যে “আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি।” কোন ধরনের বস্তু? জীব না জড়? প্রত্যেক বলতে কি কোন নির্দিষ্ট বস্তু বোঝায়? আর প্রত্যেক বস্তুর কি জোড়া আছে? যেহেতু এটি বৈজ্ঞানিক আয়াত। এটি অবশ্যই ব্যাখ্যার দাবী রাখে।

          @মডারেটরঃ

          আমার পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছি। পাঠিয়ে দিলে লগিং করে মন্তব্য করতে পারব।

          • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 7, 2010 at 12:15 পূর্বাহ্ন - Reply

            @আনাস,

            আমার পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়েছি। পাঠিয়ে দিলে লগিং করে মন্তব্য করতে পারব।

            আনাস ভাই, আপনি যেখানে লগ-ইন করার জন্য পাসওয়ার্ড ইত্যাদি লেখেন (উপরে ডানে) তার অল্প একটু নিচে ”পাসওয়ার্ড হারিয়েছেন?” আছে দেখেন। এখানে ক্লিক করার পর ই-মেইল এড্রেস লেখার একটা ঘর আসবে, ওখানে আপনার ই-মেইল এড্রেস লিখে ক্লিক করেন। তারপর সাথে সাথে একটা ই-মেইল পাবেন। ই-মেইল অপেন করে একটা লিংক পাবেন( INBOX এ না পেলে SPAM দেখেন),ওখানে ক্লিক দিলে আপনার নতুন পাসওয়ার্ড পেয়ে যাবেন, তারপর ইচ্ছেমত এ পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। আর কোন সাহায্য লাগলে নিঃসঙ্কোচে বলবেন।

            ‘ভবঘুরে’ এর লেখাটির আগের দুইপর্ব কি পড়েছেন? না পড়লে পড়ে দেখেন, বেশ চমৎকার, ১ম পর্ব, ২য় পর্ব
            আশা করি নিয়মিত লেখা দিবেন এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন। অনেক ধন্যবাদ।

        • আবুল কাশেম এপ্রিল 7, 2010 at 2:24 পূর্বাহ্ন - Reply

          @মুরাদ,

          মি: মুরাদ লিখলেন:
          ৫১:৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।
          —আল্লাহর বাণী নবী মুহাম্মাদ এর প্রতি
          —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
          — আল্লাহর নিজের বর্ণনা

          আপনার মতামত যুক্তিযুক্ত। আমি মেনে নিলাম আপনার যুক্তি

          মি: মুরাদ লিখলেন:
          ২৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
          —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
          —নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা

          আপনি বলতে চান যে আল্লাহ হচ্ছেন আল্লাহ্‌র সতর্ককারী’ তা’হলে বলতে হয় এখানে তিন জনের উল্লেখ। তার মানে দুই জন ব্যক্তি অথবা এমন কিছু আছেন যাদের একই নাম ও কাজ—দু’জনেরই নাম আল্লাহ। যদি মুহাম্মদ listener হয়ে থাকেন তা’হলে মুহাম্মদ ও আল্লাহ্‌ একই ব্যক্তি।
          আপনার কি মত এখানে?

          মি: মুরাদ লিখলেন:
          ৫১:৫১ তোমরা আল্লাহ্‌র সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।
          —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
          —নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা

          আমার উপরের মন্তব্য পড়ুন। Listener যদি মুহাম্মদ হন তা’হলে মুহাম্মদের অপর নাম নিশ্চয়ই আল্লাহ। অর্থাৎ আল্লাহ এবং মুহাম্মদ একই ব্যক্তি। ত’হলে বুঝা যাচ্ছে আল্লাহ্‌ (অথবা মুহাম্মদ) নিজের সাথে নিজেই কথা বলছেন। এটা সাধারনতঃ হয় যখন কোন ব্যক্তি শক্তিশালী কোন মাদকদ্রব্যের অধীনে থাকে অথবা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে আবোল তাবোল বলতে থাকে। মি: মুরাদ আপনি কি কোন দিন পাগলা গারদে গিয়ে এই ধরনের মানসিক রোগীকে দেখেছেন? যদি না দেখে থাকেন তবে অনুগ্রহ পূর্বক সেখানে যান এবং আপনার অভিমত জানান।

          মি: মুরাদ লিখলেন
          যদি আয়াত ৫১:২৪ পড়েন বুঝতে পারবেন
          هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ ضَيْفِ إِبْرَاهِيمَ الْمُكْرَمِينَ
          Has the story of Abraham´s honoured guests come to you?
          আপনার কাছে ইব্রাহীমের সম্মানিত মেহমানদের বৃত্তান্ত এসেছে কি?
          ৫১:২৪

          হাঁ ঠিক লিখেছেন এই আয়াতে আল্লাহ্‌ ইবরাহীম সম্পর্কে বলেছেন। কিন্তু আল্লাহ্‌র এই গল্প শেষ হল ৫১:৩৬-এ। ৫১:৩৭-এ আল্লাহ্‌ নিজের কথা বলছেন। তার পর ৫১:৩৮ থেকে ৫১:৪৬ পর্যন্ত আল্লাহ বলেছেন নবী মূসা, নূহ, সামূদ ও অন্য এক জাতির যাদেরকে তিনি ধ্বংস করেছেন বিভিন্ন ভাবে।

          এরপর ৫১:৪৭ থেকে শেষ আয়াত, ৫১:৬০ পর্যন্ত আল্লাহ্‌ তাঁর নিজের কথাই বলছেন এবং আপনার মতামত অনুযায়ী আল্লাহ্‌র শ্রবনকারী মুহাম্মদ যিনি স্বয়ং নিজেই আল্লাহ।

          অর্থাৎ ৫১:৪৭ থেকে ৫১:৬০ পর্যন্ত আল্লাহ্‌ নিজের সাথে নিজে কথা বলছেন, তার মানে এই সময় আল্লাহ অথবা মুহাম্মদ পাগল ছিলেন।

          আমি দুঃখিত এই কয়েকটি আয়াতে আপনার মতামত মোটেই যুক্তিযুক্ত নয়। তাই আমার কাছে আপনার ব্যখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।

          আপনি কি বলেন? আল্লাহ্‌ অথবা মুহাম্মদ কি মাঝে মাঝে পাগল থাকতেন? যদি তা না হয় তাহলে কোরআন নিশ্চয় মিথ্যা কথা লিখেছে।

          মি: মুরাদ আপনি যদি রাজী থাকেন তবে আমি আরো কয়েকটি আয়াত আপনাকে দেব, আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য; কারণ ঐ সব আয়াতগুলো আমার নিকট খুবই দূর্বোদ্ধ মনে হয়। আমি শত চেষ্টা করেও ঐ আয়াতগুলির মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝি নাই।

          আপনি কি রাজী আছেন? যদি রাজী না থকেন তবে আমরা এখানেই শেষ করি। কি বলেন?

          • মুরাদ এপ্রিল 7, 2010 at 7:51 পূর্বাহ্ন - Reply

            @আবুল কাশেম,
            ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
            —Speaker আল্লাহর & Listener নবী মুহাম্মাদ
            —নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা

            আমি কিন্তু বলেছি
            নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের কথার বর্ণনা করা হয়েছে যা নবী মহাম্মদ শুনেছে।

            এবার আসুন……….অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও।
            এটা কার বাণী আল্লাহর বাণী। কুরআনের সব আয়াত আল্লাহর বাণী। হে যদি বলেন কথাটা কার মানে কোন প্রক্ষাপট তাইলে বলল নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের।

            এবার আসুন………….. আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
            এখানে আমিটা কে….. নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের প্রত্যেক নবী।
            আপনি যদি আমার আগের লেখাভাল করে পড়েন বুঝবেন আমি বলেছি

            প্রত্যেক নবী তাদের সম্প্রদায়ের কাছে বলেছে
            অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও
            আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।

            আর এ কথাগুলো যা প্রত্যেক নবী তার সম্প্রদায় কে বলেছে তা আল্লাহ নবী মুহাম্মাদের কাছে তুলে ধরেছেন।

            আপনি যদি লক্ষ্য করেন
            …….আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।…..
            আমি X,Y,Z নবী
            তাঁর তরফ থেকে মানে আল্লার পক্ষ খেকে

            এবার আসুন বাস্তর উদাহরনে

            মু্ক্তামনার এক সদস্য বলছিল, বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমি নাস্তকি।

            মু্ক্তামনার আর এক সদস্য বলছিল, বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমিও নাস্তকি।

            প্রত্যেক সদ্যস্য বলছিল, বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমি একজন নাস্তকি।

            এখন এ ঘটনাকে বর্ননা করা হোক
            আবুল আস্তিক ভাই বক্তা হিসেবে মুক্তমনা সদ্যদেরে কথা তুলে ধরতিছেন মুরাদের কাছে মানে মুরাদ শ্রবণকারী

            বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমি একজন নাস্তকি।

            নিশ্চয় বুঝছেন এথানে আমি টা কে?

            আবুল আস্তিক ভাই না আর মুরাদ না

            আমিটা হলো মুক্তমনা প্রত্যেক সদ্যস্য।

            • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 7, 2010 at 1:05 অপরাহ্ন - Reply

              @মুরাদ,

              ফুয়াদ সাহেব স্যরি মুরাদ সাহেব, আপনি কিন্তু একই গান গেয়ে চলছেন। আপনি লক্ষ্য করেন,

              ৫১:৪৬ আমি ইতিপূর্বে নুহের সম্প্রদায়কে ধ্বংশ করেছি। নিশ্চিতই তারা ছিলো পাপাচারী সম্প্রদায়।
              ৫১:৪৭ আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী
              ৫১:৪৮ আমি ভূমিকে বিছিয়েছি। আমি কত সুন্দরভাবেই না বিছাতে সক্ষম
              ৫১:৪৯ আমি প্রত্যেক বস্তু জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে তোমরা হৃদয়ঙ্গম কর।
              ৫১:৫০ অতএব, আল্লাহ্‌র দিকে ধাবিত হও। আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী।
              ৫১:৫১ তোমরা আল্লাহ্‌র সাথে কোন উপাস্য সাব্যস্ত করো না। আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।

              এখানে “আমি তাঁর তরফ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ককারী” অংশে ‘আমি’ বলতে কাকে বুঝান হচ্ছে? এটাকি মুহাম্মদের নিজের কথা নয়? ভালো করে পড়লে বুঝবেন এখানে মুহাম্মদের ভণ্ডামী প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।

              • মুরাদ এপ্রিল 7, 2010 at 1:35 অপরাহ্ন - Reply

                @সৈকত চৌধুরী,

                ভাই সৈকত বুঝে না বুঝার ভ্যান করেন।
                এবার আসুন বাস্তর উদাহরনে

                মু্ক্তামনার এক সদস্য বলছিল, বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমি নাস্তকি।

                মু্ক্তামনার আর এক সদস্য বলছিল, বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমিও নাস্তকি।

                প্রত্যেক সদ্যস্য বলছিল, বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমি একজন নাস্তকি।

                এখন এ ঘটনাকে বর্ননা করা হোক
                আবুল আস্তিক ভাই বক্তা হিসেবে মুক্তমনা সদ্যদেরে কথা তুলে ধরতিছেন মুরাদের কাছে মানে মুরাদ শ্রবণকারী

                বেশি বেশি মুক্তমনার প্রবন্ধ পড়ুর। আমি একজন নাস্তকি।

                নিশ্চয় বুঝছেন এথানে আমি টা কে?

                আবুল আস্তিক ভাই না আর মুরাদ না

                আমিটা হলো মুক্তমনা প্রত্যেক সদ্যস্য।

                আপনি আমিটাকে আবুল আস্তিক ভাই অথবা মুরাদ বানিয়ে ফেললেন।
                আপনি আপনার মাকে কে কি বানাতে পারেন তা আমার বুঝা হয়ে গেছে।
                যাইহোক ভাল থাকবেন।

                • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 7, 2010 at 5:38 অপরাহ্ন - Reply

                  @মুরাদ,

                  ভাই, আপনি লেখার পরে নিজে একবার পড়ে দেখেছেন লেখার কি অর্থ দাড়াচ্ছে, বা আদৌ কোন অর্থ দাড়াচ্ছে কিনা?

            • আবুল কাশেম এপ্রিল 7, 2010 at 4:43 অপরাহ্ন - Reply

              @মুরাদ,
              মি: মুরাদ;
              আপনি আমাকে নিরাশ করলেন। আমি আপনাকে যে সব প্রশ্ন করেছিলাম তার উত্তর তো দেনই নাই, বরঞ্চ নিজার মনগড়া আলাপ করে গেছেন। আপনার লেখায় নতুন কিছুই নেই। আমি তো আগেই এসবের উত্তর দিয়েছি।

              দেখুনঃ
              ৫১:১-৭ এখানে আল্লাহ্‌ ঝঞ্ঝাবায়ুর, মেঘের, জলযানের, ফেরেশতাগণের…ইত্যাদির নামে কসম খাচ্ছেন।
              বলুন এটা সত্যি কি না?

              ৫১:৮-১৪ যারা কোরআন থেকে মুখ ফিরায়, কেয়ামতে বিশ্বাস করেনা… ইত্যাদি করে, আল্লাহ তাদেরকে অভিসম্পাত দিচ্ছেন এবং তাদেরকে শায়েস্তা করার কথা বলছেন।
              বলুন এটা সত্য কি না?

              ৫১:১৫-৫১:১৯ আল্লাহ্‌ এখানে বিশ্বাসিদের কতকগুলি বৈশিষ্ঠের কথা বলছেন এবং বিশ্বাসীদের পুরষ্কারের প্রতিজ্ঞা করছেন
              বলুন এটা সত্য কি না?

              ৫১:২০-২৩ আল্লাহ্‌ বিশ্বাসীদেরকে মনযোগ দিতে বলছেন প্রকৃতির কয়েকটি বিষয়ের উপর।
              বলুন এটা সত্যি কি না?

              ৫১:২৩ এখানে আল্লাহ্‌ নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের পালনকর্তার নামে কসম খাচ্ছেন।
              আমরা জানি যে নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলের পালনকর্তা হচ্ছেন আল্লাহ্‌। তাহলে আল্লাহ্‌ কেমন করে আল্লাহ্‌র নামে কসম খেতে পারেন? তাহলে এই ব্যক্তিটি কে? ইনি নিশ্চয় মুহাম্মাদ, কারন আল্লাহ্‌ এখনও অন্য নবীর কথা উল্লেখ করেন নি।
              বলুন এটা সত্যি কি না?

              ৫১:২৪-৪৬ এখন আল্লাহ্‌ ইবরাহীম, মূসা, নূহ, সামূদ…ইত্যাদি নবীর উল্লেখ করেছেন এবং যারা তাদের অবাধ্যতা করেছে তাদেরকে কি ভাবে শাস্তি দিয়েছেন তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়েছেন। ৫১:৪৬ এ আল্লাহ্‌ এই প্রসঙ্গ শেষ করেছেন।
              বলুন, এটা সত্যি কি না?

              ৫১:৪৭-৪৯ এই দুটি আয়াতে আল্লাহ তাঁর ভূমি এবং জোড়া জোড়া সৃষ্টির কথা বলেছেন।
              বলুন এটা সত্যি কি না?

              ৫১:৫০-৫১ এখানে কে কথা বলছেন? ইনি নিশ্চয় মুহাম্মদ ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি নন। কারন এর পূর্বেই আল্লাহ্‌ অন্যান্য নবীদের ব্যাপার শেষ করে ফেলছেন। লক্ষ্য করুন, ৫১:৫১ মুহাম্মাদ বলছেন: আমি তাঁর পক্ষ থেকে তোমাদের জন্যে সুস্পষ্ট সতর্ক কারী।
              বলুন, এটা সত্যি কি না?

              ৫১:৫২-৫৫ এখানে আল্লাহ্‌ মুহাম্মদকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন যে উনার পুর্বের নবীদেরকেও লোকেরা পাগল বলেছিল তাই বলে মুহাম্মাদ যেন নিরাশ না হন, বরঞ্চ অবিশ্বাসীদের মাঝে প্রচার চালিয়ে যেতে থাকুন।
              বলুন এটা সত্যি কি না?

              ৫১:৫৬-৬০ এখানে আল্লাহ্‌ অনেক কিছু আবোল তাবোল বলছেন। উল্লেখ্য: ৫১:৫৮ আল্লাহ্‌ তাআলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।
              বলুন এটা সত্যি কি না? আরো বলুন ৫১:৫৮ এর বক্তা কে এবং শ্রবনকারী কে?

              মি: মুরাদ লিখছেনঃ
              কুরআনের সব আয়াত আল্লাহর বাণী। হে যদি বলেন কথাটা কার মানে কোন প্রক্ষাপট তাইলে বলল নবী মুহাম্মাদ এর পূর্ববর্তী সম্প্রদায়ের নবীদের।

              এটাই যদি আপনি মনেপ্রানে বিশ্বাস করেন, তাহলে আমার সাথে এই বিতর্কের কি প্রয়োজন। হাঁ আপনার কথা সত্য মেনে নেব যদি যদি আপনি স্বীকার করে নেন যে আল্লাহ্‌ এবং মুহাম্মদ একই ব্যক্তি।
              মিঃ মুরাদ, আপনি কি বলেন এ ব্যাপারে?

              আপনি যদি উপরে প্রশ্নগুলোর যথাযথ উত্তর দেন তবেই আমি সাড়া দেব। অপ্রাসঙ্গিক উত্তর দিলে সাড়া পাবেন না।

      • শরীফ এপ্রিল 7, 2010 at 11:53 অপরাহ্ন - Reply

        @আবুল কাশেম,

        কাশেম ভাই আমি আপনার উত্তরটা ইনশাল্লাহ দিব , প্রতিদিনকার জবাব লিখে আর সময় করতে পারিনা।আপনার এই কথাকে আমি
        বুজানোর চেস্টা করব ইনশাল্লাহ।

    • বকলম এপ্রিল 7, 2010 at 3:49 পূর্বাহ্ন - Reply

      @শরীফ,
      আপনাকে ধন্যবাদ। বানান, বাক্য গঠন ও যুক্তির কাঠামোয় আপনি আমাদের অতি প্রিয় ফুয়াদ ভাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন। উনি ইদানীং কম আসেন সে কারনে আমরা যার পরনাই শোকাবিভূত। আপনি নিয়মিত হোন, আপনার এই ক্ষুরধার যুক্তিসমুহ পেশ করুন। জমিয়ে তুলুন মুক্তমনার পরিবেশ।

  7. আদিল মাহমুদ এপ্রিল 5, 2010 at 8:06 অপরাহ্ন - Reply

    আজকাল কিছু নব্য সংস্করন বেরুচ্ছে। এনারা আরো অনেক বেশী স্মার্ট। নায়েক তো তাও বোঝাতে চেষ্টা করেন, ভুল ভাল বা মনগড়া যাই হোক। তবে এই অতি স্মার্টরা তর্ক করেন, চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন, কিন্তু বেকায়দায় পড়লে সাফ বলে দেন যে আপনি কোরানে বিশ্বাস করেন কিনা? কোরানে বিশ্বাস না করলে ওনাদের যুক্তি বোঝা যাবে না। কারন কোরান অবিশ্বাসীদের জন্য নয়। এই তত্ত্বের সমর্থনে কোরানেরই আয়াত হাজির করেন।

    এই যুক্তির উপর আর কিছু বলার থাকে?

  8. ফরহাদ এপ্রিল 5, 2010 at 3:24 অপরাহ্ন - Reply

    মুরাদ সন্দেহ প্রকাশ করেছে কাসেম ভাই ভালভাবে কোরান পড়েছে কিনা.. :-Y :-Y :-Y
    “হে প্রভূ, ইহাদের ক্ষমা কর।ইহারা জানেনা ইহারা কি বলিতেছে”

    • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 3:43 অপরাহ্ন - Reply

      @ফরহাদ,
      পাগল েকি না কয় ছাগল েকি না খায় :rotfl:

    • শরীফ এপ্রিল 5, 2010 at 10:26 অপরাহ্ন - Reply

      @ফরহাদ,
      আমার মনে হয় কাশেম ভাই কোরান ঠিকি পড়েছে , কিন্ত কোরানের সঠিক অর্থ বুজতে পারতেছেনা।কোরান সবাই পরতে পারে কিন্ত আমল করার ভাগ্য সবার হইনা।

  9. আদিল মাহমুদ এপ্রিল 5, 2010 at 7:22 পূর্বাহ্ন - Reply

    অনেকদিন আগে প্রবীর ঘোষের বইতে তথাকথিত দুনিয়া কাঁপানো ভবিষ্যতবানী করে বিখ্যাত নষ্ট্রাডামুসের রহস্য পড়েছিলাম। ঘটনা সেই একই। জানা জিনিসের সাথে নিজের খুশীমত অনুবাদ ও ব্যাখ্যা।

    • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 9:22 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আদিল মাহমুদ,

      জব্বর বলেছেন ভাই

      • একা এপ্রিল 5, 2010 at 10:11 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,

        আপনি খালি ঐ একটাই আয়াত দেখলেন? এরকম আয়াত শত শত।এটা আসলে আবোল তাবোল নয়। বিষয়টা হলো মোহাম্মদ আর তার আল্লাহ আসলে একই ব্যাক্তি। মোহাম্মদ তার নিজের চরিত্রের আদলেই তার আল্লাহ কে তৈরী করেছেন।তাই মোহাম্মদ যখন কোরান বর্ননা করতে গেছেন আল্লার ( নিজের ) নামে তখন মাঝে মাঝে তিনি ভুলেই গেছিলেন যে আসলে আল্লাহ তো তিনিই। নিজে তো ছিলেন অশিক্ষিত, কিন্তু ছিলেন ভীষণ চতুর কিন্তু সঠিক বাক্যরীতি ও ব্যকরন না জানা থাকায়ই বিষয়টা ধরা খেয়ে গেছে। যে কারনে গোটা কোরানই আপনি যে ভূল ধরেছেন তা দিয়ে ভর্তি।

        :yes: আপনাকে :rose2:

        • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 3:46 অপরাহ্ন - Reply

          @একা,
          আপনাকওে :rose2:

  10. রাহাত খান এপ্রিল 5, 2010 at 4:05 পূর্বাহ্ন - Reply

    @ভবঘুরে

    বাড়ীর কাছে আরশী নগর , সেথায় পড়শী বসত করে, আমি একদিন ও না, চিনিলাম তারে।
    আরশী নগর মানে কাচের নগর অর্থাৎ প্রতি নগর। সেখানে মানুষ জন বাস করে কিন্তু আমরা তা দেখতে পাই না। তার মানে সেটা একটা প্যারালাল ইউনিভার্স বা সমান্তরাল বিশ্ব বা প্রতি বিশ্ব। যা বিজ্ঞানীরা তাদের নানারকম তত্ত্বে বলার চেষ্টা করছেন। তা কিনা লালন ফকির অনেক আগেই জেনে গেছেন? কোরানে যদি এ ধরনের একটা বাক্য থাকত জাকির মিয়া নিশ্চয়ই তাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করতেন , কি মনে হয় পাঠক/পাঠিকা বৃন্দ?

    এক কথায় অপূর্ব, এভাবে কখনও ভেবে দেখিনি, আসলেই তো লালন ফকির ইতিমধ্যেই মরে না গেলে নোবেল পেতে পারতেন! :guru:

  11. আবুল কাশেম এপ্রিল 5, 2010 at 2:45 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভবঘুরে;
    আপনার মনোযোগ আকর্ষণ করছি আয়াত ২০:৫৩ র প্রতি।
    মাওলানা মুহিউদ্দিন খান মারেফুল কোরআন এই ভাবে অনুবাদ করেছেন:
    ২০:৫৩ তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে শয্যা করেছেন এবং তাতে চলার পথ করেছেন, আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি।

    লক্ষ্য করুন এই আয়াতের প্রথম অংশে কে কথা বলছেন? বক্তা কি আল্লাহ্‌ না অন্য কেউ?

    এবার দেখুন দ্বিতীয় অংশ: এখানে কে বলছেন? এই বক্তা কি নবীজি নন? অর্থাৎ, এই আয়াতের মর্ম হচ্ছে: আল্লাহ্‌ অথবা অন্য কেউ আমাদের জন্য পৃথিবীকে শয্যা রূপে সৃষ্টি করেছেন, আর করেছেন আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ। আর নবীজি তার থেকে আমাদের জন্য বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ তৈরী করেছেন।

    এখন বোঝা যাচ্ছে, শুধু আল্লাহ্‌ই নয়, নবীজিও অন্য এক সৃষ্টিকর্তা। কোরআনে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে নবীজিও কথা বলছেন।

    এইসব আবোল তাবোল কি পাগলের প্রলাপ নয়?

    • নৃপেন্দ্র নাথ সরকার এপ্রিল 5, 2010 at 3:37 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,
      মনে হচ্ছে নাকি আল্লাহ এবং নবীজী এক ও অভিন্ন ব্যক্তি?

    • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 9:18 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,

      আপনি খালি ঐ একটাই আয়াত দেখলেন? এরকম আয়াত শত শত।এটা আসলে আবোল তাবোল নয়। বিষয়টা হলো মোহাম্মদ আর তার আল্লাহ আসলে একই ব্যাক্তি। মোহাম্মদ তার নিজের চরিত্রের আদলেই তার আল্লাহ কে তৈরী করেছেন।তাই মোহাম্মদ যখন কোরান বর্ননা করতে গেছেন আল্লার ( নিজের ) নামে তখন মাঝে মাঝে তিনি ভুলেই গেছিলেন যে আসলে আল্লাহ তো তিনিই। নিজে তো ছিলেন অশিক্ষিত, কিন্তু ছিলেন ভীষণ চতুর কিন্তু সঠিক বাক্যরীতি ও ব্যকরন না জানা থাকায়ই বিষয়টা ধরা খেয়ে গেছে। যে কারনে গোটা কোরানই আপনি যে ভূল ধরেছেন তা দিয়ে ভর্তি। একবার আল্লাহ নিজেকে -আমি-, তার পর -সে- এভাবে বর্ননা করেছে অর্থাৎ সর্বনামগত( আমি ও সে বা ফার্স্ট পারসন ও থার্ড পারসন) এ ভুলটা কোরানে ভর্তি, শত শত। কোরান সত্যি সত্যি সৃষ্টিকর্তা দ্বারা প্রেরিত হয়ে থাকলে বা মোহাম্মদ শিক্ষিত হলে এ ভুলটি হতো না। সেক্ষেত্রে সব যায়গাতে একই সর্বনাম অর্থাৎ আমি অথবা সে এর যে কোন একটি থাকত। কোরান তো লিখিত আকারে মোহাম্মদ রেখে যান নি, লিপিবদ্ধ যারা করেছেন তারা ছিলেন শিক্ষিত তারা যতদুর সম্ভব এ ভূলটাকে সংশোধন করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু ভুলের মাত্রা এত বেশী যে খুব বেশী সংশোধন করা যায় নি। ফলে দেখবেন এ ভুলটাকেই শুদ্ধ করার জন্য ইসলামী পন্ডিতরা নানা রকম বানোয়াট যুক্তি প্রদর্শন করে থাকেন। উদাহরন হিসাবে আমি হিন্দুদের গীতার কথা উল্লেখ করতে চাই। সেখানে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা শ্রীকৃষ্ণ নিজেই তার কথা বর্ননা করছেন , যে কারনে সর্বক্ষেত্রে তিনি একই সর্বনাম- আমি- এটাকেই ব্যবহার করেছেন। যেমন- আমি মহাকাল, আমিই সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয়ের কর্তা, হে অর্জুন আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি ইত্যাদি। এর কারন গীতার রচয়িতারা ছিলেন সেকালের সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তিবর্গ, তাই তাদের রচনায় সর্বনামগত এ ভূলটি নেই। কোরান যে মোহাম্মদের স্বরচিত শুধুমাত্র এই একটি কারনেই তা প্রমান করা যায়।

    • Murad এপ্রিল 5, 2010 at 9:56 পূর্বাহ্ন - Reply

      @আবুল কাশেম,
      লক্ষ্য করুন এই আয়াতের প্রথম অংশে কে কথা বলছেন? বক্তা কি আল্লাহ্‌ না অন্য কেউ?

      মি. আবুল কাসেশ, আপনি কুরআন ভালভাবে না পলে আয়াতের ২০:৫৩ উদ্ধিতি দিলেন।
      আপনাকে অনুরোধ করা হচ্ছে আয়াত ২০:৫২ পড়তে

      52. قَالَ عِلْمُهَا عِنْدَ رَبِّي فِي كِتَابٍ ۖ لَا يَضِلُّ رَبِّي وَلَا يَنْسَى
      (Moses) replied: “Knowledge of that is with my Lord (recorded) in the Book. My Lord neither errs nor forgets.”
      মূসা বললেনঃ তাদের খবর আমার পালনকর্তার কাছে লিখিত আছে। আমার পালনকর্তা ভ্রান্ত হন না এং বিস্মৃতও হন না।

      53. الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ مَهْدًا وَسَلَكَ لَكُمْ فِيهَا سُبُلًا وَأَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجْنَا بِهِ أَزْوَاجًا مِنْ نَبَاتٍ شَتَّىٰ
      It is He who made the earth a bed for you, and traced for you paths upon it, and sends down water from the sky, and brings out through it every kind of vegetation
      তিনি তোমাদের জন্যে পৃথিবীকে শয্যা করেছেন এবং তাতে চলার পথ করেছেন, আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করেছেন এবং তা দ্বারা আমি বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ উৎপন্ন করেছি।

      এরার নিশ্চিয় বুঝেছেন এই তিনি টা কে?

      • পৃথিবী এপ্রিল 5, 2010 at 12:36 অপরাহ্ন - Reply

        @Murad,

        020.052 He(Moses) replied: “The knowledge of that is with my Lord, duly recorded: my Lord never errs, nor forgets,-

        020.053 “He Who has, made for you the earth like a carpet spread out; has enabled you to go about therein by roads (and channels); and has sent down water from the sky.” With it have We produced diverse pairs of plants each separate from the others.

        এটা খুব সম্ভবত ইউসুফ আলির অনুবাদ(আমার সফটওয়ারে অনুবাদকের নাম লেখা নাই) । বোল্ড করা অংশটা লক্ষ্য করুন, মূসা কি এখানে জোড়ায় জোড়ায় উদ্ভিদ সৃষ্টি করার কথা বলছেন? কেউ কেউ অবশ্য এখানে আরটিফিসিয়াল ব্রিডিংয়ের প্রতি ইঙ্গিত খুজে পেতে পারেন।

      • আবুল কাশেম এপ্রিল 5, 2010 at 2:25 অপরাহ্ন - Reply

        @Murad,
        তা হলে বুঝা যাচ্ছে যে কোরান মুসা দ্বারাও লিখিত।

        এবং মূসা উদ্ভিদের সৃষ্টি করেছেন।

        ইউসুফ আলী খুব ভালো ভাবেই জানতেন কোরানের আবোল তাবোল। তাই উনি ধামা চাপার জন্যে we ব্যাবহার করেছেন যাতে করে মনে হয় যে পুরো আয়াতটাই আল্লার।

        আচ্ছা মিঃ মুয়াদ, এবার বলুঅ তো এই আয়াত গুলোর বক্তা কে বা কারা?

        ৪৯:১৩ হে মানব, আমি তোমাদেরকে এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদেরকে বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরে পরিচিত হও। নিশ্চয় আল্লাহ্‌র কাছে সে-ই সর্বাধিক সম্প্রদায় যে সর্বাধিক পরহেযগার। নিশ্চয় আল্লাহ্‌ সর্বজ্ঞ, সবকিছুর খবর রাখেন।

        ৪৯:১৪ মরুবাসীরা বলে: আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। বলুন: তোমরা বিশ্বাস স্থাপন করনি; বরং বল, আমরা বশ্যতা স্বীকার করেছি। এখনও তোমাদের অন্তরে বিশ্বাস জন্মেনি। যদি তোমরা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসুলের আনুগত্য কর, তবে তোমাদের কর্ম বিন্দুমাত্রও নিষ্ফল করা হবে না। নিশ্চয়, আল্লাহ্‌ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।

        ৪৯:১৫ তারাই মুমিন, যারা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রসুলের প্রতি ঈমান আনার পর সন্দেহ পোষণ করে না এবং আল্লাহ্‌র পথে প্রাণ ও ধন সম্পদ দ্বারা জেহাদ করে। তারাই সত্যনিষ্ঠ।

      • ফরহাদ এপ্রিল 5, 2010 at 3:35 অপরাহ্ন - Reply

        @Murad, সূরা ফাতিহার বক্তা কে?

  12. রাতুল এপ্রিল 4, 2010 at 9:35 অপরাহ্ন - Reply

    ইসলামের দর্শন যারা না বুঝে অনেক কিছু লিখেন, তাদের প্রতি অনুরোধ যে দয়া করে ইসলামের দর্শন জেনে তারপর লিখেন। ইসলাম যেভাবে প্রচার ও প্রসার পেয়েছে, সেভাবে আর কোন ধর্ম পেয়েছে কিনা সন্দেহ। হ্যা, অনেক যুদ্ধ হয়েছে। তবে যুদ্ধ করা খারাপ কিনা সেটা দেখতে হবে। কোন একটা যায়গায় কিছু মানুষ অন্যায় অত্যাচার করতে থাকলে তাদের প্রতিরোধ করতে যুদ্ধ ছাড়া কোন পথ নেই। আর ইসলামের ইতিহাস ঘেটে দেখুন, প্রায় সকল যুদ্ধই খুব অল্প সংখ্যক জনবল ও অস্ত্রবলের সাহায্যে মুসলিমরা বিজয় লাভ করেছে। এটা কোন স্রষ্টার সাহায্য ছাড়া সম্ভব না।

    ইসলামের দর্শন কি? মানুষের মধ্যে কারা স্রষ্টার পথে চলতে পারে সেটা আল্লাহ মানুষকে দেখাতে চান। যাতে মানুষ নিজেই নিজের যোগ্যতা জানতে পারে। ইসলামের দুটি অংশ। গায়েব আর বাস্তব। গায়েবের ব্যাপারে কোন যুক্তি বা তর্কের কোন অর্থ হয় না। যা প্রমান করা সম্ভব না। তা যুক্তি বা বাস্তব প্রমান দিয়ে বলতে যাওয়া অর্থহীন। সেসব বিষয় আল্লাহর রাসুল বিস্বাসের আবেদন করেছেন। আর বাকীসব বিষয়ের মদ্ধে বড় একটা সীমানা টেনে তার মধ্যে পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী চলার কথা বলা হয়েছে। ইসলামের কিছু বিষয় আছে, যা আবশ্যিক। সেসব বিষয় ব্যাক্তি নির্ভর। আবার কিছু বিষয় আছে যা অনুমদিত, করলে ক্ষতি নেই, তবে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে।

    এখন আমরা যে বিষয়টি বুঝতে ভুল করছি, সেটি হল বিচারের মালিক আল্লাহ। তিনি সকলের বিচার করবেন, নবী থেকে নিয়ে সাধারন মানুষ পর্যন্ত। অতএব কেউ যদি কোন ভুল করে থাকে, সে যে ই হোক, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। এ বিষয়টিতে দুটি উপকার, একঃ অনেকের ক্ষোভ থাকে দুনিয়াতে তার প্রাপ্তি থেকে সে বঞ্চিত। (ন্যায় বিচার না পাওয়া, অত্যাচারিত হওয়া সহ নানাবিধ প্রত্যাশা পুরন না হওয়া)। সে তা দেখতে পাবে। আর ইহলৌকিক প্রাপ্তি হল পাপিরা স্রষ্টার ভয়ে পাপ সীকার করলে শাস্তির বদলে পুরস্কার পাবে। যেমন এক নারী ব্যাভিচারের শাস্তি নিয়েছিল স্বেচ্ছায়। এবং আল্লহর রাসুল বলেছিলেন যে সে জান্নাতী। এভাবে মানুষ ভুল করে যে কোন ধরনের অন্যার করলে তার মদ্ধ্যে আল্লাহর ভয় থাকলে সে অপরাধ স্বীকার করে দুনিয়াবী শাস্তি নিবে। ফলে মানুষের মদ্ধ্যে অপরাধ প্রবনতা কমে যাবে।

    এখন কেউ যদি জেনে বুঝে কোন কিছু বিকৃত করে, যেমন পাকিস্তানে নারী ধর্ষনের অভিযোগ আনলে উলটো তাকে শাস্তি দেবার যে বিধান। (যদিও কুরানে এরকম কোন বিধানই নেই, সমাজপতিরা শক্তি বলে এটা করেছে) তাহলে এর জবাব আল্লাহর কাছে তাকেই দিতে হবে। তেমনি ভাবে জাকির নায়েক কেউ জবাব দিতে হবে। কারন তিনি বিজ্ঞান না বুঝেই আবোল তাবোল বকে মুসলমানদের ক্ষতি করছেন।

    মুলত মুসলমানরা বহুবছর ধরে জ্ঞানের চর্চা করেনা। তাই তাদের এত অধঃপতন। রাসুল দেখিয়ে গিয়েছেন কিভাবে ইসলাম প্রচার করতে হবে। প্রথমে দাওয়াত দিতে হবে। তারপর যারা তা গ্রহনে আগ্রহী তাদেরকে শিক্ষিত করতে হবে। দাওয়াতের কাজ অব্যাহত রাখতে হবে। এবং কেউ বাধা দিতে আসলে তখন তাকে সেভাবেই মোকাবেলা করতে হবে যেভাবে সে আঘাত করেছে। তারপর দেশ গঠন হলে সেখানে আইন প্রণোয়োন করতে হবে। ইসলাম আইনের থেকে বেশী গুরত্ব দেয় নৈতিক শিক্ষার উপর। যাতে মানুষ নিজেই অপরাধ না করে। সব কিছুর পর মানুষ ভুল করতে পারে। যার পুংখান পুঙ্খ বিচার হবে।

    • পৃথিবী এপ্রিল 4, 2010 at 11:01 অপরাহ্ন - Reply

      @রাতুল,

      ইসলামের দর্শন যারা না বুঝে অনেক কিছু লিখেন, তাদের প্রতি অনুরোধ যে দয়া করে ইসলামের দর্শন জেনে তারপর লিখেন। ইসলাম যেভাবে প্রচার ও প্রসার পেয়েছে, সেভাবে আর কোন ধর্ম পেয়েছে কিনা সন্দেহ। হ্যা, অনেক যুদ্ধ হয়েছে। তবে যুদ্ধ করা খারাপ কিনা সেটা দেখতে হবে। কোন একটা যায়গায় কিছু মানুষ অন্যায় অত্যাচার করতে থাকলে তাদের প্রতিরোধ করতে যুদ্ধ ছাড়া কোন পথ নেই। আর ইসলামের ইতিহাস ঘেটে দেখুন, প্রায় সকল যুদ্ধই খুব অল্প সংখ্যক জনবল ও অস্ত্রবলের সাহায্যে মুসলিমরা বিজয় লাভ করেছে। এটা কোন স্রষ্টার সাহায্য ছাড়া সম্ভব না।

      যারা ধর্মে বিজ্ঞান খুজে বেড়ান তারা কি বিজ্ঞানের দর্শন কখনও ঘেটে দেখেছেন? এটা ধর্মীয় বিজ্ঞান নিয়ে পোষ্ট, ইসলামের দর্শন নিয়ে না। বিজ্ঞানের দর্শন সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন।

      ইসলামের দর্শন কি? মানুষের মধ্যে কারা স্রষ্টার পথে চলতে পারে সেটা আল্লাহ মানুষকে দেখাতে চান। যাতে মানুষ নিজেই নিজের যোগ্যতা জানতে পারে। ইসলামের দুটি অংশ। গায়েব আর বাস্তব। গায়েবের ব্যাপারে কোন যুক্তি বা তর্কের কোন অর্থ হয় না। যা প্রমান করা সম্ভব না। তা যুক্তি বা বাস্তব প্রমান দিয়ে বলতে যাওয়া অর্থহীন। সেসব বিষয় আল্লাহর রাসুল বিস্বাসের আবেদন করেছেন।

      দর্শন তো বিশ্বাস নির্ভর না। ইসলামের আবার দর্শন হয় কিভাবে? তাছাড়া যে বিষয় বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল তার অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হব কেমনে? বিশ্বাস তো কখনও সত্যকে তুলে ধরতে পারে না। বিশ্বাসের জগতে আল্লাহ যেমন probable , উড়ন্ত ঘোড়াও তেমনি probable। আপনি কি আমাদের উড়ন্ত ঘোড়ায় বিশ্বাস করতে বলছেন?

      মুলত মুসলমানরা বহুবছর ধরে জ্ঞানের চর্চা করেনা।

      তাদেরকে কে আটকে রাখছে? তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে মুসলমানদের মত একটা বিশাল বড় গোষ্ঠী যখন জ্ঞানচর্চা থেকে নিজেদেরকে বিরত রাখছে, তখন খুব সহজেই বোঝা যায় যে তাদের এই অনীহা নিছক আলস্যের কারণেই বিদ্যমান নয়।

      আর ভাই, আপনার পুরো মন্তব্যটাই কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক। এখানে কোরানের তথাকথিত বৈজ্ঞানিক শুদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

      • রাতুল এপ্রিল 5, 2010 at 8:33 পূর্বাহ্ন - Reply

        @পৃথিবী,

        বিশ্বাস তো কখনও সত্যকে তুলে ধরতে পারে না।

        এটাকি ঠিক বললেন? বিচারক কি কখন হত্যা করতে দেখে রায় দেন? নাকি তার কাছে উপস্থাপিত তথ্যে বিশ্বাস করে সত্যের কাছাকাছি পৌছতে চেষ্টা করেন? এখন যদি কোন বিচারক তার কাছে উপশাপিত তথ্যকে যাচাই না করেই রায় দেন এবং তিনি এতে ধরা পড়েন, তাহলে কি তার শাস্তি হবেনা? তারপরও মানুষ ভুল করতে পারে, সে সবসময় সত্যের কাছাকাছি নাও পৌছতে পারে, তাই ইসলাম একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি দেখিয়ে দিয়ে বলেছেন এর পরও মানুষ ভুল করলে আল্লাহ তার নিয়ত দেখে রায় দিবেন। শুধুমাত্র কাজের-ই বিচার হবে না।

        বিশ্বাসের জগতে আল্লাহ যেমন probable , উড়ন্ত ঘোড়াও তেমনি probable। আপনি কি আমাদের উড়ন্ত ঘোড়ায় বিশ্বাস করতে বলছেন?

        এক্ষেত্রে আপনাকে দেখতে হবে তথ্যগুল কি। যেমনটা আমি বলেছি যে ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধ গুলতে অস্ত্রবল ও জনবল কম থাকা সত্ত্বেও মুসলমানেরা বিজয়ী হয়েছিল। সাধারনভাবে এটা ইতিহাসে এত বেশী রকম ঘটেনি। দু একবার ঘটতে পারে। এ জগতের নিয়ম হল যে কোন একদিকে আপনাকে শক্তিশালী হতে হবে। হয় অস্ত্রবল নয় জনবল। এছাড়া বনু কুরাইজার ঘটনা ছাড়া মহানবীর জীবন সহ চার খলিফার জীবনে এরকম কোন ইতিহাস পাবেন না যেখানে যুদ্ধ ছাড়া মানুষ হত্যা বা দাসী অধীগ্রহন করা হয়েছে। একটা জাতির ইতহাসে যুদ্ধের ক্ষেত্রে এতোটা সতর্ক থাকার প্রচেষ্টা আপনি দেখতে পাবেন না। আপনি ৪ ৫ টি এরকম ঘটনার কথা বলতে পারবেন? যেখানে বনু কুরাইজার ন্যায় ঘটনা ঘটেছে?

        আর ভাই, আপনার পুরো মন্তব্যটাই কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক। এখানে কোরানের তথাকথিত বৈজ্ঞানিক শুদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

        ইসলামকে কেন্দ্র করে কয়েকটি পোস্টের জবাবে আমার চিন্তাধারা এখানে উপস্থাপন করাটা ঠিক হয়নি তা স্বীকার করছি। তবে যেটা মুল কথা হল আল কুরানে বিজ্ঞানের পদ্ধতিতে কোন তথ্য দেয়া হয়নি। চাদের আলোর ক্ষেত্রে সাধারনভাবে বলা হয়েছে যে চাদ আলো দেয়। কিভাবে দেয় সেটি বলা হয়নি। কারন বিজ্ঞানের কোন কিছু বর্ণনা করা আল কুরানের উদ্দেশ্য ছিল না। এভাবে সমস্ত আয়াত-ই বিজ্ঞান কেন্দ্রীক নয়। আর আল কুরান মানুষকে উদ্দেশ্য করে অবতীর্ণ। তাই এতে মানব জ্ঞানের বাইরে কিছু থাকার আশা করা যুক্তিসঙ্গত নয়। এর উদ্দেশ্য মানুষকে একটি সামাজিক ব্যাবস্থা দেয়া যাতে করে একে অপরের প্রতি অন্যায় করার প্রবনতা কমে আসে।

        • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 12:14 অপরাহ্ন - Reply

          @রাতুল,

          তবে যেটা মুল কথা হল আল কুরানে বিজ্ঞানের পদ্ধতিতে কোন তথ্য দেয়া হয়নি। চাদের আলোর ক্ষেত্রে সাধারনভাবে বলা হয়েছে যে চাদ আলো দেয়। কিভাবে দেয় সেটি বলা হয়নি।

          ভাই রাতুল এটা কি বললেন ? মহাবিজ্ঞানি জাকির নায়েক উঠে পড়ে লেগেছেন প্রমান করতে যে কোরান বলছে চাদ নিজের আলো দেয় না , অন্যের আলোয় আলোকিত হয়ে আলো দেয়। সে কারনে উনি যে আয়াত উদ্ধৃত করেছেন তা প্রবন্ধে বলা হয়েছে আপনি মনে হয় সেটা ভাল করে পড়েন নাই। কি আজব কারবার ! সমালোচনা করতে চান কিন্তু আপনার প্রতিপক্ষ কি বলল বা লিখল তা ভাল করে পড়বেন না , এ কেমন কথা ? যাহোক জাকির মিয়ার অনুবাদ নিচে দিলাম , দয়া করে পড়ে নিন ও পরে তর্ক করুন:

          কল্যানময় তিনি যিনি আসমানে নক্ষত্রপুঞ্জ সৃষ্টি করেছেন, তাতে স্থাপন করেছেন প্রদীপ(সূর্য) আর আহরিত আলোয় উদ্ভাসিত চন্দ্র।২৫ঃ৬১
          দেখেন তিনি কিভাবে অনুবাদ করেছেন, বলছেন- আহরিত আলোয় উদ্ভাসিত চন্দ্র। বুঝছেন , ভানুমতির খেল? এই হলো আপনাদের কাছে মহাপন্ডিত জাকির নায়েকের আসল কৌশল। আর সেটা হলো আপনাদের মত সহজ সরল মানুষদেরকে ধোকা দেয়া ও আপনাদেরকে জঙ্গী ও ধর্মোন্মাদ করে গড়ে তোলা।

        • পৃথিবী এপ্রিল 5, 2010 at 12:26 অপরাহ্ন - Reply

          @রাতুল,

          বিচারক কি কখন হত্যা করতে দেখে রায় দেন? নাকি তার কাছে উপস্থাপিত তথ্যে বিশ্বাস করে সত্যের কাছাকাছি পৌছতে চেষ্টা করেন?

          বিশ্বাসের পেছনে মানুষের বায়াস কাজ করে। কোন বিচারক যদি অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়ার পণ করেই রায় দেন(এবং এই পণের পেছনে বায়াস বা বিশ্বাস কাজ করে), তাহলে কিন্তু প্রমান যাই বলুক, বিচারক ঠিকই অভিযুক্তকে শাস্তি দিবেন। তিনি যদি “বায়াস”, “বিশ্বাস” এর মত ব্যক্তিনিষ্ঠতা বাদ দিয়ে তার মনের নৈর্ব্যক্তিক ফ্যাকালটিগুলোকে কাজে লাগিয়ে রায় দেন, তাহলে সেটাকে আর বিশ্বাস বলা যায় না। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, বিশ্বাস হচ্ছে যুক্তি-প্রমান নিরপেক্ষ। বিচারক যখন রায় দেন, তখন তিনি কিন্তু উপস্থাপিত তথ্য-প্রমানকে অবজ্ঞা করে রায় দেন না, সেগুলোকে বিচার-বিবেচনা করেই রায় দেন।

          যেমনটা আমি বলেছি যে ইসলামের ইতিহাসে যুদ্ধ গুলতে অস্ত্রবল ও জনবল কম থাকা সত্ত্বেও মুসলমানেরা বিজয়ী হয়েছিল। সাধারনভাবে এটা ইতিহাসে এত বেশী রকম ঘটেনি। দু একবার ঘটতে পারে। এ জগতের নিয়ম হল যে কোন একদিকে আপনাকে শক্তিশালী হতে হবে। হয় অস্ত্রবল নয় জনবল।

          ধর্মের ইতিহাসকে আমি সাধারণত বেশি গুরুত্ব দেই না কারণ এই ইতিহাস রচনার সময় ঐতিহাসিকরা(যারা আবার ওই ধর্মেরই অনুসারী) প্রায়ই তাঁদের আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। বদর যুদ্ধের কথাই ধরুন। আমি সবসময় শুনে এসেছি যে বদর যুদ্ধের সময় নাকি আল্লাহ আসমান থেকে মুসলমানদের জন্য ফেরেস্তা পাঠিয়েছিলেন। স্যার সৈয়দ আমীর আলি তাঁর “স্পিরিট অব ইসলাম” গ্রন্থে মন্তব্য করেন যে ওই সময়ের একটা বিশাল মরুঝড়ের কারণে কাফের যোদ্ধারা বিপাকে পড়েছিল এবং মুসলমানরা এটাকেই ঐশী সাহায্য ধরে নিয়েছিল। তাছাড়া যুদ্ধজয় সবসময় পেশীশক্তির উপর নির্ভর করে না, রণকৌশলেরও গুরুত্বপূ্র্ণ ভূমিকা রয়েছে।

          এখন বলুন, অতীতের মুসলমানেরা অলৌকিক ক্ষমতাবলে যুদ্ধজয় করলে আজকের মুসলমানেরা কি দোষ করল? আল্লাহ কেন ফিলিস্তিনীদের সাহায্য করছেন না? আল্লাহ কেন ‘৭১ এর গনহত্যায় হস্তক্ষেপ করেননি, কেন আমাদেরকে ভারতের উপর নির্ভর করতে হয়েছিল?

          চাদের আলোর ক্ষেত্রে সাধারনভাবে বলা হয়েছে যে চাদ আলো দেয়। কিভাবে দেয় সেটি বলা হয়নি।

          সেটা তো আপনি-আমি বুঝি, কিন্তু জাকির নায়েকের মত নব্য ধর্ম-প্রচারকরা তো একটা সুবিশাল জনগোষ্ঠীকে ঠিকই আশ্বস্ত করছেন যে কোরানে নাকি বলা হয়েছে চাঁদ সূ্র্যের আলোকে প্রতিফলিত করে, যেটা ওই যুগের যেকোন গ্রন্থের জন্যই একটা “মিরাকল”।

        • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 6, 2010 at 10:50 অপরাহ্ন - Reply

          @রাতুল,

          এর উদ্দেশ্য মানুষকে একটি সামাজিক ব্যাবস্থা দেয়া যাতে করে একে অপরের প্রতি অন্যায় করার প্রবনতা কমে আসে।

          তার মানে মুসলিম সমাজে অপরাধ নেই অথবা কম, যত অপরাধ শুধু অমুসলিম সমাজেই হচ্ছে। উদাহরন দিলে ভাল হয়। অবশ্য মুসলিম সমাজে অপরাধ বলতেতো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বেশিরভাগ মহিলা সম্পর্কিত, তাতে সুবিধা অনেক।

    • বকলম এপ্রিল 5, 2010 at 12:20 পূর্বাহ্ন - Reply

      @রাতুল,

      ইসলামের দর্শন যারা না বুঝে অনেক কিছু লিখেন, তাদের প্রতি অনুরোধ যে দয়া করে ইসলামের দর্শন জেনে তারপর লিখেন।

      রাতুল আপনি কি ইসলামের দর্শন জেনেছেন? কিভাবে জানলেন? কিছু বইএর নাম বলবেন কি? কিভাবে ইসলামের দর্শন জানা যায় একটু বলেন। আপনি নিশ্চয়ই ইসলামের দর্শন জানেন। না জেনে শুধু শুধু তো নিশ্চয়ই আপনি লেখক কে দর্শন জানতে বলছেন না।

    • ব্রাইট স্মাইল্ এপ্রিল 5, 2010 at 1:04 পূর্বাহ্ন - Reply

      @রাতুল,

      আর ইসলামের ইতিহাস ঘেটে দেখুন, প্রায় সকল যুদ্ধই খুব অল্প সংখ্যক জনবল ও অস্ত্রবলের সাহায্যে মুসলিমরা বিজয় লাভ করেছে। এটা কোন স্রষ্টার সাহায্য ছাড়া সম্ভব না।

      তা ভাই, মুসলমানরা আজ যে প্যালেষ্টাইন, আফগানিস্থানে যুদ্ব করে বেড়াচ্ছে, স্রষ্টা এখন কেন মুসলমানদের বিজয় করিয়ে দিচ্ছেন না, এই যুগের মুসলমানদের স্রষ্টা কেন তাঁর সাহায্য হতে বন্চিত করছেন?

    • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 1:19 পূর্বাহ্ন - Reply

      @রাতুল,

      ভাই রাতুল, আমরা এ প্রবন্ধে ইসলামের ইতিহাস বা দর্শন নিয়ে আলাপ
      করতে বসি নাই। আমরা আপাতত ব্যস্ত কোরানিক বিজ্ঞান বিষয়ের ফয়সালা করতে। কারন ইদানিং এত বেশী তথাকথিত ইসলামি বিজ্ঞানীর আবির্ভাব ঘটেছে যে তারা কোরানের আয়াতে আয়াতে বিজ্ঞানের সব তত্ত্ব খুজে পাচ্ছেন আর পেট্রো ডলারের কল্যানে অগনিত ওয়েব সাইট খুলে বা বই ছাপিয়ে আপনার মত সাধারন মুসলমানদের মাথা গুলো খাচ্ছেন। আমরা যারা মুক্ত বুদ্ধির পথিক তারা আপনাদের নিয়ে খুবই চিন্তিত বলেই অনেক কসরত করে মাথা খাটিয়ে এসব প্রবন্ধ লিখছি যাতে আপনাদের মত মানুষদের চোখ খোলে। দেখেন, প্রবন্ধটিতে জাকির নায়েক নামের এক তথাকথিত পন্ডিতের অনেক তত্ত্বের অসারতার কথা যুক্তির মাধ্যমে খন্ডন করা হয়েছে, কিন্তু আপনি তার একটাও খন্ডন করতে পারেন নি, পারার কথাও নয়। অথচ আপনি অপ্রাসঙ্গিকভাবে ইসলামের ইতিহাস আর দর্শন পড়ার ছবক দিলেন। ভাই এই টাই কিন্তু আপনাদের মূল সমস্যা।আলোচ্য প্রবন্ধটি লিখতে কিন্ত আমাকে অনেক পড়াশুনা করতে হয়েছে, কোরান হাদিস সব। আর আপনারা যেটা করেন তা হলো আপনারা পড়াশুনা তেমন একটা করেন না , যেটুকু করেন তাও অন্ধভাবে, অথচ অন্যদেরকে পড়ার ছবক দেন। ভাই আমার প্রবন্ধ পড়ে কি আপনার মনে হয় আমি পড়াশুনা ছাড়াই এটা লিখেছি? তাই আমার অনুরোধ, প্লিজ অন্যকে উপদেশ দেয়ার আগে আপনি নিজে ভাল করে পড়–ন দেখবেন তাহলে আমাদেরকে আর কষ্ট করে রাত জেগে প্রবন্ধ লিখতে হবে না। পরিশেষে, ভবিষ্যতে ইসলামের ইতিহাস ও দর্শন নিয়ে অবশ্যই লেখা হবে আর তা পড়াশুনা করেই ( আপনার ছবক মেনে), প্লিজ একটু অপেক্ষা করুন।

      • রাতুল এপ্রিল 5, 2010 at 9:50 অপরাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,

        ঠিক বলেছেন, আমরা পড়াশুনা বেশী একটা করি না। অথচ শিক্ষাটা এমন ছিলনা। যা ছিল তা হল জানা পড়া এবং তার যথাযথ চর্চা করা। আর আমি কিভাবে জাকির নায়েকের দেয়া বক্তব্যগুল খন্ডন করব। ওগুল আপনিই করলেন। আমি যা করতে পারি তা হল আপনি যদি জিজ্ঞাসা করেন যে এ আয়াতটি অবৈজ্ঞানিক কথা বলা হয়েছে। তা নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে পারি। পুর্বাপর আয়াত সমুহ দেখে বলতে পারি এখানে আমি কি বুঝেছি। আমার বুঝের উপর আমার বিচার হবে। জাকির নায়েক বা আপনার বুঝের উপরতো নয়।

        আমি আপনাকে শুধু এটাই বলতে পারি, ধরুন আমি যদি আজ বলি যে আমি পদার্থ বিজ্ঞান পছন্দ করি না। এটার কোন মুল্য আছে? নাই, এর কারন হল আমি পদার্থ বিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞ না। তেমনিভাবে যারা কুরান ও ইসলামের পক্ষে বা বিপক্ষে লিকছেন। তারা কতটা বিশেষজ্ঞ তা ভেবে দেখার বিষয়।

        আমার ক্ষেত্রে আমি ভেবে দেখি যে কেউ যাই করছেন বা বলছেন তা ইসলামের মুল বক্তব্যের সাথে মিলছে কিনা। মুল বক্তব্যতো খুবি সাধারন। বিস্বাস কর, নামাজ পড়, রোজা রাখ, জাকাত দাও আর হজ্জ কর। মানুষের ক্ষতি সাধন থেকে বিরত থাক। এর উপর আমার বিচার। আর বাকী সকল বিধান রাস্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে তারপর প্রবর্তনের প্রশ্ন। এখন নয়।

        আপনার বাকী প্রবন্ধগুল পড়ে ভিন্নমত থাকলে জানাবো।

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 5, 2010 at 7:19 পূর্বাহ্ন - Reply

      @রাতুল,

      এখানে ইসলামের সামগ্রিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। জাকির নায়েকের স্বেচ্ছাচারী কোরানে বিজ্ঞান আবিষ্কারের সাথে ইসলাম ভাল কি খারাপ তার তেমন কোন সম্পর্ক নেই।

      তেমনি ভাবে জাকির নায়েক কেউ জবাব দিতে হবে। কারন তিনি বিজ্ঞান না বুঝেই আবোল তাবোল বকে মুসলমানদের ক্ষতি করছেন।”

      আপনি যা বললেন, লেখকও কিন্তু একই কথাই বলতে চেয়েছেন, হয়ত একটু ভিন্নভাবে। যদিও প্রশ্ন থাকে যে যিনি মুসলমানদের এত বড় ক্ষতি দিনের আলোয় করে যাচ্ছেন তার কেন এত অন্ধভক্ত থাকে? এমন না যে তিনি গ্রাম্য পীর ফকির যার ভক্ত শুধু অশিক্ষিত জনসাধারন। নায়েক সাহেবের ভক্তকুলের সবাই উচ্চশিক্ষিত। এটা কি মানসিক দৈন্যতার চরম উদাহরন নয়?

      • রাতুল এপ্রিল 5, 2010 at 10:04 অপরাহ্ন - Reply

        @আদিল মাহমুদ,

        ঢাকা শহরেই অনেক বর একজন পীর বাবে রহমত খুলে বসে আছেন। ঢাকা ভার্সিটির সাবেক ভিসি এমাজ উদ্দিন স্যার একজন পীর ভক্ত। আমার পরিচিত একজন শিক্ষক বেল ল্যাব এ কাজ করেছেন, যিনি এখন ভাবেন যে মানুষ হ্রদয় দিয়ে ভাবে। এরকম অসংখ্য উদাহরণ আনা যাবে যা আমার কাছে অযৌক্তিক মনে হতে পারে, কিন্তু সেরকম শিক্ষিত লোকের কাছে এগলোর কোন ব্যাখ্যা আছে। এর কারন এটাই যে মানুষ কম্পিউটার না যে শুধু হিসেব করেই চলবে। আল কুরান মানুষের জীবনকে ঘিরে অবাস্তব কিছু বলেছে কিনা সেটিই আলোচনা সাপেক্ষ।

  13. পৃথিবী এপ্রিল 4, 2010 at 8:19 অপরাহ্ন - Reply

    লালন দর্শনকে বিজ্ঞানসম্মত প্রমান করার কারণে আপনাকে দশ তাঁরা দিলাম :yes: মুক্তমনার সার্ভারে জায়গা থাকলে লালন এন্ড সায়েন্স শিরোনামের একটা ওয়েবপেইজ হোস্ট করা যেতে পারে :-/

    • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 1:30 পূর্বাহ্ন - Reply

      @পৃথিবী,

      😀

      • Murad এপ্রিল 5, 2010 at 9:10 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,
        তত্ত্ব-১। মহাবিশ্ব একটা বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে।

        কুরআন বলে মহাকাশ আগে সৃস্টি, পরে পৃথিবী সৃস্টি, কিভাবে

        অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্র কুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। তারা বলল আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।৪১ঃ১১

        Pickthal: Then turned He to the heaven when it was smoke, and said unto it and unto the earth: Come both of you, willingly or loth. They said: We come, obedient
        ৪১ঃ১১

        টার্নড Turned মানে

        if you turn to something, that means that something already exists …. you cannot turn to something that is not yet in existence ….

        তাছাড়া আয়াতগুলো ভাল করে লক্ষ্য করুন
        Seest thou not that Allah created the heavens and the earth in Truth? If He so will, He can remove you and put (in your place) a new creation?
        ১৮ঃ১৯

        It is He who created the heavens and the earth in true (proportions): the day He saith, “Be,” behold! it is. His word is the truth. His will be the dominion the day the trumpet will be blown. He knoweth the unseen as well as that which is open. For He is the Wise, well acquainted (with all things).
        ৬ঃ৭৩

        Allah created the heavens and the earth with truth. Lo! therein is indeed a portent for believers
        ২৯ঃ৪৪

        heavens……earth
        heavens……earth
        heavens……earth

        সবখানে আগে heavens তারপর earth

        আশা করি turn টার্ন মানে বুঝেছেন এবং উত্তর পেয়েছেন।

        তত্ত্ব -২ ঃ গোলাকার পৃথিবী।
        Khalifa: He made the earth egg-shaped.
        অতঃপর আমরা পৃথিবীকে ডিম্বাকৃতি করে সৃষ্টি করেছি।৭৯ঃ৩০
        http://www.islamawakened.com/Quran/79/30/default.htm
        আশা করি উত্তর পেয়েছেন।

        তত্ত্ব-৬ঃ উদ্ভিদের লিঙ্গভেদ।
        Literal: Who made/put for you the earth/Planet Earth spread , and He threaded/passed for you in it roads/means , and He descended from the sky water, so We brought out with it pairs/spouses from different/various plants.
        http://www.islamawakened.com/Quran/20/53/default.htm

        …….We brought out with it pairs/spouses from different/various plants……………
        আশা করি উত্তর পেয়েছেন।

        বাকি প্রশ্নগুলোর উত্তর পড়ে দিব। এখন অনেক রাত। ঘুমানো সময়। ভাল থাকনেব।

        • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 11:57 পূর্বাহ্ন - Reply

          @Murad,

          মুরাদ ,
          আপনার বক্তব্য পরিষ্কার নয়। যুক্তি তর্ক করতে চাইলে বক্তব্য আরও পরিষ্কার হওয়া দরকার । তবে এটুকু বোঝা গেছে আপনি কোরানিক বিজ্ঞানকে সাপোর্ট করছেন। ভাল কথা।
          ১ম তত্ত্বঃ মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হচ্ছে।
          উপরোক্ত তত্ত্বই ছিল মূল প্রতিপাদ্য ও সেখানে জাকির নায়েক যে আয়াত ব্যবহার করেছেন সে ব্যপারে আপনার কোন বক্তব্য নেই। অপ্রধান বিষয়টাকে আপনার সুবিধা মনে হয়েছে বলে আপনি সেটাই বেছে নিয়েছেন। যাহোক, সে বিষয়ে বলছি, যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম যদি আপনার বক্তব্য সত্যিও হয় (যদিও তা না) তাহলে কিন্তু সমস্যা বাড়ে ছাড়া কমে না। আপনার বক্তব্য মতে- পৃথিবী সৃষ্টির আগেই তথা মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছিল যদিও কোরানিক আকাশ আর মহাবিশ্ব মোটেও এক জিনিস নয়। তারপরেও যুক্তির খাতিরে এক জিনিস মনে করছি। তো আল্লাহ দেখলেন আকাশ তখনো তা ছিল ধুম্র কুঞ্জ। মহাবিশ্ব বিদ্যা বলে মহাবিশ্ব সৃষ্টিরও প্রায় ১০০০ কোটি বছর পর সূর্য ও পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে, সূর্য একটা দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের তারা । তার মানে পৃথিবী সৃষ্টির আগে ১০০০ কোটি বছর ধরে মহাবিশ্বে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন তারকা তৈরী হয়েছিল যাদেরকে আজকের মত রাতের বেলা দেখাও যেত, তারা কিন্তু ধুম্র কুঞ্জ ছিল না। আশা করি তারকা ও ধুম্রকুঞ্জের পার্থক্য আপনি ভালই বোঝেন। তো আল্লাহ দেখলেন খালি ধুম্র কুঞ্জ, কোন তারকাই দেখতে পেলেন না। কি মনে হয় আপনার এখন ? আরও বলছি শোনেন, ধুম্র কুঞ্জ কিন্তু এখনও মহাবিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে যারা একদিন জড় হয়ে তারকা সৃষ্টি করবে, বর্তমানেও তারকা সৃর্ষ্টির পর্যায়ে আছে বহু মহাকাশীয় ধুম্রপুঞ্জ।শোনেন ভাই, একটু মন দিল খোলা রেখে কোরানের আয়াত পড়েন, দেখবেন ওখানে আপনি যা বলতে চাচ্ছেন তার কিছুই নেই। সেই ১৪০০ বছর আগে মোহাম্মদ এমন কিছু জানতেন না মহাবিশ্ব সম্পর্কে যা আজকের মহাবিশ্ব বিদ্যার সাথে মিলবে। মনে হচ্ছে আল্লাহ আপনার হুদয়ে সীল মেরে দিয়েছেন বা চোখ অন্ধ করে দিয়েছেন, যে কারনে কোন সত্যিকার যুক্তি আপনার গ্রাহ্য হচ্ছে না, কিছুই আপনার নজরে পড়ছে না। কারন আপনা চোখ, মন বা ব্রেনের দরজা বন্দ। আপশোস্ আপনার জন্য।
          আপনার বাকি বিষয়ের ওপর আলোকপাত করার দরকার মনে করলাম না। যুক্তি তর্ক করতে চাইলে এই একটি বিষয়েই আসুন কথা বলি।

        • ফরহাদ এপ্রিল 5, 2010 at 1:12 অপরাহ্ন - Reply

          @Murad,
          কুরআন বলে মহাকাশ আগে সৃস্টি, পরে পৃথিবী সৃস্টি, কিভাবে

          অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্র কুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। তারা বলল আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।৪১ঃ১১
          মুসলমানদের একটা প্রিয় শব্দ আছে “আউট অব কনটেকস্ট”। সেই ফাঁদে পা দিলেন।পুরো আয়াত গুলো এক সাথে পড়ুন……..

          [Pickthal 41:9] Say (O Muhammad, unto the idolaters): Disbelieve ye verily in Him Who created the earth in two Days, and ascribe ye unto Him rivals? He (and none else) is the Lord of the Worlds.

          [Pickthal 41:10] He placed therein firm hills rising above it, and blessed it and measured therein its sustenance in four Days, alike for (all) who ask;

          [Pickthal 41:11] Then turned He to the heaven when it was smoke, and said unto it and unto the earth: Come both of you, willingly or loth. They said: We come, obedient

          [Pickthal 41:12] Then He ordained them seven heavens in two Days and inspired in each heaven its mandate; and We decked the nether heaven with lamps, and rendered it inviolable. That is the measuring of the Mighty, the Knower.

          কি আশ্চার্য!!!! প্রথম দুই দিনে পৃথিবী সৃস্টি আর শেষ দুই দিনে আকাশ(?) সৃস্টি করে তাতে সূর্য তারা (lamps) ফিট করেছেন। :laugh: আগে পৃথিবী পরে সূর্য !!!!!
          ৪১:১২ তে একই সঙ্গে “He ” এবং “We” ব্যাবহার করা হয়েছে। এখানে “He” কে আর “We” কে??? আল্লাহ দেখি গ্রামারেও দূর্বল।

          • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 1:42 অপরাহ্ন - Reply

            @ফরহাদ,

            কঠিন জবাব দিয়েছেন ভাই। আসলে কোরানে এত অর্থহীন আর আজগুবি কথা লেখা আছে যার ব্যাখ্যা দিতে গেলেই বিরক্তি ধরে যায়। যখন এ বিষয়ে লিখতে বসি তখনই প্রচন্ড ধৈর্য ধরার প্রতিজ্ঞা নিয়েই বসি। কিন্তু আজব ব্যাপার এত আলোচনা সমালোচনার পরেও কিছু লোক আছে যারা কিছুই দেখে না, অথবা বলা যায় তারা দেখতে চায় না। তারা আরবের মরুভুমিতে উটে চড়ার স্বপ্ন দেখে ও আফগানিস্তানের পাহাড়ে যুদ্ধ করার স্বপ্ন দেখে। হায়রে মুসলমান, তোমরা মানুষ হলে না !

            • ফরহাদ এপ্রিল 5, 2010 at 3:33 অপরাহ্ন - Reply

              @ভবঘুরে, এরা “সুম্মুন বুকমুন ফাহুম”

          • শরীফ এপ্রিল 6, 2010 at 12:40 পূর্বাহ্ন - Reply

            @ফরহাদ,

            আল্লাহ গ্রামারে ভূল করেনাই বরং আপনি গ্রামার ভুলে গেছেন , আপনি আগে বাংলা গ্রামার মনে করে দেখেন , বক্তা কত ভাবে তার ওক্তি প্রকাশ করতে পারে, তাহলে সবকিছু পরিস্কার হয়ে যাবে। সময় পেলে আপনার প্রশ্নের উত্তর লিখব ইনশাল্লাহ ।

            • ফরহাদ এপ্রিল 6, 2010 at 11:00 পূর্বাহ্ন - Reply

              র@শরীফ, অপেক্ষায় রইলাম।
              “তারপর তিনি দুই দিনে আকাশকে সপ্তাকাশে পরিনত করেন এবং আমি নিন্ম আকাশকে প্রদীপ সমূহ দ্বারা সজ্জিত করি”
              আমার কোন ছাত্র এভাবে বাক্য গঠন করলে তাকে শুন্য দিতাম।

              • মুরাদ এপ্রিল 6, 2010 at 5:13 অপরাহ্ন - Reply

                @ফরহাদ,

                “তারপর তিনি দুই দিনে আকাশকে সপ্তাকাশে পরিনত করেন এবং আমি নিন্ম আকাশকে প্রদীপ সমূহ দ্বারা সজ্জিত করি”

                Yusuf Ali
                So He completed them as seven firmaments in two Days, and He assigned to each heaven its duty and command. And We adorned the lower heaven with lights, and (provided it) with guard. Such is the Decree of (Him) the Exalted in Might, Full of Knowledge.

                Pickthal
                Then He ordained them seven heavens in two Days and inspired in each heaven its mandate; and We decked the nether heaven with lamps, and rendered it inviolable. That is the measuring of the Mighty, the Knower.

                Khalifa উনি নাকি মন গড়া অনুবাদ করে মিলাই দেখেন
                Thus, He completed the seven universes in two days, and set up the laws for every universe. And we adorned the lowest universe with lamps, and placed guards around it. Such is the design of the Almighty, the Omniscient.

                Sarwar
                He formed the seven heavens in two days and revealed to each one its task. He decked the sky above the earth with torches and protected it from (intruders).. Such is the design of the Majestic and All-knowing God”.

                আশা করি বাংলা অনুবাদে তিনি…………..আমির ব্যাপারটা বুঝেছন।

                • ফরহাদ এপ্রিল 6, 2010 at 9:34 অপরাহ্ন - Reply

                  @মুরাদ, জী না বুঝি নাই। কারন আপনি আমার বক্তব্য সমর্থন করেই পোস্ট করেছেন। আমার বক্তব্যে আমি অটল।
                  ” Thus He”….কে বক্তা? আল্লাহ না মোহাম্মদ ?
                  “and We”…..কে বক্তা ? আল্লাহ না মোহাম্মদ ?
                  যদি বলেন দু যায়গার অর্থই আল্লাহ, বুঝব গাঁজায় দম একটু বেশি দিয়েছেন।
                  আপনাদের মত এপোলোজিস্টদের জন্য “sarwar” সাহেব তার অনুবাদে অত কস্ট করেন নি, তিনি দু যায়গায়ই “He” ব্যবহার করেছেন :laugh:

          • মুরাদ এপ্রিল 6, 2010 at 11:39 পূর্বাহ্ন - Reply

            @ফরহাদ,

            কি আশ্চার্য!!!! প্রথম দুই দিনে পৃথিবী সৃস্টি আর শেষ দুই দিনে আকাশ(?) সৃস্টি করে তাতে সূর্য তারা (lamps) ফিট করেছেন। আগে পৃথিবী পরে সূর্য !!!!!

            41:9
            قُلْ أَئِنَّكُمْ لَتَكْفُرُونَ بِالَّذِي خَلَقَ الْأَرْضَ فِي يَوْمَيْنِ وَتَجْعَلُونَ لَهُ أَنْدَادًا ۚ ذَٰلِكَ رَبُّ الْعَالَمِينَ

            বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুইদিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।
            এখানে আল্রাহ কি বলছে যে আল্লাহ প্রথমে পৃথিবী সৃষ্টি করছে।
            ভাল করে পড়ুন এখানে পাঠককে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।

            সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দুইদিনে

            আল্লাহ কি কইছে যে ২য় দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করছে!!!!

            আপনি প্রমান করলে যে আপনি ছুমমুম বুকমুন উমউন ফাহুম

            আর আপনি তো আরবী গ্র্যামার খুবভাল বুঝেন তাই একটা প্রশ্ন দিলাম
            বলুন তো কেন we? তাইলে বুঝবেন With it have We produced diverse pairs of plants each separate from the others. এর অর্থ আর বুঝতে পারলে বুঝবেন. মূসা উদ্ভিদের সৃষ্টি করেছেন কিনা আর উত্তর টা মি. আবুল কাশেম সাহেব কে দিবেন। আয়াতগুলো লক্ষ্য করুন, অনেক আয়াত আছে সবগুলা দিলাম না
            We created not the heavens and the earth and all that is between them save with truth, and lo! the Hour is surely coming. So forgive, (O Muhammad), with a gracious forgiveness.
            ১৫:৮৫
            We certainly gave Moses the Book aforetime: but disputes arose therein. Had it not been for a Word that went forth before from thy Lord, (their differences) would have been settled between them: but they remained in suspicious disquieting doubt thereon ৪১:৪৫

            অনুগ্রহ করে We এর ব্যাখ্যাটা মি. আবুল কাশেম কে দিবেন। With it have We produced diverse pairs of plants each separate from the others.

            ধন্যবাদ।

            • ফরহাদ এপ্রিল 6, 2010 at 10:13 অপরাহ্ন - Reply

              @মুরাদ, আমি কোথায় বলেছি আল্লাহ ২য় দিনে পৃথিবী সৃস্টি করেছেন? এই চারটি আয়াত পরপর পড়লে সহজেই বুঝা যায় প্রথম দুই দিনে পৃথিবী, শেষ দুই দিনে আকাশ ও তারা সৃস্টি করেছেন।Look at the sequence.
              Dont put your words in my mouth.
              আর “We”? “Majestic plural” :rotfl: …..My left foot :laugh:

        • বকলম এপ্রিল 5, 2010 at 2:10 অপরাহ্ন - Reply

          @Murad,

          দয়া করে মধ্যযুগীয় বকাবকি গুলোকে বিজ্ঞানে পরিনত করার চেষ্টা করবেন না। এতে ধর্মেরই আখেরে ক্ষতি হবে। বিস্তারিত আলোচনা ভবঘুরে করেছেন, আমি আর করছিনা।
          আপনি দেখছি রাশেদ খলিফার অনুবাদ দিয়েছেন। তার সম্পর্কে কি আপনি জানেন? তার একটা গ্রুপ আছে সাবমিটার নামে। কোরানের মিরাকল ১৯ প্রমাণ করতে গিয়ে উনি আয়াত সংখ্যাকেই কেটেছেটে ফেলেছেন। কাজেই এরকম ধান্ধাবাজের অনুবাদ যে নিজের মত করে ফেব্রিকেট করা হবে তা তো বলাই বাহুল্য। রাশেদ খলিফার ইসলামের ভার্সন আর তার মতবাদ ও উদ্ভট মিরাকল ১৯ সম্পর্কে জানতে পড়তে পারেন–

          http://blog.mukto-mona.com/?p=2156

          • ভবঘুরে এপ্রিল 5, 2010 at 3:33 অপরাহ্ন - Reply

            @বকলম,

            রাশেদ খলিফা তো এক পর্যায়ে নিজেকে আল্লাহর নবী বলে দাবী করেছিল আর তাই সে মুসলিম জাতি কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। মুরাদ বোধ হয় সে কথা ভূলে গেছে। কিন্তু তার মনগড়া অনুবাদ মুরাদের কাজে লেগে গেছে তাই অবলীলায় তা ব্যবহার করে কোরানকে বিজ্ঞান বই এর মর্যাদা দিতে উদ্যত হয়েছে। মুসলমানদের এই যে মানসিক দৈন্যতা একারনেই এ জাতি এত পিছিয়ে আছে। উদাহরন স্বরূপ, নোবেল বিজয়ী ডঃ আব্দুস সালাম এর কথা ধরা যায়। তিনি কিন্তু সুন্নী বা শিয়া মুসলিম নন, একজন আহমদিয়া মুসলিম যাদেরকে সুন্নী বা শিয়ারা মুসলিম হিসাবে স্বীকার তো করেই না, বরং তাদেরকে মুরতাদ হিসাবে ঘোষনা দেয়ার জন্য সব সময় দাবী জানিয়ে আসছে। অথচ মুসলিম স্কলার হিসাবে ডঃ সালামের নাম গর্বের সাথে প্রচার করতে মুসলমানরা মুসলমানরা এতটুকু দ্বিধা করে না। এতটাই মানসিক হতদরিদ্র এই মুসলমানরা। নিজেরা সেই ১৪০০ বছর আগের বর্বর আরব যুগে ফিরে যেতে চায়, মনে করে সেটাই স্বর্নযুগ, অথচ আধুনিক বিশ্বের বুকে নিজেদের কৃতিত্ব ফলাতে তাদের ভাষায় যারা নন-মুসলিম তাদের শুধুমাত্র মুসলিম নামটা ব্যবহার করতে বিন্দু মাত্র লজ্জাবোধ নেই এই হীনমন্য মুসলিম জাতির। ধিক এই জাতির!

            • মুরাদ এপ্রিল 7, 2010 at 1:12 অপরাহ্ন - Reply

              @ভবঘুরে,

              ভাই ভবঘুরে আপনাকে ধন্যবাদ মুসলিম বিশ্ব সর্ম্পকে সংবাদ রাখার জন্য।
              আমাকে কি এতটু কইবেন যে, খলিফা রাশেদ নিজেরে নবী কইছে কোথায়।
              আর Messenger ও Prophet এর সংজ্ঞা কি কুরআন অনুসারে?

      • সৈকত চৌধুরী এপ্রিল 7, 2010 at 12:23 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ভবঘুরে,

        আপনার লেখাটি আগের পর্বগুলোর মতই চমৎকার হয়েছে।

        নতুন কোনো ‘পর্ব’ লেখলে আগের পর্বগুলোর লিংক লেখার সাথে দিলে যে পাঠকরা আগের পর্বগুলো পড়েন নাই তাদের উপকার হয়।

  14. বিজয় এপ্রিল 4, 2010 at 7:57 অপরাহ্ন - Reply

    জাকির নায়িক হচ্ছে একজন নব্য ইসলামো-ফ্যাসিস্ট (Neo Islamo-Fascist) এবং এটাই তার মুখ্য পরিচয়। এই নব্য ইসলামো-ফ্যাসিস্টের নিম্নোক্ত উদ্ধৃতি থেকে তা আরও পরিস্কার হবে:
    ” ….. Similarly, as far as matters of religion are concerned we (Muslims) know for sure that only Islam is a true religion in the eyes of God. In the Holy Quran (3:85), it is mentioned that God will never accept any religion other than Islam. As far as the second question, regarding building of churches or temples is concerned, how can we allow this when their religion is wrong and when their worshipping is wrong? Therefore, we will not allow such wrong things in our Islamic country. সূত্র

    • শরীফ এপ্রিল 6, 2010 at 12:25 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বিজয়,
      জনাব বিজয় , জাকির নায়েকের ভুল কোথায় , আপনার কথা থেকে খু্জে পাওয়া মুস্কিল , আপনাকে একটা উদাহরন দেই, আপনি অবশ্যই জানেন যে ভাইরাস ইন্টারনেট জগতেরি একটা অংশ হয়ে গেছে যদিও এইটা খুভি ভয়ানক কোন কমপিউটারের জন্য ।আপনি কি চাইবেন যে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস ঢুকে যাক।আমার মনে হই না।তেমনি করে সত্তিকারের মুসলমানরাও তাদের প্রীয় ধর্মের কথা ভাবে ।আপনি হইত ভাব্বেন অন্ন ধর্মের কথা যে অন্নরা তো এমন করেনা । আমার মতে জাকির নায়েকের এমন ভাবনাটা অস্যাভাবিক কিছু না ,কারন তার কাছে অন্ন কোন ধর্মের অনুসারিরা তাদের ধর্মকে ভুলহীন প্রমান করতে পারেনাই এবং জাকির নায়েক প্রমান করেছে যে সব ধর্ম ইসলাম ধর্মের ভবিস্যত বাণী করে গেছেন ।আর এটা তার মন গড়া কথা নয়। সে প্রমান করছে পুরা বিশ্বজগতের সামনে ।আর কোন নাস্তিক ও তার যুক্তির সাথে পারেনি ।আর নাস্তিক রা যদিও এম্নিতেই না পারার কথা , কারন তাদের কন কথার কোন সঠিক ভিত্তি নেই , তারা শুধু জানে অযুক্তিক ভুল খুজে বেরাতে যদিও তাদের নিজেদের ভুলের অভাব নেই।

      • ভবঘুরে এপ্রিল 6, 2010 at 9:50 অপরাহ্ন - Reply

        @শরীফ,

        ভাই শরিফ, এখন কিন্তু আমাকে বলতেই হচ্ছে, আপনি পাগল না মাথা খারাপ ? আলোচ্য নিবন্ধে জাকির নায়েক নামের এক জোকারের কোরানিক বিজ্ঞানকে চুলচেরা বিশ্লেষন করে ভুল প্রমান করা হলো, আপনি এ পর্যন্ত একটা পয়েন্টেও আলোচনা করে প্রমান করতে পারেননি যে জাকির মিয়া সঠিক কথা বলেছেন। কোন পর্যালোচনা ছাড়াই আপনি জাকির মিয়ার বক্তব্যকে বিশ্বাস করে বাহবা দিচ্ছেন আর তার সাফাই গাইছেন। আপনি বলছেন

        সে প্রমান করছে পুরা বিশ্বজগতের সামনে ।আর কোন নাস্তিক ও তার যুক্তির সাথে পারেনি

        দয়া করে বলবেন কোন প্রতিষ্ঠিত নাস্তিক পন্ডিতকে জোকার মিয়া যুক্তিতে পরাস্ত করেছেন? আপনি ঠিকই বলেছেন, ভাইরাসের কথা। দুঃখের বিষয় হলো- সেই ভাইরাসে আপনার ব্রেন আক্রান্ত হয়েছে আর সেকারনেই আপনি আর কিছু বুঝতে পারছেন না । আচ্ছা , সত্যি করে বলূন তো , আপনি কি আসলেই আলোচ্য পর্বগুলি পড়েছেন? নাকি পড়াটাকে গুনাহ মনে করে, হুদাই আপনার নিজের মনগড়া কথা ছেপে চলেছেন? আপনি আপনার লেখা ভাল করে পড়ে দেখেন তো আপনার কথায় কোন যুক্তি আছে কি না। ইসলাম ধর্ম কিছু অশিক্ষিত মুর্খ গোড়া লোকদের বা জাতির কাছে সত্য ধর্ম হতে পারে , কিন্তু কোন শিক্ষিত জাতির কাছে নিতান্তই ফালতু ও বানোয়াট এক ধর্ম। মোহাম্মদ একটা ধোকাবাজ, লম্পট, লুটেরা, ডাকাত, বহুগামী সেক্স পারভার্ট, ওয়াদা বরখেলাপকারী, নৃশংস হত্যাকারী ও মিথ্যাবাদী বর্বর লোক যে তার মতই একটা বর্বর জাতির সর্দার হয়ে একটা সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার ভিত গড়েছিল। আর কোরান ? সে হলো মোহাম্মদের নিজের মুখের বানী, যেহেতু মোহাম্মদ ছিল অনেকটাই নিরক্ষর তাই তার কোরানে ব্যাকারনগত, ভাষাগত, ইতিহাসগত, বিজ্ঞানগত ভুলের ছড়াছড়ি যা ইতোমধ্যেই অনেক পাঠক সুস্পষ্ট সূরা উল্লেখ করে প্রকাশ করেছেন।ভবিষ্যতে আমিও বিস্তারিত আকারে এ বিষয়ে প্রবন্ধ লেখার আশা রাখি আল্লাহর ওয়াস্তে। জাকির নায়েকও একটা সঙ ছাড়া আর কিছু না যে সৌদি পেট্রোডলারের লোভে পড়ে স্রেফ ভাড়ামি করে যাচ্ছে আর আপনার মত মুসলমানরা এতই হতভাগা যে একটা জোকার বা সঙ-এর ভাড়ামিকে সত্য বলে মনে করে বানরের মত নৃত্য করছেন।আপনি একটা ভাইরাস আক্রান্ত অন্ধ ও বধির লোক, তাই বহু রকম যুক্তি ও উদাহরন তুলে ধরার পরও আপনার কাছে কোরানের কোন রকম ভুল ধরা পড়ছে না। আপনি এমনই এক লোক যে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবর্তনবাদ পড়েও পরিশেষে বিশ্বাস করেন আদম হাওয়া বেহেস্ত থেকে পৃথিবীতে লাফিয়ে পড়ার কারনেই মানব জাতির উদ্ভব। মনে হয়- আল্লাহ সত্যি সত্যিই আপনার ব্রেনকে সীল মেরে বন্দ করে দিয়েছেন। শুধু আপনি নয়, অধিকাংশ মুসলমানদেরই অবস্থা আপনার মতোই।আপশোস্ , আপনার জন্য! আপনাদের জন্য।

মন্তব্য করুন