বিবর্তনবাদ ও আমার খেলা!

By |2010-02-04T14:03:43+00:00ফেব্রুয়ারী 4, 2010|Categories: জৈব বিবর্তন|37 Comments

আসলে এই লেখাটা মূলত বিবর্তন সম্পর্কে আমার ধারনা ও পড়াশোনার একটা বহিঃপ্রকাশ। এই লেখাকে কেউ সিরিয়াসলি নেবেন না। এটা মূলত আমি আমাদের বিবর্তন বিশেষজ্ঞদের কাছে একটা পরিক্ষা দিচ্ছি। মানুষ হিসাবে আমার ভূল ত্রূটি থাকা স্বাভাবিক। হয়তো দেখা যাবে আমি এই ব্লগে এসে এতদিনে কিছুই শিখিনি!!! তাই আমি আশা করব ঈশ্বরবাদীরা আমার এই পরিক্ষামূলক লেখাটা নিয়ে টানাটানি হতে বিরত থাকবেন। হতে পারে আমার জানা বা বোঝার পুরোটাই এতকাল ভূল ছিল। তাই তারই একটা পরিক্ষা হয়ে যাক। আমি ঝাড়ি খাওয়ার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি!!!!

আসুন বিবর্তনের কথা বাদ দিয়ে আমরা একটা খেলা খেলি। সহজ খেলা, অনেকটা জুয়া খেলার মতই উত্তেজনাপূর্ন খেলা।
খেলার উপকরনঃ

১- বেশ কিছু একই আকৃতির গোলাকার ছোট ছোট মার্বেল।
২- একটি ১.৫ বর্গ ফুট সাইজের হার্ডবোর্ড বা কাঠের বোর্ড, যার নিচে একটি shaking machine/ vibrating machine লাগানো থাকবে। বোর্ডটিতে ছড়ানো ছিটানো ভাবে ছোট বড় দশটি গোলাকার ছিদ্র থাকবে। ৩টি ছিদ্র হবে মার্বেল থেকে মোটামুটি বড়, যেগুলোর ভিতর দিয়ে সহজেই মার্বেল গলে বের হয়ে যাবে। ৪টি ছিদ্র হবে মার্বেল থেকে সামান্য বড়, যেগুলোর ভেতর দিয়ে মার্বেল সহজে পড়বে না কিন্তু পড়া অসম্ভব না। আর বাকি তিনটি ছিদ্র হবে মার্বেল থেকে সামান্য ছোট অথবা বরাবর মার্বেলের মাপে, যেগুলো দিয়ে মার্বেল পড়ে যাবে না কিন্তু আটকে থাকবে অথবা আবার উপরে উঠে আসবে।

এবার খেলা শুরু করা যাক। বোর্ডের তলে আটকানো যন্তটা চালু করে দেয়া হল। এতে করে বোর্ডটি একই সাথে অনিয়মিত ভাবে জোরে জোরে কাঁপতে ও ঝাকাতে শুরু করল। কোন নির্দিষ্ট দিক বা নিয়ম ছাড়াই বোর্ডটি কখনো কাঁপবে আবার কখনো ঝাকাবে এবন আবার কখনো বন্ধ হয়ে যাবে।
এবার বোর্ডের উপর এক এক করে মার্বেল গুলো ছাড়তে থাকি। তখন কি ঘটবে?

১- মার্বেলটি বেশি বড় গর্তগুলো দিয়ে সহজেই নিচে পরে যেতে পারে।
২- মার্বেলটি মোটামুটি বড় গর্তগুলো দিয়ে নিচে পড়তে পারে অথবা ধাক্কা খেয়ে উপরে ফিরে আসতে পারে।
৩- মার্বেলটি ছোট গর্তগুলোতে গিয়ে আটকে যেতে পারে অথবা না আটকে আবার বোর্ডে ফেরত আসতে পারে।
৪- মার্বেলটি বোর্ডের উপর দিয়ে গর্তে না পরে অনবরত চারপাশে ইতস্তত ঘুরতে থাকবে।
৫- সর্বশেষ সম্ভাবনা, মার্বেলটি অতিরিক্ত ঝাকুনির কারনে বোর্ডের বাইরে চলে যাবে।

বড় গর্ত দিয়ে পড়লে ১০ পয়েন্ট, মাঝারি গর্ত দিয়ে পড়লে ৫ পয়েন্ট, ছোট গর্তে আটকে গেলে ২ পয়েন্ট, বোর্ডের উপর ঘুরতে থাকলে কোন পয়েন্ট নেই, এবং বোর্ডের বাইরে ছিটকে পড়লে ডিসকোয়ালিফাই বা বাদ।
যেসব মার্বেল বাদ পড়বে তাদের আর মূলখেলায় ফিরিয়ে আনা হবে না। আর যেসব মার্বেল পয়েন্ট নিয়ে টিকে যাবে, তাদের আবার বোর্ডে তুলে দেয়া হবে। এভাবে সর্বশেষ মার্বেল যখন বোর্ডের বাইরে চলে যাবে তখন খেলা শেষ হবে।

এবার আসুন মূল কথায় আসি। এই বোর্ডগেম মূলত বিবর্তন তত্ত্বেরই একটা চেহারা। আমি আমার ভাষায় বিবর্তনকে ব্যখ্যা করতে গিয়ে এই খেলার উৎপত্তি ঘটিয়েছি(এ খেলাটা আসলে মনে হয় অনেক পুরোনো খেলা।আমি শুধু চেহারা পালটে দিয়েছি।)।

বোর্ডটাকে ধরুন প্রকৃতি বা পৃথিবীর ভৌগলিক পরিবেশ হিসাবে। গর্তগুলো বিবর্তনের নিয়ামক বা বেঁচে থাকতে সাহায্য করার নিয়ামক। আর মার্বেলগুলোকে ধরুন এ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণী রূপে।
বোর্ডের অনিয়মিত ঝাকুনিটা হচ্ছে প্রকৃতির অবিরাম ও অনিয়মিত শৃঙ্খলাবিহীন পরিবর্তনের রূপ। এই অবিরাম বিশৃঙ্খল পরিবর্তনশীল পৃথিবীরূপী বোর্ডে সকল প্রাণীদের বিচরণ সম্পূর্ন অসহায়। পুরোটাই জুয়া খেলা। কেউ কেউ বড় গর্ত গলে সহজেই অল্প সময়ের জন্য পার পেয়ে যাচ্ছে। কেউ সংগ্রাম করে মাঝারি গর্তে ঢুকে পড়ছে। কেউ ছোট গর্তে এসে আটকে যাচ্ছে এবং আবার বোর্ডে উঠে জীবন সংগ্রাম চালাচ্ছে। আর কেউ টিকতে না পেরে বোর্ডের বাইরে চলে যাচ্ছে। অর্থাৎ বিলুপ্তি।
যারা টিকে যাচ্ছে, তারাও কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। পরবর্তীতে আবার তারা এই খেলায় ফিরে আসছে। শেষ পর্যন্ত কে যে টিকে যাবে সেটা কি কেউ জানে?

[ হতে পারে আমি ব্যপারটাকে অনেক বেশি খেলো করে ফেলেছি। হয়তো ব্যপারটা এত সহজ না, আরো কিছু জটিলতা আছে। কিন্তু আমি শুধুমাত্র আমার বেসিক কনসেপ্টের চিন্তা ভাবনাই এখানে তুলে দিলাম। কনসেপ্টটা যদি ঠিক থাকে তবে বুঝব যে, বাকি ব্যপারগুলোও যা জানি তা ভূল না বা আমার বোঝায় ভূল নেই। তাইই এই পোস্ট টা দেয়া। অনেক দিন ধরে ব্যপারটা মাথায় ঘুরছিল। কিন্তু ভয়ে ভয়ে আর আলসেমিতে এতদিন দেইনি। এবার সাহস করে দিয়েই দিলাম!! পিঠে নাহয় ছালা বেধে নিব আরকি!! ]

About the Author:

বাংলাদেশনিবাসী মুক্তমনার সদস্য।

মন্তব্যসমূহ

  1. পাঁজর ফেব্রুয়ারী 18, 2015 at 7:08 অপরাহ্ন - Reply

    খুব ভাল লাগল! বিবর্তনের মতো জটিল একটা বিষয়কে এতসহজভাবে বোঝনোর জন্য ধন্যবাদ; শেয়ার না করে পারলাম না। 🙂

  2. আতিক রাঢ়ী ফেব্রুয়ারী 8, 2010 at 5:21 অপরাহ্ন - Reply

    তানভীর বয়সের হিসাবে আমি বিবর্তন ক্লাশের আদু ভাই। বিবর্তন বিষয়ে আমার ধারনা একটু গুছিয়ে বলার চেষ্টা করছি( অবশ্যই তানভী আমার অনুপ্রেরনা)।

    গতিময় ও সদাপরিবর্তনশীল এই প্রকৃ্তি ও মহাবশ্বে প্রানের ও প্রজাতির টিক থাকার জন্য নীজেকে পরিবর্তনশীল অভিনব অবস্থার সাথে প্রতিনিয়ত খাপ খাইয়ে নিতে হয়। ধরুন, পরিবেশের পরিবর্তনের কারনে, কোন এক বিশেষ প্রজাতির খাদ্যাভাব দেখা গেল, তখন টিকে থাকার স্বার্থে নতুন খাদ্যাভ্যাস রপ্তকরা জরুরী হয়ে পড়বে। একরম অবস্থায়, কখনো কখনো ঐ বিশেষ প্রজাতির কারো কারো মধ্যে নতুন পরিবেশের অনুকূল বৈশিষ্টসম্পন্ন মিউটশন ঘটে। যদি ঐ প্রজাতির কারো মধ্যেই এই জাতীয় মিউটেশন না ঘটে তবে পুরো প্রজাতিটিই বিলুপ্ত হবে। অর্থাৎ আমি বলতে চাচ্ছি, যে কোন অবস্থায় প্রানীদের প্রতি নীজেদেরকে উপযোগী আকারে পরিবর্তনের নির্দশনাটা প্রকৃ্ত থেকেই আসে। সেই নির্দেশনায় সারা দিতে পারাটাই হচ্ছে টিকে থাকার যোগ্যতা।

    জানিনা কতটুকু বোঝাতে বা বুঝতে পারলাম। তবে আমিও ঝাড়ি খাবার জন্য প্রস্তুত আছি 😀

    • তানভী ফেব্রুয়ারী 8, 2010 at 10:47 অপরাহ্ন - Reply

      @আতিক রাঢ়ী,

      😀 এইবার আপনের পালা। আমি হজম কইরা ফেলসি, আবার নতুন কইরা ঝাড়ি খাইবার জন্য তৈরি হইতেসি!

      ধরুন, পরিবেশের পরিবর্তনের কারনে, কোন এক বিশেষ প্রজাতির খাদ্যাভাব দেখা গেল, তখন টিকে থাকার স্বার্থে নতুন খাদ্যাভ্যাস রপ্তকরা জরুরী হয়ে পড়বে। একরম অবস্থায়, কখনো কখনো ঐ বিশেষ প্রজাতির কারো কারো মধ্যে নতুন পরিবেশের অনুকূল বৈশিষ্টসম্পন্ন মিউটশন ঘটে।

      আপনি উপরের কমেন্টগুলা ভালো মত পড়েন নাই। পড়লে আপনি কি ভূল করসেন সেইটা আপনি নিজেই দেখতে পাইতেন। মিউটেশন র‌্যন্ডম একটা ব্যপার, সেটা অন্য কোন কিছুর উপর নির্ভর করে না।( অভিজিৎ ভাইয়ার কমেন্ট পড়েন)

      আর এটা এক ধরনের ঘটনা, আরো অনেক ধরনের ঘটনার কারনে নানা ভাবে বিবর্তন হচ্ছে।

      কে জানে! আবার মনে হয় আরেকটা খাব!!!! 😛

      • আতিক রাঢ়ী ফেব্রুয়ারী 9, 2010 at 5:27 অপরাহ্ন - Reply

        @তানভী,

        কই মিয়া ঝাড়িতো খাইলাম না ? হুদাই ভয় দেখান। 😕

        • তানভী ফেব্রুয়ারী 9, 2010 at 6:23 অপরাহ্ন - Reply

          @আতিক রাঢ়ী,
          এইখানে কেউ খেয়াল করে নাই, মনে করসে আপনেও আমারে উপদেশ দিতে কমেন্ট দিসেন!! 😛

          নতুন একখান ফুস্ট দেন আমার মত, তাইলে গাইল সুনিশ্চিত!!! 😀

  3. শিক্ষানবিস ফেব্রুয়ারী 7, 2010 at 4:49 অপরাহ্ন - Reply

    তানভী,

    বিবর্তন নিয়ে লেখা খুব জরুরী এবং তুমি যে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে বাপারটা নিয়ে ভাবতে চেয়েছো সেটা খুবই আশাব্যঞ্জক। এর মাধ্যমে তোমার আইডিয়া আরও পরিষ্কারই হওয়ার কথা ছিল এবং হয়েছেও তাই। বন্যা আপা হচ্ছে ব্লগের এভল্যুশনিস্ট রয়েল, বন্যাপার কমেন্ট পড়েই আশাকরি অনেক ক্লিয়ার হয়ে গেছ। আমিও আর্ডি নিয়ে লেখাটায় বেশ কিছু ভুল করেছিলাম যা পরবর্তীতে ধারণা পরিষ্কারে আরও কাজে দিয়েছে।

    যাহোক এবার তোমার লেখা নিয়ে একটু বলি:

    তুমি যে ধরণের থট এক্সপেরিমেন্ট তুলে ধরেছ তা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফলিত পদার্থবিজ্ঞানের জগতে খুবই কর্যকরী। সিম্যুলেশন ছাড়া খুব কম গবেষণাই সফল হয়। সে তুলনায় বিবর্তনে সিম্যুলেশনের কার্যকারিতা খানিকটা কম মনে হয়। বিবর্তনকে সিম্যুলেট করার জন্য অনেক ধরণের সফটওয়ার আছে কিন্তু তার অধিকাংশই দেখবে খুব স্পেসিফিক, অর্থাৎ বিবর্তনের বিশাল জগতের খুব ক্ষুদ্র কোন উপাদানের আইডিয়া নেয়ার জন্য।

    তোমার পরীক্ষার মূল সমস্যাগুলা ইতিমধ্যেই আলোচনায় উঠে এসেছে। আমি তোমাকে বলছি কিভাবে আসলেই এমন একটি পরীক্ষার আইডিয়া ডেভেলপ করা সম্ভব যা দিয়ে বিবর্তন এর প্রক্রিয়াটা চোখের সামনে দেখতে পাওয়া যায়। এজন্য কোন বস্তু না এবং জড় কাঠামো না নিয়ে যদি জীবজগৎ থেকেই স্যাম্পল নেও তাহলে ভাল হবে, নয়তো হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তো স্যাম্পল নেয়ার আগে বিবর্তনের কোন বিষয়টা পরীক্ষা করতে হবে দেখে নেয়া যাক, (উল্লেখ্য ডকিন্স তার অ্যানসেস্টর্স টেইল এ এমন বেশ কয়েকটা থট এক্সপেরিমেন্ট করছে, সরলীকৃত, সেগুলো থেকে অনেক আইডিয়া পাবা। যেমন এই প্রক্রিয়া সে সমগ্র মানবজাতির Most Recent Common Ancestor (MRCA) বের করার কথা বলছে)

    কেন জড়ের বদলে জীব নেয়া উচিত?

    কারণ জীবের মধ্যে জিন আছে যা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে অরক্ষিত এবং কখনও কখনও সামান্য পরিবর্তীত (মিউটেশন) আকারে প্রবাহিত হয়। জীব স্যাম্পল নিলে জিন ঘটিত সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। জিন এর কারণেই কিন্তু সামগ্রিক বিবর্তনের মধ্যে জুয়া খেলা বিষয়টা আর থাকে না, খেলা না হয়ে বিষয়টা পরীক্ষা হয়ে যায়। জীব স্যাম্পল নিয়ে পরীক্ষার বিষয়টা সাজিয়ে ফেলা যাক:

    পুরো পৃথিবী কল্পনা থেকে বাদ দেয়া যাক। নেয়া হল ‘ক’ নামের একটি দ্বীপ যেখানে প্লেট টেকটোনিকের কারণে ভাঙন এবং বিচ্ছিন্নতা দেখা দেবে অচিরেই। এই দ্বীপের একটি প্রজাতি ‘খ’ বিবর্তিত হয়ে কিভাবে ‘গ’ এবং ‘ঘ’ নামের দুটো প্রজাতির জন্ম হল এটাই হবে পরীক্ষার বিষয়। পরীক্ষাটা এভাবে করা যায়:

    – মিউটেশন
    – মিউটেটেড জিনগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছুই প্রকৃতিতে বেশি কাজে দেবে যার ফলে খ এর মাঝে মাইক্রো বিবর্তন ঘটতেই থাকবে, দ্বীপটি দুই ভাগ হয়ে যাওয়ার আগেও, তবে সেটা অবশ্যই হাজার হাজার বছরের ব্যবধানে বোঝা যাবে।
    – প্রাকৃতিক নির্বাচন; কিভাবে সে মাইক্রো বিবর্তন ঘটাচ্ছে
    – ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতা; ধরা যাক পৃথিবীর প্লেটের নাড়াচড়ার কারণে দ্বীপটি দুই ভাগ হয়ে গেল। কাহিনী হল এক ভাগে আগ্নেয়গিরি ছিল আরেক ভাগে ছিল না। যে ভাগে আগ্নেয়গিরি ছিল সে ভাগে অগ্ন্যুৎপাতও শুরু হল। যার ফলে ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে দুই অংশের পরিবেশ একেবারে আলাদা হয়ে যাবে।
    – এবার মিউটেটেড জিনগুলোর ওপর প্রাকৃতিক নির্বাচন দ্বীপের দুই অংশে দুইভাবে কাজ করবে। দুই দ্বীপের প্রাণীদের সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই দিকে মাইক্রো বিবর্তন ঘটতে থাকবে।
    – লক্ষ বছর পর দুই দ্বীপের প্রাচীন খ দের থেকে যথাক্রমে গ এবং ঘ এর জন্ম হবে; এই নতুন প্রজাতির উৎপত্তিকে আমরা বলব Speciation; এর আগে নানা ধরণের ম্যাক্রো বিবর্তন তথা বড় বড় পরিবর্তনও ঘটবে।

    এমন অসংখ্য থট এক্সপেরিমেন্ট করা যায়। বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানীরা তো এএগুলো নির্দিষ্ট কোন অঞ্চলের ক্ষেত্রে প্রয়োগও করেন। আমি অচিরেই MRCA নিয়ে হওয়া analytical পরীক্ষা সম্পর্কে ব্লগ লিখছি। তুমিও এ ধরণের ছোটখাট বিষয়ের ওপর শুরু করতে পার।

    • তানভী ফেব্রুয়ারী 7, 2010 at 8:48 অপরাহ্ন - Reply

      @শিক্ষানবিস,
      ভাইয়া, এতগুলো পরামর্শের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু এত সব করার জন্য আমাকে আগে আরো কিছু বিস্তারিত পড়াশোনা করতে হবে, আমার দৌড় এখন পর্যন্ত শুধু মাত্র বন্যাপুর বই আর স্কুল কলেজের বায়োলজী বইয়ের বেসিক কিছু পাঠ (মেন্ডেল তত্ত্ব, মহাদেশীয় সঞ্চারন এইসব)।

      তাই আরেকটু ডিটেইল না জেনে কিছুই করতে পারছি না। তবে চেষ্টা থাকবে।
      আর হ্যা,এই লেখাটার পর আমি আবার নতুন করে বন্যাপুর বইটা পরা ধরেছি, যার ফলে আবার সব বিষয় আস্তে আস্তে পরিস্কার হচ্ছে (প্রায় ৬ মাস আগে বইটা পড়েছিলাম, এবং সেই ৬ মাস আগের জ্ঞান দিয়েই এই পোস্ট টা দিয়ে দিয়েছি!! কত বড় বোকা আমি! এমনিতেও আমার মনে রাখার ক্ষমতা খুব কম)।

      তাই সবাইকে আমার ভুল গুলো ধরিয়ে দেবার জন্য, এবং দারুন দারুন সব পরামর্শের জন্য তেঙ্খু বিড়ি মাছ!! 😀 :rose2:

  4. বন্যা আহমেদ ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 10:59 অপরাহ্ন - Reply

    তানভি, সময়ের অভাবে উত্তর দিতে দেরী হচ্ছে, এই পোষ্টটায় কিছু মৌলিক সমস্যা আছে, যা নিয়ে লিখতে হলে আরেকটা পুরো লেখাই লিখে ফেলতে হবে। আমার কথায় আশা করি নিরাশ হবে না, কিন্তু এই ভুলগুলো মুক্তমনা সাইটে থেকে গেলে সেটাও ভবিষ্যতে অন্যান্য পাঠকের জন্য বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। অনেকেই অনেক মন্তব্য করেছেন, সবাইকে উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়, তাই একবারে এখানে কতগুলো বেসিক ব্যাপার নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করছি।

    ‘বোর্ডের অনিয়মিত ঝাকুনিটা হচ্ছে প্রকৃতির অবিরাম ও অনিয়মিত শৃঙ্খলাবিহীন পরিবর্তনের রূপ। এই অবিরাম বিশৃঙ্খল পরিবর্তনশীল পৃথিবীরূপী বোর্ডে সকল প্রাণীদের বিচরণ সম্পূর্ন অসহায়। পুরোটাই জুয়া খেলা। কেউ কেউ বড় গর্ত গলে সহজেই অল্প সময়ের জন্য পার পেয়ে যাচ্ছে। কেউ সংগ্রাম করে মাঝারি গর্তে ঢুকে পড়ছে।‘

    না, বিবর্তন কোন জুয়া খেলা নয়, অনেকেই মনে করে বিবর্তন এলোপাতারি এবং বিশৃংখলভাবে ঘটে। এটা একটা বেশ বড় ধরণের ভুল ধারণা। মিউটেশন এর কোন মডেল, উদ্দেশ্য বা নিয়ম নেই, অন্ততপক্ষে এখন পর্যন্ত আমরা সেটা বের করতে পারিনি। এই মিঊটেশন থেকেই প্রকারণ বিবর্তনের কাচামাল হিসেবে প্রকারণ তৈরি হচ্ছে। ওদিকে আবার প্রাকৃতিক নির্বাচন কিন্তু এলোপাতাড়ি বা র্যা ন্ডম নয়, যে কোন জীবের টিকে থাকাটা সরাসরি তার জেনেটিক বৈশিষ্ট্য( যেটা থেকেই ফিনোটাইপিক বৈশিষ্ট্যগুলোর প্রকাশ ঘটে) এবং তার উপর সেই নির্দিষ্ট পরিবেশের প্রভাবের উপর নির্ভর করে। কোন জীব টিকে থাকবে কি থাকবে না, সেটা তার পরিবেশের সাথে অভিযোজন ক্ষমতার উপর নির্ভর করবে, সুতরাং এটা কোন র্যা ন্ডম প্রক্রিয়া নয়। আমার বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়টা আরেকবার দেখতে পারো, আর এই লিঙ্কগুলোতেও বেশ ভালো করে এর ব্যাখ্যা দেওয়া আছেঃ
    http://www.talkorigins.org/faqs/faq-misconceptions.html
    http://www.pbs.org/wgbh/evolution/library/faq/cat01.html
    আগুন্তকের কথাগুলোও ভুল, সে বলেছে

    সহজ কথায় বলতে গেলে বিবর্তন একটি খাপছাড়া প্রক্রিয়া হলেও এর মূল কারণ তথা মিউটেশন খাপছাড়া বা random নয়। মিউটেশন ঘটে সুনির্দিষ্ট কারণে এবং কখনো তা ইমিউনিটি এনে প্রজাতিকে উপযুক্ত হতে সাহায্য করে।

    আসলে ব্যাপারটা ঠিক এর উলটো, উপরের রেফারেন্সগুলো পড়লেই বুঝতে পারবে।

    এখন আসি খেলাটা প্রসঙ্গে…
    আসলে এই পুরো খেলাটায় বেশ কিছু ভুল আছে। তার মধ্যে আমার সবচেয়ে বড় ভুল মনে হচ্ছে, এখানে সময়ের সাথে পরিবেশ এবং জীবের পরিবর্তন দেখানোর কোন উপায় বলা হয়নি। কিন্তু বিবর্তন ঘটতে হলে বিশাল ভূতাত্ত্বিক সময়ের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে কিন্তু খেলাটা বেশ ত্রুটিপূর্ণ। এখানে তুমি যে চিত্রটা তুলে ধরেছো তা স্ট্যাটিক। কোন একটা নির্দিষ্ট সময়ের দেওয়ালের মধ্যে থেকে এই উদাহরণতা হয়তো দেওয়া যেতে পারে। তুমি তারপর বারবার খেলায় ফিরিয়ে আনার কথা বলেছ নীচের লাইনগুলোতে…

    যারা টিকে যাচ্ছে, তারাও কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। পরবর্তীতে আবার তারা এই খেলায় ফিরে আসছে। শেষ পর্যন্ত কে যে টিকে যাবে সেটা কি কেউ জানে?

    কিন্তু এখানেও তো ঝামেলা থেকেই যাচ্ছে, তুমি কিন্তু একই পরিবেশে আবার একই ফর্মে প্রজাতিদের ফিরিয়ে আনছো, অথচ পরিবেশ এবং প্রজাতির গঠন দু’টোই কিন্তু অনবরত পরিবর্তিত হচ্ছে। রামগড়ুড়ের ছানা প্রাজতি নিয়ে যে প্রশ্নগুলো করেছে সেগুলো কিন্তু সঠিক।

    বড় গর্ত দিয়ে পড়লে ১০ পয়েন্ট, মাঝারি গর্ত দিয়ে পড়লে ৫ পয়েন্ট, ছোট গর্তে আটকে গেলে ২ পয়েন্ট, বোর্ডের উপর ঘুরতে থাকলে কোন পয়েন্ট নেই, এবং বোর্ডের বাইরে ছিটকে পড়লে ডিসকোয়ালিফাই বা বাদ।

    পয়েন্টের ব্যাপারটা বুঝলাম না। বিবর্তনের ক্ষেত্রে পয়েন্টের স্কীমটা কিভাবে কাজ করবে তা কিন্তু বুঝতে পারছি না। একটা প্রজাতি টিকে থাকবে না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এখানে কি তুমি কে কত বেশী বিকাশ ঘটাতে পারবে তার কথা বলছো? … তা ও তো ঠিক মনে হচ্ছে না। এই পয়েন্টের সিষ্টমে দিয়ে আমার মনে হয় না বিবর্তন ব্যখায়া করা যাচ্ছে, আর গেলেও আমি তা বুঝতে পারছি না।

    আজ এ পর্যন্তই, খুবই দৌড়ের মধ্যে আছি। রায়হানের বিবর্তনের ভুল ধারণাগুলো নিয়ে লেখার কথা। আমি অনেককেই বলেছি যে বিবর্তনের ভুল ধারণাগুলো নিয়ে একটা বই বের করতে, এখন তো মনে হচ্ছে সেটা খুবই প্রয়োজনীয় একটা প্রজেক্ট হবে।

    • তানভী ফেব্রুয়ারী 6, 2010 at 2:08 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বন্যা আহমেদ,

      তানভি, সময়ের অভাবে উত্তর দিতে দেরী হচ্ছে, এই পোষ্টটায় কিছু মৌলিক সমস্যা আছে, যা নিয়ে লিখতে হলে আরেকটা পুরো লেখাই লিখে ফেলতে হবে। আমার কথায় আশা করি নিরাশ হবে না, কিন্তু এই ভুলগুলো মুক্তমনা সাইটে থেকে গেলে সেটাও ভবিষ্যতে অন্যান্য পাঠকের জন্য বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে

      আসলে আমি এই জন্যই পোস্টটা দিয়েছি। একেক বার একেকটা ভুল ধারনা ভিতরে রয়ে যাচ্ছে। তাই ঝাড়ি টারি খেয়ে যদি কিছু উন্নতি হয়।

      কিন্তু এখানেও তো ঝামেলা থেকেই যাচ্ছে, তুমি কিন্তু একই পরিবেশে আবার একই ফর্মে প্রজাতিদের ফিরিয়ে আনছো, অথচ পরিবেশ এবং প্রজাতির গঠন দু’টোই কিন্তু অনবরত পরিবর্তিত হচ্ছে

      এই জায়গাটা আমি নিজে যা বুঝেছি/বুঝাতে চেয়েছি তা মনে হয় আমার লেখার অসারতার দোষে ফুটিয়ে তুলতে পারছি না।
      আমি তো বাস্তবের এই শর্ট ফর্মের খেলায় বার বার বোর্ড পরিবর্তন করতে চাইনি, কারন তাতে ঝামেলা বাড়ে। আমি vibrating formটা যন্ত্রের মধ্য দিয়ে বার বার পরিবর্তন করে (অর্থাৎ বোর্ডটা একেক বার একেক ভাবে কাঁপবে, কোন নির্দিষ্টতা থাকবে না) প্রাকৃতিক পরিবর্তন তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। অর্থাৎ প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটবে কিন্তু গঠনগত সামগ্রিক পরিবর্তন হবে না (অর্থাৎ প্রকৃতির পরিবর্তন ঘটলেও সমগ্র পৃথিবীর আকৃতির তো আর পরিবর্তন ঘটছে না)। আর গর্তগুলোর আকৃতি পরিবেশের অংশ না, ওগুলো শুধু বিবর্তনের সহায়ক নিয়ামক।

      আর পয়েন্টের ব্যপারটা হল এই যে, যারা বোর্ডের বাইরে চলে যাবে তারা পুরোপুরি বাদ। যাদের বর্তমান পয়েন্ট বেশি,তারা বেচে থাকার জন্য “বর্তমানে” বেশি সুবিধা পাবে। অর্থাৎ তাদের মিউটেশন ঘটবে,এবং সে কারনেই তারা প্রকৃতি থেকে বেশি সুবিধা পাবে। কিন্তু পরবর্তিতে আবার যখন তাদের বোর্ডে তুলে দেয়া হবে তখন আগের বার যে ১০ পেয়েছিল পরের বার সে ৫ ও পেতে পারে। যার ফলে তখন অন্য কেউ সুবিধা বেশি পাবে এবং আগের জনের সম্ভাবনা কমে যাবে।

      অর্থাৎ খেলার মধ্যে যেহেতু আমার মার্বেলের আকার আকৃতি বা কিছুই পরিবর্তনের ক্ষমতা নাই, তাই আমি পয়েন্ট অনুযায়ী তাদের কে মার্ক করেছি। যদি কল্পনার মত লিখতাম তাহলে এভাবে লেখা যেত যে, পয়েন্টের সাথে সাথে তাদের আকৃতিও পরিবর্তিত হবে এবং তারা নতুন প্রজাতিতে রূপান্তরিত হবে। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় মার্বেলের ক্ষেত্রে এটা সম্ভব না।

      আমার পোস্টের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যাটা হচ্ছে আমি বিবর্তনের বিশাল সময়টাকে একদম ছোট সময়ের ডাইমেনশনে ফেলে দিয়েছি। সরল করতে গিয়ে আরো জটিল করে ফেলেছি।

      রায়হানের বিবর্তনের ভুল ধারণাগুলো নিয়ে লেখার কথা। আমি অনেককেই বলেছি যে বিবর্তনের ভুল ধারণাগুলো নিয়ে একটা বই বের করতে, এখন তো মনে হচ্ছে সেটা খুবই প্রয়োজনীয় একটা প্রজেক্ট হবে।

      এটা খুবই জরুরী।

      আর শেষ পর্যন্ত এতগুলো কথা বলে আবার মনে হচ্ছে যে কিছুই বোঝাতে পারিনাই :-X । আসলে এই ভয়েই পোষ্ট দিতে চাই নাই (যা বুঝি তা বোঝাতে পারি না, আর যা বুঝিনা তা নিয়া মারামারি করি!! :-Y )। যাই হোক ভবিষ্যতে আর এত শর্টকার্ট পোস্ট আমি দিব না। যা লিখব, যতদূর পারি বিস্তারিত দিব। আসলে আমি এত শর্টকার্ট পোস্ট কেন দিলাম এখন নিজেই বুঝতে পারছি না, কারন আমি উইকিতে কোন কিছু নিয়ে লিখলে যতটুকু আমার জ্ঞান ততটুকু বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করি।
      যাই হোক , ভূল গুলো যাতে চলে যায় তাইই এই পোস্ট দেয়া। আর ঝাড়ি খাবার প্রস্তুতি নিয়েই পোস্টটা দিয়েছি,তাই মাইন্ড করার কোন কারন নাই।আপুকে অনেক অ-অ-নেক থ্যঙ্কু। :rose2:

      • বন্যা আহমেদ ফেব্রুয়ারী 7, 2010 at 7:03 পূর্বাহ্ন - Reply

        @তানভী, তোমার কথায় মনে হচ্ছে এক ধরণের নিরাশার গন্ধ পাচ্ছি। তুমিই কিন্তু তোমার লেখার উপর সঠিক মন্তব্য চেয়েছিলে। এখানে যে আলোচনাটা হল সেটাই বা কম কি? এ প্রসঙ্গে, অনেকের ভুল ধারণাগুলো হয়তো ঠিক হয়ে গেছে। আমি নিজেই তোমার খেলাটা নিয়ে অনেক চিন্তা করেছি।আশা করি, ভবিষ্যতে তোমার কাছ থেকে আরও লেখা পাবো।

        • তানভী ফেব্রুয়ারী 7, 2010 at 3:21 অপরাহ্ন - Reply

          @বন্যা আহমেদ,
          নাহ আপু, পাগলেরা এত তাড়াতাড়ি হাল ছাড়ে নাহ!! 😀 সাঁকো থেকে না ফ্যালানো পর্যন্ত সাকো নাড়াতেই থাকে। আমিও সাঁকো নাড়ানো এত তাড়াতাড়ি বধ করছি নাহ….. তবে সামনে যদি নামি আঁটঘাট বেধেই নামবো, এবারের মত বোকার মত পোস্ট দিয়ে বসে থাকবো নাহ।

          আশার ব্যপার হচ্ছে যে অন্তত এই পোস্ট টা দেয়াতে অনেক গুলো ছোট খাট ভূল ধারনা ছুটে গেছে, আর তার সাথে আমি আপনার বইটা আবার পড়া শুরু করছি। এবার নতুন পোস্ট ছাড়লে আগে কিছু হ্যান্ডওয়ার্ক করে তারপর পোস্ট ছাড়ব। তবে নিরাশার ব্যপার হচ্ছে যে এই পোস্টে এত গুলো ঝাড়ি টারি খেয়ে আমি ডারউইনের বইয়ের অনুবাদ (বাংলা একাডেমী, আখতারুজ্জামান স্যার, প্রথম প্রকাশ ফেব্রুয়ারি ২০০০) পড়া শুরু করেছিলাম, কিন্তু ওনার অনুবাদ টা আমার ঠিক হজম হচ্ছে নাহ!!(এই কথাটা এইভাবে বলার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, কিন্তু ব্যপারটা সত্য যে অনুবাদটা ইকটু জটিল হয়ে গেছে। এক পেইজ পড়ে পরের পেইজে গেলে আর মনে থাকছে না যে আগের পেইজে কি পড়েছিলাম! :-X স্যারের কাছে আমি নিতান্তই ক্ষমাপ্রার্থী, হয়তো এটা শুধু আমার বেলাতেই হচ্ছে ,কিন্তু হয়তো আর কারো বেলায় হবে না)। আসলে সমস্যা মনে হয় এইযে, এই অনুবাদটা সম্ভবত প্রকাশ করা হয়েছে ভার্সিটির জীববিজ্ঞান অনুষদের ছাত্র ছাত্রিদের জন্য, তাই অনুবাদটা সাধারনের উপযোগীতা পায়নি। মনে হয় সরাসরি ইংরেজিটা পড়া ধরতে হবে। :-/

          • আদিল মাহমুদ ফেব্রুয়ারী 7, 2010 at 8:39 অপরাহ্ন - Reply

            @তানভী,

            শোনো হে বালক,

            তুমি সঠিক পথেই আছো। শিক্ষার জন্য ঝাড়ি মায় মারধোর খাওয়া পর্যন্ত জায়েয আছে, এবং তা খুবই দরকারী। আমি তোমার সাহায্যে একটু নামার চেষ্টা করেছিলাম, তবে বেগতিক দেখে আর সাহস করছি না।

            ঝাড়ি মারধোর নিয়ে মন খারাপ কোর না হে, আমাদের সময় শিক্ষকেরা গরু ছাগলের মত পেটালে পরে আবার স্বান্তনা দিতেন যে শরীরের যেই অংশে পিতামাতার বা শিক্ষকের বাড়ি পড়ে সেই সেই অংশ বেহেশতে যায়। অতএব, তোমার জন্য সুসংবাদ।

  5. অভিজিৎ ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 10:38 অপরাহ্ন - Reply

    আগন্তুক এবং তানভী,

    তোমরা দুজনেই বোধ একটু ভুল করছ। মিউটেশন কিন্তু র‌্যান্ডমই। কিন্তু র‌্যান্ডম মিউটেশন থেকে ঘটা ভ্যারিয়েশনগুলো থেকে কোনটা নির্বাচিত হবে সেটা নির্ধারিত হয় বিদ্যামান পরিবেশ এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদির উপরে। প্রাকৃতিক নির্বাচনের এই ব্যাপারটা র‌্যান্ডম নয়। সেজন্যই ডকিন্স প্রাকৃতিক নির্বাচনকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে ব্লাইন্ড ওয়াচমেকার বইয়ে বলেছেন –

    Natural selection, the unconscious, automatic, blind yet essentially non-random process that Darwin discovered, has no purpose in mind. If it can be said to play the role of watchmaker in nature, it is the blind watchmaker.

    কিন্তু প্রাক্ররতিক নির্বাচন নন র‌্যান্ডম হলেও প্রাথমিক মিউটেশনগুলো আসলে র‌্যান্ডম, অন্ততঃ অধিকাংশ বিজ্ঞানীরা তাই মনে করেন । এখানে এই সাইটে এ নিয়ে আলোচনা আছে –

    http://evolution.berkeley.edu/evosite/evo101/IIIC1aRandom.shtml

    ব্যাপারটা আরো ভাল বোঝা যাবে ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির সাইট থেকে –

    If Mutation is Random, Why Does Evolution Occur at All?

    পড়ে দেখো।

    • আগন্তুক ফেব্রুয়ারী 6, 2010 at 6:04 অপরাহ্ন - Reply

      @অভিদা;

      ধন্যবাদ। আমার ধারণা ছিল প্রথম লিঙ্কের দ্বিতীয় হাইপোথিসিসটার মত!যেটা ভুল।

  6. আগন্তুক ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 2:35 অপরাহ্ন - Reply

    সুন্দর প্রচেষ্টা। তবে সৈকতদার কথাগুলোই ঠিক।

    প্রকৃতিই বেছে নেয়, নাকি প্রজাতিগুলোই খাপ খাইয়ে নেয় – এটা বেশ জটিল প্রশ্ন।

    আসলে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপযোগী হিসেবে গড়ে উঠতে জীবকোষগুলো অভিযোজিত হয়। এ অভিযোজনের ক্ষমতা অর্জিত হয় প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এবং এর নিয়ামক হচ্ছে মিউটেশন। মিউটেশনের সাথে ইমিউনিটির প্রশ্ন জড়িত এবং তা অন্ধ প্রক্রিয়া নয়। সহজ কথায় বলতে গেলে বিবর্তন একটি খাপছাড়া প্রক্রিয়া হলেও এর মূল কারণ তথা মিউটেশন খাপছাড়া বা random নয়। মিউটেশন ঘটে সুনির্দিষ্ট কারণে এবং কখনো তা ইমিউনিটি এনে প্রজাতিকে উপযুক্ত হতে সাহায্য করে। আবার কখনো অটোইমিউন ডিজিস তৈরি করে। কাজেই প্রতিটি মিউটেশনের কারণ ও তার প্রতিক্রিয়াই নির্ধারণ করে কে যোগ্যতম। আমার মতামতে ভুল থাকতে পারে। তাই আলোচনা প্রয়োজন। :rose: :rose2:

    • তানভী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 7:26 অপরাহ্ন - Reply

      @আগন্তুক,

      ভাইয়া অনেক দিন পর আসলেন। :rose:

      আর হ্যাঁ মিউটেশন র‌্যন্ডম না , জানি। মিউটেশন কে আমি পয়েন্ট বাড়ার মধ্যে দিয়ে তুলে ধরেছি। একটা মার্বেল বোর্ডের বাইরে না যাওয়া (অর্থাৎ বিলুপ্ত না হওয়া) পর্যন্ত তার ক্রমাগত পয়েন্ট বাড়তে থাকবে, অর্থাৎ মিউটেশন চলতে থাকবে। যে মূহু্র্তে সে বিলুপ্ত হবে সেই মূহুর্ত হতে তার মিউটেশন প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাবে। আর পয়েন্ট কখনো কম,কখনো বেশি পাওয়া অনুযায়ি তার মিউটেশন হবে।

      যাই হোক , আসলে আমি ব্যপারটা অতি অতীব বেশি সরলীকরণ করে ফেলেছি। (এক দিকে ভালোই হয়েছে, সরলীকরণ না করলে এতগুলো কথা বের হতো না। 😀 😉 )

      • আকাশ মালিক ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 11:12 অপরাহ্ন - Reply

        @তানভী,

        সিলেটের দামান্দ হওয়ার আগে দুইখান কথা জিগাই। তোমার বয়সে বিবর্তন শব্দ আমার কোন্ পুরূষে কবে শুনেছিল কি না জানিনা। মাদ্রাসার ছাত্র ছিলাম তো, এই না ফরমানী শব্দ কোন কিতাবে পাই নাই। আল্লাহ ‘কুন’ বলেছেন ব্যস, মানুষ সহ সব সৃষ্টি হয়েছে। আপনারা এই বিবর্তন, প্রজাতি থেকে প্রজাতি এ সব কি বলছেন? মানুষ আর পশুকে এক কাতারে নিয়ে এসেছেন। আল্লাহ পাকের ‘আশরাফুল মখলুকাত’ বাক্যটির বিরোধিতা করতেই আপনাদের এই ষঢ়যন্ত্র। কার অভিশাপে যে এখানে এসেছিলাম আল্লাহই জানে। আপনাদের আসরে এসেছিলাম শারাবান তাহুরা (স্বর্গীয় পবিত্র পানীয়) পান করতে। আর আপনারা যা খাওয়ালেন- ‘শরবত কে বদলে পিলা দি শরাব / তেরা খানা খারাব, তেরা খানা খারাব’। মাতাল যখন হয়েই গেছি আরো কিছু শরাব আমার পান পাত্রে ঢেলে দাও। প্রথম কথা হলো- বাংলা ভাষায় আমাকে ব্যাখ্যা করে বলো Asexual reproduction বা Single cell division এর কেরামতি বা মোজেজাটা কি? বেটা Herbert Spencer তার, ‘দ্যা প্রিন্সিপল অব বায়োলজী’ বইটা বাংলায় লিখলেন না। আমি এই সুত্র ধরে বাবা আদম থেকে মা হাওয়া আর জুসেফ, স্যরি মরিয়ম থেকে ঈসা নবী তৈরীর সুত্র বের করতে পারবো কি না? না কি আদম থেকে শুধু আদম আর মরিয়ম থেকে মরিয়মই হবে? দ্বিতীয় কথা হলো- কোন্ কিতাবে লিখা আছে Mutation রান্ডমলী হয়না, এই ব্যাপারেও একটু ওয়াজ ফরমাইও। অর্ধ মাতালের এই প্রশ্নটি যদি, চাইল্ডিস, হাবা, বোকা, গর্দভের মত শুনায়, সিলেটি ভাষায় :hahahee: :laugh: :guli: দিতে কার্পণ্য করোনা।

        • বন্যা আহমেদ ফেব্রুয়ারী 6, 2010 at 1:00 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আকাশ মালিক,

          অর্ধ মাতালের এই প্রশ্নটি যদি, চাইল্ডিস, হাবা, বোকা, গর্দভের মত শুনায়, সিলেটি ভাষায় দিতে কার্পণ্য করোনা।

          আমি আদিলের উত্তরটা দেখিনি, এখন আপনার উত্তর দেখে সন্দেহ হল দেখে গিয়ে আবার দেখলাম। আমি অত্যন্ত দুঃখিত আমার এই ফালতু কথাটা আপনার উপর গিয়ে এভাবে পড়লো দেখে। আমি আদিলের উপর বিরক্ত হয়ে ওভাবে লিখেছিলাম, আমি যে বিষয় নিয়ে লিখি তা তে এধরণের তুলনা করা যায় না, আল্লাহ বিষয়টাই সেখানে অপ্রাসঙ্গিক, তাই আমি আদিলকে ওভাবে প্রশ্নটা করেছিলাম। কিন্তু আপনি যে বিষয়ে লেখেন, তা তে এ ধরণের কথা হয়তো আপনি বলতে পারেন এবং তা তে আমার বলার কিছুই নেই। আদিল যেভাবেই বলার চেষ্টা করুক না কেন, আশা করি আপনি বুঝবেন যে, এই ‘হাবা’ কথাটা নিতান্তই আমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আপনার ক্ষেত্রে নয়।

          • আকাশ মালিক ফেব্রুয়ারী 6, 2010 at 3:36 পূর্বাহ্ন - Reply

            @বন্যা আহমেদ,

            বন্যাদি,

            জলে স্থলে, বনে জঙ্গলে যে দিকে তাকাই সবাই যেন অহরহ সাক্ষী দিচ্ছে, শিয়াল, কুকুর, শুওর সহ আমরা সবাই একই পরিবারের বহু সদস্য ছাড়া আর কিছু নয়। কিছু কিছু ব্যাপার আমাকে দারুণ ভাবায়। কোন ঐশ্বরিক ব্যাপার যে নয় তা জানি। সেল নিজে নিজেই বিভাজন হতে পারে, একাই প্রজননে সক্ষম। কি আজব কান্ড! ওদিকে বিজ্ঞানীরা পাতালের গভীর জলের নীচে এক প্রকার প্রাণী খোঁজে পেলেন, যা আগে কেউ কল্পনাও করতে পারেন নি যে, এতো হাই প্রেসারে কোন প্রাণ ঠিকে থাকতে পারে। কাল যে যায়গাটা ইট-পাথর আর কাঁচের গ্লাসের তৈ্রী বিশালাকারের শপিং মল ছিল, আজ সেই পরিত্যক্ত যায়গা আগাছা পরগাছায়, ফুলে ফলে ভর্তি, সাথে হরেক রকমের পোকা মাকড়ও। কি আশ্চর্য ঘঠনা! এরা আসে কোত্থেকে কিভাবে?

            সেদিন ডিস্কভারীতে একটা প্রোগ্রাম দেখলাম, আফ্রিকার ঠিক কোন্ নির্দিষ্ট যায়গাটিতে জগতের সম্ভাব্য সর্বপ্রথম মানবী মানুষ রূপ ধারণ করেছিলেন আর কিভাবে, কেন তার উত্তরসুরীরা সাগর-নদী, পাহাড়-পর্বত অতিক্রম করে বিভিন্ন পরিবেশে বিভিন্ন আকার, বিভিন্ন রূপে বিবর্তিত হয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের এ বিষ্ময় কাটাতে বাংলাভাষায় জীব বিজ্ঞানের উপর আরো অনেক অনেক বইয়ের প্রয়োজন।

            তানভীর খেলাটা পুরোপুরি বুঝি নাই। কারণ বৌ্র্ডের আয়তন, মার্বেলের আকার, আয়ত্‌ন, সংখ্যা ও সময় পরিবর্তিত হচ্ছেনা। বৌ্র্ডের খেলায় ঠিকে থাকার জন্যে সংখ্যালঘু, সংখ্যাগুরু, বুদ্ধিমত্তা, পরিবেশ এর প্রভাবও বুঝা যাচ্ছেনা। তবে তার লেখা অনেক কিছুই জানার সুযোগ করে দিয়েছে। একটা খেলাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু বিষয় বেরিয়ে এসেছে বিশেষ করে মিউটেশনের ব্যাপারটা।

            ধন্যবাদ তানভীকে। :yes:

        • তানভী ফেব্রুয়ারী 6, 2010 at 2:19 পূর্বাহ্ন - Reply

          @আকাশ মালিক,

          বন্যাপু যা বলার বলে দিয়েছেন, তাই আমি আর কিছুই বললাম নাহ। আর ভূল সবারই হতে পারে,ভুল নিয়া ব্যঙ্গ করলে তখন যাকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে তার শুধরাবার বা নতুন কিছু শেখার ইচ্ছে টা মরে যায়। তাই এভাবে আর বলবেন না, এই অনুরোধই রইলো।

          আমিতো শুরুতেই বলে দিয়েছি যে,
          “বিবর্তন নিয়ে আমি যা জানি বা জানতাম তার পুরোটাই ভুল হওয়া টা অস্বাভাবিক কিছু না।”
          এমনিতেও আমার মনে রাখার ক্ষমতা ইকটু কম, সবকিছু সহজেই ভুলে যাই। তাই কোন বই বা পুরাতন পাঠ না ঘেটে শুধুমাত্র মেমরী থেকে এই পোস্ট টা দেয়াতে আরো বড় বড় ভুল দেখা দিয়েছে।

          যাই হোক, এই পোস্টটা দিয়ে আমার অন্তত এই শিক্ষা হল যে, কষ্ট না করে কোন কিছু শর্টকার্টে দাঁড়া করানোর ফল মোটেও ভালো নাহ। :rose2:

  7. সৈকত চৌধুরী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 12:46 পূর্বাহ্ন - Reply

    যে মার্বেলগুলো টিকে থাকছে তারা কিন্তু বিশেষ কোনো যোগ্যতার জন্য টিকে থাকছে না, সবটাই বাই চান্স। কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে হলে যোগ্যতা লাগে। যারা বেশি যোগ্য, যারা প্রকৃতির রূঢ়তার সাথে খাঁপ খাইয়ে নিতে পারবে তারাই টিকবে। কিন্তু তোমার এই উদাহরণে যোগ্যতা বা খাঁপ খাইয়ে নেওয়া ও প্রজাতির উৎপত্তির মত বিষয় নেই। তোমার এই উদাহরণে অতি সরলীকরণ ঘটেছে।

    আমি ঝাড়ি খাওয়ার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি!!!!

    প্রথম ঝাড়িটা আমিই দেয়ার শখ ছিল। ব্যর্থ হয়েছি বুঝাই যাচ্ছে।

    • আদিল মাহমুদ ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 12:55 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,

      ঝাড়ি মনে হয় এই বালকের প্রাপ্য নয়।

      আসলে মার্বেলগুলি কিন্তু এক অর্থে র‌্যান্ডম হিসেবে নয়, চিন্তা করলে মনে হয় অনেকটা ভৌত কারন বা যোগ্যতার কারনেই পড়ে। জেনেটিক মার্কারের মতই তাদেরও কিছু গুপ্ত গুন থাকতে পারে যা সাদা চোখে ধরা পড়ছে না।

      প্রতিটা মার্বেল কিন্তু ফ্যাক্টিরী থেকে এক হয়ে উতপাদিত হয় না। একটু হলেও জ্যামিতিক আকারে খুত থাকতে পারে; কোনটি নিখুত গোল না হয়ে সামান্য ধার থাকলেই কিন্তু সে গর্তে পৌছানার প্রতিযোগতিয়ায় পিছিয়ে গেল। ফ্রিকশন বা ঘর্ষন বল তাকে নিখুত গোলাকার মার্বেলের থেকে গতি কমিয়ে দেবে। ওজনের সামান্য তারতম্যও কিন্তু পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।

      মোদ্দা কথা, মার্বেলগুলি খালি চোখে একই মনে হলেও তাদের পার্থক্য কিন্তু জন্মগতভাবেই আছে।

      আপনার কি মনে হয়?

    • তানভী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 1:54 পূর্বাহ্ন - Reply

      @সৈকত চৌধুরী,
      প্রকৃতিতে টিকে থাকতে আসলে যোগ্যতাটা এত মনে হয় গুরুত্বপূর্ন না। কারন প্রকৃতিই নির্ধারন করে যে কে যোগ্যতম (যেমন ডাইনোসররা এক কালে পুরো পৃথিবী শাষন করতো,প্রকৃতির জুয়া খেলায় আজ তারা বিলুপ্ত)। আবার এখানে প্রকৃতিই নিরন্তর পরিবর্তিত হচ্ছে ,তাই পুরোটাই আসলে জুয়া খেলা!!

      আর প্রজাতির উৎপত্তি নিয়ে শাফায়াত ভাইয়ের কমেন্টেই লিখে দিয়েছিলাম যে পয়েন্টের উপর প্রজাতির পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হবে। আর শুরুতে নিশ্চই সব একই উপাদান থেকেই শুরু হয়েছিল? তাই মার্বেলও সব এক বলেই দাবি করেছি।

      আর হ্যাঁ , স্বীকার করছি যে অতি সরলীকরন হয়ে গেছে। তা আমি নিজেও ধরতে পেরেছি। কিন্তু বেসিক ধারনাটা কে আমি জটিল করতে চাইনি (যদিও আর ইক্টু সম্প্রসারন অবশ্যই দরকার ছিল)।

      আর সবশেষে- আসলে যে প্রশ্নগুলো আপনি করলেন,আর আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলাম; সেই প্রশ্নগুলোর জন্যই এই পোস্ট টা দেয়া। এগুলো নিয়ে আমার নিজেরও দ্বিধা আছে। তাইই এই পোস্টের অবতারনা। যাতে সবার মতামত একত্রিত হয়ে ভূল ধারনাগুলো চলে যায়।

      ঝাড়ির জন্য থেঙ্কু!! :rose:

      @আদিল ভাই,
      সাপোর্টের জন্যও থেঙ্কু!! :rose2:

      • সৈকত চৌধুরী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 3:11 পূর্বাহ্ন - Reply

        @তানভী,

        প্রকৃতিতে টিকে থাকতে আসলে যোগ্যতাটা এত মনে হয় গুরুত্বপূর্ন না। কারন প্রকৃতিই নির্ধারন করে যে কে যোগ্যতম (যেমন ডাইনোসররা এক কালে পুরো পৃথিবী শাষন করতো,প্রকৃতির জুয়া খেলায় আজ তারা বিলুপ্ত)। আবার এখানে প্রকৃতিই নিরন্তর পরিবর্তিত হচ্ছে ,তাই পুরোটাই আসলে জুয়া খেলা!!

        যোগ্যতা বলে আসলে বোঝান হচ্ছে পরিবেশের সাথে খাঁপ খাওয়ার ও টিকে থাকার যোগ্যতা। যেমন ধরুন এক সময় পৃথিবী উত্তপ্ত হয়ে পড়ল। তখন যে বা যারা এই অবস্থার সাথে খাঁপ খাইয়ে নিতে পারবে তারাই টিকবে, বাকিরা বিলুপ্ত হবে। এবং জীবেরা খাঁপ খাইয়ে নিতে গিয়ে পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন প্রজাতির উদ্ভব ঘটাতে পারে। ডাইনোসররা শক্তিশালী হলেও পরিবর্তিত পরিবেশ ও পরিস্তিতির সাথে খাঁপ খেতে পারেনি বলেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। :rose:

        • তানভী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 3:35 পূর্বাহ্ন - Reply

          @সৈকত চৌধুরী,

          এই জায়গাতেই সমস্যা দেখা দেয়। পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াটা “survival of the fittest” নীতিতে পরে যায়, এখানেই ভূলটা হয় (এখনো আমি নিজেই শিওর না)। কিন্তু ডারউইন “survival of the fittest” এর কথা বলেননি, এটা মূলত হার্বার্ট স্পেন্সারের বাক্য। এটার সাথে ল্যমার্কিয় নীতিও মিলে যায়।

          যারা বেঁচে থাকে তারা আসলে নিজে থেকে খাপ খায় না। প্রকৃতি তাদের বেছে নেয়। ব্যপারটা অনেকটা এমন যে, একটা গোষ্ঠিতে বেশ কিছু বেটে গলার জিরাফ এবং বেশ কিছু লম্বা গলার জিরাফ আছে (অনেক আগের কথা) এখন গাছের ডালপালা উঁচুতে হওয়ায় লম্বাগলার জিরাফরা পাতা খেতে পারছে কিন্তু বেটে গলার গুলো বঞ্চিত হচ্ছে। ফলে ধীরে ধীরে বেটে গলার জিরাফ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ প্রকৃতির সৃস্ট কারন/অসুবিধার জন্য নির্ধারিত হচ্ছে যে কে বেচে থাকবে আর কে হারিয়ে যাবে।(বন্যাপুর বইতে এরকমই তো পড়েছিলাম মনে হয়!)

          যাই হোক, আমরা দুজন এবার বন্ধ করি। অন্য কারো জন্য অপেক্ষা করি (যেই মহামানব এসে আমাদের সমস্যার সমাধান করবেন!!) 😀 :rose:

          • বন্যা আহমেদ ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 7:01 পূর্বাহ্ন - Reply

            @তানভী,

            এই জায়গাতেই সমস্যা দেখা দেয়। পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াটা “survival of the fittest” নীতিতে পরে যায়, এখানেই ভূলটা হয় (এখনো আমি নিজেই শিওর না)। কিন্তু ডারউইন “survival of the fittest” এর কথা বলেননি, এটা মূলত হার্বার্ট স্পেন্সারের বাক্য। এটার সাথে ল্যামার্কিয় নীতিও মিলে যায়।

            না তানভী, কথাটা মনে হয় ভুল হল। আমিও মনে হয় একই ভুল করেছিলাম আমার বইএ। আসলে ডারউইনের প্রজাতির উৎপত্তি বইটাতে প্রথমে survival of the fittest কথাটা ছিল না, কিন্তু স্পেন্সারকে ব্যবহার করতে দেখে ডারউইন পরে ১৯৬৯ সালে তার বই এ সেটা যোগ করেন। কিন্তু এই কথাটা নিয়ে এত চিন্তার কোন দরকার নেই, কারণ ডারউইন এটাকে এক্কেবারেই প্রাকৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেছেন, স্পেন্সারের মত অর্থনৈতিক দিক থেকে ব্যাখ্যা করেন নি। আমি কিন্তু এটার সাথে ল্যামার্কীয় ব্যখ্যার কোন মিল দেখি না। আর, প্রকৃতিতে জীবেরা তো সংগ্রাম করেই, ‘যোগ্যতম’ বলতে এখানে বুদ্ধিমত্তা, আকার, গঠন, জাতি, বর্ণ, টাকা পয়সা এসব কিছুই বোঝানো হচ্ছে না। যেমন একটা উদাহরণ দেই, তেলাপোকা এতকাল টিকে থাকলো, কিন্তু ডাইনোসর বিলুপ্ত হয়ে গেল। আবার ধারণা করা হয় যে, ডাইনোসরদের বিলুপ্তির পরেই আসলে তখনকার স্তন্যপায়ী প্রাণীরা বিকাশের সুযোগ পায়, এটা না হলে হয়তো কোনদিনও প্রাইমেটদের বিবর্তন ঘটতো না, আর তুমিও এখন বসে বসে ব্লগে বিবর্তন নিয়ে হাউমাউ করার সুযোগ পেতা না :laugh: ।
            আসলে এখানে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, একটা নির্দিষ্ট পরিবেশে পরিপ্রেক্ষিতে একটা জীব টিকে থাকার জন্য কিভাবে নির্বাচিত হয়। আজকের পরিবেশে সে যোগ্য হতে পারে, কালকেই আবার তা বদলে যেতে পারে। যতবারই বরফযুগের সূচনা হয়েছে ততবারই তার আগে খুব সফলভাবে টিকে থাকা জীবদের অনেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আবার উল্টোটাও ঘটেছে। সৈকতের ব্যখাটাই কিন্তু এখানে ঠিক আছে। তবে আমাকে যদি জিজ্ঞেস করো, আমি এই survival of the fittest কথাটা কোথাও ব্যবহার করবো না, ইতিহাসগত কারণেই আমার এটা পছন্দ হয় না।
            পরে সময় করে তোমার খেলাটা নিয়ে মন্তব্য করছি…

            • তানভী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 11:57 পূর্বাহ্ন - Reply

              @বন্যা আহমেদ,

              না তানভী, কথাটা মনে হয় ভুল হল। আমিও মনে হয় একই ভুল করেছিলাম আমার বইএ

              তাইলে আর আমার কি দুষ!!!

              আর ল্যমার্কিয় নীতির সাথে যে স্পেন্সার মোটেও মিল খায় না,তা আমি জানতাম।কিন্তু কমেন্ট পোস্ট করার সময় ঐটা ছুটে গিয়েছিল। কমেন্টটা পোস্ট করার পরপরই টের পাই যে আমার ভুল হচ্ছে,কিন্তু আর এডিট করতে মনে চাইল নাহ!!

              আজকের পরিবেশে সে যোগ্য হতে পারে, কালকেই আবার তা বদলে যেতে পারে।

              এইটাই আমি বলতে চাচ্ছিলাম,আসলে পুরোপুরি নিশ্চিত কেউ হতে পারছে না। তাই কে আসলে fittest তা কেউ জানেনা(অর্থাৎ সর্বোচ্চতম যোগ্যতার কোন মাপকাঠি নেই)।

              তবে আমাকে যদি জিজ্ঞেস করো, আমি এই survival of the fittest কথাটা কোথাও ব্যবহার করবো না, ইতিহাসগত কারণেই আমার এটা পছন্দ হয় না।

              আমি নিজেও ঐ ইতিহাসগত কারনেই “survival of the fittest” থেকে সরে আসার চেস্টা করছি। কারন আগে বিবর্তন বলতে বুঝতাম শুধু এই একটা বাক্যকে!!! এই একটা বাক্যই বিবর্তনের একটা সরল রূপ তুলে দেয়,যা ভয়ানক!

              যাই হোক, আপনার পরবর্তি মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম!! 😀 :rose2:

        • আব্দুল হক ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 7:57 পূর্বাহ্ন - Reply

          @সৈকত চৌধুরী, অাপিন যেটা বলেছেন এটাই ঠিক, এবােবই পড়তে বা বুঝতে হবে :rose2:

  8. রামগড়ুড়ের ছানা ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 7:08 অপরাহ্ন - Reply

    আচ্ছা এখানে বোর্ডের তলে আটকানো যন্ত্রটা কি? আপনার খেলায় survival of the fittest ফুটে উঠছে, কিন্তু এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতির উৎপত্তির ধারণাটা আসছে না, প্রতিবার মার্বেলগুলো বদলে নতুন ধরণের মার্বেল দিলে ভালো হয়, আর পৃথিবীর জলবায়ু যেহেতু পরিবর্তিত হচ্ছে তাই বোর্ডের ছিদ্রের আকার, সংখ্যা ইত্যাদিও বদলাতে হবে( আমি বিবর্তন একটু কম বুঝি, ভূল বললে ধরিয়ে দিয়েন)

    • তানভী ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 7:56 অপরাহ্ন - Reply

      @রামগড়ুড়ের ছানা,

      নারে ভাই, “যোগ্যতমের বেচে থাকার নীতি” থেকে সরে আসতেই তো এত কিছু। আর বাস্তবের বোর্ড যেহেতু জড় (অর্থাৎ পৃথিবীর মত সঞ্চারনশীল নয়) তাই পৃথিবীর মত সঞ্চারনশীল করার জন্য যন্ত্রটা শুধুমাত্র একটা ব্যবস্থা। আর যদি যন্ত্র না চান, তো কল্পনা করে নিন যে বোর্ডটা নিজে থেকে কাঁপছে!!

      বিবর্তনের নিয়ামক হচ্ছে ঐ ছিদ্র গুলা। পৃথিবীর আকৃতি যেহেতু প্রাণের শুরু থেকেই একই আছে এবং শুধু মাত্র পারিপার্শ্বিক নিয়ামক পাল্টাচ্ছে তাই আমি যন্ত্রটাকে অনিয়মিত ও বিশৃংখল ভাবে সঞ্চারিত হতে দিয়ে প্রাকৃতিক পরিবর্তনটা তুলে ধরেছি।

      আর ছিদ্রগুলা হলো সাহায্যকারী নিয়ামক,যেগুলো দৈহিক পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন প্রজাতির ঘটায়। প্রতিবার পয়েন্ট বাড়ার মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হচ্ছে, যারা প্রকৃতি থেকে বেশি পয়েন্ট পেয়ে যাচ্ছে, তারা ভালো ভাবে বেঁচে যাচ্ছে।আর যাদের পয়েন্ট কম থাকছে,তারা নিম্নস্তরে রয়ে যাচ্ছে। আবার পরবর্তি স্তরে যদি তারা বেশি পয়েন্ট পেয়ে যায় (যাদের পয়েন্ট কম ছিল) তারা গঠনগত দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই হল পদ্ধতিগত ব্যপার।

      পুরো ব্যপারটাকে অনিশ্চিত করে তোলার মাধ্যমে আমি “Survival of the fittest” ব্যপারটা থেকেই সরে আসার চেষ্টা করেছি। কারন এই একটা বাক্য আমাকে বহুদিন জ্বালিয়েছে!!!

      আর পুরোটাতে আরো কিছু উদাহরন যোগকরে দিলে আরো পরিস্কার হত। কিন্তু লেখা বড় হয়ে যাবার ভয় আর আলসেমির কারনে ওগুলো বাদ দিয়ে গেছি।

      প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। :rose:

      • FZ ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 5:19 পূর্বাহ্ন - Reply

        @তানভী,

        আর ছিদ্রগুলা হলো সাহায্যকারী নিয়ামক,যেগুলো দৈহিক পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন প্রজাতির ঘটায়। প্রতিবার পয়েন্ট বাড়ার মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হচ্ছে, যারা প্রকৃতি থেকে বেশি পয়েন্ট পেয়ে যাচ্ছে, তারা ভালো ভাবে বেঁচে যাচ্ছে।আর যাদের পয়েন্ট কম থাকছে,তারা নিম্নস্তরে রয়ে যাচ্ছে। আবার পরবর্তি স্তরে যদি তারা বেশি পয়েন্ট পেয়ে যায় (যাদের পয়েন্ট কম ছিল) তারা গঠনগত দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই হল পদ্ধতিগত ব্যপার।”

        ব্যাপার টা ঠিক স্পষ্ট হ্ল না। পয়েনট বেশি বা কম হলে কিভাবে পরবর্তি স্তরে সুবিধা পায়, সেটা বুঝলাম না।

        “পুরো ব্যপারটাকে অনিশ্চিত করে তোলার মাধ্যমে আমি “Survival of the fittest” ব্যপারটা থেকেই সরে আসার চেষ্টা করেছি। কারন এই একটা বাক্য আমাকে বহুদিন জ্বালিয়েছে!!!”

        Survival of the fittest কে ignore করলে ত বিবরতন এর মুল বিষয় কে অস্বীকার করা হ্ল, তাই না ? অনিশ্চয়তা প্রক্রিতিতে বিদ্যমান, কিন্তু কোন নির্দিষ্ট সময়এ fit প্রজাতিরাই টিকে থাকে। অন্যরা বিলুপ্ত হবেই।

        To me, you are modeling the random behavior of the world and to some extent, modeling natural selection (although the point scheme seems to be flawed) , but your model does not consider reproduction and mutation. As a result, if you run your game long enough, every marble will be out of the board.

        You can add a few different things to make your model more realistic:

        1. Start with different types of marble but don’t add them all at once on board. For example, start with 3 types of marble A,B,C, 100 of each type. At first, select only 10 of each type to be on play and let the board shake once. Wait for the marbles to come into a stable state ( e.g. out of the board, big hole, little hole or stuck in a hole). Count the total point for each type. For example, for type A, 5 is out of the board, 5 is in little hole– point = 25, type B, 1 out of the board, 5 in big hole, 2 in little hole, 2 stuck — point = 5*10+2*5+2*2=64 etc.

        2. At the next generation, add marbles of each type proportional to the corresponding point of their type. For the above example, the point ratio is 64/25 among B and A, so if you add 5 marbles of A, add about 13 marbles for B to keep the ratio.

        3. As the game progresses, the population of the types will increase as per their performance on the previous rounds. This will be a more accurate representation of natural selection.

        4. At each step/ after a predefined number of steps, you can also simulate ‘death’ of some individuals by taking out one marble of each type at a time.

        5. However, evolution isn’t still modeled, because mutation is not easy to model using marbles. Does anyone have any idea ?

        • মুক্তমনা এডমিন ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 7:20 পূর্বাহ্ন - Reply

          @FZ,

          বাংলা ব্লগে বাংলায় মন্তব্য করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

      • রামগড়ুড়ের ছানা ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 12:54 অপরাহ্ন - Reply

        তানভী ভাই আমার মাথায় এখনও ঢুকছে না।

        আর যেসব মার্বেল পয়েন্ট নিয়ে টিকে যাবে, তাদের আবার বোর্ডে তুলে দেয়া হবে।

        আবার কমেন্টে বলছেন:

        প্রতিবার পয়েন্ট বাড়ার মাধ্যমে নতুন প্রজাতির উদ্ভব হচ্ছে

        আমি বলছিলাম

        …এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতির উৎপত্তির ধারণাটা আসছে না, প্রতিবার মার্বেলগুলো বদলে নতুন ধরণের মার্বেল দিলে ভালো হয়

        এর কারণ আপনি একই মার্বেল বারবার তুলে আনছেন, নতুন প্রজাতি কোথায় পাচ্ছেন?

        • তানভী ফেব্রুয়ারী 5, 2010 at 7:14 অপরাহ্ন - Reply

          @রামগড়ুড়ের ছানা,

          ভাইরে নতুন মার্বেল দিলে তখন আবার বলতেন যে এইগুলা আবার কোত্থেকে এসেছে? আকাশ থেকে পড়েছে নাকি?

          আমি পয়েন্ট বাড়ানোর মাধ্যমে বোঝাতে চাচ্ছি যে তার পয়েন্ট বৃদ্ধির মাধ্যমে তার দৈহিক ক্ষমতার উন্নতি ঘটেছে যার ফলে সে বেচে থাকার জন্য সুবিধা পাবে, যেটা মিউটেশন। এবং এর ফলেই নতুন প্রজাতির উদ্ভব ঘটবে (অর্থাৎ যেই মার্বেলটার পয়েন্ট বাড়বে হবে সেটা তখন আরেকটা প্রজাতি রূপে বিবেচিত হবে),আর মার্বেলগুলো এক বলতে এই বোঝাচ্ছি যে এরা হুবহু এক হলেও এদের নিজস্ব মার্কার থাকবে যা দিয়ে তাদের সবসময় চিহ্নিত করা যাবে। ফলে কার পয়েন্ট বাড়লো, কে এগিয়ে থাকলো তা বুঝতে সমস্যা হবে নাহ।

          আর প্রথম থেকেই প্রতি বারেই সব মার্বেল বোর্ডে তুলে দেয়া হবে (যেগুলো বাদ যাবে সেগুলো বাদ দিয়ে বাকি গুলো)

          [[ আর এই সুযোগে মুক্তমনাকে ইকটু শাপশাপান্ত করে নেই। আমি সারা সকাল থেকে মুক্তমনায় ঢুকবার জন্য হার্ড ট্রাই দিচ্ছি, কিন্তু একবারও পুরা পেইজ ওপেন হয় না!!! আজিব!! এরকম চলতে থাকলে বিরক্ত হয়ে আসাই বন্ধ করে দিতে হবে!! অন্য ব্লগ গুলোতে তো এই সমস্যা হয় না। অন্য ব্লগ গুলোতে পুরো পেইজ খুলতে কিছুটা সময় লাগলেও একবারেই পুরো পেইজ ওপেন হয়, কিন্তু মুক্তমনা হাজার বার রিলোড করেও আমি পুরা পেইজ একসাথে পাইনা। যখন তার মর্জি হয় (হঠাৎ হঠাৎ) তখন পুরা পেইজ একসাথে খুলে !! আজিব!]]

  9. আদিল মাহমুদ ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 6:31 অপরাহ্ন - Reply

    বাহ!

    সুকুমার রায়ের “পন্ডিতের খেলা” নামের একটা প্রবন্ধের কথা মনে পড়ল। মূল বিষয় ছিল কিভাবে সাধারন মানুষের চোখে খেলার মত করে পন্ডিতেরা অনেক বড় বড় আবিষ্কার করে গেছেন।

    যেমনঃ নিউটনকে প্রায়ই দেখা যেত কোন পার্কে বসে বাচ্চাদের মত সাবান পানি নলে ফু দিয়ে বেলুন ফুলাচ্ছেন। পরে জানা গেল যে তিনি আসলে আলোর বর্নচ্ছটা গবেষনায় মত্ত ছিলেন।

    আমাদের তানভী সাহেবও মনে হয় পন্ডিতের ক্লাবে সহসাই যোগ দেবেন।

    এটাকে হালকা না বলে ভারী হিসেবে কোন গবেষনাপত্র হিসেবে পাঠিয়ে দিতে পারেন 🙂 ।

    তবে তূলনাটা মনে হয় নেহায়েত মন্দ হয়নি।

    আমি বিবর্তন বিশেষজ্ঞ নই, তবে বিবর্তন বিশেষজ্ঞদের কাছে কি প্রশ্ন করলেন তা অবশ্য পুরো পরিষ্কার হল না। কোনটা চূড়ান্তভাবে টিকে যাবে?

  10. হেলাল ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 3:11 অপরাহ্ন - Reply

    ভাল লাগল।তবে মার্বেল খেলার জন্য একবার পিটুনি খেয়েছিলাম।এ পোষ্টটা তখন থাকলে ছেঁচা থেকে বাঁচতে পারতাম।
    মডারেটরের প্রিয়পাত্র বাংলার জাকির নায়েক হযরত ফুয়াদকে(আঃ) টানাটানির সুযোগ না দেয়াতে কষ্ট পেলাম।

  11. তানভী ফেব্রুয়ারী 4, 2010 at 2:06 অপরাহ্ন - Reply

    যাক!! শেষ পর্যন্ত কমেন্ট অপশন চালু করতে পারলাম!! 😀

    এখন আবার মনে হচ্ছে কমেন্ট অপশন বন্ধ থাকলেই ভালো হত!! গালি খেতাম না!! :-X

মন্তব্য করুন