সৌর শক্তির আলোক রাসায়নিক রূপান্তর (পর্ব-৪)

পর্ব-, ,
সম্ভবতঃ পার্পল ব্যাকটেরিয়াতেই এ-যাবৎ কালের সবচাইতে সরল প্রকৃতির আলোক রাসায়নিক বিক্রিয়াকেন্দ্রটি আবিষ্কৃত হয়েছে এবং এর অন্তর্নিহিত ধূম্রজাল ভেদ করা অনেকটাই সম্ভব হয়েছে। যার কারনে এই বিক্রিয়া কেন্দ্রটিকেই মডেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে প্রাকৃতিক সালোক সংশ্লেষনের বিক্রিয়া কেন্দ্রের স্বরূপ হিসেবে[২৫-২৭]। তবে সবুজ উদ্ভিদে প্রাপ্ত সৌর শক্তি রূপান্তরের যে প্রকৃয়া, সেইটেই সম্ভবতঃ সবচাইতে গুরুত্ত্বপূর্ণ পদ্ধতি[২৮-৩০], যেখানে PS-2 (Photo-system II) বিক্রিয়া কেন্দ্রের ইলেক্ট্রন গ্রাহী অংশটুকু ব্যাকটেরিয়ার বিক্রিয়া কেন্দ্রের সঙ্গে দারুন ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ! তবে সবুজ উদ্ভিদের ইলেক্ট্রন দাতা অংশটির গঠন কাঠামো এবং কার্যশৈলী সত্যিই অদ্ভূত। যারা কিনা জলকে ব্যবহার করে ইলেক্ট্রনের উৎস হিসেবে, যেখানে উৎপন্ন অক্সিজেন উপজাত হিসেবে নিছক-ই জঞ্জাল! আর এর এই অদ্ভূত চরিত্রটিই আমাদের আগ্রহের বিশেষ কারণ। আমরা কৃত্রিম এক ব্যবস্থার প্রয়াসী যেখানে অনুকল্পিত ব্যবস্থায় প্রস্তাবিত প্রকৃয়াটি পরিকল্পনা মাফিক আলোক সম্পাতে গৃহীত শক্তিতে জলকে অনুরূপভাবে বিশ্লেষিত করতে সক্ষম হবে, তবে PS-2 (Photo-system II) বিক্রিয়া কেন্দ্রের দাতা অংশটিও অতীব আকর্ষনীয় চরিত্রের বিধায় আলোচনার পরবর্তী ধাপে বিশেষ আলোকপাতের ইচ্ছে রইলো।

এরপর এখানে পর্ব-৪

মুক্তমনা সদস্য। পেশায় শিক্ষক।

একটি মন্তব্য

  1. কেশব অধিকারী ডিসেম্বর 30, 2009 at 9:26 পূর্বাহ্ন - Reply

    সহৃদয় পাঠকবৃন্দ,

    লেখাটি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধের অনুবাদ বিধায় সংশ্লিষ্ট বিষয় বহির্ভূতদের কাছে দুর্বোধ্য মনে হতে পারে সেই জন্যে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। কয়েকজন ছাত্রের কাজে লাগছে বলেই চালিয়ে যাচ্ছি। আগের পর্ব গালোর ধারাবাহিকতায় পড়লে ভালো বোধ করবেন। আর জিজ্ঞাস্য হলে তো আছিই। খুব জটীল মনে হলে দয়াকরে অগ্রাহ্য করতে পারেন! তবে এরকম জটীল মনে হতে পারে কয়েকটি পর্ব, বাকী গুলোতে আশাকরি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন। আপনাদের ধৈর্য্যের জন্যে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো। আসন্ন ইংরেজী নববর্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা! ভালো থাকুন সবাই।

মন্তব্য করুন