সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ০৯ প্রাপ্ত Herta Muller এর টেলিফোন সাক্ষাৎকার

By |2009-10-16T15:03:35+00:00অক্টোবর 16, 2009|Categories: সাহিত্য আলোচনা|2 Comments

অনুবাদ: সুশান্ত বর্মন

“ভাষার নিজের দৃষ্টি আছে”

ঐতিহ্য অনুযায়ী 0৮ অক্টোবর ২০০৯ এ ঘোষণার পরপরই সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত Herta Muller এর একটি টেলিফোন সাক্ষাৎকার নেয়া হয়। পুরস্কার ঘোষণার কয়েকমিনিটের মধ্যেই সাক্ষাৎকারটি রেকর্ড করা হয়। হার্তা মুলারের মাতৃভাষা জার্মান ভাষায় সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক Marika Griehsel

Herta Muller: হ্যালো
Marika Griehsel: মিস মুলার আপনাকে অভিনন্দন। আমার নাম Marika Griehsel, আমি নোবেল ফাউন্ডেসনের ওয়েবসাইট অফিস থেকে বলছি। আবারো আপনাকে আমাদের উষ্ণ অভিনন্দন জানাই।
HM: ধন্যবাদ।
MG: আপনি জার্মান ভাষায় লেখালেখি করেন। কোন এক সময় আপনি বলেছিলেন যে লেখালেখি করা আপনার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অস্তিত্বের মতো।
HM: হ্যাঁ, আসলে লেখালেখির জায়গাটা এমন যে সেখানে আমি আমার মতো করে সবকিছু করতে পারি। কারণ স্বৈরশাসনের নীচে…… এবং, আচ্ছা, এটা আমাকে কিছু বিষয়ের অধিকারী করেছে…. কিন্তু আমি যখন কাজ করি এটা তখন অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়……. যাখন আমার একটি কাজ ছিল….. যখন আমি বহিষ্কৃত হচ্ছিলাম …… সব জায়গা থেকে। এবং আমি নিরন্তর প্রতারণার শিকার হচ্ছিলাম। জেরার পর জেরা করে আমাকে মানসিক যন্ত্রণা দিচ্ছিল। লেখালেখিটা কখনও কখনও কিছুটা উন্মাদন বটে, কারণ আমাদের দেশ এত গরীব যে, আমরা প্রত্যেকেই এতবেশি অসুখী জীবন দেখেছি, প্রত্যেকের চিন্তাই আমাদের নিজের চিন্তা। হ্যাঁ, এটা এমন এক যাত্রা যা সত্যিই ছিল … পৃথিবীতে অবশ্য এর কোন স্থান ছিল না।
MG: কিন্তু এটা এমনভাবে হয়েছে আপনি ঘটনার যে পাশ দেখতে চেয়েছেন, আপনাকে সেই মতো কাজ করতে হয়েছিল। ছিল কি?
HM: তাহলে আমি কখনই এতটা নিশ্চিন্ত হবো না যে আমি এখনও টিকে আছি, আর আমি ছিলাম।
MG: আপনি ১৯৮৭ সালে জার্মানীতে থাকার জন্য গিয়েছিলেন।
HM: হ্যাঁ
MG: কিন্তু আপনি পুরনো দেশকে নিয়ে নিজেই চলেছেন। এটা কেন? আপনি কি মনে করেন?
HM: আচ্ছা, আমি মনে করি সেই ভার… সাহিত্য ঠিক যেখানে ভারী লাগছে সেখানে পৌঁছে যায়। এবং আমি ত্রিশ বছর ধরে স্বৈরশাসনের নিচে বাস করেছিলাম এবং এটাই হল সেই জায়গা যেখানে ক্ষত তৈরি হয়ে গেছে এবং সেই পরিবেশ ছিল….আমি নিজে এই জীবন পছন্দ করে নেইনি, সেই গুমোট পরিবেশ বরং আমাকেই খুঁজে বের করে নিয়েছে। এধরণের পরিবেশ আমি কখনই চাইবো না…. আমি এখনও এই জীবনে সওয়ার হইনি। আর যা সবসময় মাথার উপর, জীবনের উপর চেপে বসে থাকে, তাকে লিখে ফেলা উচিত এবং এটা গুরুত্বপূর্ণ, স্বৈরশাসক… দুর্ভাগ্যক্রমে এই স্বৈরশাসন শেষ শাসন নয়। দু:খজনক হল এই পৃথিবীতে এখনও অনেক স্বৈরশাসন আছেন।
MG: কখন থেকে আপনি লেখা শুরু করেছেন? কার জন্য আপনি লিখেছিলেন, এখন কার জন্য লিখছেন?
HM: আসলে আমি সবসময় নিজের জন্য লিখেছি। বিষয়কে ব্যাখ্যা করার জন্য, আমার নিজের সাথে বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা ব্যাখ্যা করার জন্য। এক অন্তর্গত পদ্ধতিতে বিষয়টি বোঝার জন্য, আসলে কি ঘটছে, তা জানার জন্য। অথবা, আমার ঠিক কি ঘটেছে? আমি বেশ ছোট একটা গ্রাম থেকে এসেছি, তারপর শহরে এসেছি। সেখানে সবকিছু বাধাহীন থাকেনি, একসময় আমি সেখানে সংখ্যালঘু হয়ে গেলাম। জার্মান– নিজেকে কেউ আর মনে করছিল না। এটাই আমার স্বদেশবাসীর সাথে অমিল হবার প্রধান কারণ। যখন আমি প্রথম বই লিখি তখন জার্মান সংখ্যালঘু পরিচয়ের কারণে আমি বহিষ্কৃত হলাম। এবং যারা নোংরামী ছড়াতে পছন্দ করে, তারাও একই কথা বলেছিল। কারণ আমি জাতীয় সমাজতন্ত্রে সংশ্লিষ্টতা নিয়ে লিখেছিলাম এবং আদিম, প্রত্নতাত্ত্বিক গ্রামীন সমাজের কথা এবং এর জাতিবিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে এবং সেজন্য তারা আমাকে কখনও ক্ষমা করেনি।
তারা, তাদের জন্মভূমি “Heimatliteratur” সম্পর্কে সাহিত্য চেয়েছিল, এরা খুব গোঁড়া সংখ্যালঘু আর এজন্য আমি বহিষ্কৃত হয়েছি। এবং রাজনৈতিক কারণে আমি রুমানিয়ার সমাজ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে গিয়েছিলাম। এবং তারপর আমি জার্মানীতে চলে এসেছি। আর এই জার্মানীতে আমি সবসময় রুমানিয়ান থেকে গেলাম। এভাবে একে অপরের জন্য থেকে গেছে….
MG: হ্যাঁ, তা সত্যি। এটা কি গুরুত্বপূর্ণ, যা আপনি ভাবেন, আপনি অনুভব করেন যে আপনি সীমানার ওপারে থেকে গেছেন।
HM: এটা গুরুত্বপূর্ণ কি না তা আমি জানিনা। এটা ছাড়াও যে কেউ বেঁচেবর্তে থাকবে। কখনও কখনও এটা আঘাত করে। মানুষ কিছু কিছু বিশ্বাসের কারণে একে শ্রদ্ধা করে, কিন্তু এটা আসলে তাই যা এটা ছিল এবং আমি নিয়মিতভাবে একে সাথে নিয়ে চলতে বাধ্য হয়েছি, এবং এটাই সেটা যা এটা ছিল। আর কেউ মানুষের উপর কাউকে জোর করে ঠেলে দিতে পারবে না এবং মানুষকে বিভিন্নভাবে প্রতারনা করবে না। আমার মনোভাব এবং আমার ভাবনার কারণে আমি এসবকে বহন করি না। কেউ কি করতে পারে? কেউ পিছন দিকে বাঁকা হতে পারবে না, অথবা যার অধিকারী নয়, সেই পরিচিতিকে ধারণ করতে পারবে না, এবং কোন অবস্থাতেই এটা কাজ করবে না। যখন তুমি মুক্ত হবে, তখনই এসব শেষ হবে।
MG: আপনার জন্য সাহিত্য…. লেখালেখি….. কাউকে সৎ থাকতে বাধ্য করে?
HM: হ্যাঁ, প্রত্যেকের নিজের কাছে সৎ থাকা উচিত। লেখার মাধ্যমে তুলে আনা অনুভূতিকে আমরা পঞ্চোন্দ্রিয় দিয়ে যে অভিজ্ঞতাকে অর্জন করেছে, তার চাইতে আলাদা হতেই পারে কারণ ভাষা একটি আলাদা উপাদান। আর এরকম একটি বষয়ে লেখালেখি করা প্রত্যেকে এই লেখালেখি করাকালনী নিজেকেই অনুভব করে। যখন কেউ লিখতে থাকেন তখন কেমন দেখায়, তা লেখালেখি নিজে জানেনা। যখন শেষ হয় তখনই তা বোঝা যায়। এবং যতক্ষন আমি লিখি, ততক্ষণ আমি নিরাপদে থাকি, তারপর জীবনকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সে বিষয়ে কিছু ধারণা আমি পেয়ে যাই আর যখন রচনার শেষে পৌঁছে যাই, তখান আর কিছুই আমি মনে রাখি না।
MG: “Atemschaukel” (নিঃশ্বাস/ করাতের যাওয়া আসা) শব্দটি শুনতে সুন্দর। এটাকে কি আপনি জটিল বলে মনে করেন? আপনি কিছু জার্মান মানুষকে চেনে, যারা বন্দী হয়ে গেছে। তাদেরকে কেউ তেমন পছন্দ করে না, করে কি? দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাবার পর তাদের সম্পর্কে কেউ ভাবে না… একথা বলতে আপনি কি বুঝিয়েছেন?
HM: হ্যাঁ, আচ্ছা…… ১৯৪৫ সালের পরের নির্বাসন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে প্রাকৃতিকভাবেই যদি কিছু করতে পারতো।
ওহ, দরজায় বেল বাজছে। বাড়িতে কিসব পাগলামী শুরু হয়ে গেছে। তারা ইতিমধ্যে সামনের দরজায় এসে গেছে।
আচ্ছা, এস এস অথবা জার্মান আর্মিতে থাকা জার্মান সংখ্যালঘুরা সংশ্লিষ্ট ছিল, এমন কিছু যৌথ অপরাধের কারণে তারা নির্বাসিত হয়েছিল। অ্যানটোনেস্কুর আমলে রুমানিয়া একটি অত্যাচারী রাস্ট্র ছিল।
একটু থামুন, আমি ফোনে কথা বলতে পারছিনা, আমার এক বন্ধু, ওহ, আমি তোমাকে বুঝতে পারছি না।
MG: আচ্ছা ঠিক আছে, আমি মনে করি খুব তাড়াতাড়ি একটি বিরাট পার্টি শুরু হতে যাচ্ছে। আপনি বলেছেন ‘যৌথ অপরাধ’, তাড়াতাড়ি বলুন।
HM: হ্যাঁ, আমার মতে যৌথ অপরাধী সাব্যাস্ত করা সবসময় অন্যায্য, কারণ যারা নির্বাসিত হয়েছে তারা পরে আর যুদ্ধ করেনি। ১৯৪৫ সালের জানুয়ারিতে নির্বাসন সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু মে মাসের শেষেও যুদ্ধ থামল না। আমার বাবা SS তে ছিল। তিনি যুদ্ধ থেকে ফিরে আসেননি। অতএব তারা সাধারণ মানুষকে ধরা শুরু করল। একেবারে তরুন যারা তাদেরকে ধরল। ১৭ বৎসরের তরুন যেমন অস্কার প্যাস্টরকে তারা ধরে নিয়ে গেল। অথচ সে নিজে দোষী নয়। হিটলারের পাশাপাশি রুমানিয়ার অ্যানটনেস্কুর কারণে রুমানিয়া একটি অত্যাচারী রাষ্ট্র ছিল। এই রাষ্ট্র একেবারে শেষ সময়ে অবস্থান পরিবর্তন করেছিল। অথবা সোভিয়েত রুমানিয়ার অবস্থান পরিবর্তন করে দিয়েছে বলে সে নিজেও পরিবর্তিত হয়েছে। এবং এই কারণে ‘জাতীয় সমাজতন্ত্রে’র সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ বিষয়ে জার্মান সংখ্যালঘুরা অনমনীয় থেকে গেছে। এবং রুমানিয়ানরা সবাই অ্যনটনেস্কুর সাথে স্টেলিনগ্রাদে থেকে গেছে, এবং তারপর, ১৯৪৫ এর পর শুধুমাত্র সংখ্যালঘু হর্থি (Horthy) কে নিয়ে এবং হিটলারের সমর্থক হিসেবে জার্মানরা, কিন্তু রুমানিয়ার সমস্ত জনগণ সে সময় নাজী জার্মানীর পক্ষে ছিল। তারপর, ১৯৪৫ এর পর ইতিহাস ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
হ্যাঁ, আমার মাকেও ৫ বৎসরের জন্য নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এসব বিষয়কে আমি ঘটনার অংশ বলই মনে করেছি। প্রত্যককে বুঝতে হবে যে, যদি নাৎসী জার্মানী এ ধরণের কোন অপরাধ না করতো, তাহলে নির্বাসন বলতে কোন কিছু থাকতো না। কাউকে এটা মনে রাখতে হবে যে, এটা এখন পর্যন্ত চলে আসেনি। সংখ্যালঘুরা যে অপরাধে অপরাধী ছিল।, এটা তার ধারাবাহিকতা।
MG: আপনি কি মনে করেন? আপনার বই এখন রুমানিয়ার ভাষায় অনুবাদ করা হবে। আপনাকে সেখানে কিভাবে স্বাগতম জানানো হতে পারে?
HM: আচ্ছা, এটা পার্থক্য হবে। সাধারণভাবে বলা যায়, বেশ সহজভাবেই বইগুলো গ্রহণ করা হবে। কিন্তু এটাই একমাত্র দিক নয়। হয়তো যদি কেউ কোন একটি বই রিভিউ করার জন্য নির্বাচন করে, তাহলে হয়তো সে একইরকম হবে। অবশ্য আমি রোমানিয়ার সমাজে বিশেষভাবে প্রশংসিত নই। আমি কখনও কোন আমন্ত্রণপত্র পাইনি। কারণ আজ পর্যন্ত রুমানিয়ার অনেক খারাপ দিক আমার বলা আছে কারণ এটা যেমন, আমি ঠিক তাই বলি। পুরনো nomenklatura এবং গোয়েন্দারা দেশের সকল অবস্থানকে নিজেদের মধ্যে বিভক্ত করেছে। এটা আসলে সর্বব্যাপী এক নেটওয়ার্ক। তারা নিজেদেরকে এবং পরস্পরকে সাহাযর্ করে। রোমানিয়াতে দূর্নীতি এত বিকট আকার ধারণ করার এটা একটা কারন, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে গণতন্ত্র থেকে রুমানিয়া এখনও অনেক দূরে আছে।
রুমানিয়াতে যা আছে সে সম্পর্কে কোন কিছু শুনতে তারা রাজী নয়। এটা একটা চিরকালীন সমস্যা। যারা নির্বাসনে রয়েছে তাদেরকে নিজের জিহ্বাকে সংযত করতে হবে, এবং তাদেরকে এটা বলতে হবে যে -“আমি এই বিষয়ে কোন কিছুই আর জানিনা”।
MG: আপনার ভাষা জার্মান, কিন্তু এখানে কিছু রুমানিয়ার ভঙ্গি মিশে গেছে। এটা কিভাবে এত দৃশ্যমান হলো?
HM: আচ্ছা, আমার মাতৃভাষা হল জার্মান। আমি পরে, যখন আমার বয়স ১৫, শহরে থেকে রুমানিয়ার ভাষা শিখেছি। আমি শিখতে চেয়েছিলাম। এই ভাষাকে আমি খুব ভালোবাসি। রুমানিয়ার ভাষা খুব সুন্দর, আবেগপ্রবণ, কাব্যিক ভাষা। হয়তো পরে শেখাটা আমার জন্য ভালো হয়েছে। কারণ এই ভাষঅর জন্য এতদিনে আমার একটা চোখ তৈরি হয়েছে।
আমি বুঝতে পেরেছিলাম কল্পনার জগতে রুমানিয়ার ভাষা ঐশ্বর্যবান। নানারকম আকর্ষণীয় পরিবর্তন এই ভাষায় সম্ভব। ভাষার এসব পরিবর্তিত রূ মানুষ প্রতিদিন অতিপ্রাকৃত বিশ্বাস বা নিজেকে প্রকাশ করতে গিয়ে ব্যবহার করে। নানারকম পরস্পরবিরোধীতা আছে। গাছের নামগুলোর কথা বলি। তাদেরকে জার্মান ভাষা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ননামে ডাকা হয়। এটা আসলে একই জিনিসকে ভিন্নভাবে দেখা মাত্র। আমি সবসময় দেখেছি যে আমার জন্য দুইটি স্টেশন থাকে। কোন কিছুর জন্য আমার যে ভাষা সেটা এবং অন্যটা হল অন্য স্টেশন। এটা শুধুমাত্র আলাদা দুটো শব্দ নয়, এবং একেবারে আলাদা দুটো দৃষ্টিভঙ্গী, ভাষার স্বতন্ত্র দৃষ্টি আছে। আমার ক্ষেত্রে রুমানিয়ার ভাষা সবসময় আমার জন্য লিখেছে। যখন আমি রুমানিয়ার ভাষায় লিখছি না, তখনও। কারণ আমি আমার মাথার মধ্যে একে রেখেছি।
আলাদা ভাষার থেকেও আমার মধ্যে দুটো আলাদা দৃষ্টিভঙ্গী আছে। সেগুলো সবসময় সেখানে ছিল। আমি সত্যিই জানিনা, যখন আমি লিখি, তখন কোনটা থেকে যে গ্রহণ করি তা আমি নিজেও জানিনা।
MG নিজের কোন লেখাটি আমাদেরকে প্রথমে পড়তে দেবেন।
HM: আমি জানিনা। জার্মান ভাষার হলে আমি আমার শেষ বইটির কথা বলবো। এটা আমার শেষ কাজ “Die Atemschaukel” এর অনেক কাছাকাছি।
MG: “Die Atemschaukel”, আচ্ছা। আপনার পরিচিতি এখন অবিশ্বাস্য রকমের বেড়ে যাবে। এই বিষয়টি আপনি কিভাবে অনুভব করছেন?
HM: আমি জানিনা কি বলা দরকার।
MG: (হাসি)
HM: আমরা কেউ আসলে আলাদা ব্যক্তি নই, লেখালেখির নিজেকে নিয়ে সত্যি কিছু বলার নেই। আমি এখন সুখী, কিন্তু পৃথবীতে আমি থেকে যাচ্ছি। সময়ের সাথে এসবকে আমার দূলে ফেলে দিতে হবে। এবং দুই কি তিন দিনের মধ্যে আমার বাড়িতে এর ধাক্কা এসে লাগা শারু হেব। এই মুহূর্তে আমি এটা জানি। কিন্তু আমি এটা বিশ্বাস করছি না। এটা কিভাবে হবে, তা আমি কল্পনার করতে পারছি না। আমি জানিনা এত আনন্দের আমি যোগ্য কি না? কখনও কখনও মনে হয় আনন্দের মধ্যে পাপ রয়েছে। হয়তো আমি আদতে এর যোগ্য নই। এত আনন্দের জন্য আমাকে কেন নির্বাচন করা হলো?
MG: মিস মুলার অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন।
HM: আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। আপনার সর্বোচ্চ ভালো হোক।
MG: আপনারও সকল কিছু ভালো হোক। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, বাই।

জার্মান ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন Gloria Curtance
মূল লেখার লিংক

About the Author:

মন্তব্যসমূহ

  1. আগন্তুক অক্টোবর 19, 2009 at 3:25 পূর্বাহ্ন - Reply

    ভালো লাগল।

  2. অভিজিৎ অক্টোবর 16, 2009 at 8:18 পূর্বাহ্ন - Reply

    যাক, অনেকদিন পরে সুশান্তের দেখা পাওয়া গেল। ব্লগে নিয়মিত লিখুন।

মন্তব্য করুন