ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সেমিনার – ইসলাম ও শারিয়া (৩য় সংস্করণ)

সবাইকে শুভেচ্ছা – অনেক দিন পর এলাম। আনন্দ-বেদনার বিভিন্ন সমান্তরাল ও বিপ্রতীপ স্রোত এত হুলুস্থুল চলছে যে সব হিসেব ভ¨ুল হয়ে গেছে। যাহোক, আরো একটা স্তর এগোল আমাদের আন্দোলন, সবার সাথে ভাগ করছি।

*************************************

ইসলাম ও শারিয়া (৩য় সংস্করণ)
লেখক ঃ হাসান মাহমুদ
প্রকাশক ঃ শব্দশৈলী
ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সেমিনার ঃ ৯ই সেÌেটম্বর

 

 

‘‘এ বই ইসলামের প্রতি নিবেদিত একটি চিন্তাশীল মনের প্রতিফলন, যাতে রয়েছে একদিকে ইসলামের সুমহান
আদর্শ ও মূল্যবোধ অন্যদিকে ইসলামের নামে নানা রকম রীতি, প্রথা ও আইনের মধ্যে দুঃখজনক ব্যবধান
তুলে ধরার আন্তরিক প্রয়াস’’ – খ্যাতনামা ইসলামি গবেষক, লেখক ও বক্তা ডঃ ওমর ফারুক
‘‘ইসলামের নামে ইসলাম-লংঘনের বিরুদ্ধে এই বই দলিলবদ্ধ ব্রহ্মাস্ত্রত্র’’ – আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘‘ইসলামে মানবাধিকারের ওপরে বাংলায় এমন বিপুল ও বিস্তারিত কাজ এই প্রথম’’ – ডঃ হাসান আজিজুল হক

চেয়ারপারসনঃ – প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত ও পররাষ্ট্র-সচিব মিঃ ওয়ালিউর রহমান
প্রধান অতিথি ও মূল বক্তা ঃ- আবদুল গাফফার চৌধুরী
অন্যান্য বক্তাঃ – ডঃ সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, ডঃ নিসার হোসেন, ডঃ সুকোমল বড়ুয়া, ডঃ শওকত আরা হোসেন ও মিঃ শাহ খায়রুল মুস্তাফা (হাক্কানি মিশন)

সময় বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা পর্য্যন্ত, – ইফতারের ব্যবস্থা আছে।
অনুষ্ঠান ইÏটারনেট-এ সরাসরি প্রচার করা হবে।
ইসলাম ও শারিয়া বইটি ঢাকার আজিজ সুপারমাের্কট-এ পাঠক সমাবেশ লাইব্রেরীতে পাওয়া যায়। বইটি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে দেখুন মুক্তমনার  এই পোস্টটি

**************************************************

হাসান মাহমুদ (ফতেমোল্লা) মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম এবং মুক্তমনার উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য। মুসলিম ক্যানাডিয়ান কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট। প্রকাশিত বাংলা বই 'ইসলাম ও শারিয়া'।

মন্তব্যসমূহ

  1. তৃতীয় নয়ন সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 8:57 অপরাহ্ন - Reply

    সেমিনারটিতে অংশ নিয়ে ভাল লাগলো। বিশেষ করে আব্দুল গাফফার চৌধরীর বক্তৃতা বেশ interesting লাগলো। কিন্তু সেমিনারে বক্তারা যা বললেন তা নিয়ে এখনো অনেক মত দ্বিমত, প্রশ্ন, সংশয় রয়েই গেল। দর্শকদের নিকট হতে প্রশ্নের ব্যাবস্থা থাকলে সেমিনারটি আরো interactive হতো। বক্তারা নিজেরাও সব বিষয়ে একমত নন বলে মনে হলো।

    অবশ্য সেমিনারটি ইসলাম বিষয়ক আর দশটা সেমিনারের মতই গতানুগতিক হয়েছে। সেমিনাতে বক্তাদের মূল কথা হলো যে ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে ইসলামকে মানবজাতির সামনে ভয়াবহ একটি উগ্র ও মানবতাবিরোধী ধর্ম হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে বর্তমানে যা প্রতিরোধ করতে হবে। আসল ইসলাম এবং কোরানের সাথে এসব মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের কোন সম্পর্ক নেই।

    কিন্তু এরপরও প্রশ্ন থেকে যায় ক্ষমতার জোরে কিছু সংখ্যক উগ্রপন্থী মুসলমান জোরজ়বস্থী করে আল্লার আইন প্রতিষ্ঠা রতে গেলে তাদের ঠেকাবে কে? এত মত, দ্বিমত, স্ববীরোধীতার রাজত্বে সাধারণ মানুষই বা কোনটা গ্রহন করবে?

    • Truthseeker সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 9:28 অপরাহ্ন - Reply

      @তৃতীয় নয়ন,

      Thanks for sharing your experience.

      If Mr. Hasan Mahmood or, someone else can post the video of the seminar/discussion in the mukto-mona website and in youtube.com website then more people will get a chance to watch the video of the discussion/seminar. Thanks.

    • বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 10:09 অপরাহ্ন - Reply

      @তৃতীয় নয়ন, কিছু সত্যকে অস্বীকার করলে সংস্কার আন্দোলন ফলপ্রসূ হবে না। যেমন সুফী ইসলাম খুবই মানবিকতাবাদি, কিন্ত অধুনা অধিকাশ মৌলবাদি মুসলিমরা, সুফীদের মানে না-গালাগাল দিয়ে থাকে ( জাকির নায়েক যেমন)–
      স্পেডটা কোন এক সময়ে স্পেড বলতেই হবে। সুফী ইসলামকে স্ট্যান্ডার্ড ইসলাম বলে মানলেই ৯৯% ল্যাঠা চুকে যায়। কিন্ত তাতে ত ধর্ম ব্যাবসায়ী কাম রাজনৈতিক গোষ্ঠির পেট ভরবে না।

  2. Truthseeker সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 7:43 অপরাহ্ন - Reply
  3. Akash Malik সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 10:17 পূর্বাহ্ন - Reply

    নারে নারে হবেনা তোর স্বর্গ সাধন—-

    কোরান মা’নেই তো ছয় বছরের শিশুকে (আয়েশা) ধর্ষণ, পুত্রবধুর (জয়নব) সাথে সঙ্গম। শরিয়ত মা’নেই তো বহু বিবাহ, হিলা বিবাহ, পাথর মারা, হাত কাটা, মাথা কাটা, রগ কাটা, সিনেমায় বোমা, মাজারে বোমা, যাত্রায় বোমা, আদালতে বোমা, মাঠে বোমা, ঘাটে বোমা, পেটে বোমা। ইসলাম মা’নেই তো বদর যুদ্ধ, অহুদ যুদ্ধ, খায়বার যুদ্ধ, মুতা যুদ্ধ, জামাল যুদ্ধ, সিফফীন যুদ্ধ, কারবালা, ৯ সেপ্টেম্বর, ১৭ আগস্ট, ২১ আগস্ট। বর্তমান বিন লাদেনই তো ১৪শো বছর পূর্বের মুহাম্মদের প্রেতাত্মা, বর্তমান শাইয়েখ আব্দুর রহমান, সাইদুর রহমান, মুফতি হান্নান, মৌলানা মান্নান, নিজামী, আমিনী, গো-আজম, সাঈদীই তো ১৪শো বছর পূর্বের আবু বকর, উমর, উসমান, আলী, মুয়াবীয়া, খালিদ, অলীদ, তালহা, জুবায়ের। ইসলাম সংস্কার করবেন? কোরানের ভালভাল কথা প্রচার করবেন, খারাপ কথা লুকিয়ে রাখবেন? কেন এমন করবেন দাদারা? খারিজিরা পারে নাই, মুতাজিলারা পারে নাই, আকবর সাহেবও (দিল্লীর সম্রাট) পারেন নাই। কি এমন দায় পড়েছে কেরোসিনের বোতল থেকে দুধ পান করার? মানবতা শিক্ষার বইয়ের কি আকাল পড়েছে এই দুনিয়ায়? কোরান জগতকে ১৪শো বছরে কয়জন বিজ্ঞানী উপহার দিলো আর পৃথিবীর কোন দেশটা কোরান থেকে উন্নতির শিক্ষা নিল? ইউরোপে কোরান হাদিস বিহীন সমাজে বেশ ভালই তো আছি। ইসলাম সংস্কার নয়, বর্জন করতে হবে, যদি আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে সদা পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে প্রতিযোগীতায় টিকিয়ে রাখতে চাই।

    • ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 11:03 অপরাহ্ন - Reply

      @Akash Malik,

      বহুত তো কঈয়া গেলেন । জা মন চায় ।
      এক কাজ করুন, সারা পৃথিবীর সব মসুলমানরে ধইরা , একটা বাক্সে ভইরা, গ্যাস দিয়া মাইরা ফেলান । তাইলেই তো সব খালাস ।

      তখন আবার কাইন্দেন না । যখন, একজন আরেক জনের কল্লা কাটবেন, কারন মসুলামান তো আর নাই বাট মাইরতো করতেই হইব । তাই গাঞ্জা টানবেন, মদ আর জুয়া খেলবেন , আর মানুষের কল্লার সুফ বানাই য়া খাবেন । পৃথিবী মহা সুখে থাকবো । এমন সুখ আর পৃথিবী জীবনে দেখে নাই ।

      • Truthseeker সেপ্টেম্বর 10, 2009 at 9:17 অপরাহ্ন - Reply

        @ফুয়াদ,

        Peace should prevail in the whole universe.
        Akash Malik did not mean to kill anyone. He just focused on the downside/limitations of various religions such as hinduism, islam etc. Sometimes people become more emotional in expressing their views. That happens. Thanks. Peace.

  4. অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 9:19 পূর্বাহ্ন - Reply

    আজকাল লাদেন চাচাদের দৌলতে এমন ধারনা খুব জনপ্রিয় যে মোসলমান বা ইসলাম মানেই সবচেয়ে ভয়াবহ ধর্ম, আর কোন ধর্মে এত অমানবিকতা নেই, নারীর প্রতি এমন খড়্গহস্ত আর কেউই নয়।

    খুবই ঠিক কথা। অনেকেই ভাবেন যতদোষ সব ইসলাম ঘোষের! ইসলাম মানেই সন্ত্রাস, মুসলিম মানেই মৌলবাদী ইত্যাদি। অথচ তারা যদি ধর্মগ্রন্থগুলো ঠিক মত পড়ে দেখতেন তা হলে বুঝতেন যে, কোরানের সে সব ‘সন্ত্রাসী’ আয়াতের চেয়েও ভয়ানক আয়াত আছে বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টে। আর হিন্দু ধর্ম? এর কথা বোধ হয় না বলাই ভাল। সতীদাহের নামে একসময় কত বিধবাকে যে পুড়িয়ে মারা হয়েছে তার ইয়ত্বা নেই। শুধুমাত্র ১৮১৫ সাল থেকে ১৮২৮ সালের মধ্যে সতীদাহের স্বীকার হয়েছে ৮১৩৫ জন নারী। কেউ যদি ভেবে থাকেন সতীদাহ খুব প্রাচীন ঘটনা এখন আর হয় না – তাদের আমি কিছুদিন আগেও ঘটে যাওয়া দুতী ঘটনা – ১৯৮৭ সালে রূপ কানোয়ারের ঘটনা আর ২০০২ সালের ৬ অগাস্ট ঘটে যাওয়া গুটটু বাইয়ের ঘটনাটি মনে করিয়ে দিতে চাই। হ্যা এগুলো সতীদাহেরই উদাহরণ। ওই সময়ের কয়েক বছরের হিসাব ধরলে ২৮ টা সতীদাহের ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। রূপের মৃত্যুর চার মাস আগেই একটা সতীদাহ আটকেছিল পুলিশ ২০, ০০০ দর্শককে ছত্রভঙ্গ করে। ১৯৫৪ সালের পর থেকে ঝুনঝুনুর পুরোন সতী মন্দির সংস্কার করে বড় করা হয়েছে এবং এখানে প্রতিবছর বিশাল আকারে বার্ষিক সতীমেলা অনুষ্ঠিত হয়। শুধু তাই নয়, ‘রানী সতী সর্বসংঘ’ পত্তন করা হয়েছে একটার পর একটা পুরোন সতীমন্দির খুঁজে বার করে চালু করার জন্য। এগুলো সাম্প্রতিক ভারতেরই ঘটনা।

    অনেকেই মুহম্মদকে ‘পার্ভাট’ হিসেবে প্রতিপন্ন করে বিমলানন্দ ভোগ করেন। প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সে মুহম্মদের ৬ বছর বয়সী নাবালিকার সাথে পাণিগ্রহনের ঘটনা শুনে পার্ভার্ট মনে হবারই কথা। কিন্তু তারা যদি হিন্দু ধর্মের ‘মহত্ত্ব’সম্বন্ধে একটু আধটু জানতেন তাহলে বিচলিত না, রীতিমত অজ্ঞান হয়ে যেতেন। মুহম্মদের তার পুত্র বধু জয়নবের সাথে সম্পর্ককে যদি অনৈতিক ধরা হয়, তবে ব্রক্ষ্মার নিজ মেয়ে শতরূপার সাথে মিলনকে কিভাবে নেয়া যায়? মৎসপুরানে লেখা আছে ব্রক্ষ্মা নাকি একদিন তার নিজের মেয়ে শতরূপাকে দেখে আর নিজেকে সামলাতে পারেন নি। হিন্দুদের আদি মানব মনুর জন্ম হয় ব্রহ্মা আর শতরূপার মিলন থেকেই। শুধু ব্রক্ষ্মা ই নয়, নিজ মেয়ের সাথে মিলনের কান্ড ঘটিয়েছে দেবতা প্রজাপতিও। উষা ছিলেন প্রজাপতি কন্যা। প্রজাপতি উষার রূপে কামাসক্ত হন, এবং মিলিত হতে চান। তখন উষা মৃগীরূপ ধারণ করেন। প্রজাপতি মৃগরূপ ধারণ করে তার সাথে মিলিত হন (মৈত্রায়ন সংহিতা ৪/২/২২)।

    হিন্দুরা ভগবান ডেকে যাকে পুজো করেন – সেই ভগবান ব্যাপারটাই অশ্লীল। ‘ভগবান’ বলতে ঈশ্বরকে বোঝানো হলেও এটি আসলে হচ্ছে দেবরাজ ইন্দ্রের একটি কুখ্যাত উপাধি। তিনি তার গুরুপত্নী অহল্যার সতীত্ব নষ্ট করায় গুরুর অভিশাপে তার সর্বাঙ্গে একহাজার ‘ভগ’ (স্ত্রী যোনি) উৎপন্ন হয় এবং তাতে ইন্দ্রের নাম ‘ভগবান’ (ভগযুক্ত) হয়। ‘ভগবান শব্দটি তাই ইন্দ্রের ব্যভিচারের একটি স্মারকলিপি, নিন্দনীয় বিশেষণ।

    হিন্দু ধর্মের শ্রদ্ধেয় চরিত্রগুলো – ইন্দ্র থেকে কৃষ্ণ পর্যন্ত প্রত্যেকেই ছিলেন ব্যভিচারী। জলন্ধরের স্ত্রী বৃন্দা ও শঙ্খচূড়ের স্ত্রী তুলসীকে প্রতারিত করে বিষ্ণু তাদের সাথে মিলিত হয়ছেন। সপ্তর্ষির সাত স্ত্রীকে দেখে অগ্নি একসময় কামার্ত হয়ে পড়েন। আসলে ওই বিকৃত কল্পনাগুলো করেছিল বৈদিক যুগের পুরুষেরা। তারা নিজেরা ছিল কামাসক্ত, বহুপত্নিক এবং অজাচারী; তাই তাদের কল্পনায় তৈরী দেব-দেবীগুলোও ছিল তাদের মতই চরিত্রের। এজন্যই সমস্ত হিন্দু ধর্মের বই পুস্তক গুলোতে শুধু অযাচিত কাম আর মৈথুনের ছড়াছড়ি। পান থেকে চুন খসলে সে সময়কার মুনি ঋষিরা রাগে কাঁপতে কাঁপতে শাপ দিতেন। বিয়ে করতেন। তারপরও রাজাদের আমন্ত্রণে হাজির হতেন রানিদের গর্ভে সন্তান উৎপাদন করতে। সুন্দরী অপ্সরা আর বারবনিতা দেখলে এতই উত্তেজিত হয়ে যেতেন যে রেতঃপাত হয়ে যেতো। আর সেখান থেকেই নাকি সন্তান জন্মাতো (উদাহরণ – অগস্ত, বশিষ্ট, দ্রোন… ) ।

    মুহম্মদের ২০/২২ জন স্ত্রী নিয়ে মুসলিমবিদ্বেষীরা নরকগুলজার করেন, কিন্তু তারা কি জানেন, পদ্মপুরান অনুসারে (৫/৩১/১৪) শ্রীকৃষ্ণের স্ত্রীর সংখ্যা ষোল হাজার একশ? এদের সকলেই যে গোপবালা ছিলেন তা নয়, নানা দেশ থেকে সুন্দরীদের সংগ্রহ করে তার ‘হারেমে’ পুরেছিলেন কৃষ্ণ।

    অশ্বমেধ যজ্ঞের কথা কিছু বলা যাক। বাজসনেয়ী সংহিতার ২২-২৩ অধ্যায় থেকে জানতে পারা যায়, অশ্বমেধ যজ্ঞে প্রধান জাদু পুরোহিত প্রধান রাণীর সঙ্গে প্রকাশ্যে যজ্ঞক্ষেত্রের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে মিলনে মেতে উঠতেন। অন্যান্য রানি পুরোহিতরা যৌন-মিলনের নানা উত্তেজক দৃশ্যের বর্ণনা দিতে থাকতেন উচ্চস্বরে। সব মিলিয়ে (অশ্বমেধ যজ্ঞের) পরিবেশটা হল জীবন্ত খিস্তি-খেউড় সহযোগে তা রিলে করে যজ্ঞে হাজির নারী-পুরুষের মধ্যে যৌন-উত্তেজনা ছড়িয়ে দেওয়া। পরবর্তী যুগে অশ্বমেধ যজ্ঞে পুরোহিতের জায়গা নেয় যজ্ঞের অশ্বটি। যজ্ঞে নাকি প্রধানা রানি অশ্বের লিঙ্গটি নিয়ে নিজের যোনির সাথে স্পর্শ করাতেন। চমৎকার সব ব্যাপার স্যাপার না?

    সে সময় রাজা থেকে সাধারণ মানুষ, দেবতা থেকে ঋষি – সবাই বেদের যুগে যৌন উচ্ছৃংখলতায় মত্ত ছিল। বৈদিক সাহিত্য এ কথাই বলে। বিশিষ্ট প্রত্নতত্ত্ববিদ ও নৃতত্ত্ববিদ ডঃ অতুল সুরের কথায় – ‘মৈথুন ধর্মটাই সেকালের সনাতন ধর্ম ছিল’ (দেবলোকের যৌনজীবন, পৃঃ ৬২)। আর সেজন্যই সাহিত্যে দেখি ৩৩ কোটি দেবতার জন্য ৬০ কোটি বারবনিতা (অপ্সরা) নিয়ে ছিল স্বর্গের সাজানো সংসার। দেবতাদের সন্তুষ্ট করার জন্য উর্বসী, মেনকা, রম্ভা, তিলোত্তমা, সুপ্রিয়ার মত ৬০ কোটি কাম-কলা পটিয়সী বারবনিতা ছিল। তারপরও ওই সব কামুক দেবতারা পরস্ত্রী দেখলেই অজাচারি ও ধর্ষক হয়ে পড়তেন। যেমনি হয়েছেন চন্দ্র। সাতশ টি বৌ আর ৬০ কোটি অপ্সরা নামের বারবনিতার দখল নেয়া সত্ত্বেও দেবগুরু তারার রূপে এমনই কামার্ত হয়ে পড়েন যে তাকে অপহরণ করেন। মহর্ষি উপথ্যের স্ত্রী ভদ্রাকে দেখে জলের দেবতা বরুণ কামনাপীড়িত হন, এবং অপহরণ করেন। এই সমস্ত অনৈতিক ব্যাপার-স্যাপার গুলোই ঐতিহ্যের নামে কালচারের নামে নানা রঙে, নানা ঢঙ্গে হিন্দু ধর্মের ঔদার্যের পায়েশ হিসেবে জনগণকে ইদানিং খাওয়ানো হচ্ছে। আর বলা হচ্ছে হিন্দু ধর্মের উদারতার কোন শেষ নেই।

    আসলেই তাই। হিন্দু ধর্মের উদারতা এতটাই বেশি যে, সেক্সের নামে ধর্ষনও জায়েজ। কোন নারী যৌনমিলন প্রত্যাখান করলে বৃহদারন্যক উপনিষদ ( বৃহ, ৬,৪,৬,৭) বলছে তাকে জোর করে বাধ্য করা উচিৎ। কেমন মনে হচ্ছে হিন্দু ধর্মকে?

    বছর দুয়েক আগে একটি বাস্তব ভিত্তিক হিন্দী সিনেমা দেখেছিলাম, মায়া। এতে মুল কাহিনী হল একটি ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্মীয় রিচুয়াল অনুযায়ী মন্দিরে পুরুতদের দিয়ে শুদ্ধ করা হয়। যা আসলে শিশু ধর্ষন ছাড়া কিছুই নয়।

    মায়া? আমি দেখেছিলাম দীপা মেহতার ওয়াটার

    [img]http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/3/3b/2365-2.jpg[/img]

    প্রায় একই রকম কাহিনী। ২০০৫ সালে একাডেমী এওয়ার্ড নমিনেটেড হয়েছিলো। হিন্দু ধর্মকে যারা খুব প্রগতিশীল, উদার এবং মানবিক ভাবেন, তাদের এ ছবি গুলো বারে বারে দেখা উচিৎ।

    • বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 11:47 পূর্বাহ্ন - Reply

      @অভিজিৎ,
      আমি আরেকটা ব্যাপার জুরতে চাই। ধর্মে যৌনতা বা অশ্লীলতা থাকলেই, যে সেটা নিয়ে সমস্যা হয় তা না। নবদ্বীপের পন্ডিত দের দেখেছি ইন্দ্রের কামুকতা নয়ে হাসি ঠাট্টা করতে। হিন্দু ধার্মিকদের কাছে ট্রাডিশনালী অশ্লীলতা এবং যৌনতাটা ধর্মের অঙ্গই ছিল। বাংলায় নানান কবিয়ালদের গানে তা খুব ভাল ভাবে বোঝা যায়। ভারতচন্দ্রের কবিতাতেও অশ্লীলতা আছে দেব দেবীদের নিয়ে।

      ইসলামের ক্ষেত্রে যেটা সমস্যা-ধর্মটা আরবের এবং সেখানেও যৌনতা ও অশ্লীলতার ছড়াছড়ি। হজরত মহম্মদ নারী এবং সেক্স পছন্দ করতেন এবং এই নিয়ে তার কোন হিপোক্রাসি ছিল না। কিন্ত হিন্দুরা ধর্মে যৌনতা বা অশ্লীলতাটা যতটা সহযে মেনে নিয়েছে, মুসলিমরা সেটা মেনে নিতে পারে নি। আমি জানি না কেন!

      তবে হ্যা-ভারতের হিন্দুত্ববাদিরাও আস্তে আস্তে মুসলমানদের মতন হয়ে যাচ্ছে। নইলে কেও নগ্ন স্বরস্বতীর চিত্র নিয়ে আন্দোলন করে। দেবী স্বরস্বতী বেশ্যাদের দেবী ছিলেন-পুরান অনুযায়ী তিনি গানে ও বিদ্যায় নিপুনা নারায়নের রক্ষিতা-পুরুষের মনোরঞ্জনই তার কাজ। নগ্ন স্বরস্বতী আঁকা মোস্ট এপ্রোপিয়েট।

      • ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 10:46 অপরাহ্ন - Reply

        @বিপ্লব পাল,

        দেবী স্বরস্বতী বেশ্যাদের দেবী ছিলেন-পুরান অনুযায়ী তিনি গানে ও বিদ্যায় নিপুনা নারায়নের রক্ষিতা-পুরুষের মনোরঞ্জনই তার কাজ। নগ্ন স্বরস্বতী আঁকা মোস্ট এপ্রোপিয়েট

        আপনি কি মকবুল ফিদা হোসাইনের কথা বলতেছেন । সে একটা ফালতু ইরেস্পন্সিবল মানুষ । সে নিজে মসুলমান হয়ে বা মসুলমানের বংশ হয়ে, হিন্দু ধরমের দেবতা আকতে যায় কেন ? কোন সাহসে । হিন্দু মুসলিম মাইর লাগানোর ইছছা মনে হয় । মসুলমানরা এমনিতেই সংখ্যা লঘু, তার পর মরার উপর খরার ঘা । এসব ৩ড ক্লাস মসুলমান রা, জঘন্য ।

        • Truthseeker সেপ্টেম্বর 10, 2009 at 9:27 পূর্বাহ্ন - Reply

          @ফুয়াদ,

          Boss, ideally M F Hussain or, any artist should have the right to publish his/her work, Salman Rushdie should have his right to publish, Taslima Nasrin also should have the right to publish, or any writer/artist should have the right to publish the art work.

          In case of M F Hussain, he has drawn naked pictures of Goddess. But, he has drawn paintings of his wife/or daughter, mother Teresa, Mohamad’s wife/or daughter. All non-hindu characters of his paintings are wearing decent clothes. Some people feel that M F Hussain is not fair and that is what angered these people. If M F Ussain had drawn nude pictures/paintings for both hindu and non-hindu characters, then common people would have believed M F Hussain.

          Today’s india has many many problems. So many poor people. So many languages, culture, ethnicity etc etc. In india most powerful person Sonia Gandhi is not hindu. Prime minister is not hindu. Vice president is not hindu. Defense minister is not hindu. Three most popular actor Shahrukh, Salman, Amir are not hindu. Many other ministers are not hindu. Though Salman does puja at his home. Shahrukh teaches gayatri mantra to his kids. His wife does puja at home. Many billionaires in india are not hindu. In general people are tolerant. But, on M F Hussain issue many educated indian people (who do not go to street to protest) feel that M F Hussain always draws islamic characters in decent clothes and hindu characters naked. They feel it, but they do not say anything openly. They do not care much. How many people go to see paintings, in reality people are busy for bread and butter.

          I have to leave. Thanks.

    • আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 6:20 অপরাহ্ন - Reply

      @অভিজিৎ,

      খুব ভাল পয়েন্ট। আমিও হিন্দু পুরানের এসব পুরানা কেচ্ছা কাহিনী অনেক আগে কিছু পড়েছিলাম, আমার কাছে মনে হয়েছিল যে কোন ধর্মগ্রন্থ নয়, নিলখেতে পাওয়া রসময় গুপ্তের রগরগে চটি বই ও মনে হয় এর কাছে হার মানবে। যদিও অত পাত্তা দেইনি কারন আমার মনে একটা ধারনা ছিল যে আধুনিক ভারতে এসব নেহায়েতই ইতিহাসের অংশ। হয়ত ৮/০ বছর পর পর এক একটা রুপকানওয়ারের ঘটনা ঘটে এই যা।

      তাই মায়া সিনেমাটা, বিশেষ করে এখনো প্রতি বছর ক্ত হাজার বাচ্চা মেয়েকে ধর্মের নামে এই পাশবিকতার শিকার হতে হয় দেখে রীতিমত আতকে উঠেছিলাম। আধুনিক, আইটি লীডার ভারতের যে আরেক চেহারা আছে তা কতজনে জানে?

      ইসলামী মৌলবাদ আজ এপিসেন্টার বলে এসব হালকা করে দেখার কিছু নেই। মৌলবাদের চেহারা যুগে যুগে পাল্টায়। ইসলামী মৌলবাদীদের যায়গায় অন্য মৌলবাদীরা যায়গা দখল করলে তার চেহারা আরো খারাপ ছাড়া ভাল কিছুতেই হবে না। আজ বিশেষ করে যারা পাশ্চাত্য দেশে থাকেন তাদের কাছে হিন্দু মৌলবাদের আবির্ভাবের সম্ভাবনা আজ মনে হতে পারে আকাশ কুসুম, তবে অত নিশ্চিন্তে থাকা মনে হয় ঠিক না। ৫০ বছর আগেও ইসলামী মৌলবাদের কথা পাশ্চাত্যে কেউ চিন্তা করেনি। রফিক এ সম্পর্কে বেশ ভাল কথা বলেছেন যে যার যার দায়িত্ব আগে নিজের জঞ্জাল পরিষ্কার করা, তারপর অন্যের সমালোচনায় নামা।

      বিপ্লব,

      ধর্মে যদি নিজ ভগবান, দেব দেবীদের অযাচিত অশ্লীল যৌনাচারের ঢালাও কাহিনী থাকে তবে তার প্রভাব কি তার ফলোয়ারদের উপর পড়ে না? এইসব দেবদাসিনী, ব্রাক্ষ্মনদের শত শত বালিকা বিবাহ অইসব গুরুদেরই শিক্ষা। হযরত মোহাম্মদ ১২ বা ২০ বিয়ে করেছিলেন, বালিকা বিবাহ, কোথাও কোথাও যুদ্ধবন্দীনির সাথেও সেক্স করেছিলেন বলে পাওয়া যায়, তাই বলে কি তার যৌন জীবন হিন্দু ধর্মের দেব দেবীদের সাথে তুলনীয় বলা যায়? বলা যেতে পারে যে হিন্দু সেসব পুরান মোহাম্মদেরও হাজার হাজার বছর আগের, তাই মোহাম্মদের সেক্স লাইফ যেমন তার যুগের মতই ছিল হিন্দু ধর্মের সেসব অবাধ যৌনাচারও তেমনি যুগের মতই ছিল। কিন্তু হিন্দু ধর্মের পান্ডারা অযাচিত যৌনাচার মোহাম্মদের মৃত্যুর ও বহু বছর পর পর্যন্ত চালিয়ে গেছে।

      তবে ভারতীয়দের প্রসংশা তার পরেও করতে হয় যে সেই ভারতেরই লোক মায়া বা ওয়াটার জাতীয় ছবি করতে পারে। যেমন ছবি আমরা মনে হয় না আগামী ১০০ বছরেও পারব। ভারতের গর্ব হতে পারে এখানেই, উন্নত ধর্মের নয়।

      আকাশ মালিকের কথা থেকে, “কোরানের ভালভাল কথা প্রচার করবেন, খারাপ কথা লুকিয়ে রাখবেন? কেন এমন করবেন দাদারা?”

      হিন্দু ধর্মের সংস্কারকরা আসলে এভাবেই বর্তমান সংস্কার ঘটিয়েছেন। মোসলমানরাও যতদিন এই ট্যাকটিক্স ফলো করতে না পারেন ততদিনই হুমকির মুখে থাকবে।

      • বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 6:43 অপরাহ্ন - Reply

        @আদিল মাহমুদ, ব্যাপারট এখানেই যে হিন্দুরা এগুলোর বিরুদ্ধে সিনেমা বা লেখার সাহস পায় [ অবশ্য হিন্দু মৌলবাদ যেভাবে বাড়ছে, কদিন এমন চলবে জানি না]। সেটার কারন, সেই যৌনাচার যে অস্বাভাবিক-এটাই তারা ভাবতে পারে নি। হিন্দু ধর্মের যৌনাচারের মুলে পুরানগুলি অবশ্যই আছে।

        কিন্ত তবুও একটা বিরাট ব্যাপার হচ্ছে রাষ্ট্র কিন্ত এর বিরুদ্ধে। হিন্দু ধর্মের বাজে প্রায় সমস্ত জিনিসের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্রীয় আইন আছে। যে অপরাধ গুলো হচ্ছে সেগুলো অপরাধই-রাষ্ট্র তাতে মদত দেয় নি। রূপ কানোয়ারকে সতী বানাণোর জন্যে ১৯ জনের জেল হয়েছে।

        ইসলামে এক মাত্র তুরস্কে এটা আছে। তারা ইসলামের বাজে ব্যাপার গুলো আইন দিয়ে আটকেছে। তাই তুরস্ক মুসলমি সভ্যতায় একমাত্র উন্নত দেশ।

        • আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 8:20 অপরাহ্ন - Reply

          @বিপ্লব পাল,

          অত্যন্ত সত্য কথা, ভারতে রাষ্ট্রীয় আইন আছে প্রাচীন ধর্মীয় অমানবিক কালাকানুনের বিপক্ষে, সেখানে মোসলমান দেশগুলিতে উলটা আইন আছে কিভাবে অমানবিক কালাকানুন জিইয়ে রাখা যায় সেদিকে। এই সেদিন সুদানে এক মহিলাকে প্যান্ট পরার মত মহা অপরাধে জেলে যেতে হল। এই শতাব্দীতে দাড়িয়ে আমাদের তাও দেখতে হয়। আর অসংখ্য ইসলাম প্রেমিক আছেন যারা ধর্মের সামান্য সমালোচনা হলেই রে রে করে তেড়ে আসেন, ধর্মে বিজ্ঞান, অলৌকিক সংখ্যাত্তত্ব খুজে পান তারা এসব বিষয় নিয়ে টু শব্দ করেন না। সরাসরি জিজ্ঞাসা করা হলে উলটা চ্যালনেঞ্জ করে বসেন এসব কোন ইসলামে আছে তা দেখাতে।

          বুদ্ধিজীবিরা? আমাদের প্রগতিশীল লেখক হুয়াময়ুন আহমেদ হুমায়ুন আজাদের উপর রক্তাক্ত হামলায় বাংলাদেশে লেখকদের স্বাধীনতার কোন সমস্যা দেখেন না, কারন তার মতে হুমায়ুন আজাদ অত্যন্ত নোংরা একটি বই লিখেছিলেন তাই তা তার প্রাপ্য। অল্প দুয়েকজন আছেন কিছু হয়ত মন থেকে লিখেন খুব সীমিত আকারে যাদের আসলে সমাজ পরিবর্তনের কোন ক্ষমতা নেই।

          তবে আমি যতদুর জানি বিজেপি সরকার ৯০এর দশকে ভারতের পাঠ্যপুশ্তকে যথেষ্ট কাটা ছেড়া করেছে, পুরানা সেসব আবর্জনা ফিরিয়ে আনার প্রয়াস হয়ত।

          তুরষ্ককে অধিকাংশ মোসলমানই হেয় চোখে দেখে তাদের পাশচাত্য ধ্যান ধারনার মিশেলের জন্য।

  5. বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 2:51 পূর্বাহ্ন - Reply

    ইসলামকে সেকুলাইজড করতে হাসান মাহমুদ এবং আবুল কাশেম-এই দুই প্রকৃতির লোকেদেরই দরকার আছে। দুই ধরনের আপ্রোচেরই দরকার আছে। হিন্দুধর্মে ত এই ভাবেই কিছুটা আলো এসেছে-অন্ধকার এখনো যদিও প্রচুর। তবুও ধর্মের জন্যে মারদাঙ্গা বা মাথার দাম দেওয়া কিছুটা কম০যদিও মুসলমানদের দেখে হিন্দু মৌলবাদিরাও মুসলমান হওয়ার আপ্রান চেষ্টা করছে।

    • আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 4:37 পূর্বাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব পাল,

      “হিন্দুধর্মে ত এই ভাবেই কিছুটা আলো এসেছে-অন্ধকার এখনো যদিও প্রচুর। ”

      আজকাল লাদেন চাচাদের দৌলতে এমন ধারনা খুব জনপ্রিয় যে মোসলমান বা ইসলাম মানেই সবচেয়ে ভয়াবহ ধর্ম, আর কোন ধর্মে এত অমানবিকতা নেই, নারীর প্রতি এমন খড়্গহস্ত আর কেউই নয়। বর্তমান বিশ্বে মনে হয় দুটি বিষয়ে লেখা সবচেয়ে সহজ, যেকোন বয়সের যেকোন মেধার লোকে বেশ কয়েকছত্র লিখে যেতে পারে, একটি হল ইসলামী মৌলবাদ, আরেকটি বুশের সাম্রাজ্যবাদ।

      হিন্দুধর্ম তূলনামূলকভাবে অনেক অনেক শোধিত হয়েছে, কোন সন্দেহ নেই। ২০০ বছর আগের কোন হিন্দু মনে হয় আজকের ভারতে তার জানা হিন্দুত্ব খুজে পাবে না। তারপরও হিন্দু ধর্মে এমন কিছু অমানবিক নোংরা ব্যাপার আছে যা অবিশ্বাস্য।

      বছর দুয়েক আগে একটি বাস্তব ভিত্তিক হিন্দী সিনেমা দেখেছিলাম, মায়া। এতে মুল কাহিনী হল একটি ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্মীয় রিচুয়াল অনুযায়ী মন্দিরে পুরুতদের দিয়ে শুদ্ধ করা হয়। যা আসলে শিশু ধর্ষন ছাড়া কিছুই নয়। বিস্ময়ের ব্যাপার হল গোটা ব্যাপারটা ঘটে পরিবারের সক্রিয় সহায়তায়। এমন না যে গন্ডগ্রামের দরিদ্র বা অজ্ঞাতকুলশীল ঘরেই কেবল এগুলি ঘটে। এ ব্যাপারটার পোষাকী নাম দেবদাসীনি বা যোগিনী।

      সিনেমার শেষে আছে যে যদিও ৮৮ সালে ভারত সরকার আইন করে এটা নিষিদ্ধ করেছে তারপরেও প্রতি বছর যেন কত হাজার বাচ্চা মেয়েকে এভাবে পরিবারের সহায়তায় ধর্ষন করা হয়।

      কেউ আগ্রহী হলে সিনেমাটা দেখতে পারেন।

      http://www.amazon.com/Maya-Anant-Nag/dp/B0006HBZU6

      আমার কাছে বেশ বিস্ময়কর লাগে যে এই বিষয়ের উপর নেটে খোজাখুজি করলে তেমন কিছু পাওয়া যাবে না।

      • Truthseeker সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 6:09 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আদিল মাহমুদ,

        Thanks for sharing the movie name “Maya”.

        I looked for this movie in youtube. could not find. So, I have to spend money to watch this movie!

        Then I looked for the song of the movie maya in the following website.
        http://www.musicindiaonline.com/music/hindi_bollywood/i/

        They have given alphabetical list of hundreds of movies, but not Maya.

        In india, I stayed mostly in west bengal. Few years in north india.

        During my stay in north india and in usa, I tried to interact with people from various parts of india.

        I have more idea about west bengal. I do not have thorough information about all other states.

        In west bengal people in general are less concerned about caste etc. There are baseless superstition among people. Many people know its superstition still they do stuff. Not all the people but some people. Young people are more liberal and rationale. Job market is so competitive, they are concerned about their career. About, religious stuff, during pujas it is more of festival, fun, food, drinking etc. More liquor is sold during puja. Young guys and girls are busy doing feast/cooking chicken, mutton, drinking liquor (mainly during Diwali, Kali puja, to some extent durga puja). Guys and girls hanging out together etc.

        In places other than bengal.
        Social caste system is prevalent more in rural areas of north india, and south india also. But it has decreased a lot and decreasing among young people. Because, for education, jobs, business etc people are moving all over the country and they are mixing/mingling with each other, going out, dating, marrying etc.

        Wahahabi radical islam increased and then this so called hindu awakening, the radical hinduism increased.

        I have to leave.

        Bye…

        • আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 9:04 অপরাহ্ন - Reply

          @Truthseeker,

          আমি জানি পশ্চীম বংগে এ জাতীয় কার্যকলাপ হয় না বলে। যতদুর জানতে পেরেছি এই দেবদাসীনি কালচার অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিন ভারতে মনে হয় বেশী চলে। আগেই বলেছি যে এ বিষয়ে খুব বেশী কিছু গবেষনা করার মত কিছু পাওয়া যায় না, হয়ত বড় কারন এই যে ইসলামের সাথে সম্পর্কযুক্ত না হওয়ায় মনে হয় তেমন কেউ এসবে উতসাহ পান না।

          আমার যতদুর মনে হয় দক্ষিন ভারতে আদি হিন্দু ধর্মের প্রভাব বেশী আছে, হতে পারে মোসলমান শাসকরা দক্ষিনে বেশী হাত বাড়াতে পারেনি। উত্তর ভারতে মনে হয় রাজস্থানে হিন্দু প্রভাব বেশী।

      • বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 8:24 পূর্বাহ্ন - Reply

        @আদিল মাহমুদ,
        হিন্দু ধর্ম একটি ধর্মের মিউজিয়াম। এটিত কোন প্রতিষ্টিত ধর্ম না। প্রায় হাজার হ
        হাজার নানান ধর্মের সমস্টি-যাকে হিন্দু বলে রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলে বৃটিশ আমল থেকে। বাংলায় কি হিন্দু ধর্ম ছিল? লক্ষন সেনের আগে কিছুই ছিল না-ছিল মহাজানি বৌদ্ধরা।

        হিন্দু ধর্মে সব পাবেন। পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম কাস্টম থেকে সব থেকে জটিল দার্শনিক তত্ত্ব। এর দার্শনিক আর্কাইভ ও যেমন বিশাল ও সুগভীর-ঠিক তেমনই নোংরা এর অনেক কাস্টম। এবং অমানবিক ও মানবিক সব কিছুই আছে।

        কিন্ত ধর্ম সেটাই যেটা লোকে পালন করে। বৃটেনে বা আমেরিকাতে হিন্দুরা এখন সব থেকে ধনী জাত, পড়াশোনাতে এগিয়ে-ফলে আমেরিকানরা তাদেরকে নিয়ে এই সব ভাবে না। অন্যদিকে মুসলিমরা বৃটেনে অত্যন্ত পিছিয়ে। আমেরিকাতে অবশ্য তারা এগিয়ে, কিন্ত সেখানেও মিডল -ইস্টে ধর্মান্ধতার জন্যে তাদের দায়ী করা হয়।

        আসলে লোকের যা চোখে পড়ে, তাই দিয়ে তারা জাজ করে। এটাই বাস্তব

    • ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 11:46 অপরাহ্ন - Reply

      @বিপ্লব পাল,

      ইসলামকে সেকুলাইজড করতে হাসান মাহমুদ এবং আবুল কাশেম-এই দুই প্রকৃতির লোকেদেরই দরকার আছে। দুই ধরনের আপ্রোচেরই দরকার আছে

      আমাদের কিন্তু হাদিসে বলা আছে কোন সময় কি করতে হবে । ইসলাম ধংশের জন্য হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছে, তা আগে বুঝি নাই । হাতে হাতে প্রমান পাওয়া যায়। দাজ্জাল দের আসার সময় হয়েছে, মনে হয় ।

      • বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 10, 2009 at 7:25 পূর্বাহ্ন - Reply

        @ফুয়াদ, 150 কোটি মুসলমান ১৫০ কোটি ইসলাম অনুসরন করে। ঠিক কোন ইসলামের কথা আপনি বলছেন? বাঙাল ইসলাম আর ইরানের ইসলাম আর আরবের ইসলাম এক? যেসব ইসলাম অমানবিক তা ধ্বংশ হলে, ভাল ইসলাম রয়ে যাবে। সেটাই ত মুসলমান হিসাবে আপনার কাম্য হওয়া উচিত। হিন্দু ধর্মের বাজে দিক গুলো যেমন আস্তে আস্তে একই ভাবে ধ্বংশ হয়েছে বা হবে।

        ধর্ম যদি যুগে সাথে তাল না মেলায়, সেই ধর্ম ধ্বংশ হতে বাধ্য। ইসলাম যদি যুগের সাথে পা না ফেলে, মুসলিমদের কপালে আরো অনেক বেশী দুঃখ আছে।

  6. রফিক সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 12:33 পূর্বাহ্ন - Reply

    ট্রুথ সিকার আর তৃতীয় নয়নের সাথে আমি এখানে অনেক বিষয়েই একমত। কোরান থেকে শুধু ভাল ভাল কথাগুলো উদ্ধৃত করলে খারাপ আয়াতগুলোর কথাও এসে যাবে পাশাপাশি। মৌলবাদীরা তো সেগুলোকেই অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে। প্রশ্ন হচ্ছে, কোরানের ভাল ইন্টারপ্রিটেশন এই মুহূর্তে আমাদের জন্য দরকার, নাকি ধর্মগ্রন্থগুলার অসারতা বেশি করে বুঝা দরকার? হাসান মাহমুদ হয়ত প্রথমটা চাইবেন – কারণ তিনি ভাবছেন খারাপ আয়াত গুলোর ভাল ভাল ব্যাখ্যা দিয়ে মৌলবাদীদের থামানো যাইতে পারে। যেমন, হাসান মাহমুদ তার কে মুরতাদ প্রবন্ধে দেখানোর চেষ্টা করেছেন যে, কাউরে মুরতাদ বলে ঘোষণা করে হত্যা করা কোরান বিরোধী। এখন ইস্লামী আলিম-জালিমরা যদি সেইটা বুঝতো তাইলে ফাতিমা রিফকা বেরির এই অবস্থা হইতো না।

  7. তৃতীয় নয়ন সেপ্টেম্বর 8, 2009 at 12:28 পূর্বাহ্ন - Reply

    @Hasan Mahmud

    How will we look at Islam from the window of human rights whereas there are already many verses in Quran which violates human rights? Moreoever, why these cases like that victim girl are occuring frequently in the muslim world if Islam can be seen from the window of human rigths?

    If Islam ensures human rights, why muslims fail to realise that in cases like that girl?

    • Truthseeker সেপ্টেম্বর 8, 2009 at 3:49 পূর্বাহ্ন - Reply

      @তৃতীয় নয়ন, and All,

      @তৃতীয় নয়ন, Thank you for thoughts, and the post. I also get confused by the verses of Quran.

      If practicing or, non-practicing liberal progressive muslims now can come out with some solution.

      If liberal progressive islamic groups can come in support of this girl. In reality that is what we urgently need.

      I saw the islamic group in web wants to reform islam.

      http://reformislam.org/

      Again, confused I am!

      God or, No-God save the world!!

      • তৃতীয় নয়ন সেপ্টেম্বর 8, 2009 at 8:30 অপরাহ্ন - Reply

        @Truthseeker,

        I’m also confused after opening that link! I’m pretty sure majority of the muslims will now call that reformist muslims as “Kafer”. No doubt those reformists’ menifestos are very much suitable and necessary for the current age. In fact their ambition and courage is admirable. But the question is how much the “liberal/moderate muslims” will accept them. Moreover, the extremist muslims won’t remain silent when they will see some muslims have called for reformation of Islam. This has happened many times in our country. Once islamic group is calling other islamic group as “Kafir” when one’s principle contradicts with other’s.

        This kind of weblinks and sites should be more available to the common muslims. So that they can realise the fact.

  8. Hasan Mahmud সেপ্টেম্বর 7, 2009 at 1:01 অপরাহ্ন - Reply

    I am following up the case of the girl – hopefully she will be safe.

    Islam is not reformable – but we can look at it from the window of human rights.

    This is possible.

    Regards.

    • Truthseeker সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 9:30 অপরাহ্ন - Reply

      @Hasan Mahmud,

      If you or, someone else can post the video of the seminar/discussion in the mukto-mona website and in youtube.com website then more people will get a chance to watch the video of the discussion/seminar. Regards.

  9. Truthseeker সেপ্টেম্বর 7, 2009 at 10:48 পূর্বাহ্ন - Reply

    Dear All,

    You are discussing on positive aspects of islam.

    Recently one muslim girl name Rifqa Bary left islam and started following other belief system. Now, she is facing a situation of probable honor killing. A case is going on in USA court.

    See the videos below.

    http://www.youtube.com/watch?v=09WjFwe8pUk

    http://www.youtube.com/watch?v=qxutg5LUX5A

    I checked the Quran

    http://www.quraanshareef.org/index.php?sid=4&&ano=176&&st=75&&arabic=

    Sura 4, Ayat 89

    They wish that you reject Faith, as they have rejected (Faith), and thus that you all become equal (like one another). So take not Auliyâ’ (protectors or friends) from them, till they emigrate in the Way of Allâh (to Muhammad SAW). But if they turn back (from Islâm), take (hold) of them and kill them wherever you find them, and take neither Auliyâ’ (protectors or friends) nor helpers from them.

    It seems some of the verses of Quran violates the basic human rights and human values.

    This is the reality.

    If islam really preaches inhuman values (using some of the verses of Quran), then a new Quran should be written by picking up the good verses only.

    Other religions also had garbage, but people adapted with time.

    Moderate, liberal muslims should come forward to reform islam.

    Thanks.

    • ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 9, 2009 at 11:29 অপরাহ্ন - Reply

      @Truthseeker,

      then a new Quran should be written by picking up the good verses only

      আপনি কোরান বিশ্বাস করেন না, ভাল কথা । কিন্তু কথা কইবার সময় এমন মন্তব্য করেন, কি আর বলবো ।

      আপনার মনে হয় জানা নেই , ইসলাম কারো সন্তুষ্ঠির উপর চলে না। মানলে মানেন, না মানলে নাই । এখানে, নুতুন কোন কিছুর ঢুকানোর সুযোগ নাই ।

      হারা জীবন চেষ্ঠা করলে ও কিছুই করতে পারবেন না ।

  10. Hasan Mahmud সেপ্টেম্বর 5, 2009 at 4:06 অপরাহ্ন - Reply

    Eta hobe Dhakay – Dhanmondi-te, shudhumatro nimontrito-der jonyo..

    Jara jete chan – amake email korun – invitation card-er jonyo – [email protected]

  11. তৃতীয় নয়ন সেপ্টেম্বর 5, 2009 at 12:32 অপরাহ্ন - Reply

    @হাসান মাহমুদ

    সেমিনারটি কোথায় অনুষ্ঠিত হবে বলতে পারেন কি? ইন্টারনেটে কোন ওয়েবসাইটে দেখা যাবে?

  12. হাসান মাহমুদ (ফতেমোল্লা) সেপ্টেম্বর 5, 2009 at 11:15 পূর্বাহ্ন - Reply

    Dhonyobar Mamun. Ha – asha kori kichhuta holeo egono jabe.

    Amar Songge thakun, Amake songge rakhun.

  13. মামুন সেপ্টেম্বর 5, 2009 at 4:43 পূর্বাহ্ন - Reply

    হাসান ভাই,

    বাংলাদেশের জন্য মাইলফলক কাজের কাজ হবে মনে হয় এ সেমিনারের মাধ্যমে। কারন সেখানে বাঘা বাঘা লোক বক্তব্য দিবেন, সাথে পএ- পএিকা, টিভি-মিডিয়া তো আছে-ই। সেমিনার সফল হউক এ আশা করছি।

    ভালো থাকুন।

    মামুন।

মন্তব্য করুন