পাঠকের প্রতিক্রিয়া : ‘যে সত্য বলা হয়নি’ : আকাশ মালিকের নতুন ই-বুক

আকাশ মালিকের যে সত্য বলা হয়নি গ্রন্থের পান্ডুলিপিটি পড়তে গিয়ে নিজের অজান্তেই একটা বড় ধাক্কা  খেলাম।  তিনি তার পুরো বইটিতে সাহসিকতার সাথে যে কথাগুলো উচ্চারণ করেছেন সেগুলো হয়ত আমার আপনার অনেকেরই মনের কথা। কিন্তু মনের কথা হলে কি হবে, সেই কথাগুলো সাহসিকতার সাথে উচ্চারণ করতে পারে কজন?  তিনি মানব জাতির বিবেক ফরাসী দার্শনিক ভলতেয়ারের যে উক্তিটি ব্যবহার করেছেন বোকার স্বর্গে পৃথিবীর প্রথম পুরোহিত বা মোল্লা ব্যক্তিটি হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম ধূর্ত বাটপার, যার মোলাকাত হয়েছিলো প্রথম নির্বোধ ব্যক্তিটির সাথে। ধর্ম প্রতিষ্ঠা পাওয়ার প্রারম্ভ আর তা ছড়িয়ে পড়ার পেছনে এর চেয়ে নির্জলা সত্য আর কি হতে পারে!  আমার প্রায়ই উচ্চস্বরে বলতে ইচ্ছে করে যত বড় ধর্ম প্রচারক, তত বড় ধর্ম -প্রতারক তিনি।  ডেভিড কপারফিল্ডের জাদুর চেয়েও যেন মোহনীয় ছিলো তাদের প্রতারণার কৌশল। প্রতারণার ফাঁদ পেতে যুগের পর যুগ ধরে বিশ্বাসীদের হৃদয়ে গেড়ে আছেন একেকজন বিরিঞ্চিবাবা  হয়ে – কেউ বা সেজেছেন ‘ঈশ্বরের পুত্র’, কেউবা ‘ঈশ্বরের প্রেরিত পুরুষ’, নবী, পয়গম্বর, কেউ বা সত্য সাঁই।  মনে পড়ছে আঠারো শতকে এক ‘অজ্ঞাত লেখক’ এক গ্রন্থ লিখেছিলেন ‘তিন ভন্ড’ (The Three Imposters) নামে, যা পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন তুলেছিলো। ‘তিন ভন্ড’ গ্রন্থে দাবী করা হয়েছিলো বিশ্ব তিনজন ভন্ডচূরামনি দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। আর সেই তিন ভন্ড হচ্ছেন মুসা, যীশু আর মুহম্মদ।  কে যে বেশী বড় প্রতারক, কিংবা ভন্ডামীতে যে কে শ্রেষ্ঠ তা বলা অবশ্য কষ্টকর। ভন্ডামীতে কে বেশি সফলকাম, কিংবা কার স্থান উপরে তা নিশ্চয় বিচার সাপেক্ষ।  আকাশ মালিকের তালিকায় অবশ্য  ভন্ডচূড়াশিরোমনি হিসেবে এসেছে আরো একজনের নাম –  হিন্দুদের ভগবান মনু। ভন্ডামীর প্রতিযোগিতা সত্যই জমজমাট। সায়মন কাওয়েল আর  র‌্যান্ডি জ্যাকসনেরা এবার সত্যই বিপদে পড়বেন।

 

‘তিন ভন্ড’ গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে দুই জনকে সন্দেহ করা হয়ে থাকে। একজন সম্রাট দ্বিতীয় ফ্রেডারিক। অন্যজন মুসলিম দার্শনিক আবু রুশদ। সম্রাট ফ্রেডারিককে অভিহিত করা হয়ে থাকে ‘The first modern man’ হিসেবে, আর আবু রুশদকে বিশেষিত হয় ‘সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম দার্শনিক’ অভিধায়। আমার কেন যেন মনে হচ্ছে  যে সত্য বলা হয়নি গ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে যেন আকাশ মালিক বাংলাদেশের আবু রুশদ হতে চলেছেন। এ সত্যই অতিশয়োক্তি নয়। আমি নিঃসন্দেহ বাংলাভাষায় এ ধরণের বই আগে লেখা হয়নি। পুরো গ্রন্থটি তার পরিশ্রম, মেধা এবং অধ্যাবসায়ের এক উজ্জ্বল সাক্ষর। রসুনের মত খোলস ছাড়িয়ে ছাড়িয়ে আকাশ মালিক যেন পাঠকদের সামনে তুলে এনেছেন শ্বেত শুভ্র সত্যের নির্যাস।  তার পরিশ্রমলব্ধ গবেষণায় পাওয়া সত্যের নির্যাস দেখে অনেক পাঠকই  চমকিত হবেন। আমিও হয়েছি।  বার বার পড়েছি তার পুরোপান্ডুলিপিটি।  চমক কাটতে চায়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কবিগুরুর বাণীতে খুঁজে পেয়েছি উত্তর –

 

‘সত্য যে কঠিন, সে কঠিনেরে ভালবাসিলাম

সে কখনো করেনা বঞ্চনা।’

 

আমার ধারণা  আকাশ মালিকের বইটি শেষ করে উঠবার পর  অনেকেরই আমার মত বোধ তৈরি হবে, এ আমি হলফ করে বলতে পারি।

 

আকাশ মালিক মুক্তমনায় অনেকদিন ধরেই লিখছেন। তিনি তার বইটি বাংলাদেশে প্রকাশ করার আগে ই-বুক হিসবে মুক্তমনায় প্রকাশ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। তার বইটি ই-সংকলন হিসবে মুক্তমনায় রাখতে পেরে সত্যই আনন্দিত বোধ করছি।

 

 সম্পাদক, মুক্তমনা

মার্চ, ২০০৯

যে সত্য বলা হয়নি : আকাশ মালিক

অভিজিৎ রায় (১৯৭২-২০১৫) যে আলো হাতে আঁধারের পথ চলতে চলতে আঁধারজীবীদের হাতে নিহত হয়েছেন সেই আলো হাতে আমরা আজো পথ চলিতেছি পৃথিবীর পথে, হাজার বছর ধরে চলবে এ পথচলা।

মন্তব্যসমূহ

  1. মুক্তমনা এডমিন এপ্রিল 14, 2009 at 3:42 পূর্বাহ্ন

    এই থ্রেডে ইতোমধ্যেই একশত দশটি মন্তব্য করা হয়ে গেছে। মন্তব্যের আকার যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে পেইজ ডাউনলোড করার সময়। আলোচনা এখন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘায়িত হয়ে কখনো বা ব্যক্তি আক্রমণের দিকে রূপ নিচ্ছে, আর কখনোবা একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে, কাজেই এই থ্রেডে আপাততঃ পাঠকদের কাছ থেকে আর কোন মতামত গ্রহণ করা হবে না।
    যারা এই বইটি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিতর্ককে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন, মুক্তমনার পক্ষ থেকে আমরা সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

  2. রফিক এপ্রিল 14, 2009 at 3:25 পূর্বাহ্ন

    Ivy,
    You argued that you will follow the Quran, not any Hadith – even those hadith considered as ‘Sahi’. If you do not follow Hadith and Sunnah or such contemporary literature, then how will you know about the history of that time? In Quran Muhammad’s name is mentioned only 4 times. It solely proves Quran is not sufficient to know about Muhammad’s life in detail. In addition to Quran, The hadiths encompasses the Prophets sayings as well as his traditions. The Quran does not carry the details per se on the various obligations Muslims are subjected to; only the hadiths go further to provide the detailed explanations and/or elaborations. We have detailed reference from Shahi bukhari how Muhammad married Ayesha and how old was she. I cited those Hadith for you in detail in above. You cant just reject those stories by admitting conspiracy theories. Even if you follow Quran, your logic does not stand. Where did you find that Ayesha was 48 and was sister of Abu Bakar in Quran? No, you did not find anywhere. I guess Quran or Hadith are not the issue, the issue is – you are actually bothered by these facts, aren’t you?

    well, You should be.

    You should be bothered by the fact that our prophet assassined Ka’b bin Ashraf and Asma bint Marwan for writing satirical poem. You should be bothered by the fact that our prophet allowed his men to rape the women captured in raids (Muhammad himself captured beautiful women like Safiyah after his troops raided Kheibar, Raihanah from the tribe of Banu Quraiza and Juwairiya during the raid of Banu Mustaliq). You should also be bothered by the fact that between 600 to 900 surrendered Banu Quraiza men were beheaded and their bodies dumped in the trench. You should be bothered by the fact that our prophet use to loot and plunder and raid the rich Meccans merchant caravans and Allah promises his much booty that ye will capture (al-Fath 48:20, al-Hashr 59:6, al-Anfal 8:69). You should also be bothered to know our ‘Al-Amin’ prophet lied to Hafsa for sending her to his father’s place, only to sleep with her slave Mariyah. You should be bothered by the fact how our phrophet became lustful towards Zainab, his adopted son’s wife breaking all traditions.

    It is good that you are bothered. It proves that you are a good-hearted women. Any sensitive person will be bothered by such misogynistic stories of our holy prophet. But the bad part is you still trying to defend Prophet bringing laughable controversial ’48 yrs old Ayesha story’ only because, you are not able to cut the umbilical chord of Islam. Think again what you are defending and be courageous at least for once.

    Only truth will set you free someday.
    Rafiq.

  3. ivy এপ্রিল 12, 2009 at 11:21 অপরাহ্ন

    To Akash Malik and other respected readers,

    I have read your book. Thanks for your courage and integrity. But what bothers me is that most of your information about Mushammad (s) is taken from Al Tabari and Bhukhari and other hadith books. As a reader if I question and raise my voice about the reliability of these hadith books and ask question if these books wouldn’t exist then how would you portray Muhammad’s life? If your gut feeling tells you that today’s present form of Islam stand on a very wrong foundation, then how would you react? When we were young, were taught reciting Quran and following hadith or sunnah is the first priority of our life. So many questions came to mind but dare courage to express them! So, I have been searching for an answer—what’s the real deal between Quran and Hadith? After reading so many books and articles and use my tiny brain, I realized that what ever we learned before, our parents, or their parents learned are all wrong and big mistake. People ask me then why don’t I tell it to the world? Because, suddenly if I tell my family and friends, why would they believe me? I do not have any degree on Islam or Phd, so who the hell is I to talk about Islam? But as a human being, I feel, it is my responsibility to educate myself first, and then spread the news in the need basis. For sudden excitement, why would I lose my head to those insensible people? After reading your book, I feel like it is time to say something for the sake of future generation. Once, your book will publish, people will read your book and think, well, they know the true Islam and no need to look further. My logic, reasons may not be convince you but at least nobody can beat me and stone me to death here.

    Approximately, 100 years after the death of Muhammad (s), our Islam is hijacked by politicians, rulers and clergymen. Islam is not a religion, its system of life which should follow by mankind for their own good and Quran is the mannual of that system. Muhammad (s) didn’t preach any rituals or worship ness but humanity. If we follow that guidance we will be in peace in this life and hereafter and non-followers will make their life hell and will be burn (I think, it’s not physically but state of mind).

    Bukhari was born 200 years after the prophet’s death. Bukhari performed a task that none of the native Arabs even think. It is also interesting that the writers of the six main collections of hadith: Bukhari, Muslim, Daud, Maja, Tirmidi, and Nasai they all were born in Iran. Just like St. Paul (not Jesus) is the father of today’s Christianity, so it is that Bukhari (and not the prophet) is the head of so called ‘Islam’ we see now.

    Dr. Abdul Wadud, in his book Conspiracies against the Qur’an, explained: “the Arabs defeated the Persians completely in war but the Persians were far more advanced in knowledge and writing than the Arabs. Therefore, they used their superiority in writing to corrupt Islam from the inside. Obviously, true Islam cannot be corrupted because the Qur’an is there, and as long as we follow the Qur’an there is no problem. But how to make people deviate from the Qur’an? The answer: by creating another, additional body of writing, which ascribes un-Qur’anic acts to the Prophet, and then persuading people that following this body of writing amounts to a Muslim life. We find this approach has been most effective. In fact, we see that once the name of the Prophet is invoked we just accept as the truth whatever is said and follow it blindly.”

    Even many non-Muslim western scholars have also questioned the authenticity of hadith on the same basis, those who advocate following the Qur’an alone. They asserted that hadith should not be followed because they are late fabrications, with no connection to Muhammad.

    The most of the ahadith had originated from two of the companions of the Prophet, Anas b. Malik and Abu Huraira. Abu Huraira converted to Islam in less than three years before the Prophet’s death (Brown, Daniel W., 1996 (paperback 1999), op. cit.) His memory was poor, but the Bukhari compilation provides reference to his poor memory being miraculously cured by the Prophet (magician!). During Mu’awiya’s rule, he reportedly lived in his palace in Syria (Mustafa, Ibrahim, Hadith and the Corruption of the Great Religion of Islam).

    The fact is that there were no written records of hadith during the Prophet’s lifetime and during the rule of the four Caliphs. If Prophet wished he could have records his hadith like the Medina Charter. There is another thing—a long time gap between the Quran and the Hadith collection. So, the question is, if hadith is the explanation of Quran, then before collecting hadith how had been people followed Quran? This long time gap raises questions of reliability for the Hadith?

    Rahim, M. Abdur, The History of Hadith Compilation (in Bengali), p. 290, quoted by Jamilul Bashar, ‘Sangchker’, published by Young Muslim Society, New York, 2002, told: “Whatever historical reports we seem to have about the position of the Khulafai-Rashidun (the Caliphs) on the Hadith suggest that they also discouraged its compilation. Anoter report, the first Caliph Abu Bakr burned his own notes of hadith”. Also told, “During Umar’s caliphate, the problem of hadith forgery was so serious that he prohibited hadith transmission altogether.”

    Daniel W. Brown, (1996 (pb 1999), p. 96) cited: “Thus forgers had been active even during the Prophet’s lifetime. Forgery had been rampant during the caliphate of the Prophet’s immediate successors, and it “only increased under the Umayyads, who considered hadith a means of propping up their rule and actively circulated traditions against Ali and in favor of Mu’awiya. The Abbasids followed the same pattern, circulating Prophetic hadith which predicted the reign of each successive ruler. Moreover, religious and ethnic conflicts further contributed to the forgery of hadith”

    Here is a interesting question pointed out by Dr. Mansoor Alam: “The Islamic State was established during the Prophet’s time. It expanded during the period of Khalifa Abu Bakr (R) and covered about two-and-a-half million square miles during Khalifa ‘Umar’s period. During this entire period, and even during Khalifa ‘Usman’s period, Medina was the capital of the Islamic state. The aforementioned secretariat including all of its offices (where written records were maintained) was in Medina. How surprising then, that not a single original written record of that time exists today?”
    He also mentioned: “Medina up until the present has been free from natural disasters. No earthquake, no flood, nor any large fire has ever occurred in Medina that could have destroyed those records. Neither has Medina ever come under the control of any crusading army that could have destroyed the records”. ….. Who destroyed them, and why? – And why not a trace remains today? Historians who have presented imprints of some of the records of those times have not mentioned where they saw the originals or what happened to them. There is no trace of the original records in our history books….. Is it possible that Muslim kings and their supporters among the ‘Ulema wanted to develop a ritual-based Islam, which would have been hard to do in the presence of these original documents?”

    To be continued….

    Ivy

    • Mufakharul Islam এপ্রিল 13, 2009 at 3:14 অপরাহ্ন

      @ivy Dee,
      After Reading your12th April 2009 reply of Akash Maliks writings

      Dedee please write a complete book on this issues, that will be more organize and at least will be documented on Mukto Mona site, and will not lost like True Hadith and Original Copies of Quran.

      I tried several time’s to identify any strong driver on Quran that will run 1400 years, Millions of peoples, truly said i found nothing. May be it’s my limitation of understanding. What i will do I can’t understand without Allah’s mercy? To reduce my Gap of understanding I readout Bible [Both Old and New], but again I am not convinced. So Start reading Hadith and Other religious books, more confused. I asked myself Why there are no prove of Existence of Allah to me?

      Still I am reading hope one day I will convinced. Currently reading “The Truth About Mohammad by Robert Spencer” and Searching for a Book by Ibn Ishaq “Sirat Rasul Allah”.

      Now what I learned from Last 18 years of Study:
      Starts my study since 1991 with Aroz Alis “Shotter Shondhanee” when I was in class 9

      1. Islam standing on Illiteracy of Muslims especially on Bangladesh and most of the Muslim countries.
      2. It’s a tool for Political facilities [AL, BNP, JAMAT], Crime [Al-Quida] and Business[Bush and Zakir Naik]. Very very few people used it as tool of eternal peace.
      3. Mohammad creates Allah as a personal authority of legalization.
      4. Every where [With in Quran] he put his name besides Allah.
      5. Religion is a part of life to exercise for peace of mind on uncertainty for weak people and criminals. [All Big Criminals are Al-Haj in Bangladesh]

      Prove of Non Existence of Allah

      If He is the actual creator of Universe, He will not accept:
      a. Jews genocide of 2nd World war
      b. Palestine Genocide now days.
      c. Crime by Pakistani Army and Razakars on 1971 in Bangladesh.
      d. My known and unknown pains of people around the world.

      We don’t need a Stupid god like Allah, who doesn’t have the guts to face the truth of real world.

      • ivy এপ্রিল 13, 2009 at 11:26 অপরাহ্ন

        @Mufakharul Islam,

        Come on bro, be optimistic. I have read a interesting writing. It might be little off topic but enough to spin your head. I know you like reading. I just made it little shorter. Remember I did not make it up. If you like to read it in detail, please visit the below website.

        http://ourbeacon.com/phpBB2/viewtopic.php?t=415&highlight=namaz

        THE IMAMIST CONSPIRACY OF NAMAAZ:
        Please remind yourself of the famous weird tale of the Prophet (S) ascending to heavens to meet with Allah, the so-called Me’raaj (the word is non-existent in the Qur’an). Is not Allah Omnipresent? The “Imams” of Hadith want us to believe that Allah ordained 50 ritual prayers daily for Muslims on that occasion. As the exalted Prophet was descending, Prophet Moses told him of the impossibility of the situation and sent Muhammad (S) back again and again. Imagine the Prophet (S) bargaining with God! Repeated visits to and fro then bring the number down to 40, 30, 20, 10, and finally 5! Moses a. s. wanted him to make one more trip but Muhammad (S) felt shy to bargain any further. Was this Hadith, in addition to promoting ritualism, fabricated to prove Moses’ farsightedness over Muhammad (S)? Only an extremely gullible mind would accept this nonsense.
        The later Persian Imams built upon this tale and formulated the current Namaaz. They received strong support from the Persian Zoroastrian mother of Khalifa Haroon Rasheed, Khaizran (d. 789 CE). Haroon’s Zoroastrian viziers, the Baramika were only too happy to join hands with the royal mother, Khaizran.
        So, it was she in concert with others who “canonized” Namaaz according to the desires of the Criminal Imams in 153 AH (773 CE). Her main philosopher was Imam Al-Khalil bin Ahmad Shikoh, the first ever compiler of Arabic to Persian dictionary, Al-‘Ain.
        Khaizran spent a fortune on her project and distributed one million gold coins and 65 million silver coins among her subjects to propagate the ‘canonized’ Namaaz.

        THE RITUAL PRAYER (NAMAAZ) AND MORE by Ardeshir Spencer

        ”I am a Zoroasrtrian. Dr. Shabbir’s research is quite right. Your NAMAAZ was stolen from Zoroastrianism by your Parsi Imams from Persia.

        It would be appropriate if we can discuss the startling similarities between some practices of Islam and Zoroastrianism. These parallels go beyond the co-incindental normal ones. I will endeavour to enumerate a few here:

        Requirements of prayers: Islam enjoins its followers to pray 5 times a day and is called by the Muezzin to his prayers……
        Zoroastrianism also enjoins prayers 5 times a day called “Geh”. The devotee is summoned by the ringing of a bell in the AtashBehram / Agiary. These prayers are also at the same time as in Islam and their respective names are:

        Time: Islamic/ Zorastrianism
        Dawn: Fajar/ Havaan
        Noon: Zohar/ Rapithwan
        Afternoon: Asr/ Uziren
        Evening: Mazreem or Maghrib/ Aiwisuthrem
        Night time: Isha or Ishan/ Ushaen.
        …….
        06. Ascent into Heaven: The hagiography of Islam assures us that Prophet Mohammad ascended to heaven from Jerusalem on the mythical beast Burrrak. He crossed the 7 spheres, exchanged greetings with the patriarchs and beheld the glory of God.

        The Dinkard tells us that at the entreaties of Asho Zarthustra Bahman Ameshaspand transcendentally elevated his consciousness to the realm of heaven wherein Asho Zarthustra looked at the reflugent majesty of God. A similiar journey was attributed to the virtuous Ardaviraf who visited hell, purgatory and heaven during his spiritual journey.

        The above similarities are obvious. A more careful research would reveal more parallels. However even these points are too close to be dismissed as mere coincidences. This means Zoroastrianism has had an enormous impact on Islam which is not acknowledged. Everyone agrees Islam owes a lot to Judaism and Christianity but I feel that the scholars of Islam borrowed very heavily from Iran and this can be perhaps attributed to that shadowy figure of Dastur Dinyar (Salman Farsi). This debt is so impressive that it had to be consistently downgraded and later denied. After all if Islam is supposedly directly inspired by God it cannot be seen to be acknowledging any debt to an older faith, specially the faith of a nation which Islam has defeated. This may perhaps explain the devotion of your Persian Imams to my Faith.

        07. Chinvat Bridge (The SIRAAT BRIDGE): According to ancient Persian myth, when a person dies, the soul remains by the body for three days. On the fourth, it travels to Chinvat Bridge (the Bridge of the Separator, also call Al-Sirat), accompanied by gods of protection. The bridge is “finer than a hair and sharper than a sword” and spans a deep chasm teeming with monsters. On the other side of the bridge is the gateway to paradise.

        08. Hell: Demons guard the foot of the bridge and argue with the gods over the soul’s fate. The actions of the dead person, both good and bad, are weighed, and the soul is either allowed to cross or denied access to the bridge. Spirits whose evil outweighs their good fall into the demon-infested pit to face eternal torment. In this abyss of the damned, each soul is tortured by a GHOUL that represents its sins in life. Once fallen into the gulf, no soul can escape the horrors of hell through its own power.
        ……
        Notice the similarity? So you guys are actually pagan stone and sun worshippers, correct? But your Koran is pure and free from plagiarism.”

        Thanks.
        Ivy

  4. S.K.Mirza এপ্রিল 12, 2009 at 7:11 অপরাহ্ন

    To: Ivy Ahmed,

    Sorry again for misquoting your last name unintentionally, of course. However, Rahman or Ahmed are boh Arabic names and not any Bengali name. The Cultic Islam not only made people Zombies but also changed their names and culture too! Islam is of course Arab imperialism in disguise of so called true religion.

    Your must quote the whole paragraph/substance or narrations of what these books told about Ayesha’s marriage etc. Just naming some books is not enough and we are not going to buy these books and read them which are no way superior than Bukhari, Muslims or Ibn Ishaq or Ibn Kathir etc. Why should anubody bother to read these most un important books leaving all those Sahih ahadits? Why then 100% woprld’s mullahas are ardently dependinmg on Bukhar/Muslims and why all madrassha students are reading Bukahri, Muslim and Ibn Ishaq etc? Your so called references are unacceptable to us.

    Give us reasons why Saudi Grand Mullah also do believe that Ayesha was only 6 when she was married to Muhammad? Also tell us, are you going to burn millions of books written on the basis of Imam Bukhari, Muslim and Ibn Ishaq???

    SKM

  5. S.K.Mirza এপ্রিল 12, 2009 at 6:50 পূর্বাহ্ন

    Dear Mr. Adil,

    I thank you very much for your very clear and comprehensive understanding about the problems of religion in general and islam in particular. I can understand what kind of childhood brainwashing you have gone through and we all came through the same channel of early heavy doses of Islamic bogus stories like the one you have mentioned (that old lady’s story). This story like many other such bogus stories used by mullahs can not be found in any sahih hadiths. These were some by products of extreme eulogy by the dishonest mullahs only to achieve heavens and houris. And they survived to longtime only because, before the discovery of internet by Kaffirs–people were unable to challenge these lies.

    By any means, if you compare these stories, they even will not come close to the vivid incidents (we can get from Koran, hadiths and al-siraat) involving the prophet of islam’s horrific inhumanity, cruelty, immorality, and other injustice committed by him. Mullahs fed us all these bogus stories for centuries only to brain wash gullible people which has made millions of Islamic robot who have lost their capacity of judging good or bad about their own lives.

    We need more Adil and bright smile than Ivy’s if we are to get rid of this century old chain of blind-faith which has created billions of zombies having no commonsense. I also thank you for your understanding about Raihan the terrible Muslim fanatic. I have not read any of your write-ups yet but pretty sure that you will write very good articles on Islam. I urge you to continue writing on islam in various websites. We need more writers on the negative chapters (which are much heavier than the positive chapters) of Islam, in order to open the minds of billion people who are simply turned into robot because of their very little knowledge in real islam. I also thank others like “bright smile” fort their support. Thanks.

    SKM

  6. S.K.Mirza এপ্রিল 11, 2009 at 6:27 অপরাহ্ন

    Dear Mr. Asraf,

    Answer to your questions are: Human should obey logic, norms, be honest, sincere, kind, Compassionate , sexualy not perverted etc etc because humans are civilized humans today and humans whould obey golden rule inorder to live with otthers in tis world with harmony and peacefully possible. Now, anything illogical is not norm and bound cause problems for others. And all these human qualities do not come only from any religion. It is the human themselves invented this truth by millions of years of social evolutions. Religion on the other hand brought only human miseries for the mankind.

    Or, do you think only religion brought them? By the way, how many mysteries of this universe have been solved or answered by any religion, could you tell us the list of mysteries that were solved by any religion?

    Thanks.

    SKM

    • Asraf এপ্রিল 12, 2009 at 1:20 অপরাহ্ন

      @S.K.Mirza,

      Thanks for your prompt answer.

      Ok……. I agree your logical opinion. Please give me logical answer from these mysteries as shown below (I have got the answers from the religions already)—

      1. Please tell me….How this universe has been created….. (if through Big Bang……..what was there before that Big Bang)

      2. How life has been created?

      3. What is the ultimate goal of human life?

      4. Why you born as a human being?

      5. What is the difference between your life and that of a dog?

      Please answer me…….After that i have more mysteries for you..

      Thanks

      Asraf

  7. S.K.Mirza এপ্রিল 11, 2009 at 6:09 অপরাহ্ন

    To: Ivy Rahman:

    Sorry I could not determine your sex. But I considered you as an Islamist or islam posand (liking) person or now I can call you a pious Muslimaah. In short, my calling any islamists including you as “hypocrite” standing tall. Why? When you claimed that, Ayesha was 42, 46, or 18 year old or Ayesha was not daughter of Abu bakr rather she was his sister (ridiculous and mullahs will behead you for this claim alone) you never cited any reference at all (be it hadiths or any kind or Koran)! But here you are blaming us for citing sahih bukhari hadiths and asking us to bring Koranic verses. What reference did you give in your claim lady? Are you not a pure hypocrite? Do you see why I call all the Islamists a hypocrite?

    Imam Bukhari is the God father of Islamic history, period. If we do not respect Bukhari hadiths then we are deceiving people about Islam. I request you to bring any (sahih or non-sahih) hadiths. I would accept any hadith from you. Islam can not survive without adiths especially Bukhari hadiths. If we give you koranic verses then you will say that Koran was mistranslated, is not it lady? Please tell me, if you call hadiths “hearsay” then Islam as a whole is hearsay too! Because, without hadiths (Sunnah) Islam can not exists at all. Islam is what Hadiths and Koran said to Muslims. What kind of Islam you can practice without hadiths? Hundred percent of Islamic books on islam is totally based on Hadiths and very little about Koran. What you will do with all those millions of islamic books? Burn them? You can not say this in any Muslim nation. They will behead you in the public square by a loud chorus: Allah-hu-Akbar! Don’t you know that?

    Islam is the most misogynistic religion on earth and islam considers women second or third class or no class citizen in any pure Islamic nations like Saudi Arabia, Iran, Afghanistan, Pakistan etc. In some situation, Islam considers women equal to a dog or horse. How could any woman ardently defend Islam, I will never understand this mystery.

    Dear Ivy, please read this news and bang your head against the wall:

    http://news.bbc.co.uk/2/hi/middle_east/7711554.stm

    SKM

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 11, 2009 at 6:33 অপরাহ্ন

      @S.K.Mirza,

      I read the BBC news, thanks for sharing. I was about to say that it has veru little to do with islam (like honor kiling of middle east and Pakistan).

      But now I think if the islamists want to look for the enemies of islam then they should first go after such Sheikh Hamoud Hashim al-Tharihi. Who cites the example of the Prophet Muhammad who married six-year-old Aisha but waited for consummation till she was a little older.

      “Because this happened to the Prophet, we cannot tell people that it is prohibited to marry at an early age,” he argues. Moreover, he claims it would harm society by spreading vice.

      Simply disgusting.

      What do you think Ivy? Who are the real enemies of islam? How much harm could Taslima, Salman Rushdi, SK Mirza or Akash Malik do, and how much such Sheikh sahebs can do?

    • ivy এপ্রিল 12, 2009 at 12:44 পূর্বাহ্ন

      @S.K.Mirza,

      What a ignorace Mr. Mirza! You even changed my last name. It shows, how you behave with others outside your ‘yes group’ circle!! Why in your writing has so many negatve vives(example:how mullahs are ready to punish me, bang my head by myself)? You really enjoy to see physical punishment like those mullahs and can’t help it. I am learner. I will give your answer soon.

      Thanks.

      Ivy Ahmed

      • Bright Smile এপ্রিল 12, 2009 at 5:01 পূর্বাহ্ন

        @ivy, Before answering to Mr. Mirza, please try to get the answers for: why all mollahs in this world are soooo much against women? Why in the Muslim world, the women are being punished everyday, are not treated as human being? You are so much upset with your last name, but don’t care or probably in your next writing we will see you are defending those ill and cruel treatments towards women as normal things.

        • ivy এপ্রিল 12, 2009 at 10:02 পূর্বাহ্ন

          @Bright Smile,

          How did you find out that I don’t care about cruelty towards women? But as a human being I can’t tolerate one’s snoby attitude (at least write someone’s name rightly) and ignorance.

          One thing,I do not see Islam as a religion. What the so called muslim world is following that is not the real Islam. Most of my questions about the reliability of hadith and sunnah. If these ahadith don’t belong to Islam then why would I spend my strength to scream at mullahs? I rather would try to help clean up the mess and follow Quran alone. If you study Quran, you will see what Quran says about “Woman”. Just reciting Quran won’t help us to solve the problems.
          Thanks.
          Ivy

    • ivy এপ্রিল 12, 2009 at 4:11 পূর্বাহ্ন

      @S.K.Mirza,
      “When you claimed that, Ayesha was 42, 46, or 18 year old or Ayesha was not daughter of Abu bakr rather she was his sister (ridiculous and mullahs will behead you for this claim alone) you never cited any reference at all (be it hadiths or any kind or Koran)!”

      You will get this information from:

      Kitab-e-Dalail-e-Nabawwut Syedna Muhammad (S), by Abdul Jabbar Fatimi (written 150 years before Tabari)
      Azwaaj-in-Nabi wal-Ashaab, by Sheikh Hammad bin Hakam.

      Thanks!
      Ivy

      • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 12, 2009 at 6:47 অপরাহ্ন

        @ivy,

        Just a kind reminder; in my view almost all of the islamists forget this fact. An outsider or critic of Islam or any religion would assess the religion by the behavior of the practicioners, they wouldn’t go to find what is really written in the holy books. Especially when they have no knowledge of the language of the original books. As a matter of fact, islam was spearded at it’s early age by the sahabis or prophet; not by reciting Quran, but based on their simple life style (some may argue by force which may be ture in some cases). That is the key. Quan was writen as a book after a long time.

        If we feel that most of the muslims aren’t real muslims then why don’t we express boldly? Not just debating with few athiests in the web forums. When we say that most muslims you see or by whom you assess islam aren’t true muslims we basically acknowledge their main allegation. Isn’t it? Now, Do we have that courage to spread this word without any hesitation? Or in other word, do the muslims have that mentality to accept such truth? Sadly no. I don’t want to be hyporcrite, simple I don’t want to lose my head. I know very well if I express what I write here then even my own family will socially reject me.

  8. S.K. Mirza এপ্রিল 11, 2009 at 6:09 পূর্বাহ্ন

    Dear Mr. Adil,

    To Mr. Adil:

    I do agree with your comment fully and you are quite right that islamists have no good logic and in fact, they could not bring any good logic since they simply believe some unseen stuff loaded with superstitions and mostly unscientific jargons. Islamists are like a robot having no norms or any logic that we the civilized people do use to obey or establish golden rules. Religion is like a disease, once affected, believers will keep talking nonsense.

    Regarding some so called good things about Prophet Muhammd—honestly I could not get or find any remarkable good stuff other than total exaggerations of the truth by sheer appeasement and eulogy by most blind believers for the sake of sawab only to enter heaven. If I missed any good stuff about Muhammad, I would request you to bring them with references.

    Debating with Raihan is like debating with Hitler or Changis Khan. I debated him in the past but he is too uncivilized and too illogical person to debate. He will attack you personally right in his first paragraph with no logic and next day he will declare that he defeated you miserably. In this way, he defeated everybody in the internet by his crazy logic which is ridiculously laughable. He will not come to near of any logic or fact. So, you know why I can never debate this guy. Thanks again for your understanding.

    SKM

    • Truthseeker এপ্রিল 11, 2009 at 9:13 পূর্বাহ্ন

      @S.K. Mirza,

      Dear Dr. Mirza,

      You are completely right. Because, basically it is a wastage of our time discussing with people who do not follow any logic and do not utilize their brain. If I spend more time in my research (cancer therapy is my research area), then I can publish more papers which is important for my career. I can read a good poems, good novels. I can watch a good movie. It is not our responsibility to make them (ardent and blind followers of islam, or any other religions etc) understand. These people are adult, and it is not our job to make them understand. If they do not understand, that is upto them. Let them remain fools (morons), if they prefer to remain fools (morons). Their foolishness will keep them, and their family backward. Fools will automatically lose in the long run, because they are not rational and practical. We have other good things to do.

      Instead of wasting time for fools, it is much better to spend our time for other good work which will help our career and future and well-being.

      Cheers.

      Kind regards.

    • Asraf এপ্রিল 11, 2009 at 9:18 পূর্বাহ্ন

      @S.K. Mirza,

      Do you think, logic is the only way of living?

      Can you explain each and everything by logic?

      Is there no mystry in this universe?

      Why you (men) should be polite, civilized, punctual, honest ……….. …………… ……….. ……………………………………..?

      Why you (men) should not tell lie, take bribe, hypocrate, immoral, sexually perverted, ……………. ……………………………?

      What is the ultimate goal of your life?

      What is the difference between your life and that of a dog?

      Why you born as a human being?

      Asraf

      • Bright Smile এপ্রিল 11, 2009 at 11:20 অপরাহ্ন

        @Asraf, Do you think that your any belief can answer those questions? If can, then that will be vogue.. may be true or may be false or don’t know, so life will be more complicated and misleading, but logic will give you either true or false and therefore more specific. Life will be more simpler if led by own judgement.

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 11, 2009 at 6:18 অপরাহ্ন

      @S.K. Mirza, & Mr. Bright Smile,

      Yes, from the islamists, parents/relatives, even instituonally from the schools I heard many good stories about prophet Mohammad like anyone else in Bd. or in a typical muslim country. Who would doubt those? Why would I doubt my parents/teachers? My mindset was shaped in that way from my birth.

      Of course I read some books of hadiths where I read many such stories. Now the question may come how do I know know that are not false? No definite answer. Like I say, many would argue that what Mr. Akash wrote are all false. However, I’m convinced fully that I didn’t know many stories of islam before reading such articles and the blame must be shared by the traditional islamists.

      But, to me; if same source used to describe both good and bad sides then no one must say that I only accept the ones that I like to show, and don’t believe the other side and hence will hide. That would be hyprocritic.

      I believe that in sahi hadiths, there are many stories like this; “..A old lady enemy of Mohammad used to lay nails on his way everyday….one day she became sick and hence couldn’t….Mohammad went to her home and nurse her in her sick bed…”. This is just one. I admit that I never read any hadiths by myself in the original version and hence can’t authenticate. All I read are some bengali translated partial copies. You guys may say better. BUT, it is not a common sense call that any human being is comprised of both good and bad? Of course the % will be different.

      If Mohammad had only bad, then why he got so many of blind followes? Billion and billions are being fooled over 1500 years? No doubt among all religions on earth, may be his followers aren’t the majority, but no doubt their believe is most strong. This confuses me the most.

      Mr. Mirza,

      In my eye, believers do the biggest mistake by proving the existence of God or religion by logic, some even bring science to prove the validity of God. Where religin itself says that it is based on your believe. If I argue with any non-believer then I would simply admit that I can’t proof God by math, and if you think that I’m stupid for my believe then I have no problem. But I wouldn’t go into relentless long debate with ridiculous logics to prove God or my believe.

      I agree somewha what your feeling about Mr. Raihan. It looks very odd to me how someone can continously write and abuse others by name without directly attacking the writings.

      • Bright Smile এপ্রিল 11, 2009 at 11:48 অপরাহ্ন

        @আদিল মাহমুদ, Billion and billions are the followers of other religions too, does that mean that all the followers and all the religions are right at the same time? For example in Christian they believe in “son of God” or Hindu religion in “thousand of Gods” or Buddhist in “no God” etc..The truth is you have to wait another 1500 years to see that smart people are not following any blind beleifs or concepts imposed purposely on them. May be we are passing another dark age right now.

        • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 12, 2009 at 5:00 পূর্বাহ্ন

          @Bright Smile,

          You have good point.

          However, I see a clear distinction bet’n the faith of the muslims and the other religions. Like, Hindus aren’t that pious like the muslims, now a days many hindus even eath beef. What the Hindus used to do even 100 years ago today is totally absent. They just visit their temples time to time and follow some occasssions, rituals. Similarly christianity exists in the same way. At best sunday church and christmass.

          However, only muslims do follow their book mostly. Not any others. The reason may be it is relativesly new? Will take some time to go in the cold freezer like the others? However, that may be a cause, but I feel that the muslims find some kind of divine or authentic feeling in islam.

  9. ivy এপ্রিল 10, 2009 at 8:37 অপরাহ্ন

    Mr. Adil,
    Thanks for your prompt answer. I do not have good writing skill. Before answering any question I need to think. But today I will just copy one of my above blog to explain your wife “beating” subject and about the rest will talk later.

    I checked this verse translated and annotated by Edip Yuksel, Layth Saleh al-Shaiban, Martha Schulte-Nafeh. You might take a look and give some thought.

    4:34 The men are to support the women by what God has gifted them over one another and for what they spend of their money. The reformed women are devotees and protectors of privacy what God has protected. As for those women from whom you fear disloyalty, then you shall advise them, abandon them in the bedchamber, and separate them; if they obey you, then do not seek a way over them; God is High, Great.

    Annotation from Edip: As I discussed extensively, in Turkce Kuran Cevirilerindeki Hatalar (Errors in Turkish Translation of the Quran, Istanbul, 1992-1998) and in English article, Beating Women or Beating Around the Bush (Unorthodox Articles, Internet, 1998), four key words or phrases have been mistranslated by traditional translators. To justify the misogynistic and patriarchal practices, deliberately or unknowingly, a majority of translators render the phrase kawamuna ala al-nisa as “in charge of women” rather than “providers for women” or “observant of women.” Interestingly, the same translators translate the same verb mentioned in 4:135; 5:8; 4:127; 2:229; 20:14; 55:9 as “observe/maintain.” When the same verb is used to depict a relationship between man and woman, it somehow magically transforms into a prescription of hierarchy and authority. The second key word that is commonly mistranslated is iDRiBuhunna. In almost all translations, you will see it translated as “scourge,” or “beat” or “beat
    (lightly)”. The verb DaRaBa is a multiple-meaning verb akin to English ‘strike’ or ‘get.’ The Quran uses the same verb with various meanings, such as, to travel, to get out (3:156; 4:101; 38:44; 73:20; 2:273), to strike (2:60,73; 7:160; 8:12; 20:77; 24:31; 26:63; 37:93; 47:4), to beat (8:50), to beat or regret (47:27), to set up (43:58; 57:13), to give (examples) (14:24,45; 16:75,76,112; 18:32,45; 24:35; 30:28,58; 36:78; 39:27,29; 43:17; 59:21; 66:10,11), to take
    away, to ignore (43:5), to condemn (2:61), to seal, to draw over (18:11), to cover (24:31), and to explain (13:17). It is again interesting that the scholars pick the meaning BEAT, among the many other alternatives, when the relationship between man and woman is involved, a relationship that is defined by the Quran with mutual love and care (30:21). The third word that has been traditionally mistranslated is the word NuSHuZ as “rebellion” or “disobedience” or “opposition” to men. If we study 4:34 carefully we will find a clue that leads us to translate that word as embracing a range of related ideas, from “flirting” to “engaging in an extramarital affair” – indeed, any word or words that reflects the range of disloyalty in marriage. The clue is the phrase before nushuz, which reads: “. . . they honor them
    according to God’s commandments, even when alone in their privacy.” This phrase emphasizes the importance of loyalty in marital life, and helps us to make better sense of what follows. Interestingly, the same word, nushuz, is used later in the same chapter, in 4:128 – but it is used to describe the misbehavior of husbands, not wives, as it was in 4:34. In our view, the traditional translation of nushuz, that is, “opposition,” will not fit in both contexts. However, the understanding of nushuz as marital disloyalty, in a variety of forms, is clearly appropriate for both 4:34 and 4:128. The fourth word is the word QaNiTat, which means “devoted to God,” and in some verses it describes both man and woman (2:116,238; 3:17,43; 16:120; 30:26; 33:31,35; 39:9; 66:5,12). Though this word is mostly translated correctly as “obedient,” when read in the context of the above-mentioned distortion it conveys a false message as if to imply that women must be “obedient” to their husbands as their inferior, while the word refers to obedience to God’s law. The word is mentioned as a general description of Muslim women (66:12), and more interestingly the description of Mary who, according to the Quran, did not even have a husband! (66:12).The traditional distortion of this verse was first questioned by Edip Yuksel in his book, “Kuran
    Çevirilerindeki Hatalar” (Errors in Turkish Translations) (1992, Istanbul).
    After the revelation of the Quran, Muslim scholars turned back to the days of ignorance and they were supported by some Jewish and Christian scholars who apparently converted to Islam yet did not experience a paradigm change. These semi-converts and those Arabs who longed for the old culture of ignorance combined their forces together to take back the rights of women recognized and promoted by the Quran. The rights of women in the West have been recognized through the separation of church and state; however the culture is still basically a male dominant one and thus western women are objectified and exploited tremendously in the business world. The western culture is deeply influenced by the teaching of Christianity originating from the misogynistic authors of Old Testament and St. Paul (not Jesus) who subordinates women to men.
    For instance, see Ephesians 5:22-33; Colossians 3:18-
    19; 1 Peter 3:1-7.”

    Thanks!
    Ivy
    🙂

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 11, 2009 at 7:06 অপরাহ্ন

      @ivy,

      I do not know arabic a bit. Have no idea about this different meanings of the same word play. However, again I have to ask you the same question I asked before; Allah is the almighty…why did he chose to write Quran in such a confusing way, that years after years it has been misinterpreted and debatable even the muslim shcolars? Why didn’t God write this in clear manner? Worse of all, the victims of this misinterpretations are all Allah’s true followers, the muslims, no one else. Then how can I be so sure Quran is 100% correct and 100% directive for all age and places? I think it is meaningless remind you how many muslim girls around the world have to suffer. More astonishingly, why the other trully learned islamists keep silence? They only open their mouth when the atheists criticizes islam or Quran. But from their own, do they ever come forward and day, he listen the islam you are following isn’t correct ot misinterpreted?

      True that even in the western world men have the superiority over women, but can it be even comparable to the typical muslim countries? Another difference is, in the western world men do not use christianity or other religion to domiate women, like in the muslim countries we do.

      How about sex with the slaves?
      Men earn money so they have superiority over women?

      I can increase the list…..

  10. আদিল মাহমুদ এপ্রিল 10, 2009 at 10:52 পূর্বাহ্ন

    আকাশ মালিক,

    আপনার পয়েন্টে যুক্তি আছে। তবে কোরাণ কিন্তু কারো চরিত্র বিশ্লেষন বা মূল্যায়নের জন্য লেখা হয়নি, যেমন আপনারা এ জাতীয় লেখা লিখে থাকেন। কোরানে আপনার কথামত অবশ্যই শয়তানের চরিত্রের বাজে দিকটাই দেখানো হয়েছে। শয়তানের ভাল দিক মোহাম্মাদ থেকে বেশী কিনা আমি জানি না। কোরানে কিছু বলা হয়নি, সে হিসেবে কোরানে মোহাম্মদের চরিত্র ও খুব বেশীবার আসেনি। মোহাম্মদের জীবন চরিত এসেছে হাদীস থেকে। তবে আমার কোরান পড়ে মনে হয়েছে যে কোরানে ভাল/খারাপের সংজ্ঞাটা একটু ভিন্ন। অনেক সময় কাফের নাসারা বা নাস্তিকদের গ্ণহারে খারাপের দলে ফেলা হয়েছে শুধুমাত্র আল্লাহয় বিশ্বাস না করা বা মোসলমান না হবার জন্য। তারা পার্থিব জীবনে আসলেই ভাল না খারাপ তা বিবেচণা করা হয়নি। এই হিসেবে মাদার তেরেসা হবেন অতি ঘৃনিত, ইয়াহিয়া বা টিক্কা খান তেমন খারাপ না। ধর্মের যেসব তত্ব আমি ব্যক্তিগতভাবে মানতে পারি না এটি তার মধেই একটি।

    “একদিনও কি কেউ আপনার ভাষায় প্রশ্ন তোলেছেন- ‘একজন মানুষ হয় দোষে গূনে মিলিয়ে, এবসোলিঊট কিছু না। ভাল খারাপ যাই সত্য হোক তাই নির্ভয়ে প্রকাশ করা উচিত।’” না, তুলেননি। কারন তাদের ছোটবেলা থেকেই ই জাতীয় প্রশ্ন মাথাতেও যাতে না আসে সেই শিক্ষা দেওয়া হয়। প্রশ্ন করাতো অনেক দুরের ব্যাপার। আমি নিজেইও কোনদিন চিন্তা করতে পারতাম না আপনার বইতে যেসব বর্ণনা দিয়েছেন সেগুলো সম্ভব বলে। হতে পারে এর সব কিছুই হয়ত সঠিক না, যেমন মোল্লারাও অনেক কিছু বানিয়ে বা বাড়িয়ে লিখেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে নাও হতে পারে। কারন অনেক ঘটনাতেও ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহাসিকের ভার্ষনেও বিভেদ থাকতে পারে। যেমন আপনার মতে (আমি জানি অনেক ঐতিহাসিক আপনার সাথে একমত হবেন) মোহাম্মদ যুদ্ধবাজ ছিলেন, লুটপাট করে বেড়াতেন। আবার অন্য কিছু ঐতিহাসিকের মতে তিনি যুদ্ধ করেছেন শুধু আত্মরক্ষার্থে, গনীমতে মাল ভাগাভাগি করেছেন কেবল সে সব যুদ্ধে, নারী দখল করেছেন যুদ্ধে বিধবাদের যাদের স্বামীহারা অবস্থায় পতিতা হওয়া বা আত্মহত্যা ছাড়া অন্য উপায় থাকত না। কোন ভার্ষন সত্য? আমাদের তো টাইম মেশিনে করে সে যুগে যাওয়া সম্ভব না, তাই মনে হয় এখানেও বিশ্বাসের প্রশ্ন আসবে।

    “অভিযোগটা কি তাদের উপর আগে আনা উচিৎ নয়, যারা কোরান এবং হাদিস রচনা করেছেন?”

    আমি অন্তত কিন্তু করেছি, আমি বারে বারে তাদের প্রতি বিরক্ত হয়েছি এবং আমার বিরক্তি চেপে রাখিনি। ধর্ম চোর পুলিশ খেলা হতে পারে না যে একই হাদীস থেকে বেছে বেছে নিজের পছন্দের গুলি পড়ালাম আর যেগুলি প্রকাশ করলে বিপদের সম্ভাবনা সেগুলি বিলকুল চেপে গেলাম। আপনাদের অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয় অপ্রকাশিত সত্য জানাবার জন্য। অন্তত আমি জানলাম হাদীস কি জিনিস। আমাদের কাছে অনেক কিছুই গোপণ করা হয়েছে।

    তবে আপনি নিজে কিন্তু আমার অভিযোগ স্বীকার করে নিলেন, তাই নাই? “তার কি কোন ভাল দিক একেবারেই ছিল না?’ অবশ্যই ছিল। কেন সেদিকে কোন আলোকপাত করলেন না? মনে হয় আপনারা ট্র্যাডিশনাল ইসলামিষ্টদের একতরফা লেখার বিরুদ্ধে বিপ্লব করতে চান। তাই তাদের কায়দাই ধরেছেন।

    আপনার নুতন লেখার অপেখ্যায় থাকলাম।

    • Bright Smile এপ্রিল 11, 2009 at 1:20 পূর্বাহ্ন

      @আদিল মাহমুদ, You always keep saying that there are some good qualities with prophet, how do you know that? Islamists are always expressing his good qualities and you believing that. So there is no need to tell you the same things again and again. We need to know actually what we don’t know yet. That is why Akash Malik wrote “Je Shatta Bala Hoynee”. Writing the good qualities doesn’t compensate the bad qualities. All articles are not necessarily written to explore the characteristics (good and bad) of prophet and also that may not be the target of those articles, just take those articles as a bunch of information (of course authentic) what we don’t know yet. You are a good writer, you can try writing good and bad at the same time, in that case good part will be what we know from our childhood and the bad part what we don’t know yet. It is that simple.

  11. Akash Malik এপ্রিল 10, 2009 at 9:44 পূর্বাহ্ন

    বলার চেয়ে শুনা খুবই ইন্টারেস্টিং এবং নিরাপদ। তাই নীরবে পাঠকদের মন্তব্য পড়ে পড়ে জ্ঞানের শুন্য থলেতে সঞ্চয় করে নিচ্ছিলাম কিছু জ্ঞান। একান্ত বিবেকের তাড়নায় দায়বব্ধতা থেকে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে নীরবতা সাঙ্গ করে সবিনয় কিছু নিবেদন করতে হলো। প্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই ‘মুক্ত-মনা’র প্রতিষ্ঠাতা শ্রদ্ধেয় অভিজিৎ দা কে, যার কল্যানে লেখার জগতে আমার আগমন। অভিজিৎ দা বই সম্মন্ধে অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে যে সকল প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তারপর বলার আর কিছু থাকে না, জ্ঞানীর জন্যে তা’ই যথেস্ট। শ্রদ্ধেয় পাঠক মুরতাদ মামার অভিযোগ নতশিরে গ্রহন করে নিলাম এবং তাঁর অমুল্য উপদেশ দানের জন্যে চির ঋনী রইলাম।
    এবার আদিল মাহমুদ সাহেবেব্র কাছে কিছু প্রশ্ন। তিনি বলেছেন- ‘আকাশ মালিক বা এমন অনেকের লেখা পড়লে মনে হবে নবী মোহাম্মদ কোন ভয়াবহ অত্যাচারী, একনায়ক, নিষ্ঠুর, কামুক, ভন্ড…একজন ঘৃণিত মানুষ। এই বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করা কি মোহাম্মদের প্রকৃত, নিরপেক্ষ, ও পূর্ণ মূল্যায়ন হবে? তার কি কোন ভাল দিক একেবারেই ছিল না?’
    অবশ্যই ছিল, তবে তার চেয়ে অনেক গুন বেশী ভাল দিক ছিল শয়তানের, যিনি এককালে ছিলেন ফেরেশ্তার শীরমনি অনন্য অদ্বিতীয় আবেদ হজরত আজাজীল (আঃ)। কৈ আল্লাহ কিংবা মুহাম্মদের রচিত বই কোরানে তাঁর মুল্যায়ন? তাঁর কি কোন ভাল দিক ছিল না? যে শয়তানের কল্যাণে ইশ্বরের ইশ্বরত্ত, মুহাম্মদের নবীত্ত, যার উছিলায় আপনার আমার আমাদের সকলের এ সুন্দর পৃথিবীতে আগমন, তাকে দিবানিশী জগতের কোটিকোটি মুসলমান যথেচ্ছ গালি দিলে, ভর্থসনা করলে, মাথায় পাথর নিক্ষেপ করলে কি তার যথার্ত মুল্যায়ন হয়? পনেরোশত বৎসর যাবত মুসলমান মুহাম্মদের শুধু ভাল দিকটাই শুনলেন একদিনও কি কেউ আপনার ভাষায় প্রশ্ন তোলেছেন- ‘একজন মানুষ হয় দোষে গূনে মিলিয়ে, এবসোলিঊট কিছু না। ভাল খারাপ যাই সত্য হোক তাই নির্ভয়ে প্রকাশ করা উচিত।’
    অভিযোগটা কি তাদের উপর আগে আনা উচিৎ নয়, যারা কোরান এবং হাদিস রচনা করেছেন? আর আপনার স্টেইটমেন্ট অনুযায়ী মুহাম্মদ কি জগতের শ্রেস্ট মিথ্যেবাদী নন? কারণ আপনার ভাষায় মুহাম্মদ দোষে গূনে মিলিয়ে একজন মানুষ, এবসোলিঊট কিছু না। দোষে গূনে মিলিয়ে একজন মানুষ, নিজেকে নবী বলে দাবী করেণ কেন, কেন এই মিথ্যের আশ্রয়?
    শ্রদ্ধেয় বিপ্লব দা বলেছেন- ‘মানুষ এবং একটা জাতিকে যুদ্ধের জন্যে সঙগঠিত করা, সেই জাতির রিপ্রোডাক্টিভ ফিটনেস বাড়ানো ( লুঠপাট করে অন্যেদের সম্পদ দখল, নারীর গর্ভ দখল, মানুষের সমানাধিকার ও সাম্য, লোভহীন জীবন কাটানো)-এগুলোত মধ্যযুগে দরকার ছিল-যখন বিজ্ঞান ছিল না। উন্নত জীবন ছিল না। মহম্মদ কোরানের মাধ্যমে আরব জাতিকে সেটাই দিয়েছিলেন।’
    ‘তখন বিজ্ঞান ছিল না’ এই অজুহাতে সমাজ সংস্কার, সমাজ পরিবর্তন কিংবা একটি জাতির রিপ্রোডাক্টিভ ফিটনেস বাড়ানোর জন্যে লুঠপাট করে অন্যেদের সম্পদ দখল, নারীর গর্ভ দখল, বৈধ ও গ্রহনযোগ্য হয় কি ভাবে? তাহলে সাদ্দাম, হিটলার, বুশ ও মুহাম্মদের মধ্যে পার্থক্য কি? লুঠপাট করে অন্যেদের সম্পদ দখল করে আবার মানুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা হয় কি ভাবে? অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা? নারীর গর্ভ ছিনিয়ে নিয়ে নারীর সাম্য ও সমানাধিকার? বিস্ময়ভরা পৃথিবীর বড় বিস্ময় তার মানুষ।
    বইটি লেখার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এক কথায় উত্তরটা হলো বইয়ের নাম- ‘যে সত্য বলা হয়নি’ তা বলে দেয়া। সত্যকে সইতে না পেরে যদি কারো বিশ্বাসের জগত ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় তাতে সত্যের কিছু যায় আসে না, অন্ধকারের চিৎকার কোনদিন আলোর কানে পৌছুবে না। সত্যকে গ্রহন করে নেয়াটাই উত্তম সে যতই কঠিন হউক।

    আকাশ মালিক।

  12. ivy এপ্রিল 10, 2009 at 1:52 পূর্বাহ্ন

    @Mr. Adil,

    Salam to you. I have read your articles from Shodalap. You have pretty convincing writing skills. Keep up with the good works. I understand now what you are trying to say about Quran. If my understanding is correct then you tried to say that in this 21 century, Quran, as a manual of social system of life is backdated. But I couldn’t agree with you (the example of eyewitness of rape); though I haven’t study about this yet, but I was looking for the answers. I found some discussion about this in this website: http://free-minds.org/forum/index.php?topic=9597995.0
    I do not want to disscuss it here, because it will make my blog too long. I hope it will help us to realize how language can play with us!

    One more thing, I am disagreeing with your simple math to find out Muhammad’s (s) character. 😀 Another thing is, if Muhammad’s human qualities can’t exceed his time period then why we would accept him as a prophet and why would we believe his “Wahi”? If his behaviors like other regular people then how come he told other people to follow Quran (suggestion: you can read verses from Quran about war, mal e ganimat, how to behave with POW. Those verses descriptions are far different than ahadith descriptions)?

    Here is my thoughts,
    Do we believe that Quran is the revelation of God? If yes, then

    Do we believe that Muhammad (s) is the messenger of God? If yes, then

    We should judge him through Quran, whatever Quran said about prophet and his companions, should believe that not by some hearsay which were collected from some chain of narrators.

    Here is my another thought, if we believe Quran is God’s guidance and gave us to follow ‘It’ as long as human being survives in this earth; then we should be patience and do more research on ‘It’ before we come to any conclusion.

    Thanks. :-))
    Ivy

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 10, 2009 at 11:14 পূর্বাহ্ন

      @ivy apa,

      Thanks for your reply. Thanks for reading my writings too, you may read my recent debate about the BDR tragedy in Shodalap published today.

      Now to our point;

      “….We should judge him through Quran, whatever Quran said about prophet and his companions, should believe that not by some hearsay which were collected from some chain of narrators.”

      Problem is, Quran itself doesn’t deal a whole lot about Prophet Mohammad, or his life style. MOST of prophet’s life style which the muslims follow as sunnah came from the Hadiths in question. So, it is easy to say to follow only Quran, nothing else; but practically it is not possible. If you start preaching this theory openly then I can assure that you would lose your head instantly. Hadiths are so mingled with islam that it is virtually impossible to get rid of the Hadiths.

      Now I see some modern islamists ike Mr. Raihan in Shodalap is trying to propagate this conception as a defense aganist such writings of Akash Malik’s this book in question. Becasue, by saying “we don’t recognize Hadiths..it is not true islamic” it becomes easy to counter with their logic. If they would try to defend hadiths then in other word they have to comply with Akash Malik or SK Mirza..Abul Kashem.

      However, these smart islamist folks intentionally avoid the point that no matter what they say 95% (probably 99%) muslims consider Hadiths as part of the religion. Just …misguided..or they don’t know real islam is not sufficient to explain this confusion.

      ” you tried to say that in this 21 century, Quran, as a manual of social system of life is backdated. But I couldn’t agree with you”

      I fully respect your opinion, but my opinion is more or less like you said. Many ayaths of Quran were written on the background of 600 AD Arab. Like, it clearly mentioned that Men are ahead of Women because they (men) earn money. Do you think it is universally true for all time…region? May be at that time, but not now. Even in muslim major countries like Bd. women have the portential to earn more than their husband. Can you deny?

      Quran also validates sex with the slaves (forgot the sura/ayath). Is it fair today?

      Quran authorizes us to beat (Mridu prohar) our wives. Please don’t take personally, but if your husband obeys this order then would you feel glad that he is obeying Quran literally?

      Finally, without going into details; tell me, do you think that the nations follow Quran more are less happy or doing bad than the nations do not follow Quran? Why not we see Americans or British trying to immigrate into Bangladesh or middle east instead of the opposite real picture? Why in general our level of honesty is lower than the western world?

      Yes, of course Quran also has many great lessons for all, for all time. But, not all of it’s directions are valid for all time, age and region.

  13. ivy এপ্রিল 10, 2009 at 12:53 পূর্বাহ্ন

    @Syed K. Mirza.

    Salam to you. Let me correct you one thing—I am a woman who has no chance to have 72 hooris in heaven. I learned that there is no such word hoori but “hoor” is used in Quran and it is plural. It means intelligent, virtuous companions. Also learned that “haoorah” is feminine gender singular meaning a virtuous, intelligent lady and “ahwar” is masculine gender singular meaning a virtuous, intelligent man.

    When you started writing your opinion in this blog you made the whole environment soiled. We people are expressing our opinion, didn’t put a gun on anybody’s shoulder to believe it. If you don’t agree with us then it is OK but who gave you the authority to name calling? When you use those adjectives to others do you see yourself in the mirror? What a shame! Why can’t you keep your standard? Make comment about the subject not about any person.

    I am not a scholar but whenever I put my comment in the blog I brought Quranic Verse or/and references. I don’t make up stuffs and whenever I say something that is not my opinion I use “I learned” sentece. You rather couldn’t show us any verse from Quran except Sahih Hadith.

    “It is said Imam Hanbal narrated one million (Hadeeths). Al-Ghazzali earned his title hujjat-al-Islam, the authority of Islam, by memorizing 300,000. The accepted authority, Imam Bukhari, after a lifetime’s work, selected about 7,300 from 600,000 in 97 books. Collecting Hadeeths became an Islamic science.” (‘Discovering Islam’ by Dr. Akbar S. Ahmed, page 24).

    You should prove us why we would only believe Tabari’s or Bhukhari’s histories. The chain of narrator of hadith is not enough for the credibility. What was being reported in the name of the Prophet should not get authenticity. The blind followers of ahadith tell us that without ahadith we can’t understand Quran. Those ahadith (about his conjugal life and others), you mentioned in your writing– show us, can explain a single verse of Quran.

    Ivy Ahmed

  14. Sabrina এপ্রিল 9, 2009 at 5:26 অপরাহ্ন

    :-(বইটার জন্য আমি অপেক্ষা করছি, কবে বের হবে? অপেক্ষা আর কত?

  15. Syed K. Mirza এপ্রিল 9, 2009 at 6:43 পূর্বাহ্ন

    Dear Mr. Adil Mahmud,

    I agree somewhat with your opinion about two sided opinion about islam, especially, those devout Mullahs/Islamists write about Prophet Myriads of illusionary appeasements so much so that they almost push him way above the sky to the status of Angels and in some occasions they almost compare him with Allah (God). But you have missed the most valid point that these Islamists mostly write all the goodies about Islam and Prophet Muhammad out of their sheer imaginations and out of excessive eulogy in order to get heaven and to save them form dreadful Islamic hell; but they rarely or never can cite any prudent reference from authentic sources (Koran or hadiths) at all. If you challenge them they will be unable to cite any reference for their claim. On the contrary, the other side (we the Islamic critics) always do critiquing on the basis of true and authentic sources of Koran, Hadith, and Islamic histories. No critic of islam will ever say any negative things about islam or Prophet without any true references, period. Therefore, it is not quite right to say that both groups are extremists. You can not call us extremist because we never say anything out of nothing!

    About your question about Raihan’s challenging me in Sodalap cite, is like somebody scoring many goals in empty field. First of all, I never write or visit Sodalap site at all and if there was any of my write up posted there was by somebody else not by me. Besides, that so called Islamic pundit Raihan is most ugly human being with whom no sane human can do any debate or discourse at all. He is the most ugly, uncivilized and illogical and desperately crazy person with whom I can not debate, sorry. This guy Raihan is without any radar and he has 10 different pseudo names by which he simply keep attacking people left and right in many internet sites. He blames me that I am using many pseudo names; although I never write in any other name except my own name Syed Kamran Mirza (SKM). Hope you understand it now. Thanks.

    SKM

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 10, 2009 at 1:14 পূর্বাহ্ন

      Dear Mr. Mirza,

      Thanks for your patient reply.

      I also agree most of what you said. To discover such writings like these from the Mukto Monas were very shocking for me being a muslim. For the first few months I couldn’t read any entire article believing all are bunches are baseless lies. But later with time I started reading full and what impressed me most is the using so called authentic islamic sources. I really didn’t know what to make of it.

      I curiously read many debates available and though I am not an athiest but I must have to say that the religious writers were able to make very little logical arguments. Probably they also know that well and hence start personal attacking and name calling. To me, their approach is not correct at all. Religion is something that is not based on any logic, so to justify God or religion with respect to science or logic is not wise.

      The reason I said your writing is extreme becasue in my opinion it is also evident that you guys also intentionally avoided something like the traditional islami writers always do. You must acknowledge that the sources you use to descrive the bad sides of Mohammad also has many good stories charecterising the good side of him. Isn’t it?

      Morever, the islamists also use many sources; just they don’t go to the parts of their sources which go against what they try to show.

      I was very excited to see lively debate bet’n you and Mr. Raihan and shocked to know that you aren’t interested. I understand your point, though I think one sided personal bashing is not fair.

  16. আদিল মাহমুদ এপ্রিল 8, 2009 at 6:00 অপরাহ্ন

    Asraf,

    No problem at all.

    To me, it looks odd and certainly raises questions about the one sided writing. On the other hand the traditional islamist writers only write the extremely positive sides of the prophet, no doubt they intetionally overlook the negative or debatable sides of the prophet.

    Both groups are extremists. Both group try to establish their own theory overlooking the overall or what they don’t like to hear.

  17. Syed K. Mirza এপ্রিল 8, 2009 at 5:47 অপরাহ্ন

    To: Ivy or any hypocritical Islamists:

    Akash Malik’s book has authoritatively summarized true stories and nothing but the true stories of early Islam of 7th century period portrayed or established by the prophet Muhammad and his four rightly guided Caliphs—on the basis of most prudent, most authentic, mostly used, highly relevant and divergence of references that are available. Islam was established on the basis of these true histories and billion Muslims do believe exactly the same history. No mullahs or mauolanas will ever disagree with the episodes of Ayesha’s marriage with Prophet Muhammd at the age of 6 and there is nothing which can distort this history.

    It is laughably ridiculous to claim that Ayesha was 42, or 18 (some Islamists claimed) or she was sister of Abu Bakr. By claiming Ayesha a sister of Abu Bakr is blasphemous and punishable by stonning to death by uttering the chorus: Allah-hu-Akbbar!!!

    I challenge Ivy or anybody to bring references from hadiths (sahih or non-sahih, does not matter) or Koran about their ludicrous claims.

    Below are facts from Sahi Hadiths about sexual lusts of the Islamic Holy Prophet:

    About your doubt about Ayesha’s child marriage, below are some rock-hard proofs (Sahi hadiths) that Mr. Ivy and other Islamists simply lied to protect Prophet Muhammad in order to achieve heavenly pleasures (72 Huries and wine) in his after life. Let us examine some Sahi hadiths to know the real truth about the Prophet of Islam:

    About Aisha’s age: History as per Sahih Hadiths from the source of Hazrat Aisha Bint Abu Bakr:

    (1) `A´isha Bint Abu Bakr was Prophet Muhammad’s third wife. `A´isha herself narrated, “The Messenger of God married me in Shawwal in the tenth year after of his prophet hood, three years before the Migration as I was six years old. I was nine years old when he consummated the marriage with me.

    (2) Ibn Hisham narrated that, “Muhammad (pbuh) married Aisha Bint Abu Bakr when she was seven years old and consummated the marriage with her when they were in Medina when she was nine years old (Sahih Hadiths)”.

    (3) Another Sahih Bukhari Hadith: Hazrat Aisha (RA) narrated, ” when Prophet (pbuh) married me I was only six year old at that time. After that we traveled to Medina where I got sick and my hairs were shed due to fever. After I got rid of my sickness my hairs were grown back again. One day while I was playing with my friends in a swing-sets (dolnas) I was called on my mother and when I reached to her she (Mother) held my hand and took me to the door. At that time I was breathing rapidly because I was still tired of swinging with my friends. And I did not understand why I was called here. Then , my mother took me to a room where I saw three helping maids (ansar) who immediately decorated me and handed me over to the Prophet (pbuh), and they left the room. At that time I was only nine- year old. Prophet (pbuh) consummated our marriage that day”.

    (4) Sahih Bukhari hadith: According to Muaallah Ibn Ashad, Hazrat Aisha narrated: “when I (Aisha) asked why he married me? Messenger of Allah said, I saw you in dream twice. I saw (in a dream) you are covered by a silk chaddar and Angel Gabriel told me, here is your wife’. When I removed the silk-chaddar I found you were the woman under the silk chaddar. After that I (Messenger of Allah) said to Angel Gabriel , if this is the wish of Allah then it is of course shall be fulfilled.”

    In the quest of rationalizing Prophet Muhammad’s marriage to A’isha some apologists like to claim that,: “It was Hazrat Abu Bakr who insisted the Prophet to have a permanent relationship in the history of Muslims through his daughter.”

    Let us examine what the history actually tells us, and how Hazrat A’isha Bint Abu Bakr was married with the Prophet:

    Sahih Bukhari Hadith: Uroowaa (ra) narrated, ” Nabi Karim (sa) himself proposed to marry Aisha Bint Abu Bakr while Aisha was only six year old girl. Then, Abu Bakr said, O Messenger of God, I am your brother, how can you marry my daughter ?’ On reply Nabi karim (sa) said, you are my brother only in the religion. Therefore, Ai’sha is halal for me to marry”.

    Sahih Bukhari Hadith: There is another tradition by `Atiyya (ra): “The Messenger of God proposed to marry `A´isha Bint Abu Bakr while she was a little girl. Abu Bakr said, ‘O Messenger of God, can a man marry his brother’s daughter?’ Muhammad replied, ‘You are my brother in my religion.’ Poor Abu Bakr (ra) had no other choice but to accept the proposal and sacrifice his little girl of six in exchange of the chattel of a house, fifty [dirhams] worth, or so.

    Sahih hadiths do exist that describes that, Prophet Muhammad was having sexual strength equal to 50 or (according to some) 100 man ; Or. How Angel Gabriel brought from heaven a “miraculous-drink” for Prophet Muhammad, which made him so strong in sexual power, etc. etc. We can find more interesting untold story by careful delving of those existing Sahih Hadiths.

    Now that I have given some authentic irrefutable historical evidences to substantiate my claim; could Mr. Ivy or other Islamists also give some references to substantiate what they would like to claim? If you can not give any reference then we shall take it guaranteed that you all are pathological liars.

    There are sahih Hadiths available today to prove clearly that Prophet Muhammad married many women for his personal lusts and had sex daily with most of his wives who stayed with him.

    (1) Sahih Bukhari Hadith: Katadha’ha said, Hazrat Anash Ibn Malek (ra) narrated, “Nabi Karim (pbuh) used to have sex with all his wives in the same night. At that time the Prophet had eleven wives”.

    (2) Sahi Bukhari: Aisha used to scent Muhammed to have intercourse with other wives…1.5.270; Volume 1, Book 5, Number 270:

    Narrated Muhammad bin Al-Muntathir: on the authority of his father that he had asked ‘Aisha about the saying of Ibn ‘Umar(i.e. he did not like to be a Muhrim while the smell of scent was still coming from his body). ‘Aisha said, “I scented Allah’s Apostle and he went round (had sexual intercourse with) all his wives, and in the morning he was Muhrim (after taking a bath).”

    The above sahi Bukhari hadiths have clearly disproved what most Islamic apologists/scholars tried to portray with their futile attempt of deception again and again. Islamists try to deliberately distort the historical facts to fool the honorable readers.

    More stories of Prophet Muhammad’s sexual adventures:

    Sahi Hadiths described the following: Shafiyya was paragon beauty and was very young (in her teen) when she was forcibly married by Prophet Muhammad after killing her all relatives including her newly married husband. Shafiyya was first distributed (booty from the battle of Khyber)) to other Islamic soldiers, but when Prophet Muhammad heard about her paragon beauty then he took her for his wife. Aisha was only 6 when she was married and she was extremely beautiful. Reyhana was very beautiful and young Jewish girl (Booty from Banu Quryza). Zainab Bint Jahsh (Muhammad’s adopted son’s wife) was also very young and extremely beautiful for what Muhammad married her by sheer lust. Besides, Prophet of Islam had sex with slave girls (young, most beautiful Maria the Coptic slave), and had sex with many concubines too.

    Next time for your critiquing:

    I urge Mr. Ivy or other Islamic hypocrites to bring references to substantiate what you are claiming from sahih hadiths or early Islamic historian like: Bukhari, Tabari, Muslim, Trimizi, Ibn Kathir, Ibn Ishaq and please not just your lip-service.

    Thanks.

    Syed K. Mirza

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 8, 2009 at 11:54 অপরাহ্ন

      Dear Mr. Mirza,

      Did youn read the recent article of Mr. Raihan in Shodalap regarding the marriage of Ayesha and prophet Mohammad?

      http://shodalap.com/R_ayesha.htm

      In the past few months he also challenged you for some times for an open debate. In my knowledge you didn’t write any reply to his challenge. Can you please explain a bit? He also made many personal remarks not to mention and went unanswered.

  18. আরিফ এপ্রিল 8, 2009 at 3:51 অপরাহ্ন

    আমার মন্তব্যটি কি হারিয়ে গেল-দেখতে পাচ্ছি না যে…

  19. আরিফ খান এপ্রিল 8, 2009 at 2:25 অপরাহ্ন

    বিস্তর সব অসাধারণ মন্তব্যসমূহ রয়েছে এখানে(সহ অন্যান্য আর্টিকেলে)। অনেক ক্ষেত্রেই আমার মূল লেখার চেয়ে মন্তব্য বিনিময়গুলো পড়তেই বেশী ভালোলাগে। কিন্তু কম্পিউটারে পড়া স্বস্তিদায়ক না। এডমিনের কাছে আমার বিনীত দাবী যে, সব মন্তব্যগুলোকে বই আকারে প্রকাশ করা সম্ভব কিনা এবং আমাদের প্রয়োজনের কথা ভেবে এটা করার প্রয়াস চালান যায় কিনা? তাহলে শুয়ে শুয়ে আরামসে তর্কযুদ্ধগুলো পড়া যেত!!

  20. আদিল মাহমুদ এপ্রিল 7, 2009 at 6:27 অপরাহ্ন

    Asraf,

    I read it before.

    You still didn’t get my point.

    “Honesty” can be a relative term. Whoever considered honest at that time may not seem to be 100% honest this days.

    The great honest picture of phrophet for what we know as “Al Amin” wasn’t given on the basis of his ploygamy, child marriage or cruelty in war.

    Does any part of the book suggest that he use to steal money from others? It may suggest that he used to grab the properties of the vanquished opponents after defeating them as Mal e Ganimat, including their women. It doesn’t paint a great humanitarian charachter; however it was nothing abnormal at that time. Very common.

    Yes, this type of writings do avoid the good sides of his character for what I debated with Avijit. If you ead this book then prophet Mohammad will apear only as a pedophile, sex hunger..debauch…power hungry…cruel…imposter . Nothing suggests anything good in him. He has many great well established epics suggest his personal honesty and humanity. Now consider our traditional islamic writers who only write the good sides of his character.

    Do a simple math; add these 2 and divide by…
    What will you use to divide the summation of these 2 will be your own judgement. This will dictate you result.

    • Asraf এপ্রিল 8, 2009 at 11:39 পূর্বাহ্ন

      @Sir আদিল মাহমুদ,

      Thanks for your prompt answer.

      According to you the book reflects the Prophet as a pedophile, sex hunger..debauch…power hungry…cruel…imposter. The book does not say anything about is becoming as “Al Amin”. If the author would say…..? Do you think he might be positive about that tile?

      I will try to follow your good advise.

      Next two days I will be busy for fill up and submit my 29 BCS exam form. I am also busy for my 28th BCS exam written test preparation. Please, don’t feel angry if I don’t answer you promptly. Please pray for me…..Sir. Can I get you personal e-mail address?

      Thanks again….

      Asraf

  21. Asraf এপ্রিল 7, 2009 at 11:27 পূর্বাহ্ন

    @Sir আদিল মাহমুদ,

    I cant understand how you can comment on like this.

    Please read the BOOK………please read the the book.

    There are several points …may be whole of this book tries to prove that Mohammad is a liar, dishonest, vague…….

    Please read the BOOK……..

    Thanks again…..

    Asraf

    • Truthseeker এপ্রিল 8, 2009 at 4:47 পূর্বাহ্ন

      @Asraf,

      Do in this way.

      1. Forget that you belong to any belief system (religious or anything). You are just like a third person have come from another planet to earth.

      2. Do not believe to anyone.

      3. Use your own brain rationally and logically in an unbiased way.

      4. Read all kinds of opinions, views, perspectives etc.

      5. You will form your own opinion.

      6. Now you will get the “Answer.”

      7. The Truth will evolve.

  22. Asraf এপ্রিল 4, 2009 at 11:21 পূর্বাহ্ন

    @ আদিল মাহমুদ,

    Thanks for your nice answer.

    So, I am waiting for a nice, logical and convincing answer form you….Sir Akash Malik.

    Please …….Please…. Sir Answer me.

    Asraf

    • Truthseeker এপ্রিল 5, 2009 at 11:41 পূর্বাহ্ন

      @Asraf,

      I think in this way…..

      Answer is “do good work in real life”.

      “Jibey prem korey jei jon,
      Shei jon shebichey Ishwar”.

      “When we serve anyone,
      We serve God.”

      Love people irrespective of his/her belief system.

  23. ivy এপ্রিল 4, 2009 at 11:01 পূর্বাহ্ন

    To Mr.Rafiq,

    I wrote one of my reply “marrying females of very young ages was already a custom with many peoples, and still is around the world. To marry young girls was not only custom in many people but also is a Jewish custom.”

    It was not my justification. It was a statement where I wanted to tell you that marrying young girl is jewish tradition not muslim tradition; because when Muhammad (s) got married to Aisha, he already got the ‘wahi’.

    The second thing is, I gave some new information what I learned from other sources. It doesn’t mean that I created those information. I gave you the references. May be my presentation wasn’t understandable but how do you think that only Al Tabari and Bukhari wrote the truth and other sources are not beleivable. May be those sources are not known by us for many reasons but I think, other sources are much logical, consistent, and align with the Quran. If Muhammad is th prophet and Quran is Allah’s guidance then how come he ignored all the commands are written in Quran. Bhukhari’s ahadith are well known, doesn’t mean that these are all true. Ahadith are gatherd at least 150 years later after the death of Muhammad (s); but people described Muhammad (s) family matters and conjugal life so vividly even after 150 years later, really surprised me. And all those ablution, wudu, nikah ahadith showed Muhammad (s) a shamless leader who suddenly started womanizing in his late forty’s. But the same Muhammad (s) in his young age, was popular for his truthfulness and honesty. One hadith told that he had 9 wives, another said 11 wives and he used to spend the night with all of them and another hadith said he had power of 30 men. When think all these hadith together does it make sense? Can a man sleep with at least 9 women in one night? Which doctor did check Muhammad’s libido? Who did spread his personal information? Can conjugal life information be under religious information? Sunnah means follow one’s ideology not immitating one’s life. Without knowing his sex life can’t we become muslim or are those really neccessary information for our day to day life? Didn’t Allah say in Quran that the Muhammad (s) was a regular human being with a strong moral?

    My last thought is, now we live in mass communication era. Any information can be found through different medias. Pick a famous person (any from religious, politics, or movie stars—hollywood, bollywood) and think is it possible to get some information about their very private life like how they do sleep, make love with partners? How about Bush or Obama, or Hasina, or Khaleda Zia–do we know about their bed room stories? If not, then tell me how is it possible 1400 years back? ?:-) ?:-) :lying: 😯

    Thanks.
    Ivy

    • Mufakharul Islam এপ্রিল 4, 2009 at 10:59 অপরাহ্ন

      @ivy,
      Apa koite chaan ki?

      I like to ask you few questions

      1. Is it possible to accept Quran with 90% ?

      2. Is it possible to accept Mohammad as a average human being?

      *****************************
      You see Ivy dee its too easy to be religious and complete the checklist for heaven..just reading Quran without knowing a single word written on black and white…Its hard to reject….you have to know huge….

      **********************************

      Finally


      Kothai Shorgo Kothai Narak
      ke bole ta bohudur
      Manusher majhei shorgo narak
      Manusher majhei shurashur

      Ripur taronaye jokhoni moder
      bibek paye goo loyee
      Attao glanee norok onolee
      tokhonee puritee hoyeee…

      Priti prem aree purnoo nadhonee
      jobe milee poroshporee
      SHORGO ashiyaa darayee tokhon
      moderi kuree ghoree……..

      For a better tomorrow………

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 6, 2009 at 9:37 অপরাহ্ন

      @ivy,

      Your logic is very good.

      The more I learn about our religion (thanks to the ones like mukto mona) the more enraged I am becoming. BY the name of religion we were forced to digest a bunch of lies, manmind rituals just based on some blind belief. No wonder we are behind everyone else.

      Just imagine how powerful the force of hadiths in the muslim world. Do you think that they can get rid of the hadiths? Or can anyone dare to say, well the hadiths that go towards the prophets are only acceptable and the ones go aganist him are rejected? This will sound ridiculous too. I don’t believe that we can ever get rid of Hadiths, like some modern scholars propose. Then there will be a upside down in the muslim world and they can’t accept it.

      If, anyones like Taslima, Or Akash Malik write such articles based on pure islamic source (like the hadiths that 99% muslims follow) then we shouldn’t price their head; rather we must thank them if we are really honest and truthful like we claim. Religion can’t be cat and mouse game or should have a least confusion.

      Finally, so far I didn’t see any writing here that questions prophet Mohammad’s honesty. Ofcourse they wrote many many articles on his marital/sexual life..may be his cruelty but nothing indicating his personal honesty (Al Amin).

      • Asraf এপ্রিল 7, 2009 at 9:20 পূর্বাহ্ন

        @Sir আদিল মাহমুদ,

        Can I say you something? Though I know you know much more better than me.

        “I didn’t see any writing here that questions prophet Mohammad’s honesty”- do you think its correct? Please sir read again…‘যে সত্য বলা হয়নি’ , then justify your comment.

        Please answer me………

        Thanks again

        Asraf

        • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 7, 2009 at 10:34 পূর্বাহ্ন

          @Asraf,

          This book or other similar articles written here may appear to paint an obnoxious view of the prophet but yes, they don’t say that he was dishonest.

          All these articles say about his marital life, marriage of under aged Ayesha hunger for power, some cruelty…Even if all of these can be proved; not suggest that he was a bad or dishonest person. All of such charecteristics were very common at that time. None would anything wrong in marrying a 10 year old girl or keeping 10 wives together, or keeping sex partners from the prisoners of war, or mass killing of prisoners of war. At best it can be concluded that he wasn’t ahead in human qualities in all aspects compared to others at that time, meaning he wasn’t ahead of his time always. Not all of his activities or his entire life style can be followed this days.

          BUT, nothing suggest that he was not Al amin. Al amin wasn’t given to him by the Quareyish for sexual or marrital life. It was given to him because he was extremely faithful. Am I clear?

    • Bright Smile এপ্রিল 10, 2009 at 11:52 অপরাহ্ন

      @ivy, Yes you are true that it is not possible to get 1400 years back stories. That is why our life- styles should not be based on those 1400 years back stories. Just follow the logic.

  24. আদিল মাহমুদ এপ্রিল 4, 2009 at 10:08 পূর্বাহ্ন

    Asraf,

    What is belief to you; unfortunately appears to be a great hoax or fraudulent to some. They may feel it is their responsibility to clarify this to you. Say, you found someone who believes that the earth is flat, what would you do? Let him go with his belief or would try to convince him with proof that his belief is wrong?

    Anyway, his ultimate goal can be best described by him. Not any of us.

  25. Asraf এপ্রিল 2, 2009 at 1:42 অপরাহ্ন

    I am a new reader.

    Thanks for writing this book through hard labor and honest trying.

    But I cant understand one thing. There are so many divisions in this world.

    Why you make more divisions through this types of wrttting?

    Why you try to break my world of belief?

    What is your ultimate goal?

    Thanks again—-

    Asraf

    • Truthseeker এপ্রিল 2, 2009 at 6:59 অপরাহ্ন

      @Asraf,

      Critical analysis of any topic/issue is fine. The author has worked on an issue, analyzed things, and written this book. That is fine. Every person is different. 6 billion people on earth. So, author is not creating any division. Since, 6 billion people are different, so there can be 6 billion different groups/division based on individual opinion. Accepting the differences, Universal humanism should be embraced irrespective of various opinions of 6 billion people. The author is doing fine.

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 3, 2009 at 1:50 পূর্বাহ্ন

      @Asraf,

      Everyone has his/her way of expressing. Lets say, you ask 10 students to write an essay on cow. Would you expect to see the same text, descriptions, and paragraphs (meaning organization)? Certainly not.

      What’s his goal? Not sure. Writer is the best to answer.

      To me, it is more important that how much can I learn (of course has to be authentic) rather than diggng what’s his goal.

      • Truthseeker এপ্রিল 3, 2009 at 3:20 পূর্বাহ্ন

        @আদিল মাহমুদ,

        You have a good answer. If we can learn anything out of this. More knowledge, and more enlightenment 🙂

      • Asraf এপ্রিল 4, 2009 at 8:31 পূর্বাহ্ন

        @আদিল মাহমুদ & Truthseeker,

        Thank you very much for your answers to me.

        Both of you are right, clear and confident in your answers.

        But I don’t get all my questions answer.

        Please…….Please…make me clear about these issues…….

        Why the author try to break my world of belief?

        What is his ultimate goal?

        Thanks again….

        Asraf

    • Bright Smile এপ্রিল 4, 2009 at 2:19 পূর্বাহ্ন

      @Asraf,

      Because beliefs are creating divisions, there are many beliefs existed in this world, so in my opinion, follow logics instead of beliefs which will actually make few divisions in the world, because beliefs don’t have limitations but logics certainly do have.

      • Asraf এপ্রিল 4, 2009 at 8:37 পূর্বাহ্ন

        @Bright Smile,

        Thanks… Sir …for your nice answer.

        Do you think only logic can solve all problems?

        Please answer me briefly ………

        Thanks…

        Asraf

        • Mithoon এপ্রিল 9, 2009 at 11:55 অপরাহ্ন

          @Asraf,

          yes you are right. Only logic cannot solve every problem. thats because we have not still revealed the complete knowledge of science. But what truth is that to solve a problem you have to analyze the problem logically. In this world there is no scope of happening any kind of miracle illogically. in this world none has the power of violating the laws of physics. Even though the almighty Allah had created this nature, it is mandatory for him to obey the rules of nature. Though we think that he is the most powerful, he has not enough power to violate the rules of science and nature.

        • Bright Smile এপ্রিল 10, 2009 at 11:37 অপরাহ্ন

          @Asraf, Nothing can solve all problems in this world..you and probably all know that. Only beleif may make you think that may be something is perfect in this world, but when your beleifs are based on logic you know that nothing is perfect in this world.

  26. ivy এপ্রিল 1, 2009 at 7:53 অপরাহ্ন

    @আদিল মাহমুদ,

    You asked me why I did write that in this world now only 5-10% people follow the true Isalm and and others just follow the man-made rituals

    My understading is, today Islam is only limited in prayers, growing beards or covering the heads, going to hajj, and pay charity (I don’t eve say it Zakat) in Ramadan month. We think that as long as we pray five times we are safe and fulfilling the obligations of Allah. Hajj has objective as the Quran explains; the Quran itself clearly says that its goal is unity of the people. It is obvious that continuous struggle is required for the establishment and consolidation of a system of law and equity. For this purpose, objective of the pilgrimage is to arrange regular and intermittent meetings, such as Hajj and Umra. People from all over the world would get together there and devise ways to make the world a better place to live. But muslims have reduced them into rituals. There is no mention of kissing the black-stone in Kabah, any holiness about the ZAM ZAM water, or that of throwing rocks at the three pillars signifying Satan. We think that we are dwelling here (on earth) only for personal salvation. But Islam is Deen means system of life or the way life should be. Islam is a complete code of life which offers its own social, political and economic systems to guide human behavior. Verse says (13:17) that — “The real existence on earth is of the one who benefits mankind“.

    We muslims are the slave of man-made laws and ideas, and have deviated from the Laws of Allah in the Quran and Nature. We have made the Quran immobilized. It becomes of no account so people can desert its message.
    “The Quran is complete and detailed”. [2:2, 6:38/112-116/126, 12:111, 41:3, 4:87, 7:185, 31:6, 39:23, 45:6, 77:50]

    Would you please mention me in which verse or verses of Quran said that not to use the DNA test?
    I like to see its own linguistic meanings and cross-reference context.

    You wrote,”the other hand decline to accept that not all of the verses or directions written in Quran are applicable today. That is self decieving and hypocritic.

    I do not want make myself hypocrit. That is why I am still learning and do like to face it and did not gave up. One question from me, ‘from where does this beleive (not blind) come? or how?’

    Thanks.
    Ivy

    • আদিল মাহমুদ এপ্রিল 2, 2009 at 2:22 পূর্বাহ্ন

      Dear ivy,

      Thanks for your well phrased reply. I appreciate your patience greatly.

      About only 5-10% true muslims; I posess excatly the same feeling as you expressed. What I see since my birth that we the muslims feel and express great pride in calling us muslims whereas in reality we only follow some blind rituals. Nothing much to reflect in real life. Especially our so called religious leaders led us in this way, and with addition most of them use to teach us extremism, radical islam, and to hate the non-muslims. Result is day by day we are being isolated from the rest and struggling like an identiy less nation. Sometimes I feel just astonished to see the true faces of us in real life who claim ourselves as the best mankind and use to undermine all others. You may read the last few para in this article written by me:
      http://shodalap.com/AM_momin.htm

      About the DNA test; no, I never ever claimed that Quran forbid us to use DNA evidence in court. Did I? This may be my fault that I couldn’t express my point to you. My point was to show that contrary to our (majority muslim belief), Quran can’t be followed 100% in all time. Some of it’s verses and directions were valid at the ancient time, some were specifically valid in the then Arab tribes, some were even emerged as directions to our Prophet’s personal life. My point? Not all verses and directions of Quran are applicable to all time and all age. How many muslims can accept this simple truth? If we want to follow only Quran in daily life then we mustn’t accept any DNA evidence in rape case. As long as we don’t have 3/4 eye witness (as directed in Quran, forgot the actual number now) we mustn’t even decide that there is any rape. The lady in question then must be punished for Jina (remember Pakistan just few years back gave capital sentence to a lady who failed to prove rape according to their Sharia law).

      My entire point was, in this erra; about conviction in rape case we have to rely much more on sceintific DNA analysis rather than what Quran had directed. I’m sure many “Saccha” muslims in my own country would declare price for my head just because of this statement. And hence we lost the respect from the rest of the world.

      Similar hypothesis can be drawn about the hadiths. In muslim world it is a common belief to follow the Sunnah, Rasule tarika. What ever our prophet used to do or had done 1500 years ago we are supposed to follow. Again the same thing. At that time marrying a 9 years old wasn’t odd, that was well accepted, but now it would be real odd and would be un acceptable. Many other examples can be quoted.

      “One question from me, ‘from where does this beleive (not blind) come? or how?’

      – I didn’t get this question. I may try if yo clarify more.

      Thanks again.
      Adil

  27. Truthseeker এপ্রিল 1, 2009 at 7:11 পূর্বাহ্ন

    The World has tasted “Islam, the Religion of Peace”. Those who are ardent followers Islam, we request them to publish the correct version of Quran with correct version of Sura and Ayat, and reject the incorrect version. That will end all the confusion. It will be a good step towards peace. It may help to bring a secular democracy, hopefully!??

  28. মুরতাদ মামা মার্চ 31, 2009 at 9:37 অপরাহ্ন

    আমার যে কারণে বইটা ভাল লেগেছে তা হল, মুহম্মদ (দঃ) আর খলিফাদের যুদ্ধগুলোর ক্রনোলজি এতে বর্নিত হয়েছে। চতুর্থ অধায়ে (page 12-13) ইসলামের নামে যুদ্ধগুলোর একটা তালিকা দেয়া আছে –

    ৬২৩ খ্রীস্টাব্দ – বোয়াতের যুদ্ধ
    ৬২৩ খ্রীস্টাব্দ – কাহারের যুদ্ধ
    ৬২৩ খ্রীস্টাব্দ – ওয়াদ্দানের যুদ্ধ
    ৬২৩ খ্রীস্টাব্দ – সাফওয়ানের যুদ্ধ
    ৬২৩ খ্রীস্টাব্দ – জুল আশিরের যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – নাখালার যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – বদরের যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – বনি সালিমের যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – ‘ঈদ-উল-ফিতর’ এবং ‘জাকাত উল ফিতর’-এর যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – বনি কায়নুকার যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – বনি সাওয়িকের যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – ঘাটফানের যুদ্ধ
    ৬২৪ খ্রীস্টাব্দ – বাহরানের যুদ্ধ
    ৬২৫ খ্রীস্টাব্দ – ওহুদের যুদ্ধ
    ৬২৫ খ্রীস্টাব্দ – হামরা-আল আসাদের যুদ্ধ
    ৬২৫ খ্রীস্টাব্দ – বনি নাদিরের যুদ্ধ
    ৬২৫ খ্রীস্টাব্দ – জাতুর রিকা যুদ্ধ
    ৬২৬ খ্রীস্টাব্দ – বাদরু উকরা যুদ্ধ
    ৬২৬ খ্রীস্টাব্দ – জুমাতুল জানদালের যুদ্ধ
    ৬২৬ খ্রীস্টাব্দ – বনি মুস্তালিকের যুদ্ধ
    ৬২৭ খ্রীস্টাব্দ – আহজাবের/ খন্দকের যুদ্ধ
    ৬২৭ খ্রীস্টাব্দ – বনি কুরাইজার যুদ্ধ
    ৬২৭ খ্রীস্টাব্দ – বনি লাহয়ানের যুদ্ধ
    ৬২৭ খ্রীস্টাব্দ – ঘাইবার যুদ্ধ
    ৬২৭ খ্রীস্টাব্দ – খাইবারের যুদ্ধ
    ৬২৮ খ্রীস্টাব্দ – হুদায়বিয়ার ক্যাম্পেইন
    ৬৩০ খ্রীস্টাব্দ – মক্কা দখল
    ৬৩০ খ্রীস্টাব্দ – হানসিনের যুদ্ধ
    ৬৩০ খ্রীস্টাব্দ – তাবুকের যুদ্ধ

    ৬৩২ সালে মুহম্মদ (দঃ) মৃত্যু। আবু বকর (রাঃ) প্রথম খলিফা । তার নেতৃত্বে যুদ্ধগুলো ছিলো –

    ৬৩২ খ্রীস্টাব্দ- ওমান (দাবার যুদ্ধ), ইয়েমেন, ইয়ামাহ এবং উত্তর আরবের যুদ্ধ।
    ৬৩৩ খ্রীস্টাব্দ- সিরিয়া, মাহারা, হাদ্রামাউত, কাজিমা, ওয়ালাজা, উলিস এবং আনবারের যুদ্ধ।
    ৬৩৪ খ্রীস্টাব্দ- পারশিয়া, সিরিয়ার যুদ্ধ, বাসরা, ডামাস্কাস এবং আজনাদিনের যুদ্ধ।

    ৬৩৪ সালে আবু বকর (রাঃ) মারা গেলে, মুহম্মদের আরেক শ্বশুর এবং সহযোদ্ধা হজরত ওমর (রাঃ) খলিফা হন।
    তার সময়ে ওমরের নির্দেশে যুদ্ধগুলো –

    ৬৩৪ খ্রীস্টাব্দ- নামারাক এবং সাকাটিয়ার যুদ্ধ।
    ৬৩৫ খ্রীস্টাব্দ- ব্রিজ, বুয়াইব, দামাস্কাস এবং ফালের যুদ্ধ।
    ৬৩৬ খ্রীস্টাব্দ- ইয়ারমুক, কাদিসিয়া এবং মাদাইনের যুদ্ধ।
    ৬৩৬ খ্রীস্টাব্দ- জালুলার যুদ্ধ।
    ৬৩৮ খ্রীস্টাব্দ- ইয়ারমুক, জেরুজালেম এবং জাজিরার যুদ্ধ।
    ৬৩৯ খ্রীস্টাব্দ- খাজিস্তান এবং মিশরের লড়াই।
    ৬৪১ খ্রীস্টাব্দ- নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ।
    ৬৪২ খ্রীস্টাব্দ- পারশিয়ার যুদ্ধ।
    ৬৪৩ খ্রীস্টাব্দ- আজারবাইজানের যুদ্ধ।
    ৬৪৪ খ্রীস্টাব্দ- ফার এবং খারানের যুদ্ধ।

    হজরত ওমর ৬৪৪ সালে নৃশংসভাবে নিহত হবার পর হজরত উসমান (রাঃ) খিলিফা হিসেবে ইসলামের নামে
    যুদ্ধ চালিয়ে যান –

    ৬৪৭ খ্রীস্টাব্দ- সাইপ্রাসের যুদ্ধ যুদ্ধ।
    ৬৫১ খ্রীস্টাব্দ- বাইজেন্টাইনের লড়াই।
    ৬৫১ খ্রীস্টাব্দ- উত্তর আফ্রিকায় ইসলামের বিস্তার।

    খলিফা উসমানকেও হত্যা করা হয় ৬৫৬ খ্রীস্টাব্দে। হজরত আলীর ক্ষমতা লাভ।
    এ সময় মুসলিমরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পর-

    ৬৫৬ খ্রীস্টাব্দ- হজরত আলী এবং মহানবীর স্ত্রী আয়েশার মধ্যকার ‘জামালের যুদ্ধ’ ।
    ৬৫৭ খ্রীস্টাব্দ- হজরত আলী এবং মুয়াবিয়ার মধ্যকার ‘সিফফিনের যুদ্ধ’।

    এ ছাড়া আরো যে ক’টি যুদ্ধ হজরত আলীর সময়ে সংগঠিত হয় বলে আকাশ মালিক বর্ণনা করেছেন সেগুলো হল –

    ৬৫৮ খ্রীস্টাব্দ- হজরত নাহরোয়ানের যুদ্ধ।
    ৬৫৮ খ্রীস্টাব্দ- মিশরের যুদ্ধ।

    হজরত আলী ৬৬১ খ্রীস্টাব্দে বিষাক্ত ছুরিকাঘাতে নিহত হলে, ক্ষমতা যায় মুয়াবিয়র হাতে । তার পর থেকে যে যুদ্ধের তালিকা দেয়া আছে তা হল-

    ৬৬২ খ্রীস্টাব্দ- মিশর ইসলামের পদানত।
    ৬৬৬ খ্রীস্টাব্দ- সিসিলি আক্রমণ।
    ৬৬৭ খ্রীস্টাব্দ- কনস্টানটিপোল আক্রমণ।
    ৬৮৭ খ্রীস্টাব্দ- কুফার যুদ্ধ।
    ৬৯১ খ্রীস্টাব্দ- দের-উল-জালিকের যুদ্ধ।
    ৭০০ খ্রীস্টাব্দ- উত্তর আফ্রিকায় সামরিক ক্যাম্পেইন।
    ৭০২ খ্রীস্টাব্দ- দের-উল-জামিলার যুদ্ধ।
    ৭১১ খ্রীস্টাব্দ- স্পেন আক্রমণ
    ৭১২ খ্রীস্টাব্দ- সিন্ধুর লড়াই।
    ৭১৩ খ্রীস্টাব্দ- মূলতানের লড়াই।
    ৭১৬ খ্রীস্টাব্দ- কনস্টানটিপোল দখল।
    ৭৩২ খ্রীস্টাব্দ- ফ্রান্সের যুদ্ধ।
    ৭৪০ খ্রীস্টাব্দ- নোবেলের যুদ্ধ।
    ৭৪১ খ্রীস্টাব্দ- উত্তর আফ্রিকায় বাগদুয়ারার যুদ্ধ।
    ৭৪৪ খ্রীস্টাব্দ- আইন আল জারের যুদ্ধ।
    ৭৪৬ খ্রীস্টাব্দ- ড়ুপার ঠাত্তার যুদ্ধ।
    ৭৪৮ খ্রীস্টাব্দ- রেয়’র যুদ্ধ।
    ৭৪৯ খ্রীস্টাব্দ- ইশফাহান এবং নিহাওয়ান্দের যুদ্ধ।
    ৭৫০ খ্রীস্টাব্দ- জাবের যুদ্ধ।
    ৭৭২ খ্রীস্টাব্দ- উত্তর আফ্রিকায় জানবির যুদ্ধ।
    ৭৭৭ খ্রীস্টাব্দ- স্পেনের সারাগোসার যুদ্ধ।

    এই ক্রনলোজিটা টপ টু বটম আমার জানা ছিলো না। এই যদি ‘শান্তির ধর্ম’-এর অবস্থা হয়, তা হলে ‘যুদ্ধের ধর্ম’ কইবেন কারে?

    এই বইটা ইসলামের আর মহানবীর এক ঐতিহাসিক দলিল। শুধু তাই না, মক্কায় নাজিল হওয়া আয়াত আর মদিনায় নাজিল হওয়া আয়াতের তুলনামূলক আলোচনা আছে প্রথম চ্যাপ্টারে (পেইজ – ২৮ -৩০)। এ ছাড়া আছে, ইসলাম কি পৌত্তলিকতামুক্ত কিনা, কিংবা মুহম্মদ (দঃ) সত্যি নিরক্ষর ছিলেন কিনা, কোরানের সংকলক সাদ কেমন করে মুরতাদ হয়ে গিয়েছিলেন কিংবা মুহম্মদ কিভাবে ইম্রুল কায়েসের কবিতা থেকে আয়াত বানিয়েছিলেন – এগুলোর চমৎকার বর্ণনা আর আলোচনা। বইটা সবারই বইটা পড়া উচিত। আমার মনে হয় না বাংলায় এ ধরণের বই এর আগে লেখা হয়েছে।

    আমার যে জিনিসটা পছন্দ হয় নাই তা হল বইটা ছোট। চ্যাপ্টারের সংখ্যা কম। এ ধরণের গবেষণাধর্মী বই এর আকার আরো বড় হওয়া উচিত। আর এ ধরনের বইয়ের উপসংহার থাকা উচিত। লেখকের মুখবন্ধও আরো বড় হওয়া উচিত। বানানও ভুল আছে বেশ কিছু জায়গায়। ভাষাও আরেকটু একাডেমিক হওয়া দরকার। ইন্টারনেট ভার্শনের জন্য হয়তো ঠিক আছে, কিন্তু ছাপার অক্ষরে বের হবার আগে লেখক এগুলো ঠিক করবেন বলে মনে করি।

  29. ivy মার্চ 31, 2009 at 8:11 অপরাহ্ন

    Mr. Rafiq,
    You wrote:
    Without reading Hadith you will not know how you will do your prayer, how you will do your Ozu, when you will take your Seheri etc. Quran does not have any detail information. On lighter note, if you do not believe in anything except Quran, then may I ask you, do you believe that Dinosaur or emperor Ashoke ever existed? Quran did not mention that. You should not believe in Royal Bengal tiger, internet, IPhone and hundred and thousands and million of things.

    My question is—
    Which Hadith book should I follow—Sunni’s six books or shia’s four books or by default in which sect I was born? Would you please tell me which hadith or ahadith explains how to pray?

    You will see in the Qura’n, it already explained how to do our ozu and the time of sehri. I did not get it how on earth if I only rely on Qura’n but denies hadiths have a correlation with the Dinosaur?

    Here is an article IMAMS: THE STALWARTS OF ISLAM IN MUTUAL COMBAT by Shabbir Ahmed where you will find some interesting information.

    It will be impossible to find a single book about the ‘Imams’ without lofty prefaces or introductions by the publishers, editors and compilers. These are filled with fabricated accounts of the Imams’ miraculous memories, marathon worship sessions, superhuman qualities, incredible extent of self-denial, and angelic character. The idea is to portray the ‘Imams’ as infallible beings and give the Criminals some credibility.

    It is often claimed and vehemently propagated by our clergy that the highly regarded Muhaddithin, jurists, commentators and historians (the ‘Imams’) of Islam were very respectful to one another and they had a very cordial mutual relationship. Let us examine the truth:

    There were grave disputes between Imams Shafi’i, Abu Hanifa, Malik, Hanbal and Sufiyan Sauri. Whoever uttered much nonsense was called a Faqih (enlightened jurist). (Shah Waliullah, Hujjatullah Al Baligha Pg 254)

    The so-called Imams were all children of bondwomen. They destroyed Islam just as the children of bondwomen had destroyed the Israelites. (Safyan Sauri, Khateeb 13:394)

    Out of the scores of mutual indictments of the ‘Imams’ , the following few are worthy of a glance in Tareekh Khateeb Baghdadi, Vol 13 pp 390 to 396, Pg 498 on, and Vol 14 Pg 257 on.

    The mischief of Imam Abu Hanifa for the Ummah is no less than that of Dajjal. According to Imam Abdur Rahman Mehdi, his Fitna is greater then that of Dajjal, the anti-Christ.

    Safyan Thauri and Imam Auzaa’i said, “No one as reprehensible as Abu Hanifa has been born in Islam.”

    Abu Hanifa called Imam Ja’far Sadiq and Imam Malik as the worst of creations.

    Imam Shafi’i called Abu Hanifa the worst of creation.

    Imam Abu Yousuf declared Imam Abdullah bin Mubarak a great sinner. Abdullah replied, “Abu Yousuf is a greater sinner and a greater liar.”

    Imam Ahmad bin Hanbal said, “I agree with what you are telling me, but if Abu Hanifa supported it, then I reject it as nonsense.”

    Abu Hanifa and Imam Ahmad bin Hanbal were “Munkireen” (deniers) of Hadith.

    A person told a Hadith on behalf of Imam Malik to Abu Hanifa that wudhu (ablution) is half of faith. Imam Abu Hanifa responded, “You should perform two ablutions so that your faith can become whole. (Khateeb Baghdadi 13:387). This one makes sense.

    Abu Hanifa should have been flogged since he accepted only 17 Ahadith. (Khateeb 13:387)

    Note: The complete name of the oft-quoted book below, Tahqiq-il-Mazahib, is Gharaib fil Tahqiq-il-Mazahib Wa Tafhimul Masaail.

    Abu Hanifa declared that Imam Malik was a man without any sense. (Tahqiq-il-Mazahib)

    Imam Ja’afar Sadiq was an ugly blot on Islam according to Ahmad bin Hanbal. (Tahqiq-il-Mazahib)

    Imam Naafe’ said, “Imam Shafi’i committed the most grievous crime, calling Hadith as another form of revelation. He equated Hadith with Wahi. (Tahqiq-il-Mazahib). This one is quite right.

    Imam Shafi’i and Imam Malik were sodomites and catamites.” (Tahqiq-il-Mazahib). A Mullah at large from Deoband (“Maulana” Yousuf Islahi), these days begins his address by declaring Imam Shafi’i as his hero.

    Imam Shafi’I, being a great forger, is totally unreliable. (Imam Yahya Bin Moin in Jama’ Bayanul ‘Ilm)

    Abu Hanifa had no trace of the knowledge of Deen. (Imam Ahmad Bin Hanbal, Khateeb Baghdadi 13:396)

    Imam Ahmad bin Hanbal was apparently a vanguard of Islam, but in truth, he was a dangerous hypocrite. Mujahid-al-Munafiq Imam Ahmad bin Hanbal, by Abdul Muhsin bin Mullah Ali Al-Qari, Pg 67)

    Abu Hanifa is no less than Iblees and Dajjal. (Imam Malik, Khateeb Baghdadi 13:396)

    The worst of all people in Islam is Abu Hanifa. He is Dajjal. (Abdur Rahman Bin Mahdi, Imam Ozaa’i, Khateeb Baghdadi 13:498)
    Imam Yahya bin Moin said that Iman Hanbal was a hidden Sabai (a bitter, hateful Shi’a). (Tahqiq-il-Mazahib)
    The Sacred Tank of water, Intercession, Angels questioning in the grave, Doom of the grave, Returning of souls in the grave, are truths beyond doubt. But Imam Bukhari said, “If Hanbal says that, it is all nonsense.” (Tahqiq-il-Mazahib)

    Abu Hanifa says, “Be the curse of Allah on those who call themselves Imams… Imam Malik, Shafi’i and Ja’far Sadiq were deceitful liars and sodomites. (Tahqiq-il-Mazahib)

    Abu Hanifa said that the ‘Imams’ of Islam are worse than the crawling creatures. (Durre-Mukhtar)
    Imam Ja’far Sadiq himself was a master forger, but he called all Imams of Figh and the hadith narrators as the worst creatures under the heavens. (Tahqiq-il-Mazahib)
    Imam Abu Yusuf said that other Imams were insects compared to Imam Abu Hanifa. (Fatawa Alamgiri)
    Jalaluddin Rumi narrated in his Mathnavi, “These four (Abu Hanifa, Malik, Hanbal, and Shafi’i) have carved four religions out of one Islam. They have created irreconcilable divisions in the Deen of Nabi (S).”

    Did you see what the “great” scholars and Imams thought of each other? Where is their mutual harmony? We believe it was necessary to expose the truth. It is important to break the ‘Idol of Unassailable Scholarship’ that exists even today among the Ummah. That is the only way to free our minds from blind reverence and following. Let us not be dazzled by this extravaganza, rather examine their “greatness” with a critical mind in the Light of the Quran.”
    🙂 :-))

    Thank you for your inquisitive mind.
    Ivy

  30. Mufakharul Islam মার্চ 31, 2009 at 3:30 অপরাহ্ন

    To All Muslims reading this comments:

    Is it possible to accept Quran with 99.99% Accuracy?

    Is it possible to accept Mohammad as 99% perfect man for all time?

    The answer is NO….Gave Over……

    For more explanation please read:
    1. The Holy Quran
    2. All Shahi Hadith
    3. History of Islam from all sources.
    4. Last but not the least THINK WITH YOUR NUTRAL HEAD…[Whether you sold it to Allah as limited to think more OR you think its evolved from nature and matured by practice and learning’s]

    Thanks Avijit Bhai, Biplob Bhai, Ivy Dee…and..others for wonderful discussion on more wonderful book written by Akash Daa….

    Dipu/Dhaka/Bangladesh

  31. রফিক মার্চ 31, 2009 at 8:52 পূর্বাহ্ন

    Sorry that I was not following the forum for some time. I saw Mrs Ivy gave a response to my reply:

    Ivy wote:

    Hadith of Bukhari tells us that a girl can have Nikah (the marital contract) at 6 and the marriage can be consummated at age 9 since the exalted Prophet did that with Hazrat Ayesha! Marrying females of very young ages was already a custom with many peoples, and still is around the world.

    if you think this is the justification of of marrying Aysha when she was just six, and our prophet was about 50 then I have nothing to say. If it is not child abuse, then what is it?

    I am sure you will also justify Muhammad’s other prophetic acts too. such as,

    * Muhammad took a beautiful woman, named Rayhana, as his own concubine after his attack on Banu Quraiza. He took her to bed on the same night after slaughtering his relatives. How prophetic act was it?

    * Same thing happened for another girl jewish Shafia, Kinana’s seventeen-year-old beautiful wife after his attack in Kayber. Prophetic traditions inform us that Safiya had initially fallen to the share of Muhammad’s Jihadi comrade Dihyah b. Khalifa al-Kalbi. When someone informed him of her exquisite beauty, worthy of the Prophet only, Muhammad wanted her for himself, as says Muslim 8:3329 (also Bukhari 5:512): ‘Anas, (Allah be pleased with him) reported: Safiya (Allah be pleased with her) fell to the lot of Dihyah in the spoils of war, and they praised her in the presence of Allah’s Messenger (may peace be upon him) and said: We have not seen the like of her among the captives of war.’ Hearing this, Muhammad ordered that Dihyah and Safiya be brought to his presence. When the Prophet looked at her, he said to Dihyah, ‘‘Take another slave-girl from the captives.’ I am sure you will start justifying this prophetic act.

    * What about her scandalious marriage to Zainab? Muhammad fell in love with Zainab, daughter of Jahsh, while she was the wife of Zayd bin Harithah, his own adopted son. Once, when he passed by the house of Zayd in the latter’s absence, he was met by Zainab wearing clothes which exposed her beauty. Muhammad’s heart was inflamed. So he pressurized his adopted son to divorce her wife so that Muhammad could marry her. Please know that this act was illegal in pagan custom, or even Islam. However, Allah came to help Muhammad in his troubled time to reveal the following verses from Quran…

    (Sura al-Ahzab Q.33: 40): “Muhammad is not the father of any of your men, but [he is] God’s Messenger and the Seal of the Prophets. God is Aware of everything!”

    (Sura al-Ahzab Q.33: 37): “We married her off to you so that there would be no objection for believers in respect to their adopted sons’ wives once they have accomplished their purpose with them. God’s command must be done!”

    * What about Muhammad’s Affair with Mary in Muhammad’s harem which ifuriated Hafsa and Aysha?

    One-day Muhammad goes to his wife’s house Hafsa, and finds her maid Mariyah attractive. He sends Hafsa to his father (Omar)’s house, telling her that he wanted to see her. When Hafsa leaves, Muhammad takes Mariyah to bed and has intercourse with her. Meanwhile Hafsa, who finds out that her father was not expecting her, returns home much sooner than expected, and to her chagrin finds her illustrious husband in bed with her maid. You will find the incident in following Hadith ….

    Volume iv. Ch.26: Narrated by Muhammad ibn Sad-al Tabkat al-Kobra—“One day Prophet (PBUH) asked Hafsa to visit her father Hazrat Umar who had requested a visit of his daughter Hafsa. Hafsa went to pay a visit to her father, Umar, but Umar was not at home. When he (Umar) returns, he asked Hafsa why she had come. Hafsa said it was him (Umar) who asked her to come! Then Umar replied that he never asked for her visit. At that time, Muhammad was staying at her quarter. Hafsa returned unexpectedly and found Muhmmad sleeping with Mary (the slave girl) in her own private room. She was furious and threatened to disclose the secret. Afraid of scandal and to appease her, Muhammad begged her to keep the matter quiet and promised to desert Mary altogether. Hafsa, however, did not bother to keep the promise. She told this secret to Aisha who was equally indignant over the affair. The scandal soon spread over the entire harem. Muhammad developed displeasure for his wives. At this time he received a message from heaven not to separate himself from Mary. Then he chided Hafsa and other wives. He threatened to divorce all them for their insubordination and disloyalty. He then withdrew himself and went into seclusion for a whole month and lived alone with Mary. Umar and Abu Bakr were greatly disturbed at the desertion of their daughters for a menial concubine. They went to Muhammad and pleaded him to come out of his recluse. Gabriel came and told Muhammad about the good qualities of Hafsa and recommended him to take her back. So, Muhammad pardoned them all and returned to their apartments as before. This is referred in verse 66:1-5.

    I rest my case here.

  32. Mufakharul Islam মার্চ 30, 2009 at 3:59 অপরাহ্ন

    After Reading all comments of Akash Malik’s writing a simple and soft prayer to Great Allah

    Hai Allah!!! please send us a new Version of Quran, it will be nice if you send it in English and Bagla. For safety please send it in PDF version. As you are the greatest one send it to all mail box in Soft Version and Hard Copy to other who dont have email address.. [It will be cost effective]…..As you are the writer and you know Both Bangla and English and you have ultimate power to do anything……then why you taking our times…. Please Allah send us the “The Holy Quran 2009 Pro. V 1”. [Please try all latest anti virus before send]

    You are not a Good God as you dont not have any direct communication with your Banda’s in last 1400 years. Hai dont you have Internet Connection [I think Must have as you are the creator].. ok ok at least upload the softcopy to youtube…..come on be rational!!!!!!!

    As you know the truth and you dont have any restriction to share it with us.

    Please think with your HEAD not with your HEART and give us a quick solution with in EOD 31st March 2009.

    Your Banda
    Dipu/Dhaka/Bangladesh……

    • Truthseeker মার্চ 31, 2009 at 12:38 পূর্বাহ্ন

      @Mufakharul Islam,

      Your comments is the best and apt! The most powerful God should provide a solution to this issue. God (he/she) should help us to end this confusion. We are just wasting our time in this “Intellectual Stimulation/Kochkochani”.

    • ivy মার্চ 31, 2009 at 8:26 অপরাহ্ন

      @Mufakharul Islam,
      You just want it in english and bangla version 😯 How about other language like chienese or hibdi? Dipu, I think you need a contingency plan means d’uaa—like, let help our scientist to invent a device which can catch all the information from past or flash back device ,etc.
      Ivy

      • Mufakharul Islam এপ্রিল 1, 2009 at 12:51 অপরাহ্ন

        @ivy,
        As per my request, Allah failed to upload the new version on Quran with in dead line EOD 31-03-2009. My scope was small for Great Creator….. But i am disappointed. As i dont know Hindi and Chienese, it was not in my scope. May be Allah will receive different Prayer from India and China.

        Why Scientist need to invent a device, to flash back 1400 years? Allah can release a new movie from Heaven Production named “Mohammad and Islam: The True Story”. It will be a super hit [Sexxx, Action, Threller and Comedy] but will not win Oscar as it will be in Arabic. Great Allah can add Bangla sub title for Bangali….

        Still I am wating to see a mail from [email protected] / [email protected]

        Dipu/Dhaka/Bangladesh

        • ivy এপ্রিল 1, 2009 at 7:05 অপরাহ্ন

          @Mufakharul Islam,
          May be your request will come true. People are requesting so many things to Allah. It might happen your request got stuck in six or seventh heaven. You are just his “banda”, why would He follow your deadline? But how did you get His e-mail address? Is there any close connection ?:-) ?:-)

          Ivy

      • Mufakharul Islam এপ্রিল 2, 2009 at 1:54 অপরাহ্ন

        @ivy,
        How long Great Allah will take to send me an Email ? What is his limitation to respond me with in a second? As like Mohammad all we are his Bandas, are not we? Allah did not tell His email address, i guess it will be like this…

        I see!!!! so now a days He is not living around us as like the time of Mohammad ? Does He has Bandwith Limitation thats why my mail stucked on seven or six heaven?

        Why not Allah response me ? Does anything wrong with me ? I guess i am a better human being then Mohammad….then whats wrong?

        If you have a better communication with Him, please make a request for me…. As a male [Its also my guess as all His appointed mesengers are male and you also mentioned Him as “He”] He cant avoid you….

        He is too old to say NO to a Female….

  33. ivy মার্চ 29, 2009 at 10:32 অপরাহ্ন

    Truthseeker,

    I checked this verse translated and annotated by Edip Yuksel, Layth Saleh al-Shaiban, Martha Schulte-Nafeh. You might take a look and give some thought.

    4:34 The men are to support the women by what God has gifted them over one another and for what they spend of their money. The reformed women are devotees and protectors of privacy what God has protected. As for those women from whom you fear disloyalty, then you shall advise them, abandon them in the bedchamber, and separate them; if they obey you, then do not seek a way over them; God is High, Great.

    Annotation: As I discussed extensively, in Turkce Kuran Cevirilerindeki Hatalar (Errors in Turkish Translation of the Quran, Istanbul, 1992-1998) and in English article, Beating Women or Beating Around the Bush (Unorthodox Articles, Internet, 1998), four key words or phrases have been mistranslated by traditional translators. To justify the misogynistic and patriarchal practices, deliberately or unknowingly, a majority of translators render the phrase kawamuna ala al-nisa as “in charge of women” rather than “providers for women” or “observant of women.” Interestingly, the same translators translate the same verb mentioned in 4:135; 5:8; 4:127; 2:229; 20:14; 55:9 as “observe/maintain.” When the same verb is used to depict a relationship between man and woman, it somehow magically transforms into a prescription of hierarchy and authority. The second key word that is commonly mistranslated is iDRiBuhunna. In almost all translations, you will see it translated as “scourge,” or “beat” or “beat
    (lightly)”.
    The verb DaRaBa is a multiple-meaning verb akin to English ‘strike’ or ‘get.’ The Quran uses the same verb with various meanings, such as, to travel, to get out (3:156; 4:101; 38:44; 73:20; 2:273), to strike (2:60,73; 7:160; 8:12; 20:77; 24:31; 26:63; 37:93; 47:4), to beat (8:50), to beat or regret (47:27), to set up (43:58; 57:13), to give (examples) (14:24,45; 16:75,76,112; 18:32,45; 24:35; 30:28,58; 36:78; 39:27,29; 43:17; 59:21; 66:10,11), to take
    away, to ignore
    (43:5), to condemn (2:61), to seal, to draw over (18:11), to cover (24:31), and to explain (13:17). It is again interesting that the scholars pick the meaning BEAT, among the many other alternatives, when the relationship between man and woman is involved, a relationship that is defined by the Quran with mutual love and care (30:21). The third word that has been traditionally mistranslated is the word NuSHuZ as “rebellion” or “disobedience” or “opposition” to men. If we study 4:34 carefully we will find a clue that leads us to translate that word as embracing a range of related ideas, from “flirting” to “engaging in an extramarital affair” – indeed, any word or words that reflects the range of disloyalty in marriage. The clue is the phrase before nushuz, which reads: “. . . they honor them
    according to God’s commandments, even when alone in their privacy.” This phrase emphasizes the importance of loyalty in marital life, and helps us to make better sense of what follows. Interestingly, the same word, nushuz, is used later in the same chapter, in 4:128 – but it is used to describe the misbehavior of husbands, not wives, as it was in 4:34. In our view, the traditional translation of nushuz, that is, “opposition,” will not fit in both contexts. However, the understanding of nushuz as marital disloyalty, in a variety of forms, is clearly appropriate for both 4:34 and 4:128. The fourth word is the word QaNiTat, which means “devoted to God,” and in some verses it describes both man and woman (2:116,238; 3:17,43; 16:120; 30:26; 33:31,35; 39:9; 66:5,12). Though this word is mostly translated correctly as “obedient,” when read in the context of the above-mentioned distortion it conveys a false message as if to imply that women must be “obedient” to their husbands as their inferior, while the word refers to obedience to God’s law. The word is mentioned as a general description of Muslim women (66:12), and more interestingly the description of Mary who, according to the Quran, did not even have a husband! (66:12).The traditional distortion of this verse was first questioned by Edip Yuksel in his book, “Kuran
    Çevirilerindeki Hatalar” (Errors in Turkish Translations) (1992, Istanbul).
    After the revelation of the Quran, Muslim scholars turned back to the days of ignorance and they were supported by some Jewish and Christian scholars who apparently converted to Islam yet did not experience a paradigm change. These semi-converts and those Arabs who longed for the old culture of ignorance combined their forces together to take back the rights of women recognized and promoted by the Quran. The rights of women in the West have been recognized through the separation of church and state; however the culture is still basically a male dominant one and thus western women are objectified and exploited tremendously in the business world. The western culture is deeply influenced by the teaching of Christianity originating from the misogynistic authors of Old Testament and St. Paul (not Jesus) who subordinates women to men.
    For instance, see Ephesians 5:22-33; Colossians 3:18-
    19; 1 Peter 3:1-7.”

    Thanks!
    Ivy

  34. আদিল মাহমুদ মার্চ 29, 2009 at 7:02 অপরাহ্ন

    Dear Ivy,

    Thanks for your explanations.

    It is immaterial about my personal belief in this debate.

    You mention that “We did not declare it. The Qura’n itself already declared.” My question was how? I’m a muslim in personal belief, however, I can tell for sure (I am not afraid to admit as Quran itself teaches to confess the thruth, and not to be hyprocrite) that not all of the verses of Quran can be applicable today, not to mention how those will sound after 500 years more. Many verses are excellent…universal…for anytime, like do not steal others properties..or do not lie. In my personal view, muslim scholars do not want to acknowledge this simple fact and try to impose whatever written in Quran word by word in all soceities and all time. Little example, according to Quran; we are not supposed to use any DNA evidence in court in rape case; we are only to decide the verdict based on the male eye witness. I am not telling that how many muslim countries are practicing this, just trying to show not all of the verses of Quran can be applicable to all time. This direction may be applicable in 1500 years ago, but not anymore. So, not all directions given in Quran can be applicable all time and soceities.

    “We did not declare it. The Qura’n itself already declared Now question is, do you believe the declaration or not? If not, then stop the argument, discard the Qura’n from your life”.
    Finally, I am a believer, but not blind believer anymore. I need to know why Bhogbodgeeta can’t claim something like that. A hindu can argue in the same manner too. This is not any logic, this is called belief. Most of the religious scholars commit this mistake, they try to defend belief by logic, and that sounds ridiclous. Belief and logic are of 2 dimensional, never can be compared. Can you proof God? or Soul? NO, these are nothing to proof by math, all belief.

    You next 2 explanations are more related to one of my original question to you which you didn’t explain yet. “In this world now only 5-10% people follow the true Isalm and and others just follow the man-made rituals.”

    Naturally, question should come, who are the true muslims and who aren’t? So only 5-10 % true muslims are objecting? The rest 90-95 % are illeterate? Again, please clarify this mystery about the true muslims. Why we are not enlighted with the true islam by the 5-10% true islamists?

    About the ancient arabic language, I agree 100% with you. BUT, now according to you and I, we should recite Quran in bengali more than arabic, isn’t it? Do we do that? In our religious built in concept it is not recommended. It is strongly advisable to read Quran in arabic. A huge effort is given to pronounnce it correctly in arabic.

    Like Rafiq said, there are several explanations of a single ayat can be found depending on the scholars. It is not always that they do this intentionally or lack of their knowledge. It is because of this ancient arabic language. Don’t you think that it loses the objectivity of Quran like Biplob Pal said?

    At last, I also believe the nice ayat you quoted last and that’s why I’m not afraid to express my feelings. Once I was like that, I would quote such ayats to proof how open minded Quran is, and the other hand decline to accept that not all of the verses or directions written in Quran are applicable today. That is self decieving and hypocritic.

    Thanks for your time.

  35. Truthseeker মার্চ 28, 2009 at 9:36 অপরাহ্ন

    Thanks IVY for your reply. I was working in a magnetic resonance instrumentation lab, and busy. So my response was little impatient. I will give thought and write more later.

    But still the “CONFUSION” remains.

    And verses in Quran are contradictory as mentioned by articles written by Abul Kasem. Some verses are going against the science based evidence as mentioned by Dr. Kamran Mirza.
    Mr. Kasem and Dr. Kamran Mirza may not be 100% correct in their analysis, but they are not completely incorrect either. Some verses violates the basic human values and equality of men and women. Divine God (if any) should not have any preference for any person of any specific religion. God should not discriminate between muslims/islamic people and non-muslims/non-islamic people.

    I just checked the Quran by

    Bengali Translation Source: “Al Quraanul Karim” – Published and freely distributed by His Excellency King Fahd Bin Abdul Aziz (Khademul Haramine Shareefine), Kingdom of Saudi Arabia.

    English Translation Source: Dr. Muhammad Taqi-ud-Din Al-Hilali, Formerly Professor of Islamic Faith and Teachings, Islamic University, Al-Madinah Al-Munawwarah and Dr. Muhammad Muhsin Khan, Formerly Director, University Hospital, Islamic University, Al-Madinah Al-Munawwarah. “The Noble Qur’an” – Published and freely distributed by His Excellency King Fahd Bin Abdul Aziz (Khademul Haramine Shareefine) .

    I checked Sura 3 Ayat 85

    “And whoever seeks a religion other than Islâm, it will never be accepted of him, and in the Hereafter he will be one of the losers.”

    For example, Sura 4, Ayat 34,

    “Men are the protectors and maintainers of women, because Allâh has made one of them
    to excel the other, and because they spend (to support them) from their means. Therefore the righteous women are devoutly obedient (to Allâh and to their husbands), and guard in the husband’s absence what Allâh orders them to guard (e.g. their chastity, their husband’s property, etc.). As to those women on whose part you see ill ­conduct, admonish them (first), (next), refuse to share their beds, (and last) beat them (lightly, if it is useful), but if they return to obedience, seek not against them means (of annoyance). Surely, Allâh is Ever Most High, Most Great.”

    And so on…..

    There are other Sura and Ayats..

    Thanks.

  36. আদিল মাহমুদ মার্চ 28, 2009 at 11:07 পূর্বাহ্ন

    We all have some classmates in our childhood/student life use to claim that I’m very genious…just I don’t want to read otherwise I would see how others could get the 1st position!

    In reality, they can’t get success other than self bragging and showing proofing nothing.

    If someone claims that Quran or any book has all the solutions of the world…an universal book or path to follow for the entire mankind of all time then they have to show the validity. How can a book of such power can be easily manipulated by the so called shcolars? More surprisingly, why others don’t objest in the their misinterpretations?

    Why “Qura’n is written in ancient tribal Arabic language” rather than in more “user-friendly” manner which could be meaningful to the entire non-arabic speakers? That would be much more menainglful.

    Such excuses in reality raises more questions than rational explanation.

    • ivy মার্চ 29, 2009 at 9:25 পূর্বাহ্ন

      @আদিল মাহমুদ,

      If someone claims that Quran or any book has all the solutions of the world…an universal book or path to follow for the entire mankind of all time then they have to show the validity.

      We did not declare it. The Qura’n itself already declared. Now question is, do you believe the declaration or not? If not, then stop the argument, discard the Qura’n from your life; but if your answer is yes, then we are all responsible to understand it. It’s not only “Mullah” and “Mufti”s duties who give us the ‘prepared information’ to follow. Without knowing the ingredients we are swallowing all those junks and making ourselves vulgar.

      How can a book of such power can be easily manipulated by the so called shcolars?
      Scholars don’t mean that they are always good-minded. We people are naturally manipulative, hungry for power. Ask yourself.

      More surprisingly, why others don’t objest in the their misinterpretations?
      Who said that nobody objected? And how come illiterate(not knowing Qura’n) people object? Do they have any clue that what is going on? People have no eager as long as it is their personal matter.

      Why “Qura’n is written in ancient tribal Arabic language” rather than in more “user-friendly” manner which could be meaningful to the entire non-arabic speakers? That would be much more menainglful.
      Muhammad (s) was born in Quraish tribe and how would thsoe people of Arabia understand Qura’n without their own language? If Muhammad (s) would born in Bangladesh 1400 years back, then I beleive the language would have bangla or local language not in modern bangla or international language.

      In verse–17:36: And you shall not follow blindly any information of which you have no direct knowledge. (Using your faculties of perception and conception) you must verify it for yourself. In the Court of your Lord, you will be held accountable for your hearing, sight, and the faculty of reasoning.

      So, please use your intelligent. 🙂

      আইভি

  37. Truthseeker মার্চ 27, 2009 at 5:51 পূর্বাহ্ন

    I talked with some of my muslim friends who have Ph.D. degree in science. Each of them told me “I do not know what you (My name) have read about islam, and what you have read about Quran and Hadith, but the real islam is good.” But none of them gives me any clue about real islam. And, some of them told “we are not allowed to discuss this, Allah will take care of everything”. I am just lost. They get offended if I ask too much. Which translation is the right one, which interpretation of which sura, which ayat is correct. So, more confusion about real/true islam. Is it possible that follower of islam create a right version of Quran so that there can be an end of this confusion. Otherwise this time wasting debate about true islam will go on and on.

    • ivy মার্চ 27, 2009 at 10:07 পূর্বাহ্ন

      @Truthseeker,
      You are right. Most of Muslim Scholer / Ulema think that there is a hidden knowledge in Qura’n. But I believe, basically, Qura’n is the book of guidance or constitution to create system of life for the whole mankind. If the Quran is the Book of Guidance for mankind then it must be user-friendly. But our main problem is Qura’n is written in ancient tribal Arabic language and most of us don’t understand that and today’s modern Arabic language far different from ancient Arabic (root meaning of words). These scholars took the advantages. As we just can read the Qura’n but don’t understand the meaning, they interpret it in their own way (culture and custom) and made it hidden knowledge. I think Sufism is one example of this kind of hidden knowledge.
      Ivy

      • Truthseeker মার্চ 27, 2009 at 9:14 অপরাহ্ন

        @ivy,

        Truth should be clear cut open. If information and message of Quran is hidden in darkness, then which information you are talking about. That is the trick and it is layman’s excuse. Anything (of Quran, and Hadith) if shrouded in darkness and mystery will definitely create confusion in peoples mind. So, ardent followers/supportes of islam should clarify things for the wellbeing of mankind. Science is evidence based. Please clear the confusion by creating a confusionless version of Quran instead of giving excuse. Thanks.

        • ivy মার্চ 28, 2009 at 9:54 পূর্বাহ্ন

          @Truthseeker,

          I picked Surah An Nur (Light)(24)- Verse:31 to give an example whatever I wanted to say. Please be patience and read those translations of one verse.

          By Allama Parwez:
          Likewise tell Momin women to not let their gazes go wayward; they should also fully guard their chastity. It is also imperative for them not display their adornments, except what becomes apparent by itself when moving around normally (as intentional display would mean that they have an inner desire to express4).—- And let them cover their bosoms (so that mischief-mongers cannot say that they were unaware that these ladies were noble; for otherwise they would not have pestered them – 33:59). While walking they should not strike down their feet, in order not to draw attention to their hidden ornaments.

          Rashad khalifa:
          And tell the believing women to subdue their eyes, and maintain their chastity. They shall not reveal any parts of their bodies, except that which is necessary. They shall cover their chests, and shall not relax this code in the presence of other than——.

          The Message:
          And tell the believing women to lower their gaze and keep covered their private parts, and that they should not reveal their beauty except what is apparent, and let them put forth their shawls over their cleavage–.

          Dr. Shabbir Ahmed:
          And tell the believing women to lower their gaze, and guard their modesty. They should not show off their adornment beyond what may be decently and spontaneously apparent. Let them cover their chest area with a light covering-—-.

          Dr. Al-Hilali, Ph.D. & Dr. Muhsin Khan:
          And tell the believing women to lower their gaze (from looking at forbidden things), and protect their private parts (from illegal sexual acts, etc.) and not to show off their adornment except only that which is apparent (like palms of hands or one eye or both eyes for necessity to see the way, or outer dress like veil, gloves, head-cover, apron, etc.), and to draw their veils all over Juyubihinna (i.e. their bodies, faces, necks and bosoms, etc.) and not to reveal their adornment except——-.
          Pickthal:
          And tell the believing women to lower their gaze and be modest, and to display of their adornment only that which is apparent, and to draw their veils over their bosoms, and not to reveal their adornment——-.

          024:031 Shakir: And say to the believing women that they cast down their looks and guard their private parts and do not display their ornaments except what appears thereof, and let them wear their head-coverings over their bosoms, and not display their ornaments except to— .

          Mohamed Ahmed & her daughter Samira:
          And say to the believers they (F) lower/humble from their eye sights, and they (F) protect/safe keep from their genital parts between their legs, and they do not show their decoration/beauty except what appeared/is visible from it, and they hold in place/sew (E) with their head covers/covers on their collar opening in clothes/chests and they do not show their decoration/beauty except to their —–.
          Parwes, Khalifa, the message, and Dr. Shabbir’s translations are little bit different from the rest of the examples. The first group said cover the bossom and not required anyone to cover the face nor the head/ hair and the second group said that cover your head, face, neck and chest.
          I read an article named ‘Women dress code in Islam’. In that article they explained that “Khimar” is an Arabic word that means, cover, any cover, a curtain is a Khimar, a dress is a Khimar, a table cloth that covers the top of a table is a Khimar, a blanket can be used as a Khimar.etc. The word KHAMRA used for intoxicant in Arabic has the same root with Khimar, because both covers, the Khimar covers (a window, a body, a table . . . etc.) while KHAMRA covers the state of mind. In 24:31 God is asking the women to use their cover (khimar) ( being a dress, a coat, a shawl, a shirt, a blouse, a tie, a scarf . . . etc.) to cover their bosoms, not their heads or their hairs. If God so willed to order the women to cover their heads or their hair, nothing would have prevented Him from doing so. GOD does not run out of words. GOD does not forget. God did not order the women to cover their heads or their hair. The Arabic word for CHEST, GAYB is in the verse (24:31), but the Arabic words for HEAD, (RAAS) or HAIR, (SHAAR) are NOT in the verse. The commandment in the verse is clear – COVER YOUR CHEST OR BOSOMS, but also the fabrication of the scholars and most of the translators is clear by claiming- cover your head or hair. (http://submission.org/dress.html)
          So, I do not see any hidden knowledge here but the confusion of the root meaning. I just can read the Qura’n (because we are taught that reciting is more important than understanding) but don’t understand the meaning, now I am in trouble. So which group should I follow? I do not want to cover myself like a ninja especially in summer or in hot weather but if I go to Saudi Arabia or Afghanistan or any mosque in the world without head cover they will beat me. Did you see my problem? May be my whole example seems silly but one word; just one word meaning will change everything of a woman’s life. So, you are agreed or not, the main problem is still the misinterpretation of Qura’n.

          Thanks.
          আইভি

  38. আদিল মাহ্মুদ মার্চ 27, 2009 at 5:45 পূর্বাহ্ন

    হাস্যকর হলেও কথা অনেকটা সত্য।

    কোরান বিষয়ক বিতর্কের একটা পর্যায়ে অবধারিতভাবে ধর্মবাদীরাও অনেকটা এটা স্বীকার করে নেন। যিনি মহান আল্লাহ, এতো মহা ক্ষমতাধর তার সব কথা কি আর আমাদের মত সামান্য মানূষের আছে?

    সাধারন মানুষ ও সরাসরি কথা থেলে রহস্য বা ইংগিতময় কথাবার্তা বেশী পছন্দ করে।

  39. তানবীরা মার্চ 27, 2009 at 2:58 পূর্বাহ্ন

    এই অহেতুক বিতর্কের একটা কারন হচ্ছে, কোরানে কোন কথাই খোলাসা করে বলা হয় নাই। কোরান পড়লে বোঝা যায় আল্লাহ ও রসূল তারা দুইজনেই খুব রহস্য পছন্দ করতেন। ইশারা ইঙ্গিত খুব ভালোবাসতেন। তাই সকল জটিল রহস্যই ইঙ্গিতে বর্ননা করা হয়েছে।

  40. আদিল মাহ্মুদ মার্চ 26, 2009 at 6:11 অপরাহ্ন

    কোরান নিয়ে বিস্তর বিতর্ক পড়ার পর আমার ও অনেকটা তেমন ই ধারনা হয়েছে। বেশীরভাগ আয়াতের ই নানা রকম ব্যাখ্যা দেওয়া যায়। এটা অনেকটা যইনি ব্যাখ্যা করছেন তার মানসিকতার উপর নির্ভর করে।

    কার ইসলাম আসলে সত্য, সেটাও হবে আরেক মহা বিতর্ক। এর ও কোন শেষ হবে না। কোন পক্ষ কি স্বীকার করবেন যে তারটা ভুল, অপরেরটাই ঠিক?

  41. Biplab Pal মার্চ 26, 2009 at 12:17 অপরাহ্ন

    সত্য ইসলাম, বিশুদ্ধ ইসলাম ( বা সত্য সনাতন ধর্ম, বিশুদ্ধ সনাতন ধর্ম) এগুলোর নামে দোহাই পেড়ে লাভ নেই। এগুলোর অস্তিত্ব নেই।
    দেরিদার ডিকনস্ট্রাকশন বলে একটি জিনিস দর্শনে এনেছিলেন। এর মানে হল ‘কোন টেক্সটের ১০০%’ সঠিক মানে উদ্ধার করা সম্ভব না। কারন প্রতিটা টেক্সটই লেখক একটি ইমেজকে ‘করিলেট’ করে লিখেছে-এবং টেক্সট কখনো ইমেজের প্রতিস্থাপক হতে পারে না। সুতরাং এই টেক্সটে বা এই সুরার বা এই আয়াতের আসল বা বিশুদ্ধ বা সত্য মানে ‘এটা’ এই ধরনের কথাবার্ত্তা একদম দর্শন না জানা বালখিল্যতা।

    আসল কথা হল কোরানের প্রতিটা আয়াতের একাধিক ব্যাখ্যা আছে-এবং তার প্রতিটিই একই সাথে সত্য এবং মিথ্যা-স্থান, কাল পাত্রের ওপর নির্ভর করে। একাধিক অর্থের মধ্যে মিল নেই-এর মানে হল-কোরানের টেক্সটে অবজেক্টিভিটি কম আছে। এবার যে মানবিকতাবাদি-সে কোরানের মানবিকতাবাদি ব্যাখ্যাদেবে-যে জিহাদি-সে যুদ্ধংদেহী ব্যাখ্যা দেবে-যে সাম্প্রাদায়িক, সে সাম্প্রদায়িক ব্যাখ্যাদেবে। এটাই একমাত্র সত্য।
    এই জন্যেই ধর্মগ্রন্ধগুলি পড়ে আসলেই কিছুই উপকার হয় না। জীবনে সৎ পথে থাকলে, পরিশ্রমি হলে-আরো অনেক বেশী কিছু শেখা যায় জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে।

  42. আদিল মাহ্মুদ মার্চ 26, 2009 at 7:48 পূর্বাহ্ন

    ivy,

    বাংলায় লেখা কিন্তু আসলে খুব সোজা, যতটা কঠিন মনে হয় আসলে তা না। চেষ্টা করেই দেখুন না, মজ়াই আলাদা। “বাংলা হরফে কমেন্ট করার জন্য ভ্র ডাউনলোড ।।” উপরেই লিংকটা দেওয়া আছে। অভ্র একটা চমতকার স্ফটওয়্যার।

    আপনার কথায় সুন্দর যুক্তি আছে। হাদীস তো অনেক দুরের কথা, এমনকি কোরানের মধ্যেও বেশ কিছু বিতর্কিত আয়াত আছে যার গ্রহনযোগ্য ব্যাখ্যা আমি এখনো পাইনি। (কিছু আরবী শব্দের ইচ্ছেমত অনুবাদ/ব্যাখ্যা ছাড়া)। এর জন্য যারা আধুনিক, স্মার্ট ধর্মবাদী, তারা গোটা হাদীস কেই আজকাল অস্বীকার করে বসছেন। সদালাপে রায়হান সাহেব বা জামিলুল বাশার সাহেবের লেখা পড়তে পারেন। তাদের মতে হাদীস দুই নম্বরী বই, এর সাথে মূল ইসলামের কোন যোগ নেই। শুনতে ভাল লাগে, কিন্তু মুশকিল হল তাহলে ৯০% এর উপর লোকে ভুল ইসলাম পালন করে আসছে? হাদীস হীন ইসলাম পালন করতে কয়টা মুসলমান দেখা যায়? যারা এ জাতীয় তত্ব দিচ্ছেন তারাই বা কেন অন্তত নিজ দেশে গিয়ে মানুষ কে আসল ইসলাম কেন শিখাচ্ছেন না? ওয়েব ফোরামের লেখা কয়জনে পড়ে? নিজেরা যদি মনে করেন যে ৯০% এর ঊপর লোকে ভুল ইসলাম পালন করে তাহলে সেই ইসলামের সমালোচণা করলে নাস্তিকদের যা তা বলে গালিগালাজ করার মানে কি? ভুল জিনিসের সমালোচনা করাটাই তো স্বাভাবিক, তাই না? এর কোন গ্রহনযোগ্য ব্যাখ্যা না দিয়ে ইসলামের শত্রু, বুশের/ভারতের পেইড এজেন্ট…জাতীয় গালাগালি দিলে কোন ফায়দা হবে?

    আমার মনে হয় এ ব্যাপারে আপনি ও একটু আলোকপাত করতে পারেন, কারন আপনিও বলেছেন যে, “In this world now only 5-10% people follow the true Isalm and and others just follow the man-made rituals.”

    true Isalm আসলে কি? আপনার মতে কারাই বা এই true Isalm পালন করছে? দয়া করে জানাবেন। আমি বাংলাদেশের typical মুসলমান, আমার অবস্থাটা কেমন?

  43. ivy মার্চ 25, 2009 at 8:59 অপরাহ্ন

    I wish, I can write in bangla; but in this moment it is not possible for me. If I beleive all those so called authentic ahadith are not true; most of them are false then what would be the base of this article–writing a false article based on false facts. Please tell me why would I rely on ahadith? If I want to teach a non-muslim about Islam do I have to give him or her all ahadith books with Qura’n or just the Qura’n?

    • রফিক মার্চ 26, 2009 at 5:40 অপরাহ্ন

      @ivy,

      Please tell me why would I rely on ahadith?

      Without reading Hadith you will not know how you will do your prayer, how you will do your Ozu, when you will take your Seheri etc. Quran does not have any detail information.

      On lighter note, if you do not believe in anything except Quran, then may I ask you, do you believe that Dinosaur or emperor Ashoke ever existed? Quran did not mention that. You should not believe in Royal Bengal tiger, internet, IPhone and hundred and thousands and million of things.

  44. আদিল মাহ্মুদ মার্চ 25, 2009 at 8:05 অপরাহ্ন

    অভিজিৎ দা,

    আপনার চমতকার ব্যাখ্যার জন্য ধণ্যবাদ। আপনাদের সব লেখক/লেখিকারই যুক্তিবোধ বেশ প্রবল, তাই নিজের পছন্দমত নাহলেও পড়তে ভাল লাগে। এখানেই মনে হয় আপনাদের স্বার্থকতা।

    ব্যালেন্সড লেখার ব্যাপারে আমি আপনার সাথে অনেকটা একমত। যদিও আমি এখনো বলব যে এ ব্যাপারটি আপনি মনে হচ্ছে generalized করে ফেলেছেন। বিজ্ঞান আর সাহিত্য এক নয়, বিজ্ঞান হল ১০০% যুক্তি নির্ভর, সাহিত্য তা না। তাই পৃথিবী গোল না সমতল বা বিবর্তন তত্ত্ব; আর কারও ব্যক্তিগত চরিত্র বিশ্লেষণ জাতীয় আলোচনা মনে হয় ভিন্ন মাত্রার হতে হবে। একজন মানুষ হয় দোষে গূনে মিলিয়ে, এবসোলিঊট কিছু না। তাই পৃথিবী গোল না সমতল জাতীয় আলোচনায় বিরুদ্ধ মত কে শ্রদ্ধা করার কোন ব্যাপার নেই, কিন্তু ইতিহাসের আলোয় কারো চরিত্র বিশ্লেষণ করতে গেলে মনে হয় তার চরিত্রের দুটো দিক ই আসা উচিত।

    আরেকটি ব্যাপার মনে হয় মনে রাখা উচিত যে, এই জাতীয় লেখাগুলির টার্গেট নিশ্চয়ই ধর্মবাদীরা, নাস্তিকরা না। ১০০% এক পেশে লেখা দেখলে ধর্মবাদীরা এক পাতা পড়েই পশ্চীমের ষড়যন্ত্র…ভাড়াটিয়া লেখকদের বিকৃত লেখা বলে উড়িয়ে দিবে। অন্যদিকে কিছুটা ব্যালেন্সড লেখা হলে তারা অন্তত পুরো লেখা পড়ে দেখবে, এবং পুরো লেখা পড়লে লেখক আসলে যা বলতে চান তার অনেকটাই তারা ধরতে পারবে অন্তত তাদের বিবেক নাড়া খাবে।

    আপনি যেমন বললেন, আমি নিজেও পরিষ্কার উপলব্ধি করতে পারি মানুষ কিভাবে ধর্মবাদী বা অন্ধ বিশ্বাসী হয়। যদিও আমার প্রশ্নটা ছিল আরেকটু স্পেসিফিক; ইসলাম ধর্মাবল্বীরা এতোটা ডেডিকেটেড কেন? এই ডেডিকেশন ভাল না খারাপ সেটা প্রশ্ন না।

    শুধু ইসলামের বিরুদ্ধে লেখার ব্যাপারে আপনার ব্যাখ্যা পুরোপুরি মেনে নিলাম। আমার নিজের মনেও এমনই ধারনা ছিল। আমি নিজেও আপনার “ইসরায়েলের বর্বরতার সমাপ্তি হওয়া প্রয়োজন’, অতীতে এ জাতীয় বিপ্লব পালের লেখা পড়েছি। আশা করি যেখানেই মানবতার অবক্ষয় সেখানেই আপনারা কলম ধরবেন। সে নাস্তিক চীন, মোসলমান মধ্যপ্রাচ্য, বা হিন্দু ভারত যেই হোক না কেন।

    আবারো ধন্যবাদ।

    • অভিজিৎ মার্চ 26, 2009 at 11:59 অপরাহ্ন

      @আদিল মাহ্মুদ,

      আমরা যখন মূল বিষয়টিতে অনেকটাই একমত হয়েছি, তখন আমার মনে হয় খুব বেশি আর বিতর্ক করার কিছু নেই। অল্পকিছু যে বিষয়গুলোতে মতান্তর আছে, সেটা না হয় থাকুক, সবাইকে একইরকম ভাবে চিন্তা করতে হবে, তার তো কোন মানে নেই। আসলে সত্য বলতে কি, আকাশ মালিকের এই বইটি পড়ে আপনার যা উপলব্ধি, আমার উপলব্ধি একেবারেই অন্যরকম। আমার আসলে উপলব্ধি ছিলো, উনি যথেষ্ট ব্যালেন্সড করেই লিখেছেন। উনি শুধু ইসলাম ধর্মপ্রচারক নিয়েই লেখেন নি, সেই সাথে মনুসংহিতার বিভিন্ন নারী বিদ্বেষী শ্লোক হাজির করেছেন। উনার প্রথম অধ্যায়টিতে ধর্মের সামাজিক উৎপত্তি নিয়েই বেশি মনোযোগি হয়েছেন বলে মনে হল; ঈশ্বরের নরাত্বরোপ, পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দার্শনিকদের ধ্যান ধারনা থেকে শুরু করে সতীদাহ, ডাইনি পোড়ানো সবই স্পর্শ করেছেন। ইসলামের প্রসঙ্গ এসেছে – কিন্তু আমার একপেশে মনে হয়নি। আমার এখন মনে পড়ছে, আকাশ মালিক যখন ‘ইসলামের জন্ম এবং প্রাসাদ ষড়যন্ত্র’ সিরিজটা লেখা শুরু করেছিলেন, তখন কিন্তু আপনিই প্রশংসা করে লিকেহচ্ছিলেন যে, আকাশ মালিক যে স্টাইলে লিখছেন, তাতে কেউই রাগ করবেন না। কিন্তু এখন বইটা পুরোপুরি পিডিএফ হবার পর আপনার অন্যরকম অনুভূতি কেন হল আমি আসলে বুঝলাম না। তারপরও আমি আপনার অনুভূতির মূল্য দিচ্ছি। দিচ্ছি এ কারণে যে, এটাই কিন্তু স্বাভাবিক। একই লেখা পড়ে বিভিন্ন পাঠকের বিভিন্ন অনুভূতি হয়। এমনকি একই পাঠকেরও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুভূতি হতে পারে। এজন্যই শিল্প সাথিত্যে ‘পরম’ বা ‘সর্বজনীন’ বলে কিছু নেই। এটা ঠিক যে, আমি বইটা লিখলে হয়ত এরকম ভাবে লিখতাম না, আমি হয়ত অনেক মনোযোগি হতাম ধর্মের জৈববৈজ্ঞানিক এবং নৃতাত্ত্বিক ব্যাখ্যা নিয়ে, কিন্তু এটাও ঠিক যে, আমার লেখাই সার্বজনীন বলে যদি রায় দিয়ে দেই, আর সবাইওকে বলি, এই রীতিই অনুসরণ করতে, সেটাও কিন্ত এক ধরনের অত্যাচার হয়ে যাবে।

      তারপরও কিছু লোক থাকবে যারা আপনার কথামত ‘এক পাতা পড়েই পশ্চীমের ষড়যন্ত্র…ভাড়াটিয়া লেখকদের বিকৃত লেখা’ বলে উড়িয়ে দেবে। সেটা আপনি যত মোলায়েম করেই লেখেন না কেন তারা সবসময়ই ভাববে, তাদের ‘ধর্মাণুভূতি’তে আঘাত লাগছে, কিংবা ভাববে ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র। এদের সবাইকে খুশি করা আসলে সম্ভব নয়। এটা শুধু এখানে নয় পশ্চিমেও প্রযোজ্য। ডেনিয়েল ডেনেট একবার তার অভিজ্ঞতার কথা বলেচ্ছিলেন। তার একটা বইয়ের পান্ডুলিপি তিনি তার কিছু খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত ছাত্রদের পড়তে দেন। অনেকের ভাল লাগলেও কয়েকজনের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লেগে গেল। তাদের কথা মত ডেনেট পান্ডুলিপির কিছু জায়গা রদ বদল করলেন। তারপরো তাদের সন্তষ্টি হল না। তারা আসলে চাইছিলেন ধর্মের বা তাদের বিশ্বাসের কোন সমালোচনাই যেন না হয়। এখন এই ব্যাপারটা সবার পক্ষে মেনে বই লেখা বোধ হয় সম্ভব হয় না। আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি – এ খেলা অতি প্যাচানো খেলা – এ খেলায় আসলে যেতা যায় না। বরং সবাইকে খুশি করে লিখতে গেলে অনেকসময়ই বক্তব্য অপরিস্কার থাকে, অনেকাংশেই সরলীকরণ ঘটে।

      যা হোক আমার বক্তব্যের সাথে আপনার একমত হতে হবে না। আমাদের মতান্তর না হয় থাকুক এ ব্যাপারে। বিভিন্ন মতের সঙ্ঘর্ষ আর নির্মাণেই কিন্তু সমাজের ক্রমিক অগ্রগতি।

  45. আদিল মাহ্মুদ মার্চ 24, 2009 at 11:11 অপরাহ্ন

    অভিজিতদা,

    আপনার কথা বেশ ভাল লাগল। যুক্তিবাদী বা মুক্তমনাদের যেমন সবার মতামতকে সম্মান জানানো উচিত তেমনি উচিত ইচ্ছাকৃতভাবে সত্য গোপন না করা। আমি বিল্পব পালের কথাই আবারো বলব। ভাল খারাপ যাই সত্য হোক তাই নির্ভয়ে প্রকাশ করা উচিত। এরপর কে দেবতা আর কে দানব তার বিচার ছেড়ে দেওয়া উচিত পাঠকের উপর। আগের থেকে ফলাফল নির্ধারন করে কি গবেষনা হয়?

    মানি যে ধর্মবাদীরা দৃষ্টিকটুভাবে নিজ নিজ নবী…বাবাজীদের মহিমা গেয়েছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক সত্য গোপন করেছেন। এগুলো প্রকাশ করাটা খুবই দরকার, আমি পুরোপুরি সাপোর্ট করি। কিন্তু তা করতে সেই অন্ধ ধর্মবাদীদের মত একই এপ্রোচ নেওয়াটা কি ঠিক? তাই আমি মনে করি একই লেখাতে দুই দিকের কথাই থাকা উচিত। লেখকের অবশ্যই স্বাধীনতা আছে তার নিজের মতামত প্রকাশ করা। কিন্তু তিনি যদি তা একপেশে ভাবে না করে দুই দিক বিচার করেই প্রমাণ করেন তবে তা অনেক জোরালো হয়। তাই আমার কাছে বিপ্লব পালের এপ্রোচ অনেক বেশী জোরদার মনে হয়।

    মূল আলোচনায় আবার একটু আসি। মোহাম্মদের হাজার বছর ধরে এত ফলোয়ার কিভাবে হল বলে আপনারা মনে করেন? আমি সঠিক কোন ষ্ট্যাট জানি না, তাও মনে হয় ইসলাম থেকে অন্য ধর্মে conversion rate অনেক কম, উল্টাটাও সত্য। এরই বা কারন কি? আপনাদের সাইটের বিরুদ্ধে আরেকটী কমন অভিযোগ শোনা যায় যে আপনারা ইসলামের বদনাম প্রচার করে অন্য ধর্মের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। আপনারা কোন ধর্মের পক্ষে কাজ করেন তা আমি বিশ্বাস করি না, তবে আপনাদের ধর্মীয় সমালোচণামুলক লেখাগূলির বেশীরভাগ ই ইসলামের বিরুদ্ধে। এর কারন কি?

    • অভিজিৎ মার্চ 25, 2009 at 3:48 পূর্বাহ্ন

      @আদিল মাহ্মুদ,

      ভাল লয়াগছে আপনার সাথে আলোচনা করতে। আসলে সুস্থ আলোচনা না হলে কোন সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছুনো যায় না। এবার আপনার প্রশ্নগুলোর একে একে উত্তর দেই।

      মানি যে ধর্মবাদীরা দৃষ্টিকটুভাবে নিজ নিজ নবী…বাবাজীদের মহিমা গেয়েছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক সত্য গোপন করেছেন। এগুলো প্রকাশ করাটা খুবই দরকার, আমি পুরোপুরি সাপোর্ট করি। কিন্তু তা করতে সেই অন্ধ ধর্মবাদীদের মত একই এপ্রোচ নেওয়াটা কি ঠিক? তাই আমি মনে করি একই লেখাতে দুই দিকের কথাই থাকা উচিত। লেখকের অবশ্যই স্বাধীনতা আছে তার নিজের মতামত প্রকাশ করা। কিন্তু তিনি যদি তা একপেশে ভাবে না করে দুই দিক বিচার করেই প্রমাণ করেন তবে তা অনেক জোরালো হয়। তাই আমার কাছে বিপ্লব পালের এপ্রোচ অনেক বেশী জোরদার মনে হয়।

      আপনার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, আপনার কাছে যেটা পছন্দের সেটাই যে কেবল সার্বজনীনতার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ, তা মনে করা কিন্তু ভুল হবে। আপনার কাছে কোন একজনের এপ্রোচ ভাল লাগে, আবার অনেককেই পাবেন, যার আবার অন্য ধরণের এপ্রোচ ভাল লাগবে। আসলে আমার নিজের যা ভাল লাগে, ঠিক সেভাবেই সব কিছু হতে হবে – এ ধরণের ভাবনাটাও কিন্তু একটা গোয়ার্তুমি। তাই না? শিল্প সাহিত্য কিংবা লেখালেখির জগতে আসলে পরম বলে কিছু নেই। মানুষের পছন্দ অপছন্দ অনেক কিছুর উপরে নির্ভর করে। ব্যাপারটা পরম নয়, অনেকাংশেই আপেক্ষিক। আপনি যেরকম ভাবে বলছেন, ‘দুই দিকের কথাই থাকা উচিত’ সেটার সাথে হয়ত অনেক লেখক একমত হবেন না। কিছু উদাহরণ দেই। আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখুন – যে ব্যক্তি সৃষ্টিতত্ত্বের বিপরীতে বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করেন, তিনি বিবর্তনের স্বপক্ষেই যুক্তি দেন, দু পক্ষকে সমান ভাবে ব্যালেন্স করে কি লেখা লিখবেন? যিনি নবী পয়গম্বরদের কিংবা সাধুবাবাদের অলৌকিক কীর্তিকাহিনীতে বিশ্বাস করেন্ন না তিনি কিন্তু তাদের তোয়াজ করে কিংবা দু পক্ষকেই সমান প্রশ্রয় দিয়ে লেখা লিখবেন না। রিচার্ড ডকিন্সের কাছ থেকে কি কেউ ঈশ্বরের স্বপক্ষে যুক্তি শোনার মত ব্যালান্সড কিছু প্রত্যাশা করবে? এভাবে চিন্তাকরাটাই আসলে সরলীকরণ হবে। আহমেদ শরীফ, হুমায়ুন আজাদ, তসলিমা নাসরিণ, ডকিন্স, ডেনিয়েল ডেনেট, স্যাম হারিস, ক্রিস্টোফার হিচেন্স সহ অনেকেই একপেশে লেখা লিখেছেন, এখনো লিখছেন। অনেকাংশেই আপনি যেরকম চেয়েছেন সেরকম ‘ব্যালেন্স’ করে লেখা লিখেননি। কিন্তু এটাও তো ঠিক তারা ‘একপেশে’ লেখা লিখেছেন বলেই আমরা নতুন নতুন জ্ঞানের সাপেক্ষে আমাদের বাস্তবতাকে ক্রমশঃ ঝালিয়ে নিতে পেরেছি। কাজেই আমি বলতে চেয়েছি যে, কারো লেখা ভাল লাগুক, খারাপ লাগুক, তাদেরকে মত প্রকাশ করতে দিন। তর্ক-বিতর্ক, সঙ্ঘাত সংঘর্যের মধ্য দিয়ে আমরা খুঁজে নিব আমাদের অভীষ্ট যাত্রা পথ।

      মূল আলোচনায় আবার একটু আসি। মোহাম্মদের হাজার বছর ধরে এত ফলোয়ার কিভাবে হল বলে আপনারা মনে করেন? আমি সঠিক কোন ষ্ট্যাট জানি না, তাও মনে হয় ইসলাম থেকে অন্য ধর্মে conversion rate অনেক কম, উল্টাটাও সত্য। এরই বা কারন কি?

      আমি সাধারণ ভাবে ইসলাম নিয়ে মন্তব্য করব না। তবে কিভাবে বিশ্বাস ছড়ায়, কিভাবে ফলোয়ার তৈরি হয় এ ব্যাপারগুলোকে আসলে নৃতাত্ত্বিক, সামাজিক এবং জৈববৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখতেই আমি পছন্দ করি। আমি এ নিয়ে কিছু লিখেছিলাম। এটা মনে করা ভুল হবে না যে, ‘বিশ্বাস‘ ব্যাপারটা মানব জাতির বেঁচে থাকার পেছনে হয়তো কোন বাড়তি উপাদান যোগ করেছিল একটা সময়। মানুষ আদিমকাল থেকে বহু সংঘাত, মারামারি এবং রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে গিয়ে আজ এই পর্যায়ে এসে পৌছেছে। একটা সময় সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করাটা ছিল মানব জাতির টিকে থাকার ক্ষেত্রে অনেক বড় নিয়ামক। যে গোত্রে বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিতে পারা গিয়েছিল যে যোদ্ধারা সাহসের সাথে যুদ্ধ করে মারা গেলে পরলোকে গিয়ে পাবে অফুরন্ত সুখ, সাচ্ছ্বন্দ্য, হুর পরী উদ্ভিন্নযৌবনা চিরকুমারী অপ্সরা, (আর বেঁচে থাকলে তো আছেই সাহসী যোদ্ধার বিশাল সম্মান আর পুরস্কার) – তারা হয়ত অনেক সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ করেছে এবং নিজেদের এই যুদ্ধাংদেহী জীন পরবর্তী প্রজন্মে বিস্তৃত করতে সহায়তা করেছে। মুক্তমনার ইবুক ‘বিজ্ঞান ও ধর্ম – সংঘাত নাকি সমন্বয়?’ এ রিচার্ড ডকিন্সের একটি চমৎকার প্রবন্ধ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ‘ধর্মের উপযোগিতা‘ নামে। প্রবন্ধটিতে ডকিন্স এ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। আপনি সেটা পড়ে দেখতে পারেন। মানব সভ্যতাকে অনেকে শিশুদের মানসজগতের সাথে তুলনা করেন। শিশুদের বেঁচে থাকার প্রয়োজনেই একটা সময় পর্যন্ত অভিভাবকদের সমস্ত কথা নির্দ্বিধায় মেনে চলতে হয় –এ আমরা জানি। ধরা যাক একটা শিশু চুলায় হাত দিতে গেল, ওমনি তার মা বলে উঠল – চুলায় হাত দেয় না – ওটা গরম! শিশুটা সেটা শুনে আর হাত দিল না, বরং সাথে সাথে হাত সরিয়ে নিলো। মার কথা শুনতে হবে – এই বিশ্বাস পরম্পরায় আমরা বহন করি – নইলে যে আমরা টিকে থাকতে পারবো না, পারতাম না। এখন কথা হচ্ছে – সেই ভাল মা-ই যখন অসংখ্য ভাল উপদেশের পাশাপাশি আবার কিছু মন্দ বা কুসংস্কারাচ্ছন্ন উপদেশও দেয় – ‘শনিবার ছাগল বলি না দিলে অমঙ্গল হবে’, কিংবা ‘রসগোল্লা খেয়ে অংক পরীক্ষা দিতে যেও না – গেলে গোল্লা পাবে’ জাতীয় – তখন শিশুর পক্ষে সম্ভব হয় না সেই মন্দ বিশ্বাসকে অন্য দশটা বিশ্বাস কিংবা ভাল উপদেশ থেকে আলাদা করার। সেই মন্দবিশ্বাসও বংশপরম্পরায় সে বহন করতে থাকে অবলীলায়। সব বিশ্বাস খারাপ নয়, কিন্তু অসংখ্য মন্দ বিশ্বাস হয়ত ভাইরাসসের মত একটা সময় প্রগতিকে থামাতে চায়, সভ্যতাকে ধ্ব্বংস করে। যেমন, ডাইনী পোড়ানো, সতীদাহ, বিধর্মী এবং কাফেরদের প্রতি ঘৃণা, মুরতাদদের হত্যা এগুলোর কথা বলা যায়। এগুলো বিশ্বাসের প্রসারে বেড়ে ওঠা ফ্রাঙ্কেন্সটাইন ছাড়া কিছু নয়। কিভাবে বিশ্বাস নির্ভর ব্যবস্থা টিকে আছে, কিভাবে আমরা বিশ্বাসগুলো বংশ পরম্পরায় প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেই তা বুঝতে হলে সামাজিক জীববিজ্ঞানের আধুনি গবেষনাগুলোকে বুঝতে হবে। রিচার্ড ডকিন্স তার ‘সেলফিশ জীন’ বইয়ে আর সুসান ব্ল্যাকমোর তার ‘মিম মেশিন’ বইয়ে কিভাবে বিশ্বাস বংশপরম্পরায় টিকে থাকে অনেক আকর্ষনীয় উদাহরণ হাজির করেছেন। আপনি সেগুলো পড়ে নিতে পারেন।

      কিভাবে নতুন ধর্ম তৈরি হয়, কিভাবে ফলোয়ার তৈরি হয়, কিভাবে মানুষ নবী রসুলকে বিশ্বাস করতে শিখে তা একটা চমতকার উদাহরনের সাহায্যে বিজ্ঞানীরা কিন্তু দেখিয়েছেন কার্গো কাল্ট নিয়ে গবেষনা করে। কার্গো কাল্ট হল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ গুলিতে বর্তমান ধর্মবিশ্বাসগুলোর একটি সম্মিলিত নাম – যারা কার্গো-জাহাজ গুলোকে স্বর্গীয় দূতের পাঠানো সামগ্রী মনে করত। জাহাজের ইউরোপিয়ান নাবিকেরা কিভাবে রেডিও শোনে, কেন কোনো সারাইয়ের কাজ করতে হয়না, রাতে কি করে আলো জ্বালায় – এ সবই দ্বীপপুঞ্জের আদিবাসীরা অদ্ভূত বিস্ময়ে দেখত। তাদের কাল্টপ্রধান জন ফ্রাম চিরতরে চলে যাবার আগে সেসময় অনেকগুলো ভবিষ্যতবাণী করে গিয়েছিল – দ্বিতীয়বারে জাহাজভর্তি সামগ্রী আনবে ও সাদা আমেরিকানদের চিরকালের মত দ্বীপ থেকে বিতাড়িত করা হবে বলে ইত্যাদি। সেই আদিবাসীরা সেই থেকে ১৯ বছর ধরে অপেক্ষা করে আছে জন কখন আসবে তাদের মুক্তি দিতে। আপনি কি তার সাথে মিল পান বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ এখনো অপেক্ষা করে আছেন কখন যীশুখ্রীস্ট পুনরুত্থিত হয়ে এসে তাদের মুক্তি দিবে, কেউ বা অপেক্ষা করে আছেন ঈমাম মাহাদীর, তাই না? মুক্তমনায় একটা ভাল লেখা আছে – একটি দীক্ষক দাবিড়ের – ‘মানুষের পয়গম্বর হয়ে ওঠার সুলুক-সন্ধান’ লেখাটা পড়ে দেখতে পারেন।

      বিশ্বাস কিভাবে পুঞ্জিভূত করে রেখে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেয়া হিয়, সেটা কিন্তু আপনিই বলে দিয়েছেন। আপনি নিজেই বলেছেন, ছোটবেলা থেকে ধর্ম আর ধর্ম প্রচারকদের সম্বন্ধে কেবল ভাল ভাল কথাই শুনেছেন। বিপরীত দিকটা আলোকিত হতে দেয়া হয়নি। এ ভাবেই বিশ্বাস ছড়ায়। এখন সাধারন পরিবেশে কিন্তু শিক্ষাক শিক্ষিকা, অভিভাবক কিংবা গুরুজনদের কথাকেই সবাই বিশ্বাস করে বড় হয়, তারপর সেই বিশ্বাস আবার নিজেদের ছেলে মেয়ে আর চেনা পরিচিত জনদের ছড়িয়ে দেয়। সৃষ্টি হয় বিশ্বাস নির্ভর ব্যবস্থা। মানুষ একসময় বিশ্বাসের মধ্যেই ‘আত্মপরিচয়’ খুঁজে পায়। নিজেদের মানুষ পরিচয়ের চেয়ে হিন্দু, মুসলিম কিংবা খ্রীস্টান হিসেবে পরিচয় দিতেই গৌরবান্বিত বোধ করে। আর আত্মপরিচয়কে জাগিয়ে রাখতে নানা ধরনের ধর্মীয় উৎসব, রীতি-নীতি গড়ে তোলে এ তো চোখ মেলে তাকালেই দেখতে পাবেন।

      তবে একটি জিনিস ভুলে গেলে কিন্তু চলবে না। একটি বিশ্বাস দশ জন মানুষ বিশ্বাস করুক আর বিলিয়ন মানুষ বিশ্বাস করুক, বিশ্বাস কিন্তু বিশ্বাসই। কতজন মানুষ কোন জিনিসটা বিশ্বাস করে তার ভিত্তিতে কিন্তু কোন বৈজ্ঞানিক সত্য নির্ভর করে না। বিজ্ঞান কাজ করে পরীক্ষা নীরিক্ষা আর যুক্তিনির্বর প্রমাণে। বহু বছরের কিংবা বিলিয়ন বিলয়ন মানুষের অন্ধ বিশ্বাস এক সময় মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এক সময় পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস করতো সমতল পৃথিবীতে, কিংবা সূর্যই পৃথিবীর চারিদিকে ঘোরে। কিন্তু সেজন্য সেটা সত্য হয়ে যায় নি। আজও পৃথিবীর যত মানুষ বিবর্তনে বিশ্বাস করে, তার চেয়ে ঢের বেশি লোক বিশ্বাস করে জ্বীন ভুত, আত্মা কিংবা অলৌকিকতায় আর কুসংস্কারে। তা বলে কিন্তু এর কোনটিই সত্য হয়ে যাচ্ছে না। বরং প্রমাণিত হচ্ছে যে, পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এখনও মুক্তচিন্তা আর বৈজ্ঞানিকমনস্কভাবে চিন্তা করতে অক্ষম।

      আপনাদের সাইটের বিরুদ্ধে আরেকটী কমন অভিযোগ শোনা যায় যে আপনারা ইসলামের বদনাম প্রচার করে অন্য ধর্মের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। আপনারা কোন ধর্মের পক্ষে কাজ করেন তা আমি বিশ্বাস করি না, তবে আপনাদের ধর্মীয় সমালোচণামুলক লেখাগূলির বেশীরভাগ ই ইসলামের বিরুদ্ধে। এর কারন কি?

      হুমম … এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এর উত্তর আমি আগে দিয়েছি। আবারো দেই। আপনি যদি আমেরিকার খ্রীস্টান বনশদ্ভুত ফ্রিথিঙ্কারদের সাইট দেখেন (যেমন infidels.org, secularhumanism.org, nobeliefs.com ইত্যাদি) তাহলে দেখবেন তাদের বেশিরভাগ লেখাই বাইবেলকে আর যিশুকে খন্ডন করে লেখা। ইসলাম বা অন্য ধর্মের উপর লেখা খুব কমই চোখে পড়বে। এর কারণ হল, ওখানে যারা লেখেন, তারা প্রায় সবাই খ্রীস্টান ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা ফ্রিথিংকার। তারা অন্য ধর্ম সম্বন্ধে যতটা না পরিচিত, তার চেয়ে ঢের বেশি পরিচিত নিজের ছোটবেলাকার বিশ্বাস খ্রিস্ট ধর্মের সাথে। স্বাভাবিকভাবে নিজ ধর্মের গোড়ামিগুলোকে নিয়ে লিখতেই তারা সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। একইভাবে মুক্তমনায় যেহেতু অধিকাংশ ফ্রিথিঙ্কারই বাংলাদেশের মুসলিম ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে উঠে এসেছেন, আমার মনে হয় তারা ইসলামকে খন্ডন করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। থমাস জেফারসন আর বাট্রান্ড রাসেলেরা বাইবেলকে খন্ডন করে লেখা লিখেছন, তেমনি আমাদের আরজ আলী লিখেছেন ইসলামকে নিয়ে। আপনি কখনো মুক্তচিন্তার স্বপক্ষে লিখতে গেলে আপনার ছোটবেলাকার কিংবা আপনার চারপাশের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই লিখবেন। এটাই কি স্বাভাবিক নয়? কিন্তু তারপরও বলা যায়, এখানে কেউ হিন্দু ধর্মকে খন্ডন করে বা খ্রিস্টানিটির গোঁড়ামিকে খণদন করে লেখা লিখলে কখনো বাধা দেয়া হয় না। আমি নিজেই অনেক লিখেছি হিন্দু ধর্মের সতীদাহ, বৈদিক বিজ্ঞানকে খন্ডন করে, বিপ্লব কিংবা অনন্তও অনেক লিখেছেন। ‘ভগবদ্গীতায় বিজ্ঞান অন্বেষণ এবং অন্যান্য’, ‘সনাতন ধর্মে’র দৃষ্টিতে নারী, ‘সবই ব্যাদে আছে’, Why I am not a Hindu, Biblical contradictions, Cow’s Excreta as Medicine: Insult to Humanity এ ধরনের লেখা কিন্তু আপনি সার্চ দিলেই মুক্তমনায় খুঁজে পাবেন। আমরা কোন বিশেষ ধর্মের প্রতিপক্ষপাতিত্ব করি না। কিন্তু আবার তা বলে লেখকদের ডিক্টেটও করতে পারি না তারা কি নিয়ে লিখবেন। সবাই মুক্তমনে লিখুক, সেটাই প্রত্যাশা করি।

      তবে অন্যান্য ‘এন্টি ইসলামিক সাইটের’ সাথে আমরা মুক্তমনার পার্থক্য করি। সেজন্যই মুসলিমরা যখন কোথাও নির্যাতিত বা নিপীড়িত হয়, তখন লক্ষ্য করবেন – আমরা তার প্রতিবাদ করতে দ্বিধান্বিত হই না। আপনি নিশ্চয় কিছুদিন আগে দেখেছিলেন, যখন গাজায় উপর ইস্রাইল বর্বর আক্রমণ চালিয়েছিল, আমি লিখেছিলাম- ‘ইসরায়েলের বর্বরতার সমাপ্তি হওয়া প্রয়োজন’। এর আগেও আমি কাশ্মীরি মুসলিমদের সমর্থনে লিখেছিলাম। তাদের অধিকারের জন্য পিটিশনও করেছিলাম। তখন আপনার মতই আমাকে গাল মন্দ করেছিলো আমি নাকি ইসলামিস্ট হয়ে গেছি। আসলে আমি কিছুই হইনি, বরাবর থেকেছি মানবতার পক্ষে। সেই আলোটুকুই মুক্তমনায় জাগিয়ে রাখতে চাই। জাতি ধর্ম নির্বিষেষে আমাদের মানবতা জাগ্রত হোক।

      ভাল লাগলো আপনার সাথে আলোচনা করে। অনেক ধন্যবাদ।

      • suman মার্চ 25, 2009 at 4:40 পূর্বাহ্ন

        @অভিজিৎ দা,
        ভালো লাগলো আপনার বিশ্লেষন পড়ে। এজন্যেই মুক্তমনা অনন্য। আপনাকে ধন্যবাদ।

  46. আদিল মাহ্মুদ মার্চ 24, 2009 at 8:08 পূর্বাহ্ন

    বিপ্লব পাল আবারো তার নিরপেক্ষ ও চমতকার বিশ্লেষনী ক্ষমতার স্বাক্ষর রাখলেন। আকাশ মালিকের লেখা থেকে আমার কাছে তার বিশ্লষণ অনেক নজর কাড়া মনে হচ্ছে। আকাশ মালিকের লেখা নিয়ে সীমাহীন বিতর্ক করা যাবে। দুই পক্ষেই বিস্তর রেফারেন্স দেখাতে পারবেন। এই বিতর্কের কোনই শেষ হবে না। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় বিপ্লব পাল যা বলেছেন তা নিয়ে বিতর্কের কোন অবকাশ নেই।

    “আমার মনে হয় সত্যের গভীরেও যে বৈজ্ঞানিক সত্য আছে-সেখানে ডুব না মারতে পারলে, যুক্তিবাদি হিসাবে কিছুটা খাদ থেকে যায়।” চমতকার একটি মন্তব্য। শুধু বৈজ্ঞানিক সত্য না, ইতিহাস প্রতিষ্ঠিত অনেক সত্য ও থাকে যা ইচ্ছা বা অনিচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়াটা মনে হয় কোন যুক্তিবাদীরই উচিত না।

    আকাশ মালিক বা এমন অনেকের লেখা পড়লে মনে হবে নবী মোহাম্মদ কোন ভয়াবহ অত্যাচারী, একনায়ক, নিষ্ঠুর, কামুক, ভন্ড…একজন ঘৃণিত মানুষ। এই বক্তব্য প্রতিষ্ঠা করা কি মোহাম্মদের প্রকৃত, নিরপেক্ষ, ও পূর্ণ মূল্যায়ন হবে? তার কি কোন ভাল দিক একেবারেই ছিল না? সেই দিকগুলি কেন এই জাতীয় লেখায় আসে না? আমি যদি এখন বলি যে এটা সত্য গোপন করার একটা ডেলিবারেট এটেম্পট তাহলে কি আমাকে দোষ দেওয়া যাবে? আমি কিন্তু বলছি না যে মালিক সাহেব সব মিথ্যা, বানোয়াট বা বিকৃত এনালাইসিস করেছেন। তার কথার গুরুত্ত যথেষ্ঠই দিতে হবে, কারন তিনি প্রমাণ হিসেবে বহু ইসলামী সোর্স ব্যাবহার করেছেন। কিন্তু বরাবরের মতই মোহাম্মদের চরিত্রের নেগেটীভ সাইড আবিষ্কারে মনো্যগী হয়েছেন, তার ভাল কিছুই দেখেননি। এই মানসিকতা মনে হয় এই জাতীয় লেখার আবেদন অনেকটা কমায়। আমার অবস্থা হইয়েছে যাকে বলে ত্রিশঙ্কু। ছোট বেলা থেকে যেনে আসছি মোহাম্মদের ভাল ছাড়া খারাপ কিছুই নেই, থাকতে পারে না, এখন জানছি যে; আসলে তার ভাল কিছুই নেই, সবই খারাপ। দুই দলকেই কেমন জানি একই রকম লাগে। আশা করি মালিক সাহেব গঠণমূলক হিসেবে আমার মন্তব্য দেখবেন।

    অমন একজন ভয়াবহ মানুষের এত বিলিয়ন ফলোয়ার কেমন করে হয় তার যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা দরকার। কোটি কোটি মানুষকে হাজার বছর ধরে বেকুব বানানো এতই সোজা?

    কারন আকাশ মালিকের মত আমি নিজেও বিশ্বাস করি; “You may fool all the people some of the time; you can even fool some of the people all the time; but you can not fool all of the people all the time.”

    শেষে, Ivy আর রফিকের প্রানবন্ত বিতর্ক দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।

    • অভিজিৎ মার্চ 24, 2009 at 9:29 পূর্বাহ্ন

      আদিল মাহ্মুদ,

      আপনাদের মত সদস্যরাই মুক্তমনার প্রাণ। আপনি নির্ভয়ে মন্তব্য করতে থাকুন। আমরা চাই আকাশ মালিক, রফিক, আদিল মাহমুদ, বিপ্লব পালদের মত বিনিময়ের মধ্য দিয়েই আসল সত্যটা জনসমক্ষে বেরিয়ে আসুক। আমরা মুক্তমনাকে সেরকম একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে যেতে চাই, যেখানে মন্তব্যকারীরা একে অন্যের প্রতি সহনশীল হয়ে শেষ পর্যন্ত তর্ক করে যেতে পারবে। তারা বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিমত করবে, কিন্তু অযথা ব্যক্তিগত আক্রমণে যাবে না। আপনি সেরকম একজন সদস্য যিনি তার মন্তব্যের মাধ্যমে শ্রদ্ধাবোধ আদায় করে নিতে জানেন। এই আলোটুকু সব সময় জ্বেলে রাখুন।

      এবার আপনার মন্তব্যের উত্তরে কিছু কথা বলি। এটা ঠিক আকাশ মালিকের লেখা অনেকেরেই একপেশে লাগবে। আমারো লেগেছে। কিন্তু কথা হল এই ধরনের একপেশে লেখার প্রয়োজনটা পড়লো কেন? পড়ল কারণ, এই তথ্যগুলো এতদিন ধরে মূল মিডিয়ায় চেপে যাওয়া হয়েছিলো। ধর্ম, পয়গম্বরদের নিয়ে এন্তার ভাল ভাল কথা ছোট বেলা থেকে শুনে এসেছি। আপনিও তাই। আপনিও কিন্তু নিজেই বলেছেন, “ছোট বেলা থেকে যেনে আসছি মোহাম্মদের ভাল ছাড়া খারাপ কিছুই নেই, থাকতে পারে না…”। কিন্তু কখনো প্রশ্ন করেছেন কেন চেপে যাওয়া হয়েছিলো? কেন শুধু ভাল ভাল কথাই শুনেছেন? কারনটা সোজা। কারণ, উনাকে ঈশ্বর প্রেরিত পয়গম্বর দেখাতে হলে ভাল ভাল কথা গুলোই ছড়িয়ে দিতে হবে, আর কৌশলে চেপে যেতে হবে অপকীর্তির কাহিনী গুলো। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যারা মহানবীকে পয়গম্বর বলে স্বীকার করেন না, যারা মনে করেন না তিনি ঈশ্বর প্রেরিত কোন বিশেষ দূত, তারা কি করবেন? তারা সেই বহুল প্রচারিত ভাল ভাল কথামালার যুক্তিগুলোকেই খন্ডন করবেন। তাই না? আর সেগুলো খন্ডন করতে হলে কি করতে হবে? তার অতিমানবীয় এবং মহামানবীয় কীর্তিগুলোর বিপরীতে অপকীর্তিগুলোকেও সামনে হাজির করতে হবে। আমার মতে আকাশ মালিক কিংবা আরো অনেকে এখানে তাই করছেন। চোটবেলা থেকে শোনা বহু চর্চিত ‘ভাল ভাল কথা’ আর আকাশ মালিকদের ‘নেগেটিভ’ কথার ক্রমিক সঙ্ঘর্ষেই বেরিয়ে আসবে আসল সত্যটা। তৈরি হবে একজন ‘আদিল মাহ্মুদ’। কাজেই আকাশ মালিকদের অবদানকে একেবারে উড়িয়ে দেবার কিছু নেই।

      এ ব্যাপারটি শুধু আকাশ মালিক নয়, আরো অনেকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ইন্টারনেটে বাইবেলের ঐশ্বরিক অভ্রান্ততা কন্ডন করে একটি সাইট আছে, এক্স খ্রীস্টানদের। নাম ডার্ক বাইবেল। সেখানে হিংসাবিদ্বেষ, নির্যাতন, নিপীড়ন নিবর্তন মূলক যাবতীয় নেগেটিভ ভার্স তুলে ধরা হয়েছে। কেন? কারণ তারা প্রমান করতে চেয়েছেন যে বাইবেল কোন ঐশ্বরিক গ্রন্থ নয়। এখন আপনার মত যে কেউওই কিন্তু বলতে পারেন, বাইবেলে কি ভাল ভাল কোন কথা নেই? তা হলে কেন শুধু নেগেটিভ ভার্সগুলোকেই সামনে নিয়ে আসা? কারণ হচ্ছে, তারা এতদিনকার যে প্রচারণা – বাইবেলে শান্তির কথা আছে, সাম্যের কথা আছে, এটা ঐশ্বরিক গ্রন্থ – প্রমাণ করতে চান এগুলো আসলে মিথ্যা। আপনি কি তাদের ক্লান্তিকর গবেষণাকে ভিত্তিহীন মনে করবেন? আমি তা মনে করি না। কারণ এদের গবেষনার মাধ্যমেই কিন্তু আমরা নির্মম সত্য কথাগুলো জানতে পেরেছি। বার্ট্রান্ড রাসেল যখন ‘Why I am not a Christian’ লেখেন, তখন তার কাছে কেউ ঈশ্বর কিংবা খ্রীস্টানিটির পক্ষের যুক্তিসম্বলিত কিছু আশা করেন না। একই কথা খাটে যখন রিচার্ড ডকিন্স লেখেন – ‘গড ডিলুশন’। তাদের কাছে কেউ ‘ব্যালেন্সড ভিউ’ আশা করে না। বরং এদের দেওয়া যুক্তির সাথে বিশ্বাসীদের দেয়া যুক্তিগুলো যাচাই করে নিতে চান – কার থলিতে কেমন জোরদার লজিক আছে। আপনি যেমন চাইছেন, ‘Ivy আর রফিকের প্রানবন্ত বিতর্ক’ । পক্ষ না থাকলে বিতর্ক থাকবে কি করে, তাই না?

      ভাল থাকুন। আরো লিখুন মুক্তমনায়।

      • Biplab Pal মার্চ 24, 2009 at 8:15 অপরাহ্ন

        @অভিজিৎ,
        সত্যের নেচারই হচ্ছে ডায়ালেক্টিক। অর্থাৎ একটা থিসিস এন্টিথিসিস থাকবে। এবং ধর্ম নিয়ে লড়াইটা অধিকাংশ ক্ষেত্রে আদর্শবাদি ডায়ালেক্টীক দৃষ্টিভংগী থেকেই সবাই করে থাকে।

        আমি নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি-এই ধরনের আদর্শবাদি ধর্ম বিরোধি এন্টিথিসিস গুলি সত্য হলেও, আমাদের উদ্দেশ্য এতে সাধিত হয় না। কারন আমাদের লক্ষ্য উদার সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। ধর্মের র‌্যাডিক্যালিজমের বিরুদ্ধে আমরাও যদি র‌্যাডিক্যালিজমকেই ফলো করি, তাহলে মুশকিল আছে। এর মানে এই নয় যে সত্যকে বিকৃত করতে হবে। দুদিকের সত্যটাই বলা উচিত। এবং তার থেকেই সিন্থেসিস করা উচিত।

        আমরা যাদের উদার হতে উপদেশ দিচ্ছি-তাদের কাছে যদি নিজেদের উদার ভাবমূর্তি না প্রতিষ্ঠা হয়, তারা কি আমাদের কথা বিশ্বাস করবে? এই প্রশ্নটা কি আমাদের করা উচিত না?

        • অভিজিৎ মার্চ 24, 2009 at 8:47 অপরাহ্ন

          @Biplab Pal,

          দুদিকের সত্যটাই বলা উচিত। এবং তার থেকেই সিন্থেসিস করা উচিত।

          সেটাই তো আমিও চাইছি। সেজন্যই দুপক্ষকে বলবার স্বাধীনতা দিতে হবে।

  47. ivy মার্চ 23, 2009 at 4:54 পূর্বাহ্ন

    I read half of the article. The article was written based on non-authentic ahadith and history. When Mushammad married Ayesha she was in her late 40’s and she was sister, not daughter of Abu Bakar. I learned this information from this website. If you curious please check.

    http://www.ourbeacon.com/phpBB2/viewtopic.php?p=3304&highlight=ayesha+marriage#3304
    Contrary to the Imamist propaganda, the exalted Prophet had no more than one wife at a time. And Hazrat Ayesha was a sister, not daughter of Hazrat Abu Bakr. The Prophet (S) did not marry for three years after Hazrat Khadijah’s demise in Makkah three years before Hijrah. Hazrat Ayesha was the widow of a martyr, Saleh bin Saleh Al-‘Ataib. She was 48 years old at the time of marriage to the exalted Prophet. Sahaba Kiraam including Hazrat Abu Bakr strongly recommended that the Prophet (S) and she got into the solemn union of marriage. The blessed wedding took place in 622 CE when Muhammad (S) was 52 years old.

    [Kitab-e-Dalail-e-Nabawwut Syedna Muhammad (S), by Abdul Jabbar Fatimi, written 150 years before Tabari, the first ever ‘canonized’ historian. Azwaaj-in-Nabi wal-Ashaab, by Sheikh Hammad bin Hakam.]

    The rest is nothing but slanderous imagination of the Zoroastrian “Imam” Tabari and the Jewish biographer Ibn Ishaq and his Parsi follower Ibn Hisham.
    _________________
    Wassalam,
    SA

    • Rafiq মার্চ 23, 2009 at 8:34 অপরাহ্ন

      @ivy,

      Contrary to the Imamist propaganda, the exalted Prophet had no more than one wife at a time.

      Not true at all. Hazrat Muhammad, always had between nine to eleven legally married wives, in addition to a few concubines/sex slaves. There are couple of Hadiths that shows that he used to have sex with all of them in single nights!! Here is a Hadis from Sahi Bukhari:

      Volume 1, Book 5, Number 268:

      Narrated Qatada:
      Anas bin Malik said, “The Prophet used to visit all his wives in a round, during the day and night and they were eleven in number.” I asked Anas, “Had the Prophet the strength for it?” Anas replied, “We used to say that the Prophet was given the strength of thirty (men).” And Sa’id said on the authority of Qatada that Anas had told him about nine wives only (not eleven).

      From Sira we also know that Hazrat Muhammad left behind nine wives at the time of his death.

      Hazrat Ayesha was the widow of a martyr, Saleh bin Saleh Al-’Ataib. She was 48 years old at the time of marriage to the exalted Prophet.

      Oh sure! It looks like that ’48 years’ old virgin was playing dolls while Muhammad maried her? What about this authentic Hadith?

      Sahih Bukhari Volume 8, Book 73, Number 151
      Narrated ‘Aisha:
      I used to play with the dolls in the presence of the Prophet, and my girl friends also used to play with me. When Allah’s Apostle used to enter (my dwelling place) they used to hide themselves, but the Prophet would call them to join and play with me. (The playing with the dolls and similar images is forbidden, but it was allowed for ‘Aisha at that time, as she was a little girl, not yet reached the age of puberty.) (Fateh-al-Bari page 143, Vol.13)

      Aisha was not at all 48, she was just six. Just face it —

      Please chek these Hadiths –

      Sahih Muslim Book 008, Number 3310:
      ‘A’isha (Allah be pleased with her) reported: Allah’s Apostle (may peace be upon him) married me when I was six years old, and I was admitted to his house when I was nine years old.

      Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 64
      Narrated ‘Aisha:
      that the Prophet married her when she was six years old and he consummated his marriage when she was nine years old, and then she remained with him for nine years (i.e., till his death).

      Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 65
      Narrated ‘Aisha:
      that the Prophet married her when she was six years old and he consummated his marriage when she was nine years old. Hisham said: I have been informed that ‘Aisha remained with the Prophet for nine years (i.e. till his death).” what you know of the Quran (by heart)’

      Sahih Bukhari Volume 7, Book 62, Number 88
      Narrated ‘Ursa:
      The Prophet wrote the (marriage contract) with ‘Aisha while she was six years old and consummated his marriage with her while she was nine years old and she remained with him for nine years (i.e. till his death).

      And Hazrat Ayesha was a sister, not daughter of Hazrat Abu Bakr.

      You are writing new history with cut and paste information. Ayesha was indeed the daughter of Abu Bakar. Check the wiki:

      http://en.wikipedia.org/wiki/Aisha

      Aisha was the daughter of Um Ruman and Abu Bakr of Mecca.

      Rafiq

      • ivy মার্চ 27, 2009 at 9:05 পূর্বাহ্ন

        @Mr.Rafiq,

        A Hadith of Bukhari tells us that a girl can have Nikah (the marital contract) at 6 and the marriage can be consummated at age 9 since the exalted Prophet did that with Hazrat Ayesha! Marrying females of very young ages was already a custom with many peoples, and still is around the world. To marry young girls was not only custom in many people but also is a Jewish custom.

        If we agree that Qura’n is the book of guidance then we need to seek the guidance from Qura’n. There is a verse that guides Muslims in their duty to raise an orphan child. The verse states: “(4:6) Train and educate the orphans well and test them. When they reach the age of marriage and attain sound judgment, release their property to them. The marriageable age shall mean attainment of physical and mental maturity when one can legally make a solemn contract (4:21). —–.”

        There is no direct verse about such marriage but according to Qura’n a Muslim is ordered to take care of orphan until the age of marriage, Qura’n also demands to proof their intellectual and physical maturity by test before the age of marriage in order to entrust their property to them. As a Muslim if you follow the Qura’n, do you think a seven or nine year old immature girl can manage her finance? If not, then she can not be fit for marriage intellectually or physically. So, it is difficult to imagine that the Muhammad (s) would marry an immature girl. Definitely a prophet can not violate any law of Qura’n. The verse also said that train and educates them. Obviously, this verse did not mention which kind of education; but don’t you think Allah gave the rest of responsibilities on human judgment—means as a guardian you will decide what kind of education you need for your children. For this verse, do we really have to depend on hadith? So, as guardians do you believe by nine years your children can be well educated to run the family or handle the property? Even an Islamic law, when a woman gets married, must be consulted and must agree to make a marriage to be valid. Has a six years old have authorization to make her marriage valid and how come a prophet can broke Allah’s law? Would you follow that leader who even doesn’t follow his own preaching?

        Ivy
        Ivy

        • রফিক এপ্রিল 1, 2009 at 11:10 অপরাহ্ন

          @ivy,

          A Hadith of Bukhari tells us that a girl can have Nikah (the marital contract) at 6 and the marriage can be consummated at age 9 since the exalted Prophet did that with Hazrat Ayesha! Marrying females of very young ages was already a custom with many peoples, and still is around the world. To marry young girls was not only custom in many people but also is a Jewish custom.

          আইভি, আপনি প্রথমে বললেন, আয়শার বয়স নাকি ছিলো ৪৮ বছর। এর উত্তরে আমি হাদিস এবং অন্যান্য সাহাবীদের উদ্ধৃতি দিয়ে যখন দেখালাম তা মোটেও ঠিক নয়, বরং পঞ্চশোর্ধ মহানবী যখন আয়েশাকে বিয়ে করেছিলেন তখন আয়েশা পুতুল খেলতেন, এবং তার বয়স ছিলো আসলে ৬, এখন আপনি বলছেন বাচ্চা কাচ্চা বিয়ে করা নাকি ইহুদী রীতির অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তাহলে আপনি ‘৪৮ বছরের আয়েশা তত্ত্ব’ থেকে সরে এসেছেন, বলুন?

          সাফিয়া, রায়হানা, মারিয়া এবং জয়নব সম্বন্ধে আরো কিছু ‘অথেন্টিক তথ্য’ নীচে আপনার সাথে বিতর্কের সময় দিয়েছি, দেখেছেন নিশ্চয়।

  48. তানবীরা মার্চ 23, 2009 at 4:04 পূর্বাহ্ন

    বইটির অনেক অনেক অনেক সাফল্য কামনা করছি

  49. Abul Kasem মার্চ 23, 2009 at 4:00 পূর্বাহ্ন

    I already wrote a few comments praising Akash Malik’s composition of this book. His book will be a milestone in Bangladesh’s publication. This book will be in the same leageue of “Pak Sar Zamin’ written by Humayun Azad.

    So far, none has dared to publish such a ‘blashphemous’ book. I am quite positive that AL government will soon ban this book, thus raising its popularity.

    In the ‘underworld’ it will sell like hot cakes.

  50. রফিক মার্চ 23, 2009 at 12:11 পূর্বাহ্ন

    বেশ ভাল লাগলো বইটা। আকাশ মালিকের ‘ইসলামের ইতিহাস এবং প্রাসাদ ষড়যন্ত্র’ আর ‘বোকার স্বর্গ ‘ সিরিজগুলো যখন মুক্তমনায় ধারাবাহিকভাবে পড়ছিলাম তখন তাঁর লেখায় এত ডিটেল রেফারেন্স ছিলো না। অনেকেই রেফারেন্স চেয়ে মন্তব্য করেছিলেন তখন। এখন পিডিএফ ফাইলগুলো পড়তে গিয়ে বুঝলাম লেখক তার রিসার্চ খুব ভালভাবেই করেছেন। খুবই একাডেমিক স্টাইলে লেখা ওজনদার বই হয়েছে। বইটা পড়া শুরু করলে পাঠকেরা চিন্তা করতে বাধ্য হবেন। এখানেই লেখকের সার্থকতা।

    আমি মুক্তমনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই চমৎকার ইবুকটি সঠিক সময়ে প্রকাশ করার জন্য। এই বইটির পেছনে অন্যান্য যারা জড়িত আছেন, তাদেরকেও ধন্যবাদ।

  51. Biplab Pal মার্চ 22, 2009 at 9:18 অপরাহ্ন

    আমার মনে হয় সত্যের গভীরেও যে বৈজ্ঞানিক সত্য আছে-সেখানে ডুব না মারতে পারলে, যুক্তিবাদি হিসাবে কিছুটা খাদ থেকে যায়।

    (১) মানুষ এবং একটা জাতিকে যুদ্ধের জন্যে সঙগঠিত করা, সেই জাতির রিপ্রোডাক্টিভ ফিটনেস বাড়ানো ( লুঠপাট করে অন্যেদের সম্পদ দখল, নারীর গর্ভ দখল, মানুষের সমানাধিকার ও সাম্য, লোভহীন জীবন কাটানো)-এগুলোত মধ্যযুগে দরকার ছিল-যখন বিজ্ঞান ছিল না। উন্নত জীবন ছিল না। মহম্মদ কোরানের মাধ্যমে আরব জাতিকে সেটাই দিয়েছিলেন।
    সেই বলে বলিয়ান হয়েই ইসলাম পৃথিবীতে ছড়িয়েছে।
    (২) এখন কোরানের কিছু কিছু জিনিস-যেমন মানব সাম্য,
    দরিদ্রের ন্যায় সৎ জীবন জাপন করা, দেশ-জাতি মুক্ত পৃথিবী-এগুলোর প্রাসঙ্গিকতা রয়ে গেছে-আবার কোরানে নারী বিদ্বেশী
    , অমুসলিম বিদ্বেশী আয়াতগুলো সম্পূর্ন প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে।
    (৩) সমস্যা যেটা হচ্ছে- মুসলমানরা কোনটা প্রাসঙ্গিক-আর কোনটা মধ্যযুগের প্রয়োজনে এসেছিল সেটা আলাদা করতে পারছে না। কারন কোরান আল্লার মুখ থেকে এসেছে-তাই তার সবকিছু নিয়েই তারা ঝুলে আছে। ফলে না আধুনিক যুগের সাথে তাকে মেলাতে পারছে-না নিজের জীবনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছে। ফলে যেসব মুসলমান, যারা কোরানে বিশ্বাস করে-তারা সারা জীবন এক বোঝা নিয়ে বয়ে চলেছে। সেটা উপলদ্ধি করার মতন বুদ্ধিও তাদের নেই-ধর্মের চোটে লোপ পেয়েছে।
    (৪) অথচ কোরানটাকে আল্লার বানী না ভেবে যদি একটি মধ্যযুগীয় উপদেশ বানীর সংকলন হিসাবে ভেবে পড়তে থাকে-কোরান বেশ ভাল গ্রন্থ। জীবন সম্মন্ধে বেশ কিছু ভাল উপদেশ আছে যা আমি নিজে কোরান না পড়েও অন্যভাবে উপলদ্ধি করেছি। সেগুলো অবলম্বন করে-কেও যদি মুসলমান হতে চাই খারাপ কিছু না।
    (৫) কিন্তু এমনটা হয় না। তারা বিশ্বাস করে এ আল্লা প্রেরিত। ফলে আল্লা স্ত্রীকে পেটাতে বললে-তারাও স্ত্রীপেটানোতে পাপবোধ দেখে না। কাফেরদের প্রতি ঘৃণাটাকেও তারা আল্লা নির্দেশিত ভাবেই দেখে। মুর্তি পূজার বিরুদ্ধে তাদের ঘৃণাটাও তাই।
    (৬) অর্থাৎ সাধারন বুদ্ধি এবং যুক্তি হারালে মুসলমানদের কাছে কোরানটা সম্পদের বদলে বোঝা হয়ে উঠবে। এবং সেটাই হয়েছে। কিছু কিম্ভুত কিমাকার লোকের জন্ম দেবে। তাদের মধ্যে সন্ত্রাসী, রাজনীতিবিদ, উচ্চশিক্ষিত লোক সবাই আছে।

    • ivy মার্চ 23, 2009 at 5:04 পূর্বাহ্ন

      @Biplab Pal, You are talking about number2 islam. If you like to know more please surf http://www.ourbeacon.com or free-minds.org. You will find the true Islam. Before that please do not comment about Islam. In this world now only 5-10% people follow the true Isalm and and others just follow the man-made rituals.

      • Biplab Pal মার্চ 24, 2009 at 12:21 অপরাহ্ন

        @ivy,
        Dr Sabir is another of those Muslims for which I wrote Quran is burden and not revealation—

        Please understand, unless you understand history, social science, philosophy in depth, you will never understand any religious text properly.

        Also remember, all greatest truths are extremely simple and not complicated.

        So far, knowledge of all so called Muslim scholars, yes all, I have seen- to me is just laughable. Kiddish if I evaluate them in the true merit of philosophy and social science. So stop being a kid to teach me ‘pure Islam’. All ‘pure’ claim to Islam, Hinduism, Marxism are pure nonsense. Because
        any of these is about human being which is not a pure system enither perfect but an evolving system.

        • ivy মার্চ 25, 2009 at 8:47 অপরাহ্ন

          @Biplab Pal, I didn’t use word ‘pure’ or ‘holy’ word at all. I used ‘true’. You already changed the meanig of my sentences. Why? Have you really studied Qura’n? I can show you five to six differen translation of one verse. Which one will you choose–the logical one or the heresay? There is nothing wrong being kid and teaches the grown up. The grown up is not always right. Blame those so called muslim-scholar who used Qura’n to steer their career. Please don’t blame Qura’n by pointing some misinterpret verses.
          And one more question did you really read any article or blog of Dr. shabbir? If you think, he is wrong with logic, why don’t you say so? We will be hapyy to know the truth. Please just don’t play bashing game.

  52. শিক্ষানবিস মার্চ 22, 2009 at 4:27 অপরাহ্ন

    রিভিউ ভাল লাগল। বই এখনও পুরোটা পড়া হয়নি। পড়তে হবে।

এই আলোচনাটি শেষ হয়েছে.