পারিবারিক শিক্ষা এবং শিশুর বিকাশ

 

 

 

 

পারিবারিক শিক্ষা এবং শিশুর বিকাশ

 

এলিয়েন                       

 

 

আমরা আজ বাংলাদেশিরা ভয়ঙ্কর সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।এই কয়দিন আগেও আমরা সভ্যতার পিছিনের দিকে হাটতাম আর এখন রীতিমত দৌড়াচ্ছি।মনে হচ্ছে গুটিকয়েক মানুষ ছাড়া সবাই নিজেদের পিছনের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রতীযোগিতায় নেমেছে।চারিদিকের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আজ পিছনের দিকে যাওয়াটাই নিয়ম হয়ে দাড়িয়েছে।আমার খুব ভাল লাগে,আনন্দ লাগে যখন দেখি এই অবস্থার মাঝে থেকেও পরিবর্তন চায় এইরকম মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে আবার পাশাপাশি খারাপ লাগে যখন দেখি এই সংখ্যা যে হারে বাড়ার দরকার ছিল সে হারে বাড়ছে না।এইরকম একটা সময়ে যুক্তিযুক্ত বাখ্যা দেওয়াটা সমাজের কাছে একটা বড়ো আপরাধ।কিন্তু কিছু মানুষ এখনো আছে যারা এই রকম অপরাধ সেই প্রাগৈতীহাসিক যুগ থেকে করে আসছে এবং করতে থাকবে।

 

আমাদের সমাজে পিছনের দিকে যাওয়ার শিক্ষা শুরু হয় সেই শিশুবেলা থেকেই।আমাদের প্রথম শিক্ষা আমরা পাই পরিবার থেকে।যখন বাচ্চারা কথা বলতে শিখে তখন তারা প্রশ্ন করতে থাকে।এটা কি ?ওটা কি ?এটা কেন হল?ওটা কেন হল?আর এর মাঝেই তারা শিক্ষা পেতে থাকে।আমার খুব মন খারাপ হয় যখন দেখি আমরা আমাদের বাচ্চাদের ভুল শিক্ষা দিয়ে তাদের অন্ধকারের পথে নিয়ে যাচ্ছি।কেউ মুক্তমনা হয়ে জন্মায় না,মুক্তমনা হয়ে উঠতে হয়।আর একজন শিশুর মুক্তমনা হওয়ার জন্য যে সাহায্য সহযোগিতা,সত্য জানা দরকার তা থেকে অধিকাংশ শিশু বঞ্ছিত।যখন পরিবার থেকে ভূল কতগুলু শিক্ষা নিয়ে সে বাহিরের সমাজে পা রাখে তার কাছ থেকে আমরা কি আশা করতে পারি।এই শিশুটি যখন আবার পরিবারের কেও হবে সেও তার বাচ্চাকে ভুল শিক্ষা দিবে।এই ভাবেই অন্ধকার পথের জীবন চক্র চলতে থাকে।এভাবেই অন্ধকারের ঔরষে অন্ধকারের জন্ম।আর উগ্র কিছু দলত আছেই যারা প্রগতীশীলতার বিরুদ্দে নিজেদের সার্থ রক্ষার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।আগে করত গোপনে আর এখন করে প্রকাশ্য।

 

ধর্মের প্রথম শিক্ষা আমরা পাই পরিবার থেকে।আমরা কেউ ধর্মের পোষাক পরে জন্ম নেই না।আস্তে আস্তে আমাদের ধর্মের পোষাক পড়ানো হয়।মুসলমান পড়ায় ইসলামি পোষাক,হিন্দু পড়ায় হিন্দু পোশাক,বৌদ্ধ পড়ায় বৌদ্ধ পোষাক,খ্রীষ্টান পড়ায় খ্রীষ্টান পোষাক।আর এই পোষাকের ভিতরে আমরা ধর্মের অনুগত সিপাহি হয়ে যাই।ধর্মের জন্য এক সময় আমরা উগ্রপন্থি হতেও কারপন্ন করি না।আমরা একবারও ভেবে দেখি না এই পোষাক আমাদের কি দিয়েছে?একমাত্র অন্ধকার ছাড়া আর কিছু না।আর আমাদের নিজ নিজ পরিবার শিখায় আমার ধর্ম সবচেয়ে ভাল এবং একমাত্র ধর্ম।মুসলিম পরিবারে বাচ্চাকে বলা হয় ইসলাম হল একমাত্র ধর্ম আর বাকি সব ধর্ম খারাপ তেমনি হিন্দু পরিবারে বাচ্চাকে বলা হয় হিন্দু ধর্ম একমাত্র ধর্ম আর এ রকম ভাবে যাযার ধর্মকে একমাত্র এবং গ্রহনযোগ্য বলে বাচ্চাদের শিখানো হয়।আর এতে করে তারা শুধু খারাপ প্রতিহিংশাই শিক্ষা নিচ্ছে এবং তা ধারন করে বড় হচ্ছে। যেখানে ধর্ম শিক্ষার ব্যাপারে পরিবার সবসময় অগ্রভুমিকা পালন করে থাকে সেখানে আমরা কি আশা করতে পারি।পরিবার আমাদের মাথায় পেরেক ঠুকার মত করে গেঁথে দেয় ধর্ম নামের এক বীজ যা শিশুটি বড় হওয়ার সাথে সাথে বীজটিও ডাল পালা মেলে এবং মস্তিস্ক ঢেকে ফেলে, ফলে অন্য আর কোন প্রগতিশীল ভাবনা মাথায় ধরে না।কিন্তু আমরা আজ জানি ধরমের উৎপত্তি এবং ক্রমবিকাশ এর কারন।ধর্ম ছাড়াও আমরা বাঁচতে পারি।কেউ ধর্ম নিয়ে জন্মায় না।কিন্তু আজ এই ধর্ম নামের বিষয়টি মানুষের এক অন্যতম উপকরন হয়ে মাথায় গেঁথে গেছে আর এর জন্য আমাদের পারিবারিক শিক্ষা অন্যতম মূল কারন।আমরা আমাদের শিশুদের কিছু বিষয়ে অপশন দিয়ে থাকি কিন্তু এই ধর্মের বিষয়ে আমরা কখনই অপশন দেই না।তাদের জোর করে হলেও ধর্ম নামের বিষয়টিকে চাপিয়ে দেয়া হয়।আমাদের দেশের অনেক শিক্ষিত পরিবার জানেওনা মানবিক ধর্ম বলে একটা ধর্ম আছে যা মানুষের মানবতাবাদ,মানবপ্রেম,মানব কল্যানের কথা বলে আর জানলেও এই ধর্ম নিয়ে কখনো শিশুদের সাথে কথা বলে না।

 

যে সময় বাচ্চাকে বিবর্তনবাদের শিক্ষা দেয়া দরকার সে সময় আমরা তাদের রূপকথার গল্প শুনাই। আর এই রূপকথার গল্প তাদের মাথায় আটকে থাকে এবং বড় হয়ে যখন বিবর্তনবাদের বিষয়টি জানে তখন তারা আর তা মানতে চায় না। মনে করে এও এক রুপকথার গল্পের মত।তারা ভয় পায় মুক্তচিন্তা করে সঠিক তথ্যটি গ্রহন করতে। কিন্তু যদি আমরা  শিশুবেলাই তাদের বিবর্তনবাদ সম্পর্কে একটু একটু করে বলতাম তখন তারা বিষয়টিকে নিজের করে বুঝতে পারত,চিন্তা করতে পারত। কিন্তু আমরা তা না করে তাদের ধর্মের আলোকে অযৌক্তিক মহাবিশ্ব সৃষ্টির গল্প শুনাচ্ছি যা তাদের সঠিক শিক্ষা থেকে অনেক দূরে করে নিয়ে যাচ্ছে আর তাদের নিয়ে যাচ্ছে অন্ধকার থেকে আরো বেশি নিকষ অন্ধকারে।আমি কজন পরিবারের বাবা মার সাথে কথা বলে জানতে চেয়েছি কেন তারা তাদের বাচ্চাদের বিবর্তনবাদের কথা বলেন না।অনেকেই যে কথা বলল তা শুনে আমি অবাক,তারা বলল আপনি কি চান আমাদের বাচ্চারা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাক,তারা ধর্মের আলো থেকে অন্ধকারের পথে পা বাড়াক।এই যদি হয় তাদের উত্তর, তাহলে কে তাদের আসল অন্ধকারের হাত থেকে টেনে উঠাবে।যে সমাজে বিবর্তনবাদ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা মানে সমাজ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া সেই সমাজ থেকে আমরা কিছু আশা করতে পারি না।আমাদের এই সমাজে অধিকাংশ পরিবারগুলো নিজেদের আধুনিক ভাবে কিন্তু তারা আধুনিকতার সঙ্গা জানে না। আর তা যদি জানত তাহলে তাদের বাচ্চাদের অন্ধকারে পথে ঠেলে দিত না।

 

আমরা আমাদের শিশুদের অনেক কিছু বড় হয়ে হওয়ার কথা বলি যেমন,ডাক্তার,ইঞ্জিনীয়ার,পাইলট কিন্তু কখন বলি না এইগুলু হল শুধুমাত্র পেশা ছাড়া আর কিছুই না।মানুষের বেচেঁ থাকার জন্য পেশা অপরিহার্জ কিন্তু তার থেকেও জরুরি হল মুক্তচিন্তার অধিকারি হওয়া।আমরা তাদের অনেক স্বপ্ন দেখাই যা বাস্তবে তারা অনেকেই সেই স্বপ্ন হতে অনেক দূরে চলে যায়। কিন্তু যদি আমরা তাদের মুক্ত চিন্তা করার কথা শিখাতে পারতাম,শিখাতে পারতাম যুক্তিবাদী হতে তাহলে আজ আমাদের পিছনে হাটা লাগত না।মুক্তচিন্তা করা খুব কঠিন কিছু কাজ না,আমাদের প্রশ্ন করতে হবে আর তার সঠিক উত্তর খুজে বের করতে হবে।সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হল আমরা আজ প্রশ্ন করতেই ভুলে গেছি।শিশুদের প্রশ্ন অনেক আর তার সঠিক জবাব দেয়া আমাদের কর্তব্য।কিন্তু আমরা নিজেরাই অনেক প্রশ্ন সম্পর্কে পরিচিত না কিংবা আমরা অনেকেই সত্য বলতে ভয় পাই।কিন্তু আমরা বুজছি না এই ভূল উত্তর,এই অবান্তর ভয় আমাদের কতটা অন্ধকার থেকে অন্ধকারে নিয়ে যাচ্ছে।আমরা নিজেরাই নিজেদের অনেক সিদ্দান্তকে মেনে নিতে পারি না শুধু সমাজের ভয়ে তা পালন করি। আর এই রোগ দ্বারা আক্ক্রান্ত হচ্ছে আমাদের শিশুরা।এই রোগ থেকে আমাদের মুক্তি দেবে কে?আর কত অন্ধকার আমাদের দেখতে হবে ?আমরাই পারি নিজেরা এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে। শুধুমাত্র দরকার সদিচ্ছা এবং সত্যকে জানার এবং মেনে নেয়ার আগ্রহ।

 

আমাদের পারিবারিক শিক্ষায় বিজ্ঞান নিয়ে শিশুদের সাথে খুব বেশি আলোচনা করা হয় না।একটা শিশুর মানসিক বুদ্ধি এবং বিজ্ঞানমনষ্ক করে গড়ে তোলার জন্য বিজ্ঞান চর্চার কোন বিকল্প নেই।আমরা শিশুদের কল্পনাবিলাসী রুপকথার গল্প শুনাই কিন্তু অবিভূত করার মত এই মহাবিশ্ব সৃষ্টীর আসল কারন বলিনা।বিজ্ঞান মানুষকে অন্ধকার হতে আলো দেখায় আর তাই বিজ্ঞানকে আমাদের মানতে রাজি না।আমরা আজ অন্ধকারে থাকতে ভালোবাসি।আজ আমরা কপট ধার্মিক হয়ে গেছি। আর করে তুলছি আগামি প্রজন্মকেও।আমরা বিজ্ঞান পড়ি এবং ভালোমতই পড়ি কিন্তু প্রমানিত হওয়া সত্বেও আমরা অনেকেই তা মেনে নিতে পারি না।আমরা নিজেরাই confused আর তাই আমাদের শিশুদেরকেও করে তুলছি আরও বেশি confused।আমরা আজ জানি আমাদের মহাবিশ্ব সৃষ্টীর আসল রহস্য কিন্তু আমরা মানতে চাই না।আমি এমন অনেক বিজ্ঞান পন্ডিতকে চিনি যারা নিজেরা বিজ্ঞান চর্চা করে কিন্তু তারা মনে প্রানে বিজ্ঞানের সত্যতা মানতে চায় না।তারাই আবার পৃথিবী সৃষ্টীর ধর্মিও কাহিনী শিশুদের শুনায়।আর এই যদি হয় বিষয়টি তাহলে আমরা আমাদের শিশুদের কি শিক্ষা দিব।আমাদের শিশুরা আজ বোম্বের নায়ক কিংবা নায়িকাদের নাম বলতে পারবে অনায়াসে, বলতে পারবে কাটুন ছবির নাম,আর বলতে পারবে জনপ্রিয় গেমস্ এর নামগুলু। কিন্তু একজন বিজ্ঞানীরও নাম বলতে পারবে কিনা সন্দেহ।কেন এই অবস্থা?আমরা কখনও ভেবে দেখিনি।আমরা আমাদের বাচ্চাদের নানা সংগঠনে ভর্তি করে দেই, নানা বিষয়ে শিক্ষা নেয়ার জন্য যেমন-গান শিখা,আবৃত্তি শিখা,নাচ শিখা,অভিনয় শিখা আরও অনেক রকম শখের কাছে শিশুকে সমার্পন করা হয়।আর এই কার্জ সম্পাদন করে আমরা অনেক গর্ববোধ করি।কিন্তু আমরা কখনও একটা শিশুকে বিজ্ঞান পরিষদে কিংবা বিজ্ঞান চর্চা হয় এইরকম কোন অনুষ্ঠানে নিয়ে যাই না।তাকে বিজ্ঞান চর্চা হয় এইরকম কোন সংগঠনের মেম্বার করি না।এখনি সময় আমাদের চিন্তা করার।

 

পরিবার একতি শিশুকে আস্তে আস্তে করে ছেলে কিংবা মেয়ে করে গড়ে তুলে।যখন একতা শিশু জন্ম নেয় তখন তার লিঙ্গ সম্পর্কে কোন জ্ঞান থাকে না।আমাদের পরিবার আস্তে আস্তে করে তাদের ছেলে কিংবা মেয়ে করে গড়ে তুলে।পরিবারগুলু কখনো বুঝতে চায় না ছেলে কিংবা মেয়ে তারা উভয়ই মানুষ।যখন মেয়ে শিশুগুলু বড় হতে থাকে তখন তাদের উপর নানা বিষয়ে নিষেদাজ্ঞা আরপ করা হয় যা একটা ছেলে শিশুকে করা হয়না।আর এই নানা নিয়মের মাঝে তাদের একটা নির্দিষ্ঠ গন্ডির মধ্য বেধে ফেলা হয়।আর এই গন্ডি থেকে তারা আর কখনো সহজে বের হতে পারেনা।কিন্তু আমরা, আমাদের পরিবার যদি একটু সচেতন হই তাহলে তাদের আমরা মানুষের মত করে উন্মুক্ত চিন্তা দিয়ে বড় করে তুলতে পারি।একটা মেয়ে শিশু যখন শিশুকাল থেকেই নানারকম বাধাঁর কথা শুনে শুনে বড় হয় একসময় তার চিন্তা ভাবনা গুলু আর কাজ করে না।তার পৃথিবীটা খুব ছোট হয়ে আসে।সে নিজেকে শুধুমাত্র সন্তান প্রশবের মেশিন বলে মনে করে।কিন্তু আমরা আজ জানি একটা ছেলে যা করতে পারে ঠিক একটা মেয়েও তা পারে।তাই আমাদের পরিবারগুলুর উচিৎ তাদের মানুষ করে গড়ে তোলা, মেয়ে মানুষ করে নয়।তাহলেই আমরা আমাদের সমাজে অন্ধকারকে সরিয়ে আলো নিয়ে আসতে পারব।

 

                                                                                     

 

এলিয়েন

১০ই মার্চ ২০০৯

Email – [email protected]

অভিজিৎ রায় (১৯৭২-২০১৫) যে আলো হাতে আঁধারের পথ চলতে চলতে আঁধারজীবীদের হাতে নিহত হয়েছেন সেই আলো হাতে আমরা আজো পথ চলিতেছি পৃথিবীর পথে, হাজার বছর ধরে চলবে এ পথচলা।

একটি মন্তব্য

  1. Talat মার্চ 12, 2009 at 12:53 পূর্বাহ্ন - Reply

    এলিয়েন,
    এক্কেবারে হারে হারে সত্য কথা বলেছেন!! অনেক দিন ধরে আপনার লেখার মত লেখা খুঝছিলাম । আমি বহু-উ-উ-উ দিন যাবত ঠিক যা ভাবছিলাম , যেসব চিন্তা-ভাবনা আমার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিলো, যা আমি কারো সাথে শেয়ার করার সুযোগ পাচ্ছিলাম না হুবহু তাই আপনি অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে, প্রাঞ্জল ভাষায় আপনি বর্ণনা করেছেন! আচ্ছা এলিয়েন, আপনাদের বাস্তবে দেখা পাই না কেন? আপনাদের কি শুধুই এই বইপত্র, ইন্টারনেট, ব্লগ, পত্রিকাতেই খুযে পাওয়া যাবে? আমি বহুদিন যাবত বাস্তবে আপনাদের খুঝছি। সত্যিই এই রুগ্ন সমাজে আপনাদের মত মানুষের খুব অভাব। বাসে, ট্রেনে, বিশ্ববিদ্যালয়ে , রাস্তা-ঘাটে,সামাজিক উৎসব,অনুষ্ঠানে, দোকানে, আলোচনায় আপনাদের মত মানুষদের খুজে পাই না। যার কারনে আপনার এই আর্টিকালের মত লেখাগুলো পড়ে যখন বাস্তবতার দিকে তাকাই তখন কেন জানি খুব খালি খালি মনে হয়, নিজেকে একা মনে হয়। আমি জানিনা আমার অনুমান কতখানি সত্য; কিন্তু frankly speaking আমার যা মনে হ্যেছে তাই আমি বললাম।

    সবশেষে আপনার এই সময়পযোগি লেখাটির জন্য অসংখ্য, অসংখ্য ধন্যবাদ!!!

মন্তব্য করুন