কিছু একটা করুন (ইজরায়েলী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কবিতা)

কিছু একটা করুন
হাসানআল আব্দুল্লাহ


পৃথিবীর দেশে দেশে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসে থাকা শুয়োর ছানারা
নির্মম গাজার দিকে একটু তাকান
দেখুন কিভাবে প্রাণ হারাচ্ছে শিশুরা
দেখুন কিভাবে প্রাণ হারাচ্ছে মায়েরা


কুষ্টরোগাক্রান্ত পচা দুর্গন্ধ ছড়ানো জাতিসঙ্ঘ
দেখুন কিভাবে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে একটি জাতিকে
দেখুন কিভাবে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে পাখির কাকলি
সকালে দুপুরে, মধ্যরাতে ঘুমের প্রহরে
দেখুন কিভাবে জল স্থল ও আকাশ পথে
বোমা ফেলে গুঁড়ো করে দেয়া হচ্ছে মানুষের হাড়


প্রিয় শুয়োর ছানারা,
আপনারা সকালে যখন নাস্তা করছেন স্ত্রী সন্তানদের সাথে
তখনও মরছে শিশুরা


প্রিয় কুকুর ছনারা,
আপনারা দুপুরে যখন সজ্জিত খাবার টেবিলে মন্ত্রীমহদয় আর
নানা গুরুত্বপূর্ণ অতিথি নিয়ে সুবাস পাচ্ছেন
উপাদেয় খাবারের,
তখনও মরছে মায়েরা


প্রিয় শকুন ছানারা,
আপনারা রাত্তিরে যখন উপভোগ করছেন
সুরার জৌলুস,
তখনও মরছে মানুষ


শুয়োর ছানারা, কিছু একটা করুন
কুকুর ছানারা, কিছু একটা করুন
শকুন ছানারা, কিছু একটা করুন


রক্ত ঝরছে শিশুর, কিছু একটা করুন
রক্ত ঝরছে মায়ের, কিছু একটা করুন
কিছু একটা করুন, কিছু একটা করুন


০১.১১.০৯
উডহেভেন, নিউইয়র্ক

কবি ও প্রাবন্ধিক । আন্তর্জাতিক কবিতার কাগজ 'শব্দগুচ্ছ' সম্পাদক। প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ২৭। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: নক্ষত্র ও মানুষের প্রচ্ছদ (অনন্যা, ২০০৭), স্বতন্ত্র সনেট (ধ্রুবপদ, ৩য় সং, ২০১৪), শীত শুকানো রোদ (অনন্যা, ২০১৪), আঁধারের সমান বয়স (বাড, ২০০২) এবং নির্বাচিত কবিতা (অনন্যা, ২য় সং, ২০১৪)। অনুবাদ: বিশ্ব কবিতার কয়েক ছত্র (সাহিত্য বিকাশ, ২য় সং, ২০১৩)। প্রবন্ধ: নারী ও কবিতার কাছাকাছি (অনন্যা, ২০১৩)। উপন্যাস: ডহর (হাতেখড়ি, ২০১৪)। গল্পগ্রন্থ: শয়তানের পাঁচ পা (অনন্যা, ২০১৫)

মন্তব্যসমূহ

  1. adnan lermontov জানুয়ারী 15, 2009 at 11:11 পূর্বাহ্ন - Reply

    Dear Mr. Hassanal Abdullah,
    How are you?

    Thank you for your letter to the MM editors.
    I enjoyed your prose piece (the letter) more than your poem(?).

    You wrote, “…many faces that we see everyday may look like human beings, but if we take a little time to remove the masks covering those faces, we may not find them as they are.”

    It is very true, no doubt. But I think that this meditation or investigation should start with each one of us first. Don’t you agree?

    “…I am afraid of “hands fighting for the people
    Which the people themselves will cut off.”
    (From the poem, L’acceleration De L’histoire, by Czeslaw Milosz)

    thank you.
    adnan lermontov

  2. Hassanal Abdullah জানুয়ারী 15, 2009 at 7:44 পূর্বাহ্ন - Reply


    Dear Editors,
    Thank you for publishing my poem on your site. I also read the feedbacks. I appreciate everybody who read the poem and took some time to respond. There is always a long debate about what is poetry and what is not. The poets who say that they write ‘anti-poetry’ are also known as great poets, at least some of them. I would not get into the debate now. Rather, I would like to say, as a human being, I would not like to see the blood. We do have some responsibility to keep this world safe and sound for us and for the next generation. It will never happen by killing children. I believe many of us are not doing what we are supposed to. In fact, many faces that we see everyday may look like human beings, but if we take a little time to remove the masks covering those faces, we may not find them as they are. That is the major problem of our society. The problem with literature is also the same. I believe, some day, we will be able to overcome the situation. Thank you.
    Sincerely,
    Hassanal Abdullah

  3. adnan lermontov জানুয়ারী 15, 2009 at 5:29 পূর্বাহ্ন - Reply

    Dear Mr. Avijit,
    How are you?

    ISSUE ONE:
    I did read many of Mr. Hassan Al Abdullah’s poems, and did not find any poetry. I refuse to accept this piece as poetry.
    You will find poetry, nothing but poetry, in the link below:
    http://www.pan.net/trzeciak/

    ISSUE TWO:
    Two of my adopted children live in Gaza. I understand the situation. It is heart-breaking for a pacifist.
    And I have many Jewish friends; some of them are holocaust survivors. I interviewed few survivors last year. I hope to publish some of those interviews on MM later this year.
    I hate war. Let that be very clear.
    Our blood should not boil one-sidedly; criticisms should be fair and honest.
    I should not be defined as having double-standard.
    I would like to end it this way:
    Of all the adults died in Gaza, I cannot say who was a terrorist and who was not; but I can say that every one of those children was innocent. I am against war, including this one. I hate war.

    Thank You.
    Adnan

  4. মাহাবুবুর রাহমান জানুয়ারী 14, 2009 at 10:50 পূর্বাহ্ন - Reply

    ব্যক্তি বা সংগঠনের সন্ত্রাসের চেয়ে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস অনেক ভয়ঙ্কর। ব্যপারডা হইল রাষ্ট্র যখন সন্ত্রাস করে তখন আমরা তাকে সন্ত্রাস বলি না (যতক্ষণ না আমেরিকা তাকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলে)। সন্ত্রাস আর গণমানুষের মুক্তির জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম এক নয়। সুতরাং বলতে পারি সব রকমের সন্ত্রাসই খারাপ। আর হামাস মোটেও সন্ত্রাসী সংগঠন নয়। ধিক্কার জানাই পশ্চিমা সন্ত্রাসের বাগবিধিকে, প্রগতিশীল,বিপ্লবী, প্রতিক্রিয়াশীল নানা মুখোশে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তার দোসরদের।

  5. অভিজিৎ জানুয়ারী 14, 2009 at 5:45 পূর্বাহ্ন - Reply

    why this poem? why now?

    What do mean by the above statement? HassanAl Abdullah has been writing poems on many political issues. Please see his article page. He defended Humayun Azad, Taslima Nasrin and many other freethinkers in his essays and poems. Where had you been then? Or do you suggest that he should only write poems when a freethinker or a non-muslim is being attacked by Islamist zealots, but not when Gaza is being attacked by Israel? Why that double standard, Adnan?

  6. adnan lermontov জানুয়ারী 14, 2009 at 3:31 পূর্বাহ্ন - Reply


    this is not a poem at all, rather something looks like a poem.

    why this poem? why now?

  7. অভিজিৎ জানুয়ারী 14, 2009 at 2:19 পূর্বাহ্ন - Reply

    নির্লজ্জ এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কেবল হামাসকে দায়ী করা (উপরে ট্রুথ সিকার সাহেবের মন্তব্য দ্রঃ) কেবল সত্যের অপলাপ। প্রথমত, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় – হামাস এক সময় মোটেও র‌্যাডিকাল গ্রুপ ছিলো না। প্যালেস্টাইনের অচেনা ক্ষুদ্র একটা শক্তি ছিলো মাত্র। সে সময় হামাসকে প্রশ্রয় দিয়েছিল ইসরায়েলই। যাতে দীর্ঘদিনের সংগ্রামী আরাফাত আর পিএলও-র একটা প্রতিদ্বন্দ্বী সৃষ্টি করা যায়। যে সময় গুলোতে পিএলও সব দিক রক্ষা করে আপসের লাইনে গিয়েছে, ক্লিনটনকে মাঝখানে রেখে শ্যারনের সাথে হ্যান্ডশেক নাটকে অভিনয় করতে গেছে আরাফাত, সে সময় নিজেদের অবরুদ্ধতাকে আর আগ্রাসনকে পুঁজি করে হামাস জনপ্রিয় হয়েছে। এখন কেবল হামাসকে দোষারোপ করে ইসরায়েল তার দায় এড়াতে পারে না। বলা নিষ্প্রয়োজন, হামাস কিন্তু জনগনের ভোটেই নির্বাচিত। যে ‘পিতলা ডেমোক্রেসির’ জন্য পশ্চিমা বিশ্ব আজ অন্তপ্রাণ – সেই ডেমোক্রেটিক পথেই হামাস ক্ষমতায় গেছে। কাজেই তাদের কেবল ‘টেরোরিস্ট’ আখ্যা দিয়ে সমস্যা সমাধান নিরপেক্ষ ‘ট্রুথ-সিকিং’ এর অন্তরায় বলেই মনে করি।

    আর হাসান আল – অসামান্য কবিতাটার জন্য ধন্যবাদ পাওনা রইলো। প্রতিটি অক্ষর যেন বারুদ।

  8. Truthseeker জানুয়ারী 13, 2009 at 7:12 অপরাহ্ন - Reply


    Horrific indeed!! But then, without that kind of show of strength, Israel would have ceased to exist a long time ago. I cannot still sympathize with the Hamas, Hezzbollah type of terrorism against Israel. Israel had occupied the Gaza for many years and then turned it over to the Palestinians in a systematic withdrawal, uprooting thousands of Jewish settlers. This was the right thing to do [ending the occupation of Palestinian territory]. The moderates within the PLO recognize this and understand that it is a gesture of peaceful coexistence. The radicals deny Israel’s right to exist and continue to attack in a cowardly fashion. The major losses from the latest Israeli incursion into the Gaza come from Hamas using innocent civilians as a human shield, hiding ammunition in schools and hospitals etc. Those tactics do not work against the Israelis who are totally determined to root out the enemy. The net result is a huge loss of human life, resulting in more animosity. That is what the Iranians and Syrians want. Without the Israeli presence in the Middle East, the Islamic fundamentalists would play havoc.

মন্তব্য করুন