আমাদের মরণোত্তর চক্ষুদান

 

আমাদের মরণোত্তর চক্ষুদান

অনন্ত বিজয়

 

 

 


অনন্ত বিজয়, বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক।  যুক্তি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।  মুক্তমনার একজন নিবেদিতপ্রাণ সদস্য। সংরক্ষনশীল সনাতন ধর্মের মিথ, কুসংস্কার এবং অনুদার সমাজ কাঠামোর একজন প্রবল সমালোচক। মানবতা এবং যুক্তিবাদ প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৬ সালে মুক্তমনা এওয়ার্ড পেয়েছেন।  ইমেইল – [email protected]

বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানমনস্কতার ছোটকাগজ 'যুক্তি'র সম্পাদক। মানবতা এবং যুক্তিবাদ প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৬ সালে মুক্তমনা র‌্যাশনালিস্ট অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। প্রকাশিত প্রবন্ধ গ্রন্থ : (১) পার্থিব, (সহলেখক সৈকত চৌধুরী), শুদ্ধস্বর, ঢাকা, ২০১১। (২) ডারউইন : একুশ শতকে প্রাসঙ্গিকতা এবং ভাবনা, (সম্পাদিত), অবসর, ঢাকা, ২০১১। (৩) সোভিয়েত ইউনিয়নে বিজ্ঞান ও বিপ্লব : লিসেঙ্কো অধ্যায়, শুদ্ধস্বর, ঢাকা, ২০১২। (৪) জীববিবর্তন সাধারণ পাঠ (মূল: ফ্রান্সিসকো জে. আয়াল, অনুবাদ: অনন্ত বিজয় দাশ ও সিদ্ধার্থ ধর), চৈতন্য প্রকাশন, সিলেট, ২০১৪

মন্তব্যসমূহ

  1. salam জুলাই 23, 2009 at 7:48 পূর্বাহ্ন - Reply

    সাত হাজার বছরের অন্ধকার মুক্ত এইসব তরুণদেরকে অভিনন্দন! এতে পরিস্কার বুঝা যায় আমাদের ভবিষ্যত পৃথীবিটা হবে খুবই বিঞ্জ্যান ভিত্বক।আজকের যে মরণোত্তর নিজ চক্ষু বা দেহ দনের অঙ্গিকারের কাজটা নিজেই করতে হয় তা একদিন হয়তো হবে একটা মজার ইতিহাস আগামী দিনের বিঞ্জ্যান মনস্ক একজন নৌকার মাঝি কিম্বা একজন কৃষকের কাছে। আজকের সমাজের আমরা গ্রামের সাধারণ মানুষরাও জানি মানুষ মরার ২৪ ঘণ্টা পরও শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নষ্ট হয় না। মানে নির্দৃষ্ট সময় পর্যন্ত মৃত দেহের প্রতিটি কোষ জিতা থাকে। একমাত্র বিঞ্জ্যান ও বিঞ্জ্যানমনস্কতাই পারে মানুষকে তথাকথিত ভয় ও লোভ থেকে মুক্ত করে আনতে।মানব শরীর গাড়ি-ঘোড়ার যন্থ্র পাতির মতই একদিন আজকের এই অনগ্রসর সমাজে ব্যবহার করবে মানুষ।

  2. opu ফেব্রুয়ারী 22, 2009 at 11:56 পূর্বাহ্ন - Reply

    great !

  3. SUMON ফেব্রুয়ারী 3, 2009 at 7:22 অপরাহ্ন - Reply

    It’s a great gift for human being.Yours work encourge to society to realise his duity and liability. I thanks to Anantada,Liton,Monir and all members.

    Sumon
    Metropolitan university,
    Sylhet,
    Bangladesh.

  4. জাহেদ আহমদ ডিসেম্বর 23, 2008 at 2:23 অপরাহ্ন - Reply

    নয় জন মানবতাবাদী তরুণের মধ্যে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে মুসলিম অরিজিনের দেখছি ৫০% এর ও কম। মুসলমানদের কৃপন মননের উত্তম উদাহরন এটি। 🙁

  5. ফরিদ ডিসেম্বর 20, 2008 at 8:12 অপরাহ্ন - Reply

    এ রকম একটা মানবতাবাদী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার জন্য অনন্ত এবং তার তরুণ বন্ধুদের প্রতি রইলো আমার প্রাণঢালা অভিনন্দন।

  6. Biplab Pal ডিসেম্বর 20, 2008 at 7:47 অপরাহ্ন - Reply

    শ্রোভে গা না ভাসিয়ে শ্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্যে অনন্ত সব সবাইকে সংগ্রামী অভিনন্দন।

  7. মামুন ডিসেম্বর 20, 2008 at 5:06 অপরাহ্ন - Reply

    অভিজিৎ এর মতের সাথে একমত হয়ে অনন্তদের বলছি তোমরা স্রোতের একেবারে বিপরীতে দাড়িয়ে যে মানবতাবাদী উদাহরন সৃষ্টি করলে তা বাঙালীদের জীবনে এক মাইলফলক স্বর্নময় কাজের নিদর্শন ও আলোকবর্তিতা প্রমান হয়ে থাকবে।

    ভালো থেকো।
    মামুন,
    সুইডেন।

  8. Hasan Mahmud ডিসেম্বর 20, 2008 at 12:49 অপরাহ্ন - Reply


    Great !

    We need to follow it up – with the whole body

    Keep it up – this is the essence of humanity.

    Hasan Mahmud.

  9. অভিজিৎ ডিসেম্বর 20, 2008 at 11:59 পূর্বাহ্ন - Reply

    এটা একটা খুবই ভাল কাজ হয়েছে, অনন্ত। এভাবেই মানুষের সচেতনতা জাগাতে হবে। শুধু চোখ না, আমি তো চাই সকলে মরণোত্তর দেহদান করে যাক। যাত্রা শুরু হোক এখান থেকেই। মনে আছে তো আরজ আলী মাতুবুবর তার মৃতদেহ মেডিকেলে দান করা নিয়ে কি লিখেছিলেন?

    ‘…আমি আমার মৃতদেহটিকে বিশ্বাসীদের অবহেলার বস্তু ও কবরে গলিত পদার্থে পরিণত না করে, তা মানব কল্যাণে সোপর্দ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। আমার মরদেহটির সাহায্যে মেডিক্যাল কলেজের শল্যবিদ্যা শিক্ষার্থীগন শল্যবিদ্যা আয়ত্ব করবে, আবার তাদের সাহায্যে রুগ্ন মানুষ রোগমুক্ত হয়ে শান্তিলাভ করবে। আর এসব প্রত্যক্ষ অনুভূতিই আমাকে দিয়েছে মেডিকেলে শবদেহ দানের মাধ্যমে মানবকল্যাণের আনন্দলাভের প্রেরণা’

    শুধু আরজ আলী মাতুব্বর নয় – ড. আহমেদ শরীফ, ড. নরেন বিশ্বাস, ওয়াহিদুল হক কিংবা গায়ক সঞ্জীব চৌধুরী যা করেছেন তা হোক সকলের অনুপ্রেরণা।

    জাহিদ রাসেলের একটা চমৎকার প্রবন্ধ আছে এ নিয়ে

    অনন্তকে আবারো ধন্যবাদ জানাই চমৎকার একটি উদ্যোগ নিয়ে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য।

মন্তব্য করুন