ডেমোক্রিটাসঃ দূর কালের এক দূরদর্শী দার্শনিক, পর্ব ১

By |2008-11-25T23:06:12+00:00নভেম্বর 25, 2008|Categories: দর্শন, বিজ্ঞান, সমাজ|1 Comment

 

ডেমোক্রিটাসঃ দূর কালের এক দূরদর্শী দার্শনিক

 ফরিদ আহমেদ

(পর্ব-১) 

Considering the state of knowledge in Democritus’s day, his worldview “remains one of the supreme achievements of scientific thought”. – Farrington. 

এই বিশ্ব ব্রক্ষ্মাণ্ড কি দিয়ে তৈরি? এটাই ছিল প্রাচীন যুগের গ্রীক বিজ্ঞানীদের কাছে সবচেয়ে বড় জিজ্ঞাসা। এই প্রশ্নের উত্তর জানপ্রাণ দিয়ে খুঁজে বেড়িয়েছেন তারা। কিন্তু তার উত্তর কারো পক্ষেই সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি সেই সময়। সেই যুগের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মাত্র দুজনের ওই প্রশ্নের অমূল্য উত্তর সঠিকভাবে জানা ছিল বলে ধারণা করা যায়। এর মধ্যে একজন হচ্ছেন ডেমোক্রিটাস (Democritus)।  

 

                 ডেমোক্রিটাস (খ্রীষ্টপূর্ব ৪৬০ খ্রীষ্টপূর্ব ৩, আনুমানিক)  

থেলস (Thales) সহ সেই সময়ের বিখ্যাত সব দার্শনিকেরা প্রস্তাব করেন যে পানি এবং বাতাসই হচ্ছে সব বস্তুগত জিনিষের মূল ভিত্তি। কিন্তু ডেমোক্রিটাস এই ধারণার বিপরীতে যেয়ে তার শিক্ষক লিউসিপাসের (Leucippus) ধারণাসমূহের উপর ভিত্তি করে বলেন যে, সব বস্তুই অদৃশ্য সূক্ষ্ণ বীজ বা কণা যাকে এটম বলা হয় তা দিয়ে গঠিত। ডেমোক্রিটাসকে পরমাণু তত্ত্বের উদ্ভাবক বলে কৃতিত্ব দেওয়া হয় এবং প্রথম পরমাণুবাদী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তবে তাদের সমসাময়িক এবং উত্তরসূরীদের মধ্যে খুব অল্প সংখ্যকই সেই ধারণাকে গ্রহণ করেছিলেন। ডেমোক্রিটাস এবং তার শিক্ষক এমনই এক ধারণাকে প্রস্তাব করেছিলেন যা ছিল সময়ের তুলনায় বহু বহু গুণ অগ্রসর। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সেই সময়কার বৈজ্ঞানিক প্রধান ধারার পক্ষে তা হজম করা সহজসাধ্য ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে কিছু সংখ্যক প্রাচীন বৈজ্ঞানিক ডেমোক্রিটাসের পরমাণুর ধারণাকে পুনরুদ্ধার ও পরিবর্ধিত করেন এবং এর গুরুত্ব অনুধাবন করে তা চালান করে দেন পরবর্তী যুগসমূহে।   

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, শুধুমাত্র পরমাণু তত্ত্বের ক্ষেত্রেই ডেমোক্রিটাস নিখুঁত ছিলেন তা না। তার দীর্ঘ, বর্নাঢ্য এবং সৃষ্টিশীল জীবনে তিনি এরকম অসংখ্য অবদান রেখে গেছেন। অসম্ভব মেধাবী এবং বৈচিত্র্যময় মননের অধিকারী ছিলেন তিনি। বিশাল বিস্তৃত ব্যাপক বিষয়সমূহের উপর আগ্রহ এবং গবেষণা চালিয়েছেন তিনি। গণিত, জোতির্বিদ্যা, জীববিজ্ঞান, মেডিসিন, ভূগোল, দর্শন, মনোবিজ্ঞান এবং নীতিশাস্ত্র বিষয়ে হাত খুলে লেখালেখি করেছেন এবং অসংখ্য তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে গ্রীক জীবনীকার ডিওজেনেস লায়ার্টিয়াস (Diogenes Laertius) ডেমোক্রিটাসের কাজের যে তালিকা করেছিলেন তার মধ্যে সামান্য কয়েকটি হচ্ছে এরকমঃ The Great Cosmos, On the Planets, On Nature, On Reason, On the Senses, On the Soul, On the Criteria of Logic এবং  Ethical Reflections.  

দুর্ভাগ্য যে এগুলোসহ ডেমোক্রিটাসের অন্যান্য লেখাসমূহ সবই হারিয়ে গেছে। অবশিষ্ট আছে সামান্য কিছু ভগ্নাবশেষ এবং পরবর্তীতে অন্য সব লেখকদের লেখায় তার তত্ত্বসমূহের সংক্ষিপ্ত আলোচনা। তার কাজের এই হারিয়ে যাওয়াকে একবাক্যে অপূরণীয় ক্ষতি বলে মেনে নিয়েছেন আধুনিক বিজ্ঞান ইতিহাসবেত্তারা। গিওর্গিও সান্টিলানা (Giorgio Santillana) বলেছেন,  

ডেমোক্রিটাসের ছিল বিশ্বজনীন মনন এবং ধারন করেছিলেন তার সময়ের সমস্ত জ্ঞানকে। তার কাজ সভ্যতার কাছ থেকে হারিয়ে যাওয়াটা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি। কাজেই এটা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, যদি ডেমোক্রিটাসের প্রধান কাজগুলো টিকে থাকতো, তাহলে হয়তো বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার বিবর্তন পুরোপুরি ভিন্নভাবে হতো। 

অচিন দেশের রাজার কুমার 

I came to Athens and no one knew me. – Democritus 

ডেমোক্রিটাসের জন্ম হয়েছিল খ্রীষ্টপূর্ব ৪৬০ সালে থ্রেসের (উত্তর এজিয়ান সাগরের পারের রুক্ষ গ্রীকে) ছোট্ট শহর আবডেরাতে।  শুধুমাত্র এই তথ্যটুকু ছাড়া ডেমোক্রিটাসের শৈশব সম্পর্কে তেমন কিছুই আর জানা যায় না। মজার বিষয় হচ্ছে যে, সেই সময় ওই অঞ্চলকে সাংস্কৃতিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পশ্চাদপদ গণ্ডগ্রাম বলে মনে করা হতো। আর সেখানেই কিনা জন্মেছিলেন প্রাচীন গ্রীসের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যক্তিটি! এথেন্স সহ গ্রীসের অন্যান্য বড় শহরগুলোর লোকজনেরা আবডেরাবাসীদেরকে অজপাড়াগেঁয়ে এবং হাবলু মানসিকতার বলে ঠাট্টা মশকরা করতো। 

আবডেরার জন্য এই ধরনের বিশেষণ একটু অন্যায়ই ছিল বৈকি। যদিও এটা সত্যি যে, সেই সময়ে থ্রেস সাংস্কৃতিকভাবে পশ্চাদপদ ছিল। কিন্তু আবডেরার সাংস্কৃতিক এবং আত্মিক শিকড় অনেক উঁচু মার্গের ছিল। ডেমোক্রিটাসের জন্মের প্রায় শতখানেক বছর আগে এশিয়া মাইনরের নিয়ন্ত্রন নিয়ে নিয়েছিল পার্সিয়ানরা। পার্সিয়ানদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আইয়োনিয়ান শহর থেল থেকে পলাতক লোকজনেরা আবডেরা শহরের পত্তন করেছিল। আবডেরা শুধু ডেমোক্রিটাসেরই জন্ম দেয়নি, জন্ম দিয়েছে বিখ্যাত দার্শনিক প্রটাগোরাস (Protagoras) ( খ্রীষ্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দী), এবং এনাক্সারচাস (Anaxarchus) (খ্রীষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী)। কাজেই যে শহর এরকম অসামান্য সব মেধার জন্ম দিতে পারে তাকে জ্ঞানগরিমায় এথেন্স থেকে নিম্নমানের মনে করাটা খুবই দুঃখজনক। 

তবে এটাও ঠিক যে, এথেন্স ছিল গ্রীসের সাংস্কৃতিক মূলকেন্দ্র। বিভিন্ন জায়গা থেকে অসংখ্য তরুণ শিল্পী, দার্শনিক এবং পণ্ডিতেরা ঝাঁকে ঝাঁকে পাড়ি দিয়েছে এথেন্সে। শুধুমাত্র এই লোভে যে, তারা হয়তো বিখ্যাত সব চিন্তাবিদিদের সাথে পরিচিত হতে পারবে এবং তাদের সাথে মেলামেশার সুযোগে জানতে পারবে অজানা সব জ্ঞান। আর সেই সুবাদে একদিন তাদের মধ্যে কেউ কেউ হতে পারবে বিখ্যাত কেউ। ঠিক কবে ডেমোক্রিটাস এথেন্সে এসে পৌঁছায় তা অবশ্য অজানা। খুব সম্ভবত তার বাবার মৃত্যুর পর তরুন ডেমোক্রিটাস এথেন্সে এসে হাজির হন।  

এথেন্সে এসে শুরুতেই ডেমোক্রিটাস বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিসের খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন। কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারণে তিনি সক্রেটিসের সাথে পরিচিত হন নাই। অচেনা পরিবেশে হয়তো লজ্জা বা সংকোচের কারণে নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন তিনি। তবে আজ এতদিন পরে তা আর জানার কোন উপায় নেই। ডেমোক্রিটাস নিজেই লিখেছিলেন,  

আমি এথেন্সে এলাম ঠিকই কিন্তু সেখানকার কেউই আমাকে চিনতো না। 

ডেমোক্রিটাস ছিলেন ভ্রমণবিলাসী মানুষ। তবে সেই ভ্রমণ ছিল মূলতঃ জ্ঞানের অন্বেষায়। এথেন্সে আসার পরে পরবর্তী কয়েক বছরে ডেমোক্রিটাস দূর দূরান্তে ভ্রমণে যান। প্রথমে যান মিশরে। স্থানীয় যাজকদের কাছ থেকে জ্যামিতি শেখার জন্য। মিশরীয় যাজকেরা তাদের গাণিতিক জ্ঞানের জন্য সুবিখ্যাত ছিলেন। তারপর তিনি ভ্রমণ করেন পার্সিয়া। জ্ঞানে বিজ্ঞানে পার্সিয়ান যাজকরা তখন পৃথিবী বিখ্যাত। খুব সম্ভবত ডেমোক্রিটাস ভারতবর্ষও ভ্রমণ করেছিলেন। সেই সময় ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল থেকে খুব কম সংখ্যক লোকই ভারতে ভ্রমণ করতো। ডেমোক্রিটাসের নিজের ভাষাতেই,  

আমার সমসাময়িক ব্যক্তিদের মধ্যে আমি হচ্ছি সবচেয়ে ভ্রমণবিলাসী মানুষ। দূর দূরান্তে গিয়েছি আমি জ্ঞানের অন্বেষায়। অন্য যে কারো চেয়ে অনেক বেশি দেশ এবং অঞ্চল ঘুরেছি আমি। অসংখ্য জ্ঞানী মানুষের কাছ থেকে শুনেছি দারুণ দারুণ সব জ্ঞানের কথা। 

পূর্ণ এবং শূন্য 

Nothing exists except atoms and empty space; everything else is opinion. – Democritus

ডেমোক্রিটাস কী তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্বগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য বিদেশী পণ্ডিতদের কাছ থেকে শিখেছিলেন? আধুনিক কিছু পণ্ডিত দাবী করেন যে, ডেমোক্রিটাস হয়তো তার পরমাণু সংক্রান্ত ধারণা ভারতীয় মনীষীদের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। তবে দূরবর্তী যেখান থেকেই তিনি ধারণা পেয়ে থাকুন বা শুনে থাকুন না কেন, এ ব্যাপারে কোন সংশয় নেই যে, তার নিজস্ব কাজ মূলতঃ লিউসিপাসের কাজেরই বিস্তৃতি। লিউসিপাসের ধারণাকেই ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করেছেন তিনি।

লিউসিপাসের বস্তুর তত্ত্ব মূলতঃ ছিল পিথাগোরিয়ানদের কিছু কিছু ধারণার প্রতিক্রিয়া। পিথাগোরিয়ানরা দাবি করতো যে, প্রকৃতির মূল উপাদান অপরিবর্তনীয় এবং অবিনশ্বর। পিথাগোরিয়ানদের এটুকু পর্যন্ত লিউসিপাসের কোন সমস্যা ছিল না। বরং এর সাথে তিনি একমতই ছিলেন। কিন্তু পিথাগোরিয়ানরা এই ধারণা পোষণ করতেন যে, এই মৌল উপাদানের আসল প্রকৃতি যাই হোক না কেন তা অবিশ্রান্ত (continuous) এবং সর্বব্যাপী ( all-encompassing) অর্থা কোন ধরনের বাধা ছাড়াই তা ছড়িয়ে আছে সারা মহাশূন্যে। গ্রীকরা এই পদার্থের এই অবিশ্রান্ত গুণকে প্লেনাম (plenum) বলতো। লিউসিপাসের কাছে প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যাপক বৈচিত্রকে ব্যাখ্যা করার জন্য প্লেনামের ধারনা খুব একটা সন্তোষজনক ছিল না।

লিউসিপাস এবং ডেমোক্রিটাসের পরমাণু তত্ত্বের শুরুই হয়েছে এভাবে যে, বস্তুর মূল উপাদান অপরিবর্তনীয় এবং অবিনাশ্য হলেও তা অবিশ্রান্ত নয়। তার বদলে ওই মৌল উপাদান দুটো গুণের সমন্বয়ে গঠিত। যার একটি হচ্ছে পূর্ণ এবং অন্যটি হচ্ছে শূন্য। পূর্ণ হচ্ছে পদার্থ, অসীম সংখ্যক অদৃশ্যমান ক্ষুদ্র কণিকা বা এটম দিয়ে গঠিত। আর শূন্য হচ্ছে খালি, যা এটমকে একে অন্যের কাছ থেকে আলাদা করে দেয়। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, যদিও সকল এটম একই ধরনের উপাদান, তাদের আকৃতি, মাপ এবং বিন্যাস ভিন্ন ধরনের। প্রকৃতির বিভিন্ন বস্তু এবং উপাদান হিসাবে মানুষ যা অবলোকন করে তা আসলে বিভিন্ন মাপের এবং আকৃতির এটমের বিভিন্ন এবং বৈচিত্র্যময় যূথবদ্ধতা। বস্তুর অস্তিত্ব তৈরি হয় তখনই যখন এটমসমূহ একত্রিত হয়। এটমসমূহ যখন বিচ্ছিন্ন হয়ে পূনঃ দলবদ্ধ হয় তখন বস্তু তার আকৃতি পরিবর্তন করে। বস্তু ধ্বংস হয় তখনই যখন এটমসমূহ ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে।

এই তত্ত্বে ডেমোক্রিটাসের অন্যতম একটি অবদান হচ্ছে কিভাবে এটমসমূহ একত্রিত হয়ে প্রকৃতির অসংখ্য বৈচিত্র্যময় উপাদান বা বস্তুর সৃষ্টি হয়। ষষ্ঠ শতাব্দীতে গ্রীক দার্শনিক সিম্পিলিসিয়াস (Simplicius) ডেমোক্রিটাসের হাইপোথিসিস বর্ণনা করেছেন এভাবেঃ 

পরমাণুসমূহের অসাদৃশ্য এবং অন্যান্য পার্থক্যের কারণে তারা যখন শূন্যস্থানের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে থাকে তখন একে অন্যের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। বিক্ষিপ্ত চলাচলের সময় একে অন্যের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় এর মাধ্যমে তারা পরস্পর বিজড়িত হয়ে হয়ে কাছাকাছি আসে। কিন্তু কখনোই তা থেকে আসলে কোন একক বস্তুর সৃষ্ট হয় না। কারণ এটা একটা অবাস্তব বিষয় যে দুই বা ততোধিক বস্তু কখনো এককে পরিণত হতে পারে। ডেমোক্রিটাস মনে করতেন যে, কোন একটা নির্দিষ্ট সময়ে পরমাণূসমূহ একত্রিত থাকতে পারে শুধু এ কারণে যে তারা একে অন্যের সাথে খাপে খাপে মিলে যায় একে অন্যকে আকড়িয়ে ধরেঃ পরমাণূগুলোর কারো কারো রয়েছে অমসৃণ পার্শ্বদেশ, ফলে একজন আরেকজনের সাথে জোড়া লেগে যায় সহজে, এদের মধ্যে কিছু উত্তল তো অন্যেরা অবতল, কিছু আছে অসংখ্য ধরনের আকৃতি সম্পন্ন। তিনি মনে করতেন যে, পরমাণুর চারপাশে ঘিরে থাকা আরো বৃহ কোন অপরিহার্যতা এসে ঝাঁকুনি দিয়ে তাদেরকে না ছত্রভঙ্গ করা পর্যন্ত পরমাণুর এই অনিচ্ছুক মিল মহব্বত চলতেই থাকে। তিনি পরমানূর এই একত্রিত হওয়া এবং এর বিপরীত ছত্রভঙ্গ হওয়াকে শুধুমাত্র প্রাণীর ক্ষেত্রে ঘটেছে বলে বলেননি। বরং তা উদ্ভিদ, বিশ্বজগ এবং প্রতক্ষ্যমান সকল বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে মনে করতেন।

 

                                                                                     (চলবে)

মায়ামি, ফ্লোরিডা।                                                                      [email protected]                                                             

About the Author:

একটি মন্তব্য

  1. luna shirin নভেম্বর 26, 2008 at 12:58 পূর্বাহ্ন - Reply

    ফরিদ,

    আপনার লেখা পড়লে মনে হয় প্রচুর পড়াশোনা করে একটা লেখা দাঁড় করিয়েছেন, সেইজন্য পাঠকের পক্ষ থেকে আপনার অর্জিত জ্ঞান কে সাধুবাদ জানাচ্ছি, কিন্তু জানেন ফরিদ আপনার লেখা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমার মত সাধারণ লেখা কে পাঠক কোন জায়গা থেকে বিবেচনা করে? আমি তো শুধু বয়ে যাওয়া এই জীবনের কথাই বলছি। আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো আমার জানার পরিধিকে অনেক সম্মৃদ্ধ করবে, ধন্যবাদ।

    লুনা

মন্তব্য করুন